Tag: wb

wb

  • SIR: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার দায়বদ্ধতার কথা জানে, পালনও করবে”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    SIR: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার তার দায়বদ্ধতার কথা জানে, পালনও করবে”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হচ্ছে এসআইআর (SIR)। এ ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গ তথা তৃণমূলের আপত্তি নিয়ে এদিন কমিশনের (Election Commission) সাংবাদিক বৈঠকেই প্রশ্ন উঠেছিল। তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এখনই কোনও চাপানউতোর বা বিতর্কে ঢুকতে চাননি। শুধু আইনের একটি ধারার কথা মনে করিয়ে দেন।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য (SIR)

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ব্যাপারে প্রশ্ন নিয়ে একটা কথাই বলতে চাই – ভারতের সংবিধানের ৩২৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি বা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের রাজ্যপাল নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মী নির্বাচন কমিশনারের কাছে সরবরাহ করতে বাধ্য। এই কর্মীরা নির্বাচন পরিচালনা, ভোটার তালিকা প্রস্তুত ইত্যাদি কাজে নিয়োজিত থাকেন। আবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার দায়িত্ব রয়েছে রাজ্য সরকারের। আমি মনে করি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেই দায়বদ্ধতার কথা জানে, এবং তা পালন করবে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলায় শুরু করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এ ব্যাপারে নীতিগতভাবে আপত্তি জানাচ্ছে বাংলায় শাসক দল তৃণমূল। জোড়াফুলের সাংসদদের একাংশ এবং তৃণমূলের কিছু নেতাও এসআইআর নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “নির্বাচন কমিশনের অরাজনৈতিক নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা উচিত। বিজেপির প্রভাবে কোনওভাবে প্রভাবিত হয়ে যদি কোনও বৈধ ভোটারকে বাদ দিতে চান, তখন সাংবিধানিকভাবে তার প্রতিবাদ হবে।”

    কুণালের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে (SIR) বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল এখন যে কথা বলছে, তাতে একটা কথাই বলতে পারি, এসআইআর নিয়েও পাল্টি খেল তৃণমূল। গতকাল পর্যন্ত তৃণমূলের অবস্থান ছিল, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর করতে দেব না। আর আজ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ঘোষণার পর তৃণমূল বলছে, এসআইআর নিয়ে বিজেপির প্ররোচনায় পা দেবেন না। তার মানে আইন মেনে এসআইআরে অংশ নিচ্ছে। বিজেপি কোনওদিন এসআইআর নিয়ে প্ররোচনা দেয়নি (Election Commission)। বিজেপি বলেছে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, অবৈধ ভোটারের নাম বাদ দিতে হবে (SIR)।”

  • ECI: মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যে শুরু এসআইআর, জানুন কীভাবে সম্পন্ন হবে এই প্রক্রিয়া

    ECI: মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যে শুরু এসআইআর, জানুন কীভাবে সম্পন্ন হবে এই প্রক্রিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়ে যাচ্ছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন, সংক্ষেপে এসআইআর-এর (SIR) কাজ। আগেই জানা গিয়েছিল, সোমবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এসআইআরের সময়সূচি ঘোষণা করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। প্রথম পর্যায়ে তারা ঘোষণা করেছিল বিহারে এসআইআরের কাজের নির্ঘণ্ট। তার কারণ, নভেম্বরেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে সে রাজ্যে।

    কোন কোন রাজ্যে এসআইআর (ECI)

    এদিন দ্বিতীয় দফায় ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। যে সব রাজ্যে আগামী বছরেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে, সেই সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর হবে আগে। যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হওয়ার কথা মার্চের শেষাশেষি, তাই মঙ্গলবার থেকেই রাজ্যে শুরু হয়ে যাবে এসআইআর প্রক্রিয়া। এই তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নামও। এদিন বিকেল ৪টে ১৫মিনিট নাগাদ দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, সফল হয়েছে প্রথম দফার এসআইআর। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরু হবে মঙ্গলবার থেকে।

    এসআইআরের মূল উদ্দেশ্য

    এসআইআরের মূল উদ্দেশ্যগুলির একটি হল (ECI), অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত ও অপসারণ করা। এজন্য ভোটারদের জন্মস্থান যাচাই করার কাজেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ এবং মায়ানমার থেকে যেসব অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ভারতে ঢুকেছে, তাদের বিরুদ্ধেই তৎপরতা চালানো হচ্ছে (SIR)। এদিনের বৈঠকে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জানুয়ারি মাসের মধ্যেই এই এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যে এই দফায় এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হতে চলেছে। তবে অসমে এই পর্বে এসআইআর হচ্ছে না। সেখানে এসআইআর হবে আলাদা করে।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “এসআইআরের দায়িত্ব বৈধদের রাখা, অবৈধদের বাদ দেওয়া। আর যে কোনও নির্বাচনের আগে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিহারে এসআইআর সফল হয়েছে। সেখানে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ বা আবেদন আসেনি।” এসআইআরের সময় প্রথমে এনুমারেশন ফর্ম প্রিন্ট করা হবে। যে রাজ্যে এসআইআর হবে, সেখানকার ভোটারদের সূচি সোমবার রাত ১২টায় ফ্রিজ করে দেওয়া হবে। সেই সূচিতে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের ওই ফর্ম দেওয়া হবে। বিহারের মতো আধার কার্ডকেও পরিচয়পত্র হিসেবে মান্যতা দেওয়া হবে। যদিও আধার কখনওই নাগরিকত্ব ও জন্ম তারিখের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে না (SIR)।

    মঙ্গলবার শুরু প্রশিক্ষণের কাজ

    মঙ্গলবার থেকে (ECI) শুরু হবে প্রশিক্ষণের কাজ। চলবে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। তার পরের দিন থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম দেওয়া ও জমা নেওয়ার কাজ চলবে। ৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা। ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত নেওয়া হবে অভিযোগ। এই পর্বেই শুরু হয়ে যাবে বাড়ি বাড়ি ভেরিফিকেশনের কাজ। যা চলবে ৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। জানা গিয়েছে, আগামী ১ নভেম্বর থেকে বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম নিয়ে যাবেন বুথ লেভেল অফিসার, সংক্ষেপে বিএলওরা। এই ফর্মের সফট কপি ইআরও পোর্টালে আগেই তুলে দেবে কমিশন। পরে সেগুলি যাবে ছাপার জন্য। একজন ভোটারের জন্য দু’টো করে এনুমারেশন ফর্ম ছাপানো হবে।

