Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Ram Mandir: রাম জন্মভূমি চত্বরে কুবের টিলার ওপর গড়ে উঠছে জটায়ুর মন্দিরও, ব্যস্ততা তুঙ্গে

    Ram Mandir: রাম জন্মভূমি চত্বরে কুবের টিলার ওপর গড়ে উঠছে জটায়ুর মন্দিরও, ব্যস্ততা তুঙ্গে

    রামনগরী অযোধ্যা-তিন

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সম্পাদক চম্পত রাই সবার সামনে। পথ দেখিয়ে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা সাংবাদিকদের নিয়ে যেতে থাকলেন রাম জন্মভূমি চত্বরে। ঠিক যেন ছোটখাট মিছিল মনে হচ্ছিল। পিছনে পুলিশের গাড়ি। বুম, ক্যামেরা হাতে সবাই হাঁটছে। দুপুর বেলায় মাথার ওপরে তখন সূর্য। গিয়ে দেখা গেল, রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে পূর্ব-পশ্চিমে। মন্দিরের দক্ষিণ দিকেই তৈরি হচ্ছে আরও সাত মন্দির। রামের জীবনে অবদান রয়েছে, এমন চরিত্রদের মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের কাজও চলছে গড়গড়িয়ে। মন্দির নির্মাণ হচ্ছে বাল্মিকী, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র, অগস্ত্য, নিষাদ রাজ গুহ, শবরী মাতা, অহল্যার। রামায়ণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র জটায়ু। রাবণ সীতাকে হরণ করে নিয়ে যেতে চাইলে জটায়ু বাধা দেন। রাবণের সঙ্গে যুদ্ধ বাধে তাঁর। তাঁর মন্দিরও ভক্তরা পাবেন রাম মন্দির (Ram Mandir) চত্বরে। রাম জন্মভূমি চত্বরের দক্ষিণ দিকেই রয়েছে প্রাকৃতিক একটি টিলা। যার নামকরণ হয়েছে কুবের টিলা। সেখানেই গড়ে উঠছে জটায়ুর মন্দির। ভক্তরা এবার রাম জন্মভূমিতে গিয়ে পুজো দিতে পারবেন জটায়ুর।

    আর্যাবর্ত ও দাক্ষিণাত্যের মেলবন্ধন

    এক কথায়, গোটা রামায়ণ যেন মূর্ত হয়ে উঠবে রাম মন্দির চত্বরে। জটায়ুর মন্দির এতদিন পর্যন্ত দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেই দেখা যেত। ভক্তদের বিশ্বাস অনুযায়ী, যে স্থানে জটায়ুর সঙ্গে রাবণের যুদ্ধ হয়েছিল, সেই স্থানকে ঘিরেই গড়ে ওঠে জটায়ুর মন্দির (Ram Mandir)। তবে এনিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ বলেন, জটায়ু পতিত হয়েছিলেন কেরলে, কেউ বা বলেন অন্ধ্রপ্রদেশে, কেউ আবার বলেন মহারাষ্ট্রে। জনশ্রুতি অনুযায়ী, এটা বিশ্বাস করা হয় যে রাবণ জটায়ুর পক্ষচ্ছেদ ঘটালে তিনি বর্তমান ভারতের কেরল রাজ্যের জটায়ুমঙ্গলম নামক স্থানে একটি পাথরের ওপর এসে পতিত হলে স্থানটির এরূপ নাম হয়৷ যদিও স্থানীয় উচ্চারণে এটি “চডয়মঙ্গলম” নামে পরিচিত৷ এই গ্রামের যে স্থানে শিলার ওপর জটায়ু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন, সেই স্থান এক তীর্থস্থলের মতোই। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম ভারতের পরে জটায়ু এবার স্থান পেতে চলেছেন উত্তর ভারতে রাম মন্দিরকে কেন্দ্র করে। অযোধ্যার রাম মন্দির যেন আর্যাবর্ত ও দাক্ষিণাত্যের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করছে।

