Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Khan Sir: আরও ঘনীভূত প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্য, পোস্টমর্টেম নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন

    Khan Sir: আরও ঘনীভূত প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্য, পোস্টমর্টেম নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবিন্দু অ্যাকাডেমির পরিচালক রৌশন আনন্দের ভাই প্রিন্স যাদবের রহস্যজনক মৃত্যুকে (Murder Case) ঘিরে ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে বিতর্ক। রৌশন সরাসরি জনপ্রিয় শিক্ষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ফৈজল খান ওরফে ‘খান স্যারে’র (Khan Sir) বিরুদ্ধে তাঁর ভাইকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। প্রিন্সের পোস্টমর্টেম প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।

    সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা! (Khan Sir)

    রৌশনের দাবি, তাঁর ভাইকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, এবং এর পেছনে খান স্যার ও তাঁর সহযোগীদের ভূমিকা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি পাটনার কদমকুয়াঁ থানায় লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন। দাবি জানিয়েছেন, খান স্যারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নেপালে ঘটায় জুরিসডিকশন সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এফআইআর দায়ের করা হয়নি। ২১ জুন রৌশনের সমর্থক এবং তাঁর ছাত্রছাত্রীরা পাটনা কলেজ থেকে কার্গিল চক পর্যন্ত মোমবাতি মিছিল করেন। তাঁদের দাবি, দ্রুত খান স্যারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করতে হবে।

    পুরনো দ্বন্দ্ব

    উল্লেখ্য, রৌশন ও খান স্যার (Khan Sir) দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। দু’জনেই সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য কোচিং সেন্টার চালান। রৌশনের অভিযোগ, গত ২ জুন পোস্টার সরানোকে কেন্দ্র করে দুই কোচিং সেন্টারের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, তাঁকে ফাঁসানোর জন্য একটি গুলিচালনার ঘটনা সাজানো হয়েছিল। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। রৌশনের আরও অভিযোগ, জেলে থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র করা হয়। সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ তাঁর ভাই প্রিন্সের হত্যাকাণ্ড।

    অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ

    গত ১৩ জুন নেপালের বিরাটনগরের একটি হোটেলের ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রিন্সের দেহ। গুলিচালানোর (Murder Case) মামলায় নাম জড়ানোর পর কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে তিনি গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন নেপালে। রৌশন বলেন, “খান স্যারের (Khan Sir) করা মিথ্যা মামলায় আমায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। আমি জেলে থাকাকালীন আমার ছোট ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রিন্সের জন্য ন্যায়বিচার চাই, এবং দাবি জানাই নিরপেক্ষ তদন্তের।” এদিকে, সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন খান স্যার। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পেছনে তৃতীয় কোনও পক্ষ ষড়যন্ত্র করে থাকতে পারে। খান স্যার বলেন, “রৌশন আনন্দ ও আমার মধ্যে যে বিরোধ চলছে, তার সুযোগ নিয়ে কেউ এই ষড়যন্ত্র করেছে। আমি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। দোষী যে-ই হোক, তার কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতা করতে আমি প্রস্তুত।”

    পোস্টমর্টেম নিয়ে সন্দেহ

    প্রিন্সের পোস্টমর্টেম হয়েছিল নেপালের কোসি হাসপাতালে। পুরো প্রক্রিয়া মাত্র ২০ মিনিটেই শেষ হওয়ায় নতুন করে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।সচরাচর একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্টমর্টেমে হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, লিভার-সহ একাধিক অঙ্গের বিস্তারিত পরীক্ষা করতে ঘণ্টা দুয়েক সময় লাগে। অভিযোগ, প্রিন্সের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া ঠিকঠাক ফলো করা হয়নি। প্রাথমিক রিপোর্টে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন (Khan Sir), মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ভিসেরা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই জানা যাবে মত্যুর প্রকৃত কারণ। বর্তমানে ভিসেরা নমুনা নেপালের ধরান শহরের একটি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

    প্রশ্ন যেখানে

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কোসি হাসপাতালের এক প্রবীণ চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মৃতদেহ প্রথম দেখেই তাঁর কাছে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, পোস্টমর্টেমের সময় কোনও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন না। পুলিশ দ্রুত পোস্টমর্টেম-পর্ব শেষ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিল (Khan Sir)। অভিযোগ অনুযায়ী, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা (Murder Case) হয়নি। যেমন— বিষক্রিয়া পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়নি, অ্যালকোহল টেস্ট হয়নি, ফুসফুস পরীক্ষা করা হয়নি, পরীক্ষা করা হয়নি জিভ। হৃদ্‌যন্ত্র কাটা হলেও, পুরোপুরি খোলা হয়নি, এবং সর্বোপরি, মাথার সম্ভাব্য আঘাতের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়নি এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তবে ঘটনাকে ঘিরে সন্দেহ আরও বেড়েছে।

    বয়ানে অসঙ্গতি!

