Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sadhvi Niranjan: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দিল্লিতে আটক তৃণমূল নেতারা

    Sadhvi Niranjan: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দিল্লিতে আটক তৃণমূল নেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় তাঁরা যেমন খুশি তেমন করেন। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা (Ruckus in New Delhi) তৈরি করে তৃণমূল সাংসদরা ভেবেছিলেন, পার পেয়ে যাবেন। কিন্তু, তাঁরা দিল্লিকে বাংলা ভাবার ভুল করেছিলেন। কিন্তু, দিল্লি যে বাংলা নয়, সেটা বোধহয় হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। 

    ঠিক কী ঘটেছিল মঙ্গলবার রাতে?

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কৃষি ভবনে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির (Sadhvi Niranjan) সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তৃণমূল নেতৃত্বের। সাক্ষাতের সময় ছিল সন্ধ্যা ৬টা। কিন্তু, তৃণমূল প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দেখা করার জন্য নির্ধারিত সময়ের বাইরে আরও আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তার পরেও কেউ না আসায় তিনি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। এর পর রাত ৯টা নাগাদ সেখানে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দফতর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অনেক পরে সেখানে গিয়ে জমায়েত শুরু করেন তৃণমূল নেতারা। কৃষি ভবনের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা (Ruckus in New Delhi) তৈরির চেষ্টা করেন। দিল্লি হাই-সিকিউরিটি জোন। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের সামনে এভাবে আচমকা গিয়ে ধর্না-বিক্ষোভ-প্রদর্শন করা যায় না। কিন্তু, সেটা ভুলে গিয়েছিলেন এরাজ্যে ক্ষমতায় থেকে ধরাকে সরা জ্ঞান করা তৃণমূল নেতৃত্ব। ফলে, যা হওয়ার তাই হয়েছে। বাধ্য হয়ে ব্যবস্থা নেয় দিল্লি পুলিশ। রাত ৯টায় অভিষেক-সহ তৃণমূল নেতৃত্বকে আটক (TMC Leaders Detained) করে দিল্লি পুলিশ। রাত ১১টা নাগাদ তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

    রাতে ভিডিও পোস্ট করেন সাধ্বী নিরঞ্জন

    এখানেই থেমে থাকেনি তৃণমূল। আসল ঘটনাকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে উল্টে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ করতে থাকেন অভিষেকরা। বাধ্য হয়ে আসল সত্যটা প্রকাশ করতে আসরে নামতে হয় খোদ মন্ত্রীকে। মঙ্গলবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন সাধ্বী নিরঞ্জন (Sadhvi Niranjan)। তাতে দেখা যাচ্ছে, নিজের দফতরে বসে বিভিন্ন নথিপত্র পরীক্ষা করছেন সাধ্বী নিরঞ্জন। তাঁর সামনে বেশ কয়েকটি ফাঁকা চেয়ার রাখা। পিছনে আরও বেশ কিছু আসন রয়েছে। সবগুলিই ফাঁকা। ইঙ্গিত স্পষ্ট, ওই ফাঁকা আসনগুলি তৃণমূল প্রতিনিধি দলের জন্য রাখা ছিল। সাধ্বী নিরঞ্জনের অভিযোগ, বাংলার দাবি জানানো নয়, বরং রাজনীতি করাই ছিল তৃণমূল নেতাদের আসল উদ্দেশ্য। আর আসল উদ্দেশ্যর কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলসা করে তৃণমূলকে (TMC Leaders Detained) কার্যত তুলোধনা করেন সাধ্বী নিরঞ্জন।

    কী বলেছেন কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী?

    ভিডিও পোস্ট করে সাধ্বী নিরঞ্জন (Sadhvi Niranjan) লেখেন, “আজ আড়াই ঘণ্টা সময় নষ্ট হল। তৃণমূল সাংসদদের জন্য অপেক্ষা করে করে আজ আমি সাড়ে আটটায় অফিস থেকে বের হলাম। আমি জানতাম, তৃণমূলের সাংসদ ও বাংলার মন্ত্রীদের প্রতিনিধি দল আমার কার্যালয়ে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য এদিন সন্ধ্যা ৬টায় সময় নিয়েছিল। কিন্তু পরে, তারা তৃণমূল কর্মীদের সামনে আমায় ডেকে দেখা করতে চেয়েছিল। এটা আমার অফিসের ব্যবস্থার বিরোধী। তারা বৈঠকের নির্ধারিত বিষয় থেকে সরে এসেছে। কারণ তাদের উদ্দেশ্য দাবি পূরণ করা ছিল না। তাদের উদ্দেশ্য ছিল রাজনীতি করা। তৃণমূল নেতাদের (TMC Leaders Detained) এই আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক।”

