Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    US Evangelist Sean Feucht: ভারতে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, দাবি মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে তিনি নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাই ভারত (India) থেকে তিনি তড়িঘড়ি চলে যেতে বাধ্য হন। অন্তত, এমনই দাবি করেছেন মার্কিন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক শন ফয়েখ্ট (US Evangelist Sean Feucht)। তাঁর অভিযোগ, ভারতে তাঁর কার্যকলাপ নজরদারির আওতায় ছিল এবং ধর্মীয় রূপান্তর সংক্রান্ত ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগও ওঠে। ফয়েখ্ট সম্প্রতি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুর জেলায় “জায়ন সেন্টার” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে অংশ নিতে। অনুষ্ঠানটির ছবি ও পোস্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই কেন্দ্রটি একটি সামাজিক ও ধর্মীয় মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত। এখানে বড় আকারে প্রার্থনা ও ধর্মপ্রচারমূলক কার্যকলাপ চলছিল বলে খবর।

    পর্যটক ভিসায় ভারতে এসে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচার (US Evangelist Sean Feucht)

    বেঙ্গালুরুর ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে (FRRO) দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়েখ্ট পর্যটক ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। যদিও তিনি প্রচার, ধর্মীয় বক্তব্য দান এবং ধর্মান্তর কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। ভারতীয় ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, পর্যটক ভিসায় বিদেশি নাগরিকদের ধর্মান্তর, উপদেশ প্রদান বা মিশনারি কার্যকলাপ চালানোর অনুমতি নেই। কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করেননি যে, তিনি কোন ধরনের ভিসায় ভারতে এসেছিলেন। আইনজ্ঞরা জানান, মিশনারি ভিসায়ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকে এবং সংগঠিত ধর্মান্তর অভিযান বা প্রচার কার্যকলাপের অনুমতি দেওয়া হয় না।

    মার্কিন ধর্মপ্রচারকের দাবি

    বিতর্ক বাড়তে থাকায় ফয়েখ্ট দ্রুত ভারত ছেড়ে চলে যান। তবে যাওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিপীড়নের শিকার হিসেবে তুলে ধরেন। কয়েকদিন পরেও তিনি সেই একই দাবি জানান। স্ক্রিনশট শেয়ার করে তিনি দাবি করেন, ভারতে খ্রিস্টানরা নিরাপদ নন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতে খ্রিস্টানদের (US Evangelist Sean Feucht) ওপর ‘নিপীড়ন’ চলছে। এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, কঠোর ধর্মান্তরবিরোধী আইন কঠিন শাস্তির কারণ হতে পারে, যার মধ্যে দীর্ঘ কারাদণ্ডও রয়েছে। তিনি আরও জানান, আমেরিকার সরকার ভারতকে নিয়ে খুব সন্তুষ্ট নয়। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন আইনপ্রণেতারা তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। অবশ্য এই ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগের কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই। অনলাইনে শেয়ার করা কিছু স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, তিনি ভারতে অবস্থানরত ‘পাস্টরদের’ মতামত তুলে ধরে দাবি করেন, খ্রিস্টানরা স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রকাশ্যে শেয়ার করা ব্যক্তিগত বার্তায় তিনি পরিস্থিতিকে “ব্যাপক নিপীড়ন” বলে বর্ণনা করেছেন এবং জনগণের সমর্থন চেয়েছেন।

    ভারতীয় আইন

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর নিষিদ্ধ করে না, তবে জোরপূর্বক, প্রতারণা বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরকে নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে ধর্মান্তরবিরোধী আইন রয়েছে, যেখানে “গণধর্মান্তর” বা দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে ধর্মান্তরের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ফয়েখ্ট “নিপীড়ন” হিসেবে ঘটনাকে তুলে ধরার মাধ্যমে ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছেন এবং আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করতে চাইছেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের বর্ণনা প্রশাসনিক নিয়ম প্রয়োগকে মানবাধিকার ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে, যার (India) ফলে নজরদারি ছাড়াই মিশনারি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (US Evangelist Sean Feucht)।

     

  • Bangladesh: একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা পাক বাহিনীর, শহিদ-তর্পণ করলেন তারেক রহমান

    Bangladesh: একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা পাক বাহিনীর, শহিদ-তর্পণ করলেন তারেক রহমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মাথা নোয়াল বাংলাদেশের (Bangladesh) শাসক দল বিএনপি। ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবসে’ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির তারেক রহমান (PM Tarique Rahman)। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছিল। নির্বিচারে খুন করা হয়েছিল লাখ লাখ বাঙালিকে। সেই ঘটনার স্মরণেই ফি বছর পালিত হয় ‘গণহত্যা দিবস’।

