Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Puri Shri Jagannath temple: পুরী জগন্নাথ মন্দিরে সুশৃঙ্খল দর্শনের লক্ষ্যে ‘স্লট বুকিং’ চালুর ভাবনা ওড়িশা সরকারের

    Puri Shri Jagannath temple: পুরী জগন্নাথ মন্দিরে সুশৃঙ্খল দর্শনের লক্ষ্যে ‘স্লট বুকিং’ চালুর ভাবনা ওড়িশা সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বখ্যাত পুরীর শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে (Puri Shri Jagannath temple) ভক্তদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা আরও আনন্দময় করতে এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ওড়িশা সরকার (Odisha Govt)। মন্দিরে বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং পুণ্যার্থীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে এবার তিরুপতি মন্দিরের আদলে ‘স্লট বুকিং’ বা সময় বরাদ্দের ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    সময়ভিত্তিক দর্শন (Puri Shri Jagannath temple)

    মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন অনলাইন সুবিধার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী সারি ব্যবস্থাও চালু থাকবে, যা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। সরকার বিদ্যমান সারি ব্যবস্থা সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়েও ভাবছে। নট মণ্ডপ এবং জগমোহন এলাকায়, সরাসরি গর্ভগৃহের দিকে মুখ করে ছয়টি উড়াল র‍্যাম্প স্থাপন করা হবে—যার প্রতিটি ১৬ ফুট লম্বা এবং ৪ ফুট চওড়া। এই কাঠামো ভক্তদের চোখের স্তরকে উঁচু করবে, যার ফলে দূর থেকে ভগবান জগন্নাথ, ভগবান বলভদ্র এবং দেবী সুভদ্রাকে আরও স্পষ্টভাবে দর্শন করা যাবে।

    নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ভক্তরা নির্দিষ্ট সময়ের স্লট বুক করতে পারবেন। এর ফলে মন্দিরের বাইরে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে। শ্রীজগন্নাথ মন্দির প্রশাসন (SJTA) জানিয়েছে, উৎসবের দিনগুলিতে বা ছুটির মরসুমে জনস্রোত সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। স্লট বুকিং ব্যবস্থা চালু হলে মন্দিরের (Puri Shri Jagannath temple) ভেতরে ও বাইরে ভক্তদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার

    ভক্তদের সুবিধার্থে অনলাইন পোর্টাল এবং মোবাইল অ্যাপের পাশাপাশি যারা সরাসরি মন্দিরে আসবেন, তাদের জন্য অফলাইন কাউন্টার থেকেও বুকিং করার সুবিধা রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। রাজ্য সরকার (Odisha Govt) ও মন্দির (Puri Shri Jagannath temple) কর্তৃপক্ষ বর্তমানে এই ব্যবস্থার প্রয়োগিক দিকগুলো খতিয়ে দেখছে। সেবায়েত এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ওড়িশা সরকারের এই উদ্যোগ সফল হলে প্রবীণ নাগরিক এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের জন্য শ্রীজগন্নাথ দর্শন আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Haridwar: ২০২৭ হরিদ্বার অর্ধকুম্ভ মেলার দশ পুণ্যস্নানের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, কবে যাবেন জেনে নিন

    Haridwar: ২০২৭ হরিদ্বার অর্ধকুম্ভ মেলার দশ পুণ্যস্নানের নির্ঘণ্ট ঘোষিত, কবে যাবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মপ্রাণ হিন্দুদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ তীর্থক্ষেত্র হরিদ্বারে (Haridwar) ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অর্ধকুম্ভ মেলা (Ardh Kumbh Mela 2027)। এই বিশেষ আধ্যাত্মিক মিলন মেলা উপলক্ষে উত্তরাখণ্ড সরকার এবং মেলা প্রশাসন তিন ‘অমৃত স্নান’ সহ দশটি প্রধান স্নানের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। আসুন দেখে নিই এক নজরে।

    কবে থেকে শুরু মেলা (Haridwar)

    মেলা শুরু হবে জানুয়ারি মাসে এবং চলবে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত। উল্লেখযোগ্য স্নানের তারিখগুলি হল-

    • ● মকর সংক্রান্তি ১৪ জানুয়ারি, এই দিন থেকেই মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।
    • ● পৌষ পূর্ণিমা দ্বিতীয় প্রধান স্নান।
    • ● মৌনী অমাবস্যা কুম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তিথি।
    • ● বসন্ত পঞ্চমী এই পুণ্য তিথিতেও বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে।
    • ● মাঘী পূর্ণিমা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রধান স্নান।
    • ● মহা শিবরাত্রি এই দিনে শাহি স্নানের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।
    • ● সোমবতী অমাবস্যা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ পুণ্য তিথি।
    • ● রাম নবমী মার্চ-এপ্রিলের পবিত্র লগ্ন।
    • ● চৈত্র পূর্ণিমা মেলার অন্যতম শেষ স্নান।
    • ● মেষ সংক্রান্তি বৈশাখী, প্রথা অনুযায়ী এই দিনেই মেলার সমাপ্তি ঘটে।

