Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pannun: পান্নুনের সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র, সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ট্রাইব্যুনাল

    Pannun: পান্নুনের সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র, সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ট্রাইব্যুনাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা পান্নুনের (Pannun) ‘শিখ ফর জাস্টিস’ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। গত ৩ জানুয়ারি কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখল বেআইনি কার্যকলাপ আইন মামলা সম্পর্কিত ট্রাইব্যুনাল (UAPA Tribunal)। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনুপ কুমার মেনদিরাত্তা কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। প্রসঙ্গত, শিখ ফর জাস্টিস সংগঠনকে প্রথমবারের জন্য বেআইনি ঘোষণা করা হয় ২০১৯ সালে। তার কারণ, সেই সময় এই সংগঠনের বিরুদ্ধে অজস্র অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বেআইনি কার্যকলাপের বিভিন্ন ধারায়। সেই সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল এইচডি সঞ্জয় এবং আইনজীবী রজত নায়ার এই সংগঠনের বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ সামনে আনেন।

    কী জানালেন বিচারপতি 

    বিচারপতি অনুপ কুমার মেনদিরাত্তা নিজের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, শিখ ফর জাস্টিস সংগঠনের (Pannun) বিরুদ্ধে যথেষ্ট এবং পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে যে তারা একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এবং তারা বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রচার চালায়। শুধুমাত্র তাই নয়, বিচারপতি নিজের পর্যবেক্ষণ আরও জানিয়েছেন, শিখ ফর জাস্টিস সংগঠন পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গেও যোগসূত্র রেখে চলে। এর পাশাপাশি তারা পাঞ্জাবে জঙ্গি কার্যকলাপও চালায়।

    প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও খুনের হুমকি 

    শুধুমাত্র তাই নয়, বিচারপতি নিজের পর্যবেক্ষণে আরও জানান যে, এই সংগঠন আন্তর্জাতিকভাবে পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তারা বেআইনি অস্ত্র পাচার করে। একইসঙ্গে এই সংগঠন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খুন করার হুমকিও দিয়েছে। শিখ বিদ্রোহের জন্য উস্কানিও (Pannun) দিয়েছে এই সংগঠন। জাতি দাঙ্গা বাধানোর উস্কানি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে এই  সংগঠনের বিরুদ্ধে।

    কেন্দ্রীয় সরকারের দফতরগুলিতেও হামলা চালানোর হুমকি

    নিজের পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনালের (UAPA Tribunal) বিচারপতি আরও জানিয়েছেন, এই সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রমাণ মিলেছে যে তারা দেশের তেরঙ্গা পতাকা পোড়ানোর উস্কানি জুগিয়েছে শিখ সমাজকে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতর তথা রেলওয়েতে হামলা চালানোরও হুমকি (Pannun)  দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত দশ বছরে দিল্লি যে সরকার দেখেছে, তা বিপর্যয়ের (AAP) চেয়ে কম কিছু নয়।” রবিবার দিল্লির রোহিণীর জাপানিজ পার্কে ‘পরিবর্তন র‍্যালি’-তে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সভায় বিজেপিকে একটা সুযোগ দেওয়ার আবেদনও জানান তিনি।

    বিকশিত ভারতের রাজধানী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি দিল্লির জনগণের কাছে আবেদন করছি যে দিল্লির উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য বিজেপিকে একটি সুযোগ দিন। দিল্লিকে উন্নত করতে পারে কেবল বিজেপি।” এর পরেই তিনি বলেন, “গত দশ বছরে দিল্লি যে সরকার দেখেছে, তা বিপর্যয়ের চেয়ে কম কিছু নয়। এখন দিল্লিতে শুধু শোনা যায়, ‘আপ-দা’ (বিপর্যয়) নয় সহ্য করব, বদলে দেব। দিল্লি উন্নয়ন চায় এবং দিল্লির জনগণ বিজেপির ওপর আস্থা রাখে।”

