Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Gujarat Local Body Polls: গুজরাটে গেরুয়া সুনামি! ১৫-র ১৫ পুরসভা দখল করে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়

    Gujarat Local Body Polls: গুজরাটে গেরুয়া সুনামি! ১৫-র ১৫ পুরসভা দখল করে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের (Gujarat Local Body Polls) স্থানীয় পুরসভা নির্বাচনে কার্যত গেরুয়া ঝড়—১৫টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনই দখল করল বিজেপি (Bharatiya Janata Party)। মঙ্গলবার ফলাফল প্রকাশের পর স্পষ্ট হয়েছে, শহর থেকে গ্রাম—সব ক্ষেত্রেই বড়সড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে একতরফা জয় পেয়েছে তারা। রবিবার ভোটগ্রহণ হয়েছিল ১৫টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, ৮৪টি পৌরসভা, ৩৪টি জেলা পঞ্চায়েত এবং ২৬০টি তালুকা পঞ্চায়েতে। রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিপরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। প্রায় ৯,২০০টি আসনের জন্য ৪.১৮ কোটিরও বেশি ভোটার তাদের মতামত দিয়েছেন।

    শহর থেকে গ্রাম দাপট বিজেপির

    শহরাঞ্চলে বিজেপির (BJP in Gujarat) দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। আমেদাবাদে ১৯২টির মধ্যে ১৫৮টি আসন, সুরাটে ১১৫টি আসন দখল করেছে তারা। সুরাটে আপ (Aam Aadmi Party) পেয়েছে মাত্র ৪টি এবং কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র (Indian National Congress) ১টি আসন। রাজকোটে ৭২টির মধ্যে ৬৫টি এবং বরোদায় ৭৬টির মধ্যে ৬৯টি আসন জিতে নিয়েছে বিজেপি। শুধু শহরেই নয়, গ্রামাঞ্চলেও প্রভাব বিস্তার করেছে গেরুয়া শিবির। ৩৪টি জেলা পঞ্চায়েতের মোট ১,০৯০টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৫৬৮টি আসন। সেখানে কংগ্রেস পেয়েছে ৭৭টি এবং অন্যান্যরা ৩০টি আসন। একইভাবে, ২৬০টি তালুকা পঞ্চায়েতের মোট ৫,২৩৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ২,৩৯৭টি। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে ৫৯১টি আসন, অন্যরা পেয়েছে ৩২৯টি।

    অনেক পিছিয়ে কংগ্রেস

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটগ্রহণ হয়েছে ৯টি নতুন মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে—নভসারি, গান্ধিধাম, মোরবি, ভাপি, আনন্দ, নাডিয়াদ, মেহসানা, পোরবন্দর ও সুরেন্দ্রনগর। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সংশোধিত ওবিসি সংরক্ষণ নীতির ভিত্তিতে, যার ফলে একাধিক জেলায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস ও সীমা নির্ধারণ করা হয়। বিজেপি, কংগ্রেস, আপ ছাড়াও এআইএমআইএম (All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen) কয়েকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তবে সামগ্রিকভাবে বিজেপির প্রাধান্যই স্পষ্ট হয়েছে গোটা রাজ্যে। কংগ্রেস সামগ্রিক ভাবে এই নির্বাচনে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। কর্পোরেশনগুলিতে কার্যত তারা খাতা খুলতে পারেনি বললেই চলে। তবে কিছু নির্দিষ্ট পকেটে তারা সাফল্য পেয়েছে।

  • BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)।  রবিবার তিনি জানান, জনসমর্থন এবং উন্নয়নমুখী শাসনব্যবস্থার কারণে আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছর গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ক্ষমতায় থাকতে পারে। ভাদোদরায় চলা স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন পাঠান। তার পরেই এহেন মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। উল্লেখ্য, এই ভোটগ্রহণ গুজরাটজুড়ে শহর ও গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ।

    পাঠানের মুখে বিজেপি প্রশস্তি! (BJP)

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাঠান বলেন, “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। বাস্তবতা হল, যে দল শক্তিশালী, মানুষের জন্য কাজ করে এবং মানুষের পছন্দের দল—সেই দলই ক্ষমতায় থাকে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচনী সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা এবং গ্রাউন্ড লেবেলে কাজের ওপর নির্ভর করে।” গুজরাটে ভোটের ধারা নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়ন এখনও রাজ্যের ভোটারদের প্রধান বিষয়। এখানকার মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে ভোট দেন। তাই দলটি ক্ষমতায় থাকবে।” পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তুলনা টেনে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, “যেমন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ টিএমসিকে পছন্দ করেন। কারণ দলটি মানুষের কথা বলে এবং মানুষের জন্যই কাজ করে।”

    বঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াই

    ভোটদানের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পাঠান বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে কিছু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় শতাংশ কম মনে হতে পারে। যদি সেই ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটদানের হার এখনও ৮০ থেকে ৮১ শতাংশ থাকবে (BJP)। এটা কেবল হিসেবের বিষয় (Yusuf Pathan)।” উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে বিজেপি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা ও ভোটার গোষ্ঠীতে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্বাচনী প্রবণতায় রাজ্যটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট শেয়ার ও বিধানসভায় উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দু’পক্ষের রাজনৈতিক ভাষণও আরও তীব্র হয়েছে, যা একতরফা পরিস্থিতির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইকে নির্দেশ করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন

    এদিকে, গুজরাটে কর্পোরেশন, পুরসভা, জেলা পঞ্চায়েত এবং তালুকা পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় শাসনের একাধিক স্তরে ভোটগ্রহণ চলছে (BJP)। প্রায় ১০,০০০ আসনে এই নির্বাচন হচ্ছে, অংশ নিচ্ছেন ৪ কোটিরও বেশি ভোটার। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোটগ্রহণ চলবে। গণনা হবে ২৮ এপ্রিল। আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট এবং ভাদোদরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। একই উৎসাহে ভোট হচ্ছে গ্রামীণ জেলাগুলিতেও (Yusuf Pathan)। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্রে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বিপুল পুলিশ মোতায়েন, কুইক রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হয়েছে (BJP)। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ভোটারদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটদানকে পবিত্র নাগরিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি ভোট গ্রাম, তালুকা, জেলা ও শহরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। মানুষ এগিয়ে আসুন এবং একে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করুন (BJP)।”

    ভোটদানের আহ্বান বিধায়কেরও

    বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী সঞ্জয়সিংহ মহিদা নাডিয়াদে ভোট দিয়ে নাগরিকদের ভোটদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি সামনে এসে ভোট দিন (Yusuf Pathan)।” প্রসঙ্গত, এই স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে গুজরাটের তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি বহু দশক ধরে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। বিরোধী দলের নেতা হয়েও ইউসুফ পাঠানের এই মন্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত রাজনৈতিক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দু’দিন পরেই ভোট গণনা। সেই ফল শহর ও গ্রামীণ উভয় এলাকার ভোটারদেরই পছন্দ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে (BJP)।

     

  • Rajya Sabha Realignment: রাঘব চাড্ডা সহ আপ-এর ৭ জনকে বিজেপি সাংসদ হিসেবে ঘোষণা রাজ্যসভায়, বদলে গেল উচ্চকক্ষের সমীকরণ

    Rajya Sabha Realignment: রাঘব চাড্ডা সহ আপ-এর ৭ জনকে বিজেপি সাংসদ হিসেবে ঘোষণা রাজ্যসভায়, বদলে গেল উচ্চকক্ষের সমীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় (Rajya Sabha Realignment) বড় রাজনৈতিক পালাবদল। আপ (Aam Aadmi Party)-এর সাতজন সাংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি-তে (Bharatiya Janata Party) যোগ দিলেন। আম আদমি পার্টি-র ৭ জন সাংসদকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি সাংসদ হিসেবে ঘোষণা করলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি। এর ফলে উচ্চকক্ষে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১৩-এ। এই মর্মে অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণ (C. P. Radhakrishnan)। এই ঘটনায় আপের শক্তি বড় ধাক্কা খেল। আগে যেখানে তাদের ১০ জন সাংসদ ছিল, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩-এ। অন্যদিকে, বিজেপি আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে এবং একক বৃহত্তম দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছে।