    এনুমারেশন ফর্ম

    বর্তমানে বাংলায় ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখ। এনুমারেশন ফর্মগুলি ভোটারদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেবেন বিএলওরা। এই ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, ঠিকানা, জন্মতারিখ-সহ বেশিরভাগ তথ্য ছাপা থাকবে। ফর্মের বাকি অংশ পূরণ করে উপযুক্ত নথি-সহ জমা দিতে হবে। দু’টি ফর্মের মধ্যে একটি থাকবে সংশ্লিষ্ট ভোটারের কাছে, অন্যটি নিয়ে যাবেন বিএলওরা। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, বিহারের মতোই এ রাজ্যেও বর্তমানে ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা সবাই এনুমারেশন ফর্ম পাবেন (ECI)। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে শেষবার এসআইআর হয়েছিল ২০০২ সালে, বাম জমানায়। সেবারের সংশোধিত তালিকার (SIR) সঙ্গে রাজ্যের ভোটার তালিকার ম্যাপিংয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এসআইআর করে সব ভোটারের নাম নতুনভাবে নথিভুক্ত করা হবে। সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন এসআইআর করতেই পারে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে রাজ্য তথা দেশের ভোটার তালিকায় কোনও ভুয়ো ভোটার বা ভুতুড়ে ভোটার বা একই নামের ভোটার দু’জায়গায় রয়েছেন কিনা কিংবা তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের মধ্যে কেউ মারা গিয়েছেন কিনা – এসবই সংশোধন করার এক বিশেষ প্রক্রিয়া হল এসআইআর।

    এসআইআর হলে বিপাকে পড়বে তৃণমূল!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর হলে বিপাকে পড়বে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ শাসক দলের নেতাদের একাংশকে হাত করে বিভিন্ন আইডি প্রুফ সংগ্রহ করে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছে বহু বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গা। বাম আমলে ২০০২ সালের পরে দলে দলে এদের পশ্চিমবঙ্গে ঠাঁই দেওয়া হলেও, সময় যত গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা। বিরোধীদের মতে, এদের ভোটেই পুষ্ট হয়েছে শাসক দল। তাই এসআইআরের মাধ্যমে এদের ছাঁটাই করতে পারলেই কেল্লাফতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই একই ভয় পাচ্ছে রাজ্যের শাসক দলও। গদি খোয়াবার ভয়ে তারা সোচ্চার হয়েছে এসআইআরের বিরুদ্ধে। এসআইআর নিয়ে অপপ্রচারও চালানো (SIR) হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    এখন দেখার, এ রাজ্যে এসআইআর নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয় কিনা (ECI)!

  • Calcutta High Court: “রাজ্যে কি আর্থিক জরুরি অবস্থা চলছে?” পশ্চিমবঙ্গের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: “রাজ্যে কি আর্থিক জরুরি অবস্থা চলছে?” পশ্চিমবঙ্গের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার হাইকোর্টের (Calcutta High Court) কাছে মুখ পুড়ল রাজ্যের! রাজ্যের সব আর্থিক লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের। রাজ্যের উচ্চ ও নিম্ন আদালতগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন-সহ বিভিন্ন খাতে পর্যাপ্ত অর্থের বরাদ্দ নিয়ে আরও একবার আদালতের ক্ষোভের মুখে পড়ল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার (West Bengal Govt)। এর আগেও মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ভর্ৎসনা করেছিল বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ।

    অর্থ চেয়েও না মেলায় ক্ষোভ আদালতের (Calcutta High Court)

    পরিকাঠামো উন্নয়ন-সহ প্রয়োজনীয় নানা কাজে অর্থ চেয়ে রাজ্যের দ্বারস্থ হয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট প্রশাসন। অর্থের জন্য হন্যে হলেও, অর্থ তো মেলেইনি, বরং এ সংক্রান্ত অন্তত ৫৩টি ফাইল আটকে রয়েছে। এর সমাধান হওয়া তো দূর অস্ত, পেপারলেস অবস্থায় চলছে আদালতের কাজকর্ম। হাইকোর্ট এবং জেলা আদালতগুলিতে প্রয়োজনীয় কর্মী নেই। লাখ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে যে  সংস্থা আদালতে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়েছে, তাদের। এনিয়ে একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। তার পরেও পরিস্থিতি যথা পূর্বং, তথা পরং। পুজোর ছুটির মধ্যে কলকাতা হাইকোর্ট প্রশাসনের সঙ্গে রাজ্যের অর্থ দফতরের সচিবের বৈঠকে সমস্যার সমাধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আদালতের তরফে। তাতেও সুরাহা হয়নি। এদিকে সোমবার রাজ্যের পক্ষে ফের সময় চাওয়া হয়। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দেন দেবাংশু বসাক এবং মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ।

    কী বলছে আদালত

    বিচারপতি বসাক বলেন, “বিএসএনএলের তিন বছরের বিল বাবদ বাকি ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। হাইকোর্টের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিলে কী হবে? আজ সরকারি ছুটি মানেই তো আর ইন্টারনেট হলি-ডে নয়! রাজ্য কি কনসলিডেলেট ফান্ড রিজার্ভ ব্যাঙ্কে রাখে? তাহলে তার অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন। অ্যাটাচ করে দেব। সব লেনদেন বন্ধ রাখুন তাহলে! আরবিআইকে বলছি লেনদেন বন্ধ করতে।” তিনি বলেন, “রাজ্যের প্রশাসনিক (Calcutta High Court) মাথা, মুখ্যসচিব, অর্থসচিব – তাঁরা এক মাসেও কিছু করতে পারলেন না। রাজ্যের ভূমিকায় আমরা বাকরুদ্ধ। আমরা এগুলি রাজ্যের নজরে আনছি।” এই মামলায় এর আগে দু’বার (West Bengal Govt) ভার্চুয়াল হাজিরা দিয়েছিলেন মুখ্যসচিব। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে বিচারপতি বসাক বলেন, “উনি (মুখ্যসচিব) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার পরেও কেন টাকা দেওয়া হল না?” এর পরেই তিনি বলেন, “রাজ্যে কি আর্থিক জরুরি অবস্থা চলছে? আপনারা তো প্রথম লাইনেই মিথ্যে কথা বলছেন!” প্রসঙ্গত, বছর তিনেক ধরে বকেয়া থাকায় ৩৬টি প্রকল্পের কাজ আটকে রয়েছে। মেটানো হয়নি বিএসএনের প্রাপ্য বকেয়া বিলও।

    রাজ্য সরকার মিথ্যের আশ্রয় নিচ্ছে!

