Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: মোদি ম্যাজিকেই হবে বাজিমাত, ফের ইঙ্গিত মিলল সমীক্ষায়

    PM Modi: মোদি ম্যাজিকেই হবে বাজিমাত, ফের ইঙ্গিত মিলল সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনই লোকসভা নির্বাচন হলে ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মোদি (PM Modi) ম্যাজিকেই হবে বাজিমাত। সম্প্রতি ‘দ্য মুড অফ দ্য নেশনে’র সমীক্ষায় এমনই তথ্য মিলেছে। ‘দ্য মুড অফ দ্য নেশনে’র সমীক্ষাটি করা হয়েছে দেশের সব লোকসভা কেন্দ্রের ৩৫ হাজার ৮০১ জন ভোটারের ওপর। সমীক্ষা করা হয়েছে ২০২৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেখানেই জানা গিয়েছে, মোদি ম্যাজিকে বাজিমাতের কথা।

    রাম মন্দির

    মোদি সরকারের (PM Modi) আমলে যে সুশাসন মিলেছে, তা তো স্পষ্ট জলের মতো। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৪২ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরে বালক রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠাই মোদি সরকারের মাস্টার স্ট্রোক। কয়েক বছর আগে রাম মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। সেই মতো তৈরি হয়েছে মন্দিরও। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মতে, এই বিষয়টির জন্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সব চেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

    ভারতের মর্যাদা

    তামাম বিশ্বে ভারতের মর্যাদা বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ১৯ শতাংশ মানুষ। জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত করে দেওয়াও মোদি সরকারের মুকুটে আর একটি পালক যোগ করেছে। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী (PM Modi) ১২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, এটি মোদি সরকারের একটি মাস্টারস্ট্রোক। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৯ শতাংশ পাকিস্তানের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ক্রেডিট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মোদি-স্তুতিও শোনা গিয়েছে সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে। নোটবন্দির জন্য ৬ শতাংশ এবং কোভিড মোকাবিলায় ৬ শতাংশ মানুষ মোদি-স্তুতি করেছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মোদি-প্রশস্তি গেয়েছেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫ শতাংশ মানুষ।

    আরও পড়ুুন: ভাঙন পাঞ্জাবেও, ইন্ডি জোটে না থেকে একা লড়ার বার্তা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

    দেশ যে মোদিময়, তার ইঙ্গিতও মিলেছে সমীক্ষায়। বিজেপির তরফে করা এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পদে মোদিকে দেখতে চাইছেন ৫৫ শতাংশ মানুষ। তাঁর পরেই রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। হিন্দুত্বের এই ম্যাসকটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়েছেন পাঁচ শতাংশ মানুষ। বাংলার ভোটারদেরও সিংহভাগ অংশও কেন্দ্রে বিজেপি সরকারই দেখতে চাইছেন। ইন্ডি জোটের অন্যতম প্রধান মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠেকাতেই প্রয়োজন কেন্দ্রের কুর্সিতে বিজেপির আসাটা। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মমতাকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) দেখতে চান বাংলার ২০-২৫ শতাংশ মানুষ। আর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে ওই পদে দেখতে চান মাত্র ১০-১৫ শতাংশ মানুষ (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • EPFO: পিএফে সুদ বৃদ্ধির প্রস্তাব, বাড়তি কত টাকা পাবেন জানেন?

    EPFO: পিএফে সুদ বৃদ্ধির প্রস্তাব, বাড়তি কত টাকা পাবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিএফে (EPFO) সুদের হার বৃদ্ধির প্রস্তাব। শনিবারই সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টের তরফে ইপিএফওতে সুদের হার বাড়িয়ে করা হতে পারে ৮.২৫ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই সুদ পাবেন ইপিএফওর সাড়ে ৬ কোটি গ্রাহক। গত অর্থবর্ষে পিএফে সুদের হার ছিল ৮.১৫ শতাংশ। ০.১০ শতাংশ সুদের হার বাড়িয়ে করা হল ৮.২৫ শতাংশ। গত তিন বছরে এটাই সর্বোচ্চ সুদের হার।

    ইপিএফওর আইন

    ইপিএফওর আইন অনুযায়ী, কোনও কর্মচারির মূল বেতনের ১২ শতাংশ জমা হয় প্রভিডেন্ট ফান্ডে। ওই কর্মচারি যে সংস্থায় চাকরি করেন, সেই সংস্থাও জমা দেবে সমপরিমাণ টাকা। সংস্থার (EPFO) দেওয়া টাকার ৩.৬৭ শতাংশ টাকা পিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হয়। পেনশন স্কিমে জমা হয় ৮.৩৩ শতাংশ টাকা। 

