মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) যভতমাল জেলায় প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি (Pakistani Military Song) সামরিক বাহিনীর গান বাজানোর অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতারা। ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরও করেছে বিজেপি।
প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানের গান (Maharashtra)
ঘটনাটি ঘটেছে যভতমালের (Maharashtra) উমরখেদ তালুকায় অবস্থিত ‘আবদুল গফুর শাহ নগর পরিষদ উর্দু স্কুল নম্বর ২’-এ। গত ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করার সময় স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে (Snehsammelan) কিছু ছাত্রছাত্রী একটি বিতর্কিত গানে নৃত্য পরিবেশন করেছে। অভিযোগ উঠেছে, যে গানটিতে নৃত্য হয়েছিল তা ছিল ‘অ্যায় মর্দ-এ-মুজাহিদ তেরি ললকার কেয়া হ্যায়’ (Pakistani Military Song)। এই গানটি পাকিস্তানের একটি সুপরিচিত সামরিক অনুপ্রেরণামূলক সঙ্গীত।
পাকিস্তানের জিহাদি মানসিকতা সম্পন্ন গান
বিজেপি নেতা গোপাল কালানে এই বিষয়ে উমরখেদ থানায় (Maharashtra) একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, এই গানটি জিহাদি মানসিকতা সম্পন্ন এবং ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান (Pakistani Military Song) যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে উৎসাহিত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল। ভারতীয় স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসের মতো জাতীয় অনুষ্ঠানে এমন গান বাজানো রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল এবং এটি শিক্ষার্থীদের মনে বিভ্রান্তি, দেশবিরোধী মনোভাব তৈরি করবে। কালানে স্কুল প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের শাস্তি দেওয়ার দাবি করেছেন।
স্কুল এই ধরনের গানে কীভাবে অনুমতি দিয়েছে?
বিজেপি নেতা বাওয়ানকুলে (Maharashtra) এই ঘটনাকে ‘দেশদ্রোহিতা’ (Pakistani Military Song) বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। উমরখেদ পুলিশ ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে। স্কুল এই ধরনের গানে কীভাবে অনুমতি দিয়েছে তা খতিয়ে দেখছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে পুলিশ এই অনুষ্ঠানের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply