Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২টি রাজ্য এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের কাজ শেষ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। গত বছর বিহার থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া, যা বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছিল, এখন একটি বৃহৎ পরিসরের ভোটার তালিকা পরিশোধন অভিযানে পরিণত হয়েছে।

    ইলেকশন কমিশনের তথ্য (SIR)

    ইলেকশন কমিশন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট বা যাচাইযোগ্য নয় এমন ভোটারদের শনাক্ত করা হয়েছে। এই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫১ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪৫.৮ কোটির কাছাকাছি। যাচাইকরণের সময় ৭.২ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দাবি, আপত্তি এবং নতুন নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ভোটার যুক্ত হন, ফলে মোট ৫.২ কোটি বা প্রায় ১০ শতাংশ ভোটার কমে যায়।

    উত্তরপ্রদেশ
    জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের বৃহত্তম রাজ্য উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। এসআইআরের আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫.৪৪ কোটি, পরে কমে এটাই গিয়ে দাঁড়ায় ১৩.৩৯ কোটিতে। অর্থাৎ প্রায় ২.০৫ কোটি নাম বাদ পড়েছে। দাবি ও আপত্তির পর প্রায় ১৩.২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, বেড়েছে পড়ুয়ার সংখ্যাও।

    তামিলনাড়ু
    তামিলনাড়ুতে ভোটার সংখ্যা ৬.৪১ কোটি থেকে কমে ৫.৬৭ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বাদ গিয়েছে প্রায় ৯৭.৩৭ লাখ নাম।

    পশ্চিমবঙ্গ
    পশ্চিমবঙ্গে বাদ পড়েছেন প্রায় ৯০.৯৩ লাখ ভোটার। এ রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৭.৬৬ কোটি থেকে কমে ৬.৭৫ কোটিতে গিয়ে দাঁড়ায়। বিচার প্রক্রিয়ায় ৬০ লাখের বেশি মামলা খতিয়ে দেখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২৭ লাখের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করেন নির্বাচন কমিশনের। পরে চ্যালেঞ্জ করেন সুপ্রিম কোর্টে।

    গুজরাট
    গুজরাটে ভোটার সংখ্যা ৫.০৮ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪.৪০ কোটি।

    মধ্যপ্রদেশ

    মধ্যপ্রদেশে বেড়া দিতে গিয়ে এসআইআরে বাদ পড়েছে প্রায় ৩৪.২৫ লাখ ভোটারের নাম। মোট ভোটার সংখ্যা ৫.৭৪ কোটি থেকে কমে হয় ৫.৩৯ কোটি।

    মরু রাজ্যে বাদ পড়লেন কত

    রাজস্থান

    মরুরাজ্যে প্রায় ৩১.৩৬ লাখ ভোটার বাদ পড়েছেন। ছত্তিশগড়
    ২৪.৯৯ লাখ নাম বাদ পড়ায় ভোটার সংখ্যা ২.১২ কোটি থেকে কমে হয়েছে ১.৮৭ কোটি। কেরল
    ৮.৯৭ লাখ নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২.৭১ কোটি।

    ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ

    গোয়া
    ১.২৭ লাখ ভোটার কমে গিয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে
    ৫২,৩৬৪ ভোটার কমেছে। পুদুচেরিতে
    ভোটার সংখ্যা ১০.২১ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৯.৪৪ লাখ।

    লাক্ষাদ্বীপ
    মাত্র ২০৬ ভোটার কমে মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৫৭,৬০৭। প্রসঙ্গত, এই আপডেট করা ভোটার তালিকার উদ্দেশ্যই হল ভুয়ো ভোটার কমানো এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা।

     

  • West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে দুটি বিষয় উঠে এল সুপ্রিম কোর্টে। ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের প্রসঙ্গ (West Bengal SIR) এবং মালদাকাণ্ড। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রাজ্যে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    প্রধান বিচারপতির বক্তব্য (West Bengal SIR)

