Author: ishika-banerjee

  • Tutu Basu Died: অভিভাবকহীন সবুজ-মেরুন! প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বসু

    Tutu Basu Died: অভিভাবকহীন সবুজ-মেরুন! প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বসু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রীড়াপ্রশাসনের জগতে নক্ষত্র পতন। প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বসু (Tutu Basu Died)। ময়দানে যাঁর পরিচিতি টুটু বসু নামে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক। দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। ভেন্টিলেশনে ছিলেন। মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সঙ্গে ছিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও টুটুবাবুর খোঁজ নিয়েছিলেন।

    মোহনবাগান আর টুটু বসু

    মোহনবাগান ক্লাব (Mohunbagan Ex President Tutu Basu) এবং টুটু বসু সমার্থক। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি মোহনবাগানের সচিব ছিলেন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে ফের তিনি সচিব নির্বাচিত হন। দায়িত্ব সামলেছিলেন দু’বছর। এরপর ২০২০-২২ এবং ২০২২-২০২৫, দু’দফায় ফের তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত বছর মোহনবাগানের নির্বাচনের আগে তিনি সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। শারীরিক কারণে বর্তমানে কোনও আনুষ্ঠানিক পদে থাকেননি তিনি। অঞ্জন মিত্রের সঙ্গে তাঁর ‘জুটি’ ময়দানের মিথ হয়ে আছে।

    আধুনিক মোহনবাগান তাঁর হাতেই

    টুটু বসুর হাত ধরেই মোহনবাগান ক্লাবে একের পর এক ইতিহাস তৈরি হয়। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েন‌্কার হাতে ক্লাবের মালিকানা তুলে দেওয়া। মোহনবাগানের নামের আগে তখন যুক্ত হয় ‘এটিকে’। তা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। তারও আগে তিনি মোহনবাগান ক্লাবে আরও এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন। যে সবুজ-মেরুনে কখনও বিদেশি ফুটবলার খেলতে দেখা যায়নি, সেখানেই চিমা ওকেরিকে সই করিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন টুটু। চিমাই মোহনবাগানের প্রথম বিদেশি। তাঁর পুত্র সৃঞ্জয় এখন মোহনবাগানের সচিব পদে রয়েছেন। ফুটবল প্রশাসক ছাড়াও একাধিক পরিচয় ছিল টুটু বসুর। তিনি রাজ্যসভায় সাংসদ ছিলেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী এবং সংবাদপত্রের মালিকও।

    অভিভাবক-হারা মোহনবাগান

    জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ৮ টায় তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তাঁর বালিগঞ্জের বাসভবনে। সেখান থেকে খিদিরপুর ক্লাব, ভবানীপুর ক্লাব হয়ে মোহনবাগান ক্লাবে। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ মোহনবাগানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হবে। দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত ক্লাবেই থাকবে মরদেহ। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য হবে টুটু বসুর। পরিবারের তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। গত বছর মোহনবাগান দিবসের শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ ছিলেন টুটু বসুই। তিনি প্রশাসক থাকাকালীন ‘মোহনবাগান রত্ন’ দেওয়া শুরু হয়। সেই সম্মানই গত বছর তুলে দেওয়া হয়েছিল টুটুর হাতে। মোহনবাগান ভক্ত এবং ফুটবল অনুরাগীদের মনে টুটুই ছিলেন সবুজ-মেরুনের অভিভাবক। এখন অভিভাবক-হারা মোহনবাগান।

     

     

     

     

  • PM Modi in Europe: নজরে জ্বালানি-প্রতিরক্ষা-এআই! পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝেই পাঁচ দেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi in Europe: নজরে জ্বালানি-প্রতিরক্ষা-এআই! পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝেই পাঁচ দেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার আবহে আগামী ১৫ মে, শুক্রবার থেকে ছয় দিনের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে শুরু করে ইউরোপের একাধিক দেশে যাবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ভারতের কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্ক আরও গভীর করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক (MEA)। ১৫ থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা এই পাঁচ দেশের সফরে প্রধানমন্ত্রী যাবেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে এবং ইতালিতে। সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হতে চলেছে জ্বালানি সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, সবুজ প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ব্লু ইকোনমি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা। বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, সদ্য সম্পন্ন ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (India-EU FTA) প্রেক্ষাপটে ইউরোপ ও উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও গভীর করাই এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    আমিরশাহীতে আলোচনায় জ্বালানি ও প্রবাসী ভারতীয়রা

    প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের শুরু ১৫ মে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। সেখানে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান (Mohamed bin Zayed Al Nahyan)-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টানরাশিপ (Comprehensive Strategic Partnership) আরও শক্তিশালী করাই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পাবে জ্বালানি নিরাপত্তা। এছাড়াও আরবে থাকা প্রায় ৪৫ লক্ষ ভারতীয় প্রবাসীর কল্যাণও মূল লক্ষ্য। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE) ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অন্যতম বড় উৎস। উভয় নেতা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষ করে শক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আঞ্চিলক ও আন্তর্জাতিক নানান বিষয়ে মত বিনিময় করবেন। দ্বিপাক্ষিক সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্র এবং মানুষে মানুষে সংযোগের বিষয়টিও স্থান পাবে তাঁদের আলোচ্য সূচীতে।

