Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: উত্তরপ্রদেশে পুর নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

    PM Modi: উত্তরপ্রদেশে পুর নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়, যোগীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে পুরসভা নির্বাচনে কার্যত গেরুয়া (BJP) ঝড়। শনিবার ফল বের হয় ওই নির্বাচনের। তার পরেই যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে রাজ্যে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, এই ফলই তার প্রমাণ। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের বিজেপি কর্মী এবং পুরভোটে জয়ী দলীয় প্রার্থীদেরও অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাজ্যের শাসকদল বিজেপি ১৭টি পুরসভার মধ্যে মেয়র পদে জিতেছে ১৭টিতেই। অযোধ্যা, ঝাঁসি, বরেলি, মথুরা-বৃন্দাবন, মোরদাবাদ, সাহারানপুর, প্রয়াগরাজ, আলিগড়, শাজাহানপুর এবং গাজিয়াবাদে জয়ী হয়েছেন দলীয় প্রার্থীরা।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)…

    উত্তরপ্রদেশে দলের এই বিরাট জয়ের যাবতীয় কৃতিত্ব বিজেপির তরফে দেওয়া হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। নির্বাচনের আগে ১৩ দিনে ৫০টি জনসভা করেছেন তিনি। বস্তুত এ রাজ্যে বিজেপির প্রচারের মুখ ছিলেন তিনিই। তাই প্রধানমন্ত্রীও তাঁর প্রশংসা করেছেন। দু দফায় হয়েছে পুরসভা নির্বাচন। ভোট (PM Modi) হয়েছে মেয়র, নগর পঞ্চায়েত চেয়ারপার্সন এবং নগরপালিকা পরিষদ চেয়ারপার্সন বাছাই করতে। সর্বত্রই ক্লিন বোল্ড হয়ে গিয়েছেন বিরোধীরা। প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মূলত দুটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছিলেন।

    একটি হল, উত্তরপ্রদেশে অপরাধী এবং মাফিয়াদের দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয়টি হল, অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন সমাজবাদী পার্টি। প্রসঙ্গত, ওই নির্বাচনে বিজেপি জিতেছে ১৭টি মেয়র পদে। নগর পঞ্চায়েতের ৫৪৪টি আসন গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। নগর পালিকা পরিষদ নির্বাচনে ১৯৯টি আসনেও জয়ী হয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    রাজ্যের যে ১৭টি নগর নিগমে বিজেপি (PM Modi) জিতেছে সেগুলি হল রাজধানী লখনউ, প্রয়াগরাজ, কানপুর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসী, মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ যোগীর শহর গোরক্ষপুর এবং অযোধ্যা। সাহারানপুর, আগ্রা, মোরাদাবাদ, ফিরোজাবাদ, মথুরা, ঝাঁসি, মিরাট, গাজিয়াবাদ, বরেলি, শাহজাহানপুর এবং আলিগড়ও রয়েছে এই তালিকায়। এই নগরনিগমগুলির মেয়রপদের পাশাপাশি ১,৪০১টি ওয়ার্ডের কর্পোরেটর পদের ৫০ শতাংশেরও বেশি আসনও গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CBI: সিবিআইয়ের নয়া ডিরেক্টর হচ্ছেন প্রবীণ সুদ, জানেন তিনি কে?

    CBI: সিবিআইয়ের নয়া ডিরেক্টর হচ্ছেন প্রবীণ সুদ, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম বাংলা নিউজ: কর্নাটক (Karnataka) ক্যাডারের আইপিএস (IPS) অফিসার প্রবীণ সুদ (Praveen Sood) হতে চলেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের (CBI) নয়া ডিরেক্টর। রবিবার এই পদে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। মেয়াদ শেষ হতে চলেছে সিবিআইয়ের বর্তমান প্রধানের। সেই কারণেই প্রয়োজন ছিল নয়া সিবিআই প্রধান নির্বাচন। সেই জন্যই শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে হয় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ও। এদিন সিবিআই প্রধান পদে তিনজনের নামের সুপারিশ জমা পড়েছিল। এঁরা হলেন, কর্নাটকের ডিজিপি প্রবীণ সুদ, মধ্যপ্রদেশের ডিজিপি সুধীরকুমার সাক্সেনা এবং দমকল পরিষেবা, নাগরিক প্রতিরক্ষা এবং হোমগার্ড বিভাগের তাজ হাসান।

