Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • G20: যুদ্ধ শব্দে আপত্তি রাশিয়া ও চিনের! জি-২০ তে যৌথ বিবৃতি দেওয়া গেলনা

    G20: যুদ্ধ শব্দে আপত্তি রাশিয়া ও চিনের! জি-২০ তে যৌথ বিবৃতি দেওয়া গেলনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ২০টি অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত জি-২০ (G20) দেশগুলির অর্থমন্ত্রীরা শনিবার যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করতে ব্যর্থ হল। এদিন বেঙ্গালুরুতে জি-২০ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই ধরনের বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার নিয়ম থাকে। তবে এই ক্ষেত্রে তা হল না। কারণ যৌথ বিবৃতিতে অধিকাংশ দেশই ইউক্রেন যুদ্ধের সমালোচনা করার পক্ষে সায় দেয়। তবে রাশিয়া ও চিন এর বিরোধিতা করে। এই আবহে শেষ পর্যন্ত অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে কোনও যৌথ বিবৃতি প্রকাশই করা গেল না। অবশেষে বৈঠকের সভাপতিত্ব করা ভারত একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছে  বৈঠকে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    গত বছর ইন্দোনেশিয়াতেও জটিলতা তৈরি হয় যৌথ বিবৃতি নিয়ে

    উল্লেখ্য, এর আগে গতবছর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত জি-২০ (G20)  শীর্ষ সম্মেলনেও যৌথ বিবৃতি নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। সেখানেও বিবৃতিতে ইউক্রেন যুদ্ধের উল্লেখ নিয়ে আপত্তি ছিল রাশিয়ার। পরবর্তীতে ভারতের মধ্যস্থতায় বিবৃতির ‘ভাষায়’ বদল আনা হয়। তাতে সন্তুষ্ট হয়েই রাশিয়া যৌথ বিবৃতিতে সায় দিয়েছিল। তবে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত ২০টি দেশের অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নরদের বৈঠকের পর কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি যৌথ বিবৃতি জটিলতা সংক্রান্ত। পাশাপাশি এর থেকে প্রকাশ্যে চলে এসেছে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে এই গোষ্ঠীর ২০টি দেশের মতভেদের বিষয়টি।

    অর্থমন্ত্রী কী বলছেন

    এই আবহে অর্থমন্ত্রী জানান, এই বৈঠকের যৌথ বিবৃতিতে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে দু’টি অনুচ্ছেদ ছিল। ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ সম্মেলনে যে ভাষায় ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল, এই ক্ষেত্রেও তাই ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ভারতীয় অর্থমন্ত্রী জানান, সেই যৌথ বিবৃতি নিয়ে আপত্তি ছিল চিন ও রাশিয়ার। তিনি বলেন, ‘তারা (চিন ও রাশিয়া) চায়নি যে ওই দুই অনুচ্ছেদ যৌথ বিবৃতিতে থাকুক। তাঁদের বক্তব্য ছিল, অর্থমন্ত্রীদের কাজ অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা। বিশ্ব রাজনীতির মধ্যে না ঢোকাই উচিত।’ 
    সূত্র মারফত জানা গেছে, যৌথ বিবৃতি নিয়ে আলোচনায় বাধা সৃষ্টি করেছিল রাশিয়া। তাদের দাবি ছিল, পশ্চিমা বিশ্ব তাদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তার সমালোচনা করতে হবে। অর্থ মন্ত্রকের সচিব অজয় শেঠ এই বিষয়ে বলেন, ‘শুধুমাত্র যুদ্ধ শব্দটিকে বাদ দিতে বলা হয়নি রাশিয়া ও চিনের তরফে। ইউক্রেন যুদ্ধ সংক্রান্ত পুরো দুটো প্যারাগ্রাফ সরাতে বলে তারা। এদিকে গোষ্ঠীর বাকি ১৮টি দেশেরই মনে হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব পড়েছে। তো যৌথ বিবৃতিতে যুদ্ধের উল্লেখ থাকা উচিত।’

