Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Narendra Modi: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন,  সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন, সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি চলছে দেশজুড়ে। ভোটের লোভে নানান প্রস্তাব দিচ্ছেন রাজনৈতিক নেতারা। বিনামূল্যে পরিষেবার ঢালাও প্রতিশ্রুতির দিচ্ছেন রাজনীতিবিদরা। এই সংস্কৃতি মারাত্মক। দেশের উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকারক। ভোটের মুখে মিষ্টি মিষ্টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং পরে তার থেকে সরে আসার সংস্কৃতি সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। এই বিষয়ে সতর্ক থাকুন। বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে (Bundelkhand Expressway) উদ্বোধনের গিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।

    উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) জালাউনে ২৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন মোদি। যা নির্মাণে খরচ হয়েছে ১৪ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। মোদি বলেন, “ যাঁরা পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেন, তাঁরা কখনওই দেশবাসীর জন্য নতুন এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন বিমানবন্দর, নতুন প্রতিরক্ষা করিডর নির্মাণ করেন না। যৌথভাবে এই ক্ষতিকর সংস্কৃতিকে হারাতে হবে আমাদের। ভারতীয় রাজনীতি থেকে এই সংস্কৃতিকে নির্মূল করুন।” মোদি বিশেষভাবে সতর্ক করেন দেশের তরুণদের। তরুণ প্রজন্মের প্রতি মোদির বার্তা, সরকার যদি কোনও সিদ্ধান্ত নেয়, কোনও পরিকল্পনা করে, তবে তা অবশ্যই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে। যা কিছু দেশের জন্য ক্ষতি করে, উন্নয়নের পথ রুখে দেয়, তা থেকে সরে আসতে হবে আমাদের।

    আরও পড়ুন: হিন্দু হওয়া কি অপরাধ! বায়োপিক- বিতর্কে মুখ খুললেন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন

    উত্তরপ্রদেশে বিজেপির (BJP) ডাবল-ইঞ্জিন সরকার শর্টকাট না নেওয়ার পরিবর্তে রাজ্যের ভবিষ্যতের উন্নতির জন্য কাজ করছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটা সময় সাধারণ মানুষ মনে করতেন, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা ভোগ করবে শুধু বড় শহরগুলো। এখন সেই ধারণা আমূল বদলে গিয়েছে। বিজেপি তার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে সকলের সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করার অধিকার রয়েছে। এই নতুন এক্সপ্রেসওয়ে দিল্লি এবং চিত্রকূটের দূরত্ব তিন থেকে চার ঘণ্টা কমিয়ে দেবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এই রাস্তা শুধু যে ভ্রমণের গতি বাড়াবে তাই নয়, বরং পুরো বুন্দেলখণ্ডে শিল্পের অগ্রগতি ঘটাতেও সাহায্য করবে, অভিমত মোদির। প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath) বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়েকে পর্যটন সার্কিটের স্নায়ুকেন্দ্রে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • Covid Vaccine: কোভিড টিকাকরণে ২০০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁল ভারত, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর    

    Covid Vaccine: কোভিড টিকাকরণে ২০০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁল ভারত, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর    

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড টিকাকরণে (Covid-19 Vaccine) রেকর্ড গড়ল ভারত (India)। মাত্র ১৮ মাসের মধ্যে ২০০ কোটি ডোজ টিকাকরণের মাইল ফলক (Milestone) ছুঁল দেশ। রবিবার এই মাইলস্টোন ছুঁয়েছে দেশ। তাই এদিনই চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী সহ দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    টিকাকরণ মাইলফলক ছোঁয়ায় এদিন ট্যুইট বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ভারত আবার ইতিহাস গড়ল। ২০০ কোটি ডোজ টিকাকরণ সম্পূর্ণ করায় দেশবাসীকে শুভেচ্ছা। যারা দেশের টিকাকরণকে অতুলনীয় গতিতে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের অভিনন্দন। কোভিডের বিরুদ্ধে বিশ্বের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে আছড়ে পড়ে করোনা ঢেউ।

    [tw]


    [/tw]

