Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Siliguri: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Siliguri: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুঁশিয়ারির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এই পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ল সেই ছবি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির (Siliguri) বাগডোগরার গোঁসাইপুর এলাকায়। প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার হাতে অস্ত্র নিয়ে হুমকি দিতে দেখে সাধারণ মানুষ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার শিলিগুড়ির (Siliguri) বাগডোগরার গোঁসাইপুরের এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর দোকানে যান আপার বাগডোগরার গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য কুলপ্রসাদ শর্মা ওরফে উজ্জ্বল শর্মা। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীর দোকান থেকে রড কেনার পর তার গুণগুত মান খারাপ হওয়ায় টাকা ফেরতের দাবি করেন অভিযুক্ত উজ্জ্বল। দোকানে ঢুকে কর্মরত কর্মচারী ও ক্রেতাদের ধাক্কাধাক্কি করার পাশাপাশি জিনিসপত্র ভাঙচুর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে। তাঁর এই কুকর্মে কার্যত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দোকানের কর্মচারী সহ ক্রেতারা। এরপরই সিসিটিভি ক্যামেরাবন্দি এই ছবি নিয়ে বাগডোগরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই ব্যবসায়ী। এ দিকে, এই ঘটনার পর উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে দল। উজ্জ্বল শর্মাকে অঞ্চল যুব সভাপতির পদ থেকে এবং সমস্ত দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করেছে দার্জিলিং জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সমতল। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, ব্যবসায়ী দোকান থেকে খারাপ সামগ্রী দিয়েছে। তবে তাঁকে ভয় দেখানোর জন্য অস্ত্র নিয়ে গিয়েছিলাম। হামলা করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত কোচবিহার! বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূলের

    ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ব্যবসায়ী মহল। বাগডোগরা ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের বক্তব্য, এভাবে দিনেদুপুরে অস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢুকলে রাতে কী হবে? তৃণমূল নেতা বলে কী পুলিশ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। নাহলে আগামীদিনে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। আমরা আর ব্যবসা করতে পারব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রবিবাসরীয় প্রচারে বালুরঘাটে চুটিয়ে জনসংযোগ করলেন সুকান্ত, হল যোগদান পর্ব

    Sukanta Majumdar: রবিবাসরীয় প্রচারে বালুরঘাটে চুটিয়ে জনসংযোগ করলেন সুকান্ত, হল যোগদান পর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করল প্রায় ৩০ টি পরিবার। রবিবার বিজেপির প্রার্থী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত ধরে হল যোগদান পর্ব। মূলত, বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের খরাইল বুথ থেকে তৃণমূলের কর্মীরা বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার।

    বালুরঘাটে জনসংযোগে সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    পাশাপাশি রবিবার সাত সকালে ভোট প্রচারে বের হন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বালুরঘাট পাইকারি বাজারে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোট প্রচার শুরু করলেন তিনি। কথা বললেন ক্রেতা- বিক্রেতা সকলের সঙ্গে। আলোচনায় উঠে এল সিএএ, কৃষক সম্মান নিধির মতো বিভিন্ন বিষয় যা সাধারণ মানুষের জীবনকে ছুঁয়ে যায়। রবিবার সকাল সকাল ভোট প্রচারে বেরিয়ে সুকান্ত বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিলেন। কিছুদিন আগেই এই পাইকারি বাজার নিয়ে পুরসভার সঙ্গে কৃষকদের সমস্যা হয়েছিল। স্থায়ী বাজার চেয়ে কৃষকরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। সুকান্ত মজুমদার এদিন সেই সমস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। কথা বলেন, পাইকারি বাজারের বাজার করতে আসা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    ভোটের দলীয় প্রচার নিয়ে গানের ভিডিও -অডিও রিলিজ

    বালুরঘাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রবিবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিগত পাঁচ বছরে সাংসদ হিসেবে তার বরাদ্দ টাকা কোথায় কী খরচ করেছেন তার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। এছাড়া কোন কোন প্রকল্প তিনি শুরু করেছেন তারও পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। এছাড়াও লোকসভা ভোটের দলীয় প্রচার নিয়ে একটি গানের ভিডিও -অডিও রিলিজ করেন সুকান্তবাবু, যা ভোট প্রচারে আগামীদিনে গোটা রাজ্যজুড়ে ব্যবহার হবে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগামী ৭ এপ্রিল বালুরঘাট ও জলপাইগুড়িতে সভা করতে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, সকালে আমি বালুরঘাট পাইকারি বাজারে প্রচার করলাম। প্রচারে গিয়ে ব্যাবসায়ীদের অভাব অভিযোগ শুনলাম। আমার হাত ধরে ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের একটি বুথ থেকে তৃণমূল ছেড়ে ২৫-৩০ পরিবার বিজেপিতে যোগদান করে। এছাড়া বিগত পাঁচ বছরে সাংসদ হিসেবে আমার বরাদ্দ টাকা কোথায় কী খরচ হয়েছে তা তুলে ধরেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    Jalpaiguri: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবাসরীয় প্রচারে ডাবগ্রাম ফুলবাড়িকেই বেছে নিলেন জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকা বিজেপির দখলে রয়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও এই বিধানসভা এলাকায় লিড ছিল বিজেপি-র। তাই এই এলাকা নিয়ে বেশ নিশ্চিন্ত জয়ন্ত বাবু। রবিবার সকাল থেকেই দলের নেতা কর্মীদের নিয়ে এই এলাকায় প্রচারে নেমেছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থীর রোড শোয়ে জনজোয়ার দেখা গেল।

    নাম কীর্তন করলেন বিজেপি প্রার্থী (Jalpaiguri)

    প্রচারে গিয়ে বিভিন্ন ট্রেনের স্টপেজ, এলাকার বেশ কয়েকটি স্টেশনকে মডেল স্টেশন তৈরি করার পাশাপাশি জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) সার্কিট বেঞ্চ এবং জলপাইগুড়ি হাসপাতালকে মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করার বিষয়গুলি তুলে ধরছেন জয়ন্তবাবু। শুধু তাই নয়, ভোটের প্রচারে গিয়ে নাম কীর্তন করতে দেখা গেল বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় কে জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের নাথুয়া চরে। শনিবার জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় রাজগঞ্জ বিধানসভার অধীন বোদাগঞ্জ ভ্রামরী দেবীর মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন। তার পরেই নাথুয়া চরে এক নাম কীর্তন আসরে খোল বাজিয়ে কীর্তন করতে করতে প্রচার সারেন তিনি। এর পরেই জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেন। প্রথমে টাকিমারি বাজার এলাকায় প্রচার করেন। সঙ্গে দেখা যায় অসংখ্য বিজেপি কর্মীদের। জয়ন্ত রায়ের রাজগঞ্জে প্রচারের প্রথম দিন জনজোয়ার দেখা গেল। টাকিমারি থেকে মিলনপল্লি এলাকায় প্রচার সারেন তিনি। শনিবার সারাদিন রাজগঞ্জের আমবাড়ি, বন্ধু নগর, ভুটকি, কালিনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচারে ব্যস্ত দেখা যায় জয়ন্ত কুমার রায়কে।

    আরও পড়ুন: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন তৃণমূল প্রার্থী

    জয়ের ব্যবধান বাড়বে

    রবিবারের প্রচারেও কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, “প্রচারে যেভাবে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে গত লোকসভা ভোটের ফলাফলের চেয়েও ব্যবধান বাড়বে।” এছাড়াও কয়েক দিন আগে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল এক শিশুর আমবাড়ি ফালাকাটায়। সেই শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। পরিবারকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন কীর্তি আজাদ

    Durgapur: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন কীর্তি আজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করে গরম গরম কথা বলে কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর অনেক চেষ্টা করেছেন তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। কিন্তু, এসব করে যে কোনও কাজের কাজ কিছুই হয়নি তার জ্বলন্ত প্রমাণ মিলল রবিবাসরীয় প্রচারে। এদিন প্রচারে বেড়িয়ে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে চরম বিড়ম্বনায় পড়লেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার তথা বর্ধমান – দুর্গাপুর (Durgapur) লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি থেকে রেহাই পেতে মন্দিরের আশ্রয় নেন তৃণমূল প্রার্থী। আর এই ঘটনা সামনে আসতে শাসক দলের নেতারা চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Durgapur)

