Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Jantar Mantar Protest: জন্তর-মন্তর বিক্ষোভে পাক-যোগ! পুলিশের নজরে ৪০০-র বেশি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট

    Jantar Mantar Protest: জন্তর-মন্তর বিক্ষোভে পাক-যোগ! পুলিশের নজরে ৪০০-র বেশি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুলাই মাসে দিল্লির জন্তর-মন্তরে অনুষ্ঠিত ছাত্র বিক্ষোভকে (Jantar Mantar Protest) ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে পরিকল্পিত ডিজিটাল প্রচার চালানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তে শুধু সোশাল মিডিয়ার কার্যকলাপই নয়, আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশি যোগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, প্রায় ১৮০টি ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউব চ্যানেল, তিনটি বেসরকারি ডিজিটাল মার্কেটিং সংস্থা এবং পাকিস্তান-যোগের অভিযোগ থাকা ৪০০-র বেশি সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল পুলিশের নজরে রয়েছে। পুলিশের সন্দেহ, জন্তর-মন্তরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সমন্বিতভাবে নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্ট ছড়িয়ে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা হয়েছিল, যাতে ঘটনাটি বাস্তবের তুলনায় অনেক বড় জাতীয় সংকট হিসেবে প্রতীয়মান হয়।

    কী খতিয়ে দেখছে পুলিশ?

    তদন্তকারীরা ১৯ ও ২০ জুলাই জন্তর-মন্তরে হওয়া বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে অনলাইনে একই ধরনের বার্তা কীভাবে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল, তা বিশ্লেষণ করছেন। পুলিশের দাবি, বিদেশে পরিচালিত কিছু সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট অতীতেও ‘অপারেশন সিঁদুর’-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময় সক্রিয় ছিল। সেই একই ধরনের অ্যাকাউন্ট জন্তর-মন্তর বিক্ষোভের সময়ও সক্রিয় হয়ে ওঠায় বিদেশি প্রভাব বা দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত প্রচারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। দিল্লি পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও ইনফ্লুয়েন্সার, সংস্থা বা সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের নাম প্রকাশ করেনি। তদন্তকারীদের বক্তব্য, আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত এগুলি কেবল তদন্তের অংশমাত্র।

    আর্থিক লেনদেনও তদন্তের আওতায়

    ডিজিটাল প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থাগুলি কোনও গোপন আর্থিক সুবিধা পেয়েছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা বিশেষভাবে নজর দিচ্ছেন— পিয়ার-টু-পিয়ার ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, অ্যাফিলিয়েট বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অর্থপ্রাপ্তি, তৃতীয় পক্ষের মার্কেটিং কনসালটেন্সি চুক্তি এবং এমন অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি, যেগুলির প্রচলিত ব্যাংকিং নথি থাকে না।

    সোশাল মিডিয়া অ্যালগরিদমের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    তদন্তে উঠে এসেছে, বিভ্রান্তিকর দাবি, সম্পাদিত ভিডিও, ডিপফেক বা অতিরঞ্জিত তথ্য প্রথমে অল্প কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে লাইক, শেয়ার, কমেন্ট ও ভিউ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম সেই কনটেন্টকে আরও বৃহৎ পরিসরে পৌঁছে দেয়। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, জন্তর-মন্তরের বিক্ষোভের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রক্রিয়া কাজ করেছিল কি না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে একই ধরনের বার্তার একাধিক সংস্করণ তৈরি করে ইনস্টাগ্রাম, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউব-সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অল্প সময়ের ব্যবধানে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দিচ্ছে তদন্তকারীরা।

    তদন্তের মূল লক্ষ্য

    দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, তদন্তের উদ্দেশ্য শুধু ভুয়ো তথ্য শনাক্ত করা নয়। বরং জন্তর-মন্তরের তুলনামূলকভাবে সীমিত পরিসরের বিক্ষোভকে পরিকল্পিতভাবে বৃহত্তর অনলাইন আন্দোলনে রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল কি না এবং তার মাধ্যমে জনমনে উদ্বেগ, বিভ্রান্তি ও সামাজিক উত্তেজনা সৃষ্টি করা হয়েছিল কি না, সেটাই এখন তদন্তের মূল বিষয়। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি এবং কোনও চার্জশিটও দাখিল হয়নি। ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ, আর্থিক নথি এবং সোশাল মিডিয়ার কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করে দেশীয় বা বিদেশি কোনও সংগঠিত চক্র জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ।

  • Netanyahu: ইরান সংঘাতের আবহে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন নেতানিয়াহু, মোদিকে বললেন ‘অন্যতম সেরা বন্ধু’

    Netanyahu: ইরান সংঘাতের আবহে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন নেতানিয়াহু, মোদিকে বললেন ‘অন্যতম সেরা বন্ধু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে চলা ইরান সংঘাত এবং দ্রুত বদলে যাওয়া ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যেই ভারতের (India) সঙ্গে সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বার্তা দিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Netanyahu)। সোমবার ইজরায়েলের বিদেশনীতি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইজরায়েল বিপুল গুরুত্ব দিচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তিনি নিজের “অন্যতম সেরা বন্ধু” বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ইজরায়েলের প্রতি ভারতের যে সমর্থন, তারও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য এমন একটা সময়ে সামনে এল, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং তার প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ইজরায়েল একদিকে যেমন নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ তৈরি করার চেষ্টা করছে, তেমনই পুরানো ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার দিকে জোর দিচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা স্পষ্ট করলেন ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

    ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখছে ইজরায়েল (Netanyahu)

    ইজরায়েলের বিদেশনীতি প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা ইজরায়েলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। তাঁর কথায়, “আমাদের আরও অতিরিক্ত জোট গড়ে তুলতে হবে।” এর পরেই ভারতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “এই কারণেই আমি ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিপুল বিনিয়োগ করছি। আমার বন্ধু নরেন্দ্রর সঙ্গে এই সম্পর্ককে আমি অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি। তিনি আমাদের অন্যতম সেরা বন্ধু।” ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে নেতানিয়াহু আরও বলেন, “লোকে বলে ইজরায়েল বিচ্ছিন্ন। কিন্তু ভারতে ইজরায়েল এবং ব্যক্তিগতভাবে আমি যে সমর্থন পাই, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।” নেতানিয়াহুর বক্তব্যে স্পষ্ট, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইজরায়েলের কূটনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে ভারতকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের মতো একটি প্রভাবশালী দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখা ইজরায়েলের কাছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    বহু ক্ষেত্রে বাড়ছে ভারত-ইজরায়েল সহযোগিতা

    গত কয়েক বছরে ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ক একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং বৃহত্তর কৌশলগত সহযোগিতা—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জমানায় এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। নেতানিয়াহুও দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন কৌশলগত ক্ষেত্রে সহযোগিতার পরিধিও ক্রমশ বিস্তৃত হয়েছে। ২০১৮ সালে নেতানিয়াহুর ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। সেই সফরের সময় ভারত ও ইজরায়েল মোট ন’টি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। সেই সময় দুই দেশ তাদের পারস্পরিক সম্পর্ককে “বিশেষ” অংশীদারত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছিল (Netanyahu)। ওই সফরের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের পাশাপাশি আরও একাধিক ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর পথ প্রশস্ত হয়। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের পরিধিও বেড়েছে।

