Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Crop Insurance Schemes: জানুন প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার এ টু জেড

    Crop Insurance Schemes: জানুন প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার এ টু জেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের একটা বড় অংশের মানুষই কৃষির ওপর নির্ভর করে দিন গুজরান করেন। ফি বার বাম্পার ফলনের আশা করলেও, আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, কীটপতঙ্গের প্রাদুর্ভাব এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ বর্তমানে কৃষি পরিণত হয়েছে একটি অনিশ্চিত পেশায়। সেই কারণে বহু কৃষক পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনায় বরাদ্দ (Crop Insurance Schemes)

    কৃষক (PMFBY) যাতে কৃষিতেই মনোনিবেশ করেন, তিনি যাতে পেশা পরিবর্তন না করেন, তা-ই ভারত সরকার তার ২০২৫ সালের নীতিগত সিদ্ধান্তে ফসল বীমা (Crop Insurance Schemes) প্রকল্পগুলিকে অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছে। কৃষিক্ষেত্রে ৪০ শতাংশের বেশি মানুষ যুক্ত থাকায়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার জন্য ৬৯,৫১৫.৭১ কোটি টাকা এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবন প্রকল্পগুলির জন্য অতিরিক্ত ৮২৪.৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই উদ্যোগগুলির মধ্যে রয়েছে ইয়েস-টেক (ফসলের সঠিক ফলন অনুমানের জন্য রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি) এবং উইন্ডস (স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া স্টেশন এবং বৃষ্টিপাত পরিমাপক যন্ত্র)-ও।

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। ২০১৬ সালে মূলত তাঁরই উদ্যোগে চালু হয় প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা। এটি একটি ফসল বীমা প্রকল্প যা খাদ্যশস্য, ডাল, তৈলবীজ এবং উদ্যানতাত্ত্বিক ফসল-সহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের জন্য বীমা কভারেজ দেয়। এই বীমা প্রকল্পের মূল মন্ত্রই হল ‘এক দেশ, এক ফসল, এক প্রিমিয়াম’। এর লক্ষ্য হল, ফসল বীমার প্রবেশযোগ্যতা বাড়ানো এবং বিশেষত গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের কাছে এর প্রসার ঘটানো।

    প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা প্রকল্পের সুবিধাগুলি কী?

    প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা প্রকল্প কৃষকদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ফসলের রোগ এবং পোকামাকড়ের সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবিলায় একাধিক সুবিধা দেয়। এগুলি হল, প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে আর্থিক সুরক্ষা: যদি অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ফসলের ক্ষতি হয়, তাহলে কৃষকদের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। এটি পুনরায় চাষের ব্যয় বা আয়ের ক্ষতি পূরণে সহায়তা দেয়।

    ঋণের প্রতি কম সংবেদনশীলতা: এটি কৃষকদের ফসল নষ্ট হওয়ার পর যে আর্থিক চাপের মুখোমুখি হতে হয় তা কমাতে সাহায্য করে। উচ্চ সুদে ঋণের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে, তারা বীমা ক্ষতিপূরণের সুবিধা নিতে পারে, যা পুনরুদ্ধারের জন্য একটি আরও সাশ্রয়ী উপায় প্রদান করে।

    বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা: যখন কৃষকরা জানেন যে তাঁদের আর্থিক সুরক্ষা রয়েছে, তখন তাঁরা নতুন প্রযুক্তিতে, যেমন জিপিএস এবং দূরবর্তী মনিটরিং, বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহী হয় যাতে তারা অবিচ্ছিন্ন কভারেজ পেতে পারে বা তাদের ফসল বৈচিত্র্যময় করতে পারে। এই সুরক্ষার অনুভূতি উদ্ভাবন ও উন্নত কৃষি অনুশীলনকে উৎসাহিত করে, যা শেষ পর্যন্ত বৃহত্তর কৃষি উৎপাদনশীলতায় অবদান (Crop Insurance Schemes) রাখে।

    জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি উন্নত সহনশীলতা: বীমা প্রকল্পগুলির সঙ্গে প্রায়ই অতিরিক্ত সুবিধা থাকে, যেমন আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ। গ্রামীণ কৃষি মৌসম সেবার মতো অ্যাগ্রোমেটিওরোলজিক্যাল উপদেষ্টা পরিষেবা কৃষকদের অস্বাভাবিক আবহাওয়ার কারণে ফসলের ক্ষতি এবং লোকসান মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে পারে, যা পরিবর্তিত জলবায়ু পরিস্থিতির প্রতি সহনশীলতা বাড়ায়।

    সরকারি ভর্তুকির মাধ্যমে সাশ্রয়িতা: ভারত সরকার ফসল বীমার প্রিমিয়ামের ওপর ভর্তুকি দেয়। এটি কৃষকদের আরও সাশ্রয়ী করে তোলে। এই ভর্তুকিগুলি বিশেষত ছোট কৃষকদের আর্থিক বোঝা কমাতে সাহায্য করে। এই ভর্তুকি না পেলে ওই কৃষকরা সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে সমস্যায় পড়তে পারেন।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে অসন্তোষ, পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস?

