Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Jalpaiguri: “মানুষ কি ত্রিপল খাবে?”, ঝড় বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়ে তৃণমূলকে তোপ অনন্ত মহারাজের

    Jalpaiguri: “মানুষ কি ত্রিপল খাবে?”, ঝড় বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়ে তৃণমূলকে তোপ অনন্ত মহারাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারের ঝড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ। মঙ্গলবার তিনি জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ির বার্ণিশ এলাকায় যান। রবিবারের ঝড়ে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বার্ণিশ ও পুটিমারি এলাকা। প্রায় ১৫০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এদিন দূর্গতদের সঙ্গে দেখা করেন অনন্ত মহারাজ। তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন তিনি।

    ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বললেন বিজেপি সাংসদ (Jalpaiguri)

    বিজেপি সাংসদকে কাছে পেয়ে দূর্গতরা তাদের অভাব অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। সঙ্গে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এদিন তাঁরা জানান শুধু ত্রিপল এবং সামান্য কিছু শুকনো খাবার ছাড়া আর কিছু দেওয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে। শুকনো খাবারের মধ্যে চিড়া দেওয়া হয়, কিন্তু সেই চিড়া মুখে তোলার যোগ্য নয়। ফলে, কিছুটা না খেয়েই তাদের দিন কাটাতে হচ্ছে। ঝড়ে বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ায় তাঁরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। ঘরের আসবাবপত্র সব নষ্ট হয়ে গেছে। ঘরে থাকা টাকা পয়সা সব ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। একদিকে আর্থিক সমস্যা, অন্যদিকে মাথা গোঁজার ঠাঁই নিয়ে সমস্যা। সব মিলিয়ে চুড়ান্ত নাজেহাল অবস্থা তাঁদের। এই সমস্ত বিষয়গুলি তুলে ধরেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    মানুষ কি ত্রিপল খাবে? ক্ষোভ জানালেন বিজেপি সাংসদ

    ক্ষতিগ্রস্তদের কথা মন দিয়ে শোনেন অনন্ত মহারাজ। তিনি তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তৃণমূল সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত খারাপ। গোটা বিষয়টি আমি প্রধানমন্ত্রীকে জানাবো। শুধু ত্রিপল দিয়েই দায় সারছে রাজ্য প্রশাসন বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর মতে মানুষ কি ত্রিপল খাবেন? এই অবস্থায় প্রথম কাজ দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা করা। কিন্তু, প্রশাসনের তরফে সেইভাবে ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এদিন তিনি প্রথমে বার্ণিশ কালীবাড়ি এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন বিজেপি সাংসদ। পরে, পুটিমারি হাই স্কুলে ত্রাণ শিবিরে গিয়ে সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি পুটিমারির বিধ্বস্ত এলাকাও ঘুরে দেখেন। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচন বিধি মেনে যেভাবে সাহায্য করা সম্ভব, সেই ভাবেই তিনি দূর্গতদের সাহায্য করবেন বলে জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগে সরব দলের নেতারা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Arambagh: তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগে সরব দলের নেতারা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘টাকা নেই, সেই কারণেই এবারে প্রার্থী হতে পারিনি’ আরামবাগের (Arambagh) প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দার এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। এই মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। এরপরই এবার কাটমানি নিয়ে অপরূপার বিরুদ্ধেই সরব হলেন তাঁর দলের একাধিক তৃণমূল নেতা। এই ঘটনায় শোরগোল আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে। লোকসভার ভোটের মুখে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী বলেছেন বিদায়ী তৃণমূল সাংসদ? (Arambagh)

    নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানির অভিযোগ ওঠায় অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, এবার লোকসভা নির্বাচনে আরামবাগ (Arambagh) লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের জয়ী সাংসদকে সরিয়ে প্রার্থী করা হয় একেবারে নতুন মুখ মিতালী বাগকে। টিকিট না পাওয়া নিয়ে প্রথমদিকে মুখ না খুললেও সম্প্রতি মনের জমে থাকা ক্ষোভ প্রকাশ করেন অপরূপা পোদ্দার। দুবারের তৃণমূলের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে লড়াই করার জন্য যে টাকার প্রয়োজন তা আমার কাছে নেই।  তাই এবারে প্রার্থী হননি তিনি। এমনকী আমার কাছে টাকা নেই তা হুগলি জেলার দুই মন্ত্রী জানতেন। অপরূপার এই মন্তব্যের পরেই বিস্ফোরক হতে দেখা যায় আরামবাগ ও গোঘাটের একাধিক নেতা তথা প্রাক্তন জনপ্রতিনিধিদের।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    বিদায়ী সাংসদের বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগে সরব নেতারা