    ২০২৬ সালে নতুন মাত্রা পেল সম্পর্ক

    ২০২৬ সালেও ভারত ও ইজরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং নেতানিয়াহু দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উন্নীত করে “শান্তি, উদ্ভাবন ও সমৃদ্ধির জন্য ভারত-ইজরায়েল বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব” হিসেবে তুলে ধরেছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন। সেই সফরও দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়। সফরের সময় বিভিন্ন কৌশলগত ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। নতুন পর্যায়ের এই অংশীদারিত্বের আওতায় এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, শ্রমশক্তির চলাচল, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো একাধিক ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক এখন আর শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অর্থনীতি, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ এবং উদ্ভাবনের মতো ক্ষেত্রেও দুই দেশ পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াচ্ছে।

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা থেকে প্রযুক্তি—বিস্তৃত হচ্ছে পরিধি

    ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্কের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সরঞ্জাম এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরস্পরের সঙ্গে কাজ করছে। সময়ের সঙ্গে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হয়েছে (India)। প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ বেড়েছে। এআই, উদ্ভাবন এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির মতো নতুন ক্ষেত্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বহুমাত্রিক করে তুলছে (Netanyahu)। গুরুত্বপূর্ণ খনিজের ক্ষেত্রেও সহযোগিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত ও শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। ফলে এই ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েলের সহযোগিতা ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বাণিজ্য এবং শ্রমশক্তির চলাচলের ক্ষেত্রেও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো সামাজিক ক্ষেত্রেও সহযোগিতা সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর ফলে ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক ধীরে ধীরে আরও বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক অংশীদারিত্বে পরিণত হচ্ছে।

    ভারতের সমর্থনের প্রশংসা নেতানিয়াহুর

    নেতানিয়াহু সাম্প্রতিক সময়ে ভারতকে “প্রধান বৈশ্বিক শক্তি” হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে ইজরায়েলের জন্য ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে অভিহিত করেছেন তিনি। ইজরায়েলের প্রতি ভারতের সমর্থনের বিষয়টিও একাধিকবার তুলে ধরেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত ইজরায়েলকে যেভাবে সমর্থন করে আসছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ভারতকে এমন একটি দেশ হিসেবে তুলে ধরেছেন, যে ইজরায়েলকে “বিপুলভাবে সমর্থন” করে চলেছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে এই বক্তব্যের তাৎপর্যও যথেষ্ট। ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যখন অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে, তখন ইজরায়েল তার আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বকে আরও মজবুত করার চেষ্টা করছে। সেই কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

    ভারতের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ

    ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাতের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের মতো স্পর্শকাতর অঞ্চলে ভারতের অর্থনৈতিক, কৌশলগত এবং কূটনৈতিক স্বার্থ রয়েছে। ফলে ইজরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়টিও ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ইজরায়েলের সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে ইজরায়েল যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে, নেতানিয়াহুর বক্তব্য তারই প্রতিফলন।

    “অন্যতম সেরা বন্ধু”

    সব মিলিয়ে, ইরান সংঘাতের আবহে নেতানিয়াহুর ভারত সম্পর্কে সাম্প্রতিক মন্তব্য দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ঘনিষ্ঠতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে। নরেন্দ্র মোদিকে “অন্যতম সেরা বন্ধু” হিসেবে উল্লেখ করা এবং ভারত থেকে ইজরায়েলের প্রতি পাওয়া সমর্থনের প্রশংসা করা থেকে এটি স্পষ্ট যে, তেল আভিভের কাছে নয়াদিল্লির গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, এআই, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং শ্রমশক্তির মতো একাধিক ক্ষেত্রে (India) সহযোগিতা বাড়ায় দুই দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনাই জোরালো হচ্ছে (Netanyahu)।

     

  • DRDO AI Swarm Drone: যুদ্ধের চেহারা বদলে দেবে ৫০ ড্রোনের ‘ঝাঁক’! এমএসএমই-দের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ‘এআই সোয়ার্ম ড্রোন’ বানাচ্ছে ডিআরডিও

    DRDO AI Swarm Drone: যুদ্ধের চেহারা বদলে দেবে ৫০ ড্রোনের ‘ঝাঁক’! এমএসএমই-দের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ‘এআই সোয়ার্ম ড্রোন’ বানাচ্ছে ডিআরডিও

    সুশান্ত দাস

    ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার (Atmanirbhar Bharat) পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)। আধুনিক যুদ্ধের দ্রুত বদলে যাওয়া চাহিদার কথা মাথায় রেখে এ বার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর সোয়ার্ম ড্রোন (Swarm Drone) তৈরির জন্য দেশীয় বেসরকারি সংস্থা, বিশেষ করে স্টার্ট-আপ এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME)-গুলিকে আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও (DRDO)। এই প্রকল্প সফল হলে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যেমন বড় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসবে, তেমনই দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পও নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এমএসএমই-দের জন্য ডিআরডিও-র নতুন প্রকল্প

    ডিআরডিও এই প্রকল্পের নাম দিয়েছে ‘ডেভেলপমেন্ট অফ ক্লোজ ফর্মেশন ফ্লাইং অফ মাল্টিপল ড্রোনস্’ । এটি সংস্থার প্রযুক্তি উন্নয়ন তহবিল (TDF) প্রকল্পের অধীনে বাস্তবায়িত হবে। টিডিএফ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল দেশীয় এমএসএমই ও স্টার্টআপগুলিকে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি তৈরিতে উৎসাহ দেওয়া এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তৃণমূল স্তরের উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের যুদ্ধ ক্রমশ আকাশপথকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। সেই কারণে স্বল্প খরচে, এআই-নির্ভর এবং সমন্বিতভাবে পরিচালিত সোয়ার্ম ড্রোন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    কী এই সোয়ার্ম ড্রোন?

    সোয়ার্ম ড্রোন হল একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করা একাধিক মানববিহীন বিমান (UAV)-এর একটি নেটওয়ার্ক। ডিআরডিও-র পরিকল্পনা অনুযায়ী, একটি ‘মাস্টার’ ড্রোন এবং প্রায় ৫০টি ‘স্লেভ’ ড্রোন মিলিয়ে একটি সোয়ার্ম তৈরি হবে। এই ড্রোনগুলি একে অপরের থেকে মাত্র অর্ধ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে উড়তে পারবে এবং রিয়েল-টাইমে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবে। মাস্টার ড্রোনটি মূল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। এটি স্থলভিত্তিক কন্ট্রোল স্টেশন থেকে নির্দেশ গ্রহণ করে বাকি ড্রোনগুলিকে সমন্বিতভাবে পরিচালনা করবে। ফলে পুরো ড্রোন নেটওয়ার্কটি একযোগে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ বা আক্রমণ চালাতে সক্ষম হবে।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রযুক্তি?

    একটি মাত্র ড্রোনকে শত্রুপক্ষ সহজেই শনাক্ত করে ধ্বংস করতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে সমন্বিতভাবে চলা ৫০টি ড্রোনের একটি সোয়ার্মকে থামানো অনেক বেশি কঠিন। কোনও একটি ড্রোন ধ্বংস হলেও বাকি ড্রোনগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের অবস্থান পুনর্বিন্যাস করে মিশন চালিয়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তিই সোয়ার্ম ড্রোনকে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর করে তুলেছে।

    কী কী করতে পারবে ডিআরডিও-র সোয়ার্ম ড্রোন?

