Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের (Rajya Sabha Polls) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। সোমবার জারি হয় এই বিজ্ঞপ্তি। এর মধ্যে ১০টি রাজ্যের ২৪টি আসন সদস্যদের অবসরের কারণে ফাঁকা হয়েছে। পদত্যাগজনিত কারণে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও ওড়িশার ৩টি আসনে হবে উপনির্বাচন।

    নির্বাচনের সাত-সতেরো (ECI)

    কমিশন জানিয়েছে, ২৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুন। ওই দিনই বিকেল ৫টার পর হবে ভোট গণনা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৮ জুন বিকেল ৩টা পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা ৯ জুন মনোনয়নপত্র যাচাই করবেন। ১১ জুন প্রার্থিপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন।অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, রাজস্থান, অরুণাচল প্রদেশ, কর্নাটক এবং মিজোরামে ২৪টি শূন্যপদে ভোট হবে। পদত্যাগের কারণে আরও ৩টি পদ শূন্য। ফলে বিরোধী জোট রাজ্যসভায় অন্তত তিনটি অতিরিক্ত আসন পেতে পারে বলেই ইঙ্গিত। যদিও শাসক বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ তাদের বর্তমান শক্তি বজায় রাখবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। আগামী মাসে রাজ্যসভা থেকে যাঁরা অবসর নেবেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং, এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু ও জর্জ কুরিয়েন।

    শক্তি বাড়ছে এনডিএর!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ২৭টি আসনের মধ্যে শাসক এনডিএ তাদের শক্তি এক বাড়িয়ে ১৯-এ নিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে ২৪৫ সদস্য বিশিষ্ট রাজ্যসভায় এনডিএর আসন সংখ্যা ১৪৮। কংগ্রেসের রয়েছে ৪টি আসন, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM)-এর ১টি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি (YSRCP)-এর ৩টি আসন। রাজ্য বিধানসভাগুলিতে (Rajya Sabha Polls) দলগুলির বর্তমান শক্তির ভিত্তিতে কংগ্রেস তাদের আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ করতে পারে (ECI)। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা দু’টি আসনে জিততে পারে। শাসক তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (TVK) তামিলনাড়ুর উপনির্বাচনে একটি আসন জিতে প্রথমবারের মতো রাজ্যসভায় জায়গা পেতে পারে।

    এনডিএ ভালো অবস্থায়

    এনসিপি নেতা সুনেত্রা পাওয়ার এবং এআইএডিএমকে নেতা সিভি শানমুগম বিধানসভায় নির্বাচিত হওয়ায় রাজ্যসভায় ইস্তফা দিয়েছেন। সেই কারণেই উপনির্বাচন হবে মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুতে। ওড়িশায় দেবাশিস সমান্ত রায়, বিজেডি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ছেড়েছেন রাজ্যসভার সদস্যপদও। তাই এই কেন্দ্রেও হবে উপনির্বাচন (ECI)। মহারাষ্ট্রে সুনেত্রা পাওয়ারের শূন্য পদে এনডিএ ভালো অবস্থায় রয়েছে (Rajya Sabha Polls)। তামিলনাড়ুর একটিমাত্র আসন বন্ধু দলগুলির সমর্থনে টিভিকের দখলে যেতে পারে। ওড়িশার আসনটি শাসক দলের ঝুলিতে যেতে পারে।

    কোন আসনে জিতছে কারা

    অন্ধ্রপ্রদেশে টিডিপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ চারটি আসনই জিততে পারে। গুজরাটে বিজেপি চারটি আসনেই জিতবে। তাই এই রাজ্য থেকে কংগ্রেস তাদের একমাত্র আসনটি খোয়াতে পারে। কর্নাটকে কংগ্রেস চারটির মধ্যে তিনটি আসনে জিততে পারে, একটি আসন যেতে পারে পদ্ম-ঝুলিতে। খাড়্গে ফের রাজ্যসভায় মনোনীত হতে পারেন (ECI)। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিজেপি দু’টি করে আসন জিততে পারে। এই দুই রাজ্যে কংগ্রেস একটি করে আসন পেতে পারে। ঝাড়খণ্ডে শাসক জেএমএম-কংগ্রেস জোট দু’টি আসনই জিততে পারে। তাদের জয়ের পথে খাড়া প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে পারে বিজেপি। অর্থাৎ, জোরদার লড়াই হতে পারে (Rajya Sabha Polls)।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত দ্বিবার্ষিক রাজ্যসভা নির্বাচনে ১০টি রাজ্যের ৩৭টি আসনের মধ্যে (ECI) বিজেপি জিতেছিল ১৩টি আসনে।

     

  • Modi Meets Min Aung Hlaing: চিনকে টেক্কা দিতে মায়ানমারের বিরল খনিজে নজর ভারতের! মোদি-মিন অং হ্লাইং বৈঠকে বড় বার্তা

    Modi Meets Min Aung Hlaing: চিনকে টেক্কা দিতে মায়ানমারের বিরল খনিজে নজর ভারতের! মোদি-মিন অং হ্লাইং বৈঠকে বড় বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে বিরল খনিজ মৌল বা রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস (Rare Earth Elements, সংক্ষেপে REE)-এর জোগান নিয়ে যখন নতুন ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে, তখন মায়ানমারের সামরিক শাসক ও প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং-এর ভারত সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। পাঁচ দিনের ভারত সফরের অংশ হিসেবে সোমবার নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো ও নিরাপত্তা সহযোগিতার পাশাপাশি মায়ানমারের বিপুল বিরল খনিজ সম্পদও আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। মে ৩০ থেকে জুন ৩ পর্যন্ত চলা এই সফরে মিন অং হ্লাইং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং ভারতের শীর্ষ শিল্পপতিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এই সফরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মায়ানমারের বিরল মৃত্তিকা খনিজ সম্পদ, যা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচিত।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ মায়ানমারের বিরল খনিজ মৌল?

