Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Maoist-Free India: “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না, মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে” নকশাল-মুক্ত ভারত, ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Maoist-Free India: “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না, মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে” নকশাল-মুক্ত ভারত, ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্তাচলে লাল সূর্য! লাল ‘সন্ত্রাস’কে দেশ থেকে পুরোপুরি নির্মূল করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ সেই দিন। তার আগে, সোমবার লোকসভায় শাহ জোর গলায় জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্ধারণ করে দেওয়া সময়সীমা মেনে ভারত থেকে বামপন্থী চরমপন্থা (LWE)-কে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হয়েছে। ভারত এখন ‘মাওবাদী মুক্ত’। একই সঙ্গে তিনি জানান, মাওবাদীদের শেষ ঘাঁটি ছত্তিশগড়ের বস্তার ‘উন্নয়নের পথে’ হাঁটছে। বস্তারের উদাহরণ টেনে শাহ জানান, লাল সন্ত্রাস সরে গিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতে মাওবাদ এখন বিলুপ্তির পথে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্পন্ন হলে দেশবাসীকে জানানো হবে। তবে আমি বলতে পারি যে আমরা নকশাল-মুক্ত হয়ে গিয়েছি।”

    ধ্বংস হয়েছে মাওবাদীদের রেড করিডর

    “নকশাল-মুক্ত ভারত” নিয়ে একটি আলোচনা চলাকালীন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বামপন্থী চরমপন্থীদের (LWE) নির্মূল করার জন্য উল্লেখযোগ্য একটি অভিযানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে “৭০৬ জন মাওবাদীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, ২,২১৮ জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৪,৮৩৯ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে”। তিনি জানান, দেশের মোট ১২ রাজ‍্য থেকে নির্মূল মাওবাদীরা। শাহ বলেন, “তেলঙ্গানা, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড মাও মুক্ত। ধ্বংস করা হয়েছে মাওবাদীদের রেড করিডর।”

    কংগ্রেসকে নিশানা

    লোকসভায় দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বিরোধী দলের কাছে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, স্বাধীনতার পর ৭৫ বছরের মধ্যে প্রায় ৬০ বছর কংগ্রেস দেশ শাসন করার পরও কেন বস্তারের জনগণকে উন্নয়নমূলক সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল? তিনি আরও বলেন, “২০১৪ সালের পর, যখন প্রধানমন্ত্রী মোদি ক্ষমতায় আসেন, তখন প্রত্যেক গরীব মানুষ একটি করে বাড়ি, গ্যাস সংযোগ, পানীয় জল, বিমা এবং খাদ্যশস্য পেয়েছে। বস্তারের জনগণকে কেন বঞ্চিত করা হয়েছিল? এর কারণ কী তবে লাল সন্ত্রাস?”  ছত্তিশগঢ়ে মাওবাদীদের ইন্ধন জুগিয়েছে কংগ্রেস’, সংসদে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসকে তোপ দাগেন শাহ।

    বামপন্থী মতাদর্শের জন্যই নকশালবাদের বিস্তার

    বক্তৃতায় তিনি ইন্দিরা গান্ধীর শাসনকালের কথা উল্লেখ করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রাথমিক সতর্কতাগুলিকে কার্যকর ভাবে মোকাবিলা করা হয়নি। সেই কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনটি বিস্তার লাভ করেছে।’’ শাহের অভিযোগ, নকশালবাদের মূল মন্ত্র কখনওই উন্নয়ন ছিল না। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে জেতার জন্য সময় ইন্দিরা গান্ধী সেই মতাদর্শকে সমর্থন করেছিলেন। বামপন্থী মতাদর্শের জন্যই নকশালবাদের বিস্তার হয়। শাহ বলেন, ‘‘নকশালবাদের সূচনা হয় পশ্চিমবঙ্গের নকশালবাড়ি থেকে।’’ নিরাপত্তাবাহিনীর উপর হামলা চালিয়ে মাওবাদীরা তাঁদের অস্ত্রভান্ডার পূর্ণ করতেন, লোকসভায় বলেন শাহ। তাঁর কথায়, ‘‘মাওবাদীদের ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রায় ৯২ শতাংশই পুলিশের থেকে লুট করা।’’ শাহ আক্রমণ শানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও। তাঁর দাবি, মাওবাদী নেতা হিডমার সমর্থনে ওঠা স্লোগানের মঞ্চে ছিলেন রাহুল। তাঁর ভারত জোড় যাত্রায় যোগ দিয়েছিল কয়েকটি মাওবাদী সংগঠনও।

    গুলির জবাব গুলিতেই

    অমিত শাহ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, যারা সাংবিধানিক ব্যবস্থা মানবে না, অস্ত্র হাতে তুলবে, তাদের প্রতি সরকারের কোনও সহনশীলতা নেই। তিনি বলেন, “যে বন্দুক হাতে তুলে নেবে, তাকে তার মূল্য চোকাতে হবে।” পাশাপাশি মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ করে জীবনের মূলধারায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান এবং তাদের পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। শাহের হুঙ্কার, ‘‘যাঁরা অস্ত্র সমর্পণ করতে রাজি, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে’’— এই নীতিতে বিশ্বাসী মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবার বুঝিয়ে দেন, সহিংসতার জায়গা নেই। শাহের কথায়, ‘‘যাঁরা অস্ত্র তুলে নেবেন, তাঁদের কাউকে রেয়াত করা হবে না।’’

