Author: ishika-banerjee

  • Taratala Godown Collapse: তারাতলার গুদামে গোড়ায় গলদ! স্ক্যানারে তৃণমূল আমলে পাশ হওয়া বিল্ডিং প্ল্যান, কলকাতায় বাণিজ্যিক নির্মাণের কাজ ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ

    Taratala Godown Collapse: তারাতলার গুদামে গোড়ায় গলদ! স্ক্যানারে তৃণমূল আমলে পাশ হওয়া বিল্ডিং প্ল্যান, কলকাতায় বাণিজ্যিক নির্মাণের কাজ ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুর এলাকায় তৃণমূল জমানায় ছাড় পাওয়া সব নির্মাণ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। তারাতলার ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখে এসে নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, কলকাতা পুরসভার (KMC) আগের বোর্ডে ছাড়পত্র পাওয়া সমস্ত বাণিজ্যিক নির্মাণের কাজ ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। প্রতিটি নির্মাণকাজ যথাযথ নিয়ম মেনে হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলকে নেতৃত্ব দেবেন মুখ্যসচিব। তারাতলা এলাকায় নির্মীয়মাণ শেড ভেঙে পড়ার ঘটনার জেরেই এই সিদ্ধান্ত বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরই কলকাতা পুরসভার তরফে নির্মাণ বন্ধ রাখা সংক্তান্ত পাবলিক নোটিস জারি করা হয়।

    তারাতলার গুদামে প্ল্যানে ত্রুটি

    তারাতলার শেড দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে প্ল্যানে ত্রুটি থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে। প্ল্যান অনুমোদনের সঙ্গে যুক্ত পুরসভার আধিকারিকদের তালিকাও ইতিমধ্যে তৈরি করেছে লালবাজার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারাতলা বিপর্যয়ের আসল কারণ তদন্ত সাপেক্ষ। তবে ত্রুটিপূর্ণ নকশার জেরেই নির্মীয়মাণ গুদাম ও কোল্ড স্টোরেজটি ভেঙে পড়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে কলকাতা পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা জানিয়েছেন। আর সেই কারণেই তৃণমূল আমলে পাশ হওয়া বিল্ডিং প্ল্যান খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার কলকাতার তারাতলায় গুদামের ছাদ ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। আহত হয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৮ জন। বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পরেই নবান্নে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    তৃণমূল জমানায় অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান পরীক্ষা

    তৃণমূল জমানায় অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান যথাযত ছিল কি না, এবং ঠিক থাকলে সেই প্ল্যান অনুযায়ী কাজ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে পুরসভা, কেএমডিএ, পূর্ত, দমকল, অসামরিক প্রতিরক্ষা ও পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ দল। তদন্ত রিপোর্টে কোনো সমস্যা না উঠে এলে, ১ আগস্ট থেকে ফের চালু করা যবে বাকি থাকা নির্মাণ কাজ। যা নিয়ে ‘পাবলিক নোটিস’ও জারি করেছে কলকাতা পুরসভা। শুভেন্দু জানান, তৃণমূল সরকারের আমলে যে সমস্ত বাড়ি বা বহুতলের নকশা (বিল্ডিং প্ল্যান) অনুমোদিত হয়েছিল, সেগুলির নির্মাণকাজ যথাযথ নিয়ম মেনে হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে একটি প্রতিনিধিদল। শুভেন্দুর কথায়, “কলকাতা পুর এলাকায় বাণিজ্যিক, জলাশয় বুঝিয়ে হওয়া নির্মাণগুলি আপাতত ৩১ জুলাই পর্যন্ত কাজ বন্ধ থাকবে।”

    নিয়মের আওতা থেকে বাদ

    এই নিয়মের আওতায় পড়বে না হাসপাতাল, দমকল, মেট্রো, সেনার মতো জরুরি পরিষেবা ক্ষেত্রের নির্মাণ কাজ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি তারাতলায় ওই বহুতলের নকশার অনুমোদন দেয় পুরসভা। মাত্র ৫ মাসের মাথায় বুধবার ১২টা ৭ মিনিটে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে তারাতলার তিনতলাক গুদাম। ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে যান বহু শ্রমিক। খবর পাওয়া মাত্রই একের পর এক মন্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘটনাস্থলে পৌঁছন। উদ্ধারকাজের প্রতি মুহূর্তের আপডেট নিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তারপরই তৃণমূল জমানায় পাশ হওয়া প্ল্যান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বিশেষ দল গঠনের কথা জানান শুভেন্দু।

    কারা থাকবেন রাজ্যের গঠিত দলে

    মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা পুরসভার তত্বাবধানে একটি বিশেষ কমিটি প্ল্যান খতিয়ে দেখবে। এই প্রতিনিধিদলে থাকবেন রাজ্যের পূর্ত, অসামরিক প্রতিরক্ষা দফতর, দমকল, কলকাতা পুলিশ এবং কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা। তাঁরা বাড়ির নকশা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবেন। যাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন, তাঁরা ১ আগস্ট থেকে আবার কাজ শুরু করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সময় নষ্ট না করে দ্রুত সেনা এবং এনডিআরএফকে ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। এবিষয়ে পুর্বতন সরকারের সেনার সাহায্য নেওয়া নিয়ে সংশয় থাকার ঘটনা নিয়েও কটাক্ষ শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর গলায়।

    হাওড়া-বিধাননগরেও এক নিয়ম!

    আপাতত কলকাতার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে হাওড়া এবং বিধাননগরের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে সেই সিদ্ধান্ত তিনি পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের উপর ছেড়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তারাতলায় যে গুদামের কাঠামো ভেঙে পড়েছে, সেটি পোর্ট ট্রাস্টের জমি। সেই জমি লিজ নিয়েছিলেন বেহরা ব্রাদার্স নামক সংস্থার মালিক শম্ভুনাথ বেহরা। তারাতলার ঘটনায় সরকার কী কী আইনি পদক্ষেপ করব‌ে, হতাহতদের পরিবার কতটা ক্ষতিপূরণ পাবে, তা বিধানসভায় জানাবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “প্রাথমিক ভাবে কলকাতা পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারেরা জানিয়েছেন (গুদামের) ত্রুটিযুক্ত নকশা (প্ল্যান) ছিল। প্রযুক্তিগত বিষয় সম্পর্কে অবহিত মানুষেরা কাজ করছেন।”

    আজ, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বিবৃতি

    তারাতলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনের মারা যাওয়ার খবর মিলেছে। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে মোট ১৮ জনকে। মোট ২০টি অ্যাম্বুল্যান্স উদ্ধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তারাতলা থেকে আহতদের উদ্ধারের পর গ্রিন করিডর করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানে আপাতত চিকিৎসাধীন মোট ৮ জন। তাঁরা হলেন দুর্বাশা মাল্লান, মণিচাঁদ কুমার, শাহিদ কুমার, রাজেশ রুইদাস, বিশ্ব প্রকাশ, বোদন মুণ্ডা, রাজেন্দ্র রাও, রামপ্রসাদ চৌধুরী। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এসএসকেএমে জখমদের চিকিৎসার দিকে নজর রেখেছেন। বিপর্যয়স্থলেও খোলা হয়েছে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প। আজ, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার সময় বিধানসভায় এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বিবৃতি দেবেন বলে জানান।

  • Taratala Godown Collapse: ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে ভেসে আসছে আর্তনাদ! তারাতলায় একটি কারখানার লোহার ছাদ ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা

    Taratala Godown Collapse: ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে ভেসে আসছে আর্তনাদ! তারাতলায় একটি কারখানার লোহার ছাদ ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাতলায় একটি কারখানার (Taratala Godown Collapse) শেড ভেঙে বিপত্তি। ভেঙে পড়ে লোহার বিম, টিন। আহত হয়েছেন একাধিক। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কারোর হাত থেঁতলে গিয়েছে, কারোর মাথা। অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। অসমর্থিত সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৪০-৪৫ জন ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে খবর। সূত্রের দাবি, লোহার কাঠামোর উপর কংক্রিটের স্তর চাপানো হয়েছিল। স্থানীয়েরা জানাচ্ছেন, সকাল থেকেই কাঠামোটি নড়ছিল। তা পরখ করতে গিয়েছিলেন কয়েক জন শ্রমিক। তখনই আচমকা ছাদ ধসে পড়ে। নীচে সকলে চাপা পড়ে যান।

    কেন ভেঙে পড়ল এই গোডাউন?