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে পারি না, যাতে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারপতিদের ওপর আরও বাড়তি চাপ পড়ে। আমাদের সামনে আর একটি আবেদনও রয়েছে, যেখানে আপিল প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি তোলা হয়েছে।” এদিনের শুনানিতে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন সাংসদ তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ১৬ লাখ আবেদন করা হয়েছে। তাঁদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য আবেদন জানান তিনি। কল্যাণের সওয়াল প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত বলে, “সেই প্রশ্নই ওঠে না। যদি আমরা এটা অনুমতি দিই, তা হলে যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকারও স্থগিত করতে হবে।”

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দিতে হবে। প্রধান বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া বিচারকদের নিরাপত্তা কোনওভাবেই প্রত্যাহার করা যাবে না। প্রধান বিচারপতি বলেন, “কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, মোট ৬০ লাখ ৪ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এখনও প্রায় ২,০০০ মুলতবি রয়েছে।” মালদার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন আমরা জানতে চাই, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র ছিল কি না। আমরা চাই না, বিষয়টি শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকুক।”

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শ

    এদিকে, মালদাকাণ্ডে তদন্তের অন্তর্বতী রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। তদন্তের কত দূর অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়েও রিপোর্ট জমা দিয়েছে তারা। এজলাসে এনআইএ জানায়, মালদহকাণ্ডে মূল চক্রান্তকারীকে রবিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে (West Bengal SIR)। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মূল মামলা শুরুর আগে এক আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, ট্রাইবুনালে আবেদন শোনা হচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমায় জানিয়েছেন আজ সকাল থেকে ট্রাইবুনালে শুনানি শুরু হয়েছে। ট্রাইবুনালকে এ ভাবে ব্ল্যাকমেল করা যাবে না। আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নেব না, যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ট্রাইবুনালই নেবে।” মামলাকারীকে ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শও দেয় শীর্ষ আদালত।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী

    এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বলেন, “এক্ষেত্রে কোনও দায় ঠেলাঠেলি চলবে না। দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে পড়ে ভুগতে হচ্ছে ভোটারদের।” কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতি বাগচী বলেন, “কেউ যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই দেশে ভোট দেওয়ার অধিকার শুধু সাংবিধানিকই নয়, এটি আবেগের বিষয়ও বটে (West Bengal SIR)।” তথ্যগত অসঙ্গতির মতো একটি বিষয় যে শুধু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই রয়েছে, অন্য কোনও রাজ্যে নেই, সে বিষয়ের উপরেও আলোকপাত করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি বলেন, “যত ক্ষণ না বিপুল সংখ্যক ভোটার বাদ পড়ছেন বা ভোটের ফলের ওপর তার বাস্তবিক কোনও প্রভাব পড়ছে, ততক্ষণ নির্বাচন বাতিল করা সম্ভব নয়।” বিচারপতি বাগচী বলেন, “এসআইআরের বিচারকাজে নিয়োজিত আধিকারিকদের ওপর অত্যধিক চাপ রয়েছে। তাই তাঁদের কাছ থেকে ১০০ শতাংশ নির্ভুলতা আশা করা যায় না। প্রতিদিন ১০০০টিরও বেশি নথি যাচাই করতে হলে ৭০ শতাংশ নির্ভুলতাকেও ‘চমৎকার’ বলা যেতে পারে।”

     

  • Asha Bhosle Funeral: চোখের জলে বিদায়,আবেগে ভাসল দেশ! রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য

    Asha Bhosle Funeral: চোখের জলে বিদায়,আবেগে ভাসল দেশ! রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের জলে বিদায় সুরের সম্রাজ্ঞীকে। শিবাজী পার্ক শ্মশানে সম্পন্ন হল আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য। ত্রিবর্ণ পতাকায় মোড়া দেহ, শেষ শ্রদ্ধায় ভিড় উপচে পড়ল মুম্বইয়ের রাজপথে। কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলেকে (Asha Bhosle Died) বিদায় জানাতে আবেগে ভাসল দেশ। উপস্থিত সচিন থেকে আমির খান। চোখে জল সকলের!