    সিবিআইয়ের (CBI) ডিরেক্টর…

    বর্তমানে সিবিআইয়ের (CBI) ডিরেক্টর পদে রয়েছেন মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার সুবোধকুমার জয়সওয়াল। ২০২১ সালের ২৬ মে সিবিআই ডিরেক্টর পদে উন্নীত হয়েছিলেন তিনি। ২৫ মে শেষ হতে চলেছে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ। তাঁর মেয়াদ বাড়ানো হবে, নাকি নতুন কাউকে নিয়োগ করা হবে, তা ঠিক করতেই শনিবার বসেছিল বৈঠক। রবিবার ঘোষণা করা হল প্রবীণের নাম।

    বস্তুত সিবিআই ডিরেক্টর হওয়ার দৌড়ে প্রথম থেকেই এগিয়েছিলেন প্রবীণ। হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা প্রবীণ আইআইটি দিল্লির প্রাক্তনী। ১৯৮৬ সালের আইপিএস অফিসার তিনি। এর আগে টানা তিন বছর ধরে কর্নাটকের ডিজিপি হিসেবে কাজ করেছেন প্রবীণ। ২০২৪ সালের মে মাসে অবসর নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। সিবিআই ডিরেক্টর মনোনীত হওয়ায় তাঁকে কাজ করতে হবে কমপক্ষে ২০২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, দুর্নীত ও অর্থনৈতিক নানা অপরাধ থেকে শুরু করে সন্ত্রাসবাদের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে হাই প্রোফাইল মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় সিবিআই (CBI)।

    আরও পড়ুুন: সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরতে ব্যাপক প্রচারে নামতে চলেছে মোদি সরকার

    রবিবার যে সরকারি নির্দেশনামা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে জানানো হয়েছে প্রবীণকেই সিবিআইয়ের পরবর্তী ডিরেক্টর হিসেবে বেছে নিয়েছে ভারত সরকার। তাঁর কার্যকালের মেয়াদ হবে দু বছর। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত কমিটি নিয়োগ করেন সিবিআই প্রধানকে। এই পদে কাউকে মনোনীত করা হয় দু বছরের জন্য। পরে প্রয়োজনে সর্বাধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে তাঁর মেয়াদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka: নন্দীগ্রামের ছায়া কর্নাটকে! পুনর্গণনায় বিজেপি প্রার্থী জিতলেন ১৬ ভোটে