    এই বিষয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “পাঁচ জনকে যেতে বলা হয়েছিল, ৪০ জন যেতে চান। ওটা হাট না ডায়মন্ড হারবার?”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ATM Card Rules: এটিএম কার্ডে নয়া সুবিধা! ভিসা, মাস্টার না রুপে, বেছে নিতে পারবেন গ্রাহকই

    ATM Card Rules: এটিএম কার্ডে নয়া সুবিধা! ভিসা, মাস্টার না রুপে, বেছে নিতে পারবেন গ্রাহকই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনে এটিএম কার্ড (ATM Card Rules) ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নতুন নিয়ম সংযোজন করল। কেন্দ্রীয় সরকার বিগত কয়েক বছর ধরে নগদ লেনদেনের তুলনায় ডিজিটাল আদান-প্রদানের উপর জোর দিয়েছে। আর তাই আরবিআই গ্রাহকদের টাকার আদান-প্রদানে ডিজিটাল মাধ্যমকে আরও সরলীকরণ করে চলেছে। গ্রাহকদের মধ্যেও নয়া নয়া ব্যবস্থা গ্রহণে বিশেষ সাড়া মিলেছে। এটিএম কার্ডে এবার থেকে নতুন নিয়ম চালু করা হল। সেই অনুযায়ী, ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড নিতে গেলে গ্রাহকরা এবার অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন। ১ অক্টোবর ২০২৩ থেকে এই নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আরবিআই। নয়া ব্যবস্থার মূল বিষয় হল, এখন থেকে গ্রাহকরা নিজের পছন্দের নেটওয়ার্ক এটিএম কার্ডে ব্যবহার করতে পারবেন।

    কী বলা হয়েছে নতুন নিয়মে (ATM Card Rules)?

    ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গেছে, আগে গ্রাহকরা কার্ডে কোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবেন, তা ঠিক করত সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক। ব্যাঙ্কের সঙ্গে যে নেটওয়ার্ক সংস্থার চুক্তি থাকত, কেবল সেই নেটওয়ার্কের সুবিধাযুক্ত কার্ডই দেওয়া হত। কিন্তু নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, ব্যাঙ্কগুলিকে এবার থেকে এটিএম কার্ডে (ATM Card Rules) গ্রাহকদের পছন্দ অনুসারে নেটওয়ার্ক সংস্থা ব্যবহার করতে দিতে হবে। সেই সংস্থা একটিই হবে, এমনও কথা নেই। হতে পারে একাধিক। নতুন কার্ড নেওয়ার সময় বা পুরনো কার্ড নবীকরণ করার সময় এই সুবিধা গ্রাহক পাবেন।

    কী এই নেটওয়ার্ক?

    সূত্রে জানা গেছে, ভারতের ব্যাঙ্কগুলি থেকে মোট পাঁচটি নেটওয়ার্কের কার্ড দেওয়া হয়। এই নেটওয়ার্কগুলি হল ডিনার ক্লাব, ভিসা, রুপে, আমেরিকান এবং মাস্টার (ATM Card Rules)। এক এক নেটওয়ার্ক কার্ডে আবার দামের রকমফের হয়। উল্লেখ্য, ইউপিআই-এর সুবিধা রূপে কার্ডের মধ্যে পাওয়া যায়। নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে কার্ডে ক্রয়-বিক্রয়ের অফারগুলির তারতম্য হয়ে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gandhi Jayanti: গান্ধী-শাস্ত্রী জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, ভারতকে শক্তিশালী করার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Gandhi Jayanti: গান্ধী-শাস্ত্রী জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, ভারতকে শক্তিশালী করার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নয়াদিল্লিতে গান্ধীজি এবং লালা বাহাদুর শাস্ত্রীজিকে জন্ম জয়ন্তীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাপুর স্বপ্নপূরণে দেশের একতা এবং সম্প্রীতি রক্ষায় দেশকে শক্তিশালী করতে যুব সমাজকে এগিয়ে আসার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। 

    গান্ধীজি-শাস্ত্রীজির জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা নিবেদন (Gandhi Jayanti)

    মহাত্মা গান্ধী এবং দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালা বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মদিনে (Gandhi Jayanti) এদিন দিল্লির রাজঘাট এবং বিজয়ঘাটে পুষ্পার্ঘ্যের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজঘাটে গান্ধীজির স্মৃতিস্মারকে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, “গান্ধীজি আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছেন। তাঁর মানবতাবাদকে সারা বিশ্ব গ্রহণ করেছে।” শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পাশাপাশি কিছুক্ষণ ধর্মীয় ভজন সঙ্গীতও শ্রবণ করেন মোদি।

    কী বার্তা দিলেন মোদি?