    প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, লোহার বীম বা পিলারের ধারণ ক্ষমতা ছিল না। বিপুল পরিমাণ কংক্রিটের ঢালাই ধরে রাখা বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। টিনের উপর কংক্রিটের ঢালাই করে তৈরি হচ্ছিল এই গোডাউনের ছাদ। সেটি উপরে থেকে সরাসরি নেমে দুমড়ে ভিতরে ঢুকে গিয়েছে। লোহার বীমের উপর এই ঢালাই চাপানো হয়েছিল, তা ভার বহন করতে পারেনি। তাই দুমড়ে নীচে ঢুকে এসেছে। যাঁরা নীচে ছিলেন, তাঁদের চাপা দিয়ে দিয়েছে সেটি। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাকেশ সিং। তিনি বলেন, “পোর্ট ট্রাস্ট চেয়ারম্যান থেকে লিজ নিয়েছিলেন শম্ভু বেরা বলে একজন। কী বানানো হচ্ছিল, কী সিকিউরিটি ছিল, সেটা জানি না। তবে ৫০-৬০ জন শ্রমিক এর মধ্যে রয়েছেন।”

    কাদের অনুমতিতে বেআইনি নির্মাণ?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, তারাতলার গুদামটিতে নির্মাণের কাজ চলছিল গত দেড় বছর ধরে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, এটি বন্দর কর্তৃপক্ষের জমি। তা একটি চা সংস্থাকে লিজে দেওয়া হয়েছে। গুদামের ঠিকাদারও ভিতরে আটকে পড়েছেন বলে খবর। কয়েক হাজার বর্গফুট জুড়ে বিস্তৃত এই গুদামের ভিতরে একটি জায়গায় ছিল শ্রমিকদের থাকার ব্যবস্থা। এদিকে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিজেপি নেতা রাকেশ সিং অভিযোগ করেন, দিনের পর দিন এলাকায় বেআইনি নির্মাণ চলেছে। অবিলম্বে ঠিকাদার সংস্থার কর্তাকে গ্রেফতার করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। ইঞ্জিনিয়াররাও জানাচ্ছেন, এভাবে নির্মাণ করার ক্ষেত্রে কার অনুমোদন ছিল, সেটাও খতিয়ে দেখা উচিত।

    তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘাড়ধাক্কা

    দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন অগ্নিমিত্রা পাল, ইন্দ্রনীল খাঁ, রয়েছেন কলকাতা পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ, পুলিশের ডিসি-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তৃণমূল কাউন্সিলর সেখানে পৌঁছতেই তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়। জানা যাচ্ছে, দেড় বছর ধরে নির্মাণকাজ চলছিল। আর তাতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনোয়ার খান ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ বলে একাংশের দাবি।

    কাঠামোর নীচ থেকে মানুষের আর্তনাদ

    তারাতলায় (Taratala Godown Collapse) ভেঙে পড়া গুদামের ভিতর আটকে রয়েছেন এখনও বেশ কয়েক জন। তাঁরা সংখ্যায় কত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে গুদামের লোহা এবং কংক্রিটের কাঠামোর নীচ থেকে এখনও মানুষের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সেনা। উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে তারা। আগে থেকেই ঘটনাস্থলে রয়েছেন দমকল এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলাকারী দল বা এনডিআরএফ-এর সদস্যেরা। উদ্ধারকাজে গতি আনতে একাধিক ক্রেন নিয়ে যাওয়া হয়েছে ঘটনাস্থলে। ৫০ টন পর্যন্ত ওজন তুলতে পারে, এমন হাইড্রোলিক ক্রেনও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই ক্রেনের সাহায্যে ভেঙে পড়া কাঠামোটিকে আটকে রাখা হয়েছে, যাতে সেটি নতুন করে আর ধসে যেতে না পারে। ড্রোন উড়িয়ে চলছে উদ্ধারকাজ।

    দ্রুতগতিতে চলছে উদ্ধার

    প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, গুদামটি প্রায় ২০ হাজার বর্গফুট এলাকার উপর ছিল। মূল কাঠামোটির ভিতর কোনও দেওয়াল বা আলাদা কক্ষ না-থাকায় গোটা অংশটাই এক সঙ্গে ভেঙে পড়ে। প্রথমে ভেঙে পড়া কাঠামোর পিছন দিকে একটি জায়গা দিয়ে মাটি কেটে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন উদ্ধারকারীরা। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি। তার পর হাইড্রলিক মই বেয়ে উপরে উঠেও ভিতরে আটকে পড়া মানুষজনকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঢালাইয়ের পুরু স্তর এবং লোহার বিম ভেদ করতে গিয়ে বেগ পেতে হয়। তবে কিছু অংশ ছিদ্র করে ভিতরে হাওয়া চলাচলের বন্দোবস্ত করা হয়। ভিতরে আটকদের চিহ্নিত করতেও কিছুটা সুবিধা হয়।

    নবান্নের তরফে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম 

    এখনও পর্যন্ত ভেঙে পড়া গুদামের ভিতর থেকে ১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের গুরুতর জখম অবস্থায় পাঠানো হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। বাকিদের সন্ধানে স্নিফার ডগ নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে বড় জেনারেটর নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাতেও উদ্ধারকাজ চলতে পারে, এমনটা ধরে নিয়েই বিদ্যুতের জোগানের বন্দোবস্ত করে রাখছেন উদ্ধারকারীরা। ঘটনাস্থলে তৈরি করা হচ্ছে অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প। রয়েছে একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স। আহতদের উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গেই যাতে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া যায়, সময় যাতে নষ্ট না হয়, তার জন্য অ্যাম্বুল্যান্স প্রস্তুত। নবান্নের তরফে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বরও (1070, 8697981070, 033 22143526 এবং 033 22535185)। মুখ্যমন্ত্রী গোটা ঘটনার উপর নজর রাখছেন।

  • Suvendu Adhikari: ‘বছরে ১১০০ কোটি ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে দুবাই’! বিধানসভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘বছরে ১১০০ কোটি ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে দুবাই’! বিধানসভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা মতোই কাজ করছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মেনেই বাংলাকে দুর্নীতি মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর বিজেপিও। দায়িত্ব নেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, দুর্নীতি থেকে অপরাধ, সবকিছুর ফাইল খুলবেন তিনি। সেই মোতাবেক কাজও হচ্ছে। খুলছে একের পর এক দুর্নীতির ফাইল। গ্রেফতরাও হয়েছেন তৃণমূলের বহু নেতা, কাউন্সিলর ও প্রাক্তন বিধায়ক। আর মঙ্গলবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তৎকালীন তৃণমূল সরকার কোন কোন প্রকল্পে দুর্নীতি করেছে, তার তথ্য তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    বীরভূমের পাথর খাদান কেলেঙ্কারি

    বীরভূমের পাথর খাদান থেকে বেআইনিভাবে পাথর পাচার করে কীভাবে বছরে প্রায় ১১০০ থেকে ১২০০ কোটি টাকা লুট হয়ে ‘ক্যামাক স্ট্রিট’ হয়ে সরাসরি দুবাইয়ে চলে গেছে, এদিন বিধানসভায় তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসেব দেন শুভেন্দু অধিকারী। নিজের দাবির সপক্ষে তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, বীরভূমের পাথর খাদান থেকে আগের জমানায় বছরে যেখানে মাত্র ৬০ কোটি টাকা রাজস্ব আসত, সেখানে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই তা বেড়ে ৮৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এই রাজস্ব ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ছুঁয়ে ফেলবে। আর এই হিসেব কষেই মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করতে চান যে, প্রতি বছর বাকি ১১০০ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সোজা পৌঁছে যেত ক্যামাক স্ট্রিট ও দুবাইয়ে।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে দুর্নীতি

    সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে তৃণমূলের জনপ্রিয় প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায়। শুধু মহিলা নয়, পুরুষরাও পেয়েছেন টাকা। তিনি জানান, লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার প্রকল্পে প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো উপভোক্তা পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, ভুয়ো নামের আড়ালে বছরে ৫৪০০ কোটি টাকা শুধু এই একটি প্রকল্প থেকেই লুট করা হয়েছে। নবান্নের চোদ্দ তলা সব জেনেবুঝেই এই বিপুল পরিমাণ গরিবের টাকা ও সাধারণ মানুষের করের টাকা লুট হতে দিয়েছে বলে তোপ দাগেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেই সরকার যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করেছে, কাদের জন্য চালু করেছেন? পুরুষদের পাওয়ার কথা? আপনি কতজন পুরুষকে দিয়েছেন? জঙ্গিপুর ব্লক, মুর্শিদাবাদ ও বহরমপুর ব্লক, ডোমকল ব্লক, এখানে ভুয়ো কত দেখুন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ৫৬৮টি অ্যাকাউন্ট। যার মধ্যে ডোমকলে ৫৩৭ আর ৩১ বহরমপুরে।

    আই-প্যাক-এও কোটি কোটি টাকার ‘লুট’

    এদিন আই-প্যাক (I-PAC)-এর প্রসঙ্গও টেনে আনেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বতন সরকারের সব দফতর থেকেই চুরি হয়েছে। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের এক ঠিকাদার কাকদ্বীপের স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি আই-প্যাকের অ্যাকাউন্টে ১০ কোটি টাকা ট্রান্সফার করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, এই সব কিছুরই তদন্ত হবে।

    স্কলারশিপ-এও দুর্নীতি

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ‘মাইনোরিটি স্কলারশিপ’-এও দুর্নীতি হয়েছে। ৩০৭৬ ভুয়ো অ্যাকাউন্ট-এর মাধ্যমে হয়েছে। এলপিজি বেনিফিট – প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা ২৯৮ টি অ্যাকাউন্ট ভুয়ো। এখানেও দুর্নীতি করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বার্ধক্যভাতার টাকাতেও দুর্নীতি করেছে তৃণমূল। ৪৮ ভুয়ো অ্যাকাউন্টে ঢুকত টাকা। শিক্ষাশ্রী এসসি, এসটি-তে ৭১৫ টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টে ঢুকত টাকা। মেধাশ্রী ওবিসি-তে ২০৪ অ্যাকাউন্টে ঢুকত টাকা। ‘তপশিলি বন্ধু’ প্রকল্পের ৬৫৩০ অ্যাকাউন্টে ঢুকত টাকা। ‘জয় জোহর’ (Jai Johar) প্রকল্পে, আদিবাসীদের টাকাও তুলে নিয়েছে এরা। ২২৩৫ অ্যাকাউন্টে ঢুকত টাকা। ন্যাশনাল স্কলারশিপ এসসি, এসটি ও ওবিসি-তে ৭৯টি অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত।

    পূর্বতন সরকারের আচরণ

    মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের বড় অংশ জুড়ে ছিল, বিগত সরকার তাঁর সঙ্গে কী আচরণ করেছে। ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার কথা মনে করিয়ে তিনি বলেন, সেই সময় মৃত্যু হয়েছিল ৫৭ জনের। এফআইআর হয়েছিল ২০০০-এর বেশি। সেখানে এ বছর পুলিশের করা স্বতপ্রবৃত্ত এফআইআর মিলিয়ে অভিযোগের সংখ্যা ২৬২। দিনের পর দিন বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছিল, কত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর ভাষণে। পাল্টা ক্ষমতায় এসে সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসা নিয়ে তিনি যে কোনও বাধা দেননি, সেই কথাও মনে করিয়ে দেন।

    বণিকসভাতেও দুর্নীতি

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন যে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে বাণিজ্য সম্মেলনের জন্য ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা সংক্ষেপে ফিকিকে (FICCI) নিয়ম বহির্ভূতভাবে ৩২৪.৭৩ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ‘‘বিজিবিএসের নথি দেখলেই বোঝা যাবে, সরকার ফিকিকে ৩২৪.৭৩ কোটি টাকা দিয়েছে। প্রয়োজনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্বাক্ষরও দেখা যেতে পারে। তবে এটি পুরো ঘটনার কেবলমাত্র হিমশৈলের চূড়া মাত্র।’’ একইসঙ্গে তিনি জানান, অভিযোগগুলির তদন্তে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে। এই কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এডিজি পদমর্যাদার আইপিএস কে জয়রামন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মনরেগা, আবাস যোজনা, জল জীবন মিশন এবং লক্ষ্মীর ভান্ডার-সহ বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ এই কমিশনের সামনে জমা পড়বে। তাঁর কথায়, ‘‘যাঁরা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’

    অনু্প্রবেশ নিয়ে ফের সরব শুভেন্দু

    মঙ্গলবার ফের অনুপ্রবেশ রোধে নিজের সরকারের কড়া অবস্থানের কথা জানান শুভেন্দু। বিএসএফ-কে কত জমি তুলে দেওয়া হয়েছে, সেই খতিয়ান তুলে ধরেন। এখনও পর্যন্ত ১০ হাজার অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে পুশব্যাক করা হয়েছে বা ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে বিধানসভায় জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘‘সিএএ-র আওতায় যাঁরা আসেননি, বাকি যাঁরা ঢুকে পড়েছেন, এখনও অবধি আমি ১০ হাজার জনকে বার করেছি। আমার কাছে ১২টা হোল্ডিং সেন্টারে আরও ১৮০০ জন অপেক্ষা করছেন। রোজ ও পারে পাঠাচ্ছি। থাকবে না কেউ।’’ তিনি আরও জানান যে, সীমান্তে বেড়া তৈরির কাজের জন্য ইতিমধ্যেই বিএসএফ-কে ১৪২.৭৯ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকার কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হবে। নির্বাচনের প্রচারপর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখে যে স্লোগান শোনা গিয়েছিল যে, মঙ্গলবার শুভেন্দুর মুখেও শোনা গেল সেই কথা, ‘সবকা সাথ, সব কা বিকাশ’।

  • Cristiano Ronaldo: জোড়া গোলে বাজিমাত! উজবেকদের ৫ গোলে ওড়াল পর্তুগাল, কোন কোন রেকর্ড রোনাল্ডোর?

    Cristiano Ronaldo: জোড়া গোলে বাজিমাত! উজবেকদের ৫ গোলে ওড়াল পর্তুগাল, কোন কোন রেকর্ড রোনাল্ডোর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব সমালোচনা উড়িয়ে স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন ঘটালেন সি আর সেভেন। উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে পর্তুগাল। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করে নায়ক রোনাল্ডো। মুগ্ধ ফুটবলপ্রেমীরা। এবার এমন এক কীর্তি গড়লেন রোনাল্ডো, যে রেকর্ড ভাঙা এক প্রকার অসম্ভব। এবারের বিশ্বকাপে মেসি আর রোনাল্ডো এমন দু’জন খেলোয়াড় যাঁরা এই প্রথমবারের জন্য নিজেদের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ (Fifa World Cup 2026) খেলছেন। কিন্তু এর পাশাপাশি রোনাল্ডো প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই ৬ বিশ্বকাপের প্রতিটাতেই গোল করেছেন। এবারের বিশ্বকাপের উজবেকিস্তান ম্যাচ পর্যন্ত ধরলে বিশ্বকাপে মোট ১০ টি গোল করেছেন রোনাল্ডো (Cristiano Ronaldo)।

    নকআউটের দৌড়ে ভাল ভাবে রইল পর্তুগাল

    লিয়োনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হালান্ড— বিশ্বকাপে দাপট দেখানোর প্রতিযোগিতায় কেউ বাকি ছিলেন না। পড়ে ছিলেন শুধু তিনিই। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। প্রথম ম্যাচে হতশ্রী পারফরম্যান্সের জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল করে রোনাল্ডো বুঝিয়ে দিলেন, ‘ফর্ম ইজ টেম্পোরারি, ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট’। মঙ্গলবার হিউস্টনে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে নকআউটের দৌড়ে ভাল ভাবে টিকে থাকল পর্তুগাল। শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ড্র করলেই নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাবে। কঙ্গোর বিরুদ্ধে খারাপ খেলার পর কেন তাঁকে পর্তুগালের প্রথম একাদশে রাখা হবে, সেটা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। তবে কোচ থেকে ফুটবলার, সকলেই ছিলেন রোনাল্ডোর পাশে। কোচ রবার্তো মার্তিনেজ উজবেকিস্তান ম্যাচেও প্রথম একাদশে রেখেছিলেন রোনাল্ডোকে। কোচের বিশ্বাস রাখলেন সি আর সেভেন।