    শোকের আবহ

    মুম্বইয়ের লোয়ার পারেলে শোকের আবহ। সোমবার শেষযাত্রার আগে আশা ভোসলেকে তাঁর বাসভবনেই শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পরিজন ও অনুরাগীরা। কাসা গ্র্যান্ডে শিল্পীর বাড়িতে সোমবার পৌঁছে যান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস। সেখানেই প্রয়াত শিল্পীকে শেষশ্রদ্ধা জানান তিনি। আশার শায়িত দেহে দেশের জাতীয় পতাকা জড়িয়ে দেওয়া হয় এই দিন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মান জানানো হয় তাঁকে। বলিউডের বহু তারকা এসে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। আশার পরিবারের সকলেও সোমবার শ্রদ্ধা জানাতে আসেন। তারকাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রিতেশ দেশমুখ, তব্বু। সপরিবার শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন সচিন তেন্ডুলকরও। গোটা পরিবেশ এদিন ছিল গম্ভীর ও স্তব্ধ। নীরবতা, প্রার্থনা আর আবেগে ভরা এক আবহে চলে শেষ শ্রদ্ধা জানানো। বিকেল ৪টের সময়ে শিবাজী পার্কে আশার শেষকৃত্য (Asha Bhosle Funeral) সম্পন্ন হয়। শনিবার আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন আশা ভোসলে। খবর ছড়াতেই উদ্বেগ ছড়ায় অনুরাগীদের মধ্যে। সকলে প্রার্থনা শুরু করেছিলেন।তবে শেষরক্ষা হয়নি। রবিবার প্রয়াত হন আশা ভোসলে।

    সব ধরনের গানেই সমান সাবলীল

    ভারতীয় সংগীতে আশা ভোঁসলের অবদান অনস্বীকার্য। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত থেকে গজল, ক্যাবারে থেকে আধুনিক—সব ধরনের গানেই সমান সাবলীল ছিলেন তিনি। গানের সংখ্যা এবং বৈচিত্র—দুই ক্ষেত্রেই ছিলেন অনন্য। একদিকে যেমন ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দম মারো দম’, ‘ইয়ে মেরা দিল’–এর মতো ক্যাবারে ও ওয়েস্টার্ন ধারার গান। অন্য দিকে আবার ‘ইন আঁখোঁ কি মস্তি’, ‘মেরা কুছ সামান’, ‘দিল চিজ় ক্যা হ্যায়’–এর মতো গজল ও আধুনিক সুরে তিনি শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন। তাঁর নাম রয়েছে সর্বাধিক স্টুডিও রেকর্ডিংয়ের বিশ্বরেকর্ডে। দিদি লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে মিলেই হিন্দি চলচ্চিত্র সংগীতের সোনালি যুগ গড়ে তুলেছিলেন তিনি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে বদলে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা তাঁকে সকলের থেকে আলাদা করেছে বরাবর। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন, ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। এ ছাড়া, ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। গোটা কেরিয়ারের শুরুটা হয়েছিল শৈশবে, বাবার মৃত্যুর পর। তারপর দীর্ঘ পথচলায় একের পর এক সাফল্য, স্মরণীয় গান আর অগণিত অনুরাগী—সব মিলিয়ে গড়ে ওঠে এক অমলিন উত্তরাধিকার। তাঁর প্রয়াণে সেই অধ্যায়েরই অবসান কিন্তু রয়ে গেল তাঁর গান, যা বেঁচে থাকবে চিরকাল।

  • CM Vijayan: কান্নুরে দলিত ছাত্র জিতিন রাজের মৃত্যু, জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ পরিবারের; মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন!

    CM Vijayan: কান্নুরে দলিত ছাত্র জিতিন রাজের মৃত্যু, জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ পরিবারের; মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের (Kerala) কান্নুর জেলায় এক ডেন্টাল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র জিতিন রাজের মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই মৃত্যুর পিছনে জাতিগত বৈষম্য, গায়ের রঙ নিয়ে অপমান এবং শিক্ষকদের দ্বারা মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনেছে ছাত্রের পরিবার। তবে এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (CM Vijayan) এবং একাধিক প্রভাবশালী দলিত সংগঠনের ‘নীরবতা’ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম রাজ্যে এই ভাবে দলিত ছাত্রের নির্যাতনের বিরুদ্ধে চরম সমালোচনার ঝড় উঠেছে বামপন্থীদের বিরুদ্ধে।

    ঘটনা কি ঘটেছিল তার প্রেক্ষাপট (CM Vijayan)?

