Tag: West Bengal

West Bengal

  • Bangladeshi Arrest: বাংলায় জাল নথি বানিয়ে হিন্দু ‘সেজে’ বাস অনুপ্রবেশকারীর, গ্রেফতার বাংলাদেশি

    Bangladeshi Arrest: বাংলায় জাল নথি বানিয়ে হিন্দু ‘সেজে’ বাস অনুপ্রবেশকারীর, গ্রেফতার বাংলাদেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুরাটে বাংলাদেশি মুসলমান গ্রেফতারে (Bangladeshi Arrest) বঙ্গ যোগ! পশ্চিমবঙ্গ থেকে জাল নথি বানিয়ে বাংলাদেশি মুসলমান হিন্দু ‘সেজে’ দিব্যি বাস করছিল গুজরাটের সুরাটে। ধরা পড়তেই ফাঁস বাংলার কেলেঙ্কারির পর্দা।

    বাংলায় জাল নথির রমরমা কারবার! (Bangladeshi Arrest)

    সীমান্তে নিরাপত্তার ফাঁক গলে বাংলাদেশ থেকে ঢুকে পড়ছে ভারতে। পরে হিন্দু সেজে দিব্যি বসবাস করছে এ দেশে। ধরা পড়ার পরে জানা যায়, তারা আদতে বাংলাদেশি, ধর্মে মুসলমান। দিন কয়েক আগে এমন খবর প্রকাশ করেছিল মাধ্যম। ফের প্রকাশ্যে এল এমন একটি খবর। এবার ঘটনাস্থল গুজরাটের সুরাট। এখানকারই এক হিন্দু এলাকায় হিন্দু পরিচয়ে বাস করছিল বাংলাদেশি এই মুসলমান। রবিবার তাকে গ্রেফতার করে সুরাট পুলিশ। ভারতে পুলিশের চোখে ধুলো দিতে সে জাল নথিপত্রও বানিয়ে নিয়েছিল (Bangladeshi Arrest)। সেই নথি দেখিয়েই বাস করছিল সুরাট শহরে। প্রশাসন সূত্রে খবর, তার কাছে উদ্ধার হওয়া নথিপত্রগুলির মধ্যে রয়েছে ভারতীয় পাসপোর্ট, আধার কার্ড, পশ্চিমবঙ্গের একটি স্কুললিভিং সার্টিফিকেট, কাতার রেসিডেন্সি পারমিট এবং বাংলাদেশি পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কাগজপত্র।

    মুসলমান হয়েও হিন্দু নাম!

    পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতের আসল নাম মিনার হেমায়েত সর্দার। ২০২০ সালে সে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। ভারতে চলে আসার পর একাধিক জাল নথিপত্র তৈরি করে সে। মুসলমান পরিচয় লুকিয়ে সে নাম নিয়েছিল শুভ দাস। জাল নথিগুলো সে বানিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। বঙ্গেরই নদিয়া জেলা থেকে নকল পাসপোর্ট জোগাড় করেছিল এই সব জাল নথি দেখিয়ে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, জাল পাসপোর্ট বানিয়েই ২০২১ সালে মিনার ঘুরে এসেছে দোহা, কাতার। ২০২৩ সাল পর্যন্ত সেখানেই সে কাজ করত শ্রমিক হিসেবে। চলতি বছর সে ফিরে আসে সুরাটে। এখানেই নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিল সে। মিনারকে জেরা করছে পুলিশ।

    পুলিশের দাবি, জেরায় অপরাধ কবুল করেছে সে। তাকে জেরা করে এই জাল নথিপত্র বানানোর চক্রের হদিশ পেতে চাইছে পুলিশ। গুজরাটের পুলিশ প্রতিমন্ত্রী হর্ষ সাংভি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “বাংলাদেশি মুসলমান এক ব্যক্তি তার মুসলিম পরিচয় গোপন করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসার সাহায্যে হিন্দু নামে জাল সার্টিফিকেট বানিয়েছিল।” ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশি মুসলিমদের হিন্দু করার নথিপত্রের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলার মাদ্রাসাগুলিকে। মাদ্রাসাগুলির জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বাজেট অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এতে কি তাহলে রাজ্য সরকারের সমর্থন রয়েছে (Bangladeshi Arrest)?”

