Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh border: বাংলাদেশ সীমান্তে বাড়ছে ভিড়, ফাঁকা জায়গায় কাঁটাতার বসাতে তৎপর বিএসএফ

    Bangladesh border: বাংলাদেশ সীমান্তে বাড়ছে ভিড়, ফাঁকা জায়গায় কাঁটাতার বসাতে তৎপর বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়েছে সংখ্যালঘু হিন্দুরা। মৌলবাদী দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে মানুষের জীবন বিপন্ন। জামাত এবং বিএনপি সমর্থক গুন্ডাদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে (Bangladesh border) বাংলাদেশি হিন্দুদের ক্রমশ ভিড় বাড়ছে। এই ভিড়ের বেশির ভাগ মানুষ ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার। তাঁরা শরণার্থী হিসাবে হয়তো আশ্রয় চান ভারতে। একই ভাবে সেই দেশের জঙ্গিরাও অবৈধ অনুপ্রবেশ করে নাশকতা মূলক ঘটনা ঘটাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী বিএসএফ (BSF), এতদিন পর্যন্ত খোলা পড়ে থাকা বর্ডারগুলিতে কাঁটাতারের বেড়া দিতে অত্যন্ত তৎপর হয়ে উঠেছে। প্রশাসন এবং বিএসএফ দ্রুত কদমে কাজ শুরু করেছে।

    ২২৪ কিমি সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে তোরজোড় (Bangladesh border)  

    সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ২২০০ কিলোমিটার জুড়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত (Bangladesh border) রয়েছে। তাঁর মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৬০০ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতার বসেছে। বাকি যেখানে এখনও তার বসেনি, তার একটা বড় অংশ আবার নদী দিয়ে ঘেরা। এখন ২২৪ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর তোরজোড় চলছে। জমির বন্দোবস্ত করার চেষ্টাও চলছে জোরকদমে। ইতিমধ্যে ৪৩ কিমি এলাকায় জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়েছে। আবার মমতার মন্ত্রিসভা ২৬৭ কিমি জমি কেনার বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছে। অপরদিকে, ১১২.৩ কিমি জমি কিনতে রাজ্যকে ২২১ কোটি টাকা সাহায্য পাঠিয়েছে কেন্দ্র। আরও ১৫৪ কিমি জমি কেনার হিসেব কেন্দ্রকে দিয়েছে রাজ্য। ফলে সীমান্তকে সুরক্ষিত করা বিএসএফের কাছে প্রাথমিক বিষয়। বাংলাদেশের অশান্ত এবং উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রচুর জেলবন্দি দুষ্কৃতীরা ছাড়া পেয়েছে। ফলে জেএমবি বা আল-কায়েদা জঙ্গিরা যাতে অবাধে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেই দিকের কথা মাথায় রেখে বিএসএফ (BSF) এই কোচবহার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার বিষয়ে বিশেষ নজর দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘বাংলাদেশের পর এবার ভারতের পালা’’! হুমকি দিয়ে যুবক গ্রেফতার, মিলল জঙ্গি-যোগ

    হিন্দুদের সুরক্ষার বার্তা অন্তর্বর্তী সরকারকে

    বাংলাদেশে গঠন হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। মোট ১৭ সদস্যের একটি নতুন মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়েছে। প্রধান করা হয়েছে নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূসকে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়তেই সেই দেশে সংখ্যালঘু হিন্দু-বৌদ্ধদের টার্গেট করেছে মৌলবাদী দুষ্কৃতীরা। আওয়ামি লিগের অবশ্য দাবি, সবটাই ছাত্র আন্দোলনের নামে জামাত শিবির এবং বিএনপির ষড়যন্ত্র। দেশে হিন্দুদের ধর্মীয়স্থল মন্দির, মঠে আগুন দিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। একাধিক জেলায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা করে হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, দোকানপাট, ব্যবসার কেন্দ্রে ব্যাপক ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। হিন্দু মহিলাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগও উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমে একাধিক জায়গার অত্যচার-আর্তনাদের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তি সুরক্ষা করার বার্তা পাঠিয়েছেন। এই অবস্থায় বাংলাদেশ সীমান্তকে (Bangladesh border) আরও সুরক্ষিত করতে ময়দানে নেমে পড়েছে বিএসএফ (BSF)।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam: ‘‘বাংলাদেশের পর এবার ভারতের পালা’’! হুমকি দিয়ে যুবক গ্রেফতার, মিলল জঙ্গি-যোগ

    Assam: ‘‘বাংলাদেশের পর এবার ভারতের পালা’’! হুমকি দিয়ে যুবক গ্রেফতার, মিলল জঙ্গি-যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের (Assam) হাইলাকান্দি থেকে এক যুবককে আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকার পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের মতো অসম সহ ভারতের বিভিন্ন অংশে হিংসা করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে। ধৃতের নাম রেজুয়ান উল্লা মাজারভূইয়া।