    গোঘাট ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন বনভূমির কর্মাধ্যক্ষ স্বপন সাহানার অভিযোগ, টাকা না থাকায় প্রার্থী হননি তা পুরোপুরি মিথ্যা কথা বলছেন অপরূপা পোদ্দার। পাল্টা তাঁর বিরুদ্ধে কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। বনভূমির কর্মাধ্যক্ষের অভিযোগ, এলাকায় শ্মশান চুল্লির অনুমোদন পাওয়ার পরেও অপরূপা পোদ্দারকে কাটমানির টাকা না দিতে পারায় থমকে রয়েছে সেই কাজ। আবার গোঘাটের তৃণমূল নেতা শুভেন্দু মণ্ডলের অভিযোগ, ক্লাবের জন্য সরকারি পাঁচ লক্ষ টাকা পেতে দিতে হয়েছে কাটমানি। অন্যদিকে খানাকুলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান হাইদার আলির অভিযোগ, পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হওয়ার পরেও তাঁর স্ত্রীর চাকরির জন্য টাকার দাবি করা হয়েছিল। পাশাপাশি আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি গুনধর খাঁড়ার অভিযোগ, অপরূপা যা বলছেন সবটাই মিথ্যা। উল্টে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সব মিলিয়ে প্রাক্তন আরামবাগ (Arambagh) সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যের পর বিস্ফোরক তাঁর দলের একাধিক তৃণমূল নেতা। যদিও এই প্রসঙ্গে বর্তমান তৃণমূল প্রার্থী মিতালী বাগকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল এখানে জিতলে, গুন্ডারা এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে। তাই তৃণমূলকে জেতানো যাবে না। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে। ভোট প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কর্মীদের উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে তৃণমূলকে তোপ (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার জেলার কুশমন্ডির মহিষবাথান এলাকায় ভোট প্রচার সারেন বালুরঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মহিষবাথানে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। আগামী পাঁচ বছর পাবেন। এই গ্যারান্টি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, বিরোধীরা মিথ্যে কথা বলছে। প্রচার করছে, দিদি দিচ্ছে। দিদির তো পকেটই নেই। কোথা থেকে দেবেন! পকেট থাকলেও টাকা নেই। তৃণমূলের ময়া মাছ, দাড়কা মাছ সাইজের নেতারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু, কারও বন্ধ হবে না। যদি কারও বন্ধ হয়ে যায় তা চালু করার দায়িত্ব আমার। ছাব্বিশে রাজ্যে বিজেপি সরকার হলে তিন হাজার টাকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করা হবে। কিন্তু তার আগেও সরকার চলে আসতে পারে। তাই তৃণমূলকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

    আরও পড়ুন: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে

    বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমার বলেন, সিএএ নিয়েও তৃণমূল মিথ্যে বলছে। কথা দিয়েছিলাম, বালুরঘাট-শিয়ালদা ট্রেন চালু করব, করেছি। এত সুন্দর ঝাঁ চকচকে ট্রেন গোটা উত্তরবঙ্গে নেই। এবার দিল্লির ট্রেন চলবে। সন্দেশখালিতে তৃণমূল মা-বোনদের সম্মান নিয়ে খেলেছে। এটা আমাদের এখানে হতে দেওয়া যাবে না।’ এদিনের সভা থেকে তিনি আরও বলেন, বাড়ির বউ- মেয়েদের তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ও নেতাদের ধারে পাশে যেতে দেবেন না, তাহলে তাঁদের ইজ্জত লুটে নেবে তৃণমূলের নেতারা। তৃণমূল দল হলো ইজ্জত লুটের দল। এই দল কে কোনও ভাবেই জেতানো যাবে না। তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে।

    ৩০টি আসনে জিতবে বিজেপি!