    প্রাণঘাতী ভাইরাসের শিকার হন বহু মানুষ। করোনা রুখতে ওই বছরেরই মার্চ মাস থেকে দেশে জারি হয় লকডাউন। ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশে শুরু হয় টিকাকরণ। প্রথমে টিকা দেওয়া হয় স্বাস্থ্যকর্মী সহ প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের। পয়লা মার্চ থেকে শুরু হয় ষাটোর্ধ্বদের টিকাকরণ। ৪৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে, শুরু হয় তাঁদের টিকাকরণও।

    আরও পড়ুন : প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে কোভিড বুস্টার ডোজ! বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    করোনার দাপট বাড়তেই পয়লা এপ্রিল থেকে ৪৫ ঊর্ধ্ব সকলকে করোনা টিকা দেওয়া শুরু হয়। পয়লা মে থেকে আঠারো-ঊর্ধ্ব সকলের টিকাকরণ শুরু হয়। ২০২২ সাল থেকে ১৮ বছরের নীচে থাকা লোকজনকেও টিকা দিতে শুরু করে মোদি সরকার। পরে আঠারো-ঊর্ধ্ব বয়সী সবাইকেই নিখরচায় বুস্টার ডোজের অনুমতি দেয় কেন্দ্র। প্রথম বুস্টার ডোজ নিতে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। কিন্তু করোনার চতুর্থ ঢেউ চোখ রাঙাতেই ভিড় বাড়তে থাকে টিকাকরণ কেন্দ্রগুলিতে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, টিকাকরণ শুরুর ন’ মাসের মধ্যেই একশো কোটির গন্ডি পার করেছিল ভারত। পরের ন’ মাসে সম্পূর্ণ হল আরও একশো কোটি ডোজ।

    আরও পড়ুন : ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

     

  • Jagdeep Dhankhar: বাংলার ভোটার ধনখড় শ্রাবণের সোমবার উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেশ করবেন

    Jagdeep Dhankhar: বাংলার ভোটার ধনখড় শ্রাবণের সোমবার উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেশ করবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের দিনই শুভ কাজটি সেরে ফেলতে চাইছেন এনডিএ’র উপরাষ্ট্রপতি পদ প্রার্থী জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামীকাল সোমবারেই উপরাষ্ট্রপতি পদে নিজের মনোনয়ন দাখিল করবেন তিনি। সকাল সাড়ে এগারোটার সময় পেশ করবেন মনোনয়ন পত্র। আজ রাতভর তাঁর মনোনয়ন পত্র তৈরি করা হচ্ছে। নেতৃত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব।

    আরও পড়ুন : দ্রৌপদী মুর্মুকে কেন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করল এনডিএ, জানেন কি?

    ধনখড়ের মনোনয়নের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিকটি হল তিনি বাংলার প্রতিনিধি হিসাবে উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবেন। কারণ, গত জানুয়ারি মাসের ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রাজভবনের ঠিকানায় তাঁর ও স্ত্রী সুদেশ ধনখড়ের নাম তুলিয়েছিলেন তিনি। বিশেষ দূত মারফৎ রবিবারই সেই ভোটার তালিকার নামের প্রত্যয়িত কপি দিল্লি পাঠিয়েছে রাজভবন। উপরাষ্ট্রপতির মনোনয়ন বলে কথা, তাই ছুটির দিনেও রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিক অফিস খুলে দ্রুততার সঙ্গে কাগজপত্র তৈরি করে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    তিন বছর কলকাতা রাজভবনের বাসিন্দা হয়ে বর্তমান রাজ্যপাল বারবার বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেকে মেশাতে চেয়েছিলেন। সেই সূত্রেই কলকাতার ভোটার তালিকায় নামও তুলেছিলেন। ফলে সরকারিভাবে রাজস্থানের জাঠ পরিবারে জন্ম নেওয়া, দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসাবে কাজ করা ধনখড় বাংলার ভোটার হিসাবেই উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন জমা দেবেন।

    আরও পড়ুন : রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষার্থে গর্জে উঠুন বুদ্ধিজীবীরা, আহ্বান রাজ্যপালের 

    রাজভবন সূত্রের খবর, মনোনয়নের পর কলকাতা ফিরে আসবেন তিনি। বাংলার জন্য নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ পাকা হলেই তিনি পদত্যাগ করবেন। দেশের প্রথম জনজাতি মহিলা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতেই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপালের নিয়োগ হবে। দ্রৌপদীদেবীর সম্ভবত সেটিই হবে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ। তখন আরও একটি চমক বাংলার জন্য অপেক্ষা করছে।

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়  

     

     

     

  • Eknath shinde: মহারাষ্ট্রের দুই শহরের নাম বদলের সিদ্ধান্ত শিন্ডের, কী হল নয়া নাম?