    বেঞ্চের তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “হাইকোর্টের কাজে অর্থ বরাদ্দ করা কি প্রশাসনিক কাজের মধ্যে পড়ে না? গত তিন বছর যথেষ্ট সময়। বিল দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি? দেখে তো মনে হচ্ছে শামুক আর কচ্ছপের দৌড় প্রতিযোগিতা হচ্ছে।” বিচারপতি দেবাংশু বসাক বলেন, “এই যদি হাইকোর্টের অবস্থা হয়, তাহলে নিম্ন আদালতগুলির কী অবস্থা!” এদিন রাজ্যের তরফে আইনজীবী জানান, ৬০ লাখ টাকা মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ৩০ তারিখের মধ্যে (West Bengal Govt) বাকি টাকা দেওয়া হবে। অর্থ দফতরের আধিকারিক বলেন, “আমরা দু’দিনের মধ্যে অর্ধেক টাকা মিটিয়ে দিচ্ছি।” বিচারপতি (Calcutta High Court) বসাকের ফের প্রশ্ন, “কেন দু’দিন সময় লাগবে? এখন তো সঙ্গে সঙ্গে টাকা পাঠানো যায়!” রাজ্যের তরফে জানানো হয় রাজ্য সরকারের ছুটি রয়েছে। এর পরেই বেঞ্চ বলে, “এখন তো অনলাইনেই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া যায়। ছুটি বলে তো আর ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ নয়! আদালত মনে করে, রাজ্য সরকার এই বিষয়ে মিথ্যের আশ্রয় নিচ্ছে।”

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন

    এদিন শুনানির সময় আদালতে হাজির ছিলেন রাজ্যের অর্থ দফতরের এক আধিকারিক। বেঞ্চ তাঁর কাছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর জানতে চাইলে তিনি জানান, আরবিআইয়ের অ্যাকাউন্ট নম্বর জানা নেই তাঁর। এর পরেই আদালত (Calcutta High Court) বলে, “আমরা বসে আছি। এখনই মুখ্যসচিবকে ফোন করে অ্যাকাউন্ট নম্বর জেনে জানান।” এদিন রাজ্যের তরফে উপস্থিত আইনজীবী বলেন, “দয়া করে একটু সময় দেওয়া হোক। বিলের ২.৯ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে।” বেঞ্চের প্রশ্ন, “কিন্তু সেই টাকা কি আদৌ আদালতের হাতে এসেছে?”

    আদালতের নির্দেশ

    এর পরেও রাজ্যের তরফে এক সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১০ নভেম্বর। বেঞ্চের নির্দেশ, তার আগে ২৯ অক্টোবর এবং ৬ নভেম্বর বিষয়টি (West Bengal Govt) নিয়ে ফের বৈঠকে বসতে হবে রাজ্য এবং হাইকোর্ট (Calcutta High Court) প্রশাসনকে। মুখ্যসচিবের পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত থাকতে হবে অর্থসচিবকেও।

  • BJP: সিএএ নিয়ে তৎপর বিজেপি, জনতার পাশে দাঁড়াতে বাংলায় হচ্ছে ৭০০ ক্যাম্প

    BJP: সিএএ নিয়ে তৎপর বিজেপি, জনতার পাশে দাঁড়াতে বাংলায় হচ্ছে ৭০০ ক্যাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হয়েছে দেশজুড়ে। তবে পশ্চিমবঙ্গের আমজনতা এ ব্যাপারে বিশেষ সচেতন নন। কেন আবেদন করবেন, কীভাবেই (CAA) বা করবেন, কোথায় আবেদন করবেন, অনেকেই তা জানেন না। মাস সাতেক পরে এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এবার এই বিষয়টি নিয়েই তৎপর হলেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বুধবার সিএএ নিয়ে বিশেষ বৈঠক তথা কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএল সন্তোষ, অমিত মালব্যের মতো কেন্দ্রীয় স্তরের নেতারা। ছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন পদ্ম সাংসদ, বিধায়ক এবং পদস্থ নেতৃত্ব। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুনীল বনশলও, ছিলেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ অনেকেই।

    কী বললেন সন্তোষ? (BJP)

    বৈঠকে কেবল এসআইআর নয়, সিএএ-র ওপরও যাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেই বিষয়েও রাজ্য নেতৃত্বকে সচেতন করেন কেন্দ্রীয় স্তরের নেতারা। যত দ্রুত এবং যত বেশি সম্ভব আবেদনপত্র যাতে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, এদিন বিজেপি নেতৃত্বকে সে কথাই জানিয়েছেন সন্তোষ। জানা গিয়েছে, এদিন বিজেপির সল্টলেকের কার্যালয়ে বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছিল। পদ্ম শিবিরের ওই বৈঠক হয়েছে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে। সেখানে রাজ্যের ১৭টি জেলায় বিধানসভা ভিত্তিক সিএএ সহায়তা ক্যাম্প খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মতুয়া, উদ্বাস্তু মানুষদের ভিড় রয়েছে, যেমন, বনগাঁ, নদিয়া, এমন জেলাগুলির ওপর আলাদা নজরদারির কথা বলা হয়েছে। ওই বিধানসভাগুলির অধীনে থাকা প্রত্যেক মণ্ডলে তিনটি করে ক্যাম্প খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁদের ওপর এই দায়িত্ব বর্তেছে, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে তাঁদের এ সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। কারা এই কাজের দায়িত্ব পাচ্ছেন, কারা দায়িত্ব পাবেন, তার তালিকাও দিতে হবে।

    শমীকের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “দেশ ভাগের সময় বা তার পরে যে পাপ করেছে কংগ্রেস, সেই পাপমুক্তি বা প্রায়শ্চিত্ত করছে বিজেপি। আমরা বাংলাদেশি উদ্বাস্তু হিন্দুদের পক্ষে। এটা আমাদের ঘোষিত অবস্থান। সেই জন্য আমরা ক্যাম্প করব, অর্থ সাহায্য করব। বিজেপি যতক্ষণ আছে, ততক্ষণ একজন উদ্বাস্তু হিন্দুর কেশাগ্রও কেউ স্পর্শ করতে পারবে না।”

    ৭০০-এরও বেশি সিএএ ক্যাম্প

    জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে ৭০০-এরও বেশি সিএএ ক্যাম্প করতে চাইছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, সবে মাত্র হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বুধবারই বাড়ি ফিরেছেন শমীক (BJP)। চিকিৎসকদের পরামর্শে আরও কিছু দিন বিশ্রাম নিতে হবে তাঁকে। তাই তাঁর বাড়িই এখন তাঁর অফিসের পাশাপাশি দলেরও পার্টি অফিসও (CAA)। ফোন এবং অনলাইনে দফায় দফায় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন তিনি। রাজ্যের পুরানো কর্মী, জেলা সভাপতি এবং বুথস্তরের এজেন্টদের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা নেতাদের সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল বৈঠকে শমীক এসআইআর নিয়ে সাফ জানিয়ে দেন, রাজ্যে এসআইআর চালু হয়ে গেলে এই কাজে দলের নেতা-কর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সংক্রান্ত কোনও কাজে কোনওরকম ঢিলেমি করা চলবে না। কর্মীরা যেন এসআইআরকে একেবারে ‘ডু অর ডাই’ মিশন হিসেবে বিবেচনা করেন। কারণ এই কাজে কর্মীদের গাফিলতি হলে রাজ্যে সংগঠনের ভিত নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে।

