মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন তালাকের (Tin Talaq) মতো নয় তালাক-এ-হাসান (Talaq-e-Hasan) । এর অনুশীলন অতটাও ‘অনুচিত’ বা ‘বেঠিক’ নয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এমনই মত সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, এই বিষয়টিকে মহিলাদের অ্যাজেন্ডা করা উচিত নয়। কারণ, মহিলাদেরও জন্যও বিকল্প খোলা আছে।
Category: দেশ
Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com
-

Talaq-e-Hasan: তালাক-এ-হাসান আর তিন তালাক এক নয়, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের! জানেন এর পার্থক্য
প্রসঙ্গত, তালাক-এ-হাসান মুসলিম দম্পতিদের মধ্যে বিচ্ছেদের একটি ধরন। এক্ষেত্রে স্বামী, তাঁর স্ত্রীকে প্রতি মাসে এক বার (মোট তিন মাস) ‘তালাক’ দিয়ে বিচ্ছেদের বৃত্ত সম্পূর্ণ করতে পারেন। অন্যদিকে স্ত্রীও বিচ্ছেদ ঘোষণা করতে পারেন ‘খুলা’ প্রথার মাধ্যমে। এক্ষেত্রে স্ত্রীকে ‘কাজি’র (আদালত) ফরমান মেনে বা স্বামীর সম্মতি-সাপেক্ষে বিয়ের সময় স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া ‘মেহের’ ফিরিয়ে দিতে হয়। তালাক-ই-হাসানের ক্ষেত্রে তৃতীয় মাসে তালাক উচ্চারণের সময়ও যদি স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে থাকা না শুরু করেন, তাহলেই কেবল মাত্র তা পাকা বিবাহ বিচ্ছেদ হিসেবে গন্য হয়। কিন্তু, প্রথম বা দ্বিতীয় তালাক উচ্চারণের পর, যদি বর বউ ফের একসঙ্গে থাকা শুরু করেন, সেক্ষেত্রে বিচ্ছেদ হয় না।এই তালাক-এ-হাসান প্রথারই অনুশীলন বন্ধের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সাংবাদিক বেনজির হিনা। তাঁর বক্তব্য ছিল– এই প্রথা ইসলাম এবং ভারতীয় সংবিধান, উভয়েরই বিরোধী। এই প্রথা মানবাধিকার লঙ্ঘন করার পাশাপাশি লিঙ্গ বৈষম্যকেও প্রশ্রয় দেয়। অ্যাডভোকেট অশ্বিনী কুমার দুবের মাধ্যমে সাংবাদিক বেনজির হিনার দায়ের করা পিটিশনে দাবি করা হয় যে, এই প্রথা অসাংবিধানিক। কারণ এটি অযৌক্তিক, স্বেচ্ছাচারী এবং সংবিধানের ১৪, ৫১, ২১ এবং ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। এটি একতরফা বিচার বহির্ভূত তালাক।সেই আবেদনেরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কৌলে এবং এমএম সুন্দ্রেশের একটি বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ– ‘‘প্রাথমিকভাবে খতিয়ে দেখতে হলে তালাক-এ-হাসান অতটাও বেঠিক প্রথা নয়। আমরা চাই না, অকারণে এটা নিয়েও অ্যাজেন্ডা তৈরি করা হোক।’’ আবেদনকারী সাংবাদিক হিনা এই মত মানতে নারাজ। তাঁর বক্তব্য, তিনি নিজেই তালাক-এ-হাসান পদ্ধতির বিচ্ছেদের শিকার হয়েছেন। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৯ আগস্ট। -

Goa BJP: গোয়া পঞ্চায়েতে বিপুল জয় বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে খুশির হাওয়া
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) প্রাক্কালে ফের সুখবর গেরুয়া শিবিরে! গোয়া পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Goa Panchayat Elections) বিপুল জয় পেল বিজেপি (BJP)। লোকসভা, বিধানসভার পর জয়ের ধারা অব্যাহত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও। রাজ্যের ১৮৬টি গ্রাম পঞ্চায়েতের (Gram Panchayat) মধ্যে ১৪০টির রশি গিয়েছে পদ্ম নেতৃত্বের হাতে।
১০ অগাস্ট ভোট হয়েছিল রাজ্যের উত্তর গোয়া জেলার ৯৭টি ও দক্ষিণ গোয়া জেলার ৮৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ১ হাজার ৪৬৪টি আসনে। ভোট পড়েছিল ৭৯ শতাংশের কাছাকাছি। নির্বাচনের আগেই অবশ্য উত্তর গোয়ায় ৪১টি ও দক্ষিণ গোয়ায় ২৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিলেন পদ্ম প্রার্থীরা। শুক্রবার শুরু হয়েছে গণনা। ফল প্রকাশিত হলে দেখা যাচ্ছে, হাজারখানেক আসনে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। বিপুল জয়ের জন্য গোয়ার বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাবন্ত (Pramod Sawant)। তিনি বলেন, ১০ তারিখে গোয়ার ১৮৬টি পঞ্চায়েতে ভোট হয়েছিল। ফল ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আমরা ১৪০টি আসনে জয়ী হয়েছি। বিধানসভা, লোকসভার পর পঞ্চায়েতেও জয় পেয়েছি আমরা। এতে প্রমাণ হয় আমরা জনগণের জন্য কাজ করছি। তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত আমাদের এই ফলে খুশি হবেন কেন্দ্রীয় কমিটি। বিজেপির গোয়া রাজ্য সভাপতি সদানন্দ শেট তানাভাদে (Sadanand Shet Tanavade) বলেন, এই প্রথম গোয়া পঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও একটি রাজনৈতিক দল এত বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। বিজেপির এই জয় ঐতিহাসিক। তিনি বলেন, নির্বাচনের এই ফলে এটা প্রমাণিত হয় যে বিধানসভা ভোটের তুলনায় আমাদের প্রতি মানুষের সমর্থন বেড়েছে।