    তিরুবনন্তপুরমের (Kerala) বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী জিতিন রাজ কান্নুরের আঞ্জরাকান্দি ডেন্টাল কলেজের বিডিএস (BDS) ছাত্র ছিলেন। গত ১০ এপ্রিল কলেজের একটি ভবন থেকে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে একে আত্মহত্যা বলে সন্দেহ করলেও, ছাত্রের পরিবারের দাবি, এটি স্রেফ আত্মহত্যা নয়, বরং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের ফল। অথচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (CM Vijayan) চুপ করে বসে আছেন।

    পরিবারের গুরুতর অভিযোগ

    জিতিনের (Kerala) পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, কলেজের কিছু শিক্ষক তাঁকে ধারাবাহিকভাবে মানসিক হেনস্তা করতেন। পরিবারের অভিযোগ কয়েকটি ধাপে ধাপে ডাক্তার পড়ুয়াকে নিগ্রহ করা হয়।

    জাতিবিদ্বেষ ও গায়ের রঙ

    জিতিন দলিত পরিবারের সন্তান হওয়ায় এবং তাঁর গায়ের রঙ নিয়ে শিক্ষকরা ক্লাসে প্রকাশ্যে ব্যঙ্গ করতেন। এমনকি তার শারীরিক গঠন নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করা হতো। অভিযোগ উঠেছে যে, জনৈক বিভাগীয় প্রধান (HOD) তাকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার এবং নম্বর কমিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন।

    ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    মৃত্যুর আগে রেকর্ড করা একটি অডিও ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ওই ছাত্রকে তাঁর ওপর হওয়া অবিচার এবং শিক্ষকদের অপমানের কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। অডিওতে জিতিন দাবি করেছেন যে, তাকে ক্লাসে সবার সামনে অপমান করা হতো এবং তাঁর মায়ের নামেও কুরুচিকর মন্তব্য করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় দুই শিক্ষককে কলেজ কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে। তবে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে কেরালা সরকারের ভূমিকা নিয়ে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের নীরবতা এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ না নেওয়া নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। দলিত অধিকার রক্ষায় সোচ্চার সংগঠনগুলোর একটি বড় অংশ এই ইস্যুতে কেন শান্ত রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ এবং ওই অডিও ক্লিপটির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত এবং দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক মহলে এই ঘটনা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতিগত বৈষম্যের এক কালো দিক উন্মোচিত করেছে। সম্পূর্ণ মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন (CM Vijayan) সম্পূর্ণ ভাবে নিষ্ক্রিয়।

  • Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    Yogi: শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে নকশালবাদ পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চলতে না তো! উদ্বেগে যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডা ফেজ-২-এ শ্রমিকদের যে বিক্ষোভ চলছে, তাতে নকশালবাদ (Naxal Conspiracy) পুনরুজ্জীবিত করার একটি বড় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ। নূন্যতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত চারদিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন শ্রমিকরা। এই অস্থিরতার আবহেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী শক্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি (Yogi)

    লখনউতে রবিবার রাতে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জারি করা বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ বলেন, “শ্রমিক কল্যাণ সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিছু শক্তি শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করতে পারে।” তিনি বলেন, “দেশে নকশালবাদ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে একে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে।” চলতে থাকা বিক্ষোভের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে, গৌতম বুদ্ধ নগর, গাজিয়াবাদ, কানপুর, মীরাট, ফিরোজাবাদ, মোরাদাবাদ, বারাণসী এবং গোরখপুর-সহ শিল্পাঞ্চলগুলিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে (Yogi)। মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন, শিল্পোন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা করতে বলেছেন। তিনি বলেন, “প্রকৃত শ্রমিক সমস্যাগুলির সময়মতো এবং স্বচ্ছ পদ্ধতিতে সমাধান করা উচিত।”