    জটায়ুর আখ্যান

    রামায়ণ অনুসারে জটায়ু ছিল একটি দৈবপক্ষী এবং সূর্যদেবের অশ্বচালক অরুণের কনিষ্ঠ পুত্র। তাঁর জ্যেষ্ঠভ্রাতা সম্পাতি ছিলেন একজন অর্ধদেহী দেবতা এবং রামের পিতা দশরথের পরমমিত্র। রাবণের সাথে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরে জটায়ু মূর্চ্ছিত হয়ে মাটি পড়ে থাকা অবস্থায় রামের সাক্ষাৎ পান। সমস্ত ঘটনা শুনে রাম তাঁকে তাঁর মোক্ষ লাভের কথা বলেন। জটায়ু সীতার বিরহে বিব্রত রামকে সান্ত্বনা দিয়ে আশ্বস্ত করেন যে সীতার কোনও ক্ষতি হবে না এবং শীঘ্রই তাঁরা তাঁকে খুঁজে পাবেন। তাঁর মুখে সীতার কুশল সংবাদ ও আশ্বস্তবাণী শুনে রাম জটায়ুকে আলিঙ্গন করেন। জটায়ু মারা যান। জটায়ুর মৃত্যতে সীতার বিরহের থেকেও রাম অধিক মর্মাহত হন। রাম (Ram Mandir) জটায়ুকে নিজের পিতার সমান ও পিতৃতুল্য মনে করে তাঁর অন্ত্যেষ্টি ও প্রয়োজনীয় শ্রাদ্ধশান্তি নিষ্ঠাসহ সম্পন্ন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের উদ্বোধন, বিলি হবে ৫ লাখ প্রসাদের প্যাকেট, অর্ডার পেল কোন সংস্থা?

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের উদ্বোধন, বিলি হবে ৫ লাখ প্রসাদের প্যাকেট, অর্ডার পেল কোন সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন। তারপরেই খুলে যাবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) দ্বার। ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখন থেকেই উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে গোটা অযোধ্যা নগরী। বাড়ির ছাদে ছাদে উড়ছে জয় শ্রীরাম পতাকা। নবনির্মিত মন্দিরের উদ্বোধনের পরে প্রসাদও বিতরণ করা হবে ভক্তদের মধ্যে। যার জন্য পাঁচ লাখ প্যাকেটের অর্ডার দেওয়া হয়েছে একটি সংস্থাকে।

    কোন সংস্থা পেল প্রসাদের অর্ডার?

    জানা গিয়েছে, রাম বিলাস অ্যান্ড সন্স নামের এক সংস্থাকে ওই প্রসাদের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের (Ram Mandir) তরফে এক শীর্ষ পদাধিকারী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২২ জানুয়ারির আগেই সমস্ত প্রসাদের প্যাকেট মন্দির (Ram Mandir) প্রাঙ্গণে চলে আসবে। জানা যাচ্ছে ওই বিপুল পরিমাণ প্যাকেট অর্ডার করতে চরম ব্যস্ততা চলছে রামবিলাস অ্যান্ড সন্সে। দিনরাত কাজ করছেন কর্মীরা। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত কর্মীও তাদেরকে নিয়োগ করতে হয়েছে, শুধুমাত্র রাম মন্দিরের উদ্বোধনের অর্ডারের কথা মাথায় রেখে।

    প্রসাদে কী থাকবে? 

    জানা গিয়েছে, ভক্তদের যে প্রসাদ দেওয়া হবে তা হল আসলে এলাচের বীজ। রাম বিলাস অ্যান্ড সন্স-এর অন্যতম কর্ণধার চন্দ্রগুপ্ত মতে, ‘‘এলাচের বীজে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং অনেক খনিজ রয়েছে। এটি পেটের সমস্যায় খুবই উপকারী, যা ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। তৈরি করা হচ্ছে মোট ৫ লক্ষ প্রসাদের প্যাকেট। সংস্থার ২২ জন কর্মী নিরন্তর সেই কাজ করে চলেছেন।’’

    ছত্তিসগড় থেকে এল চাল

    অন্যদিকে, রাম মন্দিরের জন্য ১০০ টন চালও ইতিমধ্যে ছত্তিসগড় থেকে চলে এসেছে বলে খবর রয়েছে। সূত্রের খবর, অযোধ্যার রামসেবকপুরম এলাকায় রামমন্দির ট্রাস্টের তৈরি কেন্দ্রীয় স্টোরে এই চাল রাখা হয়েছে। দেশের প্রতিটি কোণ থেকে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্দেশে আসা খাদ্য সামগ্রী এখানে মজুত করা হচ্ছে। এই চাল অযোধ্যায় আগত ভক্তদের খাবারের জন্য ব্যবহার করা হবে বলে খবর। অন্যদিকে, রাম মন্দির চত্বরের সবুজায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মধ্য় প্রদেশের ভোপালের একটি নার্সারিকে। প্রাঙ্গণের ভিতরে ৩৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: লক্ষ্য ২২ জানুয়ারি, মন্দির চত্বর ছয়লাপ হলুদ হেলমেট আর কমলা জ্যাকেট পরা শ্রমিকে

    Ram Mandir: লক্ষ্য ২২ জানুয়ারি, মন্দির চত্বর ছয়লাপ হলুদ হেলমেট আর কমলা জ্যাকেট পরা শ্রমিকে