    বর্তমানে মায়ানমার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিরল খনিজ মৌল উৎপাদনকারী দেশ। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের পরেই তার অবস্থান। বিশেষ করে দেশটির কাচিন ও শান প্রদেশে বিপুল পরিমাণে মজুত রয়েছে ভারী বিরল খনিজ মৌল— ডিসপ্রোসিয়াম (Dysprosium) এবং টার্বিয়াম (Terbium)। এই খনিজগুলি আধুনিক প্রযুক্তি শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈদ্যুতিক গাড়ি (EV), বায়ুচালিত বিদ্যুৎ টারবাইন, উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে এগুলির ব্যবহার অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিসপ্রোসিয়াম ও টার্বিয়াম এমন এক ধরনের উপাদান যা চুম্বককে অত্যধিক তাপমাত্রাতেও কার্যকর রাখে। ফলে যুদ্ধবিমান, রেডার ব্যবস্থা এবং উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র তৈরিতে এর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে।

    ভারতের জন্য কেন কৌশলগত তাৎপর্যপূর্ণ?

    ভারত বর্তমানে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে নিজস্ব যুদ্ধবিমান, উন্নত রেডার ও সামরিক প্রযুক্তি বিকাশে জোর দিচ্ছে। সেই কারণে মায়ানমারের বিরল খনিজ সম্পদের প্রতি নয়াদিল্লির আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।

    বিশেষ করে—

    • ● যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিনে ব্যবহৃত সুপারঅ্যালয় তৈরিতে ডিসপ্রোসিয়াম প্রয়োজন।
    • ● উন্নত রেডার ব্যবস্থায় বিরল মৃত্তিকা চুম্বক অপরিহার্য।
    • ● স্টেলথ প্রযুক্তি ও বিশেষ প্রতিরক্ষা আবরণ তৈরিতেও এই উপাদানের ব্যবহার রয়েছে।
    • ● ভবিষ্যতের বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্পের জন্যও এই খনিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    বর্তমানে মায়ানমারের অধিকাংশ বিরল খনিজ অপরিশোধিত অবস্থায় চিনে রফতানি বা পাচার হয়ে যায়। কারণ দেশটির নিজস্ব পরিশোধন (refining) পরিকাঠামো এখনও পর্যাপ্ত নয়। ফলে চিন দীর্ঘদিন ধরে এই খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খলের ওপর উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

    চিনের বিকল্প খুঁজছে বিশ্ব

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিরল খনিজের সরবরাহে চিনের আধিপত্য নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশ্বের মোট পরিশোধিত বিরল খনিজের বড় অংশই চিনের নিয়ন্ত্রণে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, জাপান এবং ভারত বিকল্প উৎস খুঁজতে শুরু করেছে। এই প্রেক্ষাপটে মায়ানমার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মায়ানমারের ভৌগোলিক সংযোগ এবং দীর্ঘ সীমান্ত থাকায় দুই দেশের মধ্যে খনিজ সহযোগিতার সম্ভাবনাও বেশি।

    বাণিজ্যিক সম্পর্কও শক্তিশালী হচ্ছে

    ভারত ও মায়ানমারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ পৌঁছেছে ২.১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। বর্তমানে ভারত মায়ানমারের চতুর্থ বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। মায়ানমার থেকে ভারতে রফতানিকৃত পণ্যের মধ্যে ডালশস্য (Pulses) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যা মোট রফতানির প্রায় ৭৭ শতাংশ। এছাড়াও ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চালু হওয়া রুপি-কিয়াত (Rupee-Kyat) নিষ্পত্তি ব্যবস্থা দুই দেশের মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যের পথ খুলে দিয়েছে। এতে ডলার নির্ভরতা কমবে এবং বাণিজ্য আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিনিয়োগেও বাড়ছে ভারতের উপস্থিতি

    বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ভারত ধীরে ধীরে মায়ানমারে নিজের অবস্থান শক্ত করছে। বর্তমানে ভারত মায়ানমারের একাদশ বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ। ভারতীয় সংস্থাগুলির অনুমোদিত মোট বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৭৮২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরল খনিজ, জ্বালানি, অবকাঠামো ও উৎপাদন শিল্পে যৌথ উদ্যোগ গড়ে উঠলে আগামী কয়েক বছরে এই বিনিয়োগ আরও বাড়তে পারে।

    ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

    বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা শিল্পে বিরল খনিজ মৌলের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে মায়ানমারের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা শুধু অর্থনৈতিক নয়, কৌশলগতভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চিনের উপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে ভারত যে সক্রিয়ভাবে এগোচ্ছে, মিন অং হ্লাইংয়ের এই সফর তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি মায়ানমারের খনিজ সম্পদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে ওঠে, তাহলে তা ভারতের প্রতিরক্ষা, বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্প এবং উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদন খাতে বড় সুবিধা এনে দিতে পারে।

  • NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    NIA: পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনে হামাস-যোগ! কী বলছেন এনআইএর তদন্তকারীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২৬ হিন্দু পর্যটক খুনের তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। ইতিমধ্যেই তারা চার্জশিটও জমা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের সঙ্গে লস্কর-ই-তইবা (LeT), দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF), জইশ-ই-মহম্মদ (JeM), আল-কায়েদা (Al-Qaeda) ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠী, হামাস (Hamas) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য সম্পর্ক (Pahalgam Terror Attack Case) নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এনআইএ।

    খতিয়ে দেখা হচ্ছে হামাস যোগ (NIA)

    চার্জশিটে প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের উল্লেখ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।  কারণ এই প্রথম পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে সম্ভাব্য কার্যকরী সম্পর্কের তদন্তে এনআইএ এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে হামাসের নাম উল্লেখ করেছে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত একটি মামলায়।তদন্তকারীরা জানান, তদন্তের এই অংশটি (হামাস যোগ) আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য সম্পর্কের প্রকৃতি, পরিসর ও ব্যাপ্তি নির্ধারণের চেষ্টাও চলছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলি জম্মু-কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া কোনও জঙ্গি কার্যকলাপে কোনও রকমের সাহায্য, সমর্থন বা প্রভাব বিস্তার করেছে কি না।

