মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সেটাই সত্যি হল শনিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে। বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেল খেলা। পয়েন্ট ভাগ করে দেওয়া হল দুই দলের মধ্যে। এক পয়েন্ট করে পেল ভারত এবং পাকিস্তান। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই নেপালকে হারিয়ে দু’পয়েন্ট পেয়েছে। মোট তিন পয়েন্ট নিয়ে সুপার ফোরে চলে গেল পাকিস্তান। ভারত এক পয়েন্ট পেল তাতে নেপালের বিরুদ্ধে ৪ সেপ্টেম্বর জিততেই হবে রোহিতদের। তবেই সুপার ফোরে উঠতে পারবেন তাঁরা।
ব্যাটিংয়ে ভরাডুবি
ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে ভারতের ব্যাটিংয়ের চিরকালীন দুর্বলতা আবারও প্রকট হল। পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপ অভিযান করতে নেমে প্ৰথম ম্যাচেই ভারতের ভরাডুবি। পুরো ৫০ ওভার-ও ব্যাটিং করতে পারল না টিম ইন্ডিয়া। ৪৮.৫ ওভারে ২৬৬ রানে অলআউট ভারত। হাফসেঞ্চুরির মুখ দেখলেন ঈশান কিষান এবং হার্দিক পান্ডিয়া। বাকিরা সেই ব্যর্থ। বড় ম্যাচই নাকি চিনিয়ে দেয় কে বড় খেলোয়াড়। তাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে নজর থাকে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, বাবর আজমদের মতো ক্রিকেটারদের দিকে। কিন্তু শনিবার ক্যান্ডিতে রোহিত বা বিরাট নায়ক হতে পারলেন না। তরুণ ঈশান কিশন এবং হার্দিক পান্ডিয়া ভারতের হয়ে ইনিংস গড়ার কাজটি করলেন। ৪৮.৫ ওভার ব্যাট করে ভারত তুলল ২৬৬ রান।
আরও পড়ুন: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে
সাইনিং শাহিন
এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার মাটিতে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তান। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত। পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসারের বিরুদ্ধে ভারত অধিনায়ক বার বার ধাক্কা খেয়েছেন। তাই এই ম্যাচে কী হবে, সেই দিকে নজর ছিল। শনিবারের লড়াইয়ে আবার জিতলেন আফ্রিদি। পর পর দু’টি বল আউট সুইং করার পর একটি ইনসুইং করলেন। তাতেই শেষ রোহিত (১১)। প্রথম উইকেট হারায় ভারত। দলের রান তখন ১৫। রোহিত আউট হতেই ক্যান্ডির মাঠে নামতে দেখা গেল বিরাটকে। তাঁর মারা একটি কভার ড্রাইভ দেখে হাসি ফিরেছিল ভারতীয় সমর্থকদের মুখে। কিন্তু তা ছিল ক্ষণিকের জন্য। আফ্রিদি অফ স্টাম্পের বাইরে বল ভিতরে টেনে এনে আউট হলেন বিরাট। ব্যর্থ শুভমন, শ্রেয়সও। সেখান থেকেই ভারতকে ম্যাচে ফেরান ঈশান কিষান। ঋষভ পন্থ খেললে হয়ত যাঁর খেলাই হত না। কঠিন সময় থেকেই হাফসেঞ্চুরি করে দলকে ম্যাচে ফেরালেন তিনি। সেখান থেকে ভারত ম্যাচে ফেরে ঈশান-হার্দিক পান্ডিয়ার ১৩৮ রানের পার্টনারশিপে ভর করে। ঈশান কিষানকে শেষ পর্যন্ত ফেরান হ্যারিস রউফ। ৮১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে নয় বাউন্ডারি, জোড়া ওভার বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। হার্দিক পান্ডিয়া ৯০ বলে ৮৭ করেন। হ্যারিস রউফ এবং নাসিম শাহ তিনটে করে উইকেট নেন। শাহিন শাহ আফ্রিদি চার উইকেট দখল করেন।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply