Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Menstruation Leave: অফিসে ঋতুকালীন ছুটি কাম্য নয়! সংসদে এর ব্যাখ্যা দিলেন স্মৃতি ইরানি

    Menstruation Leave: অফিসে ঋতুকালীন ছুটি কাম্য নয়! সংসদে এর ব্যাখ্যা দিলেন স্মৃতি ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের জায়গায় মহিলাদের বেতনযুক্ত ঋতুস্রাবকালীন ছুটির কোনও প্রয়োজন নেই, অভিমত কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani)। সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে স্মৃতি জানান, ঋতুস্রাব মহিলাদের জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ, এটি কোনও প্রতিবন্ধকতা নয়। ঋতুস্রাবের জন্য বিশেষ ছুটি মঞ্জুর করার করা উচিত নয়।

    কোন প্রশ্ন সাপেক্ষে উত্তর

    ঋতুমতী মহিলারা ঋতুচক্রের সময় নানা শারীরিক কষ্ট সহ্য করেন। মহিলাদের সমস্যার কথা মাথায় রেখেই একাধিক দেশে চালু করা হয়েছে মেনেস্ট্রুয়েশন লিভ (Menstruation Leave) বা ঋতুকালীন ছুটি। ভারতেও কি এই ছুটি চালু করা হবে? কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)-র কাছে এই প্রশ্নই রেখেছিলেন আরজেডি সাংসদ মনোজ কুমার ঝা (Manoj Kumar Jha)। জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, “ঋতুমতী মহিলা হিসাবে, ঋতুস্রাব ও ঋতুচক্র নারী জীবনের অত্যন্ত সাধারণ একটি অংশ। আমাদের এমন ইস্যু তৈরি করা উচিত নয় যেখানে তাদের সমানাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে শুধুমাত্র একজনের নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, যার ঋতুস্রাব হয় না।”

    আরও পড়ুন: বালুর স্ত্রী-কন্যার নামে ৫৮টি ফিক্সড ডিপোজিট রেশন ‘দুর্নীতি’র টাকায়? অনুমান ইডির

    অকপট স্মৃতি

    মাসিক ছুটির ফলে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের প্রতি বৈষম্য হতে পারে বলে স‌ংসদে সকলকে সতর্ক করেন স্মৃতি। ঋতুস্রাবের সময় স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব কথা বিবেচনা করে স্মৃতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক কর্তৃক জাতীয় নীতি প্রণয়ন করার কথা ঘোষণা করেন। এই নীতির লক্ষ্য হবে দেশবাসীকে ঋতুস্রাবের বিষয়ে আরও বেশি সজাগ করা, ঋতুস্রাবের সময় স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সতর্ক করা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখিত জবাবে বলেন, “অল্প সংখ্যক মহিলা অত্যাধিক ডিসমেনোরিয়া বা এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু ঋতুচক্র ও তার সঙ্গে জড়িত কার্যকলাপকে আড়ালে রাখা হয়। সামাজিক ছুৎমার্গের কারণে স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়। সাধারণ কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়, যা শেষ অবধি হেনস্থা ও সমাজে বিতাড়িত করার পর্যায়ে পৌঁছয়। যখন কোনও কিশোরী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং এই পরিবর্তন সম্পর্কে অবগতই না হয়, তখন বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach:  সংসদে হানার ঘটনায় ৮ পুলিশ কর্মী সাসপেন্ড, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকলেন মোদি

    Parliament Security Breach: সংসদে হানার ঘটনায় ৮ পুলিশ কর্মী সাসপেন্ড, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকালই লোকসভায় (Parliament Security Breach) স্মোক গ্রেনেড নিয়ে হানা দেয় দুই যুবক। এর জেরে লোকসভার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দিল্লি পুলিশের আট কর্মীকে সাসপেন্ড করা হল। জানা গিয়েছে রামপাল, অরবিন্দ, বীর, গণেশ, অনিল, প্রদীপ, নরেন্দ্র এবং বিমিত এই ৮ কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, বুধবার সংসদের এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন। জানা গিয়েছে তাতে উপস্থিত থাকছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি সহ অনেকেই। 

