Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • RSS: তামিলনাড়ুর ৪৫ স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের পথ সঞ্চালন

    RSS: তামিলনাড়ুর ৪৫ স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের পথ সঞ্চালন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ এপ্রিল চেন্নাইতে শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS)  পথ সঞ্চালন।‌‌ চেন্নাই সমেত পার্শ্ববর্তী চেনাগালপাট্টু, কাঞ্চীপুরম, তিরুভাল্লুর জেলায় খাঁকি প্যান্ট,  সাদা জামা, কালো টুপিতে সজ্জিত হয়ে কয়েক হাজার স্বয়ংসেবক ড্রাম বাজাতে বাজাতে পথ পরিক্রমা করেন। প্রতিটি শহরই এদিন মুখরিত হয়ে ওঠে ভারত মাতা কী জয় ধ্বনিতে। চেন্নাইয়ে এই পথ সঞ্চালন শুরু হয় শহরস্থিত বিবেকানন্দ বিদ্যালয় থেকে। প্রায় ৩ কিমি পথ পরিক্রমায় অংশ নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী এল মুরুগান। শহর জুড়েই ছিল কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। চেন্নাইয়ের প্রতিটি শাখা থেকেই স্বয়ংসেবকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, সারা তামিলনাড়ু জুড়ে ৪৫ টি পথ সঞ্চালনের অনুমতি মেলে। এবং কোর্টের নির্দেশে সেই সমস্ত পথ পরিক্রমার রুট ঠিক করার দায়িত্ব দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট জেলার এসপিদের। জানা গেছে, গত বছরে রাজ্যের মোট ৫১টি স্থানে এই পথ সঞ্চালন হয়েছিল।

    কী বললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি

    তামিলনাড়ু বিজেপির রাজ্য সভাপতি আন্নামালাই এ বিষয়ে বলেন, রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত অসযোগিতা সত্ত্বেও সঙ্ঘের পথ সঞ্চালন সম্পূর্ণভাবে সফল হয়েছে। ২ বছর পরেই আরএসএস-এর শততম বর্ষপূর্তি পালন হবে। সঙ্ঘ সমাজের জন্য কাজ করে। শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে সঙ্ঘের। দেশে করোনাকালে দুর্গম জায়গাগুলিতেও সেবা কাজ পৌঁছে দিয়েছেন সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকরা (RSS)।

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) বিবৃতি

    অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সঙ্ঘের পথ সঞ্চালন হল সুশৃঙ্খলতা এবং নিয়মানুবর্তিতার সমষ্টি। এটা জনগণের উপলব্ধি করুক এটাই আমরা চাই। সঙ্ঘের (RSS) পথ সঞ্চালন সমাজের কাছে এই বার্তা দেয় যে হিন্দুরা সঙ্ঘবদ্ধ এবং তারা একসঙ্গে চলতে পারে। সঙ্ঘের কাজ সমস্ত ক্ষেত্রেই রয়েছে। ছাত্র থেকে দিনমজুর কিংবা ডাক্তার থেকে অধ্যাপক সবাই পাশাপাশি হাঁটেন সঙ্ঘের পথ সঞ্চালনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালকে ৯ ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের! বেরিয়ে এসে কী বললেন আপ সুপ্রিমো?

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালকে ৯ ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের! বেরিয়ে এসে কী বললেন আপ সুপ্রিমো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতিকাণ্ডে ইতিমধ্যে সিবিআই গ্রেফতার করেছে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীকে। একই মামলায় রবিবার টানা ৯ ঘণ্টা জেরা করা হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। সিবিআই সূত্রে খবর, কেজরিওয়ালকে সিআরপিসির ১৬০ নং ধারা অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয়েছিল কেজরিওয়ালকে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ রাজধানীর সিবিআই দফতরে পৌঁছেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বেরোলেন তিনি। ন’ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কেজরিওয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এর মধ্যে বিকেল পাঁচটায় আপের সদর দফতরে জরুরি বৈঠকে বসেন দলের নেতানেত্রীরা। পঙ্কজ গুপ্ত, দিল্লির মেয়র শেলি ওবেরয়রা সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এত দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়। তাঁরা গ্রেফতারির আশঙ্কা করতে থাকেন।