    প্রিন্সের সঙ্গে নেপালে ছিলেন তাঁর পাঁচ বন্ধুও। প্রথমে তাঁরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, সবাই একসঙ্গে ছিলেন এবং প্রিন্স অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু নেপাল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় বদলে যায় তাঁদের বয়ান। নয়া বয়ানে বলা হয়, ঘটনার সময় শুধুমাত্র লাড্ডু যাদব প্রিন্সের সঙ্গে হোটেলের রুমে ছিলেন। বাকিরা গিয়েছিলেন অন্যত্র। লাড্ডুও প্রথমে নিজেকে রুমের বাইরে বলে দাবি করলেও, পরে কবুল করেন, তিনিও ঘটনাস্থলে ছিলেন (Khan Sir)। বারবার বয়ান পরিবর্তনের কারণে পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নিয়েছে। যদিও তাঁদের সঙ্গে থাকা এক নেপালি সহযোগী জামিন পেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, ঘটনাটি নেপালে ঘটায় তদন্তের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেপাল পুলিশের ওপরই রয়েছে। তাই ভারতীয় পুলিশ সরাসরি তদন্ত করতে পারবে না। চূড়ান্ত ভিসেরা রিপোর্ট এবং মৃত্যুর কারণও নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই প্রকাশ করবে। যদি মৃতের পরিবার তদন্তের ফলে সন্তুষ্ট না হয় (Murder Case), তাহলে তাদের ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে নেপাল সরকারের কাছে আপিল করতে হবে (Khan Sir)।

     

  • BRICS NSA: ব্রিকস নিরাপত্তা উপদেষ্টা বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছলেন ইরানের প্রতিনিধি গাদির নেজামি

    BRICS NSA: ব্রিকস নিরাপত্তা উপদেষ্টা বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছলেন ইরানের প্রতিনিধি গাদির নেজামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস (BRICS) সদস্য দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) ও নিরাপত্তা সংস্থার প্রধানদের বৈঠকে অংশ নিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (Supreme National Security Council) উপ-সচিব গাদির নেজামি সোমবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস এক্স (X)-এ এক পোস্টে জানিয়েছে, ২২-২৩ জুন অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠকে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নেজামি বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করবেন।

    বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    বিদেশমন্ত্রক (MEA) সূত্রে খবর, ২২ ও ২৩ জুন অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। বৈঠকে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির নিরাপত্তা প্রতিনিধিরা ‘বর্তমান বিশ্বের অপ্রচলিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ’ (Non-traditional Security Challenges) বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেবেন। বিদেশমন্ত্রকের মতে, বৈঠকে দ্রুত পরিবর্তনশীল জাতীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি, নতুন প্রযুক্তির কারণে উদ্ভূত নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং সাইবার ও তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক হুমকির মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের বিষয়ে ব্রিকসের যৌথ কর্মগোষ্ঠীগুলির সাম্প্রতিক বৈঠকের ফলাফলও পর্যালোচনা করা হবে।

    কারা কারা রয়েছে এই জোটে

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে ভারত চতুর্থবারের মতো ব্রিকসের সভাপতিত্ব করছে। এর আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত এই দায়িত্ব পালন করেছিল। এবারে ভারতীয় সভাপতিত্বের মূল প্রতিপাদ্য “ বিল্ডিং ফর রেসিলেন্স, ইনোভেশন, কোঅপারেশন অ্যান্ড সাসটেনেবিলিটি ” (Building for Resilience, Innovation, Cooperation and Sustainability), যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২০২৫ সালের রিও শীর্ষ সম্মেলনে উত্থাপিত ‘মানবকেন্দ্রিক ও মানবতার অগ্রাধিকার’ দর্শনের প্রতিফলন বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ব্রিকস জোটে ১১টি উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ রয়েছে— ব্রাজিল (Brazil), রাশিয়া (Russia), ভারত (India), চিন (China), দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa), মিশর (Egypt), ইথিওপিয়া (Ethiopia), ইরান (Iran), ইউনাইটেড আরব এমিরেটস (United Arab Emirates), সৌদি আরব (Saudi Arabia) এবং ইন্দোনেশিয়া (Indonesia)।

    কোন কোন বিষয়ে সহযোগিতা

    ব্রিকসের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জোটটির কার্যক্রম এখন শুধু অর্থনৈতিক সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, অর্থনীতি ও অর্থায়ন, এবং সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ—এই তিনটি মূল স্তম্ভকে কেন্দ্র করে ব্রিকসের কার্যপরিধি ক্রমাগত বিস্তৃত হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ দমন, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, টেলিযোগাযোগ, কৃষি, শ্রম ও কর্মসংস্থান, আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-সংক্রান্ত বিষয়েও ব্রিকস সদস্য দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে।

  • Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    Osman Faizan Ali: নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, চর্চায় প্রবাসী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) সংক্রান্ত বিতর্ককে কেন্দ্র করে ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল (Osman Faizan Ali)। এই বিক্ষোভকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান ফয়জান আলির ভূমিকা নিয়ে।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Osman Faizan Ali)

    প্রতিবাদ কর্মসূচিটি হয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) উদ্যোগে। আন্দোলনটিকে ছাত্র-যুবদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরা হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিভিন্ন পোস্টার ও প্রচারসামগ্রীতে ওসমান ফয়জান আলির ছবি দেখা গিয়েছে। বেশ কয়েকটি প্ল্যাকার্ডে তাঁর পরিচয় হিসেবে লেখা ছিল ‘ইন্ডিয়ান ওসমান ফয়জান আলি – ফ্রম ইউএসএ’। বিক্ষোভকারীর কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, তাঁদের অনেকেই পোস্টারে থাকা ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কয়েকজন আবার জানান, সংগঠকদের কাছ থেকে তাঁরা পোস্টার পেয়েছেন এবং ছবিতে থাকা ব্যক্তির সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই।

    কে এই ওসমান ফয়জান আলি?

