Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Weather Update: নির্বাচনের পারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা! প্রথম দফার ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Weather Update: নির্বাচনের পারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা! প্রথম দফার ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের শুরুতেই দক্ষিণবঙ্গে গ্রীষ্মের তীব্রতা (Weather Update) বাড়তে শুরু করেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাজ্যের তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি বৃদ্ধি (Temperature) পেতে পারে। তবে এই দহনজ্বালার মাঝেই কিছু কিছু জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে। ২৩ তারিখ প্রথম দফায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিসের অধিকর্তা বলেন, “ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই। উত্তরবঙ্গের উপর দিকের পাঁচ জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা খানিকটা হলেও বেশি। সামগ্রিভাবে ঝড়বৃষ্টি বেশি হবে উত্তরবঙ্গে। কোথাও কোথাও হতে পারে ভারী বৃষ্টি ! তবে তার আগে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক৷”

    দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি

    হাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে শুষ্ক আবহাওয়ার দাপট বজায় থাকবে। আগামী দু-তিন দিনে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলোতে আবহাওয়া বেশ অস্বস্তিকর থাকবে। তবে আজ বিকেলের দিকে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং দুই বর্ধমানের দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। কলকাতায় আকাশ মূলত আংশিক মেঘলা থাকলেও আর্দ্রতাজনিত (Temperature) অস্বস্তি বজায় থাকবে।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    দক্ষিণ যখন গরমে পুড়ছে (Weather update), উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে তখন ঝড়-বৃষ্টির দাপট অব্যাহত। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া উত্তরের বাকি জেলাগুলোতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে। মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গে (Temperature) বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি না তৈরি হলেও ভ্যাপসা গরম ও রোদের তেজ থেকে এখনই রেহাই পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    কলকাতায় কেমন আবহাওয়া?

    শুক্রবার কলকাতা এবং তার আশপাশের অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ স্বাভাবিকের থেকে ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ।

  • West Bengal Malaria Threat: চলতি বছর রাজ্যে বাড়তে পারে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ! সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এই জেলাগুলি

    West Bengal Malaria Threat: চলতি বছর রাজ্যে বাড়তে পারে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ! সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এই জেলাগুলি

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। কিন্তু এর মধ্যেও ম্যালেরিয়ার চোখরাঙানি বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চলতি বছরে বাড়তে পারে বিপদ। তাই আগাম সতর্কতা জরুরি। মশাবাহিত রোগের দাপটে প্রত্যেক বছরেই রাজ্যবাসীর ভোগান্তি বাড়ে। চলতি বছরে ম্যালেরিয়া (West Bengal Malaria Threat) নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাজ্যের কয়েকটি জেলার গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে, চলতি বছরে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে। তাই আগাম সতর্কতা জরুরি (Health Alert West Bengal)।

    কোন কোন জেলায় ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি হতে পারে?

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের একাধিক জেলায় চলতি বছরে ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, জঙ্গলমহল এলাকা অর্থাৎ— ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং মেদিনীপুরের কিছুটা অংশে বাড়তে পারে। পাশাপাশি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের মতো জেলায় চলতি বছরে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়তে পারে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের এক অধিকর্তা জানাচ্ছেন, ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ সালের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে এবং চলতি বছরে সংক্রমণের হার দেখেই এই জেলাগুলোর জন্য উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছেন, ২০২৪-২৪ সালে রাজ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। ২০২৪-২৫ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি ছিল। চলতি বছরে ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ হাজারের বেশি মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। যার অধিকাংশই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা। তাই চলতি বছরে এই জেলাগুলো নিয়ে বাড়তি দুশ্চিন্তা তৈরি হচ্ছে। তবে এর পাশপাশি কলকাতা নিয়েও উদ্বিগ্ন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কলকাতায় মশাবাহিত রোগের দাপট বেশি। প্রত্যেক বছর কলকাতায় কয়েক হাজার মানুষ ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হন। মৃত্যুর ঘটনাও উল্লেখজনক। কলকাতা ঘনবসতিপূর্ণ শহর। তাই ম্যালেরিয়ার মতো সংক্রামক রোগের নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

