Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Kalyan Banerjee: কল্যাণের অস্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটির বেশি, রয়েছে দুটি গাড়ি, দিল্লি-কালীঘাটে ফ্ল্যাট

    Kalyan Banerjee: কল্যাণের অস্থাবর সম্পত্তি ২৪ কোটির বেশি, রয়েছে দুটি গাড়ি, দিল্লি-কালীঘাটে ফ্ল্যাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের তিনবারের সংসদ এবং হেভি ওয়েট নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerje)। আগে একবার বিধায়কও ছিলেন। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী। হুগলির শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের এই বারের প্রার্থী হয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তাঁরই মেয়ের প্রাক্তন জামাই কবীর শঙ্কর বোস। অপরে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছেন সিপিএমের প্রার্থী দিপ্সীতা ধর। নিজের মনোনয়ন জমা করে এদিন কল্যাণ নিজের হলফ নামায় সম্পত্তির পরিমাণ জানিয়েছেন।

    সম্পত্তির পরিমাণ কত(Kalyan Banerje)?

    বছর সাতষট্টীর এই আইনজীবী তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ নিজের হলফ নামায় জানিয়েছেন ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষ পর্যন্ত আয়ের হিসেব জানিয়েছেন। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ৪ কোটি ৩২ লক্ষ ৬৩ হাজার ২৬৬ টাকা। তার আগের অর্থবর্ষ অর্থাৎ ২০২১-২২ এ তাঁর আয় ছিল ৪ কোটি ৩২ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫৪৪ টাকা। তিনি ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ১২৩ টাকা আয় করেছিলেন ২০২০-২১ অর্থবর্ষে। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ছিল ২ কোটি ১২ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৬৯ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে তিনি ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ ৩৭ হাজার ৮২০ টাকা আয় করেছিলেন।

    স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ কত?

    কল্যাণ নিজের হলফ নামায় স্ত্রী ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয়ের হিসাবে জানিয়েছেন ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে তাঁর স্ত্রীর আয় ছিল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়ের আয় ছিল ২ লক্ষ  ৮৮ হাজার ৫৩০ টাকা। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ৬০ হাজার ২৫০ টাকা আয় করেছিলেন ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগের অর্থবর্ষে ২০১৯-২০ তে তাঁর আয় ছিল ২ লক্ষ ৬০ হাজার ২৫৪ টাকা। আর ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার ১২০ টাকা আয় করেছিলেন ছবিদেবী। মনোনয়ন পেশ করার সময় কল্যাণের (Kalyan Banerje) হাতে নগদ ছিল ৫০ হাজার টাকা। একাধিক ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে। একই ভাবে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

    রয়েছে দুটি গাড়ি

    হলফ নামায় কল্যাণ (Kaylan Banerje) জানিয়েছেন তাঁর দুটি গাড়ি রয়েছে। একটি গাড়ি ২০২১ সালে ২২ লক্ষ ৬৭ হাজার দিয়ে কিনেছেন। অপর আরেকটি গাড়ি ৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছেন। তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকার সোনা রয়েছে। স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২৪ লক্ষ টাকার সোনা। তাঁর বাড়িতে আইনজীবী পেশার কারণে ১ কোটি টাকার বই রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ হল ২৪ কোটি ২০ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৩৫ টাকা। স্ত্রীর কাছে মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ রয়েছে ২ কোটি ৭১ লক্ষ ৪১ হাজার ৫৩৬ টাকা। এছড়াও কালীঘাটে, দিল্লি এবং শ্রীরামপুরে ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর। তিনি ১৯৭৫ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম পাশ করেছিলেন। এরপর ১৯৭৯ সালে রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি পাশ করেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Satabdi Roy: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    Satabdi Roy: “সকলে টাকা পায়, আমি কেন পাই না?”, ভোটপ্রচারে নেমে ফের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। সামনেই রয়েছে চতুর্থ দফার ভোট। আর চতুর্থ দফার ভোটে অন্যান্য কেন্দ্রের সঙ্গে ভোট রয়েছে বীরভূমেও। তাই ভোটপ্রচারের শেষ দিনে ঝড় তুলেছিলেন বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। কিন্তু, থমকাতে হল মগদমনগরের রাস্তায়। বিদায়ী সাংসদ এবং লোকসভার প্রার্থী শতাব্দীকে সামনে পেয়ে একের পর এক দাবি শোনাতে থাকেন গ্রামের মহিলারা।

