Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম’কে জাতীয় সঙ্গীতের সমান আইনি সুরক্ষা, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর পরিণত আইনে

    Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম’কে জাতীয় সঙ্গীতের সমান আইনি সুরক্ষা, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর পরিণত আইনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বন্দে মাতরম’কে (Vande Mataram) জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর সমান আইনি সুরক্ষা দিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার ১১ অগাস্ট, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু জাতীয় (National Anthem) সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬-এ সম্মতি দেন। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হয়েছে।

    শাস্তিযোগ্য অপরাধ (Vande Mataram)

    সংসদ গত মাসেই ১৯৭১ সালের জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে সংশোধনী হিসেবে এই বিলটি পাশ করেছিল। নতুন আইনে ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গান থামিয়ে দেওয়া অথবা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় কোনও সমাবেশে বিঘ্ন ঘটানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা একই সঙ্গে কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে। ১৯৭১ সালের আইনে নির্দিষ্টভাবে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর সুরক্ষার কথা বলা ছিল। ইচ্ছাকৃতভাবে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বন্ধ করে দেওয়া অথবা তা গাওয়ার সময় কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান ছিল। দ্বিতীয় বা পরবর্তী দোষের ক্ষেত্রে ন্যূনতম এক বছরের কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে।

    আইনি সুরক্ষার আওতায় ‘বন্দে মাতরম’ 

    নতুন সংশোধনীর ফলে ‘বন্দে মাতরম’-ও একই আইনি সুরক্ষার আওতায় চলে এল। সংশোধনী বিলে বলা হয়েছিল, জাতীয় গান ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে দেওয়া বা গাওয়ার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করা রুখতে ১৯৭১ সালের আইনে এতদিন কোনও নির্দিষ্ট বিধান ছিল না। সেই কারণে আইনের ৩ নম্বর ধারায় ‘বন্দে মাতরম’কে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও সংশোধনী আইনে তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি গণপরিষদের সভাপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ জানিয়েছিলেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই গানকে ‘জন গণ মন’-এর সমান মর্যাদা দেওয়া হবে (Vande Mataram)।

    প্রথমে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’

    এদিকে, জাতীয় গান পরিবেশন নিয়ে নতুন নিয়মও চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২৮ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির আগমন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং রাজ্যপালদের ভাষণের মতো সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবকই গাওয়া হবে। পুরো গানটি গাইতে সময় লাগবে প্রায় ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘জন গণ মন’ একই অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হলে প্রথমে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হবে। উপস্থিত সকলের তখন সতর্ক অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকার কথা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, এ বছর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথমবার লালকেল্লা থেকে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হবে (National Anthem)। দেশের স্কুলগুলিতেও দিনের কর্মসূচি জাতীয় গানটির সমবেত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Vande Mataram)।

     

  • Supreme Court: নেতাজির চিতাভস্ম জাপান থেকে ভারতে ফেরানোর আর্জি, কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: নেতাজির চিতাভস্ম জাপান থেকে ভারতে ফেরানোর আর্জি, কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের টোকিওর রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চিতাভস্ম (Netaji Bose Ashes Tokyo) ভারতে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ চেয়ে দায়ের করা আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। নেতাজির কন্যা অনিতা বি পাফ এই আবেদনটি করেছিলেন। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এএম সিংভি আদালতকে জানান, নেতাজির কন্যা দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যে তাঁর বাবার দেহাবশেষ ভারতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

    “শেষকৃত্য, মর্যাদা এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য…” (Supreme Court)

    সিংভি বলেন, “শেষকৃত্য, মর্যাদা এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য…” তাঁর বক্তব্য, এর আগে শীর্ষ আদালত নেতাজির উত্তরাধিকারীকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই এবার তাঁর কন্যা সরাসরি আদালতে এসেছেন। সওয়াল-জবাবের পর কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিশ জারি করে আদালত। গত মার্চেই নেতাজির গ্র্যান্ড নেফিউ (নাতি-ভাইপো) আশিস রায় তাঁর দেহাবশেষ ভারতে ফিরিয়ে আনার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিল শীর্ষ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নেতাজির উত্তরাধিকারী যদি তাঁর চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনতে চান, তাহলে তাঁকেই আদালতের সামনে আসতে হবে। আদালত আরও জানিয়েছিল, “আমরা তাঁর আবেগকে সম্মান করি এবং তাঁর আবেগকে আইনি পদক্ষেপে রূপ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করব (Supreme Court)।”