    কেন ম্যালেরিয়া নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়ায় নির্দিষ্ট চিকিৎসা রয়েছে। ডেঙ্গির মতো ম্যালেরিয়া তাই প্রকট হতে পারে না। মৃত্যুর ঝুঁকিও কম থাকে। কিন্তু ম্যালেরিয়া সংক্রমণ হলে শরীরে একাধিক রোগের দাপট বাড়ে।‌ যা পরিস্থিতি জটিল করতে পারে। তাই ম্যালেরিয়া উদ্বেগ বাড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রথম ধাপেই ম্যালেরিয়া চিহ্নিত না হলে, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। তাছাড়া আক্রান্তের শরীরে একাধিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। জ্বর, বমি, মাথা যন্ত্রণার মতো উপসর্গের পাশপাশি শ্বাসকষ্ট, জন্ডিস এমনকি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ফুসফুস, লিভার এবং মস্তিষ্কের কার্যশক্তি হ্রাস পেতে পারে। ফলে রোগীর প্রাণ সংশয় দেখা দিতে পারে। তাই ম্যালেরিয়া আক্রান্ত কিনা, সেটা প্রথম পর্যায়ে চিহ্নিত করা জরুরি। তবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    কীভাবে বিপদ রুখবেন?

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া রুখতে হলে প্রথমে মশার দাপট কমানো জরুরি। বাড়ি এবং আশপাশের এলাকার পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজরদারি জরুরি। নিকাশি ব্যবস্থাও ঠিক থাকা প্রয়োজন। জমা জলেই মশার বংশবিস্তার হয়। জনসচেতনতার পাশপাশি তাই স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বারবার জ্বর হলে, জ্বরের সঙ্গে বমি, পেট ও মাথা ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো দ্রুত রক্ত পরীক্ষা জরুরি। তবেই রোগ চিহ্নিত হবে। রোগ মোকাবিলা সহজ হবে।

  • IT-ED Raids: ভোটের আগেই বড় ঝটকা! মমতার প্রস্তাবকের বাড়িতে আয়কর হানা, জোড়া অভিযানে তোলপাড় কলকাতা

    IT-ED Raids: ভোটের আগেই বড় ঝটকা! মমতার প্রস্তাবকের বাড়িতে আয়কর হানা, জোড়া অভিযানে তোলপাড় কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণের এক সপ্তাহও বাকি নেই। তার মধ্যেই, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ (Land Scam Kolkata) সংক্রান্ত মামলায় শহরের বিভিন্ন জায়গায় জোড়া অভিযান আয়কর দফতর ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (IT-ED Raids)। নির্বাচনী আবহে শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    আয়কর-ইডির জোড়া ফলা

    শুরুটা হয়েছিল রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা ওই কেন্দ্রেরই বিদায়ী বিধায়ক এবং কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়কর হানা দিয়ে। এর পর, ক্রমে বেলা যত বাড়তে থাকে, আয়কর অভিযানের ব্যাপ্তিও বাড়তে থাকে। দেবাশিস কুমারের শ্বশুর বাড়িতেও হয় আয়কর অভিযান। এর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর কেন্দ্রের অন্যতম প্রস্তাবকের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর। অন্যদিকে, শহরের এক পরিচিত বিল্ডার্স গোষ্ঠীর বাড়ি ও দফতরে হানা দেয় ইডি। পরে, কালীঘাটে এক দাপুটে তৃণমূল নেতার বাড়িতেও পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা।

    মমতার প্রস্তাবকের বাড়িতে আয়কর

    তবে, সবচেয়ে উল্লেখোগ্য অভিযান আয়কর চালায় বেলার দিকে। দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মনোনয়নের অন্যতম প্রস্তাবক মিরাজ শাহের (Miraj Shah) বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর। শুক্রবার সকালে মিরাজ শাহের বাড়িতে হানা দেয় আয়কর দফতর। আধিকারিকদের সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও। বাড়ির ভেতরে চলতে থাকে তল্লাশি অভিযান—খতিয়ে দেখা হচ্ছে নথিপত্র, পাশাপাশি বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের খবর।

    কে এই মিরাজ শাহ?

    উল্লেখ্য, ভবানীপুর মনোনয়ন পর্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট মিরাজ শাহ। ফলে ভোটের আবহে তাঁর বাড়িতে এই তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। শাসকদলের একাংশ ইতিমধ্যেই এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছে। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার একটি নির্মাণ সংস্থার জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি। যদিও গোটা ঘটনাকে ঘিরে আয়কর দফতরের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    ইডির নজরে মার্লিন…

