Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • G-20: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক  

    G-20: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর জি২০ (G20) বৈঠকের আয়োজক দেশ ভারত। গত সেপ্টেম্বরে এই দায়িত্ব পাওয়ার পরে পরেই ভারতের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, দেশের নানা প্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে জি২০-র বৈঠক হবে জম্মু-কাশ্মীরেও। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) যে ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই গোটা দেশের সঙ্গে সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরেও আয়োজন করা হয়েছে জি২০ বৈঠকের। চিন এবং পাকিস্তানের পর এবার এনিয়ে সমালোচনা করলেন রাষ্ট্রসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিভাগের বিশেষ প্রতিবেদক কানাডার ফার্নান্ড ডি ভারেনেস। তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে ভারত সরকার যা করে চলেছে, তা আন্তর্জাতিক অনুমোদনের জন্যই সেখানে জি২০ বৈঠক করতে চাইছে।

    জি২০ (G20) নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য…

    কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ওই বিশেষ প্রতিবেদক। তার পরেই জেনেভার ভারতীয় মিশনের তরফে তাঁর ওই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন। ২২-২৪ মে শ্রীনগরে হওয়ার কথা জি২০-র (G20) পর্যটন সংক্রান্ত কার্যকরী গোষ্ঠীর বৈঠক। তার প্রস্তুতিও শেষের পথে। বৈঠক চলাকালীন ভূস্বর্গে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে বা নিরাপত্তা লঙ্ঘিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে কেন্দ্র। গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় চলছে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযান। ২৭০ কিলোমিটার ব্যাপী জম্মু-কাশ্মীরের জাতীয় সড়কে নিরাপত্তাও খতিয়ে দেখেছে সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    জম্মুর সেনার হোয়াইট নাইট কর্পসের তরফে এক ট্যুইট-বার্তায় জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি যৌথভাবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে। জি২০ বৈঠকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, “সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। শ্রীনগর ও গুলমার্গের চারপাশে বিশেষভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কারণ প্রতিনিধিরা এই জায়গাগুলি (G20) দিয়েই যাবেন।“ যৌথবাহিনীর পাশাপাশি তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ-ও। জাতীয় তদন্তকারী এই সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে কাশ্মীর উপত্যকায় যেসব সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠন ও তাদের শাখা সংগঠন রয়েছে, তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।“ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের মার্চে কাশ্মীরে হয়েছিল আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন। তাতে অংশ নিয়েছিলেন বিশ্বের ৩৬টি দেশের প্রতিনিধি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital Payments: একটু ভুলে খোয়াতে পারেন অনেক কিছু! অ্যাপের মাধ্যমে টাকা লেনদেনে সতর্ক থাকুন

    Digital Payments: একটু ভুলে খোয়াতে পারেন অনেক কিছু! অ্যাপের মাধ্যমে টাকা লেনদেনে সতর্ক থাকুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্মার্টফোনে মাত্র কয়েকটি অ্যাপের মাধ্যমেই বিশ্বের যে কোনও প্রান্ত থেকে টাকাপয়সা আদানপ্রদান করে ফেলা সম্ভব। অনলাইন লেনদেনে যেমন মানুষের অনেক সুবিধা হয়েছে, তেমনই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে জালিয়াতিও। তাই ‘ইউপিআই’ পেমেন্ট (Digital Payments) মেথডে যাওয়ার আগে সতর্ক থাকুন। অনলাইনে টাকা পয়সা লেনদেন করার আগে মেনে চলুন বেশ কিছু নিয়ম। 

    নির্ভরযোগ্য অ্যাপ

    ‘প্লে স্টোর’এ নানা ধরনের ‘ইউপিআই’ অ্যাপ রয়েছে। তবে কোনটি সব দিক থেকে বিশ্বস্ত, তা বুঝে নিতে হবে আপনাকেই। গুগল পে, ফোন পে, পেটিএম-এর মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলি বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত থাকায় আপাত ভাবে নিরাপদ বলেই মনে হয়।

    পিন শেয়ার নয়

    ‘এটিএম’ হোক বা ইউপিআই অ্যাপ, তার ‘পিন’ (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) যেন সুরক্ষিত থাকে। কারণ, ‘পিন’ হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই জালিয়াতরা ওঁত পেতে বসে থাকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছু দিন অন্তর ‘পিন’ বদলে ফেলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    ফোন বা মেসেজ এড়িয়ে চলুন