    রোনাল্ডোর রেকর্ড ভাঙা এক প্রকার অসম্ভব

    ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে ইরানের বিরুদ্ধে নিজের প্রথম গোল করেন তিনি। এরপর ২০১০ সালের বিশ্বকাপে তিনি উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে একটি গোল করেন। সেই ম্যাচে ৭-০ জিতেছিল পর্তুগাল। এরপর ২০১৪ বিশ্বকাপে ঘানার বিরুদ্ধে একমাত্র গোলটি করেন ক্রিশ্চিয়ানো। ২০১৮ বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেন তিনি স্পেনের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, একটি গোল করেন মরোক্কোর বিরুদ্ধেও। সব মিলিয়ে ওই বছর বিশ্বকাপে মোট ৪ টি গোল করেন তিনি। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে তাঁর একমাত্র গোলটি আসে ঘানার বিরুদ্ধেই। আর তারপর চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে জোড়া গোল করে ৬ বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড গড়লেন রোনাল্ডো। তাঁর এই রেকর্ড ভাঙা এক প্রকার অসম্ভব। কারণ, ফুটবলে ৬ টা বিশ্বকাপ খেলা যে কোনও খেলোয়াড়ের পক্ষে খুবই কঠিন কাজ। এ ছাড়াও ৬ টা বিশ্বকাপ খেললেও প্রতিটা বিশ্বকাপে গোল করা আরও কঠিন। উজবেকিস্তান ম্যাচে আরও একটি রেকর্ড করেচেন ক্রিশ্চিয়ানো। ফুটবল বিশ্বকাপে নিজের দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড় হয়ে গিয়েছেন তিনি। এতদিন বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ গোল ছিল ইউসেবিওর। ৯ টা গোল করেছিলেন তিনি। আর উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে জোড়া গোল করে রোনাল্ডো করে ফেললেন মোট ১০ টি গোল। এর ফলে, পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ স্কোরারের নাম এখনও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।

  • Suvendu Adhikari: ‘অধিবেশনের শেষ দিনই আসছে আইন’! দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে বিল আনার বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘অধিবেশনের শেষ দিনই আসছে আইন’! দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে বিল আনার বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অনড় শুভেন্দু-সরকার। বিধানসভায় জবাবি ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করলেন, শুধু গ্রেফতার নয়, অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও নিলামের জন্যও নতুন আইন আনার প্রস্তুতি চলছে। রাজ্যপালের ভাষণের পরিপ্রেক্ষিতে ধন্যবাদ জ্ঞাপক প্রস্তাবে বক্তৃতা করতে গিয়ে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই অধিবেশনের শেষ দিনেই দুর্নীতি রোধে আরও কড়া আইন আনা হচ্ছে। সেই আইন কার্যকর হলে দোষীদের শুধু জেল হবে না, দুর্নীতিকারীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিলাম করা হবে।

    তৃণমূল আর ফিরবে না

    নাম না-করে এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। পূর্বতন তৃণমূল সরকার তাঁর সঙ্গে কী কী করেছিল, তা-ও মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। সেই সঙ্গে নিজের ভাষণে বার বার তিনি বলতে ছাড়েননি যে, ‘‘তৃণমূল আর ফিরবে না।’’ আমতলায় তৃণমূলের প্রাসাদোপম পার্টি অফিস। কিংবা কালীঘাটে হরিশ মুখোপাধ্যায় রোডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি। বিভিন্ন সময় আলোচনার কেন্দ্রে উঠেছে। এবার নাম না করে বিধানসভায় ওই ‘প্রাসাদগুলি’ নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বিধানসভায় তিনি বলে দিলেন, “ওই প্রাসাদগুলোতে কলকাতার রাস্তায় যাঁরা রাতের বেলা ফ্লাইওভারে নিচে থাকেন, তাঁদের রাখাব।”

    ১১০০ কোটি ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে যেত দুবাই!

    এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “৪ লক্ষ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট। কেউ কেউ জ্ঞান দিচ্ছিলেন, টাকা আসবে কোথা থেকে। টাকা কোথা থেকে আসবে জানেন? বীরভূমে পাথরে কী করেছেন জানেন? এক বছরে বীরভূমের পাথর থেকে রাজস্ব দিয়েছেন ৬০ কোটি টাকা। আর আমরা একমাসে রাজস্ব দিয়েছি ৮৩ কোটি। এটা ১০০ কোটি হবে। এক বছরে ১২০০ কোটি টাকা। আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তহবিলে ১০০ কোটি, বাকি ১১০০ কোটি ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে যেত দুবাই।”

    অধিবেশনের শেষ দিন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বিল

    মঙ্গলবার বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, রাজ্যে তোলাবাজি, মাফিয়ারাজ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তিনি জানান, সংগঠিত অপরাধ এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, চলতি অধিবেশনেই এমন একটি বিল আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আইনি কাঠামো (Property Seizure Bill) তৈরি করা হবে। পাশাপাশি সেই সম্পত্তি নিলামের ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “সবার হিসেব হবে। আমার দফতর স্বরাষ্ট্র দফতর এই অধিবেশনেই বিল আনছে। বিধানসভায় বিএ (বিজনেস অ্যাডভাইসরি) কমিটি অনুমোদন দিলেই অধিবেশনের শেষ দিন বিল আসবে। অনেকেই ভাবছেন, ২ মাস থাকলাম (জেলে)। তারপর আইনি লড়াই করে বেরিয়ে এলাম। বিল আসছে। সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করব। সম্পত্তির নিলাম করব।”

    কোনও চোরকে ছাড়া হবে না

    এদিন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, আপনি যা যা পদক্ষেপ করছেন, পূর্ণ সমর্থন করছি। কিন্তু, যাঁরা যাঁরা হঠাৎ তৃণমূলের সঙ্গে ঝগড়া করে বাঁচার চেষ্টা করছেন, তাঁদের একটাকে বাঁচতে দেবেন না।” তার জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কোনও চোরকে ছাড়া হবে না। একটাও গুণ্ডা মাফিয়া জেলের বাইরে থাকবে না। স্বরাষ্ট্র দফতর আমার। আপনারা যদি ওদের বিরুদ্ধে কোনও চুরি, দুর্নীতি, ত্রিপল লুকিয়ে রাখা, অবৈধ সম্পত্তির কোনও তথ্য থাকে, লিখিতভাবে দেবেন, আমরা ব্যবস্থা নেব। কথা দিলাম।”

    আগাগোড়া আক্রমণাত্মক মুখ্যমন্ত্রী

    ভাষণ দিতে গিয়ে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন আগাগোড়া আক্রমণাত্মক। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান, শওকত মোল্লাদের কোনও ভাবে ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁর বক্তৃতায় উঠে আসে বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্তের প্রসঙ্গও। সব্যসাচীর সোনা-কেনা প্রসঙ্গ নিয়ে বলেন, ‘‘সমস্ত সোনা কেনা হয়েছে ২০২১ সালের পরে।’’ প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, সব্যসাচীর মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ছ’কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, দেড় কেজি রুপো বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ও আদালতে জানিয়েছে পুলিশ।

    নাম না করে মমতাকে নিশানা

    নথি দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, আগের সরকারের আমলে বাণিজ্য সম্মেলনে ফিকিকে ৩২৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল নিয়ম বহির্ভূত ভাবে। তাঁর কথায়, ‘‘বিজিবিএস দেখবেন? সরকার ৩২৪.৭৩ কোটি টাকা ফিকি (ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডিস্ট্রি)-কে দিয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সই দেখবেন নাকি? ৩২৪ কোটি টাকা। এ তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র!’’ শুভেন্দুর প্রশ্ন, ‘‘আপনি কি এটা করতে পারেন?’’ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘একটা কমিশন হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু এবং মেম্বার সেক্রেটারি, যাঁর নাম শুনলে অনেকেই আপনারা ভয় পান, এডিজি র‍্যাঙ্কের আইপিএস কে জয়রামনকে নিয়ে। যত চুরি করেছেন, মনরেগার চুরি, আবাসের চুরি, জল জীবন মিশনের চুরি, লক্ষ্মীর ভান্ডারের চুরি— যত চুরি করেছেন, এই কমিশনে অভিযোগ পড়বে এবং তাঁদের শ্রীঘরে যেতে হবে।’’