    এদিকে, আয়কর দফতরের পাশাপাশি এই একই মামলার তদন্তে সক্রিয় আরও এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-ও। ভোর থেকেই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে শহরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় ইডি। এদিন ইডির নজরে মার্লিন গ্রুপ। মিডলটন স্ট্রিট, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে সংস্থার একাধিক দফতর ও কর্তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সল্টলেক সিকে ব্লকে প্রোমোটারের বাড়িতেও হানা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। ওই ব্লকের আরও একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে অভিযান চালাচ্ছে ইডি। একটি প্রকল্পের নামে জাল নথি তৈরি করে টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে সংস্থার বিরুদ্ধে।

    কালীঘাটের দাপুটে তৃণমূল নেতার বাড়িতে তল্লাশি

    এদিন মার্লিনের পাশাপাশি, দাপুটে তৃণমূল নেতা কুমার শাহার কালীঘাটের গ্রিক চার্চের কাছে বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতা দেবাশিস কুমারের ঘনিষ্ঠ। জমি কেলেঙ্কারির মামলা তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বাড়ির পাশাপাশি কুমার সাহার অফিসেও এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের হানা। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে, দেবাশিস কুমারের বাড়ির কাছেই আরও এক নির্মাণকারী সংস্থা সান গ্রুপের বিভিন্ন দফতর ও বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই সময়ে তল্লাশি চালানো হয়েছিল সমাজবিরোধী সোনা পাপ্পুর বাড়িতেও।

    শুরু রাজনৈতিক তরজা

    তবে, ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবক এবং দলের একাধিক নেতার বাড়িতে এই তল্লাশিকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী তরজা এখন তুঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে পেরে না উঠে বিজেপি এখন এজেন্সির ওপর ভরসা করছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির এই সক্রিয়তাকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ একে ‘রাষ্ট্রযন্ত্রের বিকৃত ব্যবহার’ বলে কটাক্ষ করেছেন। বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের কাজ করছে। সব মিলিয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভবানীপুর তথা রাজ্য রাজনীতির পারদ আরও চড়ল।

  • West Bengal Elections 2026: ট্রাইবুনালে পাস করে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে কীভাবে জানবেন ভোটাররা, বলল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ট্রাইবুনালে পাস করে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে কীভাবে জানবেন ভোটাররা, বলল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকাকে অনুসরণ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছে। কমিশনের (Election Commission India) তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে যদি কোনও আইনি জটিলতা থাকে এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাইবুনাল যদি কোনও ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার অনুমতি প্রদান করে, তবে তিনি নির্বিঘ্নে নিজের ভোটাধিকার (West Bengal Elections 2026) প্রয়োগ করতে পারবেন।

    সিইও-র বক্তব্য

    রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘বিএলওদের দায়িত্ব রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। এছাড়া ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেন ভোটাররা, এছাড়া বিডিওর কাছেও সব তথ্য দেওয়া থাকবে। নির্বাচন কমিশনকে  সেতু বন্ধনের মতো একটা সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে যেখানে নামের নিষ্পত্তি হতেই ভোটারদের নাম তালিকায় যুক্ত হতে থাকবে।’’

    আদালতের নির্দেশনাকে অগ্রাধিকার (West Bengal Elections 2026)

    সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ বা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাইবুনালের রায়ই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (CEO) জানিয়েছেন, যদি কোনও ভোটারের (West Bengal Elections 2026) নাম নিয়ে আপত্তি থাকে কিন্তু ট্রাইবুনাল তাকে ‘ক্লিয়ারেন্স’ বা ছাড়পত্র দিয়ে থাকে, তবে তাকে ভোটদান থেকে বিরত রাখা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে যাতে কোনও প্রকার বিভ্রান্তি না তৈরি হয়, সেইজন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মূলত আইনি লড়াইয়ে জয়ী বা ট্রাইবুনাল থেকে বৈধতা পাওয়া ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার সুনিশ্চিত করতেই নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এটি যেমন আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তেমনি প্রকৃত ভোটারদের অধিকার রক্ষার একটি বলিষ্ঠ ধাপ। আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন বা নতুন নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে অনেক সময় কৌতূহল ও বিভ্রান্তি দেখা দেয়। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ও আইনি কাঠামো গঠন হয়েছে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ভোটার তালিকা সংশোধন করার প্রক্রিয়া একটি নিরবিচ্ছিন্ন কাজ হলেও, নির্বাচনের ঠিক আগে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার পর আর নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে যে, নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখের পর ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলা বা কোনও বড় পরিবর্তন করা আইনত সম্ভব নয়।

