Tag: Uttar Pradesh

Uttar Pradesh

  • Kalyan Singh: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    Kalyan Singh: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২১ অগাস্ট। ১৯২১ সালের এই দিনেই প্রয়াত হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিংহ (Kalyan Singh)। তাঁর মৃত্যুদিনটিকে ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ হিসেবে পালন করল বিজেপি। কল্যাণের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীর এই অনুষ্ঠান পালিত হয় ইন্দিরা গান্ধী প্রতিষ্ঠানে। উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, বিজেপির রাজ্য সভাপতি ভূপেন্দ্র সিংহ, উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য এবং ব্রজেশ পাঠক। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী, এমপি এবং এমএলএরা।

    আদর্শ মুখ্যমন্ত্রী (Kalyan Singh)

    যে মানুষটিকে নিয়ে এত অনুষ্ঠানের আয়োজন সেই কল্যাণ সিংহ ছিলেন একজন (Ram Mandir) আদর্শ মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, এমন রাজ্যপাল যিনি তাঁর কথাকে সব সময় কাজে পরিণত করতেন। তিনি ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক, পরিশ্রমী নেতা। আদর্শের সঙ্গে কখনও আপোশ করেননি কল্যাণ। রাম জন্মভূমি আন্দোলন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “সরকার থাকুক কিংবা যাক, মন্দির (রাম মন্দির) নিশ্চিতভাবেই তৈরি হবে।” রাজ্যপাল হিসেবে কল্যাণ সিংহ গ্রামীণ সম্প্রদায়, ছাত্র এবং অন্যদের আত্মোন্নতি এবং দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। রাজনীতির কারবারিদের মতে, কল্যাণ সিংহ ইতিহাসের অংশ নন, তিনি ছিলেন ইতিহাস রচয়িতা।

    আদর্শের প্রতি নিষ্ঠাবান

    ১৯৩৫ সালের ৫ জানুয়ারি জন্ম গ্রহণ করেন কল্যাণ (Kalyan Singh)। ছোট থেকেই নীতি এবং আদর্শের প্রতি নিষ্ঠাবান ছিলেন তিনি। স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে তিনি ছিলেন লয়্যাল, নেতা হিসেবে দৃঢ়। দক্ষ সংগঠকও ছিলেন কল্যাণ। একজন আদর্শ মুখ্যমন্ত্রীর যেমন হওয়া প্রয়োজন, কল্যাণ ছিলেন তেমনই। রাজ্যপাল হিসেবেও তিনি ছিলেন অননুকরণীয়। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের কাঠামো ভাঙার সময় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কল্যাণ। এই সময়টা ভারতীয় ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৯২ সালের ৬ অগাস্ট অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় কল্যাণ ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। লিবারহান কমিশন যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, করসেবকরা মসজিদ ভাঙছে দেখেও গুলি না চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন?

    আরও পড়ুন: কার বিরুদ্ধে পথে? আরজি কর কাণ্ডে একের পর এক ভুল পদক্ষেপ মমতার, কী কী?

    গুলি না চালানোর নির্দেশ

    নির্ভীক কল্যাণের উত্তর, “আমি তো সব সময়ই বলে এসেছি যে, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর যা ঘটেছিল, তার পুরো দায় আমার। করসেবকদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশ আমিই দিয়েছিলাম।” মসজিদের কাঠামো ভাঙার পর মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ। তার আগেই অবশ্য তাঁকে বরখাস্ত করেছিল তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার। রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারে জেনেও কল্যাণ যেভাবে করসেবকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাতে তিনি একজন বহুলচর্চিত রাজনীতিক হয়েই থেকে গেলেন (Ram Mandir)। কল্যাণ প্রয়াত হয়েছেন তিন বছর আগে। তবে রেখে গিয়েছেন তাঁর উত্তরাধিকার।

    রাম জন্মভূমি ইস্যু

    রাম জন্মভূমি ইস্যুটি কল্যাণের রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৯১ সালে উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় কল্যাণকে। দ্রুত তিনি নিজেকে জাতীয় নেতা হিসেবে গড়ে তোলেন। শপথ নেন উত্তরপ্রদেশকে অপরাধমুক্ত করার। রাম জন্মভূমি এলাকার বিভিন্ন বাধা অপসারণের অঙ্গীকারও করেছিলেন কল্যাণ। রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের কাছে অ-বিতর্কিত ৪২ একর জমি হস্তান্তর করেছিলেন কল্যাণ। অতিরিক্ত ২.৭৭ একর জমিও অধিগ্রহণ করেছিলেন। কল্যাণের জমি হস্তান্তরের এই সিদ্ধান্তে বিরক্ত হয়েছিল কেন্দ্র। এ ব্যাপারে রিপোর্ট তলব করেছিলেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শঙ্কররাও চ্যবন। চ্যবন তাঁকে (Kalyan Singh) এই বলে সতর্ক করেছিলেন যে, যদি উত্তরপ্রদেশ সরকার কেন্দ্রের নির্দেশ না মানে, তাহলে সংবিধানের ৩৫৬ ধারা অনুযায়ী সরকারকে বরখাস্ত করা হবে।

