Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Train Accident: দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ রেলমন্ত্রীর!

    Train Accident: দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ রেলমন্ত্রীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালাসোরের রেল দুর্ঘটনার (Train Accident) তদন্তের ভার সিবিআই-কে দেওয়ার সুপারিশ করল রেল। এদিন সন্ধ্যায় ভুবনেশ্বরের রেল সদনে এই দুর্ঘটনার বিষয়ে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন রেলমন্ত্রী। সেখানেই এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেন তিনি। এর আগে ২০১০ সালে, জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেসের নাশকতার ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার, বালেশ্বরের ঘটনারও সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা হল। রেলমন্ত্রী এদিন বলেন, “এই ঘটনার গুরুত্ব মাথায় রেখে এবং প্রশাসনের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তার ভিত্তিতে রেলওয়ে বোর্ড এই মামলার তদন্ত সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করার সুপারিশ করেছে।”

    রবিবার দুপুরেই দুর্ঘটনার কারণ জানান রেলমন্ত্রী

    রবিবার সকালে, এই দুর্ঘটনার পিছনে চালকের কোনও ত্রুটি থাকা বা রেলের সুরক্ষা ব্যবস্থায় সিস্টেমের ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা কার্যত খারিজ করে দেন রেলমন্ত্রী। ওড়িশার এই ভয়ানক ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) পিছনে ‘নাশকতা’ রয়েছে বা ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং সিস্টেমে কেউ কারসাজি করেছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, রেলের প্রাথমিক তদন্তে দুর্ঘটনার ‘মূল কারণ’ এবং এর জন্য দায়ী ‘অপরাধীদের’ চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর মতে, “ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং এবং পয়েন্ট মেশিনে করা পরিবর্তনের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।”

    করমণ্ডলের চালককে ক্লিনচিট রেলের

    রেল সূত্রে খবর, ইলেক্ট্রনিক ইন্টারলকিং সিস্টেমটিতে কোনও ত্রুটি ছিলনা। করমন্ডল এক্সপ্রেসের চালককেও তারা ক্লিনচিট দিয়েছে। রেল জানিয়েছে, সবুজ সঙ্কেত দেখেই তিনি এগিয়েছিলেন এবং ট্রেনটি অতিরিক্ত গতিতেও ছিল না। এই ক্ষেত্রে বাইরের কারও হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি রেলওয়ে বোর্ড। তারা জানিয়েছে, করমণ্ডল এক্সপ্রেসকে বাহানাগা বাজার স্টেশনে মেইন লাইন দিয়ে যাওয়া জন্য সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, ট্রেনটি মেইন লাইন ছেড়ে লুপ লাইনে ঢুকেছিল। সেখানে একটি লৌহ আকর বোঝাই পণ্যবাহী ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: বেঁচে আছে মানবতা! ট্রেন দুর্ঘটনায় রক্তদানের লম্বা লাইন স্থানীয়দের

    Train Accident: বেঁচে আছে মানবতা! ট্রেন দুর্ঘটনায় রক্তদানের লম্বা লাইন স্থানীয়দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে বালাসোর। শুক্রবার রাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার (Train Accident) মুখে পড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। যশবন্তপুর-হাওড়া হামসফর এক্সপ্রেস, হাওড়া-চেন্নাই সেন্ট্রাল করমণ্ডল এক্সপ্রেস ও মালগাড়ির সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনায় এখনও অবধি কমপক্ষে ২৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ১০০০ ছাড়িয়েছে। আহতরা ওড়িশার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি। একদিকে যেখানে হাসপাতালের বেড, মেঝেতে শুয়ে রোগীদের কাতরানির দৃশ্য দেখা গিয়েছে, সেখানেই দেখা মিলল মানবতা ও মুল্যবোধের। হাসপাতালের বাইরে লম্বা লাইন। আহতদের চিকিৎসার জন্য রক্তদানের জন্য ভিড় সাধারণ মানুষের। সেবাকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘও, শনিবার অবধি ৬০০ ইউনিট রক্তদান করেছে তারা।

    রক্তদান জীবনদান.. 

    অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই সঙ্কটজনক। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসার জন্য প্রচুর রক্তের প্রয়োজন পড়বে, এটাই স্বাভাবিক। সেই কাজেই এগিয়ে এসেছেন ওড়িশার স্থানীয় বাসিন্দারা। আশেপাশের যে সমস্ত হাসপাতালে আহতদের নিয়ে আসা হচ্ছে, সেখানেই তাঁরা লাইন দিচ্ছেন রক্তদানের জন্য।

    কী বললেন স্থানীয় যুবক….

    বিপদের মুহূর্তেই মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াবে,এটাই মানবতা। যাঁরা রক্তদান করতে এসেছেন, তাঁদের মুখ থেকেই শোনা গেল একথা। জনৈক সুধাংশু নামের এক স্থানীয় যুবক, যিনি এসসিবি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রক্তদান করতে এসেছিলেন, তিনি বলেন, “আহতদের এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। আমার মনে হল যে রক্তদান করা উচিত। আশা করছি আমার রক্তদান করায় অন্তত কয়েকজনের প্রাণ রক্ষা হবে। আমি বাকিদের কাছেও আবেদন করছি, সকলে এসে যেন রক্তদান করেন।”

     

    আরও পড়ুন: বালাসোর যেন মৃত্যুপুরী! রেললাইনে শোয়ানো সারি সারি দেহ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: মমতার তত্ত্বকে খারিজ করলেন রেলমন্ত্রী! জানালেন দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ

    Train Accident: মমতার তত্ত্বকে খারিজ করলেন রেলমন্ত্রী! জানালেন দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident) নিয়ে মমতার তত্ত্বকে খারিজ করলেন রেলমন্ত্রী। তাঁর মতে, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সীমিত জ্ঞান থেকে এধরনের কথাবার্তা বলছেন।’’ রবিবার দুপুরে দুর্ঘটনার কারণও জানালেন রেলমন্ত্রী । আগামী বুধবারের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদী অশ্বিনী বৈষ্ণব। প্রসঙ্গত শনিবার সকালে দুর্ঘটনার কারণ হিসেব ‘কবচ তত্ত্ব’-এর কথা বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। রেলের অ্যান্টি কলিশন ডিভাইস ‘কবচ’ না থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, রেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ রুখতে এবং রেলযাত্রীদের সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে চালু করা হয় অ্যান্টি কলিশন সিস্টেম বা কবচ। এই সিস্টেমের মাধ্যমে এক লাইনে কিংবা পাশাপাশি ট্র্যাকে দু’টি ট্রেন চলে এলে অ্যালার্ট করবে আধুনিক ব্যবস্থা। রবিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীর সেই দাবিকেই খারিজ করলেন রেলমন্ত্রী। পাশাপাশি দুর্ঘটনার (Train Accident) জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও জানান রেলমন্ত্রী।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী? 

    দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সমস্ত কামরাই ছিল আধুনিক এবং নিরাপদ এইচএলবি কোচ, এমন কথা রেলমন্ত্রী আগেই বলেছিলেন। এদিন তিনি বলেন, ‘‘ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং সিস্টেমের পরিবর্তনের কারণেই বালাসোরে ঘটে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা।’’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘‘কবচের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই…’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি বিষয়টি তদন্ত করেছেন। ইলেকট্রনিক ইন্টারলকিং পরিবর্তনের কারণে দুর্ঘটনাটি (Train Accident) ঘটেছে। তদন্ত রিপোর্ট আসুক তারপর এবিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পেশ করা হবে।’’ রেলমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘বুধবার সকালের মধ্যে এই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। সমস্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আমাদের লক্ষ্য এই ট্র্যাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ট্রেন চালু করা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত কাজ চলছে।’’ 

    দোষীদের চিহ্নিত করা হয়েছে

    দুর্ঘটনার দিন থেকেই সমান তালে সবকিছু খতিয়ে দেখছেন রেলমন্ত্রী। রবিবার দুপুরেও অশ্বিনী বৈষ্ণব রেলওয়ে ট্র্যাক মেরামতের কাজ পরিদর্শন করেন। বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনার পর, ট্র্যাক পরিষ্কার এবং পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। এদিন তিনি বলেন, ‘‘দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: বালাসোরে উদ্ধারকাজে অনন্য নজির সঙ্ঘের! দুর্ঘটনার রাতেই ৩০০ ইউনিট রক্তদান 

