Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Santhali Language: ঝাড়খণ্ডে অলচিকি লিপির শতবর্ষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Santhali Language: ঝাড়খণ্ডে অলচিকি লিপির শতবর্ষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) জামশেদপুরে অনুষ্ঠিত হল ২২তম পারসি মহা সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। একই সঙ্গে পালিত হল সাঁওতালি ভাষার (Santhali Language) ‘অলচিকি’ লিপির শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মাতৃভাষার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, অন্যান্য ভাষা শেখা অবশ্যই প্রয়োজনীয়। তবে নিজের মাতৃভাষা শেখা এবং তা চর্চা করা প্রত্যেক মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    মাতৃভাষার গুরুত্ব (Santhali Language)

    রাষ্ট্রপতি সাঁওতালি ভাষায় বক্তব্য রাখেন। বলেন, “সব ভাষা শেখায় কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু কখনওই নিজের মাতৃভাষাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। নিজের মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় সব সময় মাতৃভাষায়ই কথা বলার চেষ্টা করা উচিত।” রাষ্ট্রপতি সাঁওতালি ভাষার অলচিকি লিপির স্রষ্টা পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মুকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সাঁওতালিদের নিজস্ব ভাষা থাকা সত্ত্বেও ১৯২৫ সালের আগে উপযুক্ত লিপির অভাবে বিভিন্ন লিপি ব্যবহার করতে হত। এর ফলে অলচিকি ব্যতীত অন্য লিপিতে বহু সাঁওতালি শব্দের সঠিক উচ্চারণ করা সম্ভব হত না। তিনি বলেন, অলচিকি লিপি শুধু একটি লিখন পদ্ধতি নয়, এটি সাঁওতালি সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। এই লিপির শতবর্ষ উদযাপন সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণে এক গুরুত্বপূর্ণ (Santhali Language)  মাইলফলক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    আদিবাসী সমাজের জাগরণ

    রাষ্ট্রপতি বলেন, অলচিকি লিপি চালু হওয়ার পর থেকে এটি সাঁওতালি জনগোষ্ঠীর পরিচয়ের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে এই লিপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Jharkhand)। তিনি জানান, সম্প্রতি তিনি অলচিকি লিপিতে লেখা সাঁওতালি ভাষায় ভারতের সংবিধান প্রকাশ করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে সাঁওতালি ভাষাভাষী মানুষরা এবার তাঁদের মাতৃভাষায় ভারতের সংবিধান পড়তে ও বুঝতে পারবেন, যা গণতান্ত্রিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক (Santhali Language) হবে। আদিবাসী সমাজের জাগরণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই সম্প্রদায়গুলিকে সচেতন করার ক্ষেত্রে লেখক ও সাহিত্যিকদের বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি লেখকদের তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে আদিবাসী সমাজকে জাগ্রত করার আহ্বানও জানান (Jharkhand)।

    আদিবাসী সমাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ

    রাষ্ট্রপতি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষভাবে সংবেদনশীল আদিবাসী গোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য ২৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থ আদিবাসী সমাজের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই আশা তাঁর (Santhali Language)। পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের জন্য আদিবাসী সমাজের প্রশংসায়ও পঞ্চমুখ রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে ঠিকই, তবে সেই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু ১৯২৫ সালে শুরু করা ঐতিহাসিক অল চিকি আন্দোলনের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করা হয় (Santhali Language)। দিনের পরবর্তী পর্বে রাষ্ট্রপতি জামশেদপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ১৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও যোগ দেন।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে তিন দিনের ঝাড়খণ্ড সফরে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি। রবিবার তিনি পৌঁছন ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে। সফরের শেষ দিন (Jharkhand), আজ মঙ্গলবারে গুমলায় আন্তঃরাজ্য জনসাংস্কৃতিক সমাগম সমারোহ–কার্তিক যাত্রা অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার কথা (Santhali Language) রয়েছে তাঁর।

  • Rashtriya e-Pustakalaya: ৬০০০-এর বেশি ই-বুক, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের বিরাট মাইল ফলক

    Rashtriya e-Pustakalaya: ৬০০০-এর বেশি ই-বুক, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের বিরাট মাইল ফলক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রকের (Minister of Education) বিনামূল্যে ডিজিটাল লাইব্রেরি রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় (Rashtriya e-Pustakalaya) ৬,০০০-এরও বেশি ই-বুকের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সের শিশু ও যুবকদের জন্য বহুভাষিক সাহিত্যে অফুরন্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় ডিজিটাল লাইব্রেরি শিক্ষা মন্ত্রকের এক বড় পদক্ষেপ। এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আনন্দময় এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত শিক্ষার প্রতি ভারত সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ দেয়।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Minister of Education) ধর্মেন্দ্র প্রধান কর্তৃক চালু করা রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় শিক্ষা মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের অধীনে তৈরি করা হয়েছে এবং এর মূল লক্ষ্য দেশের শিশু ও যুব সমাজ। এটি কেবল একটি ডিজিটাল ভান্ডার নয়, বরং পড়ার আনন্দকে পুনরায় জাগিয়ে তুলতে, কৌতূহল বাড়াতে এবং ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক ঐতিহ্যের প্রতি গর্ববোধ জাগানোর জন্য একটি জাতীয় আন্দোলন হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    অ্যাপে পড়া যায় (Rashtriya e-Pustakalaya)

    ২০২৬ সালের নতুন দিল্লি বিশ্ব বইমেলায় এই প্ল্যাটফর্মটি তার বইয়ের ক্রমবর্ধমান সংগ্রহ প্রদর্শন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যে রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়গুলি কল্পনা, আবিষ্কার এবং শেখার প্রবেশদ্বারে রূপান্তরিত করেছে। একটি সাধারণ অ্যাপ ডাউনলোডের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এমন এক জগতে প্রবেশ করতে পারে যেখানে গল্প, জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গায় এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

    রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় (Rashtriya e-Pustakalaya) একটি বিরাট ডিজিটাল লাইব্রেরি হিসেবে কাজ করছে। তাতে কল্পকাহিনি, অলৌকিক কাহিনি, কমিকস, ছড়া, ছবির বই এবং শিল্প ও সংস্কৃতি, ভ্রমণ ও অন্বেষণ ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিস্তৃত বইগুলিতে সীমাহীন প্রবেশাধিকার সরবরাহ করে। পড়ুয়াদের আগ্রহ এবং পড়ার প্রতি যত্ন সহকারে তৈরি করা এই প্ল্যাটফর্মটি শিক্ষা কেবল শ্রেণীকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না। প্রতিটি হৃদয়ে প্রসারিত হয়। জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, লাইব্রেরিটি সুচিন্তিতভাবে চারটি বয়স-নির্দিষ্ট বিভাগে সাজানো হয়েছে: ৩-৮ বছর, ৮-১১ বছর, ১১-১৪ বছর এবং ১৪ বছরের বেশি। এটি বয়স-উপযোগী বিষয়বস্তু নিশ্চিত করে যা জ্ঞানীয়, আবেগগত এবং সৃজনশীল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি হলো এর গ্রহণ যোগ্যতা। ওয়েব, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ এই অ্যাপটিতে ২০০টিরও বেশি নামকরা প্রকাশকের ৫,০০০টিরও বেশি প্রবন্ধ রয়েছে। এগুলি ২২টি ভারতীয় ভাষা এবং ইংরেজিতে বিস্তৃত। ভাষাগত ও ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় নিশ্চিত করে যে প্রতিটি শিশু, তার অবস্থান বা মাতৃভাষা নির্বিশেষে, মানসম্পন্ন সাহিত্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

    জীবনব্যাপী আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের (Minister of Education) রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের (Rashtriya e-Pustakalaya) মূল উদ্দেশ্য হল, পড়ার প্রতি জীবনব্যাপী আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলা। এই উদ্যোগটি কেবল পাঠক তৈরি করতেই চায় না, বরং তরুণ মনকে সমালোচনামূলকভাবে চিন্তা করতে, অবাধে স্বপ্ন দেখতে এবং অর্থপূর্ণভাবে বেড়ে উঠতে ক্ষমতা দিতে চায়। বিষয়বস্তুকে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে যুক্ত রেখে এবং একই সাথে বৈশ্বিক ধারণার দুয়ার খুলে দিয়ে, এই প্ল্যাটফর্মটি বিজ্ঞ, আত্মবিশ্বাসী এবং কল্পনাপ্রবণ ভবিষ্যৎ নাগরিক তৈরি করার লক্ষ্য রাখে।

  • Rajasthan: ভারতেই মিলল লিথিয়ামের বৃহত্তম ভাণ্ডারের খোঁজ, পরিমাণ কত জানেন?

    Rajasthan: ভারতেই মিলল লিথিয়ামের বৃহত্তম ভাণ্ডারের খোঁজ, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের খনিজ মানচিত্রে যুক্ত হল এক ঐতিহাসিক মাইল ফলক। রাজস্থানের (Rajasthan) নাগৌর জেলার দেগানা অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ লিথিয়ামের (Lithium) সন্ধান মিলেছে। এই আবিষ্কার ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। কারণ, এর ফলে লিথিয়ামের জন্য চিনের ওপর ভারতের দীর্ঘদিনের নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।লিথিয়াম ভাণ্ডারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় খনিমন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে খনিজ উত্তোলনের জন্য নিলাম প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, এটি হতে পারে ভারতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় লিথিয়াম ভাণ্ডার।

    কত লিথিয়াম মিলেছে দেগানায়?

    ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সংস্থা (GSI)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেগানা অঞ্চলে আনুমানিক ১ কোটি ৪০ লাখ টন লিথিয়াম মজুত রয়েছে। এই ভাণ্ডার ভারতের মোট লিথিয়াম চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম হতে পারে বলে অনুমান। বর্তমানে ৭০–৮০ শতাংশ লিথিয়াম আমদানির জন্য চিনের ওপর নির্ভর করতে হয় ভারতকে। দেগানার এই ভাণ্ডার যদি বাণিজ্যিকভাবে সফলভাবে উন্নয়ন করা যায়, তাহলে তা ভারতের খনিজ ও শক্তি নিরাপত্তায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ লিথিয়াম?

    লিথিয়াম আধুনিক প্রযুক্তির একটি অপরিহার্য কাঁচামাল। বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি উৎপাদন, শক্তি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-সহ বিভিন্ন উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে এই খনিজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের পরিচ্ছন্ন শক্তি রূপান্তরের ক্ষেত্রে লিথিয়ামকে ‘স্ট্র্যাটেজিক মিনারেল’ হিসেবেই ধরা হয় (Rajasthan)। বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ডেগানা অঞ্চলে প্রায় ২৬,০০০ মিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ড্রিলিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এই সমীক্ষা শুধু লিথিয়ামেই সীমাবদ্ধ ছিল না, একই সঙ্গে টাংস্টেন, বিসমাথ, টিন এবং কোবাল্টের মতো অন্যান্য মূল্যবান খনিজের উপস্থিতিও পরীক্ষা করা হয়েছে। এর ফলে রাজস্থানের সামগ্রিক খনিজ সম্ভাবনা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আবিষ্কার ভারতের খনিজ নিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যাটারি শিল্প এবং ভবিষ্যৎ শক্তি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে (Lithium)। রাজস্থানের ডেগানা অঞ্চলের রেভান্ত পাহাড়ে খনিজ অনুসন্ধানের ইতিহাস নতুন নয়। ব্রিটিশ রাজত্বে ১৯১৪ সালে এখানে প্রথম টাংস্টেনের সন্ধান মিলেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই টাংস্টেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর কাজে (Rajasthan) ব্যবহৃত হয়। পরবর্তী কয়েক দশক ধরে এলাকাটিতে খনন কার্য চললেও এক পর্যায়ে এসে তা বন্ধ হয়ে যায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লিথিয়ামের সম্ভাব্য সন্ধান আবারও ডেগানাকে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ডেগানা শুধু রাজস্থানের জন্য নয়, বরং ভারতের ক্রমবর্ধমান খনিজ কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিথিয়ামের মজুত পাওয়া গেলে এটি রাজ্যের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