    গান্ধীজির (Gandhi Jayanti) প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মোদি বলেন, “গান্ধীজির জীবন এবং তাঁর শিক্ষা আমাদের চলার পথে বিশেষ আলো সঞ্চার করে। আজকের দিনে গোটা বিশ্ব, তাঁর মানবতাবাদ দ্বারা ঐক্যবদ্ধ। সেই সঙ্গে সমাজে তাঁর সহানুভূতির চেতনা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে। আমরা তাঁর স্বপ্ন পূরণে নিরন্তর যেন কাজ করি। দেশের তরুণ প্রজন্মকেই  এই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব নিয়ে দেশে একতা এবং সম্প্রীতি গড়ে তুলতে হবে।”

    অপর দিকে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, “শাস্ত্রীজির জয় জাওয়ান জয় কিষাণ শ্লোগান আজকের দিনেও ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি ভারতের খুব কঠিন সময়ে দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর সঠিক দৃঢ় সিদ্ধান্তকে পাথেও করে, ভারতকে শক্তিশালী করার আরও কাজ করতে হবে।”

    গান্ধীজির পছন্দের ভজন জার্মান গায়িকার কণ্ঠে

    জার্মান গায়িকা ক্যাসমে, যিনি ক্যসান্দ্রা মে স্প্রিটম্যান নামে পরিচিত, তিনি গান্ধীজির (Gandhi Jayanti) অত্যন্ত প্রিয় ভজন “বৈষ্ণব জানা তো” নিজের কণ্ঠে গেয়েছেন। এই গানের ভিডিও সামজিক মাধ্যমে শেয়ার করে গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন স্বয়ং মোদি। এই গানের তাৎপর্য এতটাই প্রাসঙ্গিক যে গান্ধীজির আদর্শ এবং তাঁর পছন্দের ভজন, সারা বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করছে। মোদি তাই বলেছেন, “গান্ধীজির প্রভাব এখন বিশ্বব্যাপী, সমগ্র মানব জাতিকে ঐক্য আর সহানুভূতির ভাবনা মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন। বাপুর স্বপ্নকে পূরণ করতে দেশের যুব সমাজকে দারুণ ভাবে কাজ করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Age of Consent: যৌন সম্পর্কে সম্মতির বয়স কমানো যাবে না, কেন্দ্রকে পরামর্শ ল’ কমিশনের

    Age of Consent: যৌন সম্পর্কে সম্মতির বয়স কমানো যাবে না, কেন্দ্রকে পরামর্শ ল’ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যৌন সম্পর্কে সম্মতির বয়স কমানো যাবে না। কেন্দ্রকে এমনই পরামর্শ দিয়েছে আইন কমিশন। পকসো আইনের অধীনে (Age of Consent) সম্মতির বয়স ১৮ থেকে কমিয়ে ১৬ বছর করা যায় কিনা, তা জানতে চেয়েছিল কেন্দ্র। আইন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সম্মতির বয়স কমানো হলে সমাজে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বাড়তে পারে বাল্য বিবাহ ও শিশু পাচারের মতো ঘটনা।

    সংসদের বিবেচনা করে দেখা উচিত

    আইন কমিশনের প্যানেলের পরামর্শ, যে ক্ষেত্রে অপরাধীর বয়স ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে হবে, সে ক্ষেত্রে আইনে সংশোধন আনা যেতে পারে। তবে অবশ্যই কিছু পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগের পথনির্দেশিকার প্রয়োজন। গত ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, পকসো আইনের অধীনে (Age of Consent) নানা ঘটনায় সম্মতির বয়স নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন উঠছে, সেক্ষেত্রে সম্মতির বয়স ১৮ থেকে কমিয়ে ১৬ বছর করা যায় কিনা, তা সংসদের বিবেচনা করে দেখা উচিত।

