Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Rajya Sabha Protest: ধর্নায় বসে সাসপেন্ডেড সাংসদরা খাচ্ছেন ইডলি-সাম্বার, চিকেন-তন্দুরি!

    Rajya Sabha Protest: ধর্নায় বসে সাসপেন্ডেড সাংসদরা খাচ্ছেন ইডলি-সাম্বার, চিকেন-তন্দুরি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসেছেন অবস্থান বিক্ষোভে। অথচ খাওয়া হচ্ছে দই-ভাত (Curd rice), ইডলি (Idli)-সাম্বার (Sambhar), চিকেন-তন্দুরি  (Chicken Tandoori), গাজরের হালুয়া এবং ফল। এই হচ্ছে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসা সাসপেন্ডেড সাংসদদের খাবার। বুধবার থেকে শুক্রবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ধর্না চলবে বলে জানিয়েছেন সাসপেন্ডেড সাংসদরা। সেখানেই চলছে ভূরিভোজের ব্যবস্থা।  

    অসংসদীয় আচরণের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল সাংসদদের। তার পরেই টানা পঞ্চাশ ঘণ্টার ধর্নায় বসেছেন বিজেপি (BJP) বিরোধী বিভিন্ন দলের সাংসদরা। রাজ্যসভা (Rajya Sabha) থেকে সাসপেন্ড হওয়া ২০ জন বিরোধী দলের সাংসদও রয়েছেন ধর্নায়। যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের (TMC) সাত জন, ডিএমকের ৬ জন, টিআরএসের তিন জন, সিপিএমের দুজন এবং সিপিআই ও আপের একজন করে সাংসদ। রাজ্যসভার পাশাপাশি লোকসভা থেকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে কংগ্রেসের চার সাংসদকে। এই ঘটনার প্রতিবাদেই ধর্নায় বসেছেন বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন : ৫০ ঘণ্টার ধর্নায় সাসপেন্ডেড সাংসদরা, বিরোধী বৈঠকে গরহাজির আপ, তৃণমূল

    রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন তৃণমূলের কংগ্রেসের দোলা সেন। তিনি বলেন, গান্ধী মূর্তির পাদদেশে প্রতিবাদে বসেছেন সাসপেন্ডেড সাংসদরা। রাতেও তাঁরা চালিয়ে যাবেন অবস্থান বিক্ষোভ। টানা পঞ্চাশ ঘণ্টার অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে প্রয়োজন খাবারের। তাই তৈরি করা হয়েছে ডিউটি রোস্টারও। সেখানেই তৈরি হচ্ছে হরেক কিসিমের খাবারও। রোস্টার যাতে ঠিকঠাকভাবে পালিত হয়, সেজন্য তৈরি হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। এদিকে, সংসদে অসংসদীয় আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেই সাসপেনশান তুলে নেওয়া হবে বলে জানায় সরকার পক্ষ। যদিও তা করতে রাজি নন ধর্নায় বসা সাংসদরা। বিজেপি বিরোধী যে দলগুলি অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে, তারা হল তৃণমূল, ডিএমকে, আপ, টিআরএস, সমাজবাদী পার্টি, শিবসেনা, সিপিএম, সিপিআই, জেএমএম এবং কেরালা কংগ্রেস। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, প্রতিবাদী রাজনৈতিক দলগুলি ঠিক করেছে অবস্থান বিক্ষোভে বসা সাংসদদের দেওয়া হবে প্রাদেশিক খাবার।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    বুধবার প্রাতরাশে ছিল ইডলি-সাম্বার। লাঞ্চে ছিল দই-ভাত। আয়োজন করেছিল ডিএমকে। আর রাতে খাবার হিসেবে ছিল রুটি, ডাল, পনির এবং চিকেন তন্দুরি। আয়োজন করেছে তৃণমূল। ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি গাজরের হালুয়া নিয়ে এসেছিলেন। তৃণমূলের তরফে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ফল এবং স্যান্ডউইচ। রোস্টার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার প্রাতরাশের দায়িত্বে ছিল ডিএমকে। লাঞ্চের দায়িত্বে টিআরএস। আর রাতের খাবারের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব বর্তেছে আম আদমি পার্টির ওপর। সাসপেন্ডেড সাংসদদের সমর্থনে বিভিন্ন দলের নেতারাও কিছুক্ষণের জন্য অবস্থান বিক্ষোভ মঞ্চে আসছেন। সংসদ চত্বরের ওই এলাকায় কাঠামো তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় খোলা আকাশের নীচেই রাত কাটাতে হয়েছে তাঁদের। তবে দেওয়া হয়েছে পার্লামেন্ট লাইব্রেরির টয়লেট ব্যবহারের অনুমতি।