    দেশের একাধিক রাজ্যেও লিথিয়ামের ভাণ্ডার

    রাজস্থান ছাড়াও দেশের একাধিক রাজ্যে লিথিয়ামের ভাণ্ডার চিহ্নিত হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার সালাল-হামানা এলাকায় প্রায় ৫.৯ মিলিয়ন টন লিথিয়াম মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য ভাণ্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়।ছত্তিশগড়ের কোরবা জেলায় ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম লিথিয়াম ব্লকের নিলাম সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই সেখানে খনন কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্নাটকের মান্ড্যা জেলায় তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও প্রায় ১৪,১০০ টন লিথিয়ামের ভাণ্ডার চিহ্নিত হয়েছে (Rajasthan)।বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ (Lithium) এবং গুজরাটেও লিথিয়ামের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছে, যদিও এসব রাজ্যে এখনও বাণিজ্যিকভাবে খনন কার্য শুরু হয়নি।

    লিথিয়ামের অভ্যন্তরীণ চাহিদা

    ভারতে বৈদ্যুতিক যান বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ায় লিথিয়ামের অভ্যন্তরীণ চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। ব্যাটারি উৎপাদনে লিথিয়াম একটি অপরিহার্য কাঁচামাল হওয়ায় ভবিষ্যতের জ্বালানি কৌশলে এই খনিজের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে (Rajasthan)। ডেগানায় লিথিয়াম খনন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজস্থানের জন্য উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এই প্রকল্প দেশের আমদানি নির্ভরতা কমাতে, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং বৈশ্বিক লিথিয়াম বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে (Lithium)। বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন শুরু হলে ডেগানার এই প্রকল্প শুধু একটি রাজ্যের নয়, বরং গোটা দেশের খনিজ ও জ্বালানি নীতিতে এক রূপান্তরকারী অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে (Rajasthan)।

  • Bihar: বিহারের মুঙ্গেরে পুলিশের সামনে অস্ত্রসহ ৩ জন মাওবাদীর আত্মসমর্পণ

    Bihar: বিহারের মুঙ্গেরে পুলিশের সামনে অস্ত্রসহ ৩ জন মাওবাদীর আত্মসমর্পণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুঙ্গের (Bihar) জেলায় ২৮ ডিসেম্বর, রবিবার তিনজন কট্টর মাওবাদী (Hardcore Maoists) সদস্য পুলিশের সামনে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। মুঙ্গের জেলার খড়াগপুরে একটি কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে বিহার পুলিশের ডিজিপি বিনয় কুমার এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই আত্মসমর্পণ সম্পন্ন হয়।

    মাথার দাম ছিল ৩ লক্ষ টাকা (Bihar)

    আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী নকশালনেতাদের (Hardcore Maoists) মধ্যে নারায়ণ কোদা ও বাহাদুর কোদা—উভয়েই নিষিদ্ধ মাওবাদী সংগঠনের সাব-জোনাল (Bihar) কমান্ডার। রাজ্য সরকার তাদের প্রত্যেকের মাথার দাম হিসেবে আলাদাভাবে ৩ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। তৃতীয় আত্মসমর্পণকারী হলেন বিনোদ কোদা। নারায়ণ ও বাহাদুর মঙ্গের জেলার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। বিনোদ কোদা লখিসরাই জেলার বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধেও তিনটি মামলা রয়েছে। আত্মসমর্পণের সময় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সরঞ্জাম জমা করেছে। এর মধ্যে ছিল দুটি ইনসাস রাইফেল, চারটি এসএলআর, ১০টি ওয়াকিটকি এবং প্রায় ৫০০ রাউন্ড জীবিত কার্তুজ।

    সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপে সাড়া

    বিহার পুলিশ (Bihar) জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত পুলিশ ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)-এর যৌথ অভিযান এবং বিহার সরকারের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতির ইতিবাচক প্রভাবেই এই আত্মসমর্পণ সম্ভব হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা মাওবাদীদের হিংসতার (Hardcore Maoists) পথ পরিত্যাগ করে মূলধারার সমাজে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারি নীতি অনুযায়ী আত্মসমর্পণকারীদের ২.৫ লক্ষ টাকা অনুদান, আগামী তিন বছরের জন্য প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা করে প্রশিক্ষণ সহায়তা এবং অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ১.১১ লক্ষ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।

    বর্তমানে বিহার সরকার মাওবাদী বিদ্রোহ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নক্সাল কার্যকলাপ এখন শুধুমাত্র কয়েকটি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সীমাবদ্ধ, যা নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • National Security Cess Bill 2025: আসছে জাতীয় নিরাপত্তা সেস বিল! ভারতের জনস্বাস্থ্য অর্থায়নে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

    National Security Cess Bill 2025: আসছে জাতীয় নিরাপত্তা সেস বিল! ভারতের জনস্বাস্থ্য অর্থায়নে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তা সেস বিল ২০২৫, যা ‘হেলথ সিকিউরিটি সেস’ নামেও পরিচিত, ভারতের জনস্বাস্থ্য অর্থায়নের কাঠামোয় একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই বিলের মাধ্যমে স্বাস্থ্য নিরাপত্তাকে সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যা কোভিড-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতা ও শাসনগত সীমাবদ্ধতা সামনে আসার পর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন নীতি বিশেষজ্ঞরা। এই বিলে পান মসলা, তামাকজাত দ্রব্য-সহ ক্ষতিকর পণ্যের উৎপাদনের উপর বিশেষ সেস আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকার বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আরও স্বাস্থ্য-ক্ষতিকর পণ্যকে এর আওতায় আনতে পারবে। এই সেস থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, রোগ ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় করা হবে।

    উৎপাদন ক্ষমতা নির্ভর কর: একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ

    এই বিলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল কর আরোপের ক্ষেত্রে বিক্রয় নয়, বরং উৎপাদন ক্ষমতাকে ভিত্তি ধরা। সাধারণ পরোক্ষ কর যেখানে বিক্রয়ের উপর নির্ভরশীল, সেখানে এই সেস ধার্য হবে উৎপাদন যন্ত্রের সক্ষমতার উপর। এর ফলে আয় লুকোনো, আংশিক রিপোর্টিং এবং খণ্ডিত বিতরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে কর ফাঁকির প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হবে বলে সরকারের দাবি। যন্ত্রচালিত উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে উৎপাদিত পাউচ বা টিনের সংখ্যা এবং প্রতিটির ওজন অনুযায়ী সেস নির্ধারিত হবে। বিল অনুযায়ী, যন্ত্রচালিত প্রক্রিয়ার জন্য মাসিক সেসের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১০১ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে, ম্যানুয়াল উৎপাদন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ক্ষমতার জন্য মাসিক প্রায় ১১ লক্ষ টাকা সেস ধার্য হবে।

    রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্থায়িত্ব

    এই সেস থেকে প্রাপ্ত অর্থ তহবিলে জমা হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ বাধ্যতামূলক নয়, তবুও নীতিগতভাবে ক্ষতিকর ভোগের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা খাতে ব্যয় করার কথাই বলা হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, উৎপাদন ক্ষমতা নির্ভর কর ব্যবস্থা বিক্রয় বা চাহিদার ওঠানামার উপর কম নির্ভরশীল হওয়ায় রাজস্ব প্রবাহ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকে। দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই ধরনের পূর্বানুমানযোগ্য অর্থায়ন বিশেষভাবে কার্যকর।

    নজরদারি ও প্রয়োগ ব্যবস্থা

    বিলে কঠোর নজরদারি ও প্রয়োগ ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে। উৎপাদন যন্ত্রের নিবন্ধন, ক্ষমতার ঘোষণা, নিয়মিত রিটার্ন দাখিল এবং পরিদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ করা হবে। অনিয়মের ক্ষেত্রে জরিমানা, পণ্য ও যন্ত্র বাজেয়াপ্তকরণ, এমনকি গ্রেফতার ও কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে আপিল ও বিচারিক পর্যালোচনার সুযোগ থাকায় প্রক্রিয়াগত সুরক্ষাও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তার সংযোগ

    এই বিলের মূল দর্শন হলো—স্বাস্থ্য নিরাপত্তা আর জাতীয় নিরাপত্তা আলাদা বিষয় নয়। উচ্চ রোগপ্রবণতা, জীবনধারা-জনিত অসুস্থতা এবং তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার দেশের স্বাস্থ্য ব্যয় ও জরুরি প্রস্তুতির উপর দীর্ঘদিন ধরেই চাপ সৃষ্টি করে আসছে। ক্ষতিকর পণ্যের উৎপাদকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কর আদায়ের মাধ্যমে সরকার সামাজিক খরচকে আংশিকভাবে অভ্যন্তরীণ করার চেষ্টা করছে। এটি একদিকে ভোক্তা আচরণের সামাজিক প্রভাবের বার্তা দিচ্ছে, অন্যদিকে সেই উৎস থেকেই জাতীয় স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির জন্য অর্থ সংগ্রহের পথ খুলে দিচ্ছে।

    চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ মূল্যায়ন

    তবে এই বিল কার্যকর হলে একাধিক প্রশ্নও উঠছে। ভবিষ্যতে কোন কোন পণ্য এর আওতায় আসবে, সংগৃহীত অর্থের ব্যবহারে কতটা স্বচ্ছতা থাকবে, এবং কঠোর নিয়ম ছোট ও ম্যানুয়াল উৎপাদকদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে কি না—এসব বিষয় বাস্তবায়নের সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা সেস বিল ২০২৫ কেবল একটি কর নীতি নয়, বরং ভারতের নিরাপত্তা ভাবনায় একটি কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রতিফলন। মহামারির অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্যকে জাতীয় নিরাপত্তার কেন্দ্রে আনার এই উদ্যোগের সাফল্য শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে—এই সেস থেকে সংগৃহীত অর্থ দেশের স্বাস্থ্য সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতায় কতটা বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে তার উপর।

  • Magh Mela 2026: প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার প্রস্তুতি শুরু, কবে কবে অমৃত স্নান জানেন?

    Magh Mela 2026: প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার প্রস্তুতি শুরু, কবে কবে অমৃত স্নান জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের ৩-জানুয়ারি থেকে প্রয়াগরাজে (Prayagraj) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী মাঘ মেলা (Magh Mela 2026)। এই মাঘ মেলা ৩ জানুয়ারি (পৌষ পূর্ণিমা) থেকে শুরু হবে আর চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মহাশিবরাত্রি) পর্যন্ত। এক মাসব্যাপী এই ধর্মীয় সমাবেশকে ঘিরে বিশেষ প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। মাঘ মেলার মূল আকর্ষণ পবিত্র অমৃত স্নান। গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমস্থল ত্রিবেণী সঙ্গমে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এই সময় পুণ্যস্নানে ডুব দেন। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী বিশ্বাস, এই স্নানের মাধ্যমে পাপমোচন ও আত্মিক শুদ্ধি লাভ হয়।

    শাহী স্নানের গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলি (Magh Mela 2026)

    প্রয়াগরাজের (Prayagraj) প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মাঘ মেলা ২০২৬-এ মোট ছ’টি প্রধান স্নান তিথি রয়েছে—

    • ৩ জানুয়ারি ২০২৬ (পৌষ পূর্ণিমা): মাঘ মেলার সূচনা ও কল্পবাসের শুরু
    • ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ (মকর সংক্রান্তি): দ্বিতীয় অমৃত স্নান
    • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ (মৌনী অমাবস্যা): তৃতীয় অমৃত স্নান
    • ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ (বসন্ত পঞ্চমী): চতুর্থ অমৃত স্নান
    • ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মাঘী পূর্ণিমা): কল্পবাসীদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্নান
    • ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মহাশিবরাত্রি): শেষ অমৃত স্নান ও মেলার সমাপ্তি

    এই দিনগুলিতে বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনা থাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় উত্তর প্রদেশ প্রশাসন।

    কল্পবাসের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব

    মাঘ মেলার (Magh Mela 2026) অন্যতম প্রধান দিক হল কল্পবাস। পৌষ পূর্ণিমা থেকে মাঘী পূর্ণিমা পর্যন্ত একমাস ধরে বহু ভক্ত ত্রিবেণী (Prayagraj) সঙ্গমতটে অস্থায়ী কুটির বা তাঁবুতে বসবাস করেন। এই সময় তাঁরা কঠোর নিয়ম মেনে জীবনযাপন করেন – প্রতিদিন ভোরে পুণ্যস্নান, উপবাস, প্রার্থনা, বেদপাঠ ও ধর্মীয় আলোচনায় অংশ নেন। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, কল্পবাস আত্মসংযম, শুদ্ধাচার এবং আত্মশুদ্ধির পথ হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেক কল্পবাসী মকর সংক্রান্তির দিন থেকে এই ব্রত শুরু করেন।

