Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pakistan: একটা রুটির জন্য জেহাদিদের যৌন লালসার শিকার হয় গরিব কাশ্মিরী মেয়েরা! বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু

    Pakistan: একটা রুটির জন্য জেহাদিদের যৌন লালসার শিকার হয় গরিব কাশ্মিরী মেয়েরা! বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা ফাটালেন পাক ধর্মগুরু মুফতি সঈদ খান! তাঁর অভিযোগ, কাশ্মীরে (Kashmir) সক্রিয় জেহাদিরা অসহায় (Pakistan) মহিলাদের খাদ্যের মতো মৌলিক প্রয়োজনের বিনিময়ে যৌন শোষণে বাধ্য করছে।

    “কাশ্মীর এবং আমাদের ভণ্ডামি” (Pakistan)

    সঈদ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। “কাশ্মীর এবং আমাদের ভণ্ডামি” শিরোনামের এক আলোচনাসভায় এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে, বিদ্রোহের এক অন্ধকার বাস্তবতা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, শরণার্থী শিবিরে থাকা নারী ও কিশোরীদের একটি রুটির বিনিময়ে যৌন সুবিধা দিতে বাধ্য করা হত। ওই ধর্মগুরুর মতে, যেসব গোষ্ঠী নিজেদের “মুজাহিদিন” বা ধর্মীয় যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেয়, তারা বাস্তবে বাস্তুচ্যুত ও আর্থিকভাবে অসহায় নারীদের লক্ষ্য করে তাদের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েছে। তাঁর মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, এমন এক জোরপূর্বক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল যেখানে বেঁচে থাকার মৌলিক প্রয়োজনকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে (Kashmir)।

    গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বীকারোক্তি

    ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এই বক্তব্যকে “গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বীকারোক্তি” হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, পাকিস্তানের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিসরের ভেতর থেকে এই ধরনের স্বীকারোক্তি খুবই বিরল (Pakistan)। কর্তাদের ধারণা, এই মন্তব্যগুলি দীর্ঘদিনের সেই অভিযোগকে আরও জোরালো করে, যেখানে বলা হয়েছে পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি ‘জেহাদে’র আড়ালে স্থানীয় জনগণের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সূত্রগুলি আরও জানিয়েছে, এই তথ্যগুলি পূর্বে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে শেয়ার করা ভারতের গোপন নথিপত্রের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। এসব নথিতে বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা, বিশেষ করে আইএসআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা অঞ্চলে হিংসা ও শোষণে জড়িত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলিকে মদত দেয়।

    ধর্মগুরুর বক্তব্যের সুদূরপ্রসারী প্রভাব

    প্রতিবেদনগুলিতে বলা হয়েছে, এই ধর্মগুরুর বক্তব্যের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে। কারণ এটি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন হিংসা ও জোরপূর্বক শোষণের বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। যদি এই সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের “নৈতিক ও আদর্শিক সংগ্রাম” সম্পর্কিত বিষয় প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। এই বিতর্ক আবারও অঞ্চলটির দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের মানবিক মূল্য, বিশেষ করে নারী ও বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর ওপর এর প্রভাবকে নিয়ে এসেছে সামনের সারিতে। পাশাপাশি এটি জবাবদিহিতা, রাষ্ট্র ও অ-রাষ্ট্রীয় শক্তির ভূমিকা এবং ভূরাজনৈতিক বয়ানের আড়ালে থাকা বাস্তব জীবনের পরিস্থিতি নিয়ে (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে।

  • SIR Supreme Court: ‘‘আপনাকে চিন্তা করতে হবে না’’, ট্রাইবুনাল নিয়ে রাজ্যের আপত্তি পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    SIR Supreme Court: ‘‘আপনাকে চিন্তা করতে হবে না’’, ট্রাইবুনাল নিয়ে রাজ্যের আপত্তি পত্রপাঠ খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নথির সত্যতা যাচাই না-করে, কোনও নতুন নথি গ্রহণ করা হবে না। যে নথিগুলি আগে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকের সামনে পেশ করা হয়নি, সেই নতুন নথি ট্রাইবুনালকে না নেওয়ার পরামর্শ দিল শীর্ষ আদালত। এসআইআর (SIR Supreme Court) নিয়ে মামলায় রাজ্যের আপত্তিকে বিশেষ আমল দিল না সুপ্রিম কোর্ট। বুধবারের এই শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানাল, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির আশ্বাসে তারা সন্তুষ্ট। আদালতের মতে, ৭ এপ্রিলের মধ্যেই সমস্ত আপত্তির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এদিন বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে বিপুল সংখ্যক আবেদন ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। প্রায় ৪৭ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালত আপাতত সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

    ট্রাইবুনালকে নির্দেশ

    প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এসআইআর মামলার শুনানির সময়,কলকাতা হাইকোর্ট জানায়, বিচারাধীন থাকা ৬০ লক্ষ নামের মধ্যে, ৪৭ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে ইতিমধ্যেই। এদিনের শুনানিতে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা প্রতিদিন প্রায় ২ লক্ষ বিচারাধীন মামলার আবেদনকারীদের নিষ্পত্তি করছেন, তাঁরা ৭ই এপ্রিলের মধ্যে বিচারাধীন দাবিগুলি নিষ্পত্তি করবেন। শীর্ষ আদালতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধানবিচারপতি, বিচারকদের নেতৃত্বে ১৯টি আপিল ট্রাইবুনাল গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে এবংট্রাইবুনালগুলির অধিবেশনের স্থান হিসেবে নির্দিষ্ট জায়গা ঠিক করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাইবুনালের জন্য কিছু নির্দেশও দেয় সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশ, অনলাইন ও অফলাইন – দুই ধরনের আপিল সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে প্রাক্তন বিচারপতিদের পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিতে হবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। পাশাপাশি, যে নথি আগে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের সামনে পেশ করা হয়নি, তা নতুন করে গ্রহণ করা যাবে না। কোনও নথি গ্রহণের আগে তার সত্যতা যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজ্যের আপত্তি খারিজ

