মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে হাসিনাকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশছাড়া করার পর জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশে জয়লাভ করেছেন (Bangladesh) বিএনপির তারেক রহমান। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গিয়েছে।
১৩টি দেশকে আমন্ত্রণ (Bangladesh)
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Bangladesh) এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মোট ১৩টি দেশের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ছাড়াও, আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে, চীন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের যোগদানের কথা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ঢাকা সফর করবেন কিনা তা ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
কে কত আসন?
বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেতৃত্বদানকারী রহমান প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলেছেন। মোট ৩০০ সদস্যের সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেক বেশি। জামায়াতে ইসলামি ৬৮টি আসন পেয়েছে এবং বিরোধী দলে থাকবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয় নি। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৯%। নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে শাসন সংস্কারের উপর একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ভোটাররা এটিকে অনুমোদন করেছেন।
মোদির শুভেচ্ছা বার্তা
ফলাফল ঘোষণার পরপরই, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং জয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেছেন, “তারেক রহমানকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই। দুই প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নতি আরও প্রয়োজন। ভারত উভয় দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যৌথ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন।”
অপর দিকে বিএনপি প্রকাশ্যে মোদির বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। এক্স-হ্যান্ডলে একটি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির তরফে বলা হয়, “উভয় দেশের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ উন্মুখ। উভয় পক্ষ থেকেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

Leave a Reply