    দিল্লির অবদান অপরিহার্য

    প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ উদ্বোধন করার পরে এই জনসভায় বক্তব্য রাখতে এসেছেন। আগামী পঁচিশ বছর সমগ্র দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং বিকশিত ভারত মিশনে দিল্লির অবদান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তিনি বলেন, “আমি এখানে হাজার হাজার কোটি টাকার দিল্লির উন্নয়ন প্রকল্পগুলির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং উদ্বোধন করার পরেই এসেছি। আমরা এখন ২০২৫ সালে আছি। আগামী ২৫ বছর দিল্লি এবং পুরো দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ২৫ বছর ভারত একটি বিকশিত ভারত (Viksit Bharat) হিসেবে গড়ে তোলার সাক্ষী হবে। আমরা এর অংশ হব। এই বছরগুলি ভারতকে আধুনিকায়নের নতুন যুগে নিয়ে যাবে। শীঘ্রই সেই সময় আসছে যখন ভারত বিশ্বের তৃতীয় অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে উঠবে, এবং দিল্লির অবদান এর জন্য অপরিহার্য।”

    আরও পড়ুন: মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মানুষ বিজেপিকে বিশ্বাস করে। কারণ এটি এমন একটি দল যা সুশাসনে বিশ্বাস করে। বিজেপি প্রতিটি নাগরিকের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য নিবেদিত।” তিনি বলেন, “দিল্লিতে এখন কেবল একটাই আওয়াজ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। ‘আপনি অন্যায় সহ্য করবেন না, পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।’ এখন (AAP) দিল্লি উন্নয়নের জমি চায় এবং আমি আনন্দিত যে দিল্লি বিজেপির ওপর আস্থা রাখে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • PM Modi: মোদিকে বিদায়ী চিঠি বাইডেনের! দুই দেশের সম্পর্ককে শক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: মোদিকে বিদায়ী চিঠি বাইডেনের! দুই দেশের সম্পর্ককে শক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকায় পালাবদলের তোড়জোড়। আগামী ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় বার দায়িত্ব নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিদায়ী চিঠি পাঠালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সোমবার প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করে বাইডেনের বিদায়ী চিঠি তাঁর হাতে দেন আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান। 

    মোদি-সুলিভান সাক্ষাত

    সোমবার মোদি ও সুলিভানের মধ্যে আলোচনায় ‘ইনিশিয়েটিভ অন ক্রিটিকাল অ্যান্ড এমার্জিং টেকনোলজি’ (আইসিইটি)-র ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো প্রসঙ্গ এসেছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে। বৈঠকের পরে এক্স পোস্টে মোদি লেখেন, ‘‘সুলিভানের সাথে সাক্ষাৎ করতে পেরে আনন্দিত হয়েছি। ভারত-আমেরিকা কৌশলগত অংশীদারিত্ব প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জৈবপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। জনগণের স্বার্থে এবং বিশ্বের মঙ্গলের জন্য আমাদের দুই গণতন্ত্রের মধ্যে সম্পর্কের এই গতিকে তরাণ্বিত করার জন্য আমি উন্মুখ।’’ বাইডেনের চিঠিটি পাওয়ার পর গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মোদি। তাঁর যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা স্মরণও করেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত-আমেরিকা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে বাইডেন আরও মজবুত করেছেন বলে জানান মোদি।

    আমেরিকার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিযুক্ত সুলিভানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে এটাই শেষ বিদেশ সফর। ২০ জানুয়ারি ওই পদে বসবেন ট্রাম্পের মনোনীত মাইকেল ওয়াল্টজ। এদিন বৈঠক শেষে সুলিভান বলেন, ‘‘আগামী দিনে উন্নত প্রযুক্তিগত সহায়তা ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে।’’ ভারতের পরমাণু সংস্থাগুলির সঙ্গে আমেরিকার সহায়তারও বার্তা দেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Temple: ২০২৪ সালে তিরুপতি দর্শন করেছেন  ২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভক্ত, চুল দান করেছেন ৯৯ লক্ষ