    সংসদ হামলা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ, গ্রেফতার ৫ জন

    বুধবার সংসদ ভবনে (Parliament Security Breach) যে ঘটনা ঘটে, তার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ওই তদন্তের দায়িত্বে থাকবেন সিআরপিএফের ডিরেক্টর অনীশ দয়াল সিং। অন্যদিকে সংসদ হামলার পরেই চারজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তারা হল— সাগর শর্মা এবং মনোরঞ্জন ডি, নীলম ও আনমোল। এদের মধ্যে ভিতরে ছিল সাগর ও মনোরঞ্জন। এরপরে পঞ্চম জনকেও গ্রেফতার করতে সমর্থ হয় দিল্লি পুলিশ। বুধবার রাতেই হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে পঞ্চম অভিযুক্ত বিশাল শর্মাকে। বিশাল শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে সংসদে যারা স্মোক গ্রেনেড নিয়ে হামলা চালিয়েছে এবং বাইরে যারা স্লোগান দিয়েছে, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিল সে (Parliament Security Breach)। গোটা ঘটনায় ৬ জনের যুক্ত থাকার কথা জানতে পেরেছে দিল্লি পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত ললিত ঝা নামের সেই ষষ্ঠ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কী কী বদল

    এদিকে ঘটনার পরপরেই সংসদ সচিবালয়ের তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সংসদ ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করতে দেওয়া হয়েছে গুচ্ছ প্রস্তাব। এর মধ্যে রয়েছে লোকসভায় যাঁরা ঢুকবেন, বিমানবন্দরের ধাঁচে তাঁদের শরীর পরীক্ষা করতে বডি স্ক্যানার বসানো, সাংসদ, সংসদ কর্মী, সাংবাদিক এবং দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ নির্দিষ্ট করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। 

    বুধবার হানাদারেরা লাফ দিয়েছিল (Parliament Security Breach) দর্শক গ্যালারি থেকে। তাই মূল অধিবেশন কক্ষ ও দর্শক আসনের মধ্যে বসানো হবে কাচের দেওয়াল। দর্শকরা যাতে বেপরোয়া আচরণ করতে না পারেন, তাই অধিবেশন চলাকালীন বাড়ানো হচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা। সাংসদদের নিরাপত্তায় এসব ব্যবস্থা যতক্ষণ না বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত দর্শকদের পাশ দেওয়া হবে না। দর্শকদের যখন ফের নতুন করে পাস দেওয়া হবে, তখন তাঁদের ঢুকতে হবে সংসদের চতুর্থ গেট দিয়ে। সাংসদদের প্রবেশের জন্য স্মার্ট কার্ড চালুর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে সচিবালয়ের তরফে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, গ্রেফতার পঞ্চম অভিযুক্ত

    Parliament Security Breach: সংসদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, গ্রেফতার পঞ্চম অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সংসদ ভবনে (Parliament Security Breach) যে ঘটনা ঘটে, তার তদন্তের নির্দেশ দিল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ওই তদন্তের দায়িত্বে থাকবেন সিআরপিএফের ডিরেক্টর অনীশ দয়াল সিং। অন্যদিকে সংসদ হামলার ঘটনায় গত কালই চারজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার পঞ্চম জনকেও গ্রেফতার করতে সমর্থ হল দিল্লি পুলিশ। বুধবার রাতেই হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে পঞ্চম অভিযুক্ত বিশাল শর্মাকে। বিশাল শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে সংসদে যারা স্মোক গ্রেনেড নিয়ে হামলা চালিয়েছে এবং বাইরে যারা স্লোগান দিয়েছে, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিল সে (Parliament Security Breach)। গোটা ঘটনায় ৬ জনের যুক্ত থাকার কথা জানতে পেরেছে দিল্লি পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত ললিত ঝা নামের সেই ষষ্ঠ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতি

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “লোকসভার সচিবালয়ের অনুরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সংসদের (Parliament Security Breach) নিরাপত্তায় গলদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ জারি করেছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। যার দায়িত্বে থাকবেন সিআরপিএফের ডিরেক্টর জেনারেল অনীশ দয়াল সিং। অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞরা এই কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।” বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “এই কমিটি সংসদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কারণগুলি খতিয়ে দেখবে। এ ছাড়া কোথায় খামতি রয়ে গিয়েছে সেই সব দিক খতিয়ে দেখে তাদের সুপারিশ জানাবে। এই সংক্রান্ত রিপোর্ট যত দ্রুত সম্ভব জমা দেবে কমিটি।”

    বুধবারের ঘটনা

    প্রসঙ্গত, বুধবার শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Security Breach) চলাকালীন দুপুর একটা নাগাদ হঠাৎই লোকসভার গ্যালারি থেকে ভবনে ঝাঁপ দেয় ২ যুবক। তাদের হাতে ছিল স্মোক গ্রেনেড। জানা যায়, এক সাংসদের অতিথি কার্ড ব্যবহার করে তারা সেখানে ঢুকেছিল। অপরদিকে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল এক মহিলা ও এক যুবক। পুলিশের দাবি তারা ঠিক করে যে দু জন সংসদের ভিতরে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। আর দুজন থাকবে সংসদের বাইরে। চারজনের মধ্যে কেউই দিল্লির বাসিন্দা নয়। এই পুরো পরিকল্পনাটি তারা করে গুরুগ্রামে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Yadav: মধ্যপ্রদেশে ধর্মীয় স্থানে নিষিদ্ধ মাইক, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় নির্দেশ মোহনের

    Mohan Yadav: মধ্যপ্রদেশে ধর্মীয় স্থানে নিষিদ্ধ মাইক, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় নির্দেশ মোহনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের ধর্মীয় স্থান এবং জনবহুল এলাকাতে মাইক বাজানো নিষিদ্ধ হল। বুধবারই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মোহন যাদব (Mohan Yadav)। তারপরেই এমন বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে শোনা গেল মধ্যপ্রদেশের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত ধর্মস্থান এবং জনবহুল এলাকায় মাইক নিষিদ্ধ করা হল। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম জারি করা নির্দেশ। বুধবার থেকেই নিজের দফতরে কাজে মনোনিবেশ করেছেন মোহন যাদব। কাজ শুরু করার আগে এদিন তাঁর দফতরে পুজোও করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তিনবারের বিধায়ক মোহন যাদব

    প্রসঙ্গত, উজ্জয়নী দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে পরপর তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হলেন মোহন যাদব (Mohan Yadav)। এর আগে শিবরাজ মন্ত্রিসভার শিক্ষামন্ত্রীও ছিলেন তিনি। মোহন যাদব ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মধ্যপ্রদেশের ৪৮ শতাংশ মানুষই ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত। তাই সে রাজ্যের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী থেকেই বেছে নেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রী। ৫৮ বছর বয়সী মোহনকে মধ্যপ্রদেশের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয় গত ১১ ডিসেম্বর। তিন রাজ্যে বিপুল জয়ের পরে মুখ্যমন্ত্রী স্থির করতে পর্যবেক্ষক দল নিয়োগ করে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। গত ১৭ নভেম্বর এক দফাতেই মধ্যপ্রদেশের সমস্ত আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ৩ ডিসেম্বর ফলাফল বের হতে দেখা যায় বিজেপির জয়জয়কার। ২৩০ টির মধ্যে ১৬৩ টি আসনে জেতে বিজেপি এবং কংগ্রেস জেতে ৬৬ আসনে।

