Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • New Year Greetings: সুখ-শান্তিতে ভরে উঠুক নতুন বছর, দেশবাসীকে শুভেচ্ছাবার্তা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    New Year Greetings: সুখ-শান্তিতে ভরে উঠুক নতুন বছর, দেশবাসীকে শুভেচ্ছাবার্তা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা (New Year Greetings) জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। দুজনেই তাঁদের শুভেচ্ছাবার্তায় দেশবাসীর জন্য নতুন বছরে সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। এর পাশাপাশি এদিন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশবাসীকে।

    আরও পড়ুুন: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    নিজের ট্যুইটে এদিন প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘সবার ভালো কাটুক ২০২৪ সাল। এই বছরে সবার জীবনে সমৃদ্ধি আসুক এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকুক।’’

    রাষ্ট্রপতির ট্যুইট

    নিজের ট্যুইটে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সকলকে নতুন বছরের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন এবং তিনি লেখেন যে সকলের জীবন সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধিতে (New Year Greetings) ভরে উঠুক।

    উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের ট্যুইট

    উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা (New Year Greetings) জানিয়ে বলেন, ‘‘নতুন বছরে আমরা সকলে দায়বদ্ধ থাকব সমৃদ্ধশালী ভারত তৈরি করার জন্য।’’

     

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধী প্রচার, নিষিদ্ধ করা হল ভূস্বর্গে সক্রিয় তেহরিক-ই-হুরিয়তকে

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Rules: মোবাইল সিমের পেপারলেস কেওয়াইসি থেকে ইউপিআই নিয়মে বদল, নতুন বছরে কী কী পরিবর্তন?

    New Rules: মোবাইল সিমের পেপারলেস কেওয়াইসি থেকে ইউপিআই নিয়মে বদল, নতুন বছরে কী কী পরিবর্তন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি মাসের প্রথম দিনে সরকারিভাবে কোনও না কোনও নিয়ম কার্যকর হয়ে থাকে। এই নিয়মগুলি (New Rules) জনগণের প্রতিদিনকার জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। প্রত্যেকেই তাই নজর রাখেন নতুন নিয়মে। আমাদের জানতে হয় যে কোন কোন নিয়ম সংশোধিত হচ্ছে এবং কোন কোন নিয়ম সংযোজিত হচ্ছে। কোন নিয়মগুলি বাতিল হয় সেদিকেও নজর রাখতে হয়। দেখতে দেখতে চলে এল ২০২৪। নতুন বছরে ১ জানুয়ারি থেকে বেশ কিছু নিয়ম কার্যকর হচ্ছে, কিছু নিয়মের পরিবর্তনও হচ্ছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলি নীচে আলোচনা করা হল।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    পেপারলেস কেওয়াইসি চালু হচ্ছে মোবাইল সিমের ক্ষেত্রে

    ১ জানুয়ারি থেকে বদল হচ্ছে মোবাইল সিমের কেওয়াইসি। বর্তমানে যে নিয়ম (New Rules) চালু রয়েছে কেওয়াইসির ক্ষেত্রে, তা পরিবর্তিত হয়ে এবার পেপারলেস কেওয়াইসি হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নতুন মোবাইল কানেকশনের ক্ষেত্রে নিয়ম অপরিবর্তিত থাকছে বলে জানা গিয়েছে।

    ১ বছর ধরে অব্যবহৃত ইউপিআই আইডিগুলি নিষ্ক্রিয় করা হবে 

    ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন নির্দেশ দিয়েছে, এক বছরের বেশি সময় ধরে অব্যবহৃত ইউপিআই আইডিগুলি বাতিল করার জন্য। এর সময়সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর।

    রাজস্থানে কমল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম

    ১ জানুয়ারি থেকে রাজস্থানে এলপিজি সিলিন্ডার অর্থাৎ যেগুলি প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে পাওয়া যায়, সেগুলির দাম ৫০০ টাকা থেকে কমে ৪৫০ টাকা হচ্ছে।

    বর্ধিত সময়সীমায় আইটিআর জমার সময়সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর

    ৫০০০ টাকা জরিমানা দিয়ে দেরিতে আইটিআর ফাইল করার বর্ধিত সময়সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর। তবে, রিভাইসড (সংশোধিত) আইটিআর দাখিল করার ক্ষেত্রে কোনও জরিমানা ধার্য করা হয়নি। প্রসঙ্গত রেগুলার আইটিআই জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল ৩১ জুলাই।

    পরিবর্তন ব্যাঙ্ক লকার এগ্রিমেন্টের ক্ষেত্রেও

    যে সমস্ত ব্যক্তির ব্যাঙ্ক লকার রয়েছে, তাঁদেরকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন ব্যাঙ্ক লকার এগ্রিমেন্টের সিগনেচার (New Rules) করতে হত। যাঁরা করেননি, আজ থেকে তাঁদের ব্যাঙ্ক লকারগুলি ‘ফ্রোজেন’ করা হবে।