    নেদারল্যান্ডসে প্রযুক্তি ও সবুজ শক্তি

    সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী যাবেন নেদারল্যান্ডসে। সেখানে তিনি রাজা উইলিয়াম অ্যালেকজান্ডার (Willem-Alexander) এবং রানী ম্যাক্সিমার সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন। সেদেশের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনের (Rob Jetten) সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হবেন। নেদারল্যান্ডসে এটি প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিতীয় সফর। এর আগে তিনি ২০১৭-এ সেখানে যান। প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, উদ্ভাবন, পরিবেশ বান্ধব হাইড্রজেন, সেমিকন্ডাক্টর ও জল সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১৫ থেকে ১৭ মে নেদারল্যান্ডস সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্তমানে ভারত-নেদারল্যান্ডস দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৭.৮ বিলিয়ন ডলার। আগামী দিনে তা কয়েক গুণ বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস বর্তমানে ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ।

    সুইডেনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা ও শিল্প সহযোগিতা

    ১৭ ও ১৮ মে রবিবার সুইডেনের কোটেনবার্গে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে সুইডিস প্রধানমন্ত্রী উল্ফ ক্রিস্টারসনের (Ulf Kristersson) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সম্পর্কের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখবেন তারা। এর মধ্যে আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, স্টার্ট আপ, সরবরাহ শৃঙ্খল, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনা। দুই প্রধানমন্ত্রী শিল্পের জন্য ইউরোপীয় রাউন্ড টেবিল বৈঠকেও ভাষণ দেবেন। এই অগ্রণী প্যান ইউরোপীয় বাণিজ্যিক ফোরামের বৈঠকে ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লিয়েনও (Ursula von der Leyen) উপস্থিত থাকবেন। ২০২৫ সালে ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭.৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া ২০০০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সুইডেনের বিনিয়োগ ভারতে ২.৮২৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে।

    নরওয়েতে ব্লু ইকোনমি ও নর্ডিক সম্মেলন

    ১৮ থেকে ১৯ মে নরওয়ে সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ৪৩ বছর পর কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সে দেশে যাচ্ছেন। নরওয়েতে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেখা করবেন রাজা হারলাড ভি (Harald V) এবং প্রধানমন্ত্রী জোনাস (Jonas) এর সঙ্গে। ভারত-ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্লু ইকোনমি, সামুদ্রিক সম্পদ এবং নরওয়ের ২৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। ১৯ মে অসলোতে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ইন্ডিয়া-নর্জিক সামিট (India-Nordic Summit)। সেখানে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেনের নেতারা অংশ নেবেন। আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে আর্কটিক গবেষণা, নবীকরণযোগ্য শক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ এবং টেকসই উন্নয়ন। ভারত-নরওয়ে বাণিজ্য ও গবেষণা সম্মেলনেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরিচ্ছন্ন ও সবুজ প্রযুক্তি, ব্লু ইকোনমি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমানে ভারত-নরওয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২.৭৩ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া নরওয়ের গভর্নমেন্ট পেনশন ফান্ড ভারতের পুঁজিবাজারে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

    ইতালিতে প্রতিরক্ষা ও উদ্ভাবন নিয়ে আলাপচারিতা

    সফরের শেষ পর্যায়ে ১৯ ও ২০ মে ইতালি সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলানির (Giorgia Meloni) সঙ্গে বৈঠকে ২০২৫-২৯ জয়েন্ট স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান (Joint Strategic Action Plan 2025–2029) পর্যালোচনা করা হবে। এই রোডম্যাপের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা, শক্তি, বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দুই দেশের। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারতের ১৪০ কোটি মানুষ এবং ইউরোপের দেশগুলির কয়েক কোটি মানুষের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি করবে। এখান থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত নির্মাণশিল্প এবং অনুসারী শিল্পগুলির ক্ষেত্রে আরও গতি আনবে। এর ফলে বাণিজ্যের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক গণতন্ত্রও পোক্ত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিদেশ মন্ত্রকের মতে, ২০২৫-২০২৯ যৌথ কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার আওতায় বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, পরিচ্ছন্ন শক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত-ইতালি সম্পর্ক দ্রুত এগোচ্ছে। ২০২৫ সালে দুই দেশের বাণিজ্য ১৬.৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি ইতালির মোট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.৬৬ বিলিয়ন ডলার।

  • Shamik Bhattacharya: ‘কোনও দলকে টাকা দিতে হবে না’! শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান শমীক ভট্টাচার্যের

    Shamik Bhattacharya: ‘কোনও দলকে টাকা দিতে হবে না’! শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান শমীক ভট্টাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে শিল্প করতে গেলে আর কোনও রাজনৈতিক দলকে টাকা দিতে হবে না। বাংলায় নতুন সরকার ভয়মুক্ত শিল্পের পরিবেশ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর। রাজ্য তথা দেশের শিল্পপতিদের পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার শহরে একটি বণিকসভার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শমীক। তিনি জানান, এই রাজ্যে যে সরকার তৈরি হয়েছে, সেটা পশ্চিমবঙ্গের সরকার হবে, বিজেপির নয়। রাজনৈতিক দল এবং সরকারে মধ্যে ফারাক স্পষ্ট করতে হবে বলেও দাবি রাজ্য বিজেপি সভাপতির।