    ইউপিএসসি-র মতো নিয়োগ

    তার পরেই শুভেন্দু স্পষ্ট করেছেন, এ বার থেকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও ভাবেই পক্ষপাতদুষ্টতা থাকবে না, স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ করা হবে। কোনও রাজনীতিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন না। ইউপিএসসি-র মতো নিয়োগ হবে। বাজেটেও সে কথা জানিয়েছে সরকার। এদিন শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করার বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে। তাঁর বক্তব্য, জনস্বার্থ রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

  • Pune Murder: পরিকল্পিত খুন! কেতনকে বিয়ের আগে পাহাড় থেকে ফেলে দেন বাগদত্তা ও তাঁর বন্ধু, অনুমান তদন্তকারীদের

    Pune Murder: পরিকল্পিত খুন! কেতনকে বিয়ের আগে পাহাড় থেকে ফেলে দেন বাগদত্তা ও তাঁর বন্ধু, অনুমান তদন্তকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের পুণেতে ব্যবসায়ীর (Pune Murder) ছেলে কেতনবিশাল আগরওলকে (Ketan Bishal Agarwal) পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছিল বলে অনুমান পুলিশের। তদন্তকারী সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে এটিকে দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও, এটি নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে বড় কোনও ষড়যন্ত্র। পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে কেতনকে। পাহাড়ে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আর এই ঘটনার স্মৃতি উস্কে দিয়েছে মেঘালয়ে রাজা রঘুবংশী হত্যাকাণ্ডকে। গত বছরের মে মাসে মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় স্বামী রাজা রঘুবংশীকে নিয়ে গিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে মিলে খুন করার অভিযোগ ওঠে সদ্যবিবাহিত স্ত্রী সোনম রঘুবংশীর বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। গ্রেফতার হয়েছেন সোনম, তাঁর প্রেমিক-সহ ন’জন।

    কেতন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মেঘালয়ের মিল

    কেতন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মেঘালয়ের মিল পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। পুণে গ্রামীণ পুলিশের এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, ‘‘ব্যবসায়ীপুত্রের মৃত্যুর ঘটনায় বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর এটা নিশ্চিত যে, কেতনের মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটি পরিকল্পিত হত্যা। ইতিমধ্যেই কেতনের বাগদত্তা এবং তাঁর এক পুরুষ বন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন বাগদত্তা সিয়া প্রবীণ বাসেশ্বর গয়াল এবং তাঁর বন্ধুর সঙ্গে পুণের লোহাগড় দুর্গে বেড়াতে গিয়েছিলেন ব্যবসায়ীপুত্র কেতন। পাহাড়ের উপরে সেই দুর্গে নিজস্বী তুলতে গিয়ে পা পিছলে ৪৫০ ফুট গভীর খাদে পড়ে যান। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক ভাবে এটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্ত যত এগিয়েছে, এমন বেশ কিছু তথ্য মিলেছে, যা থেকে এই ঘটনাকে স্রেফ দুর্ঘটনা বলে মেনে নিতে পারেননি তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যা।

    কেতনের বাগদত্তা সিয়ার কথায় বেশ কিছু অসঙ্গতি

    তদন্তকারীদের দাবি, কেতনের বাগদত্তা সিয়ার কথায় বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। সিয়ার ফোন, সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কল ডিটেল-সহ বেশ কিছু গতিবিধি পরীক্ষা করার পর তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, অন্য এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কেতনের বাগদত্তার। পুলিশের দাবি, সেই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন সিয়া। কিন্তু কেতনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে পাকাপাকি হয়ে গিয়েছিল। জুলাইয়েই তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। জয়পুরে একটি বড় মহলও বিয়ের জন্য বুক করেছিল কেতনের পরিবার। সিয়ার প্রেমের সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন কেতন। তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। গত ১৯ জুন ছিল কেতনের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে লোহাগড় দুর্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন কেতন, তাঁর বাদগত্তা এবং কয়েক জন বন্ধু। বিয়ের আগে একটা ‘ট্যুর প্ল্যান’ করেছিলেন কেতন। সেখানেই এই ভয়াবহ পরিকল্পনাকে পরিণতি দেওয়া হয়, অনুমান তদন্তকারীদের।

  • Shyama Prasad Mukherjee: ‘শ্যামাপ্রসাদকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল’, বলিদান দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়ে আক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর

    Shyama Prasad Mukherjee: ‘শ্যামাপ্রসাদকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল’, বলিদান দিবসে শ্রদ্ধা জানিয়ে আক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ‘রহস্যমৃত্যুকে’ চক্রান্ত বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ‘বলিদান দিবসে’ পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে চড়া সুরে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার কলকাতার হাজরা মোড়ে বিজেপির যুব মোর্চার রক্তদান শিবিরে যোগ দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, স্বামী প্রণবানন্দের কাজকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।’ শ্যামাপ্রসাদের আদর্শেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার, ২৩ জুন ‘ভারত কেশরী’ শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আক্ষেপ, ‘‘তাঁর (Shyama Prasad Mukherjee) মৃত্যু নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। আসল ঘটনা আড়ালে ছিল। ইচ্ছে করে ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।”

    শ্যামাপ্রসাদের রাষ্ট্রবাদী চেতনা আর আদর্শই পথ

    বদলের বাংলায় ক্রমশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তাঁর জন্মদিন ৬ জুলাই সরকারি ছুটি, বিরাট মূর্তি গড়ায় উদ্যোগ আগেই গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। এবার শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুরহস্য নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আজ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুদিন। সকাল থেকে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর বিশাল মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে একে একে বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরা জড়ো হন। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল প্রথমে মাল্যদান করেন। এরপর একে একে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন, ড: হরেকৃষ্ণ বেরা, কৌশিক চৌধুরীরা। মূর্তিতে মাল্যদান করে, প্রণাম জানিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ

    শ্যামাপ্রসাদ প্রসঙ্গে বিগত তৃণমূল সরকারকে জামাতের সঙ্গে তুলনা করে তাঁর বক্তব্য, ‘‘আগের সরকার শ্যামাপ্রসাদকে ভুলিয়ে রেখেছিল। কিন্তু মনে রাখতে হবে, তিনি না হলে হিন্দু বাঙালি মাতৃভূমি পেত না। পাকিস্তানে চলে যেতে হতো। সেই জায়গা থেকে উনিই আমাদের বাঁচিয়েছেন। এখন থেকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের রাষ্ট্রবাদী চেতনা আর আদর্শ নিয়ে আমরা চলব।” নাম না করে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন,‘‘ভবানীপুরে আমার কাছে দু’বার হেরেছেন। তিনি শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে দেননি।” যুব মোর্চা অনেক কষ্টে ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদের বাড়ির সামনে বলিদান দিবস পালন করতেন বলেও জানান তিনি।

    শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ পালন

    ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যের প্রত্যেক স্কুলে ‘শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ’ পালনের কথা জানিয়েছেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কেওড়াতলার অনুষ্ঠান সেরে হাজরা মোড়ে যুব বিজেপির রক্তদান শিবিরে অংশ নেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তাঁকে ঘিরে রীতিমতো জনতার ভিড় দেখা যায়। এই অনুষ্ঠানেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান নিয়ে কথা বলেন শুভেন্দু। এ বারই প্রথম কলকাতা পুরসভা এবং তথ্য সংস্কৃতি দফতর যৌথ ভাবে বলিদান দিবস পালন করেছে বলেও জানান তিনি।

    শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের দাবি

    জম্মু-কাশ্মীরে ঢোকার জন্য ‘পারমিট প্রথা’-র বিরোধিতা করে আন্দোলন শুরু করেন শ্যামাপ্রসাদ। মে মাসে তাঁকে গ্রেফতার করে শ্রীনগর পুলিশ। বন্দি থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শ্রীনগরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানেই ১৯৫৩ সালের ২৩ জুন মৃত্যু হয় তাঁর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যু হয়েছে বলে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করলেও বিজেপির তাতে তীব্র আপত্তি রয়েছে। শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের দাবি করে শুভেন্দু বলেন, ‘তিনি এক দেশ, এক নিশান (পতাকা), এক বিধান (সংবিধান)-এর দাবি করেছিলেন। তাই তাঁকে অসময়ে-অকালে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’ ২৩ জুন বিজেপি ও জনসংঘের আদর্শে বিশ্বাসী কর্মী-সমর্থকদের কাছে ‘বলিদান দিবস’ হিসেবে পরিচিত।