     

  • Hamid Ansari: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি পাক চরকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন! বিস্ফোরক দাবি 

    Hamid Ansari: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি পাক চরকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন! বিস্ফোরক দাবি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারত সফর সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন এক পাক সাংবাদিক। নুসরাত মির্জা (Nusrat Mirza) নামের ওই সাংবাদিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক তথা ইউটিউবার শাকিল চৌধুরীর (Shakil Chaudhary) সঙ্গে এক সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন তিনি বহুবার ভারত সফরের এসেছেন এবং সফরের পরেই দেশে ফিরে গিয়ে ভারত সম্পর্কে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।    

    আরও পড়ুন: জনীতি থেকে দূরে থাকুন, সেনা আধিকারিকদের নির্দেশ পাক সেনা প্রধানের

    ২০১০ সালে হামিদ আনসারির (Hamid Ansari) আমন্ত্রণেও একবার ওই পাকিস্তানি সাংবাদিক ভারতে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে এক সেমিনারে অংশ নিতে তিনি ভারতে আসেন বলে জানান। সেই সময় ভারতের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন হামিদ আনসারি। ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল অবধি ভারতের উপরাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এরপর ২০১১ সালে শেষবার ভারতে আসেন নুসরাত। তাঁর দাবি, তিনি ভারত থেকে যে সমস্ত তথ্য একজোট করেছিলেন তা দিয়েছিলেন পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থাকে।     

    [tw]


    [/tw]   

    ঘটনাটি ইউপিএ (UPA) শাসনকালের। আর সেই সময়ই ভারতে এসে তথ্য সংগ্রহ করে, সেই তথ্য পাক গুপ্তচর সংস্থা (Pakistani Spy Agency) আইএসআইকে (ISI) দিয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের হুঁশিয়ারি! বিদ্যুৎ সংকট পাকিস্তানে
        
    ভারতের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনও পাকিস্তানি ভারতে আসেন, তখন তাঁকে ৩ টি শহর ঘোরার অনুমতি দেয় ভারত সরকার। যদিও ভিসার আবেদনে ৫ টি শহরের উল্লেখ থাকে। কিন্তু সেইসময় তাঁকে সাতটি শহর ঘুরে দেখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানান নুসরাত। সাংবাদিক আরও জানান, তাঁর সঙ্গে তৎকালীন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী খুরশিদ কসুরি (Khurshid Kasuri) ছিলেন। নুসরাত মির্জার দাবি, খুরশিদ ওই সাংবাদিককে বলতেন যা তথ্য তিনি ভারত থেকে পেয়েছেন তা যেন পাকিস্তানের তৎকালীন সেনা প্রধান জেনারেল কায়ানিকে দেওয়া হয়।  

    তাঁর বক্তব্য পাঁচবার ভারত সফর করে তিনি দিল্লি, ব্যাঙ্গালোর, চেন্নাই, পাটনা এবং কলকাতায় ঘুরেছেন। ২০১১ সালে, তিনি মিল্লি গেজেটের প্রকাশক জাফরুল ইসলাম খানের সঙ্গেও দেখা করেন। সাংবাদিকের এই দাবির পরেই ইউপিএ সরকারের অসতর্কতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অস্বস্তিতে আনসারিও। 

     

