Author: ishika-banerjee

  • FIFA World up 2026: জোড়া গোল রেকর্ড এমবাপের, বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় দুরন্ত ফ্রান্স! জয় পেল নরওয়ে, মেক্সিকো

    FIFA World up 2026: জোড়া গোল রেকর্ড এমবাপের, বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় দুরন্ত ফ্রান্স! জয় পেল নরওয়ে, মেক্সিকো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের নিখুঁত টোটাল ফুটবলের (FIFA World up 2026) সামনে দাঁড়াতে পারল না সুইডেন। এমবাপে, বার্কোলাদের গতি ও স্কিলের সামনে রীতিমতো নাকানিচোবানি খেল সুইডিশরা। যার ফল মিলল খেলার শেষেই। সুইডেনের বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানে জিতে টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোয় জায়গা পাকা করে নিল দিদিয়ের দেঁশর ছেলেরা। ম্যাচে জোড়া গোল করলেন এমবাপে, একটি গোল করলেন বার্কোলা। শেষ ১৬-তে তাদের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। ৫ জুলাই রবিবার রাত আড়াইটের সময়ে মুখোমুখি হবে দুই দল। অন্যদিকে, ১৯৯৮ সালের পর প্রথম বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছোল নরওয়ে। আর্লিং হালান্ড, মার্টিন ওদেগার্ডদের দাপটে আইভোরি কোস্টের বিরুদ্ধে ২-১ গেলো জয় পেল নরওয়ে। পরের ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল। রাউন্ড অফ ৩২-এর অপর ম্যাচে মেক্সিকো-ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে দেয়।

    ফ্রান্সের রেকর্ড

    ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল ফ্রান্সের। এ বার তারা ট্রফির জয়ের জন্য দুর্দান্ত ছন্দে ছুটে চলেছে। রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে সুইডেনকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শুধু শেষ ষোলোয় ওঠাই নয়, বিশ্বকাপের ইতিহাসেও নতুন এক নজির গড়েছে গতবারের রানার্স আপরা। নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জোড়া গোল করেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে, আর একটি গোল যোগ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা পাঁচটি ম্যাচে অন্তত তিনটি করে গোল করার কীর্তি গড়েছে ফ্রান্স। ২০২২ সালের ফাইনালে আর্জেন্তিনার বিপক্ষে তিন গোল করার পর চলতি বিশ্বকাপে সেনেগাল, ইরাক ও নরওয়ের বিপক্ষেও তিন বা তার বেশি গোল করে তারা। সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকল সুইডেনের বিপক্ষেও।

    বেগ পেতে হবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাকেও

    নকআউট পর্বের ফ্রান্স আলাদা। যে কোনও দলকে হারাতে পারে। বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার দিদিয়ের দেশঁর দলকে হারাতে হলে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাকেও নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে। লিয়োনেল মেসি বা ভিনিসিয়াস জুনিয়র একা এই ফ্রান্সকে রুখতে পারবেন না। নিখুঁত, তীক্ষ্ণ, দ্রুত, পরিকল্পিত ফুটবল খেলল ফ্রান্স। দেশঁ যেন কম্পিউটার পোগ্রামিং করে দল নামিয়ে ছিলেন। রক্ষণ, মাঝমাঠ এবং আক্রমণ— ফুটবলের তিন বিভাগেই নিখুঁত ছিল ফ্রান্স। মাঠের সব প্রান্তে দৌড়ে বেড়িয়েছেন ফরাসি ফুটবলারেরা। নিজেদের মধ্যে ছোট-বড় নিখুঁত পাস খেলেছেন। প্রতিপক্ষকে ধোঁকা দিতে নিজেদের মধ্যে জায়গা বদল করেছেন। পায়ে অযথা বল রাখেননি। সবচেয়ে ভাল জায়গায় থাকা সতীর্থকে মুহূর্তে খুঁজে নিয়েছেন। সেরা ফুটবল খেলার জন্য যা যা করা দরকার সব করেছেন।

    জোড়া গোল এম বাপের

    ফ্রান্সের প্রথম গোল সেটপিসের ফসল। ছোট কর্নারের পর দেম্বেলের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের মধ্যে সুইডেনের দু’জন ফুটবলারকে কাটিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপে। প্রথমার্ধথে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা ফ্রান্সকে দ্বিতীয়ার্ধে আরও বিপজ্জনক দেখিয়েছে। ৫৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় ফ্রান্স। ওলিসের পাস থেকে গোল করেন ব্র্যাডলি বার্কোলা। তাঁর দুরন্ত ফিনিশিংও মনে রাখার মতো। ৭৪ মিনিটে ফ্রান্সকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এমবাপে। এই গোলেও ওলিসের অবদান। তাঁর ডিফেন্স চেরা পাস থেকে গোল না করে উপায় ছিল না এমবাপের! ছ’নম্বর গোল করে এ বারের বিশ্বকাপে সোনার বুটের দৌড়ে ছুঁয়ে ফেললেন মেসিকে। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে তাঁর গোল সংখ্যা হল ১৮। শুধু নকআউটেই রেকর্ড ১০টি।

    নজির ওলিসের

    দিনটা ছিল আসলে ওলিসের। তিনিই সুইডেনকে সবচেয়ে বিব্রত করেন। খেলা তৈরি করলেন, গোলের ঠিকানা লেখা পাস বাড়ালেন, নিজে একাধিক দুরন্ত শট মারলেন। কিন্তু গোল পেলেন না। তবে নজির গড়লেন তিনি। এ বারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত পাঁচটি গোল করালেন সতীর্থদের দিয়ে। যা সর্বোচ্চ। ওলিসেই হলেন দেশঁর দলের ব্যান্ড মাস্টার। সম্ভবত জীবনের সেরা ফর্মে রয়েছেন তিনি।

    দাপট দেখিয়েই ব্রাজিলের সামনে নরওয়ে

    এদিন ম্যাচের প্রথম থেকেই দাপট ছিল নরওয়ের। একের পর আক্রম‌ণ তৈরি করেছেন হালান্ডেরা। যত আক্রমণ তৈরি হয়েছে, তত সুযোগও নষ্ট হয়েছে। হালান্ড একাই নষ্ট করেছেন অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ। কখনও বলে পা ছোঁয়াতে পারেননি। কখনও প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে শট মেরেছেন। নরওয়ের আগ্রাসী ফুটবলের জবাবে কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়েছিল আইভোরি কোস্ট। প্রতি আক্রম‌ণে উঠে বেশ কয়েক বার বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে আফ্রিকার দেশটিও। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে দৃষ্টিনন্দন ফুটবল উপহার দিয়েছে দু’দলই। খেলায় পরিকল্পনার ছাপ ছিল স্পষ্ট। প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙার ক্ষেত্রেই হোক বা আক্রমণ তৈরির ক্ষেত্রে, দু’দল পরস্পরকে টেক্কা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবু নরওয়ের আধিপত্য ছিল বেশি। অন্তত আধ ডজন গোলে জেতা উচিত ছিল তাদের। আবার নরওয়ের গোলরক্ষক নিলান্ড কয়েক বার দলের পতন আটকেছেন। বিশেষ করে ম্যাচের শেষ ১০ মিনিট তিনি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে না পারলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতেও পারত।