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘গতবার বিজেপি ১৮টি আসন জেতায় মুখ্যমন্ত্রীর মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, বিজয় মিছিল করা যাবে না। এবারে আমরা ৩০টি আসন জিতে গেলে আরও বিজয় মিছিল করা যাবে না। সেজন্য আমরা আগামী ৩ তারিখ মনোনয়নপত্র জমা দেব। বিজয় মিছিলও করব। কিন্তু, বিজয় মিছিল করতে গেলে জয় ছিনিয়ে আনতে হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নরেন্দ্র মোদির কাজ মানুষকে বোঝাতে হবে।’ আর তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রকে জেতানো যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: মেলেনি আবাসের বাড়ি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তরা

    Jalpaiguri: মেলেনি আবাসের বাড়ি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাসে নয়, ভরসা কেরালা মডেল। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ির ঝড় বিধ্বস্ত এলাকা বার্ণিশ অঞ্চলের মানুষের ক্ষোভ এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের ওপর। ওই এলাকার প্রায় ১৫০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিশ্চিহ্ন হয়েছে প্রায় ৫০০ বাড়ি। এলাকার মানুষের ক্ষোভ, যদি প্রধানমন্ত্রী আবাসের ঘর তাঁরা পেতেন তাহলে এতটা ক্ষতি হত না। এলাকার অধিকাংশ বাড়িই টিনের চালের। তাও আবার কাঁচা বাড়ি। কিছু বাড়ির অর্ধেক দেওয়াল রয়েছে তাতে কী? বিধ্বংসী ঝড়ের কাছে খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে বাড়িগুলি।

    ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা কী বললেন? (Jalpaiguri)

    স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জীব রায়, নৃপেন অধিকারীরা বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পাইনি। আমরা এই এলাকার আদি এবং স্থায়ী বাসিন্দা। অথচ যারা সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়িতে এসেছেন, তাঁরা ঘর সহ অন্যান্য সুবিধা পেয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় এলাকায় তেমন ভাবে কাজের বা রোজগারের কোনও সুযোগ সুবিধা নেই। তাই বাধ্য হয়েই এলাকার ছেলে বুড়ো প্রায় সকলেই কেরালায় কাজ করেন। তাদের উপার্জিত টাকা দিয়েই বাড়ির লোকজন ঘরবাড়ি তৈরি করছিলেন। কিন্তু, ঝড়ের তান্ডবে সব শেষ হয়ে গেল। স্থানীয় নেতাদের উদ্দ্যেশ্যে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে স্থানীয়রা বলেন, যদি সরকার বিবেচনা করে সঠিক মানুষকে ঘর দেয় তাহলে ভালো হত। কিন্তু, এখানে উল্টো, স্থানীয় নেতাদের সুপারিশ করা লোকজনই সমস্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। সেই কারণে আস্থা হারিয়েছেন। বেছে নিয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজ। সেখানেই তাঁরা আর্থিকভাবে  সুরক্ষিত। উপার্জনও ভালো, তাই গ্রামের উঠতি যুবকরা কেউই আর এলাকায় থাকছেন না। কেউ শ্রমিকের, কেউ বা রাজমিস্ত্রীর, কেউ আবার কাঠমিস্ত্রীর কাজ করতে কেরলায় পাড়ি দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে তোপ দেগেছিলেন শুভেন্দু

    সোমবার শুভেন্দু অধিকারী জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ঘটনাস্থলে এসে জানিয়েছিলেন, আবাস যোজনায় টাকা দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র থেকে। কিন্তু, রাজ্য সরকার সেই টাকা নয়ছয় করেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় একটিও ঘর দেয়নি রাজ্যের বাসিন্দাদের। যদি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর এই এলাকায় দেওয়া হতো তাহলে এই দুর্গতি হত না। সেই ঘর শক্তপোক্ত হতো। ছাদ দেওয়া ঘর হতো, ঘরবাড়িগুলি অন্তত উড়ে যেত না। অন্যদিকে এলাকার মানুষ ভরসা রাখছে কেরলের ওপর বা অন্য রাজ্যের ওপর, যেখান থেকে অন্তত রুজিরুটির যোগান টুকু মেলে। পরিবারের মুখে দুবেলা অন্ন তুলে দেওয়ার গ্যারান্টি টুকু থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    Cooch Behar: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের কেন্দ্রে তৃণমূল, সিপিএম ছেড়ে লাইন দিয়ে গেরুয়া বাহিনীতে যোগদান পর্ব চলছে। এলাকায় চুটিয়ে জনসংযোগ করছেন কোচবিহারের (Cooch Behar) বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূল বিধানসভায় ক্ষমতায় এসে বামেদের বহু কার্যালয় জোর করে দখল করে রেখেছে। এবার দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিশীথ প্রামাণিক বামেদের বার্তা দেন।

    বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস খুলে দেওয়ার বার্তা নিশীথের (Cooch Behar)

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গ রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন হল কোচবিহার (Cooch Behar)। এখান থেকে বিজেপি ফের একবার ভরসা রেখেছে বিদায়ী সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, কোচবিহারে ভোটের লড়াই মূলত দ্বিমুখী। তৃণমূল বনাম বিজেপি। তবে কংগ্রেস ও ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থীও রয়েছে এখানে। ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে প্রার্থী করা হয়েছে নীতীশচন্দ্র রায়কে। এককালে কোচবিহার ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্ত ঘাঁটি হলেও, এখন সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই কমেছে ফরওয়ার্ড ব্লকের। এমন অবস্থায় বামেদের ভোট বিজেপির দিকে টানার চেষ্টায় কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। ভোটের আগে এবার বামপন্থীদের উদ্দেশে বার্তা দেন কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের। ভোটপর্ব মিটে গেলে, বামপন্থীদের দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারে সাহায্য করার আশ্বাস দিলেন তিনি। নিশীথ প্রামাণিক বলেন, ‘যেখানে যেখানে বামপন্থী ভাইদের পার্টি অফিস তৃণমূল দখল করেছে, তারা উদ্ধার করতে না পারলে, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপি সেই পার্টি অফিস উদ্ধার করে বামপন্থী ভাইদের হাতে তুলে দেবে।’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বামপন্থীরা যাতে ভোট নষ্ট না করেন, বার্তাও দিয়ে রাখলেন নিশীথ।

    আরও পড়ুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও নিশীথের বামেদের প্রতি এই আশ্বাসকে খোঁচা দিতে ছাড়ছেন না কোচবিহারের (Cooch Behar) দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তাঁর পাল্টা আক্রমণ, ‘আজকের প্রতিশ্রুতিটা অনেকটা সুপারি কিলারদের মতো। সুপারি কিলাররা যেমন টাকা নিয়ে খুন করে, তেমন তিনিও বলেছেন ভোট দিন, আমরা পার্টি অফিস উদ্ধার করে দেবেন।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: “আবাসের বাড়ি পাইনি, মেলেনি সরকারি সুবিধা”, দেব-এর প্রচারে মন্ত্রীর সামনে বিক্ষোভ

    Dev: “আবাসের বাড়ি পাইনি, মেলেনি সরকারি সুবিধা”, দেব-এর প্রচারে মন্ত্রীর সামনে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় তারকা প্রার্থী দেব-কে (Dev) নিয়ে ভোটের প্রচারে বেরিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়লেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহা। প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ জানানোয় চরম বিড়ম্বনায় পড়েন তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। তবে, ভোটের মুখে এই ক্ষোভ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    মন্ত্রীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ (Dev)