  • Prophet Row: জেলেই জুবের! ১৪ দিনের জেল হেফাজত অল্ট-নিউজের সহ-কর্ণধারের

    Prophet Row: জেলেই জুবের! ১৪ দিনের জেল হেফাজত অল্ট-নিউজের সহ-কর্ণধারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদ কাটল না অল্ট-নিউজের সহ-কর্ণধার মহম্মদ জুবেরের (Mohammed Zubair)। লখিমপুর খেরির স্থানীয় আদালত (Lakhimpur Kheri court) সোমবার জুবেরকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের (14-day judicial custody) নির্দেশ দেয়। গত বছর দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল লখিমপুরে। বর্তমানে জুবেরের ঠিকানা সীতাপুর জেল। এদিন, জেল থেকেই ভিডিও কনফারেন্সে শুনানিতে যোগ দেন জুবের।

    আরও পড়ুন: উদয়পুর-কাণ্ডে মুসলিমরাও স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদে সামিল হোন! আর্জি আরএসএসের

    সোমবার আদালতে পুলিশের তরফে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুবেরকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে চাওয়া হয়। কিন্তু বিচারক রুচিরা শ্রীবাস্তব ভিডিও কনফারেন্সে শুনানিতে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। আগামী ১৩ জুলাই পুলিশ হেফাজতের আবেদন শুনবে আদালত। ততদিন জেলেই থাকতে হবে জুবেরকে। পুলিশ সুপার সঞ্জীব সুমন জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির জন্য জুবেরকে মঙ্গলবার দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে জুবেরকে। একটি মামলায় উত্তরপ্রদেশ হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জুবের। শীর্ষ আদালতে বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি এ এস বোপান্নার বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের মাথায় ২০ ফুটের অশোক স্তম্ভ, উন্মোচন করলেন মোদি 

    প্রসঙ্গত, নুপূর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিয়ো ফাঁস করার নেপথ্যে মহম্মদ জুবেইরের নাম উঠে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, আশিস কুমার কাটিয়ার নামে স্থানীয় এক সাংবাদিক গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর মহম্মাদি থানায় জুবেরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। কাটিয়ারের দাবি ছিল, সাম্প্রদায়িক অশান্তি সৃষ্টি করতে জুবেরের অল্ট নিউজ ভুয়ো খবর পরিবেশন করে। প্রথমে পুলিশ কাটিয়ারের অভিযোগকে গুরুত্ব না দেওয়ায় পরে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। এর পর আদালতের নির্দেশে জুবেরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ ধারায় এফআইআর দায়ের হয়। উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট শর্তসাপেক্ষে জুবেরকে ৫ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন দেয়। কিন্তু তা-ও জেলমুক্তি হয়নি তাঁর। তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলে আনছে পুলিশ।

  • Indian Army: ভারতীয় সেনার নয়া রণকৌশল, চিনকে কুপোকাত করতে মান্দারিন ভাষা শিক্ষা

    Indian Army: ভারতীয় সেনার নয়া রণকৌশল, চিনকে কুপোকাত করতে মান্দারিন ভাষা শিক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিকাংশ চিনা (China) নাগরিকের ভাষা মান্দারিন (Mandarin)। তাই সেই ভাষায় দক্ষ হয়ে উঠতে চাইছে ভারতীয় সেনা। সূত্রের দাবি, চিন সীমান্তের অবস্থা মাথায় রেখে ভারতীয় সেনা (Indian Army) অফিসারদের মান্দারিনে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। মোটের উপরে বাহিনীতে মান্দারিন জানা জওয়ান-অফিসারের সংখ্যা বাড়ানোই সেনার লক্ষ্য।     

    ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনার বিভিন্ন স্তরের কমিশনড অফিসাররা ইতিমধ্যেই মান্দারিন ভাষা ভাল রপ্ত করে ফেলেছেন। সেনার নর্দার্ন, ইস্টার্ন এবং সেন্ট্রাল কমান্ডের ভাষা-শিক্ষার স্কুলগুলিতে মান্দারিনের নানা রকম কোর্সের শিক্ষা চলছে। মান্দারিন লেখা পড়তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি টেরিটোরিয়াল আর্মিতেও মান্দারিন জানা জওয়ান ও অফিসারদের নিয়োগের ক্ষেত্রে সম্প্রতি প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলেছে সেনা।