    ভোটদানের অধিকার ও ট্রাইবুনাল

    যদি কোনও ব্যক্তির নাম নিয়ে ট্রাইবুনালে মামলা চলে এবং ট্রাইবুনাল তাকে বৈধ ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে সেই নির্দেশের ভিত্তিতে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। আবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা (West Bengal Elections 2026) তৈরি করাই তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। মৃত ব্যক্তি বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে একটি ত্রুটিমুক্ত তালিকা প্রস্তুত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের তরফে সিইও মনোজ আগরওয়ালা  বলেন, “ট্রাইবুনাল স্বাধীনভাবে কাজ করছে, এরা নির্বাচন কমিশন (ECI) বা সিইও অফিসের অধীনে নয়। সুতরাং যতদিন না ড্যাশবোর্ড তৈরি হচ্ছে, তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করা যাবে না।’’

    কতজনের নিষ্পত্তি সম্ভব?

    সূত্রের তথ্য জানিয়েছে, রাজ্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল কাজ করছে। ট্রাইবুনালগুলির মাথায় রয়েছেন ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতি। প্রতিদিন ১০টি করে আবেদন যাচাই করে পোর্টালে তুলছে। ১০টি নাম নিষ্পত্তি হলে, আরও ১০টি আবেদন জমা পড়ছে। যদি ধরেও নেওয়া হয় যে প্রতিদিন প্রত্যেক ট্রাইবুনাল ১০টি করে আবেদনের নিষ্পত্তি করছে, তাহলে একদিনে সংখ্যাটা হয় ১৯০। গত ১৩ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করেছে ট্রাইবুনাল। প্রথম দফার ক্ষেত্রে সময় রয়েছে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। এই ৯ দিনের মধ্য তিনদিন ছুটি। ছুটির দিন কোথাও কাজ হয়েছে, কোথাও হয়নি। ফলে ৯ দিনের প্রতিদিন ১৯০টি করে নিষ্পত্তি হলেও সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১,৭১০। সুতরাং কোনও অবস্থাতেই প্রথম দফার আগে দু হাজারের বেশি নামের নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেছে পরিসংখ্যান।  তাই ভোট কতজন দিতে পারবেন, সেই সংশয় রয়েই যাচ্ছে।

    কত নাম বাদ পড়েছে

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর প্রথম প্রকাশ হওয়া চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ পরে প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম। এরপর ৬০ লক্ষের কিছু বেশি নাম ছিল বিচারাধীন তালিকায়। মূলত তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে এই ৬০ লক্ষ নাম সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরনোর পর আরও ২৭ লক্ষ নাম বাদ পড়ে। এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৯০ লক্ষের বেশি।

  • Shamik challenges Mamata: ‘পুরনো ভোটার লিস্টে ভোট করুন, তাও জিততে পারবেন না’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    Shamik challenges Mamata: ‘পুরনো ভোটার লিস্টে ভোট করুন, তাও জিততে পারবেন না’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরনো ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করালেও বাংলায় চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Shamik challenges Mamata)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদল স্পষ্ট। এসআইআর মামলায় সুপ্রিম নির্দেশের পর সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইবুনাল যাঁদের ছাড়পত্র দেবে, তাঁরা প্রথম দফার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সংবিধানের ১৪২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রয়োগ করা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ভোটের ২ দিন আগে ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হলেও দেওয়া যাবে ভোট।

    মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik challenges Mamata)। তাঁর সাফ কথা, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে ভোট করাতে চাইছেন সেভাবেই করুন। পুরোনো ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করুন। তাও চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। তৃণমূল চলে গিয়েছে। তৃণমূল শেষ।” এদিন কমিশনের বিরুদ্ধেও খানিক ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গিয়েছে শমীককে। বলেন, “আমরা এই প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট নই। আমাদের ফর্ম ৭ এর শুনানি হয়নি। নির্বাচন কমিশন আমাদের কথা পুরো শোনেননি। আমাদের অভিযোগ, আমাদের অভিমান কমিশনের বিরুদ্ধে। কিন্তু একটা সাংবিধানিক সংস্থা। আমরা তাঁদের আধিকারিকদের প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি আমরা সন্তুষ্ট নই।”

