Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে এবার ‘অটো-মার্সিডিজ’ লড়াই! উদ্ধব-শিন্ডে বাকযুদ্ধে সরগরম শিবাজির দেশ

Uddhav_shinde

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আস্থা ভোটে পরাজয়ের পর প্রথমবার মুখ খুললেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে (Eknath Shinde) চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন শিবসেনা (Shiv Sena) সুপ্রিমো। পাল্টা দিলেন শিণ্ডেও। উদ্ধব-শিন্ডের বাকযুদ্ধ ঘিরে ফের সরগরম মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) রাজ্য রাজনীতি।

এই প্রথম শিন্ডেকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করলেন বালাসাহেব-পুত্র। উদ্ধব বলেন, “অটোচালক খুব জোরে গাড়ি চালাচ্ছিল, কিন্তু ব্রেক ফেল করে গেছে।” পাল্টা কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন শিন্ডেও। বলেছেন, “এই অটোরিকশা গতিতে মার্সিডিজকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। তাই সমস্যা।” মঙ্গলবার শিবসেনা ভবনে মহিলা শাখার সঙ্গে একটি বৈঠক করেন উদ্ধব। সেই বৈঠকে নাম না করে শিন্ডে-সহ বিদ্রোহী বিধায়কদের বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করেন শিবসেনা-প্রধান। এর পর শিন্ডেকে আক্রমণ করে উদ্ধব বলেন, “যে অটোরিকশা চালাত সে এখন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার বিধানসভায় পরিষ্কার হয়ে গেছে যে কবে থেকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী ওঁকে থামতে বলছেন, কিন্তু ওঁর গাড়ির ব্রেক ফেল হয়ে গেছে। থামবে কী করে! আগে বিজেপি মহাবিকাশ আঘাড়ি সরকারকে তিন চাকার সরকার বলত। এখন তো অটোচালক সরকার চালাচ্ছে।”

[tw]


[/tw]

উদ্ধবের এই আক্রমণের প্রত্যুত্তর দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। শিন্ডে ট্যুইট করে লিখেছেন, “অটোর গতি এত বেশি ছিল যে মার্সিডিজকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। এটা আম আদমির সরকার।” উল্লেখ্য, উদ্ধব মার্সিডিজ গাড়ি করে যাতাযাত করেন। এদিন বিদ্রোহীদের উদ্দেশে উদ্ধব বলেন, “পিঠে ছুরি মেরেছে গদ্দাররা। যাঁদের দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তাঁরাই পিঠে ছুরি মেরেছে। এটা সবথেকে লজ্জার বিষয়।” পাশাপাশি এনসিপি ও কংগ্রেসের প্রশংসা করে উদ্ধব বলেন, “যাঁরা আমাদের বিরুদ্ধে ছিল ৩০ বছর ধরে, তাঁরাই এখন আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।”

আরও পড়ুন: বিধায়কদের পর এবার সেনা সাংসদের হুঁশিয়ারি উদ্ধবকে ! দ্রৌপদীকে সমর্থনের আর্জি

বিজেপিকে লক্ষ্য করে উদ্ধব বলেন, “ওঁদের প্ল্যান হল শিবসেনাকে ভাঙা নয়, পুরোপুরি শেষ করে দেওয়া। ওই দাড়িওয়ালাকে (শিন্ডে) সামনে রেখে এই নোংরা লড়াইটা খেলছে। কিন্তু সেও জানে না সে নিজেই ওঁদের কন্ট্রোলে। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে মাইক কেড়ে নিয়েছেন ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী। ভবিষ্যতে আর কী কী ওঁর থেকে কেড়ে নেওয়া হবে সেটা উনি জানেন না।” অন্যদিকে, শিন্ডের অভিযোগ, ” আমাদের বিধায়করা চাইলেও নিজের এলাকায় উন্নয়নের কাজ করতে পারেননি। জোট শরিকদের যেসব প্রার্থী সেখানে ছিলেন তাঁরাই উন্নয়নের গতিকে রুদ্ধ করেছেন। এনিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বার্তালাপ করেও কোনও ফল হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই ৪০-৫০ জন বিধায়ক বিরুদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share