    শতাব্দীকে ঘিরে আবারও বিক্ষোভ (Satabdi Roy)

    বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল প্রার্থী তথা তিনবারের সাংসদ শতাব্দী রায়। এবারের লোকসভা ভোটেও তৃণমূল তাঁকেই প্রার্থী করেছে। তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও ভোটের ময়দানে প্রচারে নেমে একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে বিদায়ী সাংসদকে (Satabdi Roy)। আর এবারও ঘটল সেই একই ঘটনা। প্রচারে নামতেই তাঁকে ছেঁকে ধরলেন গ্রামবাসীরা।

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ 

    উল্লেখ্য চতুর্থ দফার ভোট (Lok Sabha Vote 2024) প্রচারের আগে শনিবার প্রচারে নামেন শতাব্দী। কিন্তু মহম্মদবাজার ব্লক এলাকার মগদমনগর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাকে (Satabdi Roy)। পানীয় জলের সমস্যা, এলাকায় উন্নয়নে খামতি, রাস্তাঘাট খারাপ-সহ একাধিক অভিযোগ শুনতে তাঁকে। যদিও সকলেরই অভিযোগ মোটামুটি এক—পানীয় জলের সমস্যা। সঙ্গে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা না পাওয়ার অভিযোগও উঠল। কেউ কেউ অভিযোগ করলেন, বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পাচ্ছেন না। 
    এ প্রসঙ্গে,স্থানীয় বাসিন্দা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী পিয়া সর্দার বলেন, “সকলে টাকা পায়, আমি কেন টাকা পাই না? আমার স্কুলের সকলে টাকা পায়, অথচ আমি ক্লাস সিক্স থেকে টাকা পাই না। ওনাকে বললাম সেটাই। উনি তো কিছুই বললেন না।” অন্যদিকে এলাকার আরেক মহিলার অভিযোগ, “দিদি (Satabdi Roy)কিছু শোনেই না। কথাই বলতে পারলাম না। আমাদের কথা শুনবে না তো কার কথা শুনবে? কিছুই পাইনি আমরা।”
    যদিও এই বিক্ষোভের পরিস্থিতি এলাকার নেতারা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে বিক্ষোভের সময় গাড়ি থেকে নামেননি শতাব্দী (Satabdi Roy)। গাড়িতে সামনের সিটে বসে ছিলেন তিনি।  জানলা দিয়ে মুখ বার করে সবাইকে শান্ত হওয়ার আবেদন করেন তিনি। তবে গ্রামবাসীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনও কথা বলেননি শতাব্দী। তার পর গাড়ির জানলা দিয়ে সবাইকে হাতজোড় করে নমস্কার জানিয়ে এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে যান। 

    আরও পড়ুন: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    রাস্তা ও জল নিয়েই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ

    এর আগেও প্রচারে নেমে গ্রামবাসীদের প্রচুর অভিযোগ শুনতে হয়েছিল শতাব্দী রায়কে (Satabdi Roy)। রাস্তা ও জল নিয়েই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলির দিকে। যেখানেই গেছেন শতাব্দীকে সামনে পেয়ে রীতিমতো অভিযোগের ডালা সাজিয়ে ধরেছেন গ্রামবাসীরা। আবাসন প্রকল্পে ন্যায্য প্রাপকেরা বঞ্চিত হয়েছেন এই অভিযোগও এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যার কথা বললেও এই সমস্যার সুরাহা হয়নি এলাকায়। বহু গ্রামে ইটের রাস্তা রয়েছে, নেই কোনও পাকা রাস্তা,এমনও অভিযোগ রয়েছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in Bengal: আজ রাজ্যে ৪টি সভা! প্রচারে ঝড় তুলতে শনিবার রাতেই শহরে মোদি

    PM Modi in Bengal: আজ রাজ্যে ৪টি সভা! প্রচারে ঝড় তুলতে শনিবার রাতেই শহরে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রাজ্যের ৩ জেলায়, চারটি স্থানে জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi in Bengal)। শনিবার রাতেই তিনি পা রাখেন কলকাতায়। রাত্রিবাস করেন রাজভবনে।