    ফেসবুকে কী লিখেছিলেন? (Assam)

    রেজুয়ান ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। তাতে তিনি লিখেছিলেন, “বাংলাদেশের পর এবার ভারতের পালা। খুব শিগগিরই অসমে বাংলাদেশের প্রভাব শুরু হবে।” সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্ট দেখে এক নেটিজেন তাঁকে কোথা থেকে এসেছেন জিজ্ঞাসা করলে, রেজুয়ান বাংলায় উত্তর দিয়ে বলেন, “আমি ভারতে কাজ করলেও আল-কায়েদার (Al-Qaeda) সঙ্গে যুক্ত। সবসময় পাকিস্তানে আল-কায়েদা সংগঠনের সঙ্গে কাজ করছি। আমি বাংলাদেশকে আমার হৃদয়ে রাখি এবং সবসময় বাংলাদেশকে কাছে রাখি। বাংলাদেশই আমাদের বন্ধুত্বের প্রধান কারণ।”

    থানায় জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার!

    হাইলাকান্দি পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং সেলের কর্তাদের ফেসবুক পোস্টটি নজরে পড়ে। এরপরই রেজুয়ানকে দক্ষিণ অসমের (Assam) হালিয়াকান্দি জেলার রংপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাকিস্তানে আল-কায়েদার (Al-Qaeda) সঙ্গে তাঁর যোগসূত্রের দাবি নিয়ে থানায় তাঁকে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি দাবি করেন, যে পাকিস্তানে আল-কায়েদা অপারেটিভদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পুলিশ জানিয়েছে যে, রেজুয়ান পোস্টটি “আমাদের হাইলাকান্দি” নামে একটি ফেসবুক গ্রুপে শেয়ার করেছিলেন। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত প্রোফাইলেও অনুরূপ একটি বার্তা পোস্ট করেছেন। হাইলাকান্দির (Assam) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সমীর বড়ুয়া বলেন, রেজুয়ানের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়ার পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে ধারা ৬১ (২০  (অপরাধী ষড়যন্ত্র), ১৪৭ (ভারত সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা), এবং ৩৯ ধারা সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ (বিএনএস) এর ১৯৬  (শত্রুতা প্রচার) এর অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, ১৯৬৭ (ইউএপিএ) ধারাও যুক্ত করা হয়েছে।

    ইসলামপন্থিরা ভারতে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার স্বপ্ন দেখছে!

    বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সংরক্ষণ-বিরোধী বিক্ষোভ জামাত-ই-ইসলামির মতো ইসলামপন্থি গোষ্ঠীগুলি হাইজ্যাক করেছে বলে অভিযোগ। অনেক বিরোধী নেতা এবং ইসলামপন্থিরা ভারতে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য একই ধরনের হিংসা ঘটানোর স্বপ্ন দেখছেন বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা রয়েছে। বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতা ভারতে একই ধরনের ‘বিদ্রোহ’ আশা করে মন্তব্য করেছেন। কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ, মণিশঙ্কর আইয়ার এবং একাধিক কংগ্রেস নেতারা দাবি করেছেন যে, ভারতের পরিস্থিতি বাংলাদেশের মতোই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw: এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    Ashwini Vaishnaw: এসসি-এসটি’র মধ্যে পৃথক ‘ক্রিমি লেয়ার’ হবে কি? অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিআর আম্বেডকরের দেওয়া সংবিধানে এসসি-এসটিদের জন্য সংরক্ষণে ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই।” উপশ্রেণি সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। গত সপ্তাহে সাব কোটা মামলায় রায় দিতে গিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে (Supreme Court), রাজ্যগুলির এই ক্ষমতা রয়েছে যে, সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীগুলিকে আরও উন্নীত করার লক্ষ্যে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত বিভাগের মধ্যে কোটা বরাদ্দ করতে পারবে।

    কী বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব? (Ashwini Vaishnaw)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করছিলেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংবিধানের প্রদত্ত এসসি এবং এসটিদের জন্য সংরক্ষণের উপ-শ্রেণিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ওপর বিশদ আলোচনা করেছে। তবে, তাকে এখনই কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।” এর পরেই মন্ত্রী বলেন, “বিআর আম্বেডকরের দেওয়া সংবিধান অনুযায়ী, এসসি-এসটি সংরক্ষণে ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই।” তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, রাজ্যগুলিকে অবশ্যই এসসি-এসটিতে ক্রিমি লেয়ার চিহ্নিত করতে হবে। সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বাদ দিতে হবে তাদের। কিন্তু এনডিএ সরকার সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ।” তিনি বলেন, “এসসি-এসটি সংরক্ষণের বিধান হওয়া উচিত সংবিধান মেনে।”