    বিশেষ উদ্যোগী প্রশাসন

    উত্তরাখণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী অর্ধকুম্ভ মেলার (Haridwar) জন্য পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে (Ardh Kumbh Mela 2027)। গঙ্গার ঘাটগুলির সংস্কার, পানীয় জল, জনস্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম সামলাতে পুলিশ ও প্রশাসন যৌথভাবে একটি জোরদার নিরাপত্তা বলয় এবং ট্রাফিক পরিকল্পনা তৈরি করার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য যে, হরিদ্বারে প্রতি ৬ বছর অন্তর অর্ধকুম্ভ এবং প্রতি ১২ বছর অন্তর পূর্ণকুম্ভ মেলা আয়োজিত হয়। ২০২৭ সালের এই মেলা উত্তর ভারতের পর্যটন এবং ধর্মীয় ভাবাবেগে এক বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • India GDP Ranking: বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি ভারত, বলছে আইএমএফ

    India GDP Ranking: বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি ভারত, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্প সময়ের জন্য বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছিল ভারত। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের (IMF) ২০২৫–২৬ সালের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী ফের ষষ্ঠ স্থানে নেমে এসেছে ভারত। যদিও (India GDP Ranking) দেশটি এখনও বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি। তবে এই অবস্থান পতনের পেছনে বড় কোনও অর্থনৈতিক কারণ নেই, এটি মূলত পরিসংখ্যানগত।

    আইএমএফের হিসেব (India GDP Ranking)

    আইএমএফের এপ্রিল ২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক আউটলুক (World Economic Outlook) অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ৩.৯২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে ব্রিটেনের অর্থনীতি প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলার এবং জাপানের ৪.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে ভারতের জিডিপি ছিল ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ব্রিটেনের ৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি ছিল। তাহলে ভারতের অবস্থান কমল কেন? যদিও ভারতের জিডিপি টাকার হিসেবে ২০২৪ সালে ছিল ৩১৮ ট্রিলিয়ন। ২০২৫ সালে এটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৬.৫ ট্রিলিয়নে। ডলারের নিরিখে হিসেব করলে তাকে তুলনামূলকভাবে ছোট দেখায়।

    অবমূল্যায়নের পূর্বাভাসও রয়েছে

    এই পতন ঘটেছে যদিও টাকার হিসেবে নামমাত্র বৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ৯ শতাংশ। পার্থক্যটি মূলত জিডিপি গণনার পদ্ধতিতে।আইএমএফ দেশগুলির জিডিপি ডলারের ভিত্তিতে র‍্যাঙ্ক (India GDP Ranking)করে। অর্থাৎ স্থানীয় মুদ্রার জিডিপিকে ডলারের বিনিময় হারের ভিত্তিতে রূপান্তর করা হয়। এই সময়ে টাকার মান ২০২৪ সালে প্রতি ডলারে ৮৪.৬ থেকে ২০২৫ সালে ৮৮.৫-এ নেমে এসেছে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে আরও অবমূল্যায়নের পূর্বাভাসও রয়েছে। পরিসংখ্যান মন্ত্রক ২০২২–২৩ থেকে ২০২৩–২৪ পর্যন্ত চার বছরে নামমাত্র জিডিপি ২.৮ শতাংশ থেকে ৩.৮ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে সংশোধন করেছে, যা অর্থনীতির আকারকে তুলনামূলকভাবে ছোট দেখিয়েছে (IMF)।

    আইএমএফের পূর্বাভাস

    বিনিময় হার পরিবর্তনের ফলে র‍্যাঙ্কিং প্রভাবিত হয়েছে। সম্প্রতি টাকা দুর্বল অবস্থায় ছিল, ডলারের মূল্যমানের প্রেক্ষিতে লেনদেন হয়েছে ৯৪–৯৫ টাকার মধ্যে। পরে ৯৩.৩৯-এ স্থিতিশীল হয়েছে। এর কারণ হল পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি। বিদেশি পুঁজির বহিঃপ্রবাহ এবং হেজিং খরচ বৃদ্ধিও টাকার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এর ফলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হস্তক্ষেপ করেছে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ড তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকায় ব্রিটেন তার অবস্থান ধরে রেখেছে (India GDP Ranking)। আইএমএফের (IMF) পূর্বাভাস, এই অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। ২০২৬ সালে ভারত ষষ্ঠ স্থানে থাকবে (প্রায় ৪.১৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), যা ব্রিটেনের ৪.২৬ মার্কিন ডলার ট্রিলিয়নের নীচে। তবে ২০২৭ সালে ভারত আবার চতুর্থ স্থানে উঠবে (৪.৫৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), টপকে যাবে ব্রিটেনকে।