    কী বলল দেশের শীর্ষ আদালত

    অবশেষে বাংলার এসআইআর মামলায় বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে পরিষ্কার বলা হয়েছে, যে লক্ষ লক্ষ ভোটার, যাঁরা ট্রাইবুনালে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, এবং তাঁদের মধ্যে যাঁদের প্রথম দফার ভোট (২৩ এপ্রিল) রয়েছে, এবং ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মধ্যে যাঁদের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং যাঁরা যাঁরা ট্রাইবুনালে পাশ করবেন, তাঁদের প্রত্যেকের নাম ভোটার লিস্টে উঠবে। তার জন্য সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করতে হবে এবং ২৩ এপ্রিল তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। একইভাবে, দ্বিতীয় দফার ভোট হচ্ছে ২৯ এপ্রিল। ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত, যাঁদের যাঁদের ভোটার লিস্টে নাম ওঠার জন্য সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, যাঁরা ট্রাইবুনালে পাশ করতে পারবেন, তাঁরা দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন। এই ২৭ এপ্রিল অবধি যাঁদের নাম উঠবে, তাঁদের জন্য আলাদা সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বের করা হবে।

  • West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন পুলিশ আধিকারিকদের বদলি সংক্রান্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কোনও প্রকার হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্ট (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কোনও আইনি জটিলতা তৈরি করার প্রয়োজন নেই। ফলে রাজ্য সরকারের ফের আরেকবার মুখ পুড়ল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন আবহে (West Bengal Elections 2026) রাজ্যের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যে আবেদন করা হয়েছিল, তাতে আদালত কোনও সাড়া দেয়নি। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টও কমিশনের এই প্রশাসনিক এক্তিয়ারের পক্ষেই মত দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সেই নির্দেশকেই কার্যকর রাখল।

    বঙ্গে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে ৪৬ জন অফিসার বদল করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং এই আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা করেছিল মমতা সরকারের তরফে। পাশাপাশি বিডিও, আইসি এবং ওসি বদলি নিয়ে দায়ের হয় আর একটি মামলা। তবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দুটি খারিজ করে দেন। তাঁদের সাফ কথা, “নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের বদলি করার সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত, অযৌক্তিক বা দুরভিসন্ধিপূর্ণ বলে মনে করা যায় না। কারণ গোটা দেশে এমন অফিসার বদলির ঘটনা ঘটেছে একাধিক জায়গায়।”

    আইনি যুক্তি

    শীর্ষ আদালতের মতে, নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও আধিকারিককে বদলি বা নতুন করে নিয়োগের ক্ষমতা রাখে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বিশেষ কোনও মৌলিক অধিকার খর্ব হয়নি বলেই মনে করছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক ক্ষমতা ও আধিপত্য আরও একবার আইনি শিলমোহর পেল। রাজ্যের বর্তমান নির্বাচনী আবহে কমিশনের নেওয়া বদলি সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলি নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এই রায়ের ফলে পুরোপুরি দূর হয়েছে। এখন থেকে কমিশন (Supreme Court) তার নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক রদবদল চালিয়ে যেতে পারবে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট কথা নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

  • Income Tax Raid: ইডির পর এবার আয়কর হানা দেবাশিস কুমারের বাড়ি, দফতরে, ভোটের মুখে বিপাকে রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী

    Income Tax Raid: ইডির পর এবার আয়কর হানা দেবাশিস কুমারের বাড়ি, দফতরে, ভোটের মুখে বিপাকে রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) পর এবার আয়কর দফতর। ভোটের মুখে আরও বিপাকে দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাশিস কুমার (TMC MLA Debasish Kumar)। শুক্রবার ভোরেই দক্ষিণ কলকাতার মনোহরপুকুর রোডে শাসক দলের বিদায়ী বিধায়ক তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র-ইন-কাউন্সিল (MMIC) সদস্য দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে একযোগে এই তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর (Income Tax Raid)।

    ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় রাসবিহারীতে ভোটগ্রহণ

    জানা গিয়েছে, আয়কর দফতরের দুটি দল কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF)-এর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে সকাল প্রায় ৬টা থেকে ৬টা ৩০-এর মধ্যে হাজির হয় মনোহরপুকুর রোডে অবস্থিত কুমারের বাসভবন এবং তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্প অফিসে। এরপরই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। দেবাশিস কুমার বর্তমানে রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি ওই কেন্দ্র থেকেই পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে নেমেছেন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় রাসবিহারীতে ভোটগ্রহণ হবে এবং ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। এই কেন্দ্রে তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী করেছে বিজেপি, যাঁর নাম স্বপন দাশগুপ্ত। এদিকে, তল্লাশির খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেবাশিস কুমারের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল সমর্থকরা সেখানে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের।

