Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amit Shah: “ইন্দিরার বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ায় জেলে যেতে হয়েছিল”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “ইন্দিরার বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ায় জেলে যেতে হয়েছিল”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের সফরে উত্তর-পূর্ব ভারতে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবারই অসমে (Assam) গিয়েছেন তিনি। শনিবার অসমের ডেরগাঁওতে লাচিত বরফুকন পুলিশ অ্যাকাডেমির উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাহ বলেন, “অসমে কংগ্রেস সরকারের আমলে আমি মারও খেয়েছি। সেই সময় হিতেশ্বর সইকিয়া অসমের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। আমরা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে স্লোগানও দিয়েছিলাম।”

    শাহ উবাচ (Amit Shah)

    পূর্বতন কংগ্রেস সরকারের সঙ্গে বর্তমান বিজেপি-শাসিত অসমের তুলনা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অসমে সাতদিন আমায় জেলের খাবার খেতে হয়েছিল। সারা দেশ থেকে মানুষ এসেছিলেন অসমকে বাঁচাতে। আজ অসম উন্নয়নের পথ ধরে এগিয়ে চলছে।” প্রসঙ্গত, অসমে দু’দফায় মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেসের হিতেশ্বর সইকিয়া। প্রথমবার ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সাল এবং তারপর ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। হিতেশ্বর জমানার কথা তুলে ধরে শাহের কটাক্ষ, ওরা রাজ্যে শান্তি আনতে দেয়নি।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা

    এদিকে, আজ, রবিবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আয়োজিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই বৈঠকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। এটি পূর্ববর্তী ভারতীয় দণ্ডবিধির পরিবর্তে চালু করা হয়েছে। শনিবার রাতটি মিজোরামে কাটিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি অসম রাইফেলসের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন।

    রবিবার তিনি দিনটি (Amit Shah) শুরু করবেন কোক্রাঝারে সফরের মাধ্যমে। সেখানে তিনি অল বোডো স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ৫৭তম বার্ষিক সম্মেলনে ভাষণ দেবেন। প্রসঙ্গত, আবসু ঐতিহাসিক বোডো শান্তি চুক্তির অন্যতম স্বাক্ষরকারী। এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল পাঁচ বছর আগে।

    জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে শাহ পৌঁছবেন গুয়াহাটিতে। সেখানে অসম, মেঘালয়, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড এবং সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন। প্রসঙ্গত, গত মাসে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগের পর মণিপুর রাষ্ট্রপতি শাসনের অধীনে থাকায় বৈঠকে রাজ্যের (Assam) প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা জানা যায়নি (Amit Shah)।

  • PM Modi: এপ্রিলের প্রথমেই শ্রীলঙ্কা সফরে মোদি, স্বাক্ষর হবে একাধিক মউ, উদ্বোধন করবেন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের

    PM Modi: এপ্রিলের প্রথমেই শ্রীলঙ্কা সফরে মোদি, স্বাক্ষর হবে একাধিক মউ, উদ্বোধন করবেন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী এপ্রিল মাসের গোড়ায় শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka) সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। গতকাল শনিবার এমনটাই জানানো হয়েছে কলম্বোর তরফে। যদিও নয়াদিল্লি এবিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। গতকাল শনিবার শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী বিজিতা হেরাথ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, এপ্রিল মাসের শুরুতেই দ্বীপরাষ্ট্র সফর করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, এই সফরে শ্রীলঙ্কার পূর্ব ত্রিঙ্কোমালি জেলার সামপুরে একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধনও করবেন মোদি। এই সফরে শ্রীলঙ্কা সরকারের সঙ্গে তাঁর একাধিক বিষয়ে সমঝোতাপত্র (মউ) স্বাক্ষর করারও কথা রয়েছে।

    কী বললেন শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী?

    নয়াদিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উঠে আসে এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে। শনিবার পেশ করা হয় শ্রীলঙ্কার বাজেট। সেই বাজেট অধিবেশনেই এমনটাই জানালেন শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী ভিজিথা হেরাথ। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন,‘‘আমরা ভারতের সঙ্গে বরাবরই মিত্রতা বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। সরকার গঠনের পরেই আমাদের প্রথম কূটনৈতিক সফর হয়েছিল ভারতের উদ্দেশেই। এবার সেদেশের প্রধানমন্ত্রী এপ্রিল নাগাদ শ্রীলঙ্কায় আসছেন।’’ প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার পর গত বছরই প্রথম বিদেশ সফরে ভারতে এসেছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী অনুরাকুমার দিশানায়েকে। সেই সফরে একাধিক বিষয়ে আলোচনা সম্পন্ন হয় দিল্লি এবং কলম্বোর মধ্যে। শ্রীলঙ্কার প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই সফরে সেই সমঝোতা আরও পাকাপোক্ত হতে চলেছে।