    কাউকে টাকা দেওয়ার আগে এই ব্যক্তির নাম এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে নিন। একই নামে দু’জন ব্যক্তি থাকতেই পারেন। কিন্তু তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সাধারণত এক হয় না। তাই ‘ভেরিফাই পেমেন্ট অ্যাড্রেস’ এ গিয়ে তা যাচাই করে, তবেই টাকা (Digital Payments) পাঠাবেন। ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চেয়ে অনেক সময়ই ফোন বা মেসেজ আসে গ্রাহকদের ফোনে। যা আপাত ভাবে দেখে ভুয়ো বলে মনেই হয় না। সেই সব ফোন বা মেসেজ এড়িয়ে চলাই ভাল।

    আরও পড়ুন: দেশে বর্ষা ঢুকছে ৪ জুন! রাজ্যে কবে? কী জানাল আবহাওয়া দফতর

    ব্যক্তিগত তথ্য সেভ নয়

    ফোন বা কম্পিউটা্রের মাধ্যমে কিছু কেনাকাটা করতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট বা অ্যাপ অনেক সময়ই কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য সেখানে ‘সেভ’ করে রাখতে চায়। এই ফাঁদে পা দেওয়ারও কোনও প্রয়োজন নেই। কারণ, ফোন বা ল্যাপটপটি ব্যক্তিগত হলেও অন্তর্জাল ব্যবস্থাটি ব্যক্তিগত নয়। অনলাইনে কেনাকাটা করার সময় নিজেদের ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডের সমস্ত তথ্য কখনও সেভ করা উচিত নয়। এক্ষেত্রে অনেকেই আছেন যাঁরা ভবিষ্যতে সেখান থেকে কেনাকাটা করার সময় দ্রুত অনলাইন পেমেন্ট (Digital Payments) করার জন্য নিজেদের কার্ডের সমস্ত ডিটেলস সেভ করে রাখেন। কিন্তু এটি করলে নিজেদের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

    নিজের ডিভাইস ব্যবহার করুন

    ডিজিটাল পেমেন্ট করার সময় যে কোনও ডিভাইস অথবা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ সাইবার হ্যাকারদের নজর সবসময় এই ধরনের ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এবং ডিভাইসের ওপরেই থাকে। সেখান থেকে একবার ডিজিটাল পেমেন্ট (Digital Payments) করলে সেই গ্রাহকের সমস্ত তথ্য হ্যাক হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। অন্যের ডিভাইস ও পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডিজিটাল ট্রানজাকশন কখনওই করবেন না। সবসময় নিজেদের ডিভাইস অথবা মোবাইল থেকেই এই ধরনের ডিজিটাল পেমেন্ট করা উচিত।

    কিউ আর কোড

    কিউ আর কোড ব্যবহারে সতর্ক থাকুন- কোনও প্রাইজ বা অর্থ পুরস্কার পাবেন এরকম মেসেজ পাঠিয়ে কিউ আর কোড স্ক্যান করতে বললে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, টাকা-পয়সা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিউ আর কোড ব্যবহার হয়, এরকমভাবে কাউকে কিউ আর কোড স্ক্যান করতে পাঠানো হয় না।

    স্ক্রিন শেয়ারিং অ্যাপ

    স্ক্রিন শেয়ারিং অ্যাপ ডাউনলোড এড়িয়ে চলুন- সাইবার ক্রিমিনালরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্ক্রিন শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতারণা করে থাকে। ব্যাঙ্কের লোক বা ভরসার পাত্র হওয়ার ভান দেখিয়ে প্রতারকরা এই ধরণের অ্যাপ ডাউনলোড করতে প্রভাবিত করতে পারে। এই ধরণের প্রতারণার ফাঁদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: খাড়্গের বাসভবনে শিবকুমার, সিদ্দারামাইয়া, মুখ্যমন্ত্রিত্বের শিকে ছিঁড়বে কার কপালে?