    জেরা শেষে কী বললেন কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)

    জেরা শেষে সিবিআই অফিস থেকে বেরিয়ে এসে অবশ্য আম আদমি পার্টি প্রধান দাবি করেন, এই গোটা মামলাটি ভুয়ো। তাঁর আরও দাবি, ‘আমি সততার সঙ্গে আপস করব না কখনও। গোটা দেশ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমায় ৫৬টি প্রশ্ন করা হয়েছিল। ২০২০ সাল থেকে উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। সিবিআই আমার সঙ্গে কোনও খারাপ ব্যবহার করেনি। এই গোটাটাই ফেক। আমি নিশ্চিত, আমার বিরুদ্ধে ওদের কাছে কোনও তথ্য নেই।’

    সিবিআইয়ের দাবি কী

    অপরদিকে সিবিআইয়ের তরফে এই মামলা সম্পর্কে একটি বিবৃতি জারি করে দাবি করা হয়েছে যে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বয়ান খতিয়ে দেখা হবে। জানা গিয়েছে, সিআরপিসির ১৬১ নং ধারা অনুযায়ী কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বয়ান রেকর্ড করা হয় গতকাল। মোট ৫৬টি প্রশ্ন তাঁকে করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: সাংসদ হত্যার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডির কাকা

    CBI: সাংসদ হত্যার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডির কাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডির কাকাকে গ্রেফতার করল সিবিআই। প্রাক্তন সাংসদ বিবেকানন্দ রেড্ডি খুনের মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই মামলায় এবার ভাস্কর রেড্ডিকে নিজেদের হেফাজতে নিলেন গোয়েন্দারা।

    কোন কোন ধারায় অভিযোগ দায়ের

    এদিন সকালেই কাডাপায় মুখ্যমন্ত্রীর কাকা ভাস্কর রেড্ডির বাড়িতে হাজির হয় সিবিআই (CBI)। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০বি (চক্রান্ত), ৩০২ (খুন), ২০১ (প্রমাণ নষ্ট করা) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আজই হায়দরাবাদে নিয়ে আসা হবে ভাস্কর রেড্ডিকে। বিকেলে ম্য়াজিস্ট্রেটের সামনে তাঁকে পেশ করা হবে।

    ২০১৯ সালে অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে খুন হন বিবেকানন্দ রেড্ডি

    ২০১৯ সালের ১৫ মার্চের রাতে পুলিভেন্দুলায় নিজের বাসভবনে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় প্রাক্তন সাংসদ বিবেকানন্দ রেড্ডিকে। যেদিন বিবেকানন্দ খুন হন তার এক সপ্তাহ পরেই ছিল অন্ধ্রপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। সেই কারণেই খুনের পিছনে রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে বলে মনে করা হয়েছিল।

    ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় সিবিআইকে (CBI)

    এই ঘটনার তদন্ত প্রথমে শুরু করে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। পরে ২০২০ সালের জুলাই মাসে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি জোরকদমে ঘটনার তদন্ত চালায়।
    সিবিআই তদন্তে নেমে এই মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে বিবেকানন্দ রেড্ডি ও তাঁর বাবা অবিনাশ রেড্ডির যোগ খুঁজে পায়। চার্জশিটে সেই কথা উল্লেখও করে। চার্জশিটে বলা হয়, কাদাপা লোকসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট নিয়ে বচসার জেরেই এই খুন হতে পারে। সিবিআই সূত্রে খবর, নিহত বিবেকানন্দ রেড্ডি চেয়েছিলেন, কাডাপা লোকসভা কেন্দ্র থেকে বর্তমান সাংসদ অবিনাশ রেড্ডির বদলে তাঁকে যেন প্রার্থী করা হয়। যদি তাঁকে প্রার্থী না করা হয়, তবে যেন ওয়াইএস শর্মিলা (মুখ্যমন্ত্রী জগন্মোহন রেড্ডির বোন) বা ওয়াইএস বিজয়াম্মা (মুখ্যমন্ত্রীর মা)-কে প্রার্থী করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Atiq Ahmed Murder: সবথেকে বড় ডন হওয়াই ছিল লক্ষ্য! পুলিশি জেরায় দাবি আতিক হত্যাকারীদের