    Karnataka: নন্দীগ্রামের ছায়া কর্নাটকে! পুনর্গণনায় বিজেপি প্রার্থী জিতলেন ১৬ ভোটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানটান উত্তেজনায় কর্নাটকের (Karnataka) জয়নগর কেন্দ্রে দেখা গেল ২০২১ সালের নন্দীগ্রামের চিত্র। রাতভর চলল পুনর্গণনা। নন্দীগ্রামে প্রথমে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পরে পুনর্গণনা হতেই পাল্টে যায় চিত্র। জেতেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবারই কর্নাটকের (Karnataka) ভোটের ফলাফল সামনে এসেছে। মসনদে ফিরেছে কংগ্রেস। এদিন বেঙ্গালুরুর জয়নগর কেন্দ্রের গণনা নিয়ে দিনভর চলল নাটক। শনিবার দুপুর থেকে কংগ্রেস প্রার্থী জিতেছেন বলে খবর রটে, রবিবার নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা করে পুনর্গণনার পরে, যে কংগ্রেস নয় ওই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সি কে রামামূর্তি। এবং ভোটের ব্যবধান মাত্র ১৬। কর্ণাটক (Karnataka) বিধানসভার ২২৪ আসনের মধ্যে ২২৩টির ফলাফল শনিবার রাত অবধি ঘোষণা হয়ে গেলেও জয়নগর কেন্দ্র নিয়েই চলতে থাকে চাপানউতর। ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সৌম্য রেড্ডি জয়ী হয়েছেন নাকি বিজেপি প্রার্থী সি কে রামামূর্তি তা নিয়েই সরগরম থাকে গণনা কেন্দ্র। রাত অবধি তিনবার গণনা হয়, কিন্তু তারপরেও বিজেপির তরফ থেকে যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য ফের গণনার দাবি করেন। এরপর মধ্যরাত অবধি চলে ভোট গণনা। গণনায় দেখা যায় কংগ্রেস প্রার্থী পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৮১ ভোট অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী এস রামামূর্তি পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৯৭ ভোট। বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে এদিন সারাক্ষণই উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গালুরু দক্ষিণের সাংসদ তেজস্বী সূর্য।

    কিভাবে তৈরি হয় সমস্যা

    সূত্রের খবর, গণনা শেষে কংগ্রেস প্রার্থীকে ১৬০ ভোটে জয়ী ঘোষণা করা হয় কিন্তু বিজেপির তরফ থেকে তেজস্বী সূর্য পুনর্গণনার দাবি তোলেন। তাঁরা দাবি করতে থাকেন যে, প্রযুক্তিগত কারণ দেখিয়ে ১৭৭ টি পোস্টাল ব্যালটের ভোট বাতিল করা যাবে। জেলা নির্বাচন আধিকারিক এই দাবি মেনে পোস্টাল ব্যালটগুলি পুনর্গণনার নির্দেশ দেন। তখন ১৬০ ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা বিজেপি প্রার্থী ১৬ ভোটে জয়ী হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Third Front: “থার্ড ফ্রন্টে যাচ্ছি না”! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ঘোষণা নবীনের

    Third Front: “থার্ড ফ্রন্টে যাচ্ছি না”! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ঘোষণা নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন, অ-বিজেপি, অ-কংগ্রেসী রাজনৈতিক দলগুলিকে এক ছাতার তলায় আনতে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমেছে আঞ্চলিক দলগুলি। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক সেই থার্ড ফ্রন্টের (Third Front) সম্ভাবনাতেই জল ঢেলে দিলেন। অ-বিজেপি ও অ-কংগ্রেসী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নবীনের উক্তি, ‘‘এখনই এরকম কোন সম্ভাবনা নেই।’’ প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই বিহার থেকে উড়ে নবান্নে এসেছিলেন নীতিশ কুমার এবং তেজস্বী যাদব। দুজনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সম্ভাবনা তৈরি হয় অ-বিজেপি ও অ-কংগ্রেসী দলগুলোর একছাতার তলায় আসার। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ২০২৪ সালে আবারও সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিজেপি। থার্ড ফ্রন্টের (Third Front) মুখ কে হবেন, সে নিয়েই সংশয় রয়েছে। তো এরকম পরিস্থিতিতে থার্ড ফ্রন্টের (Third Front) সম্ভাবনাকে একটা অলীক কল্পনা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। অভিজ্ঞ মহল বলছে, প্রতিবারই লোকসভা নির্বাচনের আগে আঞ্চলিক দলগুলো মিলে এরকম একটা হাওয়া তৈরি করে। কিন্তু জাতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে কংগ্রেস এবং বিজেপি ছাড়া সব রাজ্যে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই।

