Author: ishika-banerjee

  • Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলাদেশে এক হিন্দুর রহস্যমৃত্যু (Bangladesh Hindu Attack)। কক্সবাজার সদর উপজেলার একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে তিন দিন ধরে নিখোঁজ এক মন্দির পরিচর্যাকারীর দেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের নজরে আসে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তির দেহ। মৃত ব্যক্তির নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি সাতকানিয়ার বাসিন্দা এবং খুরুশখুল ইউনিয়নের পুলিশশোরা ঘোনা নাগ পঞ্চমী মন্দিরে পরিচর্যাকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নয়নকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ।

    গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলল দেহ

    পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের পক্ষ থেকে বহু খোঁজাখুঁজির পর সোমবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নয়ন দাস নিখোঁজ বলে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দিরের সহকর্মীরা আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান। অবশেষে বুধবার প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্বদিকে একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নয়নের দেহ দেখতে পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দেহের গলায় একটি কাপড় পেঁচানো ছিল বলে জানা গিয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামিউদ্দিন জানিয়েছেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না এটি হত্যা না আত্মহত্যা। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”

    পরিবারের দাবি খুন

    মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, নয়নকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কক্সবাজার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনি ধর জানান, পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি নয়ন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, আত্মহত্যা নয়, নয়নকে খুনকরা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের শনাক্ত করতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এর আগে হাসিনা পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু নিধন যজ্ঞ চলেছে।

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৭ এপ্রিল, সোমবার পর্যন্ত কলকাতাতেই থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির একটি সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে যে যে রাজ্যেই বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে বিকাশ হয়েছে। এবার বাংলার পালা। বাংলায় পরিবর্তন (Assembly Election 2026) আনতে, ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়তে বদ্ধপরিকর বিজেপি। বঙ্গ জয়ের লক্ষ্যে এবার আর কোনও ফাঁক রাখতে নারাজ গেরুয়া শিবির। তাই ভোটের ময়দান ছেড়ে এখনই দিল্লি ফেরার কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। বিজেপি সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচারের শেষ দিন অর্থাৎ আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাতেই থাকছেন শাহ। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) যখন প্রথম দফার ভোট হবে, তখনও শাহ রাজ্যেই থাকবেন।

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিজেপির নিউ টাউনের দফতরে বৈঠক করেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন যে সব এলাকায়, সেখানকার জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ এবং প্রবাসী জেলা ইনচার্জদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। চারটি সাংগঠনিক জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতারা বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন, যার অধীনে রয়েছে ১৩টি সাংগঠনিক জেলা। এ ছাড়া শাহের সঙ্গে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল এবং অমিত মালব্য। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ বৈঠক শুরু করেন শাহ। বৈঠক শেষ হয় ১২টা ৫ নাগাদ।

    শাহের নজরে কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি

    পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল। সোমবার সেখানে প্রচারের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, ওই ১৩টি জেলায় যত বিধানসভা আসন রয়েছে, সেগুলির প্রতিটির বিষয়ে আলাদা আলাদা করে হিসেব নিয়েছেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি, কতটা সংখ্যালঘু ভোট, এসআইআর-পরবর্তী পরিস্থিতি কেমন, কোনটায় জেতার পরিস্থিতি রয়েছে, কোনটায় সে পরিস্থিতি নেই— সে সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে নেন শাহ। তাঁর নিজের কাছেও সে সংক্রান্ত রিপোর্ট রয়েছে। কিন্তু যাঁরা সরেজমিনে এলাকাগুলি সামলাচ্ছেন, তাঁদের উপলব্ধি জানেন বিজেপির চাণক্য।

    উত্তরবঙ্গ শেষ, এবার টার্গেট দক্ষিণ

    ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের প্রচার পর্ব সাঙ্গ করেছেন অমিত শাহ। এবার তাঁর পুরো নজর বাকি থাকা ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের ওপর। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (BJP South Bengal Strategy) পদ্ম শিবিরের জমি শক্ত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। দিল্লি থেকে মাঝপথে রাজ্যে ফিরে আসার পর থেকেই শাহ চষে বেড়াচ্ছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। কিন্তু সূত্রের খবর, আগামী কয়েকটা দিন তিনি মূলত দক্ষিণবঙ্গেই ফোকাস করতে চলেছেন তিনি। কেবল জনসভা বা রোড শো নয়, পর্দার আড়ালে সাংগঠনিক বৈঠকেও জোর দিচ্ছেন শাহ।

