Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Parliament Monsoon Session: মণিপুর নিয়ে ব্যাপক হট্টগোল, বিরোধীদের বাধায় মুলতুবি সংসদ

    Parliament Monsoon Session: মণিপুর নিয়ে ব্যাপক হট্টগোল, বিরোধীদের বাধায় মুলতুবি সংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথা মেনে বৃহস্পতিবার সকালে সংসদের বাদল অধিবেশনের (Parliament Monsoon Session) শুরুতে শোকপ্রস্তাব পাঠের পর মুলতুবি করে দেওয়া হয় সভা। ২৬৭ নম্বর ধারা নিয়ে বিতর্কের জেরে দুপুর ২টো ১৭ মিনিট নাগাদ ফের মুলতুবি করে দেওয়া হয় রাজ্যসভা। দুপুর ২টো নাগাদ লোকসভার অধিবেশন শুরু হতেই মণিপুর (Manipur) নিয়ে হইচই জুড়ে দেন বিরোধীরা। উত্তর পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্য নিয়ে ব্যাপক হট্টগোলের জেরে এদিনের মতো মুলতুবি হয়ে যায় সংসদের দুই কক্ষই।

    বৈঠকে ইন্ডিয়া জোট

    সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে তারা মণিপুর নিয়ে সংসদের দুই কক্ষেই আলোচনা করতে চায়।” তিনি এও জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করবেন। তবে কোন সময় এই রিপোর্ট পেশ করা হবে, তা ঠিক করবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, জানান তিনি। এদিন অধিবেশন শুরুর আগেই সংসদ চত্বরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের চেম্বারে বৈঠক করেন ইন্ডিয়া জোটের সংসদের নেতারা। সেই মতো অধিবেশন (Parliament Monsoon Session) শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই হট্টগোল (Manipur) জুড়ে দেন তাঁরা। তার জেরে মুলতুবি হয়ে যায় সভা।

    তিনটি নোটিশ

    রাজ্যসভার কার্যক্রম মুলতুবি (Parliament Monsoon Session) থাকার সময়ই কক্ষে জমা পড়ে তিনটি নোটিশ। উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার অধ্যক্ষ জগদীপ ধনখড় জানান, ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনা এবং রেল নিরাপত্তা, বেকারত্ব এবং মণিপুরের হিংসার বিষয়ে আলোচনা চেয়েছেন বিরোধীরা। বেলা ২টোয় উভয় কক্ষেরই কার্যক্রম ফের শুরু হয়। সংসদীয় কার্যক্রম যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যায়, তা নিয়ে বিরোধী নেতাদের অনুরোধ করেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। যদিও কার্যক্রম শুরু হতেই শুরু হয় হট্টগোল। মণিপুরে (Manipur) হিংসা নিয়ে অবিলম্বে আলোচনার দাবিতে সংসদের উভয় কক্ষেই স্লোগান দিতে থাকেন বিরোধীরা। তার পরেই এদিনের মতো মুলতুবি করে দেওয়া হয় উভয় কক্ষের কার্যক্রম।  

    আরও পড়ুুন: গড়াগড়ি খাচ্ছে হাজার হাজার সিদ্ধ ডিম, তৃণমূলের শহিদ দিবস নাকি মোচ্ছব!

    প্রসঙ্গত, হিন্দু মেইতেই এবং খিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে ৩ মে থেকে অশান্তি শুরু হয়েছে উত্তর পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুরে (Manipur)। মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। গড়া হয়েছে শান্তি কমিটিও। তার পরেও প্রকাশ্যে আসছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: নিয়োগে নয়া রেকর্ড! আজ ৭০ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: নিয়োগে নয়া রেকর্ড! আজ ৭০ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে সপ্তম রোজগার মেলা অনুষ্ঠিত হল সারা দেশে। সারা দেশে যে দশ লক্ষ ছেলে মেয়েকে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হবে তার মধ্যে এদিন প্রায় ৭১ হাজারের বেশি প্রার্থীকে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয় দেশ জুড়ে। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে একইসঙ্গে এদিন রোজগার মেলার আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রত্যেক রাজ্যের চাকরি প্রার্থীদের নতুন চাকরির শুভেচ্ছা জানান। সরকার সর্বাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর একটি সামাজিক মিডিয়া পোস্টে এদিন বলা হয়েছে, “আমাদের সরকার দেশের তরুণ মেধাবীদের সর্বাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এদিক দিয়ে কর্মসংস্থান মেলা নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় তৈরি করেছে।” 