আরও পড়ুন :বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই হয় গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। গোয়া বিধানসভার ৪০টি আসনের মধ্যে ২০টিতে জয়ী হয়ে সরকার গড়ে পদ্ম-পার্টি। ওই নির্বাচনে গোয়া দখলে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতানেত্রীরা। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বাবুল সুপ্রিয়কেও পদ্ম শিবিরের বাড়া ভাতে ছাই দিতে পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। বার দুয়েক গোয়া উড়ে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ে বিজেপিকে মাত দিতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা যায় মুখ পুড়েছে জোড়াফুল শিবিরের। তবে বিধানসভা নির্বাচনে খালি হাতে ফিরতে হলেও, পঞ্চায়েতে একটি আসনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী রাখি নায়েক। দক্ষিণ গোয়া জেলার নেত্রাবলী থেকে জয়ী হয়েছেন রাখি।
আরও পড়ুন : বিজেপি যুবনেতা খুনের ঘটনায় তদন্তে এনআইএ! জানুন কেন
-

VHP on Rohingya: রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোহিঙ্গাদের (Rohingya) ভারত (India) থেকে বের করে দেওয়া উচিত। অন্তত এমনই মন্তব্য করলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার (Alok Kumar)। রোহিঙ্গাদের দিল্লিতে পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। তার প্রেক্ষিতেই একথা বলেছেন অলোক কুমার। সরকারি সিদ্ধান্তকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈনও (Surendra Jain)।
মায়ানমার ছেড়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। দিল্লিতেও ঘাঁটি গেড়েছেন তাঁরা। এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফ্ল্যাট দিচ্ছে কেন্দ্র। তাঁদের প্রহরায় মোতায়েন থাকবে দিল্লি পুলিশও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় হাউজিং অ্যান্ড আরবান অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী।
Press Statement:
Instead of Housing Rohingyas, push them out of Bharat: Alok Kumar pic.twitter.com/pv6Yl3Cele— Vishva Hindu Parishad -VHP (@VHPDigital) August 17, 2022
ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, ভারত বরাবরই এ দেশে আশ্রয়প্রার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দিল্লির বক্করওয়ালা এলাকার অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য তৈরি করা ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাদের সাধারণ সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে এবং দিল্লি পুলিশ ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য থাকবে। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি লেখেন, যাঁরা ভারতের শরণার্থী নীতিকে সিএএ-র সঙ্গে জুড়ে বিরোধিতা করে নিজেদের কেরিয়ার তৈরি করতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ।
আরও পড়ুন : পরপর জেহাদি হামলার জের! হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু ভিএইচপির
সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। অলোক কুমার বলেন, রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা করার চেয়ে তাদের ভারতের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাই করা উচিত। তিনি বলেন, পাকিস্তান থেকে এদেশে আসা হিন্দু শরণার্থীরা মঞ্জু কা তিলা এলাকায় অতিকষ্টে দিন গুজরান করছেন। তাঁদের টপকে যেভাবে রোহিঙ্গাদের সুযোগ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। রোহিঙ্গাদের ফ্ল্যাট এবং পুলিশ প্রহরা সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈনও।
আরও পড়ুন : ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র
-

Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! সেনার উপর গ্রেনেড হামলা