    আরও পড়ুুন: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Puri: নতুন বছরের ভিড় সামলাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দরজা খুলল রাত ১টায়

    Puri: নতুন বছরের ভিড় সামলাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দরজা খুলল রাত ১টায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বছর পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দির ভক্তদের ভিড়ে ঠাসা থাকে। প্রভুকে দর্শন করতে প্রত্যেকদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থী আসেন মন্দিরে। এত বেশি ভিড় হয় যে ভক্তদের গর্ভগৃহে পৌঁছানো মাঝে মধ্যে অসম্ভব হয়ে পড়ে। এবার সেই সমস্যারই সুরাহা হতে চলেছে। ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে অনায়াসেই জগন্নাথদেবের দর্শন মিলবে পুরীতে। চালু হচ্ছে হেরিটেজ করিডর। অন্যদিকে ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা ৩১ ডিসেম্বরই খুলে গেল রাত ১ টায় এবং খোলা থাকবে ১ জানুয়ারি রাত ১১ টা পর্যন্ত।

    নয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ভিড় সামাল দিতে নবীন পট্টনায়েকের সরকার নয়া উদ্যোগ নিয়েছে। এবার থেকে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবেন স্পেশাল সিকিউরিটি ব্যাটালিয়নের ১,১৯০ জন কর্মী। নবীন পট্টনায়ক সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, বিশ্ব বিখ্যাত জগন্নাথ মন্দিরের জন্য এবার থেকে স্পেশাল ব্যাটালিয়ন ফোর্সের নিরাপত্তারক্ষীদের মোতায়েন করা হবে। দর্শনার্থীরা আরও সহজে জগন্নাথধামে প্রবেশ করতে পারবেন। আরও মজবুত হবে নিরাপত্তা। ভিড় সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। ওড়িশা সরকারের বিবৃতি অনুযায়ী, পুরীর মন্দিরে হেরিটেজ করিডর নির্মাণ হওয়ার পর দর্শনার্থীদের সংখ্যা আরও বাড়বে। ৯৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে জগন্নাথ মন্দিরের চতুর্দিকে মেঘনাদ পচেরি ঘিরে একটি পাঁচিল নির্মাণ করা হচ্ছে। ৭৫ মিটার এলাকা জুড়ে তৈরি হচ্ছে এই করিডর। যানবাহন চলাচলের ওপরেও নিয়ন্ত্রণ লাগানো হচ্ছে। হাফপ্যান্ট পরে মন্দিরে প্রবেশ আগেই বন্ধ হয়েছে। এর পাশাপাশি বাতানুকূল সেডও তৈরি হচ্ছে যেখানে আরামদায়কভাবে লাইনে দাঁড়াতে পারবেন পুণার্থীরা (Puri)।

    হেরিটেজ করিডরের উদ্বোধন ১৭ জানুয়ারি

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে কেবলমাত্র সিংহদুয়ার দিয়ে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করেন ভক্তরা। ভিড় বেশি হওয়াতে ভক্তদের খুবই কষ্ট হয়। গর্ভগৃহের কাছে পৌঁছনো তো দূর, ভিতরে মিনিট খানেকও সময় পান না দর্শনের জন্য। জানা গিয়েছে প্রায় দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ শ্রীমন্দিরের বাকি তিন দিকের গেট। এই নিয়েও পুণার্থীরা (Puri) অনুযোগ জানাতেন এতদিন। তবে হেরিটেজ করিডর উদ্বোধন হলে ভিড় ঠেলে জগন্নাথদেবের দর্শন অনেকটাই সহজ হবে। ১৭ জানুয়ারি এই করিডরের উদ্বোধন হওয়ার কথা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Airport: জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে উড়ল অযোধ্যা-দিল্লি বিমান, যাত্রীরা পড়লেন হনুমান চালিশা

    Ayodhya Airport: জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে উড়ল অযোধ্যা-দিল্লি বিমান, যাত্রীরা পড়লেন হনুমান চালিশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমান টেক-অফের আগে পাইলটের মুখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি। হনুমান চালিশা পাঠের মাধ্যমে উড়ল অযোধ্যা-দিল্লি বিমান (Ayodhya Airport)। শনিবার ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিমানের ক্যাপ্টেন আশুতোষ শেখর সকল যাত্রীকে স্বাগত জানান। এরপর বিমানে ওঠা সকল যাত্রী জয় শ্রীরাম নাম জপ করে প্রভু রামকে স্মরণ করলেন। জানা গিয়েছে, অযোধ্যা থেকে কলকাতা-বেঙ্গালুরু বিমান পরিষেবা চালু হবে খুব দ্রুত।

    বিমান পরিষেবার সময়সূচি (Ayodhya Airport)

    এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, দিল্লি, কলকাতা এবং বেঙ্গালুরু থেকে এবার সরাসরি অযোধ্যার রাম মন্দিরে আকাশপথে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া যাবে। ৩০ ডিসেম্বর অয্যোধ্যা বিমান বন্দর (Ayodhya Airport) থেকে দিল্লি সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু হল। একই ভাবে কলকাতা এবং বেঙ্গালুরু থেকে এই বিমান চালু হবে আগামী ১৭ জানুয়ায়রি। ১৭ তারিখে বেঙ্গালুরু থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে সকাল ৮ টার সময় বিমান পরিষেবা চালু হবে। এই বিমান সকাল ১০ টা ৩৫ মিনিটে অয্যোধ্যায় পৌঁছাবে এবং এরপর একই বিমান বিকেল ৩ তে ৪০ মিনিটে ছাড়বে, যা সন্ধ্যা ৬ টা ১০ মিনিটে বেঙ্গালুরুতে পৌঁছাবে। বেঙ্গালুরু থেকে অযোধ্যা যেতে সময় লাগবে আড়াই ঘণ্টা। কলকাতা থেকে যে বিমান অযোধ্যা যাবে, তা ছাড়া হবে ১ টা ২৫ মিনিটে। এই বিমান পৌঁছাবে ৩ টে ১০ মিনিট সময়ে। অযোধ্যা থেকে বিমান কলকাতায় যাবে সকাল ১১ টা ৫ মিনিটে। এই বিমান পৌঁছাবে দুপুর ১২  টা ৫০ মিনিটে।

    এয়ার ইন্ডিয়ার বক্তব্য

    এয়ার ইন্ডিয়ার মুখ্য বাণিজ্যিক আধিকারিক ডা অঙ্কুর গর্গ বলেছেন, “রাজধানী দিল্লি ছাড়াও পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণ ভারতের তীর্থযাত্রীদের অযোধ্যায় পৌঁছানোর সুবিধা দিতে বেঙ্গালুরু, কলকাতায় বিমান বন্দর (Ayodhya Airport) থেকে একবার বিরতি দিয়ে বিমান পরিষেবা চালু করা হবে। অযোধ্যার জন্য কলকাতা এবং বেঙ্গালুরু যাথক্রমে পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণ ভারতের প্রবেশ দ্বার হিসাবে কাজ করবে। এই দুই শহর থেকে অযোধ্যায় যাওয়ার বিমান পরিষেবা সপ্তাহে ৩ দিন করা হয়েছে।”

    আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। এর মধ্যেই উদ্বোধন হল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। সেই সঙ্গে রেলের বিষয় হিসাবে অমৃত ভারতের বিশেষ ট্রেনের শুভ সূচনা হয়েছে। অযোধ্যায় মোট ১৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস করেছেন মোদি। আগামী লোকসভা ভোটের আগেই এই মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা যে তীব্র হচ্ছে, রামনগরীর বাসিন্দারা বুঝতেই পারছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Success in 2023: নতুন সংসদ ভবন থেকে চন্দ্রযান, ২০২৩ সালে দেশের ঝুলিতে আর কোন কোন সাফল্য?

    Success in 2023: নতুন সংসদ ভবন থেকে চন্দ্রযান, ২০২৩ সালে দেশের ঝুলিতে আর কোন কোন সাফল্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সালে একাধিক সাফল্যেও এসেছে ভারতের ঝুলিতে। রেকর্ড তৈরি করে এশিয়ান গেমসে দেশ জয় পেয়েছে ১০৭ পদক। অন্যদিকে, ২০২৩ সালেই আন্তর্জাতিক বিশ্বকাপ ক্রিকেটও অনুষ্ঠিত হয়েছে ভারতের মাটিতে। চলতি বছরে ভারতের সভাপতিত্বেই অনুষ্ঠিত হয় জি২০ সম্মেলন। বিশ্বের তাবড় নেতারা হাজির থেকেছেন এই সম্মেলনে। এর পাশাপাশি অর্থনীতিরা বলছেন, ২০২৩ সালে দেশের বৃদ্ধিও হয়েছে চমকপ্রদ। নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন হয়েছে ২০২৩ সালেই (Success in 2023)। আবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম কোনও দেশ হিসেবে সফল অবতরণ করতে পেরেছে ভারত। সেটাও চলতি বছরেই। শুরু হয়েছে অমৃত ভারতের মতো ট্রেন চলাচলও।

    নতুন সংসদ ভবন

    ২০২৩ সালে দেশবাসী পেয়েছে নতুন সংসদ ভবন। ৯.৫ একর জায়গার উপর অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে (Success in 2023) গড়া এই সংসদে একসঙ্গে বসতে পারবেন ১,৩৫০ জন সাংসদ। চলতি বছরের মে মাসেই এই সংসদ ভবন উদ্বোধন করে সেখানে সেঙ্গেল স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ

    ২০২৩ সালের মহাকাশ গবেষণাতে (Success in 2023) চমকপ্রদ সাফল্য পেয়েছে ইসরো। চন্দ্রযান ৩, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে চলতি বছরের ২৩ অগাস্ট। প্রসঙ্গত, ভারতই প্রথম দেশ যা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। সে সময়ে ল্যান্ডার বিক্রমের অবতরণের পর তার পেটের ভিতর থেকে গুটিগুটি পায়ে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান। ল্যান্ডার বিক্রমের ছবি বেশ জনপ্রিয় হয়।

    সূর্য অভিযান

    অন্যদিকে, চলতি বছরেই ২ সেপ্টেম্বর সূর্যযান আদিত্য এল ১ পাঠিয়েছে ইসরো।

    এশিয়ান গেমসে বিপুল সাফল্য

    চলতি বছরেই এশিয়ান গেমসে ২০২৩ সালে অভাবনীয় সাফল্য মিলেছে ভারতের (Success in 2023)। সোনা রুপা ব্রোঞ্জ মিলিয়ে মোট ১৭৭টি মেডেল এসেছে ভারতের ঝুলিতে।

    ক্রিকেট বিশ্বকাপের আসর ভারতে

    ২০২৩ সালের আইসিসি বিশ্বকাপের আসর বসে ভারতের মাটিতে। অত্যন্ত সফল হয় এই বিশ্বকাপ (Success in 2023)। ভারত ফেভারিট থাকলেও শেষ পর্যন্ত রানার্স হয় টিম ইন্ডিয়া।

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলন

    জি২০ এর মতো আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সেপ্টেম্বর মাসেই দিল্লিতে। এখানে বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রনেতারা হাজির হন। সম্মেলন ক্যাপশন ছিল ‘এক পরিবার এক পৃথিবী’।

    অর্থনৈতিক বৃদ্ধি

    চলতি বছরেই অর্থনীতিতে ব্যাপক বৃদ্ধি হয় ভারতের। বিশ্বে যখন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অন্যান্য অঞ্চলে (Success in 2023) অর্থনীতি নিম্নগামী হয়েছে, তখন দ্রুতভাবে এগিয়ে চলেছে ভারতের অর্থনীতি। চলতি বছরে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশে পরিণত হয়েছে ভারত।

    কূটনৈতিক সাফল্য

    কাতারে আটক ভারতের আট প্রাক্তন নৌ সেনা আধিকারিকের ফাঁসিও রদ হয়েছে চলতি বছরে। যা কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বড় জয় বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন দেশজুড়ে দীপাবলি পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন দেশজুড়ে দীপাবলি পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন রয়েছে রাম মন্দিরের। দেশজুড়ে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। শনিবারই মোদিময় হয়ে ওঠে অযোধ্যা। রামনগরীতে মহর্ষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। সেখান থেকে তিনি মন্দিরের উদ্বোধনের দিন দেশজুড়ে দীপাবলি পালনেরও বার্তা দেন। এর পাশাপাশি অযোধ্যা আগামীদিনে দেশের উন্নয়নে নয়া শক্তি জোগাবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    মন্দির উদ্বোধনের দিন দেশজুড়ে দীপাবলি

    শনিবার প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) অযোধ্যায় বলেন, ‘‘দেশের জন্য আমাদের নতুন সংকল্প নিতে হবে। নিজেদের মধ্যে নতুন শক্তির সঞ্চার করতে হবে। সেই জন্য অযোধ্যার এই পবিত্র মাটি থেকে আমি ১৪০ কোটি দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করছি, ২২ জানুয়ারি আপনারা সবাই নিজেদের ঘরে শ্রীরাম জ্যোতি প্রজ্জ্বলন করুন।’’  এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন যে উন্নয়ন এবং ঐতিহ্য এই দুই শক্তিই আগামীদিনে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাঁর মতে, ‘‘ঐতিহ্য এবং পরম্পরার সঙ্গে আধুনিকতাকে মিশিয়েই আমাদের দেশের উন্নয়ন এগিয়ে চলেছে। তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে অযোধ্যা নতুন শক্তি যোগাচ্ছে।’’