    Tirupati Temple: ২০২৪ সালে তিরুপতি দর্শন করেছেন ২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভক্ত, চুল দান করেছেন ৯৯ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে তিরুপতি (Tirupati Temple) দর্শন করতে গিয়েছেন ২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভক্ত। তিরুপতির মন্দিরে প্রণামী হিসেবে এক বছরে ১৩৬৫ কোটি টাকার সামগ্রী জমা পড়েছে। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে হুণ্ডিতে নগদ টাকা, সোনাদানা মিলিয়ে সেখানে ১৩৯১ টাকা মিলেছিল। ২০২৪ সালে সেই অঙ্ক কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৬৫ কোটি টাকায়। উল্লেখ্য ২০২২ সালে ১২৯১.৬৯ কোটি টাকা নগদ এবং সোনা, রূপো জমা পড়েছিল হুণ্ডিতে।

    ৬ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ অন্নপ্রসাদ পেয়েছেন (Tirupati Temple)

    এই তিরুপতি মন্দিরে (Tirupati Temple) প্রতিদিন ভক্তেরা হুণ্ডি বা প্রণামী বাক্সে ভেঙ্কটেশ্বরকে নগদ, সোনা, রূপো, বিদেশি মুদ্রা দেন। সেই প্রণামী বাক্স নতুন পরাকামণি মন্দিরে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই গণনা করা হয় ভক্তদের দান। সোনা, রূপা সব মূল্যবান ধাতু আলাদা করে বিশেষ লকারে রেখে দেওয়া হয়। প্রতিমাসে লকার থেকে সে সব সোনারূপো একবার করে টিটিডির কোষাগারে পাঠানো হয়। একটি পরিসংখ্যান বলছে, ভক্তদের মধ্যে ৯৯ লক্ষ জন চুল (99 Lakh Donated Hair) দান করেছেন। ১২ কোটি ১৪ লক্ষ লাড্ডু বিক্রি করা হয়েছে। ৬ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ অন্নপ্রসাদ পেয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের তহবিল থেকে দেওয়া হয়েছে ৫০ কোটি টাকা

    জানা গিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে টিটিডি তিরুপতি মন্দিরের (Tirupati Temple) বাজেটে ৫১৪১.৭৪ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ করেছিল। কর্মীদের বেতন, ভাতা দেওয়ার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১৭৭৩ কোটি টাকা। মন্দিরের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য প্রকল্পের জন্য ১০৮.৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। টিটিডির অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ১১৩.৫০ কোটি টাকা। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের তহবিল থেকে মন্দিরের জন্য দেওয়া হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে পাশে থাকার জন্য এই টাকা দিয়েছিল মন্দির ট্রাস্ট।

    জানা গিয়েছে ব্যাঙ্কে টিটিডি মোট ১১ হাজার ৩২৯ কেজি সোনা জমা রেখেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তারা ১,০৩১ কেজি সোনা জমা করেছিল। টিটিডি আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত ৩ বছরে চার হাজার কেজি সোনা ব্যাঙ্কে জমা করা হয়েছে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Earthquake: শীতের সকালে তিব্বতে জোরালো ভূমিকম্প! তীব্রতা ৭.১, কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু থেকে কলকাতা

    Earthquake: শীতের সকালে তিব্বতে জোরালো ভূমিকম্প! তীব্রতা ৭.১, কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু থেকে কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের সকালে কেঁপে (Earthquake) উঠল কলকাতা। মঙ্গলবার যখন ভালো করে ঘুম ভাঙেনি শহরবাসীর, তখনই আচমকা কেঁপে ওঠে কলকাতা ও আশপাশের এলাকা। শুধুমাত্র দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও অনুভূত হয়েছে প্রবল কম্পন। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল তিব্বত। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর মেলেনি। প্রথম কম্পনটি হয় সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.১।