    কোন পথে মাও-দমন

    দেশকে মাওবাদী-মুক্ত করার পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, তা লোকসভায় বর্ণনা করেন শাহ। তিনি জানান, ২০১৯ সালের ২০ অগস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে স্থির হয়, কী ভাবে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান চালানো হবে। পাঁচ বছর পর ২০২৪ সালের ২৪ অগস্ট মাওবাদী নির্মূল করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তার পরে গত দু’বছর ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের যৌথ অভিযানে একে একে দেশের প্রায় ১২ রাজ্যে অভিযান চলে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের মধ্যে প্রায় সকলেই হয় আত্মসমর্পণ করেছেন, নয়তো নিহত হয়েছেন।

    নিরীহ আদিবাসীদের হাতিয়ার করে মাওবাদ

    নিরীহ আদিবাসী সম্প্রদায়কে যারা অসৎ কাজে ব্যবহার করছে, তাদের তীব্র সমালোচনা করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, “তারা সবসময় দাবি করে যে, তারা আদিবাসীদের অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করছে, কিন্তু বাস্তবে তারা তাদের হিংসাত্মক মতাদর্শ ছড়াচ্ছে। গণতন্ত্র বা উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনও আস্থা বা ভাবনা নেই।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, “দারিদ্রতার জন্য মাওবাদ ছড়ায় না। মাওবাদের প্রভাবে দারিদ্রতা বাড়ে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘এতগুলো বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় আইনের শাসন ছিল না। তারা সংসদীয় রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। সেই কারণে কোটি কোটি মানুষ দারিদ্রের মধ্য বাস করেছে। হাজার হাজার তরুণ, তরুণী প্রাণ হারিয়েছেন।’’

    প্রতিটি গ্রামে স্কুল-রেশন

    শাহ আরও জানান, “আজ ছত্তিশগড়ের বস্তারে নকশালবাদ প্রায় শেষ। মানুষের সাহায্যে ও পাশে থাকতে প্রতিটি গ্রামে স্কুল করা হয়েছে। রেশন দোকান খোলা হচ্ছে, নিয়মিত ৫ কেজি খাদ্যশস্য বিতরণ করা হচ্ছে। আধার কার্ড তৈরি করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং মানুষের কাছে মৌলিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে।” শুধু বস্তার নয়, দেশের প্রায় সব মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা ‘সন্ত্রাসমুক্ত’ হয়ে ‘বিকাশের’ পথে হাঁটছে, মত শাহের।

     

  • New Tax and Salary Laws: ভারতীয় কর আইনে ব্যাপক সংস্কার, জেনে নিন কী কী বদলে যাচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

    New Tax and Salary Laws: ভারতীয় কর আইনে ব্যাপক সংস্কার, জেনে নিন কী কী বদলে যাচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে ভারতের শ্রম ও কর আইনগুলিতে গুচ্ছের (Financial Life) বড় সংস্কার পুরোপুরি কার্যকর হবে। এতে বেতনের কাঠামো থেকে শুরু করে চাকরি (New Tax and Salary Laws) ছাড়ার পর পাওনা টাকার নিষ্পত্তির সময়সীমা—সব কিছুই বদলে যাবে। একবার দেখে নেওয়া যাক, কী কী পরিবর্তন হয়েছে।

    বেসিক বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে রাখা (New Tax and Salary Laws)

    দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় কোম্পানিগুলি বেসিক বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে কম রেখে আসছে। এতে ইপিএফ এবং গ্র্যাচুইটির অবদান কমত, বেশি থাকত হাতে পাওয়া বেতন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই প্রথারই ইতি হবে চলতি মাসের শেষ দিন। ২০১৯ সালের ‘কোড অন ওয়েজেস’ অনুযায়ী, যা ২১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে, এখন ‘বেতনে’র একটি অভিন্ন সংজ্ঞা চালু করা হয়েছে। এর ফলে বেসিক পে + ডিএ + রিটেনিং অ্যালাওয়েন্স = মোট সিটিসির অন্তত ৫০ শতাংশ হতে হবে। প্রাইভেট সেক্টরে সাধারণত ডিএ দেওয়ার চল না থাকায় এবার কোম্পানিগুলিকে বাড়াতে হবে বেসিক বেতন। ৫০ শতাংশের বেশি অ্যালাউন্স থাকলে অতিরিক্ত অংশ বেতনের মধ্যেই গণ্য হবে।

    নয়া নিয়ম সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক

    এই নিয়ম ভারতের সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক। তা সে ছোট স্টার্টআপ হোক কিংবা বড় কর্পোরেটই হোক না কেন। জানা গিয়েছে, নয়া নিয়ম লাগু হলে খানিক কমতে পারে মাসিক হাতে পাওয়া বেতনের পরিমাণ। যদিও ইপিএফে অবদান বাড়বে, বাড়বে গ্র্যাচুইটির পরিমাণও। ফলে দীর্ঘমেয়াদে অবসরকালীন সঞ্চয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তবে কোম্পানিগুলির খরচ বেড়ে যেতে পারে ৫ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত। বিশেষ করে এর প্রভাব সব চেয়ে বেশি (Financial Life) পড়তে পারে আইটি, বিপিও, রিটেল এবং হসপিটালিটি খাতে। আগে চাকরি ছাড়ার পর বেতন ইত্যাদি বকেয়া টাকা মিলত ৩০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে। এখন ওই টাকা দিয়ে দিতে হবে দুই কর্মদিবসের মধ্যে। কর্মীদের পাওনা দিতে দেরি হলে, তা হবে আইনি অপরাধ। যদিও এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে গ্র্যাচুইটি এবং ইপিএফ ট্রান্সফার করাকে।