    সোমবার বিকেলে কেশপুরে প্রচারে আসেন দেব (Dev)। তাঁর গাড়ির আগেই ছিল মন্ত্রী তথা কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহার গাড়ি। ছুতারগেড়্যার কাছে দলের নেতা-কর্মীদের জটলা দেখে গাড়ি দাঁড় করান শিউলি। রাস্তার পাশে তৃণমূলের স্থানীয় কার্যালয়। বাম আমলে এটিই সিপিএম কার্যালয় ছিল। পালাবদলের পরে ‘দখল’ হয়েছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী যখন নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন, তখন তাঁর গাড়ির সামনে আসেন কাবরুল বেগম নামে স্থানীয় এক মহিলা। অভিযোগ করে বলেন, আবাসের বাড়ি দেয়নি। আমার বড় ছেলে শেখ বরজাহান আলি একশো শতাংশ প্রতিবন্ধী হয়েও সরকারি ওই প্রকল্পের সুবিধা পাননি। অথচ গ্রামের এমন অনেকে বাড়ি পেয়েছেন, যাঁদের পাওয়ার কথাই নয়। গাড়ির কাছে গিয়ে কাবরুল মন্ত্রীকে শোনান, “আমি মমতাকে দেখে পার্টি করেছি। এই পার্টি অফিসের জায়গাটা আমার শ্বশুরের। দেব আমার দেশের ছেলে। আমি কাউকে ভয় করিনি। অন্য অনেকে দু’তলা, তিনতলা বাড়ি করছে। আমার প্রতিবন্ধী ছেলেটা কেন বাড়ি পাবেনি? এটা শুধু আমার ব্যাপার নয় আরও অনেকের ব্যাপার।”

    আরও পড়ুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    অভিযোগকারীকে বলতে বাধা!

    অদূরে তখন দেবের গাড়ি। প্রশ্নের মুখে অস্বস্তিতে পড়েন শিউলি। নেতা-কর্মীরা ওই মহিলাকে সরানোর চেষ্টা করেন। কাবরুল তখন বলে ওঠেন, “সরাচ্ছো কেন? দল করার জন্য দুর্দিনে মার খেয়েছি। সুদিনে আমাদের দল দেখেনি।” শিউলি বোঝানোর চেষ্টা করেন, “আরে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দিচ্ছে না তো।” কয়েকজন নেতার আশ্বাসে শেষে কাবরুল শান্ত হন। মন্ত্রীকে ঘিরে ধরে এই ক্ষোভের কথা কানে উঠতেই কেশপুরের ভূমিপুত্র দেব (Dev) বললেন, “শুধু মানুষের ভালো কথা শোনার জন্য তো আর জনপ্রতিনিধি হয় না। মানুষের রাগ, অভিমান-এ সবও শুনতে হয়। মানুষ তাঁর কাছেই আক্ষেপ করেন, যাঁকে বিশ্বাস করেন।”

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এতদিন ধরে তৃণমূল করার পরও ওই মহিলা আবাস যোজনায় বাড়ি পাননি কেন? স্থানীয় জেলা পরিষদ সদস্য মহম্মদ রফিকের দাবি, “ওঁর এক ছেলে বাড়ি পেয়েছে। উনি সেটা জানেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারদের তেজপাতা হিসেবে ব্যবহার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই মন্তব্য করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শীতলকুচির সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা তৃণমূলকে তোপ দাগলেন। পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন রাখলেন। এমনিতেই শীতলকুচিতে বিজেপির ভালো ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। তবে, তৃণমূল এবার লোকসভায় ভোট টানার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।

    তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য রাজনীতির নিরিখে অন্যতম চর্চিত অঞ্চল হল শীতলকুচি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে গুলি চলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক দূর গড়িয়েছিল রাজনীতির জল। শাসক-বিরোধী চাপানউতোর চলেছে দীর্ঘদিন। সেই শীতলকুচির মাটিতেই নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার সারলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, তত তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতির বাতাবরণ। তৃণমূল, বিজেপি সব দলই একে অন্যকে নিশানা করছে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছে না। এসবের মধ্যেই এবার শীতলকুচির সভা থেকে কড়া ভাষায় তৃণমূল শিবিরকে বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সভা মঞ্চ থেকে শীতলকুচির আমজনতার উদ্দেশে বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাদের তেজপাতা বলে মনে করেন।” সাধারণত, তেজপাতা হল প্রতিটি বাঙালির হেঁশেলের নিত্যদিনের ব্যবহারের একটি জিনিস। কিন্তু, সেটা শুধুই ব্যবহার হয় রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্য, খাওয়ার জন্য নয়। রান্নার পর খাওয়ার সময় সেই তেজপাতা পাতে পড়লে সরিয়ে রাখা হয়। কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে শীতলকুচির নির্বাচনী প্রচার সভায় শুভেন্দুর দাবি, শাসক শিবির সেখানকার আমজনতাকে ‘তেজপাতা’ বলে মনে করেন। এরপরই শুভেন্দু ব্যাখ্যা দিলেন, “তেজপাতা তরকারিতে লাগে, কিন্তু খাওয়া যায় না।” ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন, দয়া করে এদের হাতে ব্যবহার হবেন না।’

