Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Narendra Modi: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে,” কোচবিহারে কড়া হুঁশিয়ারি মোদির

    Narendra Modi: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে,” কোচবিহারে কড়া হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে।” কোচবিহারের মঞ্চ থেকে এমনই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর এই প্রথম বাংলায় মোদি। কোচবিহারের বিদায়ী সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে প্রচারে এসেছেন নরেন্দ্র মোদি। সভায় তাঁর পাশে উপস্থিত বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারও। কোচবিহারের রাসমেলা ময়দান থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন তৃণমূল সরকার কীভাবে সন্দেশখালির অপরাধীদের বাঁচানোর জন্য পুরো শক্তি লাগিয়ে দিল! সেখানে মহিলাদের ওপর কী ধরনের অত্যাচার হয়েছে। এখন বিজেপি সংকল্প নিয়েছে, সন্দেশখালির দোষীদের শাস্তি দিয়েই ছাড়বে। সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে।

    আরও পড়ুন: “মতুয়া মেলা বন্ধ করার চক্রান্ত করছে তৃণমূল”, সরব শান্তুনু ঠাকুর

    তৃণমূলের দুর্নীতির জন্য প্রকল্প সময়ে শেষ হয় না রাজ্যে

    গরিবদের লুটেরাদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করেছে মোদি। দেশ যাতে ভ্রষ্টাচারমুক্ত হয়, দেশ যাতে আতঙ্কবাদ মুক্ত হয়, তার জন্য কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। আপনারাই বলুন যারা আপনাকে লুটেছে, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত কিনা? দিনরাত মোদিকে গালি দেয়। তোলাবাজি, খুন খারাবির রাজনীতি এভাবে চলছে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে দুর্নীতিতে যুক্তদের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ হবে। এটা তৃণমূলকে যোগ্য জবাব দেওয়ার সময়। বাংলার জনতার জন্য যে যোজনা আনি, বাংলার সরকার এখানে সেটা হতেই দেয় না। আয়ুস্মান ভারত প্রকল্পকে আটকেছে। তৃণমূল সরকার করতেই দিচ্ছে না। যদি এখানে এই প্রকল্প হত, তাহলে অন্য রাজ্যেও পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা হত। সব জেলাতে একটা করে মেডিক্যাল কলেজ করতে চায় বিজেপি। তৃণমূল সেটা করতে দিচ্ছে না। বাংলাকে রেকর্ড পয়সা দেওয়ার পরও দুর্নীতির জন্য প্রকল্প সময়ে শেষ হয় না। রেশন দুর্নীতিতে, শিক্ষা দুর্নীতি যারা জড়িত, তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের মন্ত্রীদের থেকে নোটের পাহাড় উদ্ধার হয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    কৃতজ্ঞতা জানালেন মোদি

    কোচবিহারের রাসমেলা ময়দান থেকে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতেই বলেন, যখন রাস্তা দিয়ে আসছিলাম, দেখে মনে হচ্ছিল, যেন কোনও রোড শো হচ্ছে। আপনাদের এই ভালোবাসা আমার মাথায় রয়েছে। আমি সবার প্রথমে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাইছি। ২০১৯ সালে যখন আমি এই ময়দানেই এসেছিলাম, তখন এখানে মাঝখানে একটা বড় মঞ্চ বানিয়ে ময়দানের জায়গা ছোট করে দিয়েছিলেন তিনি। যাতে মোদির কথা কেউ শুনতে না পারে। সেদিন আমি মমতাদিদিকে বলেছিলাম, দিদি আপনি এটা করে ভুল করলেন, মানুষ জবাব দেবে, সেটাই হয়েছে। কিন্তু, আজ মমতাদিদি সেরকম কিছুই করেননি। ময়দান ছেড়ে দিয়েছেন। আপনাদের সকলের মুখ আজ আমি দেখতে পারছি। বাংলার জনগণের মুখ দেখার জন্য কোনও বাধা না দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: দিনভর জনসংযোগে কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী, জয়ের বিষয়ে আশাবাদী রানিমা

