Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur Violence: মণিপুর হিংসার তদন্তে ১১ জন মহিলা অফিসার সহ ৫৩ জনের টিম গঠন সিবিআই-এর

    Manipur Violence: মণিপুর হিংসার তদন্তে ১১ জন মহিলা অফিসার সহ ৫৩ জনের টিম গঠন সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর (Manipur Violence) ইস্যু বাদ যায়নি প্রধানমন্ত্রীর লালকেল্লা ভাষণেও। চলতি বাদল অধিবেশনে লোকসভায় মণিপুর ইস্যুতে আলোচনার পরে মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবসেও প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ধীরে ধীরে শান্ত হচ্ছে মণিপুর (Manipur Violence) এবং অশান্তির ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে তৎপর প্রশাসন।’’ এবার মণিপুরের হিংসা এবং মহিলাদের ওপর যৌন নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত করতে টিম গঠন করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই।

    ৫৩ জনের সিবিআই টিম

    জানা গিয়েছে, ডিআইজি পদমর্যাদার দুইজন মহিলা আধিকারিক রয়েছেন এই টিমে। ৫৩ জনের অফিসারের এই টিমে ২৯ জন মহিলা অফিসার রয়েছেন। ১১টি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত করবে এই টিম। সবগুলিই মণিপুরের হিংসা সংক্রান্ত। এই  ১১টি মামলার মধ্যে গণধর্ষণের মামলা তিনটি রয়েছে। তার মধ্যে একটি মামলা রয়েছে ৫৬ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মহিলাকে তার গোপনাঙ্গের লাথি মারার। এই অভিযোগ এক সিআরপিএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে। ৪টি মামলা আছে গণহিংসার (Manipur Violence)। যার মধ্যে তিনটি মেইতি সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে এবং একটি কুকি সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এরমধ্যে দুটি গণধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তদের এখনও পর্যন্ত চিহ্নিত করা যায়নি বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তৃতীয় গণধর্ষণের মামলাটিতে ৭ জন ব্যক্তি যার মধ্যে একজন নাবালক ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে। গত ৪ মে মহিলাদের বিবস্ত্র করে হাঁটানোর যে ভিডিও ভাইরাল হয় সেই মামলায় (Manipur Violence) গ্রেফতার করা হয়েছে ৭ জনকে। সূত্রের খবর, এটাই হল এমন একটি তদন্ত টিম যেখানে সবথেকে বেশি সংখ্যায় মহিলা অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। এবং সিবিআইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্তের ফরেন্সিক রিপোর্ট যেন দিল্লি থেকেই করানো হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও চলতি মাসের শুরুতেই বলেছিলেন, ‘‘ধীরে ধীরে শান্ত হচ্ছে মণিপুর।’’ এবং তিনি কুকি এবং মেইতি সম্প্রদায়ের নেতাদের আবেদনও জানিয়েছিলেন আলোচনা টেবিলে বসার জন্য।

    ৩ মে থেকে জ্বলছে মণিপুর (Manipur Violence)

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৩ মে থেকে কুকি এবং মেইতি সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে মণিপুর। এখনও পর্যন্ত গত তিন মাস ধরে চলা সংঘর্ষে ১৫০ এর  বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ ঘর ছাড়া হয়েছেন। গৃহে অগ্নিসংযোগ, মহিলাদের উপর নির্যাতন কোনও কিছুই বাদ যায়নি। গত ৪ মে থেকেই রাজ্যে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় জিনিসপত্রের দামও সেখানে হু হু করে বাড়তে থাকে। পরিস্থিতির মোকাবিলা (Manipur Violence) করতে সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও করেন। ১০১ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় প্যাকেজও ঘোষণা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital India: মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্প সম্প্রসারণে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

    Digital India: মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্প সম্প্রসারণে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল ইন্ডিয়া (Digital India) প্রকল্পের সম্প্রসারণে অনুমোদন দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। প্রকল্পের জন্য সরকার ১৪৯০৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে বলে জানান মন্ত্রী। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, আইটি এবং ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমের সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে এই প্রকল্পের সম্প্রসারণ।

    ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রকল্পের সম্প্রসারণ ( (Digital India))

    নাগরিকদের ডিজিটাল ( (Digital India)) পরিষেবা দিতে, ২০১৫ সালের ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। এরপর গত সাত বছর ধরে এই প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ভারতকে আরও ডিজিটাল এবং গতিশীল করতে এই প্রকল্প ব্যাপক সাফল্য পেয়ছে বলে মনে করছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই ডিজিটাল ভারতকে বিশ্বজনীন মাত্রা দিতে গত ১৬ই অগাস্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নতুন করে বাজেটের অনুমোদন করেছে। এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের কথা তিনি বিস্তৃত ভাবে জানিয়েছেন।

    কী কী রয়েছে এই প্রকল্পে?

    এই প্রকল্পের ( (Digital India)) মধ্যে নানা জনমুখী সুবিধার কথা রয়েছে। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে নানা পরিষেবার বিষয়। ফিউচার স্কিলস প্রাইম প্রকল্পে তথ্যপ্রযুক্তির জন্য ৬ লক্ষ ২৫ হাজার কর্মীর দক্ষতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কর্মীদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য ২ লক্ষ ৬৫ হাজার কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইউনিফায়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ফর নিউ-এজ গভর্ন্যান্স বা উমঙ্গ ( UMANG) অ্যাপে ১৭০০ টির বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়াও ৫৪০টি আরও পরিষেবা মিলবে বলে জানা গেছে।

    টিয়ার ২ এবং টিয়ার ৩ শহরে ১২০০ রকমের স্টার্ট আপ সংস্থাকে বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে কেন্দ্র। স্বাস্থ্য, কৃষিভিত্তিক শহরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের কেন্দ্র স্থাপন করা হবে এই প্রকল্পে। এছাড়াও ১২ কোটি কলেজ পড়ুয়াকে সাইবার-ইন্টারনেট সচেতনতার কোর্স করানো হবে। সেই সঙ্গে জাতীয় স্তরের সাইবার সংযোগ রক্ষাকারী ২০০০ টির বেশি ওয়েবসাইট যুক্ত করা হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে আগে ১০ রকম ভাষা অনুবাদের অ্যাপ ছিল, এখন এই প্রকল্পে আরও নতুন  ৮ রকম ভাষা অনুবাদের জন্য অ্যাপ তৈরি করা হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh: অতিভারী বৃষ্টিতে তিনদিনে ৭১ জন মৃত হিমাচলে, ‘পর্বত সমান চ্যালেঞ্জ’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    Himachal Pradesh: অতিভারী বৃষ্টিতে তিনদিনে ৭১ জন মৃত হিমাচলে, ‘পর্বত সমান চ্যালেঞ্জ’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত তিনদিনে কম করে ৭১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে হিমাচল প্রদেশে। অতিভারী বৃষ্টিতে হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) এখনও পর্যন্ত ১৩ জন নিখোঁজ বলে জানিয়েছে রাজ্যের প্রশাসন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু এই বিপর্যয়কে ‘পর্বত সমান চ্যালেঞ্জ’ বলে অভিহিত করেছেন। বৃষ্টি, ভূমিধস, হড়পাবান, মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে নাজেহাল হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) মানুষ। ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে উদ্ধার হচ্ছে মৃতদেহ। বর্ষার পর থেকেই হিমাচল প্রদেশের পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতি হতে থাকে। গত রবিবার থেকে একনাগারে বৃষ্টি শুরু হয় রাজ্যে এবং পাশাপাশি চলতে থাকে ভূমিধস। 

    ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ

    পরিসংখ্যান বলছে, বিগত তিনদিনে বৃষ্টির কারণে ১ হাজার ২২০ টি রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। চলতি বছরের মরশুমে ১৭০টি মেঘ ভাঙা বৃষ্টি এবং ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। যার কারণে ৯,৬০০ বাড়ি ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে। জানা গিয়েছে সে রাজ্যের কৃষ্ণনগর, সামার হিল এই সমস্ত এলাকাতে ব্যাপকভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়েছে ভূমিধসের কারণে। রবিবার রাতেই উদ্ধার হয় ৫৭টি মৃতদেহ। ১৭ অগাস্ট রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে সরকার (Himachal Pradesh)।