    এই সোয়ার্ম ড্রোনগুলির অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হল—

    • ● প্রায় ৫,০০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম।
    • ● পাহাড়ি এলাকা ও দুর্গম সীমান্ত অঞ্চলেও সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারবে।
    • ● প্রবল বাতাসেও স্থিতিশীলভাবে উড়তে সক্ষম।
    • ● প্রতিটি ড্রোনে ক্যামেরা, নজরদারি ব্যবস্থা বা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সরঞ্জাম বহন করা যাবে।
    • ● একসঙ্গে ১০০-রও বেশি শত্রু ড্রোন শনাক্ত ও ট্র্যাক করতে পারবে।
    • ● প্রচলিত রেডারের নজর এড়িয়ে রেকি, আর্টিলারি সংশোধন, কামিকাজে হামলা এবং সমন্বিত সোয়ার্ম আক্রমণ চালাতে সক্ষম।
    • ● মাত্র ৫০০ মিলিসেকেন্ডের মধ্যে নিজেদের অবস্থানের ত্রুটি সংশোধন করতে পারবে।
    • ● ৭০ শতাংশেরও বেশি দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের লক্ষ্য থাকায় সাইবার নিরাপত্তাও আরও শক্তিশালী হবে।

    ইলেকট্রনিক যুদ্ধেও বড় অস্ত্র

    সোয়ার্ম ড্রোনের আর একটি বড় সুবিধা হল, একসঙ্গে উড়তে গিয়ে এগুলি কার্যত ‘ভার্চুয়াল অ্যান্টেনা’ হিসেবে কাজ করতে পারে। এর মাধ্যমে শক্তিশালী রেডিও সিগন্যাল তৈরি করে শত্রুপক্ষের যোগাযোগ ব্যবস্থা শনাক্ত করা বা জ্যাম করার মতো কাজও করা সম্ভব। ফলে ভবিষ্যতের ইলেকট্রনিক যুদ্ধেও এই প্রযুক্তির গুরুত্ব অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কম খরচে বেশি কার্যকর

    ভারী ও ব্যয়বহুল সামরিক প্ল্যাটফর্মের পরিবর্তে তুলনামূলক কম খরচে বহু ড্রোন ব্যবহার করে একই সঙ্গে নজরদারি, বিভ্রান্তিমূলক অভিযান (Decoy Mission), নির্ভুল হামলা (Precision Strike) এবং আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এই সোয়ার্ম ড্রোনে ‘সফট কিল’ এবং ‘হার্ড কিল’— উভয় ধরনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাই থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

    আত্মনির্ভর ভারতের পথে বড় পদক্ষেপ

    প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ডিআরডিও-র এই উদ্যোগ শুধু নতুন প্রজন্মের যুদ্ধ প্রযুক্তি তৈরির দিকেই নয়, দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন ব্যবস্থায় এমএসএমই-দের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। এর ফলে একদিকে যেমন ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের দেশীয় উৎপাদন বাড়বে, তেমনই তৈরি হবে নতুন কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ। আধুনিক যুদ্ধের বাস্তবতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর স্বল্প ব্যয়ের সোয়ার্ম ড্রোনই আগামী দিনে ভারতের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতার অন্যতম প্রধান শক্তি হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

  • Udhayanidhi Stalin Arrested: অভিনেত্রী তৃষাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, গ্রেফতার উদয়নিধি স্ট্যালিন, নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির

    Udhayanidhi Stalin Arrested: অভিনেত্রী তৃষাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, গ্রেফতার উদয়নিধি স্ট্যালিন, নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সকালে তুমুল নাটকীয় পরিস্থিতিতে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হল তামিলনাড়ুর বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিনকে। অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণণকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে চেন্নাইয়ে স্ট্যালিনকে গ্রেফতার (Udhayanidhi Stalin Arrested) করে তামিলনাড়ু পুলিশ। সোমবার একটি সমাবেশে তৃষাকে নিয়ে উদয়নিধির মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছিল তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। তাঁর (Actor Trisha) মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে সরব হয়েছিল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় উদয়নিধিকে হাসতে দেখা যায়। গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি বিষয়টিকে “একটা রসিকতা” হিসেবেই দেখছেন এবং এর বিরুদ্ধে “আইনিভাবে লড়াই করবেন”।

    উদয়নিধিকে কটাক্ষ (Udhayanidhi Stalin Arrested)

    উদয়নিধির গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে আক্রমণ করেছে তাঁর দল ডিএমকে। দলের নেতা টিকেএস এলাঙ্গোভান বলেন, “কারও বিরুদ্ধে কিছু বলা হয়নি। উদয়নিধি বিজয়ের ব্যর্থতাগুলি তুলে ধরেছিলেন। তাঁর বক্তব্যে অপমানজনক কিছু ছিল না। এমনকি তিনি তৃষার নামও নেননি।” এদিকে, টিভিকে নেতা আমেরিকাই নারায়ণন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ খারিজ করে বলেন, “উদয়নিধি স্ট্যালিনকে মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বা টিভিকে-র বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য গ্রেফতার করা হয়নি, বরং একজন মহিলাকে অপমান করার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে।” উদয়নিধিকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, তাঁর নাম “উদয়নিধি” না হয়ে “ভালগার-নিধি” হওয়া উচিত।

    আপত্তিকর দ্ব্যর্থবোধক মন্তব্য

    সোমবার তাঞ্জাভুরে কাবেরী জলবণ্টন বিতর্ক নিয়ে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন উদয়নিধি। সেখানে তিনি মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়কে নিশানা করে অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী উদাসীন থাকায় তামিলনাড়ু এক ফোঁটা কাবেরীর জলও পায়নি। এর মধ্যেই সমাবেশে উপস্থিত জনতার একাংশ “তৃষা, তৃষা” বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন। বক্তব্য থামিয়ে মুখে বিদ্রূপের হাসি নিয়ে উদয়নিধি তার জবাবে একটি আপত্তিকর দ্ব্যর্থবোধক মন্তব্য করেন। সেই মন্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরেই শুরু হয় তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া। ঘটনার প্রতিবাদে জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে উদয়নিধির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে TVK। দলটি পুলিশের কাছেও অভিযোগ দায়ের করেছে। জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে দেওয়া অভিযোগে TVK বলেছে, “দর্শকদের স্লোগানের প্রেক্ষিতে উদয়নিধি স্ট্যালিন একজন বিশিষ্ট মহিলা জনপরিচিত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর, দ্ব্যর্থবোধক মন্তব্য এবং অশ্লীল ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলেছেন।” অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, “একটি রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার জনসমক্ষে মহিলাদের পণ্য হিসেবে দেখানো এবং মৌখিকভাবে হেনস্থাকে স্বাভাবিক করে তোলে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    উদয়নিধির গ্রেফতারের দাবি আগেই জানিয়েছিল তামিলনাড়ু বিজেপিও। বিজেপির প্রধান মুখপাত্র নারায়ণন তিরুপতি বলেন, “তাঞ্জাভুরে মুখ্যমন্ত্রী বিজয় এবং তৃষাকে নিয়ে উদয়নিধি স্ট্যালিনের (Udhayanidhi Stalin Arrested) দ্ব্যর্থবোধক মন্তব্য অত্যন্ত ঘৃণ্য, অশ্লীল, কুরুচিকর এবং লজ্জাজনক। সত্যি বলতে কী, একজন মা, স্ত্রী ও কন্যাসন্তান থাকা কোনও দুর্বৃত্ত বা চোরও এভাবে অশ্লীল কথা বলবে না। যে ব্যক্তি এই ধরনের কথা বলেন, কোনও মা, স্ত্রী বা মেয়ে তাঁকে ক্ষমা করবেন না। কিন্তু আরও লজ্জার বিষয় হল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন নীরবে দেখছেন, যখন নিজেদের ‘দ্রাবিড় মডেল’ বলে দাবি করা এই ব্যক্তিরা প্রকাশ্যেই এই ধরনের কথা বলছেন।” তিনি আরও বলেন, “এই নিম্নমানের বক্তব্যের জন্য উদয়নিধিকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হলে তামিলনাড়ুরই সম্মান বাড়বে।”