    মান্ধাতা আমলের আয়কর আইন বাতিল

    ৬০ বছরের পুরানো আয়কর আইন (১৯৬১) বাতিল হয়ে গিয়ে ২০২৫ সালের নয়া আইন কার্যকর হবে। জানা গিয়েছে, সাধারণ করদাতার জন্য আইন সহজ করতে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ট্যাক্স রেট, সহজ করা হয়েছে আইনের ভাষাও, ধারা কমে ৮১৯ থেকে হয়েছে ৫৩৬, অধ্যায় কমে (New Tax and Salary Laws) হয়েছে ৪৭ থেকে ২৩। পরিবর্তন হয়েছে আরও। অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার বাদ দিয়ে চালু করা হচ্ছে ‘ট্যাক্স ইয়ার’। উদাহরণস্বরূপ, ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ হবে ট্যাক্স ইয়ার ২০২৬-২৭।

    কমানো হয়েছে টিসিএস

    বিদেশে খরচে কমানো হয়েছে টিসিএস। আগে ৭ লাখের নীচে হলে দিতে হত ৫ শতাংশ, ৭ লাখের গন্ডি পার হলেই দিতে হত ২০ শতাংশ। এটাই এখন হয়েছে ২ শতাংশ, কোনও থ্রেশহোল্ড নেই। এটি প্রযোজ্য হবে বিদেশ ভ্রমণ এবং শিক্ষা ও চিকিৎসা রেমিট্যান্স। যদিও কমবে আপফ্রন্ট খরচ। আগে সোভারিন গোল্ড বন্ড (SGB) বিনিয়োগে ম্যাচুরিটিতে লাভ্যাংশ ছিল সম্পূর্ণ করমুক্ত। এখন, কেবল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে সরাসরি কেনা হলে, তা হবে করমুক্ত। কর দিতে হবে স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে কেনা হলে। দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষেত্রে করের হার হবে ১২.৫০ শতাংশ। স্বল্প মেয়াদি ক্ষেত্রে এটি আয় হিসেবে যোগ হবে (Financial Life)। বাড়ানো হয়েছে রিটার্ন সংশোধনের সময়ও। আগে ছিল ৯ মাস, এখন হচ্ছে ১২ মাস। যদিও ৯ মাসের পর সংশোধন করলে ফি গুণতে হবে (New Tax and Salary Laws)।

  • Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফের বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করল নিরাপত্তাবাহিনী। দিল্লি পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ দিল্লির সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি-কমান্ডার শাব্বির আহমেদ লোনকে। অভিযোগ, বাংলাদেশে (Bangladesh) বসেই ভারতে হামলা চালানোর ছক কষেছিলেন শাব্বির (Shabbir Ahmad Lone)। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে দিল্লি পুলিশে বিশেষ শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শাব্বির ওরফে রাজা ওরফে কাশ্মীরি আসলে শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশে ভারত-বিরোধী জঙ্গি ক্রিয়াকলাপ পরিচালনাই ছিল তার উদ্দেশ্য।

    বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের। অভিযোগ, বাংলাদেশে বসে সেখানকার তরুণদের লস্করের জঙ্গি হিসেবে নিয়োগ করত লোন। ভারতে যে বাংলাদেশের নাগরিকেরা বেআইনি ভাবে বসবাস করত, তাঁদেরও সন্ত্রাসের কাজে লাগানো হত। দিন কয়েক আগে লস্করের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ, গোয়েন্দা। ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিল। সূত্রের খবর, ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় দেশ-বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। সেই গোষ্ঠীর সূত্র ধরেই লোনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ

    গোয়েন্দাদের সূত্র বলছে, দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ রয়েছে লোনের। মুজফ্‌ফরাবাদে জঙ্গি শিবিরে তার প্রশিক্ষণ হয়েছিল বলেও খবর। ‘দওড়া-এ-আম’ (প্রাথমিক) এবং ‘দওড়া-এ-খাস’ (উচ্চ পর্যায়ের)— দু’ধরনের প্রশিক্ষণই তার হয়েছিল। ২০০৭ সালে অস্ত্র-সহ লোনকে প্রথম বার গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার কাছে ছিল একে-৪৭-এর মতো অস্ত্রও। আধিকারিকেরা জানিয়েছিলেন, লস্করের কমান্ডার জাকি-উর-রহমান লাকভি, জামাত-উদ-দাওয়া এবং ২৬ নভেম্বরের মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদের সঙ্গে যোগ ছিল তার। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহাড় জেলে ছিল লোন। তার পরে জামিনে ছাড়া পায়।