    আইনমন্ত্রকের রিপোর্ট

    এর পরেই কর্নাটক হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ঋতুরাজ অবস্তির নেতৃত্বে গঠিত হয় প্যানেল। প্যানেল রিপোর্ট জমা করে আইনমন্ত্রকে। আইনমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২২তম আইন কমিশন বলেছিল, “বর্তমান শিশু সুরক্ষা আইনগুলি পর্যালোচনা করে শিশুদের ওপর অত্যাচার, শিশু পাচার ও শিশুদের দিয়ে দেহ ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন রায় বিচার করে কমিশন মনে করে পকসো আইনের অধীনে সম্মতির বয়স ১৮ থেকে কমিয়ে ১৬ বছর করা ঠিক হবে না।” রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “কমিশন মনে করছে পকসো আইনের কিছু সংশোধনের প্রয়োজন, যেখানে ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের আইনত সম্মতি না থাকলেও, বাস্তবে সম্পূর্ণ সম্মতি রয়েছে। পকসো আইনের অধীনে মামলাগুলিকে যে গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করা হয়, এই মামলাগুলিকে যেন সেই সমান গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা না হয়। আইন ভারসাম্যপূর্ণ হলে শিশুদের সুরক্ষা ও স্বার্থ সর্বোত্তমভাবে রক্ষা হবে।”

    আরও পড়ুুন: স্বচ্ছতা অভিযানে ঝাঁটা হাতে নামলেন প্রধানমন্ত্রী, পথে নামলেন শাহ-যোগী-নাড্ডাও

    প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্কের (Age of Consent) ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ১৮ নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্তমানে পকসো আইনে যৌন সম্পর্কে সম্মতির জন্য বয়সের সীমা ১৮ বছর। তা কমিয়ে ১৬ বছর করার সুপারিশ করেছিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের গোয়ালিয়র বেঞ্চ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyber fraud: অল্প বিনিয়োগে বিপুল মুনাফার ফাঁদ, সামনে এল ৮৫৪ কোটির প্রতারণা, গ্রেফতার ৬

    Cyber fraud: অল্প বিনিয়োগে বিপুল মুনাফার ফাঁদ, সামনে এল ৮৫৪ কোটির প্রতারণা, গ্রেফতার ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে রিটার্ন পাওয়া যাবে এক থেকে পাঁচ হাজার টাকা! প্রতারণার (Cyber fraud) এই ফাঁদে পড়েই লাখ লাখ টাকা হারালেন বহু মানুষ। ইতিমধ্যে অনলাইন এই প্রতারণায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৬ জনকে। জানা গিয়েছে, মোট প্রতারণার টাকার অঙ্ক ৮৫৪ কোটি। শনিবার প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয় বেঙ্গালুরু থেকে। পুলিশ জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ এবং টেলিগ্রামের মাধ্যমেই চলত প্রতারণা। জানা গিয়েছে সারা দেশেই সক্রিয় ছিল এই চক্র। কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে এই প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে ৮৫৪ কোটি টাকার মধ্যে মাত্র পাঁচ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করতে পেরেছে পুলিশ। বাকি টাকা কোথায় রয়েছে তার খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    কীভাবে টোপ দেওয়া হত?

    বিপুল মুনাফার হাতছানি (Cyber fraud) এবং টাকার বিনিয়োগের পরিমাণ অল্প, তাই সেই বিশ্বাসে সকলেই এক থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে রেখেছিলেন এবং সেই মতো তাঁরা রিটার্নও পান। রিটার্ন পাওয়ার পরেই বহু মানুষের বিশ্বাস জন্মায় সংস্থার উপর। তাঁরা বেশি বেশি করে টাকা সেখানে বিনিয়োগ করতে থাকেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পরবর্তীকালে প্রত্যেকের বিনিয়োগের পরিমাণ এক থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। এভাবেই বাজার থেকে তোলা হয় ৮৫৪ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, যে টাকা সংগ্রহ করা হত, তা একটি মূল অ্যাকাউন্টে জমা হত এবং পরবর্তীকালে তা বিভিন্ন গেমিং অ্যাপে মজুত (Cyber fraud) হতে থাকে।

    কী বলছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা?