    যেসব তথ্য খতিয়ে দেখছে এনআইএ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তদন্ত বৃহত্তর একটি চেষ্টার অংশ, যার উদ্দেশ্যই হল অভিযুক্ত সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ চিহ্নিত করা এবং সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্ক কীভাবে পরিবর্তিত ও বিকশিত হচ্ছে, তা বোঝা। এটা করতে গিয়েই এনআইএ একাধিক সূত্র অনুসরণ করছে (NIA)। এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল প্রমাণ, আর্থিক লেনদেন এবং সীমান্তপারের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। এই সব তথ্য সম্ভাব্য সংযোগগুলির ব্যাপ্তি নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে। পহেলগাঁও হামলার পর গোয়েন্দা মূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে এনআইএ এই নয়া দিকটিতেই বেশি করে নজর দিচ্ছে। সূত্রের খবর, ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সম্প্রতি হামাস এবং পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন, যেমন লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রমাণ পেয়েছে।

    হামাসের আক্রমণের সঙ্গে মিল!

    এই পরিস্থিতিতে তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ওই সংগঠনগুলির মধ্যে কোনও ধরনের সহযোগিতা, সমন্বয় বা কৌশল শেয়ার করা হয়েছিল কি না। শুধু তা-ই নয়, নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এও জানার চেষ্টা করছে, পহেলগাঁও হামলায় হামাস-স্টাইলের কোনও কৌশলগত বৈশিষ্ট্য ছিল কি না। জানা গিয়েছে, ওই হামলার পরিকল্পনা, টার্গেট ঠিক করা, এবং তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু মিল দেখা গিয়েছে (Pahalgam Terror Attack Case)। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর হামাসের আক্রমণের সঙ্গেও এর তুলনা করা হয়েছে (NIA)। যদিও এসব সাদৃশ্য সম্পর্কে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। তদন্তকারীরা বৃহত্তর তদন্তের অংশ হিসেবে সব উপলব্ধ প্রমাণ মূল্যায়ন করে চলেছেন।

    এনআইএর চার্জশিট

    এনআইএর চার্জশিটে স্পষ্ট করা হয়েছে, সম্ভাব্য হামাস-যোগ প্রতিষ্ঠা করা এখনও তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয়। আধিকারিকদের মতে, এই তদন্তের ফল পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক জেহাদি সংগঠনগুলির মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য দিতে পারে (Pahalgam Terror Attack Case)। কারণ এনআইএ পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে থাকা বৃহত্তর নেটওয়ার্কের পর্দা ফাঁস করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে (NIA)।

     

  • Foreigners Registration India: বিদেশিদের জন্য বড় নিয়ম বদল! ভারতে থাকার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    Foreigners Registration India: বিদেশিদের জন্য বড় নিয়ম বদল! ভারতে থাকার ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া, ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়, জরুরি পরিস্থিতিতে নিবন্ধনের অনুমতি এবং আপিল ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। রবিবার গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স (সংশোধনী) বিধি, ২০২৬ কার্যকর করেছে কেন্দ্র। এই সংশোধনীগুলি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স রুলস, ২০২৫-এ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। কেন্দ্রের দাবি, বিদেশি নাগরিকদের জন্য নিয়ম মেনে চলার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার পাশাপাশি নজরদারি ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতেই এই পদক্ষেপ।

    বিদেশিদের নিবন্ধনের সময়সীমায় বড় পরিবর্তন

    সংশোধিত বিধিতে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করা হয়েছে রুল ‘১২-এ’। আগে কোনও বিদেশি নাগরিক ভারতে আগমনের পর ১৮০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করাতে পারতেন। নতুন নিয়মে সেই বিধান বদলে দেওয়া হয়েছে। এখন বিদেশি নাগরিকদের ১৮০ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই যে কোনও সময়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ নিবন্ধনের জন্য আর অতিরিক্ত ১৪ দিনের সময় পাওয়া যাবে না। সরকারের মতে, এই পরিবর্তনের ফলে নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং তথ্য হালনাগাদ রাখা সহজ হবে।

    দেরিতে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি

    সংশোধনী বিধিতে দেরিতে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নতুন শর্তও যোগ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে নিবন্ধনের অনুমতি শুধুমাত্র ‘জরুরি বা বিশেষ পরিস্থিতিতে’ (emergent circumstances) দেওয়া হবে। ফলে আগে যেখানে কিছুটা নমনীয়তা ছিল, সেখানে এখন বিলম্বিত নিবন্ধনের জন্য যথাযথ কারণ দেখাতে হবে এবং কর্তৃপক্ষের সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।

    ভারতীয় অভিভাবকের সন্তানদের জন্য বিশেষ ছাড়

    নতুন সংশোধনীতে এমন শিশুদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে, যাদের ভারতীয় ও বিদেশি—দুই ধরনের নাগরিকত্বের দাবি থাকতে পারে। বিধি অনুযায়ী, যদি কোনও শিশুর মা বা বাবা ভারতীয় নাগরিক হন এবং তাঁরা নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ধারা ৩ অনুযায়ী শিশুর ভারতীয় নাগরিকত্ব বজায় রাখতে চান, তাহলে সেই শিশুর ক্ষেত্রে বিদেশি হিসেবে নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না। এই সিদ্ধান্ত বহু আন্তঃদেশীয় পরিবারের জন্য স্বস্তির খবর বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে ৩০ দিনের মধ্যে জানাতে হবে