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ানে জঙ্গি হামলা। মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সোপিয়ান জেলার কুটপোড়ায় সেনার উপর গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গিরা। গত কয়েকদিন ধরেই কাশ্মীরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জঙ্গিরা। এদিন সেনার টহলদারির সময় রাতের অন্ধকারে তাদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়ে জঙ্গিরা। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলে গা ঢাকা দেয় তারা। তাদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে সেনা ও কাশ্মীর পুলিশের যৌথ বাহিনী।
আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা, দুই কাশ্মীরি পণ্ডিত ভাইকে গুলি করল জঙ্গিরা, মৃত এক
বুধবার কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়, গোয়েন্দা সূত্রে, এদিন একটি বাড়িতে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় সেনা। তারপরই ওই বাড়িতে গোপন অভিযান চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। তখনই তাঁদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। অন্ধকারকে হাতিয়ার করে জঙ্গিরা লুকিয়ে পড়লেও ওই বাড়ি থেকে গোলা বারুদ উদ্ধার হয়েছে। মিলেছে গোপন নথিও। এই নিয়ে পরপর ২ দিন সেনার উপর হামলা চালাল জঙ্গিরা। সোমবার, স্বাধীনতা দিবসেই বুদগাম এবং শ্রীনগর জেলায় দুটি পৃথক সন্ত্রাসবাদী হামলায় এক অসামরিক নাগরিক এবং একজন পুলিশ কর্মী আহত হন। দুটি হামলাতেই সন্ত্রাসবাদীরা গ্রেনেড ব্যবহার করে বলে জানা গিয়েছে।
On specific input Security Forces launched a CASO in Kutpora, #Shopian. During search, #terrorists lobbed grenades on the search party. Search party also retaliated. However terrorists escaped due to darkness. Police & SFs busted a #hideout inside a house & recovered Arms/Amns.
— Kashmir Zone Police (@KashmirPolice) August 17, 2022
গত কয়েক দিনে পরপর জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে ভূস্বর্গ। মঙ্গলবার সোপিয়ানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। মৃত্যু হয় একজনের। এর আগে বান্দিপোড়ায় (Bandipora) পরিযায়ী শ্রমিকের উপর হামলা চালায় সন্ত্রাবাদীরা। জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয় বিহার থেকে জম্মু-কাশ্মীরে কাজ করতে আসা এক শ্রমিক। গত বৃহস্পতিবারই রাজৌরির সেনা ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলা চালায় জঙ্গিরা। উরির কায়দায় বড়সর আত্মঘাতী হামলার ছক বানচাল করে সেনা। গুলির লড়াইয়ে খতম হয় দুই জঙ্গি। শহিদ হন তিন জওয়ান। -

Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা, দুই কাশ্মীরি পণ্ডিত ভাইকে গুলি করল জঙ্গিরা, মৃত এক
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। ফের বিপন্ন কাশ্মীরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ানে জঙ্গি হামলায় ফের মৃত্যু হল এক কাশ্মীরি পণ্ডিতের। ওই হামলাতেই জখম তাঁর ভাই। এই নিয়ে কম সময়ের বিরতিতে পর পর দুবার হামলা চালানো হল কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের ওপর। কিছুদিন আগেই ওই একই সম্প্রদায়ের ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা।
মঙ্গলবার সকালেই ঘটনাটি ঘটে সোপিয়ানের চিতপোরা এলাকায়। একটি আপেল বাগানে জঙ্গিরা ওই দুই পণ্ডিতের ওপর গুলি চালায়। জঙ্গিদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তাঁদের মধ্যে এক জন। গুরুতরভাবে আহত অন্যজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ট্যুইটারে কাশ্মীর পুলিশ লিখেছে, খুব শীঘ্রই পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানানো হবে। তবে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত হামলাকারীদের খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
#Terrorists fired upon civilians in an apple orchard in Chotipora area of #Shopian. One person died and one injured. Both belong to minority community. Injured person has been shifted to hospital. Area #cordoned off. Further details shall follow.@JmuKmrPolice
— Kashmir Zone Police (@KashmirPolice) August 16, 2022
জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, নিহতের নাম সুনীল কুমার। কাছের ছোটিগাম গ্রামের বাসিন্দা সুনীল এবং তাঁর ভাই পিন্টু। সুনীল কুমারের শরীরের দুটি গুলি লাগে। জঙ্গি হামলায় আহত হন তাঁর ভাই পিন্টুও। হামলার পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তাবাহিনী। জঙ্গিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
ঘটনার পরে, উপত্যকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে পুলিশ। বেশ কয়েকদিন ধরেই জঙ্গি হামলায় বিপর্যস্ত ভূস্বর্গ। রবিবারই নাওহাটায় জঙ্গি হামলায় এক পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। কয়েকদিন আগেই বিহার থেকে কাশ্মীরে কাজ করতে আসা এক পরিযায়ী শ্রমিককেও বান্দিপোরায় গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। এই নিয়ে চলতি বছরে ভিনরাজ্যের চার নম্বর বাসিন্দাকে খুন করল জঙ্গিরা।
সোপিয়ানের জঙ্গি আক্রমণের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “সোপিয়ানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর আক্রমণের তীব্র নিন্দা করি।”
Terribly sad news from South Kashmir today. An accident & a militant attack have left a trail of death & suffering. I condemn the militant attack in Shopian unequivocally in which Sunil Kumar was killed & Pinto Kumar injured. My condolences to the family.
— Omar Abdullah (@OmarAbdullah) August 16, 2022
ঘটনার নিন্দা করেছেন কাশ্মীরের লেফটান্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহাও। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “কাশ্মীরের সোপিয়ানের হামলায় গভীরভাবে শোকাহত। মৃতের পরিবারের প্রতি সমব্যাথী। আহতের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এই ঘটনার নিন্দা সবার করা উচিৎ। যেই জঙ্গিরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের ক্ষমা করা হবে না।”
Pained beyond words on despicable terror attack on civilians in Shopian. My thoughts are with the family of Sunil Kumar. Praying for speedy recovery of injured. The attack deserves strongest condemnation from everyone. Terrorists responsible for barbaric act will not be spared.
— Office of LG J&K (@OfficeOfLGJandK) August 16, 2022
কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর হামলার দায় শিকার করেছে জঙ্গি সংগঠন কাশ্মীর ফ্রিডম ফাইটারস (KFF)। মূলত এটি লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন। এদের ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে লস্কর জঙ্গিদের সঙ্গে।
-

IAF’s Sukhoi: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান চায় বায়ুসেনা। পুরনো মিগ সিরিজের বিমানগুলিকে বসিয়ে দিয়ে আধুনিক ফাইটার জেট ব্যবহার করতে আগ্রহী ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের আওতায় ১১৪টি নতুন যুদ্ধবিমান কিনতে চায় বায়ুসেনা। প্রতিরক্ষামন্ত্রক ও বায়ুসেনার সঙ্গে সুখোই-৩০ ও আরও আধুনিক এবং উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন যুদ্ধবিমান নিয়ে কথা বলতে শীঘ্রই ভারতে আসছে রাশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিরক্ষা শিল্প নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া চুক্তির জন্যই দিল্লি আসার কথা ওই দলের।
বায়ুসেনা সূত্রে খবর, অতি দ্রুত ১১৪টি যুদ্ধবিমান প্রয়োজন। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিমান নিয়ে চুক্তি করতে বোয়িং, লকহিড মার্টিনের মতো মার্কিন সংস্থা, রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্র্যাফট এবং সাব-এর মতো সংস্থা আগ্রহী। এই সব সংস্থা এর আগেও মিডিয়াম মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটের (এমএমআরসিএ) টেন্ডারে অংশ নিয়েছে। একাধিক সংস্থা ইতিমধ্যেই নানা ‘অফার’ নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং বায়ুসেনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। রাশিয়া সরকারের সঙ্গেও কয়েক প্রস্ত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে সব প্রস্তাব এবং পরিকল্পনাই খতিয়ে দেখছে সরকার।
আরও পড়ুন: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?
এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের ভারতে আসা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্র্যাফটের এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিকের কথায়, তাঁরা ভারতের সঙ্গে নয়া চুক্তি করতে আশাবাদী। তাঁরা Sukhoi-30 MKI ফ্লিটের আপগ্রেডেড রূপ নিয়ে কথা বলতে চায়। এই প্রস্তাবিত আপগ্রেডেড রূপে আরও ভাল রাডার, শক্তিশালী অস্ত্র প্যাকেজ, একটি নতুন ককপিট সিস্টেম-সহ আরও অনেক কিছু রয়েছে।
প্রসঙ্গত, সুখোই গোত্রের সব যুদ্ধবিমানই রাশিয়ায় তৈরি। তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী শ্রেণিগুলির অন্যতম হল সুখোই-৩০। ভারতীয় বিমানবাহিনী এই সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানই ব্যবহার করে। এই ফাইটার জেটে রয়েছে ক্যানার্ড নামে অতিরিক্ত দুটি ডানা। এই ক্যানার্ড যুদ্ধবিমানের গতি ও ভারসাম্য দারুণভাবে চালকের নিয়ন্ত্রণে রাখে। থ্রাস্ট-ভেক্টর কন্ট্রোল নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে সুখোই-৩০ বিমানে। সেই ব্যবস্থা বিমানের অভিমুখ নিয়ন্ত্রণে খুব দক্ষ। থ্রাস্ট-ভেক্টরিং-এর সুবাদে কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এত দ্রুত এগিয়ে যায় সুখোই-৩০ যে তাকে তাড়া করা অপেক্ষাকৃত পুরনো দিনের যুদ্ধবিমানের পক্ষে খুব কঠিন।
-

Partha Chatterjee: হাজারিবাগের হোটেলে পার্থ-ঘনিষ্ঠের খোঁজে তল্লাশি আয়কর দফতরের, কী মিলল জানেন?
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়– অর্পিতা মুখোপাধ্যায় গ্রেফতার নিয়ে কিছুদিন আগেই উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। এর মাঝেই রাজ্যের আরও এক হেভি ওয়েট নেতা অনুব্রত মণ্ডলকেও গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এই ইস্যুগুলি ঠাণ্ডা হতে না হতেই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) এক ঘনিষ্ঠের (Aid) খোঁজে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) হজারিবাগের (Hajaribag) একটি হোটেলে হানা (Raid) দিলেন আয়কর দফতরের (Income Tax Department) আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন: ১৪ দিনের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার! কেউ ছাড় পাবে না, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর নিশানায় কারা?
পিটিআই সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পার্থ-ঘনিষ্ঠ ওই ব্যক্তির খোঁজে তল্লাশি চালান আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। শুক্রবার রাতে ঝাড়খণ্ডের হজারিবাগ জেলার ভাণ্ডারা পার্কের একটি হোটেলে যান তাঁরা।আয়কর দফতরের আধিকারিকরা সূত্র মারফত খবর পান, ওই হোটেলে এসেছেন পার্থের এক সঙ্গী। বেশ কিছু দিন ধরেই আয়কর দফতর নজর রাখছিল ওই ব্যক্তির ওপর। যদিও শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, হোটেলে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা পৌঁছনোর আগেই তিনি পালিয়ে যান। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) তরফে আয়কর দফতরকে জানানো হয় পার্থ-ঘনিষ্ঠ ওই ব্যক্তির কাছে প্রচুর নগদ টাকা রয়েছে। এর পরেই ওই ব্যক্তির খোঁজ শুরু করে আয়কর দফতর।
আরও পড়ুন: যৌথ ব্যবসার সত্যতা স্বীকার অর্পিতার! জেলে গিয়ে পার্থকে দেড় ঘণ্টা জেরা ইডি-র
প্রথমে ভাণ্ডারা পার্কের সমস্ত প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন আয়কর আধিকারিকরা। মাল্টিপ্লেক্স, হোটেল, অনুষ্ঠান বাড়ি—সমস্ত গেট বন্ধ করে খোঁজ শুরু হয়। আয়কর দফতরের এক আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে আট ঘণ্টা ওই হোটেলে তল্লাশি চলে। কিন্তু কোনও ভাবে পার্থ-ঘনিষ্ঠকে ধরা যায়নি। তবে হোটেলকর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁরা জানতে পারেন, কলকাতা থেকে সরকারি গাড়ি চেপে সেখানে পৌঁছন ওই ব্যক্তি। তাঁর সঙ্গে ছিল বিশাল বড় একটি ব্যাগ।