    বৃহস্পতিবারে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে

    প্রসঙ্গত, এদিন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। জানা গেছে, ওড়িশার উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে এবং ওড়িশার বিভিন্ন উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি, প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, আমরা পুরীতে একটা বিমানবন্দর গড়তে চাই। ভুবনেশ্বর এয়ারপোর্টের উপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, প্রধানমন্ত্রী সব রকম দিক থেকে সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।’’ প্রসঙ্গত, নীতিশ কুমারের সঙ্গে মঙ্গলবারই বৈঠক হয় নবীন পট্টনায়কের। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎকার হিসেবে বলেছেন নবীন পট্টনায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Beekeeping: কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে মৌমাছি পালনে জোর কেন্দ্রের, উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    Beekeeping: কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে মৌমাছি পালনে জোর কেন্দ্রের, উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জৈব ও প্রাকৃতিক চাষের ওপর নির্ভর করে বেড়ে উঠছে দেশের পরিবর্তনশীল কৃষি ব্যবস্থা। এবার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালনের (Beekeeping) মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, যা ক্ষুদ্র কৃষকদের জীবিকা ব্যবস্থায় একটি অসাধারণ প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় কৃষি অনুসন্ধান পরিষদ। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে বলেছেন, মধু উৎপাদন দেশে কৃষকদের জীবনশৈলীরও পরিবর্তন ঘটাচ্ছে।

    লকডাউনের সময় থেকেই উদ্যোগ শুরু

    প্রসঙ্গত, গত ২০২০-২১ সালে করোনা আবহে লকডাউন চলাকালীন নানা অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন দেশবাসী। কৃষির গুরুত্ব কতখানি, হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন তাঁরা। যদিও, ওই সময় কেন্দ্র আত্মনির্ভরতার বার্তা দিয়েছিল। একইসঙ্গে গুরুত্ব দিয়েছিল কৃষিজ ফসলে। তার ফলস্বরূপ উষরমুক্তি প্লাস প্রকল্পে ও ১০০ দিনের কাজে সবজি চাষে জোর দেওয়া হয়। বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে শুরু হয় সবজি চাষ, উদ্যান পালন। তাতে একদিকে যেমন বাজারে পর্যাপ্ত সবজির জোগান থাকবে, একইসঙ্গে আয় বাড়বে গোষ্ঠীর সদস্যদের। এবার কৃষকদের মৌমাছি পালনের (Beekeeping) ওপর গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

    মৌমাছি পালন কীভাবে করবেন কৃষকরা?

    প্রসঙ্গত, শুরু হয়েছে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন (Beekeeping)। এর জন্য দরকার বিশেষ ধরনের বাক্স, যেখানে মৌমাছিদের কলোনি থাকবে। ২০-৫০ হাজার মৌমাছি থাকবে একটি কলোনিতে। কৃষি প্রধান এলাকা, যেখানে সরষে, তিষি, ফুল চাষ হয় এবং বনভূমি এলাকায় ওই বাক্স রাখতে হবে। একজন চাষিকে কমপক্ষে ৪০-৫০টি বাক্স রাখতে হবে মৌমাছি পালনে। খরচ পড়বে ৫ হাজার টাকা। তার সঙ্গে শ্রমিকের খরচ ও কখনও মৌমাছিদের চিনি অথবা গুড়ের রস করে খাওয়ানোর খরচ। মৌমাছি পালনের মরশুম নভেম্বর থেকে মে-জুন মাস। মরশুমে একজন চাষি ২-৩ মাসে একটা কলোনিতে ১২-১৪ কেজি পর্যন্ত মধু সংগ্রহ করতে পারবেন। বাজারে বিভিম্ন নামী কোম্পানির থেকে অনেকগুণ উৎকৃষ্টমানের হবে এই মধু। 

    লাভজনক এবং পরিবেশবান্ধব মডেল

    প্রসঙ্গত, নব্বইয়ের দশকের শেষের দিক থেকে ভারতে মধু উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ৭০ শতাংশ অবদান হল অসংগঠিত ক্ষেত্রের। এই নিরিখে মৌমাছি পালনকে (Beekeeping) সবচেয়ে লাভজনক এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি-ব্যবসার মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন, মধু উৎপাদন আমাদের কৃষকদের আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের জীবনশৈলীরও পরিবর্তন ঘটাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি দেশের যুব জনগোষ্ঠীকে ব্যবসায়িক মনোভাবের মাধ্যমে মৌমাছি পালন এবং নতুন সম্ভাবনাগুলি উপলব্ধি করার আহ্বান জানান।

    কী বলছে সমীক্ষার রিপোর্ট?