    কীভাবে এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করবেন?

    ভারত সরকার কৃষকদের জন্য অনলাইনে প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনায় (PMFBY) নাম নথিভুক্ত করা সহজ করে তুলেছে। প্রয়োজনীয় নথিপত্রের মধ্যে রয়েছে পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, খাসরা কাগজ (যদি কৃষক জমির মালিক হন), প্রধান, সরপঞ্চ, গ্রাম প্রধান, পাটওয়ারি ইত্যাদির কাছ থেকে একটি লিখিত চিঠি এবং অন্যান্য উপযুক্ত নথি। এগুলি দিলেই এই কল্যাণকারী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা যেতে পারে।

    কৃষকরা কীভাবে নিজেরাই তাঁদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন?

    https://pmfby.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে হোমপেজে ‘নিবন্ধন’ (Register) বিকল্পটি নির্বাচন করে নাম নথিভুক্ত প্রক্রিয়া শুরু করুন। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলোতে সঠিক ব্যক্তিগত ও সরকারি তথ্য, যেমন আপনার নাম, যোগাযোগের বিবরণ এবং সংশ্লিষ্ট কৃষি তথ্য পূরণ করুন। এই প্রক্রিয়ার সময় আধার নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে। মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের জন্য, আপনার নিবন্ধিত নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হবে। ওটিপি দিয়ে এই পর্যায়টি সম্পূর্ণ করুন।

    রেজিস্ট্রেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরে, এটি পর্যালোচনা করা হবে। আপনার আবেদন অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান হয়েছে কিনা তা আপনাকে জানাতে এসএমএস বা ইমেইলের মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হবে (Crop Insurance Schemes)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Jake Sullivan: রবিতে ভারতে আসছেন মার্কিন এনএসএ জেক সালিভান, ডোভালের সঙ্গে হবে আলোচনা

    Jake Sullivan: রবিতে ভারতে আসছেন মার্কিন এনএসএ জেক সালিভান, ডোভালের সঙ্গে হবে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াশিংটনে চলছে পালাবদলের তোড়জোড়। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার আগে রবিবার ভারত সফরে আসছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভান।  হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, দু’দিনের ভারত সফরে যাচ্ছেন সালিভান (Jake Sullivan)। এই সফরে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। দিল্লি আইআইটিতে বিদেশনীতি সংক্রান্ত একটি আলোচনাসভাতেও যোগ দেবেন। কথা বলবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও। বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও কথা বলতে পারেন সালিভান।

    সালিভানের সফরে আলোচনা

    আগামী ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে দ্বিতীয় বার দায়িত্ব নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিদায়ী ডেমোক্র্যাট সরকার নিযুক্ত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসাবে সালিভানের এটাই শেষ বিদেশ সফর। ২০ জানুয়ারি ওই পদে বসবেন ট্রাম্পের মনোনীত মাইকেল ওয়াল্টজ। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগেই সালিভানকে পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য শিল্পপতি গৌতম আদানির বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষের মামলা এবং খুনের চেষ্টার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ডোভালকে সমন পাঠানোর ‘আঁচ’ যাতে ভারত এবং আমেরিকার সামগ্রিক কৌশলগত সম্পর্কে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা। 

    আলাপচারিতার বিষয়

    রবিবারই দুদিনের সফরে দিল্লি আসছেন সালিভান। ৫ও ৬ জানুয়ারি ভারতেই থাকবেন তিনি। সরকারি সূত্রে খবর, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আদানিদের বিরুদ্ধে ঘুষের মামলা, আমেরিকা ও কানাডার মাটিতে খালিস্তানপন্থীদের তৎপরতা, ফৌজদারি মামলায় ডোভালকে আমেরিকার আদালতের সমনের পাশাপাশি আলোচনায় আসতে পারে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিও। দুই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার আলাপচারিতায় ‘ইনিশিয়েটিভ অন ক্রিটিকাল অ্যান্ড এমার্জিং টেকনোলজি’ (আইসিইটি)-র ভারত-মহাসাগরীয় অঞ্চল সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রসঙ্গও আসবে বলে জানা গিয়েছে। শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের পাশাপাশি এই সফরে ভারতের বিদেশনীতি নিয়ে দিল্লির আইআইটি-তে বক্তব্য রাখবেন তিনি ৷