    তিব্বতই কম্পনের উৎস

    সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, নেপালের লোবুচে থেকে ৯৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এই কম্পনের (Earthquake) উৎসস্থল। গভীরতা ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। উৎসস্থলে ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পর পর কম্পন অনুভূত হয়েছে একই অঞ্চলে। দ্বিতীয় কম্পনটি হয় সকাল ৭টা ২ মিনিটে। তীব্রতা ছিল ৪.৭। এর পাঁচ মিনিট পরে আবার তৃতীয় কম্পন, সকাল ৭টা ৭ মিনিটে। তৃতীয় কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৯। প্রথম দু’টি ভূমিকম্প হয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। তৃতীয়টি ৩০ কিলোমিটার গভীরে। ছ’মিনিট পরে আরও একটি কম্পন অনুভূত হয়, যার তীব্রতা ছিল ৫.০। তিব্বতের অপর একটি শহর শিগাতসে শহরে ৬.৮ তীব্রতার ভূমিকম্প হয়েছে বলে দাবি করেছে চিন। শিগাতসে হল তিব্বতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে কম্পনের পর আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন অনেকে। ভুটান এবং চিনের কিছু অঞ্চলেও কম্পন টের পাওয়া গিয়েছে।

    ভারতে বিভিন্ন জায়গায় কম্পন

    মঙ্গলবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে বিহার পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভারত-নেপাল সীমান্তবর্তী অঞ্চলেও টের পাওয়া গিয়েছে কম্পন। উত্তরবঙ্গের কিছু অঞ্চলেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। কেঁপেছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। এছাড়া জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, দুই দিনাজপুরের মানুষও এদিন কম্পন অনুভব করেছেন। সিকিম, অসমের কিছু অঞ্চলেও ভূমিকম্প টের পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: বীজাপুরে মাও হামলা, ফের ডেডলাইন বেঁধে দিলেন শাহ

    Amit Shah: বীজাপুরে মাও হামলা, ফের ডেডলাইন বেঁধে দিলেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেড লাইন বেঁধে দিয়েছিলেন আগেই। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আরও একবার জানিয়ে দিলেন, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যেই দেশ থেকে নকশালদের (Naxal Elimination) সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা হবে। ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের দ্বারা নিহতদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

    মাও হামলা (Amit Shah)

    সোমবার দুপুর ২টো ১৫ নাগাদ নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল মাও-দমন অভিযান সেরে এসইউভি গাড়িতে চড়ে বীজাপুরের কুটরু রোড এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। এই সময় আচমকাই ঘটে আইইডি বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের অভিঘাতে দুমড়ে মুচড়ে যায় জওয়ানদের গাড়িটি। শহিদ হন ৯ জন জওয়ান।

    কী লিখলেন শাহ?

    ঘটনার পর এক্স হ্যান্ডেলে শোক জ্ঞাপন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি লেখেন, “এই শোককে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব, তবে আমি আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি যে আমাদের সেনাদের ত্যাগ বৃথা যাবে না। আমরা ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে ভারতের মাওবাদী সন্ত্রাস (নকশালবাদ) সমাপ্ত করব।” গত দুবছরে এটিই ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর মাওবাদীদের সব চেয়ে বড় হামলার ঘটনা। এটি চলতি বছরে ছত্তিশগড়ে চতুর্থ মাওবাদী হামলার ঘটনা। গত ৩ জানুয়ারি গড়িয়াবন্দ জেলায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে এনকাউন্টারে ৩ মাওবাদীর মৃত্যু হয়।

    প্রসঙ্গত, ছত্তিশগড়ের (Amit Shah) এদিনের ঘটনা জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ের ওপর হামলার স্মৃতি উসকে দিল। পুলওয়ামায় ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সিআরপিএফ কনভয়ের ওপর হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। ওই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান।

    আরও পড়ুন: “ভুল করে গিয়েছিলাম, আমি এখন পুরনো বন্ধুদের সঙ্গেই রয়েছি”, সাফ কথা নীতীশের

    এদিকে, ছত্তিশগড়েরই দক্ষিণ আবুজমাদে শনিবার গভীর রাতে গুলি বিনিময় হয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের। এনকাউন্টার চলাকালীনই উদ্ধার হয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনীর পোশাক পরা ৪ মাওবাদীর দেহ। সোমবার সকালে এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় (Amit Shah) আরও এক মাওবাদীর (Naxal Elimination) দেহ। মৃত ৫ জনের মধ্যে ২জন মহিলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Singer Abhijeet Bhattacharya: মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    Singer Abhijeet Bhattacharya: মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নানা সময় বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে খবরের শিরোনামে এসেছেন গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য (Singer Abhijeet Bhattacharya)। ফের খবরের হেডলাইন তিনি। কারণ, মহাত্মা গান্ধীকে ‘পাকিস্তানের জনক’ বলেছেন তিনি। গায়কের এহেন মন্তব্যে বেজায় ক্ষিপ্ত (Mahatma Gandhi Remark) আইনজীবী অসীম সারোডে। গান্ধীকে নিয়ে এমন মন্তব্যের কারণে ক্ষমা চাইতে হবে বলিউডের গায়ককে। এই দাবি জানিয়েই বাঙালি গায়ককে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন অসীম।