    আর পড়ুন: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: “মহিলা কর্মীকে তৃণমূলের নেতাদের কুপ্রস্তাব! দুর্গাপুর কি এখন সন্দেশখালি?”, তোপ অগ্নিমিত্রার

    Durgapur: “মহিলা কর্মীকে তৃণমূলের নেতাদের কুপ্রস্তাব! দুর্গাপুর কি এখন সন্দেশখালি?”, তোপ অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শনিবার দুর্গাপুরে (Durgapur) তৃণমূল সমর্থক এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূলের তিন নেতা। ঘটনায় মর্মাহত হয়ে আত্মঘাতী হতে চেয়েছিলেন মহিলা। কিন্তু আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর আজ রবিবার বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল মহিলাকে দেখতে গেলে গো ব্যাক স্লোগান দেয় এলাকার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। এরপর ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। পাল্টা তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই বিজেপি নেত্রী। তিনি বলেন, “মহিলা কর্মীকে তৃণমূলের নেতাদের কুপ্রস্তাব! দুর্গাপুর কি এখন সন্দেশখালি?”

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পল (Durgapur)?

    ঘটনাস্থলে (Durgapur) বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল পৌঁছে ওঁই মহিলার খোঁজ নিতে যান। এরপর সব শুনে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এবং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “দুর্গাপুরেও কি সন্দেশখালির মতো ঘটনা ঘটছে? তৃণমূলের কাছে মহিলাদের কাছে সম্মান নেই। পুলিশকে আমরা জানিয়েছি। শেখ বিল্লি আর সুকুমার নামে দুই জনকে গ্রফতার করা হয়েছে। বাকি আরও দুজনকে পুলিশ খোঁজ করছে। তৃণমূলের রাজত্বে জুয়া, মদের আড্ডা পাড়ায় পাড়ায় গজে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী যতই চেষ্টা করুন বিরোধী শূন্য করতে পারবেন না। তৃণমূলের নেতারা কুপ্রস্তাব দিয়ে দুর্গাপুরকে সন্দেশখালি করে দিয়েছেন। বিজেপি সব সময় পথে আছে। আগামী দিনে আন্দোলন আরও জোড়াল হবে।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    গত দুদিন আগে দুর্গাপুরে (Durgapur) তৃণমূলের সমর্থক এক মহিলা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। অভিযোগ ছিল, এলাকায় তৃণমূল নেতাদের মদের ঠেক চালানোর প্রতিবাদ করেছিলেন এই মহিলা। এরপর তাঁর স্বামীর ঠিকাদারের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল তৃণমূলের নেতারা। পুনরায় স্বামীকে আবার কাজে যুক্ত হতে গেলে ওঁই মহিলাকে এলাকার তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে সহবাস করতে হবে। ঠিক এরকম কুপ্রস্তাবের অভিযোগ উঠেছিল। এই পরিপ্রেক্ষিতে ওঁই মহিলা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং এরপর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা করেছে পুলিশ। যদিও বাকি দুজন এখনও গ্রেপ্তার হয়নি।

    আরও পড়ুনঃ “আজ যে বাংলায় মমতা রাজত্ব করছেন, তা শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তোপ দিলীপের

    তৃণমূলের বক্তব্য

    দুর্গাপুরের (Durgapur) এই এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের অবশ্য অভিযোগ, “এখানে যে ঘটনা ঘটেছে সে ঘটনার কোনও সত্যতা নেই। এখানে রাজনৈতিক ইস্যুকে খাড়া করতে অগ্নিমিত্রা এসেছেন। তাই এলাকাবাসী তাঁকে গো ব্যাক স্লোগান দিয়েছে।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “ভাইপো দুবার, মুখ্যমন্ত্রী চারবার এসেও বালুরঘাটে তৃণমূল হেরেছে”, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “ভাইপো দুবার, মুখ্যমন্ত্রী চারবার এসেও বালুরঘাটে তৃণমূল হেরেছে”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি জিতে বসে আছি, আর কলকাতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) হেরে গিয়েছে।” প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর বালুরঘাটে ফিরেই সুকান্ত মজুমদার আক্রমণ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমরা বিপ্লব মিত্রকে হারায়নি, হারিয়েছি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। শুধু একবার হারাইনি। বালুরঘাট লোকসভা নির্বাচনের পুনরায় গণনাতেও হারিয়েছি তৃণমূলকে। তাই আমরা দু’দুবার হারিয়েছি বিপ্লব মিত্র এবং মুখ্যমন্ত্রীকে।” সুকান্তবাবু আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমাকে হারানোর জন্য এই জেলায় চারবার এসেছিলেন, তারপরেও তিনি হেরে গিয়েছেন। ভাইপো দুবার এসেছিল। তারপরও এই আসনে মোদিজি জয়যুক্ত হয়েছেন। বালুরঘাটে তৃণমূল হেরেছে।”