    শেষ ষোলোয় মেক্সিকো

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে মেক্সিকো-ইকুয়েডর ম্যাচ। বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে প্রায় এক ঘণ্টা পরে মেক্সিকোর অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে খেলা বন্ধ থাকে। ইউলিয়ান কুইনোনেনেস-রাউল খিনেমেস যুগলবন্দিতে ৩১ মিনিটের মধ্যেই ২-০ এগিয়ে গেল মেক্সিকো। ২২ মিনিটে গোল করেন। ৩১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান রাউল। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।

  • WhatsApp Username Feature: গোপনীয়তায় গুরুত্ব! হোয়াটসঅ্যাপে ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে বিতর্ক, প্রতারণার আশঙ্কায় উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

    WhatsApp Username Feature: গোপনীয়তায় গুরুত্ব! হোয়াটসঅ্যাপে ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে বিতর্ক, প্রতারণার আশঙ্কায় উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ ধাপে ধাপে বিশ্বজুড়ে তাদের বহু প্রতীক্ষিত ‘ইউজারনেম’ (Username) ফিচার চালু করছে। মেটা-অধীন এই সংস্থার দাবি, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আর নিজের মোবাইল নম্বর শেয়ার না করেও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে ফিচারটি আনুষ্ঠানিকভাবে সবার জন্য চালু হওয়ার আগেই এটি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিশেষ করে ভারতে প্রতারণা, পরিচয় জালিয়াতি এবং গোপনীয়তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞেরা।

    দ্রুত ইউজারনেম সংরক্ষণ

    হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, প্রত্যেক ব্যবহারকারী একটি স্বতন্ত্র ইউজারনেম বেছে নিতে পারবেন। প্রয়োজনে সেই ইউজারনেম পরিবর্তন বা সম্পূর্ণ মুছেও ফেলা যাবে। সংস্থার দাবি, বর্তমানে তাদের প্ল্যাটফর্মে তিনশো কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। ফলে পছন্দের ইউজারনেম অন্য কেউ নিয়ে নেওয়ার আগে দ্রুত সেটি সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সংস্থার নতুন সিইও কুনাল শাহও ইতিমধ্যেই নিজের ইউজারনেম সংরক্ষণ করেছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ তিনি লেখেন, “সঠিক সময়টাই সবকিছু। ফিচারটি সবার জন্য চালু হওয়ার আগেই আমি আমার ইউজারনেম নিশ্চিত করেছি। আপনিও দ্রুত নিজেরটি সংরক্ষণ করুন।”

    সুবিধার পাশাপাশি বাড়ছে উদ্বেগ

    হোয়াটসঅ্যাপের দাবি, এই ফিচারের মূল লক্ষ্য ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরের গোপনীয়তা আরও শক্তিশালী করা। তবে সমালোচকদের মতে, এই সুবিধাই আবার প্রতারকদের জন্য নতুন অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে জনপরিচিত ব্যক্তিদের নামের সঙ্গে মিল রেখে ভুয়ো ইউজারনেম তৈরি করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা, ভুয়ো বিনিয়োগ প্রকল্পে যুক্ত করা কিংবা প্রতারণামূলক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আমন্ত্রণ জানানোর আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

    অনকুর ওয়ারিকুর কড়া সতর্কবার্তা

    উদ্যোক্তা ও জনপ্রিয় মোটিভেশনাল স্পিকার অনকুর ওয়ারিকু এই ফিচার নিয়ে সরব হয়েছেন। এক্স-এ তিনি লিখেছেন, ভারতে যদি যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অপব্যবহার রোধের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে এই ফিচার বড় ধরনের সমস্যার কারণ হতে পারে। তিনি বলেন, “ভারতের মতো দেশে সঠিক অ্যান্টি-অ্যাবিউজ সিস্টেম ছাড়া এই ফিচার বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। প্রতারকরা খুব সহজেই জনপরিচিত ব্যক্তিদের মতো দেখতে ইউজারনেম তৈরি করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারবে।” ওয়ারিকু আরও দাবি করেন, অতীতে তাঁর মুখ ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি ভুয়ো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে বিনিয়োগ সংক্রান্ত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে টানার ঘটনা ঘটেছে। সেই কারণে তিনি মেটার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইও করেছেন। তাঁর কথায়, “আমি নিজে দেখেছি এই ধরনের প্রতারণা কত বড় আকার ধারণ করেছে এবং আমাদের দেশে কত সহজে তা পরিচালিত হয়। তাই একজন জনপরিচিত ব্যক্তি হিসেবে এই ফিচার নিয়ে আমার উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।”

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

    ওয়ারিকুর পোস্টের পর বহু ব্যবহারকারী একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, আদৌ হোয়াটসঅ্যাপে ইউজারনেম ফিচারের প্রয়োজন ছিল কি না। একজন ব্যবহারকারী লেখেন, “হোয়াটসঅ্যাপ তো শুধুই একটি মেসেজিং অ্যাপ হওয়ার কথা ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়। অপ্রয়োজনীয় ফিচার যোগ করতে গিয়ে অ্যাপটির মূল চরিত্রই বদলে যাচ্ছে।” আরেকজনের মতে, “গোপনীয়তার কথা বলে এই ফিচার আনা হলেও বাস্তবে যদি সত্যিই ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার কথা ভাবা হতো, তাহলে এমন ব্যবস্থা করা উচিত ছিল যাতে শুধুমাত্র কনট্যাক্ট লিস্টে থাকা ব্যক্তিরাই কল বা মেসেজ করতে পারেন।”

    হোয়াটসঅ্যাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    সমালোচনার জবাবে হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, পরিচয় জালিয়াতি রোধে বিশিষ্ট জনপরিচিত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে ইউজারনেম সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হবে। পাশাপাশি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট এবং প্রতারণা রুখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করার কথাও সংস্থা জানিয়েছে। তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, শুধুমাত্র পরিচিত ব্যক্তিদের ইউজারনেম সংরক্ষণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। একই রকম বানান, অতিরিক্ত অক্ষর বা বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ইউজারনেম তৈরি করা এখনও সম্ভব হতে পারে। তাই শক্তিশালী যাচাইকরণ ব্যবস্থা, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করার কার্যকর প্রযুক্তি প্রয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি।

    নজর নিরাপত্তার দিকে

    হোয়াটসঅ্যাপের ইউজারনেম ফিচার নিঃসন্দেহে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত নম্বর গোপন রাখার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি পরিচয় জালিয়াতি, ভুয়ো অ্যাকাউন্ট এবং অনলাইন প্রতারণার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার বিষয়, ধাপে ধাপে বিশ্বব্যাপী এই ফিচার চালুর সঙ্গে সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ কতটা কার্যকরভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে পারে এবং ব্যবহারকারীদের আস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

  • Cricket Returns in Olympic: ঐতিহাসিক মুহূর্ত! অলিম্পিক্সে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আবেগ বিহ্বল আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ

    Cricket Returns in Olympic: ঐতিহাসিক মুহূর্ত! অলিম্পিক্সে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আবেগ বিহ্বল আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১২৮ বছর পর অলিম্পিক্সের মঞ্চে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনকে (Cricket Returns in Olympic) এক ঐতিহাসিক “মাইলফলক” বলে মনে করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)-এর চেয়ারম্যান জয় শাহ। লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্স ২০২৮ (LA28)-এর জন্য ক্রিকেটের যোগ্যতা অর্জনের (Qualification Pathway) আনুষ্ঠানিক কাঠামো ঘোষণা করেছে আইসিসি ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (IOC)। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো আইসিসি অলিম্পিক কোয়ালিফায়ার আয়োজনের কথাও জানানো হয়েছে। জয় শাহ বলেন, এই যোগ্যতা অর্জনের পদ্ধতি সদস্য দেশগুলিকে অলিম্পিক্সে খেলার একটি স্পষ্ট ও প্রতিযোগিতামূলক পথ দেখাবে। তাঁর মতে, অলিম্পিক্সে ক্রিকেটের অন্তর্ভুক্তি বিশ্বজুড়ে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অনুপ্রাণিত করবে। নতুন নতুন দেশে ক্রিকেটের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    ছয়টি দল খেলবে পুরুষ ও মহিলা বিভাগে

    লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে পুরুষ ও মহিলা—উভয় বিভাগের টি-২০ ক্রিকেটে অংশ নেবে ছয়টি করে দল। আফ্রিকা, এশিয়া, ইউরোপ এবং ওশেনিয়া—এই চারটি মহাদেশের অন্তত একটি করে দলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিটি বিভাগের পাঁচটি দল নির্ধারিত হবে আইসিসির বিভিন্ন প্রতিযোগিতা এবং টি-২০ আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। ষষ্ঠ ও শেষ দলটি নির্বাচিত হবে ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম আইসিসি অলিম্পিক্স কোয়ালিফায়ার (ICC Olympics Qualifier) থেকে। ২০২৬ সালের আইসিসি মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের (ICC Women’s T20 World Cup) ফলাফলের ভিত্তিতে মহিলাদের বিভাগে প্রাথমিকভাবে যোগ্যতা নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া, গ্রেট ব্রিটেন (ইংল্যান্ডের মাধ্যমে), ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রতিটি মহাদেশ থেকে সর্বোচ্চ একটি দল সুযোগ পাবে। পুরুষদের বাকি দলগুলি নির্ধারিত হবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর আইসিসি টি-২০ আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী। প্রতিটি মহাদেশের সর্বোচ্চ যোগ্য দল সুযোগ পাবে।

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলিম্পিক্সে সরাসরি অংশ নিতে পারবে না, কারণ তারা একক আইওসি-স্বীকৃত জাতীয় অলিম্পিক্স কমিটির প্রতিনিধিত্ব করে না। তবে ২০২৬ সালের শেষে পুরুষ বা মহিলা দল যদি শীর্ষ আটটি অযোগ্য দলের মধ্যে থাকে, তাহলে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের জন্য আলাদা বাছাই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র পুরুষ ও মহিলা—উভয় বিভাগেই অংশ নিতে পারবে, যদি ২০২৬ সালের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের দল আইসিসি টি-২০ র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১৫-এর মধ্যে থাকে। এই শর্ত পূরণ না হলে তাদের কোটা পরবর্তী যোগ্য দলের কাছে চলে যাবে।

    প্রতিযোগিতার ফরম্যাট

    প্রতিটি দল ১৫ জনের স্কোয়াড নিয়ে খেলবে। ছয়টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে তিনটি দল। গ্রুপ পর্ব শেষে সেরা দুই দল খেলবে স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে এবং তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানাধিকারী দল খেলবে ব্রোঞ্জ পদকের জন্য। পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে মোট ২৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সব ম্যাচই ক্যালিফোর্নিয়ার পোমোনা শহরে নির্মিত বিশেষ ক্রিকেট ভেন্যুতে আয়োজিত হবে। আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন, অলিম্পিক্সে ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তন খেলাটিকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া মঞ্চে তুলে ধরবে। এর ফলে নতুন বাজারে ক্রিকেটের প্রসার ঘটবে এবং বিশ্বের ২০০ কোটিরও বেশি ক্রিকেটপ্রেমীর কাছে অলিম্পিক্সের আবেদন আরও বাড়বে। তিনি জানান, নতুন যোগ্যতা নির্ধারণ পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতার মান বজায় রাখার পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

  • College Street Make Over: লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে সাজবে কলেজ স্ট্রিট! বইয়ের দোকান নিয়ে ব্যতিক্রমী ভাবনা অগ্নিমিত্রার

    College Street Make Over: লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে সাজবে কলেজ স্ট্রিট! বইয়ের দোকান নিয়ে ব্যতিক্রমী ভাবনা অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে সেজে উঠবে বইপাড়া। ঐতিহ্যবাহী বইপাড়া অর্থাৎ কলেজ স্ট্রিটের (College Street Make Over) এবার ভোলবদল করতে চলেছে বিজেপি সরকার। এক আন্তর্জাতিক রূপরেখায় এই বদল হবে। এবার আর যানজট বা হর্ন-এর শব্দ নয়, লন্ডনের বিখ্যাত ‘অক্সফোর্ড স্ট্রিট’-এর আদলে সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত এবং ‘নো ভেহিকল জোন’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে এই এলাকাকে। এমনকী, বইয়ের দোকানগুলিকেও নতুন থিমে সাজানো হবে। আসানসোলের জেলা গ্রন্থাগারে এসে এই অত্যন্ত অভিনব ও মেগা পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)।

    কেন এই উদ্যোগ

    আগামী প্রজন্মকে মোবাইল ও ডিজিটাল দুনিয়ার আসক্তি থেকে বের করে এনে ফের বইমুখী করতেই বইপাড়া হিসেবে পরিচিত কলেজ স্ট্রিটকে নতুন ভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু কলকাতাই নয়, মন্ত্রীর এই মেগা ভাবনার ছোঁয়া পেতে চলেছে শিল্পাঞ্চল আসানসোলও। তিনি জানান, আগামী প্রজন্মকে মোবাইল ও ডিজিটাল দুনিয়ার আসক্তি থেকে বের করে ফের বইমুখী করাই সরকারের লক্ষ্য।

    কীভাবে সাজবে কলেজ স্ট্রিট

    নতুন এই রূপরেখা অনুযায়ী, কলেজ স্ট্রিটের একটি নির্দিষ্ট বৃত্তাকার অংশে সাধারণ কোনও গাড়িকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। কিছুটা দূরে সাইকেল স্ট্যান্ড থাকবে, যেখান থেকে পরিবেশবান্ধব সাইকেল নিয়ে যাতায়াত করা যাবে। বয়স্ক মানুষদের চলাচলের সুবিধার্থে থাকবে ব্যাটারিচালিত গাড়ি। শহরের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে কলেজ স্ট্রিটে বিশেষভাবে ডিজাইন করা ট্রাম চালানোর ইচ্ছা রয়েছে মন্ত্রীর। তিনি জানান, সম্পূর্ণ বইপাড়ার ফুটপাত ও রাস্তা সেজে উঠবে ঐতিহ্যবাহী অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে। চারপাশের বইয়ের দোকানগুলোকে একই রকম থিমে সাজানো হবে। পুরনো দিনের ভিন্টেজ ল্যাম্পপোস্ট, বসার বেঞ্চ ও ফ্রি ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে তরুণ প্রজন্ম শান্ত মনে বসে বই পড়তে বা হেডফোন নিয়ে গান শুনতে পারে। হেরিটেজ রেলিংগুলোকে সংস্কার করে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হবে।

    আসানসোলেও অক্সফোর্ড স্ট্রিট!