    জানা গিয়েছে, ওসমান মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ‘@bbm_india_’-এ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ও নিট ইস্যু নিয়ে একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব কনটেন্টে আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি প্রশাসনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের ইঙ্গিতও উঠে এসেছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। ১ জুন ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দিল্লি পুলিশের উদ্দেশে মন্তব্য করতে গিয়ে ওসমান বিপুল জনসমাগমের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবেগ ও উত্তেজনা উসকে দিতে বড় ভূমিকা নিতে পারে। যদিও ভিডিওতে সরাসরি কোনও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের ডাক দেওয়া হয়নি (Osman Faizan Ali)। সম্প্রতি প্রকাশিত আরও একটি ভিডিওতে তিনি দিল্লি পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানান। তবে সেই ভিডিওতেও আন্দোলন আটকে দিলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান

    ওসমানের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘Button Ballot Movement by Osman Faizan Ali’-এর পুরনো কিছু কনটেন্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় তিনি হায়দরাবাদ ও সেকেন্দ্রাবাদের ভোটারদের এআইএমআইএম (AIMIM) এবং কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থন করার ডাক দিয়েছিলেন। সেই বক্তব্যে বিজেপিকে পরাজিত করার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ককরোচ জনতা পার্টি-সমর্থন এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন সময়ে বিজেপি-বিরোধী অবস্থানকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে অবশ্য ওসমানের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি (CJP)।

    বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমার যুগে দ্রুত বদলাচ্ছে রাজনৈতিক আন্দোলনের চরিত্র। এখন দেশের বাইরে অবস্থান করেও কোনও ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে আন্দোলনের বয়ান গঠন, জনমত প্রভাবিত করা এবং প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রচার করার সুযোগ পাচ্ছেন (Osman Faizan Ali)। যন্তর মন্তরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব কতটা, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা প্রচারসামগ্রীর উৎস সম্পর্কে কতটা সচেতন, এবং সর্বোপরি, বিদেশে থেকে অনলাইন সক্রিয়তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্কে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনায় অনলাইন প্রচার, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং জনআন্দোলনের সম্পর্ক নিয়ে (CJP) আরও বিস্তৃত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Osman Faizan Ali)।

    অতএব, সাধু সাবধান!

     

  • Amit Shah: “হেডগেওয়ারের ‘নেশন ফার্স্ট’ দর্শন আজও ভারতের অগ্রগতির ভিত্তি”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “হেডগেওয়ারের ‘নেশন ফার্স্ট’ দর্শন আজও ভারতের অগ্রগতির ভিত্তি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) প্রতিষ্ঠাতা ড. কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “হেডগেওয়ারের (Amit Shah) ‘নেশন ফার্স্ট’, সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ এবং আত্মবিশ্বাস ও স্বদেশি ভাবনায় গড়ে ওঠা সংগঠিত সমাজের ধারণা আজও ভারতের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।” এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা পরম পূজ্য ড. হেডগেওয়ারজির মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।”

    হেডগেওয়ারের অবদান (Amit Shah)

    হেডগেওয়ারের অবদানের কথা স্মরণ করে শাহ বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি জাতি গঠন ও সামাজিক ঐক্যের লক্ষ্য নিয়ে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।” তাঁর মতে, হেডগেওয়ার ‘নেশন ফার্স্ট’ এবং সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের আদর্শ দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধশালী ও বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্র গঠনের। শাহ বলেন, “হেডগেওয়ার এমন একটি সংগঠিত সমাজের কল্পনা করেছিলেন, যা অস্পৃশ্যতা ও সামাজিক বৈষম্যমুক্ত হবে এবং আত্মবিশ্বাস ও স্বনির্ভরতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ থাকবে। তাঁর সেই স্বদেশি-ভিত্তিক চিন্তাধারাই বর্তমানে ভারতের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে”।

    কী বললেন শাহ?

    হেডগেওয়ারের জীবন ও আদর্শের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “দেশমাতৃকার প্রতি অসীম ভালোবাসা, শৃঙ্খলা ও আত্মনিবেদনের এক অক্ষয় উৎস হল তাঁর জীবন (Amit Shah)।” এদিকে, এদিনই মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার ইচলকরঞ্জিতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি বলেন, “এক সময় ভারতে একটি গুলিও তৈরি হত (RSS) না। আজ আমরা ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছি, এবং আত্মনির্ভর ভারতের শক্তি নিয়ে বিশ্বের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।” তিনি জানান, মোদি সরকারের আমলে আধুনিক এবং আরও শক্তিশালী করে তোলা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীকে (Amit Shah)।

     

  • PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “সামুদ্রিক শক্তি ছাড়া কোনও দেশ মহাশক্তিধর হতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সমুদ্রভিত্তিক সক্ষমতা ছাড়া কোনও দেশ কখনও মহাশক্তিধর হয়ে উঠতে পারে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর কথায়, “উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি—এই তিনটি ক্ষেত্রই সমুদ্রের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত (Maritime Co-operation)।” রবিবার কলকাতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক দেশীয় যুদ্ধজাহাজ—আইএনএস দুনাগিরি (INS Dunagiri), আইএনএস সংশোধক (INS Sanshodhak) এবং আইএনএস আগ্রয় (INS Agray)-এর কমিশনিং অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    ভারতের দৃষ্টিতে সমুদ্র (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত বরাবরই সমুদ্রকে সহযোগিতার মাধ্যম হিসেবে দেখেছে। তবে শান্তি রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও সমানভাবে জরুরি।” তাঁর মতে, সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হল নিরাপত্তা এবং আত্মনির্ভরতা ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। এই ভাবনার প্রতীক হিসেবেই তিনটি নতুন যুদ্ধজাহাজ ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর আগে কলকাতায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে এসে যোগ দেন এই কমিশনিং অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ভারতের নবজাগরণ ও চিন্তাধারাকে নতুন দিশা দিয়েছে এবং সমুদ্রপথে ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে।”

    বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস

    তিনি মনে করিয়ে দেন, ২১ জুন বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস হিসেবেও পালিত হয়। এমন দিনে ভারতের অন্যতম আধুনিক হাইড্রোগ্রাফিক জাহাজ আইএনএস সংশোধককে নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথেই হয়। আন্তর্জাতিক তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ডেটা নেটওয়ার্কও সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বিস্তৃত। ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, গভীর সমুদ্রের সম্পদ এবং নতুন শক্তির উৎসও সমুদ্রকেন্দ্রিক হবে। ফলে যে দেশ সমুদ্রশক্তিতে এগিয়ে থাকবে, তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাবও তত বেশি হবে (PM Modi)।

    আত্মনির্ভর ভারতের পথে আরও একধাপ

    তিনি বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই নিজের নৌ-ক্ষমতা বৃদ্ধির পথে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। আইএনএস বিক্রান্তকে দেশের উদ্দেশে উৎসর্গ করার মাধ্যমে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির নয়া অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। সেই যাত্রার ধারাবাহিকতায় আইএনএস আগ্রয়, আইএনএস দুনাগিরি এবং আইএনএস সংশোধক ভারতকে আরও আত্মনির্ভর এবং শক্তিশালী করে তুলবে।” জানা গিয়েছে (Maritime Co-operation), ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নকশা ব্যুরো এবং কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের তৈরি এই তিন জাহাজ সমুদ্রযুদ্ধ, হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা এবং সাবমেরিন-বিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশীয় প্রযুক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতার কংক্রিট উদাহরণই হল এই তিন জাহাজ (PM Modi)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু সমাজকে ঘিরে বিতর্ক, হামলায় ব্যাপক উত্তেজনা

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দু সমাজকে ঘিরে বিতর্ক, হামলায় ব্যাপক উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও (Roundup week) মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। এদিকে, ভারত ও বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়কে ঘিরে একাধিক ঘটনা নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্য, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ, সাংস্কৃতিক বিতর্ক, নারী নির্যাতন এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ১৪ থেকে ২০ জুন, ২০২৬ – এই সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ককরোচ জনতা পার্টি (Hindus Under Attack)

    ভারতে সম্প্রতি আত্মপ্রকাশ করা রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (CJP) মুখপাত্র বিজেতা দাহিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে নির্মিত একটি হরিয়ানভি মিউজিক ভিডিও নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর মালিকানাধীন ‘আনম্যাড আর্টওয়ার্কস’ (Unmaad Artworks) প্রযোজিত ‘ভোলে কাটিং কারা লে’ (Bhole Cutting Kara Le) নামের ভিডিওতে ভগবান শিব ও দেবী পার্বতীকে অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

    আর্যভট্টকে তাচ্ছিল্য!

    এদিকে, অ্যামাজন ইন্ডিয়ার কুইক-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘অ্যামাজন নাও’ (Amazon Now) -এর একটি বিজ্ঞাপনী প্রচার নিয়েও তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, ওই বিজ্ঞাপনে প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্টকে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। বিষয়টি ঘিরে আইনি নোটিশ, পুলিশ অভিযোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

    হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত

    কর্নাটকে অধ্যাপক কেএস ভগবানের বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি (HJS)। এক জনসভায় তিনি ভগবান শ্রীরাম এবং হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সংগঠনের দাবি, এসব মন্তব্য কোটি কোটি হিন্দুর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছে।

    ধর্মান্তরের অভিযোগ তরুণী বধূর

    মহারাষ্ট্রের নাগপুরে বছর চব্বিশের এক বিবাহিত তরুণী ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল, তোলাবাজি এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ এনে (Roundup week) পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও এক অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    ওয়েব সিরিজ বিতর্ক

    এদিকে, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘Raakh’ ওয়েব সিরিজ নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের দাবি, ১৯৭৮ সালের রঙ্গা-বিল্লা হত্যাকাণ্ড থেকে অনুপ্রাণিত হলেও, সিরিজটিতে বাস্তব চরিত্রগুলির ধর্মীয় ও সামাজিক পরিচয় বদলে দেওয়া হয়েছে। অভিনেতা প্রকাশ রাজকেও ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের একাংশের দাবি, তিনি নিজেকে হিন্দুবিরোধী নন, বরং সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদী রাজনীতির বিরোধী হিসেবে উপস্থাপন করলেও তাঁর বিভিন্ন মন্তব্যে সেই অবস্থানের সঙ্গে অসঙ্গতি দেখা গিয়েছে।

    বাংলাদেশের ছবি

    অন্যদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী ও সংগঠনের দাবি, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, নারী নির্যাতন (Hindus Under Attack) ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের মতো ঘটনা সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