    বৈঠকে মন্ত্রিসভা

    দেশের শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকেই সংবিধানে প্রদত্ত এসসি-এসটিদের জন্য সংরক্ষণের উপ শ্রেণিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু আম্বেডকরের সংবিধানে এসসি-এসটি’র জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় ক্রিমি লেয়ারের কোনও বিধান নেই, সেহেতু সংবিধান অনুযায়ীই সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন: ৮টি বড় রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিল মোদি সরকার, খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি

    চলতি মাসের শুরুর দিকে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে (Ashwini Vaishnaw) সুপ্রিম কোর্টের সাত বিচারপতির বেঞ্চ এসসি-এসটি বিভাগে কোটা যুক্ত করার অনুমোদন দেয়। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, এসসি-এসটি ক্যাটেগরির মধ্যে একটি নয়া সাব ক্যাটেগরি তৈরি করা যেতে পারে। এর অধীনে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য আলাদা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে (Supreme Court)। শুক্রবার, বিজেপির এসসি-এসটি সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধি দল দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিজেপি সাংসদ ফাগ্গান সিং কুলাস্তে। সেখানে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি ক্রিমি লেয়ার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করবেন না।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আমাদের বৈঠকের সময় আমরা এসসি/এসটি সংরক্ষণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের দ্বারা প্রকাশিত ব্যক্তিগত মতামত নিয়ে  আলোচনা করেছি, যা এসএস/এসটি সম্প্রদায়ের ক্রিমি লেয়ারকে চিহ্নিত করার ও তাদের সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।”

    তিনি বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করার জন্য অনুরোধ করেছি। বৈঠকে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমাদের মতামতের সঙ্গে এক মত হয়েছেন। এবং এটি বাস্তবায়ন না করার অঙ্গীকার করেছেন।” তিনি বলেন, “আমরা এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন না করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। বৈঠকে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছি।”

    অশ্বিনীর মতো প্রায় একই বক্তব্য শোনা গিয়েছে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের গলায়ও। শুক্রবার লোকসভায় তিনি বলেন, “এসসি/এসটির উপ শ্রেণিবিভাগে ক্রিমি লেয়ারের উল্লেখটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের একটি পর্যবেক্ষণ, সিদ্ধান্তের অংশ নয়। সদস্যদের সমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা উচিত নয়।”

    ২০০৫ সালের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, এসসি-এসটির মধ্যে শ্রেণি বিভাজনের এক্তিয়ার কোনও রাজ্যের সরকারের নেই। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ সেই রায় খারিজ করে দিয়েছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও এসসি-এসটির মধ্যে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া অংশকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, উপশ্রেণি চিহ্নিতকরণের বিষয়টি ভারতীয় সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সমতার নীতি লঙ্ঘন করছে না। তবে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির বেঞ্চ এই রায়ের ক্ষেত্রে ঐকমত্যে পৌঁছায়নি বৃহস্পতিবার। বেঞ্চের ছয় বিচারপতি এসসি-এসটির মধ্যে অতি পিছিয়ে পড়া অংশকে চিহ্নিত করে কোটার মধ্যে কোটার সুবিধা দেওয়ায় ছাড়পত্র দিলেও (Supreme Court) ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন (Ashwini Vaishnaw) বিচারপতি বেলা ত্রিবেদী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • J&K Assembly Election: জম্মু কাশ্মীরে নির্বাচন দোড়গোড়ায়, ইঙ্গিত নির্বাচন কমিশনের

    J&K Assembly Election: জম্মু কাশ্মীরে নির্বাচন দোড়গোড়ায়, ইঙ্গিত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরে নির্বাচন আসন্ন। এমনই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাজীব কুমার। সম্প্রতি একটি (Election Commission) বৈঠকে রাজীব কুমার বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের বিধানসভা নির্বাচনের (J&K Assembly Election) মাধ্যমে তাঁদের নিজস্ব সরকার করার সময় এসেছে। সময় এসেছে বিধানসভা নির্বাচনের মাধ্যমে আপনার নিজের সরকার তৈরি করার।”

    নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ভূস্বর্গ (J&K Assembly Election)

    বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে অপর দুই নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) জ্ঞানেশ কুমার এবং এস এস সন্ধু ছিলেন। রাজীব কুমার এদিন বলেন, “এখন, সময় এসেছে যে স্বপ্নগুলি আপনারা আমাদের দেখিয়েছিলেন তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।” রাজীব এখানে লোকসভা নির্বাচনের উদাহরণ প্রস্তুত করেন। লোকসভা নির্বাচনের সময় উপত্যকার ভোটকেন্দ্রগুলির সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছিলেন স্থানীয়রা। যদিও নির্বাচন্ন আসন্ন জানালেও তাঁর দিনক্ষণ জানা যায়নি। নির্বাচনী প্রক্রিয়া কবে শেষ হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্বাচন কমিশনের তরফে দেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য-স্তরের (J&K Assembly Election) প্রাথমিক পর্যালোচনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অমরনাথ যাত্রা শেষ হবে ১৯ অগাস্ট। নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করার আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বাহিনীর প্রাপ্যতার মূল্যায়ন হবে।

    ৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই নির্বাচন (Election Commission)

    কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য সুপ্রিম কোর্টের ৩০ সেপ্টেম্বরের (J&K Assembly Election) সময়সীমা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার জানান, “আমরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এটি মাথায় রাখব।” অগাস্টে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। লোকসভা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনার জম্মু-কাশ্মীরের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, সারা দেশ জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের উৎসাহকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ভোটারদের সুবিধার্থে প্রতি দুই কিলোমিটারে একটি ভোট কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission), প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি কভারেজ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ”ওয়াকফ বোর্ড দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা”, অভিযোগ অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডেরই

    জম্মু অঞ্চলে জঙ্গি হামলায় সাম্প্রতিক বৃদ্ধির বিষয়ে রাজীব কুমার জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনী এবং প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্পূর্ণরূপে সক্ষম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Railway Projects: ৮টি বড় রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিল মোদি সরকার, খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি

    Railway Projects: ৮টি বড় রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিল মোদি সরকার, খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আটটি বড় রেল প্রকল্পের (Railway Projects) অনুমোদন দিল মোদি সরকার (Modi Government)। জানা গিয়েছে, প্রকল্পগুলি দেশের সাতটি রাজ্যের ১৪টি জেলাতে বাস্তবায়িত হবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বসেছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক (Modi Cabinet) এবং সেখানেই আটটি বড় রেল প্রকল্পকে (Railway Projects) অনুমোদন দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পগুলিতে মোট খরচ হবে ২৪,৬৫৭ কোটি টাকা, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এক বিবৃতিতে সংবাদ মাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন। অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও জানান, এর ফলে নতুন রেললাইন সম্প্রসারণের কাজও যেমন হবে, তেমনই যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত হবে।

    কোন কোন রাজ্যে হবে এই প্রকল্প (Railway Projects)? 

    জানা গিয়েছে, এই রেলওয়ে প্রকল্পগুলির অন্তর্ভুক্ত রাজ্যগুলি হল— ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, তেলঙ্গানা এবং পশ্চিমবঙ্গ। এর ফলে ভারতের রেলওয়ে নেটওয়ার্ক আরও ৯০০ কিলোমিটার বাড়বে বলে জানা গিয়েছে। আটটি এই বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৬৪টি নতুন স্টেশনে গড়ে উঠবে এবং এর ফলে যুক্ত হতে পারবেন ৫১০টি গ্রামের প্রায় ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ, একথা জানিয়েছে কেন্দ্র (Modi Cabinet)। ওই প্রেস বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, অজন্তা গুহা যা কিনা ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি পেয়েছে, তাও এবার জুড়বে রেলওয়ে প্রকল্পের (Railway Projects) মাধ্যমে।

    প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৩২.২০ কোটি লিটার জ্বালানি বেঁচে যাবে

    মোদি সরকারের (Modi Government) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যে রাজ্যগুলিতে এই প্রকল্প শুরু হতে চলেছে সেগুলি পণ্য সামগ্রী যাতায়াতের ক্ষেত্রে এবং কৃষিভিত্তিক পণ্যের সরবরাহের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপাশি, এই সমস্ত রাজ্যগুলি দিয়েই কয়লা, সার, লোহা, স্টিল, সিমেন্ট, অ্যালুমিনিয়াম পাউডার সরবরাহ হয়। এর পাশাপাশি, বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভারতীয় রেল (Railway Projects) হল পরিবেশবান্ধব একটি যোগাযোগের মাধ্যম। এর পাশাপাশি, উন্নত ও দ্রুতগামী যাতায়তের মাধ্যমও বটে। রেলের এই প্রকল্পগুলির (Railway Projects)  মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা যেমন সহজ হবে তেমনই পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র (Modi Cabinet)। আরও জানানো হয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রতিবছর ৩২.২০ কোটি লিটার জ্বালানি বেঁচে যাবে এবং এর ফলে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের নির্গমন ০.৮৭ মিলিয়ন টন কমবে, যা সাড়ে তিন কোটি বৃক্ষরোপণের সমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PMAY: পিএম আবাস যোজনায় তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ির অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার

    PMAY: পিএম আবাস যোজনায় তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ির অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিএম আবাস যোজনার আওতায় (PMAY) তিন কোটি অতিরিক্ত বাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi Cabinet) বৈঠকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (Pradhan Mantri Awaas Yojana) আওতায় নির্মিত এই বাড়িগুলিতে বিদ্যুৎ এবং এলপিজি কানেকশন দেওয়া হবে। সব বাড়িতে বসানো হবে জলের কলও। অর্থাৎ বাড়িগুলোতে জল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের কোনও অভাব থাকবে না। গ্রামীণ ও শহর উভয় এলাকা মিলেই এই নতুন তিন কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে। 

    কোথায় কত বাড়ি, কত টাকা বরাদ্দ (PMAY)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Modi Cabinet) এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। ৩ কোটি বাড়ির মধ্যে ২ কোটি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G) এর অধীনে এবং এক কোটি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-আরবানের (PMAY-U) অধীনে নির্মিত হবে। মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, এটি “এনডিএ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।” তিনি জানান, আবাস যোজনা প্রকল্পে (Pradhan Mantri Awaas Yojana) গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলের জন্য পৃথক পৃথক অর্থ প্রদান করবে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY-2.0) শহরাঞ্চলে আরও ১ কোটি বাড়ি তৈরি হবে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের সাহায্যার্থে এই প্রকল্পের জন্য ১০ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বাড়ির জন্য ২.৩০ লক্ষ টাকা ভরতুকি দেবে কেন্দ্র। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে বাড়ি তৈরির জন্য কেন্দ্রের ভরতুকির মেয়াদ বাড়ানো হল আগামী ৫ বছর পর্যন্ত। ২০২৮-২৯ অর্থবর্ষ পর্যন্ত তা মিলবে। এর জন্য ৩ লক্ষ ৬ হাজার ১৩৭ কোটি বরাদ্দ করা হচ্ছে। যার মধ্যে অধিকাংশ টাকা দেবে কেন্দ্র, বাকিটা রাজ্যের প্রদেয়।

    আরও পড়ুন: ফাঁকা স্ট্যাম্প পেপারে সই! পরিবারকে পণবন্দি করে হিন্দুদের লুট বাংলাদেশে

    কারা সুবিধা পাবেন

    বিবৃতি অনুসারে, ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত অবশিষ্ট ৩৫ লক্ষ অসম্পূর্ণ বাড়িগুলির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, “২০২৪-২০২৯ এই পাঁচ বছরে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণের (PMAY-G) অধীনে আরও দুই কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে। এর ফলে প্রায় ১০ কোটি লোক উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।” দেশের সমস্ত মানুষ পাবেন পাকা ছাদ। এই লক্ষ্য নিয়ে পিএম আবাস যোজনা (PMAY) নিয়ে আসা হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যাঁদের বাড়ি নেই তাঁরা এই যোজনার মাধ্যমে লাভ তুলতে পারবেন। একই সঙ্গে বিপিএল তালিকাভুক্তরা এই যোজনার লাভ পাবেন। এই নির্মাণের জন্য সমতল এলাকায় ১.২০ লক্ষ টাকা এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের রাজ্যগুলি এবং হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলিতে ১.৩০ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে (Modi Cabinet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Government: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    Modi Government: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর হিংসার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি তৈরি করল মোদি সরকার (Modi Government)। এই কমিটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ভারতীয়দের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে যেমন দেখবে তেমনই সেখানকার সংখ্যালঘুদের সুরক্ষাও দেখবে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারত সরকার একটি কমিটি তৈরি করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অবস্থার পাশাপাশি এই কমিটি নজর রাখবে বাংলাদেশের ভারতীয় নাগরিক (Modi Government) ও সেখানকার সংখ্যালঘুদের অবস্থার ওপর।

    আরও পড়ুন: ফাঁকা স্ট্যাম্প পেপারে সই! পরিবারকে পণবন্দি করে হিন্দুদের লুট বাংলাদেশে

    কমিটিতে কারা থাকছেন 

    জানা গিয়েছে, এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন এডিজি (বিএসএফ)। এর পাশাপাশি, ওই কমিটিতে থাকবেন দক্ষিণবঙ্গ বিএসএফ ফ্রন্টিয়ারের আইজি,  ত্রিপুরার বিএসএফ ফ্রন্টিয়ারের আইজি, ল্যান্ড পোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সচিব প্রমুখরা। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি যেভাবে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ নেমে এসেছে বাংলাদেশে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন মানবাধিকার কর্মীরাও। বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অন্তর্বতী সরকারের প্রধান ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কথা বলেন। ঠিক এই আবহে মোদি সরকারের এমন কমিটি গঠন যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

    মোদি সরকারকে (Modi Government) বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার বিষয়ে আহ্বান জানিয়েছে আরএসএস