    শমীকের বার্তা

    বিজেপির জন্য এ রাজ্যে এসআইআর সফলভাবে সম্পন্ন হওয়াটা যে ঠিক কতটা জরুরি, সেটা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, “এ রাজ্যে এসআইআরের কাজ ঠিক মতো এগোচ্ছে কিনা, সেটা যদি নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর এবং সুসজ্জিত পার্টি অফিস আর থাকবে না। বিহারের পর এবার দেশজুড়ে যে কোনও দিন চালু হয়ে যেতে পারে এসআইআর।” ইতিমধ্যেই এসআইআর নিয়ে প্রাথমিক কাজ সেরে রাখছে রাজ্যগুলি। উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের প্রায় ২৩ বছর পর (CAA) আবারও দেশে স্পেশাল ইনটেনশিভ রিভিশন করা হতে চলেছে (BJP)।

    সিএএ ক্যাম্প

    এদিনের বৈঠকে সিএএ ক্যাম্প কীভাবে পরিচালিত হবে, লোকেশন নির্বাচন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় কীভাবে করা হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট পেতে যেসব সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যেমন, নথিপত্র ঘাটতি, ফর্ম ফিলাপে অসুবিধা, আবেদন প্রক্রিয়ায় জট, এগুলির সমাধানে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয় বলে খবর। রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির অগ্রগতি এবং সেগুলিকে জনমানসে তুলে ধরার রণকৌশল নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হবে বলে খবর (BJP)।

  • Adina Masjid: আদিনা মসজিদ কি মন্দির? নাকি এর পেছনেও রয়েছে অন্য গল্প?

    Adina Masjid: আদিনা মসজিদ কি মন্দির? নাকি এর পেছনেও রয়েছে অন্য গল্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে পশ্চিমবঙ্গের মালদহের শতাব্দীপ্রাচীন আদিনা মসজিদ (Adina Masjid)। সম্প্রতি এই মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা সাংসদ তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান। তার পরেই বয়ে যায় বিতর্কের ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়া (Malda Mosque) ইউজারদের একাংশের দাবি, মসজিদটি আদতে একটি হিন্দু মন্দির। এক ইউজার লেখেন, “প্রিয় ইউসুফ পাঠান, আপনি দাঁড়িয়ে আছেন ভারতের অন্যতম বৃহৎ হিন্দু মন্দির – আদিনাথ মন্দিরের প্রাঙ্গনে, যা আক্রমণকারীরা ধ্বংস ও দখল করেছিল।” তিনি এর সঙ্গে এমন কিছু ছবিও যুক্ত করেন, যেখানে মন্দিরের ভেতরে হিন্দু মন্দিরের মতো বিভিন্ন নকশা ও খোদাই করা প্রতীক দেখা যায়।

    তীব্র বিতর্ক (Adina Masjid)

    এই কাঠামো নিয়ে প্রথম বিতর্ক তীব্র আকার ধারন করেছিল ২০২২ সালের মে মাসে। ওই সময় বিজেপি নেতা রথীন্দ্র বোস সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন “আদিনাথ মন্দিরটি এই আদিনা মসজিদের নীচে ঘুমিয়ে রয়েছে। জিতু সর্দার এই মন্দির রক্ষায় নিজের জীবন দিয়েছিলেন। এই ইতিহাস অনেকেই জানেন না।” ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তুঙ্গে পৌঁছয় বিতর্ক। ওই সময় হিন্দু পুরোহিত হিরন্ময় গোস্বামী একদল ভক্তকে নিয়ে পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ দফতরের (ASI) তালিকাভুক্ত আদিনা মসজিদ কমপ্লেক্সে পুজো করতে গিয়েছিলেন। পুরোহিতের দাবি, তিনি সেখানে একটি শিবলিঙ্গ ও অন্যান্য পবিত্র প্রতীকের সন্ধান পেয়েছিলেন। শেষমেশ বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ। ওই পুরোহিতের বিরুদ্ধে দায়ের হয় এফআইআর।

    ইতিহাসবিদদের দাবি

    একাধিক ইতিহাসবিদ এবং পুরোহিতের দাবি (Malda Mosque), ইলিয়াস শাহি বংশের সুলতান সিকন্দার শাহ ১৩৭৩–৭৪ খ্রিষ্টাব্দে একটি বিশাল হিন্দু মন্দির ধ্বংস করেন। তার ধ্বংসাবশেষের ওপর নির্মাণ করেন আদিনা মসজিদ। এটি সেই সময় ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় মসজিদ হিসেবে পরিচিত ছিল। ঐতিহাসিক নথি অনুযায়ী, সুলতান সিকন্দার শাহ ১৩৬৩ থেকে ১৩৭৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন। মৃত্যুর অল্প আগে তিনি আদিনা মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন, যা পরবর্তীকালে বঙ্গ সুলতানাতের শক্তির প্রতীক হয়ে ওঠে (Adina Masjid)।

    মন্দির না মসজিদ

    বহু প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং স্থানীয় ইতিহাসবিদদের মতেও, এই মসজিদটি গড়ে উঠেছে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কাঠামোর ধ্বংসাবশেষ ব্যবহার করেই। এই দাবির সবচেয়ে প্রাচীন প্রমাণ মেলে মসজিদ কমপ্লেক্সের স্থাপত্য নিদর্শন থেকেই। এর ভিত্তি গঠিত হয়েছে ভারী ব্যাসাল্ট পাথরের গাঁথনিতে, যা প্রাচীন হিন্দু মন্দিরগুলির সাধারণ বৈশিষ্ট্য। আর ওপরের অংশে ব্যবহৃত হয়েছে ইসলামিক ইটের কাজ। অনেক পাথরের ফলকে ফুলের নকশা, পদ্মের অলঙ্করণ এবং খোদাই করা দেবদেবীর প্রতিরূপ দেখা যায়। বস্তুত এগুলি স্পষ্টতই ইসলামিক নকশা নয়। স্থানীয়রা এই জায়গাটিকে ‘আদিনাথ ধাম’ বলেও উল্লেখ করেন। ‘আদিনা’ শব্দটি সম্ভবত ‘আদিনাথ’ (ভগবান শিবের এক নাম) থেকেই বিবর্তিত হয়েছে।