     জি-২০ (G20)  এর সভাপতি হিসেবে ভারতের বিবৃতিতে কী বলা হল

    ‘বেশিরভাগ সদস্যই ইউক্রেনের যুদ্ধের তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রায় সকল সদস্যই জোর দিয়ে বলেছেন যে এই যুদ্ধের কারণে বিপুল দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আম জনতাকে। পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে তুলেছে এই যুদ্ধ। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত করেছে এই যুদ্ধ। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই যুদ্ধ। তাছাড়া সকল দেশেই আর্থিক স্থিতিশীলতার ঝুঁকি বেড়েছে এর কারণে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Sukma: ছত্তিশগড়ে ফের মাওবাদী হামলা, নিহত ৩ জওয়ান

    Sukma: ছত্তিশগড়ে ফের মাওবাদী হামলা, নিহত ৩ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে মাওবাদী হামলা চলছেই। শনিবার রাজ্যের সুকমায় (Sukma) মাওবাদীদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে শহীদ হলেন ৩ ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ পুলিশ গার্ড। পাশাপাশি শহীদ হয়েছেন ১ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টরও। জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে জাগরগুন্ডা থানা এলাকার মধ্যে। ৩ জন শহীদের নাম কুঞ্জম যোগা, সৈনিক ভাঞ্জম ভীমা, রামুরাম নাগ। জানা গেছে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন অপারেশনে নেমেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের ওপর হামলা চালায় মাওবাদীরা।

    আরও কিছু মাওবাদী হামলার নজির চলতি মাসে

    চলতি মাসের ৫ তারিখে নীলকান্ত কাকম, বিজাপুরের আউয়াপল্লী মন্ডলের বিজেপির সভাপতিকে পরিবারের সদস্যদের সামনেই কুপিয়ে হত্যা করে মাওবাদীরা। উনি একটি বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন, সেখানেই ১৫০ জনের মাওবাদী দল প্রথমে গ্রামটিকে ঘিরে ধরে এবং কয়েকজন মাওবাদী ওই বিয়েবাড়িতে ঢুকে নীলকান্ত কাকমকে হত্যা করে বলে অভিযোগ। তারপর থেকে এইমাসে একাধিক মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এরপরে ১০ ফেব্রুয়ারি মাওবাদীদের হাতে খুন হন বিজেপির নারায়নপুর জেলা সহসভাপতি সাগর সাহু। আবার এই ঘটনার ঠিক একদিনের মাথায় খুন হন ওই জেলারই বিজেপির প্রাক্তন প্রধান রামধর আলমি। 

    চলতি সপ্তাহের গোড়ায় ছত্তিশগড়ের এক পুলিশকর্মী নৃশংসভাবে খুন হন মাওবাদীদের হাতে। ওই হেড কনস্টেবলকে গলা কেটে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। রাজ্যের বীজাপুরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। মৃত পুলিশকর্মীর নাম পিন্ডিরাম ভেট্টি। দন্তেওয়াড়া জেলার পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন তিনি। দান্তেওয়াড়ার এএসপি আর কে বর্মন জানিয়েছেন, হেড কনস্টেবল ভেট্টির বাড়ি গুমলনার গ্রামে। সম্প্রতি বিশাখাপত্তনামে পুলিশ ট্রেনিং শেষ করে বাড়ি ফেরেন পিন্ডিরাম। ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে চারদিন ছুটি নিয়েছিলেন। কাদেনার গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে যান। আনন্দ অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা বেরিয়েছিল রবিবার রাতে। তা শেষ হওয়ার পর বিশ্রাম নিচ্ছিলেন পুলিশকর্মী। তখনই মাওবাদীরা ঘিরে ধরে হত্যা করে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Gujarat High Court: ‘মাই লর্ড’ বা ‘ইয়োর অনার’ নয় ’স্যর’ বলাই উচিত, বললেন গুজরাট হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি  

    Gujarat High Court: ‘মাই লর্ড’ বা ‘ইয়োর অনার’ নয় ’স্যর’ বলাই উচিত, বললেন গুজরাট হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থান হাইকোর্টের পথেই হাঁটার বার্তা গুজরাট হাইকোর্টের (Gujarat High Court)! পুরুষ কিংবা মহিলা বিচারপতি যিনিই হোন না কেন, তাঁকে স্যর বলে সম্বোধন করতে হবে। এই মর্মে নোটিশ জারি করেছিল রাজস্থান হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতিদের মাই লর্ড বা ইয়োর অনার সম্বোধনে আপত্তি জানালেন গুজরাট হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সোনিয়া গোকানি (Sonia Gokani)। মাত্র ৯ দিনের জন্য গুজরাট হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। এই কদিনের মেয়াদেই বিচারপতিদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ প্রথা বাতিলের পক্ষে সওয়াল করলেন তিনি।