    কোথায় কোথায় সভা 

    বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bengal) তাঁর প্রথম জনসভাটি করবেন রবিবার সকাল ১১ টা৩০ নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহের সমর্থনে সভা করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় সভাটি হবে চুঁচুড়ায়, হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে। জানা গেছে নরেন্দ্র মোদির চুঁচুড়ার সভাটি হবে দুপুর একটা নাগাদ। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির এর পরের জনসভা রয়েছে পুড়শুড়াতে। বিজেপি সূত্রে খবর, ওই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পৌঁছবেন দুপুর আড়াইটা নাগাদ। এই সভায় তিনি আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অরূপ কান্তি দিগের এর সমর্থনে সভা করবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সর্বশেষ সভাটি হবে হাওড়া সাঁকরাইলে। হাওড়ার বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীর সমর্থনে। বিজেপি সূত্রে খবর, বিকাল ৪টা নাগাদ এই সভাস্থলে পৌঁছাবেন তিনি। প্রসঙ্গত যে চার জায়গায় প্রধানমন্ত্রী জনসভা করবেন এই আসনগুলিতে, সেগুলির ভোট রয়েছে আগামী ২০মে।

    ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর এ নিয়ে নবমবার রাজ্যে প্রচারে এলেন প্রধানমন্ত্রী 

    প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর এ নিয়ে নবমবার রাজ্যে প্রচারে এলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবারই অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ দফার নির্বাচন। তার আগে বাংলায় পরপর চারটে হাইভোল্টেজ সভা বিজেপি কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রসঙ্গত, শনিবার ঝাড়খণ্ডের ছাতরার জনসভা সেরে কলকাতায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নামার পরেই যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়, উল্টোডাঙা উড়ালপুল, মা উড়ালপুল, ইএম বাইপাস-এর রাস্তায়। রবিবার সভা শেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bengal) ফিরে যাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panihati: ভোটের মুখে পানীয় জলের দাবিতে পানিহাটিতে অনশনে নামল পুরবাসী, চাপে তৃণমূল!

    Panihati: ভোটের মুখে পানীয় জলের দাবিতে পানিহাটিতে অনশনে নামল পুরবাসী, চাপে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে প্রচারে বেরিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়। পানীয় জলের দাবিতে পানিহাটি (Panihati) পুরসভার বাসিন্দারা রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। ভোটের আগে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে আন্দোলনে নামলেন পুরসভার বাসিন্দারা। আর এই ঘটনায় জোর ধাক্কা খাবে তৃণমূল। এমনটাই মনে করছে বিজেপি।

    পানীয় জলের দাবিতে অনশনে বাসিন্দারা (Panihati)

    দরবার করেও মিলছে না পানীয় জল। নিরুপায় এলাকাবাসী জলের দাবিতে এবার আমরণ অনশন শুরু করলেন। ঘটনাস্থল পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সুনীত বন্দ্যোপাধ্যায় রোড। পুরুষ মহিলা নির্বিশেষে শনিবার থেকে তারা লেপ কম্বল নিয়ে আমরণ অনশনে বসেছেন। লোকসভা ভোটের মুখে এহেন অনশন ঘিরে ফের প্রকাশ্যে এসেছে পানিহাটি পুরসভার বেআব্রু চিত্র। শাসক দলকে বেকায়দায় ফেলতে বিরোধীদের কটাক্ষ, যদি মানুষকে পরিষেবাই দিতে না পারে তাহলে পুরসভা রেখে লাভ কি? বরঞ্চ পুরসভাটাই তুলে দিক। গত মাসের ১৯ ও ২০ তারিখ পরপর দুদিন পানীয় জলের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন ঘোলা গার্লস হাইস্কুল সংলগ্ন সুনিত বন্দ্যোপাধ্যায় রোডের বাসিন্দারা। পানিহাটি পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের শুধু ওই এলাকায় নয়, মহম্মদ কালাচাঁদ রোড, পূর্বাঞ্চল, দ্বারিক বন্দ্যোপাধ্যায় রোডের বাসিন্দারা গত কয়েক মাস ধরে পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন। সমস্যায় পড়েছেন বিস্তীর্ণ ওয়ার্ডের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। এমন অবস্থা হয়েছে খাওয়ার জল থেকে স্নান, কাপড়া কাচার জলও কিনতে হচ্ছে। স্থানীয় পুরসভা থেকে দিদিকে বলো এমনকী ঘোলা থানাতে  বিষয়টি জানানো হলেও কোনও লাভ হয়নি। তাই এবার আমরণ অনশনের পথ বেছে নিলেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় ক্লাবের মঞ্চে তাবু খাটিয়ে তারা অনশন শুরু করেছেন। বাসিন্দাদের আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ওই ক্লাবের সদস্যরাও। যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রয়োজনীয় লিখিত আশ্বাস তারা পাচ্ছেন ততক্ষণ তারা অনশন চালিয়ে যাবেন। তাতে তাদের মৃত্যু হলে হবে।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের নাকি বাড়ি-গাড়ি নেই! সোনা-ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স কত জানেন?

