Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Donald Trump: ‘‘পিডোফাইল, ধর্ষক…’’! হামলার আগে ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার লিখে পরিবারকে পাঠিয়েছিলেন গুলিকাণ্ডে ধৃত যুবক

    Donald Trump: ‘‘পিডোফাইল, ধর্ষক…’’! হামলার আগে ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার লিখে পরিবারকে পাঠিয়েছিলেন গুলিকাণ্ডে ধৃত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে নৈশভোজের আসরে গুলি চালানোর অভিযোগে যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই কোল অ্যালেন আগে থেকেই একটি ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার তৈরি করে (Donald Trump) নিজের পরিবারের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ‘পিডোফাইল, ধর্ষক এবং দেশদ্রোহী’ শব্দগুলি (Shooting) ব্যবহার করেছিলেন। সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না থাকলেও, অনেকেই মনে করছেন, ওই কথাগুলি অভিযুক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করেই লেখা হয়েছিল।

    ইস্তাহারে কী লিখেছিলেন ধৃত যুবক (Donald Trump)

    হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস’ ডিনারে গুলি চালানোর অভিযোগে ধৃত যুবক কোল অ্যালেন ওই ইস্তাহারে লিখেছিলেন, “আমি আর কোনও পিডোফাইল, ধর্ষক এবং দেশদ্রোহীর অপরাধে আমার হাত রক্তাক্ত হতে দিতে রাজি নই।” যদিও সেখানে তিনি সরাসরি ট্রাম্প বা মার্কিন প্রশাসনের কোনও কর্তার নাম উল্লেখ করেননি। ঘটনার পর ট্রাম্প সিবিএসের ‘৬০ মিনিটসে’ সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হিংসার অভিযোগগুলি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘উগ্রপন্থায় প্রভাবিত’ ইস্তাহার বলে মন্তব্য করেন। মিডিয়াকে ‘ভয়ঙ্কর মানুষ’ বলে দেগে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “হ্যাঁ, ও (কোল অ্যালেন) এটা লিখেছিল। আমি ধর্ষক নই। আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি।”

    “আমি পিডোফাইল নই”

    নিউজ অ্যাঙ্কর তাঁর কাছে জানতে চান, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ট্রাম্পকেই বোঝাতে চেয়েছিলেন কি না। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি পিডোফাইল নই। মাফ করবেন, আমি পিডোফাইল নই। আমি ধর্ষক নই। কোনও অসুস্থ মানুষের লেখা এসব বাজে কথা আপনি পড়ছেন? আমার সঙ্গে এমন সব বিষয়ের নাম জড়ানো হয়েছে, যার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্কই নেই। আমি পুরোপুরি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি।” তদন্তকারীরা ওই যুবকের ইস্তাহার খতিয়ে দেখছেন (Shooting)। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ইস্তাহার থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে সন্দেহভাজনের লক্ষ্য ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্তারা। প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে গুলির শব্দ শোনা গেলে ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের আধিকারিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    ‘ফ্রেন্ডলি ফেডেরাল অ্যাসাসিন’!

    কর্তৃপক্ষের মতে, ঘটনাটি বলরুমের বাইরে ঘটে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি এক বা দু’রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সিঁড়ির কাছে তাঁকে আটক করা হয়। হোয়াইট হাউসের এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি হামলার কয়েক মিনিট আগে তাঁর পরিবারকে একটি উদ্বেগজনক ইস্তাহার পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি নিজেকে একজন ‘ফ্রেন্ডলি ফেডেরাল অ্যাসাসিন’ বলে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, কোনও ইরানি অপারেটিভ সহজেই নিরাপত্তা ভেদ করে ঢুকে পড়তে পারে—এভাবে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল বলেই তুলে ধরে তিনি। ইস্তাহারে ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনের আধিকারিকদের টার্গেট করার ইচ্ছের কথাও উল্লেখ ছিল। রাজনৈতিক হিংসার বারংবার উল্লেখও পাওয়া গিয়েছে ওই ইস্তাহারে।

    ‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’কে এক মার্কিন কর্তা জানান, ওই নথিতে ‘সর্বোচ্চ পদমর্যাবদা থেকে সর্বনিম্ন পর্যন্ত’ কর্তাদের টার্গেট হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। যদিও এফবিআই (FBI) পরিচালক কাশ প্যাটেলের নাম ওই তালিকায় ছিল না। হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে অভিযুক্ত লিখেছিলেন (Shooting), দেওয়াল ভেদ কম করার জন্য সে স্লাগের বদলে বাকশট ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি, যাতে (Donald Trump) প্রয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যদের ভেদ করেও এগিয়ে যাওয়া যায়।

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়নি হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও ঘনঘন ঘটছে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের একটা বড় অংশ এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতের ফল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। হত্যা, ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে বাধা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—এসবের মাধ্যমে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে বলেই অভিযোগ। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১৯ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার ছবি। বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হোন, তা-ই এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। “হাউ আয়াপ্পান ওয়েন্ট ফ্রম এ লোকাল ফরেস্ট ডেইটি টু কেরালাজ মোস্ট কন্ট্রোভার্সিয়াল গড” শীর্ষক লেখাটি লিখেছেন অনিরুদ্ধ কানিসেট্টি (Hindus Under Attack)। লেখাটির শিরোনামটি ভগবান আয়াপ্পাকে নিয়ে, যিনি লাখ লাখ ভক্তের কাছে ব্রহ্মচারী যোদ্ধা দেবতা ধর্মশাস্তা, হরিহরসূত (বিষ্ণু ও শিবের পুত্র), এবং ধর্ম ও তপস্যার প্রতীক, তাঁকেই ‘বিতর্কিত’ রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে “চেঙ্গাই- ফেথ হিলিং” সমাবেশের পর গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাদ্রীকে। তারা ‘লাইট অফ জেসাস চার্চে’র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ বৃহত্তর ধর্মান্তর এই নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে। হুব্বলির এক তরুণীর অভিযোগ, মুফিস মিয়ানাভার নামে এক ব্যক্তি সম্পর্ক গড়ার অছিলায় তাঁকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করে আসছে। কেশ্বাপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের টন টন সোনা

    এদিকে, ক্যাথলিক পুরোহিত ফাদার পল থেলাক্কাট প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্দিরের টন টন সোনা জনসেবায় ব্যবহার করা হয় না। বিদেশি অনুদানের ওপর নজরদারি নিয়ে খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। ফের খবরের শিরোনামে নাসিকের টিসিএস। এক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা করা, চাপ দেওয়া এবং মানসিকভাবে বারংবার হয়রান করা হয়েছে।ভোপালের এক মামলায় অভিযোগ উঠেছে, তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিন্দু কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, ধর্মান্তর ও বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    লাভ জেহাদ!

    ইন্দোরে বছর উনিশের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করে, মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তি আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয় (Roundup Week)। নাগপুর পুলিশ একটি এনজিও পরিচালনাকারী রিয়াজ কাজিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সমাজসেবার আড়ালে সে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিত এবং হয়রান করত। গুরুগ্রামে আসিফ মোহাম্মদ নামে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের অছিলায় বছর ছাব্বিশের এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করে। শুধু তা-ই নয়, জোর করে দু’বার গর্ভপাতও করায় (Roundup Week)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার লক্ষ্যেই এই নির্যাতন চালানো হয়। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। ১৫০–২০০ জনের একটি দল কালীমন্দিরে হামলা করে মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর এক হিন্দু সন্ন্যাসীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি স্থানীয় এক মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    অন্যদিকে, ইউএসসিআইআরএফ, সাভেরা, সিএসওএইচ, এইচএফএইচআর, ইক্যুয়ালিটি ল্যাবসের মতো (Roundup Week) কিছু সংগঠনের তথাকথিত গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হিন্দু সমাজ ও ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। প্রসঙ্গত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসাহিত হয় বলে দাবি করা হয়। ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞাকে এর উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেওয়া হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি দ্বৈত মানদণ্ড বলেও সমালোচনা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী পাক জঙ্গি (Pakistani Taliban Network) নেটওয়ার্কের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়ার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোপন সূত্রে গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পাকিস্তান-ভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (TTP)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (২৬শে এপ্রিল, ২০২৬) প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে গোপন অভিযান চালানো হয়েছে।