    অভিনেত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য

    তৃষাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। অতীতেও অভিনেত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে, যার কেন্দ্রে ছিলেন অভিনেতা বিজয়। তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই চলচ্চিত্র জগতের পাশাপাশি রাজনীতির বিভিন্ন ব্যক্তিও তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করে আসছেন (Actor Trisha)। চলতি বছরের শুরুতেও তামিলনাড়ু বিজেপি নেতা নৈনার নাগেন্দ্রন মন্তব্য করেছিলেন, রাজনীতিতে প্রবেশের আগে বিজয়ের “তৃষার বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসা” উচিত। সেই সময় তৃষার আইনজীবীরাও তাঁর হয়ে (Udhayanidhi Stalin Arrested) এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।

    নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি

    মঙ্গলবার উদয়নিধির (Udhayanidhi Stalin Arrested) মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেত্রী বনাথি শ্রীনিবাসনও। তাঁর অভিযোগ, উদয়নিধির বক্তব্য ছিল ‘অশালীন’ এবং তাতে দ্ব্যর্থবোধক ইঙ্গিত ছিল। অভিনেত্রী তৃষার কাছে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে বনাথি লেখেন, “দ্ব্যর্থবোধক ইঙ্গিতে ভরা বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিনের অশালীন বক্তব্যের আমি তীব্র নিন্দা জানাই।” ডিএমকের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়েও সরব হন বিজেপির এই নেত্রী। তিনি বলেন, “ডিএমকের সদস্যরা এই ধরনের অসভ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাষায় কথা বলেন। তাঁদের এই অসভ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন রাজনীতির কারণেই মানুষ তাঁদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। তারপরেও ডিএমকের আচরণে কোনও পরিবর্তনের লক্ষণ দেখা যায়নি।”

    নারীদের সম্মান করা দরকার

    উদয়নিধির বক্তব্য নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছেন বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক খুশবু সুন্দরও। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য (উদয়নিধি স্ট্যালিনের) ছিল “অশালীন, নিম্নরুচির এবং অত্যন্ত অবমাননাকর”। এক্স হ্যান্ডেলে খুশবু লেখেন, “উদয়নিধি স্ট্যালিনের বক্তব্য শুনেছি। তা ছিল অশালীন, নিম্নরুচির এবং অত্যন্ত অবমাননাকর। তাঁর বক্তব্যে সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই প্রতিফলন দেখা যায়, যা তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে গ্রহণ করতে আগ্রহী বলে মনে হয়।” রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রে একটি সীমারেখা থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন খুশবু। তাঁর কথায়, “রাজনৈতিক মতপার্থক্য যা-ই থাকুক, জনসমক্ষে বক্তব্যের একটি সীমা থাকা উচিত। নারীদের সম্মান করা দরকার, তাঁদের নিজেদের ইচ্ছা ও খেয়াল পূরণের জন্য দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।” তৃষার কাছে উদয়নিধির (Udhayanidhi Stalin Arrested) নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানিয়েছেন খুশবু।

     

  • Mohan Bhagwat: মুম্বইয়ে জেন জি-জেন আলফার সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: মুম্বইয়ে জেন জি-জেন আলফার সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট, জেন জি (Gen Z) এবং জেন আলফা (Gen Alpha)-র তরুণদের সঙ্গে বিশেষ আলোচনায় বসবেন আরএসএসের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। মুম্বইয়ের নীতা মুকেশ আম্বানি কালচারাল সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের তরফে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, ইন্ডিয়া’স ইন্টারন্যাশনাল মুভমেন্ট টু ইউনাইট নেশনস (IIMUN)-এর ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক চ্যাম্পিয়নশিপ কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবেই ভাগবতের এই অধিবেশন হবে। অনুষ্ঠানে ভারতের ১০০টিরও বেশি শহর থেকে ২,০০০-এর বেশি উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়া অংশ নেবেন।

    নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ কাজ (RSS)

    অংশগ্রহণকারী পড়ুয়াদের বয়স ১৫ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে। দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই পড়ুয়ারা। এঁরাই ভারতের অন্যতম বৃহৎ যুব-নেতৃত্বাধীন সমাবেশে অংশ নেবেন বলে দাবি আয়োজকদের। অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে আইআইএমইউএন-এর প্রতিষ্ঠাতা ঋষভ শাহ বলেন, ‘‘নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুধু পরবর্তী প্রজন্মকে পথ দেখানো নয়, তাদের কথা শোনাও। ভারতের যাত্রার এই গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে এই আলোচনা আগের চেয়েও ঢের বেশি প্রয়োজন। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই সমাবেশে বক্তব্য রাখার আমন্ত্রণ গ্রহণ করায় আমি মোহন ভাগবতজির কাছে কৃতজ্ঞ।’’ ভাগবতের বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই আইআইএমইউএন-এর বার্ষিক চ্যাম্পিয়নশিপ কনফারেন্সের সূচনা হবে। এই সম্মেলনে পড়ুয়ারা স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্ক ও মতবিনিময় করবেন। আইআইএমইউএন-এর তরফে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর ১০৮টি সম্মেলন এবং হাজার হাজার নাগরিক ও সামাজিক উদ্যোগের আয়োজন করা হয়। ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সি তরুণরাই মূলত এই কর্মসূচিগুলির নেতৃত্ব দেন, অংশ নেন ১১ থেকে ১৯ বছর বয়সি (RSS) পড়ুয়ারা। এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল থিম হল, ‘‘বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে যুবসমাজের ভূমিকা—ভারতীয় পথে।’’

    ‘ভারত’-এর ভাবনা ছড়িয়ে দেওয়াই লক্ষ্য

    ২০১১ সালে ঋষভ শাহ আইআইএমইউএন প্রতিষ্ঠা করেন। এটি একটি পাবলিক অ্যাফেয়ার্স প্ল্যাটফর্ম, যার লক্ষ্য ভারত বা ‘ভারত’-এর ভাবনা ছড়িয়ে দিয়ে আগামী দিনের নেতৃত্বকে সচেতন করা এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া। গত ১৫ বছর ধরে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সি তরুণদের পরিচালনায় সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। আইআইএমইউএন-এর বহু অংশগ্রহণকারী ও সংগঠক পরবর্তী কালে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, আমলা, লেখক, আইনজীবী, অভিনেতা এবং ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। আইআইএমইউএন-এর উপদেষ্টা পর্ষদেও বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অজয় পিরামল, দীপক পারেখ, নাদির গোদরেজ, শশী তারুর, প্রাক্তন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, করণ জোহর, প্রাক্তন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরা এবং পিটি ঊষা-সহ আরও অনেকে। প্রতিষ্ঠার ১৫তম বছরে আইআইএমইউএন-এর কর্মসূচি ভারতের ২৭৫টি শহর এবং বিশ্বের ৪০টি দেশে বিস্তৃত হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, তাদের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে ৭.৫ কোটিরও বেশি তরুণের কাছে (Mohan Bhagwat) পৌঁছনো সম্ভব (RSS) হয়েছে। পাশাপাশি ১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি স্কুল-কলেজের সঙ্গেও কাজ করছে আইআইএমইউএন।