    ১৯ তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহন

    প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশের ১৯তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহন যাদব (Mohan Yadav)। এর আগে শিবরাজ সিং চৌহ্বান ছিলেন এই রাজ্যের চারবারের মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার মোহন যাদব শপথ নেওয়ার আগে ভোপালের একটি মন্দিরে গিয়ে পুজোও দেন। এর পাশাপাশি ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম দুই স্থপতি পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধাও জানান তিনি রাজ্য বিজেপির কার্যালয়ে গিয়ে। মোহন যাদবের সঙ্গে এদিন উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রাজেন্দ্র শুক্লা এবং জগদীশ দেওরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদ হানায় ধৃত ৪, খোঁজ চলছে গ্যাং-এর আরও ২ জনের

    Parliament Security Breach: সংসদ হানায় ধৃত ৪, খোঁজ চলছে গ্যাং-এর আরও ২ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সংসদের (Parliament Security Breach) গ্যালারি থেকে স্লোগান দিতে দিতে কয়েকজন আগন্তুক ভবনে ঝাঁপ দেয়। সংসদে হানার এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে উঠছে নানা প্রশ্ন। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত পুলিশের হাতে যে তথ্য এসেছে, তাতে জানা গিয়েছে, গ্যালারি থেকে ভবনে ঝাঁপ এবং রং বোমা দেখানোর নেপথ্যে রয়েছে মোট ছ’জন। অন্যদিকে যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তারা কোনও সংগঠনেরই সদস্য নয়। ধৃতরা বুধবার দুপুরে সংসদে আচমকা গ্যালারি রুম থেকে ভবনে লাফ দেয়, দুই যুবককে বিভিন্ন দলের সাংসদরা ধরে ফেলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুজনের নাম সাগর শর্মা এবং মনোরঞ্জন ডি। সংসদে ঢোকার জন্য যে কোনও সাংসদের পাশ নিতে হয়। এক্ষেত্রে সাংসদ প্রতাপ সিমহার অতিথি হিসেবে তারা ঢোকে।

    ধৃত চারজন পূর্বপরিচিত

    আবার পুলিশি তথ্যে উঠে এসেছে ধৃত চারজন পরস্পরের পূর্ব পরিচিত। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই তাদের পরিচয় হয়। পুলিশের দাবি, তারা ঠিক করে যে দু’জন সংসদের (Parliament Security Breach) ভিতরে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। আর দুজন থাকবে সংসদের বাইরে। চারজনের মধ্যে কেউই দিল্লির বাসিন্দা নয়। এই পুরো পরিকল্পনাটি তারা করে গুরুগ্রামে। সেখানে ললিত ঝা নামে একজনের বাড়িতে তারা আশ্রয় নেয়। সংসদে হানা দেওয়া সাগর নামে একজনের মা বর্তমানে লখনউতে ই-রিক্সা চালান। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার কোনও ধারণাই নেই। আমি এ সব দেখে অবাক হয়ে গিয়েছি। ও বন্ধুদের সঙ্গে কোথায় একটা যাবে বলে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। বলেছিল, দু’দিনের মধ্যে ফিরবে।’’ অন্যদিকে মনোরঞ্জনের বাড়ি কর্নাটকের মাইসুরুতে। বেঙ্গালুরু বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সে কম্পিউটারে বি টেক পাশ করেছে। সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা নিলমের বাড়ি হরিয়ানাতে। সেখানে হস্টেলে থাকে সে। অন্যদিকে আনমোল শিন্ডের বাড়ি মহারাষ্ট্রে।