    রাজস্থান হাইকোর্ট…

    চার বছর আগে রাজস্থান হাইকোর্ট একটি নোটিশ জারি করে জানিয়েছিল, বিচারপতিদের মাই লর্ড বা ইয়োর অনারের বদলে স্যর সম্বোধন করতে হবে। এদিন একটি মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি সোনিয়ার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে। ওই সময় এক আইনজীবী বেঞ্চের এক বিচারপতি সন্দীপ এন ভট্টকে মাই লর্ড বলে সম্বোধন করেন। তখনই সোনিয়া বলেন, বিচারপতিদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে মাই লর্ড বা ইয়োর অনার বলার কোনও প্রয়োজন নেই। স্যর বলাই যথেষ্ট।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, গ্রেফতার ডিআরডিও আধিকারিক

    বিচারপতিদের সম্মান জানানোটা জরুরি হলেও, তাঁদের মাই লর্ড বা ইয়োর অনার বলে সম্বোধন করাটা বাধ্যতামূলক নয়। ২০১৪ সালেই সুপ্রিম কোর্টে এক জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে একথা জানিয়েছিলেন বিচারপতি এইচ এল দাত্তু ও বিচারপতি এস এ বোবদের বেঞ্চ। প্রসঙ্গত, সোনিয়া ছিলেন গুজরাট হাইকোর্টের (Gujarat High Court) প্রথম মহিলা বিচারপতি। ৯ দিনের মেয়াদ শেষে শনিবারই অবসর নেন তিনি। ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে জেলা জজ হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন সোনিয়া। ২০১১ সালে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে গুজরাট হাইকোর্টে যোগ দেন তিনি। ৯ দিন আগে তাঁকে দেওয়া হয় প্রধান বিচারপতির পদ।

    এদিন সোনিয়া বলেন, স্যর বলাই উচিত। মাই লর্ড কিংবা ইয়োর অনার বলার চেয়ে এটা বলাই ঠিক হবে। এটা লিঙ্গ-নিরপেক্ষও হবে। এদিন তিনি মনে করিয়ে দেন পুরনো একটি ঘটনার কথা। বিচারপতিদের কীভাবে সম্বোধন করা হবে তা নিয়ে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল অ্যাকাডেমিতে একটি আলোচনা চক্র হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল ইয়োর লর্ড বলাটা সামন্তবাদী ধারণা। তখনই প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এস জে মুখোপাধ্যায় বলেন, অধিকাংশ আইনজীবীই ইতিমধ্যেই স্যর বলতে শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • DRDO: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, গ্রেফতার ডিআরডিও আধিকারিক

    DRDO: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, গ্রেফতার ডিআরডিও আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ডিআরডিও (DRDO) অফিসারের বিরুদ্ধে উঠল গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ। পাক রমণীর সঙ্গে সম্পর্কস্থাপনের অভিযোগও উঠেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ডিআরডিও’র সেই সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসারকে। জানা গিয়েছে, গত একবছর ধরে এক পাকিস্তানি মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। মধুচক্রের ফাঁদে পড়ে শত্রুদেশের ওই মহিলাকে নিজের নগ্ন ছবি-ভিডিয়ো থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, সব পাঠিয়েছেন তিনি। শনিবার বালাসোর পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাঁকে। আইজি (ইস্টার্ন রেঞ্জ) হিমাংসু লাল জানিয়েছেন, ওই টেকনিক্যাল অফিসার বালাসোর জেলার চাঁদিপুরে ডিআরডিওর ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে নিযুক্ত ছিলেন। বছর খানেক আগে ওই পাকিস্তানি মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাঁর। অল্প দিনেই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

     

    কী জানা গেল? 