    আরও পড়ুন: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কর্মীর বা়ড়িতে বিজেপি প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার বার্তা

    South 24 Parganas: তৃণমূলের হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত কর্মীর বা়ড়িতে বিজেপি প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে রাজনৈতিক হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দিরবাজার কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খেলারামপুর। চলেছিল গুলি, আর সেই গুলিতেই গুরুতর আহত হয়েছিলেন বিজেপির অন্ধ ভক্ত সমর্থক সাইরাজ মোল্লা (২৫)। অভিযোগের তির ছিল শাসকদলের দিকে। এই ঘটনার পর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় বেশ কয়েকজন। বাড়িতে রয়েছে বিজেপি কর্মীর  স্ত্রী এবং একমাত্র সন্তান। তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপির বর্তমান লোকসভার প্রার্থী অশোক পুরকাইত,অগ্নিমিত্রা পল সহ কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রধান এবং বহু এলাকার মানুষ।

    হাসপাতালে একমাস লড়াই করার পর মৃত্যু (South 24 Parganas)

    ঘটনার পর পরই বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল আহতের বাড়িতে আসেন। জখম বিজেপি কর্মীকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার হাসপাতাল থেকে কলকাতা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করতে থাকেন সাইরাজ। প্রায় এক মাস ধরে লড়াই করা পর সোমবারই সবই শেষ। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তে এলাকায় প্রচুর মানুষ ভিড় করতে থাকেন। বিজেপি কর্মীর দেহ খেলারামপুরে বাড়িতে আনার আগেই মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইত  সহ বিজেপি নেতৃত্বরা সেখানে হাজির হন। তবে, মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এলাকায়। মৃতের পরিবার সহ এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে সাংবাদিকদের এলাকায় ছবি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেয়। সাইরাজের অকাল মৃত্যুতে শোকোস্তব্ধ এলাকা। বিজেপি লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের সুন্দরবন জেলার (South 24 Parganas) সভাপতি তথা মন্দির বাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার বলেন, এই মৃত্যুর ঘটনা অবশ্যই বেদনাদায়ক। আমরা সমবেদনা জানাই ওর পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে। তবে বিজেপি অহেতুক এই মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে। এই জিনিসটি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তবে ইতিমধ্যেই পুলিশ প্রশাসন এই ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করেছে এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: সৌগতর সভায় গরহাজির নেতারা! ভোটের মুখে খড়দায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    Khardah: সৌগতর সভায় গরহাজির নেতারা! ভোটের মুখে খড়দায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমদম লোকসভার খড়দা (Khardah) বিধানসভা এলাকায় নির্বাচনী রণকৌশলের থেকে খড়দার গোষ্ঠী কোন্দল মেটানো এখন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত খড়দার ক্ষেত্রে লড়াইটা এবার যত না বেশী বিজেপি ও সিপিএমের সঙ্গে, তার থেকেও বেশি তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের! আর এটাই এখন তৃণমূলের প্রার্থীর কাছে মস্তবড় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত (Khardah)

    দমদম লোকসভা কেন্দ্রের অধীন খড়দায় (Khardah) দলের কোন্দল মেটা তো দূরে থাক, উল্টে যত দিন যাচ্ছে তত বেআব্রু হচ্ছে কোন্দল। সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী এবং বিজেপির শীলভদ্র দত্ত যখন খড়দহে চুটিয়ে প্রচার সারছেন তখন তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত। দলীয় প্রার্থী সৌগত রায়কে নিয়ে কে কোথায় প্রচার করবেন, দেশের সরকার নির্বাচনে খড়দায় প্রচারের রণকৌশল কী হবে সেদিকে যেন কোনও ভ্রুক্ষেপই নেই স্থানীয় স্তরের নেতা কর্মীদের একটা বড় অংশের। প্রার্থী হিসেবে সৌগত রায়ের ভূমিকা কি, কি ই বা ভূমিকা স্থানীয় বিধায়ক তথা কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন দলেরই একাংশ। দিন কয়েক আগে রহড়া বাজারে দলীয় একটি সভায় স্থানীয় এক নেতার সঙ্গে মঞ্চে বিতর্কে জড়ান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    সৌগত রায়ের সভায় গরহাজির একাধিক নেতা

