Author: pranabjyoti

  • Nepal Polls: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বলেন্দ্র

    Nepal Polls: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বলেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র তথা র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া, পেশায় টেকনোলজিস্ট বলেন্দ্র শাহ এখন নেপালের রাজনীতিতে একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP) বহু নির্বাচনী এলাকায় প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছে, যার ফলে ৩৫ বছর বয়সী শাহ নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    বলেন্দ্রর উত্থান (Nepal Polls)

    নেপালে বর্তমানে ভোট গণনা চলছে। গত বৃহস্পতিবার সেখানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা ছিল জেন জেড আন্দোলনের পর প্রথম নির্বাচন। সেই বিক্ষোভে বহু মানুষ নিহত হয়। ব্যাপক আন্দোলনের জেরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। ভেঙ্গে দেওয়া হয় সংসদ। এই নির্বাচনে পুরনো রাজনৈতিক শক্তিগুলিও রয়েছে, যেমন ওলির কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফাইড মার্কসিস্ট–লেনিনিস্ট) এবং পুষ্প কমল দহলের সিপিএন (মাওবাদী কেন্দ্র)। সমালোচকদের মতে, এই দলগুলি প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতীক, যা ধীরে ধীরে জনসমর্থন হারাচ্ছে। ৩৫ বছর বয়সী বলেন্দ্র ‘ব্যালেন’ শাহ নিজেকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে তরুণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

    কাঠমান্ডুর প্রথম নির্দল মেয়র

    একসময়ের র‍্যাপার শাহ রাজনীতিতে পরিচিতি পান যখন তিনি কাঠমান্ডুর প্রথম নির্দল (ইন্ডিপেনডেন্ট) মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ভারতের কর্নাটকের বিশ্বেশ্বরাইয়া টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। নেপালের রাজনীতিতে তিনি উঠে এসেছেন তরুণদের আইকন হিসেবে। তবে ভারতের সম্পর্কে তাঁর কিছু আগের মন্তব্য সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২৩ সালে তিনি নেপালে ভারতীয় সিনেমা নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানান। তাঁর অভিযোগ, একটি বলিউড চলচ্চিত্রে হিন্দু দেবী সীতাকে ‘ভারতের মেয়ে’ বলা হয়েছে। শাহ এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, “বহু ঐতিহ্য অনুযায়ী সীতার জন্মস্থান বর্তমান নেপাল বা নেপাল–বিহার সীমান্তের কাছাকাছি।”

    ‘গ্রেটার নেপাল’

    একই বছরে তিনি তাঁর কার্যালয়ে ‘গ্রেটার নেপালে’র একটি মানচিত্র প্রদর্শন করে বিতর্ক তৈরি করেন, যেখানে ভারতের কিছু ভূখণ্ডও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি একে ভারতের নতুন সংসদ ভবনে থাকা ‘অখণ্ড ভারত’ মানচিত্রের প্রতীকী জবাব হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি এমন কিছু বলিনি যার জন্য আমায় ক্ষমা চাইতে হবে। ভারত তাদের সংসদের মানচিত্রকে সাংস্কৃতিক মানচিত্র বলেছে, তাই আমরা ঐতিহাসিক ‘গ্রেটার নেপাল’ মানচিত্র প্রদর্শন করেছি। এতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়।” ২০২৫ সালে তিনি আবারও সমালোচনার মুখে পড়েন, যখন তিনি একটি পোস্ট করেন যাতে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চিনের বিরুদ্ধে অশালীন শব্দ ব্যবহার করা হয়। পরে সমালোচনার মুখে তিনি সেই পোস্ট মুছে ফেলেন। তবে গত মাসে তিনি তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার থেকে চিন-সম্পৃক্ত দামাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রকল্প বাদ দেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলির শক্ত ঘাঁটি ঝাপা-৫ এলাকায় অবস্থিত এই প্রকল্পটি চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (BRI) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত। এই পদক্ষেপকে ভারতের প্রতি আশ্বাস হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা নিয়ে।

    আরএসপির নির্বাচনী ইশতেহার

    এছাড়া আরএসপির নির্বাচনী ইশতেহারে ভারসাম্যপূর্ণ বিদেশনীতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তুলনামূলকভাবে তরুণ ও বাস্তববাদী নেতা হিসেবে—যিনি ভারতের কর্নাটকে পড়াশোনা করেছেন, শাহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দুর্নীতিবিরোধী সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিতে পারেন, যা দুই দেশের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে পারে। যদিও তিনি কিছু বিআরআই সম্পর্কিত প্রকল্পের বিরোধিতা করেছেন এবং নেপালের রাজনৈতিক অভিজাতদের বেইজিং-ঘনিষ্ঠতার সমালোচনা করেছেন, তবুও শাসন অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে তাঁর বিদেশনীতি কিছুটা অনির্দেশ্য হতে পারে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সামগ্রিকভাবে, বলেন্দ্র শাহের নেতৃত্বে একটি সরকার নেপালের ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে তরুণদের নেতৃত্বে এক নতুন ও পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ধারা সূচিত করতে পারে।