    ক্ষমতায় আসার পরে মোদির চতুর্থ শ্রীলঙ্কা সফর

    ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থার সঙ্গে যৌথ ভাবে ১৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্মত হয়েছিল এনটিপিসি। জানা গিয়েছে, এপ্রিল মাসে শ্রীলঙ্কা সফরে সেই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসেন ২০১৪ সালে। ঠিক তার পরের বছরেই অর্থাৎ ২০১৫ সালে তিনি প্রথম শ্রীলঙ্কা সফর করেন। এরপর ২০১৭ ও ২০১৯ সালেও তিনি শ্রীলঙ্কা গিয়েছিলেন এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চতুর্থ শ্রীলঙ্কা সফর হতে চলেছে।

  • S Jaishankar: “আমেরিকার আগেই মাল্টি-পোলার বিশ্বের কথা বলেছিল ভারত”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “আমেরিকার আগেই মাল্টি-পোলার বিশ্বের কথা বলেছিল ভারত”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুরনো উদারনৈতিক নিয়ম-ভিত্তিক শৃঙ্খলা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফিরে আসার পর চরম চাপে পড়েছে।” কথাগুলি (Global Order) বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি মনে করেন, “এটি অনেক দিন ধরেই হয়ে আসছিল।” জয়শঙ্কর বিস্মিত যে তামাম বিশ্ব আশ্চর্য হচ্ছে এই ভেবে যে ট্রাম্প যা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা-ই করছেন। তিনি বলেন, “হয়তো আমি তাঁকে আরও সরলভাবে নিয়েছিলাম।”

    মাল্টি-পোলার বিশ্ব (S Jaishankar)

    বিদেশমন্ত্রী লক্ষ্য করেছেন, আমেরিকানরা এখন যে মাল্টি-পোলার বিশ্বের কথা বলছেন, তা একসময় ছিল নয়াদিল্লির আলোচনার বিষয়। জয়শঙ্করের ইঙ্গিত, তিনি পুরোনো বিশ্বব্যবস্থার কিছুই মিস করবেন না। কারণ তিনি একজন বাস্তববাদী। তিনি যা আছে, তাই নিয়েই কাজ করেন। তিনি বলেন, ‘‘কেউ বাস্তববাদী হওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁর মধ্যে বিশ্বাস, প্রত্যয় কিংবা অনুভূতি নেই।’’ বিদেশমন্ত্রীর দাবি, ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’জনেই সমমনস্ক জাতীয়তাবাদী। ফলে বিরোধের অবকাশ নেই। গত ৫ মার্চ মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, পারস্পরিক শুল্ক চাপানোর নীতি থেকে বাদ পড়বে না ভারত। তিনি বলেন, ‘‘ভারত আমাদের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। এই ব্যবস্থা আমেরিকার প্রতি ন্যায্য নয়, কখনওই ছিল না।’’

    তামাম বিশ্বের একটি শৃঙ্খলা প্রয়োজন

    জয়শঙ্কর বলেন, “তামাম বিশ্বের একটি শৃঙ্খলা প্রয়োজন। অন্যথায় এটি খুবই অরাজক হয়ে উঠবে।” তিনি বলেন, “অসংযত প্রতিযোগিতা চাপ বাড়িয়ে তুলবে। ভারতের এমন একটি শৃঙ্খলার দরকার যা বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের সেই শৃঙ্খলাকে নয়, যা পশ্চিমিদের পক্ষে ছিল।” তিনি বলেন, “পুরানো বিশ্বব্যবস্থার গুণাগুণ অতিরঞ্জিত করা হয়েছে (S Jaishankar)।” তিনি জানান, ভারত দীর্ঘদিন ধরে পূর্বতন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পরে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছাকাছি চলে এসেছে। ট্রাম্প ও মোদির নেতৃত্বে—যারা উভয়েই জাতীয়তাবাদী নেতা—এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সম্পর্কের এই উন্নতির মধ্যেও, ট্রাম্প বারবার ভারতকে শুল্ক অপব্যবহারকারী বলে আক্রমণ করেছেন। ফেব্রুয়ারিতে মোদির হোয়াইট হাউস সফরের সময়ও শানিয়েছিলেন এই আক্রমণ।