    বুধ সকালেও প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

    বুধবার সকালেও স্বস্তিতে নেই গেরুয়া শিবির। সকাল হতেই একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন অমিত শাহ। নির্বাচনের আগের এই শেষ মুহূর্তের টিপস প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কোন কেন্দ্রে কী সমস্যা, বা তৃণমূলের পাল্টা কী চাল দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। নিচুতলার কর্মীদের সক্রিয়তা এবং বুথ স্তরের সংগঠন নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন শাহ। বেশ কিছু কেন্দ্রে প্রবাসীদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে যাতে সমন্বয় সাধনে কোনও ত্রুটি না থাকে।

    বাংলার লড়াই-এর গুরুত্ব

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এভাবে টানা ১৫ দিন একটি রাজ্যে পড়ে থাকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এর থেকে স্পষ্ট যে, ২০২৬-এর বাংলার লড়াইকে (Assembly Election 2026) বিজেপি কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তার খাতিরেই বাংলায় পরিবর্তন দরকার। যেভাবে বাংলায় দুর্নীতি হয়েছে, সিন্ডিকেট রাজ সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে, অনুপ্রবেশ এত বেড়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্বই সঙ্কটে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সিল করে বাংলা ও দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বের করা দরকার। এর মুক্তি একটাই, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠন।

     বাংলায় পরিবর্তন আসবেই

    বুধবারও, পশ্চিমবঙ্গে ভোটপ্রচার (Assembly Election 2026) করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। আজ তাঁর জোড়া জনসভা রয়েছে। প্রথম সভা হুগলির সপ্তগ্রামে। তারপর উত্তর ২৪ পরগনার, হাবড়ায়। প্রসঙ্গত, ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নকে ঘিরে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শাহ ঘোষণা করেছিলেন, ভোটের প্রচারে নিজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে তিনি টানা ১৫ দিন বাংলায় থাকবেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, “এই নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তন আসবেই।” বাংলার মানুষের সামনে এক সুবর্ণ সুযোগ। এবার বিজেপি ক্ষমতায় এলে মেধার ভিত্তিতে প্রতি বছর এক লক্ষ যুবককে চাকরি দেওয়া হবে। বাংলায় শিল্প-হাব গড়ে তুলে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে, বলে জানান শাহ। বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে গেলে বিজেপি-ই একমাত্র পথ। সেই পথ প্রশস্ত করতেই আগামী সাতদিন বাংলায় থাকতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ।

     

  • Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    Pahalgam Terror Attack: ‘সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না ভারত’, পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তিতে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কখনওই কোনও ধরনের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নত করবে না। সন্ত্রাসবাদীদের জঘন্য পরিকল্পনা কখনওই সফল হবে না। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের হামলার নিহত পর্যটকদের স্মরণ করে বুধবার সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘‘গত বছর এই দিনে পহেলাগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় হারিয়ে যাওয়া নিরীহ প্রাণগুলিকে স্মরণ করছি। তাঁদের কখনওই ভোলা যাবে না। এই যন্ত্রণার সঙ্গে লড়াই করা শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির কথা ভাবছি, কী ভীষণ ক্ষতির সঙ্গে যুঝছেন তাঁরা।’’ বুধবার বৈসরণ উপত্যকার একাংশ-সহ জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হয়েছে। পহেলগাঁও সন্ত্রাসের পর থেকে সেগুলি বন্ধ ছিল।

    শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ

    নয় নয় করে এক বছর পার পহেলগাঁও হামলার। ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় ২৬ জন হিন্দু পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধেছিল, আড়াআড়ি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছিল আন্তর্জাতিক মহলও। এতদিন পরও সেই দিনটি স্মরণ করে শিউড়ে ওঠেন সকলে। সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে মোদি লিখেছেন, ‘‘একটি জাতি হিসেবে, আমরা শোক ও দৃঢ় সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ। ভারত কোনও রকমের সন্ত্রাসের সামনে মাথা নোয়াবে না। জঙ্গিদের চক্রান্ত সফল হবে না কখনও।’’ একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনরায় স্পষ্ট করেন।

    ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র খুলে দেওয়া হল

    অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁও শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সবুজ বিস্তীর্ণ তৃণভূমি বৈসরনে শুধু পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় চড়ে পৌঁছোনো যায়। যাকে ভালবেসে ভ্রমণপিপাসুরা ‘মিনি সুই‌ৎজারল্যান্ড’ বলে থাকেন। গত বছর ২২ এপ্রিল সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে উপত্যকার প্রায় ৫০টির বেশি পর্যটনস্থল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৬ সালের মার্চে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে টিউলিপ বাগান-সহ ১২টি পর্যটনস্থল খুলে দেওয়া হয়েছিল। বুধবার আরও ৩৯টি পর্যটনক্ষেত্র উন্মুক্ত করা হল ভ্রমণার্থীদের জন্য। পহেলগাঁও থেকে বৈসরণ উপত্যকাগামী হাঁটাপথে বুধবার কিছু পর্যটক গিয়েছিলেন। তাঁদের সুরক্ষার জন্য গোটা এলাকা জুড়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করেছিল কেন্দ্রীয় আধাসেনা। চিহ্নিত এলাকার বাইরে পর্যটকদের যাওয়ার উপর ছিল কড়া বিধিনিষেধ।

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতীয় সেনার

    পহেলগাঁও হামলা এবং পরবর্তী সিঁদুর অভিযানকে স্মরণ করে মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিল ভারতীয় সেনা। সেনার পোস্টে প্রতিবেশী দেশকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়— কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। তার পরিণতি হয় ভয়ানক। পহেলগাঁওয়ের বর্ষপূর্তিতে পাকিস্তানের নাম না করেই সেনার তরফে দেওয়া হয় কঠোর বার্তা। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে একটি কার্ড পোস্ট করেছে ভারতীয় সেনা। সেখানে লেখা হয়েছে— “কিছু সীমা লঙ্ঘন করা উচিত নয়।” তার ঠিক নিচেই লেখা, “ভারত কখনও ভুলবে না।” এইসঙ্গে পোস্টের ক্য়াপশানে লেখা হয়েছে— “যখন মানবতার সীমা লঙ্ঘন করা হয়, তার পরিণতি হয় ভয়ানক। তাই কিছু সীমা কখনওই লঙ্ঘন করা উচিত নয়। বিচার অবশ্যই পাওয়া যায়। ভারত ঐক্যবদ্ধ।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক

    পহেলগাঁও হামলায় নিহতদের স্মরণে লিডার নদীর তীরে কালো মার্বেল দিয়ে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। সেই স্মৃতিসৌধে হামলায় নিহতদের নাম খোদাই করা রয়েছে। বুধবার স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য সভার আয়োজন করা হয়। পর্যটকরাও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেখানে। হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে সর্বত্র। লিডার নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্মৃতিস্তম্ভ আজ দেশের কাছে এক বেদনাদায়ক স্মৃতি এবং একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক।

    ভারতীয় সেনার হামলায় বিপর্যস্ত জঙ্গিরা

    ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা হামলা চালায়। ধর্ম জিজ্ঞেস করে করে পর্যটকদের খুন করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে। এই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ২৫ জন পর্যটক। একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী টাট্টুঘোড়াওলা। এই হামলার জবাবে সিঁদুর অভিযানে চালায় ভারতীয় সেনা। পাক ভূখণ্ডে ঢুকে জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর পরেই ভারত-পাক যুদ্ধ শুরু হয়। এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।

    অপারেশন মহাদেব

    হামলার পর ভারতীয় সেনা শুরু করে ‘অপারেশন মহাদেব’। দাচিগাম ও মহাদেব রিজ সংলগ্ন দুর্গম পার্বত্য এলাকায় টানা ৯৩ দিন ধরে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা খতিয়ে দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত হামলার মূল তিন জঙ্গিকে খতম করতে সক্ষম হয় সেনা। ভারতীয় সেনা জানায়, “ভারতের বিরুদ্ধে যে কোনও হামলার জবাব নিশ্চিত। ন্যায়বিচার হবেই।” পহেলগাঁও হামলার পর ‘অপারেশন মহাদেব’ ও ‘অপারেশন সিঁদুর’—দুটি পদক্ষেপই দেখিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের কৌশল স্পষ্ট, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, নিখুঁত আঘাত এবং কোনওরকম আপস নয়। ভারত সরকার ও সেনার বার্তা স্পষ্ট,“ভারত ঐক্যবদ্ধ, মানবতার সীমা লঙ্ঘিত হলে জবাব হবে নির্ণায়ক।”

  • Weather Update: ঘামছে কলকাতা, পশ্চিমে তাপপ্রবাহ, উত্তরে বৃষ্টি! ভোটের দিন ছয় জেলায় তীব্র গরমের সতর্কতা