    চেয়ারম্যান-বিধায়ক একে অপরের দিকে দায় ঠেলতে ব্যস্ত

    মানুষ সমস্যায় পড়লেও সমস্যার সমাধান না করে পানিহাটির (Panihati) পুরপ্রধান মলয় রায় ও বিধায়ক নির্মল ঘোষ একে অপরের ঘাড়ে দায় ঠেলতে ব্যস্ত। বিধায়ক বলছেন, ‘পুরপ্রধানের অসুস্থতার কারণে সমস্যার দিকে তিনি নজর দিতে পারছেন না। এবার আমাকেই হস্তক্ষেপ করতে হবে। আমি অনশনকারীদের সঙ্গে কথা বলবো’। আবার পুরপ্রধান বলছেন, ‘ বিধায়ক আমার অসুস্থতার কথা বলে আদতে পুরসভা এবং দলকে বিড়ম্বনায় ফেলছেন। কিন্তু ব্যর্থতা কোথায় তা খুঁজে বের করছেন না’। যা শুনে বাসিন্দারা বলছেন, ‘রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলুখাগড়ার প্রাণ যায়’। বিরোধীদের কটাক্ষ, আসলে সমস্যার মেটানোর নামে তৃণমূলেরই একপক্ষ অপর পক্ষকে দোষারোপ করে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে টিকে থাকতে চাইছে। যার ফল ভুগছে সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “প্রতারক মুকুটমণিকে একটাও ভোট দেবেন না”, আর্জি তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রীর

    Ranaghat: “প্রতারক মুকুটমণিকে একটাও ভোট দেবেন না”, আর্জি তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রতারক মুকুটমণিকে একটাও ভোট দেবেন না।” শনিবার বিকালে রানাঘাটে (Ranaghat) মহাগুরুর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়ে ভোটারদের কাছে এমনই আর্জি জানালেন তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রী স্বস্তিকা ভুবনেশ্বরী। ভোটের আগেই মুকুটমণি অধিকারীর স্ত্রীর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ঘটনায় বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে শাসক দল। তৃণমূল প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    মিঠুনের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান (Ranaghat)

    রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের লোকসভা নির্বাচনের ২৪ ঘণ্টা আগে বড়সড় চমক দিল বিজেপি। তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারীর স্ত্রী বিজেপিতে যোগদান করলেন। বলিউড সুপারস্টার তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর হাত ধরে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। শনিবার শেষ মুহূর্তের প্রচারে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের হয়ে ভোট প্রচারে আসেন বিজেপির তারকা ক্যাম্পেনার তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। এদিন হেলিকপ্টারে আসার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি সড়ক পথেই নদিয়ার রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের তাহেরপুরের নেতাজি মাঠে আসেন। সেখানে জগন্নাথ সরকারের হয়ে ভোট প্রচার করেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেই মঞ্চ থেকেই রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের উপস্থিতিতে মিঠুন চক্রবর্তীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর স্ত্রী স্বস্তিকা ভুবনেশ্বরী। যদিও কিছুদিন আগে মুকুটমণি অধিকারীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের একটি কথা উঠে আসে এবং সূত্র মারফত জানা যায় সেই বিবাহ বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছে। এখনও পর্যন্ত খাতায়-কলমে তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারীরই স্ত্রী হচ্ছেন স্বস্তিকা ভুবনেশ্বরী। তাই ভোটের আগে তৃণমূল প্রার্থী স্ত্রীকে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে এক বড়সড় চমক দিল বিজেপি।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের নাকি বাড়ি-গাড়ি নেই! সোনা-ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স কত জানেন?

    বিজেপিতে যোগ দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রী কী বললেন?