    আরও পড়ুন: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা    

    সূত্রের মতে, ভবিষ্যতে দুদেশে মধ্যের সম্পর্কের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। সেনা বাহিনীর দাবি, দুই দেশের বাহিনীর কোর কমান্ডার পর্যায়ে আলোচনা, ফ্ল্যাগ মিটিং, বর্ডার পার্সোনেল মিটিং বা যৌথ সামরিক মহড়ার ক্ষেত্রে ভাষাটি জানা থাকলে সুবিধা হবে। মতের আদান-প্রদান সহজ হবে। চিনের সেনা বাহিনী যখন তাদের কোনও সিদ্ধান্ত জানাবে, তখন ভারতীয় অফিসারদের পক্ষে তার অর্থ আরও ভাল করে বোঝা সম্ভব হবে। আবার ভারতের অফিসাররাও চিনকে তাঁদের বক্তব্য বুঝিয়ে বলতে পারবেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যত রণকৌশল তৈরি আরও সহজ হবে।  

    আরও পড়ুন: ভয়াবহ ধসে মণিপুরে মৃত ৯ সেনা-সহ ১০ জন, চলছে উদ্ধারকাজ

    সেনা বাহিনীকে মান্দারিনে দক্ষ করে তুলতে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়, গুজরাট কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিব নাদার বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতাপত্র সাক্ষর করেছে ভারতীয় সেনা। সূত্রের খবর, মধ্যপ্রদেশের পচমঢ়ীতে সেনার ট্রেনিং স্কুল এবং দিল্লির স্কুল অব ফরেন ল্যাঙ্গোয়েজেস-এ চাকরি বাড়িয়ে তাদেরও এই প্রয়াসে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেনা। সেনারা মান্দারিন ভাষা রপ্ত করতে পারছেন কি না, দিল্লির লাঙ্গমা স্কুল অব ল্যাঙ্গোয়েজেসের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তা পরীক্ষা করেও দেখা হচ্ছে।    

     

  • India Population: জনসংখ্যার নিরিখে চিনকেও ছাপিয়ে যাবে ভারত, বলছে রিপোর্ট

    India Population: জনসংখ্যার নিরিখে চিনকেও ছাপিয়ে যাবে ভারত, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসংখ্যার (Population) নিরিখে আর কিছু দিনেই চিনকে ছাপিয়ে যাবে ভারত। বিশ্বের সব চেয়ে জনবহুল দেশ হতে চলেছে ভারত (India)। সোমবার এমনই দাবি করা হয়েছে একটি রিপোর্টে। 

    আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে চিনের (China) থেকেও বেশি জনসংখ্যা হবে ভারতের। সোমবার রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) প্রকাশিত ‘দ্য ওয়ার্লড পপুলেশন প্রসপেকট্স ২০২২’ নামের এক রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই বছর নভেম্বরেই ৮০০ কোটিতে দাঁড়াবে বিশ্বের জনসংখ্যা। ভারতের পাশাপাশি গোটা পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি। রাষ্ট্রসংঘের এই রিপোর্ট চিন্তা বাড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনীতির বৃদ্ধি দ্রুত হলেও, জনসংখ্যার বৃদ্ধিতে চাপে পড়তে পারে ভারত। 

    আরও পড়ুন: মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত 

    রাষ্ট্রসংঘের একটি রিপোর্ট বলছে, এ বছরের নভেম্বরে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটি ছাড়াবে। ১৯৫০-এর পর থেকে গোটা বিশ্বের জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার কিছুটা কমে গিয়েছিল। ২০২০-তে তা এক শতাংশের নীচে নেমে যায়। কিন্তু নতুন এই রিপোর্ট বলছে, ২০৩০-এর মধ্যে জনসংখ্যা ছাড়াবে ৮৫০ কোটি। ২০৫০-এ তা গিয়ে হবে ৯৭০ কোটি। 

    আরও পড়ুন: চিন থেকে উদ্ধার ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জায়েন্ট পান্ডার জীবাশ্ম    

    পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সবচেয়ে জনবহুল। এখনও চিনের জনসংখ্যা বিশ্বে মধ্যে সবচেয়ে বেশি। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৬ শতাংশের বসবাস এ অঞ্চলেই। তারপরেই রয়েছে ভারত। রিপোর্ট অনুযায়ী, এশিয়া ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলেই জনসংখ্যা বৃদ্ধি হবে সবচেয়ে বেশি। ভারত ছাড়াও সে তালিকায় রয়েছে, কঙ্গো, মিশর, পাকিস্তান, নাইজিরিয়া, ইথিয়োপিয়া এবং তানজানিয়া।      