    Weather Update: ঘামছে কলকাতা, পশ্চিমে তাপপ্রবাহ, উত্তরে বৃষ্টি! ভোটের দিন ছয় জেলায় তীব্র গরমের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ক্রমশ বাড়ছে গরম। হাওয়া অফিসের বুলেটিন বলছে, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহ ও অস্বস্তিকর গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে এবং বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে গরম ও আর্দ্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। চলতি মরসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ হয়েছে আসানসোলে। মঙ্গলবার সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে মঙ্গলবার রাজ‍্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল পানাগড়ে— ৪৩.৮ ডিগ্রি। বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা ছিল ৪৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    ভোটের দিন গরম হাওয়া

    বৃহস্পতিবার, প্রথম দফার ভোট রয়েছে যে ১৬টি জেলায়, তার মধ্যে ছ’টিতেই গরমের জন্য রয়েছে হলুদ সতর্কতা। অর্থাৎ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে বেশ বেগ পেতে হতে পারে ভোটারদের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ প্রার্থীরা সে জন্য বার বারই সকালে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার কলকাতার আলিপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দমদমে ছিল ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গে আসানসোল, বাঁকুড়া, পানাগড় ছাড়াও শ্রীনিকেতন, সিউড়ি, পুরুলিয়ায় দিনের তাপমাত্রা ছাড়িয়েছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। শ্রীনিকেতনে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সিউড়িতে ৪২.২ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনের তাপমাত্রা। ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে দিনের তাপমাত্রা ছিল ডায়মন্ড হারবার, দিঘা, কাঁথি, হলদিয়া, সাগরদ্বীপ, বসিরহাট। দক্ষিণবঙ্গের বাকি সব জেলায় মঙ্গলবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বুধবারও দক্ষিণের জেলায় গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে।

    কলকাতায় তাপমাত্রা

    আগামী সাত দিন রাজ্যে তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলির কিছু অংশে আগামী সাত দিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। প্রথম দফার ভোট রয়েছে সেখানেই। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব এবং উপকূলীয় জেলাগুলির কিছু অংশে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। উপকূলীয় জেলাগুলিতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৮০ থেকে ৯৫ শতাংশ। রাজ্যের মধ্যভাগের জেলাগুলিতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ। ফলে ভ্যাপসা গরম ভোগাবে। আজ বুধবার কলকাতায় দিনের আকাশ আংশিক মেঘলা। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৬ডিগ্রী এবং ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা

    প্রথম দফায় ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের সব জেলায়। সেখানে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানে রয়েছে সতর্কতা। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার, ভোটের দিন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া।

  • Assembly Elections 2026: ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা প্রকাশ করল কমিশন! কতজন প্রথম দফায় ভোট দেবেন?

    Assembly Elections 2026: ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা প্রকাশ করল কমিশন! কতজন প্রথম দফায় ভোট দেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন (Assembly Elections 2026)। নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের মধ্যে যাঁরা ‘পাশ’ করলেন, তাঁরা প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবেন। ২২ এপ্রিল ভোর রাতে প্রকাশ করা হয় ট্রাইবুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা নামের সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট। ভোটাররা এপিক নম্বর দিয়ে জানতে পারবেন, তাঁদের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে কি না। কী দেখে বোঝা যাবে নাম ‘অ্যাডজুডিকেশনে’ আছে, তালিকায় তাও স্পষ্ট করেছে কমিশন। যে বুথগুলিতে কোনও নামের নিষ্পত্তি নেই সেখানে ক্লিক করলেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই বুথে ট্রাইবুনালের মাধ্যমে কোনও নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা নেই। যোগ হওয়া নতুন নাম ও ডিলিটেড বা বাদ যাওয়া নাম দুটি তালিকাই প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বলছে, মাত্র ১৩৬ জনকে ট্রাইবুনালে পাশ হয়ে প্রথম দফায় ভোট দেওয়ার অধিকার পেলেন। আবার ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের মধ্যে ২ জন ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছেন।

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই কাজ

    রাজনৈতিক দলগুলি আজ (বুধবার) সাপ্লিমেন্টারি তালিকা পেয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২টি আসনে নির্বাচন। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইবুনাল যত জনের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাঁদের নাম বাদ যাবে না, তাঁরা প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম। বিবেচনাধীনের তালিকায় থাকা যে ভোটারদের নাম বিচারকদের নির্দেশে ভোটার তালিকায় ওঠেনি, তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করেন। সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ১৪২ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্দেশ দিয়েছিল, ট্রাইবুনাল ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যাঁদের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তাঁরা প্রথম দফায় ভোট দিতে পারবেন। আর ২৭ এপ্রিল ট্রাইবুনাল যাঁদের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তাঁরা ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট দিতে পারবেন।