    সম্প্রতি, ভারতীয় কৃষি অনুসন্ধান পরিষদ ‘মন কি বাত’-এর প্রেক্ষাপটে ভারতব্যাপী একটি সমীক্ষা করেছে। যেখানে ৪০ জন মৌমাছি পালক এবং ৪০টি মৌমাছি পালনকারী (Beekeeping) দল অংশগ্রহণ করেছিল। সমীক্ষাটি ছিল দেশের ২৬টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৬টি জেলা জুড়ে। তাতে দেখা গেছে, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রগুলি সচেতনতা, প্রশিক্ষণ এবং প্রদর্শনী কর্মসূচির মাধ্যমে মৌমাছি পালনের অনুশীলনকে উন্নত করতে সত্যিই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের এইসব কর্মসূচি প্রায় ৩২.৫০ শতাংশ মৌমাছি পালনকারীকে অনুপ্রাণিত করেছে। মৌমাছি পালনের লাভজনক দিক প্রায় ২৭.৫০ শতাংশ ব্যক্তিকে মৌমাছি পালনে উদ্বুদ্ধ করেছে। সফলতার নিরিখে সর্বমোট ২২.৫০ শতাংশ একক মৌমাছি পালনকারী এটিকে ব্যবসায়িক উদ্যোগ হিসাবে গ্রহণ করেছেন। লক্ষণীয় হল, মৌমাছি পালন সহায়ক চাষের বিকল্প হিসাবে সত্যিই একটি লাভজনক উদ্যোগ হিসাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের কড়া মনোভাব টের পেয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রী ছুটলেন পাকিস্তানে

    Jammu and Kashmir: কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের কড়া মনোভাব টের পেয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রী ছুটলেন পাকিস্তানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: Shanghai Corporation Organisation (SCO)-এর বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাফ জানিয়েছিলেন, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে, থাকবে। গোয়ায় এই বৈঠকে হাজির ছিলেন পাক বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো। এবার কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) ইস্যুতে পাকিস্তানের সুরে সুর মেলাতে ইসলামাবাদ উড়ে গেলেন চিনা বিদেশমন্ত্রী কিম। প্রসঙ্গত, চিনা বিদেশমন্ত্রীও হাজির ছিলেন গোয়ায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে। অন্যদিকে, লাহোরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিলাওয়ালের ভারত সফরকে কটাক্ষ করলেন, সেদেশে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। প্রাক্তন পাক অধিনায়কের মতে, দেশ এই সময় ঘোর আর্থিক সংকটে ধুঁকছে, এমন পরিস্থিতিতে বিলাওয়াল পাকিস্তানের টাকায় বিদেশ সফর করছে। ইমরানের আরও প্রশ্ন, বিলাওয়ালের এই ভারত সফরে পাকিস্তানের কী লাভ হল, তা পাকিস্তানবাসী জানতে চায়। প্রসঙ্গত, ভারত সফরে এসে কড়া কথাবার্তাই হজম করতে হয় বিলাওয়ালকে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, তাই হয়তো ইমরানের এই খোঁচা।