     

  • International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ৮ মার্চ, বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day) উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে এবার শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম (Kashi Vishwanath Dham) মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে দিনটি উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মন্দির প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দর্শনের ব্যবস্থা করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল, যাঁরা বাবা বিশ্বনাথকে প্রণাম করতে মন্দিরে আসবেন সেই মহিলা ভক্তদের জন্য একটি সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হল বারাণসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মহিলা ভক্তরা যেন বিপুল সংখ্যক পর্যটকের ভিড়ের ঝামেলা ছাড়াই মন্দিরের ধর্মীয় পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।

    বিশেষ ব্যবস্থা (International Womens Day)

    বিশেষ ব্যবস্থার অধীনে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মন্দিরে আগত মহিলা ভক্তরা কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। এই নির্দিষ্ট প্রবেশপথটি মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে যাতায়াতকে আরও সহজ করতে এবং ব্যস্ত সময়ে ভিড় কমাতে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সুবিধা শুধুমাত্র স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যই সীমাবদ্ধ থাকবে না। অন্যান্য জেলা, রাজ্য মায় বিদেশ থেকেও আসা মহিলা ভক্তরাও এই সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় যেখানে তাঁরা মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়ভাবে মন্দিরের পবিত্রতা অনুভব করতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উন্নয়নের মাধ্যমে মন্দির এলাকায় বড় পরিবর্তন এসেছে, যা ভক্তদের সুবিধা অনেক বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই বিশেষ ব্যবস্থা সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ, যার লক্ষ্য তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতাকে আরও সুসংগঠিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।

    শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের অগ্রাধিকার

    এই উদ্যোগের সবচেয়ে সহানুভূতিশীল দিকগুলির একটি হল শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের জন্য অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা করা। তীর্থস্থানগুলিতে সাধারণত প্রচুর (Kashi Vishwanath Dham) ভিড় হয় এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করা ছোট শিশু সঙ্গে নিয়ে আসা মহিলাদের সব চেয়ে করুণ অবস্থা হয় (International Womens Day)। এই বিষয়টি বিবেচনা করে মন্দির প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শিশু নিয়ে আসা মায়েরা দর্শনের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রবেশাধিকার পাবেন। মায়েরা যদি শিশু কোলে নিয়ে আসেন, সে ছেলেই হোক বা মেয়ে, তাদের খুব কম সময় অপেক্ষা করতে হবে। এই ব্যবস্থা মায়েদের যেন লাইনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে সহজে প্রার্থনা করতে পারেন, সেই সুযোগ করে দেবে। এই ধরনের ব্যবস্থা পরিবার ও অভিভাবকদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্বের প্রমাণ দেয়।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা

    এই বিশেষ প্রবেশপথ ব্যবহার করতে মহিলা ভক্তদের (Kashi Vishwanath Dham) কোনও টিকিট বা ফি দিতে হবে না। এটি ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করে (International Womens Day)। যদিও আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা দর্শনার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তবুও মন্দির প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে বারাণসীর স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে। স্থানীয় ভক্তদের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা এবং সন্ধ্যা ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা পর্যন্ত দর্শনের সময় শুধুমাত্র কাশীর স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সময়ে স্থানীয় ভক্তদের জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ীই দর্শন চলবে।

    গেট নম্বর ৪-বি

    এই নির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্যান্য সময়ে গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে মহিলা ভক্তরা সহজেই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি বিশেষ দিনে সম্ভাব্য বিপুল ভিড় সামলানোর মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা হবে (International Womens Day)। প্রসঙ্গত, এই উদ্যোগের তাৎপর্য কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,  এর গভীর সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে ভারতীয় পরিবারের মধ্যে ধর্মীয় অনুশীলন সংরক্ষণ ও লালন-পালনে মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন (Kashi Vishwanath Dham)। দৈনন্দিন পূজা, উৎসব উদযাপন থেকে শুরু করে পারিবারিক তীর্থযাত্রা, সব ক্ষেত্রেই মহিলাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা দিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ মূলত নারীদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকৃতি জানাতে চেয়েছে। এই উদ্যোগ প্রতীকীভাবে সেইসব মা, মেয়ে ও বোনদের ভক্তি ও অবদানকে সম্মান জানায়, যাঁরা পরিবার ও সমাজে আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখেন।