    একসঙ্গে দলবদল, আইনি বিতর্ক শুরু

    আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)-সহ সঞ্জীব পাঠক, অশোক মিত্তল, হরভজন সিং, বিক্রমজিৎ সাহনি, স্বাতী মালিওয়াল ও রাজিন্দর গুপ্তা একযোগে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জানান বিজেপিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর রাজ্যসভার ওয়েবসাইটে তাদের নাম বিজেপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই দলবদল ঘিরে ‘দলত্যাগ বিরোধী আইন’ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী, যদি কোনো দলের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য একসঙ্গে অন্য দলে যোগ দেন, তাহলে তা বৈধ ‘মার্জার’ হিসেবে গণ্য হয়—ফলে অযোগ্য ঘোষণার সম্ভাবনা কম।

    জনসেবার স্বার্থেই বিজেপিতে যোগ

    এই ঘটনায় আপ তীব্র প্রতিবাদ করে সাত সাংসদের সদস্যপদ বাতিলের দাবি জানিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেছে। রাজনৈতিক মহল আপের জন্য এই ঘটনাকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবে সরকারে থাকা দলটির জাতীয় স্তরের প্রভাব কমে গেল। অন্যদিকে, বিজেপির ক্ষেত্রে এটি একটি কৌশলগত সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে। দলত্যাগী সাংসদরা জানিয়েছেন, আপের মধ্যে কাজের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছিল এবং জনসেবার স্বার্থেই তারা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত শুক্রবার, আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা-সহ ছ’জন দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। জানা গেছে, দলত্যাগী এই সাংসদদের বিজেপির সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সময় চেয়েছিল আপ। তবে সেই আবেদন কার্যকর হওয়ার আগেই সংযুক্তির সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।

  • India New Zealand FTA: ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত হল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কী কী সুবিধে মিলবে?

    India New Zealand FTA: ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত হল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কী কী সুবিধে মিলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষর করল ভারত ও নিউজিল্যান্ড। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে (India New Zealand Relation) একটি বিরাট কৌশলগত মাইলফলক। ১৬ মার্চ ২০২৫ সালে শুরু হয়ে রেকর্ড সময়ে সম্পন্ন হওয়া এই চুক্তি বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগকে সমর্থন (India New Zealand Relation)

    এই অংশীদারিত্বের একটি প্রধান স্তম্ভ হল, আগামী ১৫ বছরে নিউজিল্যান্ড ভারতকে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে সাহায্য করবে। ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য পরিকল্পিত এই মূলধন প্রবাহ। চুক্তিতে উৎপাদন, পরিকাঠামো, পরিষেবা এবং উদ্ভাবন খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চুক্তিটি নিউজিল্যান্ডের ১০০ শতাংশ ট্যারিফ লাইনে শুল্ক তুলে দিয়ে ভারতীয় শিল্পকে তাৎক্ষণিক প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই শূন্য-শুল্ক সুবিধা সরাসরি শ্রমনির্ভর খাতগুলিকে সাহায্য করবে। এর মধ্যে রয়েছে বস্ত্রশিল্প, পোশাক শিল্প, চামড়া শিল্প, জুতো শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য এবং অটোমোবাইল শিল্প। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন উপকরণে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, কাঠের লগ, কোকিং কয়লা এবং ধাতব স্ক্র্যাপ।

    ওষুধ শিল্পের জন্য নিয়ন্ত্রক অনুমোদন

    জানা গিয়েছে, এই চুক্তি ভারতীয় ওষুধ শিল্পের জন্য নিয়ন্ত্রক অনুমোদন দ্রুত করবে। বিশ্বমানের সমমানের নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরিদর্শন রিপোর্ট গ্রহণ করা হবে। এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ভবিষ্যতমুখী কাঠামো গড়ে তুলেছে, যেখানে (FTA) ভারতকে বৈশ্বিক প্রতিভার প্রধান সরবরাহকারী দেশ হিসেবে স্থাপন করা হয়েছে (India New Zealand Relation)। এদিকে, একটি নতুন অস্থায়ী কর্মসংস্থান প্রবেশ পথ চালু করা হয়েছে, যেখানে যে কোনও সময় ৫,০০০ ভারতীয় পেশাজীবীর জন্য নির্দিষ্ট কোটা থাকবে। এর অধীনে রয়েছে, আইটি, স্বাস্থ্যসেবা, ইঞ্জিনিয়ারিং, আয়ূষ চিকিৎসক, যোগ প্রশিক্ষক এবং ভারতীয় শেফ। এই চুক্তির ফলে সংখ্যাগত সীমা ছাড়াই ভারতীয় শিক্ষার্থীরা উন্নত পোস্ট-স্টাডির অধিকার পাবে। এসটিইএম ব্যাচেলর ও মাস্টার্স স্নাতকরা সর্বোচ্চ ৩ বছর কাজ করতে পারবেন, ডক্টরাল গবেষকরা সর্বোচ্চ ৪ বছর কাজ করতে পারবেন।