    শিল্পপতিদের আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের ‘দুরবস্থার’ কথা বলতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, ‘‘এখানে মেধার বিকাশের কোনও সুযোগ নেই।’’ পূর্বতন সরকারের আমলে রাজ্যে শিল্পের কী অবস্থা হয়েছে, তার উদাহরণ তুলে ধরেন শমীক। তৃণমূল সরকারের আমলে ফি বছরই পশ্চিমবঙ্গে ‘গ্লোবাল বিজনেস সামিট’-এর আয়োজন করা হত। সেই অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের পাশাপাশি রাজ্যের অনেক শিল্পপতিও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মঞ্চে থাকতেন। সেই প্রসঙ্গে টেনে শমীক বলেন, ‘‘যাঁরা বিবৃতি দিতেন, তাঁদের ১০ বছরের ব্যালেন্স সিটগুলি খুলে দেখুন। প্রায় সকলেই তাঁদের মূলধন অন্য রাজ্যে পাঠিয়ে দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের শিল্পপতিদের জন্য নতুন গন্তব্য হয়ে গিয়েছে উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ।’’

    জমিনীতির বদল চাই

    পূর্বতন সরকারে জমিনীতিরও সমালোচনা করেছেন শমীক। জমি অধিগ্রহণের নীতি বদলের পক্ষেও সওয়াল করেন তিনি। আশ্বস্ত করেন, নতুন সরকার নতুন ভাবে সব কিছু ভাবছে। রাজ্যে শিল্প আসার পথে যে যে বাধা, প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা দূর হবে। জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে পঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানায় যে পন্থা নেওয়া হয়, পশ্চিমবঙ্গে তা চালু হবে। তার পরেই শিল্পপতিদের বার্তা, ‘‘আপনারা এখানে নির্ভয়ে বিনিয়োগ করুন। কোম্পানি তৈরি করুন। পশ্চিমবঙ্গে বড় শিল্প আনতে হবে। আমরা নতুন জমি নীতি নিয়ে আসব। আগামী দিনে কেউ এখানে কোনও ফ্যাক্টরি করতে গেলে কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী আপনাদের কাছে টাকা চাইতে আসবে না।’’

    ভয়মুক্ত পরিবেশ

    শমীক আরও বলেন, ‘‘ভারতের বহু বিনিয়োগকারী পশ্চিমবঙ্গে আসছেন। কোনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না।’’ শিল্প নিয়ে বিজেপির যে ‘সংকল্প’ ছিল, তা পূরণ হবে বলেও আশ্বাস দেন শমীক। তাঁর বার্তা, শিল্প বা কারখানা তৈরি করতে কেউ যদি কোনও বাধার সৃষ্টি করেন, তবে সরাসরি পুলিশকে জানান।

    শমীকের নিশানায় সৌরভ

    প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম না করে এদিন তাঁকে খোঁচা দেন শমীক। তাঁর কথায়, ‘‘আমি এক ভদ্রলোককে চিনতাম। আমরা জানতাম উনি স্টেপ আউট মেরে ওভার বাউন্ডারি মারতেন। তার জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। আমরা দেখলাম তিনি বাউন্ডারির বাইরে থেকে বল থ্রো করছেন। স্পেন থেকে ঘোষণা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের। কোনও মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না।’’ উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মমতার স্পেন সফরে সঙ্গী ছিলেন সৌরভও। মাদ্রিদের বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, শালবনিতে নতুন করে ইস্পাত কারখানা গড়ে উঠবে। শমীকের স্পষ্ট বার্তা, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে এ রাজ্যের জন্য বিনিয়োগ হোক। কোনও বিনিয়োগের ঘোষণার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

  • Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে খেলতে আসতে পারবে না, এই অজুহাতে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh Cricket Investigation)। আর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল, তার কারণ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল বাংলাদেশ সরকার। সরকার বদলের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটেও বদল এসেছে। অন্তর্বর্তী বোর্ডের সভাপতি হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করেননি তৎকালীন বিসিবি (BCB) কর্তারা। প্রথম থেকে কড়া অবস্থান ছিল না আইসিসি-র, এমনটাই মনে করেন তামিম। তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার সুযোগ ছিল বলেই জানালেন তিনি। তার পরেও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হাতছাড়া করা যে হতাশাজনক, তা স্পষ্ট জানালেন তামিম।

    তদন্ত কমিটি গঠন

    চলতি বছর সুরক্ষার কারণ দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ থেকে বয়কট করা হয়েছিল। সেই বিষয়ে এবার শুরু হবে তদন্ত। বাংলাদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া দফতরের সচিব মাহবুব উল ইসলাম সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “ভারতে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া দফতর।”কমিটিতে রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া দফতরের প্রশাসনিত শাখার অতিরিক্ত সচিব একেএম ওলি উল্লাহ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক তথা দেশের ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তথা ক্রীড়া উদ্যোক্তা ফয়সল দাস্তগির। ওলি উল্লাহকে এই কমিটিকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হবে

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ঠিক কী কী কারণ ছিল, কোনও কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ভারতে খেলতে আসতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের অভিযোগ ছিল, ভারতে চরমপন্থী গোষ্ঠীর হুমকির জেরে বিসিসিআই নাকি বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দল ভারতে খেলতে আসতে চায়নি। তৎকালীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম ভারতে বাংলাদেশী খেলোয়াড়, স্টাফ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও তাঁর যুক্তি উড়িয়ে দেয় আইসিসি এবং বিসিসিআই। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিসিবিকে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয়।

    বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত ভুল!