    ‘বলিদান দিবস’-এর তাৎপর্য

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (Shyama Prasad)কলকাতায় তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তাঁর মৃত্যু নিয়ে ফের বিতর্ক উসকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু কোনও স্বাভাবিক ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি “ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ড”। কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত করার আন্দোলনের কারণেই তাঁকে জীবন উৎসর্গ করতে হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ২৩ জুন বিজেপি ও জনসংঘের আদর্শে বিশ্বাসী কর্মী-সমর্থকদের কাছে ‘বলিদান দিবস’ হিসেবে পরিচিত। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “দেশের অখণ্ডতার জন্য লড়াই করতে গিয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রাণ দিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু এবং তাঁর আদর্শ আজও ভারতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে বিজেপি ও তার আদর্শিক শিকড় জনসংঘের কাছে তিনি জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রতীক। তাই তাঁর মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক এবং রহস্যের প্রশ্নও সময় সময় রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে।

    শ্যামাপ্রসাদের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে দেওয়া হয়নি

    হুগলির বলাগড়ের জিরাটে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক ভিটেতে ১২৫ ফুট উঁচু নতুন মূর্তি নির্মাণের ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পুরোনো বাড়ির আমূল সংস্কার ও আশপাশের এলাকার সৌন্দর্যায়নের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বাজেটে। আগামী ৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিনে তার কাজ শুরু হবে বলে ঘোষণা করলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘তাঁর আবির্ভাব দিবসেই ভূমি পুজোর কাজ শুরু হবে।’  বঙ্গীয় আইনসভায় ৫৮-২১ ভোটে পশ্চিমবঙ্গের ভারত-ভুক্তির প্রসঙ্গও তোলেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারকেশ্বরে হিন্দু মহা সম্মেলনে রেজোলিউশন পাশ করিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ। আপনারা বিশ্বাস রাখুন, এই সরকার তাঁর আদর্শে চলবে।’

  • Sabyasachi Dutta: পার্থর পরে সব্যসাচী! ধৃত তৃণমূল নেতার বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার কেজি কেজি সোনা

    Sabyasachi Dutta: পার্থর পরে সব্যসাচী! ধৃত তৃণমূল নেতার বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার কেজি কেজি সোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা নগদের পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছিল পাঁচ কিলো সোনা! চার বছর পরে তারই একটি ঝলক দেখা গেল রাজ্যে। এবার সল্টলেকের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সব্যসাচী দত্তের (Sabyasachi Dutta) বান্ধবীর বাড়িতে বিপুল সোনার খোঁজ পেল পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে সব্যসাচীকে নিয়ে নদীয়ার করিমপুরের কিশোরপুরে টিনা ভৌমিক সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালায় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, সেখানে মোট ৩ থেকে সাড়ে তিন কিলো সোনার গয়না মিলেছে। যার বাজার মূল্য কোটি টাকার উপরে। ইতিমধ্য়েই সামনে এসেছে উদ্ধার হওয়া সোনার ছবি।

    কীভাবে নজরে এল সোনা

    গত ৮ জুন তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হন সব্যসাচী দত্ত। আজ, মঙ্গলবার তাঁর পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর এরই মধ্য়ে নতুন তথ্য সামনে এল। জানা গিয়েছে, সব্যসাচীকে সঙ্গে নিয়ে নদিয়ার তেহট্ট ও করিমপুরে তল্লাশি চালায় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। তল্লাশি চলে তৃণমূল নেত্রী তথা সব্যসাচী ঘনিষ্ঠ টিনা ভৌমিক সাহার বাপের বাড়ি ও শ্বশুর বাড়িতে। পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্তে উঠে এসেছে যে সব্যসাচীর টাকাতেই ওই সোনা কিনে রাখা ছিল টিনার বাড়িতে। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ধৃত সব্যসাচীর বাড়ি থেকে ৫০ কেজি সোনা কেনার রশিদ মিলেছে। তারপরই শুরু হয় তল্লাশি। টিনার দুই বাড়ি থেকে তিন কেজি অর্থাৎ ৪ কোটি টাকা বেশি মূল্যের সোনা উদ্ধার করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শাঁখা বাঁধানো, পলা বাঁধানো, চওড়া হার, চুড়ি, লকেট, চূড় সবই রয়েছে। এছাড়াও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু জমির কাগজপত্র। বৃহস্পতিবার টিনাকে বিধাননগর থানায় সশরীরে হাজিরার নোটিস দেওয়া হয়।

    তৃণমূল জেলা পরিষদের সদস্য টিনা

    নদিয়া তৃণমূল জেলা পরিষদের সদস্য টিনা সাহা ভৌমিক। এছাড়া নদিয়া জেলায় তৃণমূলের বঙ্গজননীর সভানেত্রী ছিলেন তিনি। সব্যসাচীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে জানা যায়। বিধায়ক তাপস সাহার সঙ্গে টিনার দ্বন্দ্ব ছিল বলেও চর্চা রয়েছে। বিধায়কের অভিযোগ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বেশ কয়েকজনকে চাকরি দিয়েছিলেন এই টিনা। তৃণমূল নেত্রীর দাবি, রাজনৈতিক কারণে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। রাজনৈতিক সম্পর্ক ছাড়া সব্যসাচী দত্তর সঙ্গে তাঁদের আর কোনও সম্পর্ক নেই। ২০২৫ সালে পরিচয় বলে জানান টিনা। বার চারেক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়েছেন সব্যসাচী দত্ত। টিনার অভিযোগ, তাঁর মা, ভাইয়ের স্ত্রী সহ পরিবারের সাত মহিলার সব গয়না বাজেয়াপ্ত করেছে। তিনি আইনি পথে হাঁটবেন।

    রাতভর তল্লাশি, কী বলছে পুলিশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাতভর তল্লাশি অভিযান চালিয়ে টিনার বাড়ি থেকে তিন কেজি সোনার গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, যে বাড়ি থেকে সোনা উদ্ধার হয়েছে, সেটি টিনার বাবা কাঞ্চন ভৌমিকের। সোমবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ ওই বাড়িতে যায় বিধাননগর উত্তর এবং করিমপুর থানার পুলিশের একটি দল। ওই দলে ছিলেন ৭ জন পুলিশ আধিকারিক। ২১ জন পুলিশকর্মী গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলেন। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ একটি লাল স্করপিও গাড়িতে করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় সব্যসাচীকে। এত পরিমাণ সোনা কিভাবে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তের নিউটাউনের ফ্ল্যাট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার সোনা কেনার রসিদ পেয়েছিল পুলিশ। মোট কত টাকার সোনা কিনেছেন, সেই টাকার উৎস কী, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁর ফ্ল্যাট থেকে ৭০-৮০ গ্রাম সোনার গয়নাও উদ্ধার হয়। এরাব বিপুল সোনা মিলল তাঁর বান্ধবীর বাড়ি থেকে।

    তোলাবাজির টাকা দিয়ে সোনা কিনতেন সব্যসাচী

    গত ৮ জুন তোলাবাজির অভিযোগে সব্যসাচীকে গ্রেফতার করেছিল বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। তার পর তৃণমূল নেতাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। এর আগে সব্যসাচীর রাজারহাটের ফ্ল্যাট এবং ব্যাঙ্কের লকার মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কেজি সোনার সন্ধান পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন যে, তোলাবাজির টাকা দিয়ে সোনা কিনে রাখতেন সব্যসাচী। এর আগে সব্যসাচী এবং তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রানী দত্তের পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত (ফ্রিজ়) করেছে পুলিশ। পুলিশের তরফে জানানো হয়, ওই পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মেয়াদি আমানত (ফিক্সড ডিপোজ়িট), নগদ মিলিয়ে ৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই বিপুল টাকার উৎস কী, তা জানতে তথ্য জোগাড় করছে পুলিশ।