    ওয়ার্ক অ্যান্ড হলিডে ভিসা

    দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে ১,০০০ ওয়ার্ক অ্যান্ড হলিডে ভিসাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশীয় উৎপাদকদের সুরক্ষার জন্য এই এফটিএতে কঠোর ব্যতিক্রম ও সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে (FTA)। সংবেদনশীল বিভিন্ন খাতকে বাজার প্রবেশাধিকার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুধ, ক্রিম, চিজ, দই, চিনি, ভোজ্য তেল, পেঁয়াজ এবং মসলা (India New Zealand Relation)। কেবল বাণিজ্য নয়, এই চুক্তি উৎপাদনশীলতা অংশীদারিত্বে জোর দিয়েছে। আপেল, কিউই ফল এবং মধুর জন্য উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রযুক্তি হস্তান্তর ও গবেষণা সহযোগিতার মাধ্যমে ভারতীয় কৃষকদের আয় বাড়ানোই এর লক্ষ্য।

    কী বললেন পীযূষ গোয়েল?

    এই সহযোগিতার সঙ্গে কোটা এবং ন্যূনতম আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে নিউজিল্যান্ডের পণ্যের সীমিত বাজার প্রবেশাধিকারও যুক্ত থাকবে (FTA)। ভারত ১১৮টি খাতজুড়ে পরিষেবা সুবিধা অর্জন করেছে এবং ১৩৯টি উপ-খাতে মোস্ট ফেভারর্ড নেশন (MFN) প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। প্রধান ক্ষেত্রগুলি হল, আইটি-সক্ষম পরিষেবা, পেশাগত পরিষেবা, নির্মাণ এবং পর্যটন। এর ফলে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ সৃষ্টি হবে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল মানুষকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য গড়ে তোলা।” তিনি এও বলেন, “এই চুক্তি ভারতের যুবসমাজ, উদ্যোক্তা এবং কৃষকদের জন্য বৈশ্বিক সুযোগের দুয়ার খুলে দেবে (India New Zealand Relation)।”

  • kharif-2026: খরিফ শষ্য মৌসুম শুরু হওয়ার আগে সারের ঘাটতির আশঙ্কা নাকোচ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার; মজুত ও সরবরাহ নিয়ে বিশেষ আশ্বাস

    kharif-2026: খরিফ শষ্য মৌসুম শুরু হওয়ার আগে সারের ঘাটতির আশঙ্কা নাকোচ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার; মজুত ও সরবরাহ নিয়ে বিশেষ আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের খরিফ শষ্য চাষের মৌসম (kharif-2026) শুরু হওয়ার আগেই দেশে সারের ঘাটতি হতে পারে বলে যে জল্পনা ছড়িয়েছিল, তা এবার সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে ভারত সরকার। কেন্দ্রীয় সার মন্ত্রক এক বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, আসন্ন চাষের মরসুমের জন্য দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে সারের মজুত (Fertiliser) রয়েছে এবং কৃষকদের দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    রবিবার (২৬শে এপ্রিল) সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ইউরিয়া, ডিএপি (DAP) এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    দেশজুড়ে গুদামগুলোতে পর্যাপ্ত মজুত (kharif-2026)

    কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশজুড়ে গুদামগুলোতে সারের বর্তমান মজুত গত বছরের তুলনায় সন্তোষজনক। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দামের (Kharif-2026) ওঠানামা সত্ত্বেও ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চাষীরা (Fertiliser) যাতে উদ্বিগ্ন না হন, তাই সরকারের এই পদক্ষেপ।

    উৎপাদন ও আমদানি

    দেশীয় সার কারখানাগুলোতে (kharif-2026) উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিমাণ সার আমদানির প্রক্রিয়াও মসৃণভাবে চলছে। বিশেষ করে ইউরিয়ার ক্ষেত্রে ভারত আত্মনির্ভরতার দিকে দ্রুত এগোচ্ছে বলে বড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার। চাষের জন্য সবরকম অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার। রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে জেলা স্তরে সারের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা হচ্ছে। কালোবাজারি বা কৃত্রিম অভাব (Fertiliser) রুখতে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কৃষকদের জন্য আশ্বাস

    কেন্দ্রীয় কৃষি (Fertiliser) মন্ত্রক জানিয়েছে, খরিফ মৌসমের সময় সারের চাহিদা সাধারণত বৃদ্ধি পায়, কিন্তু সেই বর্ধিত চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত ‘বাফার স্টক’ (Buffer Stock) বর্তমানে হাতে রয়েছে। কৃষকদের প্যানিক বায়িং বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত সার মজুত না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় সার (Kharif-2026) ও রসায়ন মন্ত্রকের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, “আমরা পরিস্থিতির ওপর প্রতি মুহূর্তে নজর রাখছি। কোনও রাজ্য থেকেই সারের ঘাটতির খবর পাওয়া যায়নি। কৃষকরা যাতে সঠিক সময়ে এবং নির্ধারিত দামে সার পান, তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”

    মূলত বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে সারের দাম বাড়ার যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতে এই বিবৃতি কৃষকদের মনে স্বস্তি জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে। খরিফ চাষের মূল ভিত্তি হিসেবে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা গ্রামীণ অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়নি হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও ঘনঘন ঘটছে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের একটা বড় অংশ এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতের ফল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। হত্যা, ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে বাধা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—এসবের মাধ্যমে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে বলেই অভিযোগ। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১৯ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার ছবি। বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হোন, তা-ই এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। “হাউ আয়াপ্পান ওয়েন্ট ফ্রম এ লোকাল ফরেস্ট ডেইটি টু কেরালাজ মোস্ট কন্ট্রোভার্সিয়াল গড” শীর্ষক লেখাটি লিখেছেন অনিরুদ্ধ কানিসেট্টি (Hindus Under Attack)। লেখাটির শিরোনামটি ভগবান আয়াপ্পাকে নিয়ে, যিনি লাখ লাখ ভক্তের কাছে ব্রহ্মচারী যোদ্ধা দেবতা ধর্মশাস্তা, হরিহরসূত (বিষ্ণু ও শিবের পুত্র), এবং ধর্ম ও তপস্যার প্রতীক, তাঁকেই ‘বিতর্কিত’ রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে “চেঙ্গাই- ফেথ হিলিং” সমাবেশের পর গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাদ্রীকে। তারা ‘লাইট অফ জেসাস চার্চে’র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ বৃহত্তর ধর্মান্তর এই নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে। হুব্বলির এক তরুণীর অভিযোগ, মুফিস মিয়ানাভার নামে এক ব্যক্তি সম্পর্ক গড়ার অছিলায় তাঁকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করে আসছে। কেশ্বাপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের টন টন সোনা

    এদিকে, ক্যাথলিক পুরোহিত ফাদার পল থেলাক্কাট প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্দিরের টন টন সোনা জনসেবায় ব্যবহার করা হয় না। বিদেশি অনুদানের ওপর নজরদারি নিয়ে খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। ফের খবরের শিরোনামে নাসিকের টিসিএস। এক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা করা, চাপ দেওয়া এবং মানসিকভাবে বারংবার হয়রান করা হয়েছে।ভোপালের এক মামলায় অভিযোগ উঠেছে, তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিন্দু কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, ধর্মান্তর ও বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    লাভ জেহাদ!

