Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • 2000 Bank Notes: ২০০০ টাকার নোট প্রত্যাহারে কী প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে?

    2000 Bank Notes: ২০০০ টাকার নোট প্রত্যাহারে কী প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রশাসনের সরকারি ওয়েবসাইটে সেদেশের মুদ্রা, অর্থাৎ মার্কিন ডলার নিয়ে একটি পৃথক পেজ রয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে সাতটি ভিন্ন মূল্যের নোট পাওয়া যায়, সর্বোচ্চ ১০০ ডলার। আরও বলা হয়েছে, ১০ হাজার মার্কিন ডলারের নোট বর্তমানে লেনদেনের ক্ষেত্রে বৈধ থাকলেও, দীর্ঘদিন আগে তা ছাপা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যদিও, বর্তমানে কেউ তা ব্যবহার করেন না।

    নোটবন্দির সঙ্গে তুলনা একেবারেই ভুল

    গত ১৯ মে, ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক একটি নির্দেশিকার মাধ্যমে ২০০০ টাকার নোট (2000 Bank Notes) প্রত্যাহার করার ঘোষণা করে। একইসঙ্গে জনসাধারণের উদ্দেশে জানিয়ে দেয়, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে গিয়ে বদলে নিতে। যদিও, স্পষ্টভাবে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক এও জানিয়েছে, সময়সীমার পরেও বৈধ থাকবে ২০০০ টাকার নোট। অর্থাৎ, সেপ্টেম্বরের পরেও ২০০০ টাকার নোটে লেনদেন করা হলে, তা সমান প্রযোজ্য হবে। শুক্রবার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই ঘোষণার পর থেকেই অনেকে এই নির্দেশিকার সঙ্গে ২০১৮ সালের নোটবন্দির তুলনা টেনে আনছেন। যা, একেবারেই ভুল। কারণ, নোটবন্দির সময় পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার বৈধতাও প্রত্যাহার করা হয়েছিল। কিন্তু, ২০০০ টাকার ক্ষেত্রে তা হয়নি। প্রকাশিত নির্দেশিকায় একাধিকবার উল্লেখ করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, এখনই ২০০০ টাকার নোটের বৈধতা খারিজ করা হচ্ছে না।

    তাহলে কেন এই ঘোষণা? এই নির্দেশিকার অর্থ কী?

    নির্দেশিকার অর্থ, জনমানসকে সচেতন করা বা অনুরোধ করা, যাতে তারা ২০০০ টাকার নোট (2000 Bank Notes) দিয়ে লেনদেন করা থেকে বিরত থাকেন। একইসঙ্গে জনসাধারণকে পরামর্শ, তারা যেন ব্যাঙ্কে গিয়ে ২০০০ টাকার নোট জমা দিয়ে তার বদলে সম অর্থের অন্য মূল্যের নোট নিয়ে নেন। শীর্ষ ব্যাঙ্ক আরও জানিয়েছে, তারা ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বা পরিষ্কার নোট নীতি অবলম্বন করেছেন। ‘ক্লিন নোট পলিসি’ অনুযায়ী, একটি নোটের পরিচ্ছন্নতার মেয়াদ চার থেকে পাঁচ বছর। ২০১৮-১৯ সালের পর থেকেই ২০০০ টাকার নোট ছাপা বন্ধ করে দিয়েছে শীর্ষ ব্যাঙ্ক। যার অর্থ, বাজারে চালু নোটগুলো ৪-৫ বছরের পুরনো। অর্থাৎ, নোটগুলো তাদের কার্য মেয়াদের শেষ সীমায় উপস্থিত হয়েছে। সাধারণত ‘সয়েলড নোট’ বা অপরিষ্কার বা মলিন নোট হলে, তা আরবিআই ফেরত নিয়ে নেয়। বদলে একই মূল্যের নতুন নোট বাজারে ছেড়ে দেয়। তবে, এক্ষেত্রে তফাত একটাই। ২০০০ টাকা আরবিআইয়ের কাছে গেলে, তার বদলে নতুন ২০০০ টাকার নোট ছাড়া হবে না। এটাই প্রত্যাহার। 