    পুলিশের তরফে (DRDO) জানানো হয়েছে, গ্রেফতার হওয়া অফিসার অশ্লীল ছবি ও ভিডিওর বিনিময়ে পাকিস্তানি মহিলা এজেন্টের সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গোপন তথ্য শেয়ার করেছিলেন। জানা গিয়েছে, মধুচক্রটি অপারেট হত রাওয়ালপিন্ডি থেকে। সেখান থেকেই এ দেশের বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, বিশেষ করে যারা দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত সংস্থার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের টার্গেট করা হয়। 

    পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গোপন তথ্য পাওয়ার জন্য এ দেশের প্রকৌশলী ও সুরক্ষা ব্যবস্থার আধিকারিকদের গুপ্তচর হিসেবে কাজে লাগানোর জন্য এই ধরনের ফাঁদ পাতা হচ্ছে। এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে সুন্দরী তরুণীদের। উল্লেখ্য, এটি ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ থেকে তথ্য ফাঁসের প্রথম ঘটনা নয়। অতীতেও একই অভিযোগে বেশ কয়েকজন অফিসার গ্রেফতার হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু ভোটও পাবে বিজেপি! সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূল তৃতীয় স্থানে থাকবে, দাবি শুভেন্দুর  

    গ্রেফতার হওয়া আধিকারিকের নাম (DRDO) বাবুরাম। ডিআরডিও আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, আইটিআর-এ প্রায় সমস্ত মিসাইল পরীক্ষার সময়ই উপস্থিত ছিলেন বাবুরাম। তাছাড়া ডিআরডিও কর্মী এবং বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর। মিসাইল উৎক্ষেপণে অতি স্পর্শকাতর, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত তথ্যও থাকত বাবুরামের কাছেই। সেই বাবুরামই এবার পুলিশের হেফাজতে। অভিযোগ, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই মহিলা পাক চরের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বাবুরামের। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাঁর ফোন। ডিআরডিও-র গোপন তথ্য কতখানি পাকিস্তানের কাছে পৌঁছেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     

      

  • Joyalukkas: জনপ্রিয় সংস্থা জয়লুক্কাস থেকে ৩০৫.৮৪ কোটি টাকার গয়না বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    Joyalukkas: জনপ্রিয় সংস্থা জয়লুক্কাস থেকে ৩০৫.৮৪ কোটি টাকার গয়না বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গয়না সংস্থায় হানা দিল ইডি। শুক্রবার জয়ালুক্কাস (Joyalukkas) নামে ওই সংস্থা থেকে ৩০৫.৮৪ কোটি টাকার গয়না বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। সংস্থার ৫ টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়েছিল দিনকয়েক আগে। সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট লঙ্ঘন করা হয়েছে। অভিযোগ বিপুল পরিমানে হাওলার টাকা দুবাই হয়ে ভারতে এসেছে এবং এর পুরোটাই বিনিয়োগ করা হয়েছে এই জয়লুক্কাসে (Joyalukkas)। দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে দুবাইতে পাচার করার অভিযোগে জয়লুক্কাস ভার্গিসের মালিকানাধীন সংস্থার বিশেষ তদন্ত শুরু করেছিল ইডি। ওই তদন্তের কারণে গত মঙ্গলবার আচমকাই শেয়ারবাজার থেকে ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকার আইপিও প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। যদিও কী কারণে আচমকা ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো তা খোলসা করেনি গয়না ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত সংস্থাটির শীর্ষ আধিকারিকরা।

    জয়লুক্কাসের আরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি 

    এগুলি ছাড়াও ইডি আরও বেশ কিছু সম্পত্তি তাদের বাজেয়াপ্ত করেছে, যেমন ৩৩টি অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার মধ্যে যার বর্তমান বাজার মূল্য ৮১.৫৪ কোটি টাকা। ত্রিসুরের শোভা সিটির একটি আবাসনও রয়েছে তার মধ্যে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিটি তার বিবৃতিতে জানিয়েছে, জয়াল্লুকাসের ৩৩টি অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৮১ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা। এই সবকটি সম্পত্তিই ত্রিচূড়ের শোভা সিটিতে। তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সিজ করা হয়েছে। এই তিনটি অ্যাকাউন্টে ৯১.২২ কোটি, ৫.৮৫ কোটি এবং ২১৭.৮১ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত দেশের ৬৮টি শহরে জয়লুক্কাসের (Joyalukkas) শোরুম রয়েছে।