    শুল্ক ধাঁধার সমাধান

    নয়াদিল্লি কীভাবে ট্রাম্পের শুল্ক ধাঁধার সমাধান করবে? জয়শঙ্কর বলেন, “আমি মনে করি, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে কিছু ‘সমস্যা’ থাকলেও, শীঘ্রই দুই দেশের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি হবে।” তিনি বলেন, “ট্রাম্প কঠোর জাতীয়তাবাদী। তবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিষয়ে বাস্তববাদীও।” ভারতের অবস্থান রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের বিষয়ে পশ্চিমিদের হতাশ করেছে। নয়াদিল্লি মস্কো থেকে তেল কেনা চালিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধের নিন্দা করা থেকে বিরত রয়েছে। জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত সব সময় তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখে। তাই সে মস্কোর সঙ্গে তার পুরনো সম্পর্ক ত্যাগ করতে পারে না।” তিনি বলেন, “মানুষ প্রায়ই নীতিগত বিষয়গুলিকে বড় করে তোলেন (S Jaishankar)।”

    দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি

    তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রাশিয়া চিনের আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এটি কি নয়াদিল্লির জন্য সমস্যা হতে পারে? এর পরেই জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েছি, যা ইঙ্গিত দেয় যে চিন ও পশ্চিমিদের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক পরিবর্তিত হলেও পুরানো অংশীদারদের সম্পর্ক ‘স্থিতিশীল’ রয়েছে।” জয়শঙ্কর স্বীকার করেন, বেইজিংয়ের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। কারণ দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ হয়েছে। তিনি বলেন, “যদি ট্রাম্প চিনের সঙ্গে কোনও চুক্তি করেন, তাহলে সেই পরিস্থিতির জন্য ভারত তার নীতিগুলি প্রস্তুত রাখবে (Global Order)।”

    ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি

    প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের নয়া শুল্কনীতি নিয়ে ভারতের রফতানিকারক সংস্থাগুলি চিন্তায় পড়লেও এখনও প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকার এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সাউথ ব্লক অফিসিয়ালি কিছু বলেনি। চলতি সপ্তাহে আমেরিকা সফরে গিয়ে ট্রাম্প সরকারের বাণিজ্যসচিব হাওয়ার্ড লুটকিনের সঙ্গে বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। আমেরিকার বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিরের ভবিষ্যৎমুখী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনাও করেন তিনি। শুক্রবার গোয়েল জানান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ এর ‘বিকশিত ভারত’-এর পাশাপাশি সার্বিক রণকৌশলগত বোঝাপড়ার নীতি মেনে চলা হবে। ইতিমধ্যেই আমেরিকার বেশ কিছু পণ্যে শুল্ক ছেঁটেছে মোদি সরকার (Global Order)। জয়শঙ্করের মন্তব্যের পরে অনেকে মনে করছেন, আগামী দিনে সেই তালিকা দীর্ঘতর হতে চলেছে (S Jaishankar)।

  • India France Rafale Deal: ৬৬ হাজার কোটি টাকায় ২৬টি রাফাল-এম জেট কিনছে ভারত, চুক্তি এপ্রিলেই

    India France Rafale Deal: ৬৬ হাজার কোটি টাকায় ২৬টি রাফাল-এম জেট কিনছে ভারত, চুক্তি এপ্রিলেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার জন্য ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান (Rafale-M jets) কেনার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত। সম্প্রতি, দর কষাকষির পর্ব মিটিয়ে ফেলেছে দুই দেশের প্রতিনিধিরা। জানা যাচ্ছে, ৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬৬ হাজার কোটি টাকা) বিনিময়ে ওই জেটগুলি কিনতে চলেছে ভারত। সূত্রের খবর, এই নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি (India France Rafale Deal) স্বাক্ষরিত হতে পারে এপ্রিল মাসেই। সেই সময় ভারত সফরে আসার কথা ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর। জানা যাচ্ছে, তাঁর উপস্থিতিতেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে।

    মিগ-২৯ বিমানের পরিবর্তে রাফাল-এম (Rafale-M jets)