    স্মার্ট সিটি অযোধ্যা

    প্রসঙ্গত, আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে সাজো সাজো রব চলছে অযোধ্যায়। ওই দিনে হোটেল ভাড়া পর্যন্ত গিয়েছে এক লাখ টাকা। তবে হোটেলে তাঁরাই থাকতে পারবেন যাঁদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) অফিসের চিঠি অথবা রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের চিঠি থাকবে। তবে উদ্বোধনের পরে যে অযোধ্যায় ভক্তদের ঢল নামতে চলেছে, তা এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘মন্দির তৈরি হওয়ার পর এখানে প্রচুর পুণ্যার্থী আসবেন। সেই কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে উন্নয়নের কাজ চালাচ্ছে। অযোধ্যাকে স্মার্ট করা হচ্ছে। রাস্তা চওড়া করা হচ্ছে, ফুটপাথ করা হচ্ছে, উড়ালপুল বানানো হচ্ছে। পরিবহণ ব্যবস্থায় প্রচুর উন্নয়ন করা হচ্ছে।’’ এদিন প্রধানমন্ত্রীর অযোধ্যার ভাষণে উঠে আসে দেশের প্রান্তিক গরিব মানুষদের কথাও। তিনি জানান, এদেশে ষাট সত্তর বছর আগে গ্যাসের কানেকশন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছিল কিন্তু ২০১৪ সাল পর্যন্ত মাত্র ১৪ কোটি মানুষের কাছে গ্যাসের কানেকশন ছিল। কিন্তু তাঁর সরকারের আমলে গত ১০ বছরে ১৮ কোটি নতুন এলপিজি গ্যাসের কানেকশন পৌঁছে দিয়েছে তাঁর সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় গেরুয়া পতাকা, ধুতি, উত্তরীয় সাজিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় মেহেবুবরাও

    Ram Mandir: অযোধ্যায় গেরুয়া পতাকা, ধুতি, উত্তরীয় সাজিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় মেহেবুবরাও

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা

    কৃষ্ণ ঠাকুরের মতো কালো। গোপালের মতো গোলগাল। মহাকাল ও জয় শ্রীরামের চিহ্ন আঁকা জামা বিক্রি করছিল ছেলেটি। নাম জিজ্ঞেস করতেই বলল, মেহেবুব আলি। রামপথের দুধারে অজস্র দোকান। কেউ বিক্রি করছেন হনুমানের গদা, কোথাও বা বিক্রি হচ্ছে জয় শ্রীরাম লেখা পতাকা। তিলক থেকে গলার মালা, সবটাই পাবেন এখানে। ঘুরতে ঘুরতে দেখা মিলল বাঙালি দোকানদারেরও। দেখা হল মিষ্টি বিক্রেতা পুরুলিয়ার বাসিন্দার সঙ্গে, তিনিও অপেক্ষায় রয়েছেন রাম মন্দির উদ্বোধনের। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক গিয়ে ঠেকছে হনুমান গড়িতে। পথের ধারে হাঁটতে হাঁটতেই দেখা মিলল ওই মুসলিম যুবক মেহেবুব আলির। বছর ২৫-এর মেহেবুব একেবারে কৃষ্ণকালো চেহারার। গেরুয়া পতাকা, ধুতি, উত্তরীয় দিয়ে সাজানো তার দোকান। কথায় কথায় জানা গেল রাম মন্দিরের খুব কাছেই তার বাড়ি।

    জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে অযোধ্যা যেন রামময় হয়ে উঠেছে। রাম মন্দির (Ram Mandir) থেকে সরযূ নদী পর্যন্ত রাস্তা রামপথ নামেই পরিচিত। গত তিন ধরে ওই রাস্তার ধারের হোটেলেই আমরা রয়েছি। ভক্তদের ভিড়ে অযোধ্যার রামপথে যে জনজোয়ার আসবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ এখন থেকেই তো উৎসবের মেজাজ। রামপথের দু’দিকে পুরাতন বাড়িগুলি সংস্কারের কাজ চলছে। রাস্তা যে অনেকটাই সম্প্রসারিত হয়েছে, অবশ্যই এটা যোগী সরকারের দূরদর্শিতা। লক্ষ লক্ষ ভক্তের ভিড় সামলাতে রাস্তা প্রশস্ত হতেই হবে। 

    কী বলছে মেহেবুব?

    রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে তোমার মত কী? মেহেবুবের কাছ থেকে সাফ জবাব এল, ‘‘আমিও খুব আগ্রহ সহকারে অপেক্ষা করছি দিনটির। রাম তো আমাদের সবার।’’ এই দোকান মেহেবুবের রুটি-রুজির সন্ধান দেয়। সে বিক্রি করে জয় শ্রীরাম লেখা পোশাক, উত্তরীয়, ধুতি, চাদর। মহাকালের চিহ্ন আঁকা জামা, পোশাক, ফতুয়া, পাঞ্জাবিও নজরে পড়ল। শ্রীরাম এবং মহাকাল দুই দেবতাই রয়েছেন মেহেবুবের দোকানে। হাসিমুখে হিন্দু দেবতাদের প্রতীক আঁকা জামা বিক্রি করতে করতে মেহেবুব জানায়, এটাই তার পেশা। কারণ রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পরে আরও লোক রামের নামে অযোধ্যায় আসবেন। আসবেন মহাকালের ডাকে। এর মাধ্যমেই গড়ে উঠবে তার রুটিরুজির সংস্থান। যদিও তার দোকান সরতে সরতে রাস্তার এক কোণে চলে এসেছে।