    মন্দির নির্মাণ হবেই

    জমি হস্তান্তরের বিষয়টি নিয়ে যখন কল্যাণ এবং কেন্দ্রের দ্বন্দ্ব চলছে, তখন উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী সাফ বলেছিলেন, “সরকার থাকুক কিংবা যাক, মন্দির নির্মাণ হবেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হুমকি থেকে এটা স্পষ্ট, রাম মন্দির নির্মাণ এখন দাঁড়িয়েছে জনগণের বাধ্যবাধকতা বনাম সংবিধানের ৩৫৬ ধারার প্রশ্ন। যদি সরকার ও মন্দিরের মধ্যে আমায় যে কোনও একটি বেছে নিতে বলা হয়, আমি মন্দিরটাই বেছে নেব।” জমি হস্তান্তর প্রসঙ্গে তাঁর (Kalyan Singh) যুক্তি, রাম জন্মভূমি ট্রাস্টকে যে ৪২ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে, তা নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। অতিরিক্ত যে ২.৭৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, তার বৈধতা বহাল রেখেছিল হাইকোর্ট। ১৯৯১ সালের ২ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশ সরকার অধিগৃহীত জমির দখল নেয়। জমির মালিকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের সম্মতি নিয়েই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল অধিগৃহীত জমির নির্মাণ। কল্যাণ বলেছিলেন, “অযোধ্যায় যা কিছু হচ্ছে, তা আইন মেনেই।”

    ১৯৯২ সালের ডিসেম্বরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে করসেবকরা এসে ভিড় করতে থাকেন অযোধ্যায়। ৪ তারিখে কেন্দ্রের মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী অর্জুন সিংহ বলেছিলেন, “অযোধ্যার ঘটনাবলীর ওপর নিবিড় নজর রাখছে কেন্দ্র। সংবিধান ও বিচার ব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষায় প্রযোজনীয় যা কিছু করার, তা করা হবে।” এর ঠিক দু’দিন পরেই ভাঙা হয় তৎকালীন ‘বিতর্কিত’ কাঠামো।

    কল্যাণ (Kalyan Singh) নেই। বিতর্কের অবসান শেষে হয়েছে রাম মন্দিরও। দেবালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন রামলালা। স্বপ্ন পূরণ হয়েছে (Ram Mandir) কল্যাণের। যদিও তা দেখে যেতে পারেননি গর্বিত এই হিন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: হিন্দু পরিচয় দিয়ে, তিলক পরে তরুণীকে ধর্ষণ উত্তরপ্রদেশে

    Love Jihad: হিন্দু পরিচয় দিয়ে, তিলক পরে তরুণীকে ধর্ষণ উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের লাভ জিহাদের ঘটনা। ঘটনাস্থল আবারও সেই উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh)। চিত্রনাট্যও মোটামুটি এক। ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করে (Love Jihad) ইসলামে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ দুই মুসলমান তরুণের বিরুদ্ধে। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের খোদা এবং ক্রসিং রিপাবলিক এলাকার ঘটনা।

    অক্ষয় ‘সেজে’ প্রতারণা

    ক্রসিং রিপাবলিক এলাকার এক যুবতীর অভিযোগ, ২০১৫ সালে ফেসবুকে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় জনৈক অক্ষয়ের। সেই সময় তিনি পড়তেন লখনউ কলেজে। অক্ষয় বি টেকের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র বলে পরিচয় দিয়েছিল। মুসলমান পরিচয় গোপন করতে সে নিয়মিত যেত মন্দির দর্শনে। হাতে পরত কালভা (সুতোর তৈরি তাগা, পবিত্র বস্তু বলে মানেন হিন্দুরা)। প্রেমের সম্পর্ক গাঢ় হলে অক্ষয় ওই তরুণীকে বিয়ে করার ইচ্ছে প্রকাশ করে। ভালোবাসার মোহে অন্ধ হয়ে তাতেই রাজি হন ওই তরুণী। এর পর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অক্ষয় তাঁকে লখনউয়ের একটি হোটেলে ডেকে পাঠায়। সেখানেই তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এর পর ওই তরুণীকে একটি স্কুলে পড়ানোর ব্যবস্থা করে দেয় অক্ষয় নামধারী ওই মুসলমান যুবক। পরে তিনি জানতে পারেন স্কুলটি আদতে মুসলমানদের একটি প্রতিষ্ঠান।  

    আরও পড়ুন: জমি কেলেঙ্কারি মামলায় বিচার শুরুর সম্মতি রাজ্যপালের, বিপাকে সিদ্দারামাইয়া