    কী বললেন সঙ্গীত শিল্পী? (Singer Abhijeet Bhattacharya)

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাংলার এই সঙ্গীত শিল্পী বলেন, “সুরকার আরডি বর্মন মহাত্মা গান্ধীর চেয়েও বড় ছিলেন। মহাত্মা গান্ধী যেমন জাতির জনক, তেমনই আরডি বর্মন ছিলেন সঙ্গীত জগতের জনক।” এর পরেই বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন বাঙালি গায়ক। বলেন, “মহাত্মা গান্ধী পাকিস্তানের জনক ছিলেন, ভারতের নয়। ভারতবর্ষের অস্তিত্ব তো ছিলই, পাকিস্তান পরে তৈরি হয়েছে।” তিনি বলেন, “ভুল করেই ভারতে গান্ধীকে জাতির জনক বলা হয়। পাকিস্তানের অস্তিত্বের জন্য তিনিই দায়ী।”

    আইনীজীব সারোডে

    এতেই চটেছেন আইনীজীব সারোডে। লিখিতভাবে ক্ষমা না চাইলে, ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন পুণের এই আইনজীবী। আইনি নোটিশ পাঠিয়ে তিনি বলেন, “এই ধরনের মন্তব্য একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি দেশের সম্মানকে চ্যালেঞ্জ করা। মহাত্মা গান্ধী একজন জাতির জনক। তাঁর প্রতি এমন অবমাননাকর মন্তব্য সহ্য করা হবে না।” পুণের ওই আইনজীবী বলেন, “যদি অভিজিৎ এই মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা না চান, তবে আমরা তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে বাধ্য হব।” তাঁর দাবি, এমন মন্তব্য দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি অত্যন্ত অবমাননাকর (Singer Abhijeet Bhattacharya)।

    আরও পড়ুন: “গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    অভিজিতের মন্তব্যে আপত্তি জানিয়েছেন সঙ্গীত জগতেরও অনেকে। গান্ধীজি সম্পর্কে এহেন মন্তব্য দেশের ঐতিহ্যকে ছোট করার সমান। বিশেষত, জাতির জনক সম্পর্কে এমন আপত্তিকর মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলেই দাবি গায়ক সমাজের। প্রসঙ্গত, অভিজিতের এহেন মন্তব্য একেবারেই নতুন নয়। নানা সময় বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। শাহরুখ খান, সলমন খান, রণবীর কাপুর সহ অনেক বলিউড (Mahatma Gandhi Remark) তারকার বিরুদ্ধে আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি (Singer Abhijeet Bhattacharya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলায় প্রায় ৪০ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে! বিশেষ পরিকল্পনা রেলের

    Mahakumbh 2025: প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলায় প্রায় ৪০ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে! বিশেষ পরিকল্পনা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh 2025) উপলক্ষে প্রায় ৪০ কোটি মানুষের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (North Central Railway)। এটি ভিড় পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে।” মহাকুম্ভ মেলার প্রস্তুতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন উত্তর মধ্য রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শশীকান্ত ত্রিপাঠী।