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, “দেশের আর্থিক উন্নয়ন দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুব শ্রীঘ্রই আমাদের দেশ বিশ্বের তৃতীয় অর্থনৈতিক স্থানে পৌঁছে যাবে৷ অর্থনৈতিক বিকাশে আমাদের দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যাবস্থার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে৷ এদিনের রোজগার মেলায় ব্যাঙ্কিং সেক্টর থেকে সবথেকে বেশি নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “একটা সময় ছিল যখন ব্যাঙ্কিং সেক্টর থেকে নামে বেনামে প্রভাবশালীরা মোটা টাকার লোন নিতেন। আবার সেই লোন শোধ করার জন্য আরেকটি লোন নিতেন। এভাবে ব্যাঙ্কিং সেক্টরকে নষ্ট করে দেওয়া হয়। কিন্তু বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই ব্যাঙ্কিং সেক্টরকে নতুন করে পুনর্জীবিত করে এই ধরনের দুর্নীতি বন্ধ করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: আর নয় চিনের রাস্তা, এবার ভারত থেকেই সোজা কৈলাস-মানস সরোবর! রুট চালু শীঘ্রই

    শহরে রোজগার মেলা

    কলকাতায় ন্যাশানাল অ্যাকাডেমি অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড নার্কোটিকস (NACIN) এর উদ্যোগে এই রোজগার মেলার আয়োজন করা হয় উল্টোডাঙায় এন এ সি আই এন এর অফিসে। এখানে ব্যাঙ্কিং ছাড়াও ডাক বিভাগ, শুল্ক বিভাগ সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি বিভাগের ১৮২ জন ছেলে মেয়ের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়। এভাবে চাকরি পেলে দেশে বেকারত্ব কমবে।” এদিন সারা দেশ থেকে নির্বাচিত নতুন নিয়োগকারীরা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, রাজস্ব বিভাগ, আর্থিক পরিষেবা বিভাগ, পদ বিভাগ, স্কুল শিক্ষা বিভাগ, উচ্চশিক্ষা বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, কেন্দ্রীয় সরকারি খাতের উদ্যোগ, জলসম্পদ বিভাগ, কর্মী ও প্রশিক্ষণ বিভাগ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Terrorists Arrest: শহরজুড়ে বিস্ফোরণ! বেঙ্গালুরুতে বড় হামলার ছক ছিল ধৃত ৫ লস্কর জঙ্গির

    Bengaluru Terrorists Arrest: শহরজুড়ে বিস্ফোরণ! বেঙ্গালুরুতে বড় হামলার ছক ছিল ধৃত ৫ লস্কর জঙ্গির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা বেঙ্গালুরু শহর উড়িয়ে দেওয়ার ছক! ছিল ২৬/১১ ধাঁচে তার চেয়েও বড় জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা! বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার হওয়া ৫ লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিকে (Bengaluru Terrorists Arrest) জেরা করে এমনই হাড়হিম করা তথ্য পেল পুলিশ। গোটা ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধৃতদের পেছনে কোন মাথা রয়েছে, আর কোনও সঙ্গী রয়েছে কিনা বা কোথায় বসে তাদের হ্যান্ডলার, কীভাবে আসত নির্দেশ— এসব তথ্য খুঁজে বের করার চেষ্টায় গোয়েন্দারা।

    বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল

    বুধবার, দেশে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল (Terror Attack Foiled) করেছে বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ পুলিশ। বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার (Bengaluru Terrorists Arrest) করা হয় ৫ সন্দেহভাজন লস্কর জঙ্গিকে। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও বারুদ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত দেশের বুকে বড় নাশকতার ছক কষা হয়েছিল। বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার বি দয়ানন্দ জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বেঙ্গালুরুর আরটি নগর অঞ্চল থেকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত ৫ সন্দেহভাজন জঙ্গির নাম— সইদ সুহেল খান, মহম্মদ ফয়জন রব্বানি, মহম্মদ উমর, মুদ্দাসির পাশা ও জাহিদ তাবরেজ। এরা সকলেই বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা।

    লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ

    পুলিশের দাবি, ধৃতদের (Bengaluru Terrorists Arrest) সঙ্গে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার প্রত্যক্ষ যোগ ছিল। ধৃতদের কাছ থেকে ৭টি পিস্তল, প্রচুর গুলি, একটি ওয়াকি-টকি সহ আরও আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। অভিযুক্তদের প্রত্যেকের বয়স ২৫ থেকে ৩৫-এর মধ্যে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে, ২০১৭ সালে একটি খুনের মামলায় পাঁচ জন গ্রেফতার হয়েছিল। ২০১৯ সালে তারা জামিন পায়। তখন থেকেই ধৃতরা বেঙ্গালুরু শহরে সিরিয়াল বিস্ফোরণ করার পরিকল্পনা  (Terror Attack Foiled) করেছিল বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। কমিশনার জানান, আরও এক সঙ্গীর সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    মাস্টারমাইন্ড বসে আফগানিস্তানে!

    প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতদের ‘মাস্টারমাইন্ড’-এর নাম মহম্মদ জুনেইদ। তার সঙ্গে লস্করের মাথাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। বর্তমানে সে এখন পাক-সীমান্ত লাগোয়া আফগানিস্তানে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, বেঙ্গালুরুর কাছে সুনতানপাল্যা অঞ্চলে ভেড়া কেনাবেচা করত জুনেইদ। ২০১৭ সালে একটি খুনের মামলায় তার জেল হয়। সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় ওই জেলেই বন্দি থাকা ২০০৮ বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণকাণ্ডে জড়িত লস্কর জঙ্গি মহম্মদ নাজিরের সঙ্গে। ধৃত পাঁচজনের (Bengaluru Terrorists Arrest) সঙ্গেও সেখানেই পরিচয় হয় জুনেইদের। ২০২১ সালে ছাড়া পেয়ে সে সীমান্ত টপকে পাকিস্তানে যায় জুনেইদ। সেখানে গিয়ে লস্করের থেকে সে প্রশিক্ষণ নেয়। 

    জেলে বসেই নাশকতার পাঠ!

    এখন ইন্টারপোলের সাহায্যে জুনেইদের বর্তমান ঠিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাইছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। পাশাপাশি, জেলবন্দি নাজিরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে বেঙ্গালুরু পুলিশ। পুলিশ নিশ্চিত, জেলেই জুনেইদ ও এই ৫ জনের মগজধোলাই করে নাজির। তার নির্দেশেই, জুনেইদ পাকিস্তানে যায়। তার নির্দেশই এই ৫ জন বেঙ্গালুরুতে বড় হামলার ছক কষেছিল। সূত্রের দাবি, পুলিশি জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, সন্ত্রাস হামলা কী করে করতে হয়, নাজিরই তাদের শিখিয়েছিল। এমনকী, জুনেইদের বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য এই পাঁচজনের থেকেই পেয়েছে পুলিশ। ধৃতদের (Bengaluru Terrorists Arrest) জেরা করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, জেলে বসেই তৈরি করা হয়েছিল হামলার ব্লু-প্রিন্ট (Terror Attack Foiled)!

    এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

    এদিকে, এই ঘটনাকে বড় ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে গোটা তদন্তভার এনআইএ-কে দেওয়ার পক্ষে জোর সওয়াল করেছেন কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বাসবরাজ বোম্মাই। তিনি বলেন, “সেখানে একটা বড় ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তারা বেঙ্গালুরু শহরে সিরিয়াল বিস্ফোরণ ঘটাতে (Terror Attack Foiled) চেয়েছিল। এই মামলাটি এনআইএ-র হাতে দেওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত-হিংসার আঁচ সংসদেও! অভিনব প্রতিবাদ বাংলার বিজেপি সাংসদদের

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত-হিংসার আঁচ সংসদেও! অভিনব প্রতিবাদ বাংলার বিজেপি সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা নিয়ে এবার দিল্লিতে সোচ্চার বাংলার বিজেপি সাংসদরা। সংসদ ভবনের বাইরে গান্ধীমূর্তির পাদদশে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। বাংলার ভোটে হিংসার দায় শাসকদল তৃণমূলের কাঁধে চাপিয়ে সুকান্ত মজুমদার, লকেট চট্টোপাধ্যায়, দিলীপ ঘোষ, এসএস আলুওয়ালিয়ারা সোচ্চার হলেন। একই সঙ্গে এদিন ট্যুইটারে বাংলায় তৃণমূলের সন্ত্রাস নিয়ে সোচ্চার হন  বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে সীমাহীন সন্ত্রাস