    ওই যুবতীর অভিযোগ, অক্ষয় নিয়মিত কোকেন, কেমিক্যাল কোক সেবন করে। তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাঁর খাবারে গর্ভনিরোধক ওষুধ মিশিয়ে দেওয়া হত। তাই প্রত্যেক বারই তাঁর গর্ভপাত হয়ে যেত। পরে একদিন ওই যুবতী জানতে পারেন, অক্ষয় বলে যাঁকে তিনি ভালোবাসেন, সে আসলে মহম্মদ ফয়জান। পরে তাঁকে জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয় বলেও অভিযোগ।

    সমীর সেজে প্রতারণা

    দ্বিতীয় ঘটনাটি খোদা এলাকার। এ ক্ষেত্রে এক মুসলমান যুবক নিজেকে সমীর বলে পরিচয় দেয় (Love Jihad)। এখানেও পাছে মুসলিম পরিচয় প্রকাশ পেয়ে যায়, তাই সে সব সময় তিলক পরে থাকত। হাতে পরত কালভা। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আলাপ হয় তরুণীর সঙ্গে। মার্চের ১৫ তারিখে বাড়িতে একা পেয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরে তরুণীটি জানতে পারেন, সমীর বলে যে পরিচয় যুবকটি দিয়েছিল, সেটি ভুয়ো। যুবকটি আসলে মুসলমান (Uttar Pradesh)। সমীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (Love Jihad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sexual Assault: উত্তর প্রদেশের মাদ্রাসায় নাবালক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ! পলাতক মৌলানা

    Sexual Assault: উত্তর প্রদেশের মাদ্রাসায় নাবালক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ! পলাতক মৌলানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসায় নাবালক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের (Sexual Assault) অভিযোগ শিক্ষক মৌলানার বিরুদ্ধেই। অভিযুক্ত মাদ্রাসার মৌলবির নাম চাঁদ মোহম্মদ। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত মৌলানা পলাতক। ফলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh)। আবার গাড়ি পুখতা থানার ইনচার্জ প্রবেশ কুমার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, আমরা মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনার তদন্তে নেমে কাজ শুরু করেছি।

    গোপনাঙ্গে তেল দিয়ে মালিশ করার অভিযোগ (Sexual Assault)

    উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) শামলি জেলার মুমতাজনগরের গুরানা গ্রামে ‘জামিয়া আরাবিয়া তালিমুল কুরআন’ নামে একটি মাদ্রাসায় এক নাবালক ছাত্রের ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত মৌলানা চাঁদ মোহম্মদ, এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিজে শিক্ষকতার কাজে যুক্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক বাচ্চাকে দিয়ে নিজের গোপনাঙ্গে তেল দিয়ে মালিশ করার অভিযোগও রয়েছে। ইতিমধ্যে ছাত্রের যৌন নির্যাতনের (Sexual Assault) অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই, এই অভিযুক্ত মৌলানা এলাকা থেকে পালিয়াছে। অপর দিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে বহিষ্কার করেছে বলে জানিয়েছে। তবে প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে শিশুদের মধ্যে নিছক ঝগড়া বলে অভিহিত করেছে। গ্রামের বাইরে থেকেও অনেক পড়ুয়ারা এই মাদ্রাসায় পড়তে আসে। নির্যাতনের শিকার এই বাচ্চা ছেলেটি তার বাবা-মাকে আগেই হারিয়েছিল। তার দাদু-দিদার বাড়িতে থেকে পড়াশুনার জন্য মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছিল। আগেও এই বাচ্চাকে একাধিকবার অভিযুক্ত মৌলানা নিজের লালসার শিকার করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ বিচার ব্যবস্থা হবে আরও শক্তিশালী, ৩টি নতুন অ্যাপ চালু অমিত শাহের

    বাচ্চাদের ভয় দেখিয়ে চুপ থাকতে বলত

    স্থানীয়দের (Uttar Pradesh) দাবি, “চাঁদ মোহম্মদ অন্যান্য ছাত্রদেরকেও যৌন শোষণ (Sexual Assault) করেছে। ক্লাস শেষে ছোট বাচ্চাদের তার ঘরে ডেকে গোপনাঙ্গ মালিশ করতে বলত। সেই সঙ্গে বাচ্চাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালাতো। অসহায় বাচ্চাদের ভয় দেখিয়ে চুপ থাকতে বলত। চাঁদ মোহম্মদের এই অত্যাচারে সকলেই চরম অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। অবশেষে আজ বিষয়টি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও পুলিশ এখনও প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ফের লাভ জিহাদ! মুসলিমে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের চাপ, আত্মহত্যা হিন্দু কলেজ ছাত্রীর

    Love Jihad: ফের লাভ জিহাদ! মুসলিমে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের চাপ, আত্মহত্যা হিন্দু কলেজ ছাত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদের (Love Jihad) ঘটনা ঘটল উত্তরপ্রদেশ। সব কিছু জেনে বুঝেও চোখের সামনে নিজের কন্যা সন্তানকে হারালেন উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ময়নপুরিতে কুরাভালি থানা এলাকার একটি হিন্দু পরিবার। মুসলিম যুবকের ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার জন্য মুসলিম যুবকের ক্রমাগত চাপ সহ্য করতে না পেরেই গলায় দড়ি দিয়ে ওই হিন্দু যুবতী আত্মহত্যা করেছেন। ওই যুবতী বিএসসি পড়ছিলেন। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত যুবক মহম্মদ ওয়াসিফ আনসারির নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তার বাড়ি ঘরনাজপুর এলাকায়। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

    মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের চাপ! (Love Jihad)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত কলেজ ছাত্রীর বাড়িতে মা, ছোট ভাই থাকে। আর বাবা দিল্লিতে পুলকার চালান। ওই ছাত্রীর বাড়িতে ওই মুসলিম যুবক প্রায়ই আসত। কোনও এক সময় তাঁর অশ্লীল ছবি তুলে আনসারি তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে। এরপর তাঁকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। একইসঙ্গে তাঁকে মুলসিম ধর্ম গ্রহণ করার জন্য চাপ দিতে থাকে। আর সেটা না করলে অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করার হুমকি দিতে থাকে। এমনকী আর তার কথা মতো মুসলিম ধর্ম গ্রহণ না করলে তাঁকে অ্যাসিড মারার হুমকি দেয় আনসারি। নিহত ছাত্রীর মা বলেন, মেয়ে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছিল। আমি ওই যুবকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলি। তাঁরা কিছু করেননি। উল্টে আমাকে গালিগালাজ করেছিল। আমি বিষয়টি আমার স্বামীকে জানিয়েছিলাম। এরমধ্যেই সব শেষ হয়ে গেল। এভাবে আমার মেয়ে (Love Jihad) চলে যাবে তা আমরা ভাবতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    নিহত ছাত্রীর বাবা কী বললেন?

    নিহত ছাত্রীর বাবা বলেন, আমার মেয়ে পড়াশুনায় ভালো ছিল। মেয়ের অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে ওই মুসলিম যুবক ব্ল্যাকমেল করত। বিয়ে করতে রাজি না হলে সে আমার ছোট ছেলেকে খুন করার হুমকি দিয়েছিল। আর বার বার মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করতে চাপ দিচ্ছিল। ২৯ জুলাই ওই যুবক বিয়ের করার দিন ঠিক করেছিল, না হলে মেয়ের মুখে অ্যাসিড মারার হুমকি দিয়েছিল। সেটা সহ্য করতে না পেরেই মেয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আর কোনও হিন্দু মেয়ের (Love Jihad) সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে তা দেখার জন্য প্রশাসনকে বলব। আর অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    ময়নপুরির (Uttar Pradesh) পুলিশ সুপার বিনোদ কুমার বলেন, “কুরভালি এলাকায় একটি মেয়ে তাঁর বাড়িতে আত্মহত্যা করেছেন। ওয়াসিফ নামে এক যুবক উত্ত্যক্ত করে তাঁকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছিল বলে অভিযোগ পেয়েছি। মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের হিন্দু মন্দিরে অশ্লীল ভিডিও তৈরি! গ্রেফতার দিলশাদ ও আজিম

    Uttar Pradesh: উত্তরপ্রদেশের হিন্দু মন্দিরে অশ্লীল ভিডিও তৈরি! গ্রেফতার দিলশাদ ও আজিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) আমরোহা জেলায় একটি প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের (Ancient Hindu temple) ভিতরে অশ্লীল ভিডিও ও রিল বানানোর অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে দুই যুবককে। জানা গিয়েছে, ওই দুই ইউটিউবারের নাম দিলশাদ ও আজিম। পুলিশ এ বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করেছে। গত ২ অগাস্ট ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়, এরপরেই গ্রেফতার করা হয় দু’ জনকে। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ।

    ১ অগাস্ট সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয় ওই ভিডিও 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে আমরোহা জেলার (Uttar Pradesh)  কোতোয়ালি নগর পুলিশ স্টেশন এলাকায়। ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কোতোয়ালি নগর পুলিশ স্টেশন। গত শুক্রবার ওই থানার পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পরশুরাম ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। ওই পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন যে একটি ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়, ১ অগাস্ট বৃহস্পতিবারই। ওই ভিডিওতে দেখা যায় একটি মন্দিরের প্রাঙ্গণে দুই ইউটিউবার রিল বানাচ্ছেন। যাঁদের মধ্যে একজন শাড়ি পরে রয়েছেন। তদন্তে উঠে এসেছে, ভিডিওটি যেখানে বানানো হচ্ছে সেটি হচ্ছে প্রাচীন বাসুদেব মন্দির (Ancient Hindu temple) যা উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলায় অবস্থিত।

    কোন কোন ধারায় মামলা দায়ের করল পুলিশ (Uttar Pradesh) 

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দিলশাদ ও আজিম দুজনেই আমরোহা জেলারই বাসিন্দা। তবে তাঁদের বাড়ি একই জায়গায় নয় বলেই জানা গিয়েছে। হিন্দু মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করা এবং অশ্লীল ভিডিও করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী এবং আইটি অ্যাক্টের ৬৭ নম্বর ধারাও তাঁদের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে।