    দুর্গাপুরের (Durgapur) ১২ নম্বর ওয়ার্ড আমরাই গ্রামে এদিন প্রচারে যান বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। তাঁর সামনেই তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা বেধে যায়। পরে, বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। প্রার্থী কীর্তি আজাদ মিছিল করে প্রচার শুরু করার সময় তাঁকে সম্বর্ধনা জানানোর জন্য তৈরি ছিলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। আর তখনই প্রার্থীর সামনে শুরু হয়ে গেল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা এবং হাতাহাতি। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় আর তাঁর সামনেই প্রকাশ্যে  তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। একদিকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বহিষ্কৃত শ্রমিক সংগঠনের নেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের দলবল দাঁড়িয়েছিল। অন্যদিকে, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বর্তমান শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় ও শেখ আমিরুল রহমানের দলবল। এই দুই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয় প্রার্থীর সামনে। মূলত প্রার্থীর কাছাকাছি কোনও গোষ্ঠীর ছেলেরা থাকবে তা নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি। প্রার্থীর সামনে মারামারি হতেই তিনি ছুটে স্থানীয় একটি শ্মশান কালী মন্দিরে আশ্রয় নেন কীর্তি আজাদ। তৃণমূল নেতা শেখ শাহাবুদ্দিন বলেন, এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নেতৃত্বকে বলব।

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    তৃণমূল প্রার্থী বলেন, দলীয় কোন্দল নয়। আসলে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। কর্মীদের অতি উৎসাহের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। বিরোধীরা অপপ্রচার করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। তৃণমূলের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন, দলের কর্মীদের কাছে এদিন বিধায়ক ঘাড়ধাক্কা খেলেন। এবার ভোটারদের কাছে  ঘাড় ধাক্কা খেতে হবে। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীক লড়াই রাজ্যের মানুষ পরখ করলেন। ভোট বাক্সে ফল পেয়ে যাবে তৃণমূল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে। হাওড়াতেও ভোট কাটার জন্য দাঁড়িয়েছে সিপিএম। এমনটাই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাওড়ার আন্দুল রাজবাড়ি মাঠে হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে এক জনসভায় তিনি সিপিএমকে তুলোধনা করেন।

    সিপিএমকে তোপ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, তৃণমূলকে হারাতে মীনাক্ষী, শতরূপদের এখানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর মীনাক্ষীর জ্যাঠা সীতারাম ইয়েচুরি কয়লা ভাইপোর সঙ্গে ইটিং, মিটিং, সিটিং করছেন। সিপিআইএম সবথেকে বড় সাম্প্রদায়িক দল। মহম্মদ সেলিমের বাড়ি উত্তর কলকাতায় অথচ তিনি ভোটার লিস্ট খুঁজে দেখেন কোথায় মুসলিম ভোট বেশি আছে। সেখানে প্রতিবছর তিনি ভোটে দাঁড়ান। গত বছর রায়গঞ্জে দাঁড়িয়ে ছিলেন, এবারে মুর্শিদাবাদের দাঁড়িয়েছেন যেখানে ৭০ শতাংশ মুসলিম ভোট রয়েছে। এদিকে দুদিন আগেই মেট্রো উদ্বোধনে ডাকা হয়নি বলে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই সাংসদের বিরুদ্ধে এদিন সরকারি অনুষ্ঠান  এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, গোটা দশ বছরে পার্লামেন্টে এক শতাংশের নিচে তার উপস্থিতি। এইসব লোককে কেন পার্লামেন্টে পাঠাবেন? প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোশ্চেন আনসার এ, বিলে কোথাও দেখা যায় না। প্রধানমন্ত্রীর গঙ্গার নিচ দিয়ে মেট্রো উদ্বোধনেও আসেন না। এর আগেও আসেননি। কেন পশ্চিমবাংলার জনগণ এই ধরনের অকর্মণ্য অপদার্থ সাংসদ কে পার্লামেন্টে পাঠাবেন? বিজেপির সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, খগেন মুর্মু, লকেট চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু ঠাকুরদের সবসময় পার্লামেন্টে দেখতে পাবেন। তারা কোশ্চেন আনসারেও আছেন। অথচ তৃণমূলের সাংসদদের দেখতে পাবেন না।