    এবারের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে সীমাহীন সন্ত্রাস দেখেছে বাংলা। জেলায়-জেলায ভোট-হিংসার বলি হয়েছেন শাসকদল তৃণমূল থেকে শুরু করে বিরোধী বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস, আইএসএফ-সহ অন্য দলের কর্মীরা। ভোটের নামে লুঠতরাজ চলেছে বহু বুথে। শাসকদল তৃণমূলের মদতেই বাংলার ভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস হয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। বুধবার কলকাতায় পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার প্রতিবাদে মিছিল করেছে রাজ্য বিজেপি। এবার প্রতিবাদ খাস রাজধানীতে। সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা বৃহস্পতিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে একত্রিত হয়ে বাংলার তৃণমূল সরকারকে উচ্ছেদের ডাক দিয়েছেন।

    এদিনের এই বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের নির্দেশে যেভাবে বিডিও ও থানার আইসিরা ভোট লুঠ করেছেন সেটা মানা যায় না। তৃণমূলের অঙ্গুলিহেলনেই ভোট লুঠ হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৫ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন পশ্চিমবঙ্গে। এই মৃত্যুর জন্যও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী। ওঁর অঙ্গুলিহেলনেই সমস্ত ঘটনা ঘটেছে। তাই আজ দিল্লিতে বিজেপির সংসাদরা তৃণমূল সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন।’

    আরও পড়ুন: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    নাড্ডার ট্যুইট বার্তা

    অন্যদিকে, পঞ্চায়েতের হিংসায় বাংলায় মহিলারাও আক্রান্ত বলে অভিযোগ ওঠে ৷ সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পশ্চিমবঙ্গে মহিলা সাংসদদের প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল বিজেপি ৷ সেই প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে রিপোর্ট পেশ করে ৷ ওই রিপোর্ট দেখে ট্যুইটারে নাড্ডার হুঁশিয়ারি, বাংলার জনগণের উপর তৃণমূলের অত্যাচার বিজেপি সহ্য করবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur: “সরকার পদক্ষেপ না করলে আদালত বাধ্য হবে”, মণিপুরকাণ্ডে বললেন চন্দ্রচূড়

    Manipur: “সরকার পদক্ষেপ না করলে আদালত বাধ্য হবে”, মণিপুরকাণ্ডে বললেন চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই ঘটনায় (Manipur) আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। যদি সরকার কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করে সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবে।” বৃহস্পতিবার এমন মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। আগামিকাল, শুক্রবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। শুনানিও হবে এদিন। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, “সরকারের অবিলম্বে পদক্ষেপ করা উচিত। গণতন্ত্রে এই ধরনের ঘটনা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না।”

    প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

    মণিপুরে দুই মহিলাকে নগ্ন করে হাঁটানোর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা দেশ। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। “মণিপুরের (Manipur) ঘটনা যে কোনও সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার। ওই ঘটনায় দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে এই ভাষায়ই মণিপুরের ঘটনার নিন্দা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ঘটনায় তিনি যে ব্যথিত ও ক্রুদ্ধ, তাও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইট-বার্তায় ঘটনার নিন্দা করেন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তিনি লেখেন, মণিপুরে ২ মহিলার যৌন নির্যাতনের ভয়াবহ যে ভিডিও সামনে এসেছে, তা নিন্দনীয় ও সম্পূর্ণ অমানবিক।

    চিন্তিত চন্দ্রচূড় 

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “গতকাল ভিডিও দেখার পর আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন, চিন্তিত। আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। সময় হয়েছে সরকারের পদক্ষেপ করার। এই ঘটনা অনস্বীকার্য, এটা মানা যায় না।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “কেন্দ্রকে দ্রুত পদক্ষেপ করার আর্জি জানাচ্ছি। যদি সরকার পদক্ষেপ না করে, তবে আদালত পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবে। এই ধরনের অপরাধের ঘটনা ঘটানোর জন্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকার কী পদক্ষেপ করছে, তার দিকে নজর রাখছে আদালত। সংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিও দেখা গিয়েছে, তা সংবিধান উল্ঘনের প্রমাণ।”

    আরও পড়ুুন: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    প্রসঙ্গত, ৩ মে থেকে অশান্তি শুরু হয়েছে উত্তর পূর্বের পাহাড়ি এই রাজ্যে (Manipur)। হিন্দু মেইতেই এবং খিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। তার পরেও ঘটে চলেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railway: মধ্যবিত্তের কথা ভেবে আসছে পকেট সাশ্রয়ী বন্দে ভারত! কবে গড়াবে চাকা?