    অন্যদিকে, শুক্রবারই বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। নরেন্দ্র মোদি সরকারকে (Modi Government) বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার বিষয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছে আরএসএস। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে এই ধরনের ঘটনা বন্ধ করার এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। বাংলাদেশে সকলের জীবন এবং সম্পত্তি সুরক্ষা করা সহ ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের যথাযথ ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে প্রধানমন্ত্রীকে আর্জি আরএসএসের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে প্রধানমন্ত্রীকে আর্জি আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। নরেন্দ্র মোদি সরকারকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার বিষয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছে আরএসএস।  

    দত্তাত্রেয় হোসাবলের বক্তব্য (RSS)

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে অবিলম্বে (Bangladesh Crisis) এই ধরনের ঘটনা বন্ধ করার এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সঙ্ঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। বাংলাদেশে সকলের জীবন এবং সম্পত্তি সুরক্ষা করা সহ ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের যথাযথ ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    পুলিশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)  

    বাংলাদেশের সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকেই হিন্দুদের মন্দির, বাড়িঘর এবং দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা (Bangladesh Crisis) বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকী, বহু হিন্দু নারীর সম্ভ্রম লুট হয়েছে। তাঁদের অপহরণ করা হয়েছে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এখনও আতঙ্কে রয়েছেন বাংলাদেশের হিন্দুরা। অনেকেই পালিয়ে ভারতে আসার চেষ্টা করছেন। লোক দেখানো মন্দির পাহারা দেওয়া হলেও বহু হিন্দুর ঘর বাড়ি লুট হওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নিয়েছেন নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস। তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও বাংলাদেশের বর্তমানে সেই পরিকাঠামো নেই, যাতে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কারণ, বাংলাদেশে পুলিশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। দেশের বহু থানায় এখনও পুলিশ ফেরত আসেননি। বাংলাদেশের বহু থানা ভাঙচুর করা হয়েছে। কয়েকশো পুলিশকে খুন করা হয়েছে। পুলিশদের কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেও কে কোথায় রয়েছে, তার কোনও খোঁজ নেই।

    বাংলাদেশের অরাজক পরিস্থিতি দূর হোক

    গত কয়েকদিন ধরে দেশের ক্ষমতা পরিবর্তনের আন্দোলনের সময় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হিংসার ঘটনায় আরএসএস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে দত্তাত্রেয় হোসাবলে বিশ্ব সম্প্রদায় এবং ভারতের সকল রাজনৈতিক দলকে বাংলাদেশে নিপীড়নের শিকার (Bangladesh Crisis) হওয়া হিন্দু, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। 

    আরও পড়ুন: ওয়াকফ আইন অপব্যবহার করে কীভাবে হয়েছে ‘জমি জবরদখল’? রইল ১৫টি উদাহারণ

    দেশে অরাজক পরিস্থিতির আড়ালে দুষ্কৃতিরা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের শেষ সম্বলটুকু কেড়ে নিতে চাইছে, তাঁদের উপাসনালয় ভাঙচুর করছে। আরএসএস (RSS) চাইছে বাংলাদেশের এই অরাজক পরিস্থিতি দূর হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Act: ওয়াকফ আইন অপব্যবহার করে কীভাবে হয়েছে ‘জমি জবরদখল’? রইল ১৫টি উদাহরণ

    Waqf Act: ওয়াকফ আইন অপব্যবহার করে কীভাবে হয়েছে ‘জমি জবরদখল’? রইল ১৫টি উদাহরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ বোর্ড আইনে সংশোধন আনছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের দাবি, কোনও ধর্মীয় সংগঠনের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা এই সংশোধনীর উদ্দেশ্য নয়। নতুন সংশোধনীতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, ওয়াকফ সম্পত্তি বাধ্যতামূলকভাবে ডিস্ট্রিক্ট কালেকটরের অফিসে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে, যাতে সম্পত্তির সঠিক মূল্যায়ন হয়। এতদিন পর্যন্ত কোনও নথি না থাকলেও, মৌখিকভাবে ওয়াকফ সম্পত্তি চিহ্নিত করা যেত। সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ওয়াকফনামা অর্থা নথি না থাকলে সেই জমি বিতর্কিত বলেই ধরে নেওয়া হবে।

    ওয়াকফ সম্পত্তি 

    সেই স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিকেই ওয়াকফ সম্পত্তি বলা হয়, যা দলিলের মাধ্যমে আল্লার নামে করে দেওয়া হয়। সেই সম্পত্তি চ্যারিটির বা সেবার কাজে ব্যবহার করা হয়। নথিপত্রের যুগ শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকে এই পদ্ধতি প্রচলিত আছে। সাধারণত কোনও জনসেবার কাজে ব্যবহৃত হয় এই জমি। অথবা কেউ উত্তরসূরী হিসেবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। এই সম্পত্তি কখনও হস্তান্তর করা যায় না। সাধারণত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবর, মসজিদের জন্য, গরিব মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য জমি ব্যবহার করা হয়।