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    সম্প্রতি, মার্কিন সফরে আমেরিকার পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ওয়াল্টজের সঙ্গে বৈঠক সারেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ৷ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় এই দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্য়ে ৷ বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে জয়শঙ্কর জানান, ওয়াল্টজের সঙ্গে কাজ করতে তিনি উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন ৷ ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক কোন পথে যাবে, সেই নিয়েই আলোচনা হয় ৷ অবশ্য, ওয়াল্টজের সঙ্গে দেখা করার আগেই সালিভানের সঙ্গেও বৈঠক সারেন জয়শঙ্কর ৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: দিল্লি নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কেজরিওয়ালের বিপক্ষে পরবেশ ভার্মা

    BJP: দিল্লি নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কেজরিওয়ালের বিপক্ষে পরবেশ ভার্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। ৭০টির মধ্যে ২৯টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে গেরুয়া শিবির। আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধেও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পরবেশ শাহিব সিং ভার্মা। প্রসঙ্গত, তিনি বিজেপির প্রাক্তন সাংসদও বটে। নতুন দিল্লি আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেই আসনেই দাঁড় করানো হয়েছে পরবেশ শাহিব সিং ভার্মাকে।

    কী বললেন কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP) প্রার্থী? 

    প্রাথী তালিকায় নাম ঘোষণার পরে নিজের দলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরবেশ শাহিব সিং। নিজের বিবৃতিতে তিনি জানান, সমগ্র দিল্লি যখন করোনায় আক্রান্ত ছিল, তখন তাদের প্রয়োজন ছিল অক্সিজেনের। কিন্তু অরবিন্দ কেজিরওয়াল তখন সেই প্রয়োজন মেটাননি। তিনি আরও জানিয়েছেন, দিল্লিতে যমুনা নদীকে পরিষ্কার করতে হবে। এর পাশাপাশি দিল্লির দূষণকে রোধ করতে হবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্ত কাজই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কেজরিওয়ালের স্ত্রীর বিরুদ্ধে টিকিট পেয়েছেন বিজেপি (BJP) সাংসদ রমেশ বিদুড়ি 

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দিল্লি সরকারের পরিবহণ মন্ত্রী কৈলাস গেহলট আম আদমি পার্টি থেকে ইস্তফা দেন, এরপরে তিনি বিজেপি যোগদান করেন। তাঁকেও বিজেপি প্রার্থী করেছে। দিল্লির বিজওয়াসন আসন থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিল্লির বিজেপি (BJP) সাংসদ রমেশ বিদুড়িকেও বিজেপি প্রার্থী করেছে এবং তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতসীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কালকাজি আসন থেকে। এদিকে, কালকাজি আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে তাদের দলের নেত্রী অলকা লাম্বাকে। প্রসঙ্গত গতকালই জানা যায়, দিল্লি বিজেপির প্রধান বীরেন্দ্র সচদেব কোনও আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajagopala Chidambaram: পরমাণু শক্তিধর ভারতের রূপকার বিজ্ঞানী রাজাগোপাল প্রয়াত, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Rajagopala Chidambaram: পরমাণু শক্তিধর ভারতের রূপকার বিজ্ঞানী রাজাগোপাল প্রয়াত, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরমাণু শক্তিধর ভারতের অন্যতম রূপকার বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী রাজাগোপাল চিদম্বরম (Rajagopala Chidambaram) প্রয়াত। মৃত্যুকালে দেশের প্রবীণ এই পরমাণু বিজ্ঞানীর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। মুম্বইয়ের জসলোক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। শনিবার সেখানেই মৃত্যু হয় বিজ্ঞানীর। তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছে ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটোমিক এনার্জি (DAE)। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে আপসহীন

    ১৯৭৪ এবং ১৯৯৮ সালে পোখরানে ভারত যে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে, তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন বিজ্ঞানী রাজাগোপাল (Rajagopala Chidambaram Dies)। ভারতের অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি। বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিষয়ে ভারত সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন। ভারতকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ‘পদ্ম বিভূষণ’ সম্মান পেয়েছিলেন বিজ্ঞানী রাজাগোপাল। পরিচিত মহলে তাঁকে নিয়ে হইচই হলেও, বিজ্ঞানী রাজাগোপাল বরাবরই মিতভাষী ছিলেন। আদ্যান্ত ভদ্রলোক, বিচক্ষণ মানুষ। দেশের জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন। তাঁর নজরদারি এড়িয়ে কোনও খবর বাইরে বেরোতে পারত না। (Rajagopala Chidambaram Dies)

    শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    বিজ্ঞানী রাজাগোপালের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘‘ডঃ রাজাগোপালের প্রয়াণে ব্যথিত। ভারতের পরমাণু প্রকল্পের অন্যতম উল্লেখযোগ্য মুখ ছিলেন তিনি। ওঁর অবদানে বিজ্ঞান এবং কৌশলগত ক্ষেত্রে ভারতের জমি মজবুত হয়েছে। ওঁর প্রতি কৃতজ্ঞ গোটা দেশ। ওঁর প্রচেষ্টা আগামী প্রজন্মকেও অনুপ্রেরণা জোগাবে।’’ ১৮৭৪ সালে ‘অপারেশন স্মাইলিং বুদ্ধ’ কোডনেমের আওতায় পোখরানে প্রথম বার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে ভারত। সেই পরীক্ষায় সবকিছু তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন বিজ্ঞানী রাজাগোপাল। ১৯৯৮ সালে পোথরানে দ্বিতীয় বার যখন পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করে ভারত, তাতেও নকশা তৈরি থেকে পরীক্ষা সাফল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন তিনি। সেই সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারি বাজপেয়ীর একেবারেই পাশে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।

    আত্মনির্ভর ভারতের সুর

    আত্মনির্ভর ভারতের কথাও শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে। আমদানিকৃত প্রযুক্তির ঘোর বিরোধী ছিলেন বিজ্ঞানী রাজাগোপাল। তাঁর যুক্তি ছিল, কোনও দেশই নিজেদের গোপন তথ্য ফাঁস করতে চাইবে না। ফলে বিদেশ থেকে শুধুমাত্র সেকেলে প্রযুক্তিই পাওয়া সম্ভব। এর পরিবর্তে ভারতকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হতে হবে বলে জানান। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হলে, তবেই দেশের উন্নতি সম্ভব, বলে মনে করতেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: কেন্দ্রীয় কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে রাজ্যের অনুমতি লাগবে না, সিবিআইকে সুপ্রিম-স্বস্তি

    CBI: কেন্দ্রীয় কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে রাজ্যের অনুমতি লাগবে না, সিবিআইকে সুপ্রিম-স্বস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন রাজ্যে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করতে হলে সিবিআইকে (CBI) অনুমতি নিতে হবে না সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের। শুক্রবার এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সিটি রবিকুমার ও বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চ বলেছে, যেখানেই কর্মরত থাকুন না কেন, তথ্যগত অবস্থান হল, তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকার বা সরকারি মালিকানাধীন সংস্থার কর্মী এবং দুর্নীতি দমন আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ উঠেছে। এই আইনটি কেন্দ্রীয় আইন।

    দুর্নীতির অভিযোগ (CBI)

    অন্ধ্রপ্রদেশে কর্মরত দুই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তার জেরে শুরু হয়েছিল সিবিআই তদন্ত। অভিযুক্তরা সিবিআইয়ের এফআইআর চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁদের যুক্তি ছিল, অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার রাজ্যে তদন্ত চালানোর ক্ষেত্রে সিবিআইকে ঢালাও সম্মতি দিয়েছিল। রাজ্য ভাগ হওয়ার পরে গঠিত নয়া অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রেও তা আপনা-আপনি প্রযোজ্য হয়ে যায় না। হাইকোর্ট সেই যুক্তি মেনে দুর্নীতি দমন আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের এফআইআর খারিজ করে দিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল, এ ক্ষেত্রে সিবিআইকে নতুন করে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের সম্মতি নিতে হবে।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে অসন্তোষ, পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস?

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

    অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের সেই রায় খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি রবিকুমার রায় দিতে গিয়ে সাফ জানিয়ে দেন, সিবিআইকে অন্ধ্রের কাছে ফের জেনারেল কনসেন্ট চাইতে হবে বলে হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, তা ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে ২০১৪ সালের ২৬ মে-র একটি সার্কুলার মেমো অনুযায়ী (CBI), ওই বছরের ১ জুন অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে চালু থাকা আইনগুলিতে কোনও পরিবর্তন, সংশোধন বা কোনও আইন প্রত্যাহার না হলে রাজ্য ভাগের পরে তৈরি হওয়া তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রেও তা বলবৎ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের যুক্তি, যেখানে কেন্দ্রীয় আইনে অপরাধের অভিযোগ উঠেছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, তাই সিবিআইয়ের রাজ্যের কাছে এই ধরনের (FIR) অনুমতি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • Vande Bharat Sleeper: ১৮০ কিমি বেগে ছুটল বন্দে ভারত, গ্লাস-ভর্তি জল এক ফোঁটাও পড়ল না! ভিডিও রেলমন্ত্রীর