    বেআইনি জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় অভিযান

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একটি বেআইনি জমি দখল সংক্রান্ত মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এর আগে একই মামলায় একাধিকবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) দেবাশিস কুমারকে তলব করেছিল। গত ১, ৩ এবং ৯ এপ্রিল সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় এবং তিনি প্রতিবারই হাজিরা দেন। তদন্তকারী সংস্থা খতিয়ে দেখছে, ব্যবসায়ী অমিত গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেবাশিস কুমারের কোনও আর্থিক লেনদেন ছিল কি না। উল্লেখ্য, ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।

    শহরের অন্য প্রান্তে সক্রিয় ইডি

    একদিকে যেমন দেবাশিস কুমারের বাড়ি-দফতরে আয়কর তল্লাশি চলছে, ঠিক একই সময়ে শহরের অন্য প্রান্তে চলছে ইডি অভিযান। শুক্রবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডির একাধিক দল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। এরপর তারা নির্দিষ্ট একটি নির্মাণকারী সংস্থার একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায়। সূত্রের খবর, আর্থিক তছরুপের মামলাকে কেন্দ্র করেই এই অভিযান। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই ওই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং দফতরে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তখন ইডি দাবি করেছিল, ভোটের আগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন রুখতে এবং জমি সংক্রান্ত লেনদেনের তথ্য খতিয়ে দেখতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। সেই তল্লাশি থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই শুক্রবার ফের ওই নির্মাণকারী সংস্থার দফতর-সহ একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি, সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে।

  • WB Migrant Workers: ট্রেনে টিকিটের জন্য হাহাকার, বঙ্গ-ভোটে মত দিতে ঘরে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা

    WB Migrant Workers: ট্রেনে টিকিটের জন্য হাহাকার, বঙ্গ-ভোটে মত দিতে ঘরে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের ট্রেনের টিকিট সম্ভবত কনফার্ম হবে না। ওয়েটিং লিস্টও খুব বড়। কিন্তু আমি একটা জিনিস জানি, আমরা কালই বেরিয়ে পড়ব। চাকরি চলে গেলেও আমার কিছু যায় আসে না।” নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন পোদ্দা। পূর্ব দিল্লির দাল্লুপুরায় গৃহকর্মীর কাজ করেন তিনি। পোদ্দা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে তিনি এবং তাঁর পরিবারের আরও আট সদস্য বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় তাঁদের গ্রামে যাবেন ভোট দিতে। তাঁর মতে, তাঁর মতো শত শত মানুষ বাংলায় নিজেদের ভিটেয় ফিরে যাচ্ছেন স্রেফ ভোট দিতে। ভোট না দিলে পাছে নাগরিকত্ব হারাতে হয়, তাই এবার (SIR) ভোট দিতে মরিয়া তাঁরা।

    ভোট দিতে কাজ খোয়াতেও রাজি পরিযায়ী শ্রমিকরা (WB Migrant Workers)

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হবে দু’দফায় —২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার নির্বাচন মাত্র এক সপ্তাহ দূরে থাকায়, গৃহকর্মী, আয়া, রাঁধুনি এবং অন্যান্য শ্রমিক-সহ বহু পরিযায়ী শ্রমিক দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ বিভিন্ন শহর এবং শিল্পাঞ্চল থেকে বাংলায় ফেরার জন্য হুড়োহুড়ি করছেন। পোদ্দা বলেন, “দিল্লিতে যেখানে আমি থাকি, সেখানে আমাদের মতো অনেকেই বাড়ি ফিরছে। তারা ভয় পাচ্ছে, এবার ভোট না দিলে তাদের নাম কেটে দেওয়া হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবে না। কেউ কেউ তো আবার নাগরিকত্ব হারানোর আশঙ্কাও করছেন।” দিল্লির পোদ্দার মতোই কাজের সূত্রে বেঙ্গালুরুতে রয়েছেন মুর্শিদা খাতুন। তিনি আয়ার কাজ করেন। তিনিও ভোট দিতেই ফিরছেন বাংলায়। মুর্শিদার মালকিন (SIR) আকাঙ্খা। তিনি বলেন, “উনি (মুর্শিদা) একদম স্পষ্টভাবে বলেছিলেন কেন যাচ্ছেন। তাঁর ভয় ছিল, এবার ভোট না দিলে হয়তো আর কখনও সুযোগ পাবেন না। তিনি আরও ভয় পাচ্ছিলেন এই ভেবে যে, ভোট না দিলে তাঁকে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে (WB Migrant Workers)।”