     

  • PM Modi Video Row: ‘‘ক্ষমা চাইতে হবে জুকেরবার্গকে’’, মোদির ভিডিও-বিতর্কে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি কেন্দ্রের

    PM Modi Video Row: ‘‘ক্ষমা চাইতে হবে জুকেরবার্গকে’’, মোদির ভিডিও-বিতর্কে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও (PM Modi Video Row) মুছে ফেলার ঘটনায় সরাসরি মার্ক জুকেরবার্গের ক্ষমাপ্রার্থনা দাবি করল তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় প্যানেল। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে ওই প্যানেলের মাথায় রয়েছেন। মেটা এ ঘটনায় আগেই ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু প্যানেলের বক্তব্য, সংস্থার তরফে শুধু ক্ষমা চাইলে হবে না। কী ভাবে এটা ঘটল, তার জন্য কী আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে, জানাতে হবে। ক্ষমা চাইতে হবে মেটা-র মালিক স্বয়ং মার্ক জুকেরবার্গকে। জেন-জি পড়ুয়াদের উদ্দেশ্য করে বানানো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও হঠাৎ করেই ফেসবুক থেকে গায়েব হয়ে যায়। এই নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়।

    শিশু যৌন নিপীড়নমূলক বিষয়বস্তু কেন?

    সোমবার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটি প্রধান নিশীকান্ত দুবের সাফ কথা, এমন ঘটনায় ‘মেটা’র ক্ষমা প্রার্থনা যথেষ্ট নয়, এই ঘটনার দায় নিতে হবে তাদের। সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াও প্রয়োজন। সোশাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সোমবার গুগল, মেটা ও ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলির প্রতিনিধি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও ‘মেইটি’ শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে শিশু যৌন নিপীড়নমূলক বিষয়বস্তু কেন রয়েছে? এই সংক্রান্ত প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় মেটার কর্তাদের।

    ভারতকে অশান্ত করার চেষ্টা

    এমন ঘটনায় মেটার ক্ষমা প্রার্থনা যথেষ্ট নয়, বলে দাবি করে নিশিকান্ত জানান, গত বছরের (২০২৫) জানুয়ারিতে জুকেরবার্গ দাবি করেছিলেন, কোভিডের পরে বিভিন্ন দেশের দেওয়া সরকারি তথ্যের উপরে মানুষ আস্থা হারিয়েছে। তাঁর আরও দাবি ছিল, সেই কারণেই ২০২৪-এ যে সব দেশে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে অনেক ক্ষমতাসীন সরকারই ভোটে ধাক্কা খেয়েছে। এই প্রসঙ্গে ভারতের নামও নিয়েছিলেন তিনি। সেই নিয়ে বিপুল শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ক্ষমাও চেয়েছিল মেটা। এ দিন সেই প্রসঙ্গও টেনে নিশিকান্ত বলেন, ‘‘জুকেরবার্গ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন।’’ নিশিকান্ত জানিয়ে দেন, জুকেরবার্গকেই ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি বলেন, ‘‘জুকেরবার্গ ক্ষমা না চাইলে মেটার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৭৯ নম্বর ধারায় যে আইনি সুরক্ষা (Safe Harbour Protection) রয়েছে, তা তুলে নেওয়া উচিত।’’

    মেটাকে ‘সেফ হারবার’ নয়

    তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর ৭৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, এক্স-এর মতো সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কোনও ব্যবহারকারী বেআইনি বা আপত্তিকর কিছু পোস্ট করলে, শুধুমাত্র সেই পোস্টের জন্য প্ল্যাটফর্মকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দায়ী করা যায় না। এই আইনি সুরক্ষাকেই বলা হয় ‘সেফ হারবার’। ফলে, মেটার এই রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করা হলে, ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের বিতর্কিত বা বেআইনি কনটেন্টের জন্য মেটাকেও সরাসরি আইনি জবাবদিহি করতে হতে পারে।

    ‘প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও পাঁচ ঘণ্টা সরিয়ে রাখা অপরাধ’

    প্রসঙ্গত, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে এবং তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে গত একমাস ধরে যন্তর মন্তরে আন্দোলন করেছে সিজেপি। এর আঁচ ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। এরমধ্যেই গত ২৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একটি ৩ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘‘প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। এটা লাখ লাখ ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।’’ তিনি জানান, দোষীদের ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সাড়ে ২২ লাখ পরীক্ষার্থীর এক বছর যাতে নষ্ট না হয়, তার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত হওয়ার প্রধানমন্ত্রীর এই প্রয়াস নিমেষেই রেকর্ড গড়ে ফেলে। ইনস্টাগ্রামে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির ভিউ সংখ্যা ৩০৩ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়, যা এক নতুন বিশ্বরেকর্ড! এই আবহে সেই ভিডিও পাঁচ ঘণ্টা সরিয়ে রাখা গুরুতর অপরাধ, বলে দাবি করে সংসদীয় প্যানেল।

    প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও সরিয়ে ফেলার দায় কে নেবে!

    বৈঠকে বিজেপির এক প্রবীণ সাংসদ মেটার কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওটি সরিয়ে ফেলার দায় কে নেবে! সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে বিজেপি সাংসদ মেটা কর্তাদের প্রশ্ন করেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও ডিলিট করা হল কেন? ফেসবুক অন্য আপত্তিকর কনটেন্ট যেখানে সরায় না, সেক্ষেত্রে ওই ভিডিওটিই কেন সরানো হল প্ল্যাটফর্ম থেকে? এর দায় কে নেবে?” মেটার তরফে জানানো হয়, ওই ভুলের জন্য ইতিমধ্যেই দুঃখ প্রকাশ করেছে তারা। ক্ষমাও চাওয়া হয়েছে। কিন্তু বিজেপি সাংসদ দাবি করেন, শুধু দুঃখপ্রকাশ বা ক্ষমা চাইলেই হল না। দায় নিতে হবে। করতে হবে আইনি পদক্ষেপ। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও এভাবে সরানো গেলে, সাধারণ নেটিজেনদের সুরক্ষা কোথায়, জানতে চান ওই বিজেপি সাংসদ।

    মেটার অ্যালগরিদম নিয়েও প্রশ্ন

    মেটার অ্যালগরিদম নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নিশিকান্ত দুবে। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক দলগুলির কনটেন্টের ভিউয়ারশিপ প্রায় ২.৩ কোটি হলেও, কোনও রাজনৈতিক দল বা নথিভুক্ত সংগঠন নয়— এমন সংস্থাগুলির ভিউয়ারশিপ প্রায় ২.৭ কোটি। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, আম আদমি পার্টির মতো দলগুলির মোট ভিউয়ারশিপ ২.৩ থেকে ২.৪ কোটির মধ্যে। কিন্তু রাজনৈতিক দল বা এনজিও নয়, এমন অ্যাকাউন্টের ভিউয়ারশিপ ২.৭ কোটি।’’ নিশিকান্তের অভিযোগ, নতুন বা অচেনা অ্যাকাউন্টকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার নীতির কারণেই এমন হচ্ছে। তিনি জানান, কয়েক দিন আগে তৈরি একটি সংরক্ষণ বিরোধী ফোরামের ভিউয়ারশিপও প্রায় ৭০ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছে।