    চোরা পথে সোনা আনার অভিযোগ রয়েছে সংস্থার বিরুদ্ধে

    এই সংস্থাটির মূল বাজার দক্ষিণ ভারতে হলেও গত কয়েক বছরে উত্তর ও পশ্চিম ভারতের একাধিক রাজ্যেও তাদের শোরুম তৈরি করেছিল। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়াল্লুকাসের প্রতিপত্তি যেভাবে বেড়েছে তা চোখে লাগার মতোই। দুবাই থেকে সোনা চোরা পথে এদেশে নিয়ে আসার অভিযোগও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Pakistan Economic Crisis: আর্থিক সংকটে পাকিস্তানকে কোনও সাহায্য করবেনা ভারত, সাফ জানালেন বিদেশমন্ত্রী

    Pakistan Economic Crisis: আর্থিক সংকটে পাকিস্তানকে কোনও সাহায্য করবেনা ভারত, সাফ জানালেন বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাপক আর্থিক সংকটে (Pakistan Economic Crisis) ভুগছে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে কোনও সাহায্য করবে না ভারত সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বিদেশ মন্ত্রক আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এমনই বলেন এস জয়শঙ্কর। সাম্প্রতিক অতীতে পাকিস্তানের মতোই আর্থিক সংকটে ভুগছিল শ্রীলঙ্কা। সেসময় পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। একাধিক সাহায্যও পাঠান হয়েছিল। তবে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে কোনও সাহায্য কার হবেনা, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী

    কোনওভাবেই পাকিস্তান (Pakistan Economic Crisis) কাটাতে পারছেনা তাদের আর্থিক সংকট (Pakistan Economic Crisis)। এ প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী বলেন কোনও দেশই কখনও কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না যতক্ষণ না সেই দেশ একটি সমৃদ্ধশালী শিল্প তৈরি হয়। পকিস্তানের শিল্প বলতে সন্ত্রাসবাদ । সন্ত্রাসবাদ তৈরির কারখানায় পরিণত হয়েছে পাকিস্তান। তাই দেশটির এই হাল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের নাম না করে বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, একটি দেশকে প্রথমে অর্থনৈতিক সমস্যাগুলি ঠিক করতে হবে, দেশটিকে রাজনৈতিক সমস্যাগুলি ঠিক করতে হবে। সামাজিক সমস্যাগুলিও ঠিক করতে হবে। তারপরই সেই দেশটি উন্নয়নের মুখ দেখবে। তিনি আরও বলেন কোনও দেশ গুরুতর আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হলে তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রথমে একটি নীতি গ্রহণ করতে হবে। কূটনীতি থেকে রাজনীতি সর্বত্রই তার প্রভাব পড়বে। তাঁর আরও সংযোজন, ভারতেও আধুনিক সময় বেশ কয়েকবার চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে গেছে। ৩০ বছর আগে ভারত পেমেন্টের ভারসাম্য সংকটের মধ্যে দিয়ে গেছে। কিন্তু ভারত নিজেই সমস্যা মোকাবিলা করতে পেরেছে।

    নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে দেশের

    এস জয়শঙ্কর এদিন আরও বলেন ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দায়িত্ব নেওয়ার পরই ভারত প্রতিবেশী দেশগুলির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানান হয়েছে। তাতে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলির নানা সমস্যায় ভারত তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
     

  • Fair Price Shop: ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে বিদ্যুতের বিল জমা! সব সুবিধাই পাবেন রেশন দোকানে, বলছে কেন্দ্র সরকার

    Fair Price Shop: ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে বিদ্যুতের বিল জমা! সব সুবিধাই পাবেন রেশন দোকানে, বলছে কেন্দ্র সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দোকান মানেই যেন সামনে সারি দিয়ে দাঁড়ানো মানুষ। চাল,ডাল, গমের বস্তা সার দিয়ে রাখা। আগে অবশ্য কেরোসিন তেলও দেওয়া হত। কিন্তু আগামী দিনে রেশনের দোকানে ব্যাঙ্কের কাজও করতে পারবেন, আবার ধূপও পাবেন। আবার বিদ্যুতের বিলও জমা দেওয়া যাবে রেশন দোকানেই। মানে যাকে বলে এককথায় হিরে থেকে জিরে! সব পরিষেবাই পাওয়া যাবে রেশন দোকানে। পরিকল্পনা অনেকদিন ধরেই চলছিল। দেশের বেশ কিছু রাজ্যে এই পরিষেবা ইতিমধ্যে শুরুও হয়ে গেছে। এরফলে আর্থিকভাবে আগের থেকে অনেকটা লাভবানও হচ্ছেন রেশন ডিলাররা। সম্প্রতি, এবিষয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দিল্লিতে।