    বালুরঘাট স্টেশন পরিদর্শন করলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হবার পর রবিবার বালুরঘাট রেল স্টেশনের কাজ খতিয়ে দেখতে যান সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত, বালুরঘাট স্টেশন ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে। ভোটের কারণে এতদিন তিনি সেখানে যেতে পারেননি। পরে, মন্ত্রী হওয়ার পর বালুরঘাট ফিরে স্টেশনের সার্বিক অবস্থা কেমন রয়েছে তা খতিয়ে দেখেন তিনি। পাশাপাশি এদিন বালুরঘাটে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলিদান দিবস উদযাপন করা হয়। বালুরঘাটে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি স্থাপনের নির্দেশ দেন সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন সুকান্ত

    অন্যদিকে, এদিন একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন সুকান্ত মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো এবার বিদ্যুতের বিল কমাতে স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত  বলেন, “রাজ্য সরকারের অবস্থা খারাপ। বিদ্যুতের বিল দিতে পারছে না। বহু জায়গায় এই রকম অবস্থা। পুরসভাগুলি বিদ্যুৎ বিল দিতে না পারার জন্য আলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যে কোনও দিন এই রাজ্য সরকার উল্টে পড়বে।” সবজি বাজার আকাশ ছোঁয়া, জিনিসপত্রের দাম অগ্নিমূল্য প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, দাম বৃদ্ধির পিছনে হয়তো তৃণমূলের তোলাবাজির রহস্য আছে। আমরা খুঁজছি। নিশ্চই পাওয়া যাবে। তৃণমূলের কে তোলাবাজি করছে। বেহাত হতে চলেছে রবীন্দ্র সরোবর। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, রবীন্দ্র সরোবর দখল করে তৃণমূল পারলে সেখানে ফ্লাট তুলে দেবে। এখন সেটা তুলতে পারেনি এইটা আমাদের সৌভাগ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: প্রশ্ন ফাঁস থেকে শিক্ষা! কড়া আইন আনছে যোগী সরকার

    Uttar Pradesh: প্রশ্ন ফাঁস থেকে শিক্ষা! কড়া আইন আনছে যোগী সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নিট’ এবং ‘নেট’ পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক চরমে। উঠছে জালিয়াতির অভিযোগ এবং প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ। কেন্দ্রীয় শিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ আনছে বিরোধীরা। এমতাবস্থায় উত্তরপ্রদেশ সরকার একটি নতুন আইন আনতে চলেছে। পরীক্ষার আগে প্রশ্ন ফাঁস রুখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে যোগী সরকারের তরফে।  

    প্রশ্ন ফাঁস রুখতে যোগী রাজ্যে আসছে আইন

    জানা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার প্রশ্ন ফাঁস রুখতে এমন একটি কড়া আইন আনতে চলেছে, যেখানে থাকছে কঠিন শাস্তির বিধান। থাকবে মোটা অংকের জরিমানা থেকে জেলের ব্যবস্থা। এমনকি বুলডোজার দিয়ে বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার বিধানও থাকতে পারে। সূত্রের খবর ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি ‘নেট’ এবং ‘নিট’ পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করতেই উত্তরপ্রদেশ সরকার এ বিষয়ে কঠোর আইন আনতে তৎপর হয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আলাদা প্রিন্টার থেকে ছাপানো হবে দুটি সেটে প্রশ্নপত্র।  এমনকি উত্তর পত্রে কোডিং-এর ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার কেন্দ্র হবে একমাত্র সরকারি স্কুল ডিগ্রী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কিংবা মেডিকেল কলেজ। তাও আবার যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড ভালো সেগুলিকে সেন্টার হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। প্রত্যেকটি সেন্টারে সিসিটিভি থাকবে। চারটি ভিন্ন এজেন্সি নিয়োগ করা হবে যারা পরীক্ষার যাবতীয় দায়িত্বে থাকবে। বাড়ির কাছে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। পরীক্ষা কেন্দ্র হোম ডিভিশনের বাইরে থাকবে। তবে বিশেষভাবে সক্ষম ও মহিলাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু এই নিয়মের ফাঁক গলে কেউ যাতে টুকলি না করে তার জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা কড়া রাখা হবে।

    আইনে থাকছে কড়া শাস্তির বিধান

    যদি কোন ক্ষেত্রে ৪ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী হয়, তাহলে দুই ভাগে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে করা হবে। রেজাল্টে যাতে কোন অনিয়ম না থাকে, তার জন্য কমিশন ও বোর্ড ও এমআর শিট স্ক্যান করার দায়িত্বে থাকবে। প্রশ্নপত্রে থাকবে সিক্রেট কোড। পাশাপাশি ইউনিক বারকোড, কিউআর কোড এবং সিরিয়াল নম্বরও থাকবে । প্রশ্নপত্র ট্যাম্পার প্রুফ, মাল্টিলেয়ার প্যাকেজিং করে