  • Sheikh Hasina: দেশ ছাড়ার দু’বছর পর বুধবার প্রকাশ্যে আসছেন হাসিনা! দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক

    Sheikh Hasina: দেশ ছাড়ার দু’বছর পর বুধবার প্রকাশ্যে আসছেন হাসিনা! দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ছাড়ার প্রায় দুই বছর পর প্রথমবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে চলেছেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বাংলাদেশে ফেরার কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন। এবার দিল্লির গোপন বাসভবন ছেড়ে প্রকাশ্যে আসছেন মুজিব কন্যা। আগামী বুধবার দিল্লির দক্ষিণ এশিয়া ফরেন করেসপন্ডেটস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করবেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। যদিও সেই সম্মেলনের পুরোটাই ভার্চুয়াল মাধ্যমে হবে। সূত্রের খবর, ৫ আগস্ট ক্লাবের স্যার মার্ক টুলি অডিটোরিয়ামে সন্ধে ৬টা থেকে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত এই সাংবাদিক সম্মেলন হবে। সেখানে হাসিনা তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে কথা বলতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশ ছাড়ার পর প্রথম গণমাধ্যমের সামনে

    ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আসেন। সেই সময় কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন পরে সরকারবিরোধী গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ভারতে আসার পর শেখ হাসিনা লিখিত ও ই-মেইল সাক্ষাৎকার এবং দলীয় ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখলেও সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্বে এটিই হবে তাঁর প্রথম অংশগ্রহণ। এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রাক্তন ক্রিকেটার ও তৎকালীন সাংসদ সাকিব আল হাসান, প্রাক্তন কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমিনুল হক পলাশ, সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বিশ্লেষক আবু ওবায়দা আরিন এবং মানবাধিকারকর্মী মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক ও শাহ মো.বখতিয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন এফসিসি দক্ষিণ এশিয়ার সভাপতি ড. ওয়ায়েল আউয়াদ।

    বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা

    শেখ হাসিনা এর আগে একাধিকবার জানিয়েছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা তাঁর রয়েছে। যদিও ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের অভিযোগে ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ৭৮ বছর বয়সি শেখ হাসিনার বক্তব্য, দেশে ফিরে তিনি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে চান। তাঁর মতে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় এসব মূল্যবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ব্রিকস সম্মেলন-এর আগে কী ইঙ্গিত

    আগামী সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছিল, এই আমন্ত্রণ তারা খতিয়ে দেখছে। কয়েকদিন আগে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফেও সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটিকে বলা হয়, হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জল্পনা চলছিল, ভারত হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরানোর বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করলে তারেক দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আসবেন। হাসিনার আমন্ত্রণপত্রে লেখা হয়েছে, দেশে ফেরার আগে এই সাংবাদিক সম্মেলন। এর ফলে জল্পনা তুঙ্গে যে, সব পক্ষের ‘ব্যাক চ্যানেল’ আলোচনার পর ঠিক হয়েছে, ভারত হাসিনাকে ফেরত পাঠাচ্ছে, এই বার্তা না দিয়ে হাসিনাই স্বেচ্ছায় দেশে ফিরছেন—এই বিষয়টি তুলে ধরা হবে।

    দেশে ফিরলেই গ্রেফতার!

    অন্যদিকে, বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী এম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হতে পারে। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই তাঁকে ভারতে থেকে প্রত্যর্পণের জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদনও করেছে। এই পরিস্থিতিতে ৫ আগস্টের ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

  • UP Terror Probe: বোমা তৈরির নোটকাণ্ডে ধৃত সরফরাজের ঘরে ‘জয় শ্রী রাম’ কুর্তা, হলুদ ধুতি! যোগী-রাজ্যে বড় চক্রান্তের হদিস

    UP Terror Probe: বোমা তৈরির নোটকাণ্ডে ধৃত সরফরাজের ঘরে ‘জয় শ্রী রাম’ কুর্তা, হলুদ ধুতি! যোগী-রাজ্যে বড় চক্রান্তের হদিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাজর্ষি দশরথ মেডিক্যাল কলেজের এক্স-রে বিভাগে বোমা তৈরির তথ্য-সম্বলিত হাতে লেখা একটি নোট উদ্ধারের ঘটনায় আরও বাড়ানো হয়েছে তদন্তের পরিসর (Jai Shri Ram Kurta)। তদন্তের সূত্র এবার পৌঁছেছে বলরামপুরে। অযোধ্যা পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে প্যারামেডিক্যাল পড়ুয়া সরফরাজের পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। আশপাশের বাসিন্দাদের কাছ থেকেও তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করা হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাবে না। ঘটনার পর প্রথম বর্ষের প্যারামেডিক্যাল পড়ুয়া সরফরাজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। অযোধ্যার রাজর্ষি দশরথ স্বায়ত্তশাসিত রাজ্য মেডিক্যাল কলেজের এক্স-রে বিভাগে নাইট শিফট শেষ হওয়ার পর হাতে লেখা ওই নোটটি পাওয়া যায়। কর্মীরা নোটটি কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

    বলরামপুরে সরফরাজের বাড়িতে পুলিশ (Jai Shri Ram Kurta)

    ৩১ জুলাই, শুক্রবার গভীর রাতে অযোধ্যা পুলিশের একটি দল বলরামপুরের সিটি কোতয়ালি এলাকার পুরাইনিয়া তালাবে সরফরাজের পৈতৃক বাড়িতে পৌঁছয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি আশপাশের বাসিন্দাদের কাছ থেকেও সরফরাজ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করে পুলিশ। পরের দিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ওই বাড়িতে গেলে দেখা যায়, তালা ঝুলছে। সংবেদনশীল বিষয় হওয়ায় এলাকার অধিকাংশ মানুষ ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, সরফরাজ মিশুকে স্বভাবের ছিল। এলাকায় কোনও বিবাদ বা ঝামেলায় তাঁকে কখনও জড়াতে দেখা যায়নি।

    বাড়িওয়ালার বক্তব্যে নতুন প্রশ্ন

    তদন্তের সময় সরফরাজ গত ছ’মাস ধরে যে ভাড়া বাড়িতে থাকছিল, সেখানেও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা যান। ঘর থেকে গেরুয়া রঙের একটি কুর্তা উদ্ধার হয়েছে, যাতে “জয় শ্রী রাম” লেখা ছিল। হলুদ রংয়ের একটি ধুতিও পাওয়া যায়। বাড়িওয়ালার দাবি, সরফরাজ ওই গেরুয়া কুর্তা ও হলুদ ধুতি পরে একাধিকবার অযোধ্যায় গিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, কয়েকজনের সঙ্গে সরফরাজ সরযূ নদীতে স্নানও করেছিলেন। তবে ওই ব্যক্তিরা কারা বা কোথা থেকে এসেছিলেন, তা জানেন না বলে জানান বাড়িওয়ালা। এরপরেই তদন্তকারীদের সামনে নতুন প্রশ্ন উঠেছে—সরফরাজ কেন হিন্দু ধর্মীয় পোশাক পরে অযোধ্যায় যাতায়াত করতেন? তাঁর ওই সফরের সঙ্গে কোনও বৃহত্তর পরিকল্পনার যোগ ছিল কি না, নাকি সেগুলি ছিল নিছকই ব্যক্তিগত সফর—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া হলুদ ধুতিটি পরীক্ষার জন্য নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। ঘর থেকে হাতে লেখা একটি কবিতাও উদ্ধার হয়েছে। সেটিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা (Jai Shri Ram Kurta)।

    কীভাবে প্রকাশ্যে এল ঘটনা?