    কী বললেন তারেক (Bangladesh)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকারতম দিন বলে উল্লেখ করেন। এই দিন পাক দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরু করেছিল। এই অপারেশনে তারা রাতের অন্ধকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইন-সহ বিভিন্ন জায়গায় নিরস্ত্র সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। রহমান লেখেন, “তবে ২৫ মার্চ রাতেই চট্টগ্রামে ৮ম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট ‘উই রিভল্ট’ ঘোষণা করে আনুষ্ঠানিকভাবে গণহত্যার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু করে। এই প্রতিরোধের মাধ্যমেই দীর্ঘ ন’মাসের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।”

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ)-এর বাঙালিদের বিরুদ্ধে পাক বাহিনীর চালানো এই নির্মম গণহত্যা ন’মাসব্যাপী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে, যা শেষ হয় ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে, স্বাধীনতার মাধ্যমে। নাগরিকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, তাঁরা যেন নতুন প্রজন্মের মধ্যে সমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের চেতনা জাগ্রত করে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলেন। শহিদদের আত্মার শান্তিও কামনা করেন তিনি (Bangladesh)। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। রহমান তাঁর পোস্টে লেখেন, “আসুন, আমরা সবাই মিলে (PM Tarique Rahman) একটি ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত, সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলি (Bangladesh)।” উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিএনপির একটি লিখিত এবং স্পষ্ট অবস্থানের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছেন বাংলাদেশিরা।

  • Iran: ‘‘সংঘাত থামাতে ফলপ্রসূ আলোচনা হচ্ছে ইরানের সঙ্গে’’ দাবি ট্রাম্পের, নস্যাৎ করল তেহরান

    Iran: ‘‘সংঘাত থামাতে ফলপ্রসূ আলোচনা হচ্ছে ইরানের সঙ্গে’’ দাবি ট্রাম্পের, নস্যাৎ করল তেহরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সংঘাত শেষ করতে খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে।’ সম্প্রতি এমনই দাবি করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের এহেন দাবি নস্যাৎ করে দিল ইরান (Iran)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনাই হয়নি। সোমবার ইরানি সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফের নামে পরিচালিত এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি।” গালিবাফ এই জাতীয় খবরকে ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেন। তিনি লিখেছেন, “ফেক নিউজ আর্থিক ও তেল বাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে আটকে রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।”

    ইরানের বার্তা (Iran)

    তাঁর এই মন্তব্য ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আলোচনা হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে বাঘাই বলেন, “যুদ্ধ শেষ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধুপ্রতিম দেশ থেকে বার্তা পাওয়া গিয়েছে।” এই আদান-প্রদান এমন একটা সময়ে ঘটছে, যখন আমেরিকা-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং উভয় পক্ষই সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছে ইজরায়েল

    ইজরায়েল জানিয়েছে, তারা সোমবার তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এদিকে, ইরানও অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এই প্রণালী বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয় এই পথেই (Donald Trump)। এই বিঘ্নের জেরে বিশ্বজুড়ে বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। উদ্বেগ বাড়ছে বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে।

    ট্রাম্পের দাবি

    তবে ইরান অস্বীকার করলেও, ট্রাম্প দাবি করে চলেছেন যে আলোচনা এগিয়ে চলছে। সপ্তাহান্তে তিনি সতর্ক করে বলেন, “৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের (Iran) বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে।” সোমবার এক পোস্টে অবশ্য ট্রাম্প জানান, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর সব ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত বর্তমানে চলা বৈঠক ও আলোচনা সাফল্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প (Donald Trump) আরও জানান, রবিবার ইরানের এক শীর্ষ ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যদিও তিনি ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি (Iran)।

     

  • PM Balendra Shah: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, রামনবমীতে জনকপুরেই শপথ গ্রহণ

    PM Balendra Shah: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, রামনবমীতে জনকপুরেই শপথ গ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র তথা জনপ্রিয় নেতা বালেন্দ্র শাহ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী (PM Balendra Shah) হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। সূত্রের খবর, শপথ গ্রহণের জন্য রামনবমীর (Ram Navami) দিন ২৬ মার্চকেই বেছে নিয়েছেন তিনি।

    রামনবমীর দিন শপথ কেন(PM Balendra Shah)?