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

    বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে। এছাড়াও পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন স্মার্টফোন কিংবা ক্যামেরা নিয়ে ঢোকা যাবে না। প্রিন্টিং প্রেসেও স্মার্টফোন এবং ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ নিষেধ থাকবে। প্রেস চত্বরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো থাকবে। এবং সেই রেকর্ডিং এক বছরের জন্য সংরক্ষণ করে রাখা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Afghanistan Vs Australia: অস্ট্রেলিয়াকে ২১ রানে হারিয়ে কামাল করল আফগানরা

    Afghanistan Vs Australia: অস্ট্রেলিয়াকে ২১ রানে হারিয়ে কামাল করল আফগানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিল আফগানিস্তান। ২১ রানে হেরেছে অজিরা। রবিবার ২৩ শে জুন কিংস টাউন গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়াকে (Afghanistan Vs Australia) ১৫৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল আফগানিস্তান। হ্যাটট্রিক করেছিলেন কামিন্স। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া পুরো ২০ ওভার খেলতে পারেনি। ১৯.২ অভারে ১২৭ রানে অলআউট হয়ে যায় অজিরা। আফগান বোলারদের দাপটে দাঁড়াতে পারেনি অজি বাহিনী।  

    আফগানদের কাছে সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ  

    আফগানিস্তানের এই জয়ের ফলে গ্রুপ ১-এর সমীকরণ বদলে গেছে। রাশিদ খানদের (Afghanistan Vs Australia) জয়ের ফলে গ্রুপের চারটি দলই এখন সেমিফাইনালে দৌড়ে। তবে এই গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ পাবে মাত্র দুটি দল। এই ম্যাচে যদি আফগানিস্তানকে অস্ট্রেলিয়া হারিয়ে দিত তাহলে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া দুটো দল সেমিফাইনালে চলে যেত। কিন্তু তা না হওয়ায় আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ দুটি দলই সেমিফাইনালে দৌড়ে এখনও টিকে রয়েছে।

    ফিল্ডিং-এর ভুল সিদ্ধান্ত অজিদের (Afghanistan Vs Australia)

    টস জিতে (Afghanistan Vs Australia) প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন মিচেল মার্শ। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্ত এদিন ভুল প্রমাণিত হয়ে গেল। প্রথম দিকে আফগানদের ঝটকা দিয়ে ব্যর্থ হয় অজি বোলাররা। আফগানিস্তানের দুই ওপেনার ১১৮ রানের জুটি তৈরি করলেন। রহমানউল্লাহ গুরবাজ করলেন ৪৯ বলে ৬০ রান। মারলেন ৪ টি চার এবং ১ টি ছক্কা। ওপেনার ইব্রাহিম খেললেন ৪৮ বলে ৫১ রানের ইনিংস। তাঁর ব্যাট থেকে এল ৬টি চার। এই দুটি আফগান ব্যাটাররা  ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন। বাকি ব্যাটসম্যানরা তেমন রান পাননি অবশ্য। এমনকি শেষের দিকে প্যাট কমিন্স হ্যাটট্রিক করেন।

    ১৯ তম ওভারে হারে অজিরা

    ১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমদিকে কোন ব্যাটসম্যানই বেশ সুবিধা করতে পারেননি। ওপেনার  ট্র্যাভিস হেড ০ রানে এবং ডেভিড ওয়ার্নার ৩ রানে প্যাভেলিয়ন ফিরে যান। পরবর্তীতে মাঠে নেমে মার্শও রান পাননি। ১২ রানে তিনি আউট হয়ে যান। একমাত্র লড়াই করার চেষ্টা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৪১ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। স্টাইনিস ১৭ বলে ১১ রান করেন। বাকি কেউই  (Afghanistan Vs Australia) দুই অঙ্কের রান করতে পারেনি। ১৯.২ অভারে অল আউট হয়ে অজি দম্ভ চূর্ণ হয়ে যায় আফগানদের হাতে।  এই জয়ের ফলে এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিল এর তিন নম্বরে উঠে এল আফগানিস্তান। তারা তিন ম্যাচের মধ্যে একটিতে জয়ী হয়ে দুটি পয়েন্ট পেল। যেই দেশ দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদ ও অর্থনৈতিক অসামঞ্জস্যপূর্ণ