    কোথআয় দেখা যাবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা

    অনলাইনে একাধিক ওয়েবসাইটে দেখা যাবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। ceowestbengal.wb.gov.in – এই ওয়েবসাইটে দেখা যাবে এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। এ ছাড়াও আপনার ফোনে থাক ECI Net অ্যাপের মাধ্যমেও আপনি এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা দেখতে পাবেন। তবে ট্রাইবুনালে কতজনের নাম যোগ হয়েছে, কতজনের নাম বাদ গিয়েছে তা এখনও পর্যন্ত জানায়নি কমিশন। যাবতীয় পরে জানানো হবে বলে, কমিশন সূত্রে খবর।

  • Assembly Election 2026: সিঙ্গেল বেঞ্চের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত, ভোটের কাজ থেকে ছাড় পাচ্ছেন না অধ্যাপকরা

    Assembly Election 2026: সিঙ্গেল বেঞ্চের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত, ভোটের কাজ থেকে ছাড় পাচ্ছেন না অধ্যাপকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) আগে বড় স্বস্তি পেল কমিশন (Election Commission)। কলেজ শিক্ষক বা অধ্যাপকদের ভোটের কাজে নিয়োগে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ, তা স্থগিত করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় গুপ্তর বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, আপাতত অধ্যাপকদের ভোটের দায়িত্ব পালনে আর কোনও আইনি বাধা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভোটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রক্রিয়ায় সরকারি কর্মীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। অধ্যাপকরা যেহেতু সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য, তাই নির্বাচনী কাজে তাঁদের নিয়োগে আপত্তির কারণ দেখেনি আদালত। এমনকি মামলাকারীদের একাংশ ইতিমধ্যেই কমিশনের নির্দেশ মেনে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন—এটিও আদালতের নজরে এসেছে।

    কেন সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ স্থগিত

    ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ স্থগিত করার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ তুলে ধরে। আদালতের (Calcutta High Court) মতে, মামলার হলফনামায় একাধিক ত্রুটি ছিল এবং অভিযোগগুলিও যথেষ্ট যুক্তিসম্পন্ন নয়। বিশেষ করে সেক্টর অফিসার ও পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল, তা খারিজ করে দিয়েছে বেঞ্চ। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব আলাদা এবং গুরুত্বপূর্ণ। সেক্টর অফিসার বা অবজার্ভারদের ভূমিকা প্রশাসনিক, তাঁদের কোনও সরাসরি কর্তৃত্ব প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর নেই। তবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়েও কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। ঠিক কতজন শিক্ষক প্রয়োজন, তার নির্ভুল হিসেব কমিশন দিতে পারেনি বলে মন্তব্য করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে ২০২৩ সালের কমিশনের বিজ্ঞপ্তিকেই মান্যতা দেওয়া হয়েছে।

    স্থিতাবস্থা বজায় রাখার উপরই জোর

    শেষে আদালত সতর্ক করে দিয়েছে—ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এই সময় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের হস্তক্ষেপ করলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই স্থিতাবস্থা বজায় রাখার উপরই জোর দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, কয়েকজন অধ্যাপক মামলা করলেও তাঁদের একাংশ কমিশনের নির্দেশ মতো কাজ শুরু করে দিয়েছেন। গ্রুপ এ অফিসারদের আগাম যুক্তিযুক্ত কারণ না দেখিয়ে যেমন বুথে দায়িত্ব দেওয়া যায় না, তেমনই ভোটের কাজে তাঁদের কমিশনের কতটা প্রয়োজন সেটাও উপলব্ধি করতে হবে। তাঁদের যদি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয় সেটাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

  • Assembly Election 2026: কমিশনের নির্দেশে ফাঁকা দিঘা! ভোটের আগে পর্যটকহীন রাজ্যের সমুদ্রসৈকতগুলি

    Assembly Election 2026: কমিশনের নির্দেশে ফাঁকা দিঘা! ভোটের আগে পর্যটকহীন রাজ্যের সমুদ্রসৈকতগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফা ভোট গ্রহণের আগে নির্বাচন কমিশনের (Assembly Election 2026) কড়া নির্দেশে বাংলার জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলো কার্যত পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে দিঘা, মন্দারমণি এবং তাজপুর থেকে পর্যটকদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের দাবি, পূর্ব মেদিনীপুরের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যই এই সাবধানতা। অতীতে দেখা গিয়েছে, অনেক সময় পর্যটকের ছদ্মবেশে রাজনৈতিক আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সীমান্তবর্তী বা উপকূলীয় এলাকার হোটেলগুলোতে গা ঢাকা দেয় এবং ভোটের দিন গোলমাল পাকায়। সেই সম্ভাবনাকে সমূলে বিনাশ করতেই কমিশন এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

