Calcutta High Court: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

Untitled_design(821)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের ব্যানারে গত মঙ্গলবার নবান্ন অভিযান হয়। তারপরে রাতে পুলিশ গ্রেফতার করে সংগঠনের আহ্বায়ক সায়ন লাহিড়িকে (Sayan Lahiri)। এবার গ্রেফতার হওয়া ছাত্র নেতাকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ওই নির্দেশে বলা হয়েছে, আজ শনিবার দুপুর দুটোর মধ্যে ছাত্র নেতাকে ছাড়তে হবে। এর পাশাপাশি আদালতে নির্দেশ ছাড়া সায়ন লাহিড়ির বিরুদ্ধে কোনও রকমের পদক্ষেপও নেওয়া যাবে না। এই নির্দেশে উচ্ছ্বসিত শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘সম্মানীয় আদালতের হস্তক্ষেপে রাজ্যের যুবকদের প্রতিবাদের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা রোধ করা সম্ভব হয়েছে। আমি সায়ন লাহিড়ির মুক্তির নির্দেশকে স্বাগত জানাচ্ছি। অবৈধভাবে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই সময়টাকে যুবকদের জয় বলে পালিত করা হোক।’’ তিনি আরও লেখেন, ‘‘লড়াই চালিয়ে যাও, আওয়াজ ওঠাও।’’

বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে চলে শুনানি (Calcutta High Court)

ছাত্রনেতা সায়নের গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা হয়। এই মামলাটির শুনানি ছিল শুক্রবার, বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। সেখানে বিচারপতি সিনহা সায়ন লাহিড়িকে ছেড়ে দেওয়া নির্দেশ দেন। এর পাশাপাশি বিচারপতি আরও জানিয়েছেন যে আদালতের অনুমতি ছাড়া আগামী দিনে কোনও বড় পদক্ষেপ করা যাবে না সায়নের বিরুদ্ধে। শুধু নবান্ন অভিযান নয়, এর পাশাপাশি অন্য যেকোনও কিছুতে যদি এফআইআর থাকে সেক্ষেত্রে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। শুক্রবারে সায়নের গ্রেফতারি নিয়ে অনেক প্রশ্নই তোলে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট প্রশ্ন তোলে যে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি? বিচারপতি অমৃতা সিনহা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেন এদিন। তিনি জানান, আরজি কর ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই প্রতিবাদ কর্মসূচি হলে ওই ঘটনার জন্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ দায় এড়াতে পারেন না। তাঁকে কি হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে?

অনেক রাজনৈতিক নেতাও তো প্ররোচনামূলক ভাষণ দেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে

হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রশ্ন, সায়ন কোন রাজনৈতিক দলের নেতা? রাজ্য জানায়, তিনি ছাত্রনেতা। যা শুনে বিচারপতি সিংহের প্রশ্ন, ওই ছাত্রনেতাকে কী ভাবে এত প্রভাবশালী বলা হচ্ছে? তিনি কি এতই জনপ্রিয় যে ডাক দিলেন আর হাজার হাজার লোক জড়ো হয়ে গেল? তাঁর কী অতীত রয়েছে? সায়ন কি সক্রিয় রাজনীতিতে রয়েছেন? না কি গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল! পাল্টা বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘অনেক রাজনৈতিক নেতাও তো প্ররোচনামূলক ভাষণ দেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে? তা ছাড়া ওই ছাত্রনেতা সরাসরি নবান্ন অভিযানের অশান্তিতে জড়িত, এমন কোনও তথ্য নেই।’’ এ ছাড়া সায়নকে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল আদালত।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share