    Nadia: দিনভর জনসংযোগে কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী, জয়ের বিষয়ে আশাবাদী রানিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের রাজবধূ অমৃতা রায়কে প্রার্থীকে করে মাস্ট্রার স্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। কারণ, বিজেপি প্রার্থী ও তাঁর বংশ নিয়ে তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু ছোট-বড় সব স্তরের নেতারা আক্রমণ করছেন। বোঝাই যাচ্ছে, রানিমা প্রার্থী হওয়ায় নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে তৃণমূল বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে।

    জনসংযোগে রানিমা (Nadia)

    তৃণমূল লাগাতার আক্রমণ করলেও বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে রানিমা নিজের কেন্দ্রে দিনভর নিজেকে জনসংযোগে ব্যস্ত রাখলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি রাজবাড়ি থেকে বেরিয়ে কৃষ্ণনগর (Nadia) আমিনবাজারের পৌঁছান। সেখানে প্রচুর সংখ্যক কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে পদযাত্রা করেন। রানিমাকে দেখার জন্য রাস্তার দুধারে সাধারণ মানুষ জমায়েত হন। এরপর বিভিন্ন বাজার, রাস্তাঘাট সহ একাধিক এলাকাগুলিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভোটের আবেদন করেন তিনি। তবে, একটা সময় গেছে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রানিমাকে অনেকে দর্শন করতে পারতেন না। কিন্তু, নির্বাচনে তাঁর নাম ঘোষণা হওয়ার পরে তিনি জনসমক্ষে বেরিয়ে আসেন। আর রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বর্তমান রাজবধূকে একবার দেখার জন্য স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে এক অন্য অনুভূতি থেকেই থাকে। আর তাই প্রার্থীকে দেখার জন্য রাস্তায় ভিড় জমাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: “মতুয়া মেলা বন্ধ করার চক্রান্ত করছে তৃণমূল”, সরব শান্তুনু ঠাকুর

    জয়ের বিষয়ে আশাবাদী রানিমা

    ভোট প্রচারের মধ্যে দিয়ে অমৃতা রায় বলেন, ভোটে দাঁড়ানোর পর থেকেই কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী থেকে শুরু করে অন্যান্য রাজনৈতিকদলের প্রার্থীরা আমাকে বিভিন্ন ভাষায় মন্তব্য করছেন। কিন্তু, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমি আশাবাদী, লোকসভা নির্বাচনে মানুষের রায়ে আমি জয়যুক্ত হব। অন্যদিকে, নাকাশিপাড়া থানা এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীকে খুন করার ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সকালে এই ঘটনার কথা আমি জানতে পারি। এই মর্মান্তিক ঘটনা, যে বা যারা করুক তারা যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায় তার ব্যবস্থা করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে আমি আর্জি জানাচ্ছি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ভোটের মুখে স্ত্রী-সন্তানের সামনেই তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, শোরগোল

    Nadia: ভোটের মুখে স্ত্রী-সন্তানের সামনেই তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখেই আট বছরের সন্তান ও স্ত্রীর সামনেই নদিয়ার (Nadia) নাকাশিপাড়ায় তৃণমূল কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জাহিদুল শেখ। তিনি তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সাগিরা বিবির স্বামী। তিনিও স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হন। এই ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে আটক করেছে। ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, লোকসভা ভোটের আগে এই খুনের ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাকাশিপাড়ার (Nadia) তৃণমূল কর্মী নিজেদের গাড়িতে ইদের বাজার করতে গিয়েছিলেন। গাড়িতে চালক ছাড়া আর তিন জন অর্থাৎ জাহিদুল ও তাঁর স্ত্রী- পুত্র ছিলেন। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা মাঝ রাস্তায় প্রথমে বোমাবাজি, পরে খেজুর গাছের গুড়ি রাস্তায় ফেলে তাঁদের গাড়ি আটকায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাড়ির মধ্যে ধারাল অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা। গাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে বার করে এনে তাঁকে কোপাতে থাকে বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন জাহিদুল। অভিযোগ, তারপরও তাঁকে আরও কোপানো হয়। আট বছরের সন্তানের সামনেই এসব চলতে থাকে। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁর স্ত্রী। ধারাল অস্ত্রের আঘাত তাঁর শরীরেও পড়ে। আক্রান্ত হয় আট বছরের ছোট সন্তানও। স্থানীয় বাসিন্দারাই আর্তনাদ শুনতে পেয়ে ছুটে আসেন। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় বেথুয়াডহরি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকিরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    আরও পড়ুন: “মহিলা-তরুণদের কাছে যান”, ভিডিও-বার্তায় বঙ্গ বিজেপিকে নির্দেশ মোদির