    RSS: বালাসোরে উদ্ধারকাজে অনন্য নজির সঙ্ঘের! দুর্ঘটনার রাতেই ৩০০ ইউনিট রক্তদান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপর্যয় যেমনই হোক, সেবাকাজে সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকরা (RSS)। বালাসোরে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনাতেও দেখা গেল একই চিত্র। শুক্রবার রাতে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার পরে স্থানীয়দের সঙ্গেই উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকরা। জখমদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কাজ অতি দ্রুত শুরু করেন তাঁরা। এনডিআরএফ, সেনা, স্থানীয়দের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ চলতে থাকে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বগিগুলি থেকে আহতদের উদ্ধার, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি, পোশাক বিতরণ, খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার কাজ করতে থাকেন সঙ্ঘের কার্যকর্তারা। জানা গেছে, দুর্ঘটনার দিন রাতেই ৩০০ ইউনিটের বেশি রক্তদান করেন সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকরা।

    শনিবার অবধি ৬০০ ইউনিট রক্তদান সঙ্ঘের

    শেষ খবর পাওয়া অবধি শনিবার পর্যন্ত মোট ৬০০ ইউনিট রক্তদান করেছেন সঙ্ঘের কার্যকর্তারা। বালাসোরের এক সঙ্ঘ আধিকারিকের কথায়, ‘‘দুর্ঘটনার রাতে, অ্যাম্বুলেন্স পর্যাপ্ত ছিলনা, আমাদের কার্যকর্তারা অটো, মোটরবাইকে বসিয়ে জখমদের হাসপাতাল নিয়ে যেতে থাকেন। এরমধ্যেই চিকিৎসার কাজে প্রয়োজন হয় রক্তের। সে অভাব পূরণ করতে স্থানীয়দের সঙ্গেই লাইনে দাঁড়িয়ে রক্তদান করতে থাকেন আমাদের স্বয়ংসেবকরা।’’ সাংগঠনিক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে দুর্গতদের বাড়ির সঙ্গেও যোগাযোগ করানোর কাজ করতে থাকে সঙ্ঘ। দুর্গতদের সাহায্যের জন্য বাহানাগা হাসপাতাল, বালাসোর হাসপাতালের সামনে এখনও চলছে সঙ্ঘের ক্যাম্প। হাসাপাতালে ভর্তি থাকা আহতদের সঙ্গে প্রতিমুহুর্তে যোগাযোগ রাখছেন স্বয়ংসেবকরা। সেবাকাজে রয়েছে সঙ্ঘের আনুষঙ্গিক সংগঠন এবিভিপি, বজরঙ্গ দল, সেবা ভারতীও।

    মৃত্যুপুরী বালাসোর

    প্রসঙ্গত, রেল দুর্ঘটনার (Train Accident) পর থেকেই যেন গোটা বালাসোর পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরীতে। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়। ১৩০ কিমি বেগে থাকা এই ট্রেনের বগি চলে আসে বেঙ্গালুরু-হাওড়া এক্সপ্রেস এবং একটি মালগাড়ির ট্রাকে। শেষ খবর পাওয়া অবধি, নিহতের সংখ্যা ২৮৮। উদ্বারকারীদের আশঙ্কা এখনও বহু দেহ আটকে রয়েছে কামরার মধ্যে। ড্রোন, স্নিফার ডগ, হেলিকপ্টার সবকিছু নিয়েই চলছে উদ্ধারকাজ।

     

    আরও পড়ুন: বালাসোর যেন মৃত্যুপুরী! রেললাইনে শোয়ানো সারি সারি দেহ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • LIC: রেল দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা সহজেই পাবেন বিমার টাকা! জানাল এলআইসি

    LIC: রেল দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা সহজেই পাবেন বিমার টাকা! জানাল এলআইসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ওড়িশার বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে সহজেই বিমার টাকা হাতে পান, তার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানাল এলআইসি (LIC)। নিহতদের পরিবারবর্গের প্রতি এদিন দুঃখ প্রকাশ করেছেন এলআইসি-র চেয়ারপার্সন সিদ্ধার্থ মোহান্তি। পাশাপাশি, এলআইসির (LIC) বিভিন্ন পলিসি এবং প্রধানমন্ত্রী জীবন জ্যোতি বীমা যোজনার টাকা সহজেই দেওয়ার জন্য বেশ কিছু ছাড়ের কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘‘দোষীদের শাস্তি হবে, ঘটনার তদন্তও হবে’’, বালাসোরে বললেন মোদি

    কী বললেন এলআইসির (LIC) চেয়ারপার্সন?