    তৎকালীন বিসিবি কর্তাদের বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ক্রীড়া বিশ্লেষকদের একাংশ তীব্র সমালোচনা করেন। শাকিব আল হাসানের মতো বাংলাদেশি ক্রিকেটার জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হয়নি। বিশ্বকাপ খেলা উচিত ছিল বাংলাদেশের। বিসিবি-র বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার তামিম ইকবাল বলেন, ‘বিশ্বকাপের এই ইস্যু নিয়ে সম্ভবত আমিই প্রথম মুখ খুলেছিলাম। কিন্তু যা হয়েছে, তা একেবারেই উচিত হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন কর্তারা যে ভাবে এই বিষয়টা সামলান, তা ভুল ছিল।’

  • Garga Chatterjee: গ্রেফতার ‘বাংলা পক্ষ’-র প্রধান গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে?

    Garga Chatterjee: গ্রেফতার ‘বাংলা পক্ষ’-র প্রধান গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের সাইবার সেলের হাতে গ্রেফতার হলেন ‘বাংলা পক্ষ’-র (Bangla Pokkho) প্রতিষ্ঠাতা তথা সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় (Garga Chatterjee)। মূলত ইভিএম (EVM) নিয়ে প্ররোচনামূলক মন্তব্য এবং গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তাঁকে লালবাজারে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকালে দেশপ্রিয় পার্ক থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গর্গকে গ্রেফতারের সময় তাঁর পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার (PSO)-র কাছ থেকে ২৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কলকাতা উত্তরের ডিইও-র অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন গর্গকে গ্রেফতার করা হয়। আগামিকাল, বুধবার আদালতে পেশ করা হবে গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে।

    নির্বাচন কমিশনের অভিযোগে গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ইভিএম-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন গর্গ। তাঁর সেই সব মন্তব্যকে ঘিরেই আপত্তি জানায় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কমিশনের পক্ষ থেকে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) সাইবার ক্রাইম (Cyber Crime) বিভাগে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন কলকাতা উত্তরের ডিইও স্মিতা পান্ডে।  অভিযোগ ছিল, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর অনাস্থা তৈরি করতেই সুপরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়েছেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেফতার করেন।

    কী বলেছিলেন গর্গ?

    এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন গর্গ। রাতে দেখেশুনে সিল করে রাখার পরও, ভোটগণনার সময় ইভিএম খারাপ হচ্ছে কেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন গর্গ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, গণনার সময় ইভিএম হাতবদল হয়েছে। পাশাপাশি, ‘‘বেলার দিকে নির্বাচন কমিশনের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে’’ বলেও মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে। তার আগে, ভোট দিয়ে বেরনোর আগে ভালো করে ভিভিপ্যাট দেখে নিতেও পরামর্শ দিয়েছিলেন গর্গ। তদন্তকারীদের দাবি, নির্বাচন চলাকালীন এই ধরণের মন্তব্য সরাসরি আদর্শ আচরণবিধি এবং সাইবার আইন লঙ্ঘন করে। গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে মঙ্গলবার রাতটা লালবাজারের লক-আপেই কাটাতে হবে। পুলিশ জানিয়েছে, আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানাতে পারে পুলিশ।

    ২০২২ সালেও গ্রেফতার হয়েছিলে গর্গ

    গর্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস করেছেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন।  ২০১৮ সালের ৭ জানুয়ারি তিনি বাংলা পক্ষ প্রতিষ্ঠা করেন।  বাঙালি অস্মিতাকে সামনে রেখে তৈরি ‘বাংলা পক্ষ’র প্রধান গর্গ। নির্বাচনের আগে কমিশনের বিরুদ্ধে শোভাযাত্রায় অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ তোলে ‘বাংলা পক্ষ’। তাদের দাবি ছিল, পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা বের করতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু তাদের অনুমতি দেয়নি কমিশন। অনুমতি না দিয়ে কমিশন ‘বাঙালির গৌরব এবং সংস্কৃতির’ উপর আঘাত হেনেছে বলেও দাবি করে তারা। যদিও কমিশন জানায়, আদর্শ আচরণ বিধি কার্যকর থাকায় অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর আগে, এর আগে ২০২২ সালে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুনে অহম সম্প্রদায়ের উদ্দেশে অপমানজনক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল গর্গের বিরুদ্ধে। অসমের একাধিক জেলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেইসময় আদালত ২ বার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল।

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন, দিলীপ-অগ্নিমিত্রারা কে কোন দফতরে?