আয়কর দফতরের সন্দেহ, হিসাব বহির্ভূত টাকা লুকিয়ে রাখার জায়গা খুঁজতেই ওই ব্যক্তি ঝাড়খণ্ডের হোটেলে গিয়ে উঠেছিলেন। আই-টি হানার আগাম খবর পেয়ে কয়েক ঘণ্টা আগেই ওই ব্যক্তি হোটেল ছেড়ে পালিয়ে যান বলে খবর। আয়কর দফতরের আধিকারিকরা হোটেল কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদও করেন।
এসএসসি দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। একই মামলায় অভিযুক্ত দুজনকে ১৯ অগাস্ট শুক্রবার আদালতে পেশ করা হয় ১৪ দিনের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে। এ দিন ফের তাঁদের দুজনকেই ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর আজ ফের এই বিপুল পরিমান সম্পত্তির হদিশ মিলল। তবে এই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কার মাধ্যমেই বা পাচার করা হচ্ছিল, তা এখনও জানা যায়নি।
-

Milk Price Hike: মধ্যবিত্তের মাথায় হাত, দুধের দাম বাড়াল আমুল এবং মাদার ডেয়ারি
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। রোজ বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম। এর আঁচ পড়েছে মধ্যবিত্তের রান্নাঘরেও। এবার আরও খানিকটা বিপদে পড়ল মধ্যবিত্ত। অস্বস্তি বাড়িয়ে এবার দুধের দাম বাড়াল আমুল ও মাদার ডেয়ারি (Monther Dairy)। লিটার পিছু দুধের দাম বাড়ছে ২ টাকা। আগামিকাল, ১৭ আগস্ট থেকেই এই নতুন দাম লাগু হবে। প্রসঙ্গত, ৬ মাসের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার দুধের দাম বাড়াল দুই সংস্থাই।
আরও পড়ুন: রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দেশ, কী হবে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার স্টকের?
গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন, যেটি ‘Amul’ ব্র্যান্ড নামে দুধ এবং দুধের পণ্য বিক্রি করে।
মূল্যবৃদ্ধি (Price Hike) প্রসঙ্গে আমুলের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, মুম্বই, দিল্লি এনসিআর, গুজরাটের আহমেদাবাদ, সৌরাষ্ট্র এবং আরও যে সমস্ত রাজ্যে আমুলের দুধ বিক্রি হয় সর্বত্রই ১৭ আগস্ট থেকে দুধের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা করে বাড়বে।
আরও পড়ুন: ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারের রিভিউ পিটিশন শেষ পর্যন্ত গ্রহণ করল আদালত
আমুলের ঘোষণার কিছু পরেই মাদার ডেয়ারির তরফেও ঘোষণা করে জানানো হয়, লিটার প্রতি ২ টাকা করে দুধের দাম বাড়াচ্ছে তারাও। আর সেই নতুন দাম ধার্য হবে বুধবার, ১৭ আগস্ট থেকেই। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “গত পাঁচ মাস ধরেই আনুষঙ্গিক খরচ বাড়ছিল। তাই বাধ্যত এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।” বর্ধিত মূল্যের হিসেবে এবার প্রতি লিটার মাদার ডেয়ারির ফুল ক্রিম মিল্কের দাম হল ৬১ টাকা , টোনড দুধের দাম ৫১ টাকা, ডাবল টোন্ড দুধ ৪৫ টাকা।
একই কথা জানিয়েছে আমুল। সংস্থার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুধের উৎপাদন ও বিপণনের খরচ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে গত কয়েক মাসে। আর সেই কারণেই বাড়ানো হচ্ছে দুধের দাম। এর ফলে ৫০০ মিলিলিটার আমুল গোল্ডের দাম হবে ৩১ টাকা, প্রতি লিটার আমুল তাজা ২৫ টাকা, আমুল শক্তি ২৮ টাকা।
আমুল বিবৃতিতে বলেছে যে, ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে, আমাদের সদস্য ইউনিয়নগুলি কৃষকদের জন্য দাম বাড়িয়েছে। এর একটি অংশ এখন গ্রাহকদের কাছে বাড়ানো হয়েছে। রাশিয়ান-ইউক্রেন সংকটের কারণে পশু খাদ্য সহ বিশ্বব্যাপী পণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ কারণে সারা বিশ্বে এর দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। যা দেশে সরবরাহ ও দামের ওপর প্রভাব ফেলেছে এবং দুধ উৎপাদনে নিয়োজিত কৃষকদের খরচ বেড়েছে।