    সুদের হার

    ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে পিএফে সুদের হার ছিল ৮.৫ শতাংশ। তার পরের অর্থবর্ষেও অপরিবর্তিত ছিল সুদের হার। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে সুদের হার কমিয়ে করা হয় ৮.১ শতাংশ। গত চার দশকে যা ছিল সর্বনিম্ন। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সুদের হার বাড়িয়ে করা হয় ৮.১৫ শতাংশ। এবার সেটাই ০.১০ শতাংশ বাড়িয়ে করা হল ৮.২৫ শতাংশ। জানা গিয়েছে, মিনিস্ট্রি অফ লেবার অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট সুদের এই হার বৃদ্ধির বিষয়টি সংশোধনের জন্য পাঠাবে অর্থমন্ত্রকে। সেখানে সবুজ সঙ্কেত মিললেই সুদ বৃদ্ধি বাবদ বাড়তি টাকা পড়তে থাকবে পিএফ অ্যাকাউন্টে।

    আরও পড়ুুন: ভাঙন পাঞ্জাবেও, ইন্ডি জোটে না থেকে একা লড়ার বার্তা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

    উল্লেখ্য যে, ফি মাসে পিএফের টাকা জমা হলেও, সুদের টাকা অ্যাকাউন্টে জমা হয় বছরে একবারই। ধরা যাক, কোনও এক কর্মচারির পিএফ অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১ লাখ টাকা। গত আর্থিক বর্ষে ৮.১৫ শতাংশ সুদের হারে তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ১৫০ টাকা। সুদের হার ০.১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার তিনিই পাবেন ৮ হাজার ২৫০ টাকা।

    চলতি বছর রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। ভোট হওয়ার কথা মাঝ-এপ্রিলে। তার আগে পিএফে সুদের (EPFO) হার বাড়ানোয় ভোটের গন্ধ খুঁজে পাচ্ছেন বিরোধীরা। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • FDI: মোটা অঙ্কের লগ্নি আসছে দেশে, কতজনের চাকরি হবে জানেন?

    FDI: মোটা অঙ্কের লগ্নি আসছে দেশে, কতজনের চাকরি হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা অঙ্কের লগ্নি (Investment) আসতে চলেছে দেশে। ইউরোপিয়ান দেশগুলির একটি ছোট্ট গোষ্ঠী ভারতের সঙ্গে ব্যবসা চালাতে চুক্তি করবে শীঘ্রই। এই চুক্তির পরেই আগামী পনের বছরে এ দেশে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নি করবে ওই গোষ্ঠী। তার (FDI) জেরে ভারতে প্রায় দশ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের অন্তর্ভুক্ত এই দেশগুলি হল নরওয়ে, আইসল্যান্ড, সুইৎজারল্যান্ড এবং লাইচেনস্টাইন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে ভারতের সঙ্গে ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের।

    এফডিআই

    জানা গিয়েছে, নয়াদিল্লির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরেই লগ্নি করা হবে পুরানো এবং নয়া ম্যানুফ্যাকচারিং প্রজেক্টে। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের তরফে (FDI) এই বিনিয়োগ করবে সরকারি সংস্থা এবং ব্যবসায়ী গোষ্ঠী। এই লগ্নির মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করবে ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের ওই চার দেশ। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে ভারত সরকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে কিছু কৃষি প্রজেক্টের বাজারজাতকরণ হবে অনায়াস।

    নির্বাচনের আগেই স্বাক্ষরিত হবে চুক্তি!

    ভারতীয় বিশেষজ্ঞরাও ওই চার দেশে সহজে ব্যবসা (Investment) করতে পারবে। জানা গিয়েছে, চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্টের অধীনে এটাই হবে প্রথম চুক্তি। দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়ে যাবে বলে আশাবাদী সুইস অর্থমন্ত্রী গাই পার্মেলিন। তিনি জানান, এপ্রিলে ভারতে সাধারণ নির্বাচনের আগেই স্বাক্ষরিত হয়ে যাবে চুক্তি।

    আরও পড়ুুন: “সংবিধানের দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়িত করেছে এই লোকসভা”, বললেন মোদি