    হিংসাত্মক বিক্ষোভ

    প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে নয়ডার বিভিন্ন শিল্প ইউনিটের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁরা বেতন বৃদ্ধির দাবি জানান। দেন এ সংক্রান্ত স্লোগানও। খানিকক্ষণের মধ্যেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, পাথর ছোড়ে, একটি গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেয়। জানা গিয়েছে, হরিয়ানা সরকার ন্যূনতম মজুরি ১৪,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯,০০০ করেছে। উত্তরপ্রদেশে এর পরিমাণ ১৩,০০০ টাকা থাকায় ফেজ-২ এলাকায় বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, গৌতম বুদ্ধ নগর কমিশনারেটের অধীনে শিল্প এলাকাগুলিতে যথেষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
    প্রশাসন জনগণকে গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছে এবং জানিয়েছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
    মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে নির্দেশ দেন, শ্রমিক প্রতিনিধিত্বের আড়ালে যারা অশান্তি (Naxal Conspiracy) ছড়ানোর চেষ্টা করছে তাদের চিহ্নিত করতে এবং শিল্পাঞ্চলে নজরদারি (Yogi) বাড়াতে।

     

  • PM Modi: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।” সোমবার এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ‘নারী শক্তি বন্দন সম্মেলনে’ ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি প্রস্তাবিত নারী সংরক্ষণ আইনকে ‘নারী শক্তি’র উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল বিজ্ঞান ভবনে।

    নারী শক্তি’র উদ্দেশ্যে নিবেদিত (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের উন্নয়নের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত (Womens Reservation Bill2) নিতে চলেছে। আমি অত্যন্ত দায়িত্বের সঙ্গে বলছি, এটি আমাদের সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত ‘নারী শক্তি’র উদ্দেশ্যে নিবেদিত।” তিনি জানান, এই পদক্ষেপ অতীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে শাসনব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি স্বাভাবিক অংশ করে তুলবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সিদ্ধান্ত নারী শক্তির উদ্দেশে নিবেদিত। আমাদের দেশের সংসদ একটি নতুন ইতিহাস রচনা করতে চলেছে—যা অতীতের ভাবনাকে বাস্তবায়িত করবে এবং ভবিষ্যতের সংকল্প পূরণ করবে। এটি এমন এক ভারতের সংকল্প, যেখানে সমতা থাকবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার শুধু স্লোগান নয়, বরং কাজের সংস্কৃতি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাভাবিক অংশ হবে।”

    দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান

    তিনি এও বলেন, “দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সময় এসেছে—রাজ্য বিধানসভা থেকে সংসদ পর্যন্ত। ১৬, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং এটি নারীর ক্ষমতায়নের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক কাঠামোয় নারীদের সংরক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কয়েক দশক ধরেই অনুভূত হয়েছে (Womens Reservation Bill2)। প্রায় ৪০ বছর ধরে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রজন্ম এই ধারণাকে এগিয়ে নিয়ে এসেছে (PM Modi)।”

    নারী ক্ষমতায়ন আইন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৯ সালের মধ্যে নারী ক্ষমতায়ন আইন বাস্তবায়নের সর্বসম্মত দাবি রয়েছে। ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে। আমাদের লক্ষ্য হল পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই কাজ সম্পন্ন করা। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংসদের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের প্রতিটি নারী খুশি হবেন যে সব দল রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে তাঁদের স্বার্থে কাজ করেছে (Womens Reservation Bill2)।” এই উপলক্ষে একটি জাতীয় স্তরের ‘নারী শক্তি বন্দন সম্মেলন’ আয়োজন করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের নারী শক্তি বন্দন আইন কার্যকর করার সমর্থনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে (PM Modi)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত এবং অন্নপূর্ণা দেবীও।

     

  • Chhattisgarh: এনকাউন্টারে খতম শীর্ষ মহিলা মাওবাদী নেত্রী রুপি, অন্যদের হুঁশিয়ারি ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’

    Chhattisgarh: এনকাউন্টারে খতম শীর্ষ মহিলা মাওবাদী নেত্রী রুপি, অন্যদের হুঁশিয়ারি ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে খতম হয়েছে শীর্ষস্থানীয় মাওবাদী কমান্ডার রুপি (Maoist Commander Rupi)। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাঙ্কের জেলায় ঘন জঙ্গলে আত্মগোপন করে ছিল। এই সাফল্যের পর মাওবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অন্যদের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে—”হয় আত্মসমর্পণ করো, নয়তো কঠোর পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকো।”

    কীভাবে খতম?

    পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দুর্গম বনভূমি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। জওয়ানদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাওবাদীরা অতর্কিতে গুলি চালাতে শুরু করে। পালটা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনীও। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলা এই এনকাউন্টারে শেষ পর্যন্ত রুপি নামের ওই মহিলা কমান্ডার নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্র ও মাওবাদী নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

    কে এই রুপি (Chhattisgarh)?

    নিহত মাওবাদী নেত্রী রুপি দীর্ঘ দিন ধরে উত্তর (Chhattisgarh)  এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তার মাথার ওপর কয়েক লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। একাধিক হিংসাত্মক ঘটনা, পুলিশের ওপর হামলা এবং নাশকতামূলক কাজে সে সরাসরি জড়িত ছিল বলে দাবি নিরাপত্তা বাহিনীর।

    সরকারের হুঁশিয়ারি

    অভিযান শেষে গডচিরোলির পুলিশ সুপার (Chhattisgarh)  বলেন, “রুপি (Maoist Commander Rupi) খতম হওয়ার ফলে এই অঞ্চলে মাওবাদী সংগঠনের নেটওয়ার্ক বড়সড় ধাক্কা খেল। যারা এখনো বিপথে রয়েছে, তাদের আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— সময় ফুরিয়ে আসছে। আত্মসমর্পণ করে মূলস্রোতে ফিরে আসার সুযোগ এখনো আছে। তা না হলে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান আরও তীব্র হবে।”

    বর্তমানে ওই এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং পলাতক অন্য মাওবাদীদের সন্ধানে সংলগ্ন জঙ্গলগুলিতে চিরুনি তল্লাশি চলছে।

    খুব কম সংখ্যক মাওবাদীই সক্রিয়

    বস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পাত্তিলিঙ্গম এই সংঘর্ষকে মাওবাদী নেটওয়ার্কগুলোর ওপর ধারাবাহিক চাপের ফল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “সরকার মাওবাদী ক্যাডারদের আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জীবন গড়ার সুযোগ ধারাবাহিকভাবে দিয়ে আসছে। অনেকেই সেই পথ বেছে নিয়েছে। কিন্তু যারা সহিংসতার পথেই চলেছে, তাদের পরিণতিও একই হচ্ছে।” সেইসঙ্গে তিনি অবশিষ্ট ক্যাডারদের সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে এখন খুব কম সংখ্যক মাওবাদীই (Maoist Commander Rupi) সক্রিয় আছে। সময় ফুরিয়ে আসছে। শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জন্য তাদের অবশ্যই আত্মসমর্পণ করে মূলধারায় ফিরে আসতে হবে।”

  • SIR: রাজ্যের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনছে এসআইআর, ২ কোটি অবৈধ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ উত্তরপ্রদেশে

    SIR: রাজ্যের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনছে এসআইআর, ২ কোটি অবৈধ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ভোটার ডাটাবেস পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনা উত্তর প্রদেশের মতো বড় রাজ্যে অত্যন্ত বড় ঘটনা। ভারতের নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ কেবল ভোটার তালিকা ‘আপডেট’ করেনি, বরং রাজ্যের অনেক নির্বাচনী এলাকার সমীকরণ বদলে দিয়েছে, বিশেষ করে লখনউ, কানপুর, বারাণসী এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মতো শহর ও গ্রাম মিশ্রিত জেলাগুলোতে। উল্লেখযোগ্যভাবে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকারের প্রশাসনিক সহায়তায় এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে।

    উত্তরপ্রদেশের তথ্যের তুলনা এসআইআর-এর আগে ও পরে (SIR)

    প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তার দেওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় এখন ভোটার (SIR) সংখ্যা প্রায় ১৩.৩৯ কোটি। অক্টোবর ২০২৫-এ সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে এই সংখ্যা ছিল ১৫.৪৪ কোটি। অর্থাৎ, ভেরিফিকেশনের পর প্রায় ২.০৪ কোটি (প্রায় ১৩ শতাংশ মৃত) স্থানান্তরিত বা ভুয়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    • সংশোধনের আগের ভোটার সংখ্যা: ১৫.৪৪ কোটি
    • সংশোধনের পর ভোটার সংখ্যা: ১৩.৩৯ কোটি
    • মোট হ্রাস: ২.০৪ কোটি (প্রায় ১৩ শতাংশ)

    সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ২.৯১ কোটি এন্ট্রি সমস্যাযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল:

    • ১.২৭ কোটি মানুষ যারা বাসস্থান পরিবর্তন করেছেন।
    • ৮৪.৭ লক্ষ মানুষ যারা অনুপস্থিত ছিলেন।
    • ৪৬ লক্ষ মৃত ব্যক্তি।
    • ২৩.৭ লক্ষ ডুপ্লিকেট (একই নাম দুবার থাকা) নাম।

    রাজনৈতিক প্রভাব ও গুরুত্ব

    ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন (SIR) একটি বিশেষ নির্বাচনী প্রক্রিয়া। এই কাজের ফলে রাজনৈতিক ভাবে ব্যাপক পরিমাণে সমীকরণ বদলে যাচ্ছে। যার মধ্যে হল—

    স্বচ্ছ নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হলো ভোটার তালিকা সঠিক করা, যাতে ২০২৭ সালের আসন্ন নির্বাচন আরও স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

    শহরাঞ্চলে প্রভাব

    লখনউ উত্তর, লখনউ পূর্ব এবং সরোজিনী নগরের মতো শহুরে আসনগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভোটার বাদ পড়েছে। লখনউ উত্তরে সর্বোচ্চ ১.৫৪ লক্ষ নাম কাটা গেছে।

    মিরাট, সাহারানপুর এবং বারেরির মতো জেলাগুলোতেও অভিবাসী শ্রমিকের যাতায়াতের কারণে অনেক ভুয়া ভোটার ছিল, যা এখন পরিষ্কার করা হয়েছে। আগ্রায় প্রায় ৬.৩ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক সমীকরণ

    বিরোধী দলগুলো এই বিপুল পরিমাণ নাম বাদ দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তবে সরকারের দাবি, এটি একটি প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং প্রতিটি নাগরিককে তাদের তথ্য সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    ২ কোটিরও বেশি সন্দেহজনক নাম বাদ দেওয়ার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ শাসনব্যবস্থা এবং গণতন্ত্রের একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে দলগুলোকে এখন পুরনো তথ্যের ওপর নির্ভর না করে বুথ স্তরে প্রকৃত ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে হবে। এটি দীর্ঘমেয়াদে ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে। তবে এই কাজের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath)  প্রশাসনিক দক্ষতাকেই অভিনন্দন জ্ঞাপন করছেন ওয়াকিবহাল মহলের লোক।

  • TCS: শেষমেশ মুখ খুলল টিসিএস, ‘দুর্বল বিবৃতি’তে যা জানালেন কর্তৃপক্ষ

    TCS: শেষমেশ মুখ খুলল টিসিএস, ‘দুর্বল বিবৃতি’তে যা জানালেন কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিন আগে প্রকাশ্যে এসেছিল টিসিএসে (TCS) মুসলমান কর্মীরা হিন্দু মহিলা সহকর্মীদের যৌন হয়রান করেছে। অভিযোগ, তারা জোর করে ইসলাম ধর্মে (Religious Conversion Case) ধর্মান্তরিত করার চেষ্টাও করেছিল। এ ব্যাপারে এই তিনদিন মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন কোম্পানির কর্তাব্যক্তিরা। ঘটনার তিনদিন পর, কোম্পানি শেষমেশ একটি দুর্বল বিবৃতি দিয়েছে, যা মূলত পিআর-সংক্রান্ত শব্দে ভরা।

    ‘জেহাদি নেক্সাস’ (TCS)

    বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষের তরফে অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে হিন্দু সহকর্মীদের লক্ষ্য করে তথাকথিত ‘জেহাদি নেক্সাসে’র  কোনও উল্লেখ না করে, টিসিএস জানিয়েছে, “যে কোনও ধরনের হয়রানি ও জোরজবরদস্তির বিরুদ্ধে টিসিএসের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। আমরা সবসময় কর্মক্ষেত্রে আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখেছি।” নিজেদের দায়মুক্ত করতে এবং বিতর্ক এড়ানোর চেষ্টা করে সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত মুসলিম কর্মীদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। টিসিএস জানিয়েছে, “নাসিকের ঘটনাটি সম্পর্কে জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত কর্মীদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমরা স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করছি। তদন্তের ফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