    Eknath shinde: মহারাষ্ট্রের দুই শহরের নাম বদলের সিদ্ধান্ত শিন্ডের, কী হল নয়া নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) দুই শহর ঔরঙ্গাবাদ (Aurangabad) এবং ওসমানাবাদের (Osmanabad) নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিল শিবসেনার  (Shiv Sena) একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) সরকার। ঔরঙ্গাবাদের নয়া নাম হবে ছত্রপতি শম্ভাজিনগর এবং ওসমানাবাদের নতুন নাম হবে ধারাশিব।

    বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়া নিয়ে শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত একনাথ শিন্ডের। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ৩০ জুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই ঠাকরে সরকারের নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিয়েছিল শিন্ডের সরকার। ঘটনার প্রতিবাদে ঔরঙ্গাবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে শিবসেনার ঠাকরে শিবির। ঔরঙ্গাবাদ এবং ওসমানাবাদের নাম পরিবর্তন নিয়ে শিবসেনা, কংগ্রেস এবং এনসিপির মহা বিকাশ আগাড়ি জোট সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

    আরও পড়ুন : বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার সময় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে শহর দুটির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঠাকরে। তবে শিন্ডে এবং ফড়নবিশের দাবি, নাম পরিবর্তন নিয়ে ঠাকরে সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা ছিল বেআইনি। কারণ সেই সময় উদ্ধবকে বিধানসভায় সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন ঠাকরে। উদ্ধবের সরকার ঔরঙ্গাবাদের নাম পরিবর্তন করে শম্ভাজিনগর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। শিন্ডে সরকার তার আগে বসিয়ে দিয়েছেন ছত্রপতি শব্দটি। এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে মহারাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নাম পরিবর্তনের নয়া প্রস্তাব ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। পরে বিভাগীয় জেলা, তালুক, কর্পোরেশন এবং কাউন্সিল স্তরে দুই শহরেরই নাম পরিবর্তন করা হবে। শনিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবি মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে কৃষক নেতা ডিবি পাতিলের নামে করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে মহারাষ্ট্রের নয়া সরকার। প্রসঙ্গত, বর্তমান শিন্ডে  মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা দুই। একজন মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডে, আর অন্যজন উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। মন্ত্রিসভা শীঘ্রই সম্প্রসারিত হবে বলেও জানা গিয়েছে শিবসেনা সূত্রে।

    আরও পড়ুন : শিবসেনায় ভাঙন ঠেকাতেই দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন উদ্ধব ঠাকরের, বলছে সমীক্ষা

     

  • Rafale: ৩৬টি রাফালই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, জানালেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত

    Rafale: ৩৬টি রাফালই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, জানালেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চুক্তি অনুযায়ী ৩৬টি রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমান ভারতের (India) হাতে তুলে দিয়েছে ফ্রান্স (France)। এমনটাই জানালেন ভারতে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত এমানুয়েল লেন্যাঁ (Emmanuel Lenain)। 

    যদিও বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রের মতে, এর মধ্যে ভারতে এসেছে ৩৫টি। বাকি একটি রাফাল বর্তমানে ফ্রান্সেই রয়েছে। তার ওপর ভারতের দাবি মতো ১৩টি বাড়তি প্রযুক্তিগত উন্নতি সংযোগ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। এই যে বিমানটি এখনও ফ্রান্সে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে, আদতে সেটিই ছিল ফ্রান্সের তরফে হস্তান্তর করা প্রথম রাফাল বিমান— যার কোডনেম দেওয়া হয়েছে ‘আরবি০০৮’ (RB-008)। 