    ২০ মার্চ কমিশন ‘অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল’ গঠন করেছে। এদিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রত্যেককে সাম্মানিক অর্থ, অন্যান্য খরচ কমিশনকে বহন করতে হবে। কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু তখন আদালতে বলেন, “এ বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে পদক্ষেপ করেছি।” একই সঙ্গে তিনি জানান, ট্রাইবুনালও দ্রুত কাজ শুরু করবে। সুপ্রিম কোর্টে কমিশনের আইনজীবী জানান, আজ প্রশিক্ষণ চলছে, বৃহস্পতিবার থেকে ট্রাইবুনালের কাজ শুরু হয়ে যাবে। তখন প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়েই আপত্তি তোলে রাজ্য। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন বলেন, “প্রাক্তন বিচারপতিদের কমিশন কেন প্রশিক্ষণ দেবে? প্রাক্তন বিচারপতিদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের হস্তক্ষেপ নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না।”

    কল্যাণকে ধমক শীর্ষ আদালতের

    প্রধান বিচারপতি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলেন, “এটা প্রশিক্ষণ নয়, এটা হচ্ছে কীভাবে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বিবেচনা করতে হবে। যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা সকলে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। আমাকে হঠাৎ করে একটা নতুন ল্যাপটপ দিলে কী করে সেটা কাজ করে তা বুঝতে পারব না।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কল্যাণকে ধমক দিয়ে বলেন, “যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁদের বিরাট অভিজ্ঞতা রয়েছে। কমিশনের আধিকারিকরা হস্তক্ষেপ করছে বলে আপনাকে উদ্বিগ্ন হতে হবে না।” বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী কমিশনকে নির্দেশ দেন, “কোনও ব্যক্তি যখন আবেদন করছেন, তখন তার সম্পর্কে যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, তার কারণ উল্লেখ করে রিমার্কস দিতে হবে।” কমিশনের আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি জানতাম না যে সফটওয়্যারে এমন একটি কলাম আছে, যেখানে কারণ দর্শানোর সুযোগ আছে। প্রত্যেক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তার কারণ সেখানে উল্লেখ করা হোক।” কমিশনের আইনজীবী তখন বলেন, “আমরা অ্যাপিলেট বডির সামনে সমস্ত রেকর্ড রাখব।”

    ভোট দিতে না পারলে ভোটাধিকার চলে যাবে এমন নয়

    কথা প্রসঙ্গেই বিচারপতি বলেন, “কীসের ভিত্তিতে এই ভোট হচ্ছে তা আমরা দেখতে চাই। কোন ব্যক্তি যদি ভোট দিতে না পারেন, সেটা তার সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়। কোন ব্যক্তির নাম বাদ যেতে পারে কিন্তু পরে অ্যাপেলেট তার নাম যুক্ত করতে পারে। একইভাবে কোন ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও পরে তার নাম বাদ যেতে পারে অ্যাপলেট এর মাধ্যমে। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি এই নির্বাচনে ভোট দিতে না পারলে তার অর্থ এই নয় যে তার ভোটাধিকার চিরকালের জন্য চলে গেল।”

  • Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    Prez Droupadi Murmu: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রান্সজেন্ডার পার্সনস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬-এ স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Prez Droupadi Murmu)। ৩০ মার্চ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করায় বিলটি পরিণত হল আইনে। সোমবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রকের তরফে একটি সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আইন প্রণয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। গত সপ্তাহেই সংসদে পাস হয় বিলটি। প্রথমে লোকসভায় এবং পরে রাজ্যসভায়ও অনুমোদন পায় বিলটি। বিরোধীদের দাবি ছিল, বিলটি একটি নির্বাচিত কমিটির কাছে পাঠানো হোক। কারণ এতে এমন কিছু ধারা রয়েছে, যা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মর্যাদা ও অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে। যদিও সরকার সংসদে বিলটি পাস করাতে সক্ষম হয়।

    ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণ

    এই সংশোধনী আইনে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের সংজ্ঞা নির্ধারণে বড় ধরনের পরিবর্তনও আনা হয়েছে। ২০১৯ সালের পূর্ববর্তী আইনে ব্যক্তির নিজস্ব অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এতে ট্রান্স-পুরুষ, ট্রান্স-নারী, জেন্ডার কুইয়ার ব্যক্তি এবং কিন্নর ও হিজড়ের মতো সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিচয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। নয়া আইনে এই সংজ্ঞা সংকুচিত করা হয়েছে। এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে স্বীকৃত সামাজিক-সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী যেমন কিন্নর, হিজড়ে, আরাবাণি এবং জোগতা সম্প্রদায়কে। এর পাশাপাশি এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ইন্টারসেক্স বৈচিত্র্য বা জন্মগত জৈবিক পার্থক্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের। যারা জোরপূর্বক বিকৃতি বা চাপের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় গ্রহণে বাধ্য হন, তাঁদেরও এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

    পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি সরকারের

    একই সঙ্গে, শুধুমাত্র যৌন অভিমুখিতা বা ব্যক্তিগতভাবে অনুভূত লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে চিহ্নিত করা ব্যক্তিদের এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে সরকারের তরফে বলা হয়েছে, আগের সংজ্ঞাটির পরিসর অত্যন্ত বিস্তৃত ছিল। ফলে প্রকৃতভাবে বৈষম্যের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছিল। কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায়বিচার মন্ত্রী বীরেন্দ্র কুমার জানান, এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হল সেইসব ব্যক্তিদের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, যারা জৈবিক অবস্থার কারণে সামাজিক বঞ্চনার শিকার হন, এবং একই সঙ্গে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের আইনি স্বীকৃতি ও সুরক্ষা বজায় রাখা (Transgender Bill 2026)।

    কঠোর শাস্তির বিধান

    তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগেরও সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৪০ জন আইনজীবী এবং এএলআইএফএ এবং নজরের মতো নারীবাদী সংগঠন রাষ্ট্রপতির সম্মতির আগে (Prez Droupadi Murmu) তাঁকে চিঠি দিয়েছিল। অনেকেই জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, (নিজস্ব লিঙ্গ পরিচয় নির্ধারণের অধিকার) এখন সীমিত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের এই সংশোধনীকে সরকার এমন একটি পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করছে, যা আইনের স্পষ্টতা বাড়াবে এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক করবে। এতে পরিচয় নির্ধারণের একটি আরও কাঠামোবদ্ধ প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীতে সীমাবদ্ধ রেখে অপব্যবহার রোখার চেষ্টা করা হয়েছে। জোরপূর্বক পরিচয় পরিবর্তন এবং শোষণের মতো অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যাতে গুরুতর সামাজিক (Transgender Bill 2026) বঞ্চনার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের সুরক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (Prez Droupadi Murmu)।

  • India: একত্র বসবাসকারী যুগলদের ‘বিবাহিত’ ধরে নিয়ে জনগণনা, আধুনিক ভারতীয় পরিবারকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের

    India: একত্র বসবাসকারী যুগলদের ‘বিবাহিত’ ধরে নিয়ে জনগণনা, আধুনিক ভারতীয় পরিবারকে স্বীকৃতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একসঙ্গে বসবাসকারী অবিবাহিত যুগলদের ২০২৭ সালের জনগণনায় (Census 2027) বিবাহিত হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে (India)। অবশ্য যদি তাঁরা তাঁদের সম্পর্ককে একটি “স্টেবল ইউনিয়ন” বা স্থিতিশীল সম্পর্ক হিসেবে বিবেচনা করেন । আধুনিক ভারতীয় পরিবারের বাস্তবতা প্রতিফলিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ কেন্দ্রের। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেনসাস কমিশনার অফ ইন্ডিয়া (RGCCI) ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখে ওই ঘোষণা করেন। এটি ১৬তম জাতীয় জনগণনার প্রথম পর্যায়ের জন্য ৩৩টি প্রশ্নের (Frequently Asked Questions) একটি। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে শহর ও গ্রামের লাখ লাখ একত্রবাসকারী যুগলের ওপর। শুধু তাই নয়, এটি গৃহস্থালি সংক্রান্ত তথ্য জোগাড়ের ক্ষেত্রে আরও বাস্তবসম্মত হবে, বিশেষ করে নির্ভরশীলতা এবং বাসস্থান কাঠামো বোঝার ক্ষেত্রে।

    সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ (India)

    ১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে হাউস লিস্টিং অ্যান্ড হাউজিং সেনসাসের প্রথম পর্যায়ের কাজ। এই পদক্ষেপ আগে একটি প্রচলিত পদ্ধতিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। আগে অনেক ক্ষেত্রে তথ্যসংগ্রাহক স্বঘোষিত দম্পতিদের তথ্যের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে গিয়ে “বিবাহিত” হিসেবে নথিভুক্ত করতেন। প্রশ্ন হল, এই স্টেবল ইউনিয়ন কী? নয়া সেল্ফ-এনিউমিরেশন পোর্টালের (self-enumeration portal) নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, “যদি কোনও লিভ-ইন রিলেশনশিপে থাকা যুগল নিজেদের সম্পর্ককে স্টেবল ইউনিয়ন বলে মনে করেন, তবে তাঁদের বিবাহিত দম্পতি হিসেবে গণ্য করতে হবে।” সরকারি এই নির্দেশ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৩০ লাখ ফিল্ড এনিউমেরেটর্সের জন্য, যাঁরা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে এই বিশাল ডিজিটাল সেনসাস এক্সসারসাইজ পরিচালনা করবেন।

    কী বলছেন সরকারি আধিকারিক

    এক আধিকারিক জানান, আগে এই প্রথা পালন করা হলেও, সেনসাস ২০২৭ (Census 2027) একে একটি ফর্মাল ফ্রেমওয়ার্ক দিয়েছে (India)। জনগণনা করতে গিয়ে সরকার জানতে চায় ৩৩টি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর। এর মধ্যে রয়েছে, বাড়িতে কতজন বিবাহিতা দম্পতি রয়েছে, কী ধরনের শস্য খাওয়া হয় ইত্যাদি। এই ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে একটি “সেনসাস- অ্যাজ-এ-সার্ভিস” মডেল তৈরি করতে চায়। ১১,৭১৮ কোটি টাকার এই প্রকল্পের লক্ষ্যই হল মেশিন রিডেবল ডেটা তৈরি করা, যা ভারতের বর্তমান সোশ্যাল ফেব্রিক সঠিকভাবে প্রতিফলিত করবে।