    কী বলছেন গবেষকরা

    গবেষকদের মতে, এই মসজিদের ভেতরে এমন বেশ কিছু নকশাগত অসংগতি রয়েছে, যা শুধুমাত্র ইসলামি স্থাপত্যের মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা যায় না। প্রথমত, মিহরাব (নামাজের দিক নির্দেশক খাঁজ) ও খিলান কাঠামোয় এমন নকশার ছাপ পাওয়া গিয়েছে, যা মসজিদের খোদাইয়ের চেয়ে হিন্দু মন্দিরের দরজার নকশার সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। স্তম্ভ ও প্রাচীরের অলংকরণে পদ্মফুল, কেন্দ্রাভিমুখী মণ্ডল (মণ্ডলা), ও নৃত্যরত মানবমূর্তির মতো আইকনোগ্রাফিও দেখা যায়। কাঠামোর কিছু কোণে আংশিক দেবমূর্তির চিত্রও মিলেছে। এর মধ্যে গণেশ ও শিবের নটরাজ রূপের সদৃশ খোদাই উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয়ত, ঐতিহ্যগতভাবে মসজিদ পশ্চিমমুখী (মক্কার দিকে) হয়। কিন্তু আদিনা কাঠামোর কেন্দ্রাংশ একটি প্রাচীন পূর্বমুখী গর্ভগৃহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি হিন্দু মন্দির স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য। তৃতীয়ত, স্থানীয় মৌখিক ঐতিহ্য ও সামাজিক নথিপত্র আদিনা মন্দির হওয়ার দাবিকে আরও শক্তিশালী করে। বহু প্রজন্ম ধরে মালদার গ্রামবাসীরা এই জায়গাকে ‘আদিনাথ ধাম’ বলে অভিহিত করে আসছেন এবং এএসআই রক্ষণাবেক্ষণ শুরু করার বহু আগেই এর আশপাশে মাঝে মাঝে ধর্মীয় আচার পালন করতেন। স্থানীয়দের দাবি, এই ঐতিহ্য ব্রিটিশ আমলের মসজিদ সংক্রান্ত সরকারি রেকর্ডেরও পূর্ববর্তী (Adina Masjid)।

    রহস্যের পরত

    রহস্য আরও গভীর হয় আঞ্চলিক ইতিহাসের দৌলতে। তাতে বলা হয়েছে, বাংলার সুলতানরা প্রায়ই প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ পুনঃব্যবহার করে নতুন কাঠামো গড়ে তুলতেন। পাণ্ডুয়া, গৌড় ও গৌড়ের মতো জায়গায় এই ধারা স্পষ্টভাবে নথিভুক্ত। এই সব জায়গায় মন্দিরের পাথর ও মূর্তি মসজিদ ও প্রাসাদের ভিত্তিতে ফের ব্যবহার করা হয়েছিল (Malda Mosque)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইউসুফ পাঠানের পোস্ট অনিচ্ছাকৃতভাবে এই আন্দোলনে নতুন করে ইন্ধন জুগিয়েছে। এটি শুরু হয়েছিল নিছকই একটি সাধারণ পর্যটন পোস্ট হিসেবে, পরে অবশ্য সেটি এখন বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও সংবেদনশীল বিতর্ককে পুনরুজ্জীবিত করেছে (Adina Masjid)।

  • CV Ananda Bose: “রাজ্যে গুন্ডারাজ চলছে, পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যায় না”, নাগরাকাটাকাণ্ডে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “রাজ্যে গুন্ডারাজ চলছে, পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যায় না”, নাগরাকাটাকাণ্ডে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আমার মনে হয়েছে, পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। এভাবে চলতে পারে না।” রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে কথাগুলি বললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি বলেন, “গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকে। রাজ্যপাল হিসেবে সব কিছু বিবেচনা করে দেখা উচিত, মাঠে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে তবেই কিছু সুপারিশ করা উচিত আমার। রাজ্যপাল হিসেবে কী সুপারিশ করব, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। কিন্তু কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি (Nagrakata Issue)।”

    গ্রাউন্ড জিরোর পরিস্থিতি আমি জানি (CV Ananda Bose)

    পরে তিনি বলেন, “গ্রাউন্ড জিরোর পরিস্থিতি আমি জানি। সব রিপোর্ট পাঠানো হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, গুরুতর কিছু ঘটেনি। আমি জানি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। আমি নিজে এলাকায় গিয়ে কথা বলি মানুষের সঙ্গে, তাঁদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করি। বাংলায় যা ঘটছে, তা হওয়া উচিত নয়। না বলার সময় এসেছে। উপযুক্ত পদক্ষেপ করার সময় এসেছে।” প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গের নাগরাকাটায় বানভাসিদের ত্রাণ বিলি করতে গিয়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। শঙ্করের আঘাত ততটা গুরুতর না হলেও বিজেপির উপজাতি সম্প্রদায়ের নেতা খগেনের আঘাত অত্যন্ত গুরুতর। শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি।

    এই পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যায় না

    উত্তরবঙ্গের বন্যা দুর্গতদের দেখতে বুধবারই রাজ্যপাল গিয়েছিলেন শিলিগুড়িতে। সেখান থেকে তিনি (CV Ananda Bose) হাসপাতালে গিয়েছিলেন বিজেপির জখম দুই বিধায়ককে দেখতে। পরে সটান চলে যান রাষ্ট্রপতি ভবনে। সেখানে তিনি সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে দু’জনের মধ্যে কথাও হয়েছে বলে জানান রাজ্যপাল। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যপাল। তিনি জানান, রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির কথা হলেও, ৩৫৬ ধারা বা রাষ্ট্রপতি শাসন জারি নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তাঁর সাফ কথা, “রাজ্যে যে একাধিক জায়গায় গুন্ডারাজ চলছে, তা পরিষ্কার। এই পরিস্থিতি চলতে দেওয়া যায় না (Nagrakata Issue)।”

    মমতা-রাজ্যপাল সম্পর্ক

    রাজ্যপাল জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পেশাদার সম্পর্ক অটুট রয়েছে। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাও রয়েছে, যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। কিন্তু গোটা রাজ্যের আনাচে-কানাচে যা ঘটছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট নন। এর পরেই রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “গ্রাউন্ড জিরোর পরিস্থিতি আমি জানি। বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে আমজনতার সঙ্গে কথাও বলেছি আমি। পরিস্থিতি ঠিক কোন জায়গায় রয়েছে, সে সম্পর্কে আমি যথেষ্ট অবগত।” তিনি জানান, আগামিদিনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক-সহ আর যেখানে যেখানে যাওয়ার প্রয়োজন, সেখানেও যাবেন। উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় পরিস্থিতি নিয়েও নিজের মতামত ব্যক্ত করেন তিনি। রাজনৈতিক দোষারোপ, পাল্টা দোষারোপে না গিয়ে, পরিস্থিতি মোকাবিলার রাস্তা খুঁজতে হবে বলেও জানান সিভি আনন্দ বোস।