    তিহাড় থেকে বাংলাদেশে

    গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, তিহাড় থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশে চলে যায় শাব্বির। সেখানে লশকরের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। সদস্যদের নিয়ে ভারতে হামলার ছক কষতে থাকে। পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে থাকে সে। সম্প্রতি লস্করের এক নয়া মডিউলের হদিশ পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। দিল্লি থেকে দক্ষিণ ভারত পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা এই সন্ত্রাসী মডিউলটি দিল্লি ও কলকাতার বহু জায়গায় ভারত বিরোধী পোস্টারও সাঁটায়। যেখানে কাশ্মীরের বুরহান ওয়ানি থেকে পাকিস্তানের উল্লেখ ছিল। এহেন জঙ্গির গ্রেফতারি নিঃসন্দেহে দিল্লি পুলিশের বিরাট সাফল্য। অনুমান করা হচ্ছে দিল্লি ও তার আশপাশ এলাকায় লোনের একাধিক সঙ্গী এখনও সক্রিয় তাদের সন্ধানে শুরু হয়েছে তল্লাশি। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশ দিল্লিতে বড় জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল লোন। যদিও তার আগেই গোয়েন্দা বিভাগের তৎপরতায় গ্রেফতার হল ভয়ঙ্কর এই জঙ্গি।

    পুলিশের জালে শাব্বির

    তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, শুধু জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা নয় লস্করের নয়া এই মডিউলে সদস্য বাড়ানোরও দায়িত্ব ছিল লোনের উপর। ভারতে অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশিদের জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করত সে। এখন তাকে জেরা করছে পুলিশ। ভারতে কোথায় কোথায় তাদের হামলার ছক ছিল, সঙ্গে কারা ছিল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে খবর। এখন লোনকে জেরা (interrogation) করে গোটা চক্রের খোঁজ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি— নিয়োগের পথ (recruitment channels), অর্থের উৎস (funding routes) ও সম্ভাব্য টার্গেট (targets) সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় তার আরও কতজন সহযোগী লুকিয়ে আছে তা জানতে তদন্তকারী সংস্থাগুলো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাজা বাংলাদেশে বসে ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতে, লস্করের এই ভারত বিরোধী চক্রান্ত চলছিল। রাজার মূল কাজ ছিল ভারতে হামলার জন্য বাংলাদেশিদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে নিয়োগ করা। পাকিস্তানের নাম এই আক্রমণে যাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে সেজন্যই এই ব্যবস্থা। এই বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই ভারতে বসবাস করত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা সময়মতো ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

    পহেলগাঁও-হামলার অনুরূপ হামলা!

    উল্লেখ্য, গত বছর এপ্রিলের ২২ তারিখ পহেলগাঁও-তে জঙ্গি আক্রমণ হয়। সাধারণ পর্যটকদের উপরে গুলি করা হয়। সেই আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন এবং গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন ২০ জন। তদন্তে জানা যায়, পরোক্ষভাবে হলেও এই আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিল লস্কর-ই-তইবা। তার সঙ্গে শাব্বিরের যোগ রয়েছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলতি বছর এপ্রিলে ফের এই ধরনের হামলার ছক কষছে কি না জঙ্গিরা, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। চেষ্টা চলছে গোটা লস্করের খবর জানার। ভারতে আর কোথায় কোথায় এই জঙ্গি সংগঠন ঘাঁটি তৈরি করেছে, কী ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশে জঙ্গি আক্রমণ কবে কোথায় হতে পারে ইত্যাদি জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

  • LPG: হরমুজ পেরিয়ে ভারতের পথে আরও দুই এলপিজি ট্যাঙ্কার, নাবিকদের মুখে ‘ভারত মাতা কি জয়’

    LPG: হরমুজ পেরিয়ে ভারতের পথে আরও দুই এলপিজি ট্যাঙ্কার, নাবিকদের মুখে ‘ভারত মাতা কি জয়’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আসছে আরও দুটি এলপিজি (LPG) বহনকারী ট্যাঙ্কার। এগুলিতে প্রায় ৯৪,০০০ মেট্রিক টন রান্নার গ্যাস রয়েছে। নিরাপদে হরমুজ প্রণালী (Hormuz Strait) পার হয়ে ভারতের দিকে আসছে। রবিবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে এই খবর। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিডব্লু টিওয়াইআর’ (BW Tyr) এবং ‘বিডব্লু ইএলএম’ (BW Elm) নামের জাহাজ দু’টির যথাক্রমে ৩১ মার্চ মুম্বই এবং ১ এপ্রিল নিউ মাঙ্গালোরে পৌঁছানোর কথা। এই ভারতীয় জাহাজগুলো হরমুজ পাড়ি দেওয়ার পরে নাবিকরা ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান দিতে থাকেন। সেই ঘটনার ভিডিও ও ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, সেই ভারতীয় নাবিকরা ভারতের পতাকাও ধরে ছিলেন।

    হরমুজ প্রণালী পার দুই ভারতীয় জাহাজের (LPG)

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইজরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। যদিও ইরান জানিয়েছে, “বন্ধু সব দেশের জাহাজ যদি ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে, তাহলে তারা এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে।” জানা গিয়েছে, এই দুই জাহাজ সাম্প্রতিকতম ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ, যেগুলি এই গুরুত্বপূর্ণ সংকীর্ণ পথ পার হতে পেরেছে। ইতিমধ্যেই চারটি এলপিজি (LPG) ট্যাঙ্কার নিরাপদে ভারতে পৌঁছেছে। প্রণালীর পশ্চিম দিকে রয়েছে আরও তিনটি জাহাজ।