    কিছুদিন আগে ব্যবসায়ীকে তোলা চেয়ে মারধরের ঘটনায় প্রকাশ্যে আসে তৃণমূলের কোন্দল। সেখানে একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল। তারও কয়েক মাস আগে খড়দহ গ্রামীণ এলাকায় দুপক্ষ নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্যে মারপিটে জড়িয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারের একটি হোটেল মালিকের কাছে তোলা চেয়ে না পেয়ে সেখানে ঢুকে মারপিট এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় তৃণমূলের এক নেতার ভাই ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। সেটিতেও প্রতিবাদের সুর শোনা গিয়েছিল শোভনদেবের গলায়। পরিস্থিতি যা তাতে খড়দা (Khardah) শহর এবং গ্রামীণ উভয় এলাকাতেই তৃণমূলের প্রতিপক্ষ এখন তৃণমূলই। মিটিং মিছিল থেকে দলীয় সভায় লোক হাজির করাতে গিয়ে কার্যত হিমশিম অবস্থা! রবিবার খড়দহ রবীন্দ্রভবনে দলের প্রার্থী সৌগত রায়ের সমর্থনে একটি কর্মী সভার আয়োজন করা হয়েছিল। যার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেখানেও দলের কতিপায় কাউন্সিলর যেমন গরহাজির ছিলেন, তেমনি গ্রামীণ এলাকার কয়েকজন নেতাকেও সেখানে দেখা যায়নি।

    কী বললেন সৌগত?

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করে নিয়ে  সৌগত রায় বলেন, ‘ কারও কারও অভিযোগ আছে। ইতিমধ্যেই দু তিন বার তাদের নিয়ে বসেছি এবং অনুরোধ করেছি। রবিবারের মিটিংয়েও কেউ কেউ অনুপস্থিত ছিল। আবার ওদের সঙ্গে বসবো এবং ওদের বোঝাবো নির্বাচনটা একটা আলাদা প্রেক্ষিত। এখানে ব্যক্তির কোনও বিষয় নেই, দলের বিষয় থাকে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন যিনি জয় শ্রীরাম ডাক শুনতে পারতেন না, তিনি এখন রামনবমী ছুটি দিয়েছেন। কথায় বলে ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনওদিনই পূরণ হবে না, হতে পারে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বালুরঘাটের জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় এসে এইভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি।  

    তৃণমূল ছেড়ে প্রায় আড়াইশো জন কর্মীর বিজেপিতে যোগদান (Sukanta Majumdar)

    এদিনের নির্বাচনী প্রচার সভায় আরএসপি-র পঞ্চায়েত সদস্য ও তৃণমূলের প্রায় আড়াইশো জন কর্মী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। মূলত, এদিন বালুরঘাট ব্লকের জলঘর গ্রামপঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় একটি যোগদান কর্মসূচি ও একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভাতে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, তৃণমূলের থেকে কর্মীদের মোহভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে, এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। ভোটের মুখে দলে দলে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক আমাদের দলে নাম লেখাচ্ছেন। এতে আমাদের সংগঠন আরও অনেক মজবুত হল। আগামীদিনেও আরও বহু তৃণমূল কর্মী আমাদের দলে যোগদান করবেন। মানুষ তিতি বিরক্ত। তৃণমূলের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের সঙ্গে কেউ আর থাকতে চাইছে না।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) এই কটাক্ষককে উড়িয়ে দিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন , সুকান্তবাবু শিক্ষিত অধ্যাপক, তিনি মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গে যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন তা কাম্য নয়। পাশাপাশি বাম পঞ্চায়েত সদস্যের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বামেরা বিজেপিকে সাহায্য করছে, তা জানি। তবে, যত সংখ্যা বলছেন, তত সংখ্যায় যোগদান করেনি। মাত্র কয়েকজন যোগদান করেছেন। তৃণমূল থেকে কেউ যোগদান করেনি। ওরা মিথ্যা দাবি করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share