    অর্থনীতিবিদদের অভিমত

    অর্থনীতিবিদদের মতে, ২০২৮ সালে ভারত জাপানকে ছাড়িয়ে যেতে পারে (৫.০৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বনাম ৪.৭৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)। ২০৩১ সালের মধ্যে ভারত দৃঢ়ভাবে তৃতীয় স্থানে পৌঁছতে পারে (৬.৭৯  ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), সেই সময় জাপান থাকবে ৫.১৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তবে এই ব্যবধান খুবই কম (ব্রিটেনের ক্ষেত্রে প্রায় ১১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, জাপানের ক্ষেত্রে মাত্র ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার), ফলে ফল অনেকটাই নির্ভর করবে প্রবৃদ্ধি এবং মুদ্রার ওঠানামার ওপর।
    তবে র‍্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন হলেও, আইএমএফের মতে, ভারত এখনও বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া বড় অর্থনীতির দেশ হিসেবেই থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের জিডিপি ৬.১৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে এবং তৃতীয় স্থানে (IMF) থাকা জার্মানির সঙ্গে ব্যবধান কমবে (India GDP Ranking)।

    জিডিপির বেস ইয়ারে পরিবর্তন

    জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিন যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে থাকবে (৩৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২৭.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে জিডিপির বেস ইয়ার ২০১১–১২ থেকে ২০২২–২৩-এ পরিবর্তন করা হয়েছে। এর ফলে নতুন হিসেব অনুযায়ী অর্থনীতির আকার আগের তুলনায় ছোট দেখা যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ’২৬ অর্থবর্ষের জিডিপি পুরানো সিরিজে ৩৫৭ ট্রিলিয়ন টাকা থেকে নতুন সিরিজে ৩৪৫.৫ ট্রিলিয়ন টাকায় নেমে এসেছে। আইএমএফও তাদের পূর্বাভাস কমিয়েছে, ২০২৭ সালের জিডিপি অনুমান ৪.৯৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ৪.৫৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার করা হয়েছে।

     

  • Women’s Reservation Bill: ‘বিলের বিরোধিতা করলে মূল্য চোকাতে হবে’ নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Women’s Reservation Bill: ‘বিলের বিরোধিতা করলে মূল্য চোকাতে হবে’ নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে জোর দিয়ে বলেন, একটি উন্নত ভারত (Viksit Bharat) শুধুমাত্র পরিকাঠামো বা অর্থনৈতিক অগ্রগতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর কথায়, “আমরা এমন একটি ভারত গড়তে চাই যেখানে ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর মন্ত্র বাস্তবায়িত হবে এবং দেশের ৫০% নারী জনগোষ্ঠী নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশীদার হবে এটি আমাদের সৌভাগ্য যে আজ আমরা দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের জন্য একটি নতুন দিশা নির্ধারণ করতে পারি।”

    বিরোধীদের তুলোধোনা

    মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill) নিয়ে বিরোধীদের তুলোধোনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ২০২৩-এই লোকসভায় (Lok Sabha Debate) মহিলাদের আসন সংরক্ষণ নিয়ে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাশ হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। বৃহস্পতিবার বিলের সংশোধনী নিয়ে আলোচনায় বিরোধীদের কটাক্ষ করে মোদী বললেন, ‘বিলের বিরোধিতা করলে মূল্য চোকাতে হবে।’ শুধু তাই নয়, এই বিলের বিরোধিতার ফলে তিনি রাজনৈতিক সুবিধা পেতে পারেন বলেও বিরোধীদের খোঁচা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে লোকসভার বিশেষ অধিবেশন। আসন পুনর্বিন্যাস এবং মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল পাস করানোই মূল উদ্দেশ্য। ২০২৩ সালে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাশের সময়েই বলা হয়েছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তার পরে ওই আসনের ৩৩ শতাংশ থাকবে মহিলাদের জন্য।