    প্রসঙ্গ কাশ্মীর…

    ৩৭০ ধারার প্রসঙ্গ উঠতেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়ালকে বলেছিলেন, জেগে উঠুন, কফির ঘ্রাণ নিন, ৩৭০ ধারা এখন অতীত। পাশাপাশি, বিলওয়ালকে টেররিস্ট ইন্ডাস্ট্রির মুখপাত্র বা এজেন্ট বলেও তোপ দাগেন এস জয়শঙ্কর। হজম করতে হয় পাকিস্তানকে। ভারতের সাফ বক্তব্য ছিল, সন্ত্রাস এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। এরই মাঝে শ্রীনগরে জি২০ সম্মেলনের আগে জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গও ওঠে বৈঠকে। ভারতের তরফ থেকে বলা হয়, শ্রীনগরে জি২০ সম্মেলন হবে, এতে পাকিস্তানের আপত্তি কিসের? বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, জি২০ সম্মেলন শ্রীনগরে হওয়াতে খুশি নয় পাকিস্তান, তার প্রতিফলন ধরা পড়ছে বিগত একমাস ধরে জম্মু-কাশ্মীরে একের পর এক জঙ্গি হামলায়। কে না জানে, এগুলো পাক মদতেই সম্পন্ন হচ্ছে। অন্যদিকে চিনের সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক যে স্বাভাবিক নয়, তা সেদেশের বিদেশমন্ত্রীকে বুঝিয়ে দিয়েছে ভারত। পাকিস্তানের দাবি, কাশ্মীর আন্তর্জাতিক ইস্যু। পাকিস্তানের দাবিকে মান্যতা দিতেই কি চিনের বিদেশমন্ত্রীর ইসলামাবাদ সফর? এই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jantar Mantar: কুস্তিগিরদের পাশে দাঁড়াতে দিল্লি অভিমুখে রওনা কৃষকদের, কড়া নিরাপত্তা রাজধানীতে

    Jantar Mantar: কুস্তিগিরদের পাশে দাঁড়াতে দিল্লি অভিমুখে রওনা কৃষকদের, কড়া নিরাপত্তা রাজধানীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁদের আন্দোলনে যোগ দিতে ট্রাক্টর নিয়ে কৃষকদের (Farmers) দিল্লিতে (Delhi) আসতে বলেছিলেন আন্দোলনকারী কুস্তিগিররা। তাঁদের সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে দিল্লি অভিমুখে রওনা দিয়েছেন উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পঞ্জাব এবং হরিয়ানার কৃষকরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) আন্দোলন করছেন কুস্তিগিররা। সেই আন্দোলনে শামিল হতেই ট্রাক্টর নিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষকরা দিল্লি অভিমুখে রওনা দিয়েছেন শুনে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজধানী। বিজেপি সংসদ তথা জাতীয় কুস্তি সংস্থার সর্বেসর্বা ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের গ্রেফতারির দাবিতে আন্দোলন করছেন কুস্তিগিররা। তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই দিল্লি আসছেন উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের চার রাজ্যের কৃষকরা।

    যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) আন্দোলন…

    ব্রিজভূষণ প্রভাবশালী। প্রথমে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর নিতে চায়নি দিল্লি পুলিশ। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এফআইআর নেয় পুলিশ। যদিও এখনও দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন ব্রিজভূষণ। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন মহিলা কুস্তিগিররা। রেহাই পায়নি এক নাবালিকা কুস্তিগিরও। এর পরেই ব্রিজভূষণের শাস্তির দাবিতে সরব হন তাঁরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) শুরু হয় ধর্না, অবস্থান। রবিবারই যন্তর মন্তরে বসছে মহাপঞ্চায়েত। আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি তাতে যোগ দেওয়ার কথা কৃষকদেরও।

    জানা গিয়েছে, শনিবার রাতেই উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে দিল্লির পথে রওনা দিয়েছেন হাজার হাজার কৃষক। তবে তাঁদের সংখ্যাটা ঠিক কত, তা জানা যায়নি। যদিও নিরাপত্তার ফোকর গলে কৃষকরা যাতে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়তে না পারে, তাই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। সেই কারণে রাজধানী সহ গোটা দিল্লি ঘিরে ফেলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার বলয়ে।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যাভিষেক তৃতীয় চার্লসের, শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন মোদি