    রামনগরী অযোধ্যা-দুই

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: রাম মন্দির (Ram Mandir) চত্বরে প্রবেশ করতেই দেখা গেল, মহা কর্মযজ্ঞ চলছে। যে দিকেই তাকাই, শুধু হলুদ হেলমেট আর কমলা জ্যাকেট পরা শ্রমিকরা কাজ করে চলেছেন। বড় সাইজের দুটো রোলার তখন উঁচু-নীচু জায়গা সমতল করতে ব্যস্ত। রোলার নিয়ন্ত্রণ করছেন একজন, নির্দেশ দিচ্ছেন অপরজন। বাঁশের তৈরি পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে পুরো মন্দিরের পাশে উলম্বভাবে। তাতেও অজস্র শ্রমিক শেষ মুহূর্তের ছোঁয়া দিচ্ছেন। শুকনো শীতকাল, তাই প্রচুর ধুলো। অনেকের মতো তাই মুখে মাস্ক বেঁধে ফেলতে হল। মন্দিরের ঠিক বাঁদিকেই আমরা দাঁড়িয়ে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ক্যামেরার ফোকাস ততক্ষণে আটকে গিয়েছে নব নির্মিত রাম মন্দিরের দেওয়ালে। গোটা চত্বর ঘুরে দেখাচ্ছেন ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সদস্যরা। হাজির রয়েছেন সম্পাদক চম্পত রাই সমেত উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্য়মন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য। মন্দির প্রাঙ্গণে আসার আগেই অবশ্য জানা গিয়েছিল, রাম মন্দির চত্বরে নির্মাণ হবে আরও ৭টি মন্দির (Ram Mandir)। ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর ভবনেই সেকথা জানিয়েছিলেন ট্রাস্টের সম্পাদক চম্পত রাই। এবার ঘুরিয়ে দেখালেন মন্দিরগুলি ঠিক কোথায় গড়ে উঠবে। পাঠকের মনে এতক্ষণে প্রশ্ন জাগছে, রাম মন্দির চত্বরে আরও ৭টি মন্দির কার কার তৈরি হবে! এর উত্তর সেদিন সাংবাদিক বৈঠকেই জানিয়ে দেয় ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। রামচন্দ্রের জীবনে অবদান রয়েছে, এমন ৭ জনের মন্দির তৈরি হচ্ছে প্রাঙ্গণে। তাঁরা হলেন, বাল্মিকী, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র, অগস্ত্য, মাতা শবরী, নিষাদরাজ গোহু, অহল্যা।

    রাম মন্দির চত্বরে মূর্ত রামায়ণ

    যুগ বদলাচ্ছে, বদলেছে দেশ। বাংলার কথা বলতে গেলে, রোজ দুপুরে ভাতঘুমের বদলে বড়রা রামায়ণ পাঠ করতেন এবং ছোটরা তা শুনত। সে অবশ্য অনেক আগের কথা। তারপর রামায়ণ টিভিতে এল। রামানন্দ সাগরের ‘শো’ দেখতে সাদাকালো টিভির সামনে বসত সবাই। এরপরে অবশ্য কার্টুনে রামায়ণ, ছোটদের রামায়ণ, সিনেমাতে রামায়ণ এসেছে। এবার গোটা রামায়ণ যেন মূর্ত হয়ে উঠবে রাম মন্দির (Ram Mandir) চত্বরেই। মহাকাব্যের স্রষ্টা থেকে বনবাসে বিষ্ণুর অবতারের সঙ্গীরা সকলেই স্থান পেতে চলেছেন রাম মন্দির চত্বরে। 

    ৭ মন্দির যাঁদের তৈরি হবে, রামের জীবনে তাঁদের অবদানগুলি একনজরে দেখে নেব আমরা  

    বাল্মিকী: প্রথম জীবনে দস্যু রত্নাকর পরবর্তীকালে বাল্মিকী মুনি হয়ে ওঠেন। রামায়ণ মহাকাব্যের রচনা তিনিই করেছিলেন।

    বশিষ্ট: রামের গুরু ছিলেন বশিষ্ঠ। 
     
    বিশ্বামিত্র: রামের অপর গুরু ছিলেন বিশ্বামিত্র। ধর্মোপদেশ ছাড়াও সীতার স্বয়ম্ভর সভায় তিনি অযোধ্যার রাজপুত্রকে নিয়ে গিয়েছিলেন।

    অগস্ত্য মুনি: রাবণের আসুরিক চরিত্র সম্পর্কে রামকে প্রথম উপদেশ দেন অগস্ত্য মুনি। মুনির পরামর্শ মতোই রাম গোদাবরীর তীরে পঞ্চবটি নির্মাণ করেন।