    বুড়ো হয়ে যাওয়া মিগ-২৯কে ও মিগ-২৯কেইউবি যুদ্ধবিমানগুলির পরিবর্তে এবার ভারতীয় নৌসেনার জোড়া বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও আইএনএস বিরাট-এ মোতায়েন করা হবে রাফাল-এম জেটগুলিকে। নতুন বিমানগুলির দায়িত্বে থাকবে নৌসেনার আইএনএএস ৩০০ ‘হোয়াইট টাইগার্স’ এবং আইএনএএস ৩০৩ ‘ব্ল্যাক প্যান্থার্স’ এভিয়েশন স্কোয়াড্রন। ২৬টি বিমানের ভেরিয়েন্টের বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে না আসলেও, কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২২টি বিমান হবে এক-আসন বিশিষ্ট রাফাল-এম ফাইটার, যেগুলি রণতরীতে মোতায়েন থাকবে (India France Rafale Deal)। বাকি চারটে হবে দুই-আসন বিশিষ্ট ‘রাফাল-বি’ ট্রেনার বা প্রশিক্ষণ বিমান। এই বিমানগুলিকে রণতরীতে মোতায়েন করা যায় না। মূলত, গোয়ায় অবস্থিত ভারতীয় নৌসেনার ঘাঁটি আইএনএস হানসা-র বিমান প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এগুলি থাকবে পাইলটদের প্রশিক্ষণের জন্য। যদিও, অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে খবরে প্রকাশিত অনুযায়ী, সবকটি বিমানই রাফাল-এম (Rafale-M jets) ভেরিয়েন্ট হবে। ফ্রান্স এবং ভারতে থাকা অত্যাধুনিক সিমুলেটরে প্রশিক্ষণ হবে। তবে, আখেরে কী হবে, তা চুক্তির সময় প্রকাশ্যে আসবে।

    ভারতে পৃথক অ্যাসেম্বলি লাইন তৈরির পরিকল্পনা

    রাফাল বিমানের নির্মাতা ফরাসি সংস্থা দাসো ভারতে একটি পৃথক অ্যাসেম্বলি লাইন বা কারখানা তৈরির ভাবনাচিন্তা করছে। এতে, ভারত ভবিষ্যতে যদি আরও রাফাল কিনতে ইচ্ছুক হয়, তাহলে এখানেই সেগুলিকে তৈরি করা সম্ভব হবে (India France Rafale Deal)। এর প্রধান কারণ হল, ভারতীয় নৌসেনার রাফাল-এম চুক্তিতে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বিমান কেনার সংস্থানও থাকছে। বর্তমানে নৌসেনায় ৪৫টি মিগ-২৯কে/কেইউবি যুদ্ধবিমান রয়েছে। ভারত চাইছে সবগুলিকে সরিয়ে পুরোটাই রাফাল দিয়ে মুড়ে দিতে। সেক্ষেত্রে ভারতে অ্যাসেম্বলি লাইন হলে বাড়তি সুবিধা মিলবে। একদিকে, বিমান কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কমবে। অন্যদিকে, দ্রুত বিমানগুলি হাতে পাবে ভারত।

    এমআরএফএ চুক্তিতে নজর দাসোর

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত যে আগামী দিনে বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি মিডিয়াম রোল যুদ্ধবিমান (এমআরএফএ) কেনার দরপত্র পেশ করতে চলেছে, তাতে এক ধাপ এগিয়ে থাকবে দাসো। কারণ, ওই ক্যাটেগরিতে বরাত জিততে রাফালের লড়াই হবে মার্কিন এফ-১৬, সুইডেনের গ্রিপেন সাব, রাশিয়ার মিগ-৩৫ এবং ইউরোফাইটার টাইফুনের সঙ্গে। ভারতীয় বায়ুসেনা ইতিমধ্যেই ৩৬টি রাফাল ব্যবহার করে। তার ওপর নৌসেনাও কিনছে ২৬টি রাফাল (Rafale-M jets)। এবার ভারতে অ্যাসেম্বলি লাইন হয়ে গেলে, সেক্ষেত্রে, দাসো বলতে পারবে, তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-কে সমর্থন করে। স্বভাবতই ১১৪টি মিডিয়াম যুদ্ধবিমানের বরাতে পাল্লা ভারি ঝুঁকে পড়বে রাফালের দিকেই (India France Rafale Deal)।

     

  • Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রীদের স্বচ্ছ ও মানসম্মত পরিষেবা অনেক ক্ষেত্রেই বহু ক্ষেত্রে প্রশংসিত। আবার কিছুক্ষেত্রে যাত্রীরা সমালোচনাও করেন। রেলের খাবার এবং তার নির্দিষ্ট দাম থাকে না বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। তবে এবার থেকে আর তেমনটা হবে। উদ্যোগ নিল রেল। ট্রেনে পরিবেশিত খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়ছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Railway Minister)। লোকসভায় দেওয়া এক লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুবিধার্থে আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট ও এসএমএস-এর মাধ্যমে মেনু ও মূল্য তালিকা জানানো হচ্ছে। এছাড়াও, ট্রেনের ওয়েটারদের কাছে প্রিন্টেড মেনু কার্ড থাকবে। যাত্রীরা চাইলে তা দেখতে পারবেন। ট্রেনের প্যান্ট্রি কারেও এই মূল্য তালিকা দেখানো থাকবে।