    ওয়াকফ বোর্ড

    ওয়াকফ সম্পত্তি যাদের দায়িত্বে থাকে, আইনি ভাষায় তারাই ওয়াকফ বোর্ড। ১৯৬৪ সালে তৈরি হয় সেন্ট্রাল ওয়াকফ কাউন্সিল। দেশজুড়ে ওয়াকফ বোর্ডগুলি এই কাউন্সিলের নজরদারিতে চলে। সম্পত্তি নিয়ে ওয়াকফ বোর্ড ছাড়াও রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেও সম্পত্তির বিষয়ে কথা বলে এই কাউন্সিল। প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিতে পারে। ওয়াকফ বোর্ড কেমন কাজ করছে, তাদের ব্যাপারে অডিট রিপোর্টও তৈরি করতে পারে এই কাউন্সিল। ১৯৯৫ সালে একটি আইন তৈরি হয়, যা সংশোধন হয় ২০১৩ সালে। সেই আইনে ওয়াকফ বোর্ডকেই ক্ষমতা দেওয়া হয়, যাতে তারাই ওয়াকফ সম্পত্তি চিহ্নিত করতে পারে।

    আরও পড়ুন: গরীব ও মুসলিম মহিলাদের ক্ষমতায়ণের জন্যই ওয়াকফ সংশোধনী, দাবি কেন্দ্রের

    ওয়াকফ আইনের অপব্যবহার 

    ভারতে ওয়াকফ সম্পত্তি পরিচালনার জন্য প্রণীত ওয়াকফ আইন নিয়ে বেশ কিছু বিতর্ক এবং অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ওয়াকফ আইন অপব্যবহার করে জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে এমন ১৫টি ঘটনা উল্লেখ করা হল—

    তামিলনাড়ু: তিরুচিরাপল্লিতে পুরো একটি গ্রাম এবং একটি ১৫০০ বছরের পুরনো হিন্দু মন্দিরের মালিকানা দাবি করে ওয়াকফ বোর্ড, যা স্থানীয় গ্রামবাসীদের হতবাক করে দেয়।

    হরিয়ানা (জথলানা গ্রাম, যমুনানগর জেলা): কোনও মুসলিম বসতি বা মসজিদের ইতিহাস না থাকলেও একটি গুরুদ্বারের জমি ওয়াকফ বোর্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    সুরাট, গুজরাট (২০২১): মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর কন্যাকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে দান করেছিলেন বলে দাবি করে সুরাট পুরসভা সদর দফতরকে ওয়াকফ সম্পত্তি ঘোষণা করা হয়, যদিও এটি প্রায় ৪০০ বছর আগের ঘটনা।

    তাজ মহল (২০১৮): সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড দাবি করে যে তাজ মহলকে তাদের সম্পত্তি হিসাবে তালিকাভুক্ত করা উচিত, যদিও তাদের কোনও স্বাক্ষরিত মালিকানার দলিল ছিল না।

    উত্তর প্রদেশ (২০২২): সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড দাবি করে যে যেখানে জ্ঞানব্যাপী মসজিদ আজ দাঁড়িয়ে আছে সেই জমি ওয়াকফ সম্পত্তি, যা মন্দির পক্ষ থেকে আদালতে প্রত্যাখ্যান করা হয়।

    লখনউ, উত্তর প্রদেশ: একটি শিবালয় (শিব মন্দির) শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের সাথে যোগসাজশে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে নিবন্ধিত করা হয়, যদিও মন্দিরটি ১৮৬২ সাল থেকে রেকর্ডে ছিল এবং ওয়াকফ বোর্ডের প্রতিষ্ঠা ১৯০৮ সালে হয়েছিল।

    দেবভূমি দ্বারকা, গুজরাট (২০২১-২০২২): ওয়াকফ বোর্ড বেট দ্বারকার দুটি দ্বীপের মালিকানা দাবি করে, যা গুজরাট উচ্চ আদালত প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ঔরঙ্গাবাদ, মহারাষ্ট্র (২০১৪): ওয়াকফ বোর্ড ঔরঙ্গাবাদ পুরসভাকে একটি বিতর্কিত জমি দাবি করে নোটিশ পাঠায়, যেখানে রাস্তা প্রশস্তকরণের জন্য জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা চলছে।

    হায়দরাবাদ, তেলঙ্গানা (২০১৩): তেলঙ্গানা ওয়াকফ বোর্ড হায়দরাবাদ পুর কর্পোরেশনের একটি রাস্তা প্রশস্তকরণের প্রচেষ্টাকে বিরোধিতা করে, দাবি করে যে জমিটি ওয়াকফ সম্পত্তি।

    পুণে এবং পারভানি, মহারাষ্ট্র (২০১৮): একটি পাইলট প্রকল্পে শুধু দুইটি জেলাতেই ১৭০০টিরও বেশি নতুন ওয়াকফ সম্পত্তি শনাক্ত করা হয়।