    সিংভির সওয়াল

    সেই শুনানির সময় সিংভি আদালতকে জানিয়েছিলেন, সুভাষচন্দ্র বসুর কন্যা ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুনানিতে উপস্থিত রয়েছেন এবং তিনি ওই আবেদন সমর্থন করছেন। তবে বেঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এর আগে একই ধরনের একাধিক আবেদন করা হয়েছে এবং সেগুলি খারিজ হয়ে গিয়েছে। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, “এই বিষয়টি আর কতবার আদালতের সামনে আসবে?” সিংভি জবাব দেন, এবারের বিষয়টি আগের আবেদনের মতো নয়। তখন বেঞ্চ মৌখিকভাবে মন্তব্য করে, “পরোক্ষভাবে হোক বা সরাসরি… এই আবেদন আবার কেন আসছে? প্রথমত, চিতাভস্ম কোথায় রয়েছে? তার প্রমাণ কী?” এর জবাবে সিংভি জানান, নেতাজির একমাত্র উত্তরাধিকারী তাঁর কন্যা, যাঁর বয়স ৮৪ বছর এবং যিনি সেই সময় আদালতের শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও জানান, ভারতে দায়িত্ব পালন করা প্রায় প্রত্যেক রাষ্ট্রপ্রধানই জাপানের রেনকোজি মন্দিরে গিয়ে সেখানে সংরক্ষিত নেতাজির চিতাভস্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন (Netaji Bose Ashes Tokyo)।

    প্রধান বিচারপতির বক্তব্য

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “প্রথমত, আমরা জানতে চাই নেতাজির পরিবারের কতজন সদস্য জীবিত রয়েছেন। নেতাজি নিঃসন্দেহে এই দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা। তাঁর সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের জন্য আমাদের অনেকেই তাঁর সামনে মাথা নত করি।” সিংভি জানান, নেতাজির একমাত্র সন্তান অনিতা এবং তিনিই একমাত্র উত্তরাধিকারী। তিনি বর্তমানে অস্ট্রিয়ায় বসবাস করেন। তবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, তিনি এই মামলার আবেদনকারী নন। তাঁর বক্তব্য, “উত্তরাধিকারীকে আমাদের সামনে আসতে দিন… উত্তরাধিকারী যদি চিতাভস্ম আমাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চান, তাহলে তাঁকেই আমাদের সামনে আসতে হবে।” বেঞ্চের অবস্থান দেখে সিংভি আশিস রায়ের দায়ের করা আবেদনটি প্রত্যাহারের অনুমতি চান। তিনি জানান, নেতাজির কন্যা নিজে পরবর্তী সময়ে আবেদন করবেন। এরপর আদালত আবেদনটি প্রত্যাহার করার অনুমতি দিয়ে মামলাটির নিষ্পত্তি করে।

    রেনকোজি মন্দিরে নেতাজির চিতাভস্ম সংরক্ষিত রয়েছে বলে দীর্ঘদিন ধরে দাবি করা হয়ে আসছে। সেই চিতাভস্ম ভারতে ফিরিয়ে আনা হবে কি না, তা নিয়ে বহু বছর ধরেই (Netaji Bose Ashes Tokyo) বিতর্ক ও আইনি জটিলতা রয়েছে। এবার নেতাজির কন্যার সরাসরি আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রের বক্তব্য জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

     

  • Pan Masala Packaging: প্লাস্টিকের প্যাকেটে পানমশলা বিক্রি বন্ধ! প্যাকেজিংয়ে নতুন নিয়ম, বিক্রি করতে হবে কাচ বা টিনের পাত্রে

    Pan Masala Packaging: প্লাস্টিকের প্যাকেটে পানমশলা বিক্রি বন্ধ! প্যাকেজিংয়ে নতুন নিয়ম, বিক্রি করতে হবে কাচ বা টিনের পাত্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পান মশলার প্যাকেজিং (Pan Masala Packaging) নিয়ে নতুন নিয়ম চালু করল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI New Rules)। ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পান মশলা প্যাকেটজাত করার ক্ষেত্রে প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল এবং ধাতব স্তর ব্যবহার করা যাবে না। এই সংশোধনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও মান সংক্রান্ত প্যাকেজিং বিধি, ২০১৮-তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্যের জন্য অনুমোদিত প্যাকেজিং উপকরণের তালিকায় পান মশলাকে নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে।