    অপেক্ষা রাম মন্দির উদ্বোধনের

    তার দোকানের পুঁজিতে টানও পড়েছে ভীষণ রকম। তবু সে হাসিমুখে অপেক্ষা করছে দেশের প্রধানমন্ত্রী কবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) দরজা খুলবেন, কবে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদি এই রামলালার মূর্তি স্থাপন করবেন এবং সেই রামলালারা টানে অযোধ্যারে সরযূ নদীর তীরে এসে জমা হবেন হাজার হাজার মানুষ, লাখ লাখ জনতা, যাঁরা সবাই রামের ভক্ত এবং মহাকালের সন্তান। তাঁরা সবাই দু’হাত বাড়িয়ে কিনবেন ঈশ্বরের নাম খোদাই করা জামা। এ সমস্ত কিছুই বিক্রি হওয়ার অর্থ মেহেবুব আলি এবং তার পরিবারের মুখে নিত্যদিনের ভাত-রুটির সংস্থান হওয়া। তাই মেহেবুব আলি হাসিমুখে অপেক্ষা করছে সেই দিনটার জন্য যেদিন রাম মন্দিরের (Ram Mandir) দরজা খুলবে আর মেহবুব তার বিক্রিবাটা আরও একটু বাড়িয়ে তুলতে পারবে রামের নামে। এই ভাবেই অযোধ্যায় হাজারো মেহেবুবের মতো সংখ্যালঘু সন্তানরা অপেক্ষা করে আছেন রাম মন্দিরের উদ্বোধনের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ১২টি লিফট, ১৪টি চলমান সিঁড়ি! অয্যোধ্যা স্টেশনও হতে চলেছে অন্যতম দর্শনীয় স্থান!

    Ram Mandir: ১২টি লিফট, ১৪টি চলমান সিঁড়ি! অয্যোধ্যা স্টেশনও হতে চলেছে অন্যতম দর্শনীয় স্থান!

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অয্যোধ্যা

    ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন হবে। কিন্তু অয্যোধ্যা এখন থেকেই উৎসবের মেজাজে। সোমবার অযোধ্যায় পা রাখার পর যেখানেই যাচ্ছি, সেখানেই এটা ভালোরকম মালুম হচ্ছে। বুধবার সকালে গিয়েছিলাম অযোধ্যা স্টেশনে। বোঝা গেল, শুধু রাম মন্দির নয়, স্টেশনও হতে চলেছে এখানকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। স্টেশন চত্বরে কথা হচ্ছিল বছর পঞ্চাশের পাপ্পু যাদবের সঙ্গে। ছোট্ট পানের দোকান তাঁর। বললেন, ‘‘লাইনে কাজ চলার কারণে বিগত এক মাস ধরে অযোধ্যায় কোনও ট্রেন ঢুকছে না। তাই বিক্রি নেই বললেই চলে। তবে জানুয়ারিতে ট্রেন চলাচল পুরোদমে চালু হলে বিক্রি অনেকটাই বাড়বে।” এমনই আশায় বুক বেঁধেছেন স্টেশন চত্বরের আরও অনেক দোকানি। সবাই এক নতুন ভোরের আশায় রাতে ঘুমাতে যাচ্ছেন। পেশায় টোটোচালক বছর ছাব্বিশের যুবক রাজকমল যাদব। তাঁর গলায়ও একই আশার কথা। স্টেশন ঘুরে বোঝা গেল, শুধুমাত্র রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরেই বহু খেটে খাওয়া মানুষের রোজগার এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়তে চলেছে।

    কেমন হতে চলেছে স্টেশন? (Ram Mandir)

    ৩ হাজার ২৪০ বর্গমিটারের স্টেশন। মন্দিরের (Ram Mandir) আদলে তৈরি স্টেশনে থাকছে সমস্ত রকমের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। ১২টি লিফট, ১৪টি চলন্ত সিঁড়ি, ২টি ফুট ওভারব্রিজ, আধুনিক ক্যাফেটেরিয়া, রিক্রিয়েশন সেন্টার, পুজোর ডালি কেনার জায়গা, শপিং মল-সমস্ত পরিষেবাই মিলবে পর্যটকদের। মন্দির থেকে অযোধ্যা স্টেশনের দূরত্ব খুব বেশি হলে দেড় কিলোমিটার মতো। নতুন ভাবে নির্মাণকাজ চলছে। আসলে এটি ছিল ফৈজাবাদ ক্যান্টনমেন্ট। এই স্টেশনের নতুন নামকরণ হয় অযোধ্যা জংশন। জানা গেল, পুরনো স্টেশন চত্বরকেও আধুনিক সাজে সাজিয়ে ফেলা হবে। ২৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে এই অযোধ্যা স্টেশন চত্বর।

    বিমান বন্দরের উদ্বোধন ৩০ ডিসেম্বর (Ram Mandir)

