Pakistan: পাকিস্তানে চার গির্জায় ভাঙচুর, পোড়ানো হল বাইবেলও, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন খ্রিস্টানরা

church_fire_f

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন হামলা হচ্ছিল হিন্দু মন্দিরে। এবার ভাঙচুর করা হল গির্জা। আল্লাহর নিন্দে করা হয়েছে এই অভিযোগ তুলে আজ, বুধবার ভাঙচুর করা হয়েছে গির্জায়। পাকিস্তানের (Pakistan) ফয়জলবাদের ঘটনা। এদিন ভাঙচুর চালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে চারটি গির্জা। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কয়েকজনের বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। পাক পঞ্জাব প্রদেশে বাইবেল পুড়িয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কয়েকজনকে মারধর করা হয়।

খ্রিস্টান যুবককে মৃত্যুদণ্ড 

প্রসঙ্গত, কোরানের অবমাননার অভিযোগে জুন মাসে পাক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল এক খ্রিস্টান যুবককে। ইমরান ভাট্টি নামে জারানওয়ালা তহশিলের এক প্যাস্টর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দুর্বৃত্তরা স্যালভেশন আর্মি চার্চ, ইউনাইটেড প্রেসবিটেরিয়ান চার্চ, অ্যালায়েড ফাউন্ডেশন চার্চ এবং শ্রেহুনওয়ালা চার্চ তছনছ করেছে। আল্লাহর নিন্দার অভিযোগ তুলে ভাঙচুর করা হয়েছে এক খ্রিস্টানের বাড়িও। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, শতাধিক মানুষের একটি দল লাঠি হাতে নির্মমভাবে ভাঙচুর চালাচ্ছে গির্জায়। পরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় গির্জায় থাকা জিনিসপত্রে (Pakistan)। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গির্জার আশপাশ। খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় যায় পুলিশ। সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় খ্রিস্টানদের।

বিশপের কাতর প্রার্থনা 

গির্জায় হামলার ছবি প্রকাশ করে ট্যুইট করেছেন স্থানীয় বিশপ আজাদ মার্শাল। তিনি লিখেছেন, “বিচারের জন্য ভিক্ষা চাইছি আমরা। সদ্যই স্বাধীনতা দিবস পালন করেছি। তারপরেও আমাদের নিরাপত্তার আশ্বাস নেই। আমাদের গির্জা ধ্বংস করে বাইবেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে কোরান অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ উঠেছে।”

পঞ্জাব পুলিশের (Pakistan) প্রধান উসমান আনোয়ার জানান, প্রতিবাদীদের সঙ্গে পুলিশ কথা বলেছে। পুলিশ এলাকা ঘিরে রেখেছে। যদিও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অভিযোগ, পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। কেবল ঠায় দাঁড়িয়ে দেখেছে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব।

আরও পড়ুুন: ভারতীয় অর্থনীতিকে দিশা দেখিয়েছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share