    কলকাতার এই মডেলের অনুপ্রেরণায় আসানসোলেও একটি আন্তর্জাতিক মানের পড়ার জায়গা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে মন্ত্রীর। তাঁর নিজস্ব বিধানসভা এলাকা আসানসোল দক্ষিণে দামোদর নদের অববাহিকায় ভূতাবেরিয়া থেকে ছটঘাট পর্যন্ত যে দীর্ঘ এলাকা রয়েছে, সেটিকেও বিশেষভাবে উন্নত করার কথা ভাবা হচ্ছে। সেখানেও অক্সফোর্ড স্ট্রিটের থিম মাথায় রেখে কোলাহলমুক্ত, শান্ত একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করা হবে। ডিজিটাল যুগে বইয়ের কোনও বিকল্প হয় না দাবি করে মন্ত্রী বলেন, “বর্তমান প্রজন্ম মোবাইল স্ক্রিনে আটকে গিয়ে বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাই এই আধুনিক ও নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করে সাধারণ মানুষকে আবার লাইব্রেরি ও বইয়ের পাতায় ফিরিয়ে আনাই তাদের আসল লক্ষ্য।”

  • Uniform Civil Code Bengal Bill: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল অগাস্টে! রঞ্জনা দেশাইয়ের নেতৃত্বে কমিটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Uniform Civil Code Bengal Bill: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল অগাস্টে! রঞ্জনা দেশাইয়ের নেতৃত্বে কমিটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউনিফর্ম সিভিল কোড বা ইউসিসি) কার্যকর করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। সোমবার বিধানসভায় আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইউসিসি (uniform civil code west bengal) প্রণয়নের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করেন। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটি চার সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশ জমা দেবে।

    অগাস্টেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল!

    মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী অগাস্ট মাসেই রঞ্জনা দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটির সুপারিশের উপর ভিত্তি করে বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশ করা হবে। তবে প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে রাখা হবে রাজ্যের আদিবাসী, মূলবাসী, কুড়মি এবং অন্যান্য স্বীকৃত প্রাচীন জনজাতির সম্প্রদায়কে। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলে দেন যে, উত্তরাখণ্ড এবং গুজরাট মডেলকে অনুসরণ করেই এই ব্যতিক্রম রাখা হচ্ছে বিলে।

    বিলের খসড়া নিয়ে আলোচনা

    আগামী ২ জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইউসিসি বিলের খসড়া অনুমোদনের বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এই বিল তৈরির ক্ষেত্রে গুজরাটের ইউনিফর্ম সিভিল কোড বিল-২০২৬, অসমের ইউসিসি আইন এবং উত্তরাখণ্ডের ইউনিফর্ম সিভিল কোড আইন-২০২৪-কে একটি ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। তাঁর মতে, ধর্মের ভিত্তিতে আলাদা আলাদা ব্যক্তিগত আইন চালু থাকার পরিবর্তে গোটা রাজ্যে একটিই আইন কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েই এই বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। বিধানসভায় বিবৃতি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভারতীয় জনতা পার্টির নির্বাচনী সংকল্পপত্রে ইউসিসি কার্যকরের প্রতিশ্রুতি ছিল এবং সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর।’’ তিনি আরও বলেন, “আমরা কমিটেড। সংকল্পপত্রে যা লিখেছি তা বাস্তবায়ন করব। পশ্চিমবঙ্গেও ইউনিফর্ম সিভিল কোড কার্যকর হবে।”

    সুপারিশ কমিটিতে থাকছেন কারা

    রঞ্জনা দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে একজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক, একজন আইন বিশেষজ্ঞ, একজন শিক্ষাবিদ, একজন সমাজকর্মী এবং রাজ্য সরকারের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব সদস্য হিসেবে থাকবেন। প্রশাসনিক কাজকর্মের জন্য ঐ অতিরিক্ত সচিবই কমিটির সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। কমিটির কাজের পরিধিও সোমবার বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রাজ্যে বর্তমানে প্রচলিত বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আইন নিয়ে বিস্তৃত সমীক্ষা চালাবে কমিটি। বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ, লিভ-ইন সম্পর্ক-সহ একাধিক বিষয়ে বিদ্যমান আইন ও বিধানের পর্যালোচনা করবে তারা। এ ছাড়াও সামাজিক ও আইনি প্রভাব, সাংবিধানিক প্রশ্ন এবং প্রশাসনিক বাস্তবতা নিয়েও সুপারিশ করবে কমিটি।

  • FIFA World Cup 2026: বিদায় জার্মানি, নেদারল্যান্ডসের! নাটকীয় ম্যাচে টাইব্রেকারে জয় প্যারাগুয়ে, মরক্কোর, বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ব্রাজিল

    FIFA World Cup 2026: বিদায় জার্মানি, নেদারল্যান্ডসের! নাটকীয় ম্যাচে টাইব্রেকারে জয় প্যারাগুয়ে, মরক্কোর, বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ব্রাজিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি ফুটবল বিশ্বযুদ্ধে (FIFA World Cup 2026) এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অঘটন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়ে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে দিল চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানকে। নাটকীয় ম্যাচে টাইব্রেকারে হেরে গেলেন জোসুয়া কিমিচেরা। জোড়া শট আটকে প্যারাগুয়ের জয়ের নায়ক গোলকিপার অরল্যান্ডো গিল। অন্যদিকে শুরুতে জাপানের কাছে পিছিয়ে পড়েও দ্বিতীয়ার্ধে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিল ব্রাজিল। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা (Brazil vs Japan Match Report)। কার্লো আন্সেলোত্তির দল ছিটকে যাওয়াটা অঘটন। তাই তাদের জয়ের চেয়েও সামুরাই ব্লুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই যেন বেশি করে মনে রাখবেন দর্শকরা। এদিন জার্মানির পর বিদায় হল বিশ্বফুটবলের আরও এক শক্তির। আরও এক বার টাইব্রেকারে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল নেদারল্যান্ডসও। ২০১৪, ২০২২ সালের পর ২০২৬ সালের বিশ্বকাপেও সেই টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হল কমলাবাহিনীকে। এগিয়ে গিয়েও মরক্কোর কাছে হারতে হল কোডি গাকপো, ভার্জিল ভ্যান ডাইকদের।

    ভালো খেলেও ব্রাজিলের কাছে হার মানতে হল জাপানকে

    ২০২৬ বিশ্বকাপে এশীয় সূর্যের উত্থান মন কেড়েছে ফুটবল দুনিয়ার। গোটা মহাদেশকে বিশ্বমঞ্চে মিরাকলের স্বপ্ন দেখিয়েছে জাপান। নেদারল্যান্ডসের মতো দলকে আটকে দিয়ে পৌঁছে গিয়েছে শেষ ৩২-এ। কিন্তু নকআউটের প্রথম লড়াইটাই ছিল পাহাড় প্রমাণ কঠিন। কিন্তু ম্যাচের প্রথমার্থে খোদ জাপানই ভিনি জুনিয়রদের খেলাটাকে এলোমেলো করে দিল। ২৯ মিনিটে অনবদ্য গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়ে দুনিয়াকে যেন সানো বার্তা দিলেন, হাম ভি কিসিসে কম নহি!তবে জাপানি বোমাকে শক্ত হাতে ব্রাজিল সামাল দিল ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। জোড়াল হল আক্রমণ। ৫৬ মিনিটে ক্যাসেমিরোর নিখুঁত হেডে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। আর ইনজুরি টাইমের শেষ লগ্নে গোটা স্টেডিয়াম যখন ধরেই নিয়েছে ম্যাচ গড়াবে এক্সট্রা টাইম, ঠিক তখন এল জয়সূচক গোল। দলের শেষ ষোলোর টিকিট পাকা করে দিলেন মার্টিনেলি। তবে জাপানি গোলকিপার সুজুকির দুরন্ত সেভ আর ভিনির শট বারে লেগে ফিরে না এলে আরও বড় ব্যবধানে জিততেই পারত ব্রাজিল।