    মাতা শবরী: দক্ষিণ ভারতের অচ্ছুত আদিবাসী এই পৌরাণিক চরিত্রের কুটিরে পৌঁছে রাম ও লক্ষণ জল খান। শবরী মাতার এঁটো ফল খেয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন রামচন্দ্র।

    নিষাদরাজ গোহু: বনবাসের সময় রাম-সীতা-লক্ষণকে গঙ্গাপার করেছিলেন নিষাদরাজ গোহু। তিনিও স্থান পাচ্ছেন রাম মন্দিরে।

    অহল্যা: রামের উপস্থিতিতে শাপমুক্ত হয়েছিলেন মহর্ষি গৌতমের পত্নী অহল্যা। তাঁর মন্দিরও থাকছে রাম মন্দিরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bus Accident: অসমে পিকনিকের বাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১৪, আহত ২৭

    Bus Accident: অসমে পিকনিকের বাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১৪, আহত ২৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কাকভোরে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা (Bus Accident) ঘটল অসমে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ২৭ জন। জানা গিয়েছে, এদিন অসমের দেরগাঁও এলাকায় পিকনিক করতে যাওয়া বাসটির সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ (Bus Accident) হয়।

    পুলিশ সূত্রে খবর, বাসটিতে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন এবং তাঁরা সকলেই তিনসুকিয়ার তিলঙ্গা মন্দিরে পিকনিক করতে যাচ্ছিলেন। রাত তিনটে নাগাদ যাত্রা শুরু হয় পিকনিক যাত্রীদের। দুর্ঘটনাস্থল থেকে পিকনিক স্পট খুব বেশি দূরে নয় বলেই জানা গিয়েছে। উল্টো দিক থেকে আসা একটি কয়লা বোঝাই লরির সঙ্গে এই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    আহতরা ভর্তি জোড়হাট মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে

    আহতদের জোড়হাট মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে, মৃত ১৪ জনেরই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহত বেশ কয়েকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলেই শোনা যাচ্ছে। তবে দুর্ঘটনার (Bus Accident) কারণ এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয়। স্থানীয়দের অনুমান, কাকভোরে বাস বা ট্রাক চালকের মধ্যে কেউ একজন সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এবং তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

    দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। সম্পূর্ণ হলেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। স্থানীয় গোলাঘাট জেলার পুলিশ সুপার রাজেন সিং সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘এদিন সকালে পাঁচটা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে৷ গোলঘাট এলাকার কামরাবান্ধা এলাকা থেকে বাসটি যাচ্ছিল তলিঙ্গা মন্দিরের দিকে৷ পর্যটকদের একটি দল ওই বাসে ছিল৷ বালিজান এলাকায় একটি ট্রাককে ধাক্কা মারে বাসটি। উল্টো দিকের ট্রাকটি জোড়হাটের (Bus Accident) দিক থেকে আসছিল।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি, দাবি রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের

    Ram Mandir: ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি, দাবি রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম রাজ্য আসছে আর তারই সঙ্গে লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির সমালোচকদের পরাজয়ও নিশ্চিত। এমন কথাই বলতে শোনা গেল অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ দাসকে। তাঁর মতে, ‘‘রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা হলে সারা দেশবাসী সুখে বাঁচবে। ২০২৪ সালে অনেকগুলি কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। একটি তো হল রামলালা তাঁর নিজের গর্ভগৃহে অধিষ্ঠান করবেন এবং অন্যদিকে লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই বছরেই এই সব কিছুই শুভভাবে সম্পন্ন হবে।’’ অযোধ্যার মন্দিরের (Ram Mandir) প্রধান পুরোহিত দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।

    ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    রামলালাকে ছাপান্নভোগ নিবেদন করা হয় বিশেষ উৎসবগুলিতে। যেমন, হোলি, রামনবমী, বসন্ত পঞ্চমী, নতুন বছর, স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন। সে অনুযায়ী নতুন বছর শুরু হতেই তাঁকে ছাপান্ন ভোগ নিবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান পুরোহিত। এদিন রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আরও জানিয়েছেন যে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি (মোদি) সবকা সাথ, সবকা বিকাশ এই নীতিতে চলছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা দেশের জনগণকে নিয়ে মোটেও আগ্রহী নয়, তাঁরা শুধু ক্ষমতা দখল করতেই চিন্তিত এবং তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনার মাধ্যমে। তবে এটা সম্ভব নয়।