    Congress: খাড়্গের বাসভবনে শিবকুমার, সিদ্দারামাইয়া, মুখ্যমন্ত্রিত্বের শিকে ছিঁড়বে কার কপালে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফল বেরিয়েছে শনিবার। তার পর এ পর্যন্তও কংগ্রেস (Congress) ঠিক করতে পারেনি কর্নাটকের কুর্সিতে কাকে বসানো ঠিক হবে। ২২৪টি আসন বিশিষ্ট কর্নাটক (Karnataka) বিধানসভার ১৩৫টির রাশ গিয়েছে কংগ্রেসের হাতে। তার পর থেকেই শোনা যাচ্ছে নানা গুঞ্জন। কংগ্রেসেরই একটি সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন সিদ্দারামাইয়া। অন্য একটি সূত্রের খবর, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর মুকুট উঠতে চলেছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমারের মাথায়।

    বিপাকে কংগ্রেস (Congress)…

    সোমবার দিল্লিতে যাওয়ার কথা থাকলেও, এদিন জন্মদিনের কথা বলে দিল্লি যাননি শিবকুমার। তবে মঙ্গলবার গিয়েছেন। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে গিয়ে প্রথমে দেখা করেন শিবকুমার। তার পরে পরেই সেখানে পৌঁছান সিদ্দারামাইয়া। এই সিদ্দারামাইয়া-ই দলের ওবিসি মুখ। এদিন শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে দেখা করার আগে খাড়্গে কথা বলে নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। ঘণ্টা দেড়েক ধরে করেন রুদ্ধদ্বার বৈঠক। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের (Congress) সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সুরজওয়ালা এবং এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কেসি বেণুগোপাল। খাড়্গের বাসভবনে ঢোকার আগে শিবকুমার কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। তখনই জানতে চাওয়া হয়, মুখ্যমন্ত্রিত্ব না পেলে পদত্যাগ করবেন কি না। শিবকুমার বলেন, মা বলতে আমি দলকেই বুঝি। দলই আমার কাছে মা। দলকে দাঁড় করিয়েছি আমরা। তাই পদত্যাগের প্রশ্নই ওঠে না।

    আরও পড়ুুন: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    সিদ্দারামাইয়া ওবিসি জনগোষ্ঠীর নেতা। পুরনো মাইসুরু অঞ্চলের বরুণা কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। জিতেছেনও। জয়ী হয়েছেন শিবকুমারও। তিনি নিজের পুরানো কেন্দ্র বেঙ্গালুরু গ্রামীণ এলাকার কনকপুরায় হারিয়েছেন প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী আর অশোককে। তাই মুখ্যমন্ত্রীত্বের দৌড়ে রয়েছেন দুই নেতাই। কংগ্রেসের (Congress) একটি সূত্রের খবর, কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার দায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে দলের হাইকমান্ডের হাতে। মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন যদি কার পাশে কতজন বিধায়ক রয়েছেন, সেই নিক্তিতে হয়, তাহলে কর্নাটকে সরকারি বাসভবন ‘অনুগ্রহে’র শিকে ছিঁড়তে চলেছে সিদ্দারামাইয়ার কপালেই। আর মুখ্যমন্ত্রিত্বের মানদণ্ড যদি আনুগত্য হয়, তাহলে কর্নাটকের রশি যেতে পারে শিবকুমারের হাতে। শিবকুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে অন্য একটি কাঁটাও রয়েছে। সেটি হল দুর্নীতির অভিযোগ। উল্টো দিকে সিদ্দারামাইয়ার ইমেজ ক্লিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament House: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    Parliament House: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হয়ে গিয়েছে নির্মাণ কাজ। হয়ে গিয়েছে অন্দরসজ্জাও। উদ্বোধনের প্রহর গুণছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) স্বপ্নের সংসদ ভবন (Parliament House)। সূত্রের খবর, মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন করা হবে এই নয়া সংসদ ভবনের। ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন মোদি। ওই দিন বা তার আগে পরের কোনও একটি দিনে উদ্বোধন করা হবে নবনির্মিত সংসদ ভবনের। জানা গিয়েছে, নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন চলতি মাসে হলেও, সংসদের বাদল অধিবেশন সেখানে হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই খবর।

    নয়া সংসদ ভবনের (Parliament House) আকৃতি…

    নয়া এই সংসদ ভবনের (Parliament House) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যয় হয়েছে ৯৭০ কোটি টাকা। নয়া সংসদ ভবনটি হয়েছে ৬৫ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে। ত্রিকোণাকৃতি এই সংসদ ভবনে রয়েছে বড় হলঘর, একটি লাইব্রেরি, গাড়ি রাখার জায়গা এবং একাধিক কমিটি কক্ষ। ভবনটি চারতলা। মূল অধিবেশন কক্ষে ১ হাজার ২২৪ জন সাংসদের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে সংসদের যৌথ অধিবেশনের সময় সমস্যা হবে না। অন্য সময় এখানে হবে লোকসভার অধিবেশন।