    পবিত্র কাশীর পরিবেশে, যেখানে গঙ্গা শান্তভাবে প্রাচীন ঘাটের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শহরজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়, সেখানে এই ধরনের উদ্যোগ আরও গভীর অর্থ বহন করে (Kashi Vishwanath Dham)। মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ দেখায় যে আমরা যেমন ঐতিহ্যকে সম্মান করি, তেমনি উপাসনালয়ের মতো জনসমাগমস্থলে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তাও উপলব্ধি করি। ৮ মার্চ যখন মহিলা ভক্তরা শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধামের করিডর দিয়ে এগোবেন, তখন তাঁদের এই যাত্রা শুধু একটি তীর্থযাত্রা নয়, এটি হবে তাঁদের বিশ্বাস, গর্ব এবং ‘নারী শক্তি’র উদযাপনের প্রতীক (International Womens Day)।

     

  • Draupadi Murmu: উদ্ধত মুখ্যমন্ত্রী! রাষ্ট্রপতিকেও অসহযোগিতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের!

    Draupadi Murmu: উদ্ধত মুখ্যমন্ত্রী! রাষ্ট্রপতিকেও অসহযোগিতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। বিধাননগরের পরিবর্তে কনফারেন্স হয় বাগডোগরা বিমানবন্দরের অদূরে, গোঁসাইপুরে। এদিনের সভায় লোক বিশেষ হয়নি। যার জেরে অসন্তুষ্ট হন রাষ্ট্রপতি। কনফারেন্সে (Tribal Conference) ভাষণ দিতে গিয়ে সে কথা চেপেও রাখেননি তিনি। বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “কারা সাঁওতালদের আটকাতে চাইছে? কারা চায় না সাঁওতালরা একজোট হোক? শিক্ষিত হোক?” এর পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বার্তা দেন রাষ্ট্রপতি। বলেন, “কোনও কারণে তিনি বোধহয় রাগ করেছেন আমার ওপর।”

    রাষ্ট্রপতির প্রশ্ন (Draupadi Murmu)

    দর্শকাসনে অনেক চেয়ার ফাঁকা দেখে রাষ্ট্রপতি বিস্ময় প্রকাশ করেন। বলেন, “এখানে বসে আমি অনেক সাঁওতালি মানুষকে বাইরে ঘুরে বেড়াতে দেখেছি। এত চেয়ার ফাঁকা কেন? মনে হচ্ছে কেউ যেন তাঁদের এখানে আসতে বাধা দিচ্ছে। যখন আমি মাঠ এবং ব্যবস্থা দেখি, তখন আমার মনে হয় সাঁওতালি সম্প্রদায়ের এত বড় আন্তর্জাতিক সমাবেশে সকলের খোলাখুলি অংশগ্রহণ করা উচিত।” এর পরেই রাষ্ট্রপতি বলেন, “কারা সাঁওতালদের আটকাতে চাইছে? কারা চায় না সাঁওতালরা একজোট হোক? শিক্ষিত হোক?”

    রাজ্য সরকারকে নিশানা রাষ্ট্রপতির

    কনফারেন্সের শেষে রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে সরাসরি চলে যান বিধাননগরে, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। গোটা এলাকা ঘুরে দেখে তিনি বলেন, “আমি তো এখানেই সভা করতে চেয়েছিলাম। পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কিন্তু কেন রাজ্য সরকার (Tribal Conference) আমায় এখানে সভা করতে দিল না! এখানে অনুষ্ঠান হলে ভালো হত। এখানে অনেক জায়গা, অনেক মানুষ আসতে পারতেন (Draupadi Murmu)। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন কেন জানি না, এখানে সভার অনুমতি দেয়নি। এমন জায়গায় আজকের অনুষ্ঠান হচ্ছে, যেখানে মানুষের আসা কঠিন।” রাজ্য সরকারকে নিশানা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “রাজ্য সরকার বোধহয় আদিবাসীদের ভালো চায় না। তাই এখানে তাঁদের আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা বোধহয় রাগ করেছেন, তাই আমায় স্বাগত জানাতে তিনি নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি। যাই হোক, এটা কোনও ব্যাপার নয় (Tribal Conference)। আপনারা সকলে ভালো থাকবেন (Draupadi Murmu)।”

     

  • Russia: ভারতে কত তেল রফতানি হল জানাবে না রাশিয়া, জানাল মস্কো

    Russia: ভারতে কত তেল রফতানি হল জানাবে না রাশিয়া, জানাল মস্কো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তারা কত পরিমাণ ক্রুড অয়েল রফতানি করল, তার নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করবে না রাশিয়া (Russia)। শুক্রবার সাফ জানিয়ে দিল মস্কো (Oil Export Data)। এদিন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে এই তথ্য গোপন রাখা হবে। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে রয়েছে অনেক অমঙ্গলকামী শক্তি। এই বিষয়টি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার জেরে বৈশ্বিক তেলের বাজারে যে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রেক্ষাপটেই এই মন্তব্য করা হয়েছে।

    বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি (Russia)

    এই পরিস্থিতি সামনে আসে যখন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ান তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের অস্থায়ী ছাড় দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলা অস্থিরতা ও সরবরাহ শৃঙ্খলের সমস্যার মধ্যে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে রাশিয়া তার বাণিজ্যিক স্বার্থ ও কৌশলগত পদক্ষেপকে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা করতে সরবরাহের পরিমাণ গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতে ঠিক কত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, এ প্রশ্ন করা হলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সরাসরি তথ্য দিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “সঙ্গত কারণেই রাশিয়া সরবরাহের পরিমাণ সম্পর্কে কোনও তথ্য প্রকাশ করবে না।” বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অনেক পক্ষ রাশিয়ার বাণিজ্যিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি। আধিকারিকদের মতে, পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক চাপের প্রভাব কমাতে এই গোপনীয়তা রাশিয়ার বৃহত্তর রফতানি কৌশলেরই অংশ।

    ক্রুড অয়েল সরবরাহ

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া এক সপ্তাহে (Russia) ভারতে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ  ব্যারেল (২২ মিলিয়ন ব্যারেল) ক্রুড অয়েল সরবরাহ করতে সক্ষম। এই বিষয়ে পেসকভ সরাসরি সংখ্যা নিশ্চিত না করলেও রাশিয়ার শক্তিশালী সরবরাহ সক্ষমতার ইঙ্গিত দেন। এর আগে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে একটি মানচিত্র দেখানো হয়, যেখানে আরব সাগর থেকে বঙ্গোপসাগরের দিকে একাধিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারের গতিবিধি দেখানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এসব ট্যাঙ্কার ভারতের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত রিফাইনারিগুলির দিকে যাচ্ছিল, যা বর্তমানে চলা সামুদ্রিক লজিস্টিক কার্যক্রমের ব্যাপকতা তুলে ধরে (Oil Export Data)।

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে

    এদিকে (Russia), সাম্প্রতিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা পৌঁছেছে চরমে। এই হামলায় জড়িত ইজরায়েল, আমেরিকা এবং ইরান। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান হারমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। অথচ এই সামুদ্রিক পথে পরিবাহিত হয় বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে গুরুতর সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ভারত ও চিনের মতো বড় ভোক্তা দেশগুলিকে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

    আমেরিকার অবস্থান

    অন্যদিকে, যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগে রাশিয়ান তেল কেনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, সেই দেশই এখন ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে ৩০ দিনের বিশেষ ছাড় দিয়েছে। এই ছাড়ের মাধ্যমে ভারতকে রাশিয়ান তেল কিনতে দেওয়া হয়েছে, যাতে বৈশ্বিক তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা যায় এবং সংকটকালে ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করা যায় (Russia)। রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত নৌপথে বাধা তৈরি হওয়ায় রাশিয়া সরবরাহ বাড়াতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

    লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের মতামত

    রাশিয়ার সূত্র থেকে প্রকাশিত মানচিত্র ও স্যাটেলাইট তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিপুল সংখ্যক রাশিয়ান তেলবাহী ট্যাঙ্কার ভারতের দিকে যাচ্ছে (Oil Export Data)। লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া তার রফতানি পাইপলাইন ও বিকল্প সমুদ্রপথ ব্যবহার করে সরবরাহ অব্যাহত রাখছে। হারমুজ প্রণালীর বিকল্প হিসেবে অন্যান্য পথকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভারতীয় বন্দরগুলিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল পৌঁছানো যায়। আধিকারিকরা বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সময় ভারতের জ্বালানি চাহিদা পূরণে এই লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Russia)।”

     

  • Balen Shah: র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বালেন্দ্রর দলের হাতেই যাচ্ছে নেপালের রাশ?

    Balen Shah: র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বালেন্দ্রর দলের হাতেই যাচ্ছে নেপালের রাশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের সাধারণ নির্বাচনে (Nepal Election) বড় ধরনের জয়ের পথে র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা বালেন্দ্র শাহের (Balen Shah) দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP)। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত বছরের যুব নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের পর, যা দেশের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল।

    এগিয়ে আরএসপি (Balen Shah)

    নির্বাচনের ফলে দেখা গিয়েছে হিমালয়ের পাদদেশের এই অঞ্চলের দেশটিতে একটি বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। এতে শাহের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এদিকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা প্রবীণ নেতা কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma Oli) তাঁর নিজের শক্ত ঘাঁটিতেই পিছিয়ে পড়েছেন। নেপালের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৬৫টি আসনের মধ্যে ১৬১টির ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। এতে দেখা যাচ্ছে আরএসপি ইতিমধ্যেই সর্বাধিক আসনে জয় পেয়েছে এবং আরও বহু আসনে এগিয়ে রয়েছে। এটি দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলির সমর্থনের বড় ধরনের পতনের ইঙ্গিত বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    নজর কেড়েছেন ঝাপা-৫ আসনে