    গতকাল ছিল ১১ জুলাই, বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। এদিনই এই রিপোর্ট প্রকাশ করে রাষ্ট্রসংঘ। রাষ্ট্রসংঘের তরফে এই বিশেষ দিনের উদযাপনের কথা বলা হয় ১৯৮৯ সালে যখন সারা বিশ্বের জনসংখ্যা পেরিয়ে যায় ৫০০ কোটি। তিন দশকের বেশি সময় ধরে সারা বিশ্বে পালিত হয়ে চলেছে এই দিন। এই বছর সারা পৃথিবীর জনসংখ্যা হতে চলেছে ৮০০ কোটি। প্রসঙ্গত ২০১১ সালে সারা বিশ্বের জনসংখ্যা ছুঁয়েছিল ৭০০ কোটি। 
      
     

  • Amarnath Yatra: আতঙ্কের অবসান, ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা

    Amarnath Yatra: আতঙ্কের অবসান, ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আতঙ্ক কাটিয়ে ফের অমরনাথের পথে তীর্থযাত্রীরা। মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানের আতঙ্ক (Cloudburst Incident) আপাতত আর নেই। তাই ফের অমরনাথ যাত্রার অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। আজ থেকে আবারও শুরু হল অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra 2022)। দুর্ঘটনার পরে আংশিকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল যাত্রা। সোমবার সকালে নুনওয়ান-পাহালগামের দিক থেকে আবার শুরু হয়েছে যাত্রা। জম্মু বেস ক্যাম্প থেকে অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের একটি নতুন দল যাত্রা শুরু করেছে। এক তীর্থযাত্রীর কথায়, “আমাদের মনোবল ভাঙেনি। বাবার দর্শন না করে ফিরে যাব না। আমরা খুশি যে যাত্রা আবারও শুরু হয়েছে। সিআরপিএফ এবং অন্যান্য কর্মীরা আমাদের যাত্রা শুরুর ছাড়পত্র দিয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: অমরনাথে বাঙালি ছাত্রীর মৃত্যু, আটকে ১৬, চালু হেল্পলাইন

    পাঞ্জাবের এক বাসিন্দার গলাতেও একই সুর। আয়ুশ নামের এক যুবকের কথায়, “অমরনাথ দর্শন করেই বাড়ি ফিরব। যতদিন না রুট চালু হচ্ছে, ততদিন এখানেই অপেক্ষা করব।” দেবরাজের নামের আরেক তীর্থযাত্রীর  পূর্ণ আস্থা রয়েছে প্রসাশনের ওপর। তাঁর কথায়, মেরামতির কাজ শেষ করে খুব শীঘ্রই যাত্রা শুরু হবে। 

    আরও পড়ুন: গুহার উপরেই জমাট বাঁধা মেঘ! অমরনাথে আতঙ্ক 

    বালতাল বেস ক্যাম্প থেকে যদিও এখনও যাত্রা শুরু হয়নি। সেখানে তীর্থযাত্রীরা যাত্রা শুরুর জন্য অপেক্ষা করছেন। বালতাল এবং নুনওয়ান উভয় দিক থেকেই হেলিকপ্টার পাওয়া যাবে।

    শুক্রবার অমরনাথের গুহা মন্দিরের কাছে একটি মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান নেমে আসে। আকস্মিক এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। কমপক্ষে ৩৬ নিখোঁজ রয়েছেন। ৩৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে চালাচ্ছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (NDRF) কর্মীরা। পুলিশ কুকুরের মাধ্যমেও খোঁজ চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের আশঙ্কা হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা পাহালগামের একটি বেস ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে দেখা করেন।

     