    তবে একই সঙ্গে সরকার একটি নতুন বাধ্যবাধকতাও নির্ধারণ করেছে। যদি কোনও শিশু ভারতে অবস্থানকালে পরবর্তী সময়ে অন্য কোনও দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে, তাহলে শিশুর মা বা বাবা—যে কোনও একজনকে ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন আধিকারিককে (Registration Officer) সেই তথ্য জানাতে হবে। এই বিধান যুক্ত করার মাধ্যমে কেন্দ্র শিশুদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথি ও রেকর্ড আরও নির্ভুল রাখতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    রিপোর্টিং সংক্রান্ত বিধিতে সংশোধন

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ‘রুল ১৮’-এর একটি ভাষাগত ত্রুটিও সংশোধন করেছে। আগের বিধিতে যেখানে লেখা ছিল “but beyond twenty-four hours”, সেখানে সংশোধন করে “but not beyond twenty-four hours” করা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তন সংশ্লিষ্ট বিধির ব্যাখ্যা ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি দূর করবে।

    আপিল ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন

    সংশোধনী বিধিতে আপিল প্রক্রিয়াকেও নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫ অনুযায়ী কোনও সিভিল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অসন্তুষ্ট হলে সংশ্লিষ্ট মালিক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এখন ব্যুরো অফ ইমিগ্রেশনের কমিশনারের কাছে আপিল করতে পারবেন।

    তবে এই আপিল করতে হবে:

    • ● নির্দেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে
    • ● নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে

    এছাড়া কমিশনারকে আপিলকারীর বক্তব্য শোনার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিতে হবে এবং একটি কারণ-সম্বলিত (reasoned) আদেশ দিতে হবে। নতুন বিধি অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া সাধারণত ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা করতে হবে।

    কেন এই সংশোধনী?

    কেন্দ্র জানিয়েছে, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫-এর ধারা ৩০-এ প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যবহার করেই এই সংশোধনী বিধি জারি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশিদের নিবন্ধন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও সময়োপযোগী করা, নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত জটিলতা কমানো এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করাই এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য। নতুন বিধি ইতিমধ্যেই কার্যকর হওয়ায় ভারতে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক, আন্তর্জাতিক পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিকে দ্রুত নতুন নিয়ম সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • RBI: এবার পকেটে আসছে প্লাস্টিকের টাকা? দশ-কুড়ির নোট নিয়ে বড় পদক্ষেপের পথে আরবিআই

    RBI: এবার পকেটে আসছে প্লাস্টিকের টাকা? দশ-কুড়ির নোট নিয়ে বড় পদক্ষেপের পথে আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনের ব্যাপক প্রসারের মধ্যেও দেশে কাগজের নোটের চাহিদা কমেনি। তবে এবার ভারতের কাগজের মুদ্রার ইতিহাসে এক বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে। সাধারণ মানুষের নিত্য ব্যবহারের ১০ টাকা এবং ২০ টাকার কাগজের নোটগুলো শীঘ্রই ‘প্লাস্টিক’ বা পলিমার নোটে (Plastic Notes) রূপান্তরিত হতে পারে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (RBI) তাদের এক দশক পুরনো এই পরিকল্পনাটি পুনরায় বাস্তবায়নের জন্য তৎপরতা শুরু করেছে। এই খবরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত (RBI)?

    সূত্রের খবর, সম্প্রতি পাটনা ও মুম্বইতে অনুষ্ঠিত আরবিআই-এর শেষ দুটি বোর্ড বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মূলত দুটি প্রধান কারণে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক প্লাস্টিক কারেন্সির দিকে ঝুঁকছে:

    ১. উৎপাদন খরচ হ্রাস:

    সাম্প্রতিক সময়ে কাগজের নোট (Plastic Notes) ছাপানোর খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে যেখানে নোট ছাপানোর খরচ ছিল ৫,১০১.৪ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬,৩৭২.৮ কোটি টাকায়। পলিমার নোটের প্রাথমিক উৎপাদন খরচ বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী।

    ২. দীর্ঘস্থায়িত্ব বা শেল্ফ লাইফ:

    সাধারণ কাগজের নোট (Plastic Notes) দ্রুত ছিঁড়ে বা নষ্ট হয়ে যায়। গত অর্থবর্ষেই প্রায় ২৩.৮ বিলিয়ন জরাজীর্ণ ও নোংরা নোট বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংস করতে হয়েছে আরবিআই-কে। ১০ এবং ২০ টাকার নোট সবচেয়ে বেশি হাতবদল হয় বলে এগুলো দ্রুত নষ্ট হয়। প্লাস্টিকের নোট সহজে ছিঁড়বে না, জলেও নষ্ট হবে না। ফলে এগুলো দীর্ঘদিন সচল থাকবে।

    এটি কি ক্রেডিট কার্ডের মতো শক্ত হবে?

    না, প্লাস্টিকের বা পলিমার নোট (Plastic Notes) বলা হলেও এগুলো ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতো শক্ত কোনও প্লাস্টিক নয়। এটি মূলত একটি অত্যন্ত পাতলা, নমনীয় বা ফ্লেক্সিবল প্লাস্টিক সাবস্ট্রেট দিয়ে তৈরি। এটি কাগজের নোটের মতোই হালকা হবে এবং সহজেই ভাঁজ করে পকেটে বা মানিব্যাগে রাখা যাবে। অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য (UK), কানাডা এবং সিঙ্গাপুরের মতো বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশে ইতিমধ্যেই এই পলিমার নোটের সফল ব্যবহার চলছে।