    হেল্পলাইন নম্বর

    প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দুর্গত এলাকায় নজরদারি ও প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। এজন্য গঠন করা হয়েছে একটি র‌্যাপিড অ্যাকশন সেল। সাহায্যের জন্য যোগাযোগের ঠিকানাও দেওয়া হয়েছে রাজভবনের তরফে। ফোন করতে পারেন ০৩৩–২২০০১৬৪১ এই নম্বরে। ই-মেল করা যাবে পিসরুমরাজভবন@জিমেল.কম-এ। উল্লেখ্য, এই প্রথম নয়, ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাই হোক কিংবা অন্য কোনও রাজনৈতিক সংঘর্ষ, তিনি বারংবার মানুষের পাশে থাকতে ছুটে গিয়েছেন। কথা বলেছেন বিপন্ন মানুষদের সঙ্গে (Nagrakata Issue)। এদিন সেকথাও মনে করিয়ে দেন রাজ্যপাল। তাঁর মতে, এবারও তিনি সেই একই কাজ করেছেন। এর পরেই তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “বাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে।”

  • WB Floods: উত্তরবঙ্গে ত্রাণ বিলি করছেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা

    WB Floods: উত্তরবঙ্গে ত্রাণ বিলি করছেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কাজ করার কথা তৃণমূল নেতৃত্বাধীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের, সেই কাজই করছেন আরএসএসের (RSS) স্বয়ংসেবকরা! বানভাসি (WB Floods) উত্তরবঙ্গে স্বয়ংসেবকরা যখন ত্রাণ বিলি করছেন, তখন রেড রোডের কার্নিভালের মঞ্চে গানের সঙ্গে কোমর দোলাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং।

    ভয়াবহ বন্যার সাক্ষী উত্তরবঙ্গ (WB Floods)

    বর্তমানে সাম্প্রতিক ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যার সাক্ষী উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং জেলার খয়েরবাড়ি ব্লকে ভারত–নেপাল সীমান্তের কাছে, স্বয়ংসেবকরা ত্রাণ বিলির নেতৃত্ব দেন। ডেংগুজোট ও আশপাশের গ্রামগুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ান তাঁরা। জলপাইগুড়ি জেলায়ও মালবাজার ও বানারহাট অঞ্চলে স্বয়ংসেবকরা ত্রাণ বিলি শুরু করেছেন, এবং দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছনোর জন্য তাঁরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছেন। বন্যার খবর পেয়েই ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে যান স্বয়ংসেবকরা। তাঁরা খাদ্য, পানীয় জল, কম্বল, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত স্বয়ংসেবক এই ত্রাণ বিলি কর্মসূচিতে যোগ দেন। এক স্বয়ংসেবক (WB Floods)বলেন, “এখনই মানবতার সেবা করার সময়। আমাদের দেশের যে কোনও প্রান্তে যখনই সংকট দেখা দেয়, তখনই প্রতিটি স্বয়ংসেবকের দায়িত্ব হল নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও সেবা করা (RSS)।”

    আরএসএসের প্রশংসা

    স্থানীয় বাসিন্দারা আরএসএসের এই মানবিক উদ্যোগের গভীর প্রশংসা করেছেন। শিলিগুড়ির সুশ্রুত নগরের পোরাজহার এলাকায় স্বয়ংসেবকরা স্থানীয় বাজার থেকে ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির মধ্যে বিতরণ করেন। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বিধ্বংসী বন্যায় অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ২০২৫ সালের ৪–৫ অক্টোবর রাতভর ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দার্জিলিং, কালিম্পং ও পার্শ্ববর্তী পার্বত্য জেলাগুলিতে ব্যাপক ভূমিধস হয়।

    দার্জিলিংই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (WB Floods)। শুধু মিরিক থেকেই ১৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতে প্রায় ১০০টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৩৫টি বড় ধরনের। এজন্য সম্পূর্ণভাবে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে একাধিক জনপদ। বন্যার ফলে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জয়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ (RSS)। জাতীয় সড়ক ১০ সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ। ধসের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অধিকাংশ জেলা সড়ক। জননিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জিটিএ (গোর্খাল্যান্ড র্‌খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)-র পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা হয়েছে (WB Floods)।

  • TMC: ক্রমেই কমছে লগ্নি, খাদের কিনারে চলে যাচ্ছে বাংলার অর্থনীতি

    TMC: ক্রমেই কমছে লগ্নি, খাদের কিনারে চলে যাচ্ছে বাংলার অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর রাজ্যে ঘটা করে হচ্ছে শিল্প সম্মেলন। বিরোধীদের মতে, আদতে যা হচ্ছে, তা হল শিল্পপতিদের (Industrial Incentives) নিয়ে সরকারি অর্থে ‘মোচ্ছব’। কারণ নিয়ম করে শিল্প সম্মেলন হলেও, এ রাজ্যে উল্লেখযোগ্য শিল্প একটাও হয়নি বলে (TMC) অভিযোগ বিরোধীদের। এর কারণ হল গত তিন দশকে প্রদত্ত সব ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনসেনটিভ বাতিল করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিতর্কিত আইনটি হল “ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইনসেনটিভ স্কিমস অ্যান্ড অবলিগেশনস ইন দ্য নেচার অফ গ্র্যান্টস অ্যান্ড ইনসেনটিভস বিল, ২০২৫”।

    ব্যাপক সমালোচনা (TMC)

    চলতি বছরের ২ এপ্রিল এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়। এর ফলে ১৯৯৩ সাল থেকে প্রতিশ্রুত সমস্ত সুবিধাই কার্যত প্রত্যাহার করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত জন্ম দিয়েছে ব্যাপক সমালোচনার। কারণ এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে, রাজ্যের অর্থনীতিকে বিপদের মুখে ফেলছে এবং সর্বোপরি, মূলধনের প্রতি বৈরী মনোভাব তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে। কর্পোরেট জায়ান্ট ডালমিয়া ও বিড়লা গ্রুপের অনুমান, তাদের সম্মিলিত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪৩০ কোটি টাকা। অন্য অসংখ্য প্রতিষ্ঠান এখনও পর্যন্ত আর্থিক ক্ষতির হিসেব করে উঠতে পারেনি। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি বড় সংস্থা কলকাতা হাইকোর্টে এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তারা একে অসাংবিধানিক ও স্বেচ্ছাচারী আখ্যা দিয়েছে।

    শিল্প-বিরোধী টানাপোড়েনের শেকড়

    পশ্চিমবঙ্গের শিল্প-বিরোধী টানাপোড়েনের শেকড় বহু পুরনো। ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কমিউনিস্ট পার্টির শাসনকালে শিল্পপতিদের সন্দেহের চোখে দেখা হত। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু একবার পুঁজিপতিদের শ্রেণিশত্রু বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই মনোভাব প্রতিফলিত হত তাদের নীতিনির্ধারণে, যা প্রায়ই বেসরকারি উদ্যোগকে লগ্নি করতে নিরুৎসাহিত করত (TMC)। ধর্মঘট, শ্রমিক সংগঠনের হিংসা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনার জেরে সিংহানিয়া ও বিড়লা পরিবারের মতো বড় ব্যবসায়ীরা অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত করতে বাধ্য হন তাঁদের ব্যবসা। বস্তুত, তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের অবনতি (Industrial Incentives) ঘটে।