    প্রশাসনের প্রস্তুতি

    মাঘ মেলা (Magh Mela 2026) ২০২৬ ঘিরে উত্তর প্রদেশ প্রশাসনের (Prayagraj) তরফে পরিচ্ছন্নতা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা, নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। উল্লেখ্য, মাঘ মেলা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং ভারতীয় সংস্কৃতি, শৃঙ্খলা ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

  • AI Models: “ভারতের নিজস্ব সার্বভৌম এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে”, বললেন আদানি

    AI Models: “ভারতের নিজস্ব সার্বভৌম এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে”, বললেন আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি ভারতের নিজস্ব সার্বভৌম এআই (AI) সক্ষমতা গড়ে (AI Models) তোলার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন। তিনি বলেন, “বিদেশি প্রযুক্তির ওপর লাগামছাড়া নির্ভরতা দেশের জন্য গুরুতর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।” তিনি এও (India) জানান, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের নির্ধারক শক্তি হিসেবে এআই ইতিমধ্যেই আবির্ভূত হয়েছে।

    কর্মসংস্থান সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি (AI Models)

    পুণে জেলার বারামতিতে বিদ্যা প্রতিষ্ঠানে শরদচন্দ্র পাওয়ার সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স উদ্বোধনের পর ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে গৌতম আদানি বলেন, “সার্বভৌমত্ব ছাড়া উন্নয়ন নির্ভরতা সৃষ্টি করে। আর নিয়ন্ত্রণ ছাড়া অগ্রগতি ঝুঁকি ডেকে আনে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি হলেও, ১৪০ কোটির জনসংখ্যার একটি দেশ তার কর্মসংস্থান, তথ্য, সংস্কৃতি ও সমষ্টিগত বুদ্ধিমত্তাকে বিদেশি অ্যালগরিদম ও বিদেশি ব্যালান্স শিটের হাতে তুলে দিতে পারে না।”

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত গবেষণা

    আদানি গ্রুপের অর্থায়নে গড়ে ওঠা এই এআই কেন্দ্রটি পাওয়ার পরিবারের পরিচালনাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিদ্যা প্রতিষ্ঠানের অধীনে স্থাপিত হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার এবং এনসিপি-এসসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার উপস্থিত ছিলেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত গবেষণা, টেকনোলজি ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও গভীর করতে আদানি গ্রুপ বিদ্যা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একটি মউ স্বাক্ষর করেছে। ভাষণের শুরুতে প্রযুক্তির ইতিহাসজুড়ে তার রূপান্তরকারী চরিত্রের কথা তুলে ধরে আদানি বলেন, “গতকালের বীজ যেখানে মাটিতে বপন করা হয়েছিল, আগামী দিনের বীজ সেখানে অ্যালগরিদমে বপন করা হবে।” তিনি জানান, মানব অগ্রগতি কখনও সরলরৈখিক ছিল না, বরং প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দ্বারা চালিত শক্তিশালী লাফের মাধ্যমেই তা এগিয়েছে।

    অগ্রগতি সরলরেখায় এগোয় না

    আদানি (India) বলেন, “মানব অগ্রগতি সরলরেখায় এগোয় না। তা এগোয় বড় বড় লাফে। প্রতিটি লাফই এমন এক প্রযুক্তিগত বিপ্লবের ফল, যা প্রথমে সমাজকে অস্থির করে তোলে এবং তারপর অনেক বেশি সক্ষমতার এক উচ্চতর স্তরে সমাজকে পুনর্গঠন করে।” তিনি বাষ্পশক্তি ও যান্ত্রিকীকরণ থেকে বিদ্যুতায়ন, ডিজিটাল কম্পিউটিং এবং বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যন্ত এই যাত্রাপথের কথা তুলে ধরেন (AI Models)। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সংজ্ঞায়ক শক্তি হিসেবে এআইয়ের উল্লেখ করে আদানি স্বীকার করেছেন, বড় ধরনের প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ জড়িয়ে থাকে।

    দুটি বিপরীত শক্তি কাজ করে

    তিনি বলেন, “ইতিহাস আমাদের শেখায় যে এ ধরনের প্রতিটি রূপান্তরের সঙ্গে দুটি বিপরীত শক্তি কাজ করে—একদিকে অসাধারণ সুযোগ, অন্যদিকে গভীর উদ্বেগ। কর্মচ্যুত হওয়ার ভয়, অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ার আশঙ্কা, এবং এমন সব ব্যবস্থার হাতে নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়ার ভয়, যেগুলোকে আমরা এখনও পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারিনি।” তিনি (India) বলেন, “এই ভয়গুলো দুর্বলতার লক্ষণ নয়। এগুলো গভীরভাবে মানবিক। এই উদ্বেগগুলোর দায়িত্বশীলভাবে মোকাবিলা করা জরুরি।” ঐতিহাসিক তথ্যের উল্লেখ করে আদানি যুক্তি দেন, প্রযুক্তি ধারাবাহিকভাবে কর্মসংস্থান ধ্বংস না করে বরং তা বিস্তৃত করেছে (AI Models)।
    তিনি বলেন, “প্রযুক্তি কাজ ধ্বংস করে না। প্রথমে এটি ভূমিকা ও কাজের ধরনে বিঘ্ন ঘটায়, তারপর নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করে।”