    Vande Bharat Sleeper: ১৮০ কিমি বেগে ছুটল বন্দে ভারত, গ্লাস-ভর্তি জল এক ফোঁটাও পড়ল না! ভিডিও রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিডিও দেখে রীতিমতো যেন তাক লেগে গিয়েছে। বন্দে ভারত (Vande Bharat Sleeper) ঘণ্টায় ১৮০ কিমি বেগে ছুটল। কাচের গ্লাস পূর্ণ জল এক ফোঁটাও পড়ল না। ভারতীয় রেলের এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা গিয়েছে, কোটা রেলওয়ে বিভাগ দিল্লি-মুম্বই রেলপথে (Indian Rail) গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে এই পরীক্ষা মূলক প্রয়োগ শুরু করা হয়েছে। আর তাতেই দেখা গিয়েছে এই দুর্দান্ত পারফম্যান্স।

    ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও রেলমন্ত্রীর

    আগামী দু’মাসের মধ্যে ভারতীয় রেল বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু করতে চলেছে। কতটা দ্রুত গতিতে ছুটতে পারবে সেই ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) তা নিয়ে ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সামাজিক মাধ্যমে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের দ্রুতগতির এই ভিডিও পোস্ট করেছেন। বিভিন্ন গতিতে খালি ট্রেন এদিন চালানো হয়েছে। একই ভাবে ব্রেকিং সিস্টেম এবং এয়ার সাসপেনশন, কাপলার ফোর্স পরীক্ষা করা হয়েছে। মাত্র ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও ছিল। ট্রেনের গতি ছিল ১৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। ট্রায়ালটি বাঁকা ট্র্যাকের ওপর করা হয়েছে। মূলত কোটা বিভাগের পক্ষ থেকে দিল্লি-মুম্বই রেল (Indian Rail) পথে এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘ভগবানই জ্যাকেট’! প্রবল শীত উপেক্ষা করে বিবস্ত্র মহাকুম্ভের সর্বকনিষ্ঠ ৮ বছরের নাগা সাধু

    উচ্চগতিতে এক নতুন মাইল ফলক বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজে একটি ভিডিও বিনিময় করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে ট্রেনের একটি টেবিলে একটি গ্লাসে জল ভর্তি রাখা হয়েছে। বন্দে ভারত স্লিপার কোচ ১৭৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ছুটছে। এরপর গতি আরও বেড়ে ১৮০-তে পৌঁছে গেল। কিন্তু তবুও গ্লাসে রাখা জল এক ফোঁটাও ছলকে পড়ল না। ভারতীয় রেলের এই নিরাপদ সুরক্ষিত ও উচ্চগতি গতির এক নতুন মাইল ফলকের রূপ পেয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper)। যাত্রী থেকে নেটাগরিক— সকলের মধ্যে বেশ উচ্ছ্বাস প্রত্যক্ষ করা গিয়েছে। উল্লেখ্য, এই ট্রেনের মধ্যে আরামদায়ক বার্থ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, আধুনিক টয়লেট, উচ্চগতির ওয়াই-ফাই, রিডিং লাইট, বেশ গতি সম্পন্ন মোবাইল চার্জিং পয়েন্টের মতো সুবিধা থাকবে। খুব দ্রুত নির্দিষ্ট রুটে এই ট্রেন চালু করা হবে। কাশ্মীর-কন্যাকুমারী, মুম্বই-দিল্লি, কলকাতা-চেন্নাই সহ একাধিক রুটে এই ট্রেন (Indian Rail) দ্রুত চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Social Media: বয়স ১৮ বছরের নীচে? ব্যবহার করা যাবে না সোশ্যাল মিডিয়া, নতুন বছরে নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Social Media: বয়স ১৮ বছরের নীচে? ব্যবহার করা যাবে না সোশ্যাল মিডিয়া, নতুন বছরে নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজ মাধ্যম (Social Media) ব্যবহারে ক্ষেত্রে নতুন বছরেই চালু হচ্ছে নয়া নিয়ম। এবার থেকে ফেসবুক সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮। কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত যে বিধি প্রকাশ করেছে তাতে এই নয়া নির্দেশিকার কথা বলা হয়েছে।

    কী বলা হল নির্দেশিকায়? 

    ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘ভারত সরকার মনে করে ১৮ বছরের আগে ছেলেমেয়েদের সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) সঙ্গে সম্পৃক্ততার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সামাজিক মাধ্যমের অনেক কনটেন্ট কোমল মনকে বিপথে চালিত করে।’’ নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘যদি কোনও অভিভাবক তাঁর সন্তানকে সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলে দিতে চান তাহলে তাঁদের সরকারিভাবে অনুমতি দিতে হবে।’’ এর পাশাপাশি বয়স যাচাই এবং অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থাও রাখতে হবে প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে, এমনটাও জানানো হয়েছ ওই নির্দেশিকায়।

    জোর ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় (Social Media) 

    ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘‘সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি (Social Media) অনুমতি ছাড়া কারও তথ্য দেশে বা বিদেশে বিনিময় করতে পারবে না।’’ বাবা-মায়ের অনুমতিসাপেক্ষে যদি অনূর্ধ্ব-১৮ নাগরিকরা সমাজমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলে, তাহলে কী সুবিধা হবে এবং অসুবিধাই বা কী কী হতে পারে, সে বিষয়ে জনসাধারণের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে। জনগণ মতামত দিতে পারবেন ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। সরকারি ওয়েবসাইট (MyGov.in)-এ গিয়ে এ বিষয়ে নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন যে কেউ। নয়া নির্দেশিকায় আরও জানানো হয়েছে, সমাজমাধ্যমে কারও ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে পড়লে ব্যবহারকারী সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে ওই তথ্য মুছে দেওয়ার দাবি জানাতে পারবেন, চাইতে পারবেন কৈফিয়তও। তথ্য আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করার জন্যই এমন ভাবনা কেন্দ্রের। ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মের কাছে ২৫০ কোটি টাকা জরিমানার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রজনাথ সিং (Rajnath Singh) জানান, ভারতীয় প্রতিরক্ষা রফতানি (Defence Export) ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। এই রফতানির অঙ্ক ২১,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, বলে জানান তিনি। এক দশক আগে এর পরিমাণ ছিল ২,০০০ কোটি টাকা। রাজনাথের দাবি, ২০২৯ সালের মধ্যে ৫০,০০০ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ে প্রযুক্তি সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বলে জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত বাহিনী

    সেনাবাহিনীকে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত বাহিনীতে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে সরকার ২০২৫ সালকে ‘প্রতিরক্ষা সংস্কারের বছর’ হিসেবেও ঘোষণা করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) ডিআরডিও’র প্রশংসা করেন। আগামী দিনে লক্ষ্য অর্জনে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সংস্থার ৬৭তম প্রতিষ্ঠা দিবসে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজনাথ সিং। এই লক্ষ্যে তিনি দ্রুত বিকশিত প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য ডিআরডিও-কে আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও তিনি জানান, এক বছরের মধ্যে ১০০টি প্রকল্প শেষ করবে ডিআরডিও। এদিন ডিআরডিও’র সদর দফতর পরিদর্শনের পাশাপাশি বিজ্ঞানী এবং সংস্থার অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন রাজনাথ। 

    আরও পড়ুন: চিনের নতুন ভাইরাসে আতঙ্ক! ভারতে সংক্রমণের ভয় কতটা, কী বলল কেন্দ্র?

    ভারতীয় উপকরণ বিভিন্ন দেশে রফতানি

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানান, প্রতিরক্ষা খাতে ক্রমাগত সংস্কারের উদ্দেশ্য ভারতীয় সেনাকে একটি দুর্দান্ত বাহিনী হিসাবে প্রস্তুত করা। আধুনিক যুদ্ধ পদ্ধতিতে তথ্যযুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক যুদ্ধ, প্রক্সি যুদ্ধ, ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক যুদ্ধ, মহাকাশ যুদ্ধ এবং সাইবার আক্রমণের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। রাজনাথ জানান, ভারতীয় উপকরণ এখন বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে, যা ভারতের সামরিক শক্তির বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির উৎকর্ষতার প্রমাণ। রজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, ‘‘মোদি প্রশাসন তিনটি বাহিনীর মধ্যে ঐক্য এবং সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতে, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী একসঙ্গে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে আরও ভালো এবং কার্যকরীভাবে প্রস্তুত হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: ত্রিবেণী সঙ্গমে মহাকুম্ভের শুরু হল সকালের আরতি, মায়েরা করলেন প্রদীপ প্রজ্বলন