    নয়া সংসদ ভবনে সংবিধান হল নামে একটি বিরাট হল রয়েছে। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতার দিন ভারতের আকাশে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান কেমন ছিল, তা তুলে ধরা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’ কবিতার ইংরেজি অনুবাদও রয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে জমকালো কনস্টিটিউশন হল। এখানে রয়েছে ভারতের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য, খাওয়ার জায়গা। সংসদের দুই কক্ষ রাজ্যসভা ও লোকসভার কর্মীদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে নয়া ইউনিফর্ম। ইউনিফর্মগুলি তৈরি করছে ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজি।

    আরও পড়ুুন: বাজির আড়ালে বোমা! এগরায় বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি সুকান্ত-শুভেন্দুর

    নয়া সংসদ ভবনে (Parliament House) প্রবেশদ্বার রয়েছে তিনটি। এগুলি হল, জ্ঞানদ্বার, শক্তিদ্বার ও কর্মদ্বার। সাংসদ, ভিআইপি এবং ভিজিটরদের জন্যও আলাদা প্রবেশদ্বার রয়েছে। বিজেপি সূত্রে খবর, ৩০ মে থেকে মোদি সরকারের সাফল্য তুলে ধরে ব্যাপক প্রচার করবে বিজেপি। দেশজুড়ে হবে জনসভা। প্রচার কর্মসূচি চলবে এক মাস ধরে। এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন খোদ প্রধানমন্ত্রীও। ৩০ মে উদ্বোধনী সভায় যোগ দেবেন তিনি। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ওই এক মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপির হেভিওয়েট নেতাদের নিয়ে হবে ৫১টি জনসভা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যে এল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র বাস্তব গল্প! কী হয়েছে জানেন?

    Love Jihad: মধ্যপ্রদেশে প্রকাশ্যে এল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র বাস্তব গল্প! কী হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে হইচই হচ্ছে দেশজুড়ে। বাংলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এই ছবি প্রদর্শনে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দাবি, এই সিনেমা দেখানো হল অবনতি হতে পারে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার। সরকারি এই নিষেধাজ্ঞার জেরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ছবি নির্মাতারা। ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র মূল (Love Jihad) গল্প হল, কীভাবে হিন্দু মহিলাদের বিয়ে করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়। দেশ যখন ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে উত্তাল, ঠিক সেই সময় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল। তবে ঘটনাস্থল কেরল নয়, মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh)।

    মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) এ কী গল্প?

    জানা গিয়েছে, মধ্য প্রদেশের কট্টর ইসলামিক সংগঠন হিজব-উত-তারিরের সন্দেহভাজন পাঁচ সদস্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করেছেন। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই দুজনকে ইসলামে দীক্ষিত করা হয়েছে। এই সংগঠনের ডেরায় হানা দিয়েছিল মধ্য প্রদেশ পুলিশ অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড। এই স্কোয়াডেরই সূত্রের খবর, এই জঙ্গি মডিউলের মূল দুই অভিযুক্ত হল ইয়াসির খান এবং মহম্মদ সালিম। ইয়াসির ভূপালের একটি জিমের প্রশিক্ষক। আর সালিম কয়েক বছর আগেও পরিচিত ছিল সৌরভ রাজবৈদ্য নামে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক অশোক জৈনের ছেলে। পাঁচ অভিযুক্তের মধ্যে হিন্দু ধর্ম থেকে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন আবদুর রহমানও। হিন্দু থাকার সময় তাঁর নাম ছিল দেবী নারায়ণ পান্ডা। ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন বেণু কুমারও (Love Jihad)। বর্তমানে তাঁর নাম (Madhya Pradesh) মহম্মদ আব্বাস।

    আরও পড়ুুন: ফের একবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ রাজ্য সরকার, এবার কোন মামলা?