    ভারতের প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আর কে এস ভাদৌরিয়ার (Air Chief Marshal RKS Bhadauria) সম্মানে এটির এমন নামাঙ্কন করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে রাফাল কেনা নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে দরাদরি ও চুক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তৎকালীন বায়ুসেনা উপ-প্রধান ভাদৌরিয়া। তার জন্যই তাঁকে এভাবে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ ব্যাচে তিনটি রাফাল যুদ্ধবিমান ভারতে আসে। বায়ুসেনা সূত্রের মতে, ফ্রান্সে থাকা শেষ রাফালে ‘ইন্ডিয়া স্পেসিফিক এনহ্যান্সমেন্ট’-গুলোর পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে। এখন ভারতে থাকা বাকি ৩৫টি যুদ্ধবিমানে সেগুলি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। অন্য এক সূত্রের দাবি, ভারতের রাফালে যে ১৩টি নতুন প্রযুক্তিগত আধুনীকিকরণ যুক্ত করা হয়েছে, তা ফ্রান্সের ব্যবহৃত রাফালেও নেই। এই প্রযুক্তিগুলো শুধুমাত্র ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত রাফালগুলোর জন্যই নির্ধারিত। 

    ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে ফ্রান্স থেকে ৩৬টি দাসো রাফাল মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান (Dassault Rafale Multirole Fighter Aircraft) সরাসরি একেবারে তৈরি অবস্থায় কেনার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) জানিয়েছিলেন, বায়ুসেনার আপৎকালীন প্রয়োজনীয়তাকে মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। এর পর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইন্টার-গভার্নমেন্টাল এগ্রিমেন্টের (Inter-Govermental Agreement) মাধ্যমে প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ।

  • Adil Chishty: হিন্দু দেবদেবীর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন! দুঃখিত আজমের শরিফের ধর্মগুরু আদিল চিস্তি

    Adil Chishty: হিন্দু দেবদেবীর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন! দুঃখিত আজমের শরিফের ধর্মগুরু আদিল চিস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বিতর্ক! ৩৩ কোটি হিন্দু দেব-দেবীর অস্তিত্ব এবং তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আজমের শরিফের  (Ajmer dargah) ধর্মগুরু আদিল চিস্তি (Adil Chishty)। সম্প্রতি আদিলের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়। যেখানে আদিল বলেন, ‘কংগ্রেস নেতা শশী তারুরের (Shashi Tharoor) একটি বই পড়ে তিনি হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।’ ওই ভিডিওয় তিনি সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মাকে (Nupur Sharma) হিন্দুদের ৩৩ কোটি দেব-দেবী নিয়ে প্রশ্ন করেন। গত ২৩ জুন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ওই ভিডিওয় আদিল প্রশ্ন তোলেন হিন্দু দেবতা সিদ্ধিদাতা গণেশের বাহ্যিক রূপ নিয়েও।

    প্রসঙ্গত, পয়গম্বর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন প্রাক্তন বিজেপি মুখপাত্র নূপুর শর্মা। এরপরই তাঁকে সাসপেন্ড করে দল। এবার হিন্দু ধর্ম নিয়ে আদিলের এই ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য সামনে আসতেই সৈয়দ সরোয়ার চিস্তির ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। যদিও এরপরেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেন আদিল। তিনি সেখানে সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বলেন, তাঁর বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের একটি অংশ প্রকাশ করা হয়েছে। পুরোটা দেখলে সকলের ভুল ভেঙে যেত। তিনি বলেন, “আমার মন্তব্যে যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন, তাহলে আমি দুঃখিত। আমি কোনও হিন্দু ভাই-বোনের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করতে চাইনি।”

    আরও পড়ুন: কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে ৭ ইসিএল আধিকারিক

    এপ্রসঙ্গে পুলিশের তরফে এখনও প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা হয়নি। এএসপি (additional superintendent of police) বিকাশ সাগোয়ান জানান, ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সম্পূর্ণ হলে সব জানা যাবে। উল্লেখ্য, উদয়পুরের দর্জি কানহাইয়ালালকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশকে। এদিকে তাৎপর্যপূর্ণভাবে উদয়পুরের ঘটনার পরে সামনে আসে রাজস্থানের দরগা আজমের শরিফের কথা। শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক বলে পরিচিত আজমের শরিফ। ওই দরগারই এক খাদিম নূপুর শর্মার মাথা কাটার স্লোগান তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। ওই দরগার খাদিম গওহর চিস্তি বিতর্কিত কিছু মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। কানাইয়ালালকে হত্যার আগে তিনি রিয়াজের সঙ্গেও দেখা করেছিলেন বলে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি করা হচ্ছে।