    Indian Railway: মধ্যবিত্তের কথা ভেবে আসছে পকেট সাশ্রয়ী বন্দে ভারত! কবে গড়াবে চাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বমানের সুবিধা, হাতের নাগালে সমস্ত পরিষেবা, এবং গতির দৌলতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। বাংলা থেকেও ছুটছে দু’দুটি বন্দে ভারত। বন্দে ভারতকে এখন মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে রেল (Indian Railway), এমনটাই অন্তত জানা গিয়েছে। মধ্যবিত্তের বিমান চড়াকে আরও সুলভ করেছে মোদি সরকারের উড়ান প্রকল্প। ঠিক তেমনই মোদি সরকারের নয়া পরিকল্পনা হল, বন্দে ভারত-এর সমস্ত সুবিধা সহ একটি নন-এসি ট্রেন (Indian Railway) চালু করা। যেখানে চড়তে মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়বে না। যদিও বিষয়টি এখনও পরিকল্পনা স্তরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কবে থেকে ছুটবে এই ট্রেন (Indian Railway)

    রেলের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, চলতি বছরের শেষের দিকেই ট্রাকে ছুটতে পারে এই ট্রেন। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালেও এন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। রেল অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেসও চালু করা হয়েছিল সেসময়। তবে রেল সূত্রে খবর মিলেছে, এই নয়া ট্রেনে আগের থেকে অনেক বেশি সুবিধা থাকবে। তবে সমস্ত বিষয়টি এখনও পরিকল্পনা স্তরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, লোকোমোটিভের সাহায্যে চলবে এই নতুন ট্রেন। ভারতীয় রেলে সাধারণত একটি লোকোমোটিভ থাকে, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এই নতুন ট্রেনের দুই দিকেই লোকোমোটিভ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এরফলে ট্রেনের (Indian Railway) গতি বেশ বাড়বে।

    কী কী সুবিধা মিলবে ট্রেনে

     জানা গিয়েছে নতুন এই ট্রেনে (Indian Railway) ২টি লাগেজ, গার্ড এবং দিব্যাং কোচ থাকবে। এছাড়া থাকবে ৮টি সেকেন্ড ক্লাসের জেনারেল কোচ ও ১২ টি স্লিপার কোচ। তবে ভাড়া সাশ্রয়ী এই ট্রেনে সব কোচগুলিই হবে নন এসি। তবে এখনও ট্রেনের নামকরণ ঠিক করা হয়নি। চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কসে নতুন ট্রেনের লোকোমোটিভ তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বগি তৈরি হচ্ছে চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে। এই ট্রেন খুবই নিরাপদ, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। চলতি সপ্তাহের সোমবারই মধ্যপ্রদেশে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের ব্যাটারি বক্সে আগুন লেগে যায়। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। রেলওয়ে আধিকারিকদের মতে, এই ট্রেনে (Indian Railway) ইউরোপীয় প্রযুক্তির কারণে বড় ধরনের আগুন লাগতে পারে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে ট্যুইটার, কড়া পদক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্র

    Manipur: মণিপুরের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় বিপাকে ট্যুইটার, কড়া পদক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নগ্ন করে ঘোরানো হচ্ছে দুই মহিলাকে। তাঁদের পেছনে পেছনে চলেছেন যাঁরা ওই মহিলাদের ‘শাস্তি’ দিচ্ছেন, তাঁরা। মণিপুরের (Manipur) অসভ্য এবং বর্বরোচিত এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যথারীতি। অবশ্য ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে এই ভিডিও ঘিরেই তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। ঘটনার জেরে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকেও বলতে হল, “মণিপুরের (Manipur) ঘটনা যে কোনও সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার। ওই ঘটনায় দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে।”