    কবে অনুষ্ঠিত হল এই সেমিনার

    কেন্দ্রীয় সরকারের খাদ্য মন্ত্রকের উদ্যোগে ‘ন্যাশনাল কনফারেন্স অন ট্রান্সফরমেশন অফ ফেয়ার প্রাইস শপ’ অনুষ্ঠিত হয় ১৫ ফেব্রুয়ারি নতুন দিল্লিতে। এই সম্মেলনে হাজির ছিলেন সিএসপি, এমএসপি, ব্য়াঙ্কিং, ই-গভর্নেন্স সার্ভিসেস ইন্ডিয়া লিমিটেড, ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্ট ব্যাঙ্ক এর প্রতিনিধিরা, এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। 

    কী কী আলোচনা হল সেমিনারে

     সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন এমএসপির প্রতিনিধি মিতুল থাপিয়াল বলেন, রেশন দোকানগুলির সঙ্গে এমএসপি, সিএসপি জুড়লে সাধারণ মানুষ আরও লাভবান হবেন। এক জায়গাতেই সব পরিষেবাটা পাওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, বেশ কতগুলি রাজ্যে ইতিমধ্যে চালু হয়েছে এই পরিষেবা এতে সাধারণ মানুষের অনেকটাই সুবিধা হচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রকের সচিব সঞ্জীব চোপড়া বলেন, আমরা প্রতিটি রাজ্য সরকারের কাছে চিঠি করেছি যে রেশন ডিলাররা যাতে নন-পিডিএস আইটেমগুলিও রাখতে পারেন, তার ব্যবস্থা করার জন্য। প্রসঙ্গত, নন-পিডিএস আইটেম মানে ধূপ, সাদা তেল, সরষের তেল, হলুদ গুঁড়ো ইত্যাদি। সঞ্জীব চোপড়ার আরও সংযোজন, সারা দেশে এখন ৪০ হাজার মতো রেশন দোকান রয়েছে, যেগুলির সঙ্গে সিএসপি জোড়া হয়েছে। গুজরাটের উদাহরণও এদিনের বক্তব্যে টেনে আনে এই আমলা। তিনি বলেন, গুজরাটে রেশন ডিলাররা ৫০ হাজার টাকা করে রোজগার করছে প্রতিমাসে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে।

    সম্মেলনে ঠিক হয়, রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে রেশন ডিলারদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে, এবং তাঁদেরকে বিভিন্ন ব্যবসার বিষয়ে জানানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Covid 19: কোভিড-আতঙ্ক! ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে তিন বছর স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি মহিলা, বের করল পুলিশ

    Covid 19: কোভিড-আতঙ্ক! ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে তিন বছর স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি মহিলা, বের করল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লকডাউন তো কবেই উঠে গেছে, কোভিডও (Covid 19) চলে গেছে, সংক্রমণ এড়াতে নিজেদের ঘরবন্দি রাখার পরামর্শ দিচ্ছেননা কোনও চিকিৎসক। তবে গুরগাঁওতে মরকতকুঞ্জের বাড়িতে গত তিন বছর ধরে  নিজের ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে ঘরবন্দি ছিলেন এক মহিলা। মঙ্গলবার তাঁকে বের করতে নামতে হল খোদ পুলিশ কর্তাদের। ২১  ফেব্রুয়ারি পুলিশ টিম, স্বাস্থ্য দফতরের টিম, চাইল্ড ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্টের টিমও গিয়েছিল এলাকায়। এরপর তারা বাড়ির প্রধান দরজা ভেঙে ফেলে। সেই দরজা ভেঙে তারা দুজনকে উদ্ধার করে।

    মহিলার পরিচয় কী

    জানা গেছে ওই মহিলার নাম মুনমুন মাঝি। স্বামী সুজন মাঝিরও ঘরে প্রবেশের অনুমতি ছিলনা। ২০২০ সালে তিনি যখন অফিসে যাওয়া শুরু করেন তারপর থেকে আর বাড়ি ঢোকার অধিকার তাঁর ছিল না। সুজনবাবু পেশায় একটি বেসরকারি কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার বলে জানা গেছে।