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে মৃত জাহিদুল শেখের ভাইপো বাসির শেখ বলেন, আমার কাকা এবং তার পরিবারকে নিয়ে যখন ঈদের বাজার করে বেথুয়া থেকে বাড়ি ফিরছিল, ঠিক তখনই তাদেরকে রাস্তা আটকানো হয় এবং বোমাবাজি করা হয়। পরবর্তীকালে এলোপাথাড়ি কোপায় দুষ্কৃতীরা। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটালো সেই সম্পর্কে আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: ভোটে লিড দিলেই মোটরবাইক পুরস্কারের টোপ তৃণমূলের, কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    Darjeeling: ভোটে লিড দিলেই মোটরবাইক পুরস্কারের টোপ তৃণমূলের, কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) বিজেপি প্রার্থী  রাজু বিস্তার মনোনয়নে বুধবার জনজোয়ার হয়েছিল পাহাড়ে। বিমল গুরুংকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দেন বিজেপি প্রার্থী। বিজেপি-র এই জনজোয়ার দেখে বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে তৃণমূল। দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে পুরস্কারের টোপ দেওয়া শুরু করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ভোটে লিড দাও, পুরস্কার নাও। দলীয় নেতাদের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিচ্ছেন তৃণমূল জেলা নেতৃত্ব। কমিশনে অভিযোগ জানাবে বিজেপি।

    কী পুরস্কারের কথা ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেতৃত্ব? (Darjeeling)  

    দার্জিলিং (Darjeeling) লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী গোপাল লামাকে নিয়ে মহকুমার ফাঁসিদেওয়ার একাধিক জায়গায় প্রচার করেন দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পাপিয়া ঘোষ। ছিলেন ফাঁসিদেওয়া সাংগঠনিক-২ ব্লকের সভাপতি তথা এসজেডিএ-এর সদস্য কাজল ঘোষ। সেখানে তাঁরা ঘোষণা করেছেন, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হলে বুথ সভাপতি থেকে অঞ্চল সভাপতিদের বাইক থেকে দামি সাইকেল উপহার দেওয়া হবে। একই কথা শোনা যাচ্ছে দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষের মুখেও। তিনি অবশ্য নির্দিষ্ট করে কিছু বলছেন না। শুধুমাত্র উপহারের কথাই ঘোষণা করছেন। তৃণমূল নেতা কাজলের কথায়, “গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতিদের মধ্যে যিনি সব থেকে বেশি ভোটে লিড দিতে পারবেন তাঁকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি মোটরবাইক দেওয়া হবে।” একই ভাবে সংশ্লিষ্ট চারটি অঞ্চলের সব বুথ সভাপতির মধ্যে যিনি সব থেকে বেশি ভোটের লিড আনতে পারবেন, তাঁকে একটি ‘ভাল মানের সাইকেল’ উপহার দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: “মহিলা-তরুণদের কাছে যান”, ভিডিও-বার্তায় বঙ্গ বিজেপিকে নির্দেশ মোদির

    পুরস্কার নিয়ে কী সাফাই দিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ বলেন, “আমরা বাড়িতেও আমাদের ছেলেমেয়েদের রেজাল্ট ভাল করতে এ সব বলি। এটাও সে রকমই। এটা একেবারেই আমার দলের অন্দরের বিষয়। ব্যক্তিগত বিষয়।”

    কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    এ নিয়ে শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “ব্যক্তিগত স্তরে কারও কিছু দেওয়ার থাকলে দেবেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, প্রার্থী তো পাঁচ লক্ষ ভোটে হারবেন। আর এই ব্যাপারে নির্দিষ্ট ভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাব আমরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের প্রধান একা ১৭টি আবাসের বাড়ি খেয়েছে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু, হল যোগদান পর্ব

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের প্রধান একা ১৭টি আবাসের বাড়ি খেয়েছে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু, হল যোগদান পর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। বুধবার বিকালে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী ডাক্তার নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে বহরমপুর টেক্সটাইল মোড়ে বিজয় সংকল্প সভা ছিল। সেখানেই কান্দি থেকে বিভিন্ন দলের হয়ে শতাধিক কর্মী শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে বিজেপির পতাকা গ্রহণ করেন।

    মুর্শিদাবাদ জেলা অনুন্নয়নে এখনও এক নম্বর

    বহরমপুরে নির্বাচনী প্রচারে এসে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বহরমপুরকে শেষ করেছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পোষণের রাজনীতি, দুর্নীতির রাজনীতি করেন। আর মোদিজির স্লোগান, সবকা সাথ সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস সবকা প্রয়াস। নরেন্দ্র মোদিজি ছিলেন বলে বহরমপুর বাইপাস তৈরি হয়েছে। বহরমপুর উন্নয়নের ছোঁয়া বইয়ে দিয়েছে। অধীরবাবু তো নিজে রেলের হাফ মন্ত্রী ছিলেন, তিনি যে কাজ করতে পারেননি, সেই কাজ অশ্বিনী বৈষ্ণব সহ আমরা নসিপুর রেল ব্রিজ করে দেখিয়েছি। তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থী নির্মল কুমার সাহাকে লোকসভা ভোটে জয়যুক্ত করে আপনারা দিল্লি পাঠান। কীভাবে কাজ করতে হয় দেখাবো। মুর্শিদাবাদ জেলা অনুন্নয়নে এখনও এক নম্বর। এই জেলার মানুষ মোদিজির পাঠানো শৌচালায় পাননি, প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনা পাননি। কিন্তু, এই জেলার নওদা তে তৃণমূলের এক প্রধান মোদিজির আবাস যোজনার একা ১৭ টি বাড়ি খেয়েছে। কাবিলপুরের প্রধান একা ৩৫টি বাড়ি হজম করেছে। আর এই রাজ্যে মোদিজি ১০ বছরে সরকারের ৪৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে।

    পঞ্চায়েতগুলি চুরি-দুর্নীতির আখড়া

    শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এখন তৃণমূল নেতাদের জুতো পালিশ থেকে চণ্ডীপাঠ, বাজার করা থেকে স্কুলে বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া যারাই করে তারা বহরমপুরে ক্যাজুয়াল, কন্ট্রাকচুয়াল এর কাজ করেন। এই শহরটাকে ধ্বংস করে নিয়েছে এরা। তাই জোট বাঁধুন, তৈরি হন। এই সরকারের আমলে পঞ্চায়েতগুলি চুরি-দুর্নীতির আখড়া হয়েছে। সংখ্যালঘু মুসলিম ভাইরা আর কতদিন তৃণমূলের হাতের তামাক খাবেন, আপনাদেরকে তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেজপাতা বলে মনে করে। তরকারিতে লাগে কিন্তু খাওয়া যাবে না। আপনারা ২১ সালে লাইন দিয়ে ভোট দিয়েছেন, কী পেয়েছেন? আনিস খানকে আমতায় ধাক্কা মেরে ফেলে মেরেছে। রামপুরহাটের বকটুইয়ে সাত জন মুসলিম মহিলা এবং চারজন বাচ্চাকে মেরেছে মমতার দলের লোকেরা। ডবল ইঞ্জিন আনুন। লক্ষ্মীর ভান্ডারের ১০০০ টাকার পরিবর্তে ৩০০০ টাকা করে দেব। সাড়ে চারশ টাকায় গ্যাস দেব এবং যত পরিযায়ী শ্রমিক আছে, সবাইকে মুর্শিদাবাদে ফিরিয়ে কাজ দেব। প্রত্যেক বছর এসএসসি হবে। কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা সমস্ত সরকারি কর্মচারীরা পাবেন। এবং রাজ্য সরকারের যত পোস্ট ফাঁকা আছে এক বছরে তাপ পরিপূর্ণ করে দেয়া হবে। শুভেন্দু অধিকারী, আমরা কথা দিলাম। আপনারা ভোট দিয়ে আমাদের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করার পর দেখবেন যেসব কথা দিয়ে গেলাম সেগুলি বাস্তবে পরিণত করে দেখাবে ভারতীয় জনতা পার্টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “আবেদন-নিবেদন নয়, আমি অ্যাকশনে বিশ্বাসী”, প্রচারে স্ট্রেট ব্যাটে খেললেন দিলীপ ঘোষ