    বিশাল অঙ্কের লগ্নি যে ভারতে আসছে, কিছু দিন আগেই তা জানিয়ে দিয়েছিলেন দেশের আইটি এবং টেকনোলজি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেছিলেন, “আশা করি, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত এফডিআইয়ের মাধ্যমে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লগ্নি হবে। ভারতে বিনিয়োগ আসবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকেও। ভারতে তারা ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করার কথা বিবেচনা করছে।”

    জানা গিয়েছে, চিনের বিকল্প হিসেবে অনেক দেশই আপাতত লগ্নির জন্য বেছে নিচ্ছে ভারতকে। এর প্রধান কারণ হল, ভারত ক্রমেই চিনের শক্তিশালী বিকল্প হয়ে উঠছে। ভারতের বিশাল বাজারও স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছে লগ্নিকারীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “সংবিধানের দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়িত করেছে এই লোকসভা”, বললেন মোদি

    PM Modi: “সংবিধানের দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়িত করেছে এই লোকসভা”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সপ্তদশ লোকসভার এই টার্ম দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি গেমচেঞ্জার ছিল। সংবিধান মানুষকে যে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, এই লোকসভা তা বাস্তবায়িত করেছে।” দ্বিতীয় মেয়াদে সংসদের শেষ দিনে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ‘ভূস্বর্গের মানুষের ভয় কেটেছে’

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা লোপ পেয়েছে। ভূস্বর্গের মানুষের ভয় কেটেছে। এই কাজ আমরা করে দেখিয়েছি। জম্মু-কাশ্মীরের মানুষকে সামাজিক ন্যায় প্রদানের প্রতিশ্রুতি রেখেছি। আজ আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। দেশমাতৃকা অনেক আতঙ্কবাদীর কারণে রক্তাক্ত হয়েছে। অনেক বীর সন্তান দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। সেই সন্ত্রাসবাদ দমনে আমরা এই সদনেই আইন তৈরি করেছি। এতে দেশের সেনার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তিন তালাকের মতো নিকৃষ্ট বিষয় থেকে মুসলিম মহিলাদের মুক্তি দিয়েছে লোকসভার এই টার্ম। যা চিরকাল লেখা থাকবে ইতিহাসে।”

    ‘নতুন উদ্যম তৈরি হয়েছে’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিগত পাঁচ বছরে দেশে রিফর্ম, পারফর্ম ও ট্রান্সফর্ম হয়েছে। এই সপ্তদশ লোকসভায় দেশে একাধিক উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার জেরে দেশে সংশোধন হয়েছে। আর এর ফলেই দেশের রূপান্তর হচ্ছে। দেশে এক নতুন উদ্যম তৈরি হয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রতিটি গলি, পাড়ার ছেলেমেয়েরাও বলছে আগামী পঁচিশ বছরে দেশ বিকশিত ভারত হবে। আমরা কেউ কেউ সেই বিকশিত ভারত তৈরির স্বপ্ন নিজেদের সঙ্কল্প হিসেবে তৈরি করে ফেলেছি। যাঁরা সেই সঙ্কল্পে নেই, তাঁরা নিজেদের জীবদ্দশায় সেই বিকশিত ভারতের সাফল্য অনুভব করতে পারবেন।”

    আরও পড়ুুন: “তৃতীয় দফায় আরও বড় সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপি সরকার”, বললেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে হয়তো একটু টেনশনে রয়েছেন ভোট নিয়ে। কিন্তু আমি আশ্বাস দিচ্ছি, এই নির্বাচনেও দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ অটুট থাকবে। মজাদার আক্রমণ হয়েছে। আমি আরও আনন্দিত হয়েছি। আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। লড়াইয়ের মোকাবিলা করেছি।” তিনি বলেন, “রাম মন্দির নিয়ে বক্তব্যের যে প্রস্তাব আজ এই সংসদ ভবনে রাখা হয়েছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমাদের সংবিধানের সঙ্গে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচয় করতে আরও সাহায্য করবে।” এদিন প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ভাষণে উঠে এসেছে জি-২০ সম্মেলনে ভারতের সাফল্য, নয়া সংসদ ভবন নির্মাণের প্রসঙ্গও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “তৃতীয় দফায় আরও বড় সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপি সরকার”, বললেন মোদি