    দিলশাদ অন্যান্য হিন্দু মেয়েদের সঙ্গেও একইভাবে রিলস বানায়

    পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এবং অন্যান্য পদক্ষেপ করা হচ্ছে ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে দিলশাদ, আজিমের সঙ্গে কথোপকথন চালাচ্ছে। আজিম মহিলার শাড়ি পরে বসে রয়েছেন। জানা গিয়েছে ঘটনার মূল অভিযুক্তই হলেন দিলশাদ। কারণ তিনিই এই ভিডিওটি রেকর্ড করেন এবং পরবর্তীকালে তা সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল করেন। তদন্ত নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে দিলশাদ অন্যান্য হিন্দু মেয়েদের সঙ্গেও একইভাবে রিলস বানায় এবং তা শেয়ার করে। ফেসবুকে তাঁর প্রোফাইলের নাম রয়েছে জর্ডন ডিএস। এর পাশাপাশি আমরোহা শহরে অত্যধিক গতিতে বাইক চালানোরও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে যে ওই মন্দিরে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বাস করেন (Uttar Pradesh)

    যে মন্দিরে এই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে তা আমরোহা সমেত আশেপাশের জেলাগুলির বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষদের কাছে অত্যন্ত পবিত্রতা ও আস্থার জায়গা বলে মনে করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে যে ওই মন্দিরে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বাস করেন। তারপরেও ওই মন্দিরে এমন রিলস! এটা প্রায়ই কেউই মেনে নিতে চাইছেন না। তাঁরা অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবি করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সমাজবাদী পার্টিকে কোণঠাসা করলেন আদিত্যনাথ

    Yogi Adityanath: আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সমাজবাদী পার্টিকে কোণঠাসা করলেন আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সমাজবাদী পার্টিকে কোণঠাসা করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। তিনি জানিয়েছেন, আগের সরকারের তুলনায় এই বছর অপরাধের হার (Crime rate in UP) উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এদিন বিধানসভায় বাজেট নিয়ে আলোচনার জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”অযোধ্যায় সমাজবাদী পার্টির (এসপি) একজন কর্মী, অনগ্রসর শ্রেণির ১২ বছর বয়সি একটি মেয়েকে ধর্ষণে জড়িত বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমাজবাদী পার্টি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। আমি বুঝতে পারছি না এই সব কী।” 

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য (Yogi Adityanath)

    এ প্রসঙ্গে আদিত্যনাথ আরও বলেছেন, ”গতকালই হারদোইতে একজন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত সমাজবাদী পার্টির জেলা সভাপতি। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন জঘন্য অপরাধে ২৮টি মামলা রয়েছে। আমরা যদি এই ধরনের অপরাধীদের শাস্তি না দিই, তাহলে কি গলায় মালা দেব? এইসব মানুষেরা সমাজের ব্যাধি। সমাজ থেকে এদের না সরালে উত্তরপ্রদেশের অবস্থার উন্নতি করা কঠিন হয়ে পড়বে।” 

    আরও পড়ুন: মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দুর্ঘটনা কত ছিল! পরিসংখ্যান তুলে আক্রমণ বৈষ্ণবের

    ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্য প্রকাশ (Crime rate in UP) 

    মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্যের পরেই (Yogi Adityanath) ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (NCRB) তথ্য প্রকাশ করে বলেন, ”২০১৬ সালে যখন রাজ্যে সমাজবাদী পার্টির সরকার ছিল, তার তুলনায় ২০২৪ সালে ডাকাতির ঘটনা ৮৬.৪৭ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি সেই সময়ের তুলনায় বর্তমানে ছিনতাইয়ের ঘটনা ৭৮.১৭ শতাংশ, খুনের ঘটনা ৪৩.২১ শতাংশ, দাঙ্গা ৬৭.৪২ শতাংশ এবং অপহরণের ঘটনা ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।” এছাড়াও আদিত্যনাথ এদিন আরও জানান, নারীদের যৌতুকের হার ১৭.৪৩ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া ধর্ষণের ক্ষেত্রে ২৫.৩০ শতাংশ, শ্লীলতাহানির ক্ষেত্রে ১৬.৫৬ শতাংশ এবং অপহরণের ক্ষেত্রে ০.১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। 
    ফলে এ তথ্য আবারও প্রমাণ করল যে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) আসার পর থেকে সমগ্র রাজ্যে অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যোগী আদিত্যনাথের গর্বের অন্যতম কারণ।  
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad Scandal: উত্তরপ্রদেশে ৬ সপ্তাহে ৫ হিন্দু নারী নিখোঁজ! অনশন ঘোষণা হিন্দু গোষ্ঠীর