    ওয়ারেন্ট অফিসার-কে ঘিরে তদন্ত শুরু (Pakistani Taliban Network)

    তদন্তের সূত্রপাত হয় দুই মাস আগে নিখোঁজ হওয়া জনৈক ‘ওয়ারেন্ট অফিসার’-কে ঘিরে। ওই অফিসার কর্মস্থল থেকে পালিয়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি টিটিপি (TTP) আস্তানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর (Pakistani Taliban Network) হাতে ধরা পড়ার পর জেরায় তিনি বাংলাদেশে বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) ভেতরে টিটিপি-র রিক্রুটমেন্ট বা সদস্য সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন।

    গ্রেফতার ও আটক

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ এপ্রিল থেকে ঢাকার কুর্মিটোলা, তেজগাঁও এবং চট্টগ্রামের জহুরুল হক ঘাঁটিতে চিরুনি তাল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে অন্তত দুই জন স্কোয়াড্রন লিডার, দশ জন জুনিয়র কমিশনড অফিসার (JCO) এবং বেশ কয়েকজন বিমান সেনাকে গ্রেফতার (Pakistani Taliban Network) করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও অন্তত ডজনখানেক সদস্যকে আটক রাখা হয়েছে।

    পালিয়ে যাওয়া সদস্য

    তদন্তের আগেই অন্তত চার থেকে ছয় জন বিমান সেনা তুরস্ক, পাকিস্তান, পর্তুগাল ও নিউজিল্যান্ডে পালিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই জহুরুল হক ঘাঁটির মসজিদের জনৈক ইমাম এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে আক্রান্ত বিমান ঘাঁটিগুলোতে বেসামরিক (Bangladesh Air Force) কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি নিম্নপদস্থ কর্মীদের মোবাইল ফোন জব্দ করে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, টিটিপি-র এই অনুপ্রবেশ মূলত স্পর্শকাতর ইউনিট যেমন রাডার অপারেশন এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছিল। কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলে টিটিপি-র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার একটি পরিকল্পনাও গোয়েন্দাদের নজরে এসেছে।

    যদিও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দফতর থেকে পাকজঙ্গি (Pakistani Taliban Network) প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযান বা গ্রেফতার নিয়ে কোনও প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিরাপত্তা তল্লাশি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের (Bangladesh Air Force) সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে উগ্রবাদী অনুপ্রবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

  • Chernobyl: চের্নোবিল বিপর্যয়ের ৪০ বছর: ধ্বংসস্তূপ থেকে ভারত কীভাবে শিখল সুরক্ষার পাঠ?

    Chernobyl: চের্নোবিল বিপর্যয়ের ৪০ বছর: ধ্বংসস্তূপ থেকে ভারত কীভাবে শিখল সুরক্ষার পাঠ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ৪০ বছর আগে, আজকের দিনেই, ২৬ এপ্রিল ১৯৮৬, চের্নোবিল বিপর্যয় শুধু একটি রিঅ্যাক্টর ধ্বংস করেনি, এটি বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তির ওপর তৈরি হওয়া আস্থার মেরুদণ্ডটাই ভেঙে দিয়েছিল (Chernobyl)। এটি সেই বিপর্যয় যা বৈশ্বিক পারমাণবিক আলোচনাকে (Nuclear Path) বদলে দেয়। ইউক্রেনের প্রিপিয়াত শহরের চের্নোবিল নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের রিঅ্যাক্টর ৪-এর কন্ট্রোল রুম।

    চের্নোবিল বিপর্যয় (Chernobyl)

    ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল রাতে একটি নিরাপত্তা পরীক্ষা মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়। অপারেটররা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অনুকরণ করতে গিয়ে অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি ও নকশাগত ত্রুটির কারণে বিস্ফোরণ ঘটায়, যা ১,০০০ টনের রিঅ্যাক্টর ঢাকনাকে শূন্যে উড়িয়ে দেয়।কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেজস্ক্রিয় পদার্থ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই কন্ট্রোল রুমই ছিল সেই ব্যর্থ পরীক্ষার ভরকেন্দ্র। এতে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ঘটনাটি গোপন রাখায় বিশ্ব কিছুটা দেরিতে এই বিপর্যয়ের কথা জানতে পারে। ততক্ষণে বিকিরণ সীমান্ত পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে যখন বিজ্ঞানীরা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন, বিশ্বজুড়ে সরকারগুলির মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়, প্রতিবাদে পথে নেমে পড়েন নাগরিকরা।

    পারমাণবিক কর্মসূচি

    ভারতের মতো দেশগুলির জন্য, যারা তখন তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তুলছিল, একটি কঠিন প্রশ্ন সামনে আসে:
    কীভাবে পারমাণবিক শক্তিকে কাজে লাগানো যাবে, ভয়ের জন্ম না দিয়ে? পরবর্তী দশকগুলিতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক আলোচনা প্রায়ই আক্রমণাত্মক অবস্থান ও শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েছে। এর পরেই ভিন্ন পথ বেছে নেয় ভারত। জুলফিকর আলি ভুট্টোর বিখ্যাত উক্তির বিপরীতে, ভারতের পারমাণবিক যাত্রা ছিল পরিমিত ও পরিকল্পিত (Chernobyl)। ১৯৯৮ সালে পারমাণবিক পরীক্ষা করার পরেও ভারত যে নীতি ঘোষণা করে, তা হল, নো ফার্স্ট ইউজ, ক্রেডিবল মিনিমাম ডেটেরেন্স, নাগরিক নিয়ন্ত্রণে পারমাণবিক সিদ্ধান্ত। এটি শুধু নীতি নয়, একটি বার্তা—ভারত পারমাণবিক ক্ষমতা রাখবে, কিন্তু তা দায়িত্বহীনভাবে প্রদর্শন করবে না।

    ভারতের পারমাণবিক প্রতিষ্ঠান

    ভারতের পারমাণবিক প্রতিষ্ঠানগুলি মূলত বিজ্ঞানীদের দ্বারা পরিচালিত। যেমন, ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার, নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড। এরা গুরুত্ব দেয়, রিঅ্যাক্টর নিরাপত্তা, দেশীয় প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতা (থোরিয়াম গবেষণা সহ)-র ওপর। ভারতের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলি হল তারাপুর অ্যাটোমিক পাওয়ার স্টেশন, মাদ্রাজ অ্যাটোমিক পাওয়ার স্টেশন, কুডানকুলাম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট।

    চের্নোবিল কাণ্ডের দুর্বলতা

    চের্নোবিল দুটি বড় দুর্বলতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল। এগুলি হল ত্রুটিপূর্ণ রিঅ্যাক্টর নকশা, গোপনীয়তা ও নিয়ম ভঙ্গের সংস্কৃতি। ভারত এই দুই ক্ষেত্রেই উন্নতি করে-নিরাপদ রিঅ্যাক্টর নকশা, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা। ভারতের রিঅ্যাক্টরগুলিতে রয়েছে, স্বয়ংক্রিয় স্থিতিশীলতা ব্যবস্থা, একাধিক শাটডাউন সিস্টেম, শক্তিশালী কনটেনমেন্ট, অ্যাটোমিক এনার্জি রেগুলেটরি (Nuclear Path) বোর্ড নিয়মিত নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করে (Chernobyl)।