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন, দিলীপ-অগ্নিমিত্রারা কে কোন দফতরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার নবনির্বাচিত মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্যের দফতর বণ্টন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিগ্রেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল-সহ মোট ৫ জন। সোমবার তাঁদের দফতর ভাগ করে দেওয়া হয়। পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণীসম্পদ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতর গিয়েছে অশোক কীর্তনিয়ার হাতে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে ক্ষুদিরাম টুডু। রাজ্য সরকারের একটি সূত্র জানাচ্ছে, বাকি সব দফতর আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর অধীনে থাকবে।

    কার হাতে কোন দফতর

    ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ১৫ বছরের তৃণমূল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছে। তৃণমূলের হাত থেকে ক্ষমতা গিয়েছে বিজেপির (West Bengal BJP Govt) কাছে। রাজ্যের দায়িত্বে এবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ শুভেন্দু অধিকারী। এদিনই শুরু হয়েছে দপ্তর বণ্টন প্রক্রিয়া। তৃণমূল সরকারের শেষ উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী ছিলেন উদয়ন ঘোষ। বিজেপির সরকারে সেই দায়িত্বে উদয়নের চির প্রতিদ্বন্দ্বি নিশীথ প্রামাণিক। রেশন দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব খোয়াতে হয়েছিল তৃণমূল সরকারের তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। পরবর্তীতে সেই দায়িত্ব পেয়েছিলেন রথীন ঘোষ। এবার খাদ্য দফতরের ভার পেলেন মতুয়া সমাজের প্রতিনিধি অশোক কীর্তনিয়া। বঙ্গ বিজেপির প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ কোন দফতরের দায়িত্ব পান, সেদিকে নজর ছিল সকলেরই। জানা যাচ্ছে, তিনটি দফতরের ভার তাঁর কাঁধে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর, প্রাণী সম্পদ বিকাশ, কৃষি বিপণন। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব, পুর বিষয়ক দফতরও দেখবেন তিনিই। ক্ষুদিরাম টুডুর দায়িত্বে আদিবাসী উন্নয়ন, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ, সংখ্যালঘু উন্নয়ন, মাদ্রাসা বোর্ড এডুকেশন। বাকি সব গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব তথা স্বরাষ্ট্র বা পুলিশ, অর্থ, স্বাস্থ্য, কৃষি, তথ্য ও সম্প্রচার ইত্যাদি দফতরের দায়িত্ব আপাতত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছেই রইল।

    ব্যস্ত দিন নবান্নে

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১২টায় নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিলেন শুভেন্দু। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্য। মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা এবং প্রশাসনিক আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই বৈঠকে। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন এবং সুরক্ষার পথে। একই সঙ্গে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলাতেও সেই পথেই এগোবে বলে জানান তিনি। এদিন নবান্নে একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। মঙ্গলবারও নতুন সরকারের ব্যস্ত দিন। এদিন বিধানসভায় প্রথমে প্রোটেম স্পিকার নির্বাচন ও সব বিধায়কের শপথ এ সপ্তাহে হয়ে যাওয়ার কথা। তার পর মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করা হবে।

  • Sujit Bose Arrested: গ্রুপ সি ও ডি কর্মী থেকে গাড়ির চালক, ঝারুদার নিয়োগেও কারচুপি! পুর-দুর্নীতিতে ইডির জালে সুজিত

    Sujit Bose Arrested: গ্রুপ সি ও ডি কর্মী থেকে গাড়ির চালক, ঝারুদার নিয়োগেও কারচুপি! পুর-দুর্নীতিতে ইডির জালে সুজিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Municipality Recruitment Scam) গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose Arrested)। সোমবার প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার জিজ্ঞাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ওএমআর শিটে কারচুপি থেকে অযোগ্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া, এরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    কীভাবে ইডির জালে সুজিত

    ২০২৩ সালে নিয়োগ মামলায় অয়ন শীলকে (Ayan Shil) গ্রেফতার করেছিল গোয়েন্দারা। অয়নের বাড়িতেই পুর নিয়োগ দুর্নীতির হদিশ পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরপর ইডি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোঁরায় তল্লাশি চালায়। গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল, কিচেন ছাড়াই রেস্তোরাঁ কীভাবে চলছে? সেই রেস্তোঁরার আড়ালে কালো টাকা সাদা করতেন মন্ত্রী, দাবি ইডির আধিকারিকদের। এখানেই শেষ নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছিল তিন কোটি টাকা।

    কী কী অভিযোগ সুজিতের বিরুদ্ধে

    দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ৩২৯ জন অযোগ্য প্রার্থীর নিয়োগ হয়েছিল। গ্রুপ সি (group c) ও গ্রুপ ডি কর্মী (group d) নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গেই দেখা যায় গাড়ির চালক, ঝারুদার, স্বাস্থ্য কর্মীর নিয়োগেও দুর্নীতি রয়েছে। অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছিল এই নিয়োগে, এমনই দাবি ইডির। সংশ্লিষ্ট পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম‍্যান পাঁচু রায়কে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট দেওয়া হয়। অভিযোগ পাঁচু রায় ও সুজিত বসুর মাধ‍্যমে অয়ন শীলের সংস্থার সাহায্যে ওএমআর শিটে নম্বর বিকৃত করা হয়েছিল। এমনকী, নিয়োগ সংক্রন্ত মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্র শূন্য পেলেও পাঁচু ও সুজিতের নির্দেশে অযোগ্যদের চাকরি পাকা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    শুধু সুজিতই নয়, অভিষেকই আড়ালে