    আরও পড়ুন: গার্ডেনরিচের ছায়া উত্তর দমদমে, বহুতলের চাঙড় পড়ে মৃত্যু হল মহিলার

    বাংলাতেও ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, আসামে হেমন্তের নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকার চলছে। বাংলাতেও ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে। দু কোটি বেকার থাকবে না। সম কাজে সম বেতন হবে। কেন্দ্রীয় হারে ডি এ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। বিজেপিকে আনলে অন্নপূর্ণা যোজনা হবে বাংলায়। বাংলার মায়েরা, দিদিরা বোনেরা ৩০০০ টাকা করে পাবেন। লক্ষ্মীর ভান্ডারের নাম বদলে অন্নপূর্ণা যোজনা হবে। এমন ফল করে দিন যাতে বিধানসভা ভোট আগেই হয়। হাওড়ার ভূমিপুত্র রথীন চক্রবর্তী দিল্লি যাক কারণ হাওড়া দেশের সবথেকে প্রাচীন শহর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishnanagar: “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র”, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমার

    Krishnanagar: “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র”, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের সদস্য রানিমা অমৃতা রায়কে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। প্রার্থী ঘোষণার পরই প্রচারে ঝড় তুলেছেন রানিমা। এবার বিজেপি প্রার্থীকে হেয় করতেই তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা ভুলভাল বলা শুরু করেছেন বলে বিরোধী অভিযোগ করতে শুরু করেছেন।

    গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র (Krishnanagar)

    শুক্রবার মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন, ‘তোলাবাজ ক্লাইভকে বাংলায় এনেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র’ সেই ঘটনার একদিন কাটতে না কাটতেই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) একটি মেলার উদ্বোধন করতে এসে মন্ত্রী বলেন, “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।” আর এই অডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায়। অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। বস্তুত, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালে তাঁর সভাসদে ছিলেন গোপাল ভাঁড়। গোপালের বুদ্ধিমত্তার কাহিনী কারোর অজানা নয়। এবার সেই গোপালকে নিয়েই বিতর্কিত মন্তব্য করেন উজ্জ্বল। বলেন, “একশো বার বলছি খুন করা হয়েছে। গোপাল যখন মৃত্যুসজ্জায় তখন অশরীরী আত্মারা তুলে নিয়ে যায়। এটা নিশ্চয়ই জানেন। আর উনি প্রতিবাদ করেছিলেন যে ব্রিটিশদের পক্ষে দাঁড়ানো ঠিক নয়। সেই কারণে ওনাকে হত্যা করা হয়েছিল বলে আমার ধারণা। আর খুনের কথা সকলে জানে। ওনার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। ইতিহাসের পাতা ঘাঁটলেই বোঝা যায় যে ওনার মৃত্যু দেখানো হয়েছিল যে অশরীরী আত্মা নাকি তুলে নিয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেকথা ঠিক নয়।” মন্ত্রীর বক্তব্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    আরও পড়ুন: ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    প্রমাণ না দিলে মামলা করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি প্রার্থী

     রানি মা অমৃতা রায় বলেন, “উজ্জ্বল বিশ্বাস কী বলেছেন আমার জানা নেই। তিনি গায়ের জোরে বললে আমার কিছু বলার নেই। পরিবারে থেকে আমি যতদূর জানি এমন কিছু ঘটেনি। তিনি নিশ্চয়ই আমার থেকে বেশি জানবে না। আমি তাঁর পরিবার নিয়ে টানাটানি করছি না। তাহলে আমার বংশধরদের নিয়ে টানাটানি কেন করছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি প্রমাণ করুক। প্রমাণ না দিলে আমি মামলা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তের সমর্থনে মিছিলে হাঁটলেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা, তুলে ধরলেন সন্ত্রাসের কথা