    ব্যাঙ্ক নোট ও মুদ্রাস্ফীতি

    ব্যাঙ্ক নোট (2000 Bank Notes) ও মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে একটা সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বাজারে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নগদ চালু হলে, তার জেরে দেশে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে। মুদ্রাস্ফীতির একটা বড় কারণ হল, বেশি পরিমাণে নগদ মজুত। একটা সময় ছিল, যখন ভারতে বিপুল জাল নোট ছড়িয়ে পড়েছিল। একটা সময় ছিল, যখন ভারতে বেশি মূল্যের নোটের জালনোট ছড়িয়ে দিতে পাকিস্তানের অশুভ পরিকল্পনা সফল হয়েছিল। যার জেরে ভারতে হু-হু করে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল। কারণ, নোট আসল না নকল — সাধারণ মানুষের পক্ষে পরখ বা যাচাই করার ক্ষমতা সীমিত। ফলত, আরবিআইয়ের হিসেবের বাইরে বাজারে প্রচুর নোট ছড়িয়ে গিয়েছিল। তাতে, সকলের হাতে প্রয়োজনের তুলনায় টাকা বেশি চলে এসেছিল। এর ফলে, জনমানসে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা অযাচিতভাবে বৃদ্ধি পায়। টাকার মূল্য হ্রাস পায়। ভেঙে পড়ে অর্থনীতি। বর্তমান সরকার শক্ত হাতে জালনোট সমস্যার মোকাবিলা করেছে ও করে চলেছে। শত্রুরা এখনও দেশে জালনোট ঢোকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু, বর্তমান শাসক দলের কঠোর নীতি ও দিশার জেরে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না।

    মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময়ে-সময়ে ব্যাঙ্ক রেট বৃদ্ধির পথে হাঁটতে হয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে। এর ফলে, ব্যাঙ্ক-ঋণ আরও মহার্ঘ হয়ে পড়ে। কারণ, সুদ বেশি দিতে হয়। ফলত, মানুষের চাহিদা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও, এর আরেকটা ক্ষতির দিকও রয়েছে। সুদের হার বাড়লে, ক্ষতি হয় ব্যবসাতেও। আর ব্যবসা মন্দা গেলে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব ফেলে অর্থনীতির ওপর। আর অর্থনীতির চাকা ধীর গতিতে গড়ালে, দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার ধাক্কা খায়। এখন ব্যাঙ্ক রেটের হার বৃদ্ধি না করেও কি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব? বিশেষজ্ঞরা বলছেন সম্ভব। সেক্ষেত্রে, বাজার থেকে অতিরিক্ত নগদ প্রত্যাহার করলে তা আখেরে ফল দিতে পারে। তাঁদের মতে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ২০০০ টাকার নোট (2000 Bank Notes) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত এই প্রয়াসের লক্ষ্যে হতে পারে।

  • 2000 Notes: ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২ হাজারের নোট না বদলালে কী হবে? বড় ঘোষণা শক্তিকান্ত দাসের

    2000 Notes: ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২ হাজারের নোট না বদলালে কী হবে? বড় ঘোষণা শক্তিকান্ত দাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০০ টাকার নোট (2000 Notes) বাজার থেকে তুলে নেওয়া হবে, এমন সিদ্ধান্তের কথা গত শুক্রবারই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে। ২৩ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে গিয়ে জমা বা বদল করা যাবে বলেও জানিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আরবিআই-এর এই ঘোষণার পরেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ঘুরতে থাকে নানা মুনির নানা মত। অনেকেরই প্রশ্ন, ‘‘তবে কি ৩০ সেপ্টেম্বরের পরেই ২০০০ টাকার নোট বাতিল বলে ধরে নেওয়া হবে?’’ সোমবার জনসাধারণকে আশ্বস্ত করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)-এর গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানান, নোট বদলের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বরে শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ২০০০ টাকার নোট অবৈধ হবে না। অন্যদিকে, রবিবার স্টেট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ২০০০ টাকার নোট (2000 Notes) জমা দিতে হলে বা বদলাতে গেলে কাউকে কোনও পরিচয়পত্র দেখাতে হবে না। নির্দিষ্টভাবে কোনও ফর্মও পূরণ করতে হবে না। একসঙ্গে ব্যাঙ্কে ১০ টি ২০০০ টাকার নোট অথবা ২০ হাজার টাকার নোট বদলানো যাবে অথবা জমা করা যাবে বলে জানিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক।

    কী বললেন শক্তিকান্ত দাস?

    সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে আরবিআই গভর্নর বলেন, “এই সময় ব্যাঙ্কে ভিড় করার কোনও প্রয়োজন নেই। আপনার কাছে নোট বদলের জন্য চার মাস সময় আছে।” এই সময়ই তিনি বলেন, ‘‘৩০ সেপ্টেম্বরের পরেও ২০০০ টাকার নোট ‘অবৈধ’ হয়ে যাবে না।’’ তবে নোট বদলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে গভর্নর বলেন, ‘‘জনগণ যাতে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখে, তার জন্যই এমনটা বলা হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, ২০০০ টাকার নোট (2000 Notes) বদলের বিজ্ঞপ্তি সামনে আসতেই নানা ধরনের গুজব ছড়াতে শুরু করে। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বরের নোটবাতিলের সঙ্গে এর তুলনা টানতে শুরু করে কেউ কেউ। ২০০০ টাকার নোট যে বাতিল বা বেআইনি কোনওটাই হয়নি এদিন আরবিআই গভর্নরের কথায় তা অনেকটাই স্পষ্ট হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ১০০০ টাকার নোট কি ফিরছে?

    সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, ২ হাজার টাকার নোট তুলে নেওয়া হলেও নতুন করে হাজার টাকার নোট চালু করার কোনও পরিকল্পনা নেই। প্রসঙ্গত, ৭ বছর আগে দেশে হাজার টাকার নোট চালু ছিল। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর ৫০০ টাকা এবং ১ হাজার টাকার নোট বাতিল করে মোদি সরকার। নতুন নোটের চাহিদা সামাল দিতে তার পরেই বাজারে আসে ২ হাজার টাকার নোট (2000 Notes)। এই আবহে দেশে আবার হাজার টাকার নোট চালু করা হবে কি না, এই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও আপাতত এমন কোনও ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: রক্ষাকবচ মেলেনি সুপ্রিম কোর্টেও, গ্রেফতার হতে পারেন অভিষেক?

    Abhishek Banerjee: রক্ষাকবচ মেলেনি সুপ্রিম কোর্টেও, গ্রেফতার হতে পারেন অভিষেক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই (CBI)-ইডির (ED) নাগাল এড়ানোর নানা চেষ্টা করেছেন তৃণমূলের (TMC) সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ব্যর্থ হয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের। সেখানেও মিলল না রক্ষাকবচ। তাই গ্রেফতারির আশঙ্কায় কাঁটা তৃণমূলের এই দু নম্বর নেতা। সোমবার দেশের শীর্ষ আদালতে ওই মামলার শুনানি হয়। সেখানে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি।

    ‘আমাকে (Abhishek Banerjee) গ্রেফতার করা হবে’

    তিনি আদালতে জানান, “অভিষেকের আশঙ্কা পরের বার আমাকে গ্রেফতার করা হবে। আমি প্রচার করছিলাম, সেই অবস্থায় সমন জারি করে। পরের দিন সকালে জেরায় তলব করা হয়েছে। আমি জেরায় যোগ দিয়েছি। তারপরেও হেনস্থা করা হচ্ছে”। অভিষেকও বলেন, “আমাকে বারবার তলব করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরার নামে হেনস্থা করা হচ্ছে। প্রতিবার ন’ ঘণ্টা করে জেরা করা হচ্ছে।” অভিষেকের হয়ে এদিন আদালতে যে রক্ষাকবচের আর্জি জানিয়েছিলেন সিংভি, সেই আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি সঞ্জয় কারোলের বেঞ্চ। শুক্রবার ফের শুনানি হবে এই মামলার।

    সুপ্রিম কোর্টে কেন গেলেন অভিষেক?

    শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। পরে তিনি দাবি করেন, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নাম বলতে তাঁকে চাপ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মামলা যায় হাইকোর্টে। তখনই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থা”। পরে ওই একই রায় দেয় বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার বেঞ্চও। তিনিও বলেন, “কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় তৃণমূল নেতা অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি-সিবিআই।’’ সেই সঙ্গে আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করায় অভিষেক ও কুন্তলের ২৫ লাখ করে মোট ৫০ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। এর পর সুপ্রিম কোর্টের দুয়ারে হাজির হন অভিষেক।

    আরও পড়ুুন: “এভাবে চলতে পারে না”! হাসপাতাল নিয়ে মদনের মতোই বেজায় চটেছেন শতাব্দী রায়

    দেশের শীর্ষ আদালতে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) আইনজীবী এদিন বলেন, “সিবিআই কোনও রকম সময় না দিয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করছে।” তিনি বেঞ্চকে স্মরণ করিয়ে দেন, “এর আগের বার যখন অভিষেককে তলব করা হয়, তখন তিনি ছিলেন দার্জিলিংয়ে। তাড়াতাড়ি চলে আসতে বাধ্য হন। শনিবারও যখন তাঁকে তলব করা হয়, তখন তিনি নব জোয়ার কর্মসূচির জন্য বাঁকুড়ায় ছিলেন। সেই কর্মসূচি ফেলেই কলকাতায় ফিরে আসতে বাধ্য হন।” তিনি (অভিষেক) রাজ্যের বাইরে প্রচার করছিলেন বলেও দাবি করেন সিংভি। যদিও তৃণমূল সূত্রে খবর, বর্তমানে অভিষেক প্রচার করছেন রাজ্যেই।

    গ্রেফতারি এড়াতেই কি বিভ্রান্ত করা হচ্ছে দেশের শীর্ষ আদালতকে? প্রশ্ন সেটাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: জি৭-এ মুখোমুখি মোদি-ঋষি! কথা শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সমেত একাধিক ইস্যুতে