    নেপালের ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP)-র নিরঙ্কুশ জয়ের পর ৩৫ বছর বয়সী বালেন্দ্র শাহ এখন প্রধানমন্ত্রীর (PM Balendra Shah) পদে শপথ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তাঁর এই শপথ গ্রহণের সময় এবং স্থান নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।  বালেন্দ্র তাঁর শপথ গ্রহণের জন্য ‘রামনবমী’র (Ram Navami) দিনটিকে বেছে নিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি ধর্মীয় তিথি নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা। সাংস্কৃতিক সংযোগের মাধ্যমে তিনি নেপালের সনাতন হিন্দু ঐতিহ্য এবং ভারতের সঙ্গে থাকা সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন। নতুন দায়িত্বের শুরু অর্থাৎ রামনবমীকে মন্দের বিনাশ এবং সুশাসনের রামরাজ্য প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বালেন্দ্র সম্ভবত নেপালের পুরনো দুর্নীতিগ্রস্ত বাম রাজনৈতিক ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন স্বচ্ছ যুগের সূচনা করতে চাইছেন।

    জনকপুর থেকে ‘মধেসি’ কার্ড

    বালেন্দ্র তাঁর নির্বাচনী প্রচারের মূল কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন জনকপুরকে। এটি মা জানকীর (সীতা) জন্মভূমি হিসেবে পরিচিত। তিনি নিজেকে মধেশের সন্তান (Son of Madhesh) হিসেবে তুলে ধরেছেন। নেপালের ইতিহাসে তিনি হতে চলেছেন প্রথম মধেশি বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী (PM Balendra Shah)। জনকপুর থেকে প্রচার শুরু করার মাধ্যমে তিনি নেপালের তরাই বা মধেসি অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    রাজনৈতিক সংকেত

    এই ঘটনাগুলি নেপালের রাজনীতিতে কয়েকটি বড় পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। পোড়খাওয়া নেতা কেপি শর্মা ওলির মতো আধিপত্যবাদকে ভেঙে দিয়ে জেন-জি (Gen Z) এবং তরুণ প্রজন্মের উত্থান হয়েছে। এতদিন নেপালের রাজনীতি মূলত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। বালেন্দ্রের (PM Balendra Shah) উত্থান মধেসি এবং মধেশে-পাহাড়ি মিশ্র সংস্কৃতির মেলবন্ধনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    বিদেশনীতিতে জোর

    প্রচারের ভাষা এবং শপথের দিন নির্বাচন দেখে মনে করা হচ্ছে, বালেন্দ্রের শাসন কালে ভারতের সঙ্গে নেপালের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতে পারে, যা বিগত কয়েক বছরে কিছুটা শীতল ছিল। বালেন্দ্রর (PM Balendra Shah) এই শপথ গ্রহণ নেপালের জন্য কেবল একজন নতুন প্রধানমন্ত্রী পাওয়া নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের জন্ম দেওয়া—যেখানে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতা একসঙ্গে হাত মিলিয়ে চলবে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নেওয়া যাক সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নেওয়া যাক সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ তো বটেই, বিদেশেও হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) ঘটছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন এক রূপ নিচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সংঘটিত হওয়া গণহত্যার মতো মনে হচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যা আদতে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতিত্বের ফল (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমিদখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত ছবিটা। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এহেন তথ্য প্রকাশ।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে একটি ডিগ্রি কলেজের গেটে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, এরা এক হিন্দু ছাত্রীকে উত্যক্ত, বিয়ের জন্য চাপ এবং ধর্মান্তরের চেষ্টা করছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে অনুসরণ ও ভয় দেখাচ্ছিল এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিকাহ করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। ছাত্রীটির কাকা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের আটক করেন। পরে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। নয়ডার ফেজ-৩ এলাকায় এক হিন্দু তরুণীর অভিযোগ, এক মুসলিম যুবক নিজের ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে, যৌন নির্যাতন চালায়। গত কয়েক (Roundup Week) মাস ধরে টাকাও আদায় করে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ(Hindus Under Attack)।

    অ্যাসিড হামলা

    চিত্রদুর্গে উগাদি উৎসবের সময় ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। সুহাইল বাশা নামে এক ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে অ্যাসিড হামলা চালায় তার স্ত্রী এবং হিন্দু শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ওপর। মালাপ্পানাহাট্টি গ্রামের এই হামলায় এক শিশু-সহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার চুনাখালি শ্যামবাজার এলাকায় কালীর প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মহারাষ্ট্রের পুনেতে বিতর্কিত জমিতে রমজানের ইফতার করার অভিযোগে মুসলিমদের একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উদুপি জেলায় ২০–২২ মার্চ চলছে ‘সমাধান মহোৎসব’। এই উৎসব নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তামিলনাড়ুর খ্রিস্টান প্রচারক মোহন সি লাজারাসের নেতৃত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটির বিরোধিতা করছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন (Roundup Week)।

    হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    বাংলাদেশের ছবিটাও একই রয়েছে। সে দেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ধারাবাহিকভাবে চলছে। অনেক ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে এই আক্রমণ হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে (Hindus Under Attack)। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে আক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখানো ও দেশছাড়া করার উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ১৬ বছর বয়সী শান্ত কুমার সাহা ডাকাতদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেই সময় তাকে ধরে রাস্তার ওপর ফেলে দেওয়া হয়। দ্রুত চলে আসা একটি গাড়ির নীচে চাপা পড়ে মারা যায় সে।

    আমেরিকার ছবি

    পিরোজপুরের নেসারাবাদে গোপাল চন্দ্র দাসের মুণ্ডুহীন দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে ব্যাপক আতঙ্ক (Roundup Week)।খুলনার পাইকগাছায় এক পুলিশ আধিকারিকের মা ভারতী মণ্ডলকে গলা কেটে খুন করা হয়। বাড়ির পাশের মাছের ভেড়ি থেকে দেহ উদ্ধার হয় তাঁর (Hindus Under Attack)। আমেরিকায় ‘ওভারসিজ ফ্রেন্ডস অব বিজেপি ইউকে’ সংস্থা হ্যারোয় হোলি উদযাপন ব্যাহত হওয়ার পর বিভিন্ন হিন্দু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছে।

    বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে কাজ করছে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব। এই মনোভাব কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে রয়ে গিয়েছে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব। এই ধরনের সূক্ষ্ম বৈষম্য আইন ও সামাজিক আচরণের মধ্যে লুকিয়ে থাকে। তাই সহজে চোখে পড়ে না। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে বাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা যায়। এটি পরিবেশগত (Roundup Week) কারণ হিসেবে উপস্থাপিত হলেও, অন্যান্য উৎসবের ক্ষেত্রে একই ধরনের বিধিনিষেধ না থাকায় প্রকাশ্যে চলে আসে দ্বিচারিতা ((Hindus Under Attack))।

     

  • Bangladesh: হিন্দুর ২৬ লাখ একর জমি বেদখল, ১২ লাখ পরিবারের ৩৫০,৪১২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি, রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Bangladesh: হিন্দুর ২৬ লাখ একর জমি বেদখল, ১২ লাখ পরিবারের ৩৫০,৪১২ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি, রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) গণতন্ত্র, মুক্তি ও স্থিতিস্থাপকতা নিয়ে গর্ব করে। অথচ দশকের পর দশক ধরে একটি বড় অবিচার প্রায় অনুচ্চারিতই থেকে গিয়েছে। হিন্দু সংখ্যালঘুদের পরিকল্পিতভাবে ভূমিহীন (Hindu crisis) করে দেওয়া হয়েছে। ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে হিন্দুরা ২৬ লাখ একর জমি খুইয়েছে—যা কয়েকটি ছোট দেশের চেয়েও বড়—এবং এক কোটিরও বেশি মানুষ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ১২ লাখ পরিবারের ওপর এর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৩৫০,৪১২ কোটি টাকা।

    ২৬ লাখ একর জমি হারিয়েছেন হিন্দুরা (Bangladesh)

    সংবাদ মাধ্যমের করা সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, পদ্মাপারের এই দেশে এই ব্যাপক ভূমি দখলের পেছনে রয়েছে পাঁচ লাখ প্রভাবশালী (Hindu crisis) ব্যক্তি। এরা রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত। মোট জমির মধ্যে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িতরা ১৭,৪৯,৫০০ একর, আওয়ামী লিগের সঙ্গে যুক্তরা ৩,৬১,৪০০ একর এবং জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠনগুলি ২,২৬,২০০ একর জমি দখল করেছে। জাতীয় পার্টির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ১,৮২,০০০ একর, মুসলিম লিগ ১,৮২০ একর এবং ছোট দলগুলির সঙ্গে যুক্ত অন্যরা ১০,৪০০ একর জমি লুট করেছে। ওই রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, হিন্দুরা ১৯৬৫ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ২৬ লাখ একর জমি হারিয়েছেন। বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের (Bangladesh) ওপর দশকের পর দশক ধরে চলা পদ্ধতিগত ভূমি দখল এবং তাঁদের দেশত্যাগে বাধ্য করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এর প্রধান দিকগুলি হল-