    খাবারের মান হবে উন্নত (Railway Minister)

    পাশাপাশি, খাবারের মান নিশ্চিত করতেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রেলমন্ত্রী (Railway Minister) বলেন, ‘‘নির্ধারিত বেস কিচেন থেকে খাবার সরবরাহ করা, আধুনিক বেস কিচেন চালু করা ও রান্নার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।’’ খাবারের মানোন্নয়নে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের কাঁচামাল ব্যবহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যেমন- নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের তেল, চাল, আটা, ডাল, মশলা, দুধ ও পনির ইত্যাদি। এ ছাড়াও, প্রতিটি বেস কিচেনে খাদ্য নিরাপত্তা তদারকি করতে ফুড সেফটি সুপারভাইজারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। যাঁরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি পর্যবেক্ষণ করবেন।

    বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলো নিয়মিত পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে

    রেলমন্ত্রী (Railway Minister) আরও জানিয়েছেন, ট্রেনে আইআরসিটিসি সুপারভাইজাররা দায়িত্ব পালন করবেন। খাবারের প্যাকেটে দেওয়া হবে কিউআর কোড। এটা স্ক্যান করে যাত্রীরা জানতে পারবেন খাবার কোথায় প্রস্তুত হয়েছে ও কখন প্যাকেজিং করা হয়েছে। খাবারের গুণগত মান বজায় রাখতেও নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলোতে নিয়মিত গভীর পরিচ্ছন্নতা ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে প্রতিটি ক্যাটারিং ইউনিটের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (FSSAI) সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভালো মানের খাবার নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে সমীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে যাত্রীদের মতামতও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

  • Holi 2025: সাত ভারত বিখ্যাত মন্দির, এখানে ধুমধাম করে পালিত হয় হোলি

    Holi 2025: সাত ভারত বিখ্যাত মন্দির, এখানে ধুমধাম করে পালিত হয় হোলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলি (Holi 2025) ভারতের এক প্রাণবন্ত উৎসব। পাড়ায় পাড়ায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন এই উৎসবে মেতে ওঠেন তেমনই অনেক মন্দির এই উৎসবকে আধ্যাত্মিক রীতিনীতি, ভজন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে উদযাপন করে থাকে। মথুরা হল ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মস্থান। এর পাশাপাশি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরেও (Indian Temples) ধুমধাম করে পালিত হয় হোলি। জেনে নেওয়া যাক, ভারত বিখ্যাত কতগুলি মন্দিরের হোলি উদযাপনের কথা।

    ১. শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির, মথুরা (Holi 2025)

    ভগবান কৃষ্ণের জন্মস্থান মথুরাতে ধুমধাম করে হোলি উৎসব পালন করা হয়। কৃষ্ণ মন্দিরে ভক্তিমূলক ভজন, ধর্মীয় রীতি এবং বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যা সমগ্র নগরকে মাতিয়ে রাখে এই সময়ে।

    ২. দ্বারকা ইস্কন মন্দির, দিল্লি (Holi 2025)

    দিল্লির অন্যতম বিখ্যাত মন্দির হিসেবে পরিচয় রয়েছে দ্বারকা ইস্কনের। ভক্তি ও আধ্যাত্মিক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে এখানে হোলি উদযাপন করা হয়। এই উৎসব গুলি হল- ভগবান কৃষ্ণের উদ্দেশে ভজন ও কীর্তন। আরতি এবং হোলির তাৎপর্য নিয়ে ধর্মী আলোচনাও হয় এখানে। এছাড়া, মন্দির প্রাঙ্গণে আবির খেলাও হয়।

    ৩. দ্বারকাধীশ মন্দির, দ্বারকা

    দ্বারকার রাজা হিসেবে পরিচিত রয়েছেন হিন্দু ধর্মের ভগবান শ্রী কৃষ্ণ। তাঁর প্রতি উৎসর্গীকৃত এই মন্দিরে ভজন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং একটি বিশাল আরতির মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী হোলি উদযাপন করা হয়।প্রতি বছরই চলে এই উৎসব। ভক্তরা কীর্তন করেন। একইসঙ্গে শ্রী কৃষ্ণের ঐশ্বরিক লীলার মাহাত্ম্যকে স্মরণ করেন।

    ৪. রাধা রমণ মন্দির, বৃন্দাবন

    বৃন্দাবনের এই মন্দির ভারত বিখ্যাত (Holi 2025)। কৃষ্ণ মূর্তির জন্য বিখ্যাত এই মন্দির। এখানে হোলি উদযাপন করা হয় ভক্তি ও শান্তির সঙ্গে। রঙ খেলার পরিবর্তে ভক্তরা ফুলের হোলি খেলেন এখানে, সুমধুর কীর্তন এবং কৃষ্ণ লীলায় অংশগ্রহণ করেন প্রত্যেকে। শান্তিপূর্ণ হলেও উৎসব মুখরিত করে রাখে চারপাশ।