    এলএসইজির জাহাজ ট্র্যাকিং

    শুক্রবার এলএসইজির জাহাজ ট্র্যাকিং থেকেই এই খবর মিলেছে। সরকার জানিয়েছে, মোট ১৮টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এখনও পশ্চিম উপসাগরীয় অঞ্চলে রয়েছে। ওই জাহাজগুলিতে ৪৮৫ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি আমদানিকারী দেশ ভারত গত বছর ৩৩.১৫ মিলিয়ন টন গ্যাস খরচ করেছে, যার প্রায় ৬০ শতাংশই আমদানি করা হয়েছিল। এই আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশই এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন বন্দরে কাজকর্ম চলছে (Hormuz Strait) স্বাভাবিকভাবেই। কোথাও কোনও জটের খবর মেলেনি (LPG)।

  • Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতেও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির প্রসঙ্গ

    Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাতেও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ‘মন কি বাতে’ও উঠে এল পশ্চিম এশিয়ায় দিনের পর দিন বেড়ে চলা অস্থিরতা এবং তার জেরে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কটের প্রসঙ্গ। ২৯ মার্চ, রবিবার সম্প্রচারিত হল প্রধানমন্ত্রীর মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর (Mann Ki Baat) ১৩২তম পর্ব। এই পর্বেই তিনি ফোকাস করেন পশ্চিম এশিয়ার অশান্ত পরিস্থিতির ওপর।

    মন কি বাতে কোভিড প্রসঙ্গ (Mann Ki Baat)

    কোভিড-১৯ অতিমারির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, বিশ্ব আশা করেছিল যে এই বৈশ্বিক সঙ্কট কাটিয়ে উঠে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন নতুন সংঘাত দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সবাই মনে করতে পারি যে কোভিডের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে পুরো বিশ্ব নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল। আমরা সবাই আশা করেছিলাম যে করোনা সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসার পর বিশ্ব নতুন করে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। কিন্তু বিভিন্ন অঞ্চলে বারবার সৃষ্টি হয়েছে যুদ্ধ ও সংঘাতের পরিস্থিতি।” সঙ্কটের সময় উপসাগরীয় দেশগুলিতে বসবাসরত এক কোটিরও বেশি ভারতীয়কে সাহায্য করার জন্য ওই দেশগুলির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গ জ্বালানি সঙ্কট

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে যে প্রভাব পড়েছে, তাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, ভারতের জ্বালানির একটি বড় অংশই আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে অঞ্চলে বর্তমানে যুদ্ধ চলছে, সেটি আমাদের জ্বালানি চাহিদার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এর ফলে বিশ্বজুড়ে পেট্রোল ও ডিজেল নিয়ে সঙ্কট তৈরি হচ্ছে (Mann Ki Baat)।” তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দেশের সহযোগিতার ফলে ভারত এই জ্বালানি সঙ্কটের মোকাবিলা করতে পেরেছে। ভারতবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, কঠিন সময়ে সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে। গুজবেও যেন বিশ্বাস না করে। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমার দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানাই—আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে। যারা গুজব ছড়াচ্ছে, তারা দেশের বড় ক্ষতি করছে। আমি সকল নাগরিককে সতর্ক থাকার এবং গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। শুধু সরকারের দেওয়া তথ্যের ওপর ভরসা রাখুন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করুন (PM Modi)।”

    টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে খুব খুশি প্রধানমন্ত্রী

    আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি বলেন, “যেভাবে আমরা অতীতে ১৪০ কোটি মানুষের শক্তিতে বিভিন্ন সঙ্কট পেরিয়ে এসেছি, তেমনি এবারও আমরা সবাই মিলে এই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠব।” প্রধানমন্ত্রী ‘জ্ঞান ভারতম সার্ভে’ উদ্যোগ সম্পর্কেও বলেন। এর লক্ষ্য হল, দেশজুড়ে বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণ ও নথিভুক্ত করা। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষও জ্ঞান ভারতম অ্যাপের মাধ্যমে এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারেন—পাণ্ডুলিপির ছবি বা সংশ্লিষ্ট তথ্য আপলোড করে।” ‘মাই ভারত (MY Bharat)’ উদ্যোগের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর লক্ষ্য দেশের যুবসমাজকে বাজেট প্রক্রিয়া ও নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত করা। এই উদ্যোগের আওতায় আয়োজিত কুইজে প্রায় ১২ লাখ যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেছিল (Mann Ki Baat)। কুইজের পর ১ লাখ ৬০ হাজারের কাছাকাছি অংশগ্রহণকারীকে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। ভারতের টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ে তিনি যে যারপরনাই খুশি, তা গোপন করেননি প্রধানমন্ত্রী। প্রায় সাত দশক পর রঞ্জি ট্রফি জয়ের জন্য জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট দলকেও অভিনন্দন জানান তিনি (PM Modi)।

     

  • West Asia Crisis: “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু”, পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের মাঝে জ্বালানি সহায়তা ভারতের, বিশেষ ধন্যবাদ শ্রীলঙ্কার

    West Asia Crisis: “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু”, পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের মাঝে জ্বালানি সহায়তা ভারতের, বিশেষ ধন্যবাদ শ্রীলঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির (West Asia Crisis) জেরে জ্বালানি সঙ্কটে পড়া শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়াল ভারত। বিপদের সময় এই দ্রুত সহায়তার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে (Sri Lanka)। শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক মহলেও ভারতের এই পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে। ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুরা কুমারা বলেছেন, “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু চেনা যায়।”