    ১৩ ডিসেম্বর ছিল সংসদ হামলার ২২ বছর পূর্তি

    সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল নিলম ও আনমোল। তারা নতুন ভবনের সামনে স্লোগান দিচ্ছিল, ‘তানাসাহি নেহি চলেগা’। সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেওয়া ওই দুই আগন্তুকের পরিচয় সামনে এসেছে। তাদের নাম আনমোল এবং নিলম। এখনও পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে জানা যাচ্ছে, তাদের হাতে যে রং বোমা ছিল, সেটি আসলে স্মোক গ্রেনেড। প্রসঙ্গত ১৩ ডিসেম্বর ২০০১ সালেই সংসদে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার ২২ বছর পূর্তি ছিল বুধবার (Parliament Security Breach)। তাই ওই একই দিনে সংসদে হানা দেওয়ার কোনও যোগ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আবার খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা পান্নুন বেশ কয়েকদিন আগেই ১৩ ডিসেম্বর সংসদে (Parliament Security Breach) জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছিল। সেটার সঙ্গেও এই ঘটনার কোনও যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: বিজেপির ৩ মুখ্যমন্ত্রীই আরএসএস-এর স্বয়ংসেবক

    RSS: বিজেপির ৩ মুখ্যমন্ত্রীই আরএসএস-এর স্বয়ংসেবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্যে বিধানসভার ফল ঘোষণা হয়েছে গত ৩ ডিসেম্বর। রাজস্থান, ছত্তিসগড়, মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর একটি সাধারণ মিল। তা হল, প্রত্যেকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের স্বয়ংসেবক। ১৯২৫ সাল থেকে যাত্রা শুরু হয় আরএসএস-এর। সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক এই সংগঠন ব্যক্তি নির্মাণের মাধ্যমে রাষ্ট্রনির্মাণ নীতিতে বিশ্বাস রাখে। ১৯৫১ সালে জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার পরে বা ১৯৮০ সালে বিজেপির প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে বহু আরএসএস প্রচারক বসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও আরএসএস-এর প্রচারক। তিনিও ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন। এছাড়া হরিয়ানার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরও সঙ্ঘের প্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। এবার ৩ রাজ্যে বসলেন আরএসএস-এর ৩ কর্মী।

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আরএসএস-এর সঙ্গে

    রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলা ভজনলাল শর্মা দীর্ঘদিন ধরেই করেছেন আরএসএস-এর কাজ (RSS)। তিনি ছাত্র সংগঠন এবিভিপির বিভিন্ন দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯৯০ সালে কাশ্মীর থেকে পণ্ডিতদের বিতাড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে এবিভিপি। সক্রিয় ছিলেন ভজনলাল। কাশ্মীর আন্দোলনে সামনের সারিতেই দেখা যায় তাঁকে। ১৯৯২ সালের রামজন্মভূমি আন্দোলনেও তিনি ছিলেন।

    মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রীও আরএসএস-এর কর্মী

    মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) আদর্শে বড় হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি ছিলেন সে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী। অন্যদিকে ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই-এর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা হতেই তিনি হাজির হন ছত্তিসগড় রাজ্যের আরএসএস-এর সদর কার্যালয়ে। জানা যায়, বিষ্ণু দেও সাই-এর পুরো পরিবারই আরএসএস ঘনিষ্ঠ। তাঁর বাবাও ছিলেন দীর্ঘদিন ভারতীয় জনসঙ্ঘের বিধায়ক। আবার ১৯৭৭ সালে তাঁর বাবা জনতা পার্টির টিকিটে সাংসদও হন। আদিবাসী সমাজের অন্যতম মুখ তথা এই আরএসএস-এর স্বয়ংসেবককে এবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেয় বিজেপি।

    আরও পড়ুন: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সাতসকালেই ইডি-র হানা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhajanlal Sharma: বসেছিলেন বৈঠকের শেষ সারিতে! তার পরেই ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা

    Bhajanlal Sharma: বসেছিলেন বৈঠকের শেষ সারিতে! তার পরেই ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই বিজেপি ঘোষণা করেছে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভজনলাল শর্মার (Bhajanlal Sharma) নাম। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই মুখ্যমন্ত্রীর পদ পাচ্ছেন ভজনলাল। যদি বাকি দুটি রাজ্যের সঙ্গে তুলনা করা যায় ছত্তিসগড় অথবা মধ্যপ্রদেশ, সেখানে দেখা যাবে মোহন যাদব অথবা বিষ্ণু দেও সাই-দুজনেই প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলেছেন। মোহন যাদব মধ্যপ্রদেশের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন এবং বিষ্ণু দেও সাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু সেদিক থেকে ভজনলাল শর্মা একেবারেই আনকোরা।