    দীঘা-মন্দারমণি ছাড়ার নির্দেশ

    মঙ্গলবার সকাল থেকেই দিঘা এবং মন্দারমণির সৈকত সরণিতে পর্যটকদের আনন্দের বদলে বিষণ্ণতা আর উৎকণ্ঠার ছায়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) প্রথম দফার ভোট শুরু হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। এই স্পর্শকাতর সময়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি রুখতে এবং বহিরাগতদের মাধ্যমে নির্বাচনে কোনও প্রকার প্রভাব বিস্তার বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশন (ECI) এক কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু করে আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, শংকরপুর এবং উদয়পুর পর্যটন কেন্দ্রে কোনও বহিরাগত বা ভিন জেলার বাসিন্দা হোটেলে থাকতে পারবেন না। যারা আগে থেকেই এসে পৌঁছেছিলেন, তাঁদের মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে হোটেল ছেড়ে নিজের গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নিরাপত্তার খাতিরেই এই ‘লকডাউন’

    মূলত পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে এই পর্যটন ক্ষেত্রগুলো পড়ে। বৃহস্পতিবার এই জেলাসহ রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। নিরাপত্তার খাতিরেই কমিশন এই ‘লকডাউন’ সদৃশ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সোমবার রাত থেকেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিঘার প্রতিটি হোটেল ও লজে নোটিশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে উপকূলবর্তী এলাকায় পুলিশের পক্ষ থেকে লাগাতার মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হয়। নির্ধারিত সময়ের পর কোনও পর্যটক হোটেলে থাকলে হোটেল মালিক এবং পর্যটক উভয়ের বিরুদ্ধেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২০২৩ সালের ২২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন পর্যটক এবং হোটেল ব্যবসায়ীরা। চৈত্র-বৈশাখ মাসের গরমে যখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় থাকার কথা, তখন সমুদ্র সৈকতগুলো এখন কার্যত জনশূন্য।

  • Amit Shah in Kurseong: গোর্খা সমস্যা সমাধান, চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, কার্শিয়াং-এর সভা থেকে উত্তরবঙ্গবাসীকে একগুচ্ছ আশ্বাস শাহের

    Amit Shah in Kurseong: গোর্খা সমস্যা সমাধান, চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, কার্শিয়াং-এর সভা থেকে উত্তরবঙ্গবাসীকে একগুচ্ছ আশ্বাস শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফা নির্বাচনের আগে মঙ্গলবার শেষলগ্নের ভোটপ্রচারে কার্শিয়াং থেকে রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Kurseong)। দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূল সরকারকে তোপ দাগেন শাহ। পাশাপাশি পাহাড়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে ৬ মাসের মধ্যে গোর্খা সমস্যার সমাধান, জিটিএ-র দুর্নীতি দূর-সহ গোর্খাদেরও একাধিক আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ এটাও জানান যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার কারণে তিনি গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

    গোর্খা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস

    বিজেপি ছাড়া আর কেউ গোর্খা সমস্যার সমাধান করতে পারবে না বলে জানান শাহ। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বুঝি। আপনাদের সমস্যাও বুঝি। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরই, ৬ মে প্রত্যেক গোর্খার মু‌খে সন্তুষ্টির হাসি থাকবে। আমরা এমন সমাধান বের করব। কংগ্রেস, তৃণমূল এরা সকলে দার্জিলিঙের সঙ্গে, আমার দেশভক্ত গোর্খা ভাইয়ের সঙ্গে অন্যায় করেছে। আমি ৯ বছর ধরে এখানে আসছি। আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি, বিজেপির সরকার গঠিত হলেই এত দিন ধরে ঝুলে থাকা গোর্খা সমস্যার সমাধান করে যাব। গোর্খাদের মতো করেই সমাধান করব। ৪ মে ফলঘোষণা হবে। ৫ মে সরকার গঠন হবে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সকল গোর্খা ভাইয়ের উপর থেকে সব মামলা প্রত্যাহার করে নেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সকলের উপর মামলা করে গোর্খা আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা হয়েছে। এই সব মামলা বিজেপির সরকার প্রত্যাহার করবে।”

    মমতাদিদিকে টাটা বাই বাই

    উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে শাহ বলেন, “আপনারা এক বার বিজেপির সরকার গঠন করে দিন। তিনটি নির্বাচন ধরে দার্জিলিং তো পদ্মফুলে ভোট দিচ্ছেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বাকি অংশ থেকে তেমন সমর্থন আসত না। এবার আমি পশ্চিমবঙ্গ ঘুরতে ঘুরতে আজ শেষ দিনে পাহাড়ে এসেছি। আমি আপনাদের বলছি, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। আমাদের উপর অত্যাচার করা মমতাদিদিকে টাটা বাই বাই করার সময় হয়ে গিয়েছে।”