    কী দিয়ে তৈরি হবে পানমশলার প্যাকেট

    এফএসএসএআই জানিয়েছে, প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সংস্থাগুলিকে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব কাঁচামাল ব্যবহার করতে হবে। যেমন, ধাতব টিন ক্যান বা কাচের ছোট পাত্র। সম্পূর্ণ প্লাস্টিকমুক্ত কাগজ, পেপারবোর্ড, সেলুলোজ বা প্রাকৃতিক উৎস থেকে তৈরি প্যাকেজিংয়েও আপত্তি নেই। সংশোধিত নীতিতে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালের প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতি, ১৯৮৬ সালের পরিবেশ (রক্ষা) আইন মেনে এ বার থেকে পানমশলা প্যাকেটজাত করতে হবে। নীতি সংশোধনীর খসড়া চলতি বছর ২৮ এপ্রিল প্রকাশ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত জানতে চেয়েছিল তারা। ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়। এফএসএসএআই জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের মতামত বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে।

    প্যাকেজিং-য়ে ব্যবহার করা যাবে না কী কী

    প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গত ৭ অগাস্ট এফএসএসএআই-এর মূল প্যাকেজিং নীতিমালায় সংশোধন এনে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর পানমশলার প্যাকেটে আর ব্যবহার করা যাবে না পলিথিলিন, পলিপ্রোপিলিন, পলিয়েস্টার ও পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC)। অন্যান্য সিন্থেটিক পলিমার, কো-পলিমার এবং ল্যামিনেটের স্তর রাখাও যাবে না। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল এবং ধাতব প্রলেপযুক্ত যে কোনও অভ্যন্তরীণ স্তরও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বর্তমানে বাজারে অধিকাংশ পানমশলাই বহুস্তরীয় বা প্লাস্টিকের ছোট পাউচে বিক্রি করা হয়। ফলে কেন্দ্র সরকারের এই কড়া নির্দেশের পর প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে প্যাকেজিংয়ের পুরো পরিকাঠামো রাতারাতি বদলাতে হবে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, কাচ বা টিনের পাত্রে রূপান্তরের ফলে পানমশলা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির উৎপাদন, পরিবহণ এবং সামগ্রিক প্যাকেজিংয়ের খরচ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। যা আগামী দিনে বাজারে পানমশলার বিক্রয়মূল্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Independence Day: স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে হাই অ্যালার্ট, ১৯ মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গির পোস্টার প্রকাশ পুলিশের

    Independence Day: স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে হাই অ্যালার্ট, ১৯ মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গির পোস্টার প্রকাশ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে রাজধানী দিল্লিকে। ১৫ অগাস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা রুখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। এরই মধ্যে আমজনতাকে সতর্ক করতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় ১৯ জন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গির ছবি ও পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য-সহ পোস্টার লাগানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে তাদের সম্পর্কে কোনও তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, পোস্টারে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন, আল-কায়দা এবং বিভিন্ন খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ওয়ান্টেড জঙ্গির ছবি রয়েছে। তাঁদের সন্ধান পেতে তথ্য দিলে উপযুক্ত পুরস্কারের কথাও জানানো হয়েছে।

    কোন কোন জঙ্গি পুলিশের নজরে?

    দিল্লি পুলিশের প্রকাশিত তালিকায় ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গে যুক্ত রিয়াজ ভাটকল এবং শাবানদ্রি মহম্মদ ইকবাল ওরফে ইকবাল ভাটকলের নাম রয়েছে। আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত মহম্মদ শারজিল আখতার, আবু সুফিয়ান এবং সৈয়দ মহম্মদ আরশিয়ান-এর ছবিও পোস্টারে রাখা হয়েছে। খালিস্তানি জঙ্গিদের মধ্যে খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স (KZF)-এর সঙ্গে যুক্ত রঞ্জিত সিং ওরফে নীতা এবং পরমজিৎ সিং পাম্মা-র নাম রয়েছে। এছাড়াও খালিস্তান টাইগার ফোর্স (KTF)-এর সঙ্গে যুক্ত আরশদীপ সিং ওরফে আরশ ডালা-র ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল (BKI)-এর সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত হরবিন্দর সিং সান্ধু ওরফে রিন্ডা, ওয়াধাওয়া সিং বাব্বর এবং গুরমিত সিং বাগ্গা-র নামও রয়েছে পুলিশের প্রকাশিত তালিকায়।

    কেন পোস্টার লাগানো হলো?