    গত তিনবছর ধরে ওই মহিলার স্বামীকে থাকতে হয়েছে ভাড়াবাড়িতে

    প্রথম দিকে তিনি বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়দের বাড়িতে থাকতেন। এরপর তিনি স্থানীয় এলাকাতেই ভাড়া বাড়িতে থাকা শুরু করেন। স্ত্রীকে তিনি বার বার বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তিনি কারোর কথা শোনেননি।  এরপর থেকে ভিডিও কলে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।  প্রথম প্রথম সুজন স্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। বার বার বলেন ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে। এরপর তিনি শ্বশুরবাড়িতেও জানান। তারাও অনুরোধ করেন। কিন্তু কারোর কথা শুনতে চাননি মুনমুন। শেষ পর্যন্ত পুলিশের দারস্থ হন সুজন। কিন্তু পুলিশ প্রথমে ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দেয়নি। তবে তার স্বামী জানান, তিনটে বছর আমি সন্তানের মুখ দেখিনি। এরপরই পুলিশ নড়েচড়ে বসে।

    বাচ্চাদের কোভিডের (Covid 19) টিকা না আসা অবধি তিনি ঘরেই থাকবেন এই ছিল ওই মহিলার পণ

     সন্তানের কোভিড (Covid 19) টিকা না আসা পর্যন্ত তিনি ঘর থেকে বাচ্চাকে নিয়ে বের হবেন না, এটআই বলতেন মুনমুনদেবী। এদিকে ১২ বছরের নীচে এখনও কোনও টিকা নেই। তার সন্তানের বয়স ১০ বছর। কিন্তু তার সন্তান কোভিডে (Covid 19) যাতে আক্রান্ত না হয় সেকারণে তিনি সব ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

    কী বলছে পুলিশ

    স্থানীয় থানার সাব ইন্সপেক্টর প্রবীণ কুমার বলেন, ‘‘আমার স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, প্রথমে আমি ব্যাপারটিকে খুব একটা পাত্তা দিইনি। কিন্তু পরে বুঝলাম যে, ভদ্রলোক সত্যিই সমস্যায় পড়েছেন, আমি সমস্ত সহায়তা করি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Air India: এবার পাইলট নিয়োগে জোর এয়ার ইন্ডিয়ার, বেতন শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

    Air India: এবার পাইলট নিয়োগে জোর এয়ার ইন্ডিয়ার, বেতন শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল সংখ্যক বিমান অর্ডার করার পর কর্মী নিয়োগে জোর দিচ্ছে টাটা গ্রুপের বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। পাইলট ও অন্যান্য কর্মীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা।

    বেতন শুনলে চোখ কপালে উঠবে

     জানা গেছে, কোম্পানির আকর্ষণীয় কিছু পদের জন্য বার্ষিক ২ কোটি টাকা পর্যন্ত প্যাকেজ অফার করেছে তারা। জানা গেছে, এয়ার ইন্ডিয়া নতুন কিছু পদের জন্য বার্ষিক ২ কোটি টাকারও বেশি প্যাকেজ দেবে। এই আকর্ষণীয় প্যাকেজটি বোয়িং B777 এয়ারক্রাফ্টের ক্যাপ্টেন পদের জন্য দেবে সংস্থা। B777 বিমানের ক্যাপ্টেন পদের জন্য প্রতি মাসে ২১ হাজার ডলার অফার করছে। ভারতীয় মুদ্রায় এটি বার্ষিক ২.০৮ কোটি টাকার সমান।

    এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) বর্তমানে ১১৩টি বিমান রয়েছে, যেখানে প্রায় ১৪০টি বিমান পরিচালনা করার মতো দক্ষ কর্মী রয়েছে সংস্থার হাতে। এখন সংস্থাটি বোয়িং ও এয়ারবাস থেকে ৪৭০ টি নতুন বিমানের অর্ডার দিয়েছে। নতুন এয়ারক্রাফটের ক্ষেত্রে এটাই এখনও পর্যন্ত রেকর্ড অর্ডার। এর মধ্যে এয়ারবাস থেকে ২৫০টি বিমান অর্ডার করা হয়েছে। এবং বোয়িং থেকে ২২০টি প্লেন অর্ডার করেছে কোম্পানি। নতুন বিমানগুলি চালু হলে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) কাছে বিমানের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যাবে। বর্তমানে, ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলির মধ্যে ইন্ডিগো বিমানের সংখ্যার শীর্ষে রয়েছে, তবে এই চুক্তি শেষ হওয়ার পরে এয়ার ইন্ডিয়া বিমান সংখ্যায় অনেকটাই এগিয়ে যাবে। স্বাভাবিকভাবেই এই নতুন বিমানগুলির জন্য এয়ার ইন্ডিয়ার আরও অনেক দক্ষ কর্মী প্রয়োজন।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দক্ষ পাইলট পেতেই এত বড় প্যাকেজ দিচ্ছে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। এয়ার ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইটে শুধু পাইলট নয়, আরও অনেক পদের জন্য নিয়োগ বেরিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কেবিন ক্রু মেম্বার, গ্রাউন্ড স্টাফ, নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত পদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Sonu Nigam: মুম্বইতে কনসার্ট চলাকালীন হামলা সোনু নিগমের উপর, অভিযুক্ত উদ্ভব ঘনিষ্ঠ বিধায়ক পুত্র