  • Vijay Mallya: বিজয় মালিয়াকে ৪ মাসের সাজা শোনালো শীর্ষ আদালত, সঙ্গে জরিমানা

    Vijay Mallya: বিজয় মালিয়াকে ৪ মাসের সাজা শোনালো শীর্ষ আদালত, সঙ্গে জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়াকে (Vijay Mallya) চার মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সেই সঙ্গে দুহাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে কিংফিসারের প্রাক্তন প্রধানকে। শর্ত না মানলে আরও ২ মাস জেল খাটতে হবে বলেও জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। এছাড়াও বিদেশে পাচার করা ৪ কোটি মার্কিন ডলারও ফেরত দেওয়ার জন্যে শিল্পপতিকে চার সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছে আদালত।

    তথ্য গোপন এবং আদালত অবমাননার দায়ে বিজয় মালিয়াকে ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৪ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ইউইউ ললিত, রবীন্দ্র ভাট এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: সোমবার বিজয় মালিয়া মামলার রায় ঘোষণা, সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ

    ২০১৭ সালে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে নিজের ছেলে ও মেয়েকে প্রায় ৩১৭ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছিলেন বিজয় মালিয়া। সেই টাকা ৮ শতাংশ সুদে চার সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দিতে হবে তাঁকে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যথায় ‘কিংফিশার কিং’ -এর সম্পত্তি বেঁচে পাওনাদার সংস্থাগুলিকে টাকা তোলার অনুমতি দিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুন: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    ২০১৬ সালে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বিজয় মালিয়া। ২০১৭ সালের ১০ জুলাই বিজয় মালিয়াকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। কিন্তু হাজিরা তিনি দেননি। এছাড়াও নিজের সম্পত্তির সম্পূর্ণ খতিয়ান ব্যাঙ্কগুলির কাছে গোপন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে মালিয়ার বিরুদ্ধে। ব্যাঙ্কগুলির অভিযোগ, ২০১৭ সালের কর্ণাটক হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে ছেলে সিদ্ধার্থ ও মেয়ে লীনাকে প্রায় ৪ কোটি ডলার পাঠিয়েছিলেন মালিয়া।  

    ৫ বছর আগে আদালত অবমাননার অভিযোগে মালিয়ার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা শুরু হয়। শীর্ষ আদালত জানায়, মালিয়া তথ্য গোপন করেছেন। কর্ণাটক হাইকোর্টের নির্দেশও অমান্য করে বিদেশে টাকা পাঠিয়েছেন। ভারত সরকারের হাত থেকে বাঁচতে ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকেই লন্ডনে গা ঢাকা দিয়ে বসে আছেন বিজয় মালিয়া। এখনও তিনি অধরা।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সুপ্রিম কোর্টে জানান, ঋণখেলাপি মামলায় অভিযুক্ত এবং পলাতক বিজয় মাল্য, নীরব মোদী এবং মেহুল চোকসির কাছ থেকে মোট ১৮,০০০ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  

  • Kerala High Court: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করলে তা ধর্ষণ নয়, ঐতিহাসিক রায় কেরল হাইকোর্টের 

    Kerala High Court: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করলে তা ধর্ষণ নয়, ঐতিহাসিক রায় কেরল হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে সম্মতিপূর্ণ শারীরিক সম্পর্ক (Consensual Sex) হলে, তাহলে তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না। শুক্রবার এমনই যুগান্তকারী রায় দিল কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court)। এমনকি পরবর্তীতে বিয়ে না করলেও, দুজনের সম্মতি ছিল এমন সহবাসকে ধর্ষণ ধরা যাবে না। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় তখনই সেটাকে ধর্ষণ বলা যাবে, যদি সেই শারীরিক সম্পর্কে প্রতারণা বা মিথ্যাচার থাকে। অর্থাৎ দুজন প্রাপ্তবয়স্ক সহবাস করলে তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না।         

    আইনজীবী নভনীত এন নাথকে (Navneet N Nath) গত মাসে গ্রেফতার করে কেরল পুলিশ। এক মহিলা আইনজীবীকে একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আইনজীবী বর্তমানে কেরল হাইকোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী। বিচারপতি বেচু কুরিয়ান থমাসের (Justice Bechu Kurian Thomas) বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করার অভিযোগ ওঠে আইনজীবীর বিরুদ্ধে। কিন্তু পরে অন্য মহিলাকে বিয়ে করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: সোনা পাচারকাণ্ডে জড়িত পিনারাই বিজয়ন! অভিযোগের পাল্টা কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর   