    কোনও আভাস পায়নি কেউ-ই

    ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করে বিজেপি সব বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞকে পাঁচ গোল দিয়ে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। ইতিমধ্যে পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের পরে যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে ভজনলাল শর্মাকে (Bhajanlal Sharma) দেখা যাচ্ছে একেবারে শেষের সারিতে তিনি বসে রয়েছেন। এই ছবি ভাইরাল হয়েছে। খবরে প্রকাশ, মুখ্যমন্ত্রী পদে নাম নির্বাচনের বৈঠকেও একেবারে শেষের সারিতে বসেছিলেন ভজনলাল। সেই সময় তিনি কোনও আভাসই পাননি যে, কিছুক্ষণের মধ্য়েই তাঁর জীবন আমূল পাল্টাতে চলেছে…!

    পরিবারবাদে বিশ্বাস রাখে না বিজেপি

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আসলে এটাই বিজেপি। বিজেপি একটি সাংগঠনিক দল। শৃঙ্খলাপরায়ণ দল। কখনই পরিবারবাদে বিশ্বাস রাখে না। রাজস্থান সহ তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে সেই নীতিরই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। এখানে যে কোন কর্মীও সর্বোচ্চ পদপ্রাপ্তির কথা ভাবতে পারেন। তাঁকে নির্দিষ্ট কোনও পরিবার থেকে আসতে হয় না। ব্যক্তি প্রাধান্য এখানে দেখা যায় না। নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সূচনা অবশ্য ছাত্র রাজনীতি থেকে করেছিলেন ভজনলাল শর্মা (Bhajanlal Sharma)। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভজনলালের সাংগঠনিক যাত্রা।

    ভজনলাল শর্মা ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে

    তাঁকে মনোনীত করার জন্য ভজনলাল শর্মা ইতিমধ্যে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডাকে। ভজনলাল শর্মা (Bhajanlal Sharma) জিতেছেন সানগানের আসনটি থেকে। কিন্তু তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন, ভরতপুরের বাসিন্দা। সানগানের আসনটি বিজেপির একটি শক্ত ঘাঁটি বলেই পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির শক্তিশালী ভোট ব্যাঙ্ক সেখানে রয়েছে। কখনই সেখানে ৫০ শতাংশের নিচে ভোট নামে না গেরুয়া শিবিরের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan CM : প্রথমবার বিধায়ক হয়েই মরুরাজ্যের দায়িত্বে! রাজস্থানের নয়া মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল

    Rajasthan CM : প্রথমবার বিধায়ক হয়েই মরুরাজ্যের দায়িত্বে! রাজস্থানের নয়া মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারুণ্যের জোয়ার! ফের নতুন মুখকেই কুর্সিতে বসাল বিজেপি। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হলেন ভজনলাল শর্মা। রাজনাথ সিংয়ের হস্তক্ষেপে জট কাটল মরুরাজ্যে। মঙ্গলবার জয়পুরের সর্দার পটেল মার্গে বিজেপি-র রাজ্য দফতর থেকে ঘোষণা করা হয় নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম। মঙ্গলবার বিকেলে জয়পুরে দলীয় বিধায়ক এবং পর্যবেক্ষকদের এক বৈঠকের পর বিজেপি জানিয়েছে, পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভজনলাল শর্মাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। 