    এদিন মঞ্চ থেকেই স্বস্তিকা ভুবনেশ্বরী বলেন, আমি নিজের ইচ্ছেতেই বিজেপিতে যোগদান করেছি। মুকুটমণি লোভী। তাঁকে ভোট দিলে প্রতারিত হবেন। বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারকে ভোট দিন। এলাকার উন্নয়ন হবে। যদিও এদিনের এই সভা মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক সুযোগ-সুবিধা এবং প্রকল্পের কথাও জানান বিজেপি নেতা তথা তারকা ক্যাম্পেনার মিঠুন চক্রবর্তী। তবে, শেষ প্রচারের আগে নতুন চমক এনে ভোট বাক্সে অনেকটাই প্রভাব ফেলবে বিজেপি এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও এ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: আজ চতুর্থ দফায় রাজ্যে কোন কোন কেন্দ্রে ভোট, প্রার্থী কারা? জেনে নিন

    Lok Sabha Election 2024: আজ চতুর্থ দফায় রাজ্যে কোন কোন কেন্দ্রে ভোট, প্রার্থী কারা? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ লোকসভা নির্বাচনে চতুর্থদফা ভোট (Lok Sabha Election 2024) গ্রহণ হবে। এই পর্বে মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট, বীরভূম জেলার বোলপুর ও বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানের বর্ধমান-দুর্গাপুর ও আসানসোলে ভোটগ্রহণ হবে। ইতি মধ্যে রাজ্যে গত তিন দফায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে বলে কমিশন জানিয়েছে।

    কোন কেন্দ্রে কে কে প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024)

    বহরমপুর-অধীর চৌধুরী (কংগ্রেস)-ইউসুফ পাঠান (তৃণমূল কংগ্রেস)-নির্মল কুমার সাহা (বিজেপি)

    কৃষ্ণনগর-মহুয়া মৈত্র (তৃণমূল কংগ্রেস)-অমৃতা রায় (বিজেপি)-এস এম সাদি (সিপিএম)

    রাণাঘাট-মুকুটমণি অধিকারী (তৃণমূল কংগ্রেস), জগন্নাথ সরকার (বিজেপি)-অলোকেশ দাস (সিপিএম)

    বর্ধমান পূর্ব-শর্মিলা সরকার (তৃণমূল কংগ্রেস), অসীম সরকার (বিজেপি)-নীরব খাঁ (সিপিএম)

    বর্ধমান-দুর্গাপুর-কীর্তি আজাদ (তৃণমূল কংগ্রেস),দিলীপ ঘোষ (বিজেপি),সুকৃতি ঘোষাল (সিপিএম)

    আসানসোল-শত্রুঘ্ন সিনহা (তৃণমূল কংগ্রেস)-এসএস আহলুওয়ালিয়া (বিজেপি)-জাহানারা খান (সিপিএম)

    বোলপুর-অসিত কুমার মাল (তৃণমূল কংগ্রেস), পিয়া সাহা (বিজেপি), শ্যামলী প্রধান (সিপিএম)

    বীরভূম-শতাব্দী রায় (তৃণমূল কংগ্রেস), মিল্টন রশিদ (কংগ্রেস), দেবতনু ভট্টাচার্য (বিজেপি)

    একনজরে চতুর্থ দফায় হেভিওয়েট প্রার্থীরা

    অধীর চৌধুরী- কংগ্রেস – বহরমপুর (পশ্চিমবঙ্গ)

    অখিলেশ যাদব – সমাজবাদী পার্টি- কনৌজ (উত্তরপ্রদেশ)

    মহুয়া মৈত্র – তৃণমূল কংগ্রেস- কৃষ্ণনগর (পশ্চিমবঙ্গ)

    দিলীপ ঘোষ- বিজেপি- বর্ধমান দুর্গাপুর (পশ্চিমবঙ্গ)

    শত্রুঘ্ন সিংহ – তৃণমূল কংগ্রেস- আসানসোল (পশ্চিমবঙ্গ)

    সোমবার চতুর্থ দফায় বাংলার জন্য কত বাহিনী

    চতুর্থ দফায় (Lok Sabha Election 2024) রাজ্যের মোট ১৫,৫০৭টি বুথে ভোট গ্রহণ হবে। রাজ্যের এই পর্বে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন বেশ তৎপর। বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রে মোতায়েন করা হয়েছে মোট ১৫২ কোম্পানি। বীরভূমে ১৩১ কোম্পানি, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৮৮ কোম্পানি, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ৮১ কোম্পানি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ৭৩ কোম্পানি, রানাঘাট পুলিশ জেলায় ৫৪ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

    আরও পড়ুনঃ “এটাও জেতা সিট, তাই লক্ষাধিক মার্জিনে জিততে চাই”, শেষ বেলার প্রচারে আত্মবিশ্বাসী দিলীপ