    নিউক্লিয়ার ডিসাস্টার

    ফুকুশিমা দেইছি নিউক্লিয়ার ডিসআস্টার দেখিয়ে দেয় যে উন্নত প্রযুক্তিও ব্যর্থ হতে পারে। এর ফলে ভারত উপকূলীয় প্লান্টের নিরাপত্তা বাড়ায়, সুনামি ও ভূমিকম্প ঝুঁকি মূল্যায়ন করে, ব্যাকআপ সিস্টেম উন্নত করে। ভারতে কয়লা দূষণকারী, নবায়নযোগ্য শক্তি অনিয়মিত। চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে পারমাণবিক শক্তি দেয় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, কম কার্বন নিঃসরণ, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা। মনে রাখতে হবে, চের্নোবিল একটি সতর্কবার্তা। কিন্তু ভারত পথ দেখায়— শৃঙ্খলা, সংযম (Nuclear Path) ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে পারমাণবিক শক্তি ভয়ের নয়, নিয়ন্ত্রণযোগ্য (Chernobyl)।

     

  • Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে ইরানের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্টের দূতেরা। অন্তত এমনই ঘোষণা করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়েছেন।

    ট্রাম্পের দাবি (Donald Trump)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারকে ইসলামাবাদে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, দু’মাসের সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে ইরান একটি প্রস্তাব দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছি, ‘না, তোমরা সেখানে যাওয়ার জন্য ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নেবে না। আমাদের হাতে সব কার্ড আছে। তারা চাইলে যে কোনও সময় আমাদের ফোন করতে পারে। কিন্তু তোমরা আর ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নিয়ে গিয়ে বসে বসে অর্থহীন আলোচনা করবে না।’”

    আরাঘচির বক্তব্য

    এদিকে, আরাঘচি ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ ছেড়ে গিয়েছেন। এটি ছিল তাঁর ত্রিদেশীয় সফরের প্রথম গন্তব্য। এরপর তাঁর যাওয়ার কথা, ওমান এবং রাশিয়ায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি প্রেস টিভি জানিয়েছে, তিনি শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে আরাঘচি বলেন, তিনি পাকিস্তানি আধিকারিকদের সঙ্গে ইরানের অবস্থান তুলে ধরেছেন, যা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার একটি কার্যকর কাঠামো হতে পারে। তিনি এও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কূটনীতিতে আন্তরিক কিনা, তা এখনও দেখা বাকি (Donald Trump)।”

    ট্রাম্পের ইঙ্গিত

    পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ওমান সফর শেষে এবং রাশিয়ায় যাওয়ার আগে আরাঘচি ফের পাকিস্তান সফর করতে পারেন (Pakistan)। বিদেশমন্ত্রকের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, তার প্রতিনিধিদলের একটি অংশ তেহরানে ফিরে গিয়েছে যুদ্ধ সমাপ্তি সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিতে। তারা রবিবার রাতে ফের ইসলামাবাদে ফিরবে। এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ভবিষ্যতে যে কোনও আলোচনা ফোনের মাধ্যমে হতে পারে। তিনি লেখেন, “যদি তারা কথা বলতে চায়, তাহলে শুধু ফোন করলেই হবে!!!” তাঁর আরও দাবি, ইরানে কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা কেউ জানে না এবং সেখানে চরম অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলা চলছে।

    হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা

    বিশ্লেষকদের মতে, “সব কার্ড আমাদের হাতে” কথাটি সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ এবং অঞ্চলে ৫০,০০০-এর বেশি সেনার উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে, যারা প্রয়োজনে ফের যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত (Donald Trump)। এদিকে, এই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে চাপ বেড়েছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে যে অচলাবস্থা চলছে, তার কারণে। এই প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ইরানের শক্তিশালী ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস শনিবার জানিয়েছে, তারা এই জলপথে তাদের অবরোধ এখনই তুলে নিতে চায় না। যদিও এটি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে (Pakistan)। ট্রাম্প বলেন, “আমার দূতদের সফর বাতিল মানেই যুদ্ধ ফের শুরু হবে না। আমরা এখনও সেই বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করিনি।”

    ইরানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আরাঘচি শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকটে পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি ওমানি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি রাশিয়ায় যাবেন, যেখানে যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করেছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল (Donald Trump)।

     

  • Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    Shooting In White House: হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোদ হোয়াইট হাউসেই চলল গুলি। শনিবার রাতে করেসপন্ডেন্টস ডিনারের সময় ওই ঘটনায় সাময়িক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রথম গুলির শব্দ শোনা মাত্রই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ (Donald Trump) শীর্ষ মার্কিন নেতাদের দ্রুত ওয়াশিংটনের ভেন্যু থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় (Shooting In White House)। উপস্থিত অতিথিরা টেবিলের নীচে আশ্রয় নেন। যদিও আধিকারিকরা জানান, ট্রাম্প জখম হননি, হতাহতেরও খবর মেলেনি। সিক্রেট সার্ভিস ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ভোজসভা কক্ষে ঢুকে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় অতিথিদের মধ্যে। “স্যার, সরে যান!”, “নীচে ঝুঁকে পড়ুন!”—এমন চিৎকার শোনা যায়।

    আট রাউন্ড গুলি! (Shooting In White House)

    উপস্থিত ব্যক্তিদের কয়েকজন জানান, তাঁরা পাঁচ থেকে আটটি গুলির মতো শব্দ শুনেছেন। শত শত সাংবাদিক, সেলিব্রিটি এবং জাতীয় নেতায় ভরা ভোজসভা কক্ষটি দ্রুত খালি করে দেওয়া হয়। ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয় এবং অতিথিদের বের হতে দেওয়া হলেও, ফের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত কড়াকড়ি করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, হেড টেবিলে ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রিসভার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা তখন মটরশুঁটি ও বুরাটা সালাড খাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই নিরাপত্তা বাহিনী সবাইকে নীচে ঝুঁকে পড়তে বলে (Shooting In White House)।

    “অনুষ্ঠান চলতে দিন”

    এই হোটেলটি সাধারণত এই অনুষ্ঠানের সময়ও সাধারণ অতিথিদের জন্য খোলা থাকে, নিরাপত্তা প্রধানত বলরুম এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে। ঘটনার পর ট্রাম্প বলেন, “অনুষ্ঠান চলতে দিন।” আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসাও করেন তিনি। ট্রাম্প জানান, হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। তিনি অনুষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর ছেড়ে দেন (Donald Trump)। তিনি সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবি শেয়ার করেন, যেখানে তাঁকে মাটিতে শুইয়ে হাত বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। এই অনুষ্ঠানটি ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম উপস্থিতি। মিডিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের টানাপোড়েনও আলোচনায় আসে। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভানিয়ার একটি নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পের ওপর গুলিবর্ষণ হয়েছিল। সেবার তাঁর কানে হালকা আঘাত লেগেছিল। ওই ঘটনায় একজন দর্শক নিহত হয়েছিলেন। জখমও হয়েছিলেন দু’জন। পরে নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীকে গুলি করে নিকেশ করে (Shooting In White House)।

     

  • RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    RSS: ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই হিন্দু বংশোদ্ভূত, আমেরিকায় মন্তব্য দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে দাবি করেছেন যে, ভারতের ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমই আসলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দুদের উত্তরসূরি। বর্তমানে আমেরিকা সফরে থাকা হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) সেখানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের সাংস্কৃতিক ডিএনএ এবং হিন্দুত্বের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্য সংঘ শতবর্ষে ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতীয় মুসলিমদের ওরিজিন এক (RSS)

    আরএসএস-এর (RSS) সরকার্যবাহ হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ভারতের মাটিতে বসবাসকারী অধিকাংশ মানুষের পূর্বপুরুষ একই। তাঁর মতে, ভারত একটি সাংস্কৃতিক দেশ এবং হিন্দুত্ব কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়, বরং এটি একটি জীবনধারা ও জাতীয়তার পরিচয়। তিনি বলেন, “ভারতে বসবাসকারী ৯৯.৯ শতাংশ মুসলিমের পূর্বপুরুষ আদতে এই দেশের হিন্দু সমাজ থেকেই এসেছেন। ঐতিহাসিক কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উপাসনা পদ্ধতি পরিবর্তিত হলেও, তাঁদের উৎস এবং ডিএনএ অপরিবর্তিত রয়েছে।”