    ৪০ কোটি মানুষ প্রয়াগরাজে আসবেন (Mahakumbh 2025)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “সিভিল প্রশাসন আমাদের জানিয়েছে যে কুম্ভমেলার সময় প্রায় ৪০ কোটি মানুষ প্রয়াগরাজে আসবেন। ভিড় পরিচালনা আমাদের কাছে একটি বড় বিষয়।” পুণ্যার্থীরা যাতে নিরাপদে তীর্থ করতে পারেন, তাই সুনির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে উত্তর মধ্য রেল। বিশৃঙ্খলা ও ভিড় এড়াতে রাস্তা করা হবে একমুখী। নির্ধারিত প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার আগে যাত্রীদের পাঠানো হবে যাত্রী-কেন্দ্রে। এতে এড়ানো যাবে বিভ্রান্তি, হ্রাস পাবে ভিড়।

    ৫০ দিনে ১৩ হাজার ট্রেন

    মহাকুম্ভ মেলায় বিপুল সংখ্যক তীর্থযাত্রীর চাহিদা মেটাতে ভারতীয় রেল ৫০ দিনের মধ্যে ১৩ হাজারটি ট্রেন চালাবে। এর মধ্যে থাকবে ১০ হাজারটি নিয়মিত ট্রেন এবং ৩ হাজারটি বিশেষ ট্রেন। তিনি বলেন, “৫০ দিনের মধ্যে কুম্ভমেলার জন্য ১৩ হাজারটি ট্রেন চলবে। এর মধ্যে ১০ হাজারটি নিয়মিত ট্রেন এবং ৩ হাজারটি বিশেষ ট্রেন। প্রায় ৭০০টি মেলা স্পেশাল দূরপাল্লার ট্রেন চলবে। স্বল্প দূরত্বের ট্রেন চলবে (Mahakumbh 2025) প্রায় ১৮০০টি।” তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি রিং রেল পরিচালনা করছি, যা চিত্রকূট, বারাণসী এবং অযোধ্যা সহ প্রয়াগরাজে যেতে ইচ্ছুক ভক্তদের জন্য থাকবে। এই ট্রেন প্রয়াগরাজ থেকে একটি সার্কিটে চলবে।”

    আরও পড়ুন: “গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, প্রতি ১২ বছর অন্তর প্রয়াগরাজে হয় কুম্ভমেলা। আর ১২টি কুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। অর্থাৎ এর আগে প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৪৪ বছর আগে। এবার মেলা চলবে ১৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। গঙ্গা, যমুনা ও কল্পিত সরস্বতী নদীর সঙ্গমস্থল প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হবে (North Central Railway) মহাকুম্ভ। মেলায় ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের পাশাপাশি আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক ও পর্যটন আকর্ষণ থাকবে (Mahakumbh 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সমাজে ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের মনোভাব, নীতিমালা এবং সিদ্ধান্ত গ্রামীণ ভারতে নতুন শক্তি জোগাচ্ছে।” শনিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত গ্রামীণ ভারত মহোৎসব ২০২৫-এ অংশগ্রহণ করেন তিনি। এই উৎসবটি ‘উন্নত ভারত ২০৪৭-এর জন্য একটি দৃঢ় গ্রামীণ ভারত নির্মাণ’ থিমের অধীনে গ্রামীণ ভারতের চেতনাকে তুলে ধরে (Rural India)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের অভিপ্রায়, নীতি এবং সিদ্ধান্তগুলি গ্রামীণ ভারতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করছে। আমাদের লক্ষ্য হল গ্রামীণ ভারতে ক্ষমতায়ন আনয়ন করা, যাতে গ্রামগুলিকে একটি গতিশীল উন্নয়ন ও সুযোগের কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তরিত করা যায়।” ভারতের উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এই সেবা দেশের দূরবর্তী এলাকাগুলিতেও পৌঁছে যাচ্ছে। কোভিড যুগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সেই সময় বিশ্ব সন্দেহ করেছিল যে ভারতীয় গ্রামগুলি কীভাবে এই সঙ্কট মোকাবিলা করবে।

    কোভিড মহামারী

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কোভিড মহামারীর সময়, বিশ্ব সন্দেহ প্রকাশ করেছিল যে ভারতীয় গ্রামগুলি কীভাবে এই সঙ্কট সামলাবে। কিন্তু আমরা নিশ্চিত করেছিলাম যে টিকার সুবিধা প্রতিটি গ্রামের শেষ মানুষ পর্যন্ত পৌঁছেছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির প্রয়োজন।  আমি গর্বিত যে গত ১০ বছরে আমাদের সরকার প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি শ্রেণির জন্য বিশেষ নীতি এবং সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।” 