    Sonu Nigam: মুম্বইতে কনসার্ট চলাকালীন হামলা সোনু নিগমের উপর, অভিযুক্ত উদ্ভব ঘনিষ্ঠ বিধায়ক পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুষ্ঠান চলাকালীন গায়ক সোনু নিগমের (Sonu Nigam) উপর আচমকাই হামলা চালাল দুই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের চেম্বুরে। ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি উদ্ভব ঠাকরে ঘনিষ্ঠ বিধায়ক প্রকাশ ফাটেরপেকারের ছেলে ও ভাইপো বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

    কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

     প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, চেম্বুরের ওই অঞ্চলে সোনু নিগমের এদিন গানের কনসার্ট চলছিল। তখনই সোনু নিগমের (Sonu Nigam)  ম্যানেজার সাইরার সঙ্গে ওই দুই অভিযুক্ত ব্যক্তি খারাপ ব্যবহার করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। নিজেরাই উঠে পড়েন মঞ্চে। সোনু নিগমকে (Sonu Nigam)  ধাক্কা দেওয়ার উদ্যোগ নিতেই তাঁর নিরাপত্তারক্ষী হাজির হয়ে যান। উত্তেজিত দুই ব্যক্তি এমন ভাবে নিরাপত্তারক্ষীকে ধাক্কা দেন যে তিনি সিঁড়ি থেকে নীচে পড়ে যান। এখানেও থামেননি ওই দুই ব্যক্তি। সোনুর (Sonu Nigam)  কাছের বন্ধু গায়ক রব্বানি খানও ওই দুই ব্যক্তিকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু লাভ হয় না। রব্বানিকেও ধাক্কা দিয়ে সিঁড়ি থেকে ফেলে দেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঘটনায় রব্বানি ও নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর।

    কী বলছেন গায়ক

    সোনু নিগম (Sonu Nigam)  এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘কনসার্ট শেষ হওয়ার পর, যখন আমার সহকর্মী হরিপ্রকাশ, রব্বানী খান, সায়রা মাকানি-সহ আমরা সবাই মঞ্চ থেকে নামছি, এমন সময় হঠাৎ পেছন থেকে একটা ছেলে এসে আমাকে ধরে ফেলে। জোর করে আমার সঙ্গে সেলফি তোলার চেষ্টা করেন তিনি। আমি বাধা দিই। ধাক্কাধাক্কিতে আমি সিঁড়িতে পড়ে যাই। আমায় বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিস হরিপ্রকাশ এবং রব্বানি। হরিপ্রকাশ সেই ছেলেটিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে, সেই ছেলেটি হরিপ্রকাশজিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।

    পুলিশ কী বলছে

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরেই মুম্বইয়ের চেম্বুর পুলিস স্টেশনে স্বপ্নিল প্রকাশ ফাটারপেকারের নামে একটি এফআইআর দায়ের করেছেন সোনু নিগম (Sonu Nigam) । অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী ধারা ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করার জন্য শাস্তি), ৩৪১ (অন্যায়ভাবে সংযম), এবং ৩৩৭ (জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন করে এমন কাজ করে আঘাত করা)-এর অধীনে মামলা নথিভুক্ত করেছে।

    ঘটনায় লেগেছে রাজনৈতিক রঙও। উদ্ভব ঘনিষ্ঠ বিধায়কের ছেলে ও ভাইপো হামলা চালাতে গেল কেন? এটা কী পূর্বপরিকল্পিত? এ প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। ইতিমধ্যেই পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share