    সাংস্কৃতিক একাত্মতার বার্তা

    অনুষ্ঠানে দত্তাজী (Dattatreya Hosabale) আরও জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সামগ্রিক পরিচয় কোনও বিভেদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি, বরং এটি একটি সমন্বিত সংস্কৃতি। হিন্দু সমাজ সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখে এবং সংঘ (RSS) সেই জাতীয় একাত্মতা প্রচারেই কাজ করে যাচ্ছে।”

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভারত

    আমেরিকার বিভিন্ন প্রবাসী ভারতীয় এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)  ভারতের বর্তমান অগ্রগতি এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভূমিকার কথাকেই তুলে ধরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ভারতীয় চিন্তাধারা বা ‘ভারতীয়ত্ব’ বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আরএসএস (RSS) নেতার এই মন্তব্য নতুন করে ভারতের জনতাত্ত্বিক ইতিহাস এবং সামাজিক কাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সাংস্কৃতিক সংহতির পক্ষে তাঁর এই অবস্থানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষকগণ।

  • India: মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত

    India: মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্ক (SAARC Currency) কারেন্সি সোয়াপ ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় প্রথমবারের মতো মলদ্বীপের জন্য ৩০ বিলিয়ন টাকা তোলার অনুমোদন দিল ভারত (India)। এর জেরে দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রতি ভারতের আর্থিক সহায়তা আরও জোরদার হল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    ভারতীয় হাইকমিশনের বক্তব্য (India)

    মালের ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, এই অর্থ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং মলদ্বীপ সরকারের মধ্যে হওয়া চুক্তির প্রথম কিস্তি হিসেবে ছাড়া হচ্ছে। এই চুক্তিটি হয়েছিল মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজুর ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে, নয়াদিল্লি সফরের সময়। উল্লেখ্য, এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে মলদ্বীপের নেওয়া পূর্ববর্তী ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসুবিধার মেয়াদপূর্তির পর। এটি নেওয়া হয়েছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরেই। মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই ঋণ শোধ সরকারের আর্থিক দায়বদ্ধতা পালনের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে (India)।

    ‘নেবারহুড ফার্স্ট’

    ২০১২ সালে এই ফ্রেমওয়ার্ক চালু হওয়ার পর থেকে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মলদ্বীপকে মোট ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও (SAARC Currency) বেশি সোয়াপ সাহায্য দিয়েছে। হাইকমিশন আরও জানিয়েছে, এই সুবিধাটি মলদ্বীপের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (India)। এছাড়া, ভারত তার ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ (Neighbourhood First) নীতি এবং ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR) -এর আওতায় মলদ্বীপকে সাহায্য দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। এটি প্রয়োজনে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার ও প্রথম সাহায্যকারী হিসেবে ফের একবার নিশ্চিত করল ভারতের ভূমিকা (SAARC Currency)।

     

  • Rajnath Singh: ‘ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদন করুন’, জার্মানিতে আহ্বান রাজনাথের

    Rajnath Singh: ‘ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদন করুন’, জার্মানিতে আহ্বান রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানি সফরে গিয়ে বৃহস্পতিবার জার্মান শিল্পপতিদের ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উৎপাদনের আহ্বান জানালেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সময়ে নির্ভরযোগ্যতা ও অভিন্ন স্বার্থভিত্তিক অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’’ জার্মানির মিউনিখ শহরে আয়োজিত ডিফেন্স ইনভেস্টর সামিটে ভারত ও জার্মানির প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিনিধিদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে সিং বলেন, ‘‘বর্তমান বিশ্বে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন, সরবরাহ শৃঙ্খলের ব্যাঘাত এবং দ্রুত প্রযুক্তিগত রূপান্তর—এই সবই গভীরতর সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে তুলেছে।’’

    দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদার হিসেবে ভারত

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘‘বিশ্বজুড়ে দেশ ও শিল্প সংস্থাগুলি এখন নির্ভরশীলতা পুনর্মূল্যায়ন করছে এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার খুঁজছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত একটি দ্রুত বর্ধনশীল বাজার, দক্ষ ও তরুণ কর্মশক্তি এবং ক্রমবিকাশমান শিল্প পরিকাঠামো প্রদান করছে। তিনি বলেন, “ভারত কোনও স্বল্পমেয়াদি সুযোগ নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা।”

    উন্নত প্রযুক্তিতে সহযোগিতার সুযোগ

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের আওতায় ভারতীয় সংস্থাগুলি জার্মান প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উন্নত রেডার ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর এবং সাবমেরিন প্রযুক্তিতে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানান তিনি। দেশের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে সরকার।’’

    আত্মনির্ভরতা, তবে সহযোগিতার মাধ্যমেই

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার প্রসঙ্গে রাজনাথ স্পষ্ট করেন, এই নীতি কোনওভাবেই অন্তর্মুখী নয়। বরং এটি বিশ্বস্ত অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে নকশা, উন্নয়ন ও উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা। তিনি বলেন, ‘‘ভারত এখন শুধু প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্রেতা নয়, বরং ডিজাইন ও উৎপাদনের ক্ষেত্রে অংশীদার হয়ে উঠছে। শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তি জাতীয় নিরাপত্তা যেমন জোরদার করবে, তেমনই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ভারতের অবস্থান মজবুত করবে।’’

    জার্মানির সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও গভীর

    সফরকালে সিং কিয়েলে অবস্থিত একটি সাবমেরিন নির্মাণ কারখানা পরিদর্শন করেন, যা ভারত-জার্মানি সামুদ্রিক সহযোগিতার গুরুত্বকে তুলে ধরে। এর আগে তিনি বার্লিনে জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। সেখানে প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা রোডম্যাপ এবং রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত হয়।

    ৯০ দিনের মধ্যে ৮০০ কোটি ডলারের সাবমেরিন চুক্তি

    জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিস্টোরিয়াস জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যেই ভারত ও জার্মানির মধ্যে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের একটি বৃহৎ সাবমেরিন চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে। এই প্রকল্পে ভারতে ছয়টি সাবমেরিন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। জার্মান সংস্থা থিসেনক্রাপ মেরিন সিস্টেমস (Thyssenkrupp Marine Systems) এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত মাঝগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড (Mazagon Dock Shipbuilders Limited) যৌথভাবে এই সাবমেরিন নির্মাণে অংশ নেবে। পিস্টোরিয়াস জানান, আলোচনা ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে এবং খুব শীঘ্রই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।

  • Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলাদেশে এক হিন্দুর রহস্যমৃত্যু (Bangladesh Hindu Attack)। কক্সবাজার সদর উপজেলার একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে তিন দিন ধরে নিখোঁজ এক মন্দির পরিচর্যাকারীর দেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের নজরে আসে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তির দেহ। মৃত ব্যক্তির নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি সাতকানিয়ার বাসিন্দা এবং খুরুশখুল ইউনিয়নের পুলিশশোরা ঘোনা নাগ পঞ্চমী মন্দিরে পরিচর্যাকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নয়নকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ।

    গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলল দেহ

    পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের পক্ষ থেকে বহু খোঁজাখুঁজির পর সোমবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নয়ন দাস নিখোঁজ বলে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দিরের সহকর্মীরা আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান। অবশেষে বুধবার প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্বদিকে একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নয়নের দেহ দেখতে পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দেহের গলায় একটি কাপড় পেঁচানো ছিল বলে জানা গিয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামিউদ্দিন জানিয়েছেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না এটি হত্যা না আত্মহত্যা। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”

    পরিবারের দাবি খুন

    মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, নয়নকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কক্সবাজার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনি ধর জানান, পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি নয়ন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, আত্মহত্যা নয়, নয়নকে খুনকরা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের শনাক্ত করতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এর আগে হাসিনা পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু নিধন যজ্ঞ চলেছে।

LinkedIn
Share