    কেবল সংযুক্ত কিষান মোর্চা নয়, আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্রীয় লোকদল ও ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন (টিকায়েতপন্থী)। অভিযুক্ত ব্রিজভূষণের গ্রেফতারির দাবিও তুলেছে তারা। ব্রিজভূষণকে গ্রেফতার করা না হলে, দিল্লি (Jantar Mantar) অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন। রবিবারই কৃষক প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনারের  সঙ্গে দেখা করে বিজেপি সাংসদদের গ্রেফতারির দাবি জানাবেন বলেও সূত্রের খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    Narendra Modi: কর্নাটকে শেষ মুহূর্তের প্রচারে মোদি ঝড়! দুদিনে ৩৬ কিমি রোড শো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে কর্নাটকে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখতে রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল নামে। বিশেষ ডিজাইনের তৈরি গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী সওয়ার হন। বেঙ্গালুরুর আশপাশের ১৩ টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপর দিয়ে হয় প্রধানমন্ত্রীর রোড শো। শনিবার ২৬ কিমি রোড শো করার পর রবিবারও প্রধানমন্ত্রী ১০কিমি শোভাযাত্রা করেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, দক্ষিণের এই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে ভারতীয় জনতা পার্টি একেবারেই আশাবাদী। বছর ঘুরলেই লোকসভার ভোট। উত্তর ভারতে এখনও যে বিজেপির জনসমর্থনের ভিত্তি আছে, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে গত বছরের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে। যেখানে ৩০ বছর পরে কোনও দল দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে কর্নাটকেও আবার বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলছে, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সারাদেশে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় ভোট-ক্যাচার নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর রোড শো ঘিরে কর্নাটকে ছিল তুমুল আগ্রহ। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর রোড শো শুরু হয় সকাল ১০টা নাগাদ বেঙ্গালুরুর তিপ্পাসন্দ্রা রোড থেকে এবং তা শেষ হয় ট্রিনিটি সার্কেলে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ।

    কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন রোড শো’তে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর, যিনি বর্তমানে কর্নাটক থেকে রাজ্যসভার সাংসদ। বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালের সাংসদ পি সি মোহনকেও দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী কর্নাটকের রাজধানীর দক্ষিণ দিকে রোড শো করেন। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, রাস্তার দুপাশে মানুষের ঢল যেভাবে নেমেছে, তা তিনি সারা জীবন মনে রাখবেন। জানা গিয়েছে, আজকের পর বেশ কতগুলি জায়গায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত কর্নাটকের ভোট ১০ মে এবং গণনা ১৩ মে।

     

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে মণিপুরে, এখনও পর্যন্ত মৃত ৫৪,  স্থগিত নিট ইউজি ২০২৩

    Manipur Clash: ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে মণিপুরে, এখনও পর্যন্ত মৃত ৫৪, স্থগিত নিট ইউজি ২০২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসায় উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Clash)। সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম হয়েছেন প্রচুর মানুষ। রিমস এবং জওহরলাল নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা।

    উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Clash)…

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে অসম রাইফেলসের প্রায় ১০ হাজার জওয়ান। হিংসা কবলিত এলাকা থেকে প্রায় ১৩ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের পাঠানো হয়েছে সেনা ক্যাম্পে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে উপদ্রুত এলাকা থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে। তাঁর দাবি, চূড়াচাঁদপুর, কাংপোকপি, মোরে ও কাকচিংয়ের পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। জানা গিয়েছে, শনিবার দোকানপাট ও বাজার খুলেছে। মানুষ কেনাকাটা (Manipur Clash) করেছেন। রাস্তায় বেরিয়েছে যানবাহন। এদিনই সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির এন বীরেন সিংহ। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহ এবং পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী ওক্রাম আইয়োবি উত্তেজনা কমাতে যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাতে সহমত পোষণ করেছেন।