    প্রাথমিক পাইলট প্রজেক্ট ও এটিএম-এর প্রস্তুতি

    আরবিআই সূত্রে জানা গেছে, দেশজুড়ে একবারে এই নোট চালু করা হবে না। খুব শীঘ্রই পরীক্ষামূলকভাবে (Pilot Project) নির্দিষ্ট কিছু শহরে ১০ এবং ২০ টাকার প্লাস্টিকের নোট বাজারে ছাড়া হবে। এর আগে ২০১২ সালেও ভারত সরকার কোচি, মহীশূর, জয়পুর, ভুবনেশ্বর এবং শিমলা—এই পাঁচটি শহরে পরীক্ষামূলকভাবে প্লাস্টিক নোট (Plastic Notes) চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সে সময় এটিএম (ATM) মেশিনগুলো এই নোট চেনা বা গণনার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সমস্যায় পড়েছিল। তবে বর্তমান প্রযুক্তি অনেক উন্নত এবং আধুনিক এটিএমগুলো যাতে খুব সহজেই এই প্লাস্টিক নোট লেনদেন করতে পারে, তার সম্পূর্ণ পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।ডিজিটাল ইন্ডিয়া এবং ইউপিআই (UPI)-এর বিপ্লবের পর, কাগজের নোটের এই ‘প্লাস্টিক বা পলিমার’ রূপান্তর ভারতের অর্থনীতি ও মুদ্রা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পরবর্তী অন্যতম বড় সংস্কার হতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Karachi Bank: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত ফোনে অর্থায়ন করেছিল পাকিস্তানের ব্যাঙ্ক!

    Karachi Bank: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত ফোনে অর্থায়ন করেছিল পাকিস্তানের ব্যাঙ্ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় ফের মিলল পাক-যোগের প্রমাণ! তদন্তকারীরা জেনেছেন, জঙ্গিদের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনের উৎস পাকিস্তান। ২০২১ সালে আমদানি করা একটি চালানের সঙ্গেই সেটি এসেছিল ভারতে। এই চালানের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়েছিল করাচির একটি ব্যাঙ্ক। অতীতেও সন্ত্রাস-সংক্রান্ত তদন্তে উঠে এসেছিল পাকিস্তানের এই ব্যাঙ্কের নাম। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে এই ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ (NIA) এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ।

    বাজেয়াপ্ত ২ ফোন (Karachi Bank)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তদন্তকারীরা জেনেছেন, পহেলগাঁও হামলায় জড়িত সন্ত্রাসবাদীরা দু’টি Xiaomi Redmi সিরিজের ফোন ব্যবহার করছিল। এর মধ্যে একটি ছিল Redmi 9T। ২০২১ সালে এটি আমদানি করা হয়েছিল পাকিস্তানে। অন্য ফোনটি ছিল Redmi Note 12, আমদানি করা হয়েছিল ২০২৩ সালে। ফোন দু’টি উদ্ধার হয় ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই, জম্মু-কাশ্মীরের দাচিগাম জঙ্গলে মুলনার মহাদেব এলাকায়। সেখানেই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয় তিন জঙ্গি—ফয়সাল জাট ওরফে সুলেমান শাহ, হাবিব তাহির ওরফে জিবরান এবং হামজা আফগানির কাছ থেকে। আরও জানা গিয়েছে, Redmi 9T ফোনটি পাকিস্তানের করাচির ক্লিফটন রোডের Tech Sirat Pvt Ltd নামের একটি প্রতিষ্ঠানের আমদানি করা চালানের অংশ ছিল। Xiaomi Global-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চালানটি ১ জানুয়ারি ২০২১ সালে পাকিস্তানে পৌঁছেছিল।

    ফোন পৌঁছয় লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিদের হাতে

    এই চালানের লজিস্টিকস ও অর্থায়নের সঙ্গে যুক্ত ছিল পাকিস্তানের অন্যতম বড় ইসলামিক ব্যাঙ্ক ফয়জল ব্যাঙ্ক লিমিটেড (Faysal Bank Ltd)। চালান ডেলিভারির ঠিকানায় লেখা ছিল: “ফয়জল হাউস, মেন ব্রাঞ্চ, সাহারা-ই-ফয়জল, করাচি।” তদন্তকারীদের অনুমান, সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কিং প্রক্রিয়া, যেমন লেটার অফ ক্রেডিটের মাধ্যমে আমদানিতে অর্থায়ন করা হয়েছিল। ফোনটি ওই চালান থেকে আলাদা হয়ে গিয়ে পরে পৌঁছয় লস্কর-ই-তৈবা (LeT) জঙ্গিদের হাতে। তদন্তকারী আধিকারিকদের মধ্যে একজন বলেন, “পহেলগাঁও হামলায় ব্যবহৃত ফোনটি সম্ভবত এই চালান থেকেই পাচার হয়ে লস্কর-ই-তৈবার হাতে পৌঁছেছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০২১ সালে আমদানির পর থেকে ফোনটি চালুই করা হয়নি। পহেলগাঁও হামলার সময়ই সেটি প্রথম চালু হয়।”

    ফয়জল ব্যাঙ্কে জঙ্গি সংগঠনের অ্যাকাউন্ট

    তদন্তকারীরা অবশ্য জানিয়েছেন, এখনও অব্দি ফয়জল ব্যাঙ্ককে সরাসরি পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে যুক্ত করার মতো কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবে অতীতের বিভিন্ন সন্ত্রাসে অর্থায়ন-সংক্রান্ত তদন্তে উঠে এসেছিল পাকিস্তানের ওই ব্যাঙ্কটির নাম। ২০০৭ সালে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ফয়জল ব্যাঙ্কে লস্কর-ই-তৈবা এবং লাজনাত-আল-দাওয়া-সহ কয়েকটি সংগঠনের অ্যাকাউন্ট ছিল। যদিও ব্যাঙ্কটির হোল্ডিং কোম্পানি সেই সময় স্পষ্ট জানিয়েছিল, জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্কই নেই। এও জানিয়েছিল, জঙ্গি সংগঠনগুলি নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পর তাদের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    পহেলগাঁও হামলার কিছুদিন আগেই ফোন চালু