    এই পর্বে মোট স্পর্শ কাতর বুথ

    এই পর্বে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মোট স্পর্শ কাতর বুথের সংখ্যা হল ৩৬০০। তবে কমিশন বীরভূম এবং মুর্শিদবাদে বিশেষ নজর দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। স্পর্শকাতর বুথের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বোলপুর। সেখানকার ৬৫৯টি বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে বীরভূমের ৬৪০টি বুথ, বহরমপুরের ৫৫৮টি বুথ, বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে ৪২২টি বুথ, রানাঘাটের ৪১০টি বুথ, কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের ৩৩৮টি বুথ, আসানসোলের ৩১৯টি বুথ, বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের ৩০১টি বুথকে স্পর্শকাতর বুথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ালো তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Malda: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ালো তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় নাম জড়ালো তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের। টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে বিষয়টি। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে টাকা ফিরিয়ে না দিতে চাওয়ার অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনায় রীতিমত শোরগোল পড়েছে মালদার (Malda) গাজোল ব্লকে।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Malda)

    অভিযোগকারীর নাম সুকুমার বালো। তাঁর বাড়ি গাজলের (Malda) শংকরপুর এলাকায়। তিনি বলেন, আমার স্ত্রীকে ২০১৬ সালে প্রাথমিক স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে গাজলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন আমার কাছ থেকে ১২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেয়। প্রাথমিক চাকরি পদে নিয়োগের নিয়োগ পত্র দেওয়া হয় আমাকে। সেই নিয়োগপত্র নিয়ে গাজোলের একটি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন আমার স্ত্রী। তারপর দুই সপ্তাহ পর এসআই অফিস থেকে নিয়োগ পত্রটি দেখতে চাওয়া হয় এবং সেখানেই এসআই অফিস জানিয়ে দেন নিয়োগপত্রটি নকল। তাই, সেটি বাতিল করা হয়েছে। তারপর টাকা ফেরতের জন্য গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেনের কাছে আমরা যাই। প্রথমে, টাকা দিতে অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে তিনি একটি চেক দেন। কিন্তু, সেই চেক ব্যাংকে জমা দিলে সেই চেক বাউন্স হয়। আমরা সেই বিষয়ে তাকে জানিয়েছি। কিন্তু, তিনি আমাদের টাকা দেননি। অবশেষে মালদা জেলা আদালতে আমরা আদালত মামলা করি। মালদা জেলা আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেয়। অভিযুক্ত মোজাম্মেল হোসেনকে টাকা ফেরতের জন্য জেলা আদালত নির্দেশ দেন। তারপরেও আদালতের নির্দেশকে না মেনে টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে আমরা আবারও জেলা আদালতের দ্বারস্থ হই। পাশাপাশি টাকা চাইতে গেলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের নাকি বাড়ি-গাড়ি নেই! সোনা-ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স কত জানেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন গাজল (Malda) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন। তিনি বলেন, সুকুমার বালো বলে আমি কাউকে চিনি না। এটা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র। আমার নাম কে বদনাম করার জন্য এসব করা হচ্ছে। আইন সবার জন্য। যিনি অভিযোগ করেছেন সে ক্ষেত্রে তিনি যদি আমার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন তাহলে আমিও তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে দ্বারস্থ হব।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক চিন্ময়ী দেব বর্মন বলেন, আদালতের নির্দেশের পরও তৃণমূল নেতা টাকা ফেরত দিচ্ছে না। ফলে, অবিলম্বে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiranmoy Chattopadhyay: প্রচারের মাঝেই আচমকা সেলুনে বিজেপি প্রার্থী, ৮২ দিন পর চুল কেটে চর্চায় হিরণ

    Hiranmoy Chattopadhyay: প্রচারের মাঝেই আচমকা সেলুনে বিজেপি প্রার্থী, ৮২ দিন পর চুল কেটে চর্চায় হিরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের প্রচারে সারাদিন ব্যাপক ব্যস্ততায় প্রচার অভিযানে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiranmoy Chattopadhyay)। দলীয় কর্মসূচি, রোড শো, পথসভা, জনসভা ইত্যাদির চাপে ঠিক নেই স্নান-খাওয়ার সময়। এমনকী চুল কাটারও সময়ও পাননি তিনি। অবশেষে নির্বাচনী ব্যস্ততার মধ্যে আজ ৮২ দিন পর চুল কেটে চাঞ্চল্য ফেলে দিলেন এই প্রার্থী। আজ দাসপুরের হরিরামপুরে নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন হিরণ। সেখানেই হঠাৎ এলাকার একটি সেলুনে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর সেখানে কেটে ফেললেন নিজের চুল-দাড়ি। বিজেপির এই তারকা প্রার্থী হিরণকে দেখতে পেয়ে বেজায় খুশি সেলুনের মালিক রতন নাপিত। এলাকায় এই নিয়ে ভোটের প্রচার জমে উঠেছে।