    ৫. গোবিন্দ দেব জি মন্দির, জয়পুর

    রাজস্থানের জয়পুরের এই বৃহৎ মন্দিরটি ঐতিহ্যবাহী রাজস্থানি আড়ম্বরের সঙ্গে হোলি (Holi 2025) উদযাপন করে। মন্দিরকে রঙিনভাবে সাজানো হয়। শ্রী কৃষ্ণের জীবনের উপর ভিত্তি করে লোকনাট্য পরিবেশন করেন ভক্তরা। একইসঙ্গে ভক্তিমূলক গান ও ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে আবির খেলা হয়।

    ৬. শ্রীনাথজি মন্দির, নাথদ্বারা

    শ্রীনাথজি মন্দিরের হোলি (Holi 2025) উদযাপন অত্যন্ত ধুমধাম করে হয়। রাধারমণ মন্দিরের মতো এখানেও রঙের পরিবর্তে ফুল দিয়ে হোলি খেলা হয়। এর পাশপাশি ছাড়ি হোলি, যেখানে পুরোহিতরা সুন্দরভাবে সজ্জিত লাঠি ব্যবহার করে রীতি পালন করেন। হোলির দিনে অন্নকূট উৎসব পালিত হয়, যা হোলির অংশ হিসেবে ভগবান কৃষ্ণকে নিবেদিত একটি বৃহৎ ভোজ।

    ৭. জগন্নাথ মন্দির, পুরী

    ওড়িশায় হোলি বাংলার মতোই দোল পূর্ণিমা হিসেবে পালিত হয়। এদিন জগন্নাথ মন্দিরে দেবতাদের সুন্দরভাবে সজ্জিত রথে স্থাপন করা হয়। হিন্দু ধর্মের মানুষজন রঙ দিয়ে হোলি খেলেন ও ভজন গেয়ে ভক্তি প্রদর্শন করেন।

  • US Vice President: চলতি মাসেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স

    US Vice President: চলতি মাসেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসতে পারেন সস্ত্রীক আমেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট (US Vice President) জেডি ভান্স। ভান্স এই মাসের শেষের দিকে দিল্লিতে আসবেন। তার আগে উপমহাদেশে আসতে পারেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ। তুলসি গ্যাবার্ড এবং মাইক ওয়াল্টজ ১৫-১৮ মার্চের মধ্যে ভারতে আসবেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার মসনদে বসার পরে আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক চুক্তি, শুল্ক নীতি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় দু’জনের মধ্যে। এর মাঝে গত সপ্তাহে ভারতের শুল্ক নীতি নিয়ে সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। এই আবহে আমেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের ভারত সফর।

    ভারতে ভান্স

    সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, এই সফরে তাঁর সঙ্গে আসবেন আমেরিকার সেকেন্ড লেডি ঊষা ভান্স ৷ তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত ৷ ঊষা ভান্সের পৈতৃক ভিটে অন্ধ্রপ্রদেশে। শুল্ক নীতি নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই আমেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট-এর ভারত সফর দুই দেশের পক্ষেই খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটাই ভান্সের দ্বিতীয় বিদেশ সফর হবে বলেও জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, ফ্রান্সে এআই সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জেডি ভান্সের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল। ফ্রান্সে জেডি ভান্স এবং ঊষা ভান্সের ছেলে বিবেকের জন্মদিনের পার্টিতেও উপস্থিত ছিলেন মোদি।

    তুলসী ও ওয়ল্টজের আগমন

    ভারত সফরে আসছেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড। ডোনাল্ড ট্রাম্পে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার এই প্রথম কোনও মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ প্রতিনিধি ভারতে আসছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অত্যন্ত আস্থাভাজন তুলসী। ডেমোক্র্যাট দলের প্রাক্তন সদস্য তুলসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বন্ধু হিসাবেই পরিচিত। আমেরিকা সফরে গিয়ে তুলসীর সঙ্গে দেখা করে শুভেচ্ছা জানান মোদি (PM Modi)। পাশাপাশি দু’জনের বৈঠকে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, তুলসীর সফরে ভারতের গোয়েন্দা কর্তারা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানকে অবহিত করবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও তাঁর এই বিষয়ে আলোচবা হয়েছে। এছাড়া মিঃ ওয়াল্টজের ভারতের অন্যতম প্রধান ভূ-রাজনৈতিক শীর্ষ সম্মেলন, রাইসিনা সংলাপে অংশগ্রহণ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Tejas Fighter Jet: ‘মার্ক-১এ’ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল! বায়ুসেনায় তেজসের নয়া সংস্করণের অন্তর্ভুক্তি শীঘ্রই?