    মোদির তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রীত্ব

    প্রসঙ্গত, মোদির ক্ষমতায় ফেরা যে নিশ্চিত, তা বিভিন্ন অরাজনৈতিক মহল থেকেই বলা হচ্ছে। দু’দিন আগেই ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য গার্ডিয়ান’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছে যে ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ফের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। অন্যদিকে একই সুর শোনা যাচ্ছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) পুরোহিতদের মুখে।

    স্মার্ট সিটি অযোধ্যা

    অযোধ্যাতে যেন উন্নয়নের জোয়ার বইছে। ১৭৮টি প্রকল্প চলছে সেখানে। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, স্মার্ট সিটি করার লক্ষ্যে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে আগামী ১০ বছরে। অযোধ্যাতে বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী গত ৩০ ডিসেম্বর। নতুনভাবে সেজে উঠছে অযোধ্যার রেলওয়ে স্টেশন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Truck Strike: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠক, উঠে গেল ট্রাক চালকদের ধর্মঘট

    Truck Strike: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠক, উঠে গেল ট্রাক চালকদের ধর্মঘট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্বাস পেতেই উঠে গেল ট্রাকচালক ও বিভিন্ন পরিবহণ সংস্থার বিক্ষোভ-প্রতিবাদ কর্মসূচি। নতুন ন্যায় সংহিতায় গাড়ি চাপা দেওয়ার (হিট অ্যান্ড রান) শাস্তি নিয়েই আপত্তি তোলে বিভিন্ন ট্রাকচালক সংগঠন (Truck Strike Latest Update)। মঙ্গলবারই ন্যায় সংহিতায় যে সংস্থান রয়েছে তা কার্যকর হওয়ার আগে বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা। এরপরেই দেশ জুড়ে ট্রাকচালকরা (Truck Strike Latest Update) তাঁদের বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    বৈঠক অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সঙ্গে 

    মঙ্গলবার অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব জানান, তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি আইন কার্যকর করার আগে বিবেচনা করা হবে। অজয় বলেন, ‘‘নতুন আইন এখনও কার্যকর হয়নি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৬/২ ধারা কার্যকর করার আগে অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ প্রসঙ্গত, গাড়ি চাপা দেওয়ার নতুন আইনের বিরুদ্ধে ভারত জুড়ে বেশ কয়েকটি পরিবহণ সমিতি প্রতিবাদ শুরু করে (Truck Strike Latest Update)। ভারতীয় দণ্ডবিধিকে সরিয়ে দিন কয়েক আগেই এসেছে ন্যায় সংহিতা। সেখানেই একটি ধারায় বলা হয়েছে, চালকের ভুলে গাড়ি দুর্ঘটনা হলে এবং সেটা পুলিশ বা প্রশাসনের কোনও আধিকারিককে না জানিয়ে যদি তিনি পালিয়ে যান, সেক্ষেত্রে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। জানা গিয়েছে, আগে আইপিসি বা ভারতীয় দণ্ডবিধিতে এই ধরনের মামলায় শাস্তির মেয়াদ ছিল দু’বছর। তবে এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্বাস মিলতেই বেশ খুশি ট্রাক চালকরা।

    কী বলছেন ট্রাক চালক সংগঠনের নেতা?

    বিক্ষোভ প্রশমনে কেন্দ্রের উদ্যোগ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সভাপতি অমিত মদন বলেন, ‘‘আপনারা শুধু চালক নন, আপনারা আমাদের সৈনিক। আমরা চাই না যে আপনারা কোনও রকম সমস্যার মুখোমুখি হন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিষয়টি এখনও মুলতুবি (Truck Strike Latest Update) রেখেছেন। অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত ওই আইন কার্যকর করা হবে না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের স্বপ্ন সফল হচ্ছে, ৭৫ বছর বয়সেও নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন চম্পত রাই

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের স্বপ্ন সফল হচ্ছে, ৭৫ বছর বয়সেও নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন চম্পত রাই

    রামনগরী অযোধ্যা-এক

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: রাম রাজ্যের ধারণা ছোট থেকেই শুনে আসছি। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অযোধ্যায় পা রাখতেই স্বচক্ষে দেখলাম রামের রাজত্ব। রামনগরীর প্রতিটি ইট থেকে সরযূ নদীর জল, সবটাই রামচন্দ্রময়। লঙ্কাজয়ের পর রামচন্দ্রের ঘরে ফেরার সময় অযোধ্যানগরী কেমন সেজে উঠেছিল, তা জানার উপায় নেই। তবে ২২ জানুয়ারি রামের মন্দিরে (Ram Mandir) ফেরার আগে উত্তেজনার পারদে যে ফুটছে অযোধ্যা, তা বোঝাই গেল। সব থেকে কর্মব্যস্ততা রয়েছে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর। নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন কর্তারা। মন্দির কমিটির তত্ত্বাবধানে গড়ে উঠেছে ‘তীর্থ ক্ষেত্র ভবন’। রাম মন্দির (Ram Mandir) থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে। সেখান থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে কড়া নিরাপত্তার বলয়।