    Sukanta Majumdar: সুকান্তের সমর্থনে মিছিলে হাঁটলেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা, তুলে ধরলেন সন্ত্রাসের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের অপশাসন থেকে মুক্তি চেয়ে সন্দেশখালির নির্যাতিতা মহিলারা বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) সমর্থনে গঙ্গারামপুরে মিছিলে হাঁটলেন। সভায় অংশগ্রহণ করলেন। সমাজের বিশিষ্টজনেদের সামনে তুলে ধরলেন সেখানকার সন্ত্রাসের কথা। শনিবার প্রায় কয়েকশো মানুষকে নিয়ে সেই সভা করলেন বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী। এদিন সুকান্ত মজুমদার সন্দেশখালিকে আফগানিস্তানের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, সেখানকার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না। কিন্তু, সেখানে নতুন সূর্যোদয় হবেই।

    তৃণমূল ছেড়ে বহু কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপিতে (Sukanta Majumdar)

    এদিনের সভা থেকে তৃণমূলের সহ বিভিন্ন দল থেকে ৪০ জন মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিনের সভা থেকে তৃণমূলের উদ্দেশে সুকান্ত বলেন, ভোটের পর যদি কোনও কর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুর বা তাঁদের ওপর অত্যাচার করা হয় তাহলে আপনারাও বুজবেন। আপনারা তো কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন, আপনাদেরকেও শুধু বাড়ি, জেল,কোর্ট করে দিন কাটাতে হবে। তাই ধমকেচমকে নয়, মানুষ যাকে ভোট দিতে চায় সেখানেই ভোট দিতে দিন। এছাড়া শুক্রবার পতাকা লাগানো কেন্দ্র করে তৃণমূলের হামলায় যে ৩ জন বিজেপি কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, তাদেরকে হাসপাতালে দেখতে যান তিনি।

    আরও পড়ুন: সাইকেল চালিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    সন্দেশখালির সন্ত্রাসের কথা তুলে ধরা হবে