    অন্যদিকে পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে বন্যার পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে

    জানা গিয়েছে, ভাকরা এবং পঙ-ড্যাম এই বাঁধগুলিও খুলে দেওয়া হবে আগামী চার পাঁচ দিনের জন্য। কারণ অতি ভারী বৃষ্টির কারণে ব্যাপক চাপ পড়ছে এগুলোতে। বেড়ে গেছে জলস্তর। স্বাভাবিকভাবেই এই সমস্ত বাঁধগুলির জল ছাড়ার ফলে পাঞ্জাব এবং হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছেন হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী 

    হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ প্রতিবছরই এমন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয় আমাদের। কিন্তু চলতি বছরে তা যেন পর্বত সমান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’’ তিনি জানিয়েছেন চলতি বছরে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে রাজ্যের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহে অতি ভারী বৃষ্টির ফলে একাধিক সড়ক বন্ধ হয়ে রয়েছে সে রাজ্যে। বাড়িও তলিয়ে গেছে জলোর তোড়ে। এই সময়ে রাজ্যে খোলা হয়েছে একাধিক ত্রাণ শিবির। উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফ। বিপর্যস্ত ফতেপুর অঞ্চলে ৫৩৯ জনকে রাখা হয়েছে ত্রাণ শিবিরে (Himachal Pradesh)। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও আকাশ পথে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। নিম্নবর্তী অঞ্চল গুলি থেকে প্রায় ৮০০ মানুষকে সরানো হয়েছে কাংড়া জেলায়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এনডিআরএফ-এর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে ভারতীয় সেনাবাহিনীও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, মঙ্গলবারই বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার এবং হিমাচল প্রদেশের সরকার একসঙ্গে চেষ্টা করছে সমস্ত রকম ভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার।’’ এনডিআরএফের পাশাপাশি ভারতীয় বিমান বাহিনীও প্রয়োজন মতো কাজ চালাচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vishwakarma: মোদির বিশ্বকর্মা প্রকল্পে ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ

    Vishwakarma: মোদির বিশ্বকর্মা প্রকল্পে ৫ শতাংশ সুদে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকর্মা প্রকল্পে (Vishwakarma) ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করছে কেন্দ্র সরকার। সেই সঙ্গে এই ঋণের সুদ হবে ৫ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত এই প্রকল্পে প্রায় ৩০ লক্ষ কারিগর এবং শিল্পীর পরিবার উপকৃত হবেন। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই প্রকল্পের সুবিধার কথা জানিয়েছেন। তিনি বুধবার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রকল্পের সম্পর্কে বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে এই প্রকল্পের সুভিধা নেওয়ার কথা বলেন।

    লালকেল্লা থেকে মোদি কী ঘোষণা করেছিলেন (Vishwakarma)?

    মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবসের দিনে দিল্লির লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের মানুষের জন্য বেশ কিছু প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আগামী মাসেই বিশ্বকর্মা প্রকল্প চালু করবেন। আর তাতে প্রায় ৩০ লক্ষ কারিগর বিশেষ ভাবে উপকৃত হবেন। আজ নতুন দিল্লিতে কেন্দ্রের অর্থ দফতরের ক্যাবিনেট কমিটির এক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গে এই বৈঠকের মধ্যেই বিশ্বকর্মা প্রকল্পকে কার্যকর করার কথা ঘোষণা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে বিশেষ লোনের ব্যবস্থা করবে এবং এই লোনের জন্য কোনও জামানত রাখতে হবে না। এই প্রকল্প ২০২৮ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আগামী পাঁচ বছরের জন্য মোটামুটি ১৩০০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র সরকার। সেই সঙ্গে প্রকল্পের সুবিধা ১৮ টিরও বেশি প্রথাগত শিল্পের কারিগর এবং শিল্পীরা পাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এই প্রকল্পের আওতায় কারিগরদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা প্রকল্পের (Vishwakarma) বিশেষ সার্টিফিকেট প্রদানের মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে ১ লক্ষ টাকা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ২ লক্ষ টাকার লোন দেওয়া যাবে। এই প্রকল্পের মধ্যে যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনাকাটার ক্ষেত্রে ডিজিটাল আদানপ্রদানের বিশেষ সুবিধা থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন। পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পে প্রথমিক ভাবে যে কারিগররা সুবিধা পাবেন, তাঁদের মধ্যে হলেন মুচি, ছুতোর, নৌকা প্রস্তুতকারক, কামার, তালা প্রস্তুতকারক, স্বর্ণকার, কুমোর, রাজমিস্ত্রি সহ আরও নানান কারিগর এবং শিল্পীরা।

    পিএম ই-বাস প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দ

    কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের অর্থ দফতরের বৈঠকে বিশ্বকর্মা প্রকল্পের (Vishwakarma) পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ই-বাস সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এককালীন ১০০০০ ই-বাসের পরিষেবা চালু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই বাস পরিষেবা দেশের ১৬৯ শহরে নামানো হবে। এই বাস পরিষেবা হবে প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপে। আগামী দশ বছরের জন্য এই পিএম ই-বাস প্রকল্পে ৫৭৬১৩ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। মন্ত্রী আরও বলেন, এই প্রকল্পে  ৪৫০০০ থেকে ৫৫০০০ হাজার নতুন কর্ম সংস্থানের সুযোগ হবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kota Suicide: ফের কোটায় এক আইআইটি-জেইই পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    Kota Suicide: ফের কোটায় এক আইআইটি-জেইই পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজস্থানের কোটায় ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া এক পড়ুয়ার আত্মহত্যার (kota suicide) ঘটনা ঘটল। বিহারের গয়ায় মৃত পড়ুয়ার বাড়ি। নাম বাল্মীকি প্রসাদ। বয়স হয়েছিল ১৮। পরীক্ষার প্রস্তুতির চাপ এবং হতাশা মৃত্যুর কারণ বলে অনেকেই মনে করছেন।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (kota suicide)?

    মৃত বাল্মীকি প্রসাদ আইআইটি-জেইইর পরীক্ষার্থী ছিলেন। দু বছর ধরে কোটাতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। চলতি মাসে এই নিয়ে কোটায় আত্মহত্যায় ছাত্রমৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল চার। এই বছরে মোট সংখ্যা ২০। জানা গেছে বাল্মীকি প্রসাদ যে বাড়িতে থাকতেন সেই বাড়িতেই ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। বাড়ির মালিক তাঁকে দেখে পুলিশকে প্রথমে খবর দেন। এরপর মৃতদেহ (kota suicide) পুলিশ নিয়ে যায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৮ টায় পাশের এক ছাত্র বাল্মীকিকে ডাকতে গেলে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। এরপর বাড়ির মালিককে খবর দেওয়া হয়। বাড়ির মালিক দরজা ভেঙে দেখতে পান বাল্মীকি প্রসাদ গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন। পুলিশে খবর দিলে মৃতদেহকে (kota suicide) তারা দ্রুত ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, পরিবারের লোকদের খবর পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে যে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত কোনও রকম নোট পাওয়া যায়নি। আপাতত পুলিশ বাড়ির মালিক এবং এলাকার ছাত্রদের প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করার কাজ শুরু করেছে। আরও জানা গেছে মোটামুটি ভাবে গত ২ বছর ধরে এই ছাত্র এখানেই আইআইটি-জেইই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু পরীক্ষায় সাফল্য না আসার কারণে হতাশা কাজ করছিল বলেও জানা গেছে স্থানীয় সূত্রে।