    ভিডিও দ্রুত সরানোর নির্দেশ

    প্রধানমন্ত্রীর এই প্রতিক্রিয়ার আগেই অবশ্য পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। ট্যুইটার সহ সমস্ত সমাজমাধ্যমকে একটি নির্দেশিকা দিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছে, ওই ভিডিও দ্রুত সরিয়ে নিতে হবে। এ নিয়ে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে পারে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, ভিডিওটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে, বুঝেই পদক্ষেপ করা উচিত ছিল ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের। তার বদলে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ যেভাবে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছে, তাতে প্রশাসনের সঙ্গে অসহযোগিতা করা হয়েছে বলে মনে করছে কেন্দ্র।

    ছিঃ ছিঃ ছিঃ

    ট্যুইটার দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত আইনও ভেঙেছে বলে মনে করছে সরকার। ট্যুইটার ও অন্য সমাজ মাধ্যমগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়া রুখতে চাইছে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্ত মন্ত্রক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ইম্ফল থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দূরের কাংপোকপি জেলার। পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, সেই ঘটনায় নির্যাতিতা মহিলাদের পরিবারের দুই সদস্যকেও খুন করা হয়েছিল। এফআইআরে বলা হয়েছে, ৪ মে আতঙ্কে এক কুকি পরিবারের ৫ সদস্য বনে লুকিয়ে পড়েছিলেন। পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় তাঁদের।

    পরে বছর ছাপান্নর এক ব্যক্তিকে খুন করা হয়। পরে বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয় দুই মহিলাকে। বছর একুশের এক তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ। ২১ জুন ওই মহিলারা দায়ের করেন এফআইআর।প্রসঙ্গত, ৩ মে থেকে অশান্তি শুরু হয়েছে উত্তর পূর্বের পাহাড়ি এই রাজ্যে (Manipur)। হিন্দু মেইতেই এবং খিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। তার পরেও ঘটে চলেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তি। 

    আরও পড়ুুন: “মণিপুরের ঘটনা সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mount Kailash: আর নয় চিনের রাস্তা, এবার ভারত থেকেই সোজা কৈলাস-মানস সরোবর! রুট চালু শীঘ্রই

    Mount Kailash: আর নয় চিনের রাস্তা, এবার ভারত থেকেই সোজা কৈলাস-মানস সরোবর! রুট চালু শীঘ্রই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সেপ্টেম্বর থেকে পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে কৈলাস যাত্রার পথ। ভারত হয়েই কৈলাসে যেতে পারবেন পুণ্যার্থীরা। মানস সরোবর (Kailash Mansarovar) যাত্রার আকাশছোঁয়া খরচের কারণে প্রস্তুতি নিয়েও অধিকাংশ সময় পিছিয়ে আসেন ভক্তরা। সেই সমস্যারই এবার সমাধান করল মোদি সরকার। এবার থেকে কৈলাস যাওয়ার জন্য আর অন্য শি জিনপিং সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে হবে না।ভারত চিন সীমান্ত দিয়ে তৈরি হচ্ছে কৈলাস মানস সরোবর পৌঁছনোর রাস্তা। 

    ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়েই কৈলাস

    ভারত থেকে সরাসরি কৈলাস মানস সরোবর (Kailash Mansarovar) যাওয়ার রাস্তা নেই। চিন অধিকৃত তিব্বতের (Tibet) মধ্য দিয়ে সেখানে যেতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার জন্য প্রচুর খরচ হয়। ফলে ইচ্ছা থাকলেও অনেকে যেতে পারেন না। তারপর করোনা মহামারীর সময় কৈলাস যাত্রা স্থগিত করে দেয় বেজিং। এখনও সেটা চালু করেনি। ফলে আর্থিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নেওয়া থাকলেও এখন আর কেউই কৈলাস যেতে পারছেন না। তবে কৈলাস যাওয়ার জন্য আর অন্য দেশের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে হবে না। এবার ভারতের ভূ-খণ্ডের মধ্য দিয়েই পৌঁছনো যাবে শিবের আবাসস্থল, কৈলাস। 

    আরও পড়ুুন: মমতার ভাষণে ২১ জুলাইয়ের কোনও কথাই নেই, শুধুই মণিপুর আর ১০০ দিনের বকেয়া!