    হিন্দু ব্যবসায়ী পরিবারে হামলা

    বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় রিপন মণ্ডল নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ী ও তাঁর বৃদ্ধা মায়ের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল দিনের বেলায় তাঁর প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। ঘটনায় অন্তত চারজন জখম হন। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে রিপনকে।

    বন্ধ রাম মূর্তি নির্মাণ কাজ

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুরে অবস্থিত (Roundup week) শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে নির্মাণাধীন দেশের সম্ভাব্য বৃহত্তম ভগবান শ্রীরামের মূর্তি নির্মাণের কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষই এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন (Hindus Under Attack)।

     

  • NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ এর রি-টেস্ট আজ, রবিবার (NEET Re Exam)। ২২ লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভর্তি-প্রত্যাশী অংশ নেন এই পরীক্ষায়। এই পরীক্ষাটি কেবল পরীক্ষার্থীদের জন্যই নয়, এনটিএ (National Testing Agency) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ (Security)। কারণ মে মাসে হওয়া পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং পরবর্তীকালে পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছিল আস্থার সঙ্কট। সেই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতেই এবার ছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

    কড়া নিরাপত্তায় পরীক্ষা (NEET Re Exam)

    প্রশ্নফাঁস বিতর্কের জেরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, ছাত্রদের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কেন্দ্র জানিয়েছিল, স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েই আগের পরীক্ষা বাতিল করে ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সেই মতো হয় রি-টেস্ট। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের তিন ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হলেও, বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীরা পায় অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ৫ মিনিট। এনটিএর তরফে পরীক্ষার্থীদের দুপুর দেড়টার মধ্যেই পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আগেই। এদিন যাচাই করা হচ্ছে অ্যাডমিট কার্ড, বৈধ পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট সাইজের দু’টি ছবি। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনও পরীক্ষার্থীকেই যে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না, তাও আগেই জানিয়ে দিয়েছিল পরীক্ষক সংস্থা। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে সেগুলি বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়।  দেশজুড়ে ৫,৪৪০টি পরীক্ষাকেন্দ্র এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট ৫৫১টি শহরে এই পরীক্ষা হচ্ছে।

    ব্রজ্র আঁটুনি

    এনটিএ জানিয়েছে, ৯৫ হাজারেরও বেশি পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মোট ১,৩৮,৫৬০টি সিসিটিভি ক্যামেরার লাইভ ফিড জাতীয়, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে পর্যবেক্ষণ করা (Security) হচ্ছে। ইলেকট্রনিক জালিয়াতি রুখতে ৫১,৩১১টি জ্যামার মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা এবং ডাক বিভাগের কর্মীরাও নিরাপত্তা এবং লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত রয়েছেন (NEET Re Exam)। প্রতি পরীক্ষাকেন্দ্রে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পরীক্ষাকক্ষে থাকছেন দু’জন করে ইনভিজিলেটর। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে রয়েছেন ১০ জনেরও বেশি অতিরিক্ত পরীক্ষাকর্মী। পরীক্ষার্থীদের পরিচয়পর্ব যাচাই আরও কড়া করা হয়েছে। প্রায় ৩৮,৭৯৫ জন ফ্রিস্কিং স্টাফ এবং ৪৮,৪৪৮ জন বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের পাশাপাশি ফেস অথেনটিকেশন ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। এনটিএর নির্দেশ মতো প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে একজন করে সেন্টার সিস্টেমস অফিসার (CSO) থাকছেন। তিনি দিনভর সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার দ্রুত সমাধান করবেন।

    সংস্থার প্রধান লক্ষ্য

    এদিকে, পরীক্ষার ঠিক আগের দিন একটি ঘটনাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। নাগপুরের এক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র আবুধাবিতে। যদিও, ওই পরীক্ষার্থীর দাবি, পছন্দের কেন্দ্র হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন নাগপুর, ওয়ার্ধা এবং ভান্ডারা শহরকে (NEET Re Exam)। অভিযোগ ওঠার পর দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে এনটিএ জানায়, পরীক্ষার্থীর নিজস্ব লগইন থেকেই কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছিল, এবং সেই অনুযায়ীই আবুধাবি কেন্দ্র বরাদ্দ হয়েছিল। পরে অনুরোধ পাওয়ার পর তাঁকে নাগপুরেই নতুন কেন্দ্র দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কোনও পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা যেন নষ্ট না হয়, সেটাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

    রাহুলের বার্তা

    এদিকে, প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রকে সতর্ক করেছেন (NEET Re Exam)। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি আশা করি তোমাদের পরীক্ষা খুব (Security) ভালো হবে। আমরা তোমাদের পাশে আছি এবং তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাই।” কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রাহুল বলেন, “দয়া করে নিশ্চিত করুন, এবার যেন কোনও গলদ না হয়। ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে (NEET Re Exam)।”

     

  • Baby Trafficking: দিল্লিতে নবজাতক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস, হাসপাতাল মালিক-সহ গ্রেফতার ৪