    জিটিএ দুর্নীতি ও গোর্খা সেন্টিমেন্ট

    জিটিএ-র দুর্নীতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শাহ বলেন,“জিটিএ-তে চলা সমস্ত দুর্নীতির তদন্ত হবে। সুভাষ ঘিসিঙের সঙ্গে কংগ্রেস, তৃণমূল এবং কমিউনিস্টরা অন্যায় করেছে। একমাত্র বিজেপিই গোর্খাদের সমস্যার প্রকৃত সমাধান করতে পারে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা ভাইদের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হবে।” শাহ বলেন, “গোর্খাদের একটি মহান ইতিহাস রয়েছে। মমতা দিদি গোর্খাদের ইতিহাসকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছেন। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য ছ’বছরে তিন বার বৈঠক ডেকেছি। একবারও মমতার প্রতিনিধি আসেননি। মমতাদিদি, আমরা গোর্খাদের সমস্যার সমাধানের জন্য আপনার উপর নির্ভরশীল নই। এখন গোর্খাদের উপর অন্যায় বন্ধ করার সময় শুরু হচ্ছে।” বন্ধ চা বাগান নিয়েও আশ্বাস দেন তিনি।

    এসআইআর-এ নাম বাদ পড়া গোর্খাদের বার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মমতাদিদির কালেক্টর কয়েক জন গোর্খারও নাম কেটেছে। কোনও ব্যাপার না, আসন আমরাই পাব। ভোট শেষ হওয়ার পর বেছে বেছে প্রত্যেক গোর্খাকে আবার ভোটার তালিকায় জুড়বে বিজেপি।” অনুপ্রবেশ নিয়ে তাঁর গর্জন, “উত্তরবঙ্গ থেকে খুঁজে খুঁজে অনুপ্রবেশকারীদের বের করব। আপনারাই বলুন, বাংলাদেশিদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়? রোহিঙ্গাদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়? অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়?”

    মা-বোনেদের সুরক্ষিত করার ভোট

    নারী সুরক্ষা ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধে শাহ বলেন, “এটা আমাদের দুই প্রার্থীকে বিধায়ক করার ভোট নয়। এটা দার্জিলিঙের পাহাড় থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত আমাদের মা-বোনেদের সুরক্ষিত করার ভোট। মমতার রাজত্বে অনেক মা-বোনের উপর অত্যাচার হয়েছে। সন্দেশখালির ঘটনা গোটা পশ্চিমবঙ্গকে লজ্জিত করেছে। মাটিগাড়ার নির্দোষ বালিকাকে অত্যাচার, বাগডোগরার কাছে চা বাগানে আদিবাসী মহিলার সঙ্গে অত্যাচার, দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজ, সাউথ ক্যালকাটা ’ল কলেজ, আরজি করের ধর্ষণ— প্রত্যেক ধর্ষককে বেছে বেছে জেলে ঢোকাবে বিজেপি।”

    প্রসঙ্গ উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন

    এদিনের সভা থেকে উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য একগুচ্ছ ‘মেগা’ প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “উত্তরবঙ্গের জন্য মমতা সরকারের বাজেট ২,০০০ কোটি। আর মুসলিম সম্প্রদায় এবং মাদ্রাসার জন্য মমতা সরকারের বাজেট ৫,৮০০ কোটি টাকা। পুরো পাহাড়, সকল গোর্খা-আদিবাসী, গোটা উত্তরবঙ্গের জন্য ২,০০০ কোটি টাকা। আর মুসলিমদের জন্য ৫,৮০০ কোটি টাকা। ভাই-বোনেরা এই অন্যায় আর বেশিদিন চলবে না।” শাহ বলেন, “৯টির মধ্যে তিনটি বন্দেভারত ট্রেন আমরা উত্তরবঙ্গ দিয়ে চালিয়েছি। ১২,০০০ কোটি টাকার সেবক-রংপো রেললাইন প্রকল্প প্রায় শেষের মুখে। নিউ জলপাইগুড়ি রেলস্টেশনেরও বিকাশ হচ্ছে। গোর্খা ভাইদের শিলিগুড়ি থেকে বারাণসী পর্যন্ত বুলেট ট্রেনে করে কাশী-বিশ্বনাথে পৌঁছোনোর ব্যবস্থাও করছি।”