    সিদ্ধার্থ মোহান্তি বলেন, “রেজিস্টার্ড ডেথ সার্টিফিকেটের পরিবর্তে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, পুলিশ বা যে কোনও রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত হতাহতের তালিকাকেই মৃত্যুর প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে। দাবি-সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দিতে এবং দাবিদারদের সহায়তা প্রদানের জন্য বিভাগীয় এবং শাখা পর্যায়ে বিশেষ সহায়তা ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে।”তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রত্যেক দাবিদারের কাছেই পৌঁছানোর চেষ্টা করবে এলআইসি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলির দাবির দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চেষ্টা করা হবে। এলআইসির তরফে জানানো হয়েছে, যে কোনও রকম সহায়তার জন্য, বিমায় লগ্নিকারীরা তাদের নিকটতম এলআইসির শাখা বা বিভাগে যোগাযোগ করতে পারবেন। ০২২৬৮২৭৬৮২৭ নম্বরে ফোন করেও সহায়তা পেতে পরেন বিমার টাকার দাবীদাররা।

    আরও পড়ুন: বালাসোর যেন মৃত্যুপুরী! রেললাইনে শোয়ানো সারি সারি দেহ

    মৃত্যুপুরী বালাসোর

    প্রসঙ্গত, রেল দুর্ঘটনার (Train Accident) পর থেকেই যেন গোটা বালাসোর পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরীতে। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়। ১৩০ কিমি বেগে থাকা এই ট্রেনের বগি চলে আসে বেঙ্গালুরু-হাওড়া এক্সপ্রেস এবং একটি মালগাড়ির ট্রাকে। শেষ খবর পাওয়া অবধি, নিহতের সংখ্যা ২৮৮। উদ্বারকারীদের আশঙ্কা এখনও বহু দেহ আটকে রয়েছে কামরার মধ্যে। ড্রোন, স্নিফার ডগ, হেলিকপ্টার সবকিছু নিয়েই চলছে উদ্ধারকাজ।

    আরও পড়ুন: হৃদয়বিদারক! বাহানাগা হাইস্কুল যেন পরিণত হয়েছে আস্ত মর্গে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: হৃদয় বিদারক! বাহানাগা হাইস্কুল যেন পরিণত হয়েছে আস্ত মর্গে

    Train Accident: হৃদয় বিদারক! বাহানাগা হাইস্কুল যেন পরিণত হয়েছে আস্ত মর্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাহানাগা হাইস্কুল যেন পরিণত হয়েছে মর্গে। সারি দিয়ে রাখা দেহ। ওড়িশা প্রশাসনের এক আধিকারিক অরবিন্দ আগরওয়ালের কথায়, ‘‘১৬৬টি দেহ রয়েছে এই স্কুলে। যার মধ্যে ৩০টি দেহ শনাক্ত করেছেন নিহতের পরিবারের লোকজন।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘দোষীদের শাস্তি হবে, ঘটনার তদন্তও হবে’’, বালাসোরে বললেন মোদি

    হৃদয়বিদারক ছবি বাহানাগা হাইস্কুলে

    কিন্তু দেহ রাখতে স্কুলকে কেন বাছা হল? স্থানীয় প্রশাসনিক এক আধিকারিক বলেন, ‘‘দুর্ঘটনাস্থল থেকে স্কুলটি অত্যন্ত কাছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের হল এবং ঘরগুলোও বেশ বড়।’’ নিহতদের পরিবারের লোকজন আসছেন, সাদাকাপড় সরিয়ে শনাক্ত করছেন দেহগুলি। এমনই হৃদয়বিদারক ছবি ধরা পড়ল ওই স্কুলে। নির্দিষ্ট প্রমাণ দেওয়ার পরে ওড়িশা সরকার পরিবারের লোকের হাতে দেহ তুলে দিচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের প্রায় ১০০ এর বেশি লোক তত্ত্বাবধান করছেন এই কাজে।