    ১ অগাস্ট সকালে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। মর্নিং শিফটে কর্মরত পড়ুয়ারা রাজর্ষি দশরথ মেডিক্যাল কলেজের এক্স-রে রুমের ভেতরে হাতে লেখা একটি কাগজ দেখতে পান। ওই কাগজে বোমা তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন নির্দেশনা লেখা ছিল বলে খবর। পড়ুয়ারা সঙ্গে সঙ্গে কলেজ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেন।অনলাইনে প্রকাশিত নোটটির একটি অনুলিপি অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া হাতে লেখা কাগজে ঘরে তৈরি বিস্ফোরক যন্ত্র তৈরি ও পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বর্ণনা রয়েছে বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা। সেখানে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, পটাশিয়াম নাইট্রেট, অ্যালুমিনিয়াম কার্বোনেট, লাল ফসফরাস, সালফার, নাইট্রিক অ্যাসিড এবং কার্বলিক অ্যাসিডের মতো একাধিক রাসায়নিকের উল্লেখ রয়েছে। আগুন ধরানো, তাপ ও বিস্ফোরণের বিষয়েও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন উপাদান চিহ্নিত করা হাতে আঁকা কিছু চিত্রও রয়েছে, যেগুলি বিস্ফোরক যন্ত্রের নকশার মতো দেখতে।নথিতে ব্যাখ্যামূলক টীকা এবং একটি মোটামুটি আঁকা রেখাচিত্রও রয়েছে। এর থেকে তদন্তকারীদের ধারণা, যন্ত্রটি কীভাবে কাজ করতে পারে তা বোঝানোর উদ্দেশ্যেই নোটটি তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, নোটটি অনলাইনে পাওয়া বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে লেখা হয়ে থাকতে পারে।

    সরফরাজের দাবি

    দর্শন নগর থানার পুলিশ সরফরাজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। তাঁর সঙ্গে নাইট শিফটে কাজ করছিলেন অভিষেক। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সুলতানপুরের বাসিন্দা আর এক সহকর্মী সুভাষ অবশ্য ওই দিন সকালেই নিজের গ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের কাছে সরফরাজ দাবি করেন, নাইট শিফটে তাঁর ঘুম আসছিল না। সেই সময় তিনি তাঁর ল্যাপটপে ভগত সিংকে নিয়ে একটি সিনেমা দেখতে শুরু করেন। তাঁর দাবি, সেই সিনেমায় বোমা তৈরির কিছু পদ্ধতি দেখানো হয়েছিল। তিনি সেগুলি একটি কাগজে লিখে রেখেছিলেন, এবং পরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তাঁর দাবি, পরে সাফাইকর্মী ও সকালের শিফটে কর্মরত কর্মীদের হাতে কাগজটি আসে (Jai Shri Ram Kurta)। সরফরাজের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে তদন্তকারীরা বোমা তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ইন্টারনেট অনুসন্ধানের তথ্য পান। তাঁর সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টেও বোমা তৈরি ও বিস্ফোরণ সংক্রান্ত একাধিক ছোট ভিডিওর সন্ধান মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এসব অনুসন্ধান নিছকই কৌতূহলবশে করা হয়েছিল, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    সরফরাজের বন্ধুদেরও খোঁজ

    সরফরাজের রুমমেটের খোঁজও শুরু করেছে পুলিশ। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তিনি বস্তিতে নিজের বাড়িতে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সরফরাজ যখন অযোধ্যায় যেতেন, তখন তাঁর সঙ্গে যে বন্ধুরা থাকতেন বলে জানা যাচ্ছে, তাঁদের পরিচয়ও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সরফরাজ সবার ছোট। তাঁর দাদা বলরামপুরের একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। আর এক ভাই শ্রাবস্তীতে একটি দাঁতের চিকিৎসাকেন্দ্র চালান। অন্য এক ভাই সৌদি আরবে কাজ করেন, এবং পরিবারে আর্থিক সাহায্য করেন। প্রায় দেড় বছর আগে সরফরাজের বাবা মারা যান। তাঁর মা ও অবিবাহিত বোন বলরামপুরে থাকেন। বিবাহিত এক বোন মুম্বইয়ে থাকেন। প্রতিবেশীদের দাবি, সরফরাজ প্রায় প্রতি শনিবার বাড়িতে ফিরতেন, সোমবার ফিরতেন অযোধ্যায়।

    পুলিশের বক্তব্য

    ঘটনার সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিশেষ তদন্তকারী দল, এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও করছেন তদন্ত। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি। প্রতিটি তথ্য যাচাই করার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে অনুমান বা গুজব না ছড়ানোর আবেদন জানিয়েছে পুলিশ (Jai Shri Ram Kurta)।

     

  • Fake Military Uniform Racket: সেনার পোশাক পরে অশান্তি ঘটানোর ছক! নকল আর্মি-ড্রেস তৈরির চক্র ভাঙল সেনা ও রাজস্থান পুলিশ

    Fake Military Uniform Racket: সেনার পোশাক পরে অশান্তি ঘটানোর ছক! নকল আর্মি-ড্রেস তৈরির চক্র ভাঙল সেনা ও রাজস্থান পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনার পোশাক পরে অশান্তি ঘটানোর ছক বানচাল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখা এবং রাজস্থান পুলিশের যৌথ অভিযানে রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর জেলায় নকল সেনা পোশাকের কাপড় সরবরাহকারী একটি চক্রের হদিস মিলেছে। অভিযানে বিভিন্ন দোকান থেকে প্রায় ১,০০০ মিটার অননুমোদিত আর্মি-প্যাটার্ন কমব্যাট কাপড় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া কাপড়ের নকশা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত কমব্যাট ইউনিফর্মের সঙ্গে অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ। তদন্তকারীদের মতে, এই কাপড় ব্যবহার করে ভুয়ো সেনা পোশাক তৈরি করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য বড় বিপদ হয়ে উঠতে পারত।

    শ্রীগঙ্গানগরের একাধিক দোকানে অভিযান

    গত ৩০ জুলাই সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থান পুলিশ শ্রীগঙ্গানগরের একাধিক দোকানে তল্লাশি চালায়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নতুন ধরনের কমব্যাট কাপড় উদ্ধার হয়, যা বিক্রি বা ব্যবহারের জন্য কোনও সরকারি অনুমোদন ছিল না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কাপড়ের নকশা সেনাবাহিনীর যুদ্ধকালীন পোশাকের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কারণ এই ধরনের কাপড়ের অবৈধ ব্যবহার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