    Narendra Modi: জি৭-এ মুখোমুখি মোদি-ঋষি! কথা শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সমেত একাধিক ইস্যুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের হিরোশিমাতে বসেছিল জি৭ সম্মেলন। চলতি মাসের ১৯ তারিখ সেখানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রবিবার তাঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের। জানা গেছে, ভারতে অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনে সেপ্টেম্বরে ঋষিকে এদেশে আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, রবিবারই শেষ হয়েছে সম্মেলন, এরপরেই প্রধানমন্ত্রী রওনা হন পাপুয়া-নিউগিনির উদ্দেশে। সোমবার তাঁর অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে।

    কী কী আলোচনা হয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে?

    ঋষি সুনকের সঙ্গে এদিনের বৈঠকের পরেই ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘আমরা আলোচনা করেছি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, উদ্ভাবনী এবং বিজ্ঞান সমেত অন্যান্য ক্ষেত্রে আদানপ্রদান কীভাবে বাড়ানো যায় তা নিয়ে। বৈঠক সফল।’’

    প্রসঙ্গত ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকেও যে ট্যুইট করা হয়েছে তাতে বলা হয়, ‘‘ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা সমেত একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক গভীর করে তুলতে ভারত এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে কথা হয়েছে।’’ সূত্রের খবর, দুই রাষ্ট্র প্রধানের মধ্যে কথা হয়েছে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য নিয়েও।

    ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য হলে কী সুবিধা?

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন ভারত এবং ব্রিটেনের মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চালু হলে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যেমন দুই দেশেরই জিডিপি বাড়বে, তেমনি ব্যাপক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি হবে। বাণিজ্য শুল্কমুক্ত হলে এক দেশের উৎপাদিত পণ্য অন্য দেশে কম দামেই মিলবে। অর্থনীতিবিদরা আরও মনে করছেন যে দুই দেশের মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য শুরু হলে ভারতের দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির একটি মার্কেট পাওয়া যাবে ব্রিটেনে। এতে দেশের ছোট বড় উদ্যোগপতিরা খুবই লাভবান হবেন বলে মনে করছেন, অর্থনীতিবিদদের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: এবার বন্দে ভারত লোকাল ট্রেন! প্রথম ছুটবে মহারাষ্ট্রে, কী কী যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য থাকছে?

    Vande Bharat: এবার বন্দে ভারত লোকাল ট্রেন! প্রথম ছুটবে মহারাষ্ট্রে, কী কী যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য থাকছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত (Vande Bharat) আর শুধুমাত্র দূরপাল্লার ট্রেনই থাকছে না। এবার তা ছুটতে চলেছে লোকাল রুটেও। শহরতলির সঙ্গে শহরের যোগাযোগের এবার মাধ্যম হবে বন্দে ভারত। প্রথম প্রকল্প শুরু হতে চলেছে মহারাষ্ট্রতে। আধুনিক ব্যবস্থা সম্পন্ন, গতিময় এই দূরপাল্লার ট্রেন সারা ভারত জুড়েই চলছে। কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন হাওড়া পুরী বন্দে ভারতের। বন্দে ভারত (Vande Bharat) লোকাল ট্রেনের চিন্তাভাবনা কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয়েছে এবং সেই মতো তা ঘোষণাও করেছিল মোদি সরকার। তবে তখন বলা হয়েছিল, মেট্রোর রেল পথে চলবে এই ট্রেন। এবং ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা দুটি শহরের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করবে বন্দে ভারত মেট্রো। এবার ভারতীয় রেলের নির্দেশেই বন্দে ভারত আসছে লোকাল হিসেবেও।

    দেশের ব্যস্ততম রেলপথ হল মহারাষ্ট্রের মুম্বই

    পরিসংখ্যান বলছে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে ৩১৯ কিলোমিটার বিস্তৃত রেলপথে প্রতিদিন ৩,১২৯ ট্রেন চলাচল করে। এতেও মেটেনা যাত্রী চাহিদা। মুম্বইয়ের লোকালগুলোর ভিড় দেখলেই তা বোঝা যায়। এবার এই সমস্যা মেটাতে ছুটবে বন্দে ভারত। পোশাকি নাম হতে চলেছে বন্দে ভারত মেট্রো সাব-আরবান পরিষেবা। বাতানুকূল এই ট্রেনে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতোই অধিকাংশ সুযোগ সুবিধা থাকবে এবং যাত্রী ধারণ ক্ষমতাও হবে যে কোন লোকালের থেকে বেশি।

    কেমন হবে লোকাল বন্দে ভারতের ব্যবস্থা?