    বিপুল পরিমাণ ভূমি দখল ও আর্থিক ক্ষতি

    বাংলাদেশে (Bangladesh) ভূমি দখলের এই সংস্কৃতিতে প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলেরই সায় রয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার বঞ্চনার (Hindu crisis) শেকড় দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। কোনও প্রধান দলের হাতই পরিষ্কার নয়। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র সাত লাখ একর জমিকে স্বত্বাধিকারী সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যার ফলে বাজেয়াপ্ত করা জমির সিংহভাগই রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী দখলদারদের হাতে রয়ে গিয়েছে। এটি কেবল একটি আমলাতান্ত্রিক ত্রুটি (Hindu crisis) নয়—এটি একটি নৈতিক ব্যর্থতা। জমি শুধু সম্পত্তি নয়, এটি পরিচয়, ঐতিহ্য এবং নিরাপত্তাও। পরিকল্পিত চুরির অনুমতি দেওয়া মানে নাগরিকদের তাঁদের সবচেয়ে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।

    ন্যায়বিচারের অভাব

    বর্তমানে সরকার (Bangladesh) মাত্র ৭ লাখ একর জমিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা মোট বেদখল হয়ে যাওয়া জমির একটি সামান্য অংশ মাত্র। তবে ভূমি কেবল সম্পত্তি নয়, এটি একজন মানুষের পরিচয় এবং নিরাপত্তার অংশ। পদ্ধতিগতভাবে এই জমি কেড়ে নেওয়া মানে হল নাগরিকদের মৌলিক অধিকার অস্বীকার করা।

    প্রস্তাবিত সমাধান

    বাংলাদশের (Bangladesh) হিন্দুদের এই সমস্যার সামধান কীভাবে সম্ভব এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ওই সংবাদ মাধ্যমের সমাজতাত্ত্বিক গবেষণায় বলা হয়েছে, একটি ‘ভেস্টেড প্রপার্টি ব্যাঙ্ক’ বা স্বচ্ছ তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা যাতে দখল হওয়া জমির সঠিক হিসেব রাখা যায়। অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিক বা ভূমিহীন হিন্দু পরিবারগুলিকে ফিরিয়ে দেওয়া। সরকারকে রাজনৈতিক সাহসিকতা দেখিয়ে এই ঐতিহাসিক অন্যায়ের বিচার করতে হবে। বাংলাদেশ যখন বৈষম্যের (Hindu crisis) বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তখন সংখ্যালঘুদের ওপর এই দীর্ঘস্থায়ী অবিচারকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমাধান করার কথা ভাবা হয়নি। আদর্শকে অসম্পূর্ণ করে রেখেছে বাংলাদেশের দেশের সরকার। যতক্ষণ পর্যন্ত না অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং সমানাধিকার নিশ্চিত হবে, ততক্ষণ এই নৈতিক সঙ্কট থেকে উদ্ধার পাওয়া যাবে না।

  • Iran War: নিষেধাজ্ঞা শিথিল আমেরিকার, ইরান থেকে তেল কেনার পরিকল্পনা ভারতীয় রিফাইনারির

    Iran War: নিষেধাজ্ঞা শিথিল আমেরিকার, ইরান থেকে তেল কেনার পরিকল্পনা ভারতীয় রিফাইনারির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের জেরে সৃষ্ট জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ওয়াশিংটন। তাই ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ফের ইরান থেকে তেল কেনার পরিকল্পনা করছে। এশিয়ার অন্যান্য রিফাইনারিরাও এমন পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে শনিবার জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ভারতের তিনটি রিফাইনিং সূত্র জানিয়েছে, তারা ইরানি তেল কিনতে প্রস্তুত এবং এ বিষয়ে সরকারের নির্দেশ ও ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অর্থপ্রদানের শর্ত-সহ অন্যান্য বিষয়ে স্পষ্টতা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

    ইরানি তেল কেনার ছাড়পত্র (Iran War)

    এশিয়ার অন্যান্য বড় তেল আমদানিকারী দেশের তুলনায় ভারতে তেলের মজুত কম। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি রাশিয়ান তেলের ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর ভারতীয় রিফাইনারিগুলি দ্রুত রাশিয়ান তেল বুকিং করতে শুরু করে। এ বিষয়ে অবশ্য ভারত সরকারের কোনও মন্তব্য আপাতত মেলেনি। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কয়েকজন জানিয়েছেন, এশিয়ার অন্যান্য রিফাইনারিগুলিও ইরানি তেল কেনা সম্ভব কিনা তা যাচাই করছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, শুক্রবার ট্রাম্প প্রশাসন সমুদ্রে থাকা ইরানি তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। এই ছাড় প্রযোজ্য হবে এমন সব তেলের ক্ষেত্রে, যা ২০ মার্চের মধ্যে কোনও জাহাজে তোলা হয়েছে এবং ১৯ এপ্রিলের মধ্যে খালাস করা হবে। এই তথ্য জানিয়েছে অফিস অফ ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (OFAC)। যুদ্ধ শুরুর পর এটি তৃতীয়বারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তেলের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল।