    Love Jihad Scandal: উত্তরপ্রদেশে ৬ সপ্তাহে ৫ হিন্দু নারী নিখোঁজ! অনশন ঘোষণা হিন্দু গোষ্ঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) জালাউন জেলায় লাভ জিহাদের (Love Jihad Scandal) বেশ কয়েকটি ঘটনা সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই এই এলাকায় গত ৬ সপ্তাহে পাঁচজন হিন্দু নারী নিখোঁজ হয়েছেন। যা নিয়ে হিন্দু গোষ্ঠীগুলির মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই নিখোঁজের ঘটনায় মুসলিম যুবকদেরই সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনার প্রতিবাদে হিন্দু সংগঠনগুলি প্রশাসনের কাছে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছে। অন্যদিকে, অভিযুক্তর সন্ধানে কর্তৃপক্ষ ১৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। 

    অনশন ঘোষণা হিন্দু গোষ্ঠীর

    হিন্দু নারীদের এই নিখোঁজ (Love Jihad Scandal) হওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই হিন্দু সংগঠনগুলি জেলা কর্মকর্তাদের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করে জানিয়েছেন, নিখোঁজ হওয়া নারীদের খোঁজ দিতে না পারলে ভবিষ্যতে তাঁরা অনশনে বসবেন। এরপরই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ সুপারইন্টেনডেন্ট এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন এবং তাঁরা আশ্বাস দেন যে এই গোটা ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা যুক্ত রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ সুপারইন্টেনডেন্টের এই আশ্বাসের পরেই বিক্ষোভ স্থগিত হয়। 

    আরও পড়ুন: সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    একের পর এক নিখোঁজের ঘটনা (Uttar Pradesh) 

    জানা গিয়েছে, জালাউন শহরে মুসলিম যুবকরা হিন্দু মেয়েদের টার্গেট (Love Jihad Scandal) করে। কোতোয়ালি এলাকার একটি মেয়ের ১৪ জুলাই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিয়ের আগেই ৩ জুলাই সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। তাঁর ভাই জালাউন থানায় তাঁর নিখোঁজের অভিযোগ জানায়। এরপর ১৫ জুলাই, হিন্দু সংগঠনের নেতারা একটি মৌন মিছিলের জন্য দ্বারকাধীশ মন্দিরে জড়ো হন এবং সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের (SDM) মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। কিন্তু এত চেষ্টা করেও এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ তরুণীর সন্ধান পায়নি পুলিশ। শুধু মামলার প্রাথমিক সন্দেহভাজন হিসেবে একজন কে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে কেবল এই মামলাটিই নয়, সম্প্রতি সময়ে আর যে ৪টি নিখোঁজের ঘটনা রয়েছে সব ঘটনারই তদন্ত চলছে। 
    অন্যদিকে, এ প্রসঙ্গে সার্কেল অফিসার রাম সিং জানিয়েছেন যে, আকরাম নামে এক যুবক একটি মামলার সঙ্গে (Love Jihad Scandal) জড়িত থাকতে পারে বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁকে ধরার জন্য চারটি দল গঠন করা হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ মেয়েটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। 
      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh News: বড় পদক্ষেপ যোগী সরকারের, বন্ধ হতে চলেছে ৯৪টি অবৈধ মাদ্রাসা

    Uttar Pradesh News: বড় পদক্ষেপ যোগী সরকারের, বন্ধ হতে চলেছে ৯৪টি অবৈধ মাদ্রাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগী রাজ্যে বন্ধ হতে চলেছে ৯৪টি অবৈধ মাদ্রাসা। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh News) আলিগড় জেলাতে এই মাদ্রাসাগুলি অবস্থিত বলে জানা গিয়েছে। মাদ্রাসা বন্ধ হতে চলার এই খবর এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন আলিগড়ের (Aligarh) সংখ্যালঘু বিষয়ক আধিকারিক নিধি গোস্বামী।

    কী বললেন নিধি গোস্বামী? (Uttar Pradesh News)

    এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে নিধি গোস্বামী বলেন, ‘‘বর্তমানে ৯৪টি অবৈধ মাদ্রাসা চলছে আলিগড় জেলাতে (Aligarh) যা খুব তাড়াতাড়ি বন্ধ হবে। এই মাদ্রাসার পড়ুয়াদের সরকার স্বীকৃত স্কুলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আলিগড়ের জেলাশাসক ইতিমধ্যে (Uttar Pradesh News) এই নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি (জেলাশাসক) একটি কমিটি তৈরি করতে বলেছেন যে কমিটিতে থাকবেন, জেলার মাইনরিটি অফিসার, সমস্ত এসডিও এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। এই কমিটি তৈরি হওয়ার পরেই প্রশাসনের নির্দেশকে বাস্তবায়িত করা হবে।’’