    তবে, শুধু সুজিতই নয়, এরপর আরও বড় বড় চোর ধরা পড়বে। বাদ যাবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhishek Banerjee), সুজিত বসুর গ্রেফতারের পর এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রোলের দোকান থেকে সুজিত কীভাবে কোটি টাকার মালিক হলেন, সেই অঙ্কটাও বুঝিয়েছেন তিনি। অর্জুন সিংয়ের দাবি, “আগুন লাগাতেন ফিরহাদ হাকিম, আর আগুন নেভাতেন সুজিত বসু। টাকা কালেকশন করে একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরেকদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছত। এটাই তো সবাই জানে।” অর্জুন সিং আরও বলেন, “আরও সব চোররা ধরা পড়বে। ৬২টি পুরসভার চেয়ারম্যানের জেলে যাওয়া উচিত। সবাই তাঁরা চাকরি চুরিতে জড়িত রয়েছেন। এটা শুরু হয়েছে। শেষ হবে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত যাবে। চিন্তার কোনও কারণ নেই।”

  • BSF Land Allotment: “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সম্পর্ক জড়িত” বর্ডারে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি রাজ্যের

    BSF Land Allotment: “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সম্পর্ক জড়িত” বর্ডারে কাঁটাতারের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত সুরক্ষায় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (BSF)-কে জমি দিল রাজ্য। সোমবার প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ক্যাবিনেট মিটিং করার পর একাধিক বড় ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের বৈঠকে যে’কটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া। সূত্রের খবর, বৈঠকে বিএসএফকে জমি দেওয়ার (BSF Land Allotment) সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়েছে। নদিয়ার করিমপুরে ০.৯ একর জমি দেওয়া হচ্ছে তাদের। সেই জমিতে নতুন আউটপোস্ট তৈরি হবে বলে খবর। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “বাংলার সীমান্ত সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িত রয়েছে। এই কাজ করা হচ্ছে দেশের হিতের জন্য। সেই কারণেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    রাজ্যের সুরক্ষা, দেশের নিরাপত্তা

    এতদিন বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর করতে ঢিলেমি করছিল রাজ্য। বিএসএফ জমি না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল। তাতেই বসানো যাচ্ছিল না কাঁটাতার। উন্মুক্ত ছিল রাজ্যের একাধিক সীমান্ত। এই বিষয়টিকেই হাতিয়ার করেছিল বিজেপি। ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল অবস্থান। কোনওভাবেই যে রাজ্যের সুরক্ষার সঙ্গে কোনও রকমের আপোস করা হবে না, তা স্পষ্ট করা হয়েছিল। কারণ রাজ্যের এই অনুপ্রবেশ ইস্যুই দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রশ্নচিহ্ন হয়ে উঠছিল। মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই ঘোষণা করেন, “বাংলার সুরক্ষার প্রশ্নে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, বিএসএফ-এর সীমান্ত সুরক্ষিত করার জন্য ‘ল্যান্ড ট্রান্সফার প্রসেসে’ অনুমোদন দেওয়া হল। আজ থেকেই ল্যান্ড ট্রান্সফার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ভূমি ও রাজস্ব সচিব ও মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর সম্পূর্ণ করতে হবে।”

    সীমান্তে কত অংশ খোলা-মুক্তাঞ্চল

    দক্ষিণবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২২১৭ কিলোমিটার, যা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের অন্তর্গত। এই সীমান্তে কাঁটাতার লাগানোর কাজ চলছে, তবে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সমস্যার (Suvendu Adhikari on BSF Land Transfer) কারণে কাজে বিলম্ব হচ্ছিল। এখনও পর্যন্ত ১৬৪৮ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতার লাগানো হয়েছে। বাকি ৫৬৯ কিলোমিটারের মধ্যে ১১৩ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ এই অংশটি নদী সীমান্তের অন্তর্গত। বাকি ৪৫৬ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের দৈর্ঘ্য পশ্চিমবঙ্গে ২২১৬.৭ কিমি। এর মধ্যে এখনও ৫৬৯ কিমি বেড়াহীন।

    কত একর জমির প্রয়োজন

    পরিসংখ্যান বলছে, ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত জুড়ে কাঁটাতার বসাতে প্রয়োজন ৬৭ একর জমি। ন’টি বর্ডার আউটপোস্ট নির্মাণে প্রয়োজন ১৮ একর জমি। জমি মালিকদের থেকে ক্রয় করে তা বিএসএফের হাতে তুলে দিতে জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিলেও তেমন ভাবে কার্যকর করা হয়নি। এর মধ্যেই কেন্দ্র ইতিমধ্যে ১৮১ কিমি জমির জন্য টাকা ছেড়ে দিয়েছে, অথচ রাজ্য সরকার সেই জমি হস্তান্তর করতে অস্বীকার করেছিল। সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ১০৫ একর জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া এবার শুরু করল রাজ্য সরকার। এদিন বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “ভূমি দফতর ইতিমধ্যেই কাজ এগিয়ে রেখেছে। কিন্তু আগের সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য বিএসএফ-কে জমি দেয়নি। এমনকি হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। আমি হিসেব করে বুঝতে পারলাম, প্রায় ৯০ শতাংশ জমি রাজ্যের ভূমি দফতর এমনিই বিএসএফ-কে দিতে পারে।”