    কোটা প্রশাসনের ভূমিকা

    কোটা জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ছাত্রদের আত্মহত্যা (kota suicide) নিয়ে সচেতনতার অভিযান শুরু হয়েছে। হাইকোর্টের বিশেষ আদেশের ভিত্তিতে জেলায় আগত পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে, বিশেষ কাউন্সেলিং এবং হেল্পলাইন চালু করার কথা প্রশাসন ঘোষণা করেছে। যে কোনও সাহায্যের জন্য একটি বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর ৯৯৯৯৬৬৬৫৫৫ এবং help@vandrevalafoundation.com নামে মেইল আইডি প্রকাশ করা হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayush: প্রথাগত ঔষধি নিয়ে ‘হু’ এবং আয়ুষ মন্ত্রকের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঘোষণা

    Ayush: প্রথাগত ঔষধি নিয়ে ‘হু’ এবং আয়ুষ মন্ত্রকের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হু’ এবং কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের (Ayush) যৌথ উদ্যোগে প্রথাগত ঔষধির উপর হতে চলেছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন। আগামী ১৭ এবং ১৮ অগাস্ট গুজরাটের গান্ধীনগরে তা হবে বলে দিল্লিতে ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছে কেন্দ্রের আয়ুষ মন্ত্রক।

    কেন্দ্রীয় আয়ুষ (Ayush) মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কী বললেন?

    কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের (Ayush) প্রতিমন্ত্রী মুঞ্জপারা মহেন্দ্রভাই কালুভাই ওই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এই সম্মেলনের প্রধান আয়োজক ‘হু’। সেই সঙ্গে ভারতের আয়ুষ মন্ত্রক সহকারী আয়োজক হিসাবে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সেই সঙ্গে বলেন, ভারতীয় প্রথাগত ঔষধি এবং চিকিৎসা পদ্ধতির এই আলোচনাচক্র বিশেষভাবে লাভজনক হবে। হু ভারতের প্রথাগত ঔষধি এবং চিকিৎসা পদ্ধতিকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে বেশ কার্যকর হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন এই মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, গত বছর গুজরাটের জামনগরে প্রথাগত ঔষধির একটি বিশেষ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই কেন্দ্রটি ইতিমধ্যে দেশের প্রথাগত ঔষধিকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে বেশ ভালো কাজ করছে। এই সম্মেলন ভারতের প্রথাগত ঔষধির আন্তর্জাতিক বাজার তৈরিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি। ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো, প্রশিক্ষণ এবং সেই সঙ্গে অনুশীলন-সবটা মিলিয়ে ভারতের বিশ্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকে ক্রমশ এগিয়ে যাওয়ার কথাও সাংবাদিক সম্মেলনে তুলে ধরেন তিনি।

    সম্মেলন কেমন হবে?

    ডব্লুএইচও (হু)-এর মহা নির্দেশক ডঃ টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া এবং আয়ুষের (Ayush) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও দেশ-বিদেশ থেকে প্রচুর চিকিৎসক, অধ্যাপক, ছাত্র, গবেষক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং বিভিন্ন সামজিক সংস্থা থেকে বিশেষজ্ঞরা যোগদান করবেন। এই সম্মেলনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রথাগত ঔষধির ওপর বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হবে। যোগা, মেডিটেশনের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণের কথাও জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nehru Museum and Library: নেহরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীদের মিউজিয়াম

    Nehru Museum and Library: নেহরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীদের মিউজিয়াম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেহরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম অ্যান্ড লাইব্রেরির (Nehru Museum and Library) নতুন নাম রাখা হল প্রধানমন্ত্রীদের মিউজিয়াম এবং লাইব্রেরি (PMML)। প্রধানমন্ত্রীদের নামাঙ্কিত এই নতুন মিউজিয়াম এবং লাইব্রেরির সহ সভাপতি সূর্য প্রকাশ ট্যুইটে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, এই নতুন নামকরণ গত ১৪ অগাস্ট সোমবার থেকে দেশে কার্যকর হয়েছে।

    কী বললেন সংস্থার (Nehru Museum and Library) সহ সভাপতি?