    PM Modi: “তৃতীয় দফায় আরও বড় সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপি সরকার”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃতীয় দফায় আরও বড়সড় সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রে যে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি, সে ব্যাপারে এক প্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী ২০-৩০ দিনের মধ্যে কী কী কাজ করা হবে, সে ব্যাপারে একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হবে।

    রোডম্যাপ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তৃতীয় টার্মে আরও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দারিদ্র দূর করতে এবং ভারতের বিকাশের গতি আনতে নয়া প্রকল্পে গত দেড় বছর ধরে আমি কাজ করে চলেছি।” তিনি বলেন, “আমি একটা সম্পূর্ণ রোডম্যাপ তৈরি করছি, কোন অঞ্চলে কী কাজ করা হবে, তা নিয়ে। এজন্য আমি ১৫ লাখেরও বেশি মানুষের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েছি। আমি এ ব্যাপারে এখনও কোনও প্রেস বিবৃতি জারি করিনি। এই প্রথম আমি এ ব্যাপারে কথা বলছি। কাজ চলছে। আগামী ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যেই রোডম্যাপ চূড়ান্ত হয়ে যাবে। নয়া ভারত সুপার স্পিডে কাজ করবে। এটা মোদির গ্যারেন্টি।”

    উন্নত দেশে পরিণত হবে ভারত

    তিনি (PM Modi) জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত ৩০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি উন্নত দেশে পরিণত হবে। এজন্য সরকার একটা ভিশন ডকুমেন্ট তৈরি করছে। গত দশ বছরে মোদি সরকার যেসব কাজ করেছে, অনেক ক্ষেত্রে গত ৭০ বছরেও তা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৪ সালের আগে সাত দশক ধরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার রেল লাইনে বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছিল। গত ১০ বছরে সরকার ৪০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি রেল লাইনে বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘রাম ও রামায়ণ থেকে আলাদা দেশ কল্পনা করা অসম্ভব’’, সংসদে বললেন অমিত শাহ

    দারিদ্র সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেসব কারখানা ওয়াইন ও চিজ নিয়ে থাকত যেসব কারখানাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশে কীভাবে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমানো যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে তাঁর সরকার।” তিনি বলেন, “আমি দারিদ্র থেকে উঠে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। তাই কীভাবে দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করতে হয়, আমি তা জানি। গত দশ বছরে ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র থেকে তুলে এনেছি।” প্রধানমন্ত্রী জানান, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে। সুযোগ ও আয় উভয়ই বাড়ছে। দারিদ্রের হার কমছে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: ‘‘রাম ও রামায়ণ থেকে আলাদা দেশ কল্পনা করা অসম্ভব’’, সংসদে বললেন অমিত শাহ

    Ram Mandir: ‘‘রাম ও রামায়ণ থেকে আলাদা দেশ কল্পনা করা অসম্ভব’’, সংসদে বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সংসদের বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে ধন্যবাদ প্রস্তাব আনল মোদি সরকার। এই প্রস্তাবের জন্য চার ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। রাম মন্দিরের নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হবে। রাম মন্দিরকে (Ram Mandir) ভারতের প্রাচীন ও মহান সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে এই বর্ণনা করা হবে এই প্রস্তাবে। এক এক করে বিজেপি সাংসদরা নিজেদের বক্তব্য পেশ করছেন প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত। বিকাল পাঁচটায় ধন্যবাদ প্রস্তাবে দুই কক্ষে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। জানা গিয়েছে এই ধন্যবাদ প্রস্তাবে থিম রাখা হয়েছে ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ বিজেপি সাংসদ সত্যপাল সিং লোকসভায় এই প্রস্তাব আনেন। ইতিমধ্যে এই প্রস্তাবের ওপর বক্তব্য রেখেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    হাজার বছরের ইতিহাসে লেখা থাকবে রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনটি 

    লোকসভায় রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে আলোচনা চলাকালীন এদিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও অমিত শাহ সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘‘২২ শে জানুয়ারি দিনটি আগামী হাজার হাজার বছর পর ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। কারণ এই দিনেই সমস্ত রাম ভক্তদের আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে।’’ অমিত শাহ এদিনের ভাষণে আরও বলেন, ‘‘রাম জন্মভূমির ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। ১৫২৮ সাল থেকে এই যুদ্ধ চলছে। প্রায় ৫০০ বছর পর আইনি লড়াই শেষ হয়েছে। আমি স্মরণ করতে চাই সমস্ত যোদ্ধাদের যারা রাম মন্দির আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই স্বপ্ন মোদিজির আমলেই পূরণ হওয়ার কথা ছিল। রাম মন্দির নির্মাণকে ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়’। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘রাম ও রামায়ণ ছাড়া দেশ কল্পনা করা যায় না। দেশের সংবিধানের থেকে শুরু করে মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ ভারতের স্বপ্ন পর্যন্ত রামের নামেই গড়ে উঠেছে।’’