    কোথা দিয়ে কৈলাস যাত্রার পথ

    উত্তরাখণ্ডের প্রশাসন সূত্রে খবর, বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (বিআরও)-এর কর্মীরা ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন। পিথোরাগড়ের নভিধাংয়ের কেএমভিএন হাট থেকে ভারত-চিন সীমান্তে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। বিআরও সূত্রে খবর, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে। ফলে আশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরে পুণ্যার্থীরা কৈলাস (Kailash Mansarovar) পর্বত দর্শনে যেতে পারবেন। এই প্রজেক্টের মুখ্য ইঞ্জিনিয়ার বিমল গোস্বামী বলেন, “নাভিদাংয়ের কেএমভিএন হাট থেকে লিপুলেখ পাস পর্যন্ত রাস্তা তৈরির কাজ আমরা ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছি।” আকর্ষণ বাড়াতে এই রাস্তাটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কৈলাস ভিউ পয়েন্ট’। ভারত সরকারের হীরক প্রজেক্টের অধীনেই কৈলাস ভিউ পয়েন্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তা কাটিংয়ের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। আবহাওয়া ঠিক থাকলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলেও জানান বিমল গোস্বামী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: “মণিপুরের ঘটনা সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Manipur: “মণিপুরের ঘটনা সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মণিপুরের (Manipur) ঘটনা যে কোনও সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জার। ওই ঘটনায় দেশের ১৪০ কোটি মানুষের মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে এই ভাষায়ই মণিপুরের ঘটনার নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ঘটনায় তিনি যে ব্যথিত ও ক্রুদ্ধ, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের জনমুখী বিলগুলি সাংসদরা সমর্থন করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    ঠিক কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, ‘‘আজ আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত, ক্রোধে পূর্ণ। মণিপুরের যে ঘটনা সামনে এসেছে, তা কোনও সভ্য সমাজের পক্ষে লজ্জাজনক। অপরাধীরা অপরাধ করে নিজের নিজের জায়জায়। কিন্তু এই ঘটনায় সারা দেশ অপমানিত হয়েছে। ১৪০ কোটি দেশবাসী লজ্জিত।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “মা বোনেদের রক্ষা করার জন্য আমি সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করছি, নিজেদের রাজ্যে আইনব্যবস্থা আরও মজবুত করুন। রাজস্থান, ছত্তীসগড় হোক বা মণিপুর— সকল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের আহ্বান করছি, রাজনীতির উপরে উঠে, যে কোনও রাজ্যে আগে নারীর সম্মান রক্ষা হোক। মণিপুরের মেয়েদের সঙ্গে যা হয়েছে, তা ক্ষমার অযোগ্য।’’ প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছেন, কোনও অপরাধীকে রেহাই দেওয়া হবে না। আইন তার সর্বশক্তি দিয়ে একের পর এক পদক্ষেপ নেবে।

    প্রকাশ্যে ভিডিও

    সম্প্রতি, মণিপুরের (Manipur) একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে রাস্তায় ঘোরানো হচ্ছে। ওই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিরোধী দলগুলির একাংশ ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের ইস্তফা দাবি করেছে। মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য কংগ্রেসের পক্ষে এদিন নোটিশ দেওয়া হয়েছে লোকসভা ও রাজ্যসভায়। ট্যুইটার ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে ওই ভিডিও সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

    লজ্জাজনক ঘটনা

    জানা গিয়েছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ইম্ফল থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দূরের কাংপোকপি জেলার। পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, সেই ঘটনায় নির্যাতিতা মহিলাদের পরিবারের দুই সদস্যকেও খুন করা হয়েছিল। এফআইআরে বলা হয়েছে, ৪ মে আতঙ্কে এক কুকি পরিবারের ৫ সদস্য বনে লুকিয়ে পড়েছিলেন।

    পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় তাঁদের। পরে বছর ছাপান্নর এক ব্যক্তিকে খুন করা হয়। পরে বিবস্ত্র করে হাঁটানো হয় দুই মহিলাকে। বছর একুশের এক তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয় বলেও অভিযোগ। ২১ জুন ওই মহিলারা দায়ের করেন এফআইআর।

    প্রসঙ্গত, ৩ মে থেকে জাতিগত হিংসার আগুনে জ্বলছে মণিপুর (Manipur)। হিন্দু মেইতেই এবং খ্রিস্টান কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। পোড়ানো হয়েছে ঘর-বাড়ি-গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে ঘোরানোর ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় ঘটনার নিন্দা করেন কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তিনি লেখেন, মণিপুরে ২ মহিলার যৌন নির্যাতনের ভয়াবহ যে ভিডিও সামনে এসেছে, তা নিন্দনীয় ও সম্পূর্ণ অমানবিক।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া বাদল অধিবেশন চলবে ১১ অগাস্ট পর্যন্ত। এই অধিবেশনে পাশ করানো হতে পারে ৩১টি বিল। এর মধ্যে নতুন বিল পেশ হতে পারে ২১টি।