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে রাজ্যের অনুমতি লাগবে না, সিবিআইকে সুপ্রিম-স্বস্তি

    এনডিএ নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের কাজের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের লাখো গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল ও মৌলিক সুবিধা পৌঁছচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ, ১.৫ লাখের বেশি আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরে স্বাস্থ্যসেবার উন্নত অপশন পাচ্ছেন মানুষ। ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে আমরা দেশের সেরা ডাক্তার এবং হাসপাতালগুলিকে গ্রামগুলির সঙ্গে সংযুক্ত করেছি এবং টেলিমেডিসিনের সুবিধাও গ্রহণ করেছি।” তিনি বলেন, “গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, অর্থনৈতিক নীতিগুলি গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি (Rural India) শ্রেণির কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে (PM Modi)।”

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: জাতিভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: জাতিভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতিভিত্তিক রাজনীতির মাধ্যমে সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে কিছু মানুষ। শনিবার গ্রামীণ ভারত মহোৎসবের উদ্বোধন করে এমনই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি নাগরিকদের সমাজে শান্তি বজায় রাখতে জাতিভিত্তিক রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। শনিবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে গ্রামীণ ভারত মহোৎসব ২০২৫-এর শুভ সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এই অনুষ্ঠানে গ্রামের উন্নয়নকে ভারতের সামগ্রিক অগ্রগতির মূলভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গ্রামের সমৃদ্ধি হল জাতির উন্নয়নের চাবিকাঠি। আমাদের গ্রামীণ এলাকা যত বেশি আত্মনির্ভর ও প্রগতিশীল হবে, ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের স্বপ্ন ততই সাফল্যের পথে এগোবে”। 

    সম্প্রীতিই ঐতিহ্য

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম না নিয়ে এদিন বলেন, কিছু মানুষ জাতিভিত্তিক বিভেদ ছড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের গ্রামগুলির পরিচয় গভীরভাবে সম্পর্কিত তার সম্প্রীতি এবং ভালোবাসার সঙ্গে। এই সময়ে কিছু মানুষ জাতির নামে সমাজে বিষ ছড়ানোর চেষ্টা করছে এবং আমাদের সম্প্রদায়ের একতা দুর্বল করার চেষ্টা করছে। আমাদের উচিত এই ষড়যন্ত্রগুলো প্রতিহত করা এবং আমাদের গ্রামের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি ধরে রাখার পাশাপাশি তা আরও শক্তিশালী করা।”

    গ্রামীণ দারিদ্র্য কমেছে

    প্রধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আরও বলেছেন, “২০১৪ সাল থেকে আমি ক্রমাগত এবং প্রতি মুহূর্তে গ্রামীণ ভারতের সেবায় নিযুক্ত রয়েছি। গ্রামের মানুষকে মর্যাদাপূর্ণ জীবন দেওয়া আমার সরকারের অগ্রাধিকার। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হল ভারতের গ্রামের মানুষের যেন ক্ষমতায়ন হয়, তারা যেন উন্নতির আরও বেশি করে সুযোগ পায়, তাদের অন্যত্র যেতে না হয়, গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ হয়, তাই প্রতিটি গ্রামে আমরা মৌলিক সুবিধার নিশ্চয়তা দিয়েছি।” গ্রামীণ জনগণের মধ্যে আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সরকারের লক্ষ্য বলে জানান মোদি। তিনি জানান, এখন ভারতে গ্রামীণ দারিদ্র্য কমে ৫ শতাংশেরও কম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গতকালই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট এসেছে, ওই রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১২ সালে ভারতের গ্রামীণ দারিদ্র্য ছিল প্রায় ২৬ শতাংশ। যেখানে ২০২৪ সালে ভারত গ্রামীণ দারিদ্র্য কমে ৫ শতাংশেরও কম হয়েছে।” জানুয়ারি ৪ থেকে ৯ পর্যন্ত চলবে এই মহোৎসব। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share