     

  • Nirmala Sitharaman: চাল, ডাল, আটা, গম খোলা কিনলে বাড়তি জিএসটি লাগু হবে না! ট্যুইট করে ব্যাখ্যা অর্থমন্ত্রীর

    Nirmala Sitharaman: চাল, ডাল, আটা, গম খোলা কিনলে বাড়তি জিএসটি লাগু হবে না! ট্যুইট করে ব্যাখ্যা অর্থমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার থেকে দামি হয়েছে আটা, পনির, দইয়ের মতো বেশ কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস। লেবেল লাগানো প্যাকেটজাত খাবারের উপর বসেছে পাঁচ শতাংশ পণ্য পরিষেবা কর (GST)। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য চাল, ডাল, গম, আটা, ওটস যদি খোলা বিক্রি করা হয় তাহলে তাতে জিএসটি লাগবে না বলে ট্যুইটবার্তায় স্পষ্ট জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Finance Minister) নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)।  

    জিএসটি থেকে যে পণ্যগুলো ছাড় পাচ্ছে, তার তালিকা প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এই তালিকার বেশিরভাগ খাদ্যবস্তুই বিনা প্যাকেটে বা খোলা বিক্রি করা হয়। অর্থাৎ, এই জাতীয় পণ্য বিক্রির আগে বা পড়ে প্যাকেটজাত করা হয় না। এই নির্দিষ্ট পণ্যগুলো খোলা বিক্রি হলে, তাতে জিএসটি লাগু হবে না, বলেই সীতারামন জানিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    তালিকায় আছে, ডাল, গম, ওটস, ভুট্টা, চাল, আটা, ময়দা, সুজি, রাই, বেসন, দই এবং লস্যির মত কিছু খাদ্যদ্রব্য। জুন মাসে বেশ কিছু পণ্য এবং পরিষেবার উপর কর চাপানোর সিদ্ধান্ত নেয় জিএসটি কাউন্সিল। বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা। চলতি সপ্তাহ থেকে সেই বর্ধিত জিএসটি লাগু হয়েছে। এরপরই জিএসটির হার এবং মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিরোধীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয় লোকসভার বাদল অধিবেশন। তারই প্রেক্ষিতে ধারাবাহিক ১৪টি ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ট্যুইটে সীতারামন খাদ্যদ্রব্যের ওপর ৫ শতাংশ জিএসটি বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল করেছেন। জানিয়েছেন, এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত তাঁর একার নয়। জিএসটি কাউন্সিলই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতমাসে, ২৮ জুন মন্ত্রিগোষ্ঠী যখন দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়, জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে সব রাজ্যের প্রতিনিধিরাই উপস্থিত ছিলেন সেখানে বলে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: আইএনএস বিক্রমাদিত্যে আগুন! তদন্তের জন্য বোর্ড গঠনের নির্দেশ

    বিরোধীদের ক্ষোভের কারণ উড়িয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এই প্রথমবার এই জাতীয় খাদ্য সামগ্রীর ওপর কর দেওয়া হচ্ছে না। প্রি-জিএসটি আমলে রাজ্যগুলো খাদ্যশস্য থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব সংগ্রহ করছিল।’ সীতারামন জানান, যখন জিএসটি চালু হয়েছিল, তখন ব্র্যান্ডেড ডাল, ময়দার ওপর ৫ শতাংশ জিএসটি বসেছিল। পরবর্তীতে এই ধরনের পণ্যের জিএসটির হার কেবল সংশোধিত হয়েছে।’ সীতারামনের দাবি, খাদ্যপণ্যে জিএসটি ছাড়ের সুযোগ নিয়েছে বড় ব্যবসায়ীরা। তাই সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