    লোকসভায় মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের বোনেদের উপর আস্থা রাখুন। লোকসভায় তাঁদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করুন।” তিনি স্বীকার করেন যে নারী সংরক্ষণ কার্যকর করতে দেরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “২৫-৩০ বছর আগে এই প্রয়োজন অনুভূত হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা দেরি করেছি।” পাশাপাশি তিনি ভারতীয় গণতন্ত্রকে “Mother of Democracy” আখ্যা দিয়ে বলেন, এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। রাজনৈতিক মতভেদ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, আলোচনার সময় একটি দল ছাড়া অন্য কোনো দল নীতিগতভাবে বিরোধিতা করেনি। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যে দলগুলো নারী সংরক্ষণের বিরোধিতা করেছে, দেশের মহিলারা তাদের ক্ষমা করেননি।” তবে নির্দিষ্ট কোনও দলের নাম করেননি তিনি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা সকলের সাফল্যের ফল। এটা গোটা দেশের সাফল্য। এটা কোনও একটি দলের জয় নয়।” মহিলা সংরক্ষণ বিলে রাজনীতির রং লাগানোর প্রয়োজন নেই বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ দ্রুত কার্যকর

    গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে নারীদের নেতৃত্ব বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গত কয়েক দশকে লক্ষ লক্ষ নারী নেতৃত্বে উঠে এসেছেন, যা দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।” সংসদের এই বিশেষ অধিবেশন (১৬–১৮ এপ্রিল) ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ দ্রুত কার্যকর করার লক্ষ্যে ডাকা হয়েছে। নিজেকে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি থেকে উঠে আসা নেতা বলে পরিচয় দিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘আমি একজন ওবিসি। কিন্তু দেশের সবাইকে নিয়ে চলায় বিশ্বাসী।’ এই বিলের বিরোধিতা করায় বিরোধীদের ‘ক্ষতি’ হলেও তাঁর রাজনৈতিক সুবিধা হতে পারে বলে হাসি মুখে জানান মোদী। তাঁর কথায়, ‘আপনারা এই বিলের বিরোধিতা করলে আমার কিছুটা রাজনৈতিক লাভ হতে পারে। তবে, সবাই যদি একমত হন, গোটা দেশ লাভবান হবে।’

     

     

     

     

     

  • Noida Protests: ধৃতদের অনেকে শ্রমিকই নন! নয়ডার অশান্তি শ্রমিক আন্দোলন নয়, ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’?

    Noida Protests: ধৃতদের অনেকে শ্রমিকই নন! নয়ডার অশান্তি শ্রমিক আন্দোলন নয়, ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডার অশান্তি কোনও শ্রমিক আন্দোলন (Noida Protests) নয়। এটি একটি “সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র” (Well Planned Conspiracy)। অন্তত, এমনই মনে করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক তদন্তে উল্লেখযোগ্যভাবে বহিরাগতদের জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া ৬৬ জনের মধ্যে ৪৫ জনই শ্রমিক নন। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৭ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১১ জনকে। এদের মধ্যে আবার ৮ জনই শ্রমিক নন।

    হিংসায় উসকানি (Noida Protests)

    এদিকে, হিংসায় উসকানি দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে ৩২ জনকে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৯ জনকে। এছাড়াও, শ্রমিক নন, এমন ৩৪ জনকেও আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, অশান্তি সৃষ্টি করতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল তারা। তদন্তকারীরা আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে, সম্ভাবনা রয়েছে সংগঠিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে এদের যোগাযোগ থাকারও। তদন্তকারীরা কিছু গোষ্ঠী এবং বহিরাগত লোকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হিংসায় ইন্ধন জোগানো হয়েছে, চেষ্টা করা হয়েছে আতঙ্ক ছড়ানোরও। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হিংসা — যার মধ্যে অগ্নিসংযোগ এবং পাথর ছোড়াও রয়েছে, শুধুমাত্র শ্রমিক  অসন্তোষের কারণে নয়, বরং নয়ডার অর্থনৈতিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ (Well Planned Conspiracy)। পরিস্থিতি সাময়িকভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে পুলিশ-প্রশাসনের যৌথ হস্তক্ষেপে।

    কারখানাগুলিতে দ্রুত শুরু উৎপাদন

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে আধিকারিকরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, উদ্যোগী হন শ্রমিকদের সমস্যার সমাধানেও (Noida Protests)। এদিকে, মজুরি সংশোধনের ঘোষণা হওয়ার পর শ্রমিক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান উভয় পক্ষই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই কারখানাগুলিতে দ্রুত শুরু হয়েছে স্বাভাবিক কার্যকলাপ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিল্পক্ষেত্রে কাজকর্ম পুরোদমে ফের শুরু হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই চলছে উৎপাদনও (Noida Protests)। জানা গিয়েছে, সরকার “জিরো টলারেন্স” নীতির অধীনে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এও জানিয়ে দিয়েছে, হিংসায় উসকানি দেওয়া বা শিল্প পরিবেশ অস্থিতিশীল করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Well Planned Conspiracy)।