    সরকারি উকিলের অভিযোগ, প্রেমিকের বিয়ের খবর জানতে পেরে মহিলা আইনজীবী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাঁকে ৩৭৬ (২)(n), ৩১৩ ধারায় গ্রেফতার করা হয় গত ২৩ জুন। 

    বিষয়টিকে পর্যবেক্ষণ করে আদালত। আর তারপরেই আসে এই যুগান্তকারী রায়। আদালত বলে, “দুজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলেই বিয়ে করতে হবে এমন নয়, তা হলেও তাকে ধর্ষণ বলা যাবে না। যেখানে এর কোনও প্রমাণ নেই অভিযুক্ত সম্মতি ছাড়াই যৌন সম্পর্ক করেছে। যদি বিয়েতে কেউ রাজি না হয় বা সম্পর্ক বিয়ে অবধি না গড়ায় সেক্ষেত্রে সেটাকে ধর্ষণ বলা চলে না। তাতে দুজনে শারীরিক সম্পর্কে গেলেও বলা যাবে না।”  

    আরও পড়ুন: কেরলে আক্রান্ত ২, করোনা-মাঙ্কিপক্সের পর নয়া আতঙ্ক নোরোভাইরাস?  

    আদালত আরও জানায়, “পুরুষ এবং মহিলার মধ্যে যৌন সম্পর্ককে তখনই ধর্ষণ বলা যাবে, যদি মহিলার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা বলপূর্বক তাঁর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।” আদালত এও বলে, “যদি কোনও প্রতারণা করে কেউ কোনও শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় বা কোনও মিথ্যাচার করা হয়, তাহলে সেই সম্মতিপূর্ণ শারীরিক সম্পর্ককে ধর্ষণ হিসেবে ধরা হবে।” 

    এরপরেই অভিযুক্ত আইনজীবীকে জামিন দেয় আদালত। আদালতের এই রায়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশজুড়ে।

     

  • Lal Bazar Attack: শ্রীনগরে হামলার দায় নিল আইএস! জঙ্গিদের নিশানায় নিরাপত্তারক্ষীরা

    Lal Bazar Attack: শ্রীনগরে হামলার দায় নিল আইএস! জঙ্গিদের নিশানায় নিরাপত্তারক্ষীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীনগরের লালবাজার এলাকায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করল ইসলামিক স্টেট ( Islamic State) হিন্দ প্রভিন্স। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফের জঙ্গি হামলার সাক্ষী থেকেছে উপত্যকাবাসী। শ্রীনগরের (Srinagar) লাল বাজারে (Lal Bazar) জি ডি গোয়েঙ্কা স্কুলের (G D Goenka School) বাইরে নাকা তল্লাশির দায়িত্বে থাকা পুলিশের উপরে অতর্কিতে আক্রমণ চালায় জঙ্গিরা (Terrorist)। ওই হামলায় মুস্তাক আহমেদ (Mustaque Ahamed) নামে পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর (ASI) প্রাণ হারিয়েছেন। জখম হয়েছেন আরও দুই পুলিশ কর্মী। হত্যালীলা চালিয়ে নিরাপদেই চম্পট দিয়েছে জঙ্গিরা।

    বুধবার ওই হামলার দায় নিয়ে, আক্রমণের ভিডিও প্রকাশ করে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠন। ভিডিওয় দাবি করা হয়েছে, লুকিয়ে পুলিশের উপর এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। আক্রমণের পর পুলিশের একটি একে ৪৭ রাইফেলও ছিনিয়ে নিয়েছে তারা। উপত্যকায় ক্রমে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা বাড়ছে। গত জানুয়ারি মাস থেকে এ নিয়ে ১১জন পুলিশকর্মী জঙ্গিদের গুলির শিকার হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, ৬ জন সেনা, ৫ জন আধাসেনা-সহ নিরাপত্তা বাহিনীর মোট ২২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। গত বছর উপত্যকায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৪২ জন সদস্য নিহত হন। 

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জামাত অনুমোদিত স্কুল বন্ধ করল সরকার, কেন জানেন?