    নাগরিকত্ব হারানোর ভয়

    গৃহকর্মী এবং আয়াদের মতোই, দেশের বিভিন্ন মহানগর ও শিল্পাঞ্চলের বহু শ্রমিকও যেন-তেন প্রকারে বাংলায় ফিরে ভোট দিতে চাইছেন।কিছু পরিযায়ী শ্রমিক তাঁদের বার্ষিক বাড়ি যাওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে ভোটের সময়সূচি মিলিয়ে নিয়েছেন। কেউ কেউ আবার ফিরছেন যাতে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকে, আশঙ্কা এড়ানো যায় নাগরিকত্ব হারানোরও। যদিও এই ভয়গুলির বাস্তব কোনও ভিত্তিই নেই, তবুও তাঁরা মনে করছেন এটাই ভবিষ্যতের ঝুঁকি এড়ানোর সুযোগ। মুম্বইয়ের জাভেরি বাজারের কিছু শ্রমিক, যাঁরা ট্রেনের টিকিট পাচ্ছেন না, তাঁরা প্রায় ১৯০০-২৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন বাসে।

    এসআইআর

    ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ করতে চালু হয়েছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া শুরু হতেই বেড়েছে এই ধরনের প্রবণতা। অনেকেই বলছেন, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য যে পরিশ্রম করতে হয়েছে, তা এখন ভোট দেওয়াকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তৃণমূল নেত্রী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে বেরিয়ে বলেছেন, “ইসি, বিজেপি এবং কেন্দ্র সংবিধান মানছে না। তারা ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। আজ ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে, কাল এনআরসি এনে নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তার জেরেই বাংলায় ফিরতে হুড়োহুড়ি করছেন নিজ ভূমে পরবাসীরা (WB Migrant Workers)।

    বাড়ি ফেরার জন্য হুড়োহুড়ি

    নির্বাচনের আগে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং ‘বহিরাগত’ ইস্যু বড় রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়েছে। বিজেপি সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অস্বাভাবিক ভোটার বৃদ্ধিকে অবৈধ অভিবাসনের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছে, যার জেরে সৃষ্টি হয়েছে ভয়ের পরিবেশ। এই রাজনৈতিক বার্তাগুলি বাংলার বাইরে কাজ করা ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তাই বেড়েছে বাড়ি ফেরার জন্য হুড়োহুড়ি। এর প্রভাব পড়ছে দিল্লি এনসিআর, মুম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ বিভিন্ন শহরের পরিবারগুলিতে, যা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, বড় শহরগুলির পেশাগত কাঠামো কতটা নির্ভরশীল অসংগঠিত শ্রমিকদের ওপর (SIR)। পোদ্দা বলেন, “যদি কিছুই না হয় (টিকিট কনফার্ম), তাহলে আমরা গাদাগাদি করে সাধারণ বগিতে করেই দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে যাব।” তিনি বলেন, “অনেকে ভয় পাচ্ছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও কন্যাশ্রীর মতো প্রকল্পের সুবিধাও হারাতে হতে পারে (WB Migrant Workers)।”

    বাংলায় কাজ নেই, তাই পাড়ি ভিন রাজ্যে!

    উত্তরপ্রদেশের খুরজার সিরামিক শিল্পে কাজ করেন রাহুল। তিনি বলেন, “আমার কোনও উপায় নেই। আমাকে প্রায় ২০ দিনের জন্য কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরতে হবে।” তিনিও বলেন, “ভোট না দিলে নাম কাটা যেতে পারে, প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে নাগরিকত্বও।” এই কারণেই খুরজার বহু সিরামিক কারখানা প্রায় ২০ দিনের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এদিকে, দিল্লি, গুরগাঁও, নয়ডা, জয়পুর-সহ বিভিন্ন শহরে গৃহকর্মীর অভাব দেখা দিয়েছে। অনলাইন পরিষেবাগুলিতেও স্লট মিলছে না। মুম্বইয়ের জাভেরি বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এখানকার প্রায় ৬০ শতাংশ কারিগর ইতিমধ্যেই ফিরে গিয়েছেন, আরও অনেকেই যাবেন। বস্তুত, এই গৃহকর্মী ও শ্রমিকদের কাছে এই নির্বাচন শুধুমাত্র ভোট নয়—এটি তাঁদের অস্তিত্বের স্বীকৃতি। তাঁরা মনে করছেন, ভোট না দিলে সামাজিক সুরক্ষা ও নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। তাই তাঁরা রুজি-রোজগার এবং দীর্ঘ পথযাত্রার ঝুঁকি নিয়েও ভোট দিতে ফিরে যাচ্ছেন নিজেদের গাঁয়ে। তাঁদের এই ‘দেশে’ ফেরা থেকেই স্পষ্ট, বাংলায় কাজ নেই। পেটের দায়ে তা-ই তাঁদের পাড়ি দিতে হয় ভিন রাজ্যে (sir)।