     

  • Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলিমিটেশন, জনগণনা এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন (Religion Based Reservation)। তর্ক-বিতর্কের জেরে এদিন কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কারণ লোকসভায় বিরোধী দল ডিলিমিটেশন বিলের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বিলটিকে ‘সংবিধানবিরোধী’ আখ্যা দেয়, যদিও (Amit Shah) তারা মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করে।

    তিন বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাজবাদী পার্টির (Religion Based Reservation) 

    এদিন, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব জানান, তাঁর দল এই তিনটি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। কারণ ডিলিমিটেশনকে জনগণনা থেকে আলাদা করা হচ্ছে। আজমগড় কেন্দ্রের সাংসদ যাদব বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণি এবং মুসলিম মহিলাদেরও মহিলা সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা উচিত।” তাঁকে সমর্থন করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “আমি বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করি।” তাঁর প্রশ্ন, কেন জনগণনা করা হচ্ছে না? এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “২০২৭ সালের জনগণনার কাজ চলছে এবং সরকার জাতিগত গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ‘সংবিধান-বিরোধী’।” শাহ বলেন, “পুরো দেশ সংসদের কার্যাবলী দেখছে। অখিলেশ যাদব জিজ্ঞাসা করেছেন কেন আমরা জনগণনা করছি না। আমি পুরো দেশকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে যে জনগণনা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতিগত জনগণনার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই (Amit Shah) কাজ করছে… আমি নিশ্চিত করতে চাই যে এটি একটি জাতিগত জনগণনা হবে।”

    মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্র যাদব যা বলেছেন, তা সংবিধান-বিরোধী। আমাদের সংবিধান কখনও ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের অনুমতি দেয় না। মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী… সমাজবাদী পার্টি চাইলে তাদের সব টিকিট মুসলিমদের দিতে পারে (Religion Based Reservation)।” এই বিতর্ক চলাকালীনই অখিলেশ যাদব জানান, শাহের মন্তব্য গণতন্ত্র-বিরোধী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অগণতান্ত্রিক। তাহলে কি আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক মুসলিম মহিলা অন্তর্ভুক্ত নন?” এই সময় লোকসভার স্পিকার বলেন, “উভয় সদস্যকেই তাঁদের মতামত প্রকাশের জন্য সময় দেওয়া হবে (Amit Shah)।” সংসদের বিশেষ অধিবেশনে শাহ এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল পেশ করেন। বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করেন। যদিও বিরোধীদের সাফ কথা, তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী নন। তবে তাঁরা সংবিধান সংশোধনী বিলে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিধানের বিরোধী (Religion Based Reservation)।

     

  • TCS Nashik Controversy: “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও”! টিসিএস নাসিক কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ কর্মীর, বন্ধ হল বিপিও ইউনিট

    TCS Nashik Controversy: “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও”! টিসিএস নাসিক কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ কর্মীর, বন্ধ হল বিপিও ইউনিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (Tata Consultancy Services) বা টিসিএস-এর নাসিকের বিপিও ইউনিটে যৌন হেনস্থা এবং জোর করে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে শোরগোল। একাধিক মহিলা কর্মীর অভিযোগের পর এবার এক পুরুষ কর্মীও সামনে এসে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। ওই কর্মী অভিযোগ করেন, তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে জোর করে নামাজ পড়তে বাধ্য করতেন, কালমা পাঠ করাতেন এবং মাথায় ফেজ টুপি পরতে বাধ্য করতেন। তিনি আরও দাবি করেন, এক অভিযুক্ত তাঁকে কুরুচিকরভাবে বলেন— “সন্তান চাইলে স্ত্রীকে পাঠাও।” অভিনব কায়দায় মহারাষ্ট্রের নাসিকে টিসিএস-এর মধ্যে এই ধর্মান্তর চক্রের হদিশ পায় পুলিশ।

    অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

    ওই কর্মীর অভিযোগ, ২০২২ সালে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর উপর মানসিক ও ধর্মীয় চাপ তৈরি করা হয়। টিম লিডার তৌসিফ আখতার ও সহকর্মী দানিশ শেখ তাঁর উপর অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দিতেন এবং ধর্মীয় আচরণে বাধ্য করতেন বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, এর আগে ২৩ বছর বয়সি এক মহিলা কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া এফআইআরে দানিশ শেখের বিরুদ্ধে জোর করে চুম্বনের চেষ্টা ও বিয়ের চাপ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ধর্মান্তরের চেষ্টা করার অভিযোগও রয়েছে।