    স্বাধীনতা দিবসের আগে রাজধানীতে এ ধরনের পোস্টার সাঁটানো নতুন নয়। ১৫ অগeস্ট ও ২৬ জানুয়ারির মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার অংশ হিসেবেই সাধারণত সন্দেহভাজন বা ওয়ান্টেড জঙ্গিদের ছবি জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়। এ বারও দিল্লি পুলিশের লক্ষ্য, ওই ব্যক্তিদের সম্পর্কে কোনও তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে থাকলে তা দ্রুত নিরাপত্তা সংস্থার কাছে পৌঁছনো। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহজনক কোনও ব্যক্তি বা কার্যকলাপ চোখে পড়লে নাগরিকদের সতর্ক থাকতে হবে এবং দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। তবে, পুলিশের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য শুধু নজরদারি বাড়ানো নয়, সাধারণ মানুষকেও সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে সতর্ক করা। পুলিশ সূত্রে খবর, স্বাধীনতা দিবসে হামলার আশঙ্কায় দিল্লি জুড়ে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হল। গোয়েন্দা সূত্রে খবর আসার পরই স্বাধীনতা দিবসের আগে রাজধানীতে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হল।

    সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি

    স্বাধীনতা দিবসের আগে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না দিল্লি পুলিশ। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, জনবহুল বাজার, ধর্মীয় স্থান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়ও আরও বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা গতিবিধির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিভিন্ন স্তরে নিরাপত্তা পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লি মেট্রোতেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিল্লি পুলিশ পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির পুলিশের সঙ্গেও সমন্বয় বাড়িয়েছে। দিল্লির পাশাপাশি দেশের পশ্চিম সীমান্তেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

    রেড ফোর্টে বিশেষ নজর

    স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠান হবে দিল্লির লালকেল্লায়। সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ফলে লালকেল্লা ও তার আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার অন্তত ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ কর্মীকে ওই এলাকায় মোতায়েন করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং জনবহুল এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে দিল্লি পুলিশ প্রথম বারের মতো তাদের ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেমে’র পাশাপাশি ‘অভিজ্ঞান অ্যাপ’ ব্যবহার করবে। উত্তর দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসিপি) রাজা বানথিয়া বলেছেন, বেশ কয়েক দিন ধরেই নিরাপত্তার প্রস্তুতি চলছে এবং এতে দিল্লি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি) এবং অন্যান্য সংস্থার কর্মীরা অংশ নেবেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভিডিয়ো অ্যানালিটিক্স এবং ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেমযুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই ব্যবস্থা দূর থেকে মুখাবয়ব চিহ্নিত করতে পারে।

    সাধারণ মানুষকে পরামর্শ

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তরফে সাধারণ মানুষকে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জনবহুল জায়গায় কোনও পরিত্যক্ত ব্যাগ বা সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকতে দেখা গেলে সেটি স্পর্শ না করে পুলিশকে খবর দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পোস্টারে থাকা ওয়ান্টেড ব্যক্তিদের সম্পর্কে কোনও নির্ভরযোগ্য তথ্য কারও কাছে থাকলে তা নিরাপত্তা সংস্থাকে জানানোর আবেদন করা হয়েছে। ১১২ নম্বরে ফোন করে তথ্য দেওয়া যাবে। এছাড়াও দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল-এর সঙ্গেও যোগাযোগ করার আবেদন জানানো হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রদানকারীকে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে এবং তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

  • Rahul Gandhi: ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের ওপর হামলা, রাহুলের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    Rahul Gandhi: ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের ওপর হামলা, রাহুলের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। কংগ্রেস মিথ্যা রটাচ্ছে বলে অভিযোগ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand Parliament) পড়ুয়াদের ওপর হিংসার ঘটনায় রাহুলের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সোমবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বিবৃতি দেওয়ার দাবি করেছিলেন রাহুল। তার পরের দিনই কংগ্রেস এবং রাহুলকে নিশানা করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘‘পড়ুয়াদের স্বার্থ নিয়ে কংগ্রেস ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা রটিয়ে চলেছে। রাহুল গান্ধীর কাছে তথ্য নেই। যে বিরোধী দলনেতা অভ্যাসগতভাবে মিথ্যা বলেন, তিনি সংসদে আসতে বা জবাব শুনতেও চান না। তাঁরা শুধু নিজেদের মিথ্যা রটাতে এবং কুমিরের কান্না কাঁদতে চান।’’

    রাহুল গান্ধী নীরব কেন?’ (Rahul Gandhi)