    ইন্দোরে বছর উনিশের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করে, মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তি আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয় (Roundup Week)। নাগপুর পুলিশ একটি এনজিও পরিচালনাকারী রিয়াজ কাজিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সমাজসেবার আড়ালে সে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিত এবং হয়রান করত। গুরুগ্রামে আসিফ মোহাম্মদ নামে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের অছিলায় বছর ছাব্বিশের এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করে। শুধু তা-ই নয়, জোর করে দু’বার গর্ভপাতও করায় (Roundup Week)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার লক্ষ্যেই এই নির্যাতন চালানো হয়। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। ১৫০–২০০ জনের একটি দল কালীমন্দিরে হামলা করে মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর এক হিন্দু সন্ন্যাসীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি স্থানীয় এক মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    অন্যদিকে, ইউএসসিআইআরএফ, সাভেরা, সিএসওএইচ, এইচএফএইচআর, ইক্যুয়ালিটি ল্যাবসের মতো (Roundup Week) কিছু সংগঠনের তথাকথিত গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হিন্দু সমাজ ও ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। প্রসঙ্গত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসাহিত হয় বলে দাবি করা হয়। ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞাকে এর উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেওয়া হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি দ্বৈত মানদণ্ড বলেও সমালোচনা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Grok: ‘পরিবারতন্ত্র নয়, তথ্যই শেষ কথা’; এলন মাস্কের ‘গ্রক’ এআই-এর তথ্যে রাহুল গান্ধীর চেয়ে অনেক এগিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র বনাম কাজের নিরিখে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এবার প্রবেশ করল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এলন মাস্কের মালিকানাধীন মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার)-এর নিজস্ব এআই চ্যাটবট ‘গ্রক’-এর (Grok) একটি উত্তর বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর মধ্যে তুলনামূলক এক প্রশ্নের উত্তরে মোদিকেই এগিয়ে রেখেছে গ্রকের তথ্য ভিত্তি।

    ঘটনাটি ঠিক কী (Grok)?

    সম্প্রতি একজন ব্যবহারকারী গ্রক-এর (Grok) কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, ভারতের প্রগতি এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদি এবং রাহুল গান্ধীর মধ্যে কার অবদান বা গ্রহণযোগ্যতা বেশি? এর উত্তরে গ্রক (Grok) কোনও ব্যক্তিগত মতামত না দিয়ে বিভিন্ন ডেটা বা তথ্যের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে।

    Grok-এর বিশ্লেষণে যা উঠে এসেছে

    উন্নয়ন ও অর্থনীতি

    গ্রক (Grok) তার উত্তরে উল্লেখ করেছে যে, গত এক দশকে ভারতের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া অভিযান এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে মোদি সরকারের সাফল্য পরিসংখ্যানগতভাবে প্রমাণিত।

    পরিবারতন্ত্র বনাম যোগ্যতা

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, গ্রক (Grok) রাহুল গান্ধীকে ‘পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির’ (Dynastic Politics) উত্তরাধিকারী হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি মোদিকে একজন ‘স্বনির্ভর’ এবং ‘ডেটা-নির্ভর’ নেতা হিসেবে তুলে ধরেছে।

    গ্রক-এর জনপ্রিয়তা ও জনমত

    সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগের নিরিখেও তথ্যের ভিত্তিতে মোদিকে অনেক বেশি রেটিং দিয়েছে এই এআই (AI)।

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

    বিজেপি এই প্রতিবেদনটিকে তাদের প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির নিরপেক্ষ ডেটাও মোদিকে শ্রেষ্ঠ বলছে, সেখানে বিরোধীদের পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরণের এআই (AI) মডেলের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাদের দাবি, অ্যালগরিদম বা ডেটা অনেক সময় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে।

    প্রযুক্তির যুগে রাজনীতির লড়াই আর কেবল জনসভায় সীমাবদ্ধ নেই, তা এখন এআই (AI)-এর ল্যাবেও পৌঁছে গেছে। এলন মাস্কের গ্রক (Grok) যেভাবে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছে, তা আগামী নির্বাচনে এবং রাজনৈতিক বিতর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কিংবদন্তী চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) রঘু রাই (Raghu Rai) আর নেই। রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ সকালে ৮৩ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় সংবাদচিত্র ও আলোকচিত্র জগতের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটল। বিগত পাঁচ দশক ধরে রঘু রাই তাঁর ক্যামেরার লেন্সের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাস, রাজনীতি, সাধারণ মানুষের জীবন এবং সংঘাতের মুহূর্তগুলিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া সাংবাদিক মহলে অপূরণীয় ক্ষতি।

    কর্মজীবন (Raghu Rai)

    ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ ভারতের ঝং যা বর্তমানে পাকিস্তানে, সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন রঘু রাই (Raghu Rai)। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ঘটনাচক্রে আলোকচিত্র শিল্পী হয়ে ওঠেন। ১৯৬৬ সালে তিনি ‘দ্য স্টেটসম্যানে’ (The Statesman) চিফ ফটোগ্রাফার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী কালে তিনি কলকাতার বিখ্যাত সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘সানডে’ এবং ‘ইন্ডিয়া টুডে’-তে পিকচার এডিটর ও ফটোগ্রাফার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালে বিশ্বখ্যাত চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) অঁরি কার্তিয়ে-ব্রেসঁ (Henri Cartier-Bresson) তাঁকে বিখ্যাত ‘ম্যাগনাম ফটোস’ (Magnum Photos)-এ সদস্য হওয়ার জন্য মনোনীত করেছিলেন।