  • Allahabad HC: বাক-স্বাধীনতা মানে প্রধানমন্ত্রীকে কু-মন্তব্য করা নয়, স্পষ্ট এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    Allahabad HC: বাক-স্বাধীনতা মানে প্রধানমন্ত্রীকে কু-মন্তব্য করা নয়, স্পষ্ট এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাক-স্বাধীনতা মানে দেশের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) বা অন্যন্য মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কু-বাক্যের প্রয়োগ নয়। সোমবার অবস্থান স্পষ্ট করল এলাহাবাদ উচ্চ আদালত (Allahabad HC)। এমনকি প্রশানমন্ত্রীকে কুমন্তব্য (Abuse) করার অভিযোগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলাও বাতিলের আবেদন নাকচ করল আদালত। 

    আরও পড়ুন: প্রয়াত প্রখ্যাত গজল শিল্পী ভূপিন্দর সিং, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মুমতাজ মনসুরি নামে জৌনপুরের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বাক স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে আদালতে মামলা বাতিলের আর্জি জানান ওই ব্যক্তি। মনসুরির সেই আবেদন নাকচ করে বিচারপতি অশ্বিনী কুমার মিশ্র ও বিচারপতি রাজেন্দ্র কুমারের বেঞ্চ। বেঞ্চ জানায়, “ভারতের সংবিধান বাক-স্বাধীনতার অধিকার প্রতি নাগরিককে দিয়েছে। কিন্তু সেই অধিকার মানে কোনও নাগরিক, প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ নয়।” 

    আরও পড়ুন: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের 

    সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Home MInister) এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত খারাপ মন্তব্য করায়  ২০২০ সালে মুমতাজ মনসুরির নামে মামলা দায়ের করা হয়। আইপিসি সেকশন ৫০৪ এবং আইটি অ্যাক্ট সেকশন ৬৭ -এর আওতায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিরাটগঞ্জ থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। এই মামলাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন মনসুরি। মামলাটিকে বাতিল করার আর্জি জানান।

    আরও পড়ুন: ৩৬টি রাফালই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, জানালেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত 

    ১৫ জুলাই মনসুরির সেই আবেদন নাকচ করে দেয় আদালত। এবং কড়া শব্দে ভারতের সংবিধানের পাঠ পড়ায় ওই ব্যক্তিকে। আদালত বলে, “এফআইআরে অভিযুক্তের অপরাধের যথেষ্ট প্রমাণের উল্লেখ রয়েছে। আমরা এই ধরনের মামলায় হস্তক্ষেপ করে তা বাতিল করার কোনও কারণ খুঁজে পাই নি। পুলিশের এই মামলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এবং যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত শেষ করার সম্পূর্ণ অধিকার থাকবে।”   

     

  • Har Ghar Tiranga: তিন দিন ধরে ২০ কোটি বাড়িতে উড়বে জাতীয় পতাকা ! কেন্দ্রের নয়া প্রচার ‘হর ঘর তেরঙ্গা’

    Har Ghar Tiranga: তিন দিন ধরে ২০ কোটি বাড়িতে উড়বে জাতীয় পতাকা ! কেন্দ্রের নয়া প্রচার ‘হর ঘর তেরঙ্গা’

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: শুরু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের (central government) ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) অভিযান। আগামী মাসে তিনদিনের জন্য সারা দেশে ২০ কোটিরও বেশি বাড়িতে তেরঙ্গা উত্তোলন করা হবে। আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের (Azadi Ka Amrit Mahotsav) অঙ্গ হিসাবে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Union Home Minister Amit Shah ) এই প্রচার কর্মসূচির ব্যাপারে পর্যালোচনা করেছেন। বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পদাধিকারীদের সঙ্গে তিনি এ নিয়ে আলোচনা করেন। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে ১৩ অগস্ট থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত তিরঙ্গা পতাকা ওড়ানো হবে। বিভিন্ন সংগঠনও এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিও এর অন্তর্ভুক্ত। এমনটাই বলা হয়েছে বিবৃতিতে।