    উল্লেখ্য,জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বেড়েছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মুহূর্তে উপত্যকায় ১৪১ জন জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। এরই মধ্যে উপত্যকা ফের একবার অশান্ত হওয়ার ঘটনায় রীতিমতো চিন্তা বাড়ছে। এই মুহূর্তে কাশ্মীরে সুরক্ষা অনেক জোরদার করা হয়েছে। তারই মধ্যে এই আক্রমণ রীতিমতো উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত ৬৯ জন কাশ্মীরি তরুণকে জঙ্গি সংগঠন নিযুক্ত করেছে। এই সংগঠনটি পাক মদতপুষ্ট। লস্কর, জইশের পাশাপাশি হিজবুল মুজাহিদিন ও রেজিস্ট্যান্ট ফ্রন্টও উপত্যকায় বড়সড় নাশকতার ছক কষছে বলে কিছুদিন আগে প্রকাশিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়।

  • RSS Kerala: ‘সাজানো অভিযোগ’,  সিপিএম কর্মী হত্যা মামলায় কেরলে নিষ্কৃতি ১৩ আরএসএস কর্মীর 

    RSS Kerala: ‘সাজানো অভিযোগ’, সিপিএম কর্মী হত্যা মামলায় কেরলে নিষ্কৃতি ১৩ আরএসএস কর্মীর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৮ সালে সিপিএম কর্মী (CPIM Worker) খুনে (Murder) অভিযুক্ত ১৩ জন আরএসএস কর্মীকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করল কেরলের উচ্চ আদালত (Kerala HC)। ১৬ জন অভিযুক্তের মধ্যে এই ১৩ আরএসএস (RSS) কর্মীকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবনের সাজা শুনিয়েছিল তিরুবন্তপুরমের (Thiruvananthapuram) নিম্ন আদালত।

    পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এই অভিযুক্তরা এই সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। বিচারপতি চন্দ্রন এবং সি জয়া চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। নিম্ন আদালতের রায়ের বিপরীতে গিয়ে উচ্চ আদালত বলে, “আদালতের সামনে পুরো মামলাটিকে সাজিয়ে পেশ করা হয়েছে। যেন একটা সাজানো গল্প। মিথ্যে সাক্ষীও হাজির করা হয়েছে এই মামলায়। মিথ্যে প্রমাণের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। তাই অভিযুক্তদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। সরকার পক্ষের আইনজীবী সঠিক তথ্য-প্রমাণ দিতে ভয়ঙ্করভাবে ব্যর্থ  হয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করলে তা ধর্ষণ নয়, ঐতিহাসিক রায় কেরল হাইকোর্টের

    আদালত বলে, “যে সাক্ষীদের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে হাজির করা হয়েছে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। কোনও ঠোস প্রমাণও যোগার করা যায়নি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। যেসব প্রমাণ দেখানো হয়েছে সেগুলি মিথ্যে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই ফাঁসানো হয়েছে ওই আরএসএস কর্মীদের।”  

    সরকারপক্ষের আইনজীবীর যুক্তি ছিল যে, আরএসএস কর্মীরা ২০০৮ সালে তিরুবনন্তপুরম পাসপোর্ট অফিসের বাইরে বিষ্ণু নামের এক সিপিআইএম কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করেছিল এবং এটা আরএসএসের সাংগঠনিক ষড়যন্ত্র ছিল। 

    আরও পড়ুন: সংবিধান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, পদত্যাগে বাধ্য কেরলের মন্ত্রী

    ঘটনার পর, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ধারা ১২০বি (অপরাধী ষড়যন্ত্র), ১৪৩ (বেআইনি সমাবেশ), ১৪৭ (দাঙ্গা), ১৪৮ (অস্ত্র রাখার অপরাধ), ৩০২ (হত্যা) -সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়। 

    শুনানির সময় থেকেই অভিযুক্তদের আইনজীবী দাবি করেন রাজ্যে ক্ষমতাসীন দল সিপিআইএম মামলাটিতে হস্তক্ষেপ করছে এবং আইনকে ভুল পথে চালনা করছে। অভিযুক্তদের যথেষ্ট প্রমাণ ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছিলেন সেই আইনজীবী। 

     

LinkedIn
Share