    Dilip Ghosh: “আবেদন-নিবেদন নয়, আমি অ্যাকশনে বিশ্বাসী”, প্রচারে স্ট্রেট ব্যাটে খেললেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় প্রতিবাদ এবং আন্দোলন করার একটা ফ্যাশন আছে। কাজ কিছু হয় না। আর আমি নিবেদন-আবেদন করি না কারও কাছে, আমি অ্যাকশন করি।” ভোটের প্রচারে বেরিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আবার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থীকে ভোটে হারিয়ে ‘প্যাক’ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

     ভোটের জন্য  বেদখলের মতো কাজও মেনে নেয় রাজ্যের শাসকদল (Dilip Ghosh)

    বুধবার দলীয় কর্মীদের নিয়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ (Dilip Ghosh) মালির বাগান মাঠে হাঁটছিলেন। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি প্রার্থীকে কাছে পেয়ে এলাকার খেলার মাঠ নিয়ে সমস্যার কথা বলেন। স্থানীয়েরা দিলীপকে জানান, বেআইনিভাবে মাঠের জায়গায় বহুতল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে মাঠ ছোট হয়ে আসছে। এ বিষয়ে দিলীপকে পদক্ষেপ করতে আবেদন করতেন তাঁরা। প্রত্যুত্তরে দিলীপ বলেন, “মেনটেন করা তো আমাদের হাতে থাকবে না। তবে কব্জা যাতে না হয়ে যায়, সেটা দেখা আমার দায়িত্ব। তার পর সময়ে অনেক কিছুই হবে।” এই প্রেক্ষিতেই দিলীপ বলেন, “বাংলায় প্রতিবাদ এবং আন্দোলন করার একটা ফ্যাশন আছে। কাজ কিছু হয় না। আর আমি নিবেদন-আবেদন করি না কারও কাছে, আমি অ্যাকশন করি।” বর্ধমান শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যনগর মালির মাঠে গিয়ে স্থানীয়দের ওই খেলার মাঠ নিয়ে অভিযোগ শোনার পর দিলীপের মন্তব্য, “উত্তরপ্রদেশে, অসমে কেমন ‘ট্রিটমেন্ট’ হচ্ছে দেখেছেন তো।” মেদিনীপুরের বিদায়ী সাংসদ আরও বলেন, “খড়্গপুরে আমি ছিলাম। সেখানে প্রচুর মাঠ রেলের। যে পারছে, বসে যাচ্ছে। নড়াচড়া করতে বললেই সে বলবে, ‘আমরা তো এত বছর ধরে আছি।’ এই ভাবে বড় বলবে, ‘আমরা তো এত বছর ধরে আছি।’ এই ভাবে বড় মাঠের একটা অংশ বাংলাদেশিরা ঢেকে নিচ্ছে। অর্ধেকটা কব্জা হয়ে গিয়েছে।” দিলীপের অভিযোগ, ভোট রাজনীতির জন্য জায়গা বেদখলের মতো কাজও মেনে নেয় রাজ্যের শাসকদল।

    তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ?