    Tejas Fighter Jet: ‘মার্ক-১এ’ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল! বায়ুসেনায় তেজসের নয়া সংস্করণের অন্তর্ভুক্তি শীঘ্রই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ভারতের দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজস (Tejas Fighter Jet) থেকে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ‘অস্ত্র’-র সফল পরীক্ষা করা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ওড়িশার চাঁদিপুর উপকূলে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা করা হয়েছিল। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ডিআরডিও ডিজাইন করেছে। এটি ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অ্যাডভান্সড গাইডেন্স ও নেভিগেশন সিস্টেম দিয়ে তৈরি, যা এটিকে আরও নির্ভুল ভাবে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম করেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুকেও ধ্বংস করতে পারে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry) জানিয়েছে যে, পরীক্ষায় অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি আকাশে উড়ন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। সমস্ত সিস্টেম চমৎকারভাবে কাজ করেছে এবং সমস্ত মিশনের প্যারামিটার পূরণ করেছে। এর ফলে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, এই ক্ষেপণাস্ত্র যে কোনও পরিস্থিতিতে শত্রুপক্ষের বিমানকে ধ্বংস করতে সক্ষম।

    ক্ষেপণাস্ত্র নয়, পরীক্ষায় সবার নজর ছিল বিমানের ওপর! (Tejas Fighter Jet) 

    তবে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, ডিআরডিও বা বায়ুসেনা মুখ কুলুপ আঁটলেও, সূত্রের খবর, এই পরীক্ষায় ‘অস্ত্র’-র ওপর থেকে বেশি নজর ছিল বিমানটির ওপর। কেন? কারণ, এদিন যে বিমান থেকে মিসাইলটি নিক্ষেপ করা হয়েছে, তা এলএসিএ তেজস-এর নয়া সংস্করণ। অর্থাৎ, মার্ক-১এ ‘প্রোটোটাইপ’ বিমান (Tejas Fighter Jet) । যা বায়ুসেনা এখনও হাতে পায়নি। যে বিমানটির এখনও অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এদিনের সফল পরীক্ষার মাধ্যমে অস্ত্র মিসাইলের সক্ষমতার পাশাপাশি বিমানের সক্ষমতাও প্রমাণিত হয়েছে বলে ওই সূত্রের দাবি। ফলে, বলা যেতে পারে, ভারতীয় বায়ুসেনায় তেজস মার্ক-১এ (Tejas Fighter Jet)  সংস্করণের অন্তর্ভুক্তির জন্য আরও এক ধাপ এগনো গেল। খুব শীঘ্রই হয়ত, ভারতীয় বায়ুসেনায় তেজস মার্ক-১ সংস্করণের পাশাপাশি দেখা যাবে মার্ক-১এ সংস্করণটিও। প্রসঙ্গত, ২০৩২ সালের মধ্যে ৮৩টি মার্ক-১এ সংস্করণ বায়ুসেনার হাতে তুলে দেওয়ার কথা দেশীয় যুদ্ধবিমান উৎপাদনকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল-এর।

    সর্বাধুনিক রেডার আসছে বায়ুসেনায়

    অন্যদিকে, দেশের আকাশসীমাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে বুধবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (BEL) এর সঙ্গে ২,৯০৬ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry)। এই চুক্তির মাধ্যমে দেশে তৈরি সর্বাধুনিক পরিবহণযোগ্য ‘অশ্বিনী’ রেডার কেনা হবে। আকাশে ভাসমান যে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে ট্র্যাক করতে সক্ষম অশ্বিনী। উচ্চ গতির যুদ্ধবিমান থেকে শুরু করে মানবহীন ড্রোন বা হেলিকপ্টারের মতো ধীর গতির লক্ষ্যবস্তুও শনাক্ত করতে পারে এই রেডার। এর ফলে শক্তিশালী হবে ভারতীয় বিমানবাহিনী। আরও নিরাপদ ও সুরক্ষিত হবে ভারতের আকাশসীমা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে বলা  হয়েছে, এটি নেওয়ার ফলে বায়ুসেনার সামরিক প্রস্তুতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে বিইএল-এর চুক্তি