    তদন্তকারীরা ৯/১১ হামলার পর প্রকাশিত পুরানো কিছু রিপোর্টের দিকেও নজর দিচ্ছেন। ওই প্রতিবেদনগুলিতে দাবি করা হয়েছিল, পাকিস্তানের কয়েকটি নিষিদ্ধ সংগঠনের অ্যাকাউন্ট রয়েছে সেই দেশেরই বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কে, এর মধ্যে ফয়জল ব্যাঙ্কও ছিল।জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় ফোনটি পাকিস্তানেরই লাহোরভিত্তিক এয়ার লিঙ্ক কমিউনিকেশনস লিমিটেড আমদানি করেছিল।তদন্তকারীরা জেনেছেন, কেনার পর এই ফোনটিও কয়েক বছর চালু করা হয়নি। পহেলগাঁও হামলার কিছুদিন আগেই প্রথম চালু করা হয়।

    ফোনে মিলল ছবি

    ফোন দু’টিতে নিয়মিত কল আসা-যাওয়া কিংবা ইন্টারনেট যোগাযোগের তথ্যও মেলেনি। কারণ জঙ্গিরা মোবাইল নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের বদলে দূর-পাল্লার রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করত। তাই তারা নিশ্চিন্তে যোগাযোগ করতে পেরেছে এবং সাধারণ কল বা ইন্টারনেট ব্যবহারের কোনও ডিজিটাল ট্রেইল রেখে যায়নি। তদন্তকারীরা অবশ্য ওই ফোন দু’টি থেকে কিছু ছবি এবং মানচিত্র উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে ছিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরন মেডোজ এবং আশপাশ এলাকার ছবিও। একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ জঙ্গিরা একটি তাঁবু পেতেছিল। এটি হামলার কয়েক সপ্তাহ আগের ঘটনা। তদন্তকারীদের অনুমান, তাঁবুটি এমন একটি উঁচু জায়গায় ফেলা হয়েছিল যেখান থেকে সহজেই নিরাপত্তা বাহিনীর গতিবিধির ওপর নজর রাখা যায়।

     

  • Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৌশল বদলানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিরন্তর অভিযানের হাত থেকে বাঁচতে জম্মু-কাশ্মীরে তাদের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার (OGW) নেটওয়ার্ককে মূলধারার জাতীয় রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা।

    আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা (Terror Outfits)

    আন্তর্জাতিক অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর নজরদারিতে রয়েছে পাকিস্তান। সেই কারণেও আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা। এরই অংশ হিসেবে তারা নয়ের দশকের শুরুতে স্থানীয়ভাবে গঠিত এবং বর্তমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গি কার্যকলাপগুলির ‘ভারতীয়করণে’র রূপ দিতে এবং পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদত দেওয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতেই এই পন্থা অবলম্বন করছে পাক-চর সংস্থা।

    জেরায় কী জানিয়েছে জঙ্গিরা?

    কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার আধিকারিকদের মতে, সম্প্রতি শ্রীনগর পুলিশ পাকড়াও করেছে কয়েকজন ওজিডব্লিউকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জাতীয় রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিল। জঙ্গি সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সহায়তা, নিয়োগ এবং অর্থায়নকারী সমর্থকদের বৈধ রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ভিড়িয়ে দিয়ে আইএসআই তাদের এজেন্টদের নিরাপত্তা অভিযানের হাত থেকে রক্ষা করতে চাইছে।

    জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক আধিকারিক জানান, এই কৌশলটি মূলত হতাশা থেকে নেওয়া। কারণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রবল চাপে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে নয়া প্রক্সি সংগঠনগুলির প্রতি স্থানীয়দের সমর্থনও। পুরানো সংগঠনগুলির নাম পুনরুজ্জীবিত করে এবং তাদের কর্মীদের মূলধারার রাজনীতির স্রোতে মিশিয়ে দিয়ে নতুন প্রজন্মের যুবকদের আকৃষ্ট করতে এবং একই সঙ্গে তাদের কর্মীদের রাজনৈতিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে চাইছে আইএসআই। আধিকারিকদের মতে, যখন কোনও ওজিডব্লিউ ঘেরাও এবং তল্লাশি অভিযানে ধরা পড়ে, তখন তারা অনেক সময় জাতীয় রাজনৈতিক দলের সাধারণ সদস্যপদের ‘প্রমাণপত্র’ দেখিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে।

    জঙ্গিদের ছল

    নিরাপত্তা আধিকারিকরা লক্ষ্য করেছেন, জঙ্গিদের এই কৌশল বদলেছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। নয়ের দশকের শেষ দিকে সন্দেহভাজনরা পুলিশের হাত এড়াতে ভোটারকার্ড ব্যবহার করত। পরে তদন্ত এড়াতে তারা আধার কার্ডও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। যদিও তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কখনও এই ধরনের লোকজনকে রক্ষা করতে হস্তক্ষেপ করেনি। এদিকে, ওজিডব্লিউ কার্যকলাপের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের পর প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া কিছু সংগঠনকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করতেও দেখা যাচ্ছে।

    আইএসআইয়ের কৌশল

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বর্তমানে ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে জম্মু- কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত পুরোনো সংগঠনগুলির নাম ফের সামনে আসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই সব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে আল-উমর মুজাহিদিন, আল বদর, এবং তেহরিক-উল-মুজাহিদিনও। আধিকারিকদের মতে, এই পুরোনো স্থানীয় পরিচয়ের সংগঠনগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে আইএসআই এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি করতে চায় যে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গি কার্যকলাপ একটি অভ্যন্তরীণ এবং স্থানীয় আন্দোলন, সীমান্তপারের পরিকল্পিত ছায়াযুদ্ধ নয়।