    গোপনে তদন্তে মহিলা পুলিশ

    ঘটনার তদন্তে পুলিশ আন্ডারকভার মহিলা অফিসার মোতায়েন করে। টিসিএসের এই অফিসে ছদ্মবেশে মহিলা কন্সটেবলদের ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। গোপন অপারেশন চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, এটি নিছক হয়রানির ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগসূত্র বেরিয়ে এসেছে। যে কারণে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

    ঘটনার সূত্রপাত

    পুরো ঘটনাটির সূত্রপাত হয় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। একজন রাজনৈতিক কর্মী নাসিক পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে দাবি করা হয়, কোম্পানিতে কর্মরত এক হিন্দু মহিলা রমজান মাসে রোজা রাখছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের সন্দেহ হয়। তারা একটি গোপন অভিযান শুরু করে। এই অভিযানটি ধীরে ধীরে একটি বিস্ফোরক রহস্য উন্মোচন করে। পুলিশ সাফাইকর্মীর ছদ্মবেশে মহিলা কনস্টেবলদের কোম্পানির ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়। এরা ক্যাম্পাসের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করেন, যা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে কিছু টিম লিডার তাদের পদের অপব্যবহার করছিলেন। তদন্তে জানা যায়, কর্মীদের টার্গেট করা হচ্ছিল। তাদের মানসিক ও শারীরিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছিল।

    ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিদ্রূপের অভিযোগ

    অভিযোগকারী পুরুষ কর্মী জানান, তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং নিয়মিত রুদ্রাক্ষ মালা পরেন। এই কারণেই তাঁকে বারবার বিদ্রূপ করা হত। হিন্দু দেবদেবী সম্পর্কে কটূক্তি করা হতো বলেও অভিযোগ। তিনি আরও দাবি করেন, একাধিকবার তাঁকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোর করে আমিষ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। তিনি নিরামিষভোজী হওয়ায় আপত্তি জানালে তাঁকে অপমান করা হয়। ২০২৩ সালের ইদের দিনে তাঁকে এক সহকর্মীর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর করে টুপি পরিয়ে নামাজ পড়ানো হয় এবং সেই ছবি অফিসের গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগকারী বলেন, তাঁর নিঃসন্তান জীবন নিয়ে তাঁকে নিয়মিত অপমান করা হত। স্ত্রীকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করা হতো, যা মানসিকভাবে তাঁকে ভেঙে দেয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারার হুমকি দেওয়া হয়। অফিসে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে চাকরি থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়। এমনকি তাঁর অসুস্থ বাবাকে নিয়েও ধর্মান্তরের প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি।

    বিদেশি সংযোগ

    তদন্ত চলাকালীন হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে মালয়েশিয়ায় সন্দেহভাজন ধর্মপ্রচারক ইরমানের নামও প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ ওঠে, ভিডিও কলের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এর থেকেই বোঝা যায়, মামলাটি শুধু স্থানীয় নয়, বরং একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত। তদন্তকারী সংস্থাগুলো এখন এই বিদেশি সংযোগও খতিয়ে দেখছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) অনুসারে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১২ জন ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই সংখ্যা ছিল ৯, কিন্তু তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেকে এগিয়ে এসেছেন। এখনও পর্যন্ত আটজন মহিলা কর্মী ও একজন পুরুষ কর্মী মোট নয়টি এফআইআর দায়ের করেছেন। এই সমস্ত অভিযোগে যৌন হয়রানি, ধর্ষণ এবং ধর্মীয় জবরদস্তির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীদের বয়স আনুমানিক ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। এই ঘটনাগুলো ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলেছিল। এর থেকেই স্পষ্ট যে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এক দীর্ঘস্থায়ী ধারা ছিল।

    এফআইআর-এ কী বলা হয়েছে

    প্রথম এফআইআর-এ দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার এবং নিদা খানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তারা হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক মহিলার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন। দ্বিতীয় এফআইআর-এ রাজা মেমন এবং শাহরুখ কুরেশির বিরুদ্ধে অশালীন আচরণ ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থ এফআইআর-এও একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। শাফি শেখ ও তৌসিফ আখতারের বিরুদ্ধে মহিলা কর্মীদের পিছু নেওয়া, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগও রয়েছে, যা বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। পঞ্চম এফআইআর-এ অভিযোগ করা হয়েছে, কর্মীদের নামাজ পড়তে ও মাংস খেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতেও বাধ্য করা হয়েছিল।