    প্যারাগুয়ের কাছে হেরে  বিদায় জার্মানির

    ব্রাজিল জিতলেও নাটক বাকি ছিল। মঙ্গলবার ভোর রাতে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে চলতি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল জার্মানি। ম্যাচের শুরু থেকে প্রত্যাশা মতোই দাপট ছিল জার্মানির। ফেলিক্স মেচা, কাই হাভার্ৎজ়েরা একের পর আক্রমণ তৈরি করেছিলেন। নিজেদের মধ্যে প্রচুর পাস খেলে কখনও মাঠের মাঝ খান দিয়ে আবার কখনও উইং ব্যবহার করে প্যারাগুয়ের ডিফেন্স ভাঙার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ছ’গজের বক্সের মধ্যে তাঁদের জায়গা দিচ্ছিলেন না প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডারেরা। জার্মানেরা গোলমুখী শট নেওয়ার চেষ্টা করলেই ব্লক করে দিচ্ছিলেন তাঁরা। ৪২ মিনিটে প্যারাগুয়ে এগিয়ে যায়। ৫৪ মিনিটে সমতায় ফেরে জার্মানি। খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়। ১২০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ১-১ ফলে। এরপর টাইব্রেকার। হাভার্ৎজের প্রথম শট আটকে দিয়ে জার্মানিকে চপে ফেলে দেন গিল। আবার নিক ওল্টেমেডকে রুখে দেন চতুর্থ শটে। সে সময় টানা তিন শটে গোল করে জয়ের অপেক্ষায় প্যারাগুয়ে। কিন্তু চতুর্থ শট নিতে এসে বাইরে মারেন অ্যান্তোনিয়ো সানাব্রিয়া। পঞ্চম শটে গোল করে জার্মানির আশা জিইয়ে রাখেন নাদিম আমিরি। এর পর ফাবিয়ান বালবুয়েনার শট আটকে দিয়ে জার্মানিকে লড়াইয়ে ফেরান নয়ার। তাতেও লাভ হল না। প্রথম পাঁচ শটেল পর ফলাফল ৩-৩ হওয়ার পর তুঙ্গে পৌঁছোয় উত্তেজনা। জার্মানির হয়ে ষষ্ঠ শট নিতে আসা তাহ বল উড়িয়ে দেন বারের উপর দিয়ে। আবার চাপে পড়ে যায় চার বারের চ্যাম্পিয়নেরা। এর পর হোসে ক্যানালে গোল করতেই বিশ্বকাপের শেষ ১৬-য় জায়গা করে নেয় প্যারাগুয়ে।

    বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল নেদারল্যান্ডস-ও

    গত বিশ্বকাপে টাইব্রেকার স্পেনের স্বপ্ন শেষ করে দিয়েছিলেন। এ বার তাঁর হাতে আটকে গেল ডাচেরা। মরক্কোর রক্ষাকর্তা হয়ে দেখা দিলেন সেই ইয়াসিন বোনো। এদিন টাইব্রেকারে প্রথম শটে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে দেন টিউন কুপমেইনার্স। মরক্কোর আল আয়নায়োই প্রথম শট বারে মারেন। ডাচদের হয়ে দ্বিতীয় শট পোস্টে মারেন জাস্টিন ক্লুইভার্ট। রহিমি গোল করে সমতা ফেরান। নেদারল্যান্ডসকে আবার এগিয়ে দেন উইট উইঘর্স্ট। গোল করেন মরক্কোর তালবিও। চতুর্থ শট মিস্‌ করেন কুইন্টন টিম্বার। মরক্কোর কাছে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু আশরফ হাকিমিও গোল করতে পারেননি। সামারভিলের পঞ্চম শট আটকে দেন বোনো। শেষ শটে গোল করতে ভুল করেননি সাইবারি। ম্যাচ জিতে পরের রাউন্ডে ওঠে আফ্রিকার দেশ। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই গুটিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস। পাঁচ ডিফেন্ডারে খেলা শুরু করে ডাচেরা। নেদারল্যান্ডসের রক্ষণাত্মক পরিকল্পনা কাজে লাগায় মরক্কো। হাকিমি, ব্রাহিম দিয়াজ, সাইবারিদের পায়ে আক্রমণে উঠছিল তারা। প্রথমার্ধের গোল পেয়ে যেতে পারত মরক্কো। হাকিমির শট ভাল বাঁচান ভারব্রুগেন। সাইবারির শট অল্পের জন্য গোলের বাইরে যায়। প্রথমার্ধ গোল শূন্য থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে নেদারল্যান্ডসকে গোল করে এগিয়ে দেন গাকপো। ৭২ মিনিটের মাথায় গাকপোর সেই গোলের পর মনে হচ্ছিল, নেদারল্যান্ডস জিতে যাবে। কিন্তু সংযুক্তি সময়ে এক ক্রসে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন দিয়প। সমতা ফেরায় মরক্কো। খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই স্বপ্ন শেষ ডাচদের।

     

     

     

     

     

  • Control of Anti-Social Activities Bill: বিধানসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল গুন্ডাদমন বিল, পক্ষে ১৭৬ বিধায়ক, বিপক্ষে ৪১

    Control of Anti-Social Activities Bill: বিধানসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল গুন্ডাদমন বিল, পক্ষে ১৭৬ বিধায়ক, বিপক্ষে ৪১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধ্বনি ভোটে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল গুন্ডা দমন বিল (Control of Anti-Social Activities Bill)। এই বিলের পক্ষে ভোট দিলেন ১৭৬ জন বিধায়ক। অন্যদিকে, বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪১ জন। আর ভোটদানে বিরত থাকলেন ২০ জন বিধায়ক। সম্পত্তি নষ্ট করলে গ্রেফতার, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে এই আইনে। কড়া ভাবে এই আইন প্রয়োগ করা হবে, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Cm Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন,“এই আইনে একবছর কারাবাস করতে হবে। তবে কোনও ভদ্রলোকের বিরুদ্ধে এই আইন প্রয়োগ করা হবে না।”

    কাদের বিরুদ্ধে এই বিল

    উত্তরাখন্ড, গুজরাট এবং উত্তর প্রদেশের পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও সমাজবিরোধী ও অপরাধমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে চরম কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং শান্তি বজায় রাখার লক্ষ্যে সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পেশ হল বহুল চর্চিত ‘অ্যান্টি-গ্যাংস্টার বিল’ বা গুন্ডাদমন বিল। ধ্বনি ভোটে বিলটি পাশও হয়ে যায়। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই অপরাধ দমনে যে কঠোর আইনের ইঙ্গিত দিচ্ছিল, এই বিল তারই বাস্তব রূপায়ন। প্রস্তাবিত এই খসড়া আইনে সমাজের জন্য বিপজ্জনক ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্টভাবে ‘গুণ্ডা’ বা ‘গ্যাংস্টার’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই আইনের অধীনে এমন যেকোনো ব্যক্তিকে ‘গুণ্ডা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে, যিনি নিজে অথবা কোনো দল বা সিন্ডিকেটের নেতা বা সক্রিয় সদস্য হিসেবে নিয়মিত সমাজবিরোধী কাজ করেন বা তাতে অর্থায়ন করেন। এ ছাড়া ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS, ২০২৩)-এর ১১১ বা ১১২ ধারার অধীনে (সংগঠিত অপরাধ) অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অস্ত্র আইন, মাদক আইন, অনৈতিক পাচার প্রতিরোধ আইন বা বিস্ফোরক আইনের অধীনে অপরাধী বা অপরাধে উস্কানিদাতাদেরও এই আইনের আওতায় আনা হবে।