    নেপালের এই সাধারণ নির্বাচনের ফলের ইঙ্গিত, নয়া রাজনৈতিক শক্তি আরএসপির পক্ষে একটি শক্তিশালী নির্বাচনী ঢেউ তৈরি হয়েছে। গত বছরের যুব আন্দোলনের পর থেকেই এই দলটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বালেন্দ্র শাহ, যিনি ‘বালেন’ নামেই পরিচিত, বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন ঝাপা-৫ আসনে। এই এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল – ইউএমএলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই আসনে শাহ ১৫,০০০-এরও বেশি ভোট পেয়েছেন। আর সিপিএন-ইউএমএলের চেয়ারম্যান তথা নেপালের চারবারের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি শনিবার সকাল পর্যন্ত পেয়েছেন প্রায় ৩,৩০০টি ভোট (Nepal Election)। ৩৫ বছর বয়সী ইঞ্জিনিয়ার শাহ কিছুদিন আগে পর্যন্তও কাঠমান্ডুর মেয়র ছিলেন। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত রইলে নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন শাহ-ই।

    তিনি পরিচিত ছিলেন একজন র‍্যাপার হিসেবে

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই নির্বাচনী পরিবর্তন জনগণের মধ্যে প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি বাড়তে থাকা অসন্তোষের প্রতিফলন। গত ১৮ বছরে নেপালে ১৪টি সরকার গঠিত হয়েছে, যা দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার ছবিটাই তুলে ধরে (Balen Shah)। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আরএসপি ইতিমধ্যেই ২০টি আসনে জয়ী হয়েছে, এগিয়ে রয়েছে আরও ৯৫টি আসনে। বালেন্দ্র শাহের রাজনৈতিক উত্থান কোনও বাঁধাধরা গতে হয়নি। রাজনীতিতে আসার আগে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন র‍্যাপার হিসেবে। কাঠমান্ডু মেয়র নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেই শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা। ওই নির্বাচনে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠান-বিরোধী প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রচারে তাঁর জনসমর্থন নজর কেড়েছে নেপালবাসীর। তাঁর সমাবেশগুলিতে বিপুল জনসমাগম হয়, যার একটা বড় অংশই ছিল তরুণ ভোটার (Nepal Election)।

    বালেন্দ্রর জনপ্রিয়তা

    তাঁর এই জনপ্রিয়তা তৈরি হয় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়া যুব আন্দোলনের সময়। তখন হাজার হাজার তরুণ দুর্নীতি ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন। এই আন্দোলনের জেরে পতন ঘটে ওলি সরকারের। অনেক পর্যবেক্ষক এই আন্দোলনকে “জেন জেড মুভমেন্ট” এমনকি “রেভেলিউশান” বলেও উল্লেখ করেছেন। এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন বালেন শাহ স্বয়ং (Balen Shah)। সরকার পতনের পর নেপাল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যার দায়িত্বই ছিল সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করা। আরএসপির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রাক্তন টেলিভিশন সঞ্চালক রবি লামিছানে। শাহ গত বছরের ডিসেম্বরে এই দলে যোগ দেন এবং দ্রুত দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে ওঠেন।

    রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ

    তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল বক্তব্যই ছিল নেপালের পুরনো রাজনৈতিক অভিজাতদের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করা এবং প্রজন্মগত পরিবর্তনের প্রতীক  হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা। প্রধানমন্ত্রী পদে প্রচার শুরু করার সময় তিনি বক্তব্য শুরু করতেন ‘সর্বপ্রথম, মাতা জানকী কি প্রণাম’ শব্দবন্ধ দিয়ে (Nepal Election)। তিনি বক্তব্য রাখেন মৈথিলী ভাষায়, যা প্রচলিত ভারতের দুই রাজ্য বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং নেপালের মাধেশ প্রদেশে। তিনি তাঁর প্রচার শুরুই করেছিলেন জনকপুর থেকে। এটি মাধেশ প্রদেশের রাজধানী এবং হিন্দু দেবী সীতা বা মা জানকীর জন্মস্থান (Nepal Election)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটি নেপালের বিভিন্ন ভাষাগত ও আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর কৌশল (Balen Shah)। প্রসঙ্গত, নেপালের এই নির্বাচন ছিল সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর যুব বিদ্রোহের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন। এই আন্দোলনের নেপথ্যে ছিল দুর্নীতি, শাসন ব্যর্থতা এবং পুরনো রাজনৈতিক দলগুলির আধিপত্যের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা জনরোষ।