    ৭৫ বছরের বৃদ্ধ চম্পত রাই। যুবক বয়স থেকেই যুক্ত রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে। বর্তমানে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্বে তিনি। পাশাপাশি গুরুদায়িত্ব রয়েছে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর। তিনি ট্রাস্টের সম্পাদক। সব কিছুই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার ভার তাঁর ওপরেই। সাদা ধুতি, খাদির পাঞ্জাবির ওপর শীত আটকাতে জ্যাকেট। কপালে তিলক আঁকা বৃদ্ধ হাতে মাইক নিয়ে শুরু করলে সাংবাদিক বৈঠক। পিছনে রামমন্দিরের ৭০ একর জায়গার ম্যাপ। চেয়ারে বসে ম্যাপ দেখাতে অসুবিধা হচ্ছিল, তাই উঠে দাঁড়ালেন সত্তরোর্দ্ধ বৃদ্ধ। চম্পত রাইয়ের নিঁখুত বর্ণনায় উঠে এল সামগ্রিক রাম মন্দির (Ram Mandir)। জানা গেল মন্দির তৈরি হচ্ছে জগদ্গুরু আদি শঙ্করাচার্যের ভাবনায়। কী সেই ভাবনা?

    জগদ্গুরু আদি শঙ্করাচার্যের ভাবনা

    হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থানে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন আদতে কেরলে জন্মগ্রহণ করা আদিগুরু শঙ্করাচার্য। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ রচনা থেকে দেবদেবীর স্তোত্রের সংকলন, সবটাই করেছিলেন তিনি। গীতার ভাষ্য তিনিই রচনা করেছেন। পূজা পদ্ধতি, আচার অনুষ্ঠানের বিধি ও নিয়মও লিখে গিয়েছিলেন তিনি। জগদ্গুরু শঙ্করাচার্যের ‘পঞ্চায়তন’ ভাবনার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠছে রাম মন্দির। ‘পঞ্চায়তন’ কথার আক্ষরিক মানে হল পাঁচ দেবদেবীর পুজো। হিন্দু ধর্ম অনুসারে, প্রতিটি ধর্মস্থানে বা মন্দিরে পাঁচ দেবদেবীর পুজোর বিধান দিয়ে গিয়েছিলেন জগদ্গুরু শঙ্করাচার্য। কোন পাঁচ দেবদেবী? এঁরা হলেন সূর্য, শঙ্কর, গণপতি, ভগবতী ও বিষ্ণু। ভক্তদের বিশ্বাস, এই পাঁচদেব দেবীর আরাধনা করলেই সম্পন্ন করা যায় সম্পূর্ণ পুজো। রাম মন্দিরেরও থাকবেন এই পাঁচ দেবদেবী। ভক্তদের বিশ্বাস মতে, রামচন্দ্র হলেন বিষ্ণুর অবতার। তাই রাম মন্দিরে আলাদাভাবে কোনও বিষ্ণু মূর্তি থাকবে না বলেই সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন চম্পত রাই। হিন্দু ধর্মের পবিত্র তীর্থস্থল ইতিমধ্যেই হয়ে উঠেছে অযোধ্যা।

    রাম মন্দিরে জগদ্গুরুর ছোঁয়া

    ২২ জানুয়ারি মন্দির উদ্বোধনের পর সেখানে প্রতিদিন গড়ে ৩ লাখ তীর্থযাত্রীর পা পড়বে বলে অনুমান মন্দির কমিটির। তাই সব দিক থেকেই নিঁখুতভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে রাম মন্দিরকে (Ram Mandir)। প্রাচীন ভারতের ধর্মগুরু শঙ্করাচার্যের ভাবনাই প্রতিফলিত হচ্ছে রাম মন্দিরে। হিন্দু ধর্মের প্রতিটি রীতিই পালন করা হচ্ছে মন্দির নির্মাণে। উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের মন্দিরের গঠন প্রণালীরও মেলবন্ধন দেখা যাবে রাম মন্দিরে। দেশের চার কোনায় চারটি মঠ স্থাপন করে গিয়েছিলেন শঙ্করাচার্য। চারধাম যাত্রায় প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পুণার্থী রওনা হন। তাঁদের সঙ্গে পরিচয় হয় শঙ্করাচার্যের ভাবনা ও ধারণার। এবার রাম মন্দিরেও মিলবে জগদ্গুরুর ছোঁয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামলালার কোন মূর্তি মন্দিরের গর্ভগৃহে বসবে হয়ে গেল চূড়ান্ত, শিল্পী কে জানেন?