    অভিনব ভোট প্রচার (Hiranmoy Chattopadhyay)

    ঘটালের প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiranmoy Chattopadhyay) নাপিতের দোকানে গেলে আসে পাশের অনেক মানুষ তাঁকে দেখার জন্য ভিড় জমান। দোকানের নাপিত বলেন, “আগে এত বড় মাপের কেউ আমাদের এই দোকানে আসেননি। খুব ভালো লাগছে।” ইতিমধ্যে তাঁকে দেখতে আসা প্রার্থীরা জয় শ্রী রাম ধ্বনি দিতে শুরু করে। অনেকেই তাঁকে ফুলের মালা পড়িয়ে দেন। উল্লেখ্য একই ভাবে নির্বাচনী প্রচারে অভিনব প্রচার করে তাক লাগিয়েছিলেন দক্ষিণ মালদার প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র। তিনি দোকানে সবজি বিক্রি করে, চায়ের দোকানে চা বানিয়ে চমক দিয়ে ছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ পুলিশকে পেটানোর অভিযোগে গেফতার ৭ তৃণমূল কর্মী, শোরগোল

    কী বললেন হিরণ?

    এদিন চুল কেটে নাপিতকে ১০০ টাকা দেন হিরণ (Hiranmoy Chattopadhyay)। তারপরে বলেন, “আজ ৮২ দিন পর চুল দাড়ি কাটলাম। নির্বাচনের ব্যস্তার জন্য চুল কাটা হয়নি। ৮২ দিন ধরে হেঁটে চলেছি। সকাল ৯ টা থেকে রাত্রি ১১ টা পর্যন্ত প্রচার কাজে থাকি। এই জায়গা দিয়ে যাচ্ছিলাম তাই রতনদা বললেন আমার দোকান দেখে যান। ওর ডাকেই আজ ঢুকে পড়লাম। আগে তো মাটিতে ইটে বসে চুল কাটাতাম। আমি কোনও বড় মানুষ নই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election: চতুর্থ দফা ভোটের আগে বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি বিএসএফের

    Lok Sabha Election: চতুর্থ দফা ভোটের আগে বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চতুর্থ দফার ভোটের (Lok Sabha Election) আগে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন করলেন বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের এডিজি। ইতিমধ্যে বিএসএফের তরফ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এডিজি রবি গান্ধী নদিয়া, মুর্শিদাবাদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন করে সেখানে নজরদারি বৃদ্ধি করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশ বড় সমস্যা। তার ওপরে চলছে দেশের সাধারণ নির্বাচন। এই আবহে সীমান্তে কড়া ব্যবস্থা রাখতে চাইছে বিএসএফ। কড়া নজরদারি চালাতে চাইছে বিএসএফ।

    আরও পড়ুুন: বাংলায় বিজেপির ক্লিন স্যুইপ, ভোটের ফল নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মুর্শিদাবাদ জেলায় বহরমপুর, নদিয়া, রানাঘাট ও কৃষ্ণনগরে 

    প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election) মুর্শিদাবাদ জেলায় বহরমপুর, নদিয়া, রানাঘাট ও কৃষ্ণনগরে ভোট রয়েছে। এই আসনগুলি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন। প্রসঙ্গত, রবি গান্ধীর পাশাপাশি এদিন পরিদর্শনে ছিলেন আয়ুষ্মণি তিওয়ারি, যিনি সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি রয়েছেন। বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের এই দলটি বহরমপুরের সদর দফতরে যেমন যায়, তেমনই পদ্মা নদীর ধারে সীমান্ত এলাকায়  নির্বাচনের প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখে।