    জেন জেডের শক্তি

    বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন ছিল সেই জেন জেডের শক্তির রাজনৈতিক পরীক্ষা। আরএসপির ফলেই স্পষ্ট, বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা নেপালের পুরনো রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন চায় (Nepal Election)। নেপালের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভান্ডারি জানান, এবার ভোট দিয়েছেন প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ। ভোটগ্রহণের সময় কয়েকটি জেলায় সামান্য বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটে বলে খবর।এদিকে, নেপালে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় খুশি ভারত। তারা একে স্বাগত জানিয়েছে (Balen Shah)। ৫ মার্চ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত নেপালের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগকে স্বাগত জানায়।” ভারত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি এবং নেপাল সরকারের ভূমিকাকেও অভিনন্দন জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কাঠমান্ডুর অনুরোধে ভারত নির্বাচন পরিচালনায় লজিস্টিক সাহায্য করেছে। ভারত ভবিষ্যতেও নেপালের সঙ্গে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে।” অন্যদিকে, শনিবার সকালেও ভোট গণনা চলতে থাকায় বালেন্দ্রর দল আরএসপি বড় ব্যবধানে জয়ের দিকে এগোচ্ছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, আরএসপি ২৫টি আসনে জয়ী হয়েছে। এগিয়ে রয়েছে ৯৩টি আসনে (Nepal Election)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোট গণনা শেষ হওয়ার কথা ৯ মার্চের মধ্যে (Balen Shah)।

     

  • RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলায় আচমকাই পদত্যাগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজ, বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দেন আনন্দ বোস। এ রাজ্যের (West Bengal) অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হল তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবিকে (RN Ravi)। তামিলনাড়ুর পাশাপাশি বাংলার দায়িত্বও সামলাবেন তিনি। রাজ্যপাল পদে আসীন হওয়ার আগে রবি ছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং আইবিতে। এ রাজ্যে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া (RN Ravi)

    ঘটনায় যারপরনাই বিস্ময় এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, এর কারণ তাঁর জানা নেই। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগাম কোনও পরামর্শ ছাড়াই আরএন রবির নয়া রাজ্যপাল হিসেবে আসন্ন নিয়োগের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, এই পরিবর্তনটি হয়তো নির্বাচনী স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারকে তিনি এমন একটি সরকার হিসেবে বর্ণনা করেন, যা ক্রমশ পদত্যাগের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়ে উঠছে।

    বোস-বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক

    বোসের সঙ্গে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক ছিল অম্ল-মধুর। দায়িত্ব নেওয়ার পরে পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নানা বিষয়ে মনান্তর হয়েছে রাজ্যপালের। পরে আবার মিটমাটও হয়ে গিয়েছে। ওদিকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির সঙ্গে সে রাজ্যের (RN Ravi) স্টালিন সরকারের ‘সংঘাতে’র খবরও প্রায়ই শিরোনাম হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির চা-চক্রে অংশ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্টালিন। এ নিয়ে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছিলেন তিনি। রাজ্যপালের নাম না করে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যিনি প্রতিনিয়ত তামিলনাড়ুর জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছেন, তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন না মুখ্যমন্ত্রী। চেন্নাইয়ের রাজভবনে রাজ্যের অন্য মন্ত্রীরাও যাবেন না বলে জানানো হয়েছিল সেই বিজ্ঞপ্তিতে। তারপর ২০২৩ সাল থেকে রাজ্যপালের চা চক্র এড়িয়েই চলছে তামিলনাড়ুর স্টালিন সরকার।

    দায়িত্ব আরএন রবির হাতে

    কয়েক বছর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রাজ্যপালকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। এর পরে বিধানসভায় পাশ হওয়া ১০টি বিল রাজ্যপাল আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছিল স্টালিন সরকার। শেষমেশ সুপ্রিম নির্দেশে ২০২৫ সালের শুরুতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে বিলগুলিতে স্বাক্ষর করেছিলেন রবি। তারপরেও রবির সঙ্গে স্টালিন সরকারের সম্পর্ক আক্ষরিক অর্থেই অহি-নকুলের। চলতি বছরের শুরুতে তামিলনাড়ু বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগও তোলেন রাজ্যপাল। সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ না করেই অধিবেশন ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন (West Bengal) রবি। এহেন রবির ওপরই বর্তেছে বঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্বও, তাও আবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে (RN Ravi)।

    এখন দেখার, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!

     

  • Middle East Crisis: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের মেঘ, ভারতীয়দের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম

    Middle East Crisis: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের মেঘ, ভারতীয়দের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সঙ্কটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত (Middle East Crisis) ভারতীয় (India) নাগরিকদের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম খুলল বিদেশমন্ত্রক (MEA) । এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে, এই প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রকে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।”

    কন্ট্রোল রুম (Middle East Crisis)

    বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় প্রায় এক কোটি ভারতীয় নাগরিক বসবাস করেন এবং তাঁদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ সরকারের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “কন্ট্রোল রুমে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত যোগাযোগ করা যাবে: ১৮০০১১৮৭৯৭ (টোল ফ্রি), +৯১ ১১ ২৩০১ ২১১৩, +৯১ ১১ ২৩০১ ৪১০৪, +৯১ ১১ ২৩০১ ৭৯০৫।” বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, সরকার পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজরদারি অব্যাহত রাখবে এবং জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি, নয়াদিল্লি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সরকারগুলির সঙ্গে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এদিকে, মঙ্গলবার জেড্ডায় অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেল জানায়, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে আঞ্চলিক ভ্রমণ ব্যাহত হওয়ায় শহর (Middle East Crisis) থেকে বিশেষ ফ্লাইটে যাত্রাকারী ভারতীয় নাগরিকদের পূর্ণ সাহায্য দেওয়া হচ্ছে।

    কনস্যুলেটের বক্তব্য

    এক বিবৃতিতে কনস্যুলেট জানায়, কনসাল জেনারেল ফাহাদ আহমেদ খান সুরি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে বিভিন্ন ভারতীয় গন্তব্যে অনিয়মিত (নন-স্কেজুলড) ফ্লাইটে যাত্রারত যাত্রীদের জন্য করা ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করেন।ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলির পরিচালিত এই বিশেষ ফ্লাইটগুলি সাম্প্রতিক ভ্রমণ বিঘ্নের প্রভাব কমাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা করা হয়েছে (India)। ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল সমন্বিত সামরিক হামলা চালায় ইরানের ওপর, যাতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তি নিহত হন। গত কয়েক দশকের মধ্যে এটি অঞ্চলটিতে অন্যতম বড় উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরবর্তী কয়েক দিনে ইরান একাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়, যার মূল লক্ষ্য ছিল (India) ইজরায়েল এবং বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি—সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডন এবং সৌদি আরব-সহ (Middle East Crisis)।

     

  • Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বুধবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট (Finnish President) আলেকজান্ডার স্টাব। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। বিমানবন্দরেই গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারতে আন্তরিক স্বাগতম! ফিনল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং তাঁকে স্বাগত জানান।”

    প্রেসিডেন্ট স্টাব (Finnish President)

    প্রেসিডেন্ট স্টাব ৭ মার্চ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন। তাঁর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে, যাতে মন্ত্রী, শীর্ষ সরকারি আধিকারিক, এবং বিশিষ্ট শিল্পপতিরা রয়েছেন। তিনদিনের এই সফরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একাদশতম ‘রাইসিনা ডায়ালগে’ অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধান বক্তাও তিনিই। প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই প্রেসিডেন্ট স্টাবের প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার (Finnish President) সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্টাবের সফরসূচি

    ভারত সফরে প্রেসিডেন্ট স্টাব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে প্রেসিডেন্ট স্টাব যাবেন মুম্বই সফরে। সেখানে তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মুম্বইয়ে তিনি ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং ভারত-ফিনল্যান্ড ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথাও রয়েছে তাঁর। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে (India)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নর্ডিক অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে ফিনল্যান্ডকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Finnish President)।

     

  • Israel: মোদি তেল আভিভ ছাড়ার পরেই ইরানে হানার ছক কষা হয়, সাফ জানালেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    Israel: মোদি তেল আভিভ ছাড়ার পরেই ইরানে হানার ছক কষা হয়, সাফ জানালেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে কাজে লাগানো হয়েছে “অপারেশনাল সুযোগ”। অন্তত ইজরায়েলের (Israel) তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে সংবাদ মাধ্যমে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইজরায়েল যৌথ হামলা চালায় ইরানে। ইজরায়েলি আধিকারিকরা একেই অপারেশনাল সুযোগ বলে বিবৃতি দিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সুযোগটি তৈরি হয় কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) তেল আভিভ সফর শেষ হওয়ার পর। ভারতে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার সংবাদ মাধ্যমে জানান, মোদির সফরের সময় তেহরানের বিরুদ্ধে আসন্ন সামরিক অভিযানের কোনও পূর্বাভাস ছিল না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাই মোদি থাকার সময় ইজরায়েলের ইরান হানার ছক কষা হয়েছিল বলে যে দাবি কংগ্রেস করছে, সেটা খারিজ করে দিলেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত। প্রসঙ্গত, গত দু’দিন ধরে কংগ্রেস এ নিয়ে আক্রমণ করেছে মোদিকে।

    অপারেশনাল সুযোগ (Israel)