    রাজস্থানের রাজনীতিতে চেনা নাম ভজনলাল

    আরএসএসের ঘনিষ্ঠ ভজনলাল শর্মা হলেন রাজস্থানের ভরতপুরের নেতা। সাঙ্গানের থেকে এবার বিধানসভা ভোটে বিপুল ব্যবধানে জিতেছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের পুষ্পেন্দ্র ভরদ্বাজকে ৪৮ হাজার ৮১ ভোটে এবার পরাজিত করেন তিনি। মজার বিষয় হল, এই নির্বাচনেই প্রথমবার বিধায়ক হিসেবে জয়ী হয়েছেন ভজনলাল শর্মা। নির্বাচনী ময়দানে ভজনলালএই প্রথম নামলেও, রাজনীতিতে তিনি বেশ পোড় খাওয়া নাম। রাজস্থানে চারবার রাজ্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পরই এদিন ভজনলাল শর্মাকে দেখা যায় রাজনাথ সিংয়ের পাঁ ছুঁয়ে প্রণাম করতে। উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর বিপুল জনসমর্থন নিয়ে মরুরাজ্যে ক্ষমতায় ফেরে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসে একাধিক নাম। এদিন রাজস্থানের দুই উপমুখ্যমন্ত্রীও বেছে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে থাকা রাজপুত দিয়া কুমারীকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়াও প্রেমচাঁদ বেরোয়াকেও বসানো হয়েছে এই পদে। আর বিধানসভার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করবেন বাসুদেব দেবনানী।

    এদিনের বৈঠকে বসুন্ধরা রাজে-সহ বিজেপির সকল বিজয়ী বিধায়কই অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং দুই সহ-পর্যবেক্ষক – বিজেপির জাতীয় সহ-সভাপতি সরোজ পান্ডে এবং জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Article 370: ৩৭০ ধারা বিচ্ছিন্নতাবাদকেই প্রশয় দিচ্ছিল, রাজ্যসভায় জানালেন অমিত শাহ

    Article 370: ৩৭০ ধারা বিচ্ছিন্নতাবাদকেই প্রশয় দিচ্ছিল, রাজ্যসভায় জানালেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই বেরিয়েছে ৩৭০ ধারা (Article 370) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়। কেন্দ্রের সিন্ধান্ত যে অসাংবিধানিক নয়, তা সাফ জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। এর পরেই ‘সুপ্রিম রায়’কে হাতিয়ার করে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করলেন অমিত শাহ। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যসভায় বলেন, ‘‘৩৭০ ধারাই কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রশ্রয় দিচ্ছিল।’’ তবে অমিত শাহ যে শুধুমাত্র মুসলিম সম্প্রদায়কে আক্রমণ করেননি, সেটাও তিনি নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন। তিনি জানিয়েছেন, মুসলিমরা বেশি সংখ্যায় রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর ছাড়াও এরকম অনেক রাজ্য রয়েছে। কিন্তু সেখানে কোনও রকমের সন্ত্রাসবাদ নেই কারণ ৩৭০ ধারাই (Article 370) সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দিচ্ছিল।

    খুশি নয় কংগ্রেস

    অমিত শাহ এদিন কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আজকের রায়ে হয়তো কংগ্রেস নেতারা খুশি নন এবং তাঁরা প্রকাশ্যেই বলছেন যে তাঁরা এই রায়ের সঙ্গে একমত নন। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370) তুলে নেয় মোদি সরকার। এর পর থেকেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অজস্র মামলা জমা হতে থাকে সুপ্রিম কোর্টে। সব মামলাগুলিকে এক করে সোমবার রায়দান করে শীর্ষ আদালত। এদিন কাশ্মীর ইস্যুতে নেহরু সরকারকেও তুলোধনা করেন অমিত শাহ।