    এফআইআর-এ কাদের নাম

    ষষ্ঠ ও সপ্তম এফআইআর-এও অভিযুক্তদের দ্বারা হয়রানি, পিছু ধাওয়া এবং অশ্লীল মন্তব্যের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলাগুলো স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় একাধিক ব্যক্তি এই নেটওয়ার্কটি পরিচালনা করছিল। অষ্টম ও নবম এফআইআর-এও ক্রমাগত হয়রানি, বিয়ের জন্য চাপ এবং মানসিক চাপের অভিযোগ আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলেন, অভিযুক্তরা তাদের ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাত এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি করত। এতে অনেক কর্মচারী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার, শফি শেখ, রাজা মেমন, শাহরুখ কুরেশি, আসিফ আনসারি, অশ্বিনী চেইনানি এবং নিদা খান। পুলিশ অশ্বিনী চেইনানিকে আটক করেছে, তবে নিদা খান এখনও পলাতক। তাকে খুঁজে বের করার জন্য অভিযান চলছে।

    সাময়িক বন্ধ টিসিএস নাসিকের বিপিও ইউনিট

    তদন্তকারী সংস্থাগুলি বর্তমানে এই মামলায় বিদেশি অর্থ দেওয়া, ব্যাঙ্কে লেনদেন, কল রেকর্ড এবং ডিজিটাল প্রমাণের ওপর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের হয়রানি বা জবরদস্তির কোনও স্থান নেই, বলে জানিয়েছে টিসিএস কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনা সামনে আসার পর টিসিএস নাসিকের বিপিও ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্মীদের ওয়ার্ক-ফ্রম-হোমে পাঠানো হয়েছে।

  • PM Modi: “মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে।” বৃহস্পতিবার (Womens Reservation Bill) সাত সকালে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমাদের মা ও বোনদের প্রতি সম্মানই জাতির প্রতি সম্মান।” বৃহস্পতিবার সংসদে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন শুরুর আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে প্রশাসনে নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    সংসদে শুরু বিশেষ অধিবেশন (PM Modi)

    বস্তুত, এই মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন সংসদে ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের একটি বিশেষ অধিবেশন বসছে, যার লক্ষ্য মহিলা সংরক্ষণ আইন দ্রুত বাস্তবায়িত করা। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ৫৪৩টি আসন বিশিষ্ট লোকসভার সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮৫০ আসনে উন্নীত করার কথাও বলা হয়েছে। মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

    সীমানা নির্ধারণ কমিশন

    সূত্রের খবর, রাজ্যগুলির জন্য প্রায় ৮১৫টি আসন এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য বরাদ্দ করা হতে পারে ৩৫টি। তবে চূড়ান্ত সংখ্যাটি নির্ধারণ করবে আসন পুনর্বিন্যাস কমিশন (Delimitation Commission)। এই কমিশন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনগুলির বণ্টনও নির্ধারণ করবে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে কার্যকর হতে পারে (Womens Reservation Bill)। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আসন বণ্টন হবে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (PM Modi) ভিত্তিতে, যেখানে ২০১১ সালের জনগণনা ব্যবহৃত হবে ভিত্তি হিসেবে। সূত্রের খবর, উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির তুলনায় কম। তাই দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে তুলনামূলক সুবিধা পেতে পারে (PM Modi)। এদিকে, এদিন কেন্দ্রের তরফে তিনটি বিল পেশ করা হবে। এগুলি হল, ডিলিমিটেশন বিল, সংবিধান সংশোধন বিল এবং ইউনিয়ন টেরিটরিজ বিল।

  • Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (Chadha Z Security) দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই নিরাপত্তা দিল্লি ও পাঞ্জাব – দুই রাজ্যেই প্রযোজ্য হবে (AAP)। তাঁর সুরক্ষায় মোতায়েন করা হবে আধাসামরিক বাহিনী। সূত্রের খবর, আপাতত দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে পর্যন্ত চাড্ডাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর তৈরি করা হুমকি মূল্যায়ন রিপোর্টের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

    চাড্ডার জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার (Chadha Z Security)

    পাঞ্জাবের আম আদমি পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর আগের জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দুদিনের মধ্যেই চাড্ডাকে নিরাপত্তা প্রদানের ঘোষণা করল কেন্দ্র। রাজ্য পুলিশের দেওয়া এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ চাড্ডা ও দলের নেতৃত্বের মধ্যে চলা বর্তমান দ্বন্দ্ব। চাড্ডা পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত একজন গুরুত্বপূর্ণ আপ নেতা। এতদিন রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল জেড প্লাস নিরাপত্তা। গত সপ্তাহে এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়, যখন দলের ভেতরের বিরোধ আরও তীব্র হয়। কেন্দ্রের তরফে দ্রুত জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    চাড্ডার প্রতিক্রিয়া