    মৃত্যুপুরী বালাসোর

    প্রসঙ্গত, রেল দুর্ঘটনার (Train Accident) পর থেকেই যেন গোটা বালাসোর পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরীতে। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়। ১৩০ কিমি বেগে থাকা এই ট্রেনের বগি চলে আসে বেঙ্গালুরু-হাওড়া এক্সপ্রেস এবং একটি মালগাড়ির ট্রাকে। শেষ খবর পাওয়া অবধি, নিহতের সংখ্যা ২৮৮। উদ্বারকারীদের আশঙ্কা এখনও বহু দেহ আটকে রয়েছে কামরার মধ্যে। ড্রোন, স্নিফার ডগ, হেলিকপ্টার সবকিছু নিয়েই চলছে উদ্ধারকাজ। ট্রেনের এক যাত্রী তো নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে শিউরে উঠছেন। তিনি বলেন, ‘‘তখন ঘুমাচ্ছিলাম ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেগে উঠে দেখি প্রায় ১০-১৫ জন আমার উপরে পড়ে আছে। আমি হাত ও ঘাড়ে আঘাত পেয়েছি। ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরেছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যখন আমি ট্রেন থেকে নামলাম দেখি চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিচ্ছিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। একটি পা এখানে, একটি হাত সেখানে। কারও মুখ বিকৃত।’’  

    আরও পড়ুন: বালাসোর যেন মৃত্যুপুরী! রেললাইনে শোয়ানো সারি সারি দেহ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident:  ‘‘দোষীদের শাস্তি হবে, ঘটনার তদন্তও হবে’’, বালাসোরে বললেন মোদি

    Train Accident: ‘‘দোষীদের শাস্তি হবে, ঘটনার তদন্তও হবে’’, বালাসোরে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শনিবার বিকাল চারটের কিছু আগেই বালাসোরের দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে উদ্ধারকাজ সম্পর্কিত খোঁজখবর নেন। একইসঙ্গে উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘আমি আহতদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার দুঃখ প্রকাশ করার ভাষা নেই। দোষীদের শাস্তি হবে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এই ঘটনা থেকেও আমরা অনেক কিছু শিখব এবং নাগরিক সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে আমাদের ব্যবস্থাগুলিকেও এগিয়ে নিয়ে যাব।’’ সূত্রের খবর, এদিন ঘটনাস্থল থেকেই স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ফোন করেন মোদি। আহতদের চিকিৎসার যাতে কোনও সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৮৮ এবং আহত ১০৯১।

    আরও পড়ুন: বালাসোর যেন মৃত্যুপুরী! রেললাইনে শোয়ানো সারি সারি দেহ

    প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকেও ক্ষতিপূরণ

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় রেলের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও তাঁর ত্রাণ তহবিল থেকে দুর্গতদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। নিহতদের পরিবার পিছু ২ লাখ টাকা, আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা শনিবার সকালেই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • Coromandel Express: রেল দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Coromandel Express: রেল দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Coromandel Express) দুর্ঘটনায়  শেষ খবর পাওয়া অবধি মৃত কমপক্ষে ৩০। দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা প্রায় ৫০০ ছাড়িয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের অনুমান। ইতিমধ্যে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পিছু ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।

    ট্যুইটে কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট লেখেন, ‘‘ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ। মৃত ও আহতদের পরিবারের জন্য আমার সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সবরকম সম্ভাব্য সহযোগিতা করা হচ্ছে।’’

    রাষ্ট্রপতির শোকপ্রকাশ

    রাষ্ট্রপতি এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে লেখেন, ‘‘ওড়িশার বালাসোরে এই রেলদুর্ঘটনায় খবরে আমি গভীর ভাবে মর্মাহত। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি।’’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শোকপ্রকাশ

    অমিত শাহ তাঁর ট্য়ুইটার হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘রেল দুর্ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত। এনডিআরএফ এর দল ওখানে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।’’

    নিহত এবং আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা কেন্দ্রের
     

    দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। যাঁরা গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁরা পাবেন ২ লাখ টাকা এবং বাকি আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।

     

    আরও পড়ুন: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ২৩৩, আহত ৯০০-র বেশি

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    হাওড়া স্টেশনের জন্য:০৩৩-২৬৩৮২২১৭
    খড়গপুর স্টেশনের জন্য: ৮৯৭২০৭৩৯২৫,৯৩৩২৩৯২৩৩৯
    বালাসোর স্টেশনের জন্য: ৮২৪৯৫৯১৫৫৯,৭৯৭৮৪১৮৩২২
    শালিমার স্টেশনের জন্য: ৯৯০৩৩৭০৭৪৬