    ফৌজদারি আইনের সঙ্গে নতুন এই আইনের পার্থক্য

    গুন্ডা দমন বিল চালু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে। আজ, সোমবার দীর্ঘক্ষণ ধরে এই বিল নিয়ে আলোচনা চলে। এবং সেই আলোচনার পর অবশেষে হয় ভোটভুটি। সেই ভোটাভুটিতে দেখা গেল, সংখ্যা গরিষ্ঠ বিধায়করা এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। এই বিলে বলে দেওয়া হয়েছে কারা গুন্ডা। চিহ্নিত করা হয়েছে কারা সমাজ বিরোধী। এ ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি যদি কোনও ভাঙচুর হয়, অগ্নি সংযোগ হয় বা অন্য কোনও ভাবে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হয়, তাহলে দোষীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে, সেখান থেকে সেই ক্ষতি পূরণ করার প্রভিশনও রাখা হয়েছে। দাঙ্গা, বেআইনি সমাবেশ, হিংসাত্মক বিক্ষোভ, সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ফৌজদারি আইনে প্রকৃত দোষীদের থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে কোনও ব্যবস্থা ছিল না। আর সেই কারণেই এই আইনের প্রয়োজন।

  • Suvendu Adhikari: ‘লাগামছাড়া কথা বলতে দেবো না’, হুমায়ুনের বিরুদ্ধে ২টি এফআইআর, শেষ দেখার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: ‘লাগামছাড়া কথা বলতে দেবো না’, হুমায়ুনের বিরুদ্ধে ২টি এফআইআর, শেষ দেখার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যথেষ্ট হয়েছে,আর নয়। হুমায়ুন কবীরের মতো লোকজনকে ‘শিক্ষা’ দেওয়ার সময় এসেছে। সোমবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এ ভাবেই ভরতপুরের বিধায়ককে হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রেজিনগর এবং শক্তিপুরে যে ভাষণ দিয়েছিলেন হুমায়ুন, তার পরিপ্রেক্ষিতে কোন কোন ধারায় এফআইআর রুজুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা-ও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, নিজের ছেড়ে আসা রেজিনগর আসনে পুত্রকে উপনির্বাচনে প্রার্থী করে জিতিয়ে আনতে চান বলেই এ সব বলছেন হুমায়ুন। তবে এ ধরনের কথাবার্তা আর বলা যাবে না। হুমায়ুনকে ‘সংযত’ হতেও বলেন শুভেন্দু।

    ‘এনাফ ইজ এনাফ’

    প্রথমে বিধানসভায় হুমায়ুন কবীরের দুটো জায়গার অর্থাৎ গত ২৬ তারিখের কাশীপুরের রেজিনগরের বলা বক্তব্য ও ২৮ তারিখে শক্তিপুরের দুয়ারাঘাটের কর্মসূচির বক্তব্য পাঠ করে শোনান মুখ্যমন্ত্রী। তারপর বলেন, “এই দুটো ঘটনার পর মনে হয়েছে, এনাফ ইজ এনাফ। সময় এসেছে এই ধরনের লোককে শিক্ষা দেওয়ার। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্য়মন্ত্রী নন। আগে দুর্বল মুখ্যমন্ত্রী পেয়ে যা খুশি বলেছেন, যা খুশি করেছেন। এখন এসব চলবে না।” মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় ঘটনার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেন, ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর দুটি জায়গায় অত্যন্ত আপত্তিজনক, সাম্প্রদায়িক সমাজ ও রাজ্যের জন্য ক্ষতিকারক বক্তব্য রেখেছেন। তাঁর সঙ্গে পরিষদীয় মন্ত্রী ড. শঙ্কর ঘোষ যোগাযোগ করেছিলেন।

    হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে কোন কোন ধারায় মামলা?

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২ টো এফআইআর-এর ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। রেজিনগরে কেস নম্বর ২১৯, ২২৬। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার, ১৫২, ১৯২, ১৯৬, ১৯৭, ২২৪. ২৯৯,৩৫১ (২), ৩৫২, ৩৫৩ ধারায় হুমায়ুনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাতেও শক্তিপুর থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৭৬/২২৬ এ মামলা রুজু রয়েছে।

    কী বলেছিলেন হুমায়ুন কবীর?

    ২৬ জুন দুপুরে হুমায়ুন কবীর কাশীপুরের রেজিনগরে তাঁর দলীয় কর্মসূচিতে বলছেন, “অনামিকা ঘোষ ভোটে হেরে মনে করছেন আমি এমএলএ। এখানে ভোটে হেরে বিজেপি মনে করছে, আমি এমএলএ। এখানে এখন আস্ফালন করে বেরাচ্ছে। আমি শুভেন্দু অধিকারীকে বলেছি যে, আপনি ভোটে জিতেছেন, আপনার দল জিতেছে, ভালো কথা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে আস্ফালনটা একটু কম করবেন। আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব না, সেদিন এমন স্যাটা ভাঙা মার শুরু করবে যে, আপনাদের পতাকা বহন করার লোক থাকবে না। আমাদের বহরমপুরে জেল খাটা আছে। ৫০০০ হাজার লোককে আপনি বহরমপুর সেন্ট্রাল জেলের যা আয়তন, তাতে ৪৭০০ বা ৪৮০০-র বেশি লোক ধরে না। লাখে লাখে লোক রাস্তায় নিয়ে নামাব। আর স্যাটা ভাঙা মার দেব আর জেলে যাব। ক’দিন জেলে আটকে রাখতে পারবেন?” শক্তিপুরের দুয়ারাঘাটে গত ২৮ তারিখে কথা বলার সময়ে বেশ কয়েকটি শব্দও প্রয়োগ করেছেন হুমায়ুন কবীর, যা অশ্রাব্য। তার ভিত্তিতেই পদক্ষেপ।

    কেন এই মন্তব্য হুমায়ুনের?

    মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হুমায়ুন যে ভাষায় বক্তৃতা করেছেন, তা করার ক্ষমতা তাঁকে কেউ দেয়নি। তাঁর কথায়, ‘‘আপনাদের নিশ্চিত করছি, এত বড় ক্ষমতা (ওঁকে) কেউ দেয়নি।’’ কেন নওদার বিধায়ক এ সব বলছেন, তার কারণ ব্যাখ্যাও করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘‘কেন করছেন জানি, রাজনৈতিক কারণ জানি, দু’টি এজেন্ডা ছিল।’’ এর পরেই আরও বিশদে শুভেন্দু জানান, হুমায়ুনের প্রথম উদ্দেশ্য ছিল, ভরতপুর, রেজিনগর, নওদায় সব নির্বাচিত পঞ্চায়েত, তা সে যে দলেরই হোক, নিজের দলে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু তিনি তা করতে পারছেন না। হুমায়ুনের দ্বিতীয় উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘বিধানসভা ভোটে দু’টি আসনে জিতেছেন। নিয়ম মেনে রেজিনগর আসন ছেড়ে দিয়েছেন। আগামী ২-৩ মাসে সেখানে ভোট হবে। ওই আসনে আপনি আপনার ছেলেকে জেতাতে চাইছেন।’’ শুভেন্দুর কথায়, ‘‘ওই আসনে ৭২ শতাংশ মুসলিম রয়েছেন। মুসলিম ভোট কনসোলিডেট (ঐক্যবদ্ধ) করার জন্য আপনি এই খেলা খেলছেন।’’

    ভেবে কাজ করুন

    হুমায়ুনকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কান খুলে শুনে রাখুন, এইভাবে ধমক-হুমকি, বেপরোয়া, লাগামছাড়া কথা বলতে দেব না—দেব না—দেব না।” আর এক্ষেত্রে তিনি তিনটে উদাহরণও দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “সন্দেশখালিতে একজন ছিল, জীবনতলার গুন্ডা,আরেকজন পুষ্পা- এমন ঝুঁকেছেন, খালি পায়ে ছোট প্যান্ট পরে ওঠবোস করতে করতে যাচ্ছেন।” আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন। তিনি জানিয়ে রাখলেন, আগে তিনি যাঁরা হুমায়ুনকে ওই সভায় ডেকেছিলেন, তাঁদের কাছে যাবেন। পরে হুমায়ুনের কাছে যাবেন। তিনি আবারও বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। গুন্ডাদের নয়।” শুভেন্দু বলেন, “এই ধরনের কথা বলার আগে এরপর থেকে ২৫ বার ভাবুন।”

    ঢোঁক গিললেন হুমায়ুন!