    তিনি বলেন, “এটি ছিল একটি অপারেশনাল সুযোগ, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চলে যাওয়ার পর সৃষ্টি হয়। তাঁর সঙ্গে আলোচনায় আমরা আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছিলাম, কিন্তু যে বিষয়টি তখনও আমরা জানতাম না, তা শেয়ার করা সম্ভব হয়নি।” আজার আরও জানান, মোদির সফর শেষ হওয়ার পর প্রায় দু’দিন সময় লাগে সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত রূপ নিতে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইজরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার তরফে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান চালায়। হামলা করা হয় রাজধানী তেহরান-সহ একাধিক শহরে। “অপারেশন এপিক ফিউরি” নামে পরিচিত এই অভিযানটি স্থগিত হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনার প্রেক্ষাপটে এবং তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু অংশ পুনরায় শুরু করেছে—এমন অভিযোগের পর পরিচালিত হয়। হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পাল্টা আঘাত হানে। এর কয়েকটি উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে রয়েছে দুবাই, আবুধাবি, কাতার ও বাহরাইন (Israel)।

    ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

    তেহরান তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেইনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, “যুদ্ধ এড়াতে আলোচনার চেষ্টা করার জন্য ইরানের অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।” আজার জানান, ইরানকে কেন্দ্র করে গোয়েন্দা ও সামরিক সক্ষমতা গড়ে তুলতে ইজরায়েল বহু বছর ধরে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। তিনি বলেন, “আমাদের এমন গোয়েন্দা সক্ষমতা তৈরি (PM Modi) করতে হয়েছে যাতে আমরা ইরানের শাসনব্যবস্থা ও তাদের সামরিক কাঠামোকে বুঝতে পারি—তারা পরবর্তী পদক্ষেপ কী নিতে পারে, কে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তারা কোথায় অবস্থান করছে এবং কোন সক্ষমতাগুলি ইজরায়েলের জন্য হুমকির সৃষ্টি করছে।” তিনি আরও বলেন, “ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার প্রযুক্তি উন্নয়নে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিরক্ষা ঢাল শক্তিশালী করতে ইজরায়েল বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এই হুমকি শুধু ইরান থেকেই নয়, বরং তেহরান-সমর্থিত আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলির কাছ থেকেও আসে (Israel)।” দু’দিনের ইজরায়েল সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি দুই দেশের সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সম্পর্ককে বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে রাজি হন (PM Modi)।

     

  • PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগী মোদি, কথা বললেন ৮ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে

    PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগী মোদি, কথা বললেন ৮ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কথা বলেছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইজরায়েল, সৌদি আরব, জর্ডন, বাহরাইন, ওমান, কুয়েত এবং কাতারের নেতাদের সঙ্গে (Peace Stability Security)। এই অঞ্চলে দ্রুত পরিবর্তনশীল উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা এবং ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলির পক্ষ থেকে ইজরায়েল, উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশ, এবং ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক টার্গেটে হামলার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

    কাতারের আমিরের সঙ্গে কথা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে কথা বলেন। তিনি কাতারের ওপর হামলার নিন্দে করেন এবং কাতারে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন ও যত্নের জন্য আমিরকে ধন্যবাদও জানান। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার ভাই, মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, কাতারের আমিরের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা কাতারের সঙ্গে দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছি এবং তার (Peace Stability Security) সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার যে কোনও লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দে করি। সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে দ্রুত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর আমরা জোর দিয়েছি। এই কঠিন সময়ে কাতারে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর অব্যাহত সমর্থন ও যত্নের জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি।”

    কথা আরও ৭ বিশ্বনেতার সঙ্গেও

    মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও (PM Modi) দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন কুয়েতের যুবরাজ সাবাহ আল-খালেদ আল-হামাদ আল-মুবারক আল-সাবাহ-এর সঙ্গেও। দুটি ক্ষেত্রেই আলোচনায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং সেখানে বসবাসরত ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করেন। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “মহামান্য সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে কথা বলেছি এবং পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছি। ওমানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘনের নিন্দে করেছি। আমরা একমত হয়েছি যে, টেকসই কূটনৈতিক সম্পৃক্ততাই দ্রুত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। ওমানে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি (PM Modi)।”

    হামলার তীব্র নিন্দে

    এদিনই প্রধানমন্ত্রী জর্ডনের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহের সঙ্গেও কথা (Peace Stability Security) বলেন এবং জর্ডনের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি এবং এই কঠিন সময়ে জর্ডনে প্রবাসী ভারতীয়দের দেখভাল করার জন্য ধন্যবাদ জানান বাদশাহকে। এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ এবং বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলেন টেলিফোনে। আলোচনায় তিনি সৌদি আরব ও বাহরাইনের ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দে করেন। পাশাপাশি ওই দেশগুলিতে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুস্থতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে প্রবাসী ভারতীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে ভারতের অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হয় (PM Modi)।

    শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান

    প্রসঙ্গত, এই ফোনালাপগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ। ১ মার্চ, রবিবার তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং দ্রুত সব ধরনের শত্রুতার অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান (Peace Stability Security)। ভারতের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমষ্টিগত নিরাপত্তার প্রতি দেশের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে এবং সর্বোপরি নিরীহ অসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেয় বলে দাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

LinkedIn
Share