    টিনার সব সম্পত্তি খতিয়ে দেখার আর্জি

    তোলাবাজি সংক্রান্ত মামলায় এর আগে সব্যসাচী-‘ঘনিষ্ঠ’ টিনাকে তলব করেছিল পুলিশ। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। তার মধ্যে তাঁর পৈতৃক বাড়়িতে তল্লাশি অভিযান চালাল পুলিশ। টিনার বাবা কাঞ্চন নাজিরপুর বাজারে একটি কাপড়ের দোকান চালান। স্থানীয়দের দাবি, এই বিপুল সোনার মালিক টিনা। যদিও এই বিষয়ে টিনার বক্তব্য জানা যায়নি। তবে কাঞ্চন বলেন, “এগুলি আমাদের পরিবারের গয়না। এর মধ্যে মেয়ের কিছু গয়না থাকলেও থাকতে পারে। সেটা ওর মা ভাল বলতে পারবে।” এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতা সৌমেন সরকার বলেন, “সব্যসাচীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন টিনা। শুধুমাত্র সোনা নয়, নদিয়ার নাজিরপুর এলাকা জুড়ে তাঁর বিপুল সম্পত্তি আছে। কলকাতায় চারটি ফ্ল্যাট আছে। সব বিষয়সম্পত্তি তদন্তের আওতায় এনে খতিয়ে দেখা হোক।”

  • Fifa World Cup 2026: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের নজির মেসির, জোড়া গোল এমবাপের, নকআউটে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স

    Fifa World Cup 2026: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের নজির মেসির, জোড়া গোল এমবাপের, নকআউটে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিরোস্লাভ ক্লোজেকে টপকে বিশ্বকাপের (Fifa World Cup 2026) সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসি। তবুও নিরুত্তাপ-শান্ত। নিজের রেকর্ড নিয়ে খুব একটা হেলদোল নেই মেসির। তিনি বেশি খুশি হয়েছেন আর্জেন্টিনাকে নকআউটে তুলতে পেরে। তাঁর জোড়া গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা-এটা উপরি পাওনা। অস্ট্রিয়া ম্যাচের পর এমনই অভিমত লিও-র। আর্জেন্টিনা ছাড়া সোমবার নকআউটে গেল ফ্রান্সও। মেসির মতোই জোড়া গোল এমবাপের। ২৬-এর বিশ্বকাপে লিয়োনেল মেসিকে তাড়া করছেন কিলিয়ান এমবাপে। মঙ্গলবার ভারতীয় সময় রাতে ক্লোজেকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক গোলের মালিক হয়েছেন মেসি। কয়েক ঘণ্টা পর ক্লোজেকে ছুঁয়ে ফেললেন এমবাপে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনিও করে ফেললেন ১৬ গোল। ছাপিয়ে গেলেন ব্রাজিলের রোনাল্ডোকে।

    আর্জেন্টিনার কাছে ২২ জুন ইতিহাস

    জোড়া গোলে আবার নায়ক লিয়োনেল মেসি। ঠিক ৪০ বছর আগে এই ২২ জুন দিনটিকে দিয়েগো মারাদোনা ফুটবল ইতিহাসের পাতায় তুলে দিয়েছিলেন ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল করে। একই দিনে মেসি রচনা করলেন অন্য এক কীর্তি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার জন্য এদিন একটি গোল দরকার ছিল লিয়োর। সহজতম সুযোগ এসে গিয়েছিল ৯ মিনিটে। বক্সের মধ্যে লাউতারো মার্তিনেজকে একসঙ্গে ট্যাকল করেন অস্ট্রিয়ার দুই ফুটবলার। ভার-এর সাহায্য নিয়ে পেনাল্টি দেন রেফারি। পিছন থেকে ট্যাকল করাতেই সম্ভবত পেনাল্টি দেন তিনি। যদিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের একাংশ সন্তুষ্ট নন। তবে নজর ছিল মেসির দিকে। আর্জেন্টিনার অধিনায়কই পেনাল্টি মারতে এগিয়ে যান। গোটা স্টেডিয়াম তখন বিষ্ফোরণের অপেক্ষায়। কিন্তু গোল করতে পারলেন না মেসি! ডান পোস্টে শট মারেন। কিন্তু শটে তেমন জোর ছিল না! আটকে দিলেন অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক আলেকজান্ডার শ্লেগার। মেসি গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন ১৯ মিনিটেও। এ বার শ্লেগারকে প্রায় একা পেয়েও তাঁর গায়ে মারেন! মেসি-ভক্তেরা যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। মাহেন্দ্রক্ষণ এল ৩৮ মিনিটে। গোল করলেন মেসি। এ বারের বিশ্বকাপে চতুর্থ। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ১৭তম গোল এলএম টেনের।

     দলকে জিতিয়েই খুশি

    অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে দলকে জিতিয়ে মেসি বলেন, “দল জেতায় সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি। খুব দরকার ছিল এই জয়টা। কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। দল নকআউটে ওঠায় মানসিক শান্তি পেয়েছি, যা ভবিষ্যতে আমাদের সাহায্যে করবে। এই বিশ্বকাপে সব ম্যাচই টান টান হবে। কঠোর পরিশ্রম করতে হবে ম্যাচ জিততে গেলে। আমি প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করছি। সতীর্থদের সঙ্গে আনন্দ করার জন্য তর সইছে না।” দু’গোলে জিতলেও অস্ট্রিয়া যথেষ্ট লড়াই করেছে বলে মনে করেন মেসি। জয় যে সহজে আসবে না, এটাও তিনি জানতেন। মেসি বলেন, “জিততে পেরে খুশি হয়েছি। কিন্তু কতটা কষ্ট করে জয় পেতে হয়েছে সেটা সকলেই দেখেছেন। ছ’পয়েন্ট পাওয়া খুব দরকার ছিল। আমরা জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিলাম। তবে এটা জানতাম জয় সহজে আসবে না। এখনকার ফুটবলে কোনও দলই সহজে হাল ছেড়ে দেয় না। প্রতিটা ম্যাচই মনোযোগ দিয়ে খেলতে হয়।”

    সব ম্যাচ জেতাই লক্ষ্য 

    মেসির সংযোজন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল যোগ্যতা অর্জন করা। সব ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে হবে। দলের প্রত্যেকে খুশি। আসলে আমরা একসঙ্গে হলে খুব মজা করতে ভালবাসি। অনুশীলনেও রোজ হাসিঠাট্টার মধ্যে দিয়েই কেটে যায়। সে কারণেই মাঠে নেমে এত ভাল খেলি। আমরা ইতিমধ্যেই অনেককে আনন্দ দিয়েছি। আরও আনন্দ দিতে চাই। পেনাল্টি নষ্ট করার পর নিজের উপরেই খুব রেগে গিয়েছিলাম। দিনের শেষে সেটা অবশ্য মাথায় নেই।” অস্ট্রিয়া ম্যাচেই বিশ্বকাপের নকআউট নিশ্চিত করে নিতে চেয়েছিলেন লিয়োনেল স্কালোনি। যে কোনও পেশাদার কোচ তাই চাইবেন। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী কোচও ব্যতিক্রম নন। সোমবার দলকে শুরু থেকেই আগ্রাসী ফুটবল খেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেইমতো খেলে নীল-সাদা। এদিন বিশ্বকাপে মেসির ১৮তম গোলও করেন মেসি। এ বারেই দু’ম্যাচে পাঁচটি।

    দেড় ঘণ্টার ম্যাচ চলল ৪ ঘণ্টা

    অন্যদিকে, প্রত্যাশা মতোই ইরাককে ৩-০ গোলে হারাল ফ্রান্স। আরও এক বার জোড়া গোল করলেন এমবাপে। কিন্তু এই ম্যাচে সবকিছুকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে আমেরিকার আবহাওয়া। দেড় ঘণ্টার ম্যাচ চলল ৪ ঘণ্টা ধরে। ১৫ মিনিটের বিরতি বেড়ে হল ১৩১ মিনিটের। ফলে যে খেলা ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ শেষ হয়ে যাওয়া উচিত তা শেষ হল প্রায় সাড়ে ৬টায়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দীর্ঘতম ম্যাচ। ফিলাডেলফিয়াতে যে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে তা আগেই জানা গিয়েছিল। বিরতির সময়েই জানা যায়, স্টেডিয়ামের কাছাকাছি ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। ধীরে ধীরে স্টেডিয়ামেও তা শুরু হয়। দর্শকেরা গ্যালারির ভিতরের দিকে আশ্রয় নেন। প্রবল বৃষ্টি দেখে এক এক সময় মনে হচ্ছিল, আদৌ খেলা শুরু করা যাবে তো। আমেরিকায় এই দৃশ্য মাঝেমাঝেই দেখা যায়। ফলে সেখানকার ফুটবল স্টেডিয়ামের নিকাশি ব্যবস্থা সে ভাবেই করা। বৃষ্টি থামলে দ্রুত খেলা শুরু করা যায়।