    আরও পড়ূন: অর্ধশত রানে হার! সেমিফাইনাল প্রায় পাকা ভারতের

    বাতাবরণের মধ্য দিয়েও সেই দেশের ক্রিকেটাররা ইদানিং ভালো খেলছে। নিজ দেশে ভালো ক্রিকেট গ্রাউন্ড না থাকা সত্ত্বেও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে হার মানিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলে আফগানরা বুঝিয়ে দিয়েছে আগামী দিনে ক্রিকেট দুনিয়ায় তাঁরাই উঠছি সূর্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “আজ যে বাংলায় মমতা রাজত্ব করছেন, তা শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তোপ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “আজ যে বাংলায় মমতা রাজত্ব করছেন, তা শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রবিবার মুর্শিদাবাদ জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মবলিদান দিবস পালন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই দিন পশ্চিমবঙ্গ দিবসও পালন করা হয়েছে বহরমপুরে। এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “শ্যামপ্রসাদ খণ্ডিত বাংলা চাননি, অখণ্ড ভারতের জন্য লড়াই করেছিলেন।” তাঁর সঙ্গে আরও একাধিক জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

    কী বললেন দিলীপ (Dilip Ghosh)?

    এদিন বহরমপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তিতে ম্যালদান ও রাষ্ট্রীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি বক্তৃতা রাখেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা সংগঠনের সভাপতি শাখারভ সরকার, কেন্দ্রীয় হজ কমিটির সদস্যা মহাফুজা খাতুন সহ একাধিক বিজেপির কার্যকর্তা। দিলীপ ঘোষ সভায় বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় খণ্ডিত বাংলা চাননি। তিনি অখণ্ড ভারতের জন্য সংগ্রাম, করেছিলেন। এক দেশ, এক নিশান ও এক প্রধান নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালের ২০ শে জুন হিন্দু বাঙালির জন্য হোমল্যান্ড চেয়ে ছিলেন বাংলার বিধানসভাতে। এরপর জিন্নাহের প্রস্তাবিত পাকিস্তান থেকে পশ্চিমবঙ্গকে ছিনিয়ে নেন। আমরা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছি তা হল শ্যামপ্রসাদের জন্য, আজ যে বাংলায় মমতা রাজত্ব করছেন তাও শ্যামাপ্রসাদের জন্যই। তাই তাঁকে ভুলে গেলে আমাদের চলবে না। বামপন্থী এবং তৃণমূল সব সময় চেষ্টা করছেন বাংলার এই মহাপুরুষকে ভুলিয়ে দিতে। কিন্তু জাতীয়তাবাদী মানুষ এই অপচেষ্টাকে রুখে দেবেন।”

    আরও পড়ুনঃ অয়নের মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য, বাঁকুড়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি

    আর কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এদিন আরও বলেন, “বাংলার পিছিয়ে থাকা জেলাগুলির মধ্যে মুর্শিদাবাদ জেলা অন্যতম জেলা। সিএএ আইন পাশের পর সবথেকে বেশি হিংসা হয়েছে এই জেলায়। বেলডাঙ্গা স্টেশন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। হাজার দুয়ারি এক্সপ্রেসে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। কোনও বিচার হয়নি। এই রাজ্যে রাষ্ট্রবিরোধী সরকার প্রবল হয়ে উঠছে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। জাতীয়তাবাদী মানুষদের বাড়িতে বাড়িতে বেশি করে যেতে হবে। সকলকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। গত নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শক্তি বনাম দেশ বিরোধী শক্তির লড়াই হয়েছে। তবুও বিজেপির সমতুল্য হতে পারেনি।”

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বুথে হেরেছে তৃণমূল, রেললাইনের ধার থেকে বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, শোরগোল

    Birbhum: বুথে হেরেছে তৃণমূল, রেললাইনের ধার থেকে বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল লাইনের ধার থেকে বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। রবিবার সকালে বীরভূম (Birbhum) জেলার নলহাটি-চাতরা স্টেশনের মাঝে পাইকপাড়া গ্রামের কাছে লাইনের ধারে পড়েছিল বিজেপি কর্মীর দেহটি। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম প্রদীপ মাল। তাঁর বাড়ি বীরভূমের নলহাটি থানার পাইকপাড়া গ্রামে। তিনি বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তবে, খুন নাকি ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু, নাকি আত্মহত্যা করেছেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদিও উপযুক্ত তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রদীপবাবু এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী। গত পঞ্চায়েত (Birbhum) নির্বাচনে তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে পাইকপাড়া বুথে বিজেপি প্রার্থী পর্যন্ত দিতে পারেনি। কিন্তু, ওই বুথে বিজেপির জনসমর্থন অনেক বেশি। হেরে যাওয়ার আতঙ্কে তৃণমূল ওই বুথে বিজেপিকে প্রার্থী দিতে দেয়নি বলে অভিযোগ। এবার লোকসভা নির্বাচনে ওই বুথে প্রায় ৪০০ ভোটে লিড পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল এই বুথে হেরে যাওয়ায় শাসক দলের নেতারা ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। বিজেপি কর্মী প্রদীপবাবুর সঙ্গে তৃণমূল কর্মীরা বচসা জড়িয়ে পড়েন। পরে, মিটে গেলেও তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক প্রদীপবাবু রবিবার ভোরে বাড়ি থেকে বের হন। তারপর সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় গ্রাম সংলগ্ন রেল লাইনের ধার থেকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে রেল পুলিশ।