    Atiq Ahmed Murder: সবথেকে বড় ডন হওয়াই ছিল লক্ষ্য! পুলিশি জেরায় দাবি আতিক হত্যাকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াগরাজের হাসপাতাল চত্বরে শনিবার রাতে ক্যামেরার সামনেই খুন করা হয় আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed Murder) এবং তাঁর ভাই আশরফকে। পুলিশি নিরাপত্তায় গ্যাংস্টার দুই ভাইকে এদিন হাসপাতালে মেডিক্যাল করাতে নিয়ে এসেছিল পুলিশ।  খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিন জনকে গ্রেফতার করেছে যোগী রাজ্যের প্রশাসন। ধৃতেরা হলেন, উত্তরপ্রদেশের হামিরপুরের বাসিন্দা সানি সিং, কাসগঞ্জের বাসিন্দা অরুণ মৌর্য এবং বান্দার বাসিন্দা লবলেশ তেওয়ারি। আতিক এবং আশরফকে খুনের পরই তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরে  তিনজনেই পালানোর চেষ্টা করেনি।

    তিনজন আততায়ী জেলে থাকাকালীন বন্ধু হয়ে ওঠেন

    পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত তিন জনের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ এবং ডাকাতি-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। যোগী রাজ্যের প্রশাসনের একাংশের দাবি, জেরায় ধৃতেরা জানিয়েছেন যে, জেলে থাকাকালীন তিন জন পরস্পরের বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। সেই থেকেই একসঙ্গে যাবতীয় অপরাধ সংঘটিত করতেন তাঁরা। অভিযুক্তরা পুলিশের কাছে এ-ও দাবি করেছেন যে, উত্তরপ্রদেশের সবচেয়ে বড় ‘ডন’ হওয়ার লক্ষ্য ছিল তাঁদের। পুলিশের ওই সূত্রের দাবি, জেরায় অভিযুক্তদের মধ্যে এক জন জানিয়েছেন, অনেক দিন ধরেই সেই সুযোগ খুঁজছিলেন তাঁরা। সম্প্রতি তাঁরা জানতে পেরেছিলেন ‘গ্যাংস্টার’ আতিক (Atiq Ahmed Murder) এবং তার ভাই আশরফকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন তাঁরা পরিকল্পনা করেন যে, যদি এই সুযোগে আতিক এবং তার ভাইকে খুন করা যায়, তা হলে উত্তরপ্রদেশে তাঁদের নাম ছড়িয়ে পড়বে। শুধু তাই-ই নয়, এত দিন ধরে যাঁরা আতিক এবং তার গ্যাংকে ভয় পেতেন, এখন থেকে তাঁদের ভয়ে কাঁপবেন সেই সব মানুষ। পুলিশের ওই সূত্রের দাবি, আতিককে খুনের পরিকল্পনা করার পরই শুক্রবার হাসপাতালের রেকি করে গিয়েছিলেন তিন অভিযুক্ত।

    তিন অভিযুক্তের পরিবার কী বলছে

    জানা গেছে অভিযুক্ত লবলেশ তেওয়ারি বাড়ির সঙ্গে সে অর্থে কোনও যোগাযোগ রাখতেন না। তাঁর বাবা বলেন, পাঁচ ছ’ দিন আগে একবার এসেছিল বাড়িতে, তারপর আবার চলে যায়। কোনও কাজও করত না উপরন্তু ছিল নেশাগ্রস্ত। আমরা ঘটনাটা টিভিতে দেখেছি। তার নামে আগেও কেস রয়েছে, সেই কেসে জেলও খেটেছে লবলেশ।