    সীমান্ত সুরক্ষিত ছিল না

    এর আগে একাধিকবার রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন যে তৎকালীন সরকার বিএসএফ- কে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তরের ব্যাপারে অসহযোগিতা করছে। আর এর জেরে যে সীমান্ত অরক্ষিত হয়ে পড়েছিল, অনুপ্রবেশ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছিল, সীমান্ত সুরক্ষিত ছিল না – তা স্পষ্ট। ভুয়ো পাসপোর্ট চক্র, তার পরে রাজ্য থেকে একাধিক সন্দেহভাজন জঙ্গি ও অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিল রাজ্য প্রশাসন। তার পরেই পাল্টা বিএসএফের দিকে আঙুল তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি জানিয়েছিলেন, জঙ্গি অনুপ্রবেশের নেপথ্যে ভূমিকা রয়েছে বিএসএফের। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ছিল, বিএসএফই রাজ্যে গুন্ডা, লোক ঢোকাচ্ছে। সরকারি ভাবে তার জবাবও দিয়েছিল বিদেশ মন্ত্রক। জানিয়েছিল, অনিয়মের কোনও প্রশ্ন নেই।

    করিমপুরে আউটপোস্ট

    রাজ্যবাসীর নিরাপত্তার খাতিরে প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নদিয়ার করিমপুরে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও বিএসএফের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। নদিয়া জেলায় প্রায় ২১৬ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে এখনও প্রায় ২০.৬১১ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া যায়নি বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। কাঁটাতার ছাড়া সীমান্ত রয়েছে করিমপুরেও। সেখানে আউটপোস্ট তৈরি করতে চেয়েছিল বিএসএফ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, সে কারণেই করিমপুরে আউটপোস্ট করতে চেয়েছিল বিএসএফ। এ বার তার জন্যই জমি দিচ্ছে রাজ্য।

    জনবিন্যাসে পরিবর্তন নয়

    পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার সরকার গড়ার পরেই বিজেপি সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসএফ- কে জমি হস্তান্তর করার ব্যাপারে। এর ফলে সীমান্তজুড়ে সঠিকভাবে কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব হবে, যা অনুপ্রবেশের পাশাপাশি সীমান্তে থাকা অন্যান্য সমস্যা রুখতেও সাহায্য করবে। আর সুরক্ষিত থাকবে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি। শুভেন্দুর কথায়, “দেশ ও রাজ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সীমান্ত এলাকায় জনবিন্যাসের পরিবর্তনের বিষয় মাথায় রেখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।”

  • Suvendu Adhikari: রাজ্য সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে বেড়ে গেল ৫ বছর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Suvendu Adhikari: রাজ্য সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে বেড়ে গেল ৫ বছর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির দিন শেষ। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিরাট ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জানিয়ে দিলেন, বাড়ানো হচ্ছে সরকারি চাকরির (Government Job Age Limit) জন্য আবেদনের বয়সসীমা। গত এক দশকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা এবং পূর্বতন সরকারের আমলে হওয়া নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যাঁদের চাকরির বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫ বছর বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার, নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের আরও ৫ মন্ত্রী। দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু ও নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা বলে সাংবাদিকদের মন্ত্রিসভায় গৃহীত ৬ সিদ্ধান্তের কথা জানান শুভেন্দু।

    কেন বয়স সীমায় ছাড় দেওয়া হল

    প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০১৫ সালের পর বাংলায় কোনও নিয়োগ হয়নি। সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়ানো হল।” ২০১৫ সালের পর থেকে রাজ্যে বড় মাপের কোনও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এর ওপর পূর্বতন সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতির জেরে হাজার হাজার যোগ্য প্রার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। দিনের পর দিন আইনি লড়াই এবং রাজপথে আন্দোলনের ফলে অনেক প্রার্থীরই সরকারি চাকরিতে বসার নির্ধারিত বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল। এই ‘বয়স ফুরিয়ে যাওয়া’ প্রার্থীদের কথা চিন্তা করেই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা ক্ষমতায় আসার আগেই বলে রেখেছিল বিজেপি।

    আমিত্ব নয়, আমরা নীতিতে চলবে সরকার

    বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, “চাকরি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এই বাংলায় যুবক যুবতীদের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে। এতে ওদের কোনও দোষ নেই। বিজেপি সরকার হলে যুবক যুবতীদের আবেদনের বয়সের ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে।” সেই কথামতোই কাজ করা হল। সরকারের এই পদক্ষেপে খুশির হাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের মদ্যে। আন্দোলনকারীদের মতে, নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যে সময় নষ্ট হয়েছে, এই ৫ বছরের ছাড় তা কিছুটা হলেও পূরণ করতে পারবে। এনিয়ে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের মুখ চিন্ময় মণ্ডল বলেন, “১০-১২ বছর ধরে যাঁরা চাকরির পরীক্ষাতেই বসতে পারেননি, তার মধ্যে তো দুর্নীতি ছিল, সঙ্গে সরকারের এতো টালবাহানা। তাঁদের কাছে নিঃসন্দেহে এটা বড় খবর।” এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমিত্ব নয়, আমরা নীতিতে চলবে এই সরকার। সংবিধান, নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়েই চলবে সরকার।”