    যৌন হয়রানি ও ধর্মান্তর চক্র

    প্রসঙ্গত, নাসিকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের একটি বিপিও ইউনিটে গত ৪ বছর ধরে একটি বড় যৌন হয়রানি ও ধর্মান্তর চক্র চলছিল। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জন মুসলিম কর্মী, যারা টিম লিডার হিসেবে কাজ করত, (আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং দানিশ শেখ) তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে (TCS)। অভিযোগ, ওই সংস্থায় হিন্দু মহিলাদের জোর করে গরুর মাংস খাওয়ানো হত, বাধ্য করা হত নমাজ আদায় করতে। ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত (Religious Conversion Case) করার জোরদার চেষ্টাও চলত। আরও জানা গিয়েছে, সংস্থার এইচআর ম্যানেজার (যিনি ধর্মে মুসলিম) ভুক্তভোগীদের ‘শান্ত থাকার’ পরামর্শ দেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি তাঁদের এও বোঝানোর চেষ্টা করেন যে বহুজাতিক কোম্পানিতে এটি খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার (TCS)।

     

  • Karnataka Congress: কর্নাটকে কংগ্রেসে অসন্তোষ তুঙ্গে, ৩০-র বেশি বিধায়কের দিল্লি অভিযান

    Karnataka Congress: কর্নাটকে কংগ্রেসে অসন্তোষ তুঙ্গে, ৩০-র বেশি বিধায়কের দিল্লি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের (Karnataka Congress) অন্দরে ক্রমশই বাড়ছে অসন্তোষ। মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার দাবিতে ৩০ জনেরও বেশি কংগ্রেস বিধায়ক রবিবার দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তাঁরা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, দিল্লিতে গিয়ে বিধায়করা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে.সি. ভেনুগোপাল, কর্নাটক দায়িত্বপ্রাপ্ত রণদীপ সুরজওয়ালা এবং রাহুল গান্ধীর-র সঙ্গে বৈঠক করবেন। সোম ও মঙ্গল এই দু’দিনের মধ্যেই বৈঠকগুলি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কী নিয়ে বিক্ষোভ কর্নাটক কংগ্রেসে

    বিধায়কদের মূল দাবি, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া যেন দ্রুত মন্ত্রিসভায় রদবদল করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ না পাওয়া সিনিয়র নেতাদের মন্ত্রীত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস বিধায়ক বেলুর গোপালকৃষ্ণ বলেন, “অনেক নেতাকে তিন, চার, এমনকি পাঁচবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই যারা এখনও সুযোগ পাননি, তাঁদেরও এবার সুযোগ দেওয়া হোক।” অন্যদিকে, বিধায়ক অশোক পট্টন জানান, “আমাদের একটাই দাবি—যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মন্ত্রিসভা রদবদল করে আমাদের মতো সিনিয়র সদস্যদের সুযোগ দিতে হবে।” উল্লেখ্য, কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের প্রায় তিন বছর পূর্ণ হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই মন্ত্রী কে.এন. রাজন্না এবং বি. নাগেন্দ্রের পদত্যাগের ফলে দুটি মন্ত্রিসভার আসন খালি রয়েছে। বিধায়কদের অভিযোগ, বহু বর্তমান মন্ত্রী একাধিকবার দায়িত্ব পেয়েছেন, ফলে অন্যদের জন্য সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

    ২৫টি মন্ত্রিত্বে পরিবর্তনের দাবি

    সূত্রের খবর, প্রায় ২৫টি মন্ত্রিত্বে পরিবর্তনের দাবি উঠতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য কংগ্রেসে (Karnataka Congress) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের শিবিরের মধ্যে মতভেদের ইঙ্গিত মিলছে। যেখানে সিদ্দারামাইয়ার অনুগামীরা রদবদলের পক্ষে, সেখানে শিবকুমার এই প্রস্তাবে অনীহা দেখাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। এখন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

LinkedIn
Share