    অন্য অভিযুক্ত সানি সিং-এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের ১৪টা কেস রয়েছে বলে জানা গেছে পুলিশ সূত্রে। বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ তারও ছিলনা, এমনটাই দাবি পরিবারের। সানির মা এবং এক ভাই থাকেন তাঁর পৈতৃক বাড়িতে। ভাই বর্তমানে চা এর দোকান চালায়।

    আরেক জন অরুণ মৌর্যর বিরুদ্ধে ২০১০ সালে ট্রেনে এক পুলিশ কর্মীকে হত্যা করার অভিযোগ ছিল। বর্তমানে সে দিল্লির এক কারখানায় কাজ করতো বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Atiq Ahmed: ১৭ বছরেই হাত পাকিয়েছিলেন খুনে, কেমন ছিল গ্যাংস্টার আতিকের জীবন?

    Atiq Ahmed: ১৭ বছরেই হাত পাকিয়েছিলেন খুনে, কেমন ছিল গ্যাংস্টার আতিকের জীবন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৭ বছর বয়সে হাত পাকিয়েছিলেন খুনে। বাবা টানতেন ঘোড়ার গাড়ি, অমনোযোগী ছেলে উচ্চ বিদ্যালয়ে বারবার অকৃতকার্য হওয়ার পরেই ইতি টানেন পড়াশোনায়। পা রাখেন অপরাধ জগতে। প্রথম জীবনে ট্রেন থেকে কয়লা চুরি করতেন। ১৯৬২ সালে তৎকালীন এলাহাবাদে, বর্তমানের প্রয়াগরাজে জন্ম হয় কুখ্যাত এই গ্যাংস্টার আতিক আহমেদের (Atiq Ahmed)।

    ২৭ বছর বয়সে নির্দল প্রার্থী হিসেবে বিধানসভায় প্রবেশ করেন আতিক (Atiq Ahmed)

    অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকার সময়ই, ১৯৮৯ সালে মাত্র ২৭ বছর বয়সে রাজনীতির আঙিনায় ভাগ্য পরীক্ষা করতে আসেন বাহুবলী আতিক (Atiqe Ahamed)। তখন এলাহাবাদ অঞ্চলে একচ্ছত্র অধিপতি। নির্দল প্রার্থী হিসেবে এলাহাবাদ পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। ১৯৮৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত কখনও নির্দল প্রার্থী হিসেবে, আবার কখনও সমাজবাদী প্রার্থী হিসেবে আতিকের বিজয়রথ ছিল অপ্রতিরোধ্য। ২০০৪ সালে সাংসদ নির্বাচিত হন আতিক আহমেদ (Atiqe Ahamed)। সমাজবাদী পার্টির টিকিটে ফুলপুর আসন থেকে জয়ী হন তিনি। আতিকের ছেড়ে আসা এলাহাবাদ পশ্চিম বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন বিএসপি নেতা রাজু পাল। এই রাজু পাল খুনের ঘটনা ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় গ্যাংস্টারকে।

    ২০০৫ সালে খুন হন বিএসপি বিধায়ক রাজু পাল

    ২০০৫ সালে খুন হন বিএসপি বিধায়ক। সেই খুনেও আতিকের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। তাঁকে গ্রেফতার করা হলেও তিন বছরের মাথায় জামিন পান। বিএসপি বিধায়ক খুনের মামলায় প্রধান সাক্ষী ছিলেন উমেশ পাল। আতিক চেয়েছিলেন, উমেশ এই মামলা থেকে সরে যাক। আদালতে গিয়ে বলুক, রাজু পাল খুনের সময় ঘটনাস্থলে ছিল না উমেশ। কিন্তু সরে না দাঁড়ানোয়, ২০০৬ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি আতিক ও তাঁর সঙ্গীরা উমেশকে অপহরণ করে।

    চলতি বছরেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয় আতিককে (Atiq Ahmed)