    হ্রাস পাচ্ছে জ্বালানি রফতানি

    কেপলারের সিনিয়র ডেটা ম্যানেজার ইম্যানুয়েল বেলোস্ত্রিনোর মতে, বর্তমানে প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল সমুদ্রে রয়েছে। এগুলি মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগর থেকে শুরু করে চিনের নিকটবর্তী জলসীমা পর্যন্ত বিভিন্ন জাহাজে রয়েছে। এনার্জি অ্যাসপেক্টস নামের পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান ১৯ মার্চ জানিয়েছিল, সমুদ্রে থাকা ইরানি তেলের পরিমাণ ১৩০ থেকে ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেলের মধ্যে, যা বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদন ঘাটতির তুলনায় ১৪ দিনেরও কম। এশিয়া তার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৬০ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। এই মাসে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় অঞ্চলের রিফাইনারিগুলি উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে এবং জ্বালানি রফতানিও হ্রাস পাচ্ছে।

    কেপলারের তথ্য

    ট্রাম্প ২০১৮ সালে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশটির ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এরপর থেকে চিন ইরানের প্রধান ক্রেতা হয়ে ওঠে। কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর চিনের স্বাধীন রিফাইনারিগুলি দৈনিক ১৩.৮ লাখ ব্যারেল তেল কিনেছে। কারণ অধিকাংশ দেশ নিষেধাজ্ঞার কারণে এই তেল এড়িয়ে চলে এবং এতে বড় ধরনের মূল্যছাড় পাওয়া যায়। ইরানি তেল কেনার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতাও রয়েছে। যেমন, অর্থ দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং এর বড় অংশ পুরনো ‘শ্যাডো ফ্লিট’ জাহাজে বহন করা হচ্ছে। এছাড়া, আগে যারা ইরানি তেল কিনত, তাদের অনেকেরই জাতীয় ইরানি তেল কোম্পানির (NIOC) সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক বাধ্যবাধকতা ছিল। তবে ২০১৮ সালের শেষ দিকে নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরোপের পর ইরানি তেলের বড় অংশ তৃতীয় পক্ষের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। সিঙ্গাপুরের এক ব্যবসায়ী বলেন, “নিয়মনীতি, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে কিছুটা সময় লাগে। তবে সবাই যত দ্রুত সম্ভব এগোতে চাইবে।” উল্লেখ্য যে, কোম্পানির নীতির কারণে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছিল। চিন ছাড়া নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের আগে ইরানি তেলের বড় ক্রেতাদের মধ্যে ছিল ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ইতালি, গ্রিস, তাইওয়ান এবং তুরস্ক।

     

  • Hormuz Strait Crisis: মোদির কূটনৈতিক জয়! লোহিত সাগর দিয়ে ভারতে অপরিশোধিত তেল পাঠাচ্ছে সৌদি আরব

    Hormuz Strait Crisis: মোদির কূটনৈতিক জয়! লোহিত সাগর দিয়ে ভারতে অপরিশোধিত তেল পাঠাচ্ছে সৌদি আরব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে খুশির খবর পেল ভারত। নরেন্দ্র মোদির দেশে অপরিশোধিত তেল পাঠাতে একটি নয়া পথ ব্যবহার করতে শুরু করেছে সৌদি আরব (Hormuz Strait Crisis)। ইতিমধ্যেই লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর থেকে একাধিক ট্যাঙ্কার ভারতের বিভিন্ন (Saudi Arabia) বন্দরের দিকে রওনা দিয়েছে। এই পদক্ষেপ এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্নের কারণে উপসাগরীয় তেল উৎপাদনকারী দেশগুলি বিকল্প সরবরাহপথ খুঁজতে বাধ্য হয়েছে।

    নয়া পথে আসছে তেল (Hormuz Strait Crisis)

    মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। ইরান ওই এলাকায় কিছু জাহাজকে টার্গেট করায় অনেক জাহাজ এই পথ এড়িয়ে চলছে। সাধারণত, বিশ্বব্যাপী তেল বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারতের উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে জ্বালানি আমদানিও মূলত এই পথের ওপরই নির্ভরশীল। এখন সৌদি আরব লোহিত সাগর হয়ে ভারতে তেল সরবরাহ শুরু করেছে। ট্র্যাকিং সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব থেকে চারটি অপরিশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার বর্তমানে ভারতের পথে রয়েছে। এগুলিতে সব মিলিয়ে প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রয়েছে। চলতি মাসের শেষে আরও ৯ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ভারতে পৌঁছনোর কথা। এই নয়া লোহিত সাগর রুটের খবর ১৬ মার্চ প্রথম প্রকাশ করে ব্লুমবার্গ। যদিও সৌদি আরব এই জ্বালানি সরবরাহে একটি শর্ত দিয়েছে, সেটি হল মাসিক বরাদ্দের কেবল একটি অংশই এই পথে পাঠানো হবে।

    ‘সামনের দরজা’ বনাম ‘পেছনের দরজা’

    সাধারণত উপসাগরীয় অঞ্চলের অধিকাংশ তেলই হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। একে ‘সামনের দরজা’ বলা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জেরে এই পথটি জাহাজ চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে (Saudi Arabia)। এদিকে, ‘পেছনের দরজা’ হিসেবে বিবেচিত লোহিত সাগর রুটে ইয়ানবু থেকে ১২০০ কিমি দীর্ঘ পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল পরিবহণ করা হয়। অবশ্য এই পাইপলাইনের ক্ষমতা সীমিত। তাই এই পথে হরমুজ প্রণালী রুটের তুলনায় কম পরিমাণ তেল পরিবহণ করা যায়। লোহিত সাগর রুটও ঝুঁকিমুক্ত নয়। এটি বাব আল-মানডাব প্রণালী দিয়ে যায়, যা ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলার আওতায় রয়েছে। এর আগে ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্ব চলাকালীন হুথিরা লোহিত সাগর দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলিকে টার্গেট করেছিল। তাই সেই সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের বিঘ্নের সৃষ্টি হয়েছিল (Saudi Arabia)। সেই কারণেই অনেক জাহাজ লোহিত সাগর এড়িয়ে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হয়। এর ফলে পরিবহণ খরচ বেড়ে যায় (Hormuz Strait Crisis)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যদি হুথিরা ফের হামলা শুরু করে, তাহলে এই রুটেও জাহাজ চলাচল ফের সমস্যার মুখে পড়তে পারে।

     

  • Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস (IEP) কর্তৃক প্রকাশিত গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (GTI) ২০২৬-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদের (Global Terrorism Index) প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তান প্রথম স্থান দখল করেছে। আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোকেও পেছনে ফেলে দিয়ে এই প্রথমবার পাকিস্তান (Pakistan) এই সূচকের শীর্ষে উঠে এলো। অবশ্য অভিজ্ঞ মহল এই নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। কারণ বিশ্বে সন্ত্রাস উৎপাদন করে পাকিস্তানের মতো দেশ। একাধিক জেহাদি সংগঠনের জন্ম পাক ভূমিতে।

    ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু (Pakistan)

    প্রতিবেদনের সূচকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের (Pakistan) স্কোর ৮.৫৭। গত এক দশকে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদ (Global Terrorism Index) যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, এটি তারই প্রতিফলন। ২০২৫ সালে পাকিস্তানে ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে বুরকিনা ফাসোর ক্ষেত্রে এই সূচক নিচে নেমেছে। টানা দুই বছর শীর্ষে থাকার পর বুরকিনা ফাসো এখন দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে। এখানে প্রাণহানির সংখ্যা আগের তুলনায় প্রায় ৪৫% হ্রাস পেয়েছে।

    ৯৭ পৃষ্ঠার এই গবেষণাটির চিত্র অত্যন্ত স্পষ্ট। যেখানে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৮% কমে ৫,৫৮২-তে এবং হামলার সংখ্যা ২২% কমে ২,৯৪৪-এ দাঁড়িয়েছে এবং ৮১টি দেশের অবস্থার উন্নতি হয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের অবস্থা বিপরীত দিকে গেছে। এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। এর ফল হলো চরমপন্থী ইসলামপন্থী মতাদর্শ, রাষ্ট্র কর্তৃক একসময় লালিত বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং আফগান প্রভাবের বিস্তার।

    আঞ্চলিক অস্থিরতা, কোন দেশে কত জঙ্গি তৎপরতা?