    সালিমের বাবা-মায়ের অভিযোগ, তাঁর ছেলের সিনিয়র সহপাঠী ডঃ কমল তাঁর মগজ ধোলাই করেন। তার পরেই ধর্মান্তরিত হয়ে তিনি সালিম হয়েছেন। সালিমের বাবা বলেন, “পাঁচ ছেলেমেয়ের মধ্যে সেই ছিল আমাদের একমাত্র পুত্র সন্তান। ডাঃ কমল সব সময় তার মগজধোলাই করে তাকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেছেন। ইসলাম ধর্মগুরু জাকির নায়েকের ভিডিও-ও তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে আকৃষ্ট করেছে।” তিনি বলেন, “আমরা ইসলাম বিরোধী নই। তবে আমাদের ধর্ম এবং সংস্কৃতি নিয়ে আমরা গর্বিত। ২০১০ সাল থেকে আমার ছেলে নবি সম্পর্কে কোনও কিছুই শুনতে রাজি হয়নি। সে আমাকে হেনস্থা করার হুমকিও দিয়েছে।”

    তিনি বলেন, “২০১১ কী ’১২ সালে বারাবাঁকি থেকে আসা এক ইসলাম ধর্মগুরু আমার মেয়ে এবং জামাইকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেছেন।” মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান বলেন, “মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র পুনরাবৃত্তি হতে দেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur CM: ‘হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুন’, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ শাহের

    Manipur CM: ‘হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুন’, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) অব্যাহত হিংসা। রাজ্যবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। হিংসার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার ব্যাপারে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীকে (Manipur CM) নির্দেশ দিয়েছেন শাহ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই বৈঠকেই হিংসার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন শাহ। হিংসা থামাতে কেন্দ্র সব রকম সাহায্য করবে বলেও জানান তিনি। মেইতে সহ রাজ্যের সমস্ত জনগোষ্ঠী সুবিচার পাবে বলেও আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এক সপ্তাহ আগেও মণিপুরে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন শাহ। গত সোমবার তিনি বলেছিলেন, মণিপুরের (Manipur CM) পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। যদিও এখনও মণিপুরে কারফিউ জারি রয়েছে। রাজ্যে শান্তি বজায় রাখার আবেদনও জানিয়েছিলেন তিনি। যে ইস্যুকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে উঠেছে উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্য, সে ব্যাপারে মণিপুর সরকার আলাপ-আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছিলেন শাহ।

    মুখ্যমন্ত্রীর (Manipur CM) দাবি… 

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভারতীয় সেনা ও মণিপুর পুলিশের টিম জঙ্গি গোষ্ঠী ক্যাম্পগুলি ঘুরে দেখেছে। দেখা গিয়েছে, সেখানে অস্ত্র রয়েছে। ওই অস্ত্রগুলি বেআইনিভাবে মায়ানমার থেকে আনা হয়েছিল। বীরেন সিংহ বলেন, অমিত শাহ জানিয়েছেন, যারা বেআইনি অস্ত্র ব্যবহার করে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। তিনি জানান, এই হিংসায় যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের পাশে থাকার জন্য কী করতে হবে সে সংক্রান্ত একটা বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে কেন্দ্র। শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে এমন মিছিল বা কর্মসূচি গ্রহণ না করার ব্যাপারেও আবেদন করা হয়েছে। কোথাও কোনও গুজবে বা প্ররোচনায় পা না দেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: জঙ্গি নিশানায় কাশ্মীরের জি-২০ সম্মেলন! উপত্যকায় অভিযান এনআইএ-র

    এদিকে, রবিবার মণিপুর (Manipur CM) সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিংহ জানান, মণিপুরে হিংসায় এ পর্যন্ত নিহত ৭৩ জনের দেহ পাওয়া গিয়েছে। জখম হয়েছেন ২৪৩ জন। তফশিলি উপজাতিভুক্ত হওয়ার দাবি জানিয়েছেন মেইতেই জনগোষ্ঠীর লোকজন। প্রতিবাদ করে কুকিরা। তার জেরে ৩ মে থেকে আক্ষরিক অর্থেই জ্বলছে মণিপুর। তার পরের দিন মেইতেই ও কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হিংসা ছড়িয়ে পড়ে ৮টি জেলায়। মৃত্যুর পাশাপাশি জখম হয়েছেন প্রায় তিনশো বাসিন্দা। সেনা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছেন ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ। ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে বহু বাড়ি, দোকান, হোটেল এবং ধর্মস্থান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪৪ ধারা জারি করার পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবাও। নামানো হয় সেনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • One Station One Product: দেশের ৭২৮ রেল প্ল্যাটফর্মে চালু ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ স্কিম! কী এই প্রকল্প? 