  • Suvendu Adhikari: সরকারি চাকরির বয়স ৫ বছর বৃদ্ধি, আয়ুষ্মান ভারত চালু, বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, প্রথম দিনেই ৬ সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    Suvendu Adhikari: সরকারি চাকরির বয়স ৫ বছর বৃদ্ধি, আয়ুষ্মান ভারত চালু, বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, প্রথম দিনেই ৬ সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে থেকে চলতে থাকা কোনও সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প বন্ধ হচ্ছে না। চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত-সহ সব কেন্দ্রীয় স্কিম, নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, আগে চালু থাকা সমস্ত প্রকল্প থাকবে। তবে অভারতীয় বা মৃত কেউ এই সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে জানান তিনি।

    নবান্নে শুভেন্দুর প্রথম দিন

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ নবান্নে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপর তাঁকে ভিআইপি করিডরে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। ১০-১৫ মিনিটের গার্ড অফ অনার দেওয়ার অনুষ্ঠান হয়। কলকাতা পুলিশের টিম, কলকাতা পুলিশের ব্যান্ড গার্ড অফ অনার দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। এরপর সোজা ১৪ তলায় পৌঁছন তিনি। নবান্নে রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। ১৪ তলার একটি কনফারেন্স রুমে গিয়ে ৫ মন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক সারেন। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং মন্ত্রী পদে শপথ নেওয়া ৫ জন— অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু, নিশীথ প্রামাণিক এবং দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও, এই বৈঠকে হাজির ছিলেন বেশ কিছু দফতরের আধিকারিকরাও। এর পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, জানান ৬ সিদ্ধান্তের কথা ।

    প্রথম মন্ত্রিসভায় ৬ সিদ্ধান্ত

    মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক শুভেন্দু অধিকারীর। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলি হল—

    ● বিজেপির নিহত কর্মীদের পাশে সরকার

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির অকালে ঝরে যাওয়া ৩২১ জনকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছি, সমবেদনা জানিয়েছি। তাদের পরিবারের প্রতি এই সরকার দায়বদ্ধ। হত্যার বিচার চান তাঁরা। তা আমরা দেব। আত্ম বলিদানকারী বিজেপি কর্মীর পরিবারগুলির দায়িত্ব আমাদের। তাঁদের পরিবারের সামাজিক এবং অন্যান্য কল‍্যাণমূলক দায়িত্ব আমরা নিলাম।”

    ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর

    সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ এবং নিরাপত্তা পরিকাঠামো তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। প্রথম দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং বিএসএফ-কে আমরা জমি হস্তান্তরে অনুমোদন দিলাম। ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হল। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে প্রয়োজনীয় জমি তুলে দেওয়া হবে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ

    ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বড় ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গ আয়ুষ্মান ভারত ( Ayushman Bharat ) প্রকল্পে যুক্ত হল। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (Pradhan Mantri Jan Arogya Yojana), প্রধানমন্ত্রী কৃষক বিমা যোজনা (Pradhan Mantri Kisan Bima Yojana), পিএম বিশ্বকর্মা (PM Vishwakarma), বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও (Beti Bachao Beti Padhao), পিএম উজ্জ্বলা (PM Ujjwala) যোজনা সহ কেন্দ্রীয় সমস্ত প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত হল রাজ্য।

    মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, বিভিন্ন গ্রাহক বিতরণ কেন্দ্র এবং প্রশাসনিক স্তরে বহু আবেদন দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, “রাজনৈতিক কারণে প্রচুর আবেদন ফেলে রেখেছিলেন জেলা শাসকরা।” তিনি জানান, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে সেই সমস্ত আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদন করেছিলেন। সেগুলি আগের সরকার কেন্দ্রীয় সরকারে পাঠাতে দেননি। আজ সেই আবেদন গুলি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আইএএস-আইপিএসদের প্রশিক্ষণ

    প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু জানান, প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে আইএএস আধিকারিকদের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তিনি বলেন, এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকরাও দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতো কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, “আগের মুখ্যমন্ত্রীর অলিখিত নির্দেশে আইএএস, আইপিএস-রা প্রশিক্ষণ নিতে পারতেন না।” এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব মুখ্যসচিবকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বঙ্গে চালু হল বিএনএস

    আজ থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বা বিএনএস-এ যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এতদিন সংবিধান অগ্রাহ্য করে অত্যন্ত অবৈধ ভাবে আগের আইপিসি, সিআরপিসি চলছিল। আজ থেকে বিএনএস-এ যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ।

    সরকারি চাকরিতে ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি

    সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স পাঁচ বছর বৃদ্ধি করল রাজ্যের বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি বলেছিলেন, ২০১৫ সালের পর রাজ্যে সরকারি চাকরিতে কোনও নিয়োগ হয়নি। তাই প্রচুর শিক্ষিত যুবক-যুবতীর বয়স চলে গিয়েছে। সে কথা মাথায় রেখে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়ঃসীমা পাঁচ বছর বৃদ্ধি করা হল।”

    একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, জনগণনার কাজ আজ থেকে শুরু করল রাজ্য। কেন্দ্রের নির্দেশ এখন থেকেই কার্যকর। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক। তিনি বলেন, “পরবর্তী সোমবার আমরা মন্ত্রিসভার আরও একটি বৈঠক করব। আরজি কর-সহ নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন, মহার্ঘ্য ভাতা (ডিএ), এরিয়ারের বিষয়ে আমরা ওই দিন আলোচনা করব।”

LinkedIn
Share