    জ্বালানি আমদানিতে বাধা ও ভারতের পদক্ষেপ (West Asia Crisis)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) সংক্রান্ত সমস্যার কারণে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছিল। গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে টেলিফোন কথোপকথনে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকে এই সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ (Neighbourhood First) নীতির প্রতিফলন ঘটিয়ে ভারত সরকার দ্রুত সাড়া দেয়।

    সহায়তার পরিমাণ

    রবিবার কলম্বো (Sri Lanka) পৌঁছনো এই বিশেষ জাহাজে মোট ৩৮,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি রয়েছে। এর মধ্যে ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল রয়েছে। ‘লঙ্কা আইওসি’ (Lanka IOC)-র মাধ্যমে ভারত এই জরুরি সরবরাহ নিশ্চিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিমাণ জ্বালানি (West Asia Crisis)  দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ যানবাহনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।

    প্রেসিডেন্টের বার্তা

    সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকে লিখেছেন, “কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে শ্রীলঙ্কার জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নঘটা নিয়ে কথা বলেছিলাম। ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। গতকাল ৩৮,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি কলম্বো পৌঁছেছে। সমন্বয়ের জন্য বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকেও আমার ধন্যবাদ।”

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা

    ভারত ও শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় শুধুমাত্র জ্বালানি নয়, বরং লোহিত সাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, ভারত তার ‘সাগর’ (SAGAR) ভিশন এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে দায়বদ্ধ। এর আগে গত সপ্তাহে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী বিজিথা হেরাথের সঙ্গে এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছিলেন।

  • Adani Defence: প্রথম চালান হস্তান্তর করা হল ‘প্রহর’ লাইট মেশিনগানের, দেশীয় ক্ষুদ্র অস্ত্র উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি 

    Adani Defence: প্রথম চালান হস্তান্তর করা হল ‘প্রহর’ লাইট মেশিনগানের, দেশীয় ক্ষুদ্র অস্ত্র উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭.৬২ মিমি ‘প্রহর’ লাইট মেশিনগানের (LMG) প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়েছে ২৮ মার্চ। এটি দেশীয় ক্ষুদ্র অস্ত্র উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নির্দেশ করে। নির্ধারিত সময়সীমার ১১ মাস আগেই এলএমজি সরবরাহ করা হয়েছে, যা প্রতিরক্ষা উৎপাদনে দ্রুত বাস্তবায়নের নজির। এই অস্ত্রগুলি উৎপাদিত হয়েছে গ্বালিয়রের ক্ষুদ্র অস্ত্র কারখানায়, যা ভারতের প্রথম সম্পূর্ণভাবে একীভূত বেসরকারি খাতের ছোট অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র (Adani Defence)।

    প্রহর এলএমজির মোট অর্ডার (Adani Defence)

    অস্ত্রবাহী ট্রাকগুলির আনুষ্ঠানিক যাত্রার সূচনা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রকের অধিগ্রহণ বিষয়ক মহাপরিচালক এ আনবারাসু। উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ প্রতিরক্ষা আধিকারিকরাও (Indian army)। প্রহর এলএমজির মোট অর্ডার ৪০,০০০ ইউনিটেরও বেশি। মূল চুক্তির মেয়াদ ছিল সাত বছর। তবে আদানি ডিফেন্স তিন বছরেরও কম সময়ে সরবরাহ করে দিয়েছে এই অস্ত্র। সিইও আশিস রাজবংশী জানান, প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে ১,০০০টি এলএমজি উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে এক নজিরবিহীন হার। প্রকল্পটি বিড জমা দেওয়া থেকে প্রথম সরবরাহ পর্যন্ত মোট ছ’বছর সময় নিয়েছে, যা দেশীয় অস্ত্র উৎপাদনের জটিলতা ও পরিসরকে প্রতিফলিত করে।

    গ্বালিয়রের কারখানা

    ১০০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত গ্বালিয়র কারখানায় সম্পূর্ণ উৎপাদন ব্যবস্থা রয়েছে—ব্যারেল তৈরি, বোল্ট ক্যারিয়ার ও রিসিভার নির্মাণ, উন্নত সিএনসি মেশিনিং, রোবোটিক্স এবং সূক্ষ্ম পরিমাপ প্রযুক্তি। কারখানায় একটি ধাতুবিদ্যা পরীক্ষাগার এবং ২৫ মিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ ফায়ারিং রেঞ্জও রয়েছে, যা কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে। প্রতিটি অস্ত্র মোতায়েনের আগে পরীক্ষা, ব্যালিস্টিক বিশ্লেষণ এবং পরিবেশের ওপর কতটা প্রভাব পড়ছে, তা বিচার করে দেখা হয়। প্রতিবছর সর্বোচ্চ ১ লাখ অস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতা এবং ৯০ শতাংশেরও বেশি দেশীয় উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমে এই কেন্দ্রটি ভারতের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রতিরক্ষা উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে। এই উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে ২০২৪ সালে চালু হওয়া কানপুরের আদানি ডিফেন্স গোলাবারুদ কমপ্লেক্স।

    বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা

    এই কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ কোটি ছোট ক্যালিবার গোলাবারুদ, এবং ভবিষ্যতে বড় ও মাঝারি ক্যালিবার গোলাবারুদ উৎপাদনের দিকেও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ভারতের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও জোরদার করবে (Adani Defence)। প্রহর এলএমজি, যা আন্তর্জাতিকভাবে নেগেভ এনজি৭ (Negev NG7) নামে পরিচিত, ইজরায়েল ওয়েপন ইন্ডাস্ট্রিজের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতে তৈরি হচ্ছে। এটি নির্ভরযোগ্যতা, উচ্চ কর্মক্ষমতা এবং বিভিন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অভিযোজন যোগ্যতার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।গ্বালিয়র কারখানাটিকে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্লোজ কোয়ার্টার ব্যাটল অস্ত্র উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলা হচ্ছে, যা দেশের দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও বাড়াবে (Indian army)।

    প্রহর এলএমজির প্রথম চালান

    প্রহর এলএমজির প্রথম চালান সরবরাহ আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি (Adani Defence)। দ্রুত সময়সীমা, উচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা এবং বেসরকারি খাতের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ—সব মিলিয়ে এটি ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে একটি নয়া অধ্যায়ের সূচনা করে।

     

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ চলছেই, দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ চলছেই, দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন এক রূপ নিচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সংঘটিত হওয়া গণহত্যার মতো মনে (Roundup Week) হচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যা আদতে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতিত্বের ফল (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমিদখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ বিপন্ন।

    সাপ্তাহিক ছবি (Hindus Under Attack)

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ২২ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন, তাই এহেন তথ্য প্রকাশ। দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটাই। রামনবমী উদযাপনের আগে পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রামে উদ্ধার হয় নির্মীয়মান রামের একটি মূর্তি। ২২ মার্চ সকালে মাথা কাটা অবস্থায় মেলে প্রতিমাটি। মূর্তির মাথা কেটে নিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এই অঞ্চলে ধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি নন্দীগ্রাম ব্লক ২-এর ভেটুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের, যেখানে মৃৎশিল্পীরা মূর্তি তৈরি করছিলেন (Hindus Under Attack)।

    ভাঙা হল রামের মূর্তি

    তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলিতে ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন সরকারের রাজত্বে রাজস্ব দফতরের আধিকারিকদের দ্বারা নির্মিত বিনায়গর মন্দির ভেঙে ফেলেছে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় রাজ্যের হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় বিক্ষোভ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। কর্তারা একে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানের তকমা দিলেও, স্থানীয় বাসিন্দা ও ভক্তদের দাবি—মন্দিরটি বহু পুরানো। মন্দিরে নিয়মিত পুজো-পাঠ, ও উৎসব অনুষ্ঠিত হতো (Roundup Week)।উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে পাক মদতপুষ্ট একটি গুপ্তচর চক্রের হদিশ মিলেছে। এরা হিন্দু পরিচয়, ধর্মীয় প্রতীক এবং তথাকথিত “লাভ জেহাদ” কৌশল প্রয়োগ করে কাজ চালাত। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে একাধিক সংস্থা।

    বিদেশি নাগরিকের কীর্তি

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিদেশি নাগরিক পাস্টর শন ফয়েখটের বিরুদ্ধে ভিসা শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠায় দায়ের হয়েছে মামলা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি পর্যটক ভিসায় ভারতে প্রবেশ করলেও, ধর্মীয় প্রচার ও ধর্মান্তর কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন, যা পর্যটক ভিসাধারীদের জন্য নিষিদ্ধ। এটি ভিসা নিয়মের প্রতি অবহেলার ইঙ্গিত (Hindus Under Attack)। মুম্বইয়ের ধারাভির গোপীনাথ কলোনিতে একটি পাবলিক টয়লেটের কাছে (Roundup Week) অশ্বিন নাদারকে আশিক আসিম আখতার খান খুন করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, অভিযুক্ত বারবার নির্মমভাবে আঘাত করতে থাকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাদারকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার দিনই নাদারের মা স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করেন।

    লাভ জেহাদ

    উত্তরপ্রদেশের বদাউন জেলার এক হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, তাকে “লাভ জিহাদে”র ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। তার দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে ব্ল্যাকমেল করেছে, ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার জন্য তাকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। অভিযোগ, অভিযুক্ত আরশাদ প্রথমে প্রেমের সম্পর্কের ভান করে হিন্দু তরুণীদের বিশ্বাস অর্জন করত। পরে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তাকে হুমকি দিত (Hindus Under Attack)। নেলামাঙ্গালার সিদ্ধার্থ মেডিক্যাল কলেজে এক ইসলামপন্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল্লার বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে এক ছাত্রীর প্রতি অশ্লীল আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, উত্তেজনা ছড়িয়েছে ক্যাম্পাসে (Roundup Week)।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাব

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধ কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের পরিবেশ তৈরি করে (Hindus Under Attack)। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজির ওপর ধীরে ধীরে নিষেধাজ্ঞা জারি, আপাতভাবে দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অভাব লক্ষ্য করলে দ্বৈত মানদণ্ড জলের মতো স্পষ্ট হয়ে যায়।

     

  • Vijaypat Singhania: প্রয়াত রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়া, শোকস্তব্ধ শিল্প জগৎ

    Vijaypat Singhania: প্রয়াত রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়া, শোকস্তব্ধ শিল্প জগৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমন্ড গ্রুপের (Raymond Group) প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা পদ্মভূষণ শিল্পপতি বিজয়পত কৈলাশপত সিংহানিয়া প্রয়াত (Vijaypat Singhania)। শনিবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ে ৮৭ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে ভারতের শিল্প মহলে শোকের ছায়া।