    ব্যবধান কমানোর চেষ্টা

    আগে, জনগণনার সময় পরিবারের প্রধানের কথার ওপর নির্ভর করা হত। কোনও দম্পতি নিজেদের বিবাহিত বললে, সাধারণত আইনি প্রমাণ, যেমন বিবাহের শংসাপত্র চাওয়া হত না। সরকার এই সিদ্ধান্তে এসেছে ২০২১ সালের জনগণনা দীর্ঘ বিলম্বের পর। করোনা অতিমারী এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের জেরে পিছিয়ে গিয়েছিল। ২০২৬-২৭ সালের জনগণনা আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে থাকবে জাতিগত গণনা, সেল্ফ এনিউমারেশন অপশন। এতে নাগরিকরা নিজেরাই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন (Census)। এভাবে সরকার আইনি সীমাবদ্ধতা ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করছে (India)।

    স্থিতিশীল সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া

    সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি দেশের উন্নতির জন্য প্রথমে তার তথ্যকে সত্যের প্রতিফলন হতে হবে। ‘স্টেবল ইউনিয়ন’ বা স্থিতিশীল সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেওয়া একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি স্বীকার করে, সহচরিতা, পরিবারের ধারণা, সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে। তাই নীতিনির্ধারণেও সেই পরিবর্তন প্রতিফলিত হওয়া উচিত। একত্রবাসকারী দম্পতিদের স্বীকৃতি দিয়ে রাষ্ট্র আদতে তৈরি করছে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ। মনে রাখতে হবে, এটি শুধু সংখ্যার বিষয় নয়, এটি একটি মানুষের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকারের মর্যাদা দেওয়ার বিষয়। এই সঠিক তথ্য ভবিষ্যতে আরও উন্নত নগর পরিকল্পনা এবং সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা নিশ্চিত করতে সাহায্য (Census) করবে, যাতে সব ধরনের স্থিতিশীল পরিবারই সমান সুরক্ষা পায় (India)।

  • Maoist-Free India: লাল সন্ত্রাস শেষে উন্নয়নের পথে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া, আত্মসমর্পণ আরও ৫ মাওবাদীর

    Maoist-Free India: লাল সন্ত্রাস শেষে উন্নয়নের পথে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া, আত্মসমর্পণ আরও ৫ মাওবাদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাল সন্ত্রাস শেষে উন্নয়নের পথে ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া। এলাকায় মাওবাদী (Maoist-Free India) কার্যকলাপ প্রায় সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রশাসন। সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবারও ৫ মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। একই সঙ্গে প্রচুর অস্ত্রও বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। দান্তেওয়াড়ার পুলিশ সুপার গৌরব রাই বলেন, “আজ আমরা এই ঘোষণা করার অবস্থায় রয়েছি যে, এই এলাকায় আর কোনও সক্রিয় মাওবাদী সংগঠন নেই। মাওবাদীদের কাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ এখনও লুকিয়ে থাকে, তাদের মূলধারায় ফিরে আসার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময় দেওয়া হচ্ছে।”

    ‘রেড টেরর’-এর অবসান

    দান্তেওয়াড়ায় (Dantewada) পুলিশ ও সরকারের তরফে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসনের জন্য ‘লোন ভারাতু’ এবং ‘পুনা মারগেম’ কর্মসূচি চালু করার ফলে ধারাবাহিক ভাবে অস্ত্র ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরেছেন মাওবাদীরা। গৌরব জানান, যাঁরা আত্মসমর্পণ করেছেন তাঁরা রাজ্য সরকারের ‘নিয়াদ নেল্লানার’ (তোমার ভালো গ্রাম) প্রকল্পে পুনর্বাসন এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, “প্রায় ৪০ বছর ধরে এই এলাকা নকশাল সমস্যায় জর্জরিত ছিল। আমরা ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে এটি নির্মূল করার যে লক্ষ্য নিয়েছিলাম, তা পূরণ করতে পেরেছি। আজ ‘রেড টেরর’-এর অবসান হয়েছে। এখন আমাদের মূল লক্ষ্য হবে উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।” তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সাবধানতা বজায় রেখে অভিযান চালিয়ে যাবে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার, এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

    ধারাবাহিক অভিযানে সাফল্য

    দান্তেওয়াড়ার সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার রাহুল জানান, গত দুই বছরে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে বড় সাফল্য মিলেছে। তাঁর কথায়, “প্রতি মাসে ৪-৫টি করে অভিযান চালানো হয়েছে। এর ফলে বহু গুরুত্বপূর্ণ মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পণ করেছেন।” প্রাক্তন নকশাল নেতা কোসা নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “আমি ২০১০ সালে নকশাল দলে যোগ দিয়েছিলাম ‘জল, জঙ্গল, জমি’ রক্ষার জন্য। কিন্তু এখন মূলধারায় ফিরে এসে ভালো লাগছে। যারা এখনও জঙ্গলে আছেন, তাদেরও ফিরে আসা উচিত।” কোসা বর্তমানে পুলিশ কনস্টেবল পদে কাজ করছেন। প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর এবার দান্তেওয়াড়ায় শান্তি ও উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে।

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

  • Digital Census: আজ থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল সেন্সাস! ঘরে বসেই নাম রেজিস্টার, কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে?