    ৩৩০ বছর পরে আইনি লড়াই শেষ হয়েছে

    অমিত শাহ এদিন আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় সংস্কৃতি এবং রামায়ণকে কখনও আলাদাভাবে দেখা হয়নি। রামায়ণ অনেক ভাষা, সংস্কৃতি এবং ধর্মে উল্লেখ আছে। রাম ও রামায়ণ থেকে আলাদা দেশ কল্পনা করা অসম্ভব। ১৫২৮ সাল থেকে এই যুদ্ধ চলছে। কয়েক দশক ধরে লড়াই চলে আসছে । ১৮৫৮ সাল থেকে আইনি লড়াই চলছিল। ৩৩০ বছর পর, আইনি লড়াই আজ শেষ হয়েছে এবং রামলালা (Ram Mandir) তাঁর গর্ভগৃহের ভিতরে বসে আছেন। বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী মোদি যা বলেন তাই বাস্তবে করে দেখান।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok sabha elections 2024: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন, সমন্বয় বৈঠকে বসছে আরএসএস-বিজেপি

    Lok sabha elections 2024: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন, সমন্বয় বৈঠকে বসছে আরএসএস-বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দামামা বাজতে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের (Lok sabha elections 2024)। তার আগে দেরাদুনে সমন্বয় বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপি এবং আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্ব। ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখে হবে বৈঠক। গেরুয়া শিবিরের এই সমন্বয় বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বিজেপি এবং আরএসএসের নেতারা। আরএসএসের তরফে হাজির থাকবেন অরুণ কুমার। বিজেপির পক্ষে উপস্থিত থাকবেন সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ।

    জাতীয় কনভেনশন

    দিল্লির ভারত মণ্ডপমে দু’দিন ব্যাপী জাতীয় কনভেনশন শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। আর ১৯ তারিখে হবে আরএসএস-বিজেপি বৈঠক। বিজেপির কনভেনশনের উদ্বোধন করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সমাপ্তি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপির কনভেনশন(Lok sabha elections 2024) শুরুর আগের দিন দলের পদস্থ কর্তারা বৈঠকে বসবেন। কনভেনশনে উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানানো হবে দলের সমস্ত নেতা, সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন সেলের কনভেনর, সমস্ত মোর্চার প্রেসিডেন্ট, কর্পোরেশন, মিউনিসিপ্যালিটি এবং জেলা পঞ্চায়েতগুলিকে।

    হুইপ জারি

    ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ, ন্যাশনাল কাউন্সিল অফিস বিয়ারার্স, জেলা প্রেসিডেন্ট, ডিস্ট্রিক্ট ইন-চার্জ, লোকসভা ইনচার্জ, ক্লাস্টার ইন-চার্জ, লোকসভা কনভেনর, লোকসভা এক্সটেনসনিস্ট-দেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি, ফিনান্স কমিটি, বিভিন্ন রাজ্যের প্রধান মুখপাত্ররা, মডিয়া সেল কনভেনার্স, আইটি সেল অফিসিয়ালদেরও উপস্থিত থাকার কথা কনভেনশনে (Lok sabha elections 2024)। এদিকে, লোকসভার বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনে দলীয় সাংসদদের সংসদে উপস্থিত থাকতে তিন লাইনের একটি হুইপ জারি করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    প্রসঙ্গত, চলতি বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। চলার কথা ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। যদিও পরে অধিবেশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে একদিন। জানা গিয়েছে, এদিনই কেন্দ্রের পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। মাঝ-এপ্রিলে হবে লোকসভা নির্বাচন (Lok sabha elections 2024)। তার আগে এটাই ছিল মোদি সরকারের দ্বিতীয় দফার শেষ বাজেট। তবে নির্বাচন থাকায় এবার পেশ হয়নি পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তার পরিবর্তে পেশ করা হয়েছে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। নির্বাচনের পর যে দল সরকার গড়বে, পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করবে তারাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Public Examination Bill 2024: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    Public Examination Bill 2024: সরকারি চাকরির নিয়োগে ‘চিটিং’ করলেই শাস্তি! নতুন বিল আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতি রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র সরকার। এর জন্য ‘অ্যান্টি চিটিং বিল’ বা তঞ্চকতা বিরোধী বিল আনল কেন্দ্র সরকার। আপাতত সরকারি পরীক্ষার দুর্নীতি প্রতিরোধ করাই এই বিলের একমাত্র লক্ষ্য। শুক্রবার রাজ্যসভাতেও ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে গেল সরকারি পরীক্ষার দুর্নীতি দমন বিল। এর নাম ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) বিল, ২০২৪’ (Public Examination Bill 2024)।