    প্রসঙ্গত এ নিয়ে একাধিকবার সাধারণ মানুষকে সচেতনও করছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। অল্প সময়ে বেশি রিটার্ন পাওয়ার লোভে কোথাও টাকা রাখতে নিষেধ করেন তাঁরা। অল্প সময়ে বেশি রিটার্নের (Cyber fraud) কথা আসলে যে প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়, তাও বলেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। এসত্ত্বেও মানুষের অজ্ঞানতার সুযোগ নিয়ে প্রতারকরা সব সময় সক্রিয় থাকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: এবার বন্দে ভারতে মিলবে স্লিপার কোচের সুবিধা, কবে থেকে জানেন?

    Vande Bharat: এবার বন্দে ভারতে মিলবে স্লিপার কোচের সুবিধা, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধুনিকতা, গতি, বিশ্বমানের সুবিধা এসব কিছুর কারণে বন্দে ভারত নিয়ে চর্চা সারা বছর ধরেই চলে। বেশ কয়েকদিন ধরেই আলোচনা চলছে বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসে স্লিপার কোচ আসছে! যা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে কৌতূহলের সীমা নেই। এবার এ সংক্রান্ত খবরে সিলমোহর দিল ভারতীয় রেল (Vande Bharat)। অর্থাৎ বন্দে ভারতে আর শুধু চেয়ার কারই থাকছে না, জুড়ছে স্লিপার কোচও। যাত্রী মহলের একাংশের মতে, নতুন এই ফিচার বন্দে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হলে জার্নি আরও বেশ আরামদায়ক হবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, স্লিপার কোচ বন্দে ভারতে জুড়লে দূরপাল্লার ট্রেন হিসেবেও বন্দে ভারতকে ব্যবহার করা যাবে।

    আরও পড়ুন: কম বয়সেও হার্ট অ্যাটাক! বিশ্ব হার্ট দিবসে জানুন হৃদযন্ত্র ভাল রাখার সহজ কিছু উপায়

    বন্দে ভারতে স্লিপার কোচ

    জানা গিয়েছে সম্প্রতি ভারতীয় রেল (Vande Bharat) এ নিয়ে চুক্তিও সেরে ফেলেছে রাশিয়ার সংস্থা কিনেট রেলওয়ে সলিউশনের সঙ্গে। সূত্রের খবর রাশিয়ার ওই সংস্থা ১২০টি বন্দে ভারত তৈরি করবে। শুধু তাই নয়, চুক্তি অনুযায়ী ৩৫ বছর ধরে সেগুলিকে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে এই রাশিয়ান সংস্থা। এক্ষেত্রে ভারতের রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড ও রাশিয়ার লোকোমোটিভ ইলেকট্রনিক সিস্টেম যৌথভাবে কাজ করবে বলে জানা যাচ্ছে। 

    প্রকল্প নিয়ে আশাবাদী রাশিয়ান সংস্থা

    অন্যদিকে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার বেশ কিছু কোম্পানি প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি নির্মাতাদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আমেরিকা। ঠিক এই আবহে ভারতে রাশিয়ার কাছ থেকে স্লিপার কোচের নির্মাণ করা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যে সংস্থা এই স্লিপার কোচ গুলি নির্মাণ করবে সেই কিনেট রেলওয়ে সলিউশন অবশ্যই সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে। এই প্রকল্প যে সফল হবে সে নিয়েও আশাবাদী কিনেট রেলওয়ে সলিউশন। তবে কবে নামবে স্লিপার কোচের (Vande Bharat) এই ট্রেন? জানা যাচ্ছে দু বছরের মধ্যে প্রথম স্লিপার ট্রেন ছুটবে ট্রাকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moga: রোগীর পেটের ভিতর থেকে উদ্ধার বাদাম-তার-ইয়ারফোন-সেফটি পিন-রাখি! কপালে চোখ চিকিৎসকদের!

    Moga: রোগীর পেটের ভিতর থেকে উদ্ধার বাদাম-তার-ইয়ারফোন-সেফটি পিন-রাখি! কপালে চোখ চিকিৎসকদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাবের মোগায় (Moga) এক রোগীর পেটের ভেতর থেকে বাদাম, তার, ইয়ারফোন, সেফটি পিন উদ্ধার করেছেন ডাক্তাররা। মানুষের পেটের ভিতরে এই সব হাজারো ধাতব শক্ত জিনিস! ডাক্তাররাও অপারেশন করে রীতিমতো আশ্চর্য! এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে চিকিৎসক মহলে। এই সব জিনিস পেটে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন রোগী। অবশেষে অপারেশনে আরোগ্য পেলেন। 

    রোগীর সঙ্গে ঘটনা কী ঘটেছিল (Moga)?