    সেই অপরহণ মামলায় গ্যাংস্টারকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় আতিকের (Atiq Ahmed)। গত চার দশকে সমাজবাদী পার্টির প্রাক্তন সাংসদের বিরুদ্ধে খুন, ধর্ষণ সহ প্রায় ১০০টি বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। সাক্ষী উমেশ পালকে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় দুষ্কৃতীরা। এখানে প্রধান অভিযুক্ত ছিল আতিকপুত্র আসাদ। তাঁকে দুদিন আগেই ঝাঁসিতে এনকাউন্টার করে যোগী রাজ্যের পুলিশ। আসাদের শেষকৃত্যের দিনেই গুলিতে ঝাঁঝরা হল আতিকের দেহ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Atiq Ahmed: ছেলের শেষকৃত্যের দিনেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ

    Atiq Ahmed: ছেলের শেষকৃত্যের দিনেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি এনকাউন্টারে নিহত আসাদ আহমেদের শেষকৃত্যের দিনেই এবার খুন তাঁর বাবা কুখ্যাত গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed)। শনিবার রাতে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে এই হাড়হিম করা ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, মেডিক্যাল টেস্ট করানোর জন্য পুলিশি নিরাপত্তায় প্রয়াগরাজের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কুখ্যাত গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed) ও তাঁর ভাই আশরফকে। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে প্রিজন ভ্যান থেকে নামতেই, হাসপাতালের সামনে আতিক ও তাঁর ভাই আশরফকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। পুলিশি এনকাউন্টারে ছেলে আসাদের মৃত্যু ও তাঁর শেষকৃত্যে যেতে না পারা নিয়েই নানা প্রশ্ন করছিলেন সাংবাদিকরা, হঠাৎ এক ব্যক্তি হাত উঁচিয়ে এসে আতিকের মাথায় বন্দুক ঠেকান এবং ট্রিগারে চাপ দেন। আতিক (Atiq Ahmed) মাটিতে লুটিয়ে পড়ার সময়ই আরও কয়েকটি এলোপাথাড়ি গুলি চলে। গুলি লেগে মৃত্যু হয় তাঁর ভাই আশরফেরও। পুলিশের সামনেই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে দুই অপরাধীকে খুনের ঘটনায় গোটা উত্তর প্রদেশে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই আততায়ী সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শান্তি বজায় রাখতে উত্তর প্রদেশের সমস্ত জেলাতেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

    প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিওতে গোটা ঘটনাটি ধরা পড়েছে। শনিবার রাতে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য প্রয়াগরাজের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed) ও তাঁর ভাই আশরফকে। পুলিশি বেষ্টনীর মাঝে দাঁড়িয়েই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন আতিক, এমন সময় বাঁ দিক থেকে একটি হাত বেরিয়ে আসে। সোজা আতিকের মাথায় পিস্তল ঠেকানো হয়। এক মূহুর্তও নষ্ট না করেই আতিকের মাথায় গুলি করা হয়। ভাইয়ের সঙ্গে হাতকড়া পরা অবস্থাতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আতিক। পরপর আরও কয়েকটি গুলি চলে, খুন করা হয় তাঁর ভাই আশরফকেও। খুনের পর ঘটনাস্থলেই পড়েছিল আগ্নেয়াস্ত্র।

    সাংবাদিক সেজেই ভিড়ে মিশেছিল আততায়ীরা, সন্দেহ পুলিশের

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সন্দেহভাজন ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, সাংবাদিক সেজে ভিড়ে মিশে ছিল আততায়ীরা। আতিক আসতেই কথা বলার অছিলায় পুলিশকে টপকে একদম পয়েন্ট ব্ল্য়াঙ্ক রেঞ্জে পৌঁছে যায় আততায়ীরা এবং পরপর গুলি চালাতে থাকে। এই ঘটনার পরই রাতারাতি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অশান্তি রুখতে উত্তর প্রদেশের সব জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murder Of BJP Leader: দলীয় কার্যালয়ে খুন দিল্লির বিজেপি নেতা

    Murder Of BJP Leader: দলীয় কার্যালয়ে খুন দিল্লির বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোদ রাজধানীর বুকে গুলি করে খুন (Murder Of BJP Leader) করা হল বিজেপি নেতাকে। শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লির দ্বারকা এলাকায় বিজেপি নেতার অফিসে ঢুকে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। নিহত বিজেপি নেতা সুরেন্দ্র মতিয়ালা (৬০)।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার ৩,৪০০ চাকরি প্রার্থীর নথি! তৃণমূল বিধায়কের ঘরকে ‘ওয়ার রুম’ বলছে সিবিআই