    One Station One Product: দেশের ৭২৮ রেল প্ল্যাটফর্মে চালু ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ স্কিম! কী এই প্রকল্প? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকার লকডাউনের সময়ই ঘোষণা করেছিল ‘ভোকাল ফর লোকাল’ প্রকল্প। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যকে জনপ্রিয় করে তুলতেই এই প্রয়াস ছিল মোদি সরকারের। এবার এই প্রকল্পেরই অংশ হিসেবে সারা দেশ জুড়ে শুরু হল ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ (One Station One Product) স্কিম। প্রসঙ্গত, গত বছরের মার্চ মাসে এই প্রকল্প শুরু করে রেল। সোমবার ভারতীয় রেল জানায়, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের রোজকারের সুবিধা দিতেই এই প্রকল্প শুরু হয়েছে। ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ (One Station One Product) এর স্কিমে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সামগ্রী রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করা যায়। 

    এই প্রকল্পে কোন কোন জিনিস পাওয়া যাবে?

    রেল সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে ৭২৮ টি স্টেশনে ৭৮৫ ‘এক স্টেশন এক পণ্য’এর আউটলেট খোলা হয়েছে। দেশের ২১ টি রাজ্যে এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে এই স্কিম। এই প্রকল্পের আওতায় যে স্টেশন যে পণ্যের জন্য বিখ্যাত, সেখানে সেই সমস্ত সামগ্রী বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।  হাতে তৈরি নানা জিনিসপত্র, হ্যান্ডলুম, সুতির পোশাক, কাপড়ের তৈরি ব্যাগ, স্থানীয়ভাবে কৃষিতে উৎপাদিত ফসল, প্রক্রিয়াজাত খাবার, কাঠের তৈরি জিনিসপত্র থেকে মশলা, চা, কফি সমস্ত কিছুই এই স্কিমের অংশ বলে জানিয়েছে রেল। যেমন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তাঁতের শাড়ি বিহারের ক্ষেত্রে ভাগলপুরের সিল্ক, টেরাকোটা, বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র, অসমের ক্ষেত্রে গামছা ইত্যাদি।

    আরও খুঁটিনাটি…

    রেল সূত্রে আরও জানানো হয়েছে ২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে ২০২৩ সালের ১ মে পর্যন্ত এই স্কিমের মাধ্যমে সুবিধা পেয়েছেন প্রায় ২৫ হাজারের উপর মানুষ। এই মুহূর্তে পূর্ব রেলের ৫৭টি স্টল চলছে বিভিন্ন ডিভিশনে। যেমন ২১ টি স্টল চলছে হাওড়া ডিভিশনে, ৭টি চলছে মালদা ডিভিশনে, ৭ টি আসানসোল ডিভিশনে ২২ টি স্টল চলছে শিয়ালদা ডিভিশনে।

    কী বলছেন রেল আধিকারিকরা?

    এ বিষয়ে রেলের উচ্চপদস্থ এক আধিকারিক বলেন, ‘‘প্রতিদিন হাজার হাজার সংখ্যায় মানুষ ভিড় করেন প্রতিটি রেলওয়ে স্টেশনে এবং শুধুমাত্র দেশের মানুষ নয় বিদেশীদেরও ওই ভিড় করতে দেখা যায়। স্বাভাবিকভাবেই এতে স্থানীয় পণ্যের গ্লোবাল মার্কেটিং হবে।’’ এক্ষেত্রে রেলের আধিকারিকরা উদাহরণ দিচ্ছেন যাদবপুরের ‘এক স্টেশন এক পণ্য’ (One Station One Product) এর স্টলকে। যেখানে প্রতিমাসে ৬০,০০০ টাকার টেক্সটাইল জুয়েলারি বিক্রি করেন এক মহিলা। এতে তাঁর জীবন জীবিকা ভালভাবেই চলে যায় বলে জানিয়েছে রেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashmir: জঙ্গি নিশানায় কাশ্মীরের জি-২০ সম্মেলন! উপত্যকায় অভিযান এনআইএ-র

    Kashmir: জঙ্গি নিশানায় কাশ্মীরের জি-২০ সম্মেলন! উপত্যকায় অভিযান এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গিদের নিশানায় কাশ্মীরে জি-২০ সম্মেলন! তার জন্যই চলছে জঙ্গিদের অর্থ সংগ্রহ ও অস্ত্র মজুতের কাজ। জঙ্গিদের নাশকতার ছক বানচাল করতে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার দক্ষিণ কাশ্মীরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থায়নের মামলায় পুলওয়ামা ও সোপিয়ানের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। 