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) তথা বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘ গঙ্গারামপুরে সন্দেশখালির মহিলাদের নিয়ে বড় র‍্যালি ও সভা করলাম। সন্দেশখালির মহিলারা পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্টজন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের অবর্ণনীয় যন্ত্রণা ও অত্যাচারের কথা ব্যাখ্যা তুলে ধরলো। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নাম করে মহিলাদের ইজ্জত কিনতে চায় তৃণমূল নেতারা। এটা আমরা হতে দেব না। আমরা আটকাব।’ এছাড়া তৃণমূল সহ বিভিন্ন দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার আমাদের যে কর্মীরা আহত হন তাদেরকে আমি দেখতে গিয়েছিলাম। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলাম। এই বিষয়ে সন্দেশখালি মহিলা পদ্মা মণ্ডল বলেন, গোটা রাজ্য সন্দেশখালি হয়ে রয়েছে। আমরা গোটা রাজ্যে বিজেপির প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে যাব। সন্দেশখালির সন্ত্রাসের কথা তুলে ধরবো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ভোটের মুখে ফের সুকান্তর কেন্দ্রে রক্ত ঝরল, জখম বিজেপি কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Balurghat: ভোটের মুখে ফের সুকান্তর কেন্দ্রে রক্ত ঝরল, জখম বিজেপি কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া হয়নি। নির্বাচনের আবহ সেভাবে জমে ওঠেনি। তবে, তার আগে দলীয় পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কেন্দ্র বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুরে রক্ত ঝরল। বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হামলার ঘটনায় তিনজন জখম হয়েছেন। জখমরা গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার রাতে এমন ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে গঙ্গারামপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানপাড়া এলাকায়। এই সংঘর্ষের ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য্য, গঙ্গারামপুর থানার আইসি শান্তনু মিত্র সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। বর্তমানে এলাকা জুড়ে রয়েছে চাপা উত্তেজনা। চলেছে পুলিশি টহলদারি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার গঙ্গারামপুরের পুরানপাড়া এলাকায় পতাকা লাগিয়েছিলেন। শুক্রবার গভীর রাতে রাতে তৃণমূলের কর্মীরা সেই পতাকার ওপর জোর করে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে দেন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বচসা হয়। তারপর হাতাহাতি হয়। এর জেরে বিজেপির ৩ জন কর্মী আহত হন। বিজেপি কর্মীরা প্রতিহত করলে তৃণমূলের ১ জন আহত হন। দুই পক্ষ মিলে ৪ জন গুরুতর আহত হলে তাদের গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চলছে তাদের চিকিৎসা। এই ঘটনায় একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল-বিজেপি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, আমাদের কর্মী তাঁর বাড়ির এলাকায় ৩ দিন আগে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগায় সেই সময় তৃণমূলের কিছু দুষ্কৃতীরা আমাদের পতাকার ওপর জোর করে তৃণমূলের পতাকা লাগায়। বাধা দিতে তৃণমূলের কর্মীরা আমাদের কর্মীর ওপর চড়াও হয়। আমাদের কর্মীর বাড়ির লোক যখন দেখতে পেয়ে চিৎকার করে তখন তাঁদের ওপরও চড়াও হয়। তৃণমূল ভয় পেয়েছে তাই এখন আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করছে। আমরা এই বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করবো। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, আমাদের দলীয় কর্মীরা ওই এলাকায় দলীয় পতাকা লাগাতে যান। সেই সময় বিজেপির কর্মীরা আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করে। আমাদের একজন কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আমরা থানাতে অভিযোগ দায়ের করছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: তলব সত্ত্বেও আসেননি, সন্দেশখালির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে ফের নোটিস সিবিআইয়ের

    Sandeshkhali: তলব সত্ত্বেও আসেননি, সন্দেশখালির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে ফের নোটিস সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহানকে হেফাজতে নেওয়ার পর থেকেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) একাধিকবার সিবিআই হানা দিয়েছে। শাহজাহান বাহিনীর অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে। শাহজাহানের ভাই আলমগীরও সিবিআইয়ের হেফাজতে রয়েছে। এই আবহের মধ্যে শুক্রবার ফের সিবিআই হানা দিল সন্দেশখালিতে। এবার আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আলিম মোল্লার বাড়িতে নোটিস দিল সিবিআই। হাজিরার জন্য ফের ডাক পড়েছে আব্দুল আলিমের।

    কে এই আব্দুল আলিম? (Sandeshkhali)

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিসারদের একটি টিম প্রথমে গিয়েছিল সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ন্যাজাট থানায়। তারপর সেখান থেকে আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতে যান সিবিআই অফিসাররা। প্রসঙ্গত, এই আব্দুল আলিমকে  তৃতীয়বার নোটিস দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির ওপর হামলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে নিজামে ডাকছে সিবিআই। কিন্তু আগের দু’বারের নোটিসের পরও হাজিরা দেননি তিনি। এবার ফের নিজাম প্যালেসে হাজিরার জন্য তৃতীয় দফায় আব্দুল আলিমের বাড়িতে নোটিস পাঠাল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আব্দুল আলিম নামে এই ব্যক্তি পেশায় ব্যবসায়ী। তবে, তাঁর স্ত্রী আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলেন ইডির অফিসাররা। কিন্তু, ইডির অফিসাররা সেদিন শাহজাহানের বাড়িতে ঢোকা তো দূরে থাক, উল্টে এক তীব্র জনরোষের মুখে পড়েছিলেন ইডির অফিসাররা। তারপর থেকেই এলাকা থেকে দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছে শাহজাহান। এবার ইডি হামলার ঘটনায় বাকি জড়িতদের খোঁজেই বার বার হানা দিচ্ছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের পর শাহজাহানকে জেরা করতে চায় ইডি-ও, কোর্টে আবেদন আজই?