    এদিন নিজের কার্যালয়ে বসে ছিলেন ওই বিজেপি নেতা

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ নিজের অফিসে বসে এক আত্মীয়ের সঙ্গে টিভি দেখছিলেন ওই বিজেপি নেতা। সেই সময়ই মুখ ঢেকে তাঁর কার্যালয়ে ঢোকে দুই আততায়ী। তারা বাইকে করে এসেছিল বলেই জানতে পেরেছে পুলিশ।

    নিহত বিজেপি নেতাকে প্রথমে মারধরও করে দুষ্কৃতীরা

    অফিসে ঢোকার পরই বিজেপি নেতাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এর পর কাছ থেকে বিজেপি নেতাকে (Murder Of BJP Leader) লক্ষ্য করে ৪-৫ বার গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। বিজেপি নেতার ওই আত্মীয়ের উপরও হামলা চালানো হয়েছে কি না স্পষ্ট নয়।

    কী বলছে তদন্তকারী আধিকারিকরা

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ৩ জন দুষ্কৃতী এদিন ওই বিজেপি নেতাকে খুনের (Murder Of BJP Leader) উদ্দেশে এসেছিল। সুরেন্দ্র মাতিয়ালার কার্যালয়ের বাইরে পাহারা দিচ্ছিল এক দুষ্কৃতী। ওই আততায়ী বাইক নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। বাকি ২ জন অফিসে ঢুকে হামলা চালায়।

    কী বলছে নিহতের পরিবার 

    নিহত বিজেপি নেতার পুত্র জানিয়েছেন, কারও সঙ্গে তাঁর বাবার শত্রুতা ছিল না। কী কারণে হামলা, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, কয়েক জনের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ ছিল ওই বিজেপি নেতার। তার জেরেই এই হামলা কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    আরও পড়ুন: ‘নব রবিকিরণে’ বৈশাখ-বরণ বাঙালির! কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amarnath Yatra: সূচি প্রকাশ হল অমরনাথ যাত্রার! শুরু কবে?

    Amarnath Yatra: সূচি প্রকাশ হল অমরনাথ যাত্রার! শুরু কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রীদের জন্য সুখবর। অমরনাথ যাত্রার (Amarnath Yatra) সূচি প্রকাশিত হল শুক্রবার। চলতি বছরের যাত্রা শুরু হচ্ছে ১ জুলাই থেকে,  চলবে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত। শুক্রবার ট্রাস্টি বোর্ড, শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ডের (SASB) তরফে এ ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করা হল। অর্থাৎ এবার অমরনাথ যাত্রা টানা দু-মাস চলবে। প্রসঙ্গত, ৩৭০ ধারার বিলোপের পর ছন্দে ফিরেছে কাশ্মীর। বাড়ছে পর্যটকদের আনাগোনা, এমত অবস্থায় চলতি বছরের যাত্রায় ব্যাপক পূণ্যার্থী অংশ নেবেন বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। অমরনাথ যাত্রার পথে পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে প্রশাসন বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের উপ-রাজ্যপাল মনোজ সিনহা। 

    চলতি বছরের যাত্রার রেজিস্ট্রেশন শুরু হচ্ছে ১৭ এপ্রিল থেকে

    জানা গিয়েছে, এদিন অমরনাথ যাত্রার (Amarnath Yatra) সূচি নিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের রাজভবনে উপ-রাজ্যপাল মনোজ সিনহার নেতৃত্বে বৈঠকে বসে শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ড (SASB)। সেই বৈঠকেই আগামী ১ জুলাই থেকে অমরনাথ যাত্রার শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আর অমরনাথ যাত্রার জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে।

    পুণ্যার্থীদের যাত্রা সহজ করতে বিদ্যুৎ, জল, নিরাপত্তা সহ সমস্ত রকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে

    অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ৩,৮৮০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত অমরনাথ গুহায় পুণ্যার্থীরা দুটি পথ ধরে পৌঁছতে পারবেন। একটি হল, অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁও পথ ধরে এবং অন্যটি হল, গান্দেরবাল জেলার বালতাল পথ ধরে। অমরনাথ যাত্রীদের (Amarnath Yatra) পথে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য এখন থেকে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ-রাজ্যপাল মনোজ সিনহা। তিনি বলেন, পুণ্যার্থীদের যাত্রা সহজ করতে বিদ্যুৎ, জল, নিরাপত্তা সহ সমস্ত রকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সমস্ত দফতর যৌথভাবে কাজ করছে। এছাড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে আবহাওয়া, রুট সহ পথে বিভিন্ন পরিষেবা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য একটি অ্যাপ চালু করা হচ্ছে বলে অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ড জানিয়েছে।

    সারাদেশ লাইভ দেখতে পারবে এবারের অমরনাথ যাত্রা

    অন্যদিকে, ১ জুলাই থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যার পুজোও গুহার ভিতর থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত করা হবে। ফলে ইচ্ছা সত্ত্বেও যাঁরা অমরনাথ যেতে পারছেন না, তাঁরা এই লাইভ টেলিকাস্ট দেখতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ambassador Car: মন্ত্রী চড়ছেন অ্যাম্বাসাডর গাড়ি,  ট্যুইটে ছবি প্রকাশ হতেই আবেগে ভাসল নেটদুনিয়া

    Ambassador Car: মন্ত্রী চড়ছেন অ্যাম্বাসাডর গাড়ি, ট্যুইটে ছবি প্রকাশ হতেই আবেগে ভাসল নেটদুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতভাবে ছবিটা দেখলে মনে হবে, কিছুই না। কিন্তু সাদামাটা একটা ছবি (Ambassador Car) বলে দিল অনেক কথা। টাইম মেশিনে চাপিয়ে বহু মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে গেল স্মৃতির সরণিতে। নস্টালজিয়া গ্রাস করল যে কতজনকে, তার বোধহয় হিসেব মেলা দুষ্কর।

    কী সেই ছবি? 

    সোমবার, সপ্তাহের প্রথম কর্মব্যস্ত দিনে একটি ছবি ট্যুইট করেছেন নাগাল্যান্ডের মন্ত্রী তেমজেন ইমনা আলম। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি একটি ঝকঝকে সাদা অ্যাম্বাসাডরে (Ambassador Car) উঠতে যাচ্ছেন। গাড়ির জানালার কাচে রীতিমতো পর্দা লাগানো। ছবির ক্যাপশনে লেখা, “ইটস মানডে। লেট আস গেট রেডি ফর ওয়ার্ক।” এতটুকু ইংরেজিতে লেখা। তারপরে তিনি হিন্দিতে লিখেছেন, “মেরে পাশ ভি এক অ্যাম্বাসাডর হ্যায়।” দেখতে দেখতে ভিউ পৌঁছে যায় দু’লক্ষের কাছাকাছি। ভেসে আসতে থাকে একের পর এক কমেন্ট। প্রত্যেকেই তাঁদের স্মৃতির কথাই বারবার বলতে চেয়েছেন।

    কেন এই আবেগ?

    হিন্দুস্থান মোটরস-এর তৈরি অ্যাম্বাসাডর গাড়ি (Ambassador Car) এক সময় অভিজাত বলেই গণ্য করা হত। মন্ত্রী, আমলা থেকে শুরু করে সরকারি পদস্থ অফিসাররা চড়তেন দুধসাদা অ্যাম্বাসাডর। দু-চার বছর নয়, ১৯৫৮ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতবর্ষ দাপিয়ে বেড়িয়েছে এই অ্যাম্বাসাডর। ভিতরে পর্যাপ্ত জায়গা এবং পুরু গদিওয়ালা সিট। সাধারণ মানুষের কাছেও এর কদর ছিল ব্যাপক। এর তো নামই হয়ে উঠেছিল ফ্যামিলি কার। কিন্তু কালের নিয়মে যা হয়, এক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে।  উন্নত এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারায় বিদায় নিয়েছে এক সময়ের এলিট এই গাড়িটি।