    জানা যাচ্ছে চলতি লোকালগুলোর থেকে অনেক বেশি যাত্রী-স্বাচ্ছন্দ্য থাকবে বন্দে ভারত লোকালে। সর্বক্ষণ থাকবে সিসিটিভি নজরদারি। দুটি এসি ভেন্ডার কামরাও থাকবে যাতে মাছ বা অন্যান্য গন্ধ যাত্রীদের কোচে অস্বস্তি তৈরি না করে। ১২টি কোচের ভিতর দিয়ে যাতায়াতও করতে পারবেন যাত্রীরা। লোকাল ট্রেনের থেকে বেশি পরিমাণে যাত্রী বসার আসন থাকবে এবং কামরাগুলিতে থাকবে ডিসপ্লে। সেখানে স্টেশনের নাম দেখা যাবে। থাকছে টিভিও। অপ্রচলিত শক্তির উৎস ব্যবহার করে এই ট্রেনের সুবিধা দেওয়ার কথা ভেবেছে রেল কর্তৃপক্ষ। যার ফলে, সৌর বিদ্যুৎ-এ চলবে ট্রেনের পাখা এবং আলো। ট্রেনের মাথায় লাগানো সৌর প্যানেলে ৩.৬ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি হবে বলে জানা যাচ্ছে।

    কী বলছেন রেল আধিকারিকরা?

    জানা যাচ্ছে বর্তমানে মুম্বইয়ে ১৪টি মতো এসি লোকাল ট্রেন চলে। এগুলোর তত্ত্বাবধান করে সেন্ট্রাল রেল এবং পশ্চিম রেল। এর পাশাপাশি এবার শুরু হতে চলেছে বন্দে ভারত লোকাল। রেলওয়ে আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মুম্বই আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট এর আওতায় ২৩৮টি রেক কেনা হচ্ছে। এবং এ নিয়ে ইতিমধ্যে কথাও সম্পন্ন হয়েছে রেল মন্ত্রক ও মহারাষ্ট্র সরকারের মধ্যে। রেলওয়ে আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, নতুন এই লোকাল বন্দে ভারতগুলি ট্রেনের নিজস্ব কারখানায় তৈরি হবে না। বরং তা মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে তৈরি হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Meeting: দূর্গে পরিণত ভূস্বর্গ! আজ শ্রীনগরে শুরু বিশেষ জি২০ বৈঠক

    G20 Meeting: দূর্গে পরিণত ভূস্বর্গ! আজ শ্রীনগরে শুরু বিশেষ জি২০ বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার থেকে জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে শুরু হচ্ছে জি২০ (G20 Meeting) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির তৃতীয় ট্যুরিজম ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। বিলোপ পায় জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা। তার পর এই প্রথম উপত্যকায় কোনও আন্তর্জাতিক কর্মসূচি করতে চলেছে কেন্দ্র। 

    ভারতের সভাপতিত্বে বৈঠক

    শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সন্টারকে জি২০ বৈঠকের (G20 Meeting) কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এবারের জি২০ সম্মেলনের সভাপতিত্ব পেয়েছে ভারত। এখনও অবধি দেশে মোট ১৮টি জি২০ বৈঠক হয়েছে। এরমধ্যে শ্রীনগরের বৈঠকেই সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করবেন। জি২০ সদস্য দেশগুলি থেকে প্রায় ৬০ জন প্রতিনিধি আসবেন। তবে, এই বৈঠকে উপস্থিত না হওয়ার কথা জানিয়েছে তুরস্ক ও সৌদি আরব। বেজিংয়ের দাবি, কাশ্মীর ‘বিতর্কিত স্থান’ হওয়ায় তারা এই জায়গার বিরোধিতা করছে এবং বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পরই, চিনকে কড়া জবাব দিয়ে ভারত জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের কোথায় বৈঠক হবে, তা ভারতই সিদ্ধান্ত নেবে। সার্বভৌম ভারতের যে কোনও জায়গায় বৈঠক করার অধিকার রয়েছে সরকারের।

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে বৈঠক, তাই জি২০-তে অংশ নেবে না চিন! কড়া জবাব ভারতের

    বৈঠককে টার্গেট করছে জঙ্গিরা

    এদিকে, বিশ্ব দরবারে ভারতের ভাবমূর্তিতে ধাক্কা দিতে এই বৈঠককে (G20 Meeting) টার্গেট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। রবিবারই এনআইএ-র জালে ধরা পড়েছে জইশ চর। জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা থেকে সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত সন্দেহভাজন জইশ ই মহম্মদ কমান্ডারের কাছে স্পর্শকাতর তথ্য পাঠাচ্ছিল। ধৃতের নাম মহম্মদ উবাইদ মালিক। ওই ব্যক্তি পাকিস্তানের জইশ ই মহম্মদ কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল।

    বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় মোতায়েন

    নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে, ভূস্বর্গতে কার্যত দূর্গে পরিণত করা হয়েছে। আগত বিদেশি অতিথি সহ গোটা অনুষ্ঠানের (G20 Meeting) জন্য বহুস্তরীয় সুরক্ষা বলয় কার্যকর করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌসেনার বিশেষ ‘মার্কোস’ কমান্ডোদের মোতায়েন করা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)। এছাড়া, বিএসএফ, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স, সশস্ত্র সীমা বল ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের হাজার হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে জঙ্গি হামলা রুখতে। পাশাপাশি, ড্রোন হামলা রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: প্রবল ঝড়ে ভেঙে পড়ল গাছ, মাঝপথে আটকে গেল পুরী-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    Vande Bharat: প্রবল ঝড়ে ভেঙে পড়ল গাছ, মাঝপথে আটকে গেল পুরী-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল ঝড়ে বিপত্তির মুখে পড়ল পুরী-হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। রবিবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে যেটুকু জানা গিয়েছে, কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়ের দাপটে একটি বড় গাছ এসে পড়ে ট্রেনের উপরে। তার জেরে ট্রেনের প্যান্টোগ্রাফ ভেঙে যায়। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ। ইঞ্জিনের কাচেও নানা জায়গায় চিড় ধরে যায়। কয়েকটি কামরায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় যাত্রীরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। রেল জানিয়েছে, যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে মেরামতের কাজ চলছে। তা সম্পন্ন হলেই ট্রেন ছাড়বে। তবে গোটা কাজ শেষ হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। দক্ষিণ পূর্ব রেলের আধিকারিক জানিয়েছেন, ভদ্রকের কাছে ঘটনাটি ঘটেছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময় দুপুর ১ টা ৫০ মিনিটে পুরী স্টেশন থেকে ছেড়েছিল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। ওড়িশায় ট্রেনটি বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। ঝড়ের গতিবেগ এতটাই তীব্র ছিল যে একটি গাছ উড়ে এসে ট্রেনের ওপর পড়ে। তাতেই বিপর্যয় ঘটে।

    সকালেও দুর্ঘটনা

    অন্যদিকে, শনিবার রাতে অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় হাওড়া-পুরী সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস। চলন্ত ট্রেন থেকে কাপলিং খুলে আলাদা হয়ে যায় ইঞ্জিন ও দুটো বগি। বেশ কিছুদূর এগিয়ে যায় ইঞ্জিন সহ বগি দুটি। জানা গেছে, সেই সময় ট্রেনের ভিতরে ঘুমিয়ে ছিলেন যাত্রীরা। আচমকাই ঝাঁকুনিতে শোরগোল পড়ে যায়। খবর দেওয়া হয় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশনের আধিকারিকদের। ওই দুটি বগিকে মেরামতি না করতে পারায় নতুন করে দুটি বগি লাগানো হয় ট্রেনের সঙ্গে। যাত্রীদের নামিয়ে নতুন বগি লাগিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পর পুরীর উদ্দেশে রওনা দেয় ট্রেনটি। শনিবার রাত ১.০৫ নাগাদ ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম মেদিনীপুরের নেকুরসেনি স্টেশনের কাছে। তবে ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pak Drone: পাকিস্তানের ৪ ড্রোনকে গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদকও

    Pak Drone: পাকিস্তানের ৪ ড্রোনকে গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারতের আকাশ সীমায় উড়ল পাকিস্তানি ড্রোন (Pak Drone)। ঘটনাটি নজরে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ৩টি ড্রোনকে গুলি করে নামায় বিএসএফ। গত ২৪ ঘণ্টায় পঞ্জাব সীমান্তের কাছে গুলি করে নামানো হয় ড্রোনগুলিকে। শুক্রবার রাতে গুলি করে নামানো হয় ৩টি ড্রোনকে। চতুর্থটিকে গুলি করে নামানো হয় শনিবার রাতে।

    প্রথম দিনেই এল ৩ পাকিস্তানি ড্রোন (Pak Drone)

    সীমান্তরক্ষী বাহিনী সূত্রে খবর, প্রথম দিন যে তিনটি পাকিস্তানি ড্রোন নামানো হয়েছিল, সেগুলি ডিজিআই ম্যাস্ট্রিস ৩০০ আরটিকে ব্ল্যাক কোয়াডকপ্টার। এর মধ্যে একটি ড্রোন (Pak Drone) শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ সীমান্ত পেরিয়ে ধারিয়াল গ্রামে ঢোকে। নজরে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটিকে গুলি করে নামানো হয়। তারই কিছু পরে অন্য একটি ড্রোন অমৃতসর জেলার রত্তন খুর্দ গ্রাম দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। পরে সেটিকেও গুলি করে নামানো হয়। বিএসএফ জানিয়েছে, ওই ড্রোনের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় একটি প্যাকেট। প্যাকেটটি খুলতেই দেখা যায় নিষিদ্ধ মাদক। বিএসএফ সূত্রে খবর, ওই প্যাকেট থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬ কেজি ৬০০ গ্রাম হেরোইন। এই পরিমাণ হেরোইনের বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা। হেরোইন ভর্তি ওই প্যাকেটের গায়ে উজ্জ্বল স্টিকার লাগানো হয়েছিল বলেও দাবি বিএসএফের।