    তাঁর ঐতিহাসিক কাজসমূহ

    রঘু রাইয়ের (Raghu Rai) লেন্স কখনও রাজনীতির চাণক্যদের বন্দি করেছে, আবার কখনও সাধারণ মানুষের চোখের জলকে তুলে এনেছে বিশ্বের দরবারে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে-

    ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা (১৯৮৪)

    তাঁর তোলা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ছবিগুলো (Legendary Photographer) বিশ্বজুড়ে শিহরণ জাগিয়েছিল এবং এই ট্র্যাজেডির ভয়াবহতা সবার সামনে ফুটিয়ে তুলেছিল।

    বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার (১৯৭১)

    মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলির ছবি তুলে তিনি (Raghu Rai) ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

    মাদার টেরেসা ও ইন্দিরা গান্ধী

    রঘু রাইয়ের তোলা মাদার তেরেসা এবং ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পোর্ট্রেটগুলি আজও অমলিন।

    শ্রদ্ধা ও সম্মান

    ১৯৭২ সালে ভারত সরকার রঘু রাই (Raghu Rai) ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করেছে ভারত সরকার। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, শশী থারুর এবং অন্যান্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার বিকেল ৪ টের সময় লোদি রোড শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তিনি স্ত্রী এবং চার সন্তানকে রেখে গিয়েছেন। রঘু রাই (Legendary Photographer) বলতেন, “ক্যামেরা ছাড়া আমি আমার অভিজ্ঞতার প্রতি সৎ থাকতে পারি না।” তাঁর সেই সত্যনিষ্ঠ দৃষ্টি আজ ভারতের অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়ে গেল।

  • Assembly Election 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর ঘাটতি

    Assembly Election 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর ঘাটতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর তীব্র ঘাটতির কথা প্রকাশ্যে এসেছে (Assembly Election 2026)। পরিস্থিতির দ্রুত মোকাবিলা করতে প্রথম দফায় দায়িত্ব পালন করা কেন্দ্রীয় সরকারি ও কেন্দ্রীয় পাবলিক সেক্টর ইউনিটের কর্মীদের দ্বিতীয় দফার (ECI) জেলাগুলিতে পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ জারি করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।

    নির্দেশিকা জারি কমিশনের (Assembly Election 2026)

    নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির মধ্যে কর্মীদের তথ্য বিনিময় ও নিয়োগপত্র জারির কাজ ‘ইএমএমএস’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, কর্মীদের বদলি ও নিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। দ্রুত নিয়োগপত্র জারি করে নির্দিষ্ট জেলায় রিপোর্ট করার নির্দেশও দিতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। কমিশন সূত্রে খবর, আসন্ন নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জেনারেল অবজারভার ১৪২ জন, পুলিশ অবজারভার ৯৫, এবং আয়-ব্যয় হিসেব পর্যবেক্ষক ১০০ জনের ঘাটতি রয়েছে।

    পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন

    এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটে পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন চূড়ান্ত করল কমিশন। জানা গিয়েছে, বারাসত পুলিশ জেলায় ১১২ কোম্পানি, বনগাঁ পুলিশ জেলা ৬২ কোম্পানি, বসিরহাট পুলিশ জেলায় ১২৩ কোম্পানি, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৫০ কোম্পানি, বারাকপুর (ECI) পুলিশ কমিশনারেটে ১৬০ কোম্পানি, সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৬১ কোম্পানি (Assembly Election 2026), ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১৩৫ কোম্পানি, হাওড়া গ্রামীণে ১৪৭ কোম্পানি, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটে ১১০ কোম্পানি, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি, রানাঘাট পুলিশ জেলায় ১২৭ কোম্পানি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৮৩ কোম্পানি, হুগলি গ্রামীণে ২৩৪ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৬০ কোম্পানি, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১৩ কোম্পানি, কলকাতা পুলিশের অধীনে ২৭৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আরও কড়াকড়িভাবে ভোট করাতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Assembly Election 2026)।

LinkedIn
Share