    একইরকম ভাবে তৈরি হচ্ছে অযোধ্যার নতুন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। এখন চলছে ফিনিশিং টাচ। সেখানে পৌঁছাতেই বোঝা গেল এই মুহূর্তে নির্মাণকর্মীদের নাওয়া খাওয়ার সময় নেই। এয়ারপোর্টে ঢোকার রাস্তা সাজিয়ে ফেলা হচ্ছে নিজস্ব স্টাইলে। রাম মন্দিরের আদলে গড়ে উঠছে বিমানবন্দরও। রামমন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের আগে দ্রুত সেই কাজ শেষ করার পথে বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ। গেটের সামনেই রয়েছে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদেরও সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ৩০ ডিসেম্বর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিমান বন্দরের পাশেই গড়ে তোলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলও। সব মিলিয়ে রামের ঘরে ফেরাকে কেন্দ্র করে অযোধ্যা জুড়ে যেন চলছে কর্মযজ্ঞ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah on CAA: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    Amit Shah on CAA: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সিএএ নিয়ে হুঙ্কার ছাড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলায় এসে বিজেপির দলীয় বৈঠকে শাহের স্পষ্ট বার্তা, সিএএ দেশের আইন, তা কার্যকর হবেই। এই আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। প্রত্যেকে নাগরিকত্ব পাবে। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব নিয়ে বারংবার ভুল বোঝানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন শাহ। 

    সিএএ প্রসঙ্গে শাহ

    বড়দিনের রাতে কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দু-দিনের সফরে কলকাতা এসেছিলেন শাহ এবং বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এখানে দলীয় নেতাদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক সারেন তাঁরা। বিজেপি সূত্রে খবর,মঙ্গলবার কলকাতায় দলের আইটি সেলের এক বৈঠকে সিএএ নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সময় নাকি দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, “দিদি প্রায়ই আমাদের উদ্বাস্তু ভাইদের সিএএ নিয়ে বিভ্রান্ত করেন। আমি এটা পরিষ্কার করে দিতে চাই সিএএ হল দেশের আইন। এবং এর বাস্তবায়ন কেউ আটকাতে পারবে না। প্রত্যেকে নাগরিকত্ব পাবেন।” 

    সিএএ প্রসঙ্গে সুকান্ত

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও বলেন, “সিএএ ভারতের সংবিধান সম্মত আইন। যা ভারতের লোকসভা এবং রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে। এটা আইন। সিএএ লাগু হবে। এবং আমার বিশ্বাস খুব তাড়াতাড়ি লাগু হবে।” প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবর প্রথম থেকে বিরোধিতা করে এসেছেন সিএএ-র। সংসদের দু’কক্ষে (রাজ্যসভা ও লোকসভা) এই বিল পাশ হয়েছে ঠিকই, তবে চারবছর পরও রুল তৈরি না হওয়ায় উদ্বাস্তু সমাজের একাংশের মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। তাই দ্রুত এই বিল লাগু করতে চাইছে সরকার।

    আরও পড়ুুন: ইন্ডি জোটে কোন্দল প্রকাশ্যে, মমতার খাড়্গে-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান পাওয়ারের

    শাহি-বার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপির তরফ থেকে শাহের বক্তব্যের অংশ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। তাতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের জন্য কাজ করতে হবে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে। বাংলায় বিজেপি সরকারের অর্থ হবে গরু পাচার রুখে দেওয়া, সিএএ কার্যকর করা।’ মঙ্গলবার জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবনে শাহ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘‘দেশের সব রাজ্যে আমাদের ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরি হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু বাংলা এদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরির মানে হল হল অনুপ্রবেশকারীদের ঢোকা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অনুপ্রবেশকারীদের ‘সিল’ করে দেওয়া।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় বাড়ির ছাদে ছাদে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ পতাকা, এ যেন হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র!

    Ram Mandir: অযোধ্যায় বাড়ির ছাদে ছাদে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ পতাকা, এ যেন হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র!

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা

    ২২ জানুয়ারি তো এখনও ঢের দেরি। নয় নয় করে আরও ২৮ টা দিন। কিন্তু সোমবার অযোধ্যায় (Ram Mandir) পা রাখতেই মনে হল, উৎসব শুরুই হয়ে গেছে। পুণ্যভূমির সর্বত্র শুধু ভগবান শ্রীরামচন্দ্র। দোকানে, বাড়ির দেওয়ালে, এমনকী বাড়ির দরজাতেও। বুঝতে অসুবিধা হল না, গোটা অয্যোধ্যা এখন রামচন্দ্রময়। জলে, স্থলে, আকাশে, বাতাসে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে একটাই ধ্বনি, ‘জয় শ্রীরাম’। আগের অযোধ্যার সঙ্গে ফারাকও বিস্তর। ২২ জানুয়ারির সেই শুভ মুহূর্তটা যত এগিয়ে আসছে, কর্মব্যস্ততা ততই বাড়ছে। কারণ, প্রশাসনও জানে, ক’টা দিন পরই গোটা বিশ্ব হয়ে উঠবে অযোধ্যামুখী। তাঁদের আকৃষ্ট করতে প্রশাসনের চেষ্টার খামতি নেই।