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    বিজেপির জেলা নেতৃত্ব কী বললেন?

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিজেপির (BJP) বীরভূম (Birbhum) জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, তিনি বলেন, “আমাদের দলের কর্মী প্রদীপ মালের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বিবাদ হয়েছিল। রেললাইন থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনা যথেষ্ট সন্দেহজনক। বিষয়টি আমরা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Match: অর্ধশত রানে হার বাংলাদেশের! সেমিফাইনাল প্রায় পাকা ভারতের

    India Bangladesh Match: অর্ধশত রানে হার বাংলাদেশের! সেমিফাইনাল প্রায় পাকা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কাছে রীতিমত ল্যাজেগোবরে হয়ে হারল বাংলাদেশ। ৫০ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছানো প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে ভারত। (India Bangladesh Match) ব্যাটে বলে দুই বিভাগেই কামাল দেখিয়েছে রোহিত বাহিনী।

    ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত রোহিত-কোহলির

    টস জিতে  (India Bangladesh Match) ভারত প্রথমে ব্যাট করে পাঁচ উইকেটে ১৯৬ রান তোলে। বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মার জুটি ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েও প্রত্যাশা পূরণে ব্যার্থ হন। রোহিত বড় রান করতে ব্যর্থ। ভাল খেলে হঠাৎ আউট কোহলি। চার ওভারের মধ্যেই ৩৯ রানে চলে যায় ভারতের প্রথম উইকেট। ভালই শুরু করেছিলেন শর্মাজি। ১১ বলে ২৩ রান করে সাকিবের বলে ক্যাচ তুলে দেন রোহিত। এরপর ফেরেন বিরাটও। আইপিএলে আগুন জ্বালানো কোহলি একেবারে নিস্প্রভ বিশ্বকাপে। তবে এদিন কোহলি ছন্দে ফিরলেন। রোহিতের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ২৮ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন। আধ ঘণ্টার উপর ক্রিজে থেকে বিরাট তিনটি ছয় ও একটি চার মারলেন কোহলি। এদিন রানে ফেরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিরাট-রোহিত ফেরার পর ঋষভ পন্থ (২৪ বলে ৩৬) শিবম দুবে (২৪ বলে ৩৪) ও হার্দিক পান্ডিয়ার (২৭ বলের অপরাজিত ৫০) মিলিত প্রয়াসে ভারত বড় রান তুলতে পারে স্কোরবোর্ডে।

    ৫০ রানে হারল বাংলাদেশ (India Bangladesh Match)

    এই ম্যাচে  বাংলাদেশকে ১৯৭ রানের টার্গেট দিয়েছিল ভারত। পাওয়ার প্লেতেই বোলিং করতে নামেন হার্দিক পান্ডিয়া। এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ওপেনিং পার্টনারশিপ ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লে তেই উইকেট পতন হয় বাংলাদেশের। কামাল দেখাতে ব্যর্থ হন লিটন দাস। মিড উইকেটে ক্যাচ থামিয়ে প্যাভিলিয়ন ফিরে যান লিটন। ৩৫ রানে (India Bangladesh Match) ওপেনিং জুটি ভেঙ্গে যায় বাংলাদেশের। এরপর রিষভ পন্থ ক্যাচ না মিস করলে বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন নাজমুল হাসান শান্ত ব্যক্তিগত ১ রানেই আউট হয়ে যেতে পারতেন। ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে আস্কিং রেট। চাপ বাড়তে শুরু হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের উপর। এরপর দশম ওভারে কুলদীপ যাদবের কাছে পরাস্ত হন তানজিদ হাসান। বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটের ৬৭। দরকার ছিল

    আরও পড়ুন: শুরু করলেন অনুশীলন, চলতি বছরেই কি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে ফিরবেন শামি?