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তানে জঙ্গি তৎপরতা বহুগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (Pakistan) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (BLA)-র মতো গোষ্ঠীগুলোর হামলা (Global Terrorism Index) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হামলার কারণে সন্ত্রাসের আঁতুড় ঘরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই তালিকায় ভারত ১৩তম স্থানে রয়েছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান ১১তম এবং বাংলাদেশ ৪২তম অবস্থানে রয়েছে।

    পাকিস্তানে ২০১৩ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক সন্ত্রাসী হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শুধুমাত্র টিটিপি একাই ৫৯৫টি হামলা ও ৬৩৭ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ী, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩% বেশি। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দেওবন্দী ইসলামপন্থী গ্রুপের আল-কায়েদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কার্যকলাপ ও ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ পর্যবেক্ষণ করেছে, টিটিপি আল-কায়েদার কাছ থেকে আদর্শগত নির্দেশনা নেওয়ার পাশাপাশি আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করেছে।

    সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে ৫টি দেশে

    বিশ্ব পরিস্থিতিতে সামগ্রিকভাবে সন্ত্রাসবাদজনিত (Global Terrorism Index) মৃত্যু ২৮% কমলেও, পাকিস্তান ও সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বর্তমানে বিশ্বের মোট সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে পাকিস্তান, বুরকিনা ফাসো, নাইজেরিয়া, নাইজার এবং কঙ্গোর মতো মাত্র পাঁচটি দেশে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তান গত ১২ বছর ধরেই এই সূচকের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে, তবে ২০২৬-এর এই অবস্থান দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম অবনতিকেই নির্দেশ করে।

  • North Korea: উত্তর কোরিয়ার সাজানো নির্বাচনে কিম জং উনের জয়ের নাটক, ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটে একাধিপত্য

    North Korea: উত্তর কোরিয়ার সাজানো নির্বাচনে কিম জং উনের জয়ের নাটক, ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটে একাধিপত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার (North Korea) সংসদীয় নির্বাচনে দেশের সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন (Kim Jong Un) ৯৯.৯৩% ভোট পেয়ে বিশাল জয়লাভ করেছেন। ভোটের হার ছিল ১০০ শতাংশের কাছাকাছি। উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি এবং তাদের জোট এই নির্বাচনে মোট ভোটের ৯৯.৯৩% পেয়েছে।

    বিপক্ষ ভোট কত ভোট (Kim Jong Un)?

    সরকারি তথ্যসূত্রে জানা গিয়েছে, মাত্র ০.০৭% ভোট তাঁর (Kim Jong Un) বিপক্ষে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার (North Korea) এই জয় অত্যন্ত ব্যাতিক্রমী বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এটি অত্যন্ত বিরল হলেও উত্তর কোরিয়ার কঠোর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে এটি খুব স্বাভাবিক এবং নিয়মিত ঘটনা।

    ৬৮৭টি আসনের সবকটিতেই জয়ী কিম জং

    এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলির (Supreme People’s Assembly) সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়েছে। মোট ৬৮৭টি আসনের সবকটিতেই ক্ষমতাসীন দল ও তাদের (Kim Jong Un) মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের মূল লক্ষ্য ছিল কিম জং উনের ক্ষমতাকে আরও সুসংহত করা এবং প্রশাসনে নতুন ও অনুগত কর্মকর্তাদের জায়গা করে দেওয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে মাত্র ০.০০৩৭ শতাংশ বিদেশে বা সমুদ্রে কর্মরত থাকার কারণে ভোট দিতে পারেননি, এবং অতি ক্ষুদ্র সংখ্যক প্রায় ০.০০০০৩ শতাংশ ভোটদানে বিরত ছিলেন।

    সহজ কথায় ১০০% ভোট পাওয়া সাধারণ বিষয়

    উত্তর কোরিয়ার (North Korea) এই নির্বাচন মূলত একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। সেখানে কোনো বিরোধী দল নেই এবং ভোটারদের জন্য কোনো বিকল্প প্রার্থীও থাকে না। তাই কিম জং উন (Kim Jong Un) বা তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের প্রায় ১০০% ভোট পাওয়াটা দেশের জন্য রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি অংশ।

    বাবা কিম জং ইলের মৃত্যুর পর ২০১১ সালে কিম  ক্ষমতায় আসেন এবং তখন থেকে তিনিই দেশের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালে, উত্তর কোরিয়া তাঁর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার জন্য নিজেদের সংবিধানে পরিবর্তন আনেন। কিমকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপ্রধান করা হয় এবং সরকার, সামরিক বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাঁর কর্তৃত্বকে একনায়কতন্ত্র করে তোলা হয়।

LinkedIn
Share