    পাশাপাশি কঙ্কালেশ্বরী কালীবাড়িতে গিয়ে তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদকে আবার নিশানা করেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। কীর্তি তাঁকে উদ্দেশ্য করে ‘পাগল’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তা নিয়ে দিলীপের জবাব, “কে পাগল, সেটা ভোটের ফলের দিন দেখা যাবে। এমন হারাব যে জীবনে ভোটে দাঁড়াবেন না (কীর্তি)।” তাঁর সংযোজন, “উনি বিহারে চলে যান। ওঁর কথা ওঁর দলের লোকেরাই বোঝেন না। বাংলার মা-বোনেরা কী বুঝবেন। ওঁকে ভাল করে প্যাক করে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Jalpaiguri: বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচার সেরে ফেরার পথে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jalpaiguri)

    বুধবার জয়ন্ত রায়ের প্রচার কর্মসূচি ছিল মাল ব্লকের (Jalpaiguri) ওদলাবাড়ি ও আশেপাশের এলাকায়। দিনভর প্রচার কর্মসূচি সেরে তিনি যখন ফিরছিলেন সেই সময় মাল ব্লকের মীনা মোড়ে ২০-৩০ জনের একটি দল তার গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এবং তাঁর গাড়ির ওপর হামলা চালাতে শুরু করে। অভিযোগ তাদের হাতে ধারালো অস্ত্রও ছিল। ঘটনার শুরুতেই তার নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে তাকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরও বাধা দেন বিক্ষোভকারীরা। জয়ন্ত রায়ের গাড়ির সঙ্গে প্রচারে যাওয়া আরেকটি গাড়ির ওপর হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। সেই গাড়ির কাঁচ ভেঙ্গে দেওয়া হয়। গাড়িতে থাকা বিজেপি সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ এলেও বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে যেতে নারাজ ছিলেন। পরে অবশ্য জয়ন্ত রায়ের নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশের হস্তক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরে যান। জয়ন্ত রায় অভিযোগ করেন তাদের প্রাণে মারার চক্রান্ত করেছিল হামলাকারীরা। স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজেশ ছেত্রীর নাম করে জয়ন্তবাবু অভিযোগ করেন। ওই ব্যক্তির নেতৃত্বেই তার এবং তার সঙ্গীসাথীদের ওপর হামলা চালানো হয়। গোটা ঘটনা পুলিশের উপস্থিতিতেই হয় বলে জানান জয়ন্ত বাবু। অন্যদিকে জয়ন্ত রায়ের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মী শংকর দাসের ওপরও হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। কোনওক্রমে প্রাণ হাতে নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন।

    বিজেপি প্রার্থী কী বললেন?

    এদিন জয়ন্তবাবু বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। মানুষ তাদের ছুড়ে ফেলতে চাইছে বুঝেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা করা হয়েছে। তৃণমূল ভোটের আগে একটা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছে। যেমনটা পঞ্চায়েত ভোটে করেছিলো। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হবে না। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khejuri: সমুদ্র সৈকতে মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ, প্রতিবাদে পথ অবরোধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Khejuri: সমুদ্র সৈকতে মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ, প্রতিবাদে পথ অবরোধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে সমুদ্র সৈকতে এক মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি (Khejuri) বিধানসভা এলাকায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্তের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিজেপি। রাস্তায় নেমে আন্দোলনও হয়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khejuri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সমুদ্র সৈকতে (Khejuri) এলাকার কিছু মহিলা প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গেই ছিলেন ওই মূক-বধির মহিলা। অভিযোগ, তখনই জোর করে ওই মহিলাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে সমুদ্র পাড়ে ধর্ষণ করে এলাকারই এক যুবক। তিনি স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ঘটনা দেখে দ্রুত গ্রামে ফিরে গিয়ে বিষয়টি জানান দলে থাকা অন্যান্য মহিলারা। নির্যাতিতা মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রতিবেশীরা। বিজেপির লোকজনের সঙ্গেই অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার লোকজন। পথ অবরোধও হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে খেজুরি থানা ও তালপাটি থানা বিশাল পুলিশ বাহিনী। তোলা হয় অবরোধ। গ্রেফতার করা হয় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন খেজুরির (Khejuri) বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক। তিনি আবার ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসব কাজ করছে। পুলিশের ছত্রছায়া ওরা বেড়ে উঠেছে। ওদের মধ্যে একজন মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। যদিও বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন খেজুরি ২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সমুদ্ভব দাশ। তিনি  বলেন, “অভিযুক্ত তৃণমূলের কেউ নয়, কোনও দিন তৃণমূল করত না। আমরা পুলিশকে বলেছি দোষীর যেন কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি হয়। আর বিজেপি এটা নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: “থানায় চা-টোস্ট আনতেন শাহজাহান”, দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর

    Sheikh Shahjahan: “থানায় চা-টোস্ট আনতেন শাহজাহান”, দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী হয়ে মঙ্গলবার তারাপীঠে পুজো দিয়ে বীরভূমে প্রচার শুরু করলেন প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর। চষে বেড়ালেন এলাকা। এবার সন্দেশখালির “বেতাজ বাদশা” শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী। ওসি-র ফাইফরমাশ খাটা সেই শাহজাহানের তৃণমূলের জমানায় এই উত্থান দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান।

    থানায় চা-টোস্ট নিয়ে আসতেন শাহজাহান! (Sheikh Shahjahan)

    বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন,তৃণমূল আমলে সমাজের বুদ্ধিজীবী, শিক্ষিত মানুষদের এড়িয়ে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) মতো ‘বাহুবলীদের’ নেতা বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দুই আমলে পুলিশের চাকরি করায় তফাত কী, সে প্রশ্নে তাঁর ব্যাখ্যা, বাম আমলে সরকারের মাথারা ছিলেন অত্যন্ত শিক্ষিত। আইন-সহ বিভিন্ন বিদ্যায় দক্ষতা ছিল। রাজ্যের মানুষ দু’টি জমানা দেখেছেন। বাম আমলে এত চুরি দেখেননি! কিন্তু, তৃণমূলের সময়ে অনেক ভাললোক থাকা সত্ত্বেও উত্থান হয়েছে শাহজাহানদের। প্রাক্তন আইপিএস আরও বলেন “আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি শাহজাহানকে। বসিরহাটের এসডিপিও ছিলাম ২০১০-‘১১ সালে। এই সরকার আসার আগেই। শাহজাহান তখন সন্দেশখালি থানার বাইরে বসে থাকতেন। আমি গেলে বড়বাবু বলতেন, এই দ্বীপে কিছু পাওয়া যায় না। আমি চা খেতে ভালবাসি। বড়বাবু শাহজাহানকে বলতেন, ‘সাহেব এসেছে, ভাল চা পাতা আর বিস্কুট নিয়ে আয়। শাহজাহান নদী পেরিয়ে চা ও টোস্ট বিস্কুট নিয়ে আসতেন।

    আরও পড়ুন: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন?

     ইটভাটায় কয়লা সরবরাহ করতেন শাহজাহান!