    আরও ১৩০ রান। ঝোড়ো ব্যাট করতে হত বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের পাওয়ার হিটার তৌহিদ হৃদয় ৪ রান করে ফিরে যান। সাকিব আল হাসানও কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিবলের শিকার হয়ে যান। ১৪ ওভারে বাংলাদেশের ১০০ রান সম্পূর্ণ হয়। এরপর ১৬ তম ওভারে বুমরা আসতেই আউট হয়ে যান নাজমুল হাসান শান্ত। ফেরার আগে ৩২ বলে ৪০ রান করে একটু লড়াই দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় বাংলাদেশের পরাজয় ছিল সময়ের অপেক্ষা। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে বাংলাদেশ ১৪৬ রান করতে সক্ষম হয় টাইগাররা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক ৭ লক্ষ ভোটে জিতলেও ডায়মন্ড হারবারের ৪টি ওয়ার্ডে বাজিমাত বিজেপির!

    Abhishek Banerjee: অভিষেক ৭ লক্ষ ভোটে জিতলেও ডায়মন্ড হারবারের ৪টি ওয়ার্ডে বাজিমাত বিজেপির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) পেয়েছেন ১০ লক্ষের বেশি ভোট। জয়ী হয়েছেন ৭ লক্ষ ভোটের বেশি পেয়ে। কিন্তু তবুও পুরসভা এলাকার বেশ কিছু ওয়ার্ডে পিছিয়ে ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল, আবার পাল্টা বাজিমাত করেছে বিজেপি। শুরু হয়েছে তৃণমূলের তরফে বিশ্লেষণ। বিজেপির দাবি, যেখানে যেখানে তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে সেখানে সেখানে ছাপ্পা মারতে পারেনি রাজ্যের শাসক দল।

    কোন কোন ওয়ার্ডে পিছিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

    ফল প্রকাশের পর জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ২, ৬, ৯ এবং ১১ এই চারটি ওয়ার্ডে শাসকদলের থেকে বেশি ভোটে পেয়েছে। এই পুরসভার মোট ১৬টি ওয়ার্ড। এই চার ওয়ার্ড বাদে বাকি ১২টি ওয়ার্ডে অবশ্য এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। গতবার ২০১৯ সালেও বেশ কয়েকটি পুর এলাকায় পিছিয়ে ছিলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। কিন্তু সেই সময়ে তিনি তাঁর অনুগামীদের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এই বারের নির্বাচনের পরও বেশ কিছু পুর এলাকায় পিছিয়ে রয়েছেন। সূত্রের খবর এই নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন এই তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার তৃণমূল পর্যবেক্ষক শামিম আহমেদ বলেছেন, “ওয়ার্ড ভিত্তিক ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করার কাজ চলছে। যে ওয়ার্ডগুলোতে আমাদের প্রার্থী (Abhishek Banerjee) পিছিয়ে রয়েছেন, তার কারণ বিশ্লেষণ করে দেখা হবে। কেন সেখানকার মানুষ আমাদের ভোট দেননি, সেটাও দলীয়ভাবে খতিয়ে দেখে অবশ্যই আমরা তাঁদের কাছে খুব শীঘ্রই পৌঁছে যাব।”

    বিজেপির বক্তব্য

    আবার বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে ছাপ্পা ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন আগেই। তিনি বলেন, “ওই চারটে ওয়ার্ড ছাড়া বাকি ওয়ার্ডগুলোতে ভোট করতে দেয়নি তৃণমূলের গুন্ডারা। ২ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের কাউন্সিলর ছিলেন। আর এই চারটে ওয়ার্ডে ছাপ্পা মারতে পারেনি গুন্ডারা। আমাদের কমপক্ষে ১২টা ওয়ার্ডে লিড পাওয়ার কথা।”

    আরও পড়ুনঃ অয়নের মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য, বাঁকুড়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি

    কলকাতায় ৪২টি ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি

    ২০১৪ সাল থেকে টানা তিনবারের জন্য সাংসদ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ২০১৯ সালে তিনি ৩ লক্ষ ২০ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু এইবার ২০২৪ সালের ৪ জুন ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, মোট ভোট পেয়েছেন ১০ লক্ষ ৪৮ হাজার ২৩০টি ভোট। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩০০ ভোট। অভিষেকের জয়ের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৯৩০ ভোট। কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি ৪২ ওয়ার্ডে এগিয়ে। অপর দিকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, “গ্রাম বাংলায় যত ভোট পেয়েছে, শহরে তত ভোট পায়নি তৃণমূল। শহরের ভোট সুইং করে।”

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fake MD: ভুয়ো ‘এমডি’ কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র অখিল, দাবি উঠল শাস্তির