    ঘটনাটা গল্পের মতন শুনতে মনে হলেও, এটাই সত্য যে একজন ৪০ বছরের এক রোগীর পেট থেকে রহস্য জনক ধাতব জিনিস উদ্ধার হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে পাঞ্জাবের মোগার (Moga) মেডিসিটি হাসপাতালে। এই উদ্ধার হওয়ার বিষয় নিয়ে রীতিমত চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। উদ্ধার হওয়া জিনিসের মধ্যে ছিল, বাদাম, তার, ইয়ারফোন, সেফটি পিন, লকেট, স্ক্রু, এবং রাখি। সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিন আগে শরীরে তীব্র জ্বর এবং পেটে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এই রোগী। প্রথমে ডাক্তাররা তাঁকে নিরীক্ষণে রাখেন। এরপর পেটের যে জায়গায় ব্যাথা রয়েছে, সেই জায়গাকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। এরপর রোগীর যন্ত্রণা ও সমস্যার কথা ভেবে ডাক্তার বাবুরা পেটের এক্স-রে করান। এই পরীক্ষার পর রিপোর্ট দেখে ডাক্তারদের চক্ষু, একেবারে চড়কগাছে পরিণত হয়। মানুষের পেটে এই সামগ্রী কীভাবে? পরিস্থিতি বেগতিক এবং ভয়াবহ বুঝে, ডাক্তাররা প্রায় তিন ঘণ্টার ধরে পেটের অপারেশনে এই জনিস গুলি উদ্ধার করেন। বোঝাই যাচ্ছিল বিষয়গুলি কতটা প্রাণঘাতী হতে পারত।

    ডাক্তারের বক্তব্য

    রোগীর পেটের পাকস্থলী থেকে এই ভাবে অপারেশনের ঘটনায় সকলেই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। পাঞ্জাবের মুগার (Moga) মেডিসিটি হাসপাতালের ডাক্তার আজমে কালরা বলেন, “আমি আমার জীবদ্দশায় এই ধরণের ঘটনার প্রথম সম্মুখীন হলাম। রোগী প্রায় দুই বছর ধরে এই পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। খুব ভালো হল যে এই মারণঘাতী জিনিস গুলি থেকে তাঁকে বাঁচানো সম্ভবপর হয়েছে। এই জিনিস গুলি তাঁর পেটে অনেক দিন ধরে জমে থাকায় শারীরিক ভাবে অসুস্থতা বৃদ্ধি পাচ্ছিল।”

    পরিবারের বক্তব্য

    রোগীর (Moga) পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আমরাও পেটের ভিতর থেকে উদ্ধার হওয়া নিয়ে জিনিস নিয়ে বিস্মিত। অনেকদিন ধরে যন্ত্রণার কথা বলে বেশ কিছু ডাক্তারের কাছে আগে দেখানো হয়েছিল। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। তবে এখন যন্ত্রণা থেকে রোগী অনেকেটাই আরোগ্য লাভ করেছেন বলে জানা গেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মণিপুরে মুখ্যমন্ত্রীর পৈতৃক বাড়িতে হামলার চেষ্টা! নিয়ন্ত্রণে শূন্যে গুলি পুলিশের

    Manipur Violence: মণিপুরে মুখ্যমন্ত্রীর পৈতৃক বাড়িতে হামলার চেষ্টা! নিয়ন্ত্রণে শূন্যে গুলি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর পৈতৃক বাড়িতে হামলার (Manipur Violence) চেষ্টার ঘটনায় ফের একবার উত্তেজনা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহের পৈতৃক বাড়িতে উত্তেজিত জনতা হামলা চালায় বলে জানা গেছে। ঘটনায় উত্তেজনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে, তাকে সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে শূন্যে গুলি চালায়। সেই সঙ্গে ব্যাপক পরিমাণে নিরাপত্তা বাহিনীও পৌঁছে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনে। উল্লেখ্য, ঘটনার সময়, ওই পৈতৃক বাড়িতে কেউ ছিলেন না বলে জানা গেছে। পুলিশ অবশ্য সামজিক মাধ্যম এক্স ট্যুইটার মাধ্যমে জানিয়েছে, “মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাক্তিগত বাড়িতে কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে জনতার হামলার ঘটনা মিথ্যা এবং অপপ্রচারমূলক।”