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের, মৃত অন্তত ৩০

    Rail Accident: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের, মৃত অন্তত ৩০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় লাইনচ্যুত হয় ট্রেনের অধিকাংশ বগি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা অন্তত ৩০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার পর দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ওড়িশার বালেশ্বর স্টেশনের কাছে ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। সূত্রের খবর, একটি মালগাড়ি এবং এক্সপ্রেস ট্রেনটি একই লাইনে কোনওভাবে চলে এসেছিল। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেল। ইতিমধ্যেই খড়গপুর থেকে রেলের আধিকারিকদের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনটি বাদে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের প্রায় সব বগিই লাইনচ্যুত হয়েছে। আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে দেড়শোর বেশি যাত্রীকে।

    দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেস শালিমার স্টেশন থেকে ছেড়েছিল দুপুর ৩ টে ১৫ মিনিট নাগাদ। সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ বালেশ্বর ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। স্বাভাবিক গতিতে ছুটে চলা ট্রেনটি একটি মাল গাড়িকে সজোরে ধাক্কা মারে। তার তীব্রতা এতটাই ছিল যে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনটি মালগাড়ির উপরে উঠে যায়। ছিটকে যায় প্রায় সমস্ত বগি। বেশ কিছু বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। আচমকা এই দুর্ঘটনায় ট্রেনের মধ্যে থাকা যাত্রীদের আর্ত চিৎকারে ছুটে আসেন আশপাশের এলাকার লোকজন।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা 

    ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা পরিষ্কার নয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পৌঁছেছে উদ্ধারকারী দল। কীভাবে চলন্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সামনে মালগাড়ি চলে এল, সেটাই এখন তদন্তের মূল বিষয়। এক্ষেত্রে চালকের কোনও ভুল ছিল, নাকি সিগন্যালিং-এর কোনও সমস্যার জেরেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    হাওড়া স্টেশনের জন্য:০৩৩-২৬৩৮২২১৭
    খড়গপুর স্টেশনের জন্য: ৮৯৭২০৭৩৯২৫,৯৩৩২৩৯২৩৩৯
    বালাসোর স্টেশনের জন্য: ৮২৪৯৫৯১৫৫৯,৭৯৭৮৪১৮৩২২
    শালিমার স্টেশনের জন্য: ৯৯০৩৩৭০৭৪৬

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    PM Modi: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত ৯ বছরে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মাথার উপর ছাদ, রান্নার গ্যাস, শৌচালয়, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট পরিষেবা, বিমা, কর ছাড়-এ সবই মধ্যবিত্ত জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। বাস্তবায়িত হয়েছে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আচ্ছে দিনের সংকল্প। মধ্যবিত্তরা যাতে নিজেদের প্রথম বাড়ি বানাতে সমস্যায় না পড়েন, সেজন্য সুদের হারে অনেকটাই ছাড় দিয়েছে মোদি সরকার। এই ছাড়কে যুক্ত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সঙ্গেও। রোজগারের ওপর বিপুল কর ছাড়ের ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণি এখন অনেকটাই সঞ্চয় করতে পারছে, এমনটাই বলছে রিপোর্ট। ২০১৪ সালে বিমানে চড়ার কথা শুধু ধনীরাই ভাবতে পারত। কিন্তু পরবর্তীকালে মোদি সরকারের ‘উড়ান’ প্রকল্পের দৌলতে সাধারণ মানুষও বিমানে যাতায়াত করতে পারছেন। অফিস টাইমে দেশের প্রতিটি শহরেই নিত্যযাত্রীদের ভিড়ে ট্রেনগুলি উপচে পড়ত। এই সমস্যা সমাধানের জন্য কমবেশি প্রতিটি শহরের সঙ্গে শহরতলিকে জোড়ার জন্য ট্রেন এবং মেট্রো রেলের বিভিন্ন প্রজেক্টকে বাস্তবায়িত করেছে মোদি সরকার। যার ফলে অফিস যাত্রীদের সময় যেমন বাঁচছে, তেমনি প্রাইভেট যানবাহনে তাঁদের চড়তে হচ্ছে না। ইন্টারনেট পরিষেবাও ব্যাপক উন্নত এখন। নরেন্দ্র মোদি সরকার সম্প্রতি ৫জি সার্ভিসও চালু করেছে। গত ন’ বছর ধরে কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবহণ, স্মার্ট সিটি, শিল্প- এই সমস্ত ক্ষেত্রেই নতুন জোয়ার এসেছে। সরকার গত ন’ বছর ধরে সাধারণ মানুষের জীবনের মানের উন্নতি করার জন্য সদা সচেষ্ট থেকেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’, ‘সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস’ গত ৯ বছরে সফল, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    মধ্যবিত্ত শ্রেণির জীবনযাপন অনেক সহজ হয়েছে মোদি (PM Modi) জমানায়