    Digital Census: আজ থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল সেন্সাস! ঘরে বসেই নাম রেজিস্টার, কোন কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার ভারতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা (Digital Census) শুরু হতে চলেছে। দেশের জনসংখ্যার তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিতে এক বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে এই পদ্ধতি। আজ, ১ এপ্রিল থেকে আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হাউস লিস্টিং ও হাউজিং সেন্সাস ধাপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই জনগণনা দু’টি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে—যার মধ্যে থাকবে বাসস্থানের অবস্থা ও মৌলিক পরিষেবার প্রাপ্যতা। দ্বিতীয় পর্যায়, অর্থাৎ জনসংখ্যা গণনার সময়, ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

    প্রথম পর্বে ৩৩টি প্রশ্ন

    দীর্ঘ সময় পর ভারতে হবে আদমশুমারি। এই প্রথমবার দেশে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেন্সাস (Digital Census) করাবে সরকার। যেখানে বাড়ি, পেশা, শিক্ষা, জাতি সব তথ্য় দিতে হবে আপনাকে। সব মিলিয়ে প্রথম পর্বে ৩৩টি প্রশ্ন থাকবে এই ডিজিটাল সেন্সাসে। এর মধ্যে রয়েছে পানীয় জলের ব্যবস্থা, স্নানঘর, রান্নাঘর, এলপিজি-পিএনজি সংযোগ, ইন্টারনেট সুবিধা, বিদ্যুৎ, বাসস্থানের ধরন এবং পরিবারের প্রধান খাদ্যশস্য সংক্রান্ত তথ্য। সরকারের দাবি, এই তথ্য ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণ ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    ডিজিটাল পদ্ধতিতে কেন

    প্রথমবারের মতো জাতিগত (কাস্ট) তথ্যও ডিজিটালভাবে নথিভুক্ত করা হবে। রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেন্সাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাওয়ার মূল লক্ষ্য হল নির্ভুলতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। প্রায় ৩০ লক্ষ গণনাকারী অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ডিভাইসে উপলব্ধ মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করবেন। এই অ্যাপটি ১৬টি ভাষায় কাজ করতে পারে এবং ইন্টারনেট ছাড়াও ব্যবহারযোগ্য, ফলে দূরবর্তী ও গ্রামীণ এলাকাতেও এটি কার্যকর হবে।

    কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম

    সাধারণ মানুষ চাইলে স্ব-নিবন্ধন (self-enumeration) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনেও নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি ইউনিক সেলফ-এনুমারেশন আইডি দেওয়া হবে, যা যাচাইকরণের সময় কর্মকর্তাদের দেখাতে হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশ্নপত্রে মোট ৩৩টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে থাকবে বাড়ির ধরন, নির্মাণ সামগ্রী, মালিকানার অবস্থা, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, ইন্টারনেট, স্মার্টফোন, যানবাহন ও অন্যান্য গৃহস্থালি সামগ্রীর প্রাপ্যতা সম্পর্কিত তথ্য। । এর বাইরে গৃহস্থের ঘরে ফ্রিজ , টিভি, মাইক্রোওভেন, ওয়াশিং মেশিন আছে কিনা তা নথিভুক্ত করতে হবে ফর্মে। স্ব-নিবন্ধনের সুযোগটি কর্মকর্তারা বাড়িতে যাওয়ার প্রায় ১৫ দিন আগে চালু হবে, যাতে মানুষ আগেভাগেই নিজেদের তথ্য জমা দিতে পারেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য কোনও নথির প্রয়োজন হবে না এবং সমস্ত তথ্য গোপন রাখা হবে।

    লিভ-ইন সম্পর্কে থাকলেও ‘বিবাহিত’

    ১৯৪৮ সালের আদমশুমারি আইন এবং ১৯৯০ সালের আদমশুমারি বিধি অনুযায়ী ২০২৭ সালে হবে জনগণনা। আর সেই জনগণনার সময় লিভ-ইন যুগলদেরও ‘বিবাহিত’ হিসেবেই গণ্য করা হবে। দেশের জনগণনা নিয়ে মানুষের একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতে একটি পোর্টাল চালু করেছে কেন্দ্র। সেখানেই জানানো হয়েছে এমন তথ্য। আদমশুমারির সরকারি পোর্টালে ‘ফ্রিকোয়েন্টলি আস্কড কোশ্চেনে’ (FAQ)-এ বলা হয়েছে এই কথা। সেখানে জানানো হয়েছে, লিভ-ইন কাপল যদি নিজেদের সম্পর্ককে স্থিতিশীল বলে বর্ণনা করে তবে তাদেরকে বিবাহিত ধরা হবে।

    দুই ধাপে হবে জনগণনা

    জনগণনা হবে দুটি ভাগে। প্রথমে হাউসিং এনলিস্টিং এবং পরে পপুলেশন এনুমারেশন। প্রথমটি চলবে ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। যার মধ্যে ৪৫ দিনের প্রাথমিক যে সময়কাল, তার প্রথম ১৫ দিন নিজেই সব তথ্য দেওযা যাবে পোর্টালে। প্রসঙ্গত, আদমশুমারিতে উত্তরদাতাদের তাঁদের উত্তরের সপক্ষে প্রমাণ দাখিল করার প্রয়োজন হয় না। দ্বিতীয় পর্যায়ে হবে জনগনণা। যেখানে ব্যক্তির নাম, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, পেশা, ধর্ম ও বৈবাহিক অবস্থান সম্পর্কে জানাতে হবে। এই পর্বে বাড়িতে পরিদর্শনে আসা কর্মী এবং কর্মকর্তারা পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে কিছু তথ্য জানতে চাইবেন। যেগুলির উত্তর দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই সমস্ত প্রশ্নগুলির উত্তর কোনও ভাবে ভুল দেওয়া যাবে না। নাহলে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। ১১,৭১৮.২৪ কোটি টাকার বাজেট এবং ৬.৩৯ লক্ষেরও বেশি প্রশাসনিক ইউনিটের অংশগ্রহণে এই জনগণনা ভবিষ্যতের সরকারি নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    কোন-কোন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ

    ১ এপ্রিল থেকে প্রথম পর্যায়ের (India’s First Digital Census) কাজ শুরু হচ্ছে নির্দিষ্ট ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (যেমন: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দিল্লি, গোয়া, কর্ণাটক, লাক্ষাদ্বীপ, মিজোরাম, ওড়িশা এবং সিকিম)। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি রাজ্যগুলোতেও এই কাজ চলবে। সোমবার এই ঘোষণা করেছেন রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেন্সাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ। তিনি জানান স্বাধীনতার পর এই নিয়ে অষ্টমবার এই সেন্সাস করা হবে দেশে। এই কাজ করবে ৩০ লক্ষ তথ্য দাখিলকারী। যার মধ্যে পর্যবেক্ষক ছাড়াও আধিকতারিকরা থাকবেন।

  • Kerala Elections 2026: বিজেপিতে যোগ দিলেন কেরল সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা এস রাজেন্দ্রন

    Kerala Elections 2026: বিজেপিতে যোগ দিলেন কেরল সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা এস রাজেন্দ্রন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি টানা চার দশক ধরে তিল তিল করে একটি দল গড়ে তুলেছিলেন। দলীয় প্রতীকে টানা তিনবার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ীও হয়েছিলেন। সম্প্রতি কেরল সিপিআই(এম)-এর সেই নেতাই যোগ দিলেন (Kerala Elections 2026) বিজেপিতে।

    বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন বাম বিধায়কের (Kerala Elections 2026)

    কেরালার দেবীকুলাম থেকে তিনবারের সিপিআই(এম) বিধায়ক এস রাজেন্দ্রন কয়েক মাস আগে দল ছেড়েছেন। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। দেবীকুলাম আসন থেকেই বিজেপির (BJP) প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন রাজেন্দ্রন। এক সময় যিনি সিপিআই(এম)-এর প্রতীকে লড়ে গিয়েছিলেন কেরালা বিধানসভায়, সেই তিনিই এবার লড়ছেন স্বেচ্ছায় ছেড়ে চলে আসা নিজের পুরনো দলের বিরুদ্ধে।  এর মাধ্যমে তিনি বামপন্থীদের সামনে ৯ এপ্রিলের নির্বাচনের আগে সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যদি একজন মানুষ, যিনি জীবনের দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে দলকে দিয়েছেন, সেই তিনিই এখন দল ছেড়ে তাঁরই পুরানো দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধেই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজেন্দ্রনের অভিযোগ, “দলীয় নীতি বা আদর্শ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু কিছু নেতার আচরণে সাম্প্রদায়িকতার ছাপ দেখা যাচ্ছে। আজ সব দলেই (Kerala Elections 2026) ভেতরে ভেতরে সাম্প্রদায়িকতা রয়েছে—এবং তা খুবই সক্রিয়।”

    বিজেপির প্রার্থী 

    জানা গিয়েছে, যে আসনে একসময় তিনিই ছিলেন বামপন্থীদের মুখ, সেই আসনেই তিনি বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এই দলবদল শুধু প্রতীকী নয়, এটি তাঁর পুরানো দলের বিরুদ্ধে একটি রায়, এবং নতুন দলের ওপর একটি আস্থাও। যে দল সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তৈরি করেছে এবং বহু বছর ধরে বিজেপির বিরুদ্ধে এই অভিযোগই করেছিলেন, সেই দলের নেতৃত্বের মধ্যেও একই প্রবণতা রয়েছে বলে দাবি করেন রাজেন্দ্রন (Kerala Elections 2026)। এটি ব্যতিক্রম নয়, বরং খুব সক্রিয় বাস্তবতা। রাজেন্দ্রনের দলবদলকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে শুধু প্রতীক নয়, তাঁর যুক্তিও। তিনি জানান, রাগ বা আবেগ থেকে নয়, বরং “চূড়ান্ত মূল্যায়নের” পরেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, “মোদি সরকারের উন্নয়নের কথা বিবেচনা করলে, সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা কেন তাঁর কাছে যাব না? বিজেপিকে বলতে হবে সমস্যা কোথায়?” তিনি বলেন, “এই চূড়ান্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতেই আমরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।”

    অবহেলিত চা-বাগানের শ্রমিকরা

    তিনি জানান, দেবীকুলামের চা-বাগান অঞ্চলে ৪০ বছরের বামপন্থী রাজনীতি শ্রমিকদের জীবনে বাস্তবিকই কোনও পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। তিনি বলেন, “তাঁদের জীবনে প্রকৃত উন্নতি কিছুই হয়নি (Kerala Elections 2026)। দেবীকুলামের মানুষের সমস্যা কোনও একটি বিমূর্ত রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, এগুলি প্রতিদিনের বাস্তব সত্যই। রাজেন্দ্রনের অভিযোগ, বন দফতর ‘পট্টায়ম’ জমিতে হস্তক্ষেপ করছে যা আইনত কৃষকদের মালিকানাধীন। তিনি বলেন, “মানুষ নিজেদের জমিতেও ঢুকতে পারছে না।” রাজাদের আমল থেকে থাকা রাস্তা—যেমন নেরিয়ামঙ্গলম থেকে আদিমালি পর্যন্ত ৬–১২ কিমি দীর্ঘ পথ দখল করা (BJP) হচ্ছে। বহু প্রজন্ম ধরে ব্যবহৃত এই রাস্তাগুলির জন্য এখন স্থানীয়দের বিরুদ্ধেই মামলা হচ্ছে। এই ধরনের প্রতিটি দখলই উন্নয়নের পথে নয়া বাধার সৃষ্টি করছে।”