    ব্রিটেনের মরিশ অক্সফোর্ড-এর আদলের এটি হল দেশের মধ্যে তৈরি প্রথম গাড়ি। ফলে একে ঘিরে মানুষের আবেগ এবং উন্মাদনা ছিল লক্ষ্যণীয়। অনেকের কাছেই এটি এক সময় ছিল স্ট্যাটাস সিম্বল। কোনও রাজনৈতিক নেতা অ্যাম্বাসাডর চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এ দৃশ্য এখন কার্যত বিরল। তবে হ্যাঁ, এটি এখনও ব্যবহৃত হচ্ছে, কিন্তু যাত্রীবাহী গাড়ি হিসেবে। কিন্তু কতদিন? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: কালো টুপি, জংলা পোশাক! নয়া লুকে জঙ্গল সাফারিতে প্রধানমন্ত্রী 

    Narendra Modi: কালো টুপি, জংলা পোশাক! নয়া লুকে জঙ্গল সাফারিতে প্রধানমন্ত্রী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালো টুপি, খাকি প্যান্ট আর জলপাই রঙের টি-শার্ট। হাতে ধরা হাতাকাটা জ্যাকেট। অন্য লুকে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার সকালে মহীশূরের বান্দিপুর ও মধুমালাই ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। এদিন তিনি দিল্লি থেকে রওনা হতেই প্রধানমন্ত্রী দফতরের তরফে ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানেই নয়া লুকে তাঁকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এদিন মহীশূরে ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনের পাশাপাশি ব্যাঘ্র প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানেরও উদ্বোধন করবেন তিনি।

    কর্নাটক ও তামিলনাড়ুতে সফর প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন বাঘ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিও স্পষ্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। International Big Cats Alliance বা IBCA নামে প্রকল্পও চালু করেন তিনি। প্রথমে চামরাজানগর জেলার বান্দিপুর ব্যাঘ্র প্রকল্প, সেখানে বনাধিকারী ও বনকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। এর পরই পড়শি রাজ্য তামিলনাড়ুর মধুমালাই ব্যাঘ্র প্রকল্পের অন্তর্গত থেপাক্কাডু কুনকি হাতির ক্যাম্পে রওনা হন তিনি। উল্লেখ্য, এদিন বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্রের ফিল্ড ডিরেক্টরদের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বাঘ সংরক্ষণ নিয়ে তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন তিনি। 

    মোদি (Narendra Modi) সরকারের আমলে কমেছে চোরা শিকার

    ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বন্যপ্রাণীর চোরাশিকার ও চোরাচালান বন্ধ করতে উদ্যোগী হন মোদি (Narendra Modi)। এব্যাপারে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান তিনি। তাঁর সেই বার্তাকেই গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতে IBCA চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। অন্যদিকে তাঁর এই উদ্যোগে মিলেছে সাফল্যও। অসমে বন্ধ করা গেছে চোরা শিকার। পরিসংখ্যান বলছে গত বছরে একটিও গণ্ডার শিকার হয়নি অসমে।

    বাড়ছে বাঘের সংখ্যা

    প্রাথমিক পর্যায়ে বাঘের সংখ্যা বাড়াতে মোট ৯টি সংরক্ষিত বনাঞ্চলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। ১৮ হাজার ২৭৮ বর্গ কিলোমিটার জঙ্গলে শুরু হয় বাঘ সংরক্ষণের কাজ। বর্তমানে গোটা দেশে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সংখ্যা ৫৩। ৭৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার জুড়ে যা ছড়িয়ে রয়েছে। কেন্দ্রের দেওয়া সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বছরে ৬ শতাংশ হারে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিন হাজারের কাছাকাছি বাঘ রয়েছে গোটা দেশে। এই সংখ্যা যথেষ্ট স্বস্তি দায়ক বলেই মানছেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share