    চাড্ডাকে রাজ্যসভায় আপের ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও এই নিরাপত্তা পরিবর্তনের সঙ্গে মিলে গিয়েছে, যার জেরে দলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (AAP)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চাড্ডা জানান, তিনি পরাজিত নন, বরং তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে—যা দলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট প্রতিবাদ। আপ নেতাদের অভিযোগ, চাড্ডা সংসদে পাঞ্জাবের সমস্যাগুলি যথেষ্ট জোর দিয়ে তোলেননি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নরম অবস্থান নিয়েছেন তিনি। রাঘব গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী কার্যকলাপে অংশ নেননি, যেমন ওয়াকআউট বা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নোটিশে সই করা। চাড্ডা এই অভিযোগগুলি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, একজন সাংসদ হিসেবে তাঁর কাজ হল গঠনমূলকভাবে জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নয়। তিনি দাবি করেন, তাঁর সংসদীয় কাজই তার প্রমাণ (Chadha Z Security)।

    রাঘবের নিশানায় কে

    এদিকে, সম্প্রতি চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সক্রিয় হয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সংসদে তাঁর বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করেছেন, যার একটির শিরোনাম ছিল “ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড (Voice Raised Price Paid)।” একটি পোস্টে রাঘব বলেন, “আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (AAP)।” বস্তুত, রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়িয়েছে রাঘবের একটি মন্তব্য, যেখানে তাঁকে নিজের দল গঠনের পরামর্শ দেওয়া একটি ভিডিওতে তিনি লিখেছিলেন “ইন্টারেস্টিং থট”। তিনি “নেভার আউটসাইন দ্য মাস্টার (Never Outshine the Master)” বাক্যটির উল্লেখ করে একটি ছবি শেয়ার করেন, যা দেখে অনেকেরই ধারণা দলনেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উদ্দেশ্যেই এই ইঙ্গিত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলীয় দ্বন্দ্ব যত গভীর হচ্ছে, ততই রাঘবের ওপর থেকে রাজ্য নিরাপত্তা প্রত্যাহার এবং কেন্দ্রের দ্রুত নতুন নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে (Chadha Z Security)।

  • Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: হিমন্তর বিরুদ্ধে জাল নথির অভিযোগ করেছিলেন, পবন খেরার আগাম জামিনে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস নেতা পবন খেরার (Pawan Khera) জন্য বড় ধাক্কা। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় পবন খেরাকে তেলঙ্গানা হাইকোর্ট যে আগাম জামিন দিয়েছিল, এবার তার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) একটি বেঞ্চ এই নির্দেশ জারি করেছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Supreme Court)

    সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পবন খেরা (Pawan Khera) অভিযোগ করেছিলেন যে, অসমের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা একাধিক দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন এবং তাঁর বিদেশে অঘোষিত সম্পত্তি রয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রিনিকি ভূঁইয়া শর্মা গুয়াহাটি ক্রাইম ব্রাঞ্চে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করেন। জালিয়াতি, মানহানি এবং প্রতারণার অভিযোগে এই মামলা রুজু করা হয়।

    হাইকোর্টের রায় ও সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ (Supreme Court)

    গত ১০ এপ্রিল তেলঙ্গানা হাইকোর্ট পবন খেরাকে (Pawan Khera) এক সপ্তাহের জন্য ‘ট্রানজিট’ আগাম জামিন দিয়েছিল যাতে তিনি অসমের সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করতে পারেন। কিন্তু অসম সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়। আজ শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকারের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। আদালত জানায়, মামলা যেখানে নথিভুক্ত হয়েছে (অসম), সেখানে আবেদন না করে কেন তেলঙ্গানা হাইকোর্টে যাওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা যুক্তি দেন যে এটি ‘ফোরাম শপিং’ (পছন্দমতো আদালত বেছে নেওয়া)-এর নামান্তর। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের জামিনের আদেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

    পরবর্তী পদক্ষেপ

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, পবন খেরা (Pawan Khera) যদি এখন অসমের কোনও উপযুক্ত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন, তবে সুপ্রিম কোর্টের এই স্থগিতাদেশ সেই আবেদনের বিচারে কোনও বাধা হবে না। তবে আপাতত তাঁর রক্ষাকবচ সরে যাওয়ায় আইনি চাপ বাড়ল কংগ্রেস নেতার ওপর।

LinkedIn
Share