    বহাল তবিয়তে রয়েছে জঙ্গিদের মাথারা

    তাঁরা এও জানান, পুনরুজ্জীবিত এই সব সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপদে রয়েছে। যদিও তারা ফিল্ড লেভেলের নেটওয়ার্ক প্রচার, অর্থ জোগাড় এবং উগ্রপন্থায় প্ররোচনা দেওয়ার কাজে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জঙ্গিদের এসব তৎপরতার ওপর কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফের সক্রিয় হওয়া ওজিডব্লিউ নেটওয়ার্কের লজিস্টিক সহায়তা ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ করছে। একই সঙ্গে, জঙ্গিদের সমর্থকদের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও প্রতিরোধ করা হচ্ছে। অর্জিত শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানান গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কর্তারা।

     

  • ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবনী পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণ করতে ভারতের বেসরকারি শিল্পক্ষেত্র ও উদ্যোক্তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর আহ্বান জানাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। ওড়িশার ভুবনেশ্বরে আয়োজিত সংগঠনের তিন দিনব্যাপী জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ (NEC) বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার সঙ্গে শিল্পক্ষেত্রের সমন্বয় না ঘটলে গবেষণার প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়— এই মূল বার্তাটিই উঠে এসেছে এবিভিপি-র শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা থেকে।

    জিডিপির ১ শতাংশেরও কম খরচ গবেষণায় (ABVP)

    এবিভিপি-র (ABVP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ডক্টর বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বৈঠকে ভারতের বর্তমান গবেষণা ব্যবস্থার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারত তার মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (GDP) ১ শতাংশেরও কম অংশ গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে ব্যয় করে। সবচেয়ে বড় বিষয়, এই খরচের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যেমন— ইসরো (ISRO), ডিআরডিও (DRDO) এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় আইআইটি বা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে। বৈশ্বিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে ধরে রাখতে হলে এই ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অবদান বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।”

    উদীয়মান প্রযুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রয়োজন

    এবিভিপির (ABVP) পক্ষ থেকে ভারতীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ প্রতিভাদের কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি যৌথ অংশীদারিত্বের (Industry-Academia Partnership) মডেল তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে সমসাময়িক এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলি হল-

    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ও কোয়ান্টাম টেকনোলজি।
    • ● সাইবার নিরাপত্তা (Cybersecurity) এবং বায়োটেকনোলজি।
    • ● পরিবেশবান্ধব বা পরিচ্ছন্ন শক্তি (Clean Energy)।

    এবিভিপি সংগঠনের মতে, এই উদীয়মান খাতগুলিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল দেশের উদ্ভাবনী ক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং গবেষণা খাতে ভারতের সামগ্রিক জাতীয় ব্যয় বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।

    ডিগ্রি অর্জনের ঊর্ধ্বে গিয়ে দেশ গঠন

    ডক্টর সোলাঙ্কি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “এবিভিপি (ABVP) সব সময়ই বিশ্বাস করে যে শিক্ষা মানে কেবল মাত্র একটি ডিগ্রি অর্জন বা চাকরি পাওয়া নয়; শিক্ষা হল দেশ গঠন এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মূল ভিত্তি।” তিনি আরও বলেন, “শিল্পক্ষেত্রের সম্পদ ও পরিকাঠামোর সঙ্গে যদি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মেধা ও দক্ষতার সঠিক মেলবন্ধন ঘটানো যায়, তবে তা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ে তোলার জাতীয় সংকল্পকে এক অভূতপূর্ব গতি প্রদান করবে। গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অনুঘটক নয়, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।”

    জাতীয় নিরাপত্তা ও শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ব্যাপক মন্থন

    ভুবনেশ্বরের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই তিন দিনের জাতীয় বৈঠকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ৫০০ জন ছাত্রনেতা, শিক্ষাবিদ ও প্রতিনিধি অংশ নেন। গবেষণা ও শিল্পক্ষেত্রের অংশীদারিত্ব ছাড়াও এই সম্মেলনে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০-র বাস্তবায়ন, ত্রি-ভাষা নীতি, ক্যাম্পাস স্তরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নারী নিরাপত্তা এবং ‘আর্বান নকশাল’ বা শহুরে মাওবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়গুলি নিয়ে গভীর আলোচনা (NEC) হয়। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির উপস্থিতিতে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সম্মেলনের আবহ তৈরি হয়েছিল, যা আগামী দিনে দেশের শিক্ষাঙ্গনে নতুন জাতীয়তাবাদী চিন্তার প্রসার ঘটাতে ছাত্র সমাজকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশাবাদী এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্ব।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ২৪ থেকে ৩০ মে, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি (Hindus Under Attack)

    মুসলমানদের মন পেতে ফের ‘তুষ্টিকরণে’র রাজনীতি করেছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। সব মিলিয়ে ৫২টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর মধ্যে ২০২২ সালের কালাবুরাগি দাঙ্গার সঙ্গে সম্পর্কিত ৭টি মামলাও রয়েছে। অভিযোগ, কালাবুরাগি দাঙ্গায় মুসলিম জনতা পুলিশের ওপর হামলা করেছিল (Roundup Week)।

    ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

    বেঙ্গালুরুর এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের চেষ্টা এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এনেছেন কেরলের এক কলেজছাত্রী। মাডিওয়ালা থানায় দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে একটি পার্টিতে। এই পার্টির আয়োজন করেছিলেন কয়েকজন ক্যাফে মালিক। অভিযোগকারিণী একটি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী। একটি মোমো আউটলেটে তিনি পার্টটাইম কাজ করতেন। তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ওই পার্টিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত হাইনাস নামে একজন। তিনি কেরলের বাসিন্দা। কাজ করেন রিয়েল এস্টেট দালাল হিসেবে। ক্যাফেটি বিক্রির কাজে মালিকদের সাহায্য করেছিলেন তিনি। অভিযোগ, আয়োজকরা কিছুক্ষণের জন্য বাইরে চলে গেলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালান।