    কেন এই বিল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান না দেশের ভবিষ্যৎ যে তরুণ-তরুণীরা তাঁদের ভবিষ্যৎ কিছু প্রতারক বা তঞ্চকের কুকর্মের জন্য নষ্ট হোক। বাজেট অধিবেশন চলাকালীন মঙ্গলবারই সেই বিল পাশ হয়েছিল সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায়। শুক্রবার রাজ্যসভাতেও এই বিল পাশ হল। ফলে এই বিলের আইন হওয়ার পথে আর একটিই ধাপ বাকি রইল। এর পরে রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিলেই আইনে পরিণত হবে সরকারি চাকরির পরীক্ষার দুর্নীতি প্রতিরোধক বিল (Public Examination Bill 2024)। এই বিল আইনে পরিণত হলে এই আইন অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্তদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই বিলের অধীনে সমস্ত অপরাধ জামিন অযোগ্য নয়। এই অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ নিজে থেকে ব্যবস্থা নিতে পারবে। পরোয়ানা ছাড়াও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জেরা এবং গ্রেফতার করার ক্ষমতা থাকবে পুলিশের হাতে। সরকারের দাবি, এই বিল আইন হিসাবে এলে কেন্দ্রের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, টুকলির মতো অনিয়মগুলি আটকানো পুরোপুরি সম্ভব হবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, আট সাংসদকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ মোদির

    এই বিলের আওতায় কোন কোন পরীক্ষা

    দেশে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম মোকাবিলা করার জন্য এত দিন কোনও আইন ছিল না। এবার তা রোধ করা সম্ভব হবে বলে অভিমত সরকারের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই বিল সম্পর্কে লোকসভায় বলেন, মেধাবী ছাত্র এবং প্রার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্যই এই বিলের বিধানগুলি তৈরি হয়েছে। জিতেন্দ্র সিং এ দিন বলেন, সরকার “সংগঠিত অপরাধের বিনিময়ে মেধাবী (প্রার্থীদের) বলি দিতে দেবে না ৷” শিক্ষার্থী এবং প্রার্থীরা এই বিলের আওতায় পড়বেন না এবং চাকরিপ্রার্থীদের এই বিলের জন্য কোনও ক্ষতি হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিলের অধীনে যে সব কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির কথা বলা হয়েছে সেগুলি হল, ইউপিএসসি, স্টাফ সিলেকশন কমিশন, রেল, ব্যাঙ্ক, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির মতো পরীক্ষা (Public Examination Bill 2024)। এই বিলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও তার ফাঁসের চক্রান্ত, প্রশ্নপত্র বা ওএমআর শিট জোগাড় করা, উত্তর ফাঁস, পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় কারচুপি, জাল অ্যাডমিট কার্ড বিলি, পরীক্ষার্থীদের অনৈতিক সাহায্য-সহ ১৫ রকমের অনিয়মের কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, আট সাংসদকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ মোদির

    PM Modi: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, আট সাংসদকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘চলিয়ে, আপকো এক পানিশমেন্ট দেনা হ্যায়’’, সংসদের আট সাংসদের উদ্দেশে একথা বলে, তাঁদেরকে নিয়ে ক্যান্টিনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। শুক্রবার বিভিন্ন দলের আট সাংসদকে নিয়ে এভাবেই  মধ্যাহ্নভোজ সারলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংসদের ক্যান্টিনে খোশগল্প করতে থাকলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই আট সাংসদকে খাওয়ালেন বিশেষ লাড্ডুও। দুপুর আড়াইটা নাগাদ ওই সাংসদরা এই আমন্ত্রণ পান বলে খবর।

    কোন কোন সাংসদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে

    প্রসঙ্গত, মধ্যাহ্নভোজের আসরে বিজেপির সাংসদরা তো ছিলেনই, ওই আট জনের মধ্যে ছিলেন অন্য দলের সাংসদরাও। জানা গিয়েছে, সংসদের ক্যান্টিনে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ হিনা গাভিত, এস ফাংগন কোনিয়াক, জাময়াং সেরিং নামগিয়াল, এল মুরুগান। ছিলেন তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) সাংসদ রামমোহন নাইডু, বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) সাংসদ রীতেশ পাণ্ডে এবং বিজু জনতা দলের (বিজেডি) সাংসদ সস্মিত পাত্র।

    সাংসদরা কী খেলেন?