    সংস্থার সহ সভাপতি বলেন, ১৪ অগাস্ট, দেশের স্বাধীনতার ৭৬ তম বর্ষপূর্তিতে নেহরু মেমোরিয়াল মিউজিয়াম অ্যান্ড লাইব্রেরি সোসাইটি সমস্ত প্রধানমন্ত্রীদের স্মরণে সংগ্রহশালা এবং বিশেষ গ্রন্থাগার নামে পরিচিত হবে। সেই সঙ্গে তিনি নিজেদের অফিসিয়াল ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রককে ট্যাগ করে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন। এই (Nehru Museum and Library) সোসাইটি গত জুন মাসের মাঝামঝি সময়ে এ ব্যাপারে বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এরপর সংস্থার নামকরণ, নেহরুর পরিবর্তে কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রীদের নামে করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্র সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক এই বিষয়ে জানিয়েছে, সোসাইটির পক্ষ থেকে বিশেষ মিটিং করে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মিটিংয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য গত ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে এনএমএমএল (NMML) নিজেদের ১৬২ তম মিটিংয়ে প্রকল্পে সবুজ সঙ্কেত দেয়। গত বছর এপ্রিল মাসের ২১ তারিখ থেকে সবার জন্য এটি খুলে দেওয়া হয়।

    কী কী থাকবে প্রধানমন্ত্রী সংগ্রহালয়ে  

    এই মিউজিয়ামের (Nehru Museum and Library) নতুন ভবনে সমস্ত প্রধানমন্ত্রীদের জীবন সংক্রান্ত নানা তথ্যচিত্র সম্বলিত প্রদর্শনী থাকবে। তাঁরা দেশের কোন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, দেশের বিশেষ বিশেষ সমস্যায় কীভাবে কাজ করছেন, সেই বিষয়ে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা থাকবে। উল্লেখ্য, পণ্ডিত নেহরু শেষ জীবন এই বাড়িতে জীবন কাটিয়েছিলেন। তাঁর জীবনস্মৃতির নানান কথা এখানে সংগ্রহ করা রয়েছে। গান্ধী পরিবার থেকে দেশের তিন জন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধীও এই তালিকায় রয়েছেন। কিন্তু দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলের মধ্যে কংগ্রেস এই নতুন নামকরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করছে বলে জানা গেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hindi Film: মণিপুরে স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রদর্শিত হবে হিন্দি চলচ্চিত্র

    Hindi Film: মণিপুরে স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রদর্শিত হবে হিন্দি চলচ্চিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৭ তম বর্ষে মণিপুরের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে অনেক বছরপর দেখানো হবে হিন্দি চলচ্চিত্র (Hindi Film)। মণিপুরে শেষ হিন্দি চলচ্চিত্র দেখানো হয়েছিল কুছ কুছ হো তা হ্যায়। প্রায় দুই দশকের পর মণিপুরে জাতি গোষ্ঠীর সংঘর্ষের মধ্যেই এই হিন্দি চলচ্চিত্র দেখানোর বিষয়ে বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও গত কয়েক মাস ধরে উত্তপ্ত মণিপুর। সংসদের বাদল অধিবেশনের অনাস্থা প্রস্তাবে মণিপুরের বিষয় নিয়ে সরব হিয়েছেন বিরোধীরা। পাল্টা সরকার পক্ষ থেকে দীর্ঘ দিনের কংগ্রেস শাসন, নেশা পাচার, মাদক চোরা চালানের কথা বলে, সরকার পক্ষ বিরোধীদের কাঠগড়ায় তুলেছে। এর মধ্যেই প্রেক্ষা গৃহে দেখানো হবে হিন্দি চলচ্চিত্র।

    হিন্দি (Hindi Film) চলচ্চিত্র কেন দেখানো হবে?