    Baby Trafficking: দিল্লিতে নবজাতক পাচার চক্রের পর্দাফাঁস, হাসপাতাল মালিক-সহ গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র চার-পাঁচ দিনের নবজাতককে দরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে কিনে বা বিভিন্নভাবে জোগাড় করে কয়েক লক্ষ টাকায় নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে বিক্রি (Baby Trafficking) করত একটি পাচারচক্র। দিল্লি পুলিশের অভিযানে সেই চাঞ্চল্যকর শিশু পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়ে (Delhi) গিয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে বেসরকারি ওই হাসপাতালের মালিক-সহ ৪জনকে। উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচ নবজাতককে।

    শিশুর দর (Baby Trafficking)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশু কন্যা হলে বিক্রি হত ৩ থেকে ৪ লাখ টাকায়, ছেলে হলে এটাই হয়ে যেত ডবল। পুত্র শিশুকে বিক্রি করা হত ৬ থেকে ৮ লাখ টাকায়। গরিব পরিবারের কাছ থেকে কন্যাশিশুকে প্রায় ১ লাখ এবং ছেলে শিশুকে প্রায় ২ লাখ টাকার বিনিময়ে জোগাড় করা হত বলেই জেনেছেন তদন্তকারীরা।

    কীভাবে পর্দাফাঁস?

    মধ্য দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকার এক বাসিন্দা পুলিশকে জানান, এক মহিলা নিয়মিত এলাকায় বিভিন্ন নবজাতককে নিয়ে আসছেন এবং প্রতিবারই শিশুটি আলাদা। সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশের এক মহিলা অফিসার ক্রেতা সেজে ওই মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ২০ হাজার টাকা অগ্রিম দিয়ে একটি শিশুর জন্য চুক্তি হয়। শিশুটি হস্তান্তরের সময় অভিযুক্ত জ্যোতি ওরফে কমলেশকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। কমলেশকে জেরা করে পুলিশ জানতে পারে (Baby Trafficking), রাজস্থান ও গুজরাটের দরিদ্র পরিবার থেকে নবজাতক সংগ্রহ করে সেগুলি দিল্লির মাধ্যমে হরিয়ানা ও মধ্যপ্রদেশের নিঃসন্তান দম্পতিদের কাছে বিক্রি করা হত। এরপর একে একে গ্রেফতার করা হয় শালু, ললিত, প্রতিভা ও বিপিনকে। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা নগদও উদ্ধার হয়েছে। দু’সপ্তাহের তদন্তের পর এক মাসেরও কম বয়সী পাঁচ শিশুকে (Delhi) উদ্ধার করে পুলিশ।

    পাচারচক্রের প্রধান পীঠস্থান

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, পশ্চিম দিল্লির রোহিণীর বেগমপুর এলাকায় অবস্থিত হীরা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল এই পাচারচক্রের প্রধান পীঠস্থান হিসেবেই কাজ করত। হাসপাতালের মালিক বিবেকীই এই পাচারচক্রের মূল হোতা বলেই দাবি পুলিশের। অভিযোগ, হাসপাতালেই শিশুদের রাখা হত, পরে সুযোগ বুঝে মা এবং সেখান থেকেই ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হতো। পাশাপাশি জন্মসনদ, প্রসব সংক্রান্ত নথি ও অন্যান্য সরকারি কাগজপত্র (Baby Trafficking) জাল করে দেখানো হত যে, শিশুগুলির জন্ম হয়েছে ওই হাসপাতালেই। পুলিশ গুজরাটের সাবরকাঁঠা থেকে সবাভাই ঘামার ওরফে কালিয়াকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে রাজস্থানের পালি ও গুজরাটের বিভিন্ন এলাকা থেকে গরিব পরিবারের নবজাতক সংগ্রহ করে দিল্লির এই চক্রের হাতে তুলে দিত।

    জৈবিক বাবা-মায়ের খোঁজ

    পুলিশ এখন উদ্ধার হওয়া শিশুদের জৈবিক বাবা-মায়ের খোঁজ করছে। যদি প্রমাণিত হয় যে তারা স্বেচ্ছায় সন্তান বিক্রি করেছেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, গত এক বছরে অন্তত ৩০ জন নবজাতককে পাচার করেছে এই চক্র। ইতিমধ্যেই হরিয়ানার পানিপথ এবং মধ্যপ্রদেশের গ্বালিয়রের কয়েকজন ক্রেতা দম্পতিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে (Baby Trafficking)।জানা গিয়েছে, এক দম্পতিকে একটি ছেলে ও একটি শিশুকন্যা ‘যমজ’ বলে পরিচয় দিয়ে মোট ৯ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। পরে (Delhi) জানা যায়, শিশুদুটি আলাদা আলাদা জায়গা থেকে জোগাড় করা হয়েছিল, তারা আদৌ যমজ ছিল না। উদ্ধার হওয়া পাঁচ নবজাতককে আপাতত চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির (CWC) তত্ত্বাবধানে পালনা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেই খবর (Baby Trafficking)।

     

  • Assam: অসমে প্রথমবার ভারত-জাপান শীর্ষ বৈঠক, খুলছে উত্তর-পূর্বে উন্নয়ন-লগ্নির নতুন দোর!