    রামের ঘরে ফেরা (Ram Mandir)

    ২৮টা দিন অয্যোধ্যাবাসীর কাছে অবশ্য কিছু নয়। অনেকের সঙ্গে কথা বলেই বোঝা গেল, তাঁদের কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। রাস্তাঘাট থেকে পুরাতন বাড়ি, সব জায়গায় চলছে সংস্কার। আমার মতো অযোধ্যায় পা রেখে যে কারও মনে হতেই পারে, হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছে অযোধ্যা (Ram Mandir)। বাড়ির দেওয়াল থেকে পার্ক, সর্বত্রই ছাপ সনাতন সংস্কৃতির। দোকানের দরজাতেও লেখা ‘জয় শ্রীরাম’। দেদার বিক্রি হচ্ছে রামচন্দ্র-হনুমানের ছবি আঁকা গৈরিক পতাকা। এ যেন সত্যিই রামের ঘরে ফেরা।

    ভগবান রাম যেন সবার (Ram Mandir)

    এখানকার মানুষ একটা বিষয় নিয়ে বেজায় খুশি। তা হল, এ শুধু রামের ঘরে ফেরাই নয়, অযোধ্যার (Ram Mandir) অর্থনীতিরও আমূল পরিবর্তন আসছে। রামসীতা-হনুমানের মূর্তি তৈরি করেন জনৈক সন্তোষ শর্মা। তাঁর চোখেমুখে যেন খুশি ঝরে পড়ছে। তাই প্রতিবেদককে অকপটেই বলে দিলেন, ‘‘আগের থেকে বিক্রি বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে।’’ রামনগরীতে ঢোকার মুখে দিব্য কুণ্ড জলাশয় বাঁধানোর কাজ চলছে। দেখলাম, সেটাও প্রায় শেষের দিকে। শ্রমিকরা বললেন, ‘‘গত ১ বছর ধরেই চলছে কাজ। আর কয়েক দিনেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।’’ প্রশাসনও নিরাপত্তার নিরিখে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। তাই পথের মোড়ে মোড়ে চোখে পড়ল পুলিশি ব্যারিকেড। বুঝলাম, নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে রামনগরী। অযোধ্যার অলি-গলি-তস্য গলি চষে বেড়িয়ে দেখলাম, কমবেশি সব বাড়ির ছাদেই উড়ছে শ্রীরামের ছবি বসানো পতাকা। কোনও ধনী-দরিদ্র ভাগ নেই। ভগবান রাম যেন সবার হয়ে উঠেছেন।

    ফিরে পেয়েছে পুরনো মর্যাদা (Ram Mandir)

    ২০০৭ সালে সুপ্রিম কোর্টে এফিডেফিট দাখিল করে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জানিয়েছিল, রামের অস্তিত্ব নেই। কিন্তু অযোধ্যার রাস্তাঘাট, পার্ক, জলাশয়, দোকান, বাড়ির ছাদ সবেতেই দেখা যাচ্ছে রামচন্দ্রকে। সন্ধ্যায় পুণ্যতোয়া সরযূ নদীর ধারে ভক্ত সমাগমই বলে দিচ্ছে আধ্যাত্মিক ভূমির (Ram Mandir) মাহাত্ম্য। জানা গেল, এখানে রোজই চলে সরযূ আরতি। চলতি বছরের দীপাবলি থেকে শুরু হয়েছে অযোধ্যায় লেজার শো। গোটা রামায়ণকে লাইট শো-এর মাধ্যমে প্রতিদিন সরযূ আরতির পরে দেখানো হয়। অযোধ্যা কি বদলে গিয়েছে? প্রতিবেদকের এমন প্রশ্ন শুনে সরযূ-আরতি সমিতির সভাপতি মহারাজ শশীরকান্ত দাস বললেন, ‘‘আগে তো কেউই অযোধ্যা আসতেন না। দেশ থেকে পর্যটকদের ভিড় সেভাবে দেখাও যেত না। কারণ সবাই ভীত ছিলেন কখন ঝামেলা শুরু হয়ে যাবে! তখন অযোধ্যার প্রতি সবাই ছিলেন একেবারেই উদাস। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। মন্দির নির্মাণ হচ্ছে, যার অবদান, কৃতিত্ব অবশ্যই নরেন্দ্র মোদির। বদলেছে অযোধ্যা। পাঁচশো বছর পরে নগরী ফিরে পেয়েছে পুরনো মর্যাদা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share