    মণিপুর পুলিশের বক্তব্য (Manipur Violence)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, “ইম্ফলের হেইনগাং এলাকায় মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহের পৈতৃক বাড়িতে হামলার (Manipur Violence) ঘটনা ঘটে। বাড়ির চারপাশ থেকে দুটি গ্রুপ মিলে বাড়ি লক্ষ্য করে ক্রমেই এগিয়ে আসছিল। তবে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ মিটার দূরত্বেই উত্তেজিত গ্রুপকে আটকে দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। তবে এই বাড়িতে কেউ থাকতেন না। বাড়িটিকে সব সময় নজরদারিতে রাখা হতো।”

    পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, উত্তেজিত জনতাকে এই স্থান থেকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। এছাড়াও পরিস্থিতি সামাল দিতে র‍্যাফ এবং প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বাড়ির সামনে পুলিশ ব্যারিকেড বসিয়ে দেয়। অপর দিকে উত্তেজিত জনতা ক্ষোভে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ জানিয়েছে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে।

    ঘটনার সুত্রপাত

    গত ৩ মে থেকেই জাতিদ্বন্দ্ব এবং গোষ্ঠী সংঘর্ষে মণিপুর উত্তপ্ত (Manipur Violence)। সম্প্রতি দুই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। দুটি ছবি সামজিক মাধ্যমে নজরে আসে। সেখানে ছাত্রের মৃতদেহের পাশে অভিযুক্তদের ছবি দেখা যায়। বুধবার ইম্ফলে এই ছাত্র খুনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে পড়ুয়ারা। বিক্ষোভ সামাল দিতে গিয়ে পুলিশের ঘায়ে বেশ কিছু ছাত্র আহত হন। এরপর থেকেই পরিস্থিতি আরও উত্তাল হয়ে যায়। আপাতত ফের ইন্টারনেট বন্ধ হয়েছে মণিপুরে।

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহ, ছাত্র মৃত্যুর (Manipur Violence) ঘটনায় বলেন, “দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। সবরকম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ছাত্র খুনের মামালাকে সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala News: আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ, কেরলে সরকারি মদতে চলা সংস্থার লাইসেন্স বাতিল আরবিআই-এর

    Kerala News: আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ, কেরলে সরকারি মদতে চলা সংস্থার লাইসেন্স বাতিল আরবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরালা ট্রান্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফাইনান্স কর্পোরেশন বা কেটিডিএফসি-এর লাইসেন্স বাতিল করল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। সিপিএম শাসিত কেরালায় (Kerala News) এই সংস্থাটির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে রাজ্য সরকার করত বলে জানা গিয়েছে। লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে ইতিমধ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর কেটিডিএফসির আধিকারিকদের জানিয়ে দিয়েছেন। প্রসঙ্গত কেটিডিএফসির অর্থনৈতিক লেনদেন প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা।

    রামকৃষ্ণ মিশনের ডিপোজিট ১৩০ কোটি

    পশ্চিমবঙ্গের রামকৃষ্ণ মিশন ১৩০ কোটি টাকার ফিক্সড ইনভেসমেন্ট করে কেটিডিএফসি-তে কিন্তু পরবর্তীকালে সেই টাকার রিটার্ন দিতে ব্যর্থ হয় কেরালার (Kerala News) এই অ-ব্যাঙ্কিং সংস্থা। এরপরই রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষ রিজার্ভ ব্যাঙ্কে অভিযোগ জানায়। পরবর্তীকালে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তদন্তে উঠে আসে কেটিডিএফসির দেউলিয়া হওয়ার তথ্য। চলতি মাসের ১৭ তারিখেই দেশব্যাপী অ-ব্যাঙ্কিং অর্থনৈতিক সংস্থাগুলির উপরে রিভিউ করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। সেখানেই আরবিআই সন্ধান পায় কেটিডিএফসির বেআইনি কাজের।

    আরও পড়ুুন: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    কেরালা সরকার দায় এড়াতে কেন পারেনা?