    এমবাপের ঝড়

    ঝড়বৃষ্টির আগে ও পরে দু’বার ঝড় তুললেন এমবাপেও। ১৪ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরাল শটে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দেন এমবাপে। তাঁর শটের কোনও জবাব গোলরক্ষকের কাছে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হওয়ার পর আবার গোল করেন এমবাপে। সেই সঙ্গে ব্রাজিলের রোনাল্ডোকে টপকে তিনি ছুঁয়ে ফেলেন ক্লোজ়েকে। পরের ম্যাচে একটি গোল করলে মেসির পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসাবে একই বিশ্বকাপে ক্লোজ়েকে ছাপিয়ে যাবেন তিনি। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে হবেন দ্বিতীয় সর্বাধিক গোলদাতা। ফ্রান্সের হয়ে ৬৬ মিনিটে দলের তৃতীয় গোল করেন উসমান দেম্বেলে। এই জয়ের পর ফ্রান্সের পয়েন্ট দুই ম্যাচ ৬।

  • West Bengal Budget 2026: শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি, কলকাতার কাছে আরও একটি বিমানবন্দর, পালবদলের বাজেটে বড় ঘোষণা

    West Bengal Budget 2026: শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি, কলকাতার কাছে আরও একটি বিমানবন্দর, পালবদলের বাজেটে বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ঘাড়ে বিপুল ঋণের বোঝা, বাজেট পেশ করে মমতার সরকারকে নিশানা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সোমবার বাংলায় পালাবদলের প্রথম বাজেট পেশ করলেন স্বপন। রাজ্য সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে আশাকর্মী- প্রত্যেকেই সুখবর শুনিয়েছে নতুন সরকার। উত্তরবঙ্গ থেকে সুন্দরবন প্রত্যেক অঞ্চলের জন্যই রয়েছে বিশেষ ঘোষণা। শিক্ষা-স্বাস্থ্য থেকে ক্রীড়া-শিল্প সবক্ষেত্রেই ভরসা জুগিয়েছে নয়া সরকারের বাজেট (West Bengal Budget 2026)।

    শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি

    পশ্চিমবঙ্গের রূপকার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি তাঁর বাড়ি সংরক্ষণেও বিশেষ বরাদ্দ শুভেন্দু সরকারের। মোট ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা ব্লককে একটি মডেল ব্লক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে, এই ব্লকের প্রাইমারি হেলথ সেন্টারকে ১০০ শয্যার গ্রামীণ হাসপাতালে উন্নীত করা হবে।

    মদের দোকান নিয়ে কড়াকড়ি

    অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন, এখন থেকে কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ধর্মীয় স্থানের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনও মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না। কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে এই লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম দূরত্ব হবে ৫০০ মিটার। ব্যবসাকে সিন্ডিকেট চার্জ এবং অন্য বেআইনি অর্থ আদায় থেকে রক্ষা করার আইন আনা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। স্বপন জানান, হস্তক্ষেপ এবং চাঁদাবাজির ফলে ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে। এই কারণে আগামী দিনে একটি আইন আনা হবে।

    দুর্গাপুজোকে ঘিরে পর্যটন ব্র্যান্ডিং অভিযান

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “দুর্গাপুজো হল বাংলার সাংস্কৃতিক আত্মা। দুর্গাপুজো বিশ্বজনীন উৎসব, বাংলার চিরন্তন আবেগ— এই মূল প্রতিপাদ্যকে কেন্দ্র করে আমরা একটি লক্ষ্যভিত্তিক পর্যটন ব্র্যান্ডিং অভিযান শুরু করব।” রাজ্যে শক্তিপীঠ সার্কিট গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কালীঘাট, তারাপীঠ থেকে ফুল্লরা, বক্রেশ্বরকে নিয়ে সার্কিট তৈরি হবে। ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে হেরিটেজ কমিশন গঠন করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

    রাজ্যে নতুন পাঁচ জেলা!

    রাজ্যে মোট পাঁচটি নতুন জেলা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বাজেটে। এই পাঁচটি প্রস্তাবিত জেলা হল— কলকাতা, বসিরহাট, সুন্দরবন, জঙ্গিপুর এবং আরামবাগ। পাশাপাশি কাঁথিতে একটি নতুন পুলিশ জেলা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। গোপীবল্লভপুরে তৈরি হবে নতুন মহকুমা। পাশাপাশি শিবমন্দির, গাজোল, চাঁচল, বেলদা, বাগনান, জয়গাঁ, কোলাঘাট, কামারপুকুর এবং টুঙ্গিদিঘিতে নতুন পুরসভা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    নতুন বিমানবন্দর!

    রাজ্য সরকারের নতুন বাজেটে জোর দেওয়া হল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও। কলকাতার কাছে আরও একটি বিমানবন্দর তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বাজেটে। কল্যাণীর কাছে একটি ‘গ্রিনফিল্ড’ বিমানবন্দর তৈরি করতে ১০০০-১৫০০ একর জমি চিহ্নিত করবে সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্রের উড়ান প্রকল্পের আওতায় পুরুলিয়া, বালুরঘাট এবং মালদহেও বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

    খেলার উন্নতিতে বরাদ্দ

    উত্তরবঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম এবং একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে। ক্রীড়া সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাজ্যে খেলো ইন্ডিয়া কার্যক্রম শুরু হবে। রাজ্যে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে।

    মিড ডে মিলের উপকরণে ১০ টাকা

    প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিলের উপকরণের খরচ ১০ টাকা করা হবে। ইসকনের সহযোগিতায় কলকাতা পুরসভা এলাকায় স্কুলে পুষ্টিকর রান্না করে মিড ডে মিল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।আশাকর্মীদের কাজকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁদের মাসিক সাম্মানিক ৫০০০ টাকা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন। স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনে চুক্তিভিত্তিক কন্ডাক্টরদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি করে মাসে ১৬ হাজার টাকা করা হবে। সিভিক ভলান্টিয়ার, ভিলেজ পুলিশ ও গ্রিন পুলিশদের পারিশ্রমিক ২০০০ টাকা করে বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। হোমগার্ডদেরও পারিশ্রমিক বৃদ্ধি পাচ্ছে ২০০০ টাকা।

    শিল্প নিয়ে ঘোষণা

    উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে বিনিয়োগ টানতে বিশেষ প্রকল্প
    উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাটারিচালিত গাড়ির কারখানা তৈরি হবে।
    শিলিগুড়িতে ইন্টিগ্রেটেড লজিস্টিক হাব তৈরি হবে
    শিলিগুড়িতে আইটি পার্ক গড়ে তোলা হবে
    দুর্গাপুরে তৈরি হবে সেমি কন্ডাক্টর ইউনিট
    দক্ষিণ দিনাজপুরে টেক্সটাইল হাব তৈরি হবে

    স্বাস্থ্যের জন্য ঘোষণা

    উত্তরবঙ্গে এইমস ও ক্যান্সার হাসপাতাল
    ৫টি নতুন মেডিক্যাল হাব তৈরির ঘোষণা
    ভেলোর, মুম্বইয়ে রোগীর পরিবারের জন্য থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে
    সুন্দরবনে মোটর বোট অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা
    দক্ষিণ দিনাজপুর ও কালিম্পঙে নতুন মেডিক্যাল কলেজ
    আলিপুরদুয়ার ও পশ্চিম বর্ধমানে মেডিক্যাল কলেজ
    হাসপাতালে রোগী পিছু খাবারে ১১০ টাকা বরাদ্দ

LinkedIn
Share