    ১) ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক রোজগারের কোনও কর দিতে হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণির সঞ্চয় আরও বেড়েছে।

    ২) যাদের বার্ষিক আয় ১৫ লক্ষ টাকা, তাদের কার্যকরী করের হার ২০১৩ সালে ছিল ১৯.২২ শতাংশ। ২০২২ সালে তা কমে হয়েছে ১০.৪ শতাংশ।

    ৩) স্মার্ট ফোনের যুগে ২১,৮০১টি সরকারি পরিষেবাকে হাতের মুঠোয় তুলে দিয়েছে মোদি সরকার,  Umang app এর মাধ্যমে।

    ৪) এক লক্ষেরও বেশি মামলা ‘রিয়েল এস্টেট রেগুলেটরি অথরিটি’র মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা গেছে।

    ৫) ৩ কোটির বেশি শহুরে এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়া গেছে।

    ৬) ২০১৪ সালের আগে পর্যন্ত ভারতবর্ষে মাত্র ৫ টি শহরে মেট্রো চলত। ২০২৩ সালে ২০ টি শহরে চলছে।

    ৭) ১ কোটি ১৬ লক্ষ মানুষ উড়ানের সুবিধা পাচ্ছেন, যার ফলে তাঁদের বিমানযাত্রা সুলভ হয়েছে।

    ৮) ইন্টারনেট ডেটার দাম কমেছে ৯৭ শতাংশ।

    ৯) ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করা এখন অনেক বেশি সহজ হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করেছিলেন ৩ কোটি ৯১ লক্ষ মানুষ। সেখানে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে দেখা যাচ্ছে ট্যাক্স ফাইল করেছেন ৭ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ। অর্থাৎ ইনকাম ট্যাক্সের আওতায় গত ১০ বছরে এসেছেন প্রায় দ্বিগুণ মানুষ। এতেই বোঝা যাচ্ছে মোদি সরকারের উপর সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা কত বাড়ছে।

    ১০) মোদি (PM Modi) জমানায় অনেকটাই কমেছে গৃহ নির্মাণের ঋণ, যার ফলে উপকৃত হয়েছেন প্রায় ছয় লক্ষ মধ্যবিত্ত।

    ১১) ২০১৪ সাল থেকে কমেছে গাড়ি কেনার ঋণের পরিমাণও।

    ১২) ৪০ শতাংশ ভারতবাসীকে আনা হয়েছে আয়ুষ্মান যোজনা প্রকল্পের আওতায়। এতে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা বিনামূল্যে করা যাবে।

    ১৩) গত ৯ বছরে দেশে ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির হার ২৩১ শতাংশ।

    ১৪) পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে কম দামের স্যানিটারি প্যাড পাওয়া যায় ভারতে। মোদি (PM Modi) সরকারের জমানায় নির্মিত জনঔষধি কেন্দ্রগুলিতে এগুলি মেলে।

    ১৫) পরিবহণের ক্ষেত্রে গত ৯ বছরে চালু করা হয়েছে ২,৪৩৫টি ইলেকট্রিক বাস। যা পরিবেশবান্ধব।

    ১৬) ১.৯৩ লক্ষ গ্রাম পঞ্চায়েতকে যুক্ত করা হয়েছে ভারত নেটের অপটিক ফাইবারের সঙ্গে।

    ১৭) প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রগুলিতে ৫০ শতাংশ ছাড়ে ওষুধ বিক্রি চলছে।

    ১৮) মধ্যবিত্তদের ইলেকট্রিক বিলও কম আসছে, উজ্জ্বলা এলইডি লাইটের জন্য।

     

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share