    দার্জিলিঙের জন্য বিকল্প মহাসড়ক

    শাহ বলেন, “দার্জিলিঙের জন্য একটি বিকল্প মহাসড়ক তৈরির কাজও করছে মোদি সরকার। বাগডোগরা বিমানবন্দর ৩০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে বানানো হচ্ছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাগডোগরা ভারতের সপ্তম বৃহত্তম বিমানবন্দর হয়ে যাবে। সেই মতো কাজ চালাচ্ছি আমরা। দার্জিলিংকে আমরা ভারতের ইকো অ্যাডভেঞ্চার এবং হেরিটেজ টুরিজিমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলব। ”

    চা বাগানের শ্রমিকদের আশ্বাস

    উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি সরকার গঠিত হলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এমস তৈরি হবে। ৫০০ শয্যার ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। আইআইটি, আইআইএম তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। গোর্খা তরুণদের জন্য ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়ও তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয়ও তৈরি হবে। উত্তরবঙ্গে চারটি নতুন শিল্পশহর তৈরি করব আমরা। চা বাগানে স্কুল তৈরি করব। চা বাগানের শ্রমিকদের নিজেদের জমির মালিক করা হবে, জমির পাট্টা দেওয়া হবে। দু’বছরের মধ্যে চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি (দৈনিক) ৫০০ টাকার চেয়ে বেশি করে দেব।” শাহ বলেন, “মমতা দিদি গুজব ছড়াচ্ছেন। এখন যে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে, সেগুলো নাকি বিজেপি বন্ধ করে দেবে। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, জনকল্যাণমূলক একটি প্রকল্পও বন্ধ হবে না।” তাঁর দাবি, বর্তমান জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির সঙ্গে নতুন প্রকল্পও চালু হবে।

  • Nusrat Jahan: বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় অভিনেত্রী নুসরতকে তলব ইডির, কবে হাজিরা?

    Nusrat Jahan: বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় অভিনেত্রী নুসরতকে তলব ইডির, কবে হাজিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগে রেশন দুর্নীতি মামলায় এবার নায়িকা নুসরত জাহানকে (Nushrat Jahan) তলব করল ইডি। ২২ এপ্রিল সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করার হয়েছে নায়িকাকে। বাংলাদেশে গম পাঠানো ঘিরে যে দুর্নীতি, সেই সময়ে বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নায়িকা। তব, এবার আর নির্বাচনে লড়ছেন না অভিনেত্রী। নুসরত ঘনিষ্ঠদের সূত্রে খবর, ইডি-র ডাকে সাড়া দেবেন অভিনেত্রী। কিন্তু তিনি কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে নয়, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার সদর দফতরে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

    কেন নোটিস পাঠানো হল

    করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগে বেশ কিছু ট্রাক আটক হয়েছিল সীমান্ত এলাকায়। সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরত (Nushrat Jahan)। ইডি-র একটি সূত্রে খবর, রেশনের গম পাচারের ঘটনার তদন্তে নেমে বেশ কিছু নাম পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশে গম পাচার নিয়ে নুসরতকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তারা। নুসরত জাহানকে ২২ এপ্রিল কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তবে ইডি দফতর সূত্রে খবর, নুসরত কলকাতার দফতরে যেতে অনিচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সেই সময়ে তিনি দিল্লিতে থাকবেন। তাই নির্দিষ্ট দিনে যদি তাঁকে দিল্লির দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে ভাল হয়। তবে নুসরতের এই আর্জি মানা হয়নি ইডির তরফে। জানানো হয়েছে, এই মামলা কলকাতার। তদন্তকারী অফিসার ও থাকবেন কলকাতাতেই। ফলে নুসরতকে কলকাতাতেই হাজিরা দিতে হবে। ২২ এপ্রিল কলকাতার ইডি দফতরেই হাজির দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নুসরতকে।

    আগেও নুসরতকে জেরা

    এর আগে ফ্ল্যাট-প্রতারণা মামলায় নুসরতকে (Nushrat Jahan) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। ২০২৩ সালে বসিরহাটের তৎকালীন তৃণমূল সাংসদকে প্রায় ৬ ঘণ্টা সিজিও কমপ্লেক্সে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন তদন্তকারীরা। সাংসদ-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট-প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। ইডির কাছে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, ২০১৪-১৫ সালে ৪০০-র বেশি প্রবীণ নাগরিকের থেকে সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা করে নিয়েছিল একটি সংস্থা। তাঁদের এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের কেউ-ই ফ্ল্যাট পাননি। টাকাও ফেরত পাননি। ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরত।

LinkedIn
Share