    তৃণমূলের আমলেও রাজ্যে হা-শিল্প দশা

    ২০১১ সালে বামেদের হটিয়ে রাজ্যের ক্ষমতায় আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। তার পরেও ঘোচেনি রাজ্যের হা-শিল্প দশা। অথচ তৃণমূলের উত্থানই ঘটেছিল শিল্প প্রকল্পগুলির বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে, বিশেষ করে সিঙ্গুরে টাটা মোটরসের বিরুদ্ধে, যার ফলে কোম্পানিটি রাজ্যের বাইরে স্থানান্তরিত করে করে নেয় তাদের কারখানা। বাংলা থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে তারা চলে যায় গুজরাটের সানন্দে। কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৬ হাজার ৬০০-এর বেশি কোম্পানি, যার মধ্যে ১১০টি তালিকাভুক্ত সংস্থা রয়েছে, তাদের ব্যবসা গুটিয়েছে এ রাজ্য থেকে। তৃণমূল সরকারের শাসনকালে বাংলায় মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো পড়েছে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা, অনুপ্রবেশ এবং ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা। এসবের কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভীষণভাবে (TMC)। অর্থনৈতিক তত্ত্ব ইনসেনটিভকে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার হাতিয়ার হিসেবে গুরুত্ব দেয়, বিশেষত সেই সব খাতে যেখানে বাজারের ব্যর্থতা রয়েছে। নেতিবাচক প্রভাব যেমন শ্রমিক অসন্তোষ, প্রতিকূল সামাজিক অবস্থা এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা দাবি করে। কেইনসীয় অর্থনীতি অর্থনৈতিক মন্দার সময় সক্রিয় সরকারি হস্তক্ষেপকে সমর্থন করে এবং পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় রাজস্ব ইনসেনটিভের গুরুত্বকে তুলে ধরে।

    পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক হাল

    পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক সূচকগুলি একটি অনিশ্চিত আর্থিক পরিস্থিতি প্রকাশ করছে। জানা গিয়েছে, আর্থিক ঘাটতি রাজ্যের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (GSDP) ৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ১৯৬০ সালে ভারতের জিডিপিতে পশ্চিমবঙ্গের অবদান ছিল ১০ শতাংশেরও বেশি। আজ তা কমে হয়েছে ৫ শতাংশ। মাথাপিছু আয় জাতীয় গড়ের মাত্র ৮৩.৭ শতাংশ, যা প্রতিবেশী রাজ্যগুলির তুলনায় ঢের পিছিয়ে। দারিদ্র্যের হার এখনও উচ্চ, এবং আইন-শৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জগুলি ক্রমশ বেড়েই চলেছে (TMC)। নয়া ওই আইনের জেরে আরও অনেক শিল্পপতি রাজ্য ছেড়ে চলে যেতে পারেন। যার ফলে বেকারত্ব বাড়বে এবং জনকল্যাণমূলক ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ পড়বে। সাধারণ মানুষ, যাঁদের জীবিকা ও কর্মসংস্থান শিল্পোন্নয়নের ওপর নির্ভরশীল, তাঁরা নীতিগত ব্যর্থতার প্রধান শিকার হয়ে উঠবেন (Industrial Incentives)।

    কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতমূলক আচরণ

    পশ্চিমবঙ্গ বারবার কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতমূলক আচরণ করেছে। মমতার সরকার সরে এসেছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প থেকে। সিবিআইয়ের নজরদারি সীমিত করা এবং প্রশাসনিক নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে নানা সময় রাজ্য সরকারের বিরোধে জড়ানোও এর উদাহরণ। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির অবস্থা বেহাল। এ রাজ্যে প্রতি এক লাখ মানুষের জন্য মাত্র ৯৭.৬৬ জন পুলিশ কর্মী রয়েছেন। এটি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ উভয় ক্ষেত্রেই। সাম্প্রদায়িক হিংসা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের আস্থায় আরও চিড় ধরিয়েছে। তার জেরে বাংলায় এমন এক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে প্রতি পদে (TMC)।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দ্রুত পরিবর্তনশীল ভারতীয় অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে, পশ্চিমবঙ্গ ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। যার জেরে রাজ্যটি চলে যাচ্ছে অর্থনৈতিক খাদের কিনারায়। রাজ্যবাসীকে যুঝতে হচ্ছে নীতি-অব্যবস্থাপনা, অবিশ্বাস ও শিল্পপতিদের পাততাড়ি গুটিয়ে রাজ্য ছেড়ে পালানোর পরিণতির সঙ্গে।

  • Amit Shah: রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, উদ্বোধন করবেন তিন পুজোর

    Amit Shah: রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, উদ্বোধন করবেন তিন পুজোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতৃপক্ষের অবসান শেষে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। এই দেবীপক্ষেই বাংলায় দেবীমূর্তির (Durga Puja) আবরণ উন্মোচন করতে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে, শুক্রবার চতুর্থীর দিন দুপুরের মধ্যে কলকাতায় আসবেন শাহ। তার পরে শহরের দু’টি নামী পুজোর উদ্বোধনে যোগ দেবেন তিনি। একটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো, অন্যটি ইজেডসিসির দুর্গাপুজো। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো নামেই বিখ্যাত।

    থিমের অভিনবত্ব সজল ঘোষের পুজোয় (Amit Shah)

    থিমের অভিনবত্বের কারণেই ফি বছর আলোচনার কেন্দ্রে থাকে সজল ঘোষের পুজো। কখনও অযোধ্যার রামমন্দির, কখনও আবার দিল্লির লালকেল্লা করে দর্শকদের চমকে দিয়েছেন তিনি। এবার এই পুজোর থিম হল ‘অপারেশন সিঁদুর’। মূলত এই থিমেরই উদ্বোধন করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এই পুজো এবার পা দিল ৯০ বছরে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর উদ্বোধন করে শাহ (Amit Shah) যাবেন ইজেডসিসির পুজোর উদ্বোধন করতে। এই পুজোর আয়োজন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক মঞ্চ নামের এক সংগঠন। এই পুজো শুরু হয়েছিল মুকুল রায়ের হাত ধরে। তিনি তখন ছিলেন বিজেপিতে। পরে তৃণমূলেই ফিরে যান দলবদলু মুকুল। পুজো হয়েছিল তার পরের বছরও। পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এবার ফের হচ্ছে সেই পুজোর আয়োজন। খুঁটিপুজোর দিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    দক্ষিণ কলকাতার মণ্ডপ উদ্বোধনেও যাবেন শাহ

    বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার একটি মণ্ডপ উদ্বোধনেও যেতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে সেটি কোন মণ্ডপ কিংবা উদ্যোক্তাই বা কারা, সে সম্পর্কে মুখে কুলুপ এঁটেছেন পদ্ম-নেতৃত্ব। তবে কেন্দ্রটি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর লাগোয়া এলাকায়, তা নিশ্চিত। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই এ বছর তড়িঘড়ি করে পিতৃপক্ষেই ‘হিজাব’ পরে প্যান্ডেলের উদ্বোধন করেছেন মমতা। এ নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবার (Durga Puja) শাহকে এনে ‘অপারেশন সিঁদুর’ থিমের উদ্বোধন করিয়ে রাজ্যবাসীকে বার্তা দিতে চাইছে পদ্মশিবির (Amit Shah)।

  • CAG Report: দেনায় ডুবে যাচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার, বলছে ক্যাগের রিপোর্ট

    CAG Report: দেনায় ডুবে যাচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার, বলছে ক্যাগের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খয়রাতির রাজনীতি করতে গিয়ে দেনায় ডুবে যাচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal)। ঋণের বোঝার বহর দিনের পর দিন চাপছে পাঞ্জাবের আপ পরিচালিত সরকারের ঘাড়ে। ভারতের দ্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ) সম্প্রতি এক অভিনব রিপোর্ট (CAG Report) প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য কীভাবে তাদের আর্থিক ব্যবস্থা পরিচালনা করছে। শুক্রবার রাজ্যের অর্থসচিব সম্মেলনে সিএজি কে সঞ্জয় মূর্তি এই রিপোর্ট প্রকাশ করেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত এক দশকে ভারতের ২৮টি রাজ্যের মোট সরকারি ঋণ তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৩-১৪ সালে যেখানে এই দেনার পরিমাণ ১৭.৫৭ লাখ কোটি টাকা, সেখানে ২০২২-২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯.৬০ লাখ কোটি টাকায়। ভারতের রাজ্যগুলির ঋণ থেকে রাজ্যের জিডিপির (GSDP) অনুপাত সবচেয়ে বেশি। এর অর্থ হল ওই রাজ্যগুলির অর্থনীতির আকারের তুলনায় ঋণের বোঝা ভয়ঙ্করভাবে বড়।

    পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা (CAG Report)

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত আটটি রাজ্যের সরকারি ঋণের দায় তাদের জিএসডিপির ৩০ শতাংশেরও বেশি ছিল। ছটি রাজ্যের ক্ষেত্রে এই দায় জিএসডিপির ২০ শতাংশের কম ছিল। আর বাকি ১৪টি রাজ্যের ক্ষেত্রে সরকারি ঋণের দায় তাদের নিজ নিজ জিএসডিপির ২০ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে ছিল।” রিপোর্টে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ। এ রাজ্যে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার। রাজ্যের ঋণ-টু-জিএসডিপির অনুপাত এখন ৩৩.৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দেশের সর্বোচ্চগুলির মধ্যে একটি (CAG Report)। পশ্চিমবঙ্গের মতো অবস্থা আর এক অ-বিজেপি শাসিত রাজ্য পাঞ্জাবেরও।

    করুণ অবস্থা পাঞ্জাবের

    দীর্ঘ দিন ধরেই পাঞ্জাব সীমিত রাজস্বভিত্তি এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে লড়াই করে চলেছে। সিএজির রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়েছে যে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। পাঞ্জাব এমন এক রাজ্য যেখানে ইতিমধ্যেই বেকারত্ব, কৃষিক্ষেত্রে সঙ্কট, এবং শিল্পোন্নয়নের কম সুযোগ রয়েছে। তার ওপর এত বিপুল ঋণ উন্নয়নে লগ্নি করার ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে পঙ্গু করে দিচ্ছে (West Bengal)। মূলধনী ব্যয়, যেমন পরিকাঠামো নির্মাণ, যা ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধি সৃষ্টি করে, সেদিকে মনোযোগ দেওয়ার বদলে পাঞ্জাব এখন বাধ্য হচ্ছে ঋণ করা অর্থের বড় অংশ শুধু দৈনন্দিন খরচ চালাতে। প্রায় একই দশা পশ্চিমবঙ্গেরও। গত দশকে পশ্চিমবঙ্গের ঋণের বোঝা দারুনভাবে বেড়েছে। পাঞ্জাবের মতো পশ্চিমবঙ্গও সেই ১১টি রাজ্যের মধ্যে পড়ে, যারা ঋণ করে জোগাড় করা অর্থ ব্যবহার করছে দৈনন্দিন খরচ চালাতে। এর মধ্যে রয়েছে বেতন, ভর্তুকি ও প্রশাসনিক খরচ। অথচ এই টাকা খরচ করা যেতে পারত দীর্ঘমেয়াদে রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে (CAG Report)।

    রাজস্ব প্রাপ্তি

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “গড়ে রাজ্যগুলির সরকারি ঋণ তাদের রাজস্ব প্রাপ্তি বা মোট অঋণ প্রাপ্তির প্রায় ১৫০ শতাংশ। একইভাবে, সরকারি ঋণ রাজ্যগুলির মোট রাজ্য ডোমেস্টিক উৎপাদনের ১৭ থেকে ২৫ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করেছে এবং গড়ে জিএসডিপির ২০ শতাংশ হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে জিএসডিপির ২১ শতাংশ থেকে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ২৫ শতাংশে ৪ শতাংশ বৃদ্ধির প্রধান কারণ হল ২০২০-২১ সালে কোভিড অতিমারি পর্বের কারণে জিএসডিপির পতন হয়। ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২৩ সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণ বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ ছিল ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণ, যা রাজ্যগুলিকে পুঁজি ব্যয়ের জন্য দেওয়া বিশেষ সহায়তা ও জিএসটি ক্ষতিপূরণের ঘাটতির পরিবর্তে ছিল (CAG Report)।”

    ঋণের অর্থ ব্যয় হয়েছে ঘাটতি পূরণেই

    সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব ও নাগাল্যান্ডের। তবে অধিকাংশ অন্যান্য রাজ্যও খুব বেশি পিছিয়ে নেই। উল্টো দিকে, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটের মতো কিছু রাজ্য তাদের ঋণের অনুপাত তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে, যা আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে একেবারেই উল্টো একটি ছবি তুলে ধরে (West Bengal)। রিপোর্টে উত্থাপিত আর একটি উদ্বেগজনক সূচক হল, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ ও নাগাল্যান্ড-সহ ১১টি রাজ্যে পুঁজি ব্যয় তাদের নিট ঋণের চেয়ে কম ছিল। উদাহরণস্বরূপ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও পাঞ্জাবে যথাক্রমে তাদের নিট ঋণের মাত্র ১৭ শতাংশ এবং ২৬ শতাংশ ছিল পুঁজি ব্যয়। এর মানে হল, ঋণ নেওয়া অধিকাংশ অর্থ নতুন সম্পদ তৈরিতে (West Bengal) নয়, বরং ব্যয় হয়েছে ঘাটতি পূরণেই (CAG Report)।

LinkedIn
Share