    Assam: অসমে প্রথমবার ভারত-জাপান শীর্ষ বৈঠক, খুলছে উত্তর-পূর্বে উন্নয়ন-লগ্নির নতুন দোর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কূটনৈতিক ইতিহাসে সূচনা হতে চলেছে এক নয়া অধ্যায়ের। এই প্রথমবার রাজধানী নয়াদিল্লির বাইরে অসমের (Assam) গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারত-জাপান বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলন (Japan Summit)। জুলাই মাসেই জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি অসম সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে অংশ নেবেন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে।

    ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’ (Assam)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’ আরও গতি পাবে এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে আন্তর্জাতিক স্তরে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও যোগাযোগের প্রবেশদ্বার হিসেবে দেখা হয়। ফলে গুয়াহাটিতে এই শীর্ষ বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে জাপান, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পরিকাঠামোগত সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর ফলে অসম-সহ গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলেই অনুমান। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে অসমকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হবে। রাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ, দক্ষ যুবশক্তি এবং দ্রুত উন্নয়নশীল পরিকাঠামো বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর

    জাপান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সংযোগ বৃদ্ধি পেলে পরিবহণ ব্যয় ও সময় কমবে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যের পক্ষে একটা বড় সমস্যার সমাধানে করবে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সানায়ে তাকাইচির এটি হবে প্রথম ভারত সফর। তাঁর সঙ্গে ভারতে আসবেন ৫০ জনেরও বেশি শীর্ষ শিল্পপতি ও কর্পোরেট প্রতিনিধি। প্রতিনিধি দলে থাকবেন সুজুকি মোটরের প্রেসিডেন্ট তোশিহিরো সুজুকি, ইতোচু কর্পোরেশন এবং টয়োটা সুশোর শীর্ষ আধিকারিকরাও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও সানায়ে তাকাইচির বৈঠকে শুধু পরিকাঠামো নয়, সেমিকন্ডাক্টর, উন্নত প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন, সাপ্লাই চেন (Japan Summit) রেজিলিয়েন্স, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা হতে পারে (Assam)। এই বৈঠকের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতে উৎপাদন শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে নয়া  বিনিয়োগের দ্বার খুলে দিতে পারে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    আরও বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা

    ইতিমধ্যেই জাপান অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতে একাধিক পরিকাঠামো, এবং যোগাযোগ প্রকল্পে সহযোগিতা করছে। ২০২৩ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভারত সফরে ঘোষিত ‘বে অফ বেঙ্গল–নর্থইস্ট ইন্ডিয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভ্যালু চেন কনসেপ্ট’ উত্তর-পূর্ব ভারতকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উৎপাদন ও লজিস্টিক্স কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছিল। এদিকে, টাটা গোষ্ঠীর সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি ইউনিট, রিলায়েন্সের ডেটা সেন্টার এবং আদানি গোষ্ঠীর বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো বড় শিল্প লগ্নি শুরু হয়েছে অসমে। ফলে জাপানি সংস্থাগুলির আরও বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে (Assam)। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি ভারত-জাপান অংশীদারিত্ব উত্তর-পূর্ব ভারতে নিরাপত্তা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে অসম এবং সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও কৌশলগত মানচিত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করবে, এবং (Japan Summit) জাপান আত্মপ্রকাশ করবে এই অঞ্চলের (Assam) অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে।

     

  • FATF: সন্ত্রাসে অর্থ জোগান রুখতে ভারতের হাতে বড় শক্তি, বিশ্ব নজরদারি সংস্থার শীর্ষপদে বিবেক আগরওয়াল

    FATF: সন্ত্রাসে অর্থ জোগান রুখতে ভারতের হাতে বড় শক্তি, বিশ্ব নজরদারি সংস্থার শীর্ষপদে বিবেক আগরওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের শীর্ষ আর্থিক নজরদারি সংস্থা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (Financial Action Task Force/ FATF)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব বিবেক আগরওয়াল (Vivek Aggarwal)। এই প্রথম ভারত থেকে কেউ এই পদে অধিষ্ঠিত হল। এই সংস্থা বিশ্বজুড়ে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এর ফলে আন্তর্জাতিক স্তরে সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগান ও মানি লন্ডারিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় সাফল্য পেল ভারত। এই নিয়োগকে ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কে এই বিবেক আগরওয়াল

    বিবেক আগরওয়াল মধ্যপ্রদেশ ক্যাডারের ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার। তিনি অতীতে এফএটিএফ-এ ভারতীয় প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন। ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (FIU)-এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বিবেক। সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন চিহ্নিত করা এবং মানি লন্ডারিং রোধে এফআইইউ দেশের প্রধান সংস্থা।২০২৪ সালে যখন ভারতের সর্বশেষ পারস্পরিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, তখন তিনি কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    ভারতের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি

    সরকারি সূত্রের মতে, আগরওয়ালের নির্বাচন আন্তর্জাতিক মহলে সন্ত্রাসে অর্থ জোগান, মানি লন্ডারিং এবং অন্যান্য আর্থিক অপরাধ মোকাবিলায় ভারতের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। দীর্ঘদিন ধরেই ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পক্ষে সওয়াল করে আসছে এবং এফএটিএফ-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে সীমান্তপারের সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে এসেছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আগরওয়ালের নির্বাচনকে ভারতের জন্য একটি “বড় জয়” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর কথায়, এই নেতৃত্বের ভূমিকা বৈশ্বিক সন্ত্রাসী অর্থায়ন নেটওয়ার্কগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের নিরলস প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করে। তিনি বলেন, “ভারত যেহেতু সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য-সহনশীলতা নীতি অব্যাহত রেখেছে, এই নেতৃত্বের ভূমিকা বৈশ্বিক সন্ত্রাসী অর্থায়ন নেটওয়ার্কগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই এবং অবৈধ আর্থিক ব্যবস্থাগুলো ভেঙে ফেলার ওপর আমাদের নিরলস মনোযোগকে আরও জোরদার করে”। জয়সওয়াল বলেছেন, ভারতীয় এফএটিএফ প্রতিনিধিদলের প্রাক্তন প্রধান হিসেবে আগরওয়ালের ‘গভীর দক্ষতা’ আর্থিক অখণ্ডতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংস্থাটির ম্যান্ডেটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    ঐতিহাসিক নিয়োগ

    কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক এই নিয়োগটিকে একটি “ঐতিহাসিক” নিয়োগ বলে অভিহিত করেছে। এটি ২০০টিরও বেশি অধিক্ষেত্রে ভারতের অর্জিত বিপুল আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতারই প্রতিফলন, যা ডিজিটাল পেমেন্ট ও ভার্চুয়াল অ্যাসেটের মতো উদীয়মান ঝুঁকি বিষয়ে বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে দেশটির সক্রিয় ভূমিকাকে তুলে ধরে। এই অর্জন ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক অখণ্ডতার প্রতি যৌথ অঙ্গীকারের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে। অর্থ মন্ত্রক এই ঘটনাটিকে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াইয়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান নেতৃত্বের একটি “ঐতিহাসিক স্বীকৃতি” হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

    এফএটিএফ কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    এফএটিএফ (FATF) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন রোধে বৈশ্বিক মানদণ্ড নির্ধারণ করে। সদস্য দেশগুলির আইন ও ব্যবস্থার মূল্যায়ন করে সংস্থাটি। পাশাপাশি, যারা আন্তর্জাতিক মান পূরণে ব্যর্থ হয়, তাদের ‘গ্রে লিস্ট’ বা ‘ব্ল্যাক লিস্ট’-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেক আগরওয়াল এফএটিএফ (FATF)-এর নীতি নির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁর অভিজ্ঞতা ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে, বিশেষ করে সীমান্তপারের সন্ত্রাসে অর্থ জোগান এবং সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের আর্থিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে।

    বিবেকের প্রতিক্রিয়া

    নিয়োগের পর এক বিবৃতিতে বিবেক আগরওয়াল বলেছেন যে, “এই নিয়োগটি ভারতের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং আমাদের অর্থ পাচার বিরোধী ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন বিরোধী শক্তিশালী কাঠামোর স্বীকৃতি। এই দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে আমি গভীরভাবে সম্মানিত এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থাকে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল রাখতে এফএটিএফ গ্লোবাল নেটওয়ার্কের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি।”

    ভারতের প্রশংসা

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের নভেম্বরে এফএটিএফ (FATF) তাদের “Asset Recovery Guidance and Best Practices” প্রতিবেদনে ভারতের সম্পদ পুনরুদ্ধার ব্যবস্থার প্রশংসা করেছিল। সংস্থাটি এনফোর্সমেনট ডিরেক্টরেট (ED)-কে অপরাধ ও মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি আদর্শ সংস্থা হিসেবে উল্লেখ করেছিল। সম্পত্তি পুনরুদ্ধার নির্দেশিকা সংক্রান্ত এফএটিএফ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। সেই রিপোর্টে অপরাধ এবং আর্থিক নয়ছয়ের সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তি কার্যকর ভাবে বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে ভারতের পদ্ধতিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে ভারতের যে আইনি বিধান রয়েছে, তারও প্রশংসা করেছে এফএটিএফ। এ ছাড়াও, তারা জানিয়েছে, ইডির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নীল নকশা অনেক বেশি গোছানো, প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধ। এফএটিএফ ভারতের আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের প্রশংসা করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, এই সংক্রান্ত বিধান কোনও অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেই অপরাধে যুক্ত অর্থ এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ‘সবুজ সঙ্কেত’ দেয়। ভারতের বিভিন্ন কার্যকর তদন্তকারী সংস্থা নিজেদের মধ্যে যে সমন্বয় করে কাজ করে, তা যথেষ্ট প্রশংনীয়। এই সমন্বয়ের কথা বলতে গিয়ে এফএটিএফ সিবিআই, ইডি এবং ভারতের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের (এফআইউ-আইএনডি) উল্লেখ করেছে। আর্থিক অপরাধ শুধু খুঁজে বার করা নয়, তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ এবং বিচারব্যবস্থাকে একত্রীভূত করাকে ‘মডেল’ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।

    কড়া নজরে পাকিস্তান

    বিশ্বের কোনও দেশের আর্থিক মদতে সন্ত্রাস বা জঙ্গি কার্যকলাপ হচ্ছে কি না, তার উপর কড়া নজর রাখে এফএটিএফ। তাদের রিপোর্ট সব সময়ই গুরুত্ব পায়। কোনও দেশকে আর্থিক সাহায্য বা ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে এফএটিএফ-এর মতামত খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানকে দীর্ঘ দিন ধরে ধূসর তালিকাভুক্ত করে রেখেছিল এফএটিএফ। ২০২২ সালে ওই তালিকা থেকে মুক্ত করা হয় পাকিস্তানকে। তার পরেও এই সংক্রান্ত নজরদারি থেকে তারা মুক্ত নয় বলে পাকিস্তানকে সতর্ক করেছে এফএটিএফ।

LinkedIn
Share