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিবকে চিঠি দেন নিধি

    জানা গিয়েছে, গত ২৬ জুন উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh News) আলিগড় জেলার সংখ্যালঘু বিষয়ক আধিকারিক উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিবকে একটি চিঠি লিখে অবৈধ মাদ্রাসার বিষয়টি জানান। তারপরেই প্রশাসনেক তরফ থেকে পদক্ষেপ করা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, ওই মাদ্রাসায় দু’হাজারেরও বেশি পড়ুয়া বর্তমানে পড়াশোনা করছেন এবং তাঁদেরকে উত্তরপ্রদেশের স্বীকৃত বোর্ডে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। নিধি জানিয়েছেন, জেলাশাসকের তৈরি করা ওই কমিটি অবৈধ মাদ্রাসাগুলিকে পরিদর্শন করবে এবং সেখানকার পড়ুয়াদের তালিকাও তৈরি করা হবে। এর পরে সরকারকে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: যোগী রাজ্যে আরও কঠোর বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন, কী কী বদল এল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anti Conversion Law: যোগী রাজ্যে আরও কঠোর বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন, কী কী বদল এল?

    Anti Conversion Law: যোগী রাজ্যে আরও কঠোর বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন, কী কী বদল এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় পাশ হয়েছে বেআইনি ধর্মান্তকরণ প্রতিরোধ আইন (সংশোধনী) ২০২৪। এই সংশোধনী বিলে (Anti Conversion Law) শাস্তির বিধানকে আরও কঠোর করা হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে, এখন সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পাশ করা বিলে এই বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যা পূর্বের বেআইনি ধর্মান্তকরণ প্রতিরোধ আইন ২০২১-এ ছিল না।

    দুর্বল জনগোষ্ঠীর রক্ষাকবচ নয়া বিল (Anti Conversion Law)

    উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকারের তরফে জানানো হয়েছে নতুন এই বিল আগের থেকে আরও কঠোর করা হয়েছে এবং তা রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে অপ্রাপ্তবয়স্ক, শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, মহিলা, তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি সমেত সমাজের অন্যান্য দুর্বল বা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে। এছাড়া যে কোনও রকমের গণ ধর্মান্তকরণ প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধ করবে এই বিল। আগের আইনে দুর্বল জনগোষ্ঠীর কোনও সদস্যকে বেআইনিভাবে ধর্মান্তকরণ করা হলে ১০ বছরের সাজার বিধান ছিল, বর্তমান বিলে তা বাড়িয়ে ১৪ বছর করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, জরিমানার পরিমাণও ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, গণ-ধর্মান্তকরণের ক্ষেত্রে আগের আইনের ৩ বছরের সাজার মেয়াদগুলি বেড়ে হয়েছে ১০ বছর ও ৭ বছরের সাজার মেয়াদগুলি বেড়ে হয়েছে ১৪ বছর। জরিমানার পরিমাণও আগের থেকে বেড়েছে, ৫০ হাজার থেকে বেড়ে তা হয়েছে ১ লাখ।

    আত্মীয় নয়, অভিযোগ জানাতে পারবেন যে কোনও ব্যক্তি

    পূর্বের ধর্মান্তকরণ (Anti Conversion Law) সংক্রান্ত যে আইন ছিল, সেখানে যাঁদেরকে জোর করে ধর্মান্তকরণ করা হত তাঁদের আত্মীয়রাই শুধুমাত্র অভিযোগ দায়ের করতে পারতেন। আগে এই ধরনের মামলায় অভিযোগ নথিভুক্ত করাতে, নির্যাতিত বা নির্যাতিতা অথবা তাঁর মা-বাবা অথবা ভাই-বোনের উপস্থিত থাকাটা আবশ্যক ছিল। এঁদের উপস্থিতি ছাড়া, যে কেউ চাইলেই অভিযোগ জানাতে পারতেন না। তবে, সংশোধিত বিলে বলা হয়েছে, ধর্মান্তকরণের অভিযোগের ক্ষেত্রে যে কোনও ব্যক্তি এফআইআর নথিভুক্ত করতে পারবেন। যে কেউ এই বিষয়ে পুলিশকে লিখিত তথ্য দিতে পারবেন। অর্থাৎ, সেই ব্যক্তি নির্যাতিত বা নির্যাতিতার নিকতাত্মীয় না হলেও চলবে। এই পরিবর্তনের ফলে আইনটি আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত হল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    বাড়ানো হয়েছে শাস্তির মেয়াদ

    এর পাশাপাশি নতুন বিলে শাস্তিও বাড়ানো হয়েছে। নতুন বিল অনুযায়ী যদি কোনও ব্যক্তি হুমকি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি বা অন্যান্য উপায়ের মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তিকে ধর্মান্তকরণ করতে বাধ্য করেন বা ধর্মান্তকরণ করতে প্ররোচনা দেন, তবে তাঁদের ন্যূনতম কুড়ি বছরের কারাদণ্ড হতে পারে যা আজীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত বাড়ানো (Anti Conversion Law) হতে পারে। এই একই শাস্তি তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যাঁরা নাবালিকা, নারী বা অন্যান্য পাচার কাজের সঙ্গে যুক্ত।