    বিবৃতি অনুযায়ী, এদিন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ ভারত মাতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করার প্রচারে অংশ নেবেন। এটি মানুষের মধ্যে দেশপ্রেমের একটি নতুন বোধ জাগিয়ে তুলবে। বিবৃতি অনুসারে অমিত শাহ বলেন, ২২ শে জুলাই থেকে সমস্ত রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটের হোমপেজে জাতীয় পতাকা থাকবে। এছাড়া নাগরিকদের প্রতি তাঁর আর্জি সবাই যেন তাঁদের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ট্যুইটার এবং অন্যান্য সামাজিক মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলিতে তেরঙ্গা প্রদর্শন করেন। এমনকি তেরঙ্গার সঙ্গে একটি সেলফি তুলে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করার কথাও বলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: আপনার আধার কার্ড দিয়ে অন্য কেউ সিম তোলেনি তো? আজই জেনে নিন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অন্যভাবে আজাদি কি অমৃত মহোৎসবকে পালন করতে চাইছেন। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ প্রতিটি নাগরিকের জন্য গর্বের বিষয়। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ প্রচার দেশপ্রেমের চেতনাকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাবে, বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দাবি। মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ‘প্রভাত ফেরি’। তাই রাজনৈতিক দল, সরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও এবং সমবায়গুলিকে নিজেদের অঞ্চলে প্রভাত ফেরির আয়োজন করতে বলা হয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যখন শিশু, বৃদ্ধ, যুবক এবং কিশোররা একসঙ্গে ভারত মাতার গান গাইবে এবং তেরঙ্গা হাতে নিয়ে ‘প্রভাত ফেরি’ তে অংশ নেবে, তখন ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিজে থেকেই সফল হয়ে যাবে।

     

  • Jagdeep Dhankhar: জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন বিজেডি-এআইএডিএমকের, ইস্তফা দিলেন রাজ্যপাল

    Jagdeep Dhankhar: জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন বিজেডি-এআইএডিএমকের, ইস্তফা দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র মনোনিত প্রার্থী জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। এখন দেশের উপরাষ্ট্রপতি পদ সামলাচ্ছেন ভেঙ্কাইয়া নাইডু। আগামী মাসে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হবে। জগদীপ ধনখড়ের জন্যে দেশের বিরোধী দলগুলির কাছে সমর্থন চেয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।  জেপি নাড্ডা (Jagdeep Dhankhar) বলেন, “বাংলার বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় কৃষকের ছেলে, নম্র স্বভাবের। উনি তিন দশক ধরে দেশকে বিভিন্নভাবে সেবা করে আসছেন। আমি সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুরোধ করব, তারা যেন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ধনখড়কে সমর্থন জানান।”  

    জেপি নাড্ডার এই আবেদনে সাড়া দিয়েছে বেশ কিছু বিরোধী দল। বিজেডি (BJD) এবং এআইএডিএমকে ( AIADMK) জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন জানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) দলের প্রধান নবীন পট্টনায়ককে কল করার পরেই বিজেডির তরফ থেকে সমর্থনের কথা জানানো হয়। আর চেন্নাইয়ের বিধায়কদের বৈঠকের পরে ধনখড়কে সমর্থন করার সিদ্ধান্তের কথা জানায় এআইএডিএমকে। দুই দলই বলেছে এনডিএ- এ মনোনীত রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি পদের দুই প্রার্থীকেই সমর্থন জানাবে তারা । 

    আরও পড়ুন: বাংলার ভোটার ধনখড় শ্রাবণের সোমবার উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেশ করবেন

    এদিকে বাংলার রাজ্যপাল পদে ইস্তফা দিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। রবিবার রাতে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের ইস্তফা গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বাংলায় নতুন রাজ্যপাল না আসা অবধি আপাতত রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলাবেন মণিপুরের রাজ্যপাল এলএ গণেশন (La. Ganesan)।

    আরও পড়ুন: উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়   

    আজ বেলা ১২টায় সংসদ ভবনে মনোনয়ন জমা দিতে যাবেন জগদীপ ধনখড়। ৬ অগস্ট উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন। আগামী ১০ অগাস্ট বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুর পদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ১৯ জুলাই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ২০ জুলাই মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি হবে। জগদীপ ধনখড়ের প্রতিপক্ষ মার্গারেট আলভা।   

     এনডিএ-র পক্ষ থেকে কে উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হবে তা নিয়ে বহুদিন ধরেই জল্পনা ছিল। অবশেষে শনিবার সন্ধ্যেয় সবাইকে অবাক করে দিয়ে উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে বাংলার রাজ্যপালের নাম ঘোষণা করে বিজেপি।  

LinkedIn
Share