    অমিত শাহের বিরুদ্ধে রাহুল ও কংগ্রেস ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ তুলছে বলেও দাবি করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর বক্তব্য, সংসদে যে কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য সরকার প্রস্তুত। কংগ্রেস সংসদের কাজ ব্যাহত করছে এবং দেশের ও যুবসমাজের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এর পরেই ঝাড়খণ্ডের পরিস্থিতি নিয়ে রাহুলকে নিশানা করেন প্রধান। বলেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডে পড়ুয়াদের ওপর যে বর্বরতা হয়েছে, তা গোটা দেশ দেখেছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, যে রাহুল গান্ধী প্রতিটি বিষয় নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন, তিনি আজ নীরব কেন?’’ কংগ্রেস গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বাছাই করা নীতি অনুসরণ করে বলেও অভিযোগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর দাবি, যেখানে কংগ্রেস ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে যুবকদের বিরুদ্ধে হিংসার আশ্রয় নেওয়া হয়। আবার রাজনৈতিক নজর কাড়ার প্রয়োজন হলে মিথ্যা এবং হইচইও করা হয়। তিনি বলেন, ‘‘দেশের যুবসমাজ কংগ্রেসের এই দ্বিচারিতা সম্পূর্ণভাবে বুঝে গিয়েছে।’’

    রাহুলকে সংসদে আলোচনায় যোগ দেওয়ার আহ্বান নাড্ডার

    সংসদে অচলাবস্থা নিয়ে রাহুলকে আক্রমণের একদিন পর ধর্মেন্দ্র প্রধানের এই মন্তব্য সামনে এল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডাও রাহুলের বিরুদ্ধে সংসদের কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ১৫ দিন ধরে ব্যাহত করার এবং দেশকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তুলেছিলেন (Rahul Gandhi)। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডার দাবি, রাহুল গান্ধীর দাবির পর সরকার সংসদে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছিল। কিন্তু পরে রাহুল তাঁর দাবি বদলে ফেলেন। নাড্ডা বলেন, “যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতি দাবি করছিলেন রাহুল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দাবিতে রাজি হওয়ার পর কংগ্রেস নেতা নিজের দাবিই বদলে ফেললেন এবং রাম মন্দিরের অনুদানে কথিত আর্থিক অনিয়ম নিয়ে আলোচনার দাবি তুলতে শুরু করলেন।” সংসদে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য রাহুলকে আহ্বান জানান নাড্ডাও। তিনি বলেন, ‘‘তিনি (রাহুল) আলোচনা থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন কেন? আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, রাহুল গান্ধী, আলোচনা থেকে পালাবেন না। আমরা প্রস্তুত। সংসদের ভিতরে প্রতিটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আমরা প্রস্তুত। পালিয়ে যাবেন না।’’

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জরুরি অবস্থার যুগের মানসিকতা নিয়ে চলার অভিযোগও করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর বক্তব্য (Jharkhand Parliament), গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বৈরতন্ত্রের কোনও ঠাঁই নেই। তিনি বলেন, ‘‘জরুরি অবস্থার যুগের মানসিকতা নিয়ে চলা রাহুল এবং কংগ্রেস পার্টির এটা ভালো করে বুঝে নেওয়া উচিত (Rahul Gandhi)।’’

  • Mangal Milan: ‘মঙ্গল মিলন’-এ মোদি-শাহদের হাতে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখর সংসদ

    Mangal Milan: ‘মঙ্গল মিলন’-এ মোদি-শাহদের হাতে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখর সংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ প্রান্তে মঙ্গলবার দেশাত্মবোধের আবহে বসেছিল এনডিএ-র সাপ্তাহিক সংসদীয় বৈঠক ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan)। সংসদ ভবনের লাইব্রেরি বিল্ডিংয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন-সহ এনডিএ-র একাধিক শীর্ষ নেতা হাতে তেরঙ্গা নিয়ে জাতীয় পতাকা ওড়ান। অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়াম। ২০২৬ সালের বাদল অধিবেশনে এনডিএ-র এটাই ছিল শেষ সংসদীয় দলের বৈঠক। এর আগে এনডিএ-র সাপ্তাহিক সংসদীয় বৈঠকটি ‘মঙ্গল মিলন’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল শরিক দলগুলির মধ্যে সংসদে যৌথ কৌশল নির্ধারণ, ফ্লোর ম্যানেজমেন্টে সমন্বয় বাড়ানো এবং অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকার চূড়ান্ত করা। এদিনের বৈঠকেও হাজির ছিলেন এনসিপিআই সাংসদেরা।