    বিদেশি বা অবৈধ উৎস থেকে ধর্মীয় কাজে ফান্ডিং রোধ

    নতুন যে বিল পাশ করা হয়েছে সেখানে বিদেশ থেকে বা অন্য কোন অবৈধ উৎস থেকে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে আর্থিক ফান্ডিং রোধ করার বিষয়ে নজর দেওয়া হয়েছে এবং এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ন্যূনতম সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে বিলে। এর পাশাপাশি তা বেড়ে ১৪ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

    দায়রা আদালতের নীচে কোনও আদালতে এই ধরনের মামলার শুনানি নয়

    এই বিলে বলা হয়েছে, দায়রা আদালতের নীচে কোনও আদালতে এই ধরনের মামলার শুনানি করা যাবে না। এছাড়া, এই আইনের অধীনে সমস্ত অপরাধকেই জামিন অযোগ্য করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সরকার পক্ষের আইনজীবী তাঁর যুক্তি দেওয়ার আগে কোনও অভিযুক্তর জামিনের আবেদন বিবেচনা করা যাবে না।

    নির্যাতিত বা নির্যাতিতার যাবতীয় চিকিৎসার এবং পুনর্বাসনের খরচ বহন করবে অভিযুক্ত

    জানা গিয়েছে, নয়া বিল অনুযায়ী অভিযুক্তদের কাছ থেকেই নির্যাতিত বা নির্যাতিতার যাবতীয় চিকিৎসার এবং পুনর্বাসনের খরচ বহন করা হবে। অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণও দিতে হবে অভিযুক্তকে। যার পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। উল্লেখ্য, ক্ষতিপূরণের (Uttar Pradesh) এই টাকা অভিযুক্তদের দিতে হবে মূল জরিমানার বাইরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: লাভ জিহাদ বন্ধে কঠোর আইন আনছে যোগী সরকার, কী আছে বিলে জানেন?

    Uttar Pradesh: লাভ জিহাদ বন্ধে কঠোর আইন আনছে যোগী সরকার, কী আছে বিলে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই এক হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইটভাটার শ্রমিক দিলশাদের বিরুদ্ধে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁকে নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তরিত করতে চায় বলেও জানিয়েছিল দিলশাদ। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বেরিলির ওই ঘটনায় তোলপাড় দেশ। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে উদ্যোগী হল যোগী আদিত্যনাথের সরকার।

    লাভ জিহাদের ক্ষেত্রে সাজা (Uttar Pradesh)

    এবার লাভ জিহাদের (Love Jihad Law) মতো ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের প্রস্তাব যোগী সরকারের। বিধানসভায় সরকার নিয়ে আসে ‘বেআইনি ধর্মান্তকরণ সংশোধনী আইন’ বিল, ২০২৪। বর্তমান বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন ২০২১-এর অধীনে থাকা একাধিক বিধি সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ওই বিলে। সংশোধনী বিলের প্রস্তাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির প্রস্তাবও রয়েছে। প্রথমবার লাভ জিহাদের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চায় উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকার।

    কী বলছে সরকার?

    প্রস্তাবিত বিলে দশ বছরের কারাদণ্ডের মেয়াদ বৃদ্ধি করে যাবজ্জীবন করা হয়েছে। কঠোর করা হয়েছে জামিন পাওয়ার রাস্তাও। রাজ্যের সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে এই ধরনের ঘটনায় যে কোনও কাউকে অভিযোগ দায়েরের অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২ অগাস্ট বিলটি বিধানসভায় পাশ করাতে চায় যোগী সরকার। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য বলেন, “এই সিদ্ধান্তকে সকলেরই স্বাগত জানানো উচিত।”

    ইউ-টার্ন মলদ্বীপের, ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান ফেলে দ্বীপরাষ্ট্রের গলায় ‘ওয়েলকাম ইন্ডিয়া’!

    বিজেপি নেতা মহসিন রাজা বলেন, “আইনটি সংশোধন করা হলে এটি অবৈধ ধর্মান্তর মোকাবিলায় ব্যাবকভাবে সাহায্য করবে। কারণ অনেক লাভ জেহাদের ঘটনা সামনে আসছে, যেখানে মিথ্যে পরিচয় দিয়ে বিয়ে করে মেয়েকে ধর্মান্তরিত করতে বাধ্য করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “কেউ যদি মিথ্যে পরিচয় দিয়ে কোনও মেয়ের জীবন নিয়ে খেলা করে, তাহলে অপরাধীকে কেন জবাবদিহি করতে হবে না? একজন প্রতারক যদি তার পরিচয় গোপন করে ও বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্যে কোনও মেয়েকে বিয়ে করে, তাহলে কেন এমন লোকদের আইনের আওতায় আনা যাবে না?”

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে পাশ হওয়া আইনে এই জাতীয় অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ ছিল ১০ বছর। সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা (Uttar Pradesh)। প্রস্তাবিত নয়া বিলে সাজার মেয়াদ এবং অপরাধের পরিধি, দুটোই বাড়ানো হয়েছে (Love Jihad law)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share