    ট্রাইবাল অর্গানাইজেশন হামার স্টুডেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের(HSA) পক্ষ থেকে একটি পরিকল্পনা করে চুড়াচাঁদপুর জেলার লামাকা নামক স্থানে একটি হিন্দি (Hindi Film) সিনেমা দেখানো হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য এই সিনেমার নাম বিষয়ে এখনও প্রকাশ করা হয়নি। গত সোমবার হাসা (HSA) র পক্ষ থেকে বলা হয় যে এই সিনেমা কার্যত দুটি জাতির মধ্যে লড়াই সংঘর্ষের কথাকে স্পষ্ট করবে। বহু বছর ধরে এখানকার আদিবাসী সমাজের মানুষের উপর অধিকার কায়েম করেছে, এমন জঙ্গিদের কার্যকলাপকে উদ্দেশ্যে করেই দেখানো হবে চলচ্চিত্র।

    কেন বন্ধ ছিল হিন্দি চলচ্চিত্র?

    এই মণিপুরে শেষ হিন্দি চলচ্চিত্র(Hindi Film) দেখানো হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। দেশ বিরোধী শক্তিগুলি দেশের স্বাধীনতা দিবসের দিনটিকে অমান্য করে আর তাই মণিপুরের মানুষকে দেশ বিরোধী শক্তি থেকে স্বাধীনতা লাভ করতে হবে মনে করে হাসা। রেভল্যুশনারি পিপলস ফ্রন্ট(RPF) নামক আরও এক সংগঠন, ২০০০ সাল থেকে হিন্দি চলচ্চিত্রের উপর নিশেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ২০০০ সালের সেপ্টম্বরেই প্রায় ৬০০০ থেকে ৮০০০ টাকার হিন্দি অডিও, ভিডিও ও ক্যাসেট নষ্ট করে দিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। আরপিএফ যদিও সেই ভাবে কোনও নিষেধাজ্ঞার কথা না বললেও, তারা মনে করে বলিউডের চলচ্চিত উত্তর পূর্ব ভারতের মানুষের সংস্কৃতি, ভাষা, ধর্ম, জীবনের মধ্যে খারাপ প্রভাব ফেলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় বড় প্রকল্পের ঘোষণা মোদির

    Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় বড় প্রকল্পের ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বড় ঘোষণা করে চমক দিলেন। এই ঘোষণায় রয়েছে সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধ, গৃহনির্মাণের ঋণে ছাড় এবং নাগরিক পরিষেবার জন্য বিশেষ সুবিধা। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, সেপ্টেম্বর মাসেই বিশ্বকর্মা স্কিম চালু করে প্রথাগত শিল্প নিদর্শনের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেবেন। সরকার ১৩০০০ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ আনছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী(Independence Day)?

    আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। কিন্তু স্বাধীনতার (Independence Day) দিনই লালকেল্লা থেকে জনস্বার্থ প্রকল্পের বেশ কিছু বড় ঘোষণা করে দেশবাসীকে উপহার দিলেন নরেন্দ্র মোদি। নতুন বিশ্বকর্মা স্কিমের মধ্যে বিশেষ করে যাঁরা পরম্পরা গত পেশা এবং শিল্পের জন্য কাজ করেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে এই বিশেষ ঘোষণা করেন। প্রায় ১৩০০০ থেকে ১৫০০০ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেন এই প্রথাগত শিল্পের জন্য। এর প্রত্যক্ষ সুবিধা পাবেন ধোপা, নাপিত এবং স্বর্ণকারেরা।