    জি-২০র পর্যটন সংক্রান্ত বৈঠক

    প্রসঙ্গত, মে মাসের ২২ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত শ্রীনগরের মাটিতে জি-২০র পর্যটন সংক্রান্ত বৈঠক হবে। দেশের নানা প্রান্তেই জি-২০ সম্মেলনের একাধিক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু শ্রীনগরের মতো স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এই প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন হবে। শ্রীনগর ছাড়া লেহ ও লাদাখেও এই সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাকিস্তান সব সময় এর বিরোধিতা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই দক্ষিণ কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানের মদতে কয়েকটি গোষ্ঠী ছদ্মনাম নিয়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে উসকানি দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, “পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিরা ড্রোন ব্যবহার করে অস্ত্র, বোমা, মাদক ইত্যাদি সরবরাহ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কাশ্মীর উপত্যকায় তাদের কর্মী এবং ক্যাডারদের কাছে সাহায্য পৌঁছে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। কিন্তু তা কখনওই সফল হবে না।”

    আরও পড়ুন: কাশ্মীর ঘুরতে যাচ্ছেন? জানুন উপত্যকার ৭ মোহময়ী স্থান সম্পর্কে

    জোরদার নিরাপত্তা 

    জি-২০ সম্মেলনকে নজরে রেখে উপত্যকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গত ১১ মে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে কানসিপোরাতে আব্দুল খালিক রেগুর বাসবভবনে তল্লাশি চালানো হয়। এর পাশাপাশি বারামুল্লা জেলার সাংরি কলোনিতে সোয়েব আহমেদ চুরের বাড়িতে এবং সৈয়দ করিমে জাভেদ আহমেদ ধোবির বাড়িতে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে আদালতের নির্দেশে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় তিন অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করেছিল এনআইএ। এবার নতুন করে অভিযান শুরু করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka CM: মুখ্যমন্ত্রী পদে ভাসছে সিদ্দারামাইয়ার নাম, ক্ষোভ উগরে দিলেন শিবকুমার

    Karnataka CM: মুখ্যমন্ত্রী পদে ভাসছে সিদ্দারামাইয়ার নাম, ক্ষোভ উগরে দিলেন শিবকুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলকে জেতানোর কান্ডারি তিনি। তার পরেও কংগ্রেসের (Congress) অন্দরে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী (Karnataka CM) পদে সিদ্দারামাইয়ার নাম নিয়ে চর্চা হতেই গোঁসা হয়েছে কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমারের। সোমবার দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। যাত্রা এড়িয়েছেন। শিবকুমার বলেন, আমার পেটের গোলমাল হয়েছে। তাই আজ (সোমবার) দিল্লি যেতে পারছি না। তিনি বলেন, কংগ্রেসের ১৩৫ জন বিধায়ক রয়েছেন। আমার কোনও বিধায়ক নেই। মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার আমি দলের হাইকমান্ডের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী (Karnataka CM) পদ নিয়ে কোন্দল কংগ্রেসে…

    এদিন সকালের দিকে শিবকুমারই জানিয়েছিলেন হাইকমান্ড ডেকে পাঠানোয় তাঁকে এদিনই দিল্লি যেতে হবে। শিবকুমার বলেন, আজ আমার জন্মদিন। পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। পরে দিল্লি যাব। আমাদের ১৩৫ জন বিধায়ক রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগের প্রশ্নে প্রত্যেকেরই এক সুর। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দলের হাইকমান্ডের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। আমার লক্ষ্য ছিল দলকে কর্নাটক উপহার দেওয়া। সেই কাজটা আমি করতে পেরেছি।

    শিবকুমার বলেন, কংগ্রেস হাইকমান্ড আমাকে ও সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছেন (Karnataka CM)। সোনিয়া গান্ধী, খাড়্গে আমাকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে বসিয়েছেন। আমার নেতৃত্বে ১৩৫টি বিধায়ক পেয়েছে দল। যখন সব বিধায়ক আমাদের দল ছেড়ে দিয়েছিলেন, আমাদের সরকার পড়ে গিয়েছিল, তখনও আশা ছাড়িনি আমি। তিনি বলেন, আমি বলতে চাই না গত পাঁচ বছরে কী ঘটেছিল। শিবকুমার বলেন, আমি একা মানুষ। আমি একটা জিনিসে বিশ্বাস করি, যে কোনও একজন ব্যক্তির যদি সাহস থাকে তাহলে সে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেই। ২০১৯ সালে যখন আমাদের সব বিধায়ক দল ছেড়ে দেন, তখনও আশাহত হইনি আমি।

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের গ্রেফতার হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা, কেন বললেন সুকান্ত?

    কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, সোনিয়া গান্ধী আমায় বলেছিলেন (Karnataka CM) তুমি যে আমাদের কর্নাটক উপহার দিতে পারবে, সে বিশ্বাস আমার আছে। আমি এখানে বসে রয়েছি। আমার সমস্ত দায়িত্ব পালন করেছি। আপনার (সোনিয়ার) ন্যূনতম সৌজন্য থাকা উচিত। অন্তত একটু কৃতজ্ঞতা। তাঁদের এটুকু সৌজন্য দেখানো উচিত ছিল, কর্নাটকে কংগ্রেসের এই জয়ের নেপথ্যে যিনি, তাঁর প্রতি। প্রসঙ্গত, একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তদন্ত চলছে শিবকুমারের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, সিদ্দারামাইয়ার ইমেজ ক্লিন। তাছাড়া তিনি দলের ওবিসি সম্প্রদায়ের মুখ। তাই মুখ্যমন্ত্রিত্বের পাল্লা ভারী তাঁর দিকেই। 

    কোন মন্ত্রবলে শিবকুমারের ক্ষোভ প্রশমিত করতে পারে দল, সেটাই দেখার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: বজরং দল নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, খাড়্গের বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মানহানি মামলা

    Mallikarjun Kharge: বজরং দল নিয়ে বিরূপ মন্তব্য, খাড়্গের বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মানহানি মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি (Modi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার দায়ে লোকসভার সাংসদ পদ খুইয়েছেন কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধী। এবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করলেন পাঞ্জাবের সাংরুরের এক ব্যক্তি। সোমবার খাড়্গেকে তলব করেছে সাংরুরের আদালত। কর্নাটকে ক্ষমতায় এলে বজরং দলকে নিষিদ্ধ করা হবে, নির্বাচনী ইস্তেহারে এমনটাই জানিয়েছিল কংগ্রেস। শনিবার বের হয় কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের ফল। ২২৪ আসনের বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১১৩। ১৩৫টি আসনে জিতে ওই রাজ্যের রাশ হাতে নিতে চলেছে কংগ্রেস। এমতাবস্থায় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির প্রেসিডেন্টকেই তলব করল আদালত।

    মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    কর্নাটকে কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহারে বলা হয়েছিল, ধর্ম, জাতের ভিত্তিতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ব্যক্তি এবং সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করতে বদ্ধপরিকর কংগ্রেস (Mallikarjun Kharge)। ইস্তেহারে থাকা প্রতিশ্রুতি ব্যাখ্যা করে কংগ্রেস সভাপতি বলেছিলেন, কংগ্রেস জাতি ও ধর্মের ভিত্তিতে সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ব্যক্তি এবং সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে দৃঢ় এবং নির্ণায়ক পদক্ষেপ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    হিন্দু সুরক্ষা পরিষদ বজরং দল হিন্দের প্রতিষ্ঠাতা হিতেশ ভরদ্বাজের দাবি, বজরং দলকে কংগ্রেস দেশবিরোধী সংগঠনের সঙ্গে তুলনা করেছে এবং কর্নাটকে ক্ষমতায় আসার পরে বজরং দলকে নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। তিনি বলেন, ইস্তেহারের ১০ নম্বর পৃষ্ঠায় কংগ্রেস বজরং দলকে দেশবিরোধী সংগঠনের সঙ্গে তুলনা করেছে এবং নির্বাচনে জিতলে তাকে নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘কেন্দ্রীয় পদ্ধতি অনুসরণ করে জন্ম-মৃত্যু নথিবদ্ধ করুন’, রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুব সংগঠন বজরং দল হিন্দু চরমপন্থী সংগঠন হিসেবেই পরিচিত। ভরদ্বাজের পাশাপাশি কংগ্রেসকে (Mallikarjun Kharge) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিলিন্দ পরান্দে। তিনি বলেন, হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ থেকে যদি বজরং দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়, তাহলে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে। তিনি জানান, বজরং দল নিষিদ্ধ হওয়ার ভয় পায় না। প্রসঙ্গত, কর্নাটকে কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহারের কড়া সমালোচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। কর্নাটকে দলের প্রচারে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, কংগ্রেস আগে রামনামের ওপর বিধিনিষেধ জারি করতে সক্রিয় ছিল, এখন তারা জয় বজরংবলী স্লোগানদাতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চাইছে। এটি সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

LinkedIn
Share