    বেরেলির অভিযানের সূত্র ধরেই তদন্ত

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত জুন মাসে উত্তরপ্রদেশের বেরেলিতে নকল সেনা কমব্যাট কাপড় বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনার তদন্ত থেকেই এই চক্রের সূত্র মেলে। সেই তদন্তে সরবরাহ শৃঙ্খল অনুসরণ করে শ্রীগঙ্গানগরের একটি উৎপাদন কেন্দ্রের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা ইউনিট গোপন তদন্ত চালিয়ে একটি স্থানীয় সংস্থাকে এই জাল নেটওয়ার্কের অন্যতম মূল কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে। অভিযোগ, ওই সংস্থা শ্রীগঙ্গানগর শহর ছাড়াও লালগড় জাট্টান, সুরতগড় এবং আশপাশের বাজারে নকল আর্মি-প্যাটার্ন কাপড় সরবরাহ করছিল।

    বড় নেটওয়ার্কের খোঁজে তদন্ত

    নিরাপত্তা সংস্থার মতে, সেনাবাহিনীর পোশাকের অনুরূপ কাপড় অবৈধভাবে বাজারে ছড়িয়ে পড়লে অসাধু ব্যক্তিরা সেনা সদস্য সেজে প্রতারণা বা অন্য অপরাধমূলক কাজে তা ব্যবহার করতে পারে। এতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর গুরুতর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া সেনাবাহিনীর কমব্যাট ইউনিফর্মের নকশার কাপড় রাখা, বিক্রি বা ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই জাল সরবরাহ চক্র রাজস্থানের বাইরে অন্য রাজ্যেও সক্রিয় ছিল কি না। উৎপাদন কেন্দ্র থেকে শুরু করে বিতরণ ব্যবস্থার প্রতিটি স্তর খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও অভিযান ও আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।

  • PM Surya Sarovar Yojana: জলের উপর ভাসবে সৌরবিদ্যুৎ! ৫,০৭০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পে সিলমোহর কেন্দ্রের

    PM Surya Sarovar Yojana: জলের উপর ভাসবে সৌরবিদ্যুৎ! ৫,০৭০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পে সিলমোহর কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবুন তো, যে জলাশয় এতদিন শুধু জল সংরক্ষণ বা সেচের কাজে ব্যবহৃত হতো, সেই জলাশয়ই এবার বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র হয়ে উঠবে! নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে ৫,০৭০ কোটি টাকার ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য সরোবর যোজনা’ (PM Surya Sarovar Yojana)-র। এই প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন জলাধার, বাঁধ, হ্রদ ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের উপর গড়ে তোলা হবে ৫,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফ্লোটিং সোলার প্রকল্প (Floating Solar Project) এবং ১০,০০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা (MWh) ব্যাটারি শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থা। যা বিদ্যুৎ সরবরাহকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগ একদিকে যেমন পরিচ্ছন্ন শক্তি উৎপাদন বাড়াবে, তেমনই কমাবে কার্বন নিঃসরণ এবং কৃষিজমির উপর চাপ।

    কী এই ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য সরোবর যোজনা’ (PM Surya Sarovar Yojana)?

    ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য সরোবর যোজনা’ (PM Surya Sarovar Yojana) জমির বদলে জলাশয়ের উপর বিশেষ ভাসমান প্ল্যাটফর্ম বসিয়ে সৌর প্যানেল (Floating Solar Project) স্থাপন করা হবে। ফলে কৃষিজমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন পড়বে না। একই সঙ্গে জলাশয়ের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো যাবে।

    কেন ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ (Floating Solar Project)?

    ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের (Floating Solar Project) একাধিক সুবিধা রয়েছে-

    • ● কৃষিজমি বা বনভূমি ব্যবহার করতে হয় না
    • ● জল প্যানেলকে ঠান্ডা রাখায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের দক্ষতা বাড়ে
    • ● জলাশয় থেকে বাষ্পীভবনের পরিমাণ কমে
    • ● সূর্যালোক আংশিক আটকানোর ফলে শৈবালের বৃদ্ধি কম হয়
    • ● বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জল সংরক্ষণ- দুই উদ্দেশ্যই পূরণ হয়

    ভারতে সম্ভাবনা কতটা?

    ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সোলার এনার্জি (NISE)-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে প্রায় ১০২.১৮ গিগাওয়াট ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। অথচ বর্তমানে স্থাপিত ক্ষমতা মাত্র প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট। নতুন প্রকল্পের লক্ষ্য সেই ব্যবধান দ্রুত কমানো।

    কীভাবে মিলবে আর্থিক সহায়তা?

    প্রকল্প বাস্তবায়নে কেন্দ্র একাধিক আর্থিক সুবিধা দেবে। সফলভাবে প্রকল্প চালু হলে প্রতি মেগাওয়াটে ১ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা (CFA)। প্রকল্প শুরুর আগে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, জলাশয়ের গভীরতা নির্ণয়, পরিবেশগত মূল্যায়ন ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত পরীক্ষার জন্য প্রতি প্রকল্পে সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান।

    কবে বাস্তবায়ন ?

    ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষ থেকে ২০৩০-৩১ পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রকল্প অনুমোদন করা হবে। কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা চলবে ২০৩২-৩৩ অর্থবর্ষ পর্যন্ত। রাজ্য সরকার, সরকারি সংস্থা এবং বেসরকারি সংস্থার যৌথ অংশগ্রহণে প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হবে।

    ব্যাটারি স্টোরেজ কেন বাধ্যতামূলক?

    এই প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ১০,০০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা ব্যাটারি স্টোরেজ ব্যবস্থা। অন্তত দুই ঘণ্টার বিদ্যুৎ সঞ্চয়ের ক্ষমতা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে দিনের বেলা উৎপাদিত অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ ব্যাটারিতে জমা রেখে সন্ধ্যা বা মেঘলা আবহাওয়ায় ব্যবহার করা যাবে। এতে বিদ্যুৎ গ্রিড আরও স্থিতিশীল হবে এবং নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়বে।

    পরিবেশ ও কর্মসংস্থানে বড় প্রভাব

    সরকারের দাবি, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর প্রায় এক কোটি টন (১০ মিলিয়ন টন) কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন কমবে। একই সঙ্গে উৎপাদন, প্রকৌশল, নির্মাণ, পরিবহণ, স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ মিলিয়ে ১৬ থেকে ১৭ হাজার পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এছাড়া সৌর প্যানেল, ভাসমান প্ল্যাটফর্ম, ব্যাটারি, অ্যাঙ্করিং সিস্টেম-সহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দেশীয় উৎপাদনও বাড়বে বলে আশা করছে কেন্দ্র।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সূর্য সরোবর যোজনা (PM Surya Sarovar Yojana) দেশের পরিচ্ছন্ন শক্তি উৎপাদনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। জলাধার ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের অভিনব ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই প্রকল্পের সুফল পাবে। একই সঙ্গে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এই উদ্যোগ।” ভারতের নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন বাড়ানো, কৃষিজমির উপর চাপ কমানো, জলসম্পদের কার্যকর ব্যবহার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৭০ সালের মধ্যে নেট-জিরো নির্গমন লক্ষ্যে পৌঁছনোর পথে ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য সরোবর যোজনা’ (PM Surya Sarovar Yojana) একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে কেন্দ্র। ভাসমান সৌরবিদ্যুতের (Floating Solar Project) মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন শক্তির নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে এই প্রকল্প।

LinkedIn
Share