    জানা গিয়েছে, খাবারের তালিকায় ছিল, ভাত, ডাল, খিচুড়ি এবং রাগির তৈরি লাড্ডু। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তরফে জানা গিয়েছে, ৪৫ মিনিট ধরে চলে মধ্যাহ্নভোজ। সূত্রের খবর, খাবার খেতে খেতে প্রধানমন্ত্রীর জীবনযাপনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) কখন ঘুম থেকে ওঠেন, কী খাবার খান, এসব নিয়েই কথোপকথন চলতে থাকে।

    মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত একজন সাংসদ সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘সংসদের ক্যান্টিনে দুপুরের খাবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সৌহার্দ্য বিনিময় হয়। গল্প হয়। ভাল সময় কেটেছে।’’ উপস্থিত অন্য একজনের কথায়, ‘‘আমরা যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে খাবার খাচ্ছিলাম, তা এক বারের জন্যও মনে হয়নি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bharat Ratna: অ-বিজেপি দুই প্রধানমন্ত্রীকে ভারতরত্ন, কী বললেন নাড্ডা?

    Bharat Ratna: অ-বিজেপি দুই প্রধানমন্ত্রীকে ভারতরত্ন, কী বললেন নাড্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনজনকে ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে বলে শুক্রবার জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এঁরা হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের নরসিংহ রাও, দেশের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী তথা ভারতীয় লোক দলের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরি চরণ সিংহ এবং ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক এম স্বামীনাথন। স্বামীনাথন বিজ্ঞানী। কিন্তু বাকি দুজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। দুজনেই আবার ঘোরতরভাবে বিজেপি বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। তা সত্ত্বেও কেন তাঁদের দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করা হচ্ছে?

    ভারতরত্ন

    চরণ সিংহকে ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান দেওয়ার কারণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উনি কৃষকদের অধিকার ও তাঁদের কল্যাণের জন্য নিজের পুরো জীবন সমর্পণ করে দিয়েছিলেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হোন বা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোন বা বিধায়ক হোন, উনি সর্বদা দেশের উন্নতির জন্য কাজ করে গিয়েছেন।” কংগ্রেস নেতৃত্বকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “জরুরি অবস্থার সময় কঠোরভাবে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। আমাদের কৃষক ভাইবোনেদের প্রতি উনি যেভাবে নিজের জীবন সমর্পণ করেছেন এবং জরুরি অবস্থার সময় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর যে অবদান রয়েছে, তা দেশের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।”

    নরসিমহা রাওয়ের প্রশংসা

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাওয়েরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ভারতের অর্থনীতিকে মজবুত করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। যা দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছিল।”

    আরও পড়ুুন: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    এই দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও আরও একজনকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী এলকে আডবাণী। আডবাণী বিজেপি হলেও, বাকি দুই ভারতরত্ন-প্রাপক তো বিজেপি নন! দলীয় বৃত্তের মধ্যেই যে পুরস্কার ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়ে যায় (নিন্দকদের এহেন বক্তব্যের সঙ্গে মাধ্যম সহমত পোষণ করে না), সেখানে বিজেপি বিরোধী দুই রাষ্ট্রনেতাকে কেন দেওয়া হচ্ছে ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান? মোক্ষম জবাবটি দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাঁর মতে, মোদি সরকার দলের ঊর্ধ্বে উঠে দেশবাসীর প্রতি যাঁরা অবদান রেখেছেন, তাঁদের সম্মানিত করেছে। নরসিমহা রাও সম্পর্কে নাড্ডা বলেন, “তিনি দ্রুত অর্থনীতির দুয়ার খুলে দিয়েছিলেন।” আর চরণ সিংহ সম্পর্কে তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রকৃত প্রতিনিধি তিনি (Bharat Ratna)।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share