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার ঘটনায় ঠিক কী হয়েছিল, সেই নিয়ে এবার তদন্তে নেমেছে অপর কেন্দ্রীয় এজেন্সি সিবিআই। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আব্দুল আলিমকে প্রথমে ১৩ মার্চ নোটিস দিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু, সেই নোটিসে হাজিরা দেননি তিনি। এরপর ফের দ্বিতীয় নোটিস পাঠানো হয় সিবিআইয়ের তরফে। তারপরও নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে দেখা যায়নি তাঁকে। কী কারণে বার বার হাজিরা এড়াচ্ছেন এই ব্যক্তি? আব্দুল আলিমের পরিবারের অবশ্য বক্তব্য, ওই ব্যক্তি শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাই যেতে পারছেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ভোটপ্রচারে  শাহজাহানের শাগরেদদেরও অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি তুললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ভোটপ্রচারে শাহজাহানের শাগরেদদেরও অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি তুললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালির সমস্যা এখনও মেটেনি। শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হলেও ওর সাগরেদরা এখনও গ্রেফতার  হয়নি। সাগরেদগুলোকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।” বৃহস্পতিবার ভোট প্রচারে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই বললেন বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। উত্তর দিনাজপুরের জেলার ইটাহার ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে আসেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন সহ ইটাহার ব্লকের একাধিক জায়গায় জনসংযোগ কর্মসূচিতে যোগ দেন সুকান্ত বাবু। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত বাবু বলেন, “অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। ভেবেছিলাম আগের মতো ইটাহার এলাকায় পিছিয়ে আছি।  কিন্তু, এবার আমরা ইটাহারে লিড পাব।”

    ইউসুফ পাঠান নিয়ে মুখ খুললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

     ইউসুফ পাঠান প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “ইউসুফ পাঠান বাংলা জানেন না বোঝেন না। গুজরাট থেকে এসেছেন। রাজনীতির ‘র’ জানেন না। ভেবেছেন এখানে ভালো পয়সা কড়ি কামাই হবে। তাই চলে এসেছেন এখানে। তিনি নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করবে এটাই তো স্বাভাবিক। জানেনই তো না যে নির্বাচনী বিধি কি! ভোট কীভাবে হয় সেটাও জানেন কিনা সন্দেহ আছে।” অপরদিকে গার্ডেনরিচে পুরসভার পক্ষ থেকে বাড়ি ভাঙ্গা প্রসঙ্গে সুকান্ত বাবু বলেন, ” বাড়ি ভেঙে কি হবে? বাড়ি ভাঙতে পারবে নাকি গার্ডেনরিচে? ওখানে বাড়ি ভাঙতে গেলে পুরসভার টিমকে ভেঙে বাড়ি পাঠিয়ে দেবে। ওখানে সব বাড়িই তো অবৈধ। সব তো পুরসভার কাউন্সিলরকে টাকা দিয়ে হয়েছে। কটা বাড়ি ভাঙবে?

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, থানা ঘেরাও করল বিজেপি

    মহুয়া মৈত্রকে ইডির তলব নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    মহুয়া মৈত্রকে ইডির তলব প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ” ইডি ডাকলে পরে, ইডির বাঁশি হচ্ছে কৃষ্ণের বাঁশির মতো। শুনলে পরে অথবা কানে প্রবেশ করলে আজ না হয় কাল দৌড়ে যেতেই হবে। রাধা যেমন দৌড়ে যেত। এই রাধাও দৌড়োবে চিন্তা নেই। কৃষ্ণ সবে বাঁশি বাজাতে শুরু করেছে।” এদিকে বিজেপি প্রার্থীর রেখা পাত্রের সরকারি সাহায্য নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” সরকারি সাহায্য নেওয়া অপরাধ নাকি? তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন ভারতবর্ষের পাসপোর্ট ব্যবহার করেন? ভারতবর্ষে তো মোদির সরকার। আধার কার্ড দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার তার মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আধার কার্ড তৈরি করবে না? তৃণমূলের কোন নেতার আধার কার্ড থাকা উচিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share