    Maha Kumbh 2025: ত্রিবেণী সঙ্গমে মহাকুম্ভের শুরু হল সকালের আরতি, মায়েরা করলেন প্রদীপ প্রজ্বলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মহাকুম্ভমেলা (Maha Kumbh 2025) মকর সংক্রান্তি থেকে শুরু হবে। ইতিমধ্যে এই বিরাট সনাতনী হিন্দু মেলায় ভক্ত, সাধু, সন্ত, সন্ন্যাসী, সাধু, নাগা, ব্রহ্মচারীরা আসতে শুরু করেছেন। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। মেলায় প্রত্যেকদিন ভোরে সূর্যোদয়ের সময়ে গঙ্গা আরতি করা শুরু হয়েছে। তবে প্রদীপ প্রজ্বলন করে আরতি প্রয়াগরাজের বিখ্যাত ঘাটের কিনারাতেই হয়ে থাকে এমন নয়, ত্রিবেণী সঙ্গমের নদী সমতলের নানা জায়গায় চলে আরতি। এরপর করা হয় মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা। দূরদূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরাও তা দর্শন করে থাকেন।

    আরতি হল হিন্দু সনাতন ধর্মের একটি বড় উৎসব (Maha Kumbh 2025)

    উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের মহিলারা মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) আগে একবার গঙ্গাতীরে আরতি অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন। তবে সেই সময় ছিল সম্পূর্ণ ভাবে একটি মহড়া কেন্দ্রিক। প্রয়াগরাজ তীর্থ ক্ষেত্রের এক পুরোহিত প্রদীপ পাণ্ডে বলেন, “আজ সকালে একটি বিশেষ আরতি অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এখানে ছেলেরা ত্রিবেণী আরতি করেন এবং মায়েরা গঙ্গা আরতি করেছেন। আমরা আশা করি এই আরতি সমাজের পরবর্তী সমাজকে উৎসাহিত করবে। আমরা স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই, এই আরতি হল হিন্দু সনাতন ধর্মের একটি বড় উৎসব। একে কোনও ভাবেই সীমাবদ্ধ করে রাখা যায় না। ভগবানের কাছে সকলের মঙ্গলকামনায় করা হয় আরতি।”

    মেলার ফায়ার স্টেশনে ৩৬৫টি গাড়ি মোতায়েন রাখা হয়েছে

    প্রয়াগরাজ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেলায় (Maha Kumbh 2025) আগত ভক্ত-সাধু এবং সন্ন্যাসীদের জন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। অগ্নিনির্বাপকযন্ত্র এবং ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধন করা হয়েছে। আগুন লাগা থেকে দ্রুত নিস্তার পেতে কমপক্ষে ৩৬৫টি গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে। একই ভাবে সব রকম প্রচার এবং মানুষকে অযথা আতঙ্কিত হওয়া থেকে মুক্ত থাকার কথাও বলা হয়েছে। অগ্নি নির্বাপণ শাখার এডিজি পদ্মজা চৌহান বলেন, “সচেতনতার বার্তা সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই ভাবে সাধারণ কিছু মানুষকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছোট খাটো আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের অফিসাররা দাঁড়িয়ে থেকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।”

    অল-টেরেন যান মোতায়েন করা হয়েছে

    এইবার কুম্ভমেলার (Maha Kumbh 2025) নিরাপত্তার বিষয়ে নজর দিয়ে একদিকে যেমন কর্মীনিয়োগ করা হয়েছে ঠিক তেমনি ভাবে প্রযুক্তিগত সরঞ্জামের ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন-দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অল-টেরেন যান মোতায়েন করা হয়েছে। এই যান জল-স্থল বা মরু অঞ্চলেও চলতে পারে। একই ভাবে অগ্নিনির্বাপক রোবট এবং মিস্ট বাইকের ব্যবহার করা হয়েছে। একই ভাবে বেশ কিছু অগ্নিনির্বাপক নৌকাও আনা হচ্ছে। নদীর জলকে ব্যবহার করে এই কাজ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ভক্তদের জন্য ইউটিএস মোবাইল অ্যাপ

    মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) আগত ভক্তদের সুবিধা দিতে রেল নিজেদের কর্মীদের প্রয়াগরাজ জংশনে মোতায়েন করবে। ফলে এই কর্মীরা সবুজ পোশাকে থাকবেন। তাঁদের জামার পিছনে কিউআর কোড থাকবে। খুব সহজেই তাঁদের শনাক্ত করা যাবে। তীর্থ যাত্রীরা ইউটিএস মোবাইল অ্যাপে ডাউনলোড করে তাঁদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ে লাইনে না দাঁড়িয়ে অসংরক্ষিত টিকিট বুক করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে। স্টেশনে ভিড় কমাতে এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। একইভাবে ডিজিটাল লেনদেনের বিষয়টিও সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে সময় এবং ভিড় থেকে বাঁচতে এই ধরনের  ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মোদি জমানায় ১৭.৯ কোটি নতুন চাকরি, ইউপিএ আমলে ছিল ২.৯, বিরোধীদের তোপ মান্ডব্যর