     

  • Bharatiya Janata Party: বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ‘যুবশক্তি কার্ড’-এর মাধ্যমে বেকারদের মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস

    Bharatiya Janata Party: বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ‘যুবশক্তি কার্ড’-এর মাধ্যমে বেকারদের মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বড়সড় আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party)। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষমতায় এলে তারা ‘যুবশক্তি কার্ড’ চালু করবে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন বেকারদের (WB Assembly Polls 2026) প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

    যুবশক্তি কার্ড (Bharatiya Janata Party)

    বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে এবং কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত না হওয়া পর্যন্ত যুবকদের পাশে দাঁড়াতে এই কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে ভারতীয় যুব মোর্চার তরফে। এই প্রকল্পের অধীনে যোগ্য আবেদনকারীরা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পাবেন। এর মূল উদ্দেশ্য হল, যুবক-যুবতীদের (WB Assembly Polls 2026) দৈনন্দিন খরচ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আর্থিক স্বচ্ছলতা প্রদান করা। শিল্প হবে, বিনিয়োগ হবে। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান হবে। প্রতি বছর এসএসসি, টেট-সহ নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সরকারি চাকরির বয়স সীমায় ৫ বছরের ছাড়। স্টার্ট আপ করতে চাইলে আর্থিক সাহায্য করবে বিজেপি। ৫ লক্ষ যুবক-যুবতিদের ১০ লক্ষ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে সহ আরও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

    বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান

    দলের নেতৃত্ব দাবি করছেন যে, রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাব ঘোচাতে এবং বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরতেই এই জনমুখী প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুব সমাজকে স্বাবলম্বী করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের কয়েক লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী সরাসরি উপকৃত হবেন বলে বিজেপি (Bharatiya Janata Party) শিবিরের আশা।

    এখানে কত স্টার্টআপ হয়েছে?

    টেনিস তারকা ও বিজেপি নেতা লিয়েন্ডার পেজ বলেন, “গত ১৫ বছরে রাজ্যের অর্থনীতি, শিক্ষা, চাকরির অবস্থা খুব খারাপ। পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে যুবসমাজ। কেউ কাজের জন্য যাচ্ছেন। কেউ আবার উচ্চশিক্ষার জন্য মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু চলে যাচ্ছে। এখানে কত স্টার্টআপ হয়েছে? নারীরা আদৌ কত সুরক্ষিত?” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এবং কর্মসংস্থানকে প্রধান নির্বাচনী ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতেই বিজেপি (WB Assembly Polls 2026) এই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে এই প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

  • West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ মজবুত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন।  ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যেরে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। জানা গেছে, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪০,৯২৮ জন রাজ্য পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ২৪০৭ কোম্পানি  কেন্দ্রীয় বাহিনীও প্রথম দফায় মোতায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের প্রস্তুতি

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এই দফায় নিরাপত্তার (West Bengal Elections 2026) ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। প্রথম দফায় (West Bengal Elections 2026) উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলাতেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কোচবিহারে ২,৩৭০ জন এবং মালদায় ২,৮১৮ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। পাহাড়ের জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে থাকছেন যথাক্রমে ১,১৭০ এবং ৬২৭ জন কর্মী। জেলাভিত্তিক পুলিশ মোতায়েনের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। এই জেলায় মোট ৫,৭৬৬ জন পুলিশকর্মী নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩,৩২৭ জন এবং আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ৩,১২৭ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে।

    চার গুণ বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটে সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ওই জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে একটি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা এবং অপরটি হল, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। আর এই দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলাতেই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন হবে জঙ্গিপুরে। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে থাকবে ৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে থাকবে ৪৪ কোম্পানি।

    বাড়তি নজর কোচবিহারে

    উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলাকে স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদায় ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।

    অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রাম জেলায় ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূম জেলায় ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    অতিরিক্ত বাহিনী রিজার্ভে

    জেলাভিত্তিক মোতায়েনের পাশাপাশি ২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত সংখ্যক রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকবে। প্রতি বুথে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (Election Commission India) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল নিরাপত্তা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) মনে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

LinkedIn
Share