    শুভেন্দু বিধানসভায় বক্তব্য রাখার পরে এ দিন হুমায়ুন কবীর দাবি করেন, ‘আমি তো রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলিনি। আমি বিজেপিকে বলেছি। নবাগত বিজেপিরা আমার বাড়ির কাছে গিয়ে আমাকে আক্রমণ করেছে। আমি কী করব? রাজনৈতিক ভাবে আমি আক্রমণ করব না? কার কাছে উনি ক্ষমা চাইতে বলছেন, তা তিনি স্পষ্ট করুন। যদি সেটা বলার হয়, নিশ্চয়ই বলব।’ ওয়াকিবহাল মহলের মত, মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারিতে ততটা আস্ফালন আর দেখাতে পারছেন না হুমায়ুন কবীর, কিছুটা ভয় পেয়েই সুর নরম করেছেন।

  • Shams Iqbal: মুখ্যমন্ত্রীর পা ছুঁয়েও রেহাই মিলল না! তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলার শামস ইকবাল

    Shams Iqbal: মুখ্যমন্ত্রীর পা ছুঁয়েও রেহাই মিলল না! তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলার শামস ইকবাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির অভিযোগে কলকাতা পুরসভার আরও এক প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে গার্ডেনরিচের তৃণমূল নেতা প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ শাম্‌স ইকবালকে। একাধিক জনসভা, কর্মসূচিতে একই মঞ্চে ফিরহাদের সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাঁকে। অভিযোগ, গার্ডেনরিচ এলাকায় এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ভয় দেখিয়ে ৭০ লক্ষ টাকা তুলেছেন এই নেতা। শাম্‌স কলকাতা পুরসভার ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। যোগ দিবসেও মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পরে দু’জনের পিছনেই বসে যোগ দিবস পালন করেছিলেন। নাম লিখিয়েছিলেন ঋতব্রত-শিবিরে। কিন্তু তা-ও রেহাই মিলল না। দোষীদের ক্ষমা করা হবে না আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইমতোই কাজ করছে তাঁর প্রশাসন।

    কী অভিযোগ ইকবালের বিরুদ্ধে

    শামস ইকবালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মহম্মদ শাদাব নামের এক ব্যক্তি। অভিযোগ, ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে শাম্‌স এবং তাঁর ঘনিষ্ঠেরা অভিযোগকারীর কাছ থেকে টাকা তোলা শুরু করেন। জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্বিঘ্নে ওই এলাকায় ব্যবসা করতে হলে তাঁদের টাকা দিতে হবে। মোট ৭০ লক্ষ টাকা তোলা হয় তাঁর কাছ থেকে। টাকা না দিলে ওই ব্যবসায়ী এবং তাঁর পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেন কাউন্সিলর। নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালাতে সেই টাকা তখন দিয়ে দিয়েছিলেন অভিযোগকারী। দাবি, ভয়ে এত দিন পুলিশের কাছে যেতে পারেননি। এর পরেও পিস্তল দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে দফায় দফায় আরও টাকা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ।ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করে পুলিশ।

    কে এই ইকবাল

    গার্ডেনরিচে পুলিশ কর্মী তাপস চৌধুরী খুনে অভিযুক্ত মুন্না ইকবালের ছেলে শামস ইকবাল। মুন্না ইকবাল, সে সময়কার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা। যাঁর বিরুদ্ধেও ছিল সিরিজ অফ্ অভিযোগ। ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গার্ডেন রিচের হরিমোহন ঘোষ কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও কংগ্রেসের সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সাব-ইন্সপেক্টর তাপস চৌধুরী। সে সময়ে মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে গ্রেফতার করা হয়েছিল মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্নাকে। বাবার হাত ধরেই তাঁর রাজনীতিতে পরবর্তীতে পদাপর্ণ শামসের। ২০২১ সালের কলকাতা পৌরসভা নির্বাচনে একমাত্র তৃণমূল প্রার্থী শামস ইকবাল, যিনি কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিলেন।

    বিলাসবহুল জীবনযাত্রা

    সামাজিক মাধ্যমে তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে একাধিক বিদেশ যাত্রার ছবি রীতিমতো তাক লাগানোর মতো। প্রোফাইল দেখা যাচ্ছে, বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গেও ছবি রয়েছে শামসের। কোনও রঙিন দুনিয়ার অভিনেতার থেকে কম নন। একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে। বছর কয়েক আগে কলকাতা পুরসভায় ফেরারি গাড়ি এনে বিতর্কে জড়িয়ে ছিল এই কাউন্সিলর। গাড়ির মূল্য সে সময়ে ৫ কোটি টাকার কাছাকাছি ছিল। ফিরহাদ হাকিমের ‘পুত্র’ বলা হয় এই কাউন্সিলরকে। কলকাতা বন্দর এলাকায় বিধানসভার যাবতীয় কাজ ইকবাল দেখেন। ২০২৪ সালে ১৭ মার্চ গার্ডেনরিচে যে বহুতল ভেঙে পড়ে ১৫ জনের মতো মানুষের প্রাণ গিয়েছিল, তাতে নাম জড়িয়েছিল এই শামসের। রাজ্যে পালাবদলের পর এখন এই ইকবালই নাম লিখিয়েছিলেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের তালিকায়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মডেলে যুক্ত হয়ে প্রতি বৈঠকে হাজির থেকেছেন। সম্প্রতি যোগা দিবসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পা ধরেও প্রণাম করেছিল এই কাউন্সিলর। কিন্ত রেহাই পেলেন না।

  • FIFA World Cup 2026: গ্রুপ পর্ব শেষ, শুরু হয়ে গেল বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অফ ৩২’, জেনে নিন চূড়ান্ত সূচি

    FIFA World Cup 2026: গ্রুপ পর্ব শেষ, শুরু হয়ে গেল বিশ্বকাপের ‘রাউন্ড অফ ৩২’, জেনে নিন চূড়ান্ত সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ। চূড়ান্ত হয়ে গেল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের সূচি। গ্রুপ পর্বে ৪৮টি দেশের মধ্যে ৩২টি দল নকআউটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করছে। এশিয়ার দু’টি দলকে দেখা যাবে বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ ৩২-এ। ৩২ দলের এই পর্বে আর ভুলের কোনও সুযোগ নেই। একটি হার মানেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায়। ২৯ জুন থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে রাউন্ড অব ৩২-এর ১৬টি ম্যাচ। এক নজরে দেখে নিন কোন দল কার বিরুদ্ধে খেলবে, কোথায় হবে ম্যাচ এবং ভারতীয় সময় অনুযায়ী কখন শুরু হবে। এবার থেকে প্রতিটি ম্যাচই ‘ডু অর ডাই’। এক ভুল, এক গোল কিংবা এক মুহূর্তের অসাবধানতাই শেষ করে দিতে পারে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। তাই রাউন্ড অফ ৩২ থেকেই শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের আসল লড়াই।