    স্নান শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ, স্বচ্ছ করতে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়

    এই মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025) ১২ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ১৩ জানুয়ারী থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রয়াগরাজে প্রচুর ভক্তদের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। প্রধান শাহী স্নানের দিনগুলি হল ১৩ জানুয়ারি-পৌষ পূর্ণিমা, ১৪ জানুয়ারি-মকর সংক্রান্তি, ২৯ জানুয়ারি-মৌনি অমাবস্যা, ৩ ফেব্রুয়ারি-বসন্ত পঞ্চমী এবং ১২ ফেব্রুয়ারি-মাঘী পূর্ণিমা। আবার যোগী প্রশাসন জানিয়েছে, এই বৃহৎ ধর্মীয় মেলায় আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ কোটি তীর্থ যাত্রীদের সমাগম হবে। বিশেষ বিশেষ স্নানে দৈনিক ১ কোটি ভক্তদের স্নান করার উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। একইভাবে স্নান শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও স্বচ্ছ করতে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, উদ্বোধনের দিনে আকাশ পথে পুষ্পবর্ষণ, দশহাজার বৈদিক পণ্ডিতের দ্বারা বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে মেলার আধ্যত্মিক পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি জমানায় ১৭.৯ কোটি নতুন চাকরি, ইউপিএ আমলে ছিল ২.৯, বিরোধীদের তোপ মান্ডব্যর

    PM Modi: মোদি জমানায় ১৭.৯ কোটি নতুন চাকরি, ইউপিএ আমলে ছিল ২.৯, বিরোধীদের তোপ মান্ডব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মসংস্থান ইস্যুতে বিরোধীদের একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য (Mansukh Mandaviya)। বৃহস্পতিবার তিনি এই ইস্যুতে একহাত নিলেন পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে। নিজের বিবৃতিতে মন্ত্রী জানিয়েছেন, মনমোহন জমানায় মাত্র ২.৯ কোটি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল ১০ বছরে। প্রসঙ্গত, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশে ছিল ইউপিএ সরকার। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে বিগত ১০ বছরে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে ১৭.১৯ কোটি।

    মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য, ইউপিএ জমানার থেকে এগিয়ে মোদি জমানা (PM Modi)

    কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ২০১৪-১৫ সালে সারাদেশে কর্মসংস্থানের যে অবস্থা ছিল তা বর্তমানে ৩৬ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। তিনি রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে কর্মসংস্থান ছিল ৪৭.১৫ কোটি,  কিন্তু ২০২৩-২৪ সালে এই কর্মসংস্থান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪.৩৩ কোটি। অন্যদিকে, ২০০৩-০৪ সালে ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে দেশের কর্মসংস্থান ছিল ৪৪.২৩ কোটি, কিন্তু ইউপিএ সরকারের একেবারে শেষের বছরে অর্থাৎ ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে কর্মসংস্থান হয় ৪৭.১৫ কোটি। অর্থাৎ মাত্র ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল কর্মসংস্থান।

    কমেছে বেকারত্ব

    একই সঙ্গে ইউপিএ জমানায় উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছিল মাত্র ৬ শতাংশ। কিন্তু মোদি জমানায় ২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ শতাংশ, এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রী। অন্যদিকে, পরিষেবা ক্ষেত্রে ইউপিএ আমলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ছিল ২৫ শতাংশ কিন্তু মোদি জমানায় এই হার ৩৬ শতাংশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মনসুখ মান্ডব্য। একই সঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার ২০১৭-১৮ সালে মোদি জমানায় (PM Modi) ছিল ৩১.৪ শতাংশ, ২০২৩-২৪ সালে তা অনেকটাই বেড়ে হয়েছে ৪১.৭ শতাংশ। যেখানে যুবকদের বেকারত্বের হার ২০১৭-১৮ তে ছিল ১৭.৪ শতাংশ এবং তা বর্তমানে ১০.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মনসুখ মান্ডব্য জানিয়েছেন, বিগত সাত বছরে অর্থাৎ ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪.৭ কোটি যুবক ইপিএফও-র আওতায় এসেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share