    পাঞ্জাব: ভারতে মোট ১৬,৯৩৭টি ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তির মধ্যে ৫,৬১০টি পাঞ্জাবে রয়েছে, যেখানে সর্বাধিক অনধিকার প্রবেশ ঘটেছে।

    মহারাষ্ট্র (২০১৭): রাজ্য সরকার একটি মুসলিম সংস্থার সাবেক প্রধানকে বরখাস্ত করে, যার দায়িত্ব ছিল জমি দান করা। সন্দেহ হয় যে, ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে বরাদ্দকৃত ওয়াকফ জমি অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়েছে।

    দিল্লি (২০২৪): দিল্লি উচ্চ আদালত বিতর্কিত ওয়াকফ সম্পত্তিতে অনুমোদনহীন নির্মাণের কথা উল্লেখ করে, যেখানে দিল্লি ওয়াকফ বোর্ড ১২৩টি সম্পত্তির দাবি করে, যদিও কেন্দ্র তা বাতিল করে দেয়।

    হালদ্বানি, উত্তরাখণ্ড (২০২৪): ওয়াকফ বোর্ড সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করে যে জমিটি রেলওয়ের বলে উত্তরাখণ্ড উচ্চ আদালত ঘোষণা করেছে, সেই জমির কিছু অংশ তাদের।

    পুঞ্চ, জম্মু ও কাশ্মীর (২০১৪): রাজ্য সরকার জানায় যে, ৩৬০ ক্যানালেরও বেশি ওয়াকফ জমি বাণিজ্যিক মূল্যসহ সেনাবাহিনীর দখলে রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ২১ ক্যানালের জন্য ভাড়া দেওয়া হচ্ছে।

    এই ঘটনাগুলি ওয়াকফ আইন এবং এর প্রয়োগ নিয়ে বিতর্ক বাড়িয়ে তুলেছে। নয়া সংশোধনী এই বিতর্কিত বিষয়গুলির মীমাংসা করবে , বলে অনুমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maulana Yasoob Abbas: ”ওয়াকফ বোর্ড দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা”, অভিযোগ অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডেরই

    Maulana Yasoob Abbas: ”ওয়াকফ বোর্ড দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা”, অভিযোগ অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডেরই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুপুরেই সংসদে ওয়াকফ বিল পেশ হয়েছে। পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। রিপোর্ট অনুযায়ী, কেন্দ্র আগামী সংসদ অধিবেশনে এই আইনে ৪০টি সংশোধনী আনতে পারে। কিন্তু ওয়াকফ বিল পেশ হতেই এবার অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডের মৌলানা ইয়াসুব আব্বাস (Maulana Yasoob Abbas) ওয়াকফ বোর্ডকে (Waqf Board) একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা বলে তীব্র আক্রমণ করলেন।  

    ঠিক কী জানিয়েছেন তিনি? (Maulana Yasoob Abbas) 

    অল ইন্ডিয়া শিয়া পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইয়াসুব আব্বাস ওয়াকফ বোর্ডের তীব্র নিন্দা করে অভিযোগ করেন, ”বোর্ডের মধ্যে এক মাফিয়া জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাপকভাবে জড়িত। তারা বিভিন্ন সম্পত্তির ওয়াকফ নম্বর মুছে জমি বিক্রি করার জন্য জাল দলিল তৈরি করে। এই সব মানুষের কারণে গোটা ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ডিপি-তে তেরঙ্গা, এক্স হ্যান্ডেলে ছবি বদল প্রধানমন্ত্রীর, কী বার্তা দিলেন নাগরিকদের?

    ওয়াকফ আইন বাতিল করার আহ্বান   

    সম্প্রতি কেন্দ্র ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা হ্রাস করার জন্য ওয়াকফ আইন সংশোধন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু সাধারণ নাগরিক এই আইনটিকে সম্পূর্ণরূপে বাতিল বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এক নাগরিক অভিযোগ করেছেন, ওয়াকফ বোর্ড ভারত জুড়ে জমি দখল করার জন্য তার কর্তৃত্বের অপব্যবহার করেছে। তিনি তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ”ওয়াকফ আইন শুধু সংশোধন করা উচিত নয়, বাতিল করা উচিত। ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) ভারত জুড়ে জমি দখল করার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ওয়াকফ বোর্ড তামিলনাড়ুর পুরো তিরুচেন্দুরাই গ্রামের মালিকানা দাবি করেছে, যেখানে ১৫০০ বছরের পুরানো মানেন্দিয়াভল্লি সামেথা চন্দ্রশেখর স্বামী মন্দির রয়েছে।”

    এ প্রসঙ্গেই অন্য একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী অনুপম মজুমদার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ওয়াকফ বোর্ড বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ”আইনের সংশোধনী কোনও পার্থক্য করবে না। দক্ষিণ ভারত ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share