    প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে কানাডা

    বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল কানাডা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল না পেলেও সংযুক্তি সময়ে অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ ভাঙতে পারল তারা। সংযুক্তি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেন অধিনায়ক স্টিফেন এস্তাকিয়ো। ১-০ গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে প্রথম বার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল কানাডা।

    নক-আউটে উঠল কারা

    ১২টি গ্রুপ থেকে মোট ৩২টি দল নক আউট পর্বে উঠল। ১২টি গ্রুপ থেকে ২টি করে সেরা দল – সেই হিসাবে মোট ২৪টি দল রাউন্ড অফ থার্টি টু-তে পৌঁছেছে। বাকি ১২টি তৃতীয় স্থানে থাকা দলের মধ্যে থেকে সেরা আটটি দল নক আউটে গিয়েছে।

    • গ্রুপ এ থেকে নক আউটে গিয়েছে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ছিটকে গিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র।
    • গ্রুপ বি থেকে নক আউটে গিয়েছে সুইৎজারল্যান্ড, কানাডা ও বসনিয়া হার্জেগোভিনা। ছিটকে গিয়েছে কাতার।
    • গ্রুপ সি থেকে নক আউটে গিয়েছে ব্রাজিল ও মরক্কো। ছিটকে গিয়েছে হাইতি ও স্কটল্যান্ড।
    • গ্রুপ ডি থেকে নক আউটে গিয়েছে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ে। ছিটকে গিয়েছে তুরস্ক।
    • গ্রুপ ই থেকে নক আউটে গিয়েছে জার্মানি, আইভরি কোস্ট ও ইকুয়েডর। ছিটকে গিয়েছে কুরাসাও।
    • গ্রুপ এফ থেকে নক আউটে গিয়েছে নেদারল্যান্ডস, জাপান ও সুইডেন। ছিটকে গিয়েছে তিউনিশিয়া।
    • গ্রুপ জি থেকে নক আউটে গিয়েছে বেলজিয়াম ও মিশর। ছিটকে গিয়েছে ইরান ও নিউজিল্যান্ড।
    • গ্রুপ এইচ থেকে নক আউটে গিয়েছে স্পেন ও কেপ ভার্দে। ছিটকে গিয়েছে উরুগুয়ে ও সৌদি আরব।
    • গ্রুপ আই থেকে নক আউটে গিয়েছে ফ্রান্স, নরওয়ে ও সেনেগাল। ছিটকে গিয়েছে ইরাক।
    • গ্রুপ জে থেকে নক আউটে গিয়েছে আর্জেন্তিনা, অস্ট্রেলিয়া ও আলজিরিয়া। ছিটকে গিয়েছে জর্ডন।
    • গ্রুপ কে থেকে নক আউটে গিয়েছে কলম্বিয়া, পর্তুগাল ও কঙ্গো। ছিটকে গিয়েছে উজবেকিস্তান।
    • গ্রুপ এল থেকে নক আউটে গিয়েছে ইংল্যান্ড, ঘানা ও ক্রোয়েশিয়া। ছিটকে গিয়েছে পানামা।

    নজরে থাকবে কোন কোন খেলা

    ফ্রান্স, পর্তুগাল, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন এবং বেলজিয়াম— ইউরোপের সকলেই একই অর্ধে পড়েছে। ফলে ফাইনালে উঠতে গেলে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলতেই হবে। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালেই দেখা হতে পারে জার্মানি এবং ফ্রান্সের। ফলে ট্রফির এক দাবিদার আগেই ছিটকে যাবে। পর্তুগাল এবং স্পেনের ম্যাচও হতে পারে প্রি-কোয়ার্টারে। তাদের মধ্যেও কোনও দেশের যাত্রা আগেই শেষ হয়ে যাবে। আপাতত নক আউটে যে খেলাগুলোর দিকে নজর থাকবে সেগুলি হল-

    ব্রাজিল বনাম জাপান – এশিয়ার অন্যতম সেরা দলের সামনে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।

    ইংল্যান্ড বনাম ডিআর কঙ্গো – আফ্রিকার চমকপ্রদ দলকে থামাতে নামবে ইংল্যান্ড।

    স্পেন বনাম অস্ট্রিয়া – ইউরোপের দুই শক্তিশালী দলের হাইভোল্টেজ লড়াই।

    পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া – রোনাল্ডোদের সামনে মদরিচদের কঠিন পরীক্ষা।

    আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে – মেসিদের লক্ষ্য কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট। আর কেপ ভার্দের লক্ষ্য হবে রূপকথা দৌড় অব্যাহত রাখা

    কোন দলের-কখন কার সঙ্গে খেলা

    ২৯ জুন

    প্রথম দিন মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা-কানাডা এবং ব্রাজিল-জাপান। দক্ষিণ আফ্রিকা-কানাডার খেলা ভারতীয় সময় অনুযায়ী ২৯ জুন রাত সাড়ে ১২ টায়। (দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-তে পৌঁছে গিয়েছে কানাডা) । ব্রাজিল-জাপান ভারতীয় সময় অনুযায়ী ২৯ জুন রাত ১০.৩০-এ মাঠে নামবে।

    ৩০ জুন

    মোট তিনটি ম্যাচ এ দিন। রাত ২টো (মঙ্গলবার ভোর রাত) জার্মানির লড়াই প্যারাগুয়ের সঙ্গে। সে দিনই সকাল ৬.৩০-এ নেদারল্যান্ডস-মরক্কো ম্যাচ এবং রাত ১০.৩০-এ নরওয়ে-আইভোরি কোস্ট লড়াই।

    ১ জুলাই

    এ দিন রয়েছে তিনটি ম্যাচ। রাত ২.৩০-এ মুখোমুখি হবে ফ্রান্স এবং সুইডেন। সকাল ৬.৩০-এ মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর। রাত ৯.৩০— মাঠে নামবে ইংল্যান্ড। হ্যারি কেনদের প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো।

    ২ জুলাই

    দু’টি ম্যাচ। রাত ১.৩০-এ বেলজিয়াম-সেনেগাল খেলা। ভোর ৫.৩০-এ আমেরিকার মুখোমুখি হবে বসনিয়া এবং হারজ়েগোভিনা।

    ৩ জুলাই

    বিশ্বকাপের চারটি ম্যাচ। রাত ১২.৩০-এ অস্ট্রিয়া-স্পেন। ভোর ৪.৩০-এ পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া এবং সকাল ৮.৩০-এ সুইৎজ়ারল্যান্ড-আলজেরিয়া। এ দিনই রাত ১১.৩০-এ মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া এবং মিশর।

    ৪ জুলাই

    রাউন্ড অফ ৩২-র শেষ দু’টি ম্যাচ। রাত ৩.৩০-এ এ বারের বিশ্বকাপের চমক কেপ ভার্দের চ্যালেঞ্জ সামলাবে লিয়োনেল মেসির আর্জেন্টিনা। সকাল ৭টায় কলম্বিয়া-ঘানা লড়াই।

LinkedIn
Share