    একটি ড্রোন আছড়ে পড়ল পাকিস্তানে

    শুক্রবার রাতেই আরও একটি ড্রোনকে (Pak Drone) লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানরা। তবে সেই ড্রোনটি উদ্ধার করা যায়নি। কারণ ড্রোনটি পড়েছিল পাকিস্তানের সীমানায়। বিএসএফের মুখপাত্রের দাবি, সিসিটিভির ফুটেজ থেকে দেখা গিয়েছে ড্রোনটি মাটিতে আছড়ে পড়ার সঙ্গ সঙ্গেই স্থানীয় বাসিন্দারা ড্রোনটি থেকে কিছু সংগ্রহ করছেন। বিএসএফের এক আধিকারিক জানান, চতুর্থ ড্রোনটি শনিবার রাতে নিয়ম ভেঙে ঢুকে পড়ে ভারতীয় আকাশ সীমায়। অমৃতসর সেক্টরে কর্তব্যরত জওয়ানরা সেটিকেও গুলি করে নামায়। একটি ড্রোন ও মাদক ভর্তি একটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে।

    সাম্প্রতিক অতীতে পঞ্জাব, জম্মু সহ দেশের একাধিক পাক সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে হয়েছে ড্রোন হামলা। অনেক ক্ষেত্রেই ড্রোনগুলির (Pak Drone) মাধ্যমে কখনও টাকা, কখনও আবার অস্ত্র ছড়িয়ে জঙ্গিদের রসদ জোগাচ্ছে পাকিস্তান। ভারতের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচারের চেষ্টাও চলছে। সেই কারণেই সীমান্তে রয়েছে কড়া প্রহরা। তার জেরেই গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি ড্রোন গুলি করে নামাল সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দেশের জন্য নিরাপত্তার সুদর্শন চক্র তৈরি করেছেন প্রধানমন্ত্রী’’, মত অমিত শাহের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mig 21: বারংবার দুর্ঘটনা, অসময়ে অবসর নিচ্ছে মিগ ২১, আসছে তেজস

    Mig 21: বারংবার দুর্ঘটনা, অসময়ে অবসর নিচ্ছে মিগ ২১, আসছে তেজস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারবার ভেঙে পড়ছে মিগ ২১ (Mig 21) ফাইটার জেট (Fighter Jet)। যার জেরে প্রাণ হারান পাইলট থেকে সাধারণ মানুষ। সেই কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাশিয়ার তৈরি এই যুদ্ধ বিমান। পর পর দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় শনিবার যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বায়ুসেনা ও প্রতিরক্ষামন্ত্রক। মিগ ২১ যুদ্ধ বিমানের জায়গায় উড়বে লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট তেজস। চলতি বছরের ৮ মে রাজস্থানের হনুমানগড় গ্রামে ভেঙে পড়েছিল একটি মিগ ২১ ফাইটার জেট। সেটি উড়েছিল সুরাতগড় বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে। রানওয়ে ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি বাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে এই যুদ্ধ বিমানটি। ওই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল তিনজনের।

    মিগ ২১ (Mig 21) এর অবসর

    শনিবার মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেন, মিগ ২১ (Mig 21) যুদ্ধবিমান কেন বারংবার দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই বিমানগুলিকে ওড়ানো হবে না। তিনি বলেন, সুরক্ষার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, মিগ ২১ যুদ্ধবিমানের মোট তিনটি স্কোয়াড্রন রয়েছে। সব মিলিয়ে বিমান রয়েছে ৫০টি। ২০২৫ সালে অবসর নেওয়ার কথা ছিল এই বিমানগুলির। সেই সময়ের ঢের আগেই বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই যুদ্ধবিমানগুলিকে। পূর্বতন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিমান নির্মাতা সংস্থা মিকোয়ান-গুরেভিচ অ্যারোস্পেস কর্পোরেশনের নকশায় ১৯৫৫ সালে তৈরি হয় মিগ ২১ যুদ্ধ বিমান।