    বিরোধীদের বিরুদ্ধে সরব এনডিএ সাংসদরা

    ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক শেষ হওয়ার পরই সংসদের দিকে মিছিল করে এগিয়ে যান এনডিএ-র সাংসদরা। তাঁদের হাতে ছিল বিরোধীদের বিরুদ্ধে লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। ছাত্র বিক্ষোভ ঘিরে ২০ জুলাই পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের অবস্থানের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা। এনডিএ সাংসদদের অভিযোগ, সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও বিরোধীরা সংসদ অচল করে দিচ্ছে এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই এই বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্যের জবাব দিতে প্রস্তুত।

    আলোচনায় প্রস্তুত কেন্দ্র

    এর আগে সোমবার সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছিলেন, ছাত্র বিক্ষোভ এবং ২০ জুলাই পুলিশের পদক্ষেপ-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য কেন্দ্র প্রস্তুত। রিজিজুর বক্তব্য, শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি নয়, আলোচনায় বিরোধীরা যে সমস্ত বিষয় তুলবেন, তারও জবাব দেবেন অমিত শাহ। তবে একই সঙ্গে সংসদে হট্টগোল না করে নিয়ম মেনে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য বিরোধীদের আহ্বান জানান তিনি। সরকারের অবস্থান, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে যে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে তারা প্রস্তুত এবং বিরোধীরা যে বিষয়গুলি উত্থাপন করবেন, সেগুলির প্রতিটি পয়েন্টের জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের অবস্থানের জেরে বাদল অধিবেশনের একাধিক দিন সংসদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে সরকার ও বিরোধী শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • NDA: ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অযথা সংসদ অচল করছেন রাহুল, অভিযোগ এনডিএ সাংসদদের

    NDA: ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অযথা সংসদ অচল করছেন রাহুল, অভিযোগ এনডিএ সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের লাগাতার অচলাবস্থার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সংসদের দিকে মিছিল করলেন এনডিএ (NDA) সাংসদরা। তাঁদের হাতে ছিল বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড। সেখানে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সংসদে বিতর্ক এড়িয়ে (Jharkhand) যাওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।

    এনডিএর বিক্ষোভ (NDA)

    সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন এবং ঝাড়খণ্ডে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই বিক্ষোভ হল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারবার সংসদের অধিবেশন ব্যাহত হয়েছে। বিরোধীরা পুলিশের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দাবি করছে। এদিকে, রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবদিহি করেছেন। সরকার অবশ্য এই বিষয়ে সংসদে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব দেওয়ার কথা রয়েছে।সোমবার ঝাড়খণ্ডে ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ এবং জলকামান ব্যবহারের ঘটনায়ও রাহুলের কাছে জবাব চেয়েছেন এনডিএ সাংসদরা। বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত বলেন, “এখন ওরা আলোচনা করতে অস্বীকার করছে। এর আগে ওরাই আলোচনার দাবি জানিয়েছিল—যে পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। কিন্তু পরে ওরা পিছিয়ে গেল। ওরা দেশকে বিভ্রান্ত করছে। সংসদ চলতে দিচ্ছে না।”

    কী বলছে বিজেপি

    বিজেপি নেতা তরুণ চুঘ রাহুলের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, “এটি দ্বিচারিতার ঘটনা। ঝাড়খণ্ডে ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় রাহুল গান্ধী সংসদ থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন এবং নীরব রয়েছেন। গোটা দেশ সব কিছু দেখছে (NDA)।” বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ বলেন, “পুরো বিরোধী দল কোনও ধরনের আলোচনাই চায় না। ছাত্রদের বিষয়টির ক্ষেত্রে তাদের নীতি এক এক জায়গায় এক এক রকম, এবং ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা।” বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু রাহুল গান্ধী প্রস্তুত নন। তিনিই লোকসভাকে অচল করে রেখেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জবাব দিতে প্রস্তুত।” বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন, “অমিত শাহজি জবাব দেবেন, রাহুল গান্ধী পালাবেন না… রাহুল গান্ধী লজ্জা করুন, ঝাড়খণ্ডে ছাত্রদের উপর এতটা বর্বরতা হয়েছে…”  অন্যদিকে, জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সবাই তাঁদের (বিরোধীদের) কাছে জবাব চাইছে। তাঁদের জবাব দিতেই হবে।”

    গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল

    এর আগে সোমবার রাহুল জানিয়েছিলেন, বিরোধীরা অমিত শাহের মতামত শুনতে আগ্রহী নয়। বরং পুলিশের দমন-পীড়নের নির্দেশ কে দিয়েছিলেন, তা জানতে চান বিরোধীরা। রাহুল বলেন, “অমিত শাহের সংসদে এসে আমাদের সামনে দাঁড়ানোর সাহস নেই। গত ১৫ দিনে তাঁরা সেটাই দেখিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি কিংবা অমিত শাহ—কারও সাহস নেই… তাঁর মতামত নিয়ে কারও আগ্রহ নেই। আমরা শুধু জানতে চাই, গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল। তিনি যদি নির্দেশ না দিয়ে থাকেন, তাহলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কে সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন? আমরা জানতে চাই, এর দায় কার, নাকি এটি অদক্ষতার ফল?” টানা কয়েক দিন ধরে সরকার ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে এই সংঘাতের জেরে (Jharkhand) সংসদের অধিবেশন ব্যাহত হওয়ার পর সরকার ফের জানিয়েছে, তারা সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত। অন্যদিকে, বিরোধীরা পুলিশের পদক্ষেপের নির্দেশদাতা এবং তার দায়বদ্ধতা নিয়ে সরাসরি জবাব দাবি করছে (NDA)।

     

  • RSS: অন্ধ্রপ্রদেশে সংঘ-প্রাণিত ৩২ সংগঠনের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক, আলোচনায় জনসংখ্যার ভারসাম্য-পঞ্চ পরিবর্তন

    RSS: অন্ধ্রপ্রদেশে সংঘ-প্রাণিত ৩২ সংগঠনের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক, আলোচনায় জনসংখ্যার ভারসাম্য-পঞ্চ পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রেরণায় পরিচালিত বিভিন্ন সংগঠনের বার্ষিক অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠক (RSS) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম জেলার গুডিলোভায়। আগামী ১৯ থেকে ২১ অগাস্ট এই (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak) তিন দিন ধরে হবে এই বৈঠক। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, দিনগুলি যুগাব্দ ৫১২৮, বিক্রম সংবৎ ২০৮৩ এবং শ্রাবণ শুক্ল সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী।

    বৈঠকে অংশ নেবে কারা (RSS)

    এই বৈঠকে সংঘের প্রেরণায় পরিচালিত মোট ৩২টি সংগঠন অংশ নেবে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির অখিল ভারতীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন সম্পাদক এবং নির্বাচিত পদাধিকারীরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই সংগঠনগুলি দেশের সামাজিক জীবনে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে। জনজীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে জনসচেতনতা গড়ে তোলা এবং ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনগুলি। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি নিজেদের কাজের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ ও মতামত পেশ করা হবে। সব সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতাকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হবে। জনকল্যাণ এবং নীতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতামত বিনিময় হওয়ার কথা রয়েছে।

    বৈঠকে আলোচ্যসূচি

    বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বৈঠকের আলোচনায় ঠাঁই পাবে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতা, নেশামুক্তি, যুবসমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ‘পঞ্চ পরিবর্তন’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে উন্নয়নের ধারণা (RSS)। বৈঠকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে, সমস্ত সহ-সরকার্যবাহ এবং অখিল ভারতীয় কার্যবিভাগের প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak)। বৈঠকে ভারতীয় মজদুর সংঘ, ভারতীয় কিষান সংঘ, ভারতীয় জনতা পার্টি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, সক্ষম এবং রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি-সহ ৩২টি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীরা অংশ নেবেন (RSS)।

     

  • 80th Independence Day: থিম ‘যুব শক্তি’! স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রথম গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    80th Independence Day: থিম ‘যুব শক্তি’! স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রথম গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে (80th Independence Day) লালকেল্লায় (Red Fort) এবার যুক্ত হতে চলেছে এক নতুন অধ্যায়। ইতিহাস তৈরি করে প্রথম বার জাতীয় মঞ্চে গাওয়া হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram in Red Fort)। আর ‘বিকশিত ভারত’ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিতেই স্বাধীনতা দিবসে এ বারের মূল ভাবনা ‘যুব শক্তি’। সোমবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন প্রতিরক্ষা সচিব আরকে সিং। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আবহে দু’টি ঘোষণাই যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    জাতীয় সঙ্গীতের আগে গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    প্রতি বছর ১৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর প্রথা অনুযায়ী কেবল জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ গাওয়া হত। তবে এ বছর থেকে সেই বিধিতে বদল আসছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মুখেই প্রথমে গাওয়া হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ এবং তার পরেই বাজানো হবে জাতীয় সঙ্গীত। ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই কালজয়ী দেশাত্মবোধক রচনার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতীয় গানের মর্যাদা পুনর্প্রতিষ্ঠায় কেন্দ্র নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। খবর অনুযায়ী, এ বারের স্বাধীনতা দিবসের প্রাতিষ্ঠানিক নিমন্ত্রণপত্রেও ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবককেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা

    চলতি বছরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দেশাত্মবোধক গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। ১৮৭৫ সালে লেখা এই গান প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে। ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এই গান গেয়েছিলেন। ব্রিটিশ-বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল ‘বন্দে মাতরম’-এর কথা ও ভাবনা। কংগ্রেস জমানায় জাতীয় গানের মর্যাদা বৃদ্ধির পক্ষে বার বার সওয়াল করে এসছিল বিজেপি। বস্তুত, চলতি বছরেই জাতীয় গান পরিবেশনের নিয়মবিধি স্থির করে কেন্দ্র। জানিয়ে দেয়, জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’র মতো এ বার থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশন করতে হবে জাতীয় গানও। সময়ও স্থির করে দেওয়া হয়। বিধি অনুযায়ী, ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবক ১৯০ সেকেন্ড (৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড)-এ পরিবেশন করতে হবে। কেন্দ্রের গত ফেব্রুয়ারির নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা উন্মোচন-সহ যে সব সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের রীতি রয়েছে— সেখানে জাতীয় সঙ্গীতের আগে জাতীয় গান পরিবেশন করা হবে। ‘বন্দে মাতরম’-এর অপমানকে শাস্তিযোগ্য করতে সম্প্রতি সংসদে বিল পাস করিয়েছে কেন্দ্র। এ বার লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার বিষয়টি বিবৃতি প্রকাশ করে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

    ভারতীয় বায়ুসেনার বিশেষ স্যালুট

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ফুলের মাধ্যমে ‘বন্দে মাতরম’-র আবহ প্রদর্শিত হবে। এনসিসির ক্যাডেট এবং এবং মাই ভারতের স্বেচ্ছাসেবকরা লালকেল্লার প্রাচীরের উল্টোদিকের জ্ঞানপীঠে ‘বন্দে মাতরম’ ফুটিয়ে তুলবে। সেইসঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’-র ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় বায়ুসেনার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার একটি ব্যানার বহন করবে এবং লালকেল্লায় সমবেত জনতার উপরে পুষ্পবৃষ্টি করবে।

    মূল ভাবনা যুব শক্তি!

    ২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দেশের তরুণ প্রজন্মের অবদান মনে করিয়ে দিতেই এ বারে যুবশক্তি থিম করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা সচিব। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছতে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরাই এই দেশকে গড়ে তুলবেন। ভবিষ্যতে তার সুফলও পাবেন।’ তবে এর সঙ্গে যন্তর মন্তরে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। আরকে সিংয়ের কথায়, ‘স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যুবসমাজের সাফল্য ও অবদানকে তুলে ধরার পরিকল্পনা অনেক আগেই করা হয়েছিল।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘যন্তর মন্তরে আন্দোলনের অনেক আগে।’ কেন্দ্র জানিয়েছে, এ বারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মূল বিষয় হবে ‘যুব শক্তি’। এর মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে দেশের তরুণদের অবদানের কথা তুলে ধরা হবে। ঘটনাচক্রে, সম্প্রতি প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে ছাত্র-যুবদের বিক্ষোভ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বার বার দেশের তরুণদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ অবস্থায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানেরও মূল বিষয় হিসেবে ‘যুব শক্তি’-কে তুলে ধরা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। লালকেল্লার অনুষ্ঠানে দেশ গঠনে ছাত্র-যুবদের গুরুত্ব বোঝাতে চাইছে কেন্দ্র।

    আমন্ত্রিতদের তালিকা

    স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় উদ্ভাবন কর্মসূচির আওতাধীন তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবক, প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ প্রকল্পের আওতাধীন ইন্টার্নরা, বিভিন্ন প্রকল্পের আওতাধীন স্টার্ট আপের প্রতিনিধিরা, প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনায় সেরা হওয়া প্রতিনিধি, স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া সিড ফান্ডের আওতাধীন সেরা স্টার্ট-আপের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে থাকবেন । সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা এবং গণিত অলিম্পিয়াডে এ বছরে পদকজয়ী ১৯ পড়ুয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে অনুষ্ঠানে। দিল্লির বিভিন্ন সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে লালকেল্লায়। প্রতিরক্ষাসচিব আরকে সিং জানিয়েছেন, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বস্তুত, বিরোধী দলনেতার পদ ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল। সে ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষাসচিব জানান, পদমর্যাদা অনুযায়ীই তাঁর বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের ঠিক পরেই তাঁর আসন থাকবে।

LinkedIn
Share