     

    আরও পড়ুুন: ‘‘আগামী সপ্তাহে তৃণমূলের আরও একটি চুরি ফাঁস করব’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ‘‘শুধু উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই নিশানা কেন?’’ পাঁচলার ঘটনা উল্লেখ করে প্রশ্ন হিমন্তর

    Manipur: ‘‘শুধু উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই নিশানা কেন?’’ পাঁচলার ঘটনা উল্লেখ করে প্রশ্ন হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানোয় ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে দেশজুড়ে। অথচ দেশের অন্যান্য রাজ্যে এমনতর ঘটনা ঘটলেও, কেবল উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে কিছু ঘটলে হইচই হচ্ছে বলে অভিযোগ। মণিপুরের ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর’ আখ্যা দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার পাঁচলায়ও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। অথচ তা নিয়ে কোনও সমালোচনা হচ্ছে না। অন্তত এমনই অভিযোগ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার। প্রসঙ্গত, পাঁচলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় বিজেপির মহিলা প্রার্থীকে তৃণমূল কর্মীরা নগ্ন করে ঘোরায় বলে অভিযোগ। বিজেপির এক প্রার্থীর মুখে তৃণমূল কর্মীরা প্রস্রাব করে দেয় বলেও অভিযোগ।  

    হিমন্তর ট্যুইট-বাণ

    সাম্প্রতিককালে দেশের অন্যান্য অংশের ছ’টি যৌন হেনস্থার ঘটনার কথাও ট্যুইট-বার্তায় তুলে ধরেছেন তিনি। লিখেছেন, মণিপুরের ঘটনা ভয়ঙ্কর। দোষীরা আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তথাকথিত মুক্তচেতাদের মধ্যে একটা প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেটা হল, তাঁদের ক্রোধ কেবল উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির প্রতি। অথচ দেশের অন্য প্রান্তে যখন এই জাতীয় নৃশংস ঘটনা ঘটে, তখন তারা তাকে উপেক্ষা করে যান।

    ঘটনার ঘনঘটা

    এর পরেই তিনি (Manipur) ছ’টি ঘটনার কথা শেয়ার করেন। প্রথম ঘটনাটি জোধপুরের। ১৯ জুলাই ছ মাসের শিশু সহ একই পরিবারের চারজনকে খুন করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৬ জুলাই জোধপুরেই এক দলিত নাবালিকাকে তার বয়ফ্রেন্ডের সামনেই গণধর্ষণ করা হয়। ১৩ জুলাই বিজেপির এক কার্যকর্তা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তৃণমূলের কর্মীরা তাঁর মুখে প্রস্রাব করে দেয় বলে অভিযোগ। ৮ জুলাই বিজেপির এক মহিলা প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে তৃণমূল কর্মীরা হাঁটায় বলে অভিযোগ।

    ৭ জুন বিহারে উপজাতি সম্প্রদায়ের এক নাবালিকাকে ৮ জন মিলে ধর্ষণ করে। ঝাড়খণ্ডের চাইবাসায় গত বছর ২০ অক্টোবর উপজাতি সম্প্রদায়ের এক মহিলাকে রাস্তার ওপর প্রকাশ্যে ১০ জন মিলে ধর্ষণ করে। তাঁর প্রশ্ন, দেশের বিভিন্ন অংশে এমন ঘটনা ঘটলে কেবল বেছে বেছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই নিশানা করা হচ্ছে কেন?

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রীর সামনেই ক্ষোভ উগরে দিলেন হাওড়ার মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা, কেন?

    এদিকে, মণিপুরের (Manipur) বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে সব মিলিয়ে মোট ৬ হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। সাম্প্রতিক ওই মহিলাদের নির্যাতনের পর গোটা রাজ্যেই বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। অশান্তির আঁচ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান সরকারের এক পদস্থ আধিকারিক। তিনি জানান, ভুল তথ্য যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলিতে বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share