    দেবাশিসের কথায়, “বাম আমলে যার এমন দশা ছিল, যে লোক ইটভাটায় কয়লা সরবরাহ করতেন, সেই তৃণমূল আমলে নেতা হয়ে গেলেন, হল জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ! আগে সে ওসির ফাইফরমাশ খাটতেন। পরবর্তীকালে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ফাইফরমাশ খাটতেন বড়বাবু। ১২ বছর ধরে অন্ধকারের রাজত্ব চালিয়ে গেল।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    দেবাশিসকে আক্রমণ শানিয়েছে বাম শিবির। তোপ দেগেছে শাসকদলও। সিপিএমের বীরভূম জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “তৃণমূলের বিরোধিতা যে কারণে করি, সেটা হল দুর্নীতি, গণতন্ত্রের ওপরে আক্রমণ, মানুষকে কথা বলতে দেয় না বলে। কিন্তু, উনি যে দলে গিয়েছেন, সেই দল সুশাসন করে বলে তাঁর মনে হলে, তিনি বিভ্রান্তির চূড়ান্ত জায়গায় আছেন। তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “যে দলে তিনি যোগ দিয়েছেন, সেই দলের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা ভুলে গেলেন। তিনিও তো চা বিক্রি করতেন। এমন কোনও নিয়ম নেই, কম শিক্ষিত হলে তিনি রাজনীতি করতে পারবেন না বা মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ক্যানিংয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাসপাতাল মোড় থেকে যোগ দেন পদযাত্রায়। প্রায় দু কিলোমিটার পায়ে হেঁটে পৌঁছন সভাস্থলে। পদযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতে রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে থাকা এলাকার মানুষকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। এবারে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন সেই আশ্বাস দেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভায় গত পঞ্চায়েত ভোটে কোনও বিরোধী দলই মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি শাসকের সন্ত্রাসে। মিছিল ক্যানিং বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিধায়ক কার্যালয়ের সামনে আসতে সেদিকে আঙুল দেখিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ সন্দেশখালির মত সোজা করব।”

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন সভামঞ্চ থেকেও একের পর এক তৃণমূলকে আক্রমণ করতে থাকেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । বিশেষ করে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা, ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাস, কুলতলির বিধায়ক গণেশ মণ্ডল সহ বাসন্তীর তৃণমূল নেতা রাজা গাজীকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এদিন তিনি নির্বাচনী প্রচারে আসেন নি, বরং কয়েকদিন আগে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সুব্রত দাস সহ বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদেই এদিন সভা করতে এসেছেন বলে দাবি করেন শুভেন্দু। তবে এদিন তিনি ছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এই কেন্দ্রের লোকসভার প্রার্থী অশোক কান্ডারি সহ জেলা বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরা। শুভেন্দু এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “ সন্দেশখালির ঘটনা থেকেও যদি তৃণমূলের এইসব নেতারা শিক্ষা না নেয়, তাহলে আমি মনে করি এঁরা মানুষ নয়, এঁদের কোনও হুশ নেই।” তিনি আরও বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনের পর যেভাবে রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূল, সেই সন্ত্রাস কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে মোট ১৯ জনের নামে রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশন। সেই উনিশের মধ্যে ইতিমধ্যেই তিনজন বীরভূমের কেষ্ট, উত্তর ২৪ পরগনার বালু আর শেখ শাহজাহান ধরা পড়েছে। বাকি ১৬ জনকেও ধরা হবে। তারমধ্যে এই জেলার ২ জন রয়েছে শওকত মোল্লা ও জাহাঙ্গির খান। বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে।

    জয়নগরে চারটি পদযাত্রা ও জনসভা করবে শুভেন্দু

    এদিনের মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলাদা করে পরেশকে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন শুভেন্দু। কয়েক মাস আগে ক্যানিং বাসস্ট্যান্ডের একটি জনসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) ক্যানিংয়ে এলে বেঁধে রাখার কথা বলেছিলেন পরেশ। সেই কথার পাল্টা এদিন শুভেন্দু বলেন, “ আমি যাওয়ার সময় বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে চা খেয়ে যাবো। ক্ষমতা থাকলে পরেশ ব্যাটা কোন দেশের দড়ি আছে আনাও, আমাকে বেঁধে রাখো। আরে তোমার মালিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেত যদি এই বান্দা না থাকতো। নন্দীগ্রাম না হত। আর তুমি তো কোন ছাড়।” সভা শেষে শুভেন্দু ক্যানিং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে চাও খান। এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন সেখানে। শিশুদের আদর করেন। ভোটের আগে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রে তিনি চারটি পদযাত্রা ও জনসভা করবেন বলে এদিনের মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেছেন। আর ভোটের দিন এই এলাকায় পড়ে থেকে কীভাবে ভোট করতে সেটা দেখিয়ে দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share