    পরিদর্শনে এডিজি

    জানা গিয়েছে, এর পাশাপাশি রবি গান্ধী ১৪৯তম ব্যাটেলিয়ানের সীমান্ত কানাপাড়া এবং নির্মলচর পরিদর্শন করেন। সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়াও, ৭৩তম ব্যাটেলিয়ানের অন্তর্গত হারুডাঙ্গাও পরিদর্শন করেন রবি গান্ধী। এর পাশাপাশি (Lok Sabha Election) ১৪৬ এবং ৮৬ তম ব্যাটেলিয়ান সীমান্ত মেঘনা ও শিকারিপুরও পরিদর্শন করেন তিনি।

    জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে

    বিএসএফের তরফ থেকে বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, রবি গান্ধীর এই সফর ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বিএসএফ সদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করতে। বিএসএফের তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ কীভাবে মোকাবিলা করা হবে সে বিষয়ে উল্লেখযোগ্য পরামর্শ দিয়েছেন এডিজি। আঞ্চলিক অখন্ডতা (Lok Sabha Election) বজায় রাখার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ration Card List: সক্রিয় রেশন কার্ডের তথ্য চেয়েও পেল না ইডি, খাদ্য দফতরের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ?

    Ration Card List: সক্রিয় রেশন কার্ডের তথ্য চেয়েও পেল না ইডি, খাদ্য দফতরের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এই কত সক্রিয় রেশন কার্ড (Ration Card list) রয়েছে সেই তথ্য জানতে চেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) । ইডি খাদ্য দপ্তরের রেশন বন্টন দুর্নীতির তদন্ত চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই খাদ্য দপ্তরকে একটি চিঠি দিয়েছে ইডি। কিন্তু তার জবাব মেলেনি রাজ্যের তরফে। পুনরায় চিঠি পাঠানো হবে এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    রেশনের কালোবাজারি ধরতে চায় ইডি

    খাদ্য বন্টন দুর্নীতি মামলায় আগেই গ্রেপ্তার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) । গ্রেফতার হয়েছেন তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রীর সহযোগী ব্যবসায়ী রাকিবুর রহমান সহ অনেকেই। এই মামলাতেই তদন্ত করতে গিয়ে হামলার শিকার হন ইডি আধিকারিকরা। যার জেরে গ্রেপ্তার হয়েছেন শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan) । তিনিও খাদ্য মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে খাদ্য বন্টন দুর্নীতি মামলায় তদন্তের প্রয়োজনেই রাজ্যের কত সক্রিয় রেশন (Ration Card list) কার্ড রয়েছে সেই তথ্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সক্রিয় রেশন কার্ডের তথ্য পেলে সরকারি তরফে কত মাল এফসিআই গোডাউনে পৌঁছয় এবং বণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের কাছে কী পৌঁছয় বা পৌঁছানো উচিত এবং কতটা কালোবাজারি হয় সেই সম্পর্কে একটি ধারণা করতে পারবেন ইডি আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: অভিষেকের নাকি বাড়ি-গাড়ি নেই! সোনা-ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স কত জানেন?

    রেশন কার্ড সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে ইডি (Ration Card list)

    খাদ্য দপ্তরের কাছে ইডি জানতে চেয়েছে রাজ্যের সক্রিয় রেশন কার্ড (Ration Card list) কতগুলি রয়েছে। অর্থাৎ কতগুলি রেশন কার্ডে নিয়মিত রেশন তোলা হয়। এ প্রসঙ্গে ইডি আরও জানতে চেয়েছে ২০১৯ সালের আগে রাজ্যে কতগুলি রেশন কার্ড ছিল। এখন সেই সংখ্যায় কত বদল এসেছে। খাদ্য দপ্তরকে পাঠানো চিঠিতে ইডি জানতে চেয়েছে রেশন কার্ড ডিজিটাল হওয়ার পর কত রেশন কার্ড বাতিল হয়েছে। এমনকি চিঠিতে ইডি এটাও জানতে চেয়েছে যে মৃত্যুর পর কোনও ব্যক্তির রেশন কার্ড বাতিল করার কী নিয়ম রয়েছে এই রাজ্যে। রাজ্যের কাছে মৃত্যুর পরও রেশন তোলা হয়েছে বেআইনিভাবে এই সংক্রান্ত কোন তথ্য আছে কি না। ইডি আধিকারিকদের মতে রাজ্যের সক্রিয় রেশন কার্ডের সংখ্যা জানলে রাজ্যে রেশনের সঠিক চাহিদা কত তা জানতে পারবেন তাঁরা। যদিও খাদ্য দপ্তরের তরফ থেকে এখনও জবাব মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share