    জনঔষধি এবং মধ্যবিত্তদের জন্য বিশেষ ছাড়

    জনঔষধি কাজকে আরও প্রগতিশীল করতে ১০০০০ থেকে ২৫০০০ করার কথা ঘোষণা করেন মোদি। বিশেষ করে ডায়বেটিস আক্রান্তদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা ঘোষণা করেন। ১০০ টাকার ঔষধ জন ঔষধি দোকানে ১০ থেকে ১৫ টাকায় পাওয়া যাবে বলে জানান। মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের বাড়ি নির্মাণের জন্য বিশেষ আর্থিক ঋণে সাশ্রয় করার কথা ঘোষণা করেন। যাঁরা নিজেদের বাড়ি নির্মাণ করতে চান, তাঁদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করবেন বলে উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী (Independence Day) বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে। এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যখন ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসেন তখন বিশ্ব অর্থনীতির দিক থেকে দশম স্থানে ছিল ভারত। কিন্তু দেশের গত নয় বছরের আর্থিক উন্নতি দেশকে পঞ্চম স্থানে নিয়ে গেছে। আগামী দিনে দেশ আরও আর্থিক ভাবে শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এই দিন দেশের মূল্যবৃদ্ধি নিয়েও আশার কথা শুনিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত জুলাই মাস পর্যন্ত দেশের মূল্যবৃদ্ধির পরিমাণ অনেকটাই কম হয়েছে। মূদ্রাস্ফীতির পরিমাণ বর্তমানে ৭.৪৪ শতাংশে পৌঁছেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Har Ghar Tiranga: “হর ঘর তিরঙ্গা”কে ঘিরে দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৯ কোটি সেলফি আপলোড

    Har Ghar Tiranga: “হর ঘর তিরঙ্গা”কে ঘিরে দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৯ কোটি সেলফি আপলোড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী তিন দিন ঘরে ঘরে তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) লাগানোর কথা বলেছিলেন। দেশের ৭৭ তম স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ চমক হল, ঘরে ঘরে লাগানো তিরঙ্গার সঙ্গে সেলফি আপলোড করা। মঙ্গলবার স্বাধীনতার দিবসে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত প্রায় ৯ কোটি পতাকা উত্তোলনের সেলফি আপলোড করা হয়েছে বলে হোম পেজ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    হোম পেজে ঘর ঘর ত্রিরঙ্গা (Har Ghar Tringa) কর্মসূচি

    কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিশেষ হোম পেজ তৈরি করেছে এই হর ঘর তিরঙ্গাকে (Har Ghar Tiranga) উদযাপন করার জন্য। সেখানে মোট সেলফির পরিসংখ্যান হল ৮,৮১,২১,৫৯১। দেশের ৭৭ তম স্বাধীনতার দিবসে গত ১৩ অগাস্ট থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত দেশের প্রত্যেক ঘরে ঘরে এই ত্রিবর্ণ জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিশেষ আবেদন করে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এই হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিকে বিভিন্ন ভাবে মানুষ উদযাপন করেছেন। পতাকা উত্তোলন করে তার ছবি প্রকাশ করে স্বাধীনতার দিনটিকে পালন করেছেন। কেউ কেউ বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে তার সেলফি পেজে বিনিময় করেছেন। আবার কেউ কেউ জাতীয় পতাকার শুধু ছবি বিনিময় করেছেন। দেশের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের নেতা, চলচ্চিত্র জগতের অভিনেতা অভিনেত্রী, খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, এই পতাকা উত্তোলনের ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যেম স্বাধীনতার শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ক্রিকেট খেলোয়াড় পার্থিব প্যাটেল, অভিনেতা অনুপম খের সহ আরও অনেক তারকা এই ঘর ঘর ত্রিরঙ্গা অভিযানে যোগদান করেন। প্রত্যেকেই নিজেদের সেলফি আপলোড করেন নির্দিষ্ট হোম পেজে।

    স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা

    গত বছর দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসকে অমৃত মহোৎসব হিসেবে পালনের জন্য দেশবাসীর কাছে বিশেষ আবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। ২০২২ সালের ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, এই তিরঙ্গা ঘরে ঘরে লাগানোর কথা বলেছিলেন। এই বছর ঘরে ঘরে পতাকা উত্তোলন (Har Ghar Tiranga) করে সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবি বিনিময় করার কথাও বলেন। সেই সঙ্গে সেলফি, প্রোফাইল পিকচারে জাতীয় পতাকাকে রাখার আবেদন করেন। দিল্লির প্রগতি ময়দানে স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবের বিশেষ শোভাযাত্রা বের হয় গত শুক্রবার। উপ রাষ্ট্রপতি নিজে এই দিন মথুরা রোড, ভাইরোন রোড, ইন্ডিয়া গেট এবং প্রগতি ময়দানে বিশেষ শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share