    Ram Mandir: রামলালার কোন মূর্তি মন্দিরের গর্ভগৃহে বসবে হয়ে গেল চূড়ান্ত, শিল্পী কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার তৈরি রামলালা অযোধ্যার রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থান পাবে, তা নিয়ে তিন শিল্পীর তৈরি তিন মূর্তি নিয়ে চলছিল জোর প্রতিযোগিতা। মূর্তি বাছাইয়ে হয়েছে ভোটাভুটিও। অবশেষে সেই ভোটাভুটির ফল প্রকাশ্যে এল। মঙ্গলবার এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে সেই সুখবর দেন বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশী। তিনি জানান, কর্নাটকের শিল্পী অরুণ যোগীরাজের তৈরি মূর্তিই সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত করা হয়েছে। 

    কর্নাটকে এমবিএ করা অরুণ যোগীরাজ ২০০৮ সালে চাকরি ছেড়ে ভাস্কর্যকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর উপরেই দায়িত্ব ছিল রামলালার মূর্তি তৈরির (Ram Mandir)। রামলালার একটি মূর্তি তৈরি হয়নি, তিনটি মূর্তি তৈরি হয়েছিল। রামলালার মূর্তি তৈরির জন্য ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ তিনজনের উপর দায়িত্বভার অর্পণ করেছিল, তাঁদের মধ্যে অরুণ যোগীরাজ ছাড়াও বাকি দুজন হলেন রাজস্থানের সত্যনারায়ণ পান্ডে এবং বেঙ্গালুরুর জিএল ভাট। সেখান থেকে অরুণ যোগীরাজের মূর্তি বেছে নেওয়া হল। 

    অরুণ যোগীরাজের তৈরি করা মূর্তিটি কেমন?

    সূত্রের খবর, অরুণ যোগীরাজের তৈরি করা রামলালার মূর্তিটি ৮ ফুটেরও বেশি লম্বা। চওড়ায় প্রায় সাড়ে তিন ফুট। প্রায় ছয় মাস ধরে নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে রামলালার মূর্তি তৈরি করেছেন তিনি। রামলালার মূর্তিটি তৈরির আগেও অরুণ যোগীরাজ কেদারনাথে স্থাপিত বর্তমানে আদি শঙ্করাচার্যের মূর্তিটিও (Ram Mandir) তৈরি করেছেন। দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের সামনে বর্তমানে যে নেতাজি মূর্তিটি দেখতে পাওয়া যায়, সেটিও তাঁর হাতেই তৈরি। এই দুটি মূর্তিরই উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। অরুণ যোগীরাজের তৈরি রামলালার মূর্তিটি বাছা হল, অর্থাৎ সেক্ষেত্রে তাঁর তৈরি করা তৃতীয় মূর্তির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২২ জানুয়ারি রয়েছে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন।

    হাজারেরও বেশি মূর্তি তৈরি করেছেন অরুণ

    সম্প্রতি, দিল্লির জয়সলমির হাউসের সামনে আম্বেদকরের একটি মূর্তি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই মূর্তি গড়ার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে অরুণ যোগীরাজের উপর। চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল আম্বেদকরের জন্মদিনে ওই মূর্তির উদ্বোধন হওয়ার কথা। উদ্বোধন করবেন অমিত শাহ। ৪০ বছর বয়সী অরুণ যোগীরাজ মাইসুরুর বাসিন্দা। তাঁর পূর্বপুরুষরাও মূর্তি তৈরির পেশায় যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। অরুণের পরিবারের ৫ প্রজন্মই প্রতিমা তৈরির কাজ করেন। অরুণ নিজের হাতে এখনও পর্যন্ত তৈরি করেছেন হাজারেরও বেশি মূর্তি (Ram Mandir)। ছেলের সাফল্যে গর্বিত অরুণ যোগীরাজের মা সরস্বতী। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের জন্য সবচেয়ে খুশির মুহূর্ত। আমি চেয়েছিলাম অরুণ রামলালার মূর্তি গড়ছে তা আমি নিজে চোখে দেখে আসি। কিন্তু, ও আমায় বলল অযোধ্যায় নিয়ে যাবে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন আমি অযোধ্যায় যাব।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pannun: এবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ ওড়ানোর হুমকি খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের মুখে