    ব্যবহার হয়েছে রাশিয়ার তৈরি ৮০০টি মিগ ২১

    ১৯৬২ সালে চিনের সঙ্গে যুদ্ধে হারের পর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের খোঁজ করে প্রতিরক্ষামন্ত্রক। তখনই নজরে পড়ে মিগ ২১ এর ওপর। এ পর্যন্ত রাশিয়ার তৈরি ৮০০টি মিগ ২১ ব্যবহার করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সম্প্রতি একাধিকবার দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় এবং পাইলটদের মৃত্যু হওয়ায় মিগ ২১ (Mig 21) এর নাম হয়ে যায় উড়ন্ত কফিন। আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট তেজস তৈরি করেছে ভারত। সূত্রের খবর, রাশিয়ার তৈরি মিগ ২১ যুদ্ধবিমানের জায়গা নিচ্ছে ভারতের তৈরি তেজস।

    আরও পড়ুুন: শিখ-দাঙ্গায় সিবিআইয়ের চার্জশিটে টাইটলারের নাম, ফের অস্বস্তিতে কংগ্রেস

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Jagdish Tytler: শিখ-দাঙ্গায় সিবিআইয়ের চার্জশিটে টাইটলারের নাম, ফের অস্বস্তিতে কংগ্রেস

    Jagdish Tytler: শিখ-দাঙ্গায় সিবিআইয়ের চার্জশিটে টাইটলারের নাম, ফের অস্বস্তিতে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ‘টাইটলার-কাঁটা’য় অস্বস্তিতে কংগ্রেস। ১৯৮৪ সালের শিখ দাঙ্গা মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে সিবিআইয়ের (CBI) চার্জশিটে উঠে এল কংগ্রেস (Congress) নেতা জগদীশ টাইটলারের (Jagdish Tytler) নাম। সূত্রের খবর, টাইটলারের বিরুদ্ধে নতুন করে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। শনিবার দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্টের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেখানেই নাম রয়েছে ওই কংগ্রেস নেতার। প্রসঙ্গত, ওই দাঙ্গার তদন্তে গঠিত নানাবতী কমিশনের রিপোর্টেও উঠে এসেছিল টাইটলারের নাম।

    টাইটলারের (Jagdish Tytler) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর শিখ বিরোধী দাঙ্গায় নয়াদিল্লির পুল বাঙ্গাশ এলাকায় মৃত্যু হয় তিনজনের। ওই হত্যকাণ্ডের নেপথ্যে টাইটলার ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের এই নেতার বিরুদ্ধে দুষ্কৃতীদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। মাসখানেক আগেই দিল্লিতে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে গিয়েছিলেন টাইটলার (Jagdish Tytler)। সেখানে কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা হয় তাঁর। সিবিআইয়ের ফরেন্সিক ল্যবরেটরি থেকে বেরিয়ে টাইটলার বলেছিলেন, শিখ দাঙ্গা সম্পর্কিত কোনও মামলায় নয়, অন্য একটি মামলার জন্য তাঁর কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা হয়েছে।

    ইন্দিরা হত্যা…

    ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর দুই শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে প্রাণ হারান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তার পরেই দেশের নানা অঞ্চলে শিখ নিধনের ঘটনা ঘটে। সরকারি হিসেবে, এই দাঙ্গায় তিন হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। যদিও বেসরকারি হিসেবে সংখ্যাটা ৮ হাজারেরও বেশি। টাইটলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাঙ্গেশ এলাকার বাসিন্দাদের প্ররোচিত করেছিলেন তিনি। তার জেরে উত্তেজিত জনতার হাতে মৃত্যু হয় তিন শিখ ধর্মাবলম্বীর।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মমতা লোকের কতটা ক্ষতি করতে পারেন, মদনের কথাই প্রমাণ’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    শিখ বিরোধী দাঙ্গার তদন্তের জন্য ২০০০ সালে বিচারপতি নানাবতীর নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল ভারত সরকার। কমিশনের রিপোর্ট বিবেচনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তৎকালীন সাংসদ এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয় সিবিআইকে। ২০০৫ সালে আরও একটি মামলা রুজু হয়। সূত্রের খবর, তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই জানতে পারে ইন্দিরা হত্যার পরের দিন টাইটলার (Jagdish Tytler) আজাদ মার্কেটের গুরুদ্বার পুল বাঙ্গেশে বিক্ষোভকারীদের উসকানি দেন। যার জেরে তিনজনকে হত্যা করা হয়। বেশকিছু দোকানপাঠও পুড়িয়ে দিয়েছিল উত্তেজিত জনতা।

    দিন কয়েক আগেই কর্নাটকে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস। চলছে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি-পর্ব। তার ঠিক আগে আগেই সিবিআইয়ের চার্জশিটে টাইটলারের নাম ওঠায় কংগ্রেস যে কিছুটা হলেও বিপাকে, তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share