    কেটিডিএফসির এই কাজের ফলে কেরালার সিপিএম সরকারের অধীনে থাকা সমস্ত কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এই ব্যাঙ্কগুলি সরকারকে গ্যারান্টার রেখে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা নিত এবং তা কেটিডিএফসি-তে জমা করত। যদি সময়সীমা পেরোনোর পরেও আমানত ফেরত দিতে না পারে এই অ-ব্যাঙ্কিং সংস্থা তাহলে তার দায় বর্তায় কেরলের সিপিএম সরকারের ওপরে। আপাতত লাইসেন্স বাতিলের ফলে কেটিডিএফসির কোনও রকমের অর্থনৈতিক লেনদেন করতে পারবে না। অন্যদিকে কেরালা (Kerala News) স্টেট রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (কেএসআরটিসি) কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে এই দেউলিয়া হয়ে যাওয়া সংস্থা থেকে। কীভাবে দেউলিয়া হল এই সংস্থা? সরকারে ভূমিকা ঠিক কী ছিল? কোন কোন মন্ত্রী এই সংস্থার সঙ্গে জড়িত তা খুব শীঘ্রই তদন্তে উঠে আসবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Home Loans: ঋণ নিয়ে বাড়ি করবেন আপনি, সুদে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র! আসছে মোদির বিরাট প্রকল্প

    Home Loans: ঋণ নিয়ে বাড়ি করবেন আপনি, সুদে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র! আসছে মোদির বিরাট প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি স্বপ্নের বাড়ি তৈরি করতে চান? ভাবছেন সহজ ঋণের (Home Loans) কথা? মোদি সরকার (Modi Government) নিয়ে আসছে ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রকল্প। গত ১৫ অগাস্ট দিল্লির লালাকেল্লা থেকে শহরাঞ্চলে সাধারণ মানুষের বাড়ি তৈরি করার জন্য বিশেষ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত সোমবার, সরকারের আবাসন মন্ত্রক এবার বাড়ি তৈরিতে ঋণে ভর্তুকি দেবে বলে জানিয়েছে। শহর অঞ্চলের বাড়ি নির্মাণ করতে চান যাঁরা, তাঁদের জন্য অত্যন্ত সুখবর বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহলের একাংশ। লোকসভার ভোটের আগে এই প্রকল্প মোদি সরকারের বড় চমক হতে পারে বলেও অভিমত তাঁদের।

    প্রকল্পে ঠিক কী বলা হয়েছে (Home Loans)?

    সরকারি সূত্রের জানা গিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের জন্য চড়া সুদের ঋণের (Home Loans) বোঝা কমাতে ভর্তুকি বাবদ আগামী ৫ বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা খরচ করবে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government)। এই প্রকল্পের ঋণের সুদে ৩ থেকে সাড়ে ৬ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। ২০ বছরের জন্য গ্রাহকরা যদি ৫০ লাখ টাকার কম ঋণ নিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁরাই এই ভর্তুকি পাবেন। শহর অঞ্চলের ২৫ লাখের বেশি মানুষ এই প্রকল্পের সবিধা পেতে পারেন বলা হয়েছে প্রকল্পে।

    কারা সুবিধা পাবেন?

    শহর অঞ্চলে যাঁরা ভাড়া বাড়িতে থাকেন এমন ব্যক্তিরা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কলোনি বাড়ি, বেআইনি ভাড়া বাড়ি, ঝুপড়িতে যাঁরা বসবাস করছেন, তাঁদের কাছে নিজের বাড়ি তৈরির বড় সুযোগ রয়েছে এই প্রকল্পে। কেন্দ্রীয় আবাসন মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী অবশ্য বলেন, “এই প্রকল্পের বিষয়ে (Home Loans) বিস্তৃত ভাবে আলোচনা করা হচ্ছে। এর সবগুলি দিক খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রীপরিষদের অনুমোদন মিললেই সেপ্টেম্বর মাসেই এই প্রকল্প চালু হতে পারে।”

    ভোটের আগে জনমুখী প্রকল্প

    আগামী বছর লোকসভা ভোট। মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা এবং প্রয়োজনের কথাকে মাথায় রেখে, সরকারি সুবিধাগুলিকে কীভাবে মানুষ পাবেন, সেই জন্য় জনমুখী প্রকল্পের (Home Loans) সূচনা করেছে কেন্দ্র। মোদি সরকার রান্নার গ্যাসের দাম ২০০ কমিয়ে, সাধারণ মানুষকে অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছে বলে মনে করছে তথ্যাভিজ্ঞ মহল। নরেন্দ্র মোদি বিশ্বকর্মা প্রকল্পে প্রথগত শিল্পী-কারিগরদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেন এর মাধ্যমে সুবিধা পৌঁছে দিয়েছেন সাধারণ মানুষের কাছে। এবার শহর অঞ্চলে বাড়ি তৈরিতে ঋণে বিশেষ ভর্তুকি দিয়ে, মানুষের প্রয়োজনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে তৎপর মোদি সরকার (Modi Government)।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share