    কী বলছেন স্থানীয়রা

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বন্যপ্রাণীর আক্রমণে প্রায়ই মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, মারা যাচ্ছে গবাদি পশুও। রাজেন্দ্রন বলেন, “সেদিনই হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির।  বাঘ, চিতা, বানর, ময়ূর—সবই মানুষের বসতির আরও কাছে চলে আসছে। এগুলি স্রেফ পরিসংখ্যান নয়। মানুষের মৌলিক অধিকারও অধরা রয়ে গিয়েছে। চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্য প্রতিশ্রুত ঘর (লায়াম) এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। জাতিগত সনদ মেলেনি। বাসস্থানের অধিকার অনিশ্চিত।” তিনি বলেন, “দেবীকুলামের শ্রমিকদের উদ্দেশে রাজেন্দ্রনের বার্তা, তিনি তাঁদের পুরানো অভ্যাস ছেড়ে দিতে বলছেন না, বরং বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখায় উৎসাহী হতে বলছেন। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের কাছে জাত বা ধর্ম নয়, তাঁর কাছে আছে খিদে, সমস্যা আর কষ্ট। ”

    ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান

    তিনি বলেন, “কংগ্রেস দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকেও উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেনি—না চার লেনের রাস্তা, না রেলপথ নির্মাণ, না পেনশন সংস্কার”। এলডিএফ রাজ্য পর্যায়ে সীমাবদ্ধ, জাতীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে না। তিনি বলেন, “এলডিএফ এবং ইউডিএফ একজোট হলেও বড় কোনও আইনগত পরিবর্তন আনতে পারবে না (Kerala Elections 2026)।” ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান তিনি। বলেন, “যা করার, আগামী ১০ বছরের মধ্যেই করতে হবে।” প্রশ্ন হল, তার পরেও কেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, যখন কেন্দ্রে একটি শক্তিশালী সরকার ইতিমধ্যেই রয়েছে। রাজেন্দ্রনের প্রশ্ন, “৪০ বছরে আমরা এই আদর্শ নিয়ে কতদূর এগোলাম? আগামী প্রজন্ম কোথায় গিয়ে পৌঁছবে?”

    বস্তুত, এটি শুধু একটি অলঙ্কার নয়, বরং একজন মানুষের আত্মসমীক্ষা, যিনি জীবনের সেরা সময় একটি আদর্শের পেছনে ব্যয় করেছেন, এবং শেষে দেখেছেন সেই আদর্শ ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। তিনি মনে করেন (Kerala Elections 2026), শ্রমিকরা শুধু স্লোগান নয়, বাস্তব পরিবর্তনের যোগ্য। আর সেই পরিবর্তন, এই মুহূর্তে, গেরুয়া রঙেই (BJP) প্রতিফলিত হচ্ছে।

     

  • Petrol Pump: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, করোসিন মিলবে পেট্রোল পাম্পে

    Petrol Pump: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, করোসিন মিলবে পেট্রোল পাম্পে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। পেট্রো জ্বালানি, রান্নার গ্যাসে বিরাট প্রভাব পড়ছে। তাই এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার বড় ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং কালোবাজারি রুখতে আরও একটি বড় পদক্ষেপ নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। এবার থেকে খোলা বাজারের কেরোসিন তেল (Kerosene) পেট্রোল পাম্পেই (Petrol Pump) পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রেশন দোকানের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং সাধারণ মানুষ সহজেই উন্নত মানের কেরোসিন সংগ্রহ করতে পারবেন। জ্বালানি তেল সংগ্রহে এই ঘোষণা সাধারণ মানুষের দারুণ ভাবে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    নতুন সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য (Kerosene)

    এতদিন পর্যন্ত কেরোসিন (Kerosene) মূলত গণবণ্টন ব্যবস্থা বা রেশন দোকানের মাধ্যমেই উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছাত। কিন্তু সেখানে প্রায়শই জালিয়াতি এবং কালোবাজারির অভিযোগ উঠত। মোদি সরকারের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে মানুষের প্রয়োজনীয়তা এবং দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    • সহজলভ্যতা: রেশন কার্ড থাকুক বা না থাকুক, যে কেউ এখন পেট্রোল পাম্প থেকে নির্ধারিত মূল্যে কেরোসিন কিনতে পারবেন।
    • স্বচ্ছতা: পেট্রোল পাম্পে (Petrol Pump) ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিক্রি হওয়ায় জালিয়াতির সুযোগ কমবে।
    • মান নিয়ন্ত্রণ: পাম্প থেকে সরাসরি তেল পাওয়ায় তেলের গুণমান বজায় থাকবে।

    রেশন ডিলারদের বিকল্প পথ

    সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র পেট্রোল পাম্প নয়, চাইলে রেশন ডিলাররাও তাদের দোকানে ছোট সিলিন্ডার এলপিজি বা অন্যান্য পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। এর ফলে রেশন ডিলারদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনই প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ হাতের কাছেই রান্নার জ্বালানি (Kerosene) পাবেন। জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজর রাখতে একটি আন্তঃমন্ত্রকীয় গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বে আয়োজিত প্রথম বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে নির্মলা সীতারামন, কিরেন রিজিজু, হরদীপ সিং পুরি, মনোহর লাল খট্টর এবং জেপি নাড্ডাসহ শীর্ষ মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ভর্তুকিহীন কেরোসিন

    উল্লেখ্য, পেট্রোল পাম্পে (Petrol Pump) যে কেরোসিন (Kerosene) পাওয়া যাবে তা হবে ভর্তুকিহীন বা ‘নন-সাবসিডাইজড’। যারা রান্নার গ্যাস (LPG) ব্যবহার করেন না বা যাদের অতিরিক্ত কেরোসিনের প্রয়োজন হয়, তারা এই সুবিধা নিতে পারবেন। তবে যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে (BPL) রয়েছেন, তাদের জন্য রেশন দোকানের মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত কেরোসিন সরবরাহ আগের মতোই জারি থাকবে কি না, তা নিয়ে রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সেক্ষেত্রে ভয়ের কোনও ব্যাপার নেই।

    পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের মাধ্যমে বণ্টন

    ২৯ মার্চ জারি হওয়া এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমিত সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে কেরোসিন (Kerosene) বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের কাছে এই জ্বালানি সহজে পৌঁছে যায়। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট-সহ মোট ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের (Petrol Pump) মাধ্যমে উন্নত মানের কেরোসিন সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে। উল্লেখ্য, এই সব জায়গায় আগে ধাপে ধাপে কেরোসিন সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

    পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২ শিথিল

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পেট্রোল পাম্পগুলো (Petrol Pump) রান্না ও আলোর ব্যবহারের জন্য কেরোসিন মজুত ও সরবরাহ করতে পারবে। তবে প্রতিটি পাম্প সর্বোচ্চ ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন সংরক্ষণ করতে পারবে। জেলায় জেলায় সর্বাধিক দুটি করে এমন আউটলেট নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন।

    ই-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২-এর কিছু শর্তকে এখন শিথিল করা হয়েছে। ফলে কেরোসিন ডিলার ও পরিবহণকারী যানবাহনের জন্য লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়মও সহজ করা হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে পেট্রোল ও গ্যাস সরবারহেকে নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। জ্বালানির (Kerosene) প্রাপ্যতা ও সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যমান খুচরা পাম্পগুলিকে ব্যবহার করে দ্রুত কেরোসিন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই তেল সংস্থাগুলিকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সমস্ত ক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম (Petrol Pump) ও বিস্ফোরক নিরাপত্তা সংস্থার নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে। এই বিজ্ঞপ্তি আপাতত ৬০ দিন বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি (Kerosene) ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এটি মোদি সরকারের একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। এর ফলে খনিজ তেলের খোলা বাজার আরও বিস্তৃত হবে এবং সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।

  • UPI: অনলাইন লেনদেনে বড় বদল! ১ এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ওটিপি-তে কাজ হবে না, কড়া নিয়ম আনল আরবিআই

    UPI: অনলাইন লেনদেনে বড় বদল! ১ এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ওটিপি-তে কাজ হবে না, কড়া নিয়ম আনল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি ইউপিআই (UPI), নেট ব্যাঙ্কিং বা ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করেন? তবে আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর। বুধবার, ১ এপ্রিল থেকে ডিজিটাল পেমেন্টের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড়সড় পরিবর্তন আনছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনলাইন জালিয়াতি রুখতে এখন থেকে শুধুমাত্র ওটিপি (OTP) বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড দিয়ে লেনদেন করা যাবে না। তার সঙ্গে যুক্ত হবে নিরাপত্তার আরও একটি স্তর।

    কী এই নতুন নিয়ম (UPI)?

    আরবিআই (RBI) জানিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত অনলাইনে (UPI) টাকা পাঠাতে বা কেনাকাটা করতে মোবাইলে আসা ওটিপি-ই ছিল প্রধান ভরসা। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা যেভাবে ওটিপি চুরির মাধ্যমে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিচ্ছে, তাতে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। তাই এবার থেকে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ (2FA) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, প্রতিটি লেনদেন সম্পন্ন করতে কমপক্ষে দুটি আলাদা নিরাপত্তা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। এর মধ্যে একটি অবশ্যই হতে হবে ‘ডায়নামিক’ বা পরিবর্তনশীল ওটিপি। অন্যটি হতে পারে আপনার পিন (PIN), পাসওয়ার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি-র মতো বায়োমেট্রিক তথ্য।

    গ্রাহকদের ওপর কী প্রভাব পড়বে?

    আরবিআই আরও জানিয়েছে যে, আন্তঃসীমান্ত লেনদেনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এই নিয়মগুলো আন্তর্জাতিক কার্ড পেমেন্টের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি বৈশ্বিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সমপরিমাণ নিরাপত্তা ও সরক্ষাকে নিশ্চিত করবে। ওটিপি (UPI) কোনওভাবে হ্যাক হলেও দ্বিতীয় স্তরের নিরাপত্তা (যেমন বায়োমেট্রিক বা পিন) ছাড়া টাকা হাতানো সম্ভব হবে না।

    ঝুঁকিভিত্তিক যাচাইকরণ

    সব লেনদেনের জন্য একই নিয়ম থাকবে না। আপনার লেনদেনের পরিমাণ, ব্যবহৃত ডিভাইস এবং লোকেশনের ওপর ভিত্তি করে ব্যাঙ্ক ঠিক করবে বাড়তি কতটুকু নিরাপত্তা যাচাই প্রয়োজন। বাড়তি একটি স্তরের যাচাইকরণের ফলে পেমেন্ট সফল হতে আগের চেয়ে কয়েক সেকেন্ড বেশি সময় লাগতে পারে। আন্তর্জাতিক কার্ড পেমেন্টের ক্ষেত্রেও এই কড়া নিয়ম কার্যকর হবে, যা ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে পুরোপুরি বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

    ব্যাঙ্কগুলির দায়বদ্ধতা বাড়ছে

    আরবিআই (RBI) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম নিরাপদ রাখার মূল দায়িত্ব ব্যাঙ্ক এবং পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলির। যদি সিস্টেমের ত্রুটির কারণে কোনো গ্রাহক আর্থিক প্রতারণার শিকার হন, তবে ব্যাঙ্ককে দ্রুত সেই অভিযোগ সমাধান করতে হবে এবং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রসারের সাথে সাথে সাইবার ক্রাইম যে হারে বাড়ছে, তা রুখতে এই পদক্ষেপ এক যুগান্তকারী ভূমিকা নেবে। প্রাথমিকভাবে গ্রাহকদের কিছুটা অভ্যস্ত হতে সময় লাগলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত উপার্জনের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

LinkedIn
Share