    এদিকে, মণিপুরে যাঁদের নিট ইউজি ২০২৩ এর সিট পড়েছিল, তাঁদের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। মণিপুরের অশান্ত পরিস্থিতির কারণেই স্থগিত রাখা হয়েছে পরীক্ষা। হিংসার কারণে পরীক্ষার্থীরা ঠিক সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারবেন না বলেই আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে পরীক্ষা। পাহাড়ে থাকা মেইতেই (Manipur Clash) এবং ইম্ফল উপত্যকায় থাকা কুকিদের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হিংসাদীর্ণ এলাকা থেকে সরানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। গত কয়েক দিনে আটটি পুলিশ পোস্ট থেকে যেসব অস্ত্র লুঠ হয়েছে, সেগুলি ফেরত দিতেও বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার পথ বাতলালেন ডিএ আন্দোলনকারীদের, কী বললেন শুভেন্দু?

    পরিস্থিতি যাতে ফের হাতের বাইরে চলে না যায়, সেজন্য ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে ১৪ কোম্পানি নিরাপত্তা বাহিনী। আরও ২০ কোম্পানি সেনা পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে কেন্দ্র। গত কয়েক দিনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মণিপুরে মেইতেই সম্প্রদায়ই সংখ্যা গরিষ্ঠ। এই মেইতেই গোষ্ঠীর তফশিলি জনজাতি তকমার দাবিতে আন্দোলন শুরু করার পরেই সে রাজ্যে হিংসার সূত্রপাত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Rajnath Sing: রাজৌরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং! কী বার্তা দিলেন?

    Rajnath Sing: রাজৌরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং! কী বার্তা দিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকাল থেকেই রাজৌরির কান্দির জঙ্গলে চলছে সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াই। ইতিমধ্যে সেখানে নিহত হয়েছেন পাঁচজন জওয়ান। শুক্রবার সকালে গোপন সূত্রে সেনা খবর পায় যে, রাজৌরির কান্দির জঙ্গলের গুহাতে আত্মগোপন করে রয়েছে ৮ থেকে ৯ জনের একটি জঙ্গি দল। অভিযানের সময় জঙ্গিদের ছোড়া বোমার অভিঘাতে মারা যান দুজন। গুরুতর জখম চারজনকে উধমপুর সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরে আরও তিনজন মারা যান। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার সিদ্ধান্ত ছেত্রী। প্রসঙ্গত, জি২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জম্মু-কাশ্মীরে। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, আন্তজার্তিক মহলে ভারতের সম্মানকে ক্ষুন্ন করতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গীরা এই সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজৌরিতে শনিবার পৌঁছান দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা এতে তিনি সরাসরি সন্ত্রাসবাদী এবং পাকিস্তানকে তিনি বার্তা দিতে চাইলেন যে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের জিরো টলারেন্স নীতির কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    আরও পড়ুন: দুমাসও বিয়ে হয়নি! রাজৌরিতে জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল বাংলার সিদ্ধান্তর

    লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার সঙ্গে এদিন রাজৌরি পৌঁছান রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)

    শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এবং সেনাবাহিনীর প্রধান মনোজ পান্ডের সঙ্গে রাজৌরিতে পৌঁছান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)। কমান্ডিং-ইন-চিফ নর্দান কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, কান্দি জঙ্গলের জঙ্গি হামলা সম্পর্কে বিশদ বিবরণ দেন রাজনাথ সিংকে (Rajnath Sing)। সূত্র মারফত জানা গেছে, রাজনাথ সিং (Rajnath Sing) সেনা সেনা আধিকারিকদের বার্তা দিয়েছেন, যে সমস্ত সন্ত্রাসবাদীরা আমাদের জওয়ানদের হত্যা করেছে তাদেরকে খুব দ্রুত হত্যা করতে হবে যে কোনও মূল্যে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও তিনি তোপ দেগে তিনি বলেন, যেকোনও মূল্যে জম্মু-কাশ্মীরের শান্তি বজায় রাখা হবে।

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share