    তৃতীয় শিল্পবিপ্লব

    নিজের বক্তব্যের পক্ষে তিনি বৈশ্বিক উদাহরণ তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, প্রথম শিল্পবিপ্লব ব্রিটেনে কর্মসংস্থান পাঁচ গুণেরও বেশি বাড়িয়েছিল, আর দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব গণউৎপাদন ও একটি নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্ম দিয়েছিল। আদানি বলেন, “তৃতীয় শিল্পবিপ্লব- ডিজিটাল বিপ্লব – কাজ বিলুপ্ত করেনি। বরং এটি উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করেছে এবং সফটওয়্যার, পরিষেবা, প্ল্যাটফর্ম ও উদ্যোক্তাদের জন্ম দিয়েছে, যা আজ বিশ্বজুড়ে কয়েক শত মিলিয়ন মানুষকে কর্মসংস্থান দিচ্ছে (India)।” ভারতের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “মোবাইল বিপ্লব তৃণমূল স্তরে অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক শক্তির সঞ্চার করেছে। আদানি বলেন, “ভারতের নিজস্ব অভিজ্ঞতাই এর স্পষ্ট প্রমাণ। মোবাইল বিপ্লব – যা নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, চাকরি ধ্বংস করেনি। বরং বিপুল পরিসরে কর্মসংস্থান বহুগুণ বাড়িয়েছে। স্মার্টফোন ও স্বল্পমূল্যের ডেটা যখন সাধারণ ভারতীয়দের হাতে পৌঁছায়, তখন তৃণমূল স্তরে বিপুল অর্থনৈতিক শক্তির বিস্ফোরণ ঘটে (AI Models)।”

    ডিজিটাল পরিকাঠামোর সম্প্রসারণ

    তিনি তথ্য তুলে ধরে জানান, ১৯৯১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভারতে ২৩ কোটিরও বেশি অ-কৃষি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যার বড় অংশই ডিজিটাল পরিকাঠামোর সম্প্রসারণের পর তৈরি হয়েছে। এই সুযোগগুলো কেবল নীতি বা পুঁজি থেকে আসেনি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, “এই সম্ভাবনাগুলি তখনই বাস্তব হয়েছে, যখন সক্ষমতা সাধারণ নাগরিকের হাতে পৌঁছেছে।” তিনি বলেন, “সেই কারণেই আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, এআই এখন পরবর্তী এবং আরও অনেক বেশি শক্তিশালী এক লাফের প্রতিনিধিত্ব করবে। মোবাইল যদি ভারতকে অধিকতর প্রবেশাধিকার দিয়ে থাকে, তবে এআই ভারতকে দেবে আরও বৃহত্তর সক্ষমতা (India)।” এআই-সক্ষম ভবিষ্যতের একটি চিত্র তুলে ধরে আদানি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিটি খাতে সক্ষমতা, সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং উৎপাদনশীলতাকে গভীরভাবে সংযুক্ত করবে। তিনি বলেন, “কল্পনা করুন, আগামী এক দশকে যখন ১৪০ কোটি ভারতীয় তাঁদের হাতের তালুতেই এআই-চালিত বুদ্ধিমত্তা বহন করতে শুরু করবেন, তখন অগ্রগতি আর সরলরৈখিক থাকবে না। তা বহুগুণে বাড়বে, দ্রুততর হবে এবং বিস্ফোরণের মতো প্রসারিত হবে।”

    তাৎক্ষণিক ঝুঁকি

    তিনি ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এআই দৈনন্দিন জীবনকে রূপান্তরিত করতে পারে,ফসলের সর্বোত্তম উৎপাদন ও তাৎক্ষণিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য কৃষকদের এআই ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন, পাশাপাশি টিয়ার-থ্রি শহরের গৃহিণীরা কীভাবে বৈশ্বিক মাইক্রোব্র্যান্ড গড়ে তুলতে পারেন, তার উদাহরণও দেন। আদানি সতর্ক করে বলেন, এআই একটি দুই ধারবিশিষ্ট ছুরিও বটে (AI Models)। এই প্রেক্ষাপটে আদানি বলেন, ভারতকে এআইকে একটি কৌশলগত জাতীয় সক্ষমতা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে, যা ভারতেই নির্মিত হবে, ভারতেই শাসিত হবে এবং ভারতের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে (India)।” তিনি বলেন, “শরদচন্দ্র পাওয়ার সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন এআই এমন এক সময়ে আত্মপ্রকাশ করছে, যা জাতীয় গুরুত্বের দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ—যখন ভারত বৈশ্বিক এআই বিপ্লবের অগ্রভাগে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। এআই-এর ভবিষ্যৎ এমন কিছু নয় যা আপনাআপনি ভারতে এসে পৌঁছাবে। এটি এমন এক ভবিষ্যৎ, যা আমাদের দেশকেই গড়ে তুলতে হবে।”

    এছাড়াও আদানি এআই পরিকাঠামোয় আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগের কথা তুলে ধরেন—যার মধ্যে রয়েছে ডেটা সেন্টার ও গ্রিন এনার্জি। তিনি এগুলিকে বুদ্ধিমত্তার কারখানা হিসেবে বর্ণনা করেন, যা সার্বভৌমত্ব, উৎপাদনশীলতা এবং নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য (AI Models)।

  • PM Modi: “বিশ্ব আজ ভারতের দিকে বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “বিশ্ব আজ ভারতের দিকে বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্ব আজ ভারতের দিকে বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে। এর প্রধান কারণ দেশের তরুণ প্রজন্ম, যারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে উন্নয়নের গতি বাড়াচ্ছে, পাশাপাশি ভারতের সাংস্কৃতিক শেকড়কেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।” নাগাড়ে কথাগুলি বলে চললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তাঁর মন কি বাত-এর ১২৯তম পর্বে (PM Modi)। তিনি এও বলেন, ভারতের তরুণরা সব সময় নতুন কিছু করার প্রতি আগ্রহী এবং একই সঙ্গে তারা সচেতন ও সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    তরুণদের নিজেদের ভাবনা তুলে ধরার সুযোগের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে জানতে চান, কীভাবে তারা তাদের ভাবনার উপস্থাপনা আমার কাছে দিতে পারেন? আমাদের তরুণ বন্ধুদের এই কৌতূহলের সমাধান হল ‘বিকশিত ভারত ইয়াং লিডার্স ডায়ালগ’। গত বছর এই কর্মসূচির প্রথম সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, আর কয়েক দিনের মধ্যেই এর দ্বিতীয় সংস্করণ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, ১২ জানুয়ারি, জাতীয় যুব দিবসে। এই দিনটি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পালিত হয়। আমিও এই কর্মসূচিতে অংশ নেব।” তিনি বলেন, এই আলোচনা চলাকালীন যুবসমাজ উদ্ভাবন, ফিটনেস, স্টার্টআপ এবং কৃষি, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে নিজেদের ভাবনা ও মতামত ভাগ করে নেবে। এই উদ্যোগে তরুণদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ দেখে প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশও করেন।