    Pannun: এবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ ওড়ানোর হুমকি খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা পান্নুনের (Pannun) মূল কাজই হল ভিডিওবার্তার মাধ্যমে হুমকি দেওয়া। কখনও গুজরাটে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচ বন্ধ করার হুমকি দেয় সে, কখনও বা সংসদ ভবন ওড়ানোর হুমকি। এবার নয়া ভিডিও এল পান্নুনের। সেখানে তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার কথা। তার হুঁশিয়ারি, ‘‘ভারতে এবার অর্থনৈতিক ধ্বংসলীলা চালাবো।’’ ‘শিখ ফর জাস্টিস’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পান্নুনের বিরুদ্ধে একাধিক দেশদ্রোহিতার মামলা রয়েছে। এই জঙ্গি নেতার দাবি, ‘‘ভারতে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার লক্ষ্য নিয়েই বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে হামলা চালানো হবে। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক, কর্পোরেট সেক্টরও বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া হবে।’’

    বাক-স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে পান্নুনকে গার্ড করছে বিদেশি সংস্থাগুলি 

    কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে খবর, পৃথক রাজ্য খালিস্তান তৈরির সমস্ত রকমের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, তাই এবার অন্য উপায়েই এই খালিস্তানি জঙ্গি এমন প্রচার করছে। শুধুমাত্র পান্নুন (Pannun) নয়, এর পাশাপাশি আরও অনেক খালিস্তানপন্থী জঙ্গিই খালিস্তানি প্রচার চালাচ্ছে আমেরিকায় বসে এবং বিদেশি সংস্থাগুলি তাদের আগলে রেখেছে শুধুমাত্র বাক স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে। সম্প্রতি আরও একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল পান্নুন (Pannun) এবং সেখানে সে প্রশ্ন তোলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ঠিক কোন স্তরের নিরাপত্তা পান! প্রসঙ্গত ২০২০ সালের জুলাই মাসেই পান্নুনকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা হয় ইউএপিএ আইন অনুযায়ী।

    ১২ মার্চ মুম্বই বিস্ফোরণের বর্ষপূর্তিতে হামলার হুমকি

    প্রসঙ্গত, বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ ওড়ানোর হুমকি পান্নুন দিয়েছে ১২ মার্চ। ১৯৯৩ সালের ওই দিনেই ভয়াবহ ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বাণিজ্যনগরী। সেই দিনই ফের বম্বেতে বিস্ফোরণের হুমকি দিতে শোনা গেল পান্নুনকে। এর আগে ১৩ ডিসেম্বর সংসদ হামলার বর্ষপূর্তিতেও পার্লামেন্ট ওড়ানোর হুমকি দিয়েছিল সে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: বছরের পয়লা দিনেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে, নিহত ৩, কারফিউ জারি ৫ জেলায়

    Manipur: বছরের পয়লা দিনেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে, নিহত ৩, কারফিউ জারি ৫ জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে (Manipur)। সোমবার বিকেলে মণিপুরের থৌবল জেলায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে অন্তত তিনজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না চলে যায়, সে কারণেই রাজধানী ইম্ফল সহ রাজ্যের পাঁচ জেলায় ইতিমধ্যে কারফিউ জারি করেছে মণিপুর সরকার। এগুলি হল থৌবল, ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, বিষ্ণুপুর এবং কক চিং।

    গাড়িতে আগুন দুষ্কৃতীদের

    স্থানীয় সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে, প্রথমে তিনজন ব্যক্তিকে একটি গাড়িতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লিলং চিংঝাও এলাকায় অন্য সম্প্রদায়ের দুষ্কৃতীরা ওই গাড়িটিকে আটকায় এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনার পরেই ওই পাহাড়ি অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আরও কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে (Manipur)। দুই গোষ্ঠীর কাছেই সংযত হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। প্রসঙ্গত, দুই দিন আগে মণিপুরের সীমান্ত শহর মোরেতে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা পুলিশের এক কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি

    জানা গিয়েছে, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং দলের বিধায়ক-মন্ত্রীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন (Manipur)। সেখানে রাজ্যবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। দোষীদের দ্রুত খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এদিন এক ভিডিও বার্তায় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নিরপরাধ মানুষদের হত্যার ঘটনায় আমি অপরিসীম দুঃখিত। আমরা অপরাধীদের ধরতে পুলিশের দলগুলিকে একত্রিত করছি। আমি হাত জোড় করে লিলংয়ের বাসিন্দাদের কাছে আবেদন করছি, অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সরকারকে সাহায্য করুন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সরকার আইনের অধীনে ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। রাজ্য সরকার ঘটনাটিকে মোটেই সহজভাবে নিচ্ছে না। অপরাধীদের ধরতে এলাকায় আরও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হবে।”

    আরও পড়ুুন: কনভয়ে বিস্ফোরণ, নিহত জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share