    কাশ্মীরে ভুল করেছিলেন নেহরু

    সোমবার রাজ্যসভায় শাহ বলেন, ‘‘কাশ্মীর ইস্যুতে যে দুটি বড় ভুল করেছিলেন, তা স্বীকার করে নিয়েছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহরু।’’ এরপর অমিত শাহ নেহরুর একটি উদ্ধৃতি পড়তে শুরু করেন। সেটি হল, ‘‘সংঘর্ষবিরতি চুক্তি করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, সেটা ভালো মনে হয়েছিল। কিন্তু এই বিষয়টা আমরা ঠিক ভাবে সামলাতে পারিনি। পরিস্থিতিটা বুঝতে পারিনি। আরও কিছুটা ভাবনা-চিন্তা করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’’ প্রসঙ্গত, নেহরুর আমলে পাকিস্তান যুদ্ধের সময়ই ভারতীয় সেনা যদি আর ২ দিন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকত, তাহলে গোটা উপত্যকা ভারতের হত বলে এদিন রাজ্যসভায় শাহ জানান। শাহ দাবি করেন, তিনি যে উদ্ধৃতি পড়েছেন, সেটা বলেছিলেন স্বয়ং নেহরু। তার পরেই বিরোধীদের নিশানা করে বলেন, ‘‘এবার তো ওঁর কথা মেনে নেবেন… মানবেন যে উনি ভুল করেছিলেন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনে হাজির থাকছেন পর্দার রাম অরুণ গোভিলও

    Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনে হাজির থাকছেন পর্দার রাম অরুণ গোভিলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাকি রয়েছে আর মাত্র এক মাস। ইতিমধ্যে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যে সমস্ত বিশিষ্ট জন্য উপস্থিত থাকবেন তাদের তালিকা তৈরি করা হয়ে গেছে। রাম মন্দিরের অতিথি তালিকায় রয়েছেন পর্দার রাম অভিনেতা অরুণ গোভিল। সূত্রের খবর, আমন্ত্রিতের তালিকায় রয়েছেন পর্দার সীতা দীপিকা চিখলিয়াও। এক সাক্ষাৎকারে অরুণ গোভিল বলেন, “হ্যাঁ আমি আমন্ত্রণ পেয়েছি। এ এক বিরাট মুহূর্ত, খুশির মুহূর্ত এবং সুবর্ণ সুযোগ।” 

    কারা আমন্ত্রিত?

    আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন, অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে অক্ষয় কুমার, কঙ্গনা রানাউত, সুনীল গাওস্কর, শচীন তেন্ডুলকর, রতন টাটা, বিরাট কোহলি, মুকেশ অম্বানী, গৌতম আদানির মতো ব্যক্তিত্ব। আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও অন্যান্য রাজনীতিবিদ। সেই তালিকায় যুক্ত হলেন অরুণ গোভিল। আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা মোট ৪ হাজার।

    গর্ভগৃহের ছবি প্রকাশ্যে 

    ইতিমধ্যে শনিবারে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে, মন্দিরের গর্ভগৃহের দুটি ছবি পোস্ট করেছেন। জানা গিয়েছে, সেখানেই রামলালার মূর্তিকে প্রতিষ্ঠা করা হবে। মূর্তি প্রতিষ্ঠার দিনে মোট ৫০ টি দেশের আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। পুজোর পরে বিগ্রহের চক্ষুদানও করা হবে। পুজোয় যজমানের ভূমিকায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রামলালার তিনটি মূর্তি তৈরীর কাজ বর্তমানে চলছে এবং পাথর আনা হয়েছে কর্ণাটক ও রাজস্থান থেকে।  রামলালার মূর্তি তৈরীর কাজ করে চলেছেন গণেশ ভাট, অরুণ যোগীরাজ এবং সত্যনারায়ণ পান্ডে। জানা গিয়েছে, উপরের অংশের ৭০টি পিলারের ভাস্কর্যের কাজ এখনও বাকি রয়েছে। দক্ষিণ দিকের বেসমেন্টের কাজ বর্তমানে শেষ হয়েছে। জানা গিয়েছে, রামলালা অবস্থান করবেন গর্ভগৃহে। সেই গর্ভগৃহ নির্মাণের কাজও ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আবার সমগ্র রাম মন্দির জুড়ে থাকবে আলোর মালা, সেই আলোকসজ্জার কাজও প্রায় শেষ হয়ে এসেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share