    পিচ প্রতিযোগিতা

    তিনি বলেন, “কয়েক দিন আগে এ সংক্রান্ত একটি পিচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে ৫০ লাখেরও বেশি তরুণ অংশগ্রহণ করেছিল। পাশাপাশি একটি প্রবন্ধ প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়, যেখানে পড়ুয়ারা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মত প্রকাশ করে। এই প্রতিযোগিতায় তামিলনাড়ু প্রথম স্থান এবং উত্তরপ্রদেশ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে (PM Modi)।” তিনি আরও বলেন, “দেশের যুবসমাজ তাদের প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য নতুন নতুন সুযোগ পাচ্ছে। এমন বহু প্ল্যাটফর্ম গড়ে উঠছে, যেখানে তরুণরা তাদের দক্ষতা ও আগ্রহ তুলে ধরতে পারছে।” প্রধানমন্ত্রী মোদি এ মাসের শুরুতে সমাপ্ত হওয়া ‘স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন ২০২৫’-এর কথাও উল্লেখ করেন।

    বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান

    তিনি বলেন, “এই হ্যাকাথনের সময় পড়ুয়ারা ৮০টিরও বেশি সরকারি দফতরের দেওয়া ২৭০টিরও বেশি সমস্যার ওপর কাজ করেছে। ছাত্ররা বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান তুলে ধরেছে। উদাহরণস্বরূপ, যানজট সমস্যার ক্ষেত্রে যুবসমাজ ‘স্মার্ট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট’-সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছে (PM Modi)।” তিনি জানান, আর্থিক জালিয়াতি ও ডিজিটাল গ্রেফতারের মতো সমস্যার মোকাবিলায়ও যুবসমাজ

    তরুণ কৃষি খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সমাধানে

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেক তরুণ কৃষি খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সমাধানে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল। বন্ধুরা, গত ৭ থেকে ৮ বছরে ‘স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন’-এ ১৩ লক্ষেরও বেশি ছাত্রছাত্রী এবং ৬,০০০-এর বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। যুবসমাজ শত শত সমস্যার যথাযথ সমাধান দিয়েছে। এ ধরনের হ্যাকাথন নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হয়। আমি আমার তরুণ বন্ধুদের আহ্বান জানাই, তারা যেন অবশ্যই এই হ্যাকাথনগুলিতে অংশ নেয় (PM Modi)।”

    প্রযুক্তিনির্ভর জীবন

    জীবন ক্রমশ প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে, এ কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কখনও কখনও মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে রোবট হয়তো মানুষের জায়গা নিয়ে নেবে। এই দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়ে মানব উন্নয়নের জন্য নিজেদের শেকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নিজেদের সংস্কৃতির শেকড়কে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে রেখেছে।” তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স (আইআইএসসি)-এর উদাহরণ দিয়ে বলেন, “নতুন চিন্তাভাবনা ও নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে—বন্ধুরা, আপনারা নিশ্চয়ই ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের কথা শুনেছেন। গবেষণা ও উদ্ভাবনই এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈশিষ্ট্য।” তিনি মনে করিয়ে দেন, কীভাবে ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা ও গবেষণার মধ্যেও সঙ্গীতের প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন।

    সঙ্গীত ক্লাসের সূচনা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কয়েক বছর আগে সেখানে কিছু ছাত্রছাত্রী অনুভব করেছিলেন যে পড়াশোনা ও গবেষণার পাশাপাশি সঙ্গীতেরও একটি জায়গা থাকা উচিত। সেখান থেকেই একটি ছোট সঙ্গীত ক্লাসের সূচনা হয়। না ছিল বড় মঞ্চ, না ছিল বড় বাজেট। ধীরে ধীরে এই উদ্যোগ বড় হয়ে ওঠে, আর আজ আমরা একে ‘গীতাঞ্জলি আইআইএসসি’ নামে চিনি। এখন এটি আর শুধু একটি ক্লাস নয়, বরং ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে গীতাঞ্জলি আইআইএসসিতে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, লোকসঙ্গীত ও অন্যান্য শাস্ত্রীয় ধারার চর্চা হয়, যেখানে ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপক এবং তাঁদের পরিবার এক সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। তিনি জানান, এর সঙ্গে যুক্ত মানুষের সংখ্যা এখন ২০০-এরও বেশি, এবং যাঁরা বিদেশে চলে গিয়েছেন, তাঁরাও অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত থেকে এই উদ্যোগের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংস্কৃতির শেকড়ে যুক্ত থাকার এই প্রচেষ্টা শুধু ভারতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়রাও তাঁদের ঐতিহ্য সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। দুবাইয়ে বসবাসকারী কন্নড় পরিবারগুলির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “সেখানে থাকা পরিবারগুলি নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছিলেন, আমাদের সন্তানরা প্রযুক্তির দুনিয়ায় এগিয়ে যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তারা কি তাদের ভাষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে না? এখান থেকেই ‘কন্নড় পাঠশালা’র জন্ম। এটি এমন একটি উদ্যোগ, যেখানে শিশুদের কন্নড় ভাষায় পড়া, লেখা, শেখা ও কথা বলা শেখানো হয়। আজ এর সঙ্গে এক হাজারেরও বেশি শিশু যুক্ত রয়েছে (PM Modi)।”

  • Arunachal Anti-Infiltration Protest: অরুণাচলে অনুপ্রবেশ বিরোধী আন্দোলনে ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি

    Arunachal Anti-Infiltration Protest: অরুণাচলে অনুপ্রবেশ বিরোধী আন্দোলনে ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবার বিশাল গণবিক্ষোভের রূপ নিল। গত ২৭শে ডিসেম্বর রাজধানী ইটানগরে কয়েক হাজার স্থানীয় বাসিন্দা ও আদিবাসী যুবক রাজপথে নেমে এক অভাবনীয় প্রতিবাদ মিছিল করেন। মূলত বাংলাদেশ থেকে আসা কথিত “মিয়া-মুসলিম” অনুপ্রবেশকারীদের বহিষ্কার এবং তাদের দেওয়া ইনার লাইন পারমিট (ILP) বাতিলের দাবিতে এই সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিল।

    ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে মুখরিত রাজপথ

    শনিবার সকাল থেকেই ইটানগরের রাজপথ মিছিলে মিছিলে ভরে ওঠে। ‘ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ ফোর্স অফ অরুণাচল প্রদেশ’ (IYFA) এবং ‘অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অর্গানাইজেশন’ (APIYO) এর নেতৃত্বে আয়োজিত এই সমাবেশে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠে শোনা যায় “বন্দে মাতরম” এবং “ভারত মাতা কি জয়” স্লোগান। সমাবেশ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় যে, “অরুণাচল প্রদেশে মিয়া-মুসলিমদের কোনো জায়গা নেই।”

    “উত্তর-পূর্ব ভারত বাংলাদেশের অংশ হবে না”

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে IYFA নেতা কামতা পাসান্দ বলেন, “বাংলাদেশের কিছু নেতা জনসমক্ষে উত্তর-পূর্ব ভারতকে তাদের দেশের অংশ করার স্বপ্ন দেখছেন। আমরা ভারত মাতার গর্বিত সন্তান হিসেবে স্পষ্ট জানাচ্ছি, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় আমরা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করতে প্রস্তুত। আমাদের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার কোনো বহিরাগতকে কেড়ে নিতে দেওয়া হবে না।”

    অন্যদিকে, APIYO নেতা টারো সোনাম অভিযোগ করেন যে, হাজার হাজার মানুষ ভুয়া আধার কার্ড এবং জাল আইএলপি (ILP) ব্যবহার করে রাজ্যে ঢুকে পড়েছে। তিনি জানান, ইতিমধ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় ২০০ জন অবৈধ বসতি স্থাপনকারীকে চিহ্নিত করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরালো হবে।

    নিরাপত্তা ও সামাজিক অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ

    প্রতিবাদকারী সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, রাজ্যে ক্রমবর্ধমান খুন, ডাকাতি ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের পেছনে অনুপ্রবেশকারীদের বড় ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও রাজধানী এলাকায় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ১২টি অবৈধ মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। সংগঠনের নেতাদের মতে, বিপুল সংখ্যক বহিরাগতদের সঠিক পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ায় স্থানীয়দের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।

    রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান

    মিছিল শেষে বিক্ষোভকারীরা রাজ্য সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি পেশ করেন। তাদের প্রধান দাবি হলো—অবিলম্বে সমস্ত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে রাজ্য থেকে বহিষ্কার করতে হবে এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও কঠোর করতে হবে। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, যতক্ষণ না অরুণাচল থেকে শেষ অনুপ্রবেশকারীকে উপড়ে ফেলা হচ্ছে, ততক্ষণ তাদের এই লড়াই চলবে।

    এই আন্দোলনের ফলে অরুণাচল প্রদেশের জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন এবং বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার সংক্রান্ত বিতর্ক আবারও জাতীয় স্তরে নতুন মাত্রা যোগ করল।

  • Ancient Durga Mata Murti: জম্মু-কাশ্মীরের ঝিলম নদী থেকে প্রাচীন দুর্গা মাতার মূর্তি উদ্ধার, শক্তি উপাসনাস্থলের প্রমাণ

    Ancient Durga Mata Murti: জম্মু-কাশ্মীরের ঝিলম নদী থেকে প্রাচীন দুর্গা মাতার মূর্তি উদ্ধার, শক্তি উপাসনাস্থলের প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের ঝিলম নদী থেকে প্রাচীন দুর্গা মাতার মূর্তি উদ্ধার (Ancient Durga Mata Murti)। এই মূর্তি কাশ্মীরের ভুলে যাওয়া সনাতনী ঐতিহ্যের প্রতীক। এই দুর্গামূর্তি প্রাচীন পাথরের ভাস্কর্যের নমুনা। উদ্ধারকৃত মূর্তিটি বারামুলা পুলিশ সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে মূর্তির বয়স কয়েক শতাব্দী প্রাচীন। এলাকায় এক সময় দুর্গা উপাসক হিন্দু জনবসতি বিরাট পরিমাণে যে ছিল, এটা তার প্রমাণ বলে মনে করছেন অনেকেই।

    মাছ ধরতে গিয়ে উদ্ধার (Ancient Durga Mata Murti)

    গত ২৫ ডিসেম্বর শালতাং জোগিয়ারের বসিন্দা গোলাম মোহাম্মদ লাটুর ছেলে নাজির আহমেদ লাটু এই মাতা দুর্গার ভাস্কর্যটিকে (Ancient Durga Mata Murti) খুঁজে পেয়েছেন। তিনি ঝিলম নদীতে মাছ ধরার সময় পাথরের মূর্তিটি দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় শিরি থানায় খবর দেন। প্রাচীন ভাস্কর্যকে রক্ষা করা এবং তা সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে বিশেষ ভাবে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন স্থানীয় জনতা। এরপর আবিষ্কৃত এই ঐতিহাসিক পাথর এবং ভাস্কর্যের গুরুত্ব উপলব্ধী করে স্থানীয় পুলিশ জম্মু-কাশ্মীর আর্কাইভ, প্রত্নতত্ত্ব এবং জাদুঘরের কাছে হস্তান্তর (Jammu and Kashmir) করে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    ২৫ ডিসেম্বর উদ্ধার হলেও দুর্গা (Ancient Durga Mata Murti) মায়ের মূর্তিটি ২৬ ডিসেম্বর হস্তান্তর করা হয়। তবে স্থানীয় মূর্তি বিশারদ বা গবেষকরা জানিয়েছেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, শৈল্পিক তাৎপর্য, পরীক্ষা, তথ্য সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলিকে নিয়ে আরও ভাবতে হবে। এই ধরনের মূর্তি প্রমাণ করে কাশ্মীরের ইতিহাস এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপট কেমন ছিল। এখানকার সংস্কৃতি কতটা প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ তাও বুঝতে চেষ্টা করে। তবে বারামুলা পুলিশ এক বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্থানীয় জনতা যে কোনও রকম পুরাতন ভাস্কর্য এবং মূর্তির (Jammu and Kashmir) খবর পেলে এবং জানালে, পুলিশ সংরক্ষণের জন্য সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

LinkedIn
Share