    পরোপকারী এবং এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব

    বিজয়পত সিংহানিয়ার (Vijaypat Singhania) প্রয়াণের খবর নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত শিল্পপতির ছেলে তথা রেমন্ড গ্রুপের (Raymond Group) বর্তমান চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌতম সিংহানিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন তিনি। লিখেছেন, “গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, পদ্মভূষণ বিজয়পত কৈলাশপত সিংহানিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি ছিলেন এক দূরদর্শী নেতা, পরোপকারী এবং এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব। তাঁর উত্তরাধিকার আগামী প্রজন্মের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবেন।”

    বর্ণময় কর্মজীবন

    ১৯৩৮ সালের ৪ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিজয়পত সিংহানিয়া (Vijaypat Singhania)। ১৯৮০ সালে রেমন্ড গ্রুপের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই রেমন্ড একটি সাধারণ টেক্সটাইল মিল থেকে বিশ্বের অন্যতম বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। পুরুষের পোশাকে ‘দ্য কমপ্লিট ম্যান’ ট্যাগলাইনটি তাঁর সময়কালেই রেমন্ডকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়। শুধু সুতির কাপড় নয়, ইস্পাত এবং সিমেন্ট শিল্পেও তিনি বাড়িয়েছিলেন ব্যবসার পরিধি।

    অ্যাডভেঞ্চার ও অনন্য কৃতিত্ব

    ব্যবসার বাইরে বিজয়পত সিংহানিয়া (Raymond Group) ছিলেন একজন দক্ষ বৈমানিক এবং রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষ। ২০০৫ সালে ৬৭ বছর বয়সে তিনি একটি হট এয়ার বেলুনে চড়ে প্রায় ৬৯,০০০ ফুট উচ্চতায় উঠে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। ১৯৮৮ সালে লন্ডন থেকে দিল্লি পর্যন্ত মাইক্রোলাইট বিমানে এককভাবে উড়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘পদ্মভূষণে’ ভূষিত করে। মুম্বইয়ের শেরিফ (২০০৬-২০০৭) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

    শেষ বিদায়

    পারিবারিক সূত্রে খবর, আজ রবিবার দুপুর ১:৩০ মিনিটে মুম্বইয়ের এলডি রুপারেল মার্গের ‘হবেলি’-তে তাঁর (Vijaypat Singhania) মরদেহ অন্তিম দর্শনের জন্য রাখা হবে। এরপর বিকেল ৩টের সময় চন্দনবাড়ি শ্মশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা। স্ত্রী আশাদেবী এবং তিন সন্তান— গৌতম, মধুপতি ও শেফালিকে রেখে গিয়েছেন তিনি।

  • PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল দেশ। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে উদ্বোধন হল ‘নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (Noida International Airport) বা জেওয়ার বিমানবন্দরের। এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ নয়, বরং গোটা ভারতের বিমান চলাচল ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে এক আমূল পরিবর্তন আনতে চলেছে।

    এশিয়ার বৃহত্তম বিমানবন্দর (PM Modi)

    জেওয়ারে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) সম্পন্ন হওয়ার পর এটি ভারতের তো বটেই, এমনকি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিমানবন্দর হতে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এই বিমানবন্দরটি উত্তর ভারতের ‘লজিস্টিক গেটওয়ে’ হিসেবে কাজ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “জেওয়ার বিমানবন্দর কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি উত্তর ভারতের উন্নয়নের নতুন ইঞ্জিন হয়ে উঠবে।”

    উত্তরপ্রদেশের রূপান্তর ও যোগী মডেল

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ যে ‘উত্তম প্রদেশ’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, এই প্রকল্প তারই এক বড় প্রমাণ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) আগামী দিনে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের শিল্পায়নে জোয়ার আনবে।” তিনি একে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ‘গতি শক্তি’ প্রকল্পের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ভারতের বিমান চলাচলের ভবিষ্যৎ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জেওয়ার বিমানবন্দর (Noida International Airport) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এটি দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের মানুষের জন্য দ্বিতীয় একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া আর যে সব সুবিধা মিলবে, সেগুলি হল, কানেক্টিভিটি: জেওয়ার বিমানবন্দর সরাসরি যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে এবং দিল্লি-বারাণসী হাই স্পিড রেলের (বুলেট ট্রেন) সঙ্গে যুক্ত হবে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব: বিমানবন্দরের (Noida International Airport) আশপাশে ফিল্ম সিটি, মেডিকেল ডিভাইস পার্ক এবং ডেটা সেন্টার তৈরির কাজ চলছে, যা এই অঞ্চলকে একটি বিশ্বমানের অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।

    নেট জিরো এমিসন: এই বিমানবন্দরটি পরিবেশবান্ধব উপায়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি ভারতের প্রথম ‘নেট জিরো’ কার্বন নির্গমনকারী বিমানবন্দর হওয়ার পথে।

    বিরোধীদের তোপ ও উন্নয়নের জবাব

    উত্তরপ্রদেশে বিগতদিনের কংরেস-সপা-বসপা সরকারের সমালোচনা করে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, জেওয়ার প্রকল্পের পরিকল্পনা বহু দশক আগে হলেও ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগীর ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলেই এই স্বপ্ন সত্যি হল।

LinkedIn
Share