    লাভ জিহাদ

    উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বীর একটি সরকারি কলেজকে ঘিরে বিতর্কের জেরে দুই মহিলা অধ্যাপক এবং আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এক হিন্দু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, মানসিকভাবে প্রভাবিত করা এবং ‘লাভ জিহাদ’ চক্করের সঙ্গে যুক্ত কার্যকলাপে লাগানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। যদিও রবিবার দুপুর পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি (Roundup Week)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশাম্বীর একটি সরকারি বালিকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের দুই শিক্ষিকা এবং তাঁদের এক সহযোগী ছাত্রীদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে উৎসাহিত করছিলেন বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ইসলামী রীতিনীতি অনুশীলনে উৎসাহ দেওয়া, হিন্দু বিশ্বাসের সমালোচনা করা এবং বারবার প্রভাবিত করার মাধ্যমে ছাত্রীদের মতাদর্শগতভাবে পরিবর্তনের চেষ্টা করা।

    মন্দির ভাঙার চেষ্টা

    এদিকে, ভাটকালের মুরিনাকাট্টে বিরোধ আবারও দেখিয়ে দিয়েছে যে, উপকূলীয় কর্নাটকের কিছু অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি কতটা স্পর্শকাতর এবং প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা কীভাবে স্থানীয় উত্তেজনাকে বড় আইন-শৃঙ্খলার সঙ্কটে পরিণত করতে পারে। জাতীয় সড়ক ৬৬-এর পাশে ভেঙ্কটাপুরে থাকা একটি ছোট কিন্তু ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু মন্দির পুনর্নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধই শেষতক একটি বড় উত্তেজনার কারণ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, শয়ে শয়ে মুসলমান পুনর্নির্মিত ওই মুরিনাকাট্টে মন্দিরের কাছে জড়ো হয়ে সেটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিল (Roundup Week)।

    আমেরিকার ছবি

    ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও চলছে হিন্দু ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার। আমেরিকার নিউ জার্সির বিএপিএস স্বামিনারায়ণ মন্দিরের তীব্র সমালোচনা এবং নেতিবাচক প্রচার তারই একটি উদাহরণ। ফেডারেল তদন্তে কোনও অনিয়মের প্রমাণ না মিললেও, বিএপিএসের বিরুদ্ধে সংবাদ মাধ্যমের প্রচার চলছেই (Hindus Under Attack)।

     

  • CDS: দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

    CDS: দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা বা চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (CDS) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি (General NS Raja Subramani)। রবিবার, ৩১ মে, রাজধানী দিল্লির সাউথ ব্লকের লনে এক জমকালো ও আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে তাঁর এই নতুন কার্যকাল শুরু হয়।

    জেনারেল অনিল চৌহান গত ৩০ মে তাঁর কার্যকাল সম্পন্ন করার পর, জেনারেল রাজা সুব্রমণি দেশের তৃতীয় সিডিএস হিসেবে এই শীর্ষ সামরিক পদের ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি জাতীয় যুদ্ধ স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    মোদির জেএআই (JAI) মন্ত্রেই জোর নতুন সিডিএস-এর (CDS)

    সিডিএস (CDS) পদে দায়িত্ব গ্রহণের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জেনারেল রাজা সুব্রমণি (General NS Raja Subramani) দেশের নিরাপত্তা জোরদার এবং সামরিক আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, “চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দেশ যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং সমস্ত কৌশলগত প্রতিষ্ঠান একজোট হয়ে দেশের সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    তিনি আরও উল্লেখ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া বিশেষ দর্শন জেএআই ‘JAI’ অর্থাৎ Jointness-যৌথতা, Atma Nirbharta-আত্মনির্ভরতা এবং Innovation-উদ্ভাবন-কে বাস্তবায়িত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তিন বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, একীকরণ এবং সাংগঠনিক সংস্কারের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে কাজ করবো।

    দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতকে স্বাবলম্বী করার বার্তা দিয়ে নতুন সিডিএস (CDS) বলেন, “আত্মনির্ভরতা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের বিকাশ, অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবহারকে আমরা আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “আধুনিকিকরণের জন্য সেনাবাহিনী, শিল্পক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্টার্ট-আপ এবং গবেষণা সংস্থাগুলির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে।”

    চার দশকের গৌরবোজ্জ্বল সামরিক ক্যারিয়ার

    চলতি বছরের ৯ মে ভারত সরকার জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণিকে (General NS Raja Subramani) পরবর্তী সিডিএস এবং একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ডিপার্টমেন্ট অফ মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স’-এর সচিব হিসেবে নিযুক্ত করার কথা ঘোষণা করেছিল।

    গত চার দশকেরও বেশি সময়ের দীর্ঘ সামরিক জীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন:

    • ১৯৮৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি ‘৮ম ব্যাটালিয়ন গড়োয়াল রাইফেলস’-এ কমিশন লাভ করেন।
    • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের (NSCS) সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    • এর আগে তিনি ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে ৩১ জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সহ-প্রধান (Vice Chief of the Army Staff) এবং তারও আগে সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান (GOC-in-C) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
    • আসামে ‘অপারেশন রাইনো’ চলাকালীন কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি অপারেশন, জম্মু-কাশ্মীরে ১৬৮ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড এবং ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে ভারতীয় সেনার অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক কোর ‘২ কর্পস’-এর নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    পশ্চিম ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের জটিল সামরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও রণকৌশলগত দক্ষতার জন্য সেনাবাহিনীতে তাঁর বিশেষ সুনাম রয়েছে। দেশের প্রতিরক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই পরম বিশিষ্ট সেবা মেডেল (PVSM), অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল (AVSM), সেনা মেডেল (SM) এবং বিশিষ্ট সেবা মেডেল (VSM)-এ ভূষিত হয়েছেন। পূর্বসূরি প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং বিদায়ী সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহানের দেখানো পথেই তিন বাহিনীর থিয়েটারাইজেশন (যৌথ কম্যান্ড গঠন) প্রক্রিয়াকে তিনি আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

LinkedIn
Share