    Fake MD: ভুয়ো ‘এমডি’ কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র অখিল, দাবি উঠল শাস্তির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও নদিয়ার কল্যাণীর কলেজ অব মেডিসিন অ্যান্ড জেএনএম হাসপাতালে পিজিটি প্রথম বর্ষের ছাত্র শেখ মহম্মদ অখিল।  ভুয়ো ‘এমডি’ ডিগ্রি  (Fake MD) দেখিয়ে রোগী দেখায় অভিযুক্ত তিনি। প্রতারণায় অভিযুক্ত এই মেডিক্যাল ছাত্র বেশ কয়েক বছর ধরেই চণ্ডীতলার গ্রামে ডাক্তারি করতেন। তাঁর কয়েকটি চেম্বারও রয়েছে। তার মধ্যে একটি আবার তৈরি করে দিয়েছেন অখিলের বাবা। ‘এমডি’ না হওয়া সত্ত্বেও সাইনবোর্ডে এবং লিফলেটে ‘এমডি’ লিখে দিব্যি রোগী দেখতেন। কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজেরই আইনি পরামর্শদাতা তথা আইনজীবী অনিরুদ্ধ ঘোষ গত ৭ জুন চণ্ডীতলা থানায় অখিলের বিরুদ্ধে ভুয়ো ‘এমডি’ পরিচয় দিয়ে রোগী দেখার অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারপরই সমস্ত বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

    অখিল কী পাশ করেছে জানি না, বললেন দোকানের মালিক (Fake MD)

    হুগলির চণ্ডীতলার বেলতলা এলাকায় অখিলদের বাড়ি থেকে কিছু দূরে মশাট-জগৎবল্লভপুর সড়কের ধারে তাঁর বাবা শেখ নুর আলির মুদিখানার দোকান। এলাকাবাসী জানান, ছ’সাত মাস আগে সেই দোকানের মাঝ বরাবর ভাগ করে তিনি ছেলে অখিলের রোগী দেখার জন্য চেম্বার করে দেন। সেখানে চণ্ডীতলা, জাঙ্গিপাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগীরা দেখাতে আসতেন। এছাড়া গোপালপুর বাজারে একটি ওষুধের দোকানেও বসতেন অখিল। সেখানকার বোর্ডে অখিলের নামের পাশে জেনারেল মেডিসিন (Fake MD) বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁর পরিচয় উল্লেখ থাকতে দেখা গিয়েছে। তবে, ওই দোকানের মালিক দাবি করেন, “এখন আর অখিল বসে না। ও কী পাশ করেছে, তা- ও জানি না। এলাকার ছেলে হিসেবে ওকে এখানে বসতে দিতাম।”

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    অখিলের বাবা কী সাফাই দিলেন?

     অখিলের বাবা শেখ নুর আলি বলেন, “রাজনৈতিক কারণে আমার ছেলেকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিনা পয়সায় ও এলাকার রোগী দেখত।” অবশ্য ‘রাজনৈতিক কারণ’ বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। চণ্ডীতলা থানা জানিয়েছে, অখিলকে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৪ নম্বর ধারায় নোটিস দেওয়া হয়েছে। তবে, অখিলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  

     অখিলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের দাবি চিকিৎসক মহলে

    অখিল নদিয়ার কলেজ অব মেডিসিন অ্যান্ড জেএনএম হসপিটালে পিজিটি প্রথম বর্ষের ছাত্র (Fake MD)। তাঁর বিরুদ্ধে সেখানে নানা রকম বেনিয়ম, অন্যায় প্রভাব খাটানো, এমনকী প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের একাংশের বিরুদ্ধেও তাঁকে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-এর রাজ্য সভাপতি সুদীপ্ত রায়ের নাম করে হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সুদীপ্ত বলেন, “আমি অখিলকে চিনি। কিন্তু কেউ যদি ভুয়ো ডিগ্রি দেখিয়ে চিকিৎসা করে, তা হলে তার বিরুদ্ধে তো পদক্ষেপ করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।”

    সমাজমাধ্যমে নিন্দার ঝড়

    অখিলের ‘কীর্তি’ সামনে আসার পরে সমাজমাধ্যম থেকে শুরু করে চিকিৎসকদের বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কার্যত নিন্দার ঝড় উঠেছে। হেলথ্ সার্ভিস ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের নদিয়া জেলা কমিটির সম্পাদক সন্দীপ মিত্র বলেন, “এই ধরনের অপরাধের তীব্র নিন্দা করছি। এদের জন্য গোটা মেডিক্যাল শিক্ষা ব্যবস্থাটাই ভেঙে যেতে বসেছে। আমরা ওই ছাত্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share