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (Defence Ministry) একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সরকারের দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বিইএল-এর সঙ্গে ২,৯০৬ কোটি টাকার একটি চুক্তি সই করেছে। যার মাধ্যমে কম-উচ্চতার পরিবহণযোগ্য রেডার (এলএলটিআর) আশ্বিনী সংগ্রহ করা হবে।” ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) অধীনস্থ বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড রেডার ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট দেশীয়ভাবে এই রেডার তৈরি করেছে। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিংয়ের উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যিনি সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের কাছে বায়ুসেনার ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি কমিটি গঠনের আবেদন করেছিলেন। মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রেডার প্রোগ্রামটি বিদেশি সরবরাহকারীদের উপর নির্ভরতা হ্রাস করে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ। স্থানীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে এটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।

     

  • Buddhist: সনাতন ধর্মেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ তাঁরা, ঘোষণা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর

    Buddhist: সনাতন ধর্মেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ তাঁরা, ঘোষণা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৌদ্ধরা (Buddhist) সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ। উত্তরপ্রদেশে ‘মন্থন’ সঙ্গমে লামা গেশে চোসফেল জোৎ (Buddhist) এমনটাই জানালেন। প্রসঙ্গত সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে মহাকুম্ভ। বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্টের সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নিয়েই অর্গানাইজার এবং পাঞ্চজন্য নামের দুটি সর্বভারতীয় পত্রিকা আয়োজন করেছিল একটি সম্মেলনের। যার পোশাকি নাম ছিল মন্থন। আজ বুধবার ১২ মার্চ লখনৌয়ের তাজমহল হোটেলে এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এখানে হাজির ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এই অনুষ্ঠানেই বৌদ্ধ ধর্মকে হিন্দু ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলতে শোনা যায় লামা গেশে চোসফেলকে।

    মহাকুম্ভে হাজির ছিলেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরাও (Buddhist)

    তিনি জানান যে প্রথমবার কোনও মহাকুম্ভ হল যেখানে বৌদ্ধ ধর্মের শিবিরও গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন আখড়ার সঙ্গে। এটা ছিল একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এ নিয়ে উত্তর প্রদেশের সরকার এবং তার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন লামা। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের ভূমিকাও তিনি তুলে ধরেন। নিজের বক্তব্যে লামা বলেন, ‘‘চারিদিকে একটি ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে। বলা হচ্ছে যে সনাতন ধর্ম নাকি বৌদ্ধ ধর্ম থেকে আলাদা। এটা সম্পূর্ণই ভুল।’’ তিনি আরও জানান যে ১২টি দেশ থেকে বৌদ্ধ প্রতিনিধিরা হাজির হয়েছিলেন মহাকুম্ভে এবং তাঁরা অংশগ্রহণ করেছেন এই আধ্যাত্মিক সঙ্গমে।

    প্রশংসা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কাজের (Buddhist)

    একই সঙ্গে তিনি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কাজেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘‘এদেশের ৫,০০০ বছরের পুরনো হিন্দু সংস্কৃতি এবং রীতিকে টিকিয়ে রেখেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদই।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘সমাজের কাজ করতে গেলে সর্ব প্রথমে যে কোনও মানুষের দরকার হয় আত্মশুদ্ধি এবং এই কাজটা করতেই ভক্তরা পবিত্র স্নান করেন। বিভিন্ন আখড়া থেকে ৩০০-র বেশি বৌদ্ধ ভিক্ষুক পবিত্র ডুব দিয়েছেন। তাঁরা একইসঙ্গে হিন্দু এবং বৌদ্ধদের এই পরম্পরা মেনে পবিত্র স্নান করেছেন।’’ সনাতন ধর্ম এবং বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যে এক আধ্যাত্মিক যোগসূত্র তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে কী বললেন হিন্দু ধর্মগুরু?

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই মন্থন (Manthan Confluence) অনুষ্ঠানে হিন্দু ধর্মের গুরু আচার্য মিথিলেশনন্দিনী স্মরণজি মহারাজ ব্যাখ্যা করেন মন্থনের ভূমিকা। তিনি বলেন, ‘‘মন্থন মানে শুধুমাত্র সমুদ্র মন্থন নয়। অসুর এবং দেবতারা মিলে সমুদ্র মন্থন করেছিলেন। কিন্তু দেবতারাই অমৃত পেয়েছিলেন। কারণ তাঁদের মধ্যে একটি শৃঙ্খলা বোধ ও আত্মশুদ্ধি ভাব কাজ করত। মহাকুম্ভকে নানাভাবে অপপ্রচার করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই অপচেষ্টা যাঁরা করেছেন প্রত্যকেই ব্যর্থ হয়েছেন। এই